Tag: Bengali news

Bengali news

  • Amit Shah: মাওবাদী নেতাদের আত্মসমর্পণ “ঐতিহাসিক মাইলফলক”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: মাওবাদী নেতাদের আত্মসমর্পণ “ঐতিহাসিক মাইলফলক”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তার পর থেকে জোরকদমে চলছে মাও-দমন (Maoist Leaders) অভিযান। কেন্দ্রীয় সরকারের রুদ্রমূর্তি দেখে এবং অন্নুনত এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাওয়ায় সরকারের ডাকে সাড়া দিয়ে আত্মসমর্পণ করতে থাকেন মাওবাদীদের শীর্ষ নেতৃত্ব। মাস কয়েক আগেই আত্মসমর্পণ করেছিলেন প্রয়াত মাওবাদী নেতা কিষেনজির স্ত্রী সুজাতা। দিন দুয়েক আগে ৬০ জন সহযোদ্ধা-সহ আত্মসমর্পণ করেছেন কিষেনজির ভাই বেণুগোপাল ওরফে সোনু ওরফে ভূপতি।

    ঐতিহাসিক মাইলফলক (Amit Shah)

    মাওবাদী নেতাদের এই আত্মসমর্পণের ঢেউয়ের প্রশংসা করেছেন শাহ। তিনি একে সরকারের মাওবাদ নির্মূলীকরণের চলমান প্রচেষ্টায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে অভিহিত করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সব চেয়ে বেশি প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ৬ থেকে কমে এখন তিনে নেমে এসেছে। আর মোট প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ১৮ থেকে কমে হয়েছে ১১।”  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সন্ত্রাসমুক্ত ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে সরকার যে দ্বিমুখী কৌশল নিয়েছে, একদিকে লাগাতার সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং অন্যদিকে উন্নয়নমূলক নানা পদক্ষেপ, তা বামপন্থী চরমপন্থার প্রভাব ও বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “মোদিজির সন্ত্রাসমুক্ত ভারতের স্বপ্নের অধীনে অবিরাম সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ও জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়নের ফলে বামপন্থী উগ্রপন্থীদের কর্মক্ষেত্র ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। তাদের লুকিয়ে থাকার আর কোনও জায়গা থাকছে না। ২০২৬-এর ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত মাওবাদের অভিশাপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হবে।”

    এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, দিন কয়েক আগে মাওবাদীদের ৫০ জন ক্যাডার, যার মধ্যে ৩৯ জন মহিলা, ছত্তিশগড়ের কাঁকের জেলার কোয়ালিবেদা এলাকায় বিএসএফের ৪০তম ব্যাটেলিয়নের কামতেরার ক্যাম্পে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। দক্ষিণ জোনাল কমিটির সদস্য ও প্রবীণ মাওবাদী নেতা রাজমান মাণ্ডাভি এবং রাজু সালামের নেতৃত্বে ঘটে এই আত্মসমর্পণের ঘটনা। আত্মসমর্পণকারী ক্যাডাররা (Maoist Leaders) মোট ৩৯টি অস্ত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৭টি একে-৪৭ রাইফেল, ২টি এসএলআর, ৪টি ইনসাস রাইফেল, ১টি ইনসাস এলএমজি এবং ১টি স্টেইন গান (Amit Shah)।

  • NCS Portal: বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি দিতে জোম্যাটোর সঙ্গে চুক্তি কেন্দ্রের

    NCS Portal: বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি দিতে জোম্যাটোর সঙ্গে চুক্তি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনসিএস পোর্টালের (NCS Portal) মাধ্যমে বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি তৈরি করতে জোম্যাটোর সাথে ভারত সরকার চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ২০১৫ সালে এই পোর্টাল চালু হয়েছিল। আর সেই সময় থেকে কাজও শুরু করেছিল। ইতিমধ্যে ৭.৭ কোটির বেশি শূন্যপদে কর্মসংস্থান দিতে পারার কথা নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। এবার চুক্তি করে পোর্টালের মাধ্যমে চাকরি প্রার্থী এবং নিয়োগকর্তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক।

    প্রযুক্তি এবং সক্ষম জীবিকার সুযোগ (NCS Portal)

    গত মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ভারত সরকারের অনলাইন খাদ্যবিতরণ প্ল্যাটফর্ম (NCS Portal) জোম্যাটোর (Zomato) সঙ্গে একটি চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির ফলে ন্যাশনাল কেরিয়ার সার্ভিস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নমনীয় এবং প্রযুক্তি-সক্ষম জীবিকার সুযোগগুলিকে আরও সহজ ও নির্ভরযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করা যাবে। ফলে আনুমানিক বছরে আড়াই লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় বলেছেন, “এই চুক্তির ফলে পোর্টালে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিক পরিসরগুলির নানান দিকগুলিকে উন্মুক্ত করার পরিসরও খুলে যাবে। যুবক-যুবতী-মহিলাদেরও মর্যাদাসম্পন্ন প্রযুক্তি এবং সক্ষম জীবিকার মাধ্যমে সংযুক্ত করা যাবে। শুধু তাই নয় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে এই এনসিএস পোর্টাল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। লক্ষ লক্ষ কর্ম সংস্থান এবং জীবিকার সঙ্গে যুক্ত করতে আরও বেশি বেশি সুবিধা দেবে।”

    ভারত রোজগার যোজনার অন্তর্গত

    কেন্দ্রের শ্রম এবং কর্মসংস্থান বিষয়ের ভাবনাচিন্তাকে আরও প্রসারিত করে প্রতিমন্ত্রী শোভা কারান্দলাজে বলেন, “দেশের প্রতিটি সংগঠিত এবং অসংগঠিত শ্রমিকের জন্য সামাজিক সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতেই এই পদক্ষেপ (NCS Portal)। এটি একটি যুগান্তকরী সিদ্ধান্ত হতে চলেছে। এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে পারলে বিকশিত ভারতের পথে দেশ আরও অগ্রসর হবে। ভারত রোজগার যোজনা এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গঠনে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকর হবে। নতুন ‘অ্যাগ্রিগেটর’ বিভাগের অধীনে, জোম্যাটো এনসিএস পোর্টালে বার্ষিক প্রায় ২.৫ লক্ষ অতি সহজ জীবিকার সুযোগ তালিকাভুক্ত করবে। এই তালিকায় রয়েছে ডেলিভারি পার্টনার (Zomato) এবং গিগ কর্মীদের জন্য রিয়েল-টাইম আয়ের বিশেষ সুবিধা।

  • MEA: ট্রাম্পের দাবির প্রেক্ষিতে রুশ তেল কেনা নিয়ে কী বলল ভারত?

    MEA: ট্রাম্পের দাবির প্রেক্ষিতে রুশ তেল কেনা নিয়ে কী বলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত তেল ও গ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমদানিকারী দেশ। অস্থির জ্বালানি পরিস্থিতিতে ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। আমাদের আমদানি নীতিগুলি সম্পূর্ণভাবে এই লক্ষ্য সামনে রেখেই পরিচালিত হয়।” এক বিবৃতি জারি করে এ কথা সাফ জানিয়ে দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA)। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত তেল কেনার (Russian Oil) বাজারকে আরও বিস্তৃত এবং বৈচিত্রময় করতে চায়। জ্বালানি নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করতে আমেরিকার সঙ্গে আমাদের আলোচনাও চলছে।” যদিও সরাসরি ট্রাম্পের দাবি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি ভারত।

    ট্রাম্পের দাবি (MEA)

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক প্রশ্নের জবাবে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “তিনি (মোদি) আমার বন্ধু, আমাদের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক রয়েছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনায় আমরা খুশি ছিলাম না। কারণ এর ফলে রাশিয়া এই হাস্যকর যুদ্ধ (ইউক্রেনের সঙ্গে) চালিয়ে যেতে পেরেছে,  যেখানে তারা পনেরো লাখ মানুষ হারিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “আমি খুশি ছিলাম না যে ভারত তেল কিনছে (রাশিয়া থেকে)। আর (মোদি) আজ আমায় আশ্বস্ত করেছেন এই বলে যে তাঁরা রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবেন। এটি একটি বড় পদক্ষেপ। এখন আমাদের চিনকে দিয়েও একই কাজ করাতে হবে।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত হয়ত এখনই রাশিয়া থেকে তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করতে পারবে না, তবে প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে গিয়েছে।” ট্রাম্পের এহেন বার্তার প্রেক্ষিতেই এদিন মুখ খুলল ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

    সস্তায় অপরিশোধিত তেল

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মস্কো থেকে সস্তায় অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় ভারত। রাশিয়ার ওপর এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ (MEA)। যার ফলে দাম কমতে থাকে রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের। প্রত্যাশিতভাবেই ০.২ শতাংশ থেকে ভারতে রুশ তেল আমদানির পরিমাণ বেড়ে হয় ৩৫ শতাংশ। মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি কেনা চালিয়ে যেতে থাকে ভারত। যার জেরে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। তার পরেও দমানো (Russian Oil) যায়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতকে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ভারতের আগের অবস্থানেও যে কোনও বদল হয়নি, এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতেই তা স্পষ্ট (MEA)।

  • Bangladesh: ১৭ দিন পরেও বাংলাদেশে অপহৃত হিন্দু কিশোরী আদুরির খোঁজ মেলেনি, চরম উদ্বেগে মা!

    Bangladesh: ১৭ দিন পরেও বাংলাদেশে অপহৃত হিন্দু কিশোরী আদুরির খোঁজ মেলেনি, চরম উদ্বেগে মা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের ঘটনায় কার্যত ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করেছে। এইবারের ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধা জেলার ঠেঙামারা এলাকায়। গ্রামের এক হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu minority) অন্তর্গত এক পরিবার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আদুরির অপহরণের ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবার। অপহরণের পর ১৭ দিনের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও খোঁজ মেলেনি আদুরির।  উদ্বেগ এবং দুশ্চিন্তায় পরিবারের মধ্যে তীব্র বেদনায় আচ্ছন্ন। মেয়ের মা চিন্তায় মৃত্যু পথযাত্রী। উল্লেখ্য গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দুহত্যাকাণ্ড ঘটে চলেছে। কট্টর মৌলবাদীরা দেশে চরম অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

    ১০ বছরের কিশোরী অপহরণ 

    স্কুল থেকে ফেরার সময় অপহরণ (Bangladesh) নিখোঁজ আদুরির (Bangladesh) পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১ অক্টোবর মাত্র ১০ বছরের কিশোরী যখন স্কুল থেকে ফিরছিল সেই সময় রাস্তা থেকেই হাত ধরে জোর করে অপহরণ করে শিবলু মিঞাঁ নামক এক দুষ্কৃতী। ঘটনা জানাজানি হতেই গ্রামবাসীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক ভাবে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ন্যায় বিচার চেয়ে অপরাধীর শাস্তি এবং মেয়েকে ফিরিয়ে আনার জন্য জোরালো দাবি শুরু করেন। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীরা সাময়িক বিচার-সালিশের ব্যবস্থা করে দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিলেও আদুরিকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আর তাতেই চরম আতঙ্কে পরিবার।

    মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন মা

    আদুরির পরিবার অগত্যা স্থানীয় (Bangladesh) থানায় মামলা দায়ের করে। তবে মামলা দায়ের করার পরও কোনও রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি পুলিশ। সূত্রের খবর মূল অভিযুক্ত এবং অনুগামীরা এখনও পলাতক। তবে স্থানীয়দের দাবি প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা প্রশ্রয় দিয়ে ছত্রছায়ায় রেখেছেন। ফলে প্রশাসন এবং পুলিশও ধরপাকড় করতে পারছে না। প্রশাসন এবং পুলিশ দুই-ই রাজনৈতিক নেতাদের কারণে নিষ্ক্রিয়। অপরে নির্যাতিতার পরিবারও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, মা মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। কথা বলা এবং খাওয়া দাওয়া এক প্রকার ছেড়েই দিয়েছেন। যদিও বা মা কথা বলেন, তখন শুধু দিনরাত কেবল মেয়ের (Hindu minority) নাম ধরেই ডাকাডাকি করেন।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ঘটনা

    তবে গাইবান্ধার (Bangladesh) এই ঘটনা কোনও বিছিন্ন ঘটনা নয়। একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, অপহরণ, খুনের ঘটনা এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ঘটনা গত এক বছরে ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ জন করে নারী বাংলাদেশে অপহরণ, ধর্ষণ, এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হওয়ার মতো ঘটনার শিকার হচ্ছে। বর্তমানে অস্থায়ী সরকারের উপদেষ্টারা অবশ্য এই ঘটনাগুলি নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। কারণ হিন্দু নির্যাতন (Hindu minority) নিয়ে তাঁদের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলেরই একাংশ।

  • Prashant Kishore: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না পিকে! কী কারণে সরে দাঁড়ালেন ভোট কুশলী?

    Prashant Kishore: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না পিকে! কী কারণে সরে দাঁড়ালেন ভোট কুশলী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে (Bihar Poll Battle) প্রার্থী হচ্ছেন না ভোট কুশলী তথা রাজনীতিবিদ প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore)। এই নির্বাচন হবে ৬ ও ১১ নভেম্বর, দু’দফায়। এই নির্বাচনেই প্রার্থী হচ্ছেন না প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিহারের বিভিন্ন আসনে লড়ছে পিকের নবগঠিত ‘জন সুরাজ পার্টি’। তবে এই দলের মাথা পিকেই লড়ছেন না।

    পিকের বক্তব্য (Prashant Kishore)

    তিনি জানান, দলের বৃহত্তর স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি নিজের নির্বাচনী লড়াইয়ের পরিবর্তে সাংগঠনিক কাজ ও অন্যান্য প্রার্থীর জন্য প্রচারে মনোযোগ দিতে পারেন। এর আগে পিকে যখন রাঘোপুরে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে ‘আমেঠির মতো’ পরাজয়ের হুমকি দিয়েছিলেন, তখন থেকেই জল্পনা তীব্র হয়েছিল যে এবার কোমর কষে লড়াইয়ের ময়দানে নামছেন পিকে স্বযং। সেই জল্পনায়ই জল ঢেলে দিলেন ভোটকুশলী। উল্লেখ্য, এই রাঘোপুর তেজস্বী যাদবের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই কেন্দ্রে পিকে এবার চঞ্চল সিংয়ের নাম ঘোষণা করেছেন।

    দু’টি তালিকা প্রকাশ

    জন সুরাজ পার্টি এখন পর্যন্ত দু’টি তালিকা প্রকাশ করেছে। মোট ১১৭ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এদের মধ্যে শিক্ষাবিদ, অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও সমাজকর্মী-সহ নানা পেশার মানুষ রয়েছেন। পিকে ঘোষণা করেছেন (Prashant Kishore), বিহারের ২৪৩টি আসনের মধ্যে অন্তত ১৫০টিতে জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়,  “এর কম হলে সেটি হবে ব্যক্তিগত পরাজয়।” পিকে বলেন, “জন সুরাজ পার্টি শুধুমাত্র নির্বাচনী সাফল্যের জন্য নয়, বরং স্বচ্ছ রাজনীতির একটি আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করে।” বিহার ভোটের ফল নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী করেন তিনি। বলেন, “আসন বণ্টন নিয়ে বিবাদের কারণে বর্তমান এনডিএ সরকার নিশ্চিতভাবেই পতনের পথে। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার আর ক্ষমতায় ফিরতে পারবেন না।”

    এনডিএর পরাজয়ের পূর্বাভাস দেওয়ার পাশাপাশি আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদবের পরিবারকে দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র আক্রমণ শানান (Bihar Poll Battle)। পিকের অঙ্গীকার, “যদি জন সুরাজ পার্টি সরকার গঠন করে, তাহলে তারা রাজ্যের সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত ১০০ জন নেতা ও আধিকারিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে (Prashant Kishore)।”

     

  • Suvendu Adhikari: “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি, ভবানীপুরেও হারাব, ভাইপোকে জেলে পাঠাব”, আগুনে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি, ভবানীপুরেও হারাব, ভাইপোকে জেলে পাঠাব”, আগুনে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি। ভবানীপুরেও হারাব। প্রাক্তন করব। আপনার ভাইপোকে জেলে পাঠাব।” বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    নন্দীগ্রামে হার মমতার (Suvendu Adhikari)

    ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন পদ্ম-প্রার্থী শুভেন্দু। ওই নির্বাচনে প্রায় দু’হাজার ভোটে তৃণমূল সুপ্রিমোকে ধরাশায়ী করেন শুভেন্দু। পরে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ধরে রাখেন মমতা। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে মমতা স্বয়ং হারলেও, তাঁর দল তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী। নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রী পদে থাকতে গেলে ছ’মাসের মধ্যে কোনও কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে আসতে হয়। সেই মতো ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচন করিয়ে তৃণমূল জিতিয়ে আনে মমতাকে। গদি টিকে যায় তৃণমূল নেত্রীর।

    ভবানীপুরেই প্রার্থী মমতা

    অতএব, সেই ‘নিরাপদ’ ভবানীপুরেই যে এবারও মমতা প্রার্থী হতে চলেছেন, তা বলাই বাহুল্য। শুভেন্দুর খাসতালুক হিসেবে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরের কোনও বিধানসভা আসনে দাঁড়িয়ে মমতা যে আর মুখ পোড়াতে চান না, তা স্পষ্ট তাঁদের দলের নেতাদের কথায়ই। মঙ্গলবার বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করেছিল তৃণমূল। উত্তরবঙ্গ সফরে থাকায় এদিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী। তবে তিনি যে ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হচ্ছেন, এদিনের অনুষ্ঠানে তা ঘোষণা করে দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। তৃণমূল নেত্রীর জয়ের মার্জিনও এদিনের (Suvendu Adhikari) অনুষ্ঠানে বেঁধে দেন তৃণমূলের আর এক নেতা তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র এবং মমতার সতীর্থ ফিরহাদ হাকিম। সুব্রত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হতে চলেছেন। প্রচুর ভোটে তাঁকে জেতাতে হবে।” ফিরহাদ হাকিমও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১ লাখ ভোটে জয়ী করব (BJP)।”

    মমতার গলায় কি আতঙ্কের সুর!

    তৃণমূল নেতারা এমনতর ‘দিবাস্বপ্ন’ দেখলেও, রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু-হেতু এবার ভবানীপুরকেও আর তেমন ‘নিরাপদ’ বলে ভাবছেন না খোদ তৃণমূল নেত্রী। এদিনের অনুষ্ঠানে তাঁর অডিও বার্তা শোনানো হয়। সেটাই সকলকে শোনান ফিরহাদ। তাতে মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “ভবানীপুরটা বাইরে থেকে লোক এনে ভরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পুরো পরিকল্পনা করে (Suvendu Adhikari)। আমি আউটসাইডার মানে যাঁরা বেঙ্গলে থাকেন, তাঁদের বলছি না। যাঁরা হঠাৎ করে বাইরে থেকে এসে, টাকা খরচ করে জায়গা কিনে, বাড়ি তৈরি করে, স্থানীয় কাউকে কিছু টাকা দিয়ে বেরিয়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের কথা।” ভবানীপুর কেন্দ্রটি নিয়ে যে তৃণমূল সুপ্রিমো সিঁদুরে মেঘ দেখছেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাও। তিনি বলেন, “ওরা (তৃণমূল) মমতার জয় নিয়ে সন্দিহান। তাই প্রথমেই ভবানীপুর নিয়ে ভাবতে হচ্ছে।”

    কী বললেন শুভেন্দু

    এহেন প্রেক্ষিতেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “হারাব, হারাব। ২০ হাজারে হারাব। ভবানীপুরে এসআইআর (SIR)-এর পরে হারাব ওঁকে। ৮টা ওয়ার্ডের ৫টায় বিজেপির লিড আছে। বিজেপিই হারাবে। যে দাঁড়াবে, সে-ই হারাবে। বিজেপি ওখানে ২০১৪ সালে ওদের হারিয়েছে। এসআইআর-এর পরে উনি হারবেন (BJP)।” এর পরেই তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনাকে হটাবই। নন্দীগ্রামে হারিয়েছি। ভবানীপুরে হারাব। প্রাক্তন করব। আপনার ভাইপোকে জেলে পাঠাব।” প্রসঙ্গত, এর আগে অন্য একটি সভায় শুভেন্দু বলেছিলেন, “নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়েছি, ভবানীপুরেও হারাব।” তার পরেই রাজ্যজুড়ে জল্পনা শুরু হয়ে যায়, তাহলে কি এবারও ভাবানীপুরে মুখোমুখি হচ্ছেন যুযুধান দু’পক্ষের দুই দাপুটে নেতা মমতা-শুভেন্দু? সে ব্যাপারে অবশ্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা নিজে কিছুই বলেননি। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপিতে কে, কোন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা ঠিক করেন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই ভবানীপুরে মমতা-শুভেন্দুর দ্বৈরথ হতে চলেছে কিনা, তা বলবে সময়। তবে ওই কেন্দ্রে যে এবারও ঘাসফুলের প্রার্থী হচ্ছেন মমতা, তা ঘোষণা করে দিয়েছেন সুব্রত।

    ভবানীপুর নিয়ে উদ্বেগ

    তবে ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে যে খোদ তৃণমূল নেত্রীই উদ্বেগে (BJP) রয়েছেন, তা ধরা পড়েছে তাঁর গলায়। এদিন অডিও বার্তায় মমতাকেও বলতে শোনা যায়, “সেই জায়গাগুলো (ভবানীপুরের) আদৌ…যাঁরা ফ্ল্যাট কিনছেন, তাঁরা না পাচ্ছেন জল, না পাচ্ছেন ড্রেনেজ সিস্টেম…না পাচ্ছেন ঠিকমতো ব্যবস্থা। সেক্ষেত্রে আমরা কেন এটা বুঝব না…সব কিছু দেখে রাখতে হবে আমাদের। কারণ দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা সবই তো আমাদের। সেই জন্যই আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে। সবাই ভালো থাকুন।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশের মতে, ভবানীপুরে মমতাকে হারাতে শুভেন্দু যেভাবে আগ্রাসী হয়ে উঠেছেন, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূল সুপ্রিমো স্বয়ং। তাই উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিতে চাইছেন ভবানীপুরে। যে উন্নয়নের জন্য হা-পিত্যেশ করে (BJP) বসে রয়েছেন ভবানীপুরের বাসিন্দারা (Suvendu Adhikari)!

  • Ramakrishna 480: “যশোদা বললেন, মা, আর কি লব? তবে এই বল, যেন কায়মনোবাক্যে কৃষ্ণেরই সেবা করতে পারি”

    Ramakrishna 480: “যশোদা বললেন, মা, আর কি লব? তবে এই বল, যেন কায়মনোবাক্যে কৃষ্ণেরই সেবা করতে পারি”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    সত্যকথা কলির তপস্যা — ঈশ্বরকোটি ও জীবকোটি

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—অবতার বা অবতারের অংশ, এদের বলে ঈশ্বরকোটি আর সাধারণ লোকদের বলে জীব বা জীবকোটি। যারা জীবকোটি তারা সাধনা করে ঈশ্বরলাভ করতে পারে; তারা সমাধিস্থ হয়ে আর ফেরে না।

    “যারা ঈশ্বরকোটি—তারা যেমন রাজার বেটা; সাততলার চাবি তাদের হাতে। তারা সাততলায় উঠে যায়, আবার ইচ্ছামতো নেমে আসতে পারে। জীবকোটি যেমন ছোট কর্মচারী, সাততলা বাড়ির খানিকটা যেতে পারে ওই পর্যন্ত।”

    জ্ঞান ও ভক্তির সমন্বয় 

    “জনক জ্ঞানী, সাধন করে জ্ঞানলাভ করেছিল; শুকদেব জ্ঞানের মূর্তি।”

    গিরিশ—আহা!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সাধন করে শুকদেবের জ্ঞানলাভ করতে হয় নাই। নারদেরও শুকদেবের মতো ব্রহ্মজ্ঞান ছিল, কিন্তু ভক্তি নিয়ে ছিলেন—লোকশিক্ষার জন্য। প্রহ্লাদ কখনও সোঽহম্‌ ভাবে থাকতেন, কখনও দাসভাবে—সন্তানভাবে। হনুমানেরও ওই অবস্থা।

    “মনে করলে সকলেরই এই অবস্থা হয় না। কোনও বাঁশের বেশি খোল, কোনও বাঁশের ফুটো ছোট।”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল

    কামিনী-কাঞ্চন ও তীব্র বৈরাগ্য

    একজন ভক্ত—আপনার এ-সব ভাব নজিরের জন্য, তাহলে আমাদের কি করতে হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ভগবানলাভ করতে হলে তীব্র বৈরাগ্য দরকার। যা ঈশ্বরের (Kathamrita) পথে বিরুদ্ধ বলে বোধ হবে তৎক্ষণাৎ ত্যাগ করতে হয়। পরে হবে বলে ফেলে রাখা উচিত নয়। কামিনী-কাঞ্চন ঈশ্বরের পথে বিরোধী; ও-থেকে মন সরিয়ে নিতে হবে।

    “ঢিমে তেতালা হলে হবে না। একজন গামছা কাঁধে স্নান করতে যাচ্ছে। পরিবার বললে, তুমি কোন কাজের নও, বয়স বাড়ছে, এখন এ-সব ত্যাগ করতে পারলে না। আমাকে ছেড়ে তুমি একদিনও থাকতে পার না। কিন্তু অমুক কেমন ত্যাগী!

    স্বামী—কেন, সে কি করেছে?

    পরিবার—তার ষোলজন মাগ, সে এক-একজন করে তাদের ত্যাগ করছে। তুমি কখনও ত্যাগ করতে পারবে না।

    স্বামী—এক-একজন করে ত্যাগ! ওরে খেপী, সে ত্যাগ করতে পারবে না। যে ত্যাগ করে সে কি একটু একটু করে ত্যাগ করে!

    পরিবার—(সহাস্যে) — তবু তোমার চেয়ে ভাল।

    স্বামী—খেপী, তুই বুঝিস না। তার কর্ম নয়, আমিই ত্যাগ করতে পারব, এই দ্যাখ্‌ আমি চললুম!

    “এর নাম তীব্র বৈরাগ্য। যাই বিবেক এল তৎক্ষণাৎ ত্যাগ করলে। গামছা কাঁধেই চলে গেল। সংসার গোছগাছ করতে এল না। বাড়ির দিকে একবার পেছন ফিরে চাইলেও না।

    “যে ত্যাগ করবে তার খুব মনের বল চাই। ডাকাত পড়ার ভাব। অ্যায়!!!—ডাকাতি করবার আগে যেমন ডাকাতেরা বলে মারো! লোটো! কাটো! (Kathamrita)

    “কি আর তোমরা করবে? তাঁতে ভক্তি, প্রেম লাভ করে দিন কাটানো। কৃষ্ণের অদর্শনে যশোদা পাগলের ন্যায় শ্রীমতীর কাছে গেলেন। শ্রীমতী তাঁর শোক দেখে আদ্যাশক্তিরূপে দেখা দিলেন। বললেন, মা, আমার কাছে বর নাও। যশোদা বললেন, মা, আর কি লব? তবে এই বল, যেন কায়মনোবাক্যে কৃষ্ণেরই (Ramakrishna) সেবা করতে পারি। এই চক্ষে তার ভক্তদর্শন,—যেখানে যেখানে তার লীলা, এই পা দিয়ে সেখানে যেতে পারি,—এই হাতে তার সেবা আর তার ভক্তসেবা,—সব ইন্দ্রিয়, যেন তারই কাজ করে।”

  • Hamas: ইজরায়েলের সহযোগী সন্দেহে গাজার ৮ বাসিন্দাকে গুলি করে হত্যা হামাসের

    Hamas: ইজরায়েলের সহযোগী সন্দেহে গাজার ৮ বাসিন্দাকে গুলি করে হত্যা হামাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাস গোষ্ঠীকে নিরস্ত্র করার অঙ্গীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এহেন আবহে গাজার ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে হামাস (Hamas) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে গাজারই ৮জনকে। চমকে ওঠার মতো সেই ঘটনার ছবিও ভাইরাল হয়েছে। প্রসঙ্গত, মার্কিন মধ্যস্থতায় ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হয়েছে হামাসের। এই সুযোগে প্যালেস্তাইনের দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে হামাস। এতদিন তারা দখল করে রেখেছিল গাজা। এবার তারা নিতে চলেছে পুরো প্যালেস্তাইনের রাশ। আর তা করতে গিয়েই ৮ গাজাবাসীকে হত্যা করেছে হামাস।

    হাড়হিম করা ছবি (Hamas)

    ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, প্রথমে তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। পরে চোখ বেঁধে হাঁটু গেড়ে তাঁদের বসিয়ে দেওয়া হয় রাস্তায়। এরপর হামাসের হেডব্যান্ড পরা বন্দুকধারীরা একে একে গুলি করে হত্যা করে তাদের। সেই সময় উপস্থিত জনতা চিৎকার করতে থাকে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে। কোনও প্রমাণ না দিয়েই হামাসের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহতরা ছিল অপরাধী এবং ইজরায়েলের সহযোগী। জানা গিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শুরু হতেই ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রত্যাহার করে তেল আভিভ (ইজরায়েলের রাজধানী)। এর পরেই দ্রুত গাজায় ফের নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে কোমর বেঁধে নামে হামাস। তাদের টার্গেট, ক্ল্যান বা পারিবারিক ভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি। ইজরায়েলের সঙ্গে হামাসের সংঘর্ষ চলার সময় যথেষ্ট শক্তি অর্জন করেছিল এই ক্ল্যানগুলি।

    হামাস বিরোধী দল

    হামাস পরিচালিত পুলিশ বাহিনী ১৮ বছর আগে গাজায় ক্ষমতা দখলের পর থেকে জননিরাপত্তা বজায় রাখতে উচ্চমানের ভূমিকা রেখেছিল। যদিও তারা ভিন্নমত দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। সম্প্রতি ইজরায়েলি বাহিনী গাজার বড় বড় এলাকা দখল করে এবং হামাসের নিরাপত্তা বাহিনীকে বিমান হামলায় টার্গেট করার পর এই বাহিনীর উপস্থিতি অনেকটাই বিলীন হয়ে গিয়েছে (Hamas)। স্থানীয় প্রভাবশালী পরিবার এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি, যাদের মধ্যে ইজরায়েল সমর্থিত কিছু হামাস বিরোধী দলও রয়েছে, সেই শূন্যস্থান পূরণে এগিয়ে আসে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, তারা মানবিক সাহায্য ছিনতাই করে মুনাফার জন্য বিক্রি করছে। যার জেরে গাজার তীব্র খাদ্যসংকট আরও বেড়েছে (Donald Trump)। গাজার বেসরকারি ট্রাক মালিক সমিতির প্রধান নাহেদ শেহাইবার বলেন, “হামাস ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মানুষের মধ্যে সন্ত্রাস ছড়ানো গ্যাংগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে (Hamas)।”

  • Maithili Thakur: দ্বিতীয় দফায় ১২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি, প্রার্থী হচ্ছেন সঙ্গীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর

    Maithili Thakur: দ্বিতীয় দফায় ১২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি, প্রার্থী হচ্ছেন সঙ্গীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Polls) জন্য প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল বিজেপি (Maithili Thakur)। বুধবারও ফের তালিকা প্রকাশ করল পদ্ম শিবির। বিহার বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে এদিন ১২টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে গেরুয়া শিবির। এই তালিকায় নাম রয়েছে প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুরেরও। মঙ্গলবার বিকেলেই পাটনায় রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দেন তিনি।

    প্রার্থী হচ্ছেন মৈথিলী (Maithili Thakur)

    বিহারের দ্বারভাঙা জেলার আলিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন মৈথিলী। এই আসনে যে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে, তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল মঙ্গলবারই। এদিনের প্রার্থী তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিকাশশীল ইনসান পার্টির নেতা মিস্রিলাল যাদব। পরে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে ২০২২ সালে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। অবশ্য গত সপ্তাহেই পদ্ম-সঙ্গ ছাড়েন মিস্রিলাল। এ বার এই আসনেই পদ্ম চিহ্নে লড়ছেন মৈথিলী। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মৈথিলী। উপস্থিত ছিলেন বিহারের দায়িত্বে থাকা বিজেপি নেতা বিনোদ তাওড়ে। মৈথিলীর সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন তিনিই। মৈথিলী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রতি আমি অত্যন্ত মুগ্ধ। বিজেপিতে আমি এসেছি সমাজের সেবা করতে এবং বিহারের উন্নয়নে অবদান রাখতে।”

    প্রার্থী হচ্ছেন প্রাক্তন এক আইপিএস-ও

    চমক রয়েছে আরও (Maithili Thakur)। বক্সার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে প্রাক্তন আইপিএস আনন্দ মিশ্রকে। সম্প্রতি ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের নবগঠিত দল ‘জন সুরাজ পার্টি’ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। মুজফফরপুর কেন্দ্রে পদ্ম প্রার্থী হচ্ছেন রঞ্জন কুমার। এই কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায় সুরেশ শর্মার বদলে প্রার্থী হচ্ছেন রঞ্জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৮৩টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছিল ৭১টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম। এদিন প্রকাশ করা হল আরও ১২টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম। ২৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্র বিশিষ্ট বিহারে নির্বাচন হবে দু’দফায়। এর মধ্যে ১০১টি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিজেপি (Bihar Polls)। বাকিগুলিতে লড়বে এনডিএর অন্য শরিক দলগুলি (Maithili Thakur)।

  • Suvendu Adhikari: “ছাব্বিশে বদল হলে সুদে আসলে আমরা বদল নেব”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ছাব্বিশে বদল হলে সুদে আসলে আমরা বদল নেব”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা উত্তর লোকসভার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপর হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে একযোগে ময়দানে নেমেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেছে রাজ্য বিজেপি। একই ভাবে রাজ্যে লাগাতার নারী নির্যাতনের মতো ঘটনার প্রতিবাদে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সুকান্ত-শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    বদলাও হবে বদলও হবে (Suvendu Adhikari)

    বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপর হামলার বিরুদ্ধে তোপ দেগে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পুলিশকে একমাস সময় দিয়েছি। তার মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে হবে। না হলে বিজেপি ট্রিটমেন্ট করবে। নাগরাকাটার বুকেই ট্রিটমেন্ট হবে। বিজেপিকে মারধর করে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া যাবে না।” একই সঙ্গে মিছিলের শেষে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্যের নানা প্রান্তে রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার হচ্ছে অনেকেই। এই সরকার সম্পূর্ণ ভাবে আদিবাসী বিরোধী সরকার। মিছিলের শেষ মানে আন্দোলনের শেষ নয়। বদলা চাইলে বদল করতে হবে। ছাব্বিশে বদল হলে সুদে আসলে আমরা বদল নেবো। বদলাও হবে বদলও হবে।”

    তির-ধনুক নিয়ে মিছিল বিজেপির

    বঙ্গ বিজেপির এসটি মোর্চার ডাকে প্রতিবাদ মিছিলে নেতৃত্বদেন বিরোধীদল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর পাশে স্বাভাবিক ভাবেই উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), রাহুল সিনহা, দীপক বর্মণ সহ আরও অনেকে। মহিলা নেত্রীদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তবে শারীরিক অসুস্থতার জন্য মিছিলে উপস্থিত ছিলেন না রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আদিবাসী সমাজের অস্ত্রকে মিছিলে প্রতীকী প্রতিবাদ রূপে ব্যবহার করতে দেখাও যায়। প্রত্যেক নেতানেত্রীর হাতে ছিল তির, ধনুক। জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা করে। এরপরেই রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। অভিযুক্তদের ছবি ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়। বিজেপির স্পষ্ট দাবি অভিযুক্তরা সকলেই তৃণমূলের নেতা। আর তাই তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনেই দুষ্কৃতীদের পাকড়াও করছে না পুলিশ।

LinkedIn
Share