Tag: Bengali news

Bengali news

  • TMC Rule: তৃণমূল রাজত্বে ইস্যু হওয়া সব কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ রাজ্যের

    TMC Rule: তৃণমূল রাজত্বে ইস্যু হওয়া সব কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে ইস্যু হওয়া সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যে পালাবদলের সরকার। ওই শংসাপত্রগুলির সত্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী জেলাশাসকদের ১.৬৯ কোটি তফশিলি জাতি (SC), তফশিলি উপজাতি (ST) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (OBC) শংসাপত্র (Caste Certificates) আবার যাচাই করতে হবে। গত কয়েক বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজত্বে (TMC Rule) ইস্যু হওয়া বহু কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে অভিযোগ ওঠার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের নির্দেশিকা (TMC Rule)

    ১৪ মে অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের সচিবের জারি করা এক নির্দেশে বলা হয়েছে, “আপনারা অবগত আছেন যে ২০১১ সাল থেকে প্রায় ১.৬৯ কোটি কাস্ট সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, ২০১১ সালের পর ইস্যু হওয়া কিছু শংসাপত্রের সত্যতা ও বৈধতা বিভিন্ন মহলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।” নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, “অতএব, মহকুমা শাসকদের (যাঁরা সার্টিফিকেট দেন) ২০১১ সাল থেকে ইস্যু হওয়া সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট পুনরায় যাচাই করার পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।” যেসব ব্যক্তির নাম বিশেষ সংশোধিত তালিকা (SIR) প্রক্রিয়ার সময় ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের দেওয়া শংসাপত্রও খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে বাতিল করা হতে পারে।

    ‘দুয়ারে সরকার’

    উল্লেখ্য, ১.৬৯ কোটির মধ্যে প্রায় ৪৭.৮০ লাখ শংসাপত্র ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মাধ্যমে পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে ইস্যু করা হয়েছিল। চিঠি অনুযায়ী, এই পর্বে কিছু দ্বিতীয় প্রজন্মের কাস্ট সার্টিফিকেটও ইস্যু হয়ে থাকতে পারে। মোট শংসাপত্রের মধ্যে প্রায় ১ কোটি তফশিলি জাতির জন্য, ২১ লাখ তফশিলি উপজাতির জন্য এবং ৪৮ লাখ অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ইস্যু করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত (TMC Rule), ‘দুয়ারে সরকার’ ছিল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের একটি জনসংযোগমূলক কর্মসূচি। এটি চালু হয়েছিল ১ ডিসেম্বর, ২০২০। এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল গ্রাম পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং ওয়ার্ড স্তরে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করে সরকারি প্রকল্প, কাস্ট সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য জনসেবামূলক সুবিধা সরাসরি নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে।

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সচিব আরও জানান, ফের যাচাই করার সময় যদি দেখা যায় যে কোনও শংসাপত্র বেআইনিভাবে ইস্যু (Caste Certificates) করা হয়েছে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি (শনাক্তকরণ) আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৯ ও ১০ এবং ১৯৯৫ সালের সংশ্লিষ্ট বিধির ৩ থেকে ৭ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে (TMC Rule)।

     

  • New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার শহরে মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই দেখা গেল পরিবর্তনের ছবি। শহরের বিভিন্ন মসজিদে (Mosques) মুসল্লিরা রাস্তার ওপর নন, মসজিদ চত্বরের মধ্যেই নমাজ আদায় করেন (New Namaz Guidelines)। নয়া সরকারের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলার ওপর জোর দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পুলিশ মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল। বিভিন্ন এলাকায় সমাজের প্রবীণ ব্যক্তি, মসজিদ কমিটি এবং পুলিশ একসঙ্গে সমন্বয় করে যাতে কোনও বিঘ্ন ছাড়াই নমাজ আদায়-পর্ব সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করেন। অনেক মসজিদে ইমামরা খুতবার সময় মুসল্লিদের রাস্তার ওপর নমাজ না পড়ার অনুরোধ জানান।

    মৌখিক নির্দেশেই হয়েছে কাজ (New Namaz Guidelines)

    রাজ্যের নয়া সরকার সম্প্রতি উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অগ্রাধিকারের কথা জানিয়েছিল। সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার সোমবার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে ধর্মীয় স্থানের বাইরে লাউডস্পিকারের শব্দ যেন না যায় এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ছাড়া প্রার্থনার জমায়েত যেন রাস্তা অবরুদ্ধ করে সাধারণ মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি না করে। যদিও এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় থানাগুলি থেকে মৌখিক নির্দেশ পৌঁছে দেওয়া হয়। শুক্রবার বড় বড় মসজিদের সামনে পুলিশ মোতায়েন ছিল, যাতে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় আয়োজকদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করা যায়।

    নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে

    রবীন্দ্র সরণির কাছে নাখোদা মসজিদে শুক্রবার সকাল থেকেই পুলিশ ঘোষণা করে, নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে। নমাজের সময় ঘনিয়ে আসতেই বহু মুসল্লি মসজিদে প্রবেশের জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ান। অনেককে ভেতরে জায়গা দেওয়া হলেও, কিছু মানুষ জায়গা না পেয়ে পাশের ফুটপাথে নমাজ পড়ার অনুমতি চান (New Namaz Guidelines)। প্রথমে পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি, তবে জায়গার অভাবের কারণে পরে সীমিত সংখ্যক মুসল্লিকে ফুটপাথে নমাজ পড়তে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা জানান, এই ব্যবস্থা সাময়িক। এক পুলিশ অফিসার বলেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে সবাইকে মসজিদের ভেতরেই নমাজ পড়তে হবে (Mosques)।”

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টির বক্তব্য

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টিরা জানান, আগামী শুক্রবার থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। মসজিদের ট্রাস্টি নাসের ইব্রাহিম বলেন, “আমরা দুই দফায় নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করার কথা ভাবছি।” নমাজ শুরু হওয়ার আগে ইমাম শফিক কাসমি মুসল্লিদের মসজিদের ভেতরে নমাজ পড়ার আহ্বান জানান। কলকাতার রয়েড স্ট্রিট, বেনিয়াপুকুর, খিদিরপুর, মোমিনপুর, তপসিয়া এবং পার্ক সার্কাস-সহ বিভিন্ন এলাকায়ও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। সর্বত্রই অধিকাংশ মুসল্লি মসজিদের ভেতরেই নমাজ আদায় করেছেন।কিছু জায়গায় যাঁরা ভেতরে জায়গা পাননি, তাঁরা মসজিদ লাগোয়া ফুটপাথে নমাজ আদায় করেন। যদিও মূল রাস্তা খোলা রাখা হয়েছিল যান চলাচলের জন্য।

    কী বললেন রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম

    রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম মওলানা শাব্বির মিসবাহি বলেন, “স্থানীয় থানা থেকে আমাদের বলা হয়েছিল, বাইরে নমাজ আদায় করায় নিরুৎসাহিত করতে হবে (New Namaz Guidelines)।” স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, অনেক মুসল্লি স্থানীয় মসজিদে জায়গা না পেয়ে স্বেচ্ছায় কাছাকাছি অন্য মসজিদে চলে গিয়েছিলেন। রাজাবাজার এলাকায় একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় কিছু মানুষের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির সহায়তায় দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হয়। পরে মুসল্লিদের পাশের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। জুম্মার নমাজের সময় কলকাতার অধিকাংশ এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল (Mosques)।

     

  • BJP Bengal: “বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না”, বিজেপি কর্মীদের বার্তা শমীকের

    BJP Bengal: “বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না”, বিজেপি কর্মীদের বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম বাংলার মসনদে এসেছে বিজেপি (BJP Bengal)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে কার্যত পর্যুদস্ত করে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে পদ্ম-পার্টি (Indiscipline)। এমতাবস্থায় গেরুয়া দলের গায়ে যাতে কলঙ্কের কালি না লাগে, সেই ব্যবস্থাই করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির কোনও নেতা-কর্মী বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না। প্রত্যেকের গতিবিধির ওপর নজর রাখবে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। দল-বিরোধী আচরণ করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নেমে আসতে পারে বহিষ্কারের মতো শাস্তির খাঁড়াও। শুক্রবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে দলীয় বৈঠকে বসেছিল বিজেপি। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, বেসামাল কোনও আচরণ করলে রেয়াত করা হবে না সদ্য বিজয়ী বিধায়কদেরও।

    শমীকের সাফ কথা (BJP Bengal)

    জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানিয়ে দেন, কোনও সিন্ডিকেট, তোলাবাজি চলবে না (Indiscipline)। টোটো-অটোর দখলদারিও বরদাস্ত করা হবে না। বিরোধী দলের কার্যালয়ও দখল করা যাবে না (BJP Bengal)।  বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী, জেলা সভাপতি এবং জেলা ইনচার্জরাও। দলে যাতে ‘বেনো জল’ ঢুকে না পড়ে, সেজন্যও এদিন সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেতাদের। শমীক বলেন, “এই মুহূর্তে তৃণমূলের অনেকেই বিজেপিতে যোগদানের চেষ্টা করছেন। তবে আপাতত অন্য দল থেকে কাউকে নেওয়া যাবে না। এমন অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। শুধু নেতা-কর্মীরাই নন, বিধায়করাও এই নির্দেশিকার ঊর্ধ্বে নন। তাঁদেরও রেয়াত করা হবে না।”

    জনসংযোগ বৃদ্ধিতে জোর

    বিধায়কদের জনসংযোগ বৃদ্ধিতেও জোর দেন শমীক। বলেন, “বিধায়কদের গ্রামে গ্রামে যেতে হবে। স্থানীয়দের ধন্যবাদজ্ঞাপন করতে হবে।” এদিনের বৈঠকে জেলা সভাপতিদের কোর কমিটির নির্দেশমতো চলার কথাও বলেন বনশন। বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বলেন, “একা কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। উন্নয়নের সিদ্ধান্তও নয়। ১৫ জনের কোর কমিটি গঠন হবে (Indiscipline)। ওই কমিটির সঙ্গে একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।” আগামী সপ্তাহের মধ্যে কোর কমিটি গড়ার নির্দেশও জেলাগুলিকে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব (BJP Bengal)।

     

  • Suvendu Adhikari: জেল-তল্লাশিতে মিলল প্রচুর ফোন, সাসপেন্ড জেল-সুপার-সহ ২, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Suvendu Adhikari: জেল-তল্লাশিতে মিলল প্রচুর ফোন, সাসপেন্ড জেল-সুপার-সহ ২, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল জমানায় প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধে ছিল ঘুঘু। সেই ঘুঘুর বাসা ভাঙতে কোমর কষে ময়াদানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জেলে বসেই ফোনের (Prison Phone) সাহায্যে দিব্যি সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছিল সন্দেশখালির শাহজাহান-সহ অনেক দাগি। গারদের আড়ালে থাকা এই চক্র ভাঙতেই সাসপেন্ড করা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার-চিফ কন্ট্রোলার-সহ ২ জনকে। ওই জেল থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর মোবাইল ফোন। ওই সব ফোনের সিমকার্ড কাদের নামে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জেলবন্দিদের সঙ্গে যাঁরা ফোনে কথা বলেছেন, তাঁরাও অভিযুক্ত।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “প্রেসিডেন্সি জেলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ তদন্ত করে প্রচুর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। অপরাধীরা জেলের মধ্যেও অপরাধচক্র চালিয়ে যাচ্ছিল। বছরের পর বছর এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। দমদম জেল-সহ বিভিন্ন জেলে এই অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আগের সরকারের অপদার্থতায় এই ঘটনা ঘটেছে।”  তিনি বলেন, “সন্দেশখালির কুখ্যাত শাহজাহান-সহ অনেকে জেলে বসেই নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে (Suvendu Adhikari)। জেলে বসে অপরাধচক্র চালানোর ঘটনায় সাসপেন্ড করা হয়েছে ২ জনকে। প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার ও চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত মোবাইলের সিমকার্ড কাদের নামে, তা জানতে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে (Prison Phone)। জেলবন্দিদের সঙ্গে যাঁরা ফোনে কথা বলেছেন, তাঁরাও অভিযুক্ত। সবার বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    জেলে বসেই চালাচ্ছিল অপরাধের নেটওয়ার্ক!

    রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা আগের সরকারে ছিলেন, তাঁদের সাপোর্টও থাকতে পারে, আবার গাফিলতিও থাকতে পারে। শাসকদলের একাংশের সহযোগিতায় গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের মধ্যেও তাদের অপরাধের নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে। আমি স্বরাষ্ট্রসচিবকে বলব কেসটা সিআইডিকে হস্তান্তর করতে। সিমগুলো কাদের নামে আছে, কী করে ঢুকল, এটার রুটটাকে বের করতে হবে, তাহলে এটা বন্ধ হবে।” তিনি বলেন, “এর মধ্যে তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক চাপ কাজ করতে পারে, থাকতে পারেন কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তিও।” প্রসঙ্গত, গত বছর বরানগরের একটি সোনার দোকানে ডাকাতি ও খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, প্রেসিডেন্সি জেলে বসেই সোনার দোকানে হামলার ছক কষা হয়েছিল। বিষয়টি জানতে পেরে জেলে ঘুঘুর বাসা ভাঙতে উদ্যোগী হন মুখ্যমন্ত্রী।

    জেল থেকে উদ্ধার মোবাইল ফোন

    শুক্রবার বিকেলে প্রেসিডেন্সি জেলে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। লিড ধরে বন্দিদের সেলে ঢুকে চালানো হয় খানাতল্লাশি। তার পরেই এক এক করে প্রকাশ্যে আসে (Suvendu Adhikari) কী ভীষণ অপরাধ চক্রের কারবার চালানো হচ্ছিল স্রেফ জেলে বসেই। এসবই হচ্ছিল মোবাইলের মাধ্যমে। জেলের ডাস্টবিন, ইটের খাঁজে থাকা সামান্য ফাটল, বাথরুমের ঘুলঘুলি, ভেন্টিলেটরের কোণ মায় একজস্ট ফ্যানের ব্লেডের পেছনেও লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ফোন। এদিনের তল্লাশিতে সব মিলিয়ে মোট ২৩টি ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২টিই অত্যন্ত ছোট আকারের ‘মাইক্রো ফোন’ এবং একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যান্ড্রয়েড’ ফোন। জানা গিয়েছে, ফোনগুলি কোনও বন্দির কাছে থাকত না, লুকোনো থাকত ‘কমন স্পেসে’। সহজে যাতে কারও নজরে না পড়ে (Prison Phone), তাই এই ব্যবস্থা। এই অপরাধচক্রের শেকড় কতদূর বিস্তৃত, তার নাগাল পেতে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ‘ভয়েস স্যাম্পলিং’ পরীক্ষার মাধ্যমে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হবেন, ফোনগুলির সাহায্যে ঠিক কারা এবং কতবার বাইরে যোগাযোগ করেছে (Suvendu Adhikari)।

     

  • Ramakrishna 648: “শরীরের দাসত্ব—মনের দাসত্ব! ঠিক যেন মুটের অবস্থা! শরীর-মন যেন আমার নয়, আর কারু”

    Ramakrishna 648: “শরীরের দাসত্ব—মনের দাসত্ব! ঠিক যেন মুটের অবস্থা! শরীর-মন যেন আমার নয়, আর কারু”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১২ই এপ্রিল

    কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কাশীপুরের বাগানে সেই উপরের ঘরে শয্যার উপর বসিয়া আছেন। ঘরে শশী ও মণি। ঠাকুর মণিকে ইশারা করিতেছেন — পাখা করিতে। তিনি পাখা করিতেছেন।

    বৈকাল বেলা ৫টা-৬টা। সোমবার চড়কসংক্রান্তি, বাসন্তী মহাষ্টমী পূজা। চৈত্র শুক্লাষ্টমী, ৩১শে চৈত্র, ১২ই এপ্রিল, ১৮৮৬।

    পাড়াতেই চড়ক হইতেছে। ঠাকুর একজন ভক্তকে চড়কের কিছু কিছু জিনিস কিনিতে পাঠাইয়াছিলেন। ভক্তটি ফিরিয়া আসিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কি কি আনলি (Kathamrita)?

    ভক্ত — বাতাসা একপয়সা, বঁটি — দুপয়সা, হাতা — দুপয়সা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ছুরি কই?

    ভক্ত — দুপয়সায় দিলে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — যা যা, ছুরি আন। মাস্টার নিচে বেড়াইতেছেন। নরেন্দ্র ও তারক কলিকাতা হইতে ফিরিলেন। গিরিশ ঘোষের বাড়ি ও অন্যান্য স্থানে গিয়াছিলেন।

    তারক — আজ আমরা মাংস-টাংস অনেক খেলুম।

    নরেন্দ্র — আজ মন অনেকটা নেমে গেছে। তপস্যা লাগাও।

    (মাস্টারের প্রতি) — “কি Slavery (দাসত্ব) of body, — of mind! (শরীরের দাসত্ব — মনের দাসত্ব!) ঠিক যেন মুটের অবস্থা! শরীর-মন যেন আমার নয়, আর কারু।”

    সন্ধ্যা হইয়াছে; উপরের ঘরে ও অন্যান্য স্থানে আলো জ্বালা হইল। ঠাকুর বিছানায় উত্তরাস্য হইয়া বসিয়া আছেন; জগন্মাতার চিন্তা করিতেছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ফকির ঠাকুরের সম্মুখে অপরাধভঞ্জন স্তব পাঠ করিতেছেন। ফকির বলরামের পুরোহিতবংশীয়।

    প্রাগ্‌দেহস্থো যদাসং তব চরণযুগং নাশ্রিতো নার্চিতোঽহং,
    তেনাদ্যেঽকীর্তিবর্গৈর্জঠরজদহনৈর্বধ্যমানো বলিষ্ঠৈঃ,
    স্থিত্বা জন্মান্তরে নো পুনরিহ ভবিতা ক্বাশ্রয়ঃ ক্বাপি সেবা,
    ক্ষন্তব্যে মেঽপরাধঃ প্রকটিতবদনে কামরূপে করালে! ইত্যদি।

    ঘরে শশী, মণি, আরও দু-একটি ভক্ত আছেন।

    স্তবপাঠ সমাপ্ত হইল। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) অতি ভক্তিভাবে হাতজোড় করিয়া নমস্কার করিতেছেন। মণি পাখা করিতেছেন। ঠাকুর ঈশারা করিয়া তাঁহাকে বলিতেছেন “একটি পাথরবাটি আনবে। (এই বলিয়া পাথরবাটির গঠন অঙ্গুলি দিয়া আঁকিয়া দেখাইলেন।) একপো, অত দুধ ধরবে? সাদা পাথর।”

    মণি — আজ্ঞা হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— আর সব বাটিতে ঝোল খেতে আঁষটে লাগে।

  • Daily Horoscope 15 May 2026: চাকরিক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 15 May 2026: চাকরিক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১। কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২। পরিবারের কারও সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলুন।
    ৩। অর্থব্যয়ে সতর্ক থাকুন।

    বৃষ

    ১। পুরনো আটকে থাকা কাজ সম্পূর্ণ হতে পারে।
    ২। প্রেমের সম্পর্কে ভালো সময় যাবে।
    ৩। শরীরের যত্ন নিন, বিশ্রাম দরকার।

    মিথুন

    ১। নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় লাভ হবে।
    ২। চাকরিক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন।
    ৩। অপ্রয়োজনীয় তর্ক এড়িয়ে চলুন।

    কর্কট

    ১। মানসিক চাপ কিছুটা বাড়তে পারে।
    ২। পরিবারের সমর্থন পাবেন।
    ৩। অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা আছে।

    সিংহ

    ১। আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।
    ২। ব্যবসায় লাভের যোগ রয়েছে।
    ৩। ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    কন্যা

    ১। পড়াশোনা ও পরীক্ষায় সাফল্যের সম্ভাবনা।
    ২। বন্ধুর সাহায্য পাবেন।
    ৩। স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    তুলা

    ১। দাম্পত্য জীবনে সুখ থাকবে।
    ২। নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ৩। খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১। কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব বাড়তে পারে।
    ২। হঠাৎ অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে।
    ৩। রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

    ধনু

    ১। শুভ সংবাদ পেতে পারেন।
    ২। ভ্রমণ শুভ হতে পারে।
    ৩। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    মকর

    ১। চাকরি ও ব্যবসায় উন্নতির যোগ।
    ২। পুরনো সমস্যার সমাধান হতে পারে।
    ৩। খাদ্যাভ্যাসে সতর্ক থাকুন।

    কুম্ভ

    ১। নতুন কাজ শুরু করার জন্য দিনটি ভালো।
    ২। বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটবে।
    ৩। অর্থ নিয়ে চিন্তা কমবে।

    মীন

    ১। মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২। কর্মক্ষেত্রে সাফল্য মিলতে পারে।
    ৩। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ভেবে নিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 647: “কখন মীনবৎ — মাছ যেমন জলের ভিতরে সড়াৎ সড়াৎ করে যায় আর সুখে বেড়ায়, তেমনি মহাবায়ু দেহের ভিতর চলতে থাকে আর সমাধি হয়”

    Ramakrishna 647: “কখন মীনবৎ — মাছ যেমন জলের ভিতরে সড়াৎ সড়াৎ করে যায় আর সুখে বেড়ায়, তেমনি মহাবায়ু দেহের ভিতর চলতে থাকে আর সমাধি হয়”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৯ই এপ্রিল

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কাশীপুরের বাগানে নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে
    বুদ্ধদেব ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    নরেন্দ্র — যেমন মাংস খাই, — তেমনি (মাংসত্যাগ করে) শুধু ভাতও খেতে পারি — লুন না দিয়েও শুধু ভাত খেতে পারি।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কথা কহিতেছেন। আবার বুদ্ধদেবের কথা ইঙ্গিত করিয়া জিজ্ঞাসা করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — (বুদ্ধদেবের) কি, মাথায় ঝুঁটি?

    নরেন্দ্র — আজ্ঞা না, রুদ্রাক্ষের মালা অনেক জড় করলে যা হয়, সেই রকম মাথায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — চক্ষু?

    নরেন্দ্র — চক্ষু সমাধিস্থ।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের প্রত্যক্ষ দর্শন — “আমিই সেই”

    ঠাকুর চুপ করিয়া আছেন (Kathamrita)। নরেন্দ্র ও অন্যান্য ভক্তেরা তাঁহাকে একদৃষ্টে দেখিতেছেন। হঠাৎ তিনি ঈষৎ হাস্য করিয়া আবার নরেন্দ্রের সঙ্গে কথা আরম্ভ করিলেন। মণি হাওয়া করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রের প্রতি) — আচ্ছা, — এখানে সব আছে, না? — নাগাদ মুসুর ডাল, ছোলার ডাল, তেঁতুল পর্যন্ত।

    নরেন্দ্র — আপনি ও-সব অবস্থা ভোগ করে, নিচে রয়েছেন! —

    মণি (স্বগত) — সব অবস্থা ভোগ করে, ভক্তের অবস্থায়! —

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কে যেন নিচে টেনে রেখেছে!

    এই বলিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ মণির হাত হইতে পাখাখানি লইলেন এবং আবার কথা কহিতে লাগিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — এই পাখা যেমন দেখছি, সামনে — প্রত্যক্ষ — ঠিক অমনি আমি (ঈশ্বরকে দেখেছি! আর দেখলাম —

    এই বলিয়া ঠাকুর নিজের হৃদয়ে হাত দিয়া ইঙ্গিত করিতেছেন, আর নরেন্দ্রকে বলিতেছেন, “কি বললুম বল দেখি?”

    নরেন্দ্র — বুঝেছি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বল দেখি?

    নরেন্দ্র ভাল শুনিনি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ আবার ইঙ্গিত করিতেছেন (Kathamrita), — দেখলাম, তিনি (ঈশ্বর) আর হৃদয় মধ্যে যিনি আছেন এক ব্যক্তি।

    নরেন্দ্র — হাঁ, হাঁ, সোঽহম্‌।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তবে একটি রেখামাত্র আছে — (‘ভক্তের আমি’ আছে) সম্ভোগের জন্য।

    নরেন্দ্র (মাস্টারকে) — মহাপুরুষ নিজে উদ্ধার হয়ে গিয়ে জীবের উদ্ধারের জন্য থাকেন, — অহঙ্কার নিয়ে থাকেন — দেহের সুখ-দুঃখ নিয়ে থাকেন।

    “যেমন মুটেগিরি, আমাদের মুটেগিরি on compulsion (কারে পড়ে)। মহাপুরুষ মুটেগিরি করেন সখ করে।”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও গুরুকৃপা

    আবার সকলে চুপ করিয়া আছেন। অহেতুক-কৃপাসিন্ধু ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ আবার কথা কহিতেছেন। আপনি কে, এই তত্ত্ব নরেন্দ্রাদি ভক্তগণকে আবার বুঝাইতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) নরেন্দ্রাদি ভক্তের প্রতি — ছাদ তো দেখা যায়! — কিন্তু ছাদে উঠা বড় শক্ত!

    নরেন্দ্র — আজ্ঞে হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তবে যদি কেউ উঠে থাকে, দড়ি ফেলে দিলে আর-একজনকে তুলে নিতে পারে।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের পাঁচপ্রকার সমাধি

    “হৃষীকেশের সাধু এসেছিল। সে (আমাকে) বললে, কি আশ্চর্য! তোমাতে পাঁচপ্রকার সমাধি দেখলাম!

    “কখন কপিবৎ — দেহবৃক্ষে বানরের ন্যায় মহাবায়ু যেন এ-ডাল থেকে ও-ডালে একেবারে লাফ দিয়ে উঠে, আর সমাধি হয়।

    “কখন মীনবৎ — মাছ যেমন জলের ভিতরে সড়াৎ সড়াৎ করে যায় আর সুখে বেড়ায়, তেমনি মহাবায়ু দেহের ভিতর চলতে থাকে আর সমাধি হয়।

    “কখন বা পক্ষীবৎ — দেহবৃক্ষে পাখির ন্যায় কখনও এডালে কখনও ও-ডালে (Kathamrita)।

    “কখন পিপীলিকাবৎ — মহাবায়ু পিঁপড়ের মতো একটু একটু করে ভিতরে উঠতে থাকে, তারপর সহস্রারে বায়ু উঠলে সমাধি হয়। কখন বা তির্যক্‌বৎ — অর্থাৎ মাহবায়ুর গতি সর্পের ন্যায় আঁকা-ব্যাঁকা; তারপর সহস্রারে গিয়ে সমাধি।”

    রাখাল (ভক্তদের প্রতি) — থাক আর কথায়, — অনেক কথা হয়ে গেল; — অসুখ করবে।

  • Post Poll Violence: নবান্নে বিজেপির সরকার, ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বঙ্গে হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে হেরো পার্টি তৃণমূল!

    Post Poll Violence: নবান্নে বিজেপির সরকার, ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বঙ্গে হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে হেরো পার্টি তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসী ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে (Post Poll Violence)! পরাজয়ের গ্লানি মেনে নিতে পারেনি দলের সর্বময় কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং (TMC)! অভিযোগ, এহেন আবহে দিব্যি বাংলায় নির্বাচনোত্তর হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে মমতার সাধের তৃণমূল। মমতার হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর অরাজকতা ও সংঘর্ষ সৃষ্টি করতে তৃণমূল গুন্ডা-বদমায়েশদের মাঠে নামিয়েছে বলে অভিযোগ। গোহারা হেরে গিয়েও পদত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিলেন মমতা। তাঁর দেখাদেখি লাফাতে থাকে তৃণমূলের গুন্ডারা। অভিযোগ, তারা বিজেপি কর্মীদের হত্যা, সম্পত্তি ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষকে হিংসার মাধ্যমে ভয় দেখাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, ৪ মে থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা এমন ঘটনার তালিকা।

    বিজেপির ওপর হামলা (Post Poll Violence)

    ৪ মে, সোমবার রাতে, হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর এলাকায় বছর পঁয়তাল্লিশের বিজেপি কর্মী যাদব বরকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। বিজেপির জয় উদযাপন শুরুর কিছুক্ষণ পরেই ঘটে এই ঘটনা। পরিবারের সদস্যদের দাবি, যাদব অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে রং খেলতে বাইরে বেরিয়েছিলেন। বাড়ি ফিরে কিছুক্ষণ পরে কাছাকাছি একটি পুকুরে স্নান করতে যান। সেই সময় একদল লোক তাঁর ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ, তাঁর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালায়। উদয়নারায়ণপুর হাসপাতালে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন যাদবকে। এদিন রাতে উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা বিধানসভা এলাকায় বিজেপি সমর্থক মদন মোড়লের বাড়িতে তৃণমূল মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মদন বলেন, “আমরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছি। তাই গভীর রাতে তৃণমূলের ৪০-৫০ জন দুষ্কৃতী এসে আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করে, আমাদের মারধরও করে। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। আমি খুব ভয়ে ভয়ে আছি।”

    টালিগঞ্জের পেট্রোল পাম্পে হামলা

    এদিনই, কলকাতার টালিগঞ্জ এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের মালিক শালিনী সেন অভিযোগ করেন, তৃণমূল আশ্রিত ৩০-৪০ জন দুষ্কৃতী তাঁর পাম্পে গিয়ে থ্রেট করে। তিনি বলেন, “ওরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে আমার ম্যানেজারকে হুমকি দেয়। বলে ১০ মিনিটের মধ্যে ট্যাঙ্কার সরাতে হবে, না হলে অশান্তি করবে।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শেষমেশ নির্ভয়ে বাঁচার সুযোগ পাচ্ছেন (Post Poll Violence)।

    বিজেপি নেতাকে পিটিয়ে খুন

    ৫ মে, মঙ্গলবার নিউ টাউনের বালিগুড়ি এলাকায় বিজয় মিছিলে যাওয়ায় বিজেপি নেতা মধু মণ্ডলকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। তাঁর দেহ কাদায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই ঘটনায় পুলিশ তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল ও তার ৪ সহযোগীকে গ্রেফতার করে (TMC)। রাজারহাট-নিউ টাউন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিজেপির পীযূষ কানৌডিয়া বলেন, “আমি বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি, চার ঘণ্টাও হয়নি। আর আমাকেই মালা দিতে হচ্ছে আমার ভাইয়ের মৃতদেহে! আমি পুলিশকে বলেছি, যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তাদের কাউকে যেন রেহাই না দেওয়া হয়।” এদিনই দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে বছর ছেষট্টির বিজেপি কর্মী জগদীশ বসাক ও তাঁর ছেলে জয়ন্ত আক্রান্ত হন। অভিযোগ, তাঁর নাতি বিজেপির জয় উদযাপন করে বাজি ফাটায়, স্লোগান দেয় ‘জয় শ্রীরাম’। এরপর তৃণমূলের লোকজন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। জগদীশের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়, গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় জয়ন্তকে। ৯ মে মৃত্যু হয় জগদীশের (Post Poll Violence)।

    তৃণমূলের হামলা অন্যত্রও

    ৬ মে, বুধবার বিজেপি নেতা (বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী) শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হয় উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে। একটি কালো স্করপিও গাড়িতে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি (TMC)। দুই বাইক আরোহী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লাগে চন্দ্রনাথের মাথা, বুক ও পেটে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। গুলির ঘায়ে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথের গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। তদন্তের জন্য গঠন করা হয়েছে সিট(SIT)। এদিনই বসিরহাটে বিজেপি কর্মী রোহিত রায়কে লক্ষ্য করে তৃণমূল কর্মীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। বিজেপির জয় উদযাপন করতে তিনি এলাকায় টাঙাচ্ছিলেন দলীয় ঝান্ডা। সেই সময় ৮-১০ জন তৃণমূল কর্মী তাঁকে ঘিরে ধরে। তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজন গুলি চালায়। বসিরহাট স্টেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোহিত। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক হলেও, স্থিতিশীল। এই দিনই উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরে বিজেপির বুথ সভাপতি সোমনাথ ধরের ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালানো হয়। জখম হন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূলের রঞ্জিত ধর ও শুভঙ্কর ধর দীর্ঘদিন ধরে তাঁর পৈতৃক বাড়ি দখল করার চেষ্টা করছিল (TMC)। সম্পত্তি ছাড়তে অস্বীকার করায় হামলা চালানো হয় (Post Poll Violence)।

    ছোড়া হল তাজা বোমা 

    এদিনই উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে তাজা বোমা ছোড়া হয়। ওই ঘটনায় ৫ জন গুরুতর জখম হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাইকে চড়ে কয়েকজন এসে ৩টি বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়। আহতদের আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিনই সন্দেশখালির বামনঘেরিয়া এলাকায় টহলদারি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপরও হামলা হয়। দুষ্কৃতীরা গুলি চালালে জখম হন পুলিশ আধিকারিক ভারত পুরকায়েত, ভাস্বত গোস্বামী, এক মহিলা পুলিশ অফিসার এবং ২ সিআরপিএফ জওয়ান। তাঁদের কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ৭ মে, হাওড়ার শিবপুর এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী শামিম আহমেদের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ভিডিও ফুটেজে দেখা (TMC) গিয়েছে, হামলাকারীরা ৭-১৫টি তাজা বোমা ছোড়ে, গুলি চালায় ৭-৮ রাউন্ড। তাদের টার্গেট ছিলেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি মনোজ খান। ওই ঘটনায় জখম হন বিজেপি নেতা মুন্না খান এবং সিকন্দর খানও (Post Poll Violence)।

     

  • Ramakrishna 646: “কি বৈরাগ্য! কিন্তু এ-দিকে ব্যাসদেবের আচরণ দেখুন, — শুকদেবকে বারণ করে বললেন, পুত্র! সংসারে থেকে ধর্ম কর!”

    Ramakrishna 646: “কি বৈরাগ্য! কিন্তু এ-দিকে ব্যাসদেবের আচরণ দেখুন, — শুকদেবকে বারণ করে বললেন, পুত্র! সংসারে থেকে ধর্ম কর!”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৯ই এপ্রিল

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কাশীপুরের বাগানে নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে
    বুদ্ধদেব ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    নরেন্দ্র — আজ্ঞে হাঁ। এদের তিন শ্রেণী আছে, — বুদ্ধ, অর্হৎ আর বোধিসত্ত্ব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — এ তাঁরই খেলা, — নূতন একটা লীলা।

    “নাস্তিক কেন হতে যাবে! যেখানে স্বরূপকে বোধ হয়, সেখানে অস্তি-নাস্তির মধ্যের অবস্থা।”

    নরেন্দ্র (মাস্টারের প্রতি) — যে অবস্থায় contradictions meet, যে হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন-এ শীতল জল তৈয়ার হয়, সেই হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন দিয়ে Oxyhydrogen-blowpipe (জ্বলন্ত অত্যুষ্ণ অগ্নিশিখা) উৎপন্ন হয়।

    “যে অবস্থায় কর্ম, কর্মত্যাগ দুইই সম্ভবে, অর্থাৎ নিষ্কাম কর্ম (Kathamrita)।

    “যারা সংসারী, ইন্দ্রিয়ের বিষয় নিয়ে রয়েছে, তারা বলেছে, সব ‘অস্তি’; আবার মায়াবাদীরা বলছে, — ‘নাস্তি’; বুদ্ধের অবস্থা এই ‘অস্তি’ ‘নাস্তির’ পরে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ — এ অস্তি নাস্তি প্রকৃতির গুণ। যেখানে ঠিক ঠিক সেখানে অস্তি নাস্তি ছাড়া।

    ভক্তেরা কিয়ৎক্ষণ সকলে চুপ করিয়া আছেন। ঠাকুর আবার কথা কহিতেছেন।

    বুদ্ধদেবের দয়া ও বৈরাগ্য ও নরেন্দ্র 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রের প্রতি) — ওদের (বুদ্ধদেবের) কি মত?

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)— ঈশ্বর আছেন, কি, না আছেন, এ-সব কথা বুদ্ধ বলতেন (Kathamrita) না। তবে দয়া নিয়ে ছিলেন।

    “একটা বাজ পক্ষী শিকারকে ধরে তাকে খেতে যাচ্ছিল, বুদ্ধ শিকারটির প্রাণ বাঁচাবার জন্য নিজের গায়ের মাংস তাকে দিয়েছিলেন।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ চুপ করিয়া আছেন। নরেন্দ্র উৎসাহের সহিত বুদ্ধদেবের কথা আরও বলিতেছেন।

    নরেন্দ্র — কি বৈরাগ্য! রাজার ছেলে হয়ে সব ত্যাগ করলে! যাদের কিছু নাই — কোনও ঐশ্বর্য নাই, তারা আর কি ত্যাগ করবে।

    “যখন বুদ্ধ হয়ে নির্বাণলাভ করে বাড়িতে একবার এলেন, তখন স্ত্রীকে, ছেলেকে — রাজ বংশের অনেককে — বৈরাগ্য অবলম্বন করতে বললেন। কি বৈরাগ্য! কিন্তু এ-দিকে ব্যাসদেবের আচরণ দেখুন, — শুকদেবকে বারণ করে বললেন, পুত্র! সংসারে থেকে ধর্ম কর!”

    ঠাকুর চুপ করিয়া আছেন। এখনও কোন কথা বলিতেছেন (Kathamrita)  না।

    নরেন্দ্র — শক্তি-ফক্তি কিছু (বুদ্ধ) মানতেন না। — কেবল নির্বাণ। কি বৈরাগ্য! গাছতলায় তপস্যা করতে বসলেন, আর বললেন — ইহৈব শুষ্যতু মে শরীরম্‌! অর্থাৎ যদি নির্বাণলাভ না করি, তাহলে আমার শরীর এইখানে শুকিয়ে যাক — এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা!

    “শরীরই তো বদমাইস! — ওকে জব্দ না করলে কি কিছু! —”

    শশী — তবে যে তুমি বল, মাংস খেলে সত্ত্বগুণ হয়। — মাংস খাওয়া উচিত, এ-কথা তো বল।

  • Daily Horoscope 14 May 2026: কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 14 May 2026: কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) নিজের চিন্তাভাবনা উন্নত করুন।

    বৃষ

    ১) আজ ভালো ফল পাবেন।

    ২) আধিকারিকরা কাজের প্রশংসা করবে।

    ৩) কর্মশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করতে সফল হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূল প্রমাণিত হবে।

    ২) কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) বন্ধু ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করুন।

    ৩) নিজের কাজে অঢেল সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) সতর্ক থাকুন।

    ৩) আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূলতায় কাটবে।

    ২) ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক জীবনে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

    ৩) ধৈর্য ধরে কাজ করুন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) মেজাজ ভালো থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি আপনার জন্য ভালো।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে নতুন প্রকল্পে লগ্নি করতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অশুভ পরিণাম নিয়ে আসছে।

    ২) অনিয়ন্ত্রিত কিছু ঘটনার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ৩) নিজের কাজে সতর্ক থাকুন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো পরিণাম নিয়ে আসছে।

    ২) নিজের কার্যশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নতুন সম্ভাবনা আপনার সামনে প্রকাশিত হবে, তা স্বীকার করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

    ৩) নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য সময় ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share