Tag: bjp

bjp

  • Shyama Prasad Mukherjee: ন্যাশনাল লাইব্রেরির ‘ভাষা ভবন’-এর নামকরণ হল শ্যামাপ্রসাদের নামে

    Shyama Prasad Mukherjee: ন্যাশনাল লাইব্রেরির ‘ভাষা ভবন’-এর নামকরণ হল শ্যামাপ্রসাদের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরির ‘ভাষা ভবন’-এর নামকরণ এবার করা হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) নামে। ৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিবস, ঠিক তার আগের দিন কেন্দ্রীয় সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের বড় অংশ। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক, ন্যাশনাল লাইব্রেরির ডিরেক্টরকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে এই মর্মে, সেখানে জানানো হয়েছে ভাষা ভবনের নাম এবার থেকে ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ভাষা ভবন করা হল। উল্লেখ্য, দেশভাগের সময় ওপার বাঙলা থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের আশ্রয়দানে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। বিজেপির একাংশের দাবি, রাজনৈতিক চক্রান্তেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে বাংলার মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল, জানতে দেওয়া হয়নি তাঁর সুমহান অবদান।

    জাতীয় গ্রন্থাগারের পথচলা

    গবেষকরা জানাচ্ছেন, মীর জাফরের আমলে তৈরি হয়েছিল বেলভিডিয়ার গার্ডেন। বিশাল প্রাসাদোপম এই বিল্ডিং-এ এককালে থাকতেন বড়লাট ওয়ারেন হেস্টিংস সাহেব। ইতিহাসের বহু ঘটনার সাক্ষী রয়েছে জাতীয় গ্রন্থাগার। জানা যায়, বেলভিডিয়ার গার্ডেন ১৮৯১ সালে হয়ে ওঠে ইমপিরিয়াল লাইব্রেরি। ১৯১০ সালে আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের এর সভাপতি নিযুক্ত হন। জানা যায়, পরবর্তীকালে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তাঁর পিতা আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের সংগ্রহে থাকা ৮০,০০০ দুর্মূল্য বই গ্রন্থাগারে দান করেন। ১৯৫৩ সালে এই ইমপিরিয়াল লাইব্রেরি হয়ে ওঠে জাতীয় গ্রন্থাগার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশাল আকার এই প্রাসাদে জাতীয় গ্রন্থাগারের বিভিন্ন বিভাগ ছড়িয়ে রয়েছে। তার মধ্যে একটি হল ভাষা ভবন। এবার থেকে সেই ভাষা ভবনের নতুন নামকরণ হল ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি (Shyama Prasad Mukherjee) ভাষা ভবন।

    ২০২০ সালে কলকাতা পোর্টের নামও হয় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে

    প্রসঙ্গত, কলকাতা পোর্টের নামও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে নামাঙ্কিত করা হয়েছে ২০২০ সালেই। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে তখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কলকাতা পোর্টের নতুন নাম করা হয়েছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর। 

    সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট সুকান্তর

    কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুকান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ‘যুবরাজের’ রোড শো-এর ঠেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত পাণ্ডুয়ায়

    Abhishek Banerjee: ‘যুবরাজের’ রোড শো-এর ঠেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত পাণ্ডুয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার কর্মসূচিতে পাণ্ডুয়াতে আসার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। কিন্তু তখন তা বাতিল হয়। এনিয়ে ক্ষোভ ছিল স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে এদিন তাই রোডশো করতে আসেন পাণ্ডুয়াতে। তবে তাঁর এই এক ঘন্টার রোড শো’র জেরে প্রায় ৫ ঘণ্টা জনজীবন বিপর্যস্ত হল পাণ্ডুয়াবাসীর। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটায় চপারে কালনা থেকে পাণ্ডুয়া ধানকল মাঠে আসেন তিনি। এরপর বিকেলে এই মেগা রোড শো শুরু হয় পাণ্ডুয়া কল বাজার থেকে কাকলি সিনেমা তলা পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার। জিটি রোডের ওপর এই রোড শো’র জন্য কয়েক হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার ও পুলিশ কর্মী দুপুর ১২ টা থেকেই ডিউটি ধরেন বিভিন্ন পজিশনে। এই কয়েক ঘণ্টায় পাণ্ডুয়ার বিভিন্ন এলাকাতে বিক্ষিপ্তভাবে লোডশেডিং হয়। যদিও বিদ্যুৎ দফতরের এক আধিকারিকের কথা অনুযায়ী লাইনে কাজ হওয়ার দরুন বিদ্যুৎ পরিষেবা মাঝে মধ্যে বিঘ্নিত হয়। 

    কী বলছেন বিরোধীরা?

    পাণ্ডুয়ার প্রাক্তন বিধায়ক সিপিএমের আমজাদ হোসেন বলেন, ‘‘অতীতে অনেক মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন পাণ্ডুয়াতে কিন্তু এরকম অবস্থা দেখেনি পাণ্ডুয়ার মানুষ। একজন সামান্য সাংসদের জন্য পুলিশ যা করেছে রাস্তা আটকে, দোকান বন্ধ করে এর জবাব ভোটবাক্সে পড়বে।’’ প্রসঙ্গত, নবজোয়ার কর্মসূচির সময়ও যে এলাকার ওপর দিয়ে তৃণমূল সাংসদের কনভয় গিয়েছে, সেখানেই জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছিল। একজন সাংসদের নিরাপত্তায় প্রশাসন যেন অতি সক্রিয়, এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। 

    কী বলছে তৃণমূল?

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এদিন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) রোড শো’তে আশানুরূপ লোকও হয়নি। পাণ্ডুয়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ অবশ্য সাফাই দেন, ‘‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য লোক কম হয়েছে, তবুও যা হয়েছে তাকে জনজোয়ার আখ্যা দেওয়া যেতেই পারে।’’ এদিন এই রোড শো তে অভিষেকের গাড়িতে স্থানীয় বিধায়ক রত্না দে নাগ, সপ্তগ্রামের বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত, ধনেখালি ও চাপদানির বিধায়ক অসীমা পাত্র এবং অরিন্দম গুঁই এবং জেলার মন্ত্রী  স্নেহাশিস চক্রবর্তী হাজির  ছিলেন। যদিও কোনও স্থানীয় নেতা ওই গাড়িটিতে জায়গা পাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘তৃণমূলের দেওয়া উপ মুখ্যমন্ত্রী পদের অফারও ছুড়ে ফেলেছি’’, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘তৃণমূলের দেওয়া উপ মুখ্যমন্ত্রী পদের অফারও ছুড়ে ফেলেছি’’, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০২০ সালের পয়লা ডিসেম্বর উপ মুখ্যমন্ত্রী পদেরও অফার দিয়েছিল তৃণমূল। সেটাও ছুড়ে ফেলে দিয়ে চলে এসেছি।” বক্তা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে এগরার সভা থেকে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন শুভেন্দু। এরপর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে প্রার্থী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হলে দেখা যায়, শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কাছে পরাস্ত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

    আরও কী বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী?

    বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা-১ ব্লকের পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনী সভা ছিল বিজেপির। এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে একাধিক দুর্নীতির ইস্যুতে তুলোধোনা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। পাশাপাশি তিনি বলেন, “পাঁচটা দফতরের মন্ত্রী ছিলাম। ছুড়ে ফেলে দিয়ে চলে এসেছি। শেষ পয়লা ডিসেম্বর ২০২০ সালে উপ মুখ্যমন্ত্রীর অফার দিয়েছিল। সেটাও ছুড়ে ফেলে দিয়ে চলে এসেছি। কারণ পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হবে। রাষ্ট্রবাদকে বাঁচাতে হবে।”

    কর্মসংস্থানের প্রশ্নেও তৃণমূলকে আক্রমণ শানান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের কর্মসংস্থানের করুণ চিত্রও এদিন তুলে ধরেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে একটাও শিল্প নেই।’’ সিঙ্গুরের টাটা ন্যানো কারখানা গুজরাটে চলে যাওয়ার প্রসঙ্গও এদিন টেনে আনেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর কটাক্ষ, “এরাজ্যের নেত্রী বটে উনি, শিল্প বানান গুজরাটে।” 

    ভিন রাজ্যের পুলিশদের দেখে করজোড় শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের নামালডিয়ায়তেও সভা ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। সেই সভা শেষে গাড়ির ওঠার সময় কয়েকজন ভিন রাজ্যের পুলিশকে দেখতে পান শুভেন্দু। আর সঙ্গে সঙ্গে হাত জোড় করে তাঁদের কাছে অনুরোধ করলেন। শুভেন্দু বললেন, ‘‘নিরপেক্ষভাবে ডিউটি করবেন।’’ শুভেন্দুর বক্তব্যের পর সেখানে ভিড়ের মধ্যে থেকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিও শোনা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘একশো দিনের কাজে চুরি আটকানো হয়েছে, টাকা নয়’’, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘একশো দিনের কাজে চুরি আটকানো হয়েছে, টাকা নয়’’, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজের টাকা নয়, চুরি আটকানো হয়েছে। ঠিক এই ভাষাতেই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলের অভিযোগ, একশো দিনের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে মোদি সরকার। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আসলে ১ কোটির ওপর ভুয়ো জব কার্ডের হদিশ মিলেছে রাজ্যে। এই বিপুল দুর্নীতি রোধ করতেই আপাতত বন্ধ একশো দিনের কাজ। নন্দীগ্রামের সভা থেকে এই ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে এদিন নন্দীগ্রামে হাজির ছিলেন শুভেন্দু। রাজ্য সরকারের একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে সরব হন স্থানীয় বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, “১০০ দিনের কাজের টাকার চুরি আটকেছি। টাকা কিন্তু আটকাইনি।” শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, লোক না দিয়ে জেসিবি দিয়ে মাটি কেটে মাস্টার রোল করেছে তৃণমূল সরকার। তাঁর অভিযোগ, এই অঞ্চলে ২,০০০ মানুষের টাকা নিয়েও তা দেয়নি রাজ্য সরকার। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা নিয়েও তৃণমূল দুর্নীতি করেছে বলে সরব হন শুভেন্দু। শুভেন্দু জানান, কেন্দ্র মাতৃ বন্দনা স্কিমে ৫০০০ টাকা করে দিয়েছে। রাজ্যে কেউ এই টাকা পাচ্ছেন না। নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও বলেন, “বিজেপি আসছেই, তার পর ২০০০ টাকা দেবে।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভায় এবারও জিতবে বিজেপি, মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে চান সিংহভাগ ভোটার, বলছে সমীক্ষা

    ভিন রাজ্যের পুলিশদের দেখে করজোড় শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    ভোট পরিচালনার কাজে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় ভিন রাজ্যের পুলিশও মোতায়েনও হয়ে গিয়েছে। বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের নামালডিয়ায় সভা ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। সেই সভা শেষে গাড়ির ওঠার সময় কয়েকজন ভিন রাজ্যের পুলিশকে দেখতে পান শুভেন্দু। আর সঙ্গে সঙ্গে হাত জোড় করে তাঁদের কাছে অনুরোধ করলেন। শুভেন্দু বললেন, ‘‘নিরপেক্ষভাবে ডিউটি করবেন।’’ শুভেন্দুর বক্তব্যের পর সেখানে ভিড়ের মধ্যে থেকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিও শোনা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বিজেপি করাটাই অপরাধ! স্ট্যান্ডে ট্রেকার ঢোকা নিষিদ্ধ করলেন তৃণমূল নেতা

    North 24 Parganas: বিজেপি করাটাই অপরাধ! স্ট্যান্ডে ট্রেকার ঢোকা নিষিদ্ধ করলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতিমতো ফতোয়া দিয়ে দুই বিজেপি কর্মীর ‘ট্রেকার’ অনির্দিষ্ট কাল স্ট‍্যান্ডে ঢোকা নিষিদ্ধ করলেন তৃণমূল নেতা। ঘটনায় আবার নাম জড়িয়েছে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের বারাসত জেলার (North 24 Parganas) সভাপতি তথা স্থানীয় পৌরসভার উপ-পৌরপ্রধান তাপস দাশগুপ্তের। তিনি দুই বিজেপি কর্মীকে তাঁর কার্যালয়ে ডেকে সকলের সামনে হুমকি দিয়ে বলেন, “ট্রেকার স্ট্যান্ডে নিষিদ্ধ থাকবে অনির্দিষ্টকালের জন্য!”। এমনটাই অভিযোগ। আর তাকে ঘিরেই ভোটের মুখে কার্যত সরগরম হয়ে উঠেছে উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা অঞ্চল।

    কী ঘটেছে ঘটনা (North 24 Parganas)?

    সূত্রের খবর, বারাসতের (North 24 Parganas) দুই চালকের মধ্যে কুমারেশ সাধু খাঁ এবারের ভোটে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গ্রাম সংসদের আসন থেকে। অন‍্যজন অবশ্য নিজে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও তাঁর স্ত্রী বিজেপির হয়ে লড়ছেন অন্য একটি গ্রাম সংসদের আসন থেকে। এটাই ছিল ওই দুই বিজেপি কর্মীর অপরাধ! যার জেরেই ‘নিষিদ্ধ’ করে দেওয়া হয়েছে দুই বিজেপি কর্মীর ট্রেকার। এদিকে, শাসকের এই তুঘলকি ‘শাসন’-এর জেরে অসহায় অবস্থা ভুক্তভোগী দুই বিজেপি কর্মীর। পেশা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যত এখন পরিবার নিয়ে অনাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের। ইতিমধ্যে প্রশাসনের সর্বস্তরে অভিযোগও জানিয়েছেন তাঁরা দু’জনে। কিন্তু কোনও সুরাহা মেলেনি বলে অভিযোগ। তাই, সুবিচার পেতে দলের জেলা নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজ‍্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছেন ভুক্তভোগী দুই বিজেপি কর্মী। যদিও, যাবতীয় অভিযোগ খণ্ডন করে পাল্টা গেরুয়া শিবিরকেই নিশানা করেছে শাসক শিবির।

    কোন জায়গা থেকে ভোটে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন?

    জানা গিয়েছে, বেড়াচাঁপা-বারাসত (North 24 Parganas) রুটে ট্রেকার চালিয়ে সংসার নির্বাহ করেন দুই বিজেপি কর্মী কুমারেশ সাধু খাঁ এবং হারান ঘোষ। কুমারেশের বাড়ি দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা দু’নম্বর পঞ্চায়েতের সাধু খাঁ পাড়ায়। অন্যদিকে, হারানের বাড়ি দেগঙ্গার নূরনগর পঞ্চায়েতের ফাজিলপুর ঘোষপাড়ায়। দু’জনেই বিজেপির সক্রিয় কর্মী। দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁরা। সেই সুবাদে কুমারেশকে টিকিটও দিয়েছে বিজেপি। তিনি দেগঙ্গার ১৫৫ নম্বর বুথে পঞ্চায়েত আসনে লড়াই করছেন বিজেপির প্রতীকে। তবে, হারান ভোটে প্রার্থী না হলেও তাঁর স্ত্রী সুজাতা ঘোষ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গ্রাম সংসদের ৯৩ নম্বর আসন থেকে ।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী ছিল?

    অভিযোগ, প্রথম থেকেই এলাকায় (North 24 Parganas) এই দুই বিজেপি কর্মীর ওপর চাপ তৈরি করে মনোনয়ন প্রত্যাহার করানোর চেষ্টা চালানো হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। কিন্তু, চাপের কাছে নতিস্বীকার করেননি তাঁরা। এর পরেই জব্দ করতে শাসকদল এই পন্থা বেছে নেয় বলে অভিযোগ করেছেন দুই বিজেপি কর্মী। এই বিজেপি কর্মীর জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বনই হল এই ট্রেকার। দীর্ঘদিনের সেই পেশা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন টান পড়েছে রুটি-রুজিতে। কীভাবে সংসার চলবে? আর কীভাবেই বা এর থেকে সুরাহা মিলবে? তা ভেবেই অস্থির দুই বিজেপি কর্মী।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের বারাসত জেলে সভাপতি তাপস দাশগুপ্ত বলেন, এমন কোনও বিষয় নেই! আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ অত্যন্ত মিথ্যা। বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন এমন কাউকে আমি চিনিনা। ট্রেকার কোনও ব্যাক্তির বন্ধ হয় নি। তবে সিপিএমের কেউ কেউ এসেছেন আমার কাছে। তিনি হুমকির স্বরে আরও বলেন, বন্ধ না করেও যদি বন্ধের অভিযোগ করে থাকে কেউ! তাহলে এবার বন্ধ করে দেবো।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: লক্ষ্য একই, দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত! ভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী দুই ভাই

    Hooghly: লক্ষ্য একই, দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত! ভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী দুই ভাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাণ্ডুয়ার ক্ষীরকুন্ডি ২৫০ নম্বর গ্রামসভায় এবার দুই ভাইয়ের লড়াই দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার লক্ষ্যে। ক্ষীরকুন্ডি নিয়ালা নামাজ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বিজয়ানন্দ হাজরা এবং আনন্দ হাজরা এবার ২৫০ নম্বর বুথের তৃণমূলের বিরুদ্ধে যথাক্রমে সিপিএম এবং বিজেপির প্রার্থী। উভয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে। এলাকায় বেশ উত্তেজনা ভোটের প্রচারে।

    কেমন হবে নির্বাচনী লড়াই?

    ভোটের ময়দানে ক্ষীরকুন্ডি গ্রামের এই একই পরিবারের দুই ভাই কেউ কাউকে জমি ছাড়তে নারাজ। ভোট আসতে আর বেশি দেরি নেই। তাই দুই ভাই জোর কদমে চালিয়ে যাচ্ছেন ভোট প্রচার। দুজনের মনেই জয়ের আশা তীব্র। দলীয় লড়াই আলাদা আলাদা ভাবে হলেও উদ্দেশ্য একই, দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়া।

    বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য

    এই বিষয়ে ছোট ভাই বিজেপি প্রার্থী আনন্দ হাজরা বলেন, বামপন্থী পরিবারে বড় হলেও মোদিজির আদর্শ দেখে বিজেপিতে আসা। বাবা প্রথমে একটু অসন্তুষ্ট হলেও ম্যানেজ করে নিতে হয়েছিল। দুই ভাইয়ের পারিবারিক সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়, আর বাড়ি বাড়ির জায়গায়। কোনও পারিবারিক দ্বন্দ্ব নেই।

    সিপিএম প্রার্থীর বক্তব্য

    বড় ভাই সিপিএম প্রার্থী বিজয়ানন্দ হাজরা বলেন, ছোট থেকে বাবাকে দেখে বড় হয়েছি। বাবা বামপন্থী মতে বিশ্বাসী ছিলেন। বামফ্রন্টের সময়ে দীর্ঘদিন পাণ্ডুয়া পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যও ছিলেন বাবা। তাই বাবার আদর্শে আমিও বামপন্থী মতে বিশ্বাসী। ভাই আলাদা রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। কিন্তু ভাই ভাইই থাকবে। তিনি আরও বলেন, অবশ্যই ভাই আর ভাইয়ের বউয়ের কাছে যাব, আমার পার্টিকে ভোট দেওয়ার জন্য বলবো।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    নির্বাচনে ক্ষীরকুন্ডিতে কী বলছে তৃণমূল? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের পাণ্ডুয়া  ব্লক সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ বলেন, রাম বাম একই। এতো পুরো জগাই আর মাধাই। যদিও এবার পাণ্ডুয়াতে এলাকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূল মোটেই সুবিধার জায়গায় নেই। অনেক পুরনো কর্মী এবার প্রার্থী হতে না পেরে, একপ্রকার বসেই গেছেন। পাণ্ডুয়ার একাধিক শাসক দলের কার্যালয় টিমটিম করছে। সন্ধ্যার পর অনেকেই ঝাঁপ বন্ধ করে দিচ্ছেন। কর্মীদেরও সেভাবে মাঠে-ময়দানে নামতে দেখা যাচ্ছে না। এমত অবস্থায় তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বুধবার সময় দিয়েছেন পাণ্ডুয়ায় জনসভা করার জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: সুকান্তর জমজমাট প্রচার, চোরমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার ডাক

    Dakshin Dinajpur: সুকান্তর জমজমাট প্রচার, চোরমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে নিজের বাড়ির পাশের গ্রামে সুকান্ত মজুমদার। বুধবার বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূষিলা এলাকায় প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচার করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ভূষিলা এবং চকঘটক গ্রামে তিনি নির্বাচনী প্রচারে এসে এলাকার ভোটারদের সাথে কথা বলেন। আজ তিনি ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে থেকে জমজমাট নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। সুকান্ত মজুমদার ছাড়া প্রচারে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির দুই প্রাক্তন জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার, বিনয় বর্মন এবং ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রার্থীরাও।

    কোথায় যোগদান করল তৃণমূল (Dakshin Dinajpur)?

    পাশাপাশি আজ, পঞ্চায়েত ভোটের দুদিন আগে ভূষিলা এলাকায় তৃণমূলের প্রাক্তন বুথ প্রেসিডেন্ট সহ ১৫ টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করল। যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করায় ভাটপাড়ায় (Dakshin Dinajpur) বিজেপির শক্তি অনেকটা বাড়ল বলে মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    প্রচারে সুকান্ত মজুমদার বলেন, এই গ্রামটা আমার বাড়ির (Dakshin Dinajpur) পাশে। এই গ্রামে ছোটবেলায় খেলাধুলো করতে আসতাম। আজ আমি এখানে ভোট প্রচারে বেরিয়েছি। প্রচারে বেরিয়ে গ্রামের মানুষের সাথে কথা বলছি। আমরা এখানে ভোটে ভালো উত্তেজনা পাচ্ছি। সাধারণ মানুষ এবার তৃণমূলকে ছেড়ে বিজেপিতে ভোট দেবে। ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপি দখল করবে। ভূষিলা এলাকায় তৃণমূলের প্রাক্তন বুথ প্রেসিডেন্ট সহ ১৫ টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করার বিষয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতির প্রতিবাদে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে মানুষ যোগদান করছেন। এদিন পঞ্চায়েতকে চোরমুক্ত করার আহ্বান জানান সুকান্ত।

    তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে মলয় দাস বলেন, আমরা আজ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলাম! তৃণমূল এই গ্রামে কোনও উন্নয়ন করেনি। তৃণমূল গরিব মানুষদের ঘর না দিয়ে যাঁদের ঘর আছে তাঁদের দিয়েছে। তাই এই (Dakshin Dinajpur) পঞ্চায়েতকে তৃণমূল মুক্ত এবং দুর্নীতি মুক্ত করাই একমাত্র কর্তব্য।

    সবজির দাম বৃদ্ধির সমালোচনা

    বিগত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির দাম আকাশছোঁয়া। প্রতিকার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য সরকারের নীতির ফলেই এই অবস্থা। আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য সবজির দাম বছরে এক-দু’বার বৃদ্ধি হয়। কিন্তু এবার অস্বাভাবিকভাবেই সবজির দাম বেড়েছে। সবজির দাম বাড়ার মূল কারণ রাজ্য সরকারের ভ্রান্ত নীতি। এরা ত্রাণের কথা ভাবে, পরিত্রাণের কথা ভাবে না।সাবেকি পদ্মতিতে চাষ করলে এই সমস্যা সমাধান হবে না। আধুনিক পদ্ধতি আনতে হবে চাষে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: জাতীয় পতাকায় তৃণমূল প্রার্থীর ছবি! প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি বিজেপির

    Howrah: জাতীয় পতাকায় তৃণমূল প্রার্থীর ছবি! প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকায় নিজের ছবি ছাপিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে প্রচার করতে গিয়ে জাতীয় পতাকার অবমাননা করার অভিযোগ উঠল হাওড়ার (Howrah) উলুবেড়িয়ার এক তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। জাতীয় পতাকার সাদা রঙের মধ্যে অশোক চক্রের পাশে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ও প্রার্থীর মুখ এঁকে ফেস্টুন তৈরি করা হয়েছে। আর এই নিয়েই তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির পক্ষ থেকে ওই প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি করা হয়েছে। জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করারও অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল প্রার্থীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টা তাদের জানা নেই। আর এই ধরনের কাজ তাদের নয়।

    হাওড়ার (Howrah) কে এই প্রার্থী?

    উলুবেড়িয়া (Howrah) উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের উলুবেড়িয়া ২ নম্বর ব্লকের বাণীবন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর সংসদের ২১৭ নম্বর বুথের ঘটনা এটা। এবার এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন দীপা পরামনিক। সোমবার রাতে স্থানীয় কিছু মানুষ দেখতে পান জাতীয় পতাকার এই ফেস্টুন। পতাকার সাদা রঙের উপরে অশোক চক্রের পাশে তৃণমূলের দলীয় প্রতীকের ছবি, প্রার্থীর মুখ ছেপে দেওয়া হয়েছে। তারপরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন শুরু হলে পতাকাগুলো খুলে নেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে বিকৃত জাতীয় পতাকা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে থাকে।

    তৃণমূল বক্তব্য

    তৃণমূল প্রার্থী (Howrah) দীপা পরামানিকের স্বামী শ্রীকান্ত পরামানিক বলেন, আমরা একটু মানসিকভাবে সমস্যায় রয়েছি। কারণ বাড়িতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গেছে একজনের। এছাড়া আমাদের জানা নেই জাতীয় পতাকার মধ্যে দলীয় প্রতীকের চিহ্ন ও প্রার্থীর মুখ অঙ্কন করে দেওয়া হয়েছে। এই রকম কাজ আমরা করতে পারি না।

    বিজেপির বক্তব্য

    অবশ্য এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি। স্থানীয় (Howrah) বিজেপি নেতা রমেশ সাধু খাঁ বলেন, জাতীয় পতাকার জন্য মানুষ আত্মত্যাগ করে, আর সেই জাতীয় পতাকার অবমাননা করেছে এই তৃণমূল প্রার্থী! এটা দেশদ্রোহিতামূলক কাজ। আমরা এই তৃণমূল প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bjp: পথসভা করতেই চক্ষুশূল! বিজেপি কর্মীদের লোহার রড-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার

    Bjp: পথসভা করতেই চক্ষুশূল! বিজেপি কর্মীদের লোহার রড-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথসভা কেন করবে? সেই দাবি তুলে বিজেপির (Bjp) কর্মীদের বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মার! রক্ষা পেল না মহিলারাও। বেধড়ক মারের চোটে আহত কুড়ি জন। পাঁচজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অবশেষে রাজ্য সড়ক অবরোধ বিজেপির (Bjp)।

    কী ঘটেছে নদিয়ায়?

    ঘটনাটি নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার বোয়ালিয়া গ্রামের। জানা যায়, ওই এলাকায় কিছুদিন ধরেই বেশ কিছু তৃণমূলের দুষ্কৃতী দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। বিরোধীরা ঠিকমতো পতাকা পর্যন্ত লাগাতে পারছিল না। এর আগেও একাধিকবার পথসভা করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি চলছিল! এমনকী প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় ওই এলাকায় একটি পথসভা করার কথা ছিল বিজেপির। সেইমতো বিকেলে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী এবং মহিলা ব্যানার, ফেস্টুন লাগাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ঠিক তখনই একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাঁদের দেখেই অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আর তার প্রতিবাদ করতে গেলে আচমকা লোহার রড এবং বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারতে থাকে তাঁদের। প্রাণভয়ে অন্যের বাড়িতে ঢুকে গেলে বাড়ির ভিতর ঢুকে বিজেপি কর্মীদের মারা হয়। বিজেপির (Bjp) কয়েকজন মহিলা কর্মীদেরও মারার অভিযোগ ওঠে। এরপর দুষ্কৃতীরা চলে যায়। খবর পেয়ে জেলার বিজেপি কর্মীরা তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    হাসপাতালে ১৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও, বাকি পাঁচজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হন। এরপর এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিষ্ণুপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিজেপি কর্মীরা। দীর্ঘক্ষণ অবরোধ চলার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আছে কৃষ্ণনগর (Nadia) কোতোয়ালি থানার পুলিশ। এরপরে পুলিশের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে অবশেষে অবরোধ তুলে নেন তাঁরা।

    বিজেপির (Bjp) বক্তব্য

    আহত এক বিজেপি (Bjp) কর্মী সুনীল বাগ বলেন, আমরা পথসভা করার জন্য ওই এলাকায় (Nadia) ব্যানার এবং পতাকা লাগাচ্ছিলাম। আচমকা তখনই তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী মদ্যপ অবস্থায় আসে। তাদের অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করার প্রতিবাদ করাতে আচমকা আমাদের উপর হামলা করা হয়। আমরা চাই অবিলম্বে ওই দুষ্কৃতীরা গ্রেফতার হোক।

    এই বিষয়ে ওই এলাকার (Nadia) গ্রাম পঞ্চায়েত ২৪ এর বিজেপির জেলা পরিষদের প্রার্থী গুরুপদ দে বলেন, এর আগেও আমরা যেখানে যেখানে পথ সভা করছি সেখানেই তৃণমূল দুষ্কৃতীরা মাইক বাজিয়ে পথসভা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের এই পথসভার কথা ছিল। সকাল থেকেই সে কথা জানতে পেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছিল কর্মীদের। গতকাল আচমকা আমাদের কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। অবিলম্বে ওই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে পুলিশকে গ্রেফতার করতে হবে, এই দাবি জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বিজেপি করার জন্য লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হলে আমাকে জানান’’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘বিজেপি করার জন্য লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হলে আমাকে জানান’’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির বিধায়ক গৌতম পালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভোট না দিলে লক্ষীর ভান্ডার বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, গোয়ালপোখরের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানীর ভাই গোলাম রসুল সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভোটের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ। এই আবহে উত্তর দিনাজপুর জেলায় দলীয় প্রচারে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলকে এক হাত নিলেন।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপিকে সমর্থন করার জন্য কোনও মহিলার যদি লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে নাম বাদ যায়, তাহলে তাঁদের যোগাযোগ করতে বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আদালত যেমন থাপ্পড় মেরে মেরে সেন্ট্রাল বাহিনী দিল, সেই হাইকোর্ট থেকেই আবার থাপ্পড় মেরে মেরে আমরা রাজ্য সরকারকে দিয়ে ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা লক্ষ্মীর ভান্ডারের ব্যবস্থা করব।’’ সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার ভাইয়ের যদি ক্ষতি হয়, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলবেন।  সেই জেলার এসপি-কে কোর্টে টেনে নিয়ে গিয়ে চাকরি আবার ফিরিয়ে দেব।’’

    উত্তর দিনাজপুরে ‘রোড শো’ সুকান্ত মজুমদারের

    মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহারের নন্দনগ্রামে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানে দলীয় প্রার্থী এবং কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি রোড শো-এ অংশগ্রহণ করেন তিনি। এই রোড শো-এ রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। প্রচার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হন। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশন দুটোকে আলাদা ভাবে দেখছি না। একই অঙ্গে দুই রূপ। হাইকোর্টে থাপ্পড়ের পর থাপ্পড় খেতে খেতে গাল লাল হয়ে গেছে। গালে আর জায়গা নাই। আর কোথায় কোথায় যে মারবে! আরও কয়েকটা থাপ্পড় বাকি আছে।’’

    বিহার থেকে ভাড়া করা গুন্ডা ঢুকেছে বলে অভিযোগ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুরে বহিরাগত দুষ্কৃতীদের প্রবেশ প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন, ‘‘বিহার থেকে দুষ্কৃতীরা এর আগেও ভোটের সময় ঢুকেছে। উত্তর দিনাজপুরের প্রশাসনের অভিজ্ঞতা তো আছে। তাদের উচিত খুব ভালো করে সেখানে প্রোটেকশনের ব্যবস্থা করা, যাতে বহিরাগতরা রাজ্যে ঢুকতে না পারে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী তো প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢুকলে বহিরাগত-বহিরাগত বলে চিৎকার করেন। আর যখন বিহার থেকে ভাড়া করা গুন্ডারা ঢুকে উত্তর দিনাজপুরে মারামারি করে, তখন তাদের বহিরাগত মনে হয় না মুখ্যমন্ত্রীর।’’ এবং পাঞ্জিপাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তিনি বলেন, ‘‘এ ধরনের ঘটনা প্রমাণ করছে গোটা রাজ্য বোম-বন্দুক-কার্তুজের ফ্যাক্টরিতে পরিণত হয়েছে। পুলিশ ধরেছে বলে যা দেখতে পাচ্ছেন, তা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। এর থেকে অনেক বেশি তৃণমূলের নেতাদের কাছে আছে। তারা আগামী নির্বাচনে ব্যবহারও করবে, তা আমরা জানি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share