Tag: Bengali news

Bengali news

  • Hindus Under Attack: ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি…

    Hindus Under Attack: ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ১২ অক্টোবর থেকে এই মাসেরই ১৮ তারিখ পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূট জেলার ঘুনুয়া গ্রামে খ্রিস্টান ধর্মান্তর চক্র ভেঙে দিয়েছে চিত্রকূট পুলিশ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের কর্মীরা জোরপূর্বক ধর্মান্তরের কার্যকলাপের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করার পর পুলিশ এই পদক্ষেপ নেয়। দু’জনকে পুলিশ আটক করেছে। একজন অভিযুক্ত পালিয়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে খ্রিস্টান ধর্ম-সাহিত্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের উদ্যম সিং নগরে উত্তেজনা ছড়ায় যখন সমাজের নেতৃবৃন্দ ও এক তরুণীর পরিবার পুলিশের এক সাব-ইনসপেক্টরের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’ মামলাটি সঠিকভাবে না সামলানোর অভিযোগ তোলেন। ঘটনাটি ছত্তিশগড়ের এক হিন্দু নারী ও এক মুসলিম পুরুষকে কেন্দ্র করে। বিষয়টি ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে ঘটে চলা বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতি উসকে দেয়। প্রয়াগরাজে এক নাবালিকা হিন্দু অনাথকে জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও গণধর্ষণের এক মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে।

    অব্যাহত নির্যাতন

    জানা গিয়েছে, প্রায় এক বছর আগে উভাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ আলম কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই মেয়েটি ও তার ১০ বছর বয়সী ভাইকে নিয়ে যায়। প্রথমে তাদের এক স্থানীয় খাবারের দোকানে কাজ করানো হয়। কিছুদিন পরে মেয়েটিকে অপহরণ করে অভিযুক্তের বাড়িতে আটকে রাখা হয়, যেখানে তার ওপর নির্যাতন শুরু হয়। কোয়েম্বাটুরের জেলা কালেক্টরের কাছে এক হিন্দু মুন্নানির অভিযোগ, কীরনাথম গ্রামে একটি সিএসআই ক্রাইস্ট চার্চ সরকারি ‘আদিদ্রাবিড়’দের জন্য বরাদ্দ জমিতে জাল পাট্টা নথির মাধ্যমে অবৈধ নির্মাণ করেছে। উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপুরে আহাদ খান নামের এক মুসলিম যুবক নিজের ধর্ম গোপন করে এক হিন্দু নারীকে প্রলুব্ধ করে হোটেলে নিয়ে যায় (Roundup Week)। সতর্ক হিন্দু সংগঠনগুলির দ্রুত হস্তক্ষেপে ঘটনাটি প্রকাশ পায় এবং ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ বা জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য – এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)। দুর্গাপুজো নিয়ে ডেপুটি স্টেট মিনিস্টারের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে সাম্প্রদায়িক, বিভাজনমূলক ও বিপজ্জনক আখ্যা দিয়েছে ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।’ ফরিদগঞ্জের মানিকরাজ গ্রামে উদ্ধার হয়েছে বছর তিরিশের সুজন দেবনাথের দেহ (Roundup Week)। পুলিশ সূত্রে খবর, বিকেল প্রায় সাড়ে ৪টে নাগাদ স্থানীয় একটি জলা থেকে উদ্ধার হয় তাঁর ভাসমান দেহ। গাইবান্ধা জেলার থেংগামারা এলাকায় ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায় আবারও বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের দুর্দশা প্রকাশ্যে এসেছে। পালপাড়া গ্রামের এক মহিলার পঞ্চম শ্রেণি পাঠরতা কন্যাকে অপহরণের পর শোকে মুহ্যমান ওই মহিলা। নোয়াখালির সুবর্ণচরে জনৈক সুব্রত দাসকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সবাই এই নিষ্ঠুর দৃশ্য দাঁড়িয়ে দেখলেও, ভয়ে কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি (Hindus Under Attack)।

    খবরে কানাডাও

    কানাডার একটি চিলডেন্স পার্কের কাছে বর্ণবাদী গ্রাফিতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ওই গ্রাফিতিতে লেখা ছিল “ভারতীয় ইঁদুর”। অ্যাডভোকেসি গ্রুপ যাতে এই ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে, সেই আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে থাকে হিন্দুবিরোধী বিদ্বেষ, যা নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষ স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে, তবে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির (যেমন ভারত) প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম (Roundup Week) ধরনের হিন্দুবিরোধী মনোভাব কাজ করে। এই মনোভাব হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাচারণ ও অপরাধের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে (Hindus Under Attack)।

  • Adina Masjid: আদিনা মসজিদ কি মন্দির? নাকি এর পেছনেও রয়েছে অন্য গল্প?

    Adina Masjid: আদিনা মসজিদ কি মন্দির? নাকি এর পেছনেও রয়েছে অন্য গল্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে পশ্চিমবঙ্গের মালদহের শতাব্দীপ্রাচীন আদিনা মসজিদ (Adina Masjid)। সম্প্রতি এই মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা সাংসদ তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান। তার পরেই বয়ে যায় বিতর্কের ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়া (Malda Mosque) ইউজারদের একাংশের দাবি, মসজিদটি আদতে একটি হিন্দু মন্দির। এক ইউজার লেখেন, “প্রিয় ইউসুফ পাঠান, আপনি দাঁড়িয়ে আছেন ভারতের অন্যতম বৃহৎ হিন্দু মন্দির – আদিনাথ মন্দিরের প্রাঙ্গনে, যা আক্রমণকারীরা ধ্বংস ও দখল করেছিল।” তিনি এর সঙ্গে এমন কিছু ছবিও যুক্ত করেন, যেখানে মন্দিরের ভেতরে হিন্দু মন্দিরের মতো বিভিন্ন নকশা ও খোদাই করা প্রতীক দেখা যায়।

    তীব্র বিতর্ক (Adina Masjid)

    এই কাঠামো নিয়ে প্রথম বিতর্ক তীব্র আকার ধারন করেছিল ২০২২ সালের মে মাসে। ওই সময় বিজেপি নেতা রথীন্দ্র বোস সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন “আদিনাথ মন্দিরটি এই আদিনা মসজিদের নীচে ঘুমিয়ে রয়েছে। জিতু সর্দার এই মন্দির রক্ষায় নিজের জীবন দিয়েছিলেন। এই ইতিহাস অনেকেই জানেন না।” ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তুঙ্গে পৌঁছয় বিতর্ক। ওই সময় হিন্দু পুরোহিত হিরন্ময় গোস্বামী একদল ভক্তকে নিয়ে পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ দফতরের (ASI) তালিকাভুক্ত আদিনা মসজিদ কমপ্লেক্সে পুজো করতে গিয়েছিলেন। পুরোহিতের দাবি, তিনি সেখানে একটি শিবলিঙ্গ ও অন্যান্য পবিত্র প্রতীকের সন্ধান পেয়েছিলেন। শেষমেশ বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ। ওই পুরোহিতের বিরুদ্ধে দায়ের হয় এফআইআর।

    ইতিহাসবিদদের দাবি

    একাধিক ইতিহাসবিদ এবং পুরোহিতের দাবি (Malda Mosque), ইলিয়াস শাহি বংশের সুলতান সিকন্দার শাহ ১৩৭৩–৭৪ খ্রিষ্টাব্দে একটি বিশাল হিন্দু মন্দির ধ্বংস করেন। তার ধ্বংসাবশেষের ওপর নির্মাণ করেন আদিনা মসজিদ। এটি সেই সময় ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় মসজিদ হিসেবে পরিচিত ছিল। ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, সুলতান সিকন্দার শাহ ১৩৬৩ থেকে ১৩৭৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন। মৃত্যুর অল্প আগে তিনি আদিনা মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন, যা পরবর্তীকালে বঙ্গ সুলতানাতের শক্তির প্রতীক হয়ে ওঠে (Adina Masjid)।

    মন্দির না মসজিদ

    বহু প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং স্থানীয় ইতিহাসবিদদের মতেও, এই মসজিদটি গড়ে উঠেছে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কাঠামোর ধ্বংসাবশেষ ব্যবহার করেই। এই দাবির সবচেয়ে প্রাচীন প্রমাণ মেলে মসজিদ কমপ্লেক্সের স্থাপত্য নিদর্শন থেকেই। এর ভিত্তি গঠিত হয়েছে ভারী ব্যাসাল্ট পাথরের গাঁথনিতে, যা প্রাচীন হিন্দু মন্দিরগুলির সাধারণ বৈশিষ্ট্য। আর ওপরের অংশে ব্যবহৃত হয়েছে ইসলামিক ইটের কাজ। অনেক পাথরের ফলকে ফুলের নকশা, পদ্মের অলঙ্করণ এবং খোদাই করা দেবদেবীর প্রতিরূপ দেখা যায়। বস্তুত এগুলি স্পষ্টতই ইসলামিক নকশা নয়। স্থানীয়রা এই জায়গাটিকে ‘আদিনাথ ধাম’ বলেও উল্লেখ করেন। ‘আদিনা’ শব্দটি সম্ভবত ‘আদিনাথ’ (ভগবান শিবের এক নাম) থেকেই বিবর্তিত হয়েছে।

    কী বলছেন গবেষকরা

    গবেষকদের মতে, এই মসজিদের ভেতরে এমন বেশ কিছু নকশাগত অসংগতি রয়েছে, যা শুধুমাত্র ইসলামি স্থাপত্যের মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা যায় না। প্রথমত, মিহরাব (নামাজের দিক নির্দেশক খাঁজ) ও খিলান কাঠামোয় এমন নকশার ছাপ পাওয়া গিয়েছে, যা মসজিদের খোদাইয়ের চেয়ে হিন্দু মন্দিরের দরজার নকশার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। স্তম্ভ ও প্রাচীরের অলংকরণে পদ্মফুল, কেন্দ্রাভিমুখী মণ্ডল (মণ্ডলা), ও নৃত্যরত মানবমূর্তির মতো আইকনোগ্রাফিও দেখা যায়। কাঠামোর কিছু কোণে আংশিক দেবমূর্তির চিত্রও মিলেছে। এর মধ্যে গণেশ ও শিবের নটরাজ রূপের সদৃশ খোদাই উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয়ত, ঐতিহ্যগতভাবে মসজিদ পশ্চিমমুখী (মক্কার দিকে) হয়। কিন্তু আদিনা কাঠামোর কেন্দ্রাংশ একটি প্রাচীন পূর্বমুখী গর্ভগৃহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি হিন্দু মন্দির স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য। তৃতীয়ত, স্থানীয় মৌখিক ঐতিহ্য ও সামাজিক নথিপত্র আদিনা মন্দির হওয়ার দাবিকে আরও শক্তিশালী করে। বহু প্রজন্ম ধরে মালদার গ্রামবাসীরা এই জায়গাকে ‘আদিনাথ ধাম’ বলে অভিহিত করে আসছেন এবং এএসআই রক্ষণাবেক্ষণ শুরু করার বহু আগেই এর আশপাশে মাঝে মাঝে ধর্মীয় আচার পালন করতেন। স্থানীয়দের দাবি, এই ঐতিহ্য ব্রিটিশ আমলের মসজিদ সংক্রান্ত সরকারি রেকর্ডেরও পূর্ববর্তী (Adina Masjid)।

    রহস্যের পরত

    রহস্য আরও গভীর হয় আঞ্চলিক ইতিহাসের দৌলতে। তাতে বলা হয়েছে, বাংলার সুলতানরা প্রায়ই প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ পুনঃব্যবহার করে নতুন কাঠামো গড়ে তুলতেন। পাণ্ডুয়া, গৌড় ও গৌড়ের মতো জায়গায় এই ধারা স্পষ্টভাবে নথিভুক্ত। এই সব জায়গায় মন্দিরের পাথর ও মূর্তি মসজিদ ও প্রাসাদের ভিত্তিতে ফের ব্যবহার করা হয়েছিল (Malda Mosque)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইউসুফ পাঠানের পোস্ট অনিচ্ছাকৃতভাবে এই আন্দোলনে নতুন করে ইন্ধন জুগিয়েছে। এটি শুরু হয়েছিল নিছকই একটি সাধারণ পর্যটন পোস্ট হিসেবে, পরে অবশ্য সেটি এখন বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও সংবেদনশীল বিতর্ককে পুনরুজ্জীবিত করেছে (Adina Masjid)।

  • Raju Bista: খগেন-শঙ্কর-মনোজের পর এবার দুষ্কৃতী হামলার শিকার রাজু বিস্ত

    Raju Bista: খগেন-শঙ্কর-মনোজের পর এবার দুষ্কৃতী হামলার শিকার রাজু বিস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উত্তরবঙ্গে বন্যা কবলিত মানুষকে ত্রাণ বিলি করে ফেরার পথে এবার দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত (Raju Bista)। বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ফেরার সময় এই বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। এই ঘটনায় দার্জিলিং (Darjeeling) জেলার সুখিয়া পোখরির কাছে মাসধুরায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। উল্লেখ্য, আগে উত্তরবঙ্গে নিপীড়িত মানুষকে ত্রাণ দিতে দিয়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে গুরুতর জখম হন সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মু, বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এবং বিধায়ক মনোজ ওঁরাও। এই তালিকায়ই এবার জুড়ে গেল রাজুর নামও।

    পাহাড়ে শান্তি বিঘ্নিত করছে দুষ্কৃতীরা

    এক্স হ্যান্ডেলে রাজু যে অভিযোগ করেছেন, তার তির তৃণমূলের দিকেই। তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে শান্তি বিঘ্নিত করছে দুষ্কৃতীরা। সুখিয়া পোখরির কাছে মাসধুরায় আমার গাড়িতে হামলা করেছে। আমার গাড়ির পিছনে আঘাত করা হয়েছে। এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, পরিকল্পনা করে আমার ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। তবে যে বা যারা এই কাণ্ড করেছে, তারা যদি ভাবে বিজেপিকে এই সব করে দমিয়ে রাখা যাবে, তা হলে ভুল হবে। দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) উন্নয়ন এবং শান্তি শৃঙ্খলাকে চক্রান্ত করেই ভোটের আগে উত্তপ্ত করেছে তৃণমূল।”

    বড় পাথর দিয়ে আঘাত করা হয়

    সাংসদের (Darjeeling) সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদেরও আঘাত করা হয়। রাজুর (Raju Bista) সহযোগী সঞ্জীব লামার গাড়িতেও বড় পাথর ছোড়া হয়। বিজেপির দাবি, অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা আচমকা আক্রমণ করে। তবে এই হামলার ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। সঠিক তদন্ত এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করতে জোড়বাংলো থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। সাংসদ বলেন, “উত্তরবঙ্গের ঘরে ঘরে বিজেপি পৌঁছে গিয়েছে। মানুষকে সব রকম সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই একমাত্র কাজ বিজেপির। তৃণমূলের আসল চরিত্র সকলেই বুঝে গিয়েছেন। বিরোধীদলের জনপ্রতিনিধিদের ওপর হামলার সঠিক প্রতিবাদ গ্রাম বাংলার মানুষ আরও কড়াভাবে দেবেন।”

  • AADHAAR: পথ দেখিয়েছে ভারত, নয়াদিল্লি ঘুরে গিয়ে আধারকার্ডের ধাঁচে পরিচয়পত্র চালু করতে চলেছেন স্টার্মার?

    AADHAAR: পথ দেখিয়েছে ভারত, নয়াদিল্লি ঘুরে গিয়ে আধারকার্ডের ধাঁচে পরিচয়পত্র চালু করতে চলেছেন স্টার্মার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে এসে ব্রিটেনে নিয়ে গিয়েছেন আধারকার্ডের (AADHAAR) কনসেপ্ট। সেই ধাঁচেই নয়া পরিচয়পত্র ব্রিটেনে চালু করতে চাইছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। নাম হবে ‘ব্রিট কার্ড’। তবে আধারের মতো বায়েমেট্রিক তথ্য ব্যবহৃত হবে না এই কার্ডে। ব্রিটেনে অনুপ্রবেশকারীদের রুখতেই এই কার্ড চালু করতে চাইছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

    স্টার্মারের মুখে আধার-স্তুতি (AADHAAR)

    সম্প্রতি ভারত সফরে এসেছিলেন স্টার্মার। তখনই তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল আধার-স্তুতি। পরে তিনি সাক্ষাৎ করেন ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান নন্দন নিলেকানির সঙ্গে। তাঁর কাছ থেকে জেনে নিয়েছিলেন আধার কার্ড এবং সেই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যও। ব্রিটেনের সরকারি মুখপাত্র জানান, এই কার্ড চালুর ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতার সাহায্য নেবে ব্রিটেন। যদিও তা আদতে আধার কার্ডের মতো হবে না। এর নকশা হবে আলাদা। এই কার্ডে ব্যবহার করা হবে না বায়োমেট্রিক তথ্যও। আধারের ভূয়শী প্রশাংসা করেছে ব্রিটেনের বিভিন্ন গণমাধ্যম। তাদের মতে, প্রশাসনিক ব্যয় এবং দুর্নীতি কমাতে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে আধার।

    অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের দাবি

    প্রসঙ্গত, অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের দাবিতে সম্প্রতি ব্রিটেনে বেশ কয়েকটি মিছিল এবং জমায়েত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অবৈধভাবে ব্রিটেনে থাকা শ্রমিকদের চিহ্নিত করতে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নয়া সচিত্র পরিচয়পত্র তৈরি করতে চলেছে ব্রিটেনের স্টার্মার সরকার।মনমোহন সিংয়ের জমানায় ১৫ বছর আগে ভারতে চালু হয়েছিল আধার কার্ড (AADHAAR)। ব্যাংক, পোস্ট অফিসের বিভিন্ন জরুরি কাজে আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতেও কাজে লাগে এই কার্ড। বর্তমানে ভারতের ১৪০ কোটি নাগরিকের কাছেই রয়েছে এই কার্ড।

    ব্রিটেনের লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের এক মুখপাত্র জানান, ভারতের আধার কার্ড সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা শিক্ষা নিচ্ছেন ঠিকই, তবে ব্রিট কার্ডের ধরন একটু আলাদা হবে। জানা গিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করতে কেবল (Keir Starmer) ব্রিটেনের চাকরিজীবীদের জন্যই বাধ্যতামূলক করা হবে এই কার্ড (AADHAAR)।

  • Ramakrishna 483: “স্বপনে কিছু দেখ? আগুন-শিখা, মশালের আলো? সধবা মেয়ে? শ্মশান-মশান?”

    Ramakrishna 483: “স্বপনে কিছু দেখ? আগুন-শিখা, মশালের আলো? সধবা মেয়ে? শ্মশান-মশান?”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    কামিনী-কাঞ্চন ও তীব্র বৈরাগ্য

    পরিবারের বন্ধন 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) হরির প্রতি—তুই কেন আসিস নাই? তোর পরিবার এসেছে বুঝি?

    আর একটি ছোকরা ভক্ত (পূর্ণ) আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ঠাকুর তাঁহাকে অনেক কষ্টে ডাকাইয়া আনিয়াছেন, বাড়ির লোকেরা কোনও মতে আসিতে দিবেন না। মাস্টার যে বিদ্যালয়ে পড়ান সেই বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণীতে এই ছেলেটি পড়েন। ছেলেটি আসিয়া ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রনাম করিলেন। ঠাকুর নিজের কাছে তাহাকে বসাইয়া আস্তে আস্তে কথা কহিতেছেন — মাস্টার শুধু কাছে বসিয়া আছেন, অন্যান্য ভক্তেরা অন্যমনস্ক হইয়া আছেন। গিরিশ এক পাশে বসিয়া কেশবচরিত পড়িতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ছোকরা ভক্তটির প্রতি)—এখানে এস।

    গিরিশ (মাস্টারের প্রতি)—কে এ ছেলেটি?

    মাস্টার (বিরক্ত হইয়া)—ছেলে আর কে?

    গিরিশ (সহাস্যে)—It needs no ghost to tell me that.

    মাস্টারের ভয় হইয়াছে পাছে পাঁচজন জানিতে পারিলে ছেলের বাড়িতে গোলযোগ হয় আর তাঁহার নামে দোষ হয়। ছেলেটির সঙ্গে ঠাকুরও সেইজন্য আস্তে আস্তে কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সে সব কর?—যা বলে দিছিলাম?

    ছেলেটি—আজ্ঞা, হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—স্বপনে কিছু দেখ?—আগুন-শিখা, মশালের আলো? সধবা মেয়ে?—শ্মশান-মশান? এ-সব দেখা বড় ভাল।

    ছেলেটি—আপনাকে দেখেছি—বসে আছেন—কি বলছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কি—উপদেশ?—কই, একটা বল দেখি।

    ছেলেটি—মনে নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তা হোক,—ও খুব ভাল!—তোমার উন্নতি হবে—আমার উপর তো টান আছে?

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর বলিতেছেন—“কই সেখানে যাবে না?”—অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বরে। ছেলেটি বলিতেছে, “তা বলতে পারি না।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কেন, সেখানে তোমার আত্মীয় কে আছে না?

    ছেলেটি—আজ্ঞা হাঁ, কিন্তু সেখানে যাবার সুবিধা হবে না।

    গিরিশ কেশবচরিত পড়িতেছেন। ব্রাহ্মসমাজের শ্রীযুক্ত ত্রৈলোক্য শ্রীযুক্ত কেশব সেনের ওই জীবনচরিত লিখিয়াছেন। ওই পুস্তকে লেখা আছে যে পরমহংসদেব আগে সংসারের উপর বড় বিরক্ত ছিলেন, কিন্তু কেশবের সহিত দেখাশুনা হবার পরে তিনি মত বদলাইয়াছেন — এখন পরমহংসদেব বলেন যে, সংসারেও ধর্ম হয়। এই কথা পড়িয়া কোন কোন ভক্তরা ঠাকুরকে বলিয়াছেন। ভক্তদের ইচ্ছা যে, ত্রৈলোক্যের সঙ্গে আজ এই বিষয় লইয়া কথা হয়। ঠাকুরকে বই পড়িয়া ওই সকল কথা শোনান হইয়াছিল।

    ঠাকুরের অবস্থা—ভক্তসঙ্গ ত্যাগ 

    গিরিশের হাতে বই দেখিয়া ঠাকুর গিরিশ, মাস্টার, রাম ও অন্যান্য ভক্তদের বলিতেছেন — “ওরা ওই নিয়ে আছে, তাই ‘সংসার সংসার’ করছে! — কামিনী-কাঞ্চনের ভিতর রয়েছে। তাঁকে লাভ করলে ও কথা বলে না। ঈশ্বরের আনন্দ পেলে সংসার কাকবিষ্ঠা হয়ে যায়, — আবার মাঝে ভক্তসঙ্গ-ফঙ্গও ত্যাগ করেছিলাম! দেখলুম পট্‌ পট্‌ মরে যায়, আর শুনে ছট্‌ফট্‌ করি! এখন তবু একটু লোক নিয়ে থাকি।”

  • ORS: গুণমান ছাড়া শিশুদের পানীয়তে ওআরএস লেবেলিং নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    ORS: গুণমান ছাড়া শিশুদের পানীয়তে ওআরএস লেবেলিং নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) আইন অমান্যের কারণ দেখিয়ে পানীয়ের ওপর থেকে ওআরএস (ORS) লেখা বাদ দেওয়ার নির্দেশ। কেন্দ্রশাসিত এবং রাজ্যগুলিতে এই নির্দেশিকা সমানভাবে কার্যকর হবে। চিনিযুক্ত পানীয় থেকে ওআরএস লেবেলিং সরিয়ে দেওয়ার জন্য হায়দ্রাবাদের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শিবরঞ্জনী সন্তোষ ৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশেষ সচেতনতা অভিযান চালিয়ে সরব হয়েছিলেন। তাঁর কথায়, “চিনিযুক্ত পানীয় যা ওআরএস, তা কার্যত শিশুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।” অবশেষে মিলেছে সাফল্য। সাফল্যে অত্যন্ত আবেগপূর্ণ তিনি।

    আমরা জিতেছি!

    সরকারের তরফে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) গত ১৪ অক্টোবর একটি নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ওআরএস একটি স্বতন্ত্র শব্দ। এখন থেকে ওআরএসকে ট্রেডমার্ক হিসেবে ব্যবহার করলে ২০০৬ সালের আইন অনুযায়ী বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সন্তোষ খুব স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা জিতেছি! আজ একটা নির্দেশিকা জারি হয়েছে। এখন থেকে শিশুদের পানীয়তে কোনও কোম্পানি আর ওআরএস ব্যবহার করতে পারবে না। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন দ্বারা স্বীকৃতি এবং তাদের ফর্মুলাকে অনুসরণ করেই ব্যবহার করতে হবে। আমি এফএসএসএআই, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। আজ রাত ১০টা ২০ মিনিটে আমি বলছি এবং যাঁরা শুনছেন প্রত্যেক শিশুর অভিভাবক, ডাক্তার, শিশু, প্রভাবশালী, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক, অ্যাডভোকেট, অভিনেতা-অভিনেত্রী, পডকাস্ট, ইউটিউবার-সহ সকলকে আমার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানাই।”

    কেন ক্ষতিকর পানীয় (ORS)?

    বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রতি লিটার পানীয়তে ২৪৫ মোট অসমোলারিটি সহ একটি ওআরএস (ORS) দ্রবণ সুপারিশ করে। এতে প্রতি লিটার জলে ২.৬ গ্রাম সোডিয়াম ক্লোরাইড, ১.৫ গ্রাম পটাসিয়াম ক্লোরাইড, ২.৯ গ্রাম সোডিয়াম সাইট্রেট এবং ১৩.৫ গ্রাম ডেক্সট্রোজ অ্যানহাইড্রাস চিনি থাকাটাই দস্তুর। কিন্তু ওআরএস বলে দাবি করা অনেক বাণিজ্যিক পানীয়তে এই মানদণ্ড মেনে চলা হয় না বলে অভিযোগ। এই উপাদানগুলি ওই সব পানীয়তে উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকে। এই সব পানীয়তে প্রায়শই প্রতি লিটারে ১২০ গ্রাম চিনি থাকে এবং এর প্রায় ১১০ গ্রামই আসে অতিরিক্ত চিনি থেকে। এগুলির ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রাও অসামঞ্জস্যপূর্ণ, যেমন প্রতি লিটারে ১.১৭ গ্রাম সোডিয়াম, ০.৭৯ গ্রাম পটাসিয়াম এবং ১.৪৭ গ্রাম ক্লোরাইড, যা ডব্লুএইচও (WHO)-এর সুপারিশকৃত পরিমাণের চেয়ে ঢের কম।

    আইনি লড়াই

    ২০২২ সালে ডাক্তার সন্তোষ তেলেঙ্গনা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। তিনি নিজের করা পিআইএল-এ উল্লেখ করে বলেন, “ডব্লুএইচও (WHO)-এর মান পূরণ না করে কোনও কোম্পানি ফলের রসে ওআরএস বাজারজাত করতে পারবে না। কারণ এই সব পানীয়তে অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি এবং অসাম্যঞ্জস্যপূর্ণভাবে ইলেক্ট্রোলাইটের সমীকরণ থাকে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভীষণ ক্ষতিকর। শিশুদের পানীয় হিসেবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই লেবেল যুক্ত ওআরএস।” বিষয়টি প্রথম নজরে আসে তৎকালীন স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দফতরের সচিব রাজেশ ভূষণের। তারপরেই শুরু হয় বিচার বিভাগীয় তদন্ত। পরবর্তীকালে ২০২২ সালের ৮ এপ্রিল সরকার নির্দেশিকা জারি করে এবং বিজ্ঞপানে ওআরএস লেবেল সীমিত করে। কিন্তু গত ১৪ জুলাই বেশ কিছু কোম্পানি পাল্টা মামলা করলে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা হয়। চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত কোম্পানিগুলি পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেড মার্কে পণ্যের নামে ওআরএস (ORS) ব্যবহার চালিয়ে যায়। এরপর  ১৪ অক্টোবর ২০২৫ আসে সেই চূড়ান্ত নির্দেশিকা।

  • Archery World Cup Final 2025: তিরন্দাজ বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ জিতে ঐতিহাসিক জয় জ্যোতির

    Archery World Cup Final 2025: তিরন্দাজ বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ জিতে ঐতিহাসিক জয় জ্যোতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের তিরন্দাজ বিশ্বকাপ (Archery World Cup Final 2025) ফাইনালে ব্রোঞ্জ জিতে ঐতিহাসিক জয় পেলেন জ্যোতি সুরেখা ভেন্নাম (Jyothi Surekha Vennam)। জ্যোতি হলেন প্রথম ভারতীয় যিনি এই বছরে শেষের শোপিসে মহিলাদের একক কম্পাউন্ড ইভেন্টে পদক জয়ী হয়েছেন। উল্লেখ্য, পুরুষদের ব্রোঞ্জ ইভেন্টে ঋষভ যাদবের হাতছাড়া হয়েছে পদক। গত কয়েক বছরে ভারত অলিম্পিক থেকে আইসিসি ক্রিকেট ম্যাচ-সহ ক্রীড়া জগতে বিশেষ সাফল্যের নজির গড়েছে। অবশ্য কেন্দ্রের মোদি সরকারের ‘খেল ইন্ডিয়া, ফিট ইন্ডিয়া’র মতো প্রকল্প দেশের ভেতরে বিরাট সাড়া ফেলেছে।

    একক পদক জয়ী হওয়ার বিশেষ খেতাব (Archery World Cup Final 2025)

    শনিবার চিনের নানজিংয়ে অনুষ্ঠিত আর্চারি ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল (Archery World Cup Final 2025) ২০২৫ এ মহিলাদের ব্যক্তিগত কম্পাউন্ড  ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছেন জ্যোতি (Jyothi Surekha Vennam)। ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের বিশ্বের দ্বিতীয় নম্বর এলা গিবসনকে ১৫০-১৪৫ ব্যবধানে হারিয়ে পদক নিশ্চিত করেছেন জ্যোতি। এর আগে, টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান অধিকারী এই ভারতীয় তিরন্দাজ কোয়ার্টার ফাইনালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালেক্সিস রুইজকে ১৪৩-১৪০ ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। কিন্তু সে বার সেমিফাইনালে মেক্সিকোর বিশ্বের ১ নম্বর খেলোয়াড় আন্দ্রেয়া বেসেরার কাছে ১৪৫-১৪৩ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন। তৃতীয় রাউন্ডের পরে ভারতীয় তিরন্দাজ ৮৭-৮৬ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন, যদিও শেষ দুটিতে হেরে যান। এই পদক জ্যোতি সুরেখাকে প্রথম ভারতীয় মহিলা কম্পাউন্ড তিরন্দাজ হিসেবে আর্চারি ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনালে একক পদক জয়ী হওয়ার বিশেষ খেতাব দিয়েছে।

    ২০২২ এবং ২০২৩ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছিলেন

    জ্যোতি হলেন একমাত্র ভারতীয় মহিলা কম্পাউন্ড তিরন্দাজ যিনি মরশুমের শেষ তিরন্দাজ প্রতিযোগিতায় (Archery World Cup Final 2025) পদক জিতেছেন। ২০১৮ সালে তিনি অভিষেক ভার্মার সাথে মিশ্র দল ইভেন্টে রৌপ্য জিতেছিলেন। ভারতীয় তিরন্দাজ ২০২২ এবং ২০২৩ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে এক ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু উভয় অনুষ্ঠানেই প্রথম রাউন্ডে হেরে গিয়েছিলেন।

    আবার পুরুষদের একক কম্পাউন্ড ড্র-য়ে, ভারতের ঋষভ যাদব ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে বিশ্বের দ্বিতীয় নম্বর নেদারল্যান্ডসের মাইক শ্লোসারের কাছে শ্যুটআউটে হেরে যাওয়ার পর অল্পের জন্য প্রথম স্থান থেকে বঞ্চিত হন। পাঁচ রাউন্ড শেষে তিরন্দাজরা ১৪৭ পয়েন্টে সমতায় থাকার পর শুটঅফে দু’জনেই ১০-১০ করেন। তবে, ডাচম্যানের তির কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকায় জয় লাভ করেন।

    এর আগে, ঋষভ যাদব কোয়ার্টার ফাইনালে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের কিম জংহোকে ১৪৪-১৪৩ ব্যবধানে হারিয়ে ছিলেন এবং সেমিফাইনালে ডেনমার্কের বিশ্বের এক নম্বর ম্যাথিয়াস ফুলারটনের কাছে ১৪৮-১৪৪ ব্যবধানে হেরেছিলেন। ২০২৫ সালের তিরন্দাজি বিশ্বকাপ ফাইনাল রবিবার রিকার্ভ ইভেন্টের মাধ্যমে শেষ হবে।

  • China: শীর্ষ ৯ জেনারেলকে বরখাস্ত করল চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার, কেন জানেন?

    China: শীর্ষ ৯ জেনারেলকে বরখাস্ত করল চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি প্রকাশ্যে তাদের শীর্ষ ন’জন জেনারেলকে বরখাস্ত করেছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্তা হে ওয়েইদংও রয়েছেন। ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রক (Party Session) ঘোষণা করেছে যে, দলীয় শৃঙ্খলার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপুল অর্থের সঙ্গে জড়িত কর্মসংক্রান্ত অপরাধের কারণে ওই জেনারেলদের সেনাবাহিনী ও কমিউনিস্ট পার্টি—দু’টি থেকেই বহিষ্কার করা হয়েছে।

    জিনপিংয়ের দুর্নীতি বিরোধী অভিযান (China)

    গত ১২ বছর ধরে চিনের নেতা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একটি ব্যাপক দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। এই অভিযানে স্থানীয় নেতা থেকে শুরু করে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্তা-সহ সারা দেশের এক মিলিয়নেরও বেশি আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য একটি আরও পরিচ্ছন্ন ও শক্তিশালী দল গঠন করা। তবে সমালোচকদের একাংশের মতে, এটি আসলে একটি রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান, যার মাধ্যমে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাঁর প্রতি পুরোপুরি অনুগত নন এমন ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়ে দল ও সেনাবাহিনীর ওপর নিজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করছেন।

    যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে

    যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সব চেয়ে বড় নামটি হল হে ওয়েইদং। তিনি ছিলেন চিনের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি, কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এটি পুরো সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। তিনি একই সঙ্গে ২৪ সদস্যের পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন, যা চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা। তাঁর বরখাস্ত হওয়ার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তিনি প্রথম কর্মরত পলিটব্যুরো সদস্য, যাঁকে এভাবে তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছে (China)।

    অগাস্ট মাসের পর থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এটা আগেই তাঁর সমস্যায় পড়ার গুঞ্জন বাড়িয়ে তুলেছিল। বাকিরা হলেন, মিয়াও হুয়া, সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রধান, হে হংজুন, মিয়াও হুয়ার ডেপুটি, ওয়াং শিউবিন, সামরিক বাহিনীর যৌথ অভিযান কমান্ড সেন্টারের শীর্ষ পরিচালক, লিন শিয়াংইয়াং, পূর্ব থিয়েটার কমান্ডের কমান্ডার (Party Session), ছিন শুতং, সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান, ইউয়ান হুয়াঝি  নৌবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান, ওয়াং চুননিং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কমান্ডার (China)। পার্টির অধিবেশনের আগে এঁদের বহিষ্কার করায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন জিনপিংয়ের বিরোধীরা।

  • Belgium Court: পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ বেলজিয়ামের আদালতের

    Belgium Court: পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ বেলজিয়ামের আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক প্রতারণা মামলায় মূল অভিযুক্ত পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ দিল বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প আদালত (Belgium Court)। বেলজিয়াম পুলিশের হাতে চোকসি এবং ভারত সরকারের কৌঁসুলির যুক্তি শোনার পরে বিচারক তাঁর নির্দেশে (Mehul Choksi) বলেন, “চোকসিকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের আবেদন বৈধ।”

    চোকসির বিরুদ্ধে তছরুপের অভিযোগ (Belgium Court)

    চোকসির বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশ ছাড়া তিনি। সম্প্রতি খবর মিলেছে, ভারত ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে চোকসি রয়েছেন বেলজিয়ামে। এর পরেই চোকসিকে দেশে ফেরানোর জন্য ভারত সরকারের তরফে বেলজিয়ামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ১২ এপ্রিল বেলজিয়ামের পুলিশ একটি হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে বছর পঁয়ষট্টির চোকসিকে। আদালতে পেশ করার পর শুরু হয় প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া।

    বেলজিয়ামের জেলেই চোকসি

    গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে বেলজিয়ামের জেলেই রয়েছেন চোকসি। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় চোকসির বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের আদালতে দু’টি জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০১৮ সালে সস্ত্রীক ভারত ছেড়েছিলেন চোকসি। গত সাত বছর ধরে পলাতক রয়েছেন এই ব্যবসায়ী। তাঁর মুম্বইয়ের একটি আবাসনের ফ্ল্যাটের দেখভালের জন্য বকেয়া রয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। মুম্বইয়ের মালাবার হিল এলাকায় ওই আবাসনে নবম, দশম এবং একাদশ তল মিলিয়ে তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর নামে (Mehul Choksi)।

    জামিনের আবেদন খারিজ

    গত অগাস্টেই চোকসির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় বেলজিয়ামের আদালত। কারণ ভারতের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি আদালতকে জানিয়েছিল, চোকসি একজন পাকা অপরাধী। জামিন পেলে অন্য কোনও দেশে পালিয়ে যেতে পারেন তিনি। প্রসঙ্গত, বেলজিয়ামের আগে মেহুল ধরা পড়েছিলেন ডমিনিকান রিপাবলিকে। সেখানে ভারতীয় সংস্থার বিরুদ্ধে অপহরণ করে তাঁকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। গুজরাটের এই হিরে ব্যবসায়ী এখনও অ্যান্টিগার নাগরিকত্ব নিয়ে রেখেছেন (Belgium Court)। জানা গিয়েছে, সিবিআই চোকসির বিরুদ্ধে প্রমাণ তুলে ধরতে তিনবার বেলজিয়ামে গিয়েছিল। আইনি সাহায্যের জন্য একটি ইউরোপীয় বেসরকারি আইন সংস্থাকে নিয়োগও করেছে। সংস্থাটি বেলজিয়ামের আদালতে চোকসির ভারতের অর্থনৈতিক অপরাধে জড়িত থাকার বিস্তারিত তথ্য ও তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া দু’টি খোলা গ্রেফতারি পরোয়ানার কপি জমা দেয়। এছাড়াও, সংস্থাটি আদালতকে জানায় যে অতীতে চোকসি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অ্যান্টিগুয়া থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন (Belgium Court)।

    প্রত্যর্পণ চাইছে ভারত

    চোকসিকে যাতে দেশের আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার করা যায়, তাই তাঁর প্রত্যর্পণ চাইছে ভারত। এজন্য ভারত রাষ্ট্রসংঘের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন সনদ (UNTOC) এবং রাষ্ট্রসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC)–সহ একাধিক আন্তর্জাতিক চুক্তির উল্লেখ করেছে। ভারত বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে, প্রত্যর্পণের পর চোকসিকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলের ব্যারাক নম্বর ১২-তে রাখা হবে (Mehul Choksi)। সেখানে ইউরোপীয় মান অনুযায়ী পরিষ্কার জল, খাবার, সংবাদপত্র, টেলিভিশন এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব রাকেশ কুমার পাণ্ডে ৪ সেপ্টেম্বর বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষের (Belgium Court) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে লিখেছেন, “মহারাষ্ট্র সরকারের একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চিত করছে যে চোকসিকে আর্থার রোড জেল কমপ্লেক্সের ব্যারাক নম্বর ১২-তে রাখা হবে। এছাড়াও নিশ্চিত করা হচ্ছে যে তাঁকে এমন একটি সেলে রাখা হবে, যেখানে তিনি অন্তত তিন বর্গমিটার ব্যক্তিগত স্থান (আসবাবপত্র বাদে) পাবেন, তাঁর সম্ভাব্য আটক (বিচার-পূর্ব ও দণ্ড-পরবর্তী) সময়কাল জুড়ে, যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।” পাণ্ডের আশ্বাস, চোকসিকে একাকী সেলে রাখা হবে না। তাঁকে উচ্চমানের নিরাপত্তাও দেওয়া হবে। তাঁকে পরিষ্কার মোটা তুলোর গদি, বালিশ, চাদর এবং কম্বল দেওয়া হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে চোকসির সেল প্রতিদিন পরিষ্কার করা হবে এবং সেখানে নিয়মিত বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। খোলা আকাশের নীচে তিনি ব্যায়াম, বিশ্রাম, দাবা ও কেরমের মতো বোর্ড গেম এবং ব্যাডমিন্টন খেলার সুবিধা পাবেন।

    চোকসির আইনজীবীর বক্তব্য

    যদিও চোকসির আইনজীবী জানিয়েছেন, অ্যান্টওয়ার্প আদালতের ওই নির্দেশকে উচ্চতর আদালতে চ্যালেঞ্জ জানানো হবে। তাই আপাতত ওই ব্যবসায়ীকে (Mehul Choksi) ভারতে আনা সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ উচ্চ আদালতে চোকসির আইনজীবীরা প্রত্যর্পণ ঠেকানোর চেষ্টা করবেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা (Belgium Court)। সূত্রের খবর, চোকসির বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের আদালতে যে দুটি জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে, মেহুলকে প্রত্যর্পণের জন্য মূলত আদালতের এই পরোয়ানাকেই হাতিয়ার করা হবে।

  • DIG Harcharan Singh Bhullar: ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি উদ্ধার হরিচরণ ভুল্লার বাড়িতে

    DIG Harcharan Singh Bhullar: ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি উদ্ধার হরিচরণ ভুল্লার বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন পঞ্জাবের ডিআইজি হরিচরণ ভুল্লার (DIG Harcharan Singh Bhullar)। তাঁর মতো পুলিশ অফিসার যে দুর্নীতি করে বিপুল সম্পত্তির পাহাড় গড়েছিলেন সেই সত্যকেই এবার প্রকাশ করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই জানিয়েছে, ৭.৫ কোটির বেশি নগদ টাকা, ২.৫ কেজি সোনা, ৫০ টি সম্পত্তি এবং আরও নানা জিনিসের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সিবিআই-এর (CBI) এই অভিযানে একশ্রেণীর মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি অফিসার এতো সম্পত্তির মালিক কীভাবে হলেন? স্তম্ভিত গোটা পুলিশ মহল এবং আমজনতা! উত্তর নেই ভুল্লারের কাছেও। অবশ্য ভুল্লার নিজেও দুর্নীতি দমনে খুব দক্ষ অফিসার ছিলেন, অথচ নিজেই সেই কাজে এখন অভিযুক্ত। এই প্রশ্নই এখন দেশজুড়ে সমাজমাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    ১০০টি তাজা কার্তুজ সহ চারটি আগ্নেয়াস্ত্রও বাজেয়াপ্ত (DIG Harcharan Singh Bhullar)

    সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিআইজি ভুল্লারের (DIG Harcharan Singh Bhullar) বাসভবনে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৫ কোটি নগদ টাকা এবং ১.৫ কেজি সোনার অলঙ্কার। সেই সঙ্গে এই বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে আরও বিপুল পরিমাণ মূল্যবান জিনিসপত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। আবার ভুল্লারের চণ্ডীগড়ের বাসভবন থেকে প্রায় ৭.৫ কোটি টাকা নগদ অর্থ, ২.৫ কেজি ওজনের সোনার গয়না, রোলেক্স এবং রাডোর মতো ব্র্যান্ড সহ ২৬টি বিলাসবহুল ঘড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যের নামে সন্দেহজনক বেশকিছু বেনামী সম্পত্তিরও খোঁজ মিলেছে। এখনও পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি স্থাবর সম্পত্তির নথি, লকারের চাবি এবং একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণের তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও তাঁর বাড়ি থেকে ১০০টি তাজা কার্তুজ সহ চারটি আগ্নেয়াস্ত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আবার সমরালায়ে ওঁই অফিসারের মালিকানাধীন খামারবাড়ি থেকে ১০৮ বোতল মদ, ৫.৭ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ এবং ১৭টি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে মোহালিতে গ্রেফতার

    সিবিআই (CBI) আরও জানিয়েছে, ভুল্লার (DIG Harcharan Singh Bhullar) আরও একজন সহযোগীর বাড়ি থেকে ২১ লক্ষ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর নথিও উদ্ধার হয়েছে। অভিযুক্ত পঞ্জাব পুলিশের রোপার রেঞ্জের ডিআইজি হরচরণ সিং ভুল্লার এবং তাঁর সহযোগীকে আজ চণ্ডীগড়ের সিবিআই আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালত অভিযুক্ত অফিসার এবং তাঁর সহযোগীকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখ্য ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় মোহালিতে সিবিআইয়ের  হাতে ধরা পড়েন ভুল্লার। এরপরই তথ্যের সূত্রে ধরে চলে অভিযান এবং অবৈধ সম্পত্তি টাকা উদ্ধারের কাজ।

LinkedIn
Share