Tag: bjp

bjp

  • Panchayat Vote: বিজেপির জেলা পরিষদ প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Panchayat Vote: বিজেপির জেলা পরিষদ প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুকান্ত মজুমদারের নির্বাচনী সভা থেকে ফেরার পথে বিজেপির জেলা পরিষদ প্রার্থীর গাড়িতে হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। অভিযোগের তীর তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হামলায় ভেঙে গিয়েছে প্রার্থীর গাড়ির কাচ। মঙ্গলবার বিকেলে এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় গঙ্গারামপুর ব্লকের সুকদেবপুরের পাটন মোড় এলাকায়। হামলার ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধেই আঙুল তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা না হলে বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্নায় বসার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সুকান্ত।

    আরও পড়ুন: বিজেপি প্রার্থীকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে পোস্টার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে গঙ্গারামপুরের সুখদেবপুর এলাকায় বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে (Panchayat Vote) আসেন দলের রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এদিন যে সভায় তিনি অংশ নিয়েছিলেন, সেখানকার জেলা পরিষদ প্রার্থী প্ৰদীপ সরকারও হাজির ছিলেন। সভা থেকে ফেরার পথে পাটন এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের কবলে পড়েন তিনি। বেপরোয়া ভাঙচুর চালানো হয় তাঁর গাড়িতে। এরপরেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানান ওই বিজেপি প্রার্থী। এদিকে এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি জেলা তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধেই আঙুল তোলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘দলের প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে আমাদের প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে আগামী কাল থেকে ধর্নায় বসব। খুন সহ ৩২টি কেসের আসামি যিনি, তিনি ওই এলাকায় শাসক দলের প্রার্থী হয়েছেন। হারের আশঙ্কায় এ সমস্ত করছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূল না করলে চলে যাবে সিভিকের চাকরি’! হুঁশিয়ারি ব্লক সভাপতির

    কী বলছে তৃণমূল?

    এদিকে এই ঘটনায় বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার। তিনি বলেন, ‘‘গাড়ি ভাঙচুর খুব নিন্দনীয় বিষয়। এখানে তৃণমূল কংগ্রেসের কারও হাত নেই। এটা কে বা কারা করেছেন, ওনারাই বলতে পারবেন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ দুর্নীতির পোস্টারে ছয়লাপ বারাকপুরের গ্রাম

    TMC: তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ দুর্নীতির পোস্টারে ছয়লাপ বারাকপুরের গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগেই বারাকপুর-১ ব্লকের কাঁপা-চাকলা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী প্রধান রবীন্দ্রনাথ নিয়োগীর (TMC) নামে দুর্নীতির পোস্টার পড়ল। পঞ্চায়েত ভোটের আগেই এরকম এক দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এলাকায় পোস্টার পড়ায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কে বা কারা এই পোস্টার দিয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে, এই পোস্টারের বিষয়বস্তু নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষও এই পোস্টারের বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন।

    পোস্টারে ঠিক কী লেখা রয়েছে?

    পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘কল্যাণী রোডের বিভিন্ন হোটেল-বার থেকে তোলাবাজি, পঞ্চায়েত সদস্যদের একাধিক ঘর পাইয়ে দেওয়া, পুকুর ভরাট করে বে-আইনি ফ্ল্যাট নির্মাণ, সামান্য কাঠমিস্ত্রি থেকে তিন কোটি টাকার বাড়ি’-এরকম বিভিন্ন অভিযোগ। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে কাঁপা-চাকলা পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তবে এই ঘটনায় বিজেপি ও সিপিআইএমের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন রবি নিয়োগী। এই নিয়ে জেটিয়া থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন রবিবাবু। তিনি বলেন, এসব বিরোধীদের কাজ। রাতের অন্ধকারে চোরের মতো এই সব পোস্টার মেরেছে। যে সব অভিযোগ এনেছে তার প্রমাণ দিতে পারবে তো। অভিযোগ যে কেউ করতেই পারে। তাতে ভোটে কোনও প্রভাব পড়়বে না। তৃণমূলের (TMC) সঙ্গে মানুষ রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে কুৎসা করে কোনও লাভ হবে না।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    অপরদিকে, বিজেপির বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি রূপক ঘোষ বলেন, এটা তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দলের ফল। আসলে যাঁরা টিকিট পাননি, তাঁরা এই সব পোস্টার মেরেছেন। কারণ, দলের নেতাকর্মীরা জানেন, রবি নিয়োগী কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত। এখন নিজের দলের কুৎসা ঢাকতে আমাদের দলের নামে অভিযোগ করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। কারণ, বিজেপি কেমন দল, তা এই এলাকার মানুষ জানেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: বিজেপি প্রার্থীকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে পোস্টার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Purba Bardhaman: বিজেপি প্রার্থীকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে পোস্টার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বিজেপি প্রার্থীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। প্রার্থীকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়ে পড়ল পোস্টার। প্রধান অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক যুব সভাপতি মানস ভট্টাচার্য। এই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) রায়ান গ্রামে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা।

    ঘটনা কী হয়েছে (Purba Bardhaman)?

    রায়ান (Purba Bardhaman) ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০ নং পঞ্চায়েত সমিতির আসনে এবার বিজেপি প্রার্থী কৌশিক কুণ্ডু ওরফে চাঁদ। এর আগেও তাঁর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ছিল শাসক দলের যুব নেতা মানস ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। এবার সরাসরি তাঁকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি প্রার্থী কৌশিক কুণ্ডুর বাড়ির সামনে রাতে কে বা কারা পোস্টার মেরে যায়! পোস্টারে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি দেওয়া আছে। পোস্টারে লেখা আছে, ‘১১ তারিখের পর খেলা হবে। পুড়িয়ে মারবো তোর গোটা গুষ্টিকে!’ এছাড়াও বলা আছে, রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসেরই জয় হবে। 

    বিজেপি বক্তব্য

    বিজেপি প্রার্থী কৌশিক কুণ্ডু বলেন, ‘কাল রাতে আমাকে মানস ভট্টাচার্য ফোন করে হুমকি দেয়। আমার স্ত্রীকে নিয়ে তাঁর কাছে যাব কি না জানতে চায়! আজ সকালে আমার শাশুড়ি দেখতে পান কে বা কারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পোস্টার মেরে গেছে। এটা তৃণমূল কংগ্রেসেরই কাজ’। এলাকার (Purba Bardhaman) বিজেপি নেতা সুধীরঞ্জন সাউ বলেন, এখানে কিছু খুনের আসামি আছে। এর আগেও চাঁদের বাড়িতে একাধিকবার হামলা হয়েছে। আমরা থানায় জানিয়েছি। এবার রাজ্যপাল এবং নির্বাচন কমিশনকেও জানাবো।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অভিযুক্ত মানস ভট্টাচার্য ওই একই কেন্দ্রে (Purba Bardhaman) এবারে শাসক দলের প্রার্থী। তিনি এই অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, ‘হ্যাঁ আমি ওঁকে ফোন করেছিলাম। বেশ কিছুদিন আগেও স্ত্রীকে নিয়ে একটা বিপদে পড়ে এসেছিল, আমিই ওঁর সমস্যা মিটিয়ে দিই। তা নিয়েই ফোন করেছিলাম। পোস্টার মারা প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন, এটা মিথ্যা অভিযোগ। ওঁর বাড়িতে সিসিটিভি আছে। তার ফুটেজেই দেখা যাবে কে পোস্টার মেরেছে। উনি পরাজয় নিশ্চিত জেনে প্রচারের আলোয় থাকতে চেয়ে নিজেই পোস্টার মেরেছেন।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar:  ‘পঞ্চায়েত ভোটে স্পর্শকাতর বুথ ঠিক করেছেন ভাইপো,’ বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘পঞ্চায়েত ভোটে স্পর্শকাতর বুথ ঠিক করেছেন ভাইপো,’ বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্পর্শকাতর বুথ জেলা প্রশাসন ঠিক করেনি, ঠিক করেছে ভাইপো। মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডিতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে যে তালিকা পাঠানো হয়েছে, ভাইপো সেখান থেকে স্পর্শকাতর বুথ ঠিক করেছে। ভাইপো এই রাজ্যের কিছু জানে নাকি! রাজ্যের কোথায় ধান, গম চাষ হয়, সেটাও ভাইপো ঠিকমতো জানে না। সে আবার স্পর্শকাতর বুথ ঠিক করছে।

    রাজ্য সভাপতির (Sukanta Majumdar) হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বহু কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডিতে বিজেপির প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে হাঁটলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মঙ্গলবার কুশমন্ডিতে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি নির্বাচনী প্রচার মিছিল বের করা হয়। সেই প্রচারে বিজেপির প্রার্থীদের সমর্থনে তাঁদের সঙ্গে পায়ে পা মেলান রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদার ছাড়াও প্রচারে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ দলের নেতৃত্বরা। পাশাপাশি এদিন কুশমন্ডি বিধানসভার উদয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূল ছেড়ে শতাধিক কর্মী বিজেপিতে যোগাদান করেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। যোগদানের ফলে উদয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে এবারের নির্বাচনে ভালো ফল করবে বলে জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    রাজ্যপাল প্রসঙ্গে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ জানিয়েছে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, রাজ্যপাল নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি তৃণমূল নেতাদের বাড়িতেও যাচ্ছেন, তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলছেন। আর নিরপেক্ষ যে কোনও সংস্থাকে তৃণমূল ভয় পায়। তাই রাজ্যপালকে ভয় পাচ্ছে তৃণমূল। ভাবছে রাজ্যপাল যদি কিছু করে দেন।

    তৃণমূলের কোন্দল নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    কেশপুরে শাসক দলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, মূলত ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে গণ্ডগোল। এটা নতুন কী। সেখানকার গাছ কেটে বিক্রি করে, নদীর বালি কেটে বিক্রি করে শাসক দল। তাই দ্বন্দ্ব হচ্ছে। সায়নী ঘোষ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, সায়নী ঘোষকে প্রয়োজনে বার বার ডাকবে। যদি আমার নামে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ থাকে তাহলে আমাকেও ডাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে বলে দিলে দিদিও গারদে যাবে! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Nadia: অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে বলে দিলে দিদিও গারদে যাবে! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া জনরঞ্জন কেন্দ্রের মাঠে বিজেপির নির্বাচনী জনসভায় মঙ্গলবার উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করার প্রার্থনা জানান তিনি। অন্যদিকে রাজের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিভিন্ন বিষয়ে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।

    অনুব্রত প্রসঙ্গে কী বললেন (Nadia)?

    শান্তিপুরে (Nadia) নির্বাচনী সভায় দলীয় প্রার্থীদের জয়লাভের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান জানান শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই আধ ঘণ্টা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। প্রথমেই দিনহাটায় বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন। শুভেন্দু বলেন, গোটা রাজ্য এখন বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে। এদিন ধুপগুড়িতে একজনকে গুলি করে মারা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    বীরভূমের সভায় ফোনে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? কী জবাব দিলেন শুভেন্দু?

    উল্লেখ্য বীরভূমের একটি জনসভায় নিজে হাজির না থাকলেও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ফোনের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বলেন, প্রায় এগারো মাস ধরে অনুব্রত মণ্ডলকে আটকে রেখেছে সিবিআই ও ইডি। এমনকী তার মেয়েকেও আটকে রাখা হয়েছে! ওর বিরুদ্ধে যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে আদালতে প্রমাণ করুন। এটা পুরোটাই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি শান্তিপুরে (Nadia) বলেন, অনুব্রত মণ্ডল একা টাকা খায়নি, সেই টাকা পৌঁছে যেত কালীঘাটে। ২৫-৭৫ এর ভাগাভাগি ছিল তাদের মধ্যে। এখন যদি অনুব্রত মণ্ডল মুখ ফস্কে সব বলে দেয়, তাহলে দিদিও গারদে যাবে। সেই কারণেই তার গুনগান গাইছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর অনুব্রতকে ক্লিনচিট দেওয়ার প্রসঙ্গে ঠিক এই ভাবেই কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে তোপ!

    অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ করেন, যে সব রাজ্যে বিজেপি শাসন করছে, সেখানে দুই হাজার টাকা কেন! অন্তত এক হাজার টাকা করে যদি দিতে পারে তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো! আর সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি শান্তিপুরে (Nadia) বলেন, ভাইপো এর আগেও একাধিকবার রাজনীতি ছেড়েছেন। উনি বলেছিলেন অর্জুন সিং জিততে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন! নন্দীগ্রামে আমি যদি জিতে যাই, তাহলেও রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। কিন্তু উনি রাজনীতি ছাড়েননি।

    সিপিএম সম্পর্কে বিস্ফোরক

    অন্যদিকে এই সভা (Nadia) থেকে সিপিএমকেও আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা। মহঃ সেলিম অভিযোগ তোলেন ১৪ বছর আগে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে মাওবাদীদের সঙ্গে নিয়ে সিপিএম নেতাদের খুন করা হত। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সেলিম হচ্ছে তৃণমূলের দালাল।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে লাগানো হল আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে লাগানো হল আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করাটাই কি অপরাধ? বিজেপি করার অপরাধে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার খিদিরপুর গ্রামে বিজেপি (BJP)  কর্মী মোহন দাসের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়নার খিদিরপুর গ্রামে মোহন দাস বিজেপির (BJP) সক্রিয় কর্মী। নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করছেন। শাসক দলের নেতারা তাঁর এই ভূমিকা মেনে নিতে পারেননি। এর আগেও তিনি শাসক দলের নেতা-কর্মীদের চোখ রাঙানির মুখে পড়েছেন। তবে, তিনি থেমে থাকেননি। সোমবার রাতের অন্ধকারে বিজেপির ওই কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনার সময় মোহনবাবু দলীয় কাজে বাইরে ছিলেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী শিবানী দাস দুই শিশুকে নিয়ে ঘরের মধ্যে শুয়েছিলেন। রাত ১১ টা নাগাদ একদল দুষ্কৃতী এসে আচমকা তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি আশিস মণ্ডল বলেন, মোহন আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। বাকচা দখলের জন্যই তৃণমূল মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের দলীয় কর্মীর বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছে তৃণমূল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজীব বাছাড়ি বলেন, এই এলাকায় তৃণমূলের ভাল সংগঠন নেই। আমরা খিদিরপুর এলাকায় সোমবারই প্রচার করেছি। বিজেপি (BJP) আমাদের দলীয় পতাকা সব খুলে ফেলে দিয়েছে। ওরা এলাকায় অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। আর নিজেরা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে আমাদের নামে বদনাম দিচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বিজেপিকে ভোট দিতেই কেরল থেকে ছুটে এলাম’, রাজমিস্ত্রিকে কুর্ণিশ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বিজেপিকে ভোট দিতেই কেরল থেকে ছুটে এলাম’, রাজমিস্ত্রিকে কুর্ণিশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুদূর কেরল থেকে শুধুমাত্র বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য কাজ থেকে ছুটি নিয়ে নাগরাকাটা এসেছেন মনুলাল খেরোয়ার। নাগরাকাটার বাসিন্দা তিনি। এখানে কাজ নেই। পেটের টানে বাধ্য হয়েই তিনি পাড়ি দিয়েছেন কেরল রাজ্যে। সেখানে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। তার সঙ্গে এলাকার আরও বহু যুবক পাড়ি দিয়েছেন রুজি রুটির টানে। নিজের গাঁটের কড়ি খরচ করে এখানে এসেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার জন্য।

    শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) সামনে পেয়ে কী বললেন কেরল থেকে আসা রাজমিস্ত্রি?

    সোমবার নাগরাকাটায় শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)  সভা ছিল। সেখানে বক্তব্য রাখার পর তিনি শিলিগুড়ি যাওয়ার পথে গাড়ির মধ্যে দাঁড়িতে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। তখনই মনুলাম খেরোয়ার শুভেন্দুবাবুকে ভিড়ের মাঝে চিৎকার করে বলেন, আমি নাগরাকাটার বাসিন্দা হলেও পেশার টানে সুদূর কেরলে থাকি। নাগরাকাটায় এসেছি পঞ্চায়েতের ভোট দিতে। বিজেপিকে ভোটে জেতাতে এবং আমাদের এলাকাকে তৃণমূল এবং দূর্নীতি মুক্ত করতে আমি ভোট দিতে এসেছি। বিজেপিকে সমর্থন করার পাশাপাশি আমি আপনার (শুভেন্দু অধিকারী) বড় ভক্ত। আপনাকে কাছে থেকে দেখতে পেয়ে খুব ভাল লাগছে। এক কষ্ট করে কেরল থেকে আসা  আমার স্বার্থক হয়েছে। বিজেপির প্রার্থীদের জেতাতে বিজেপির হয়ে মাঠেও নামবেন বলে তিনি জানান। মনুলালের কথা শুনে তাঁকে সকলের সামনে কুর্নিশ জানান শুভেন্দু অধিকারী।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আদালতের রায়কে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সোমবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ির সভা শেষ করে নাগরাকাটায় সভা করতে যান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৮ সালে তারা জলপাইগুড়ি জেলাপরিষদ দখল করেছিলেন। কিন্তু গণনার সময় তৃণমূলের এক মন্ত্রীর উপস্থিতিতে  ব্যালট গুলির মধ্যে বিজেপি প্রার্থীর পাশে ছাপ দেওয়া থাকলেও তৃণমূলের প্রার্থীর পাশে আরেকটি ছাপ দিয়ে তাদের ব্যালটগুলি বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। যার ফলে তাদের প্রার্থীরা জেতা পরেও হেরে যান। কিন্তু এবার সেই অবকাশ নেই। সোমবার হাইকোর্টের  নির্দেশে রাজ্যে আসতে চলেছে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী। ফলে এবার বুথ থেকে গণনা কেন্দ্র সব জায়গাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। এদিনের হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনের পর আরও ১৫ দিন এই বাহিনী থাকছে যাতে কোনো গণ্ডগোল না হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থীর বাড়ির কাছে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থীর বাড়ির কাছে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিজেপি (BJP) প্রার্থীর বাড়ির কাছেই বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল দৃষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর মহকুমার শিউলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। সোমবার তদন্তে এসে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা বোমা উদ্ধার করে। ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থীর বাড়ির কাছে বোমাবাজি এবং বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে আচমকাই শিউলি পঞ্চায়েতের সালামপুর এলাকা বোমার আওয়াজে কেঁপে ওঠে। রাতে কেউ ভয়ে বের হতে না পারলেও সকালে স্থানীয়রা কাজে বের হতে গিয়ে দেখেন, এলাকায় একটি তাজা বোমা পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে মোহনপুর থানার পুলিশ বোমাটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কে বা কারা শিউলি পঞ্চায়েতের ৫ এবং ৬ নম্বর লাগোয়া বুথে এই বোমাবাজি করল, তা নিয়ে বেশ চাপানউতোর শুরু হয়েছে শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, আচমকাই গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। আমরা ভয়ে কেউ বের হইনি। এদিন ফের বোমা উদ্ধার হয়। এই ঘটনার পর আমরা আতঙ্কিত।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দলের প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি অলক জানার স্ত্রী ৫ নম্বর বুথের প্রার্থী। তাঁর বাড়ির কাছেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করে। আসলে এই এলাকায় বিজেপির অবস্থা ভালো। তাতে শাসক দল ভয় পেয়ে গিয়েছে। তাই, এভাবে বোমাবাজি করে প্রার্থী ও কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিতে চাইছে তৃণমূল। কিন্তু, এসব করে কোনও লাভ হবে না।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    অন্যদিকে, এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অরুণ ঘোষ বলেন, এই এলাকায় তৃণমূল বরাবরই ভালো ভোট পায়। ফলে, এসব বোমাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন। এটা বিরোধীদের চক্রান্ত। ওরা নিজেরা এসব করে আমাদের দলকে বদনাম করার চেষ্টা করছে। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত ব্যালট বাক্স পাহারা দিন’, কর্মীদের নির্দেশ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত ব্যালট বাক্স পাহারা দিন’, কর্মীদের নির্দেশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোরমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে হবে। তার জন্য বিকল্প একমাত্র বিজেপি। জলপাইগুড়িকে তৃণমূল মুক্ত করতে হবে। তাই এবারের ভোটে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সব আসনেই বিজেপির প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে নির্বাচনী জনসভায় এসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল। এই সন্ত্রাসকে রুখতেই হবে, নিজেদেরকেই এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কারণ তৃণমূল পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই কাজ করছে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    এদিন বক্তব্যের মাঝে কালিয়াগঞ্জের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে পুলিশ গুলি করে খুন করেছে। পুলিশ এখন রক্ষকের চাইতে ভক্ষকের ভূমিকা বেশি পালন করছে। বৃষ্টি ভেজা দিনে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে প্রচুর মানুষ এসেছিলেন ধূপগুড়ির সভায়। বক্তব্যে ছিল তৃণমূলের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি। তিনি বলেন. যদি কারও লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বন্ধ হয় তাহলে সেই অ্যাকাউন্ট নম্বর আমার কাছে পাঠাবেন। সুদ সমেত সেই টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা আমি করে দেব। ২০২৪ শের লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল সরকারের পতন নিশ্চিত। বিজেপি সরকার গড়বে, তখন লক্ষ্মীর ভান্ডারে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    ব্যালট বাক্স নিয়ে বিজেপি কর্মীদের কী সতর্ক করলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে ৩৩ লক্ষ শূন্য পদ রয়েছে। মেধার ভিত্তিতে সেই পদে চাকরি দেওয়া হবে। প্রতি বছর এসএসসি হবে, সেখানেও স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, মানুষ এখন শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপিকে চেনে। রাজ্য সরকার দ্বিচারিতা করে পিছিয়ে পড়া মানুষদের খুন করেছে। শুধু তাই নয় উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কিছুই করেনি রাজ্য সরকার। তাই কোনওভাবেই তৃণমূলকে ভোট দেওয়া যাবে না। সেই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, নকল ব্যালট ছাপা হচ্ছে। স্ট্রং রুমে নিয়ে যাওয়ার সময় সেই ব্যালট পালটে দেওয়া হবে। তাই ব্যালট বাক্স স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত বিজেপি কর্মীদেরই পাহারা দিতে হবে। পাশাপাশি ব্যালট বাক্সে পদ্মফুলের ছাপ দিয়ে দিতে হবে, যাতে কোনও ভাবেই ব্যালট বাক্স পাল্টানো না হয়। সব শেষে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান, নো ভোট টু মমতা। ধূপগুড়ির সভা সেরে অন্য একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে নাগরাকাটা যান শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ভাতারে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে লাঠি, বাঁশ নিয়ে চড়াও! অভিযুক্ত তৃণমূল

    Purba Bardhaman: ভাতারে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে লাঠি, বাঁশ নিয়ে চড়াও! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে দলবল নিয়ে হুমকি ও মারধরের অভিযোগ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) ভাতারের বড়বেলুন গ্রামে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা। আপাতত পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    ঘটনা কী ঘটল (Purba Bardhaman)?

    বিজেপির অভিযোগ, ভাতার ব্লকের (Purba Bardhaman) বড়বেলুন গ্রামের ৯২ ও ৯৮ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী বিমল দাস এবং তাঁর স্ত্রী মমতা দাস। ঘটনার দিন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী অভিষেক পালের নেতৃত্বে ১০-১২ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে লাঠি, বাঁশ নিয়ে চড়াও হয়। বিজেপি প্রার্থী বিমল দাস বাড়িতে না থাকায় তাঁর স্ত্রী ও কন্যাদের প্রথমে হুমকি এবং এরপর নির্যাতন চালায়। বিজেপির পক্ষ থেকে ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর পর এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

    বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য

    বিজেপি প্রার্থী বিমল দাস বলেন, আমরা মনোনয়ন করার পর থেকেই তৃণমূল থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, কেন বিজেপির প্রার্থী হলাম? আমি প্রচারের কাজে ছিলাম, সেই সময় অভিষেক পালের নেতৃত্বে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে (Purba Bardhaman) লাঠি, বাঁশ নিয়ে স্ত্রী, কন্যাকে হুমকি দিয়ে যায়। এরপর থেকে আমার পরিবার আতঙ্কিত। জেলার বিজেপি নেতা রাজকুমার হাজরা বলেন, আমরা অভিযোগ জানিয়ে কোর্টে যাব।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের জেলার নেতা প্রসেনজিত দাস বলেন, বিরোধীদের অভিযোগ মিথ্যা। জেলার (Purba Bardhaman) যেখানে যেখানে বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে, সেখানে এখন প্রচারের জন্য লোক খুঁজে পাচ্ছে না। আর তাই সব দোষ তৃণমূলের ওপর চাপাচ্ছে। কিন্তু এই ভাবে তৃণমূলের বদনাম করেও বিজেপি জয়ী হতে পারবে না।  ওদের পরাজয় নিশ্চিত। তাই তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য নানা পথ অবলম্বন করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share