Tag: bjp

bjp

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব, নবীন-প্রবীণ কারা, ছবি এঁকে বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব, নবীন-প্রবীণ কারা, ছবি এঁকে বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়ঃ-তত্ত্বকে কেন্দ্র করে অশান্তি চরমে তৃণমূলে। রবিবার পার্টির জন্মদিন থেকেই চলছে গৃহযুদ্ধ। সন্ধিস্থাপনে বৈঠকে বসেছিলেন বুয়া-ভাতিজা। তার পরেও যে দ্বন্দ্বের অবসান হয়নি, বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তাপস রায়ের মমতা-বৃত্তের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাঁদমারি করাই তার প্রমাণ।

    শুভেন্দুর চিত্র-তত্ত্ব

    তবে তৃণমূলে কারা নবীন, প্রবীণই বা কারা এক্স হ্যান্ডেলে একটি ব্যঙ্গচিত্রের মাধ্যমে তা তুলে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। চিত্রে দেখা যাচ্ছে, নবীন-বৃত্তে রয়েছেন কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হওয়া নেতারা। আর প্রবীণ-বলয়ে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, মানিক ভট্টাচার্য এবং জ্যোতিপ্রিয়র মতো গ্রেফতার হওয়া নেতারা। ওপরে লেখা, “তোলামূলের দুই ভাগ, তবে একটি বিষয় পরিষ্কার, তোলামূলের আপাদমস্তক সবাই চোর।”

    গা বাঁচানোর চেষ্টা তৃণমূল নেতাদের!

    তৃণমূলের এই নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে যাতে গর্দান না যায়, তারও চেষ্টা করছেন অনেকে। এই (Suvendu Adhikari) যেমন ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া উদয়ন গুহু। কোচবিহারের এই নেতা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর তৃণমূলে অভিষেকের ধারেকাছে কেউ নেই। নতুন প্রজন্মকে মানতেই হবে। আর যাঁরা নতুন প্রজন্মকে তৈরি করতে পারেন না, তাঁদের চেয়ে ব্যর্থ আর কেউ নেই।” অনেকে আবার ‘ধরি মাছ, না ছুঁই পানি’র মতো আচরণ করছেন। দলের এই অংশটি অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা স্বীকারই করছেন না। কেউ কেউ আবার মমতা না অভিষেক কোন ফ্যান ক্লাবে ঢুকবেন, তা বুঝতে না পেরে আপাতত জল মাপছেন। তবে দলে অভিষেকের উত্থান যে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভালোভাবে নেননি, তার প্রমাণ মিলেছে আগেই।

    ঘনিষ্ঠ মহলে অভিষেক বলেছিলেন, তিনি শুধু তাঁর কেন্দ্রটি (ডায়মন্ড হারবার লোকসভা) নিয়েই ব্যস্ত থাকবেন, অন্য কেন্দ্রগুলি নিয়ে নয়। নবীন-প্রবীণের দ্বন্দ্বের জল যে অনেক দূর গড়াতে চলেছে, তা আঁচ করে অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক করেন কুণাল ঘোষ, তাপস রায় সহ তাঁর ফ্যান ক্লাবের কয়েকজন। তার পরের দিনই হয় বুয়া-ভাতিজা বৈঠক। তার পরেও অবশ্য নেভেনি তৃণমূলের গৃহযুদ্ধের আগুন (Suvendu Adhikari)।

    আরও পড়ুুন: বুধেও জারি তৃণমূলের অন্তর্কলহ, সুদীপকে ফের নিশানা তাপসের, এবার কী বললেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024:  ‘অব কি বার চারশো পার’, নয়া স্লোগান বিজেপির

    Lok Sabha Elections 2024:  ‘অব কি বার চারশো পার’, নয়া স্লোগান বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় যে নিশ্চিত, তা ধরে নিচ্ছেন পদ্ম নেতারা। তবে আরও বেশি জনসমর্থন নিয়ে কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরতে চাইছেন তাঁরা। কিছু দিন আগেই দিল্লিতে বিজেপির সদর (Lok Sabha Elections 2024) দফতরে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের তাঁর সেই ইচ্ছের কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং।

    নয়া স্লোগান বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রীর সেই আশা পূরণে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে পদ্ম-বাহিনী। বাঁধা হয়েছে নয়া স্লোগানও, ‘তিসরি বার মোদি সরকার, অব কি বার চারশো পার’। বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘তৃতীয়বার মোদি সরকার, এবার চারশো পার’। এপ্রিলের মাঝামাঝি লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) হওয়ার কথা। এই নির্বাচনের রণকৌশল স্থির করতে বুধবার বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অশ্বিনী বৈষ্ণব, ভূপেন্দ্র যাদব, হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতো নেতারা।

    কী নির্দেশ দিলেন নাড্ডা?

    বৈঠকে চারশো আসন পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোনোর নির্দেশ দেন নাড্ডা। এই বৈঠকেই বেঁধে দেওয়া হয় নির্বাচনী প্রচারের সুর। নির্বাচনের আগে দলে যাতে বেনোজল ঢুকে না পড়ে, তাই স্ক্রিনিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই কমিটিই স্থির করবে, নির্বাচনের আগে অন্য দল থেকে যাঁরা আসবেন, তাঁদের হাতে গেরুয়া ঝান্ডা তুলে দেওয়া হবে কিনা। এর পাশাপাশি গঠন করা হবে ক্লাস্টার কমিটি। প্রতি তিনজন ‘সুপার ওয়ারিয়র’ পিছু থাকবে একটি ক্লাস্টার কমিটি। প্রতি বিধানসভার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে থাকবেন একজন। ইনিই ‘সুপার ওয়ারিয়র’।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হচ্ছে সিএএ! নাগরিকত্ব পাচ্ছেন কারা?

    তিন ‘সুপার ওয়ারিয়র’কে নিয়ে যে ক্লাস্টার গঠিত হবে, সেই ক্লাস্টারের দায়িত্বে থাকবেন রাজ্য পর্যায়ের কোনও পদস্থ নেতা। তিন-চারটি লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে যে যৌথ ক্লাস্টার তৈরি হবে, সেখানে প্রচারে যাবেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিংহ, জেপি নাড্ডার মতো হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় নেতারা। দেশের প্রতিটি রাজ্যের সভাপতিকে তাঁর রাজ্যের সব লোকসভা কেন্দ্রে প্রচারে যেতে হবে। ওই লোকসভা কেন্দ্রগুলির কোনটিতে সংগঠনের হাল কেমন, সে বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে কেন্দ্রকে। এই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই ওই কেন্দ্রে কীভাবে সংগঠন মজবুত করা যাবে, সে দাওয়াই দেওয়া (Lok Sabha Elections 2024) হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal BJP: ‘সংযুক্ত মোর্চা বৈঠক’-এ বসছে রাজ্য বিজেপি, কী কী নিয়ে আলোচনা?

    Bengal BJP: ‘সংযুক্ত মোর্চা বৈঠক’-এ বসছে রাজ্য বিজেপি, কী কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে একশো দিনের কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বিজেপি (Bengal BJP)। তারই অঙ্গ হিসেবে নতুন বছরের তৃতীয় দিনেই বৈঠকে বসছে রাজ্য বিজেপির সব মোর্চা। সব মোর্চা নেতৃত্বকে নিয়ে আলোচনায় বসার কর্মসূচির সাংগঠনিক নাম দেওয়া হয়েছে— ‘সংযুক্ত মোর্চা বৈঠক’। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘এটা একেবারেই সাংগঠনিক বৈঠক। নিয়মিত ভাবেই সব মোর্চাকে নিয়ে বসা হয়। আর লোকসভা নির্বাচনের আগে তো এমন বৈঠক হতেই থাকবে।’’

    কারা থাকবেন বৈঠকে

    বিজেপির (Bengal BJP) সংগঠনে মোট সাতটি মোর্চা রয়েছে। মূলত যুব এবং মহিলা মোর্চাকে বিভিন্ন আন্দোলনে দেখা গেলেও বিজেপিতে রয়েছে তফসিলি জাতি, তফসিলি জনজাতি, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি এবং সংখ্যালঘু মোর্চা। এ ছাড়াও কৃষকদের নিয়ে কিসান মোর্চা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বিজেপির দলীয় কোনও ছাত্র ও শ্রমিক মোর্চা নেই। সঙ্ঘ পরিবারের ছাত্র সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ’ এবং শ্রমিক সংগঠন ‘ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ’ থাকায় এই দুই ক্ষেত্রের কোনও মোর্চা নেই বিজেপির। আজ, বুধবার দলের সাত মোর্চার রাজ্য নেতৃত্বকে নিয়েই বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। শুধু রাজ্যের নেতারাই নন, গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে প্রতিটি মোর্চার দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যের পর্যবেক্ষকেরাও ওই বৈঠকে হাজির থাকবেন।

    রামমন্দির নিয়ে প্রচার

    বিজেপি (Bengal BJP) সূত্রে খবর, রাজ্যে রামমন্দির নিয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার-পুস্তিকা পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মকর সংক্রান্তির দিন পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। এর পরে রামমন্দির উদ্বোধন হয়ে গেলে বাংলার মানুষকে অযোধ্যায় পাঠানোর দায়িত্বও নিতে হবে দলের নেতা-কর্মীদের। এই সব কর্মসূচিতে যাতে সব মোর্চা একসঙ্গে কাজ করে সেই লক্ষ্যেই বুধবারের বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    যুব মোর্চার প্রচার

    জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বিজেপি যুব মোর্চার আলাদা কর্মসূচি রয়েছে। গোটা রাজ্যের সব গ্রামে যেতে হবে মোর্চাকে। কেন্দ্রের মোদি সরকারের নানা প্রকল্পের সুফলগুলি তুলে ধরতে হবে বাংলারা গ্রামের মানুষের কাছে। কেন্দ্রের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উপরে বাংলায় ১০টি যুব সমাবেশ করার লক্ষ্য নিয়েছে বিজেপি (Bengal BJP)। কমপক্ষে এক হাজার নতুন ভোটারকে নিয়ে আসার কথা ভাবা হয়েছে। প্রথম বারের ভোটারদের নিয়ে আসার জন্য সব মোর্চাকে বুধবারের বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

    ‘বিকশিত ভারত সঙ্কল্প সভা’

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দুয়ারে সরকার’-এর মতো কেন্দ্রীয় সরকারও ‘বিকশিত ভারত সঙ্কল্প যাত্রা’ নামে একটি কর্মসূচি নিয়েছে। বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে সরকারি উদ্যোগে এই কর্মসূচি হলেও বাংলায় দলের তরফেই করার পরিকল্পনা রাজ্য বিজেপির। মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে, কোনও প্রকল্পের সুবিধা নিতে কী কী করতে হবে তা জানাতে বিজেপি কর্মীরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যাবেন। এই কর্মসূচি ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চালানোর কথা। রাজ্য বিজেপি ঠিক করেছে সব মোর্চাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ‘বিকশিত ভারত সঙ্কল্প সভা’ করবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কেরলে ২ লক্ষেরও বেশি মহিলার সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    PM Modi: কেরলে ২ লক্ষেরও বেশি মহিলার সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ-এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচন। তার ঢের আগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। তবে অফিসিয়ালি বিজেপির প্রথম নির্বাচনী প্রচার সভা শুরু হবে রাত পোহালেই। বুধবার কেরলের একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ত্রিশূরের এই সভায় যোগ দেবেন দু লক্ষেরও বেশি মহিলা। সভার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্ত্রী শক্তি মোদিক ওপ্পাম’।

    কারা উপস্থিত থাকবেন সভায়?

    বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে স্ত্রী সশক্তিকরণ’। সভার আয়োজক বিজেপির কেরালা ইউনিট। সংসদের উভয় কক্ষেই পাশ হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল। তাই বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে সংবর্ধনা। সেই কারণেই এই মহিলা সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রীর এই সভায় যোগ দেবেন সমাজের বিভিন্ন অংশের মহিলারা। এঁদের মধ্যে যেমন থাকবেন অঙ্গনওয়াড়ি শিক্ষিকা, আশাকর্মী, মহিলা উদ্যোগপতি, শিল্পী, তেমনি থাকবেন একশো দিনের কর্মী এবং নেবারহুড নেটওয়ার্ক ওয়ার্কারস এবং সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যক্টিভিস্টসরা।

    কেরলে বিজেপির পরিকল্পনা

    কেরলে রাজ করছে সিপিএম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। এখানেই পা রাখতে চাইছে বিজেপি (PM Modi)। কেরলে লোকসভার আসন একটি। সেই অর্থে ভোটের নিরিখে রাজ্যটির গুরুত্ব তুলনায় কম। তবে যেহেতু কংগ্রেস ও সিপিএম অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে, তাই কেরলে পায়ের নীচের মাটি শক্ত করতে চাইছে বিজেপি। কেরল বিজেপি সম্প্রতি জানিয়ে দিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণের এই রাজ্যে ঘন ঘন আসবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। তাঁরা শুনবেন কেরলবাসীর অভাব-অভিযোগের কথা। কংগ্রেসের বেলাগাম দুর্নীতি এবং শাসক সিপিএমের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া, এই দুয়ের জেরে কেরলে ভালো ফলের আশা করছে রাজ্য বিজেপি। সেই কারণেই শান দেওয়া হচ্ছে ‘স্ত্রী-শক্তি’তে।

    আরও পড়ুুন: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    কেরল বিজেপির সভাপতি কে সুরেন্দ্রন বলেন, “সমাজের বিভিন্ন অংশের মহিলা, বিশেষত সমাজের নানা ক্ষেত্রে যাঁরা প্রতিষ্ঠিত কিংবা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন, তাঁরা ত্রিশূরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সভায় যোগ দেবেন।” তিনি বলেন, “অভিনেত্রী তথা নৃত্যশিল্পী শোভনা, ক্রিকেটার মিন্নু মানি, উদ্যোগপতি বীণা কান্নান, গায়িকা বৈকম বিজয়লক্ষ্মী এবং মারিয়াকুট্টি উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই সভায়। এঁরা প্রত্যেকেই সুর চড়িয়েছেন দুর্নীতি এবং লালফিতের ফাঁসের বিরুদ্ধে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’র বিরুদ্ধে হাইকোর্টে নালিশ জানাল বিজেপি। অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ না হয়েও এসএসকেএম হাসপাতালে শয্যা দখল করে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এই মামলায় সব পক্ষকে নোটিস দিতে বলে উচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানান, বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি হবে।

    হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    গ্রেফতারির পর কিছুদিন প্রেসিডেন্সি জেলে থাকলেও কালীঘাটের কাকুর বর্তমান ঠিকানা এসএসকেএম হাসপাতাল। একাধিকবার হাসপাতালে গিয়ে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে ইডি। এসএসকেএম হাসপাতালে কালীঘাটের কাকুর ভর্তির থাকার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র এসএসকেএমে অপ্রয়োজনে ভর্তি হয়ে বেড দখল করে রেখেছেন। ফলে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। রোগীরা ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। তাঁর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজনীয়তা নেই। মামলকারী এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    ইডির সন্দেহ

    প্রথম থেকেই বিজেপি কাকুর অসুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এতদিন ধরে তিনি ঠিক কোন অসুখে ভুগছেন, তা জানতে চান সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষরা। ইতিমধ্যেই কাকুর স্বরবদলের চেষ্টার একটা অভিযোগও এসেছে বিরোধী শিবিরগুলির তরফে। এ প্রসঙ্গে আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, কালীঘাটের কাকুর ভোকাল কর্ডে একটা অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে শুনছি। গলার স্বর বদলের চেষ্টা চলছে। তাই এসএসকেএমে রাখা হয়েছে তাঁকে। এর আগে ইডি আদালতে কাকুর অসুস্থতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়ার আগের দিনই কাকুকে এসএসকেএম আইসিইউয়ে শিফট করে দেয় বলে অভিযোগ জানায় ইডি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নেতাই গণহত্যার দিন সভা করতে চেয়ে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: নেতাই গণহত্যার দিন সভা করতে চেয়ে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭ জানুয়ারি নেতাই গণহত্যার দিন। তাই এই দিনে নিহতদের স্মরণে একটি অনুষ্ঠাসভায় যোগদিতে চেয়েছেন রাজ্যের বিধানসভার বিরোধীদল নেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু পুলিশ এলাকায় অনুষ্ঠান করতে অনুমতি দিচ্ছে না বলে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর শুভেন্দু হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলার শুনানি ৪ জানুয়ারি।

    আদালতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    ৭ জানুয়ারি নেতাইগ্রামে তৎকালীন বাম আমলে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে গতবছরও সভা করার জন্য পুলিশি বাঁধার সম্মুখীন হয়েছিলেন শুভেন্দু। এমনকী আদলাতের অনুমতি নিয়ে সভা করতে গেলেও পুলিশ তাঁকে (Suvendu Adhikari) শারীরিক হেনস্থা করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই এবছরে যেন ফের এইরকম সমস্যার মধ্যে না পড়তে হয়, তাই আগে থেকেই হাইকোর্টে আবেদন করে রেখেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বেঞ্চে এই সভার জন্য অনুমোদন আবেদন করেছেন। অবশ্য বিচারপতি আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন ।

    গণহত্যা হয়েছিল নেতাই গ্রামে

    সময় টা তখন বামআমলের শেষের দিকে সময়। ২০১১ সালে ৭ জানুয়ারি লালগড় ব্লকের নেতাইগ্রামের সিপিআইএমের নেতা রথীন দন্ডপাটের একেবারে বাড়ি থেকে সাধারণ গ্রামবাসীদের উপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনায় আহত হয়েছিলেন মোট ২৮ জন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সিপিএম নেতাদের নাম হল- অনুজ পাণ্ডে, ডালিম পাণ্ডে, ফুল্লরা মণ্ডল, চণ্ডী করণ প্রমুখ। ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবে ২০২২ সালে অভিযুক্ত সিপিএম নেতা ফুল্লরা মণ্ডল মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পান। এই অভিযুক্ত ফুল্লরা ঘটনায় জখমদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাঁধা দিয়েছিল। প্রথমে মামলা সিআইডি শুরু করলেও পরে ২০১৩ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু করে। ২০১৪ সালে মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট আদলাতে জমা করে সিবিআই। এবার তাই নেতাইগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুষল পর্ব আগেই চলছিল। কাল সেটা প্রকাশ্যে এল।” বয়ঃ-তত্ত্ব নিয়ে তৃণমূলের ‘বুয়া-ভাতিজা’র দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশকে মঙ্গলবার এই ভাষাতেই ব্যাখ্যা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    তৃণমূলকে আক্রমণ দিলীপের

    নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে অশান্তি শুরু হয়েছে তৃণমূলে। ঘটনার জেরে বেসামাল ঘাসফুল শিবির। একেই নিশানা করেছেন দিলীপ। বলেন, “কোনও দলের যদি ভাবাদর্শ বা কর্মপদ্ধতি না থাকে, কোনও বড় উদ্দেশ্য না থাকে, তাহলে তা বেশিদিন টেকে না। তৃণমূলের অবস্থাও তা-ই। মানুষ সিপিএমের অত্যাচার থেকে বাঁচার হাতিয়ার হিসেবে এদের এনেছিল। কেবল ক্ষমতা ও টাকা যদি কোনও পার্টির উদ্দেশ্য হয়, তাহলে তার কী পরিণতি হয়, আমরা দেখতে পাচ্ছি।” এর পরেই বিজেপি সাংসদ বলেন, “মুষল পর্ব আগেই চলছিল। কাল সেটা প্রকাশ্যে এল। নেতাদের সঙ্গে স্বার্থের সম্পর্ক। সেটা ফুরিয়ে গেলেই শেষ। তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস যেই থাকুক, তাতে আমাদের সুবিধা-অসুবিধা কিছু নেই। এই দল তো একদিন যাবেই। বিজেপি একটা লক্ষ্য নিয়ে চলে। লক্ষ লক্ষ কর্মী পরিশ্রম করেন। আমরা ভোটে জিতে মানুষকে উন্নয়ন দিই।”

    কটাক্ষ ফিরহাদকেও

    মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ‘বিলম্বিত বোধদয়’কেও এদিন কটাক্ষ করেন দিলীপ। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “ভোট এলে এরকম হয়। একটু ক্ষমা-টমা চায়। সিবিআই, ইডি কাজ করলে বা চোর ধরলে রাস্তায় নামেন কেন? পদ থেকে লোকগুলিকে সরান না কেন? এটা দ্বিচারিতা নয়? দোষীদের আড়াল করা বন্ধ করুন। ওঁনারা নিজেদের মধ্যে আগে বিচার করুন। বেশিরভাগ লোক জেলে। কেউ কেউ বেইলে (জামিনে)। কেউ লিস্টে আছে। তাই উনি কী বললেন, সেটা নিয়ে রাজ্যের মানুষ খুব একটা ভাবিত নন। এগুলো সবই পাবলিক জানে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে উনি এখন এগুলি বলছেন।”

    আরও পড়ুুন: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    তৃণমূলের জনসংযোগ প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি বলেন, “আগে পার্টি বাঁচান। তারপর তো জনসংযোগ। মানুষ তো এবার এলাকায় গেলে গাছে বেঁধে রাখবে। চাকরির দাবিতে, ডিএ-র দাবিতে সর্বত্র ধর্না চলছে। এরপর আবার উন্নয়ন!” কামদুনি মামলার শুনানি প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “বিজেপি কামদুনির আন্দোলনকারীদের পাশে রয়েছে। আইনি সমর্থন করছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Ram Mandir: ‘‘শুধু রাম-ভক্তরাই প্রাণ প্রতিষ্ঠায় আমন্ত্রিত’’, উদ্ধবকে জবাব প্রধান পুরোহিত সত্যেন্দ্রর

    Ram Mandir: ‘‘শুধু রাম-ভক্তরাই প্রাণ প্রতিষ্ঠায় আমন্ত্রিত’’, উদ্ধবকে জবাব প্রধান পুরোহিত সত্যেন্দ্রর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেবল রামের ভক্তদেরই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে।” সাফ জানিয়ে দিলেন রাম মন্দিরের (Ram Mandir) প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সাত হাজার মানুষকে। এঁদের মধ্যে তিন হাজার জন ভিভিআইপি।

    আমন্ত্রণ নিয়ে কী বলছেন সত্যেন্দ্র? 

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে (পড়ুন, রাম মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা) কারা আমন্ত্রণ পেয়েছেন তা নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন এক শ্রেণির মানুষ। বলিউডের অনেকে আমন্ত্রণ পেলেও, তিন খান (শাহরুখ-সলমন-আমির) কেন পাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। তেমনই শিবসেনা (উদ্ধব) নেতা উদ্ধব ঠাকরেও জানিয়েছিলেন তিনি আমন্ত্রণ পাননি। এদিন এঁদেরই প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিলেন সত্যেন্দ্র। তিনি বলেন, “আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কেবল প্রভু রামের (Ram Mandir) ভক্তদের। বিজেপি প্রভু রামের নামে ভোট ময়দানে লড়ছে বলে যা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সর্বত্র শ্রদ্ধার পাত্র। তাঁর আমলে উন্নয়নমূলক অনেক কাজ হয়েছে। এটা রাজনীতি নয়। এটা তাঁর নিষ্ঠা।”

    অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং!

    বিজেপিকে নিশানা করে উদ্ধব বলেছিলেন, প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং লাগানো উচিত নয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে পরিণত করাও ঠিক নয়। বস্তুত, এটি (প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান) কোনও একটি রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠান হওয়া উচিত নয়। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব জানান, রাম মন্দির নিয়ে তিনিও অন্য অনেকের মতোই আনন্দিত। রাম মন্দির নির্মাণের জন্য তাঁর বাবা লড়াই করেছিলেন বলেও জানান তিনি। উদ্ধব যখন রাম মন্দির নিয়ে তাঁর আবেগের কথা বলছেন, তখন তাঁরই দলের নেতা সঞ্জয় রাউত শনিবার নিশানা করেন বিজেপিকে। বলেন, “২২ জানুয়ারির অনুষ্ঠান নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করছে। তারা শীঘ্রই প্রভু রামকেও ভোটে প্রার্থী করে দেবেন।”

    আরও পড়ুুন: রামলালার কোন মূর্তি মন্দিরের গর্ভগৃহে বসবে হয়ে গেল চূড়ান্ত, শিল্পী কে জানেন?

    সঞ্জয়ের এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত বলেন, “এই সঞ্জয় রাউতরাই প্রায়ই রামের নামে ভোট ভিক্ষে করেন। তবে যাঁরা প্রকৃতই প্রভু রামকে বিশ্বাস করেন, তাঁরাই রয়েছেন ক্ষমতায়। কী বোকা বোকা কথা বলছেন ওঁরা! উনি প্রভু রামকে অপমান করছেন।” প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তির প্রাণপ্রতিষ্ঠা হওয়ার পরের দিন থেকেই ভক্তরা করতে পারবেন দেব দর্শন (Ram Mandir)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: থাকবেন শাহ-নাড্ডা, রাম মন্দির উদ্বোধন নিয়ে মঙ্গলে বৈঠকে বসছে বিজেপি

    Ram Mandir: থাকবেন শাহ-নাড্ডা, রাম মন্দির উদ্বোধন নিয়ে মঙ্গলে বৈঠকে বসছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) বিগ্রহের। তার আগে মঙ্গলবার এনিয়ে বৈঠকে বসছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং প্রতিটি রাজ্যের দলের দুই কর্মকর্তা।

    বিজেপির বৈঠক

    এ বছরই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাম মন্দির উদ্বোধনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখতেই বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব। নির্বাচনী প্রচারে কীভাবে একে হাতিয়ার করা হবে, তা নিয়েও হবে আলোচনা। রাম মন্দির আন্দোলন ও মন্দির নির্মাণে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করা হবে। নতুন ভোটারদের সঙ্গে পরিচয় করতে বুথস্তরের কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে পদ্ম-পার্টি। মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে কীভাবে বিরোধী দলগুলি পদে পদে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, তাও তুলে ধরা হবে ভোটারদের কাছে। রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে আরএসএস এবং বিশ্বহিন্দু পরিষদ যেসব কর্মসূচি হাতে নেবে, সেগুলিতে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলীয় কর্মীদের।

    মন্দির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, মন্দিরের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে হবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা। অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের ৭ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তিকে। এর মধ্যে ৩ হাজার জনই ভিভিআইপি। জানা গিয়েছে, রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে ‘ঘর ঘর যাত্রা’ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। প্রতি ঘরে রামের মহিমা পৌঁছে দেওয়া হবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে। বিজেপি নেতারা রামের ছবি নিয়েও ঘুরবেন দুয়ারে দুয়ারে।

    আরও পড়ুুন: কনভয়ে বিস্ফোরণ, নিহত জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার!

    বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই রাম মন্দির দেশের পরিচয় এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সেটি পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।” অযোধ্যায় যেদিন রাম মন্দির উদ্বোধন হবে, সেদিন বাংলার ঘরে ঘরেও জ্বলবে প্রদীপ। গ্রামে-গঞ্জে যত মন্দির রয়েছে, সেখানে ছোট করে হলেও, উৎসব করতে বলা হয়েছে বিজেপি কর্মীদের। সর্বত্র বড় পর্দায় অযোধ্যার (Ram Mandir) অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যগুলির নেতাদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Murshidabad:  “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে” গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিস্ফোরক হুমায়ুন

    Murshidabad: “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে” গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিস্ফোরক হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় শাসক দল তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কলহের কথা বার বার শিরোনামে এসেছে। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বরাবরই স্পষ্টবাদী নেতা হিসেবে নিজেকে বারবার সংবাদ মাধ্যমে বক্তব্য প্রকাশ করে থাকেন। দলের জেলা প্রেসিডেন্ট সাওনি সিংহরায়ের বিরুদ্ধে বারবার বিস্ফোরক হয়েছেন তিনি। এবার সেই স্পষ্টবাদী তৃণমূল বিধায়ক খোদ দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনেই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, “তৃণমূলের নেতারা নাকি দলের মধ্যেই আলাদা দোকান খুলেছে।” ফলে দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা আরও একবার স্পষ্ট হল।

    কী বললেন হুমায়ন কবীর (Murshidabad)?

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, “তৃণমূলের নেতারা নাকি দোকান খুলে বসে আছে, আমরা যদি সিপিএম-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারি, তাহলে নিজেদের ঘরে যে সমস্ত গাদ্দাররা বসে আছেন তাঁদের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করতে আমার বেশি সময় লাগবে না।” একদিকে নতুন বছরের শুরু আরেক দিকে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস আর সেদিনই এই ধরনের মন্তব্য। কার্যত বিধায়ক আবারও লোকসভার আগে তৃণমূলের অন্তরকলহ কথা প্রকাশ্যে আনলেন।

    বললেন ডান্ডা ধরব!

    ভরতপুরের (Murshidabad) তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে বলেন, “বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছি আপনারা সাবধান হন, যাঁরা দলকে আলাদা আলাদা ভাবে ভাগ করার চেষ্টা করছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলছি দলের স্বার্থে সকলে এক থাকুন। যদি গোষ্ঠীগুলি দলের স্বার্থে কাজ না করে তা হলে ডান্ডা ধরব। সালারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলে বিশেষ ব্যবস্থা নেবো। দলের মধ্যে আলাদা দোকান খুলে ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করব। এরপর দোকান পুড়িয়ে ঘরে বন্দি করে দেবো। বিরোধীদের সঙ্গে যেমন তৃণমূল লড়াই করছে তেমনি দলের মধ্যে নতুন দল করলে তাঁদের বিরুদ্ধেও তৃণমূল লড়াই করবে। তাই শুধু ভরতপুর নয়, সালার নয় গোটা মুর্শিদাবাদ জুড়ে লড়াই করার ক্ষমতা রাখি আমি। জেলার শেষ কথা আমিই বলব এখানে। দলের নির্দেশ সকলকে মানতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস আজকের দিনে এই শপথ নেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share