Tag: bjp

bjp

  • Calcutta High Court: আমহার্স্ট স্ট্রিটকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি, শুনানি শুক্রেই?

    Calcutta High Court: আমহার্স্ট স্ট্রিটকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি, শুনানি শুক্রেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় মৃত্যুর ঘটনায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হল বিজেপি। বৃহস্পতিবার আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন হাইকোর্টের। তার পরেই মামলা দায়ের করার অনুমতি দেয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।

    বিজেপির তিন দাবি

    শুক্রবার হাইকোর্টে শুনানি হতে পারে এই মামলার। এই মামলায় প্রধানত তিনটি আর্জি জানানো হয়েছে। প্রথমত, ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কমান্ড হাসপাতালে করতে হবে ময়না তদন্ত। শেষত, আদালতে জমা দিতে হবে আমহার্স্ট স্ট্রিট থানর সিসিটিভি ফুটেজ। বুধবার আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় ডেকে পাঠিয়ে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। মৃতের নাম অশোক কুমার সিংহ। ঘটনার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে কলেজস্ট্রিট।

    পরিবারের অভিযোগ

    পরিবারের দাবি, চুরির মোবাইল কেনার অভিযোগে (Calcutta High Court) থানায় ডেকে পাঠানো হয় অশোককে। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ই বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানায় বিজেপি। অপসারণের দাবি তোলা হয় আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার ওসিকে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “যদি রাজ্যের হাসপাতালেও ময়নাতদন্ত হয়, তাহলে যেন চিকিৎসক আসেন কমান্ড হাসপাতাল থেকেই। আর যদি ভিডিওগ্রাফিও হয়, তাহলে তা কিন্তু সাধারণ মানুষ কিংবা জজ সাহেব কিছু বুঝবেন না, বুঝবেন একজন চিকিৎসকই। চিকিৎসক হোন কেন্দ্রের হাসপাতালেরই।”

    আরও পড়ুুন: বালিশ-চাদরের পর এবার মোবাইল দাও! বালুর বায়নাক্কায় অতিষ্ঠ জেল কর্তৃপক্ষ

    পুলিশের দাবি, অশোককে মারধর করা হয়নি। অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান তিনি। মাথা ফেটে যায়, মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরিয়ে আসে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। যদিও থানায় করা একটি ফেসবুক লাইভে দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির দেহ পড়ে রয়েছে থানার একটি ঘরের মেঝেয়। তাঁর দু চোখ খোলা। দেহ নিথর। রজনী সাউ নামে মৃতের এক আত্মীয়া বলেন, “একটা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ কীভাবে থানায় ঢোকার দশ মিনিটের মধ্যেই মারা যেতে পারেন! পুলিশ না মেরে থাকলে ওঁর মুখ দিয়ে রক্ত উঠছিল কেন (Calcutta High Court)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh Elections 2023: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস”, বললেন মোদি

    Madhya Pradesh Elections 2023: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস।” মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh Elections 2023) বেতুলের এক জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ‘পরাজয় মেনে নিয়েছে কংগ্রেস’

    তিনি বলেন, “১৭ নভেম্বর এগিয়ে আসছে। কংগ্রেসের দাবিগুলি স্পষ্ট হচ্ছে। আজ, আমরা গোটা মধ্যপ্রদেশ থেকে রিপোর্ট পেয়েছি যে, কংগ্রেস তাদের পরাজয় মেনে নিয়েছে। তারা এখন ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে। কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা আবার বাড়িতে বসে রয়েছেন। তাঁরা ভাবতে পারছেন না যে তাঁদের বাইরে বের হতে হবে। কংগ্রেস নেতারা জানেন না, তাঁরা মানুষের কাজে গিয়ে ঠিক কী বলবেন।” তিনি বলেন, “মোদির গ্যারান্টির কাছে কংগ্রেস তাদের মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন না।”

    প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি কংগ্রেস

    মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার (Madhya Pradesh Elections 2023) আসন সংখ্যা ২৩০। নির্বাচন হবে নভেম্বরের ১৭ তারিখে, একদিনেই। ডিসেম্বরের তিন তারিখে বের হবে ফল। এদিনই ফল বের হবে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, তেলঙ্গনা ও মিজোরামেরও। কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দশকের পর দশক ধরে কংগ্রেস উপজাতি সম্প্রদায়ের ভোট পেয়ে এসেছে। কিন্তু রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, হাসপাতাল, স্কুলের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে তাঁদের। কংগ্রেস যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার একটাও পূরণ করেনি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এর আগে সরকার গড়লেও, কংগ্রেস তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। কিন্তু বিজেপি পেরেছে। আজ পর্যন্ত যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পূরণ করেছে।” তিনি বলেন, “আমাদের হৃদয়ে উপজাতিদের জন্য জায়গা রয়েছে। তাই যখনই সুযোগ এসেছে, বিজেপি আপনাদের গর্বকে শ্রদ্ধা করেছে, আপনাদের আবেগকে বুঝতে পেরেছে। তাই দ্রৌপদী মুর্মু, দরিদ্র উপজাতি পরিবারে বেড়ে ওঠে একটি মেয়ে বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসীন (Madhya Pradesh Elections 2023)। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্মদিন। তাঁকেও শ্রদ্ধাও জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ত্রিশঙ্কু বিধানসভা নয়, তেলঙ্গানায় একাই সরকার গড়বে বিজেপি, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সহ অসমে বিজেপিতে যোগ ১৫০ নেতা-কর্মীর

    BJP: তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সহ অসমে বিজেপিতে যোগ ১৫০ নেতা-কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিজেপিকে (BJP) পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ইন্ডিয়া। সেই জোটের আয়ু লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত কিনা, তা জানা যাবে উৎসবের মরশুম শেষ হলেই। তবে তার আগে বিরোধীদের জোটকে ঝটকা দিল অসম বিজেপি।

    বিজেপিতে যোগ

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১৫০ সদস্য দলীয় পতাকা ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের অসম রাজ্য সাধারণ সম্পাদকও। বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতাও রয়েছেন এই দলবদলুদের দলে। শনিবার তাঁরা হাতে তুলে নেন বিজেপির ঝান্ডা। পদ্ম শিবিরে তাঁদের স্বাগত জানান অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, “বিজেপিই (BJP) একমাত্র রাজনৈতিক দল, যারা দেশের স্বার্থে কাজ করে, পরিবারতন্ত্রের স্বার্থে নয়।”

    হিমন্তর বার্তা 

    এক্স হ্যান্ডেলে অসমের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আমি সব সময় বলেছি যে, যাঁরা ভারত এবং অসমের জন্য কাজ করতে চান, তাঁদের পরিবারতন্ত্র এবং পরিবারকেন্দ্রিক দলে জায়গা হবে না। কেবলমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টিই দেশের স্বার্থে কাজ করতে পারে।” বিজেপিতে যোগ দেওয়া ওই ১৫০ জন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন বলেও জানান হিমন্ত। তিনি বলেন, “ভারতী মায়ের সেবার লক্ষ্যে যাঁরা কাজ করবেন বলে আজ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, আমি তাঁদের স্বাগত জানাই।”

    তিনি লিখেছেন, “নাগাঁও জেলা কংগ্রেসের সভাপতি সুরেশ বোরা, অসম যুব কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি পরিতোষ রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ শর্মা তাদের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। তাঁরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এঁরা আজ বিজেপিতে যোগ দেবেন। ইন্ডি জোটের বিরুদ্ধে এঁরাও সুর চড়িয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: “লোকসভা নির্বাচন এলেই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো”, চ্যালেঞ্জ সুকান্ত মজুমদারের

    পুরো ঘটনাটি দলের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছে বিজেপি (BJP)। দলের মুখপাত্র বলেন, “এদিন যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগই জেলা ও ব্লকস্তরের কর্মী। তাঁরা যে কোনও রাজনৈতিক দলের মেরুদণ্ড। আমরা তাঁদের বিজেপিতে (BJP) স্বাগত জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • South 24 Parganas: কালীপুজোর আগের দিনেই বিজেপির উপর হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত ক্যানিং

    South 24 Parganas: কালীপুজোর আগের দিনেই বিজেপির উপর হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত ক্যানিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোকে ঘিরে বিজেপির উপর হামলা চালালো তৃণমূলের গুন্ডারা। কালীপুজোর ঠিক একদিন আগেই শাসকদলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করেছে বলে অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল ক্যানিং (South 24 Parganas)। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি, দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আরও অভিযোগ, ঘটনায় চলেছে কয়েক রাউন্ড গুলিও। শাসক দলের দৌরাত্ম্যে রাজ্যে গণতন্ত্র নেই বলে ফের একবার সরব বিজেপি।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (South 24 Parganas)?

    কালীপুজোর আগের দিন শনিবার সকালে ক্যানিংয়ের (South 24 Parganas) ইটখোলা গ্রাম পাঞ্চায়েতের হরিপদ মোড় নামক জায়গায় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা ভীষণ ভাবে আহত হন। ইট, কাঠ, বাঁশ, রড ইত্যাদি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও দুষ্কৃতীদের দ্বারা কয়েক রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগও জানা গিয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের অবশ্য বক্তব্য, কালীপুজোকে কেন্দ্র করে এই আক্রমণের সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন ক্যানিং থানার আইসি সৌগত ঘোষ।

    বিজেপির বক্তব্য

    কালীপুজোর পরিচালনা নিয়ে আক্রমণ হয় বলে জানা গিয়েছে। গ্রামের বিজেপি কর্মীরা জানিয়েছেন যে এলাকায় তাঁরা বহুদিন ধরে এই কালীপুজো করে আসছেন। কিন্তু এইবার জোর করে তৃণমূল দখল করতে চেয়েছিল। আর তার প্রতিবাদ করলে বহিরাগত দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রমণ করা হয়। মূল অভিযোগ স্থানীয় (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা ইন্দ্রজিৎ সর্দার এবং অনুগামীদের বিরুদ্ধে। প্রথমে বচসা হলেও ক্রমেই মারামারি করতে শুরু করে তৃণমূলের গুন্ডারা। অভিযোগ আরও যে দুষ্কৃতীরা এলাকায় গুলি চালায়। এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয় এবং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাবে ভাঙচুর চালায়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ক্যানিং (South 24 Parganas) স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা বলেন, ‘বিজেপি ইচ্ছে করে নিজেই তৃণমূলের উপর আক্রমণ করলে গোলমালের সুত্রপাত হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Acharya Pramod Krishnam: “যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে ঘৃণা করেন তিনি হিন্দু নন”, বিস্ফোরক কংগ্রেস নেতা

    Acharya Pramod Krishnam: “যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে ঘৃণা করেন তিনি হিন্দু নন”, বিস্ফোরক কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে ঘৃণা করেন তিনি হিন্দু হতে পারেন না।” কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি কোনও ধর্মীয় নেতা নন, বিজেপির কোনও নেতাও নন। তিনি আদ্যন্ত কংগ্রেসি। কংগ্রেসের এই নেতার মুখে ‘বিজেপি-সুলভ’ কথা শুনে প্রমাদ গুণছেন কংগ্রেস নেতারা। তবে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম (Acharya Pramod Krishnam) নামের ওই কংগ্রেস নেতার কথায় দল ছাড়ার ইঙ্গিতও মিলেছে।

    প্রমোদের তোপ

    নতুন বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে অযোধ্যার রামমন্দিরের। তার মাস তিনেক পরে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে প্রমোদ কৃষ্ণমের এই কথায় ঘোর বিপাকে সোনিয়া গান্ধীর দল। প্রমোদ বলেন, “যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে ঘৃণা করে তিনি হিন্দু হতে পারেন না। রাম মন্দির নির্মাণ স্থগিত করার চেষ্টার কথা সারা বিশ্ব জানে।” তিনি বলেন, “কে রামকে ঘৃণা করে আর কে দেবতার ভক্ত, আমি মনে করি না এটি একটি রহস্য। কংগ্রেস সদস্য হওয়ার অর্থ এই নয় যে সত্য বলা যাবে না। আমি অনুভব করেছি যে কিছু কংগ্রেস নেতা আছেন যাঁরা রাম ও রাম মন্দির উভয়কেই ঘৃণা করেন।” প্রমোদ কৃষ্ণম বলেন, “আমার চ্যালেঞ্জ হল তাঁরা কবে রাম লল্লা বিরাজমান দেখতে যাবেন? আচার্যজির প্রতি আমার সহানুভূতি, প্রভু শ্রীরামের পক্ষে কথা বলার জন্য কংগ্রেসিরা আমাকে গালি দেবেন।”

    কংগ্রেসকে নিশানা হিমন্তর

    প্রমোদ কৃষ্ণমের এই মন্তব্যের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে কংগ্রেসকে তোপ দেগেছেন বিজেপি নেতা তথা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। প্রমোদ কৃষ্ণমকে গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ দাবি করে হিমন্ত বলেন, “প্রবীণ কংগ্রেস নেতা (Acharya Pramod Krishnam) ও পরিবারের অনুগত আচার্য প্রমোদজি আমি যা বলছি, তা নিশ্চিত করেছেন – একটি নির্দিষ্ট ভোট ব্যাঙ্কের ভয়ে, কংগ্রেসের শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রমাণ হল ভোটের আগে, আপনি তাদের নেতাদের ও তথাকথিত হনুমান ভক্তদের শ্রীরাম জন্মভূমি বাদে প্রতিটি মন্দিরে যেতে দেখতে পাবেন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মত জাভেদ আখতারের

    সনাতন ধর্ম নিয়ে তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতা তথা মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের বিতর্কিত মন্তব্যের কড়া সমালোচনাও করেন প্রমোদ। বিরূপ এই মন্তব্যের জন্য দয়ানিধি ও তাঁর দলকে ‘ইন্ডি’ জোট থেকে বের করে দেওয়ার পরামর্শও দেন। তিনি (Acharya Pramod Krishnam) বলেন, “যে বা যাঁরা সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করেন, সে বা তাঁরা ভারত বিরোধী। সনাতন ধর্ম ছাড়া হিন্দুদের কল্পনা করা যায় না। হিন্দুধর্মের যারা সমালোচনা করে, তারা রাবণের বংশধর। তাদের ধ্বংসও নিশ্চিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “জালিয়াত সাংসদ জেলে যান”, নাম না করে মহুয়াকে নিশানা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “জালিয়াত সাংসদ জেলে যান”, নাম না করে মহুয়াকে নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই ধরনের জালিয়াত সাংসদের সাংসদ পদ খারিজ হওয়া সময়ের অপেক্ষা ছিল। বাংলার মানুষ চান, তাঁকে জেলে ঢোকানো হোক। আমরাও চাই এই জালিয়াত সাংসদ জেলে যান।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন বিষ্ণুপুরে নাম না করে মহুয়াকে জেলে ঢোকানোর দাবি তোলেন তিনি।

    কাঠগড়ায় কৃষ্ণনগরের সাংসদ

    ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে কাঠগড়ায় কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া। তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছিলেন সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। এর পরেই সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে তৃণমূলের এই নেত্রীকে। সেখানে প্রশ্ন-বাণের মুখে পড়ে মাঝ পথে কমিটির সামনে থেকে বেরিয়ে চলে যান তৃণমূল নেত্রী। নিশিকান্তর ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। আর এথিক্স কমিটি জানিয়েছে, মহুয়ার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা ও দামি উপহার নেওয়ার যে অভিযোগ রয়েছে, তার প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত করুক সরকার। মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশও করেছে এথিক্স কমিটি। ৪ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। সেখানেই পেশ হতে পারে এথিক্স কমিটির সুপারিশপত্রটি।

    “জালিয়াত সাংসদ জেলে যান”

    এহেন আবহে এদিন বিষ্ণুপুরে শুভেন্দু বলেন, “এই ধরনের জালিয়াত সাংসদের সাংসদ পদ খারিজ হওয়া সময়ের অপেক্ষা ছিল। বাংলার মানুষ চান, তাঁকে জেলে ঢোকানো হোক। আমরাও চাই এই জালিয়াত সাংসদ জেলে যান (Suvendu Adhikari)।” গত মাসে মহুয়াকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেছিলেন, “লোকসভার এথিক্স কমিটির যত দ্রুত সম্ভব যথাযথ পদক্ষেপ করা উচিত। মা কালীর অভিশাপ পড়েছে। এই লোভী সাংসদ মা কালী মদ খায় আর সিগারেট খায় বলেছিল। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে মা কালী আর সনাতনের দেবদেবীদের কুরচিকর ভাষায় খারাপ কথা বললে তার পরের জন্মে নয়, এজন্মেই ধ্বংস হবে।“ প্রসঙ্গত, দিন দুই আগে মহুয়ার বিরুদ্ধে বাড়িতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ তুলে থানায় গিয়েছিলেন তাঁরই প্রাক্তন ‘প্রেমিক’ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাই। দায়ের করা অভিযোগে দেহাদ্রাই জানিয়েছিলেন, ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই তাঁর বাড়িতে ‘অনুপ্রবেশ’ করেছিলেন মহুয়া। সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবীর অভিযোগ, ৫ ও ৬ নভেম্বর না জানিয়েই তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘দুবাইয়ের প্রতি তাঁর বেশি প্রেম’, মহুয়াকে টেনে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে দিল্লি থানায় দায়ের করা অভিযোগপত্রে দেহাদ্রাই লিখেছেন, গত ৫ নভেম্বর সকাল ১১টা নাগাদ ও ৬ নভেম্বর সকাল ৯টা নাগাদ সাংসদ মহুয়া মৈত্র কাউকে কিছু না জানিয়েই আমার বাড়িতে আসেন। এভাবে (মহুয়া) মৈত্রর আমার বাড়িতে আসার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে, তিনি আমার বিরুদ্ধে আবার কোনও ভুয়ো প্রতারণামূলক অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে ভয় দেখানোর অভিপ্রায় নিয়েই তাঁর বাড়িতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন মহুয়া (Mahua Moitra)। তাঁর সংযোজন, “মহুয়া মৈত্রর প্রতারণামূলক ও মিথ্যে অভিযোগ সম্পর্কে আমি আগেই দিল্লির পুলিশ (Suvendu Adhikari) কমিশনারকে জানিয়েছি। তবে তাঁর এই অনুপ্রবেশে ভয় পেয়েছেন আমার বাড়ির কর্মীরা।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal BJP: রাজ্যের ‘বঞ্চিত’দের নিয়ে ২৯ নভেম্বর ধর্মতলায় বিজেপির মহাসমাবেশ

    West Bengal BJP: রাজ্যের ‘বঞ্চিত’দের নিয়ে ২৯ নভেম্বর ধর্মতলায় বিজেপির মহাসমাবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে গত অগাস্টেই দিল্লিতে একপ্রস্থ নাটক দেখিয়েছিলেন অভিষেক ও তাঁর দলবল। এরপরেই বিজেপি ঘোষণা করে, কেন্দ্রের প্রকল্পে রাজ্যের যাঁরা বঞ্চিত তাঁদের নিয়েই বড়সড় সমাবেশ করা হবে। সেইমতো আগামী ২৯ নভেম্বর শহরে বড়সড় সমাবেশের পরিকল্পনা নিল রাজ্য বিজেপি (West Bengal BJP)। অভিযোগ,কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে নানাভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে বিরোধীদের। শুধু তাই নয়, শাসকদলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেই মেলে আবাস যোজনার ঘর এবং অন্যান্য সুবিধা। সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিতে তৃণমূল নেতারা কাটমানি নেন, এই অভিযোগও দীর্ঘদিনের। এবার এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে রাজ্য বিজেপি।

    ২৯ অক্টোবর বসেছিল বিজেপির কোর কমিটির বৈঠক

    গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, এ নিয়ে গত ২৯ অক্টোবরের বৈঠকে বসে বিজেপির কোর কমিটি। সেই বৈঠকেই স্থির করা হয় ২৯ নভেম্বর হবে বড়সড় সমাবেশ। জানা গিয়েছে, ২১ জুলাই প্রতিবছর যে জায়গায় তৃণমূল শহিদ দিবস পালন করে সেখানেই বাঁধা হবে মঞ্চ। তার জন্য আগাম কলকাতা পুলিশের কাছে অনুমতিও চেয়েছে গেরুয়া শিবির। তবে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে এখনও কোন রকমেরই সংকেত দেওয়া হয়নি। অতীতে দেখা গিয়েছে বারংবার রাজ্য বিজেপির ছোটবড় সমাবেশে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পুলিশ। এক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশে সম্পন্ন করতে হয়েছে সমাবেশ। ২৯ নভেম্বরের সমাবেশে পুলিশ যদি অনুমতি না দেয় সেক্ষেত্রে হাইকোর্টে যাওয়ার রাস্তাও খোলা রাখছে বিজেপি (West Bengal BJP)। এ নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মত, ‘‘কলকাতায় তৃণমূল নেতারা অনেক সম্পত্তি বৃদ্ধি করলেও ওই জায়গার দলিল বানিয়ে ফেলেছেন বলে তো শুনিনি। তবু দলদাস পুলিশ নানা অজুহাত দেখিয়ে অনুমতি না-দিলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। সে ক্ষেত্রে আদালতের দরজা তো খোলাই রয়েছে।’’

    বিজেপির সমাবেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে

    গেরুয়া শিবিরের (West Bengal BJP) অন্দরের খবর, যদি কোনওভাবেই ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়ার সামনে সমাবেশ করা না যায়, সেক্ষেত্রে তা হবে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত হল, ‘‘বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট রয়েছে, অন্যদিকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল কোনঠাসা। তাদের একের পর এক নেতা-মন্ত্রীরা জেলে যাচ্ছেন। এই আবহে বিজেপির এই সমাবেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে।’’ ২৯ অক্টোবর কোর কমিটির বৈঠকের পর বুধবার বিজেপির সল্টলেকে সেক্টর ফাইভের অফিসে বসে রাজ্য নেতৃত্ব। সমাবেশের পরিকল্পনা ছাড়াও জেলায় জেলায় চলছে প্রস্তুতি বৈঠক। রাজ্য বিজেপির পরিকল্পনা বৈঠকগুলিতে দলের যুব শাখা, মহিলা শাখা থেকে সমস্ত মোর্চা যোগ দিচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: বিদ্যুতের তার জড়াল শাহের প্রচাররথে! রাজস্থানে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Amit Shah: বিদ্যুতের তার জড়াল শাহের প্রচাররথে! রাজস্থানে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার রাজস্থানে ভোট প্রচারে গিয়ে একটি বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে আসে অমিত শাহের ‘রথ’। একটি গাড়িকে রথ হিসাবে সাজিয়ে ভোটমুখী রাজস্থানের নাগাউরে প্রচারে বেরিয়েছিলেন শাহ। 

    শাহের কনভয়ে বিদ্যুতের তার

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাজস্থানের নাগৌরে অমিত শাহের কনভয় বিদিয়াড় গ্রাম থেকে পর্বতসারের দিকে যাচ্ছিল। ঘন বসতিপূর্ণ এলাকার মাঝখান দিয়ে যাচ্ছিল শাহের ‘রথ’। রাস্তার দু’পাশে দোকানপাট ও বাড়ি ছিল।শাহের রথ যাত্রায় অংশ নেওয়া একজন সংবাদমাধ্যমকে জানান, রথের উপরের অংশ বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসে। সেই সময় স্পার্কিং হয়। রথটি সেই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পর তারটি ছিঁড়ে রাস্তায় পড়ে যায়। এর ফলে রথের পিছনের অন্যান্য যানবাহন সঙ্গে সঙ্গে থেমে যায়। এ ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা সেখানে এসে পৌঁছান। ঘটনার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর কনভয়ে থাকা লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। তবে প্রচার থামাননি অমিত শাহ।  এই ঘটনার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অন্য গাড়িতে করে পর্বতসারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে শাহ একটি সমাবেশে বক্তব্যও দেন। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত করা হবে।

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী-মেয়েকে ডাকবে ইডি! রেশন দুর্নীতির তদন্তে তলবের সম্ভাবনা যে কোনও দিন

    কী বললেন শাহ

    প্রসঙ্গত, আগামী ২৫ নভেম্বর রাজস্থানে বিধানসভা নির্বাচন। ৩ ডিসেম্বর মরুরাজ্যের ভোটের ফলাফল ঘোষিত হবে। এই আবহে মঙ্গলবার দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে নাগৌরের কুচামান, মাকরানা এবং পর্বতসারে তিনটি সমাবেশে বক্তৃতা করেন শাহ। তিনি বলেন,  ‘রাজস্থানের ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার’ এখন রয়েছে। শাহ বলেন, ‘লাল রং দেখেই রেগে যান মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। মুখ্যমন্ত্রী সর্বত্র লাল ডায়েরি দেখেন। দিল্লিতে, সোনিয়া গান্ধী তার ছেলে রাহুল গান্ধীকে লঞ্চ করতে ব্যস্ত। আর রাজস্থানে, অশোক গেহলট তাঁর ছেলে বৈভব গেহলটকে লঞ্চ করতে ব্যস্ত। আর এসবের মাঝে প্রধানমন্ত্রী মোদি চাঁদে তিরঙ্গা উত্তোলন করতে পদক্ষেপ করেছেন।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মমতার বিদেশ সফরের খরচ জানতে আরটিআই, জবাব না পেয়ে আদালতের পথে শুভেন্দু!

    Suvendu Adhikari: মমতার বিদেশ সফরের খরচ জানতে আরটিআই, জবাব না পেয়ে আদালতের পথে শুভেন্দু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিল্প আনতে টানা ১১ দিন বিদেশ সফর করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন ঘনিষ্ঠ বৃত্তের কয়েকজন। শিল্প কী এসেছে কিংবা আসবে, তা অন্য প্রশ্ন। তবে সরকারি পয়সায় এই ১১ দিনের ‘মোচ্ছব’ (বিরোধীরা তো তাই বলছেন!) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে এ ব্যাপারে একটি পোস্টও করেছেন শুভেন্দু।

    বিদেশ সফরে মুখ্যমন্ত্রী

    সেপ্টেম্বরে টানা ১১ দিন বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের যুক্তি ছিল, শিল্প টানতে বিদেশ গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তখনই এ নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন বিরোধীরা। তাঁদের একাংশ জানিয়েছিলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টানা এতদিন বিদেশ সফর করেননি। অথচ একটি অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী টানা ১১ দিন বিদেশ ঘুরে এলেন! এই সফরে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কয়েকদিন ছিলেন স্পেনে। পরে যান সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। এই সফর সম্পর্কেই জানতে চান নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    শুভেন্দু যা জানতে চেয়েছেন

    তথ্যের অধিকার আইনে ২১ সেপ্টেম্বর শুভেন্দু আবেদন করেন রাজ্যের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দফতরের পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের কাছে। একই আবেদন তিনি করেন স্বরাষ্ট্র, তথ্য ও সংস্কৃতি এবং পর্যটন দফতরের পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের কাছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) জানতে চেয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফরের সময় কারা সঙ্গী ছিলেন? যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বেছে নেওয়া কীভাবে হয়েছে?  কারা শুরু থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন? মাঝপথেই বা যোগ দিয়েছিলেন কারা? সফরের খরচই বা কত? মোট খরচের পাশাপাশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানতে চেয়েছেন, বিমান ভাড়া, থাকার খরচ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের খরচ ইত্যাদি সম্পর্কেও।

    মঙ্গলবার শুভেন্দু জানান, তথ্যের অধিকার আইনে ৩০ দিনের মধ্যে তাঁর আবেদনের জবাব দেওয়ার কথা রাজ্য সরকারের। জবাব না পেয়ে ফের চিঠি দিয়েছেন ২ নভেম্বর। এদিনের পোস্টে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, “আমি তাদের (রাজ্য সরকার) প্রতিক্রিয়ার জন্য আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করব এবং তারপর আমি (Suvendu Adhikari) আদালতে যাব।”

    আরও পড়ুুন: রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি ও তাঁর পুত্রকে নোটিশ আয়কর দফতরের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “এই রাজভবন জনতার হয়ে উঠেছে”, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “এই রাজভবন জনতার হয়ে উঠেছে”, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই রাজভবন ধীরে ধীরে জনতার রাজভবন হয়ে উঠেছে।” সোমবার এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে রাজভবনে গিয়েছিলেন সুকান্ত। সেখান থেকে বেরিয়ে কথা বলেন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “এই রাজভবন ধীরে ধীরে জনতার রাজভবন হয়ে উঠেছে। রাজ্যপাল ক্রিকেট ম্যাচ থেকে শুরু করে আগামিদিনে নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং নেবেনও বলেছেন।”

    মানুষের বিপদে-আপদে রাজ্যপাল

    সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে যে রাজ্যপালকে পাওয়া যায় এদিন তাও মনে করিয়ে দেন বালুরঘাটের সাংসদ। তিনি বলেন, “বিপদের সময় ভাঙড় হোক বা কোচবিহার উনি ময়দানে নেমে মানুষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা জানার চেষ্ট করছেন। যে রাজভবন ছোট্ট একটা গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ ছিল, ধীরে ধীরে তা জনতার রাজভবন হয়ে উঠছে। রাজ্যপালকেও জনতার রাজ্যপাল হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “এখন যে কেউ অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন।”

    তৃণমূলের অভিযোগ নস্যাৎ

    আইএসএফ নেতা তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে বিজেপি ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হতে মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। এদিন সেই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “সেখান থেকে (ডায়মন্ড হারবারে) যে কেউ প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু নওশাদ সিদ্দিকীকে টাকা দিয়ে বিজেপি সাহায্য করবে বলে যে অভিযোগ তৃণমূল করছে, তা ঠিক নয়।”

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রার্থী নওশাদ? কী বললেন সুকান্ত?

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পর সম্প্রতি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস সম্পর্কেও কু-বাক্য-বাণ নিক্ষেপ করেছেন রাজ্যের কারামন্ত্রী তথা তৃণমূলের পূ্র্ব মেদিনীপুরের নেতা অখিল গিরি। এদিন তাই অখিলের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির এই অধ্যাপক নেতা। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও তাঁর মেয়ের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “ইডি বা সিবিআই এখনও পর্যন্ত যাদের গ্রেফতার করেছে বা যে সব দুর্নীতির তদন্ত করছে বা যেসব টাকা বা দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেছে, তা তো ভুল নয়।” সুকান্ত বলেন, “মেডিকেল কলেজে বিশেষ করে আরজি করে যেভাবে দুর্নীতি চোখে পড়ে যাচ্ছে, মেডিকেলে পোস্ট গ্র্যাজুয়েটদের ক্ষেত্রেও ভর্তিতে দুর্নীতি হতে পারে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে। সেই বিষয়টিও তুলে ধরেছি রাজ্যপালের কাছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share