Tag: bjp

bjp

  • Pawan Singh: ‘মা-কে দেওয়া কথা রাখব’, ভোটে লড়বেন ভোজপুরী গায়ক পবন সিং

    Pawan Singh: ‘মা-কে দেওয়া কথা রাখব’, ভোটে লড়বেন ভোজপুরী গায়ক পবন সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সপ্তাহের মধ্যেই বদলে ফেললেন সিদ্ধান্ত। লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Vote) দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন ভোজপুরি তারকা শিল্পী পবন সিং (Pawan Singh)। বাংলার আসানসোল কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণ তিনি প্রথমে ভোটে দাঁড়াতে চাননি। দেখা করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে। কয়েক দিন ভাবনা চিন্তার পর ফের বুধবার তিনি সমাজ মাধ্যমে জানান, ভোটে লড়তে আগ্রহের কথা।

    কী বললেন পবন

    বুধবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে পবন (Pawan Singh) লেখেন, ‘জনগণ ও আমার মাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে নির্বাচনে লড়ব। আপনাদের আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করছি। জয় মাতা দি।’ তবে তিনি আসানসোল থেকে লড়বেন, নাকি নয়া প্রার্থী তালিকায় বিহারের কোনও আসন থেকে তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, বিজেপি-র প্রার্থীতালিকা প্রকাশ্যে আসার পর দেখা যায় বাংলার আসানসোল আসনটি থেকে পবন সিংকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে পদ্ম শিবির। ভোজপুরী এই গায়ককে প্রার্থী করা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে বাংলার শাসকদল। এরপর ভোটে না লড়ার কথা জানান পবন। তারপর তিনি দেখা করেন জেপি নাড্ডার সঙ্গে।  সেই বৈঠকের পর পবন বলেন, ‘নাড্ডাজির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তার পরে যা হবে সেটা ভালই হবে। ভোটে লড়ার বিষয়টি সময় বলবে।’ আর আজ তিনি জানিয়ে দিলেন, তিনি ভোটে লড়বেন।

    কোথা থেকে দাঁড়াবেন পবন

    বিজেপি সূত্রে খবর, পবন (Pawan Singh) আসানসোল নয়, লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Vote) অন্য কেন্দ্র থেকে দাঁড়াবেন। বাংলা নয়, বিহারের কোনও কেন্দ্র থেকে বিজেপি তাঁকে টিকিট দিতে পারে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, পবন নিজে আরা লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চান। কারণ তিনি ওই এলাকার ছেলে। কিন্তু ওই আসনের বিজেপি সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে সিং। তাই পবনকে প্রার্থী করার ক্ষেত্রে আরার পাশাপাশি বিহারের সসারাম এবং বক্সার কেন্দ্র নিয়েও ভাবনা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: প্রার্থী কি অপছন্দ? উত্তর মালদায় প্রসূনের প্রচারে দেখা গেল না তৃণমূলের বড় নেতাদের

    Malda: প্রার্থী কি অপছন্দ? উত্তর মালদায় প্রসূনের প্রচারে দেখা গেল না তৃণমূলের বড় নেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের পক্ষ থেকে চরম অসহযোগিতা চোখে পড়ল উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে। দেখাই গেল না জেলার বড় নেতাদের। তৃণমূলের লোকসভার প্রার্থী ঘোষণার পর গত সোমবারই মালদায় এসেছেন প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মঙ্গলবার জেলার একাধিক জায়গায় বৈঠক এবং নির্বাচনী প্রচার করলেও দেখে মেলেনি তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের বড় মুখদের। তাহলে দলের অন্দরে কি প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে? উঠেছে প্রশ্ন।

    বহিরাগত প্রার্থী (Malda)?

    প্রার্থী কি অপছন্দ? বিজেপি তৃণমূলের প্রার্থীকে বহিরাগত বলে অভিযোগ করেছে। এবার কি উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল নেতারাও সেটাই মনে করছেন? মঙ্গলবার প্রচারে বেরিয়ে কার্যত জেলার বড় নেতাদের অসহযোগিতার চিত্রই চোখে পড়ল। প্রার্থী নিজেই দেওয়াল লিখনে অংশগ্রহণ করলেন। সেই সঙ্গে কয়েকটি বৈঠক করলেন এদিন। অবশ্য তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব আব্দুর রহিম বক্সি, রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম নুর, মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ নেতাদের এদিন প্রচারে দেখাই গেল না। তাহলে কি তৃণমূলের প্রার্থী পছন্দ নয়? এই রকম অনেক প্রশ্ন উঠছে রাজনীতির একাংশের মধ্যে।

    বিজেপির বক্তব্য

    উত্তর মালদার (Malda)  প্রার্থী প্রসঙ্গে বিজেপির বক্তব্য, “তৃণমূলের কর্মীরা আসলে হতাশ, কারণ এই জেলার দুই কেন্দ্রে বহিরাগতদের প্রার্থী করা হয়েছে।” অপর দিকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিমের দাবি, “দলে গোষ্ঠী কোন্দলের কোনও ব্যাপার নেই।  আমাদের উত্তর মালদার প্রার্থী ওল্ড মালদায় থাকবেন এবং এখান থেকেই তিনি প্রচারের কাজ করবেন। সকলেই আমরা তাঁর সঙ্গে আছি।”

    কী বললেন প্রার্থী?

    তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় মালদার (Malda) কয়েকজন কাউন্সিলরকে নিয়ে গতকাল নির্বাচনের প্রচার করেন। তিনি বলেন, “সবেমাত্র প্রচার শুরু করলাম। আলাপচারিতার মাধ্যমে সকলের সঙ্গে দেখা হবে। টাউনের প্রেসিডেন্টরা সঙ্গে রয়েছেন। সকলেই আমার পাশে রয়েছেন। সকলের সঙ্গে আলাপ করব। যেখানে বিজেপির লোকেরা জয়ী হয়েছেন এবার সেখানে তৃণমূল জয়ী হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “সিএএ নিয়ে মিথ্যে কথা রটাচ্ছে কংগ্রেস”, তোপ শাহের

    Amit Shah: “সিএএ নিয়ে মিথ্যে কথা রটাচ্ছে কংগ্রেস”, তোপ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ নিয়ে মিথ্যে কথা রটাচ্ছে কংগ্রেস।” মঙ্গলবার হায়দরাবাদের জনসভায় এমনই অভিযোগ করলের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন ‘বিজয় সঙ্কল্প সম্মেলনে’ যোগ দিয়েছিলেন শাহ। সেখানেই সিএএ (CAA) নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ‘স্বপ্ন পূরণের সরকার’

    বিরোধীদের অপপ্রচারের জবাব দিতেও দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন মোদির সেনাপতি। ভিড়ে ঠাসা জনসভায় শাহ বলেন, “কংগ্রেস, মাজিস এবং বিআরএস সিএএ-র (CAA) বিরোধিতা করেছিল। সেই বাধা উপেক্ষা করেই মোদি সরকার প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। স্বদেশে নিপীড়িত ওই শরণার্থীরা যে মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপনের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাঁদের সে স্বপ্ন পূরণ করছে এই সরকার।”

    ‘সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে বিজেপি’

    ‘উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ইস্তেহারে যে সিএএ-র (CAA) প্রতিশ্রুতি ছিল, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। তিনি বলেন, “বিজেপির ইস্তাহারে সিএএ-র উল্লেখ দেখে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে মোদিজি তাঁর ১০ বছরের রাজত্বে সমস্ত দেয় প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন। আমরা অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তিন তালাক বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলাম। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সিএএ-রও। এসবই আমরা পূরণ করেছি। তা সত্ত্বেও ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থে কংগ্রেস আমাদের বিরোধিতা করে চলেছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘এটা ট্রেলার দেখছেন, আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে’’, গুজরাটে মোদি

    সংখ্যালঘুদের শাহি-বার্তা

    শাহ বলেন, “গতকালই (সোমবার) আমরা সিএএ-র (CAA) প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি। যাঁরা ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে পড়শি তিন দেশ থেকে এ দেশে শরণার্থী হিসেবে এসেছেন, এই আইন বলে তাঁরা এবার ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন। অথচ তারা (কংগ্রেস-সহ বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দল) মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। আমি এ দেশের সংখ্যালঘুদের বলতে চাই, সিএএ (CAA) কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না। বরং নাগরিকত্ব দেবে।”

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাত প্রেসিডেন্ট মৌলানা শাহাবউদ্দিন রাজভি বরেলভি বলেছিলেন, “সিএএকে স্বাগত জানানো উচিত ভারতীয় মুসলমানদের।” তিনিও বলেছিলেন, “ভারতের কোনও মুসলমানের নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না এই আইন। মুসলমানদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির বীজ বপন করেছেন কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Haryana CM: হরিয়ানার নয়া মুখ্যমন্ত্রী সাইনি, ভোটের আগেই বিরোধীদের মাত দিল পদ্ম

    Haryana CM: হরিয়ানার নয়া মুখ্যমন্ত্রী সাইনি, ভোটের আগেই বিরোধীদের মাত দিল পদ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানার নয়া মুখ্যমন্ত্রী (Haryana CM) হলেন বিজেপির নায়েব সিং সাইনি। মঙ্গলবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন তিনি। এদিনই সকালে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন বিজেপি নেতা মনোহর লাল খট্টর। লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা হতে পারে তাঁকে। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন খট্টর। তার পরেই বিজেপির হরিয়ানার সভাপতি সাইনিকেই বসানো হয় খট্টরের চেয়ারে।

    বিরোধীদের মাত বিজেপির (Haryana CM)

    সাইনি ওবিসি সম্প্রদায়ের। হরিয়ানায় এই সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যা খুব কম নয়। রাজ্যের মোট জনসংখ্যার প্রায় আট শতাংশ মানুষ সাইনি সম্প্রদায়ের। কুরুক্ষেত্র, আম্বালা, যমুনানগর, রেওয়ারি এবং হিসারের মতো জেলায় সাইনি সম্প্রদায়ের বহু মানুষের বাস। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের অনুগত সৈনিক সাইনিকে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসিয়ে রাজ্যের বিরোধীদের কার্যত ছত্রখান করে দিলেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    সাইনির উত্তরণ

    সাইনি কুরুক্ষেত্রের সাংসদ। গত বছর বিজেপির হরিয়ানা রাজ্য সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। ১৯৭০ সালে জন্ম সাইনির। মুজফফরপুরের বিআর আম্বেদকর বিহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। ২০১০ সালে মেরঠের চৌধুরী চরণ সিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেন এলএলবি। ১৯৯৬ সাল থেকেই বিজেপির হরিয়ানা ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। সংগঠন বিস্তারে নিবেদিত প্রাণ। ২০১৬ সালে মনোহরলাল খট্টর মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েছিলেন সাইনি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কুরুক্ষেত্র কেন্দ্রে কংগ্রেসের নির্মল সিংকে ৩.৮৩ লক্ষ ভোটে পরাস্ত করেন সাইনি।

    ২০০২ সালে বিজেপি সাইনিকে আম্বালায় দলের যুব শাখার (Haryana CM) জেলা সাধারণ সম্পাদক পদে বসায়। ২০০৫ সালে আম্বালা যুব মোর্চার জেলা সভাপতি হন তিনি। হরিয়ানার বিজেপির কিষান মোর্চার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন সাইনি। ২০১২ সালে আম্বালা জেলা সভাপতি পদে বসানো হয় তাঁকে। ২০১০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নারায়ণগড় কেন্দ্রে পদ্ম প্রতীকে দাঁড়িয়ে হেরে যান তিনি। ২০১৪ সালে ওই আসনেই বিপুল ভোট জয়ী হন বিজেপির এই নেতা। এদিন চণ্ডীগড়ে রাজভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন সাইনি। তার আগে পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন খট্টরকে। প্রসঙ্গত, হরিয়ানায় লোকসভার আসন রয়েছে ১০টি। সবকটিতেই একলা চলো নীতি নিয়েছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা (Haryana CM)। 

    আরও পড়ুুন: “সিএএকে স্বাগত জানানো উচিত ভারতীয় মুসলমানদের”, বললেন জামাত প্রেসিডেন্ট

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manohar Lal Khattar: পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর, প্রার্থী হচ্ছেন লোকসভায়?

    Manohar Lal Khattar: পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর, প্রার্থী হচ্ছেন লোকসভায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন তিনি। তাঁর পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন বিজেপিরই নায়েব সাইনি অথবা সঞ্জয় ভাটিয়া। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে খট্টরকে করনাল কেন্দ্রে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। এমনটাই খবর সূত্রের।

    মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা খট্টরের (Manohar Lal Khattar)

    এদিন বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ নিজের বাসভবনে বিজেপি এবং সরকারের সমর্থক নির্দল বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন খট্টর। তারপরেই ইস্তফা দেন তিনি। এদিনই জননায়ক জনতা পার্টি (জেজেপি) নেতা দুষ্মন্ত চৌটালা ১১টায় বৈঠক ডেকেছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে হিসার এবং ভিওয়ানি-মহেন্দ্রগড় কেন্দ্রের প্রার্থী বাছাই নিয়েও আলোচনা হয় খট্টরের ডাকা বৈঠকে। মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দিলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। নয়া মন্ত্রিসভায় কারা (Manohar Lal Khattar) মন্ত্রী হবেন, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জেজেপির পরিবর্তে নির্দলদের সমর্থনে এবার সরকার গড়তে চাইছেন বিজেপি নেতৃত্ব। 

    হরিয়ানায় সংখ্যাতত্ত্বের হিসেব

    হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। এর মধ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৪১। কংগ্রেসের রয়েছেন ৩০ জন বিধায়ক। জেজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০। নির্দল রয়েছেন ৭ জন। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোকদল ও হরিয়ানা লোকহিত পার্টির একজন করে বিধায়কও রয়েছেন। জানা গিয়েছে, নায়েব সাইনি কিংবা সঞ্জয় ভাটিয়াকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে চাইছেন বিজেপি নেতৃত্ব। হরিয়ানার রাজভবনের কনফারেন্স রুমে শপথ গ্রহণের প্রস্তুতিও চলছে।

    আরও পড়ুুন: এনডিএ শিবিরে ফিরলেন চন্দ্রবাবু, বিজেপি-টিডিপি আসন রফা চূড়ান্ত

    জেজেপিকে লোকসভা আসন ছাড়তে নারাজ বিজেপি

    হরিয়ানায় লোকসভার আসন রয়েছে ১০টি। এর মধ্যে জেজেপি ২টি আসন চেয়েছিল। যা ছাড়তে রাজি হয়নি বিজেপি। জেজেপি নেতা তথা হরিয়ানার উপমুখ্যমন্ত্রী (মন্ত্রিসভা ভেঙে যাওয়ায় এখন প্রাক্তন) দুষ্মন্ত চৌটালা সোমবার সাক্ষাৎ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে। দিল্লিতে আয়োজিত সেই বৈঠকে নাড্ডা জেজেপি সুপ্রিমোকে সাফ জানিয়ে দেন, হরিয়ানায় একটি আসনও তারা ছাড়তে পারবে না জেজেপিকে।

    হরিয়ানায় একা লড়বে বিজেপি?

    অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, এর পরেই মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান জেপিপি সুপ্রিমো। সেই বৈঠকও হয়নি। দিল্লিতে যখন দুটি আসনের জন্য দরবার করে বেড়াচ্ছেন দুষ্মন্ত, তখনই এদিকে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন খট্টর (Manohar Lal Khattar)। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, এবার নির্দলদের নিয়েই সরকার গড়বে বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনে হরিয়ানায় একলা লড়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে মোদি-শাহের দল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: এনডিএ শিবিরে ফিরলেন চন্দ্রবাবু, বিজেপি-টিডিপি আসন রফা চূড়ান্ত

    Lok Sabha Election 2024: এনডিএ শিবিরে ফিরলেন চন্দ্রবাবু, বিজেপি-টিডিপি আসন রফা চূড়ান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যরাতের সেই বৈঠকেই মিলেছিল রফাসূত্র। তার পরেই ছ’বছর পর বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএতে ফিরলেন তেলুগু দেশম পার্টি নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু। বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে (Lok Sabha Election 2024) ওই বৈঠকেই বিজেপির সঙ্গে আসন রফাও চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ৯ মার্চ চন্দ্রবাবু নাইডু এনডিএতে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    চূড়ান্ত আসন রফা (Lok Sabha Election 2024)

    গত কয়েকদিন ধরেই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে টিডিপি সুপ্রিমোর যোগাযোগ বাড়ছিল। বিজেপি নেতা অলোকমানের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠকও হয়েছে তাঁর। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর সেনাপতি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন টিডিপি সুপ্রিমো। শেষমেশ সোমবার রাতে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয় চন্দ্রবাবুর। সেখানেই চূড়ান্ত হয় আসন রফা।

    জোট জন সেনার সঙ্গেও

    দেশের উত্তরাংশে বিজেপির শক্তি চোখ ধাঁধানো হলেও, দক্ষিণাংশে বেশ দুর্বল। আঞ্চলিক দলগুলিরও রাজ্যের ক্ষমতায় ফিরতে প্রয়োজন বিজেপির মতো শক্তিশালী একটি রাজনৈতিক দলকে। এই অঙ্কেই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর সঙ্গে ফের গাঁটছড়া বাঁধলেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু। দিন কয়েক আগেই অন্ধ্রের আঞ্চলিক দল জন সেনার সঙ্গে জোট বেঁধেছে টিডিপি। এবার টিডিপি ভিড়ল এনডিএ শিবিরে। সোমবার রাতে বিজেপির তরফে শেখাওয়াত, টিডিপির তরফে চন্দ্রবাবু এবং জন সেনা সুপ্রিমো পবন কল্যাণের দীর্ঘ বৈঠক হয়। তার পরেই তিন দল যৌথ বিবৃতি দিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশে আসন রফার কথা জানান। অন্ধ্রপ্রদেশে লোকসভার আসন রয়েছে ২৫টি। এর মধ্যে ৬টিতে প্রার্থী দেবে বিজেপি। চন্দ্রবাবুর দল প্রার্থী দেবে ১৭টি আসন। বাকি দুটি আসনে প্রার্থী দেবে জন সেনা।

    আরও পড়ুুন: “সিএএ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে ভালো পদক্ষেপ”, বললেন রাজ্যপাল

    কোন দল কটি আসনে প্রার্থী দেবে তা ঠিক হলেও, কারা কোথায় প্রার্থী দেবে তা এখনও জানা যায়নি। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, তিরুপতি, আরাকু, রাজামুন্ড্রি, আনাকাপল্লি এবং নরসাপূরমে প্রার্থী দেবে পদ্ম শিবির। সমঝোতা সূত্র অনুযায়ী, বিজেপির হাতে রয়েছে আরও একটি আসন। জন সেনা লড়বে কাঁকিনাড়া ও মাচিলিপত্তনমে। বাকি (Lok Sabha Elections 2024) আসনগুলিতে প্রার্থী দেবে চন্দ্রবাবুর দল।

    প্রসঙ্গত, ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে এনডিএর সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছিল টিডিপি। অন্ধ্রপ্রদেশকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে ২০১৮ সালে জোট ছেড়ে বেরিয়ে যান চন্দ্রবাবু। উনিশের লোকসভা ও পরের বিধানসভা নির্বাচনে একাই লড়ে টিডিপি। গোহারা হেরে যায় চন্দ্রবাবুর দল (Lok Sabha Elections 2024)।

     

      দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের ১০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত, ইডির পদক্ষেপকে স্বাগত শুভেন্দুর

    TMC: তৃণমূলের ১০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত, ইডির পদক্ষেপকে স্বাগত শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যালকেমিস্ট মামলার তদন্তে নেমে তৃণমূলের (TMC) ১০ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি।  সোমবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানানো হয়েছে। ইডির (ED)দিল্লি আঞ্চলিক দফতর তৃণমূলের এই টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। ইডির টাকা ‘আটক’ করার পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    ইডির বিবৃতি

    ইডি জানিয়েছে, চিটফান্ড সংস্থা অ্য়ালকেমিস্ট গ্রুপের আর্থিক তছরুপের মামলার তদন্তে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ১০ কোটি ২৯ লাখ টাকার একটি ডিমান্ড ড্রাফট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সামনেই লোকসভা নির্বাচন রয়েছে। তার ঠিক আগে অ্যালকেমিস্ট গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে ইডির এই পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসক শিবিরের। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে প্রেস বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের থেকে ১৮০০ কোটি টাকারও বেশি অঙ্কের অর্থ তুলেছিল অ্যালকেমিস্ট গ্রুপ। ওই সংস্থার মালিক রাজ্যসভার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কেডি সিং।  

    শুভেন্দুর বার্তা

    ডির দিল্লি অফিসের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি ইডি দিল্লি জোনাল অফিস কর্তৃক তৃণমূলের ১০.২৭ কোটি বাজেয়াপ্ত করাকে স্বাগত জানাচ্ছি। অ্যালকেমিস্ট গ্রুপের সঙ্গে বেআইনি লেনদেনে জড়িত এই টাকা। তবে এটি হিমশৈলের চূড়ামাত্র। তবে ফাঁদটি যদি আরও শক্ত করা যায় তাহলে ১০ হাজার গুণ টাকা উদ্ধার হবে। ’

    এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অ্যালকেমিস্ট মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে তলব করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই মামলায় প্রায় ১৯০০ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল। তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ হিসাবেই অরূপকে তলব করা হয়েছে। তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে ডাকা হয়েছিল তাঁকে। ২০১৪ সালের ভোটের প্রচারে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে অরূপের কাছে জানতে চাওয়া হতে পারে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘বহিরাগত’ প্রার্থীর প্রশ্নে তৃণমূলকে আক্রমণ সুকান্ত, শুভেন্দু, মালব্য, দিলীপের

    Lok Sabha Election 2024: ‘বহিরাগত’ প্রার্থীর প্রশ্নে তৃণমূলকে আক্রমণ সুকান্ত, শুভেন্দু, মালব্য, দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুর কেন্দ্রে ইউসুফ পাঠান, আসানসোলে শত্রুঘ্ন সিন্‌হা এবং বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের জন্য কীর্তি আজাদকে প্রার্থী করার কথা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন ও কীর্তি আদতে বিহারের বাসিন্দা, ইউসুফ গুজরাটের। তবুও আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁদের বাংলা থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। এরপরই রাজ্যের শাসকদলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। 

    ভূমিপুত্রের অভাব

    সভার পরেই বিজেপির সর্বভারতীয় আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য সমাজমাধ্যমে কটাক্ষ করেন, “ইউসুফ পাঠান গুজরাটের না বাংলার? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাঁদের বহিরাগত বলেন, তৃণমূলের তালিকা সেই রকম নামে ভরা। তৃণমূল কি যথেষ্ট ভূমিপুত্র খুঁজে পায়নি?” তিনি আরও বলেন, ‘‘তৃণমূলের তালিকা তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষায় ‘বহিরাগত’-তে বোঝাই। ওঁর এই বিভাজনের নীতিতে ধিক্কার জানাই, এর জন্যেই পশ্চিমবাংলা পিছিয়ে থাকে।’’

    তৃণমূলের প্রার্থী পদ বহিরাগতে ভরা

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এ প্রসঙ্গে বলেন, “পবন সিংকে যখন বিজেপি প্রার্থী করেছিল, ‘বহিরাগত’ বলে তৃণমূল তোলপাড় করেছিল। উনি নিজে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করেছিলেন। কীর্তি আজাদ, শত্রুঘ্ন সিন্‌হা, ইউসুফ পাঠান কোন কালে বাংলার মানুষ ছিলেন, জানতে চাই।”

    রাজনৈতিক কর্মী নেই

    তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা (TMC Candidate List) প্রকাশ্যে আসতেই তোপ দাগলেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন,”তৃণমূলের কাছে কোনও রাজনৈতিক কর্মী নেই। কিছু চ্যাংড়া ছেলে আছেন। কিছু দেব-দেবী আছেন।আর কিছু বাইরের থেকে এক্সপোর্ট করা হচ্ছে। তাঁরা নাকি খুব ভাল বাঙালি। তাঁর মধ্যে বড় বাঙালি হচ্ছেন শত্রুঘ্ন সিন্হা, ইউসুফ পাঠান, কীর্তি আজাদ। আর আমরা বাঙালি নই।” 

    আরও পড়ুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    কোনও বাঙালি মিলল না

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “যখন তৃণমূল কংগ্রেসের তালিকা বেরিয়েছে, তার একটু আগেই ভাগ্নে (নাম না করেই) বড়বড় কথা বলছিলেন। বিজেপি হল অ্যান্টি বেঙ্গলি। এদিকে যখন ক্যান্ডিডেট তালিকা সামনে এসেছে, তখন দেখা গেল বাইরে থেকে প্রার্থী এনেছে শাসকদল। কীর্তি আজাদ, ইউসুফ পাঠান এরা কি বাঙালি ? ইউসুফ পাঠান ও মোদি দুজনেই গুজরাতের। মোদি বহিরাগত যখন বলা হয়, তাহলে এদের ক্ষেত্রে কী করে সেই তকমা প্রযোজ্য নয়,  এবার গুজরাটি মুসলিমকে নিয়ে আসলেন, কোনও বাঙালি মিলল না এবার?”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: একতরফা প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, কংগ্রেসকে নিশানা বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: একতরফা প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, কংগ্রেসকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি বিরোধী এই জোটে রয়েছে কংগ্রেসও। অথচ জোটে কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই রাজ্যের ৪২টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করে দিয়েছে তৃণমূল। এর পরেই কংগ্রেস নেতৃত্বকে একহাত নিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    ‘‘ইন্ডি’ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে’ 

    তাঁদের মতে, যেখানে ওয়েনাড়ের সাংসদ  (রাহুল গান্ধী) পা রেখেছেন সেখানেই বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “ইন্ডি জোট আর এক ঝটকা খেল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করে দিয়েছেন। এখন কংগ্রেস এখানে সেখানে খুঁজে বেড়াচ্ছে। যেখানেই রাহুল গান্ধী গিয়েছেন, সেখানেই ইন্ডি জোট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে।”

    ভারত ন্যায় যাত্রাকে নিশানা 

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারত ন্যায় যাত্রায় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। এদিন তাকেই নিশানা করেছেন পুনাওয়ালা। সন্দেশখালিকাণ্ডে রা কাড়েনি কংগ্রেস। পুনাওয়ালার মতে, সন্দেশখালিকাণ্ডে চুপ থাকাটা কংগ্রেসের কৌশলগত নীরবতা। ইডির আধিকারিকদের মারধর করা-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানকে। গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে তৃণমূল। শাহজাহান ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিস বা বাগানবাড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হত বলে অভিযোগ। তার জেরেই সম্প্রতি খবরের শিরোনামে চলে এসেছে বাংলার এক প্রত্যন্ত এলাকা সন্দেশখালি।

    আরও পড়ুুন: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    সন্দেশখালিকাণ্ডে মৌন কংগ্রেস (Lok Sabha Election 2024)

    সন্দেশখালিকাণ্ডের পর পরই গা ঢাকা দেন শাহজাহান। ৫৫ দিন পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। পুনাওয়ালা বলেন, “সন্দেশখালিকাণ্ডে কৌশলগত নীরবতা অবলম্বন করেছে কংগ্রেস। প্রিয়ঙ্কা বঢরা এবং রাহুল গান্ধী কেউই শেখ শাহজাহানকে নিয়ে কিছু বলেননি। মল্লিকার্জুন খাড়্গে আবার তাঁকে রক্ষা করছেন।” কংগ্রেসকে নিশানা করে পুনাওয়ালা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যিনি প্রথম বলেছিলেন কংগ্রেসকে দুটি আসন নিতে, গোটা দেশে ৪০টি আসনও তিনি কংগ্রেসকে দিতে চাননি। এই তো ইন্ডি জোটের অবস্থা।”

    তৃণমূল একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা (Lok Sabha Election 2024) করায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বঙ্গ কংগ্রেসের প্রধান অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি আঞ্চলিক দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কোনও দল কিংবা নেতার তাঁকে বিশ্বাস করা উচিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JNU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, জানুন নির্ঘণ্ট

    JNU: জেএনইউতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, জানুন নির্ঘণ্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ে চার বছর বাদে লোকসভা নির্বাচনের মুখে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হল দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU)। নির্বাচন হবে ২২ মার্চ। ফল প্রকাশ হবে দু’দিন পরে, ২৪ মার্চ।

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ইলেকশন কমিটি জানিয়েছে, সোমবার থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়া হয়েছে ছাত্র ভোটের। মনোনয়নপত্র বিলি করা হবে বৃহস্পতিবার। তার আগেই প্রকাশ করা হবে ভোটার তালিকা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৫ মার্চ। স্ক্রুটিনি হবে তার পরের দিন। ইলেকশন কমিটির তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ মার্চ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। ফের শুরু হবে দুপুর আড়াইটে থেকে। চলবে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত। নির্বাচন হবে ব্যালট পেপারে। ভোটের আগে (JNU) রীতি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হবে তর্কসভা। এই সভায় বিভিন্ন দল তাদের দলের লক্ষ্য ও নীতি সম্পর্কে ভোটারদের অবহিত করবে।

    আদর্শ আচরণ বিধি জারি

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, যেহেতু নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, তাই এদিন থেকেই লাগু হয়ে গিয়েছে আদর্শ আচরণ বিধিও। এই বিধি অনুযায়ী, নির্বাচন কমিটির আগাম অনুমতি ছাড়া পোস্টার ও প্যামফ্লেট প্রকাশ করা যাবে না। প্রার্থী ও তাঁদের দল কেবল হাতে লেখা পোস্টার ও তার ফটোকপি ব্যবহার করতে পারবে প্রচারের জন্য। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ভবন, রাস্তা, বিদ্যুতের খুঁটি, বাসস্টপ, গাছপালা ইত্যাদি এলাকায় পোস্টার টাঙানো যাবে না। প্রচারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তিও বিকৃত করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমতি নিয়ে তবেই সোশ্যাল, সাংস্কৃতিক এবং নির্বাচনী সভার আয়োজন করা যাবে।     

    আরও পড়ুুন: ‘পার্থ সকলকে উস্কে গালাগাল করাচ্ছিল’, বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীকে তোপ অর্জুনের

    জেএনইউয়ে শেষবার ছাত্র ভোট হয়েছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, লোকসভা নির্বাচনের পরে। সেবার নির্বাচনে জিতে সংসদের সভানেত্রী হয়েছিলেন এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ। হেরে গিয়েছিলেন এবিভিপির প্রার্থী। এর পর যমুনা দিয়ে গড়িয়েছে অনেক জল। দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শক্তি বাড়িয়েছে এবিভিপি। দিল্লিতেও আগের চেয়ে মজবুত হয়েছে বিজেপির ভিত। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে জেএনইউতে নির্বাচনে করিয়ে সংগঠনের ভিত কতটা পোক্ত হয়েছে, তা-ই মেপে নিতে চাইছেন বিজেপি নেতৃত্ব (JNU)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share