Tag: bjp

bjp

  • Sukanta Majumdar: বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’, কী দাবি করলেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’, কী দাবি করলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ৩৫টি আসন জয়ের লক্ষ্যে বঙ্গ বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠন করে দিয়েছেন অমিত শাহ-জেপি নাড্ডা। এমন খবর সংবাদমাধ্যমের একাংশে মঙ্গলবার পরিবেশিত হয়েছিল। বুধবার, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন এমন কোনও টিমই গঠন হয়নি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন বলেন, “আপনাদের কাছে সম্পূর্ণ ভুল তথ্য রয়েছে। রাজ্যের নির্বাচনী কোনও কমিটি তৈরি হয়নি। রাজ্যের নির্বাচনী কমিটিতে রাষ্ট্রীয় সভাপতির নাম থাকে না। এইটুকু কমন সেন্স আপানাদের থাকা উচিত।”

    কী বলছেন সুকান্ত?  

    মঙ্গলবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পরেই সংবাদমাধ্যম মারফৎ প্রকাশ্যে আসে ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠনের কথা। এও জানা যায়, বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী সহ অনেকেরই ঠাঁই হয়নি তালিকায়। ১৫ জনের ওই টিমে বাংলার ১০ জন থাকলেও, ৫ জন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিও রাখা হয়েছিল। এদিন ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠনের কথা অস্বীকার করে সুকান্ত সাফ জানিয়ে দিলেন, কোনও টিম গঠন হয়নি। তিনি বলেন, “নির্বাচনের যে কমিটি টিভিতে দেখানো হচ্ছে, মাননীয় অমিত শাহজি ও জেপি নাড্ডাজির নামও নাকি তাতে রয়েছে। রাজ্য নির্বাচনী কমিটিতে কেন্দ্রীয় কোনও নেতার নাম থাকে না।” 

    আরও পড়ুুন: “যাঁরা রামের ডাক শুনবেন, তাঁরাই আসবেন”, বৃন্দার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বললেন মীনাক্ষি

    বৈঠকে শাহ-নাড্ডা

    আগামী লোকসভা ভোটের রোডম্যাপ এবং দলের পরিকল্পনা স্থির করে দিতে বাংলা সফরে এসেছিলেন অমিত শাহ এবং জেপি নাড্ডা। দিনভর বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। নিউ টাউনের একটি হোটেলে হওয়া বৈঠকে ডাকা হয়েছিল বঙ্গ বিজেপির দুই প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহাকেও। তবে (Sukanta Majumdar) বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলায় বৈঠকে ডাকা হয়নি অনুপম হাজরাকে। বৈঠক শেষে আরও কয়েকটি কর্মসূচিতে যোগ দেন বিজেপির এই দুই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ তাঁরা রওনা দেন কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশে। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত এদিন বলেন, “২০২৪ কে সামনে রেখে রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি কীভাবে এগোবে, সেই রোডম্যাপ বলে গিয়েছেন তাঁরা। সেই রোডম্যাপের কথা আমি আপনাদের বলতে পারব না। তবে তাঁদের বাতলে দেওয়া সেই রোডম্যাপ অনুসারেই আমরা চলব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • BJP: “যাঁরা রামের ডাক শুনবেন, তাঁরাই আসবেন”, বৃন্দার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বললেন মীনাক্ষি

    BJP: “যাঁরা রামের ডাক শুনবেন, তাঁরাই আসবেন”, বৃন্দার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বললেন মীনাক্ষি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন হবে ২২ জানুয়ারি। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলিকে। অনুষ্ঠানে দেশের কমিউনিস্ট পার্টি যোগ দেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন বৃন্দা কারাত।

    কী বললেন মীনাক্ষি?

    বৃন্দার এহেন মন্তব্যে জবাব দিয়েছেন বিজেপির (BJP) প্রবীণ নেত্রী মীনাক্ষি লেখি। তিনি বলেন, “প্রত্যেকের কাছেই আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। কেবল প্রভু রামের ডাক যাঁরা শুনেছেন, তাঁরাই আসবেন অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে।” মঙ্গলবার সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য বৃন্দা বলেছিলেন, “অযোধ্যায় রাম মন্দিরে প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমাদের দল যাবে না। আমরা মানুষের ধর্মীয় আবেগকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু তারা (বিজেপি) ধর্মের সঙ্গে রাজনীতিকে মিলিয়ে ফেলেছে। এটা একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের গায়ে রাজনীতির রং লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। এটা ঠিক নয়।”

    ৪০ হাজার অতিথি!

    বৃন্দার এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই মীনাক্ষি (BJP) জানান, যাঁরা রামের ডাক শুনবেন, তাঁরা আসবেন। রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় সমাগম হবে প্রায় ৪০ হাজার অতিথির। এঁদের মধ্যে সন্ন্যাসী চার হাজার। বাকিদের মধ্যে যেমন আম্বানি, আদানি, টাটা, জিন্দলদের মতো শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা থাকবেন, তেমনি থাকবেন বলিউডের তারকারাও। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অমিতাভ বচ্চন, অনুপম খের, আলিয়া ভট্ট, রণবীর কাপুর, অক্ষয় কুমার, মাধুরী দীক্ষিত, অজয় দেবগন, আয়ুষ্মান খুরানা, টাইগার স্রফ সহ বহু বিশিষ্ট মানুষকে। দক্ষিণী তারকা যশ, প্রভাস সহ বিনোদন জগতের বহু তারকাও উপস্থিত থাকবেন অনুষ্ঠানে।

    আরও পড়ুুন: বাংলার প্রদীপ জ্বলবে অযোধ্যায়! সাইকেলে রাম মন্দিরের উদ্দেশে পাড়ি তিন যুবকের

    আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির শীর্ষ নেতৃত্বকে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সহ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও উপস্থিত থাকবেন। মন্দিরকে কেন্দ্র করে যেহেতু ভক্তের ঢল নামবে, তাই ঢেলে সাজানো হয়েছে রেলস্টেশন। তৈরি হয়েছে বিমানবন্দর। ৩০ ডিসেম্বর ওই বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন করবেন রেলস্টেশনেরও। বিমানবন্দর থেকে রেলস্টেশন পর্যন্ত রোড-শো করবেন তিনি। এর পাশাপাশি দিল্লি থেকে চালু হয়ে যাচ্ছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। উৎসব শেষে অযোধ্যায় দেব দর্শন শুরু হবে ২৩ জানুয়ারি থেকে। প্রতিদিন ৫০-৫৫ হাজার মানুষ ভগবান রামের দর্শনে আসবেন (BJP) বলে অনুমান মন্দির কর্তৃপক্ষের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Shah-Nadda in Bengal: বাংলায় দেড় হাজার ‘সাইবার যোদ্ধা’দের বিশেষ বার্তা শাহ-নাড্ডার

    Shah-Nadda in Bengal: বাংলায় দেড় হাজার ‘সাইবার যোদ্ধা’দের বিশেষ বার্তা শাহ-নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতীতে ভোট এলে চোখে পড়ত দেওয়াল লিখন। এখন প্রচার হয় ‘ফেসবুক ওয়ালে’। জনমত গঠনে এখন সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমাজ মাধ্যমে কাঁটাতারের বাধা নেই। এক লহমায় সাত-সমুদ্র তেরো নদীর পারেও পৌঁছে দেওয়া যায় বার্তা। তাই আসন্ন লোকসভা ভোট (Loksabha Election) প্রচারে সাইবার-যোদ্ধাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Shah-Nadda in Bengal)। কলকাতায় দলের সাইবার টিমকে সেই রণকৌশলই বুঝিয়ে দিলেন শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

    কী বললেন শাহ

    স্বেচ্ছায় যাঁরা বিজেপির সমর্থন বাড়াতে কাজ করেন, সেই ‘সাইবার যোদ্ধা’দের উৎসাহ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে আইটি-সোশাল মিডিয়া টিমের বৈঠকে বার্তা দিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘৩৫টি পদ্ম ফোটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে সাইবার যোদ্ধারা’। পাশাপাশি এদিন তৃণমূলের দুর্নীতি, তোষণ, হিংসার ঘটনাকে সামনে আনার সঙ্গে কৃষক ও উন্নয়ন বিরোধী তৃণমূলের নীতিকে প্রকাশ্যে আনার নির্দেশও দেন শাহ। 

    সাইবার যোদ্ধাদের উৎসাহ

    মঙ্গলবার কলকাতায় রাজ্য নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন তাঁরা। বৈঠক শেষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বেরিয়ে জানান, সাইবার যোদ্ধাদের উৎসাহ দিয়ে গিয়েছেন দুই নেতা। তিনি জানিয়েছেন, এই সাইবার যোদ্ধাদের জন্যই বিজেপি ২০১৯ সালে ভাল ফল করেছিল, ২০২১ সালে ৩ থেকে ৭৭ (বিধায়ক সংখ্যা) হওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁদের ভূমিকা যথেষ্ট।

    সূত্রের খবর, কেন্দ্রের জনমুখী প্রকল্পগুলি আরও বেশি করে বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। রাজ্যে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মন্ত্রী জেলবন্দি রয়েছেন, সেই সব দুর্নীতি নিয়ে আরও সরব হতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়াকে আরও বেশি করে ব্যবহার করে শাসক দল তৃণমূলকে কোণঠাসা করার মন্ত্রই দেওয়া হয়েছে তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anupam Hazra: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ খোয়ালেন অনুপম! কেন এই সিদ্ধান্ত?

    Anupam Hazra: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ খোয়ালেন অনুপম! কেন এই সিদ্ধান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুপম হাজরাকে। সম্প্রতি সর্বভারতীয় নেতা হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে অনুপমকে দেওয়া নিরাপত্তা তুলে নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দীর্ঘ দিন কেন্দ্রের ‘ওয়াই ক্যাটেগরি’-র নিরাপত্তা পেতেন অনুপম। তখনই বোঝা গিয়েছিল অনুপমের (Anupam Hazra) দল-বিরোধী আচরণ ভালভাবে নিচ্ছে না গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার তাই কলকাতায় শাহ-নাড্ডার বৈঠকের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি।

    কেন অপসারণ

    একসময়ে বোলপুরের তৃণমূল সাংসদ ছিলেন অনুপম হাজরা। পরে যোগ দেন বিজেপি। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে গত লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর আসনে প্রার্থীও হন। দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ছিলেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরেই রীতিমতো ‘বেসুরো’ হয়ে উঠেছিলেন অনুপম। স্রেফ রাজ্য নেতৃত্বের সমালোচনা নয়, বোলপুর তৃণমূলের ধরনা মঞ্চের সামনেও চলে গিয়েছিলেন। এক নাগাড়ে রাজ্য নেতৃত্বের সমালোচনা করা, তৃণমূলের মঞ্চে যাওয়া, সমাজমাধ্যমে দলকে অস্বস্তিতে ফেলার মতো মন্তব্য করে চলছিলেন অনুপম। এটা যে রাজ্য নেতৃত্ব ভাল চোখে দেখছেন না তা আগেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সেটা বুঝিয়ে দেন অনুপমকে। 

    আরও পড়ুন: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    দলবিরোধী মন্তব্য

    গত বিধানসভা নির্বাচনে অনুপমকে প্রার্থী করেনি বিজেপি। তখন থেকেই দলের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করতে থাকেন অনুপম। সেই সময়ে নানা ভাবে তিনি রাজ্য নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন। বিজেপির অনেকেই বলেন, সেই কারণে রাজ্য থেকে সরিয়ে অনুপমকে কম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বিহারের সংগঠন দেখতে বলা হয়। কিন্তু তাতেও দলের রাজ্য নেতৃত্বকে ক্রমাগত আক্রমণ করেছেন অনুপম। তাই আর দেরি না করে এবার, ‘দলকে অস্বস্তিতে ফেলা’ প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণ করা হল। বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সদর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত নেতা অরুণ সিংহ মঙ্গলবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sangeet Utsab: রাজ্যের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ, ‘বঙ্গ সঙ্গীত উৎসবে’র আয়োজন বিজেপির

    Sangeet Utsab: রাজ্যের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ, ‘বঙ্গ সঙ্গীত উৎসবে’র আয়োজন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার। অভিযোগ, এই স্বজনপোষণের কারণেই যেমন ফুলেফেঁপে উঠেছেন তৃণমূলের ছোট-বড়-মেজ নেতারা, তেমনি বঞ্চিত হয়েছেন শাসক দল-বিরোধী দলের লোকজন। প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও সুযোগ পাননি বহু নামী শিল্পী। এবার সেই সব প্রতিভাবান শিল্পীদের সুযোগ দিতে ‘বঙ্গ সঙ্গীত উৎসবে’র (Sangeet Utsab) আয়োজন করছে বিজেপি।

    বঙ্গ সঙ্গীত উৎসব

    উৎসব হবে ‘কালচারাল অ্যান্ড লিটেরারি ফোরাম অফ বেঙ্গলে’র ব্যানারে। উৎসবের সহযোগিতায় রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির দাবি, এই উৎসবে বাংলার লোকগান থেকে ছৌনাচ, সব শিল্পীই অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। মঙ্গলবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে এই উৎসবের কথা ঘোষণা করেন আসানসোল পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা ‘কালচারাল অ্যান্ড লিটেরারি ফোরাম অফ বেঙ্গলে’র সভাপতি জিতেন্দ্র তিওয়ারি।

    কারা থাকছেন

    তিনি বলেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ২০ জানুয়ারি, ২০২৪ একদিনের বঙ্গ সঙ্গীত উৎসব হবে। পাহাড় থেকে সাগর, যে শিল্পীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বজনপোষণের কারণে সুযোগ পান না, তাঁদের সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করব।” এক্স হ্যান্ডেলে জিতেন্দ্র লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গান মেলায় শিল্পীদের প্রতি স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে মাননীয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বঙ্গ সঙ্গীত উৎসব ২০২৪ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হল।” ট্যুইটের সঙ্গে ট্যাগ করা করা হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও।

    উৎসব (Sangeet Utsab) হবে প্রিন্সেপ ঘাটে। অংশ নেবেন পূর্ণদাস বাউল, দেবজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নামীদামি শিল্পীরাও। প্রসঙ্গত, এদিন থেকেই কলকাতার ১১টি মঞ্চে একযোগে শুরু হয়েছে রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গীত মেলা। অনুষ্ঠান চলবে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত। কলকাতা ছাড়াও বিভিন্ন জেলার শিল্পীরাও এই মঞ্চগুলিতে সঙ্গীত পরিবেশনের সুযোগ পাবেন। রাজ্যের দাবি, প্রতিভাবান নবীন শিল্পীরাও এই মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। উৎসব (Sangeet Utsab) প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “যে কোনও মেলা হতেই পারে। যে কেউ তার আয়োজনও করতেই পারে। অসুবিধার তো কিছু নেই।”

    আরও পড়ুুন: ইন্ডি জোটে কোন্দল প্রকাশ্যে, মমতার খাড়্গে-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান পাওয়ারের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Cooch Behar: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর তৃণমূল মন্ত্রীপুত্রের হামলা, শোরগোল

    Cooch Behar: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর তৃণমূল মন্ত্রীপুত্রের হামলা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের মন্ত্রী, নেতা-নেত্রী এবং কর্মীরা বিরোধী দলের সমর্থকদের উপর আক্রমণ হামলার ঘটনার কথা বার বার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। রাজ্যে যে বিরোধীদের মত প্রকাশ এবং গণতন্ত্রর অধিকার নেই এই বিষয়ে বারবার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহের ছেলে সায়ন্তন এলাকার বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে কোচবিহার (Cooch Behar) পুলিশের কাছে মন্ত্রীপুত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূলের অবশ্য দাবি ঘটনার সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্তনন মন্ত্রীপুত্র।

    ঘটনা কীভাবে ঘিটেছে (Cooch Behar)?

    গত শুক্রবার দিনহাটার (Cooch Behar) ঝুড়িপাড়ায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের একটি দল বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক মারধর করে। জানা গিয়েছে, বিজেপি মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথের বাড়িতে বৈঠক চলাকালীন সেখানে আচমকা হামলা করে তৃণমূলের গুন্ডারা। এরপর মণ্ডল সভাপতিকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এই হামলার পিছনে প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দেন মন্ত্রীপুত্র। অবশ্য জেলা কোচবিহারের পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, “অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির তরফ থেকে জেলা (Cooch Behar) বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অজয় রায় বলেন, “মন্ত্রীপুত্র সায়ন্তন এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত। একই ভাবে আমাকেও মারধর করা হয়। ঈশ্বর দেবনাথের স্ত্রী তৃণমূলের মন্ত্রী পুত্র সহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানান।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনার কথা অস্বীকার করে মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Cooch Behar) বলেন, “আমাকে হেনস্থা করতেই এই অভিযোগ। ছেলেকে এলাকার প্রত্যেকেই চেনে। পুলিশ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করুক।” আবার ঘটনায় বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূল মন্ত্রী উদয়ন গুহের ছেলে সায়ন্তন গুহ বলেন, “আমার বাবাকে নানা ভাবে বিব্রত করা হচ্ছে। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে এইভাবে তৃণমূল কর্মীদের আটকে রাখা যাবনা। বিজেপি তৃণমূলকে বদনাম করার চেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: লক্ষ্য ৩৫ আসন, বাংলায় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গড়লেন শাহ-নাড্ডা

    BJP: লক্ষ্য ৩৫ আসন, বাংলায় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গড়লেন শাহ-নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ৩৫টি আসনের লক্ষ্যে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি (BJP)। সেই কারণে ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠন করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। মঙ্গলবার নিউটাউনের একটি হোটেলে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন পদ্ম শিবিরের এই দুই কর্তা। সেখানেই তৈরি হয় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’। প্রসঙ্গত, সোমবার রাতেই কলকাতায় পা রেখেছেন শাহ ও নাড্ডা।

    ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম

    ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিমে’ রয়েছেন ১৫ জন। এঁদের মধ্যে ১০ জন বঙ্গ বিজেপির নেতা। বাকি পাঁচজন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি। লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল তৈরির পাশাপাশি কোন কোন আসনে জোর দেওয়া হবে, মূলত তা-ই ঠিক করবে এই কমিটি। জানা গিয়েছে, বাংলার যে ১০ জনের ঠাঁই হয়েছে ওই কমিটিতে, তাঁরা হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, রাহুল সিনহা, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, দীপক বর্মণ, অমিতাভ চক্রবর্তী এবং জ্যোর্তিময় সিং মাহাতো। আর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি রয়েছেন সুনীল বনসল, অমিত মালব্য, আশা লাকড়া, মঙ্গল পাণ্ডে এবং সতীশ ধন্ড।

    কমিটিতে জায়গা হয়নি যাঁদের

    কমিটিতে (BJP) জায়গা হয়নি চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, সুভাষ সরকার এবং জন বার্লার। ঠাঁই পাননি গেরুয়া শিবিরের তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী, মনোজ টিগ্গা এবং অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়েরও। মাঝেমধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলছিলেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। ওই কমিটিতে ঠাঁই হয়নি তাঁরও। এদিনের বৈঠকেও ডাকা হয়নি তাঁকে। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, গত এপ্রিল মাসে বঙ্গ সফরে এসে শাহ লোকসভায় ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতাদের। সেই লক্ষ্য পূরণে বাংলার নেতারা কতটা প্রস্তুত, মূলত তা দেখতেই সোমবার ফের বাংলায় এসেছেন বিজেপির দুই হেভিওয়েট নেতা।

    আরও পড়ুুন: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!

    এ রাজ্যে আক্ষরিক অর্থেই শূন্য থেকে শুরু করেছিল বিজেপি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এ রাজ্যের ১৮টি আসনে জেতে। তার পর থেকে বাংলায় ক্রমেই শক্ত হয়েছে বিজেপির পায়ের তলার মাটি। তাই বেড়েছে প্রত্যাশাও। সেই কারণেই এবার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩৫। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, দেশজুড়ে ৪০০-র বেশি আসনে পদ্ম (BJP) ফোটাতে চায় তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: গুরুদ্বারে প্রার্থনার পর জনসংযোগ! কালীঘাটে পুজো দিলেন শাহ-নাড্ডা

    Amit Shah: গুরুদ্বারে প্রার্থনার পর জনসংযোগ! কালীঘাটে পুজো দিলেন শাহ-নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাট মন্দিরে (Kalighat Tample) পুজো দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ৷ মঙ্গলবার বেলা ১২টা বেজে ৯ মিনিটে মন্দিরে পৌঁছন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিজেপি সভাপতি। পুজো দিয়ে বেলা ১২টা ১৮ মিনিটে মন্দির থেকে বেরিয়ে আসেন শাহ-নাড্ডা। এরপর নিউটাউনের হোটেলে ফিরে বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তাঁরা। এদিন সকালে প্রথমে জোড়াসাঁকোর বড়া শিখ সঙ্গত গুরুদ্বারে প্রার্থনা সারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নাড্ডা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পালের মতো বঙ্গ বিজেপি-নেতৃত্ব।

    শাহ-নাড্ডাকে স্বাগত

    বঙ্গ সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সঙ্গে জেপি নাড্ডা। সোমবার রাতে ঝটিকা সফরে বাংলায় আসেন শাহ। তাঁর নিরাপত্তার জন্য সকাল থেকেই জায়গায় জায়গায় মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত ছিলেন গেরুয়া শিবিরের কর্মী সমর্থকেরা। এদিন সকালে নিউটাউনের হোটেল থেকে বেরিয়ে জোড়াসাঁকোর বরা শিখ সঙ্গত গুরুদ্বারে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তারপরে উত্তর থেকে দক্ষিণে কালীঘাট মন্দিরে যান শাহ-নাড্ডা। বিশেষ লাল গালিচা পেতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কালীঘাট মন্দিরে স্বাগত জানানো হয়। কালীঘাটে পুজো দিয়েই নিউটাউনের হোটেলে ফিরে যান শাহ-নাড্ডা। সেখানেই দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, বৈঠকে হাজির থাকবেন দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার সহ বঙ্গ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। 

    শাহ-নাড্ডার বৈঠক

    আগামী তিন-চার মাসের মধ্যেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্য বিজেপির নেতৃ্ত্বের সঙ্গে শাহ-নাড্ডার এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এই বৈঠকে আগামী লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নিউটাউনের পাঁচতারা হোটেলে বৈঠক সেরে আলিপুরের কেন্দ্রীয় গ্রন্থগারে হবে দ্বিতীয় বৈঠক। সেখানে বিজেপির জেলা ও জোন নেতৃত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার পর্যবেক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথ চলা শুরু হচ্ছে উত্তরাখণ্ড থেকে!

    UCC: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথ চলা শুরু হচ্ছে উত্তরাখণ্ড থেকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডেই ‘ডেবিউ’ হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)! নতুন বছরের মাঝ-এপ্রিলে হতে পারে লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চলেছে বিজেপি। জম্মু-কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহৃত হয়েছে ৩৭০ ধারা। রাম মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও পূরণ হতে চলেছে জানুয়ারির ২২ তারিখে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, পদ্ম শিবির এবার মনোনিবেশ করতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর বিষয়ে।

    কোথায় লাগু হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি?

    জানা গিয়েছে, নতুন বছরের গোড়ায়ই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে চলেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। তার পর একে একে এই আইন লাগু হবে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, অসম, ত্রিপুরা এবং মণিপুরে (UCC)। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতলেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। গত বছর নির্বাচনে জয়ের পরেই রাজ্যে এই আইন লাগু করতে উদ্যোগী হন তিনি।

    আইনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে কমিটি

    এই বিধি কার্যকরের আইনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গড়েছিল ধামী সরকার। সরকার জানিয়েছিল, সব ধর্মের মানুষের জন্য বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, জমি-সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত একই আইন প্রচলনের রূপরেখা তৈরি করবে ওই কমিটি। দেশাই ছাড়াও কমিটিতে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রমোদ কোহলি, সমাজকর্মী মনু গৌড়, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার শত্রুঘ্ন সিংহ এবং দুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরেখা ডাঙ্গওয়াল। এই কমিটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর বিষয়ে উত্তরাখণ্ডের ২ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষের মতামত নিয়েছে। যাঁদের মতামত নেওয়া হয়েছে তাঁরা সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষ।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির চাপেই কি হিজাব নিয়ে ঢোঁক গিলল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার?

    বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে সক্রিয়তা। গত ১৪ জুন ২২তম আইন কমিশনের তরফে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও আমজনতার। এই জনমত সংগ্রহের সময়সীমা প্রথমে দেওয়া হয়েছিল এক মাস। পরে কয়েক দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে এর মেয়াদ (UCC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Amit Shah-JP Nadda: আজ রাতে শাহ-র সঙ্গে শহরে নাড্ডা, বৈঠক মঙ্গলবার

    Amit Shah-JP Nadda: আজ রাতে শাহ-র সঙ্গে শহরে নাড্ডা, বৈঠক মঙ্গলবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু অমিত শাহ নন, একইসঙ্গে সোমবার রাতে শহরে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা (Amit Shah-JP Nadda)। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার উপস্থিতি নিয়ে জোর চর্চা বঙ্গ রাজনীতিতে। যদিও দুই নেতাই মূলত আসছেন একটি গুরুদ্বারে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। তাঁরা কালীঘাটে পুজোও দেবেন। এরপরই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের দায়িত্ব ও করনীয় প্রসঙ্গে পাঠ দেবেন শাহ-নাড্ডা।

    কখন আসবেন দুই নেতা

    বিজেপি সূত্রের খবর, সোমবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ একই বিমানে কলকাতায় নামার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জে পি নাড্ডার। এর পরে তাঁদের যাওয়ার কথা নিউ টাউনের একটি হোটেলে। সেখানে মধ্য রাতেই রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এক প্রস্ত বৈঠক সারতে পারেন শাহ-নাড্ডা। বিমান বন্দরে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে স্বাগত জানাতে যাবেন। 

    কী কী কর্মসূচি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন, গুরু গোবিন্দ সিংয়ের পুত্রদের ‘বীরাগাথা’ উদযাপন করতে ২৬ ডিসেম্বর ‘বীর বাল দিবস’ পালন করা হবে। সেই উদযাপনের অংশ হিসেবেই মঙ্গলবার সকালে মহাত্মা গান্ধী রোডের গুরুদ্বারে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা শাহ ও নাড্ডার। ‘বীর বাল দিবসে’র কর্মসূচি সেরে তাঁরা কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যেতে পারেন। সেখানেও দুই শীর্ষ নেতার সঙ্গে থাকার কথা সুকান্ত ও শুভেন্দুর। তাঁদের পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে আলিপুরে জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবন।

    আরও পড়ুন: রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে অযোধ্যায় আসছে নানা উপহার! কী কী থাকছে?

    বিজেপি সূত্রের খবর, ওখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেবেন শাহ ও নাড্ডা (Amit Shah-JP Nadda)। ওই বৈঠকে রাজ্য নেতা, মোর্চার পদাধিকারী ছাড়াও এমন কিছু ব্যক্তিকে ডাকা হতে পারে, যাঁদের কাউকে কাউকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হিসেবে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই বৈঠকের পরে নড্ডাদের নিউ টাউনের হোটেলে ফিরে যাওয়ার কথা। সেখানে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা, পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আবার এক প্রস্ত বৈঠক সারতে পারেন বিজেপির দুই সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতা। বৈঠক শেষে মঙ্গলবার বিকেলেই তাঁদের দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share