Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh: ঢাকার ইস্কন মন্দিরে হামলা ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীদের, ১৪টি বিগ্রহ, সোনা ও দানবাক্স লুট

    Bangladesh: ঢাকার ইস্কন মন্দিরে হামলা ইসলামপন্থী দুষ্কৃতীদের, ১৪টি বিগ্রহ, সোনা ও দানবাক্স লুট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আবার হিন্দুদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে। ইস্কন মন্দিরে (ISKCON Temple) লুটপাট করে ১৪টি বিগ্রহ চুরি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মন্দির থেকে নগদ টাকা, সোনা ও দানবাক্স চুরি করে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন চলছে। আগামী ১২ ফেব্রিয়ারি জাতীয় নির্বাচন এই দেশের। তাঁর আগে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে দেশে ব্যাপক ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করছে ইসলামি কট্টরপন্থীরা। এমনটাই মত প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা।

    চুরি যাওয়া সম্পত্তির পরিমাণ (Bangladesh) 

    ঢাকার (Bangladesh) মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে চুরি যাওয়া ১৪টি প্রতিমার মধ্যে ছয়টি পিতলের তৈরি এবং আটটি পাথরের মূর্তি। প্রতিমা ছাড়াও, চোরেরা একটি রূপার জুতো, একটি বাঁশি, পিতলের বাসনপত্র, একটি হারমোনিয়াম, একটি বালতি, একটি পিতলের আসন, পিতলের গ্লাস এবং দুটি দান বাক্সে রাখা নগদ টাকা চুরি করেছে। পুরোহিত আরও জানান, চুরির সময় প্রায় ২০,০০০ টাকা নগদ, সোনার অলঙ্কার, একটি জলের মোটর মেশিন এবং দুটি দান বাক্সও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    আমাদের অপরাধ কী?

    মন্দিরের পুরোহিত লিপি রানী গোপ এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং মন্দিরকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের অপরাধ কী? কেন আমাদের বারবার এমন নির্যাতনের শিকার করা হচ্ছে? আমরা নিরাপদ বোধ করছি না। যদি আমরা নিরাপদ বোধ করতাম, তাহলে আমাদের মন্দিরে চুরি-ডাকাতি কেন হত?”

    মন্দিরের সাথে যুক্ত আরেক বাসিন্দা, শিল্পা রানী মালাকার, তার যন্ত্রণার কথা বর্ণনা করে বলেন, “আমার ঘরেও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল আমি মাধবপুরে (Bangladesh) ছিলাম। ফিরে এসে দেখি আমার ঘরের তালা ভাঙা। প্রায় ২০,০০০ টাকা নগদ এবং সোনার অলঙ্কার লুট হয়ে গেছে। আমার স্বামী বা সন্তান নেই। আমি প্রভুর সেবা করি।”

    আবার মন্দিরের প্রধান সুখদা বলরাম দাসও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “গত রাতে আমার মন্দিরের মূর্তি চুরি হয়েছে। এছাড়াও, নগদ টাকা, সোনার অলঙ্কার এবং একটি বিশুদ্ধ জলের মোটর চুরি করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।”

    গত কয়েক মাস ধরে চলছে সংখ্যালঘু নির্যাতন (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, একদল দুষ্কৃতী মন্দিরে (ISKCON Temple) প্রবেশ করে তছনছ চালায়। তারা কেবল লুটপাট করেনি, বরং মন্দির সংলগ্ন এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নিগ্রহের ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। যদিও ইউনূস প্রশাসন তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

    আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

    আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনার ধর্মীয় সংগঠন ইস্কন (ISKCON Temple) কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী (Bangladesh) সরকারের কাছে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে। তবে যেহেতু বাংলাদেশ এখন নির্বাচনী আবহ চলছে তাই দেশে কট্টরপন্থীরা হিন্দু সমাজকে টার্গেট করছে বলে মত প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল সামাজের মানুষ।

  • India EU FTA: “ইইউ-র সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে ভারতই লাভবান হবে”, বলছেন মার্কিন বাণিজ্য কর্তা

    India EU FTA: “ইইউ-র সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে ভারতই লাভবান হবে”, বলছেন মার্কিন বাণিজ্য কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর এই চুক্তিতে (India EU FTA) ভারতই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে।” কথাগুলি বললেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বাণিজ্য কর্তা। তাঁর মতে, এই চুক্তিটি ইউরোপীয় বাজারে ভারতের প্রবেশাধিকার আরও বাড়িয়ে দিয়ে নয়াদিল্লিরই সুবিধে করে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আমেরিকার বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, “এই চুক্তিতে ভারতই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। চুক্তি কার্যকর হলে নয়াদিল্লি কার্যত গোল্ডেন টাইম উপভোগ করবে।” তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত চুক্তির কিছু খুঁটিনাটি আমি দেখেছি। সত্যি বলতে কী, আমার মনে হয় এতে ভারতই এগিয়ে থাকবে। তারা ইউরোপের বাজারে আরও বেশি করে প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।”

    ভারত বেশ বড় সুবিধা পেতে চলেছে (India EU FTA)

    প্রস্তাবিত চুক্তির বিস্তারিত দিকগুলির উল্লেখ করে গ্রিয়ার বলেন, “শুনে মনে হচ্ছে, এতে ভারতের জন্য অতিরিক্ত কিছু অভিবাসন সুবিধাও থাকতে পারে। আমি নিশ্চিত নই, তবে ইইউয়ের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন ইউরোপে ভারতীয় শ্রমিকদের যাতায়াত বা মোবিলিটি নিয়ে কথা বলেছেন। সব মিলিয়ে আমার ধারণা, এই চুক্তির ফলে ভারত বেশ বড় সুবিধা পেতে চলেছে।” মঙ্গলবার ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর করেছে। একে ‘সব চুক্তির জননী’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের একটি যৌথ বাজার তৈরি হবে এবং বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মাধ্যমে নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করার লক্ষ্যে একটি রূপান্তরধর্মী পাঁচ বছরের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে (India EU FTA)।

    গ্রিয়ারের বক্তব্য

    এই চুক্তি গ্লোবাল মোট জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এর আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের ৯৯ শতাংশ রফতানির ওপর শুল্ক তুলে নেওয়া হবে এবং একই সঙ্গে ভারতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৯৭ শতাংশের বেশি রফতানির ওপর শুল্ক হ্রাস করা হবে। তবে আমেরিকার শীর্ষ বাণিজ্য কর্তা এই অগ্রগতির গুরুত্ব কিছুটা খাটো করে দেখান। তাঁর মতে, পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বিকল্প বাজার খুঁজতে বাধ্য করছে। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেশীয় উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং আরও কঠোর বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করছে (India EU FTA)। গ্রিয়ার বলেন, “কৌশলগতভাবে এটা বোঝা জরুরি যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশীয় উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং কার্যত অন্য দেশগুলির জন্য আমাদের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে এক ধরনের ফি আরোপ করেছেন। ফলে এসব দেশ তাদের অতিরিক্ত উৎপাদনের জন্য নতুন বাজার খুঁজছে। সেই কারণেই ইইউ ভারতের দিকে ঝুঁকছে।” তিনি এও বলেন, “ইইউ অত্যন্ত বাণিজ্যনির্ভর।”

    কম খরচের শ্রমশক্তির সুবিধা

    গ্রিয়ারের মতে, কম খরচের শ্রমশক্তির সুবিধা নিয়ে এই চুক্তি ভারতের জন্য ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশাধিকার আরও বাড়াবে, বিশেষত এমন এক সময়ে যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন কার্যত গ্লোবালাইজেশনকে আরও জোরদার করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই চুক্তিকে বিশ্বের দুটি প্রধান অর্থনীতির মধ্যে অংশীদারিত্বের এক নিখুঁত উদাহরণ বলে অভিহিত করেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, “বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি আমাদের নিজস্ব বিশ্বে মানুষ ও অর্থনীতিকে সুরক্ষিত করতে সহায়ক হবে।” তিনি বলেন, “ভারত এগিয়ে এসেছে, আর ইউরোপ সত্যিই আনন্দিত। কারণ ভারত সফল হলে বিশ্ব আরও স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ হয়, এবং তার সুফল আমরা সবাই পাই।”

    ভূরাজনৈতিক তাৎপর্যের দিক

    এদিকে, এই চুক্তি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক চর্চার খোরাক জুগিয়েছে। অনেক সংবাদমাধ্যমই এর ভূরাজনৈতিক তাৎপর্যের দিকে আলোকপাত করেছে। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের হেডলাইন হল, “ট্রাম্পের ছায়ায়, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্যিক সম্পর্কের সম্প্রসারণ”। এখানে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের বাণিজ্য সম্পর্ক যখন ক্রমশ অনিশ্চিত হয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময় দুই বৃহৎ গণতন্ত্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সংহতি আরও গভীর হচ্ছে (India EU FTA)। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার আবহে ইউরোপ ও ভারত একটি ‘ব্লকবাস্টার’ বাণিজ্য চুক্তির কথা ঘোষণা করেছে। সিএনএন বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি তুলে ধরে জানিয়েছে, ট্রাম্পের নীতিতে আঘাতপ্রাপ্ত ভারত ও ইউরোপ একে অপরের দিকে ঝুঁকছে, যাকে তারা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ‘মাদার অব অল ডিলস’ বলে উল্লেখ করেছে। যদিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতীকী গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও চুক্তিটির তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক প্রভাব সীমিত হতে পারে।

    সবচেয়ে বড় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল চুক্তিটির ব্যাপ্তি তুলে ধরে জানিয়েছে, এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বাক্ষরিত জনসংখ্যাভিত্তিক সবচেয়ে বড় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)। একই সঙ্গে এটি এমন এক বৃহত্তর প্রবণতার অংশ, যেখানে ট্রাম্প-যুগের শুল্কনীতির প্রতিক্রিয়ায় বড় অর্থনীতিগুলি বিকল্প বাণিজ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। সিএনবিসি বারবার এই চুক্তিকে ‘মাদার অব অল ডিলস’ বলে উল্লেখ করেছে। তারা সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্গঠন, ইউরোপের গাড়ি, যন্ত্রপাতি ও ওষুধ রফতানির সম্ভাবনা এবং আমেরিকা–ভারত ও আমেরিকা–ইইউ বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে ভারতীয় বস্ত্র ও পরিষেবা খাতের জন্য উন্নত বাজার প্রবেশাধিকারের বিষয়টি তুলে ধরেছে। এনবিসি একে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে নেওয়া একটি ‘ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চুক্তি বৈশ্বিক জিডিপির এক-চতুর্থাংশ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের এক-তৃতীয়াংশকে অন্তর্ভুক্ত করে, পাশাপাশি ইউরোপকে ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ দেয় (India EU FTA)।

    ‘বহুমেরুকেন্দ্রিক বাণিজ্য ব্যবস্থা’

    দ্য ডিপ্লোম্যাট এটিকে ‘ট্রাম্প-পরবর্তী, বহুমেরুকেন্দ্রিক বাণিজ্য ব্যবস্থা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের মতে, এই চুক্তি ভারতের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনকে ইউরোপের শিল্পভিত্তির সঙ্গে যুক্ত করে বৈশ্বিক বাণিজ্যের কাঠামো নতুনভাবে সাজিয়ে দিচ্ছে। প্রসঙ্গত, ভারত ও ইইউয়ের মধ্যে প্রায় দুই দশক ধরে চলা বাণিজ্য আলোচনার পর এই চুক্তি সম্পন্ন হল। এর সমাপ্তি এমন একটা সময়ে হল, যখন বৈশ্বিক বাণিজ্য অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকি, যেখানে তিনি গ্রিনল্যান্ড সংযুক্তির বিরোধিতা করা ইউরোপীয় দেশগুলির ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপের কথা বলেছিলেন (যদিও পরে তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন)। ইইউয়ের জন্য আমেরিকা এখনও সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার। ফলে ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্য আনার দিক থেকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে ভারত–ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে শুধু শুল্ক বা বাজার প্রবেশাধিকারের চুক্তি হিসেবে নয়, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যের অস্থিরতার মুখে বড় অর্থনীতিগুলি কীভাবে একক দেশের ওপর নির্ভর না করে বিকল্প জোট গড়ে তুলছে, তারই প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে (India EU FTA)। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিটির তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক প্রভাব মাঝারি হতে পারে, যদিও এর ভূরাজনৈতিক ও প্রতীকী গুরুত্ব অত্যন্ত বড়। এটি ভারত ও ইউরোপকে স্বাধীন, স্থিতিশীল এবং সক্ষম বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।

  • ECI: তিন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে রাজ্যকে নির্দেশ কমিশনের

    ECI: তিন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে রাজ্যকে নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে সংঘাত তৈরি হয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) (ECI) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মধ্যে। এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে তিনজন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের (IAS Officers) বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্র মুখ্যসচিবকে লেখা চিঠিতে জানান, ওই বদলির নির্দেশ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে।

    বদলির নির্দেশ বাতিল করতে হবে (ECI)

    সম্প্রতি রাজ্য সরকার আইএএস আধিকারিক স্মিতা পাণ্ডে, অশ্বিনী কুমার যাদব এবং রণধীর কুমারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে দফতর বদলির নির্দেশ জারি করেছিল। চিঠিতে বলা হয়েছে, “বদলির নির্দেশগুলি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে।” এছাড়াও চিঠির ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এসআইআর চলাকালীন মুখ্যসচিবকে নিশ্চিত করতে হবে যে কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়া এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। চিঠিতে আরও বলা হয়, “কমিশন ২৭.১০.২০২৫ তারিখের চিঠির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ঘোষনা করেছে। ওই চিঠির ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, এসআইআর চলাকালীন কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়া এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে বদলি করা যাবে না।”

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, “২৮.১১.২০২৫ তারিখের চিঠির মাধ্যমে কমিশন ডিভিশনাল কমিশনারদের সঙ্গে ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এসআইআর (IAS Officers) পরিচালনার জন্য এই আধিকারিকদের নির্বাচন কমিশনে ডিমড ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছে।” চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিশনের নজরে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ০১.১২.২০২৫, ২০.০১.২০২৬ এবং ২১.০১.২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যথাক্রমে অশ্বিনী কুমার যাদব, আইএএস উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক, রণধীর কুমার, আইএএস উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তরের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক, এবং স্মিতা পাণ্ডে, আইএএস পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক – এই তিন আধিকারিকের দফতর বদলির নির্দেশ জারি করেছে (ECI)।

    কমিশনের অনুমোদন ছাড়াই বদলি!

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “এই বদলিগুলি নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়াই করা হয়েছে, যা ২৭.১০.২০২৫ তারিখের কমিশনের নির্দেশের সরাসরি লঙ্ঘন। উপরোক্ত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এই বদলির আদেশ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে। এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের রিপোর্ট ২৮.০১.২০২৬ তারিখ বিকেল ৩টার মধ্যে কমিশনে পাঠাতে হবে।” এর আগেও নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যখন মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন ফারাক্কা বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও এফআইআর দায়ের করেনি (IAS Officers)।

    উল্লেখ্য, গত বছর অগাস্ট মাসে নির্বাচন কমিশন বারুইপুর পূর্ব এবং ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে ১২৭ জন ভুয়ো ভোটার নথিভুক্তির অভিযোগে চার সরকারি আধিকারিক এবং এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এই চার আধিকারিকের মধ্যে ছিলেন বারুইপুর পূর্বের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, ময়নার ইআরও বিপ্লব সরকার, বারুইপুরের সহকারী ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (এইআরও) তথাগত মণ্ডল, ময়নার এইআরও সুদীপ্ত দাস (ECI)। চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদারের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। যদিও রাজ্য সরকার সুরজিৎকে আগেই সাসপেন্ড করেছে, তবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত এফআইআর দায়ের করা হয়নি।

  • Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডকে (Anandapur Fire) ম্যান মেড তত্ত্ব দিয়ে তৃণমূল সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটলেও রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেন না। সেখানে দেখা গেল বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। এই প্রশ্নই শাসক দলের বিরুদ্ধে জনরোষ এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সরকার কীভাবে এই রকম একটি অগ্নিকাণ্ড বিষয়ে চুপচাপ বসে থাকতে পারে? অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড (Anandapur Fire) কোনও দুর্ঘটনা নয়। এই সরকারের গাফিলতির ফল। এটি কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দীর্ঘদিনের গাফিলতি, অযোগ্যতা এবং শাসন ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার সরাসরি পরিণতি। প্রশাসনিক নজরদারির অভাবের ফলেই নিয়ম-কানুন উপেক্ষিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত এমন ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পূর্ব কলকাতার জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে। রাজ্যে কারখানা বলে কিছু নেই। বেআইনি নির্মাণ রুখতে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ এই সরকার। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নিরীহ শ্রমিকেদের পরিবারগুলোর প্রতি আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আন্তরিক সমবেদনা জানাই। সব মিলিয়ে ৮ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে আগামী সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। অনেক মৃত দেহকে সঠিক ভাবে শনাক্ত করা যায়নি।”

    জরুরি বেরনোর পথ ছিল না

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে মৃত ও নিখোঁজ অধিকাংশ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন অত্যন্ত তরুণ এবং তাঁদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বড় অংশ তো বড় অংশই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলার বাসিন্দা। আনন্দপুরের (Anandapur Fire) নাজিরাবাদ এলাকায় এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ঘটেছে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি অঞ্চলে, যেখানে বেআইনিভাবে জমির চরিত্র বদলে দেওয়া হয়েছে। একেরপর অবৈধ শিল্প ইউনিট গড়ে উঠেছে। সরকারি বিধিনিষেধকে অমান্য করে অবৈধ নির্মাণের জন্যই এই বিরাট অগ্নিকাণ্ড। দাহ্য পদার্থে ভর্তি তালাবদ্ধ গুদামের ভেতরে মানুষ আটকে পড়েছিলেন। সেখানে কোনও জরুরি বেরনোর পথ ছিল না, সংকীর্ণ গলির কারণে উদ্ধারকাজে ব্যাহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কোনও সরঞ্জামও ছিল না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে-এটা কীভাবে সম্ভব হল? কলকাতার একেবারে কাছেই এত বিপজ্জজনক গুদামে শ্রমিকদের রাত কাটাতে বাধ্য করা হল? কেউ কীভাবে কিছু জানতে পারলেন না কেন? রাজ্যের দমকল দফতর, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা কোথায় ছিল? একাধিক নানা প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।”

    ৩০ ঘণ্টার পর কেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দমকলমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, “৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। যাঁর বাড়ি ওই এলাকা থেকে মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে। অথচ তিনি নির্লজ্জভাবে প্রশ্ন তোলেন, কেন মানুষ গুদামের ভেতরে ছিল। লজ্জাজনক! প্রশ্ন তোলার বদলে তাঁর প্রশাসনের উচিত ছিল এর উত্তর দেওয়া। এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা, দুর্নীতি ও অপশাসনের ওপরই বর্তায়। এএমআরআই হাসপাতাল থেকে বড়বাজার, আর এবার আনন্দপুর (Anandapur Fire)—একটির পর একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে, অথচ কোনও শিক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, কোনও দায়ও স্বীকার করা হচ্ছে না। এটাই পশ্চিমবঙ্গের ‘নো গভর্নমেন্ট’-এর প্রমাণ।”

    আগুন লাগিয়ে জমি দখল!

    উল্লেখ্য আনন্দপুরের (Anandapur Fire) মতো রাজ্যে প্রত্যেকবার শীতের মরশুমে ঝুপড়ি, ছোট ছোট গুদাম, কারখানা এবং বস্তি এলাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি বড়বাজার, বাগরি মার্কেট, গড়িয়াহাট, সখের বাজার, খিদিরপুর, মঙ্গলাহাট সহ একাধিক এলাকায় বড় বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই ভাবে বেআইনি নির্মাণের ফলে অধিক ঘন বসতি, বিদ্যুৎ চুরি, শর্ট সার্কিটের ঘটনায় বার বার আগুন লাগানোর ঘটনা পুরসংস্থা, দমকল বাহিনী, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার ঠিক ভাবে করা হয় না বলে বিরোধীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ তুলেছে। একবার আগুন লাগিয়ে এলাকা দখলের গভীর ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও যুক্ত থাকেন তৃণমূলের নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা এবং কাজের সঙ্গে মিল নেই বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

  • Online Content: অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপ, অশ্লীলতা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রক্ষা করতে নয়া উদ্যোগ

    Online Content: অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপ, অশ্লীলতা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রক্ষা করতে নয়া উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইন (Online Content) প্ল্যাটফর্মগুলিতে কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং বিশেষ করে নাবালকদের অশ্লীল কন্টেন্ট থেকে সুরক্ষিত রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে মোদি সরকার। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে প্রচার হওয়া আপত্তিকর বিষয়বস্তু অবিলম্বে রোধ করা। সামাজিক মাধ্যমে নানা কন্টেন্টকে ভিউজ বাড়িয়ে অধিক প্রচার পেতে এবং টাকা রোজগার করতে অশ্লীলতা এখন একটি বড় শিল্পের মাপকাঠিতে পরিণত হয়েছে। ফলে শিশু-কিশোরদের (Protect Minors) মনে পড়ছে খারাপ প্রভাব। তাই এই ধরনের ডিজিটাল কন্টেন্টকে আটকাতে সরকার ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে।

    নাবালকদের সুরক্ষা(Online Content)

    গত মার্চ মাসে সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশ অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেখানে সলিসিটর জেনারেলকে সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদের অধীনে বাকস্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে ১৯(২) অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিকভাবে অনুমোদিত “যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ” নিশ্চিত করা হয়েছিল।

    ইন্টারনেটে ক্রমবর্ধমান অশ্লীলতা এবং হিংসাত্মক কন্টেন্ট (Online Content) থেকে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষা করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সরকার এমন একটি ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা করছে যেখানে অপ্রাপ্তবয়স্কদের (Protect Minors) জন্য ক্ষতিকর কন্টেন্ট ব্লক বা ফিল্টার করা সহজ হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এবং আইটি মন্ত্রক যৌথভাবে অনলাইন কন্টেন্ট স্ট্রিমিং (OTT) প্ল্যাটফর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলির জন্য আরও কঠোর নির্দেশিকা বা নিয়মাবলী তৈরির কাজ করছে।

    অশ্লীলতার সংজ্ঞা ও কড়াকড়ি

    বর্তমান আইনি কাঠামোর মধ্যে অশ্লীলতার (Online Content) সংজ্ঞা আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সেগুলির প্রচার রুখতে প্রযুক্তিগত সমাধান খোঁজার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আর তাই সরকার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কঠোর ‘এজ গেট’ বা বয়স যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চালু করার কথা ভাবছে, যাতে কোনো শিশু তাদের বয়সের অনুপযুক্ত কন্টেন্ট দেখতে না পারে।

    অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা

    ব্যবহারকারী বা অভিভাবকরা যাতে আপত্তিকর কন্টেন্টের (Online Content) বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগ জানাতে পারেন এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার জন্য একটি শক্তিশালী ‘গ্রিভেন্স রিড্রেসাল’ বা অভিযোগ প্রতিকার কাঠামো (Protect Minors) গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে যেভাবে সেন্সরশিপ ছাড়াই বিভিন্ন আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের বিচার ব্যবস্থাও। সেই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্র এই নতুন নিয়মাবলীর মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাইছে।

  • Bangladesh: সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প, ভারতের কাছে পৌষমাস! কীভাবে জানেন?

    Bangladesh: সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প, ভারতের কাছে পৌষমাস! কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গভীর সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) টেক্সটাইল শিল্প। শুল্কমুক্ত সুতো আমদানির প্রতিবাদে দেশটির স্পিনিং মিল মালিকরা দেশব্যাপী (Textile Industry) উৎপাদন বন্ধের হুমকি দিয়েছেন। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের টেক্সটাইল সরবরাহ শৃঙ্খলের দুর্বলতা স্পষ্ট করে তুলেছে এবং বিনিয়োগকারীদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরছে, বাণিজ্য কাঠামোর পরিবর্তন ও ভারতীয় সুতো সরবরাহকারীদের ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতার সুযোগ কি ভারতীয় টেক্সটাইল প্রস্তুতকারীরা নিতে পারবেন?

    স্পিনিং শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে (Bangladesh)

    বাংলাদেশের স্পিনিং শিল্প ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশজুড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে, কারণ সরকার যদি সুতো আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহার না করে, সে ক্ষেত্রে মিল মালিকরা তাঁদের কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এই সঙ্কটের সূত্রপাত বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের সুতো আমদানি থেকে, যার বড় অংশই ভারত থেকে আসে। এর ফলে দেশের স্পিনিং শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নীতিমালা পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করায় স্পিনিং মিল মালিকদের সঙ্গে সরকারের বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (Bangladesh)। একই সঙ্গে জ্বালানি সঙ্কটও এই শিল্পকে চাপে ফেলেছে। গত তিন থেকে চার মাস ধরে অনিয়মিত গ্যাস সরবরাহ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে সরব হয়েছেন টেক্সটাইল মিল মালিকরা (Textile Industry)।

    ৫০টির বেশি স্পিনিং মিল বন্ধ

    এই সঙ্কটের ফলে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে এবং স্পিনিং মিলগুলির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০টির বেশি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাজারে সস্তা ভারতীয় সুতোর জোগান বেড়ে যাওয়ায় ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সুতো অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মিল মালিকদের দাবি, জ্বালানি, ঋণের সুদ এবং ভ্যাট অব্যাহতির অভাবের কারণে তাঁরা আমদানি করা সুতোর সঙ্গে দামে এঁটে উঠতে পারছেন না। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে, শুল্কমুক্ত সুতো আমদানি বন্ধ করা, ভর্তুকিমূল্যে গ্যাস সরবরাহ করা, সুদের হার কমানো এবং ট্যাক্স হলিডে দেওয়া।

    রফতানিকারীদের বক্তব্য

    এদিকে, পোশাক রফতানিকারীরা শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধের যে কোনও উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেশীয় সুতো, বিশেষ করে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের তুলোর সুতো দামে অনেক বেশি এবং অনেক সময় মানের দিক থেকেও নিম্ন। রফতানিকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ডগুলির কাছে ভারতীয় সুতো বেশি নির্ভরযোগ্য (Bangladesh)। সতর্ক করে দিয়ে তাঁরা বলেন, “যদি আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়, তবে বাংলাদেশের রফতানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশটির প্রতিযোগিতার (Textile Industry) ক্ষমতা কমে যাবে।

    ভারতীয় সুতোর ওপর টিকে বাংলাদেশের বস্ত্র-শিল্প

    ২০২৫ সালে বাংলাদেশ প্রায় ৭০ কোটি কেজি সুতো আমদানি করেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই এসেছে ভারত থেকে। এ থেকে এটি স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ ভারতীয় সুতোর ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। বাংলাদেশ যদি শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধ করে দেয় বা স্পিনিং মিলগুলি বন্ধ হয়ে যায়, তবে পোশাক শিল্পের জন্য সুতো আমদানির প্রয়োজন থেকেই যাবে। সে ক্ষেত্রে ভারতীয় সুতো, বিশেষ করে তুলো ও ব্লেন্ডেড সুতোর চাহিদা ও দাম উভয়ই বাড়তে পারে। স্বল্পমেয়াদে ভারতীয় টেক্সটাইল সংস্থাগুলি লাভবান হতে পারে। তারা বেশি অর্ডার পেতে পারে এবং ভালো দামে বিক্রি করতে পারে। ভারতের স্পিনিং মিল ও সমন্বিত টেক্সটাইল সংস্থাগুলির উৎপাদন ও বিক্রয়মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সব কিছু নির্ভর করবে এই বিষয়ের ওপর যে, বাংলাদেশ সরকার দেশীয় স্পিনিং শিল্প রক্ষায় আমদানি বন্ধ করে কি না (Textile Industry), নাকি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে সস্তা সুতো আমদানি অব্যাহত রাখে (Bangladesh)।

  • Ramakrishna 567: “মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান”

    Ramakrishna 567: “মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২রা সেপ্টেম্বর
    শ্রীযুক্ত ডাক্তার ভগবান রুদ্র ও ঠাকুর রামকৃষ্ণ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি— আবার এমনি অবস্থা, যদি কেউ বললে, ‘কমে গেছে’ তো অমনি অনেকটা কমে যায়। সেদিন ব্রাহ্মণী বললে, ‘আট-আনা কমে গেছে’ — অমনি নাচতে লাগলুম!

    ঠাকুর ডাক্তারের স্বভাব দেখিয়া সন্তুষ্ট হইয়াছেন। তিনি ডাক্তারকে বলিতেছেন, ‘তোমার স্বভাবটি বেশ। জ্ঞানের দুটি লক্ষণ—শান্ত ভাব, আর অভিমান থাকবে না।”

    মণি—এঁর (ডাক্তারের) স্ত্রী-বিয়োগ হয়েছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি)—আমি বলি, তিন টান হলে ভগবানকে পাওয়া যায়। মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান।

    “যা হোক, আমার বাবু এটা ভাল করো (Kathamrita)!”

    ডাক্তার এইবার অসুখের স্থানটি দেখিবেন। গোল বারান্দায় একখানি কেদারাতে ঠাকুর বসিলেন। ঠাকুর প্রথমে ডাক্তার সরকারের কথা বলিতেছেন, “শ্যালা, যেন গরুর জিব টিপলে!”

    ভগবান (Ramakrishna)—তিনি বোধ হয় ইচ্ছা করে ওরূপ করেন নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—না, তা নয় খুব ভাল করে দেখবে বলে টিপেছিল।

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২০শে ও ২৪শে সেপ্টেম্বর

    অসুস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে নিজের ঘরে বসিয়া আছেন। রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ; ৫ই আশ্বিন; শুক্লা একাদশী। নবগোপাল, হিন্দু স্কুলের শিক্ষক হরলাল, রাখাল, লাটু প্রভৃতি; কীর্তনীয়া গোস্বামী; অনেকেই উপস্থিত।

    বহুবাজারের রাখাল ডাক্তারকে সঙ্গে করিয়া মাস্টার আসিয়া উপস্থিত; ডাক্তারকে ঠাকুরের অসুখ দেখাইবেন।

    ডাক্তারটি ঠাকুরের গলায় কি অসুখ হইয়াছে দেখিতেছেন (Kathamrita)। তিনি দোহারা লোক; আঙুলগুলি মোটা মোটা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি—যারা এমন এমন করে (অর্থাৎ কুস্তি করে) তাদের মতো তোমার আঙুল। মহেন্দ্র সরকার দেখেছিল কিন্তু জিভ এমন জোরে চেপেছিল যে ভারী যন্ত্রণা হয়েছিল; যেমন গরুর জিভ চেপে ধরেছে।

    রাখাল ডাক্তার—আজ্ঞা, আমি দেখছি আপনার কিছু লাগবে না।

  • Calcutta High Court: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ নিয়ে রাজ্যের গাফিলতিতে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যকে সীমান্তবর্তী ন’টি জেলায় কাঁটাতার বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফের (BSF) হাতে তুলে দিতে হবে। আদালত জানিয়েছে, এই জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই টাকা মিটিয়ে দিয়েছে এবং অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। অথচ এখনও পর্যন্ত সেই জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। অবিলম্বে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত আর গ্রহণযোগ্য নয়।

    জমি অধিগ্রহণ (Calcutta High Court)

    এছাড়া যে সব জমির অধিগ্রহণ এখনও রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, সে সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় জমি অধিগ্রহণ সম্ভব কি না, সে বিষয়ে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন প্রাক্তন সেনাকর্মী সুব্রত সাহা। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে অবস্থিত ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের একাংশ দিয়ে অবাধে বেআইনি চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ চলছে এবং সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় তার দায় রাজ্যের ওপরই বর্তায়। এর আগের শুনানিতে রাজ্যের জমি অধিগ্রহণ দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার জানায়, সীমান্তে জরুরি ভিত্তিতে কাঁটাতার বসানোর জন্য কেন্দ্র যে ১৮১ কিলোমিটার জমির অধিগ্রহণ বাবদ অর্থ দিয়েছে, সেই জমি আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত ৩১ মার্চকে ডেডলাইন হিসেবে স্থির করে দেয়।

    আদালতের প্রশ্ন

    এই মামলায় অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী আদালতে জানান, বিষয়টি সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। আইন অনুযায়ী জেলা কালেক্টর জরুরি পরিস্থিতিতে জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবী তখন উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায়। তবে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “যতই জরুরি অবস্থা হোক, কালেক্টর কি এককভাবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? (BSF)” রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান (Calcutta High Court), ২০১৩ সালের নির্দিষ্ট জমি অধিগ্রহণ নীতিকে অগ্রাহ্য করে রাজ্যের পক্ষে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা সত্ত্বেও অধিগ্রহণ না হলে কেন ৪০ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা হচ্ছে না?”

    জমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ টাকা পাওয়া সত্ত্বেও বিএসএফের হাতে জমি হস্তান্তর না হওয়ার বিষয়ে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যদিও কিছু জেলায় এক–দু’মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুনে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসের মধ্যে জমি হস্তান্তরের কথা জানানো হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় ঘন ঘন জমির মালিকানা বদলের কারণেই এই বিলম্ব হচ্ছে বলে আদালতে দাবি করে রাজ্য। পাশাপাশি, বাকি যে জমিগুলি অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন, সেগুলিও বর্তমানে প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে (Calcutta High Court)।

     

  • All Party Meet: সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিল সরকার

    All Party Meet: সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিল সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার শুরু হবে সংসদের বাজেট অধিবেশন। তার ঠিক আগের দিন মঙ্গলবার বিরোধীদের ভি বি-জি রাম জি আইন (VB-G RAM G Act) এবং এসআইআর (SIR) নিয়ে আলোচনার দাবি নাকচ করে দিল সরকার (All Party Meet)। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “এই দুই বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই সংসদের উভয় কক্ষে আলোচনা হয়েছে এবং এখন আর পিছিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই।” বাজেট অধিবেশনের প্রাক্কালে সরকারের তরফে ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকের পর এমন মন্তব্য করেন রিজিজু।

    বিরোধীদের বক্তব্য (All Party Meet)

    বৈঠকে কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ এবং সিপিআই(এম)-এর জন ব্রিটাস-সহ বিরোধী সদস্যরা অধিবেশনের জন্য সরকারের প্রস্তাবিত কাজের তালিকা এখনও বিলি না হওয়ায় আপত্তি জানান। মন্ত্রী বলেন, “যথাসময়ে তা বিতরণ করা হবে।” সূত্রের খবর, বিরোধীরা পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর, কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা সংক্রান্ত ভি বি-জি রাম জি আইন, যা এমজিএনরেগা প্রকল্পের পরিবর্তে আনা হয়েছে, ভারতীয় পণ্যের ওপর আমেরিকার আরোপিত শুল্ক, বিদেশনীতি, বায়ুদূষণ, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন। ভি বি-জি রাম জি আইন নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “একবার কোনও আইন জাতির সামনে এলে, তা মানতেই হবে। আমরা গিয়ার উল্টো করে আবার পিছনে যেতে পারি না।”

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    তিনি বলেন, “বিরোধী সাংসদরা একাধিক বিষয় উত্থাপন করেছেন এবং সেগুলি রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় তোলা যেতে পারে। এটি বছরের প্রথম অধিবেশন। সাধারণত রাষ্ট্রপতির ভাষণের পরেই সরকারের কাজের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবুও আমি তা প্রকাশ করতে প্রস্তুত এবং আধিকারিকদের নির্দেশও দিয়েছি।” মন্ত্রী জানান, এটি কোনও বড় সমস্যা নয় এবং সংসদ নির্বিঘ্নে চালানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর নিয়ে আলাদা আলোচনা চাওয়ার দাবির জবাবে রিজিজু বলেন, “গত অধিবেশনে সংসদের উভয় কক্ষে নির্বাচন সংস্কার নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে এবং তখন বিরোধীরাই এই বিষয়টি তুলেছিলেন। আবার নতুন করে বিতর্কের দাবি তাই অপ্রয়োজনীয় (All Party Meet)।” তিনি সংসদ সদস্যদের আবেদন জানিয়ে বলেন, “সবাই যেন নিজেদের বিষয় তুলে ধরেন, তবে সংসদের কাজকর্মে যেন কোনও বিশৃঙ্খলা না হয় (SIR)।

    সরকারের পক্ষ থেকে সমস্ত সম্মানীয় সদস্যদের কাছে আমার আন্তরিক আবেদন, আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি এবং জনগণের হয়ে কথা বলার দায়িত্ব আমাদের। কথা বলার অধিকার প্রয়োগের পাশাপাশি অন্য রাজনৈতিক দলের সদস্যদের কথাও শোনার দায়িত্বও আমাদের রয়েছে।” তিনি জানান, গত অধিবেশনে নির্বাচন সংস্কার নিয়ে আলোচনার সময় এসআইআর বিষয়টি নিয়ে ম্যারাথন আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “সব সদস্যকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল এবং রাজনৈতিক দলগুলি তাদের বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে তুলেও ধরেছিল (All Party Meet)।”

  • Canada PM: আমেরিকার নাগপাশ কাটাতে মার্চে ভারত সফরে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    Canada PM: আমেরিকার নাগপাশ কাটাতে মার্চে ভারত সফরে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসতে পারেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারত সফরে আসার কথা তাঁর। জ্বালানি, খনিজ সম্পদ, পারমাণবিক সহযোগিতা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে একাধিক চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়েক (Trump Tariffs)। এই সফর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্যময় করার ক্ষেত্রে কানাডার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, আমেরিকা বর্তমানে কানাডার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার।

    ভারতের হাইকমিশনারের বক্তব্য (Canada PM)

    পট্টনায়েক জানান, সফরকালে মার্ক কার্নি ভারতের সঙ্গে ইউরেনিয়াম সরবরাহ, তেল ও গ্যাস, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিতে সই করতে পারেন। প্রস্তাবিত চুক্তিগুলির মধ্যে প্রায় ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ১০ বছরের একটি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এদিকে, চলতি সপ্তাহে ভারত সফররত কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন বলেন, “ভারত-কানাডার পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে, তবে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনে চলার শর্তে।” তিনি আরও জানান, জ্বালানি ও খনি খাত হবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি

    জাস্টিন ট্রুডোর আমলে ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর কার্নি দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ট্রুডো ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হারদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন, যা ভারত অস্বীকার করেছিল (Trump Tariffs)। পট্টনায়েক জানান, ভারত ও কানাডার মধ্যে একটি বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় দু’বছর ধরে স্থগিত থাকা এই বাণিজ্য আলোচনা গত নভেম্বরে পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর মতে, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই সিইপিএ চূড়ান্ত করা সম্ভব (Canada PM)।

    বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা

    কার্নি কানাডার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৈচিত্র্যময় করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা আর কার্যকর নেই। গত সপ্তাহে সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি মধ্যম শক্তিধর দেশগুলির প্রতি নতুন জোট গঠনের আহ্বান জানান, যাতে আরও স্থিতিশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হচ্ছে, যখন বৈশ্বিক বাণিজ্য অনিশ্চয়তা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “কানাডা যদি চিনের সঙ্গে চুক্তি করে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কঠোর শুল্ক আরোপ করতে পারে।” এ প্রসঙ্গে পট্টনায়েক বলেন, “বৈশ্বিক বাণিজ্য বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে ভারত ও কানাডা দ্রুত নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে তৎপর হয়েছে।”

    তিনি জানান, আগামী মাসে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ওটাওয়া সফর করতে পারেন। সফরকালে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনেরও শীঘ্রই কানাডা সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। নিজ্জর হত্যা মামলা প্রসঙ্গে পট্টনায়েক বলেন, “কানাডায় চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।” তিনি জানান, যদি তদন্তে কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার (Trump Tariffs) প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ভারত যথাযথ ব্যবস্থা নেবে (Canada PM)।

LinkedIn
Share