Tag: bjp

bjp

  • Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীলবাড়ি দখলের পথে বিজেপি। এই আবহে আঁটাসাঁটো করা হল নবান্নের নিরাপত্তা। নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force at Nabanna)। নবান্নের যে ক’টা ঢোকা ও বেরনোর গেট রয়েছে, সেই সমস্ত জায়গায় মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নবান্নের পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকি, নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, প্রশাসনিক মূল ভবন বা অন্যান্য সরকারি দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে যাতে কেউ ঢুকতে বা বেরোতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মূলত নবান্ন মন্দিরতলা এলাকা ও হাওড়া কমিশনারেটের অধীনে পড়ে। কিন্তু নবান্নের ভিতরে পাহারায় থাকেন কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের কর্মীরা। এই মুহূর্তে যাঁরা নবান্নে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকে বেরনোর সময়ে ব্যাগ চেক করা হচ্ছে। কেউ কোনও সরকারি ফাইল নিয়ে বের হচ্ছেন কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। তবে কার নির্দেশে চেকিং চলছে, তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রত্যেকেই। ১৩ ও ১৪ তলা, মূলত যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বসে থাকেন, রাজ্যের সচিবালয়, সেটা ডিরেক্টর অফ্ সিকিউরিটির অধীনে এতদিন পর্যন্ত ছিল। ভোট ঘোষণার পর থেকেও একই ধারা বজায় ছিল। বেলা গড়াতে যখন তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আসনের ব্যবধান অনেকটাই বাড়তে শুরু করে, তখনই সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায়, নবান্নের সমস্ত গেটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    ফাইলপত্র সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ

    একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা, রেশন থেকে পুরনিয়োগ – বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেইসব তদন্ত সংক্রান্ত নথি সুরক্ষিত রাখতেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য সুবীর সাহা দাবি করেছেন, নবান্ন, বিভিন্ন সচিবালয়, ডিরেক্টরেটের বিভিন্ন ফাইল সরানো হচ্ছে বলে তাঁদের কাছে খবর এসেছে। বিভিন্ন ডিজিটাল ফাইল মুছে ফেলা হচ্ছে। নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে ফাইল। আর সেই কাজটা একশ্রেণির রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি, পুলিশও পৌঁছেছে নবান্নে। সূত্রের খবর, চিটফান্ড থেকে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি, আরও কিছু কেলেঙ্কারি হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য ফাইলপত্র খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার বদলের মুহূর্তে সেই সব ফাইল যাতে সরিয়ে ফেলা না যায়, নবান্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস থেকে যাতে কিছু বের করে নিয়ে না নেওয়া যায়, কিছু যাতে নিয়ে ঢোকা না যায়, তার জন্যই সতর্কতামূলক ভাবে এই ব্যবস্থা।

  • BJP: “‘গভীর ফাটল’, ইন্ডি জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই”, বলল বিজেপি

    BJP: “‘গভীর ফাটল’, ইন্ডি জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই”, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক রাজ্যের রশি যাচ্ছে বিজেপির (BJP) হাতে। ক্রমেই রাজপাট হারাচ্ছে বিজেপি-বিরোধী  ‘ইন্ডি’ জোটের (INDI Alliance) বিভিন্ন শরিকদল। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেও বিপুল ভোটে জিততে চলেছে বিজেপি। তার পরেই পদ্ম-শিবিরের ভবিষ্যদ্বাণী, ইন্ডি জোটে গভীর ফাটল। এই জোটের কোনও ভবিষ্যতই নেই। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করেছে গেরুয়া শিবির। বলেছে, জোটকে ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন রাহুল। ভোট গণনার দিনেও তিনি ফের অনুপস্থিত।

    ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল (BJP)

    নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৯২টি আসনে এগিয়ে থেকে সম্ভাব্য জয়ের পথে রয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৯৪টিতে। অসমেও এগিয়ে যাচ্ছে গৈরিক পার্টি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা জানান, এই নির্বাচনের ফল বিরোধী জোটের মধ্যে গভীর বিভাজন সৃষ্টি করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, “এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল ‘ইন্ডি’ জোট পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে এবং অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে। রাহুল গান্ধী জোটকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। পুরো নির্বাচনে এটা স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি ‘ইন্ডি’ জোট সামলাতে পারেননি।”

    বিজেপির বিস্তারের কৃতিত্ব মোদির

    তিনি আরও বলেন, “আজ (সোমবার) নির্বাচনের ফল বেরোচ্ছে, অথচ রাহুল গান্ধী ফের বিদেশে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন। জোটের শরিকদের মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিল না।” বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, “এখন দেশে ‘ইন্ডি’ জোট বলে কিছু নেই। এর কোনও ভবিষ্যৎ নেই। ‘ইন্ডি’ জোটের ইতি (BJP)।” পুনাওয়ালা বিজেপির বিস্তারের কৃতিত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তিনি বলেন, “দেশে টানা ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও নতুন নতুন রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হচ্ছে, শতাংশের হিসেবেও বাড়ছে ভোট, মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হচ্ছে—মোদিজির জন্য।” বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ জানান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে তিনি বলেন, “যেখানে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি জন্মেছিলেন, সেই বাংলা আমাদের (INDI Alliance)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন (BJP)।”

     

  • Assembly Election 2026: বাংলার ভোটে পালাবদলের ইঙ্গিত, ফলতা বিতর্কে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    Assembly Election 2026: বাংলার ভোটে পালাবদলের ইঙ্গিত, ফলতা বিতর্কে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) গেরুয়া ঝড়। ইতিমধ্যেই বাংলার মসনদে পট পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। রাজ্যে ১৫ বছর তৃণমূল শাসনের অবসানে বাংলার সিংহাসনে বসতে চলেছে বিজেপি। উত্তর থেকে দক্ষিণ বাংলার শহর থেকে গ্রামে গেরুয়া রঙের আবির উড়ছে। বিকেল চারটে পর্যন্ত ২৯৩ আসনের মধ্যে বিজেপি প্রায় ১৯৮টি আসনে এগিয়ে, যেখানে টিএমসি এগিয়ে মাত্র ৮৯টি আসনে। এর পরেই ডায়মন্ড হারবারের ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ নিয়ে অভিষেকর (Abhishek Banerjee) মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়।

    ফলতা নিয়ে ‘চ্যালেঞ্জ’ থেকে বিতর্ক

    ২৯ এপ্রিল, বুধবার রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সে দিনই ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। কিন্তু ভোটের দিন ওই বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা অভিযোগ ওঠে। পরে ওই কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথের পুনর্নির্বাচনের দাবিও তোলা হয়। শনিবার রাতে কমিশন জানায়, গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই আবার নতুন করে নির্বাচন হবে। তার পরেই বিজেপি অভিষেকের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে খোঁচা দেয়। বিজেপি নেতা অমিত মালবীয় এক্স পোস্টে লেখেন, ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল চুরমার’। সেই পোস্টের জবাব দেন অভিষেক। এক্স পোস্টে তাঁর পাল্টা, ‘আপনাদের বাংলা বিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমারের পক্ষে আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলে কালি ছেটানো সম্ভব নয়।’

    ‘ভারতবর্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি..’! অভিষেকের মন্তব্যে বিতর্ক

    অভিষেক আরও লেখেন, ‘আপনাদের যা কিছু আছে, সব নিয়ে চলে আসুন। আপনাদের সবচেয়ে শক্তিধরকে পাঠান, দিল্লি থেকে কোনও এক গডফাদারকেও পাঠান। যদি ক্ষমতা থাকে ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন।’ অভিষেকের কথায়, ‘‘আমি গোটা ভারতবর্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি— ক্ষমতা থাকলে সর্বশক্তি নিয়ে ফলতায় চলে আসুন।’’ তাঁর এই মন্তব্য বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে অভিষেক পরোক্ষভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-কে নিশানা করেন। কিন্তু, তাঁর ভাষাচয়ণ অন্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন,  ‘গোটা ভারতবর্ষ’ উল্লেখ করে নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন অভিষেক। তাঁদের প্রশ্ন, ফলতা কী ভারতের বাইরে? অনেকেই এক্ষেত্রে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে ওঠা উগ্র ভারত-বিরোধী উক্তির সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন অভিষেকের মন্তব্যের। তাঁদের আশঙ্কা, এহেন দেশ-বিরোধী বক্তব্যের জন্যে বড় বিপাকে পড়তে হবে তৃণমূলের সেনাপতি ও তাঁর চ্যালাচামুন্ডাদের।

    নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    ফলতা কেন্দ্রে “গুরুতর নির্বাচনী অনিয়ম ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার” অভিযোগে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় কমিশন। ফলতায় নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে মোতায়েন করা হয় আইপিএস অফিসার অজয়পাল শর্মা-কে, যিনি কড়া পদক্ষেপ নিয়ে ভোটে অনিয়ম রুখতে চেষ্টা করেন। তাঁর সঙ্গে টিএমসি প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের তীব্র সংঘর্ষও হয়, যা রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে।

  • Suvendu Adhikari: “ডায়মন্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে, এটা ভালো সংকেত”, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    Suvendu Adhikari: “ডায়মন্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে, এটা ভালো সংকেত”, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিজেপিই সরকার গড়ছে’’, গণনার (West Bengal Elections 2026) শুরুর দিকেই আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “ভাষার নামে আর জাতের নামে ভাগ হয়নি হিন্দু ভোট। ডায়মণ্ড হারবারেও বিজেপি প্রার্থী এগোচ্ছে,  সিদ্দিকুল্লা হারছেন, এটা খুব ভালো সংকেত। মোদিজির জয়, পশ্চিমবঙ্গের জনগণের জয়। জনগণের স্পষ্ট মতামত, বিজেপি সরকার গড়ছে।” প্রাথমিক প্রবণতার পরই মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারী এবং সেই সঙ্গে দিলেন কর্মীদের সংযত থাকার বার্তা।

    শান্তি বজায় রাখার আবেদন (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে যখন রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই রাজ্যের শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেন, “জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, বাংলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং শান্তি বিঘ্নিত হওয়া কোনওভাবেই কাম্য নয়।” দলীয় কর্মীদের উস্কানিমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, “ভোট গণনা একটি গণতান্ত্রিক পদ্ধতি এবং একে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হতে দেওয়া সকলের নৈতিক দায়িত্ব।”

    ব্যক্তিগত বা সামাজিক শত্রুতার নয়

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) ফলাফল পরবর্তী সময়ে রাজ্যে যে কোনও প্রকার হিংসাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে শুভেন্দু কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক লড়াই কেবল আদর্শের হওয়া উচিত, ব্যক্তিগত বা সামাজিক শত্রুতার নয়। বাংলার মানুষ শান্তি চায়। গণনার দিন এবং পরবর্তী সময়ে শান্তি বজায় রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

    ১৯৩ আসনে এগিয়ে বিজেপি

    এই মুহূর্তে বিজেপির এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যা ১৯৩। অন্যদিকে, রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলের এগিয়ে থাকা আসনসংখ্যা ৯৩। ২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনও দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়। ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন। অন্যদিকে তৃণমূল পেয়েছিল ২১৪টি আসন। এবারে সরকার গঠন নিয়ে বিজেপি অত্যন্ত প্রত্যয়ী।

  • Assembly Election 2026: যে দলই জিতুক, আজ বিজয় মিছিল নয়! রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Election 2026: যে দলই জিতুক, আজ বিজয় মিছিল নয়! রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে (Three-tier security zone) চলছে রাজ্যের ভোটগণনা (west Bengal Counting)। ইতিমধ্যেই প্রাথমিক ট্রেন্ড সামনে আসতে শুরু করেছে। সবুজ বাংলায় গেরুয়া ঝড় উঠেছে। গণনা কেন্দ্রগুলিতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা। ২৩ টি জেলার ২৯৩টি বিধানসভার (Assembly Election 2026) আসনে আজ ফল ঘোষণা। একটি বকি থাকবে। সেটি হল ফলতা বিধানসভা। যেখানে ২১ মে পুনর্নির্বাচন (Re Poll) , ফল ঘোষণা ২৪ মে। ভোটগণনা (Vote Counting) শুরুর পরে নিজের দফতরে এসেই রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলিকে বড় বার্তা দিলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)। যে দলই জিতুক না কেন, কেন আজ কোনও বিজয় মিছিল নয় বলে আগেই জানিয়েছিলেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত (Special Observer Subrata Gupta)। এদিন তাতেই শিলমোহর দিলেন মনোজ।

    শান্তি বজায় রাখতে সক্রিয় কমিশন

    নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এদিন সকালেই স্পষ্ট করে দেন আজ কোনও রাজনৈতিক দলই বিজয় মিছিল করতে পারবে না। পাশাপাশি গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়েও আশ্বস্ত করেছেন তিনি। রাজ্যের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে করতে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। সেইমতো দুই দফায় মিটেছে ভোটগ্রহণ পর্ব। বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। রেজাল্টের দিনও যাতে অশান্তি এড়ানো যায়, তার জন্য আগেভাগেই ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। সাংবাদিক বৈঠকে সিইও জানিয়েছেন, “প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় থাকবে। প্রোটোকল অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরে থাকবেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সিইও স্পষ্ট বলেছেন, যদি দ্বিতীয় স্তরে কোনও অনিয়ম বা ত্রুটি ধরা পড়ে, তার দায় নিতে হবে প্রথম স্তরের কর্মীদের। একই নিয়ম প্রযোজ্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের জন্যও।”

    কড়া নজরদারিতে চলছে ভোটগণনা

    কলকাতায় কড়া নজরদারিতে চলছে ভোটগণনা। সামনে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের কড়া নজরদারি। পোস্টাল ব্যালট পেপার শেষে চলছে ইভিএমের ভোটগণনা। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় ভোটগণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটার পরিধিতে বিএনএস ১৬৩ জারি করা হয়েছে। যান চলাচলে বেশ একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এলাকায় টহল দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ভোটগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের পরিচয়পত্রে এবার কিউআর কোড ব্যবহার করা হয়েছে। কোন‌ও ভোটকর্মী কিউআর কোড স্ক্যান না-করে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি গণনাকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময়ও সময়ও কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে।

  • Samik Bhattacharya: “শ্যমাপ্রসাদের মাটিতে প্রথমবার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে”, বললেন শমীক

    Samik Bhattacharya: “শ্যমাপ্রসাদের মাটিতে প্রথমবার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে”, বললেন শমীক


    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের প্রাক্কালে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) দলের জয় নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, আসন্ন গণনায় ভারতীয় জনতা পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে। সংখ্যা গরিষ্ঠ আসনে এখন বিজেপি এগিয়ে। তৃণমূল কংগ্রেস টানা ১৫ বছরের শাসন ধরে রাখার পর এবার ধরাশায়ীর পথে। দলের কর্মীদের জয়ের উচ্ছ্বাসকে ধরে রাখতে কর্মীদের সংযত রাখার বার্তা দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি।

    রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত যাতে না হয় (Samik Bhattacharya)

    জয়ের আগাম আভাস পেয়েই দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি শমীক ভট্টাচার্য বিশেষ বার্তা—ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতিতে যেন কোনওভাবেই রাজ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। তিনি কর্মীদের শান্ত ও সংযত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacharya) কথায়, “জয়ের আনন্দে আত্মহারা হয়ে এমন কিছু করা উচিত নয় যাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয় বা রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত হয়।” ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শমীক বলেন, “২৭ দিনে আমাদের ৫৬ জন বিজেপি কর্মী খুন হয়েছিলেন। ২৭ জন মহিলা ক‍্যামেরার সামনে এসে জানিয়েছিলেন যে তাঁরা গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।”

    যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছিলেন

    দলের রাজ্য সভাপতি শমীক (Samik Bhattacharya)  বলেন, “এর আগের নির্বাচনগুলির পরে বিজেপি কর্মীরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছিলেন, এ বার যেন বিজেপি কর্মীরা তার পাল্টা পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা না করেন। আমরা যে অত‍্যাচারের শিকার হয়েছি, আমাদের কর্মীদের পরিবারগুলি যে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, আমরা চাই না অন্যদের এখন সেই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হোক। স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একটা ভিন্ন নির্বাচনের স্বাদ পেয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবে এই জয় সংসদীয় গণতন্ত্রের জয়, সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতার জয়। প্রথম দিন থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, শ্যামাপ্রসাদের মাটিতে প্রথম বার শ্যামাপ্রসাদের সরকার হতে চলেছে।”

    শান্তিপূর্ণভাবে জয়ের আনন্দ উদযাপন

    পশ্চিমবঙ্গের ভোট-সংস্কৃতির পরিবর্তন চান। অতীতে যেমন ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠে এসেছিল, তার পুনরাবৃত্তি চাইছেন না তিনি। গণনা কেন্দ্রের বাইরে বা রাজ্যের কোথাও যাতে কোনও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্ব সতর্ক দৃষ্টি রাখার কথা বলেছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মর্যাদা রক্ষা করে শান্তিপূর্ণভাবে জয়ের আনন্দ উদযাপনের জন্য তিনি কর্মীদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। বিজেপি কর্মীরা যাতে কোনও ভাবেই হিংসা বা অশান্তিতে জড়িয়ে না-পড়েন, যাতে তাঁরা কোনও ভাবেই হিংসার আশ্রয় না-নেন, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক করেছেন শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

  • Assembly Election 2026: বাংলার ছাড়াও অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে  চলছে গণনা, সেখানেও ক্ষমতায় কে, জানা যাবে আজ

    Assembly Election 2026: বাংলার ছাড়াও অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে চলছে গণনা, সেখানেও ক্ষমতায় কে, জানা যাবে আজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার পাশাপাশি আজ ভোটগণনা (Assembly Election 2026) চলছে আরও ৩ রাজ্য ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও আজ সকাল থেকেই ভোটগণনা শুরু হয়েছে। অসমে বিজেপি সরকার ফিরে আসার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তামিলনাড়ুতে এমকে স্ট্যালিনের প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে। কেরলের ভোটের ফলাফলে আপাতত পিছিয়ে বামেরা। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ ১০ বছর পরে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বলে এগজিট পোলে পূর্বাভাস মিলেছে। নির্বাচন কমিশনের (ECI) সরকারি ওয়েবসাইট eci.gov.in-এ নাগরিকরা সোমবার সকাল ৮টা থেকে সরাসরি ফলাফলের লাইভ আপডেট দেখতে পাবেন।

    কোথায় কে এগিয়ে

    কমিশন সকাল সকাল সাড়ে ৯টায় যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, সেই অনুসারে, অসমে ১৬টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। কেরলে ২৪টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস জোট। তামিলনাড়ুতে ৯টি আসনে আপাতত এগিয়ে এডিএমকে। টিভিকে পাঁচটি আসনে এগিয়ে। পুদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে ২টি আসনে। অসমের জালুকবাড়ি আসনে এগিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। জোরহাটে এগিয়ে কংগ্রেসের গৌরব গগৈ। তামিলনাড়ুর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন এগিয়ে। উদয়নিধি স্ট্যালিনও এগিয়ে। পেরাম্বুর আসনে এগিয়ে বিজয়। তবে ত্রিচিতে পিছিয়ে।

    অসমে ফের বিজেপি

    ২০১৬, ২০২১ সালের পরে আবার অসমে ক্ষমতা দখল করতে চলেছে বিজেপি। গত দু’বার অসম গণপরিষদের সঙ্গে জোট গড়ে সরকারে এসেছিল বিজেপি। তবে মনে করা হচ্ছে, এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ক্ষমতায় আসবেন হিমন্ত। কংগ্রেসের জন্য বড় পরীক্ষা অসমে। অসমে ১৯৫১ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ ৮৫.৩৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোটের দিন রাজ্যে হিংসার ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। অসমে ৬৮টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। অসমে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬৪ আসনের সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে ইতিমধ্যেই । কংগ্রেস জোট এগিয়ে ১৯টি আসনে।

    জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা

    কেরলে ভোটগণনার জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ুতে চলছে ত্রিশঙ্কু লড়াই। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ছয়টি গণনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে দেশের এই ৩ রাজ্য ও ১টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের আগামী ৫ বছরের ভবিষ্যৎ। কেরলের ১৪০টি আসনে গত ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ৭৯.৬৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। সেখানে মূল লড়াই বামপন্থী এলডিএফ (LDF) এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এর (UDF) মধ্যে। তামিলনাড়ুতে ২৩ এপ্রিল এক দফায় ভোট হয়েছে এবং সেখানে ৮৪.৬৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। এনডিএ (NDA) ও ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের পাশাপাশি অভিনেতা বিজয়-এর দলের উপস্থিতিতে সেখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা প্রবল। পুদুচেরিতেও রেকর্ড ৮৯.৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে, যেখানে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারদের ৯১.৮১ শতাংশ অংশগ্রহণ। সব মিলিয়ে, সোমবারের ফলাফল ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে।

  • BJP: বঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি, কোন চালে বাজিমাত পদ্মশিবিরের?…

    BJP: বঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি, কোন চালে বাজিমাত পদ্মশিবিরের?…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি (BJP)। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, রাজ্যের মুখ এবং পর্দার আড়ালে থাকা কলা-কুশলীদের যৌথ প্রচেষ্টায় পদ্ম শিবিরের প্রচার অভিযান শান দিয়েছে গ্রাউন্ড লেভেলেও। তার জেরেই বিজেপির জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়াটা হয়েছে (Key Leaders) অনায়াস।

    প্রধানমন্ত্রীর হাইভোল্টেজ সভা (BJP)

    স্বাধীনতার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এসআইআরের (SIR) আওতায় রেকর্ড সংখ্যক ভোটার বাদ যাওয়ার পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ১৫ বছরের শাসনের পর পরাজয়ের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাইভোল্টেজ সভা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সূক্ষ্ম সংগঠনমূলক পরিকল্পনার পাশাপাশি বিজেপির প্রচারে জাতীয় বার্তা ও স্থানীয় সংগঠন একসঙ্গে কাজ করেছে। ঝালমুড়ির মতো বাংলার সাংস্কৃতিক প্রতীক ব্যবহার, চাকরির নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি এবং মা কালীর মন্দিরে প্রার্থনা—এই সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন এক প্রচার গড়ে তুলেছিলেন যা স্থানীয় সংযোগ ও জাতীয় বার্তার মিশ্রণ। বড় বড় জনসভায় সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি আবেগের স্তরেও ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি—কর্মসংস্থান, কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং “ডাবল ইঞ্জিন সরকার”-এর সুবিধার কথাও তুলে ধরেছিলেন। সাংস্কৃতিক প্রতীক, ধর্মীয় সংযোগ এবং অর্থনৈতিক আশ্বাস—সব মিলিয়ে তাঁর প্রচার বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।

    যোগ্য সঙ্গত অমিত শাহের

    প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিজেপির প্রচারের মুখ। এর সঙ্গে সমানতালে সঙ্গত করেছে অমিত শাহের ‘চাণক্যসুলভ’ কৌশল। যার জেরেই দুরমুশ হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের একের পর  শক্ত ঘাঁটিও। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সবচেয়ে সক্রিয় প্রচারক ছিলেন শাহ। তিনি এ রাজ্যে ৬৬টি সভা ও রোডশো করে ৬৩টি জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলেন (Key Leaders)। শাহের ‘মিশন বেঙ্গলে’র মূল লক্ষ্যই ছিল বুথ স্তরে সংগঠন শক্তিশালী করা। তিনি ৪৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং অনুপ্রবেশের অভিযোগ তোলেন। “কাটমানি” সংস্কৃতি, দুর্নীতি, মহিলাদের নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন। পাশাপাশি মহিলাদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা সহায়তা, সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ, কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জমির অধিকার—এসব প্রতিশ্রুতিও দেন। সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ধর্মীয় স্বাধীনতার মতো বিষয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

    পদ্ম শিবিরের কান্ডারিরা

    এ রাজ্যে নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। প্রার্থী নির্বাচন, জোট ব্যবস্থা এবং সাংগঠনিক সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি (BJP)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি প্রার্থী নির্বাচন, কর্মী সংগঠন এবং বুথ প্রস্তুতি তদারকি করেন এবং তৃণমূল স্তরের কর্মী ও শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করেন। এই নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর অবদানও কম নয়। বস্তুত, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অন্যতম প্রধান কৌশলবিদ হিসেবেই উঠে আসেন তিনি। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগীর রাজনীতির জ্ঞান প্রখর (Key Leaders)। পূর্ব মেদিনীপুরে তাঁর শক্তিশালী সংগঠনও রয়েছে। গ্রামীণ ও আধা-শহুরে এলাকায় বিজেপির প্রভাব বাড়াতে সাহায্য করেন তিনি। নিজেকে বিজেপির প্রধান বাঙালি মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে শুভেন্দু নির্বাচনে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পড়েন ভবানীপুর কেন্দ্রে। মমতার নির্বাচনী কেন্দ্র এই ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও বিজেপির বাজি ছিলেন শুভেন্দুই। তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হিংসার বিষয় তুলে ধরে তাঁর আক্রমণাত্মক প্রচার বিজেপির কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

    বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচনের মাঝেও শুভেন্দু ছড়িয়ে দেন দলীয় বার্তা। চাঙা করে তোলেন হতাশ বিজেপি কর্মীদের। শুভেন্দুকে পেয়ে নিষ্ক্রিয় বিজেপি কর্মীরাও ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি শুধু প্রচারকই নন, বরং একজন কেন্দ্রীয় কৌশলবিদ হিসেবেও কাজ করেছেন (BJP)। জাতীয় নেতৃত্ব ও বাংলার রাজনীতির মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজটিও করেছিলেন তিনিই (Key Leaders)।

     

  • Election Commission: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা শুরু, নবান্নের কুর্সিতে কে?

    Election Commission: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা শুরু, নবান্নের কুর্সিতে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সকালে শুরু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। গণনা চলছে ৭৭টি কেন্দ্রে (Counting Stations)। রবিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে জানিয়ে দেওয়া (Election Commission) হয়েছিল কোন বিধানসভা আসনের ভোট গণনা হবে কোন কেন্দ্রে। সোমবার গণনা শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়। ধারণা, বেলা ১২টা নাগাদই স্পষ্ট হয়ে যাবে নবান্নের ১৪ তলায় মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসছেন পদ্ম না ঘাস – কোনও ফুলের প্রতিনিধি।

    গণনা কেন্দ্রের ঠিকানা (Election Commission)

    মোট গণনাকেন্দ্র ৭৭। জেলা সদরে ৩৫, মহকুমা সদরে ৪২। কমিশনের তরফে রীতিমতো তালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে গণনা কেন্দ্রের ঠিকানা। কলকাতার ১১টি আসনের ভোট গণনা হচ্ছে ৫টি গণনাকেন্দ্রে। এর মধ্যে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র লাগোয়া নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হবে চৌরঙ্গী, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা এবং কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। ভবানীপুরের ভোট গণনা হবে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে, কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের গণনা হবে ডায়মন্ড হারবার রোডের সেন্ট টমাস বয়েজ স্কুলে, রাসবিহারীর ভোট গণনা হবে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে এবং বালিগঞ্জ কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বাবা সাহেব আম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়ে। যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজে ভাঙড়, সোনারপুর উত্তর এবং সোনারপুর দক্ষিণ, আলিপুর জাজেস কোর্টের বিহারীলাল কলেজে বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম এবং কসবা বিধানসভা আসনের ভোট গণনা হবে। মহেশতলা, মেটিয়াবুরুজ, বজবজ, যাদবপুর এবং টালিগঞ্জের ভোট গণনা হবে আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সে।

    কোন জেলায় কটি কেন্দ্রে শুরু গণনা

    কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোন জেলায় কটি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা। জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারে ১, বাঁকুড়ায় ৩, বীরভূমে ৩, কোচবিহারে ৫, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২, দার্জিলিঙে ৩, হুগলিতে ৫, হাওড়ায় ৪, জলপাইগুড়িতে ২, ঝাড়গ্রামে ১, কালিম্পঙে ১, কলকাতায় ৫ (উত্তরে ১, দক্ষিণে ৪), মালদায় ২, মুর্শিদাবাদে ৫, নদিয়ায় ৪, উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ (Election Commission), পশ্চিম বর্ধমানে ২, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩, পূর্ব বর্ধমানে ৪, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪, পুরুলিয়ায় ৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৬ এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ২টি গণনাকেন্দ্রে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে (Counting Stations) উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। সেখানকার ৩৩টি আসনের ভোট গোনা শুরু হয়েছে সাতটি কেন্দ্রে। তার মধ্যে রয়েছে বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ অ্যান্ড হাইস্কুল, বসিরহাট হাইস্কুল, বসিরহাট পলিটেকনিক কলেজ, বিধাননগর কলেজ, বনগাঁর দীনবন্ধু কলেজ, পানিহাটির গুরুনানক কলেজ ক্যাম্পাস এবং ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ (Election Commission)।

    গণনার নিয়ম যেমন…

    প্রতি গণনা কেন্দ্রে সর্বাধিক ২০টি টেবিল বসানো হবে। আয়তনে বড় ১৬৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনার কাজ দু’টি ঘরে হবে। সব মিলিয়ে ৪৫৯টি ঘরে গণনার কাজ চলবে। বুথের সংখ্যার নিরিখে ১২ থেকে ২৩ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা। প্রথমে আলাদা ঘরে শুরু হবে পোস্টাল ব্যালট। তার ৩০ মিনিট পরে শুরু হবে ইভিএম-কাউন্টিং। ইভিএমের গণনা দু’রাউন্ড বাকি থাকতে বাধ্যতামূলক ভাবে শেষ করতে হবে পোস্টাল ব্যালট গণনার কাজ। অর্থাৎ, কোনও কেন্দ্রে মোট ১২ রাউন্ড গণনা হলে ১০-ম রাউন্ডের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট গণনা শেষ করতে হবে। তা না-হলে ১১-১২ রাউন্ডের গণনা শুরু করা যাবে না। প্রতি কেন্দ্রের অন্তত ৫ শতাংশ ইভিএম এবং তার সঙ্গে রাখা ভিভিপ্যাট কাউন্টিং মেলাতে হবে। কোথাও ইভিএম বিকল হলে সেটির সঙ্গে রাখা ভিভিপ্যাটের কাউন্টিংই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। বেলা ১২টার পরে রেজাল্টের প্রাথমিক ট্রেন্ড মিলতে পারে।

  • Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল ৪ মে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) ভোট গণনা। তার ঠিক আগে গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুললেন বিধানসভার বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য এবং তাঁদের ডিউটি রস্টার আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছে, যা আদতে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন। গণনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হবে।”

    শুভেন্দুর মূল অভিযোগ (West Bengal Election 2026)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দুর দাবি, গণনা কর্মীদের তালিকা ও তাঁদের কর্মস্থলের তথ্য নির্দিষ্ট মহলের হাতে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর মতে, এটি ‘ইলেকশন প্রোটোকল’ বা নির্বাচনী শিষ্টাচারের গুরুতর অবমাননা। তাই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “আমার নজরে এসেছে যে, গণনার দিনের (Counting Day) দায়িত্বে থাকা বেশ কিছু আধিকারিক তাঁদের নির্দিষ্ট ডিউটির বিবরণ, স্থান এবং পদমর্যাদার তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সংস্থা ও সংগঠনগুলিকে জানিয়ে দিয়েছেন। আমি তথ্য পেয়েছি যে, কিছু স্প্রেডশিট এবং তালিকা প্রচার করা হচ্ছে যেখানে আধিকারিকরা স্বেচ্ছায় বা চাপের মুখে তাঁদের ‘নির্বাচন ডিউটি সংক্রান্ত তথ্য’ এবং গণনা প্রক্রিয়ায় তাঁদের নির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে, তা পূরণ করছেন। এই তথ্য ফাঁস হওয়ার ফলে গণনার (West Bengal Election 2026) দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে, যা নিরপেক্ষ ফল ঘোষণায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।”

    কমিশনের কাছে দাবি

    নির্বাচনী (West Bengal Election 2026) গণনাকেন্দ্রে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, যেভাবে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে, গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোনওভাবেই যেন গণনা প্রভাবিত না হয়। সর্বোপরি, যেসব আধিকারিক বা কর্মীরা এই তথ্য ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

    অযাচিত প্রভাবের ঝুঁকি

    যখন কোনও আধিকারিকের নির্দিষ্ট নিয়োগের তথ্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত কোনও সংগঠন বা ইউনিয়নের কাছে জানাজানি হয়ে যায়, তখন তা অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রভাব এবং হুমকির পথ প্রশস্ত করে।

    নিরপেক্ষতার সঙ্কট 

    গণনা প্রক্রিয়ার পবিত্রতা নির্ভর করে কর্মীদের নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার ওপর। এই গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে তা সরাসরি ফলের নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করে।

    চাপ সৃষ্টির কৌশল

    সংগঠনগুলির দ্বারা এই ধরণের ‘তথ্য সংগ্রহ’ করার বিষয়টি অনেক সময় আধিকারিকদের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি প্রচ্ছন্ন প্রচেষ্টা মাত্র, যাতে গণনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁরা শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেন।

    অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারির দাবি

    ভোট পরবর্তী হিংসা এবং স্ট্রংরুম পাহারা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তার মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর এই নতুন অভিযোগ আগামিকালের গণনা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। শুভেন্দু বলেন, “আমি ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে জোরালো আবেদন জানাচ্ছি। কোনও আধিকারিক যাতে কোনও সংস্থা বা সংগঠনের কাছে তাঁদের নির্ধারিত গণনা ডিউটির তথ্য প্রকাশ না করেন, সেই মর্মে অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারি করা হোক। এছাড়া, যে সমস্ত সংগঠন এই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।”

    বিজেপি শিবিরের দাবি, শাসক দল প্রশাসনকে ব্যবহার করে গণনায় কারচুপি করার চেষ্টা করছে। যদিও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং ‘হারার আগে অজুহাত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী গণনা (West Bengal Election 2026) বিষয়ে বিরোধী দলনেতার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন শেষ মুহূর্তে কোনো বড় পদক্ষেপ নেয় কি না।

LinkedIn
Share