Tag: bjp

bjp

  • Suvendu Adhikari: এবার রাজ্যপালকে কুকথা অখিলের, বোসকে চিঠি লিখে কারামন্ত্রীকে সরানোর দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এবার রাজ্যপালকে কুকথা অখিলের, বোসকে চিঠি লিখে কারামন্ত্রীকে সরানোর দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করে ক্ষমা চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি। এবার রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এ ব্যাপারে চিঠি লিখেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে। কারামন্ত্রী অখিলকে বরখাস্ত করার আবেদনও জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    কী বলছেন কারামন্ত্রী

    তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে পর্যন্ত দলে এক প্রকার ব্রাত্যই ছিলেন অখিল। পরে উজাড় গাঁয়ে তিনিই হন রাজা। তার পর থেকে একের পর এক বেফাঁস মন্তব্য করে চলেছেন তৃণমূল নেত্রীর গুডবুকে থাকতে চাওয়া অখিল। এক্স হ্যান্ডেলে অখিলের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেখানে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “এত হম্বিতম্বি কীসের? আমরা পারি না নাকি? আমরা পারি না? তোমার কলার ধরে তোমাকে ১০ মিনিটে জেলে ঢুকিয়ে দিতে পারি আমরা। আমরা পারি আমাদের কাছে যা কাগজ আছে। নবান্নয় যা কাগজ আছে, আমরা দেখছি। আমাদের হাতেও কাগজপত্র আছে।” অখিলের নিশানায় যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, তা স্পষ্ট।

    রাজ্যপালকে নিশানা অখিলের

    অখিলকে আরও বলতে শোনা যায়, “সেই জন্যই তো ১০ তারিখে আনন্দ বোস…আমরা কি আনন্দ বোস রাজ্যপালের ব্যাপারটা জানি না নাকি? কেন কুণাল ঘোষের পুজোর উদ্বোধন করতে গেছ, আমরা জানি না নাকি? হোয়াটসঅ্যাপে কী আছে তোমার? তুমি কেন ১০ তারিখে মুখ্যমন্ত্রীকে আলোচনার জন্য ডেকেছ? ১০০ দিনের কাজের কথা বলতে? আমরা জানি না! হোয়াটসঅ্যাপে কী আছে! তোমার কলঙ্ক আমরা ধরব। ছাড় পাবে না। আমাদেরও আইবি আছে, পশ্চিমবঙ্গের। আমাদেরও ফাইল রেডি।”

    রাজ্যপালকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, “আপনার অধস্তন অখিল গিরি এর আগে রাষ্ট্রপতির নামে কুকথা বলে গোটা দেশের ধিক্কারের মুখে পড়েছিলেন। তার পরেও সংশোধন করেননি নিজেকে। এবার তিনি আপনাকে আক্রমণ করে বলেছেন, আপনার হোয়াটসঅ্যাপে রহস্যজনক কিছু রয়েছে। সেই জন্যই ১০০ দিনের কাজ নিয়ে আলোচনা করতে ১০ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রীকে তলব করেছেন আপনি। এবার আপনার রাজ্য সরকারকে ওই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে সুপারিশ করা উচিত। রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালকে আক্রমণ করেন এমন কারও মন্ত্রী পদে থাকার অধিকার নেই। তাঁকে ওই পদ থেকে অপসারণ করা উচিত।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘জ্যোতিপ্রিয়র নির্দেশেই মন্ত্রীর সংস্থার ডিরেক্টর করা হয় মা ও স্ত্রীকে’’, দাবি প্রাক্তন আপ্ত-সহায়কের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Assembly Elections 2023: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন মিজোরামে, কংগ্রেস কি মুছে যাবে?  

    Assembly Elections 2023: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন মিজোরামে, কংগ্রেস কি মুছে যাবে?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন হবে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে (Assembly Elections 2023)। সব মিলিয়ে প্রার্থী রয়েছেন ১৭৪জন। ভোটার ৮.৫২ লাখ। রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট। জোরামা পিপলস মুভমেন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসও দখল করতে চাইছে মিজোরামের কুর্সি।

    ৩০টি বুথ ক্রিটিক্যাল

    চলতি বছর চার রাজ্যে হবে বিধানসভা নির্বাচন। এর মধ্যে যেমন ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থান রয়েছে, তেমনি রয়েছে মিজোরামও। সব কটি রাজ্যের ফলই ঘোষণা করা হবে ৩ ডিসেম্বর। নির্বাচন নির্বিঘ্নে সাঙ্গ করতে মিজোরামে ৫০ কোম্পানি সিএপিএফ মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। ৩০টি বুথকে ক্রিটিক্যাল পোলিং স্টেশন বলে চিহ্নিত করেছে তারা। সোমবার বিকেলের মধ্যেই ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কেন্দ্রের দিকে রওনা দিয়েছেন ভোটকর্মীরা।

    মণিপুরের নির্বাচনী ধারা

    মণিপুরের নির্বাচনী ধারা (Assembly Elections 2023) বলছে, প্রতি দুটো টার্ম অন্তর সরকার পরিবর্তন হয় মিজোরামে। সেই ধারা মেনেই ২০১৮ সালে পতন হয় সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের। সেবার কুর্সি দখল করেছিল এমএনএফ। সেই একই ধারা বজায় থাকলে এবারও ক্ষমতায় ফেরার কথা তাদেরই। ৪০ আসন বিশিষ্ট মিজোরাম বিধানসভায় সেবার এমএনএফ পেয়েছিল ২৭টি। টানা এক দশক ক্ষমতায় থাকা কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ৪টি আসন। ইন্দিরা গান্ধীর দেহরক্ষী দলের প্রাক্তন নেতা, প্রাক্তন আইপিএস লালডুহোমার সদ্য গঠিত জেডপিএম জিতেছিল ৮টি আসনে। নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতি না মেলায় সেবার অবশ্য ওই দলের প্রার্থীরা লড়েছিলেন নির্দল হয়ে।

    আরও পড়ুুন: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    গত বিধানসভা নির্বাচনের মতো এবারও কংগ্রেস মিজোরামে সেভাবে ছাপ ফেলতে পারবে না বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। পাঁচ দফায় প্রায় ২৩ বছর মুখ্যমন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন প্রবীণ নেতা লাল থানহাওলা। তাঁকে এবার টিকিট দেয়নি কংগ্রেস। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মঙ্গলবারের নির্বাচনে তার একটা ভাল প্রভাব পড়তে পারে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কে।

    উত্তর-পূর্বে উন্নয়ন আর মাদক কারবার দমনের প্রসঙ্গই প্রচারে গিয়ে তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতারা। মিজোরামে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন মাত্র একজন। তিনি বুদ্ধধন চাকমা। ইতিমধ্যেই সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন (Assembly Elections 2023) তিনি। মনে রাখতে হবে, কেন্দ্রে যখন যে দলের সরকার থাকে, সেই দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলে উত্তর-পূর্বের সিংহভাগ রাজ্যই। গতবারের মতো এবারও তার বিপ্রতীপ ছবি দেখা যেতে পারে মিজোরামে। সাম্প্রতিক একাধিক সমীক্ষা থেকে দেখা যাচ্ছে, মিজোরামে এবার হ্যাং বিধানসভা হতে পারে। তবে ঠিক কী হবে, তা জানা যাবে (Assembly Elections 2023), ৩ ডিসেম্বর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতা দিদি, রাহুল বাবা সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে”, ছত্তিসগড়ের সভায় নিশানা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতা দিদি, রাহুল বাবা সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে”, ছত্তিসগড়ের সভায় নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় ছত্তিসগড় বিধানসভা নির্বাচন (Chhattisgarh Assembly Polls 2023)। তার আগে সেখানকার মিনি বাংলায় বিজেপির হয়ে প্রচার করলেন বাংলার বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হিন্দির পাশাপাশি বাংলায়ও ভাষণ দেন তিনি। আক্রমণ শানান তৃণমূল কংগ্রেস ও ইন্ডিয়া জোটকে।

    ‘ইন্ডিয়া জোটের লক্ষ্য’

    শনিবার শুভেন্দু প্রচার করেন অন্তগড় ও রায়পুর গ্রামীণ কেন্দ্রে। এই অন্তগড়ের ৬৮ শতাংশ ভোটারই বাঙালি। এখানে লড়াইয়ের ময়দানে বিজেপির পাশাপাশি রয়েছে কংগ্রেস এবং আপও। অন্তগড়ের বিধায়ক অনুপ নাগের বদলে এবার রূপসিংহ পোটাইকে প্রার্থী করেছে সোনিয়া গান্ধীর দল। এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনিই। আর বিজেপির (Chhattisgarh Assembly Polls 2023) প্রার্থী হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বিক্রম উসেন্ডি। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে অনুপের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। তা সত্ত্বেও তাঁর ওপরই ভরসা রেখেছে দল। এদিন অন্তগড়ের বান্দেতে যান শুভেন্দু। সেখানেই করেন জনসভা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মমতা দিদি, রাহুল বাবা সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন। ইন্ডিয়া জোটের একমাত্র লক্ষ্য মোদিজিকে হটানো।”

    ‘মানুষ আর কংগ্রেসকে চাইছেন না’

    শুভেন্দু বলেন, “আমি তো অনামী নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছি বলে এক দুজন চেনেন। কিন্তু আমার সভায় যা লোক হয়েছে, তার তিন ভাগের এক ভাগ লোক হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। এর থেকেই স্পষ্ট, মানুষ আর কংগ্রেসকে চাইছেন না।” তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল, এঁরা প্রত্যেকেই দেশকে দুভাগ নয়, ছাব্বিশ ভাগ করতে চান। ছত্তিসগড়ের মানুষজন যন্ত্রণার কথা জানেন। ছত্তিসগড়ে যে সব বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা রয়েছে, সেই সব এলাকার মানুষজন বিজেপিকেই এবার ভোট দেবেন। নকশাল আন্দোলনকে প্রশ্রয় দেওয়ায় এখানকার মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এখানকার মানুষজন পরিবারবাদ, দুর্নীতি ও তোষণের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চান।”

    আরও পড়ুুন: মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি! ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

    ছত্তিসগড় বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০টি। এর মধ্যে ২০টি কেন্দ্রের নির্ণায়ক শক্তি বাঙালি ভোটাররা। তাই এবার রাজ্যে পালাবদল হবে বলেই আশাবাদী শুভেন্দু। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আশ্বাস, যাঁরা নিজেদের ক্ষমতা কিংবা আর্থিক সামর্থের কারণে অযোধ্যার রাম মন্দির দর্শন করতে পারবেন না ছত্তিসগড়ে (Chhattisgarh Assembly Polls 2023) বিজেপি ক্ষমতায় এলেই তাঁদের রামলালার দর্শনের জন্য নিখরচায় রাম দর্শন যোজনা চালু করবে বিজেপি সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election 2023: মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি! ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

    Assembly Election 2023: মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি! ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে (Madhya Pradesh Election 2023) ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩০। এর মধ্যে ১১৯টি পেয়ে তখতে ফিরতে চলেছে পদ্মশিবির। ইন্ডিয়া টিভি সিএমএক্স সমীক্ষার দাবি এমনই।

    মধ্যপ্রদেশের ফল

    ১৭ নভেম্বর বিধানসভা নির্বাচন হবে মধ্যপ্রদেশে। ২০১৮ সালে বিজেপি পেয়েছিল ১০৯টি আসন। সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, গত বারের চেয়ে এবার অন্তত ১০টি আসন বেশি পাবে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দল। গত নির্বাচনে কংগ্রেস যত সংখ্যক আসন পেয়েছিল, এবার তা আরও কমে যাবে। ওই নির্বাচনে নির্দল এবং স্থানীয় ছোট দলগুলি মিলিয়ে মোট ৭টি আসন পেয়েছিল। এবার আসন কমবে তাদেরও। মাত্র ৪টি আসনে জয়ী হতে পারে তারা।

    কোথায় কত আসন

    রাজধানী ভোপালে ২৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ১৬টি (Madhya Pradesh Election 2023)। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ৮টি আসন। বাঘেলখণ্ড এলাকায় রয়েছে ৫১টি আসন। এর মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ২৯টি আসন, কংগ্রেস ২১টি। মালওয়ার এলাকায় ৪৬টি আসনের মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রে জয়ী হতে পারেন বিজেপি প্রার্থীরা। কংগ্রেস পেতে পারে ১৮টি আসন। নিমার এলাকায় ২৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ১২টি, কংগ্রেসের দখলে যেতে পারে ১৫টি আসনের রাশ। চম্বল এলাকায় রয়েছে ৩৪টি আসন। এর মধ্যে গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ১৫টি, আর কংগ্রেস পেতে পারে ৩৪টি আসন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মহুয়া উদ্ধত, এথিক্স কমিটির উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেন’’, অভিযোগ প্যানেল সদস্যার

    রাজস্থানেও এবার ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি (Madhya Pradesh Election 2023)। টাইমস নাও-নবভারত ও ইটিজির সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, মরুরাজ্যে উড়তে চলেছে গেরুয়া নিশান। রাজস্থান বিধানসভার আসন সংখ্যা ২০০। সমীক্ষা বলছে, এর মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ১১৪টি থেকে ১২৪টি আসন। এ রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। তারা পেতে পারে ৬৮-৭৮টি আসন। আপ, আরএলপি সহ অন্য দলগুলি পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। জানা গিয়েছে, এখনই নির্বাচন হলে এ রাজ্যে বিজেপি পেতে পারে মোট ভোটের ৪৩.৮০ শতাংশ। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ৪১.৯০ শতাংশ ভোট। বাকি দলগুলি পেতে পারে ১৪.৩০ শতাংশ ভোট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mahua Moitra: ‘‘মহুয়া উদ্ধত, এথিক্স কমিটির উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেন’’, অভিযোগ প্যানেল সদস্যার

    Mahua Moitra: ‘‘মহুয়া উদ্ধত, এথিক্স কমিটির উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেন’’, অভিযোগ প্যানেল সদস্যার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের এথিক্স কমিটির বৈঠকে শিষ্টাচারের সমস্ত মাত্রা লঙ্ঘন করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। এমনই অভিযোগ করলেন কমিটির অন্যতম সদস্যা অপরাজিতা সারঙ্গি। শুধু তাই নয় এথিক্স কমিটিকে উদ্দেশে এমন কিছু আপত্তিকর শব্দ মহুয়া প্রয়োগ করেন যা প্রকাশ্যে বলতে পারেননি অপরাজিতা সারেঙ্গি। প্রসঙ্গত, ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া, এই অভিযোগের ভিত্তিতে মহুয়াকে তলব করে সংসদের এথিক্স কমিটি। বৃহস্পতিবার এথিক্স কমিটির সেই বৈঠক থেকে হঠাৎই বেরিয়ে আসতে দেখা যায় মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। তখন সংবাদমাধ্যমকে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সংসদ জানান যে তাঁকে ব্যক্তিগত এবং অনৈতিক প্রশ্ন করা হয়েছে।

    কী বলছেন বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গি?

    মহুয়ার এই দাবি যে সঠিক নয় এবং তিনি যে সত্য কথা বলছেন না তা বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির কথাতেই স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘‘মহুয়া সব ধরনের শিষ্টাচারের মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। আমরা মহুয়াকে (Mahua Moitra) ডেকে পাঠিয়েছিলাম। তাঁর সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কথা ছিল। দর্শন হীরানন্দানি যে হলফনামা দিয়েছিলেন, তাঁর উপর ভিত্তি করেই শুধু প্রশ্ন করেছিলেন কমিটির চেয়ারম্যান। তাই সীমা ছাড়ানোর বা হলফনামার বাইরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।’’

    মহুয়ার ঔদ্ধত্য

    প্রসঙ্গত মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে দেশের সংবাদমাধ্যম থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ, সংবাদমাধ্যমকে দু পয়সার সাংবাদিক বলে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন। এতে তাঁকে বয়কট করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। মহুয়ার ঔদ্ধত্য যে একেবারেই বদলায়নি তা ফের এথিক্স কমিটির কথাতেই পরিষ্কার হল। বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির মতে, ‘‘হাবেভাবে খুবই উদ্ধত ছিলেন তিনি। খুবই রুক্ষ ছিলেন। তিনি ভুয়ো বক্তব্য তৈরি করে দেশের মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন। নিজেকে হেনস্থার শিকার হিসাবে তুলে ধরেছেন।’’  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আয়কর রিটার্নের নথি প্রকাশ! ‘কালীঘাটে জমি দখল করে বাস করছেন,’ মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: আয়কর রিটার্নের নথি প্রকাশ! ‘কালীঘাটে জমি দখল করে বাস করছেন,’ মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর রিটার্নের নথি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা চ্য়ালেঞ্জ ছুড়লেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, কারও নাম না করলেও বুধবার মমতা তাঁকেই নিশানা করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘ভিত্তিহীন অভিযোগ করে আমাকেই টার্গেট করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘোষিত সম্পত্তির থেকে এক পয়সা বেশি সম্পত্তি আছে প্রমাণ করুন।’

    কী বললেন শুভেন্দু

    হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি ও দিঘা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির ভূমিকা নিয়ে বুধবার নবান্ন থেকে সুর চড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক সময় এই দুই উন্নয়ন পর্ষদ কী করেছে, সেই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এরপরই  আয়কর রিটার্নের কপি তুলে ধরে এদিন মমতাকে পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। সোশাল মিডিয়ায় বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, ‘গতকাল আপনি আমাকে আক্রমণ করেছেন এবং আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন। যদিও আমার নাম নেওয়ার সাহস আপনার হয়নি।’ শুভেন্দু বলেন, “আমার ইনকাম ট্যাক্সে সব দেখানো আছে। পেট্রোল পাম্প ক’টা সব বৈধ। আপনি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগের পেট্রোলপাম্প। ইনকাম ট্যাক্স দেখে নেবেন। ২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারীর হলফনামা দেখে নেবেন।”

    সোশাল মিডিয়ার পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী আরও লিখেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে সিআইডি, এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (EB), ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চকে (IB) দিয়ে তদন্ত করান। আয়কর রিটার্নের বাইরে ‘এক পয়সা’ও উপার্জন করেছি বা এরকম কোনও সম্পদ বা সম্পত্তি আছে কি না তা, প্রমাণ করুন।’ এরপরই চ্যালেঞ্জ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কালীঘাটে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে যেখানে আপনি জমি দখল করে বাস করছেন, তার চুক্তি প্রকাশ্যে আনুন। জমির দখল বৈধ না অবৈধ সেটা সবাইকে জানতে দিচ্ছেন না কেন? আশা করি, আপনি আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবেন।’ 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’, কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’, কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসা হলে সাধারণ মানুষের কী হবে? কার্যত এই ভাষায় রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রয়োজনে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে শোকজ করার দাবিও তোলেন বিজেপির এই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ। ‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’ দিলীপের এই কটাক্ষে  তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্য জুড়ে। কার্যত মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রাজ্যের বেহাল অবস্থা বর্ণনা করলেন। 

    কী বললেন দিলীপ (Dilip Ghosh)?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর কতটা বেহাল এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “এসএসকেএম রাজ্যের অন্যতম নামী সরকারি হাসপাতাল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসা ভুলভাল হলে রাজ্যের মানুষের কী হবে?” রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর মমতার হাতে, তাই দিলীপের তির যে মুখ্যমন্ত্রীর দিকে ছিল তা বলার অবকাশ রাখে না।

    পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “কেউটে হোক আর কেঁচো হোক, সাহস থাকলে বার করুন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের হাতে পুলিশ, সিআইডি আছে। এখন এইগুলিকে তৃণমূল সরকার ব্যবহার করছে নিজেদের দোষ চাপা দেওয়ার জন্য। সিপিএমকে শুধু হুমকি দিয়ে গিয়েছেন কিন্তু একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেননি। উল্টে তৃণমূলের চোরেরাই জেলে যাচ্ছে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে হাতিয়ার দিলীপের(Dilip Ghosh)

    বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন করে এসএসকেএমের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার কথা বলেন। পায়ের চোটের কারণে একমাস চলাফেরা করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার পায়ের সংক্রমণ সেপটিক টাইপের হয়ে গিয়েছিল। হাতে স্যালাইন চ্যানেল করে রাখা হয়েছিল। বিছানা থেকে উঠতে পারিনি।” নিজের কালীঘাটের বাড়ি থেকেই প্রশাসনিক কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অপর দিকে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই, নিজের দফতরের কাজ নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। আর এই একই কথা বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মুখে শোনা গেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: “উর্দির সম্মানরক্ষা করুন”, শুভেন্দুর দাদার মামলায় পুলিশকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Justice Abhijit Ganguly: “উর্দির সম্মানরক্ষা করুন”, শুভেন্দুর দাদার মামলায় পুলিশকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দাসের মতো কাজ করেছে পুলিশ।” বুধবার এমনই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর দাদা কৃষ্ণেন্দুকে পুলিশ যে নোটিশ পাঠিয়েছিল, তাও খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

    কৃষ্ণেন্দুকে তলব

    মেচেদা-দিঘা বাইপাসে বাতিস্তম্ভের সৌন্দর্যায়ন মিশনে দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় সাক্ষী হিসেবে নোটিশ পাঠানো হয় কৃষ্ণেন্দু অধিকারীকে। তিনি শিশির অধিকারীর বড় ছেলে। রাজনীতি করেন না। করেন ব্যবসা। এই কৃষ্ণেন্দুর পাশাপাশি শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দুর স্ত্রী সুতপাকেও নোটিশ পাঠায় পুলিশ। দিব্যেন্দু তমলুকের সাংসদ। বুধবার মামলাটি ওঠে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। এই মামলার শুনানিতেই পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই মামলায় পুলিশ ঠিক কাজ করেনি।

    এসডিপিওর জরিমানা ৫ লক্ষ টাকা

    এগরার এসডিপিওকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও করে আদালত। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) মন্তব্য, “উর্দিতে যে অশোকস্তম্ভ রয়েছে, তার সম্মানরক্ষা করেননি এসডিপিও। দাসের মতো কাজ করেছে পুলিশ।” তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মামলায় কৃষ্ণেন্দুকে আর কোনও নোটিশ পাঠাতে পারবে না পুলিশ। তিনি বলেন, “যদি পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে, তার বিরুদ্ধে আমি পদক্ষেপ করব।”

    বছর কয়েক আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু। তিনি যতদিন ঘাসফুল শিবিরে ছিলেন, ততদিন কোনও অভিযোগ ওঠেনি। ধারাবাহিক অভিযোগ উঠতে শুরু করে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু গোহারান হারান খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার পরেই বাড়তে থাকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগের মাত্রা। বিজেপির অভিযোগ, এর পরেই অধিকারী পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়।

    আরও পড়ুুন: রামমূর্তির অধিষ্ঠান হবে সোনার প্রলেপ দেওয়া সিংহাসনে, তৈরি হচ্ছে রাজস্থানে

    এমনই একটি মামলা হল, ‘গ্রিন সিটি মিশন’ প্রকল্পে দুর্নীতি। ২০১৭-১৮ সালে গ্রিন সিটি মিশনে মেচেদা-দিঘা বাইপাসে বাতিস্তম্ভের সৌন্দর্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় কাঁথি পুরসভা। এই মিশনে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। প্রায় তিন কোটি টাকা তছরুপ হয়েছে বলে অভিযোগ। এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয় কৃষ্ণেন্দুকে। ২০১১ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত আয়করের ফাইলও চেয়ে পাঠানো হয় তাঁর কাছে (Justice Abhijit Ganguly)। তলব করা হয় দিব্যেন্দুর স্ত্রীকেও। দুজনকেই ১৬০ এর নোটিশ পাঠান কাঁথি থানার তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে ঠিক এই প্রতিক্রিয়াই শোনা গেল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মুখে। প্রসঙ্গত, গতকালই সিঙ্গুর থেকে টাটাকে উচ্ছেদ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারকে ১,৩০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আরবিট্রাল ট্রাইব্যুনাল। তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ, ক্ষতিপূরণ হিসেবে টাটাকে এই টাকা দেবে ‘পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগম’। উল্লেখ্য, রাজ্য থেকে ন্যানো বিদায়ের ১৫ বছর পরে সিঙ্গুর মামলায় ধাক্কা খেল মমতা সরকার। ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ, ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুরো ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত টাটা মোটরসকে সুদ দিতে হবে। ৭ বছরে ১১ শতাংশ সুদ ধরলে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক দাঁড়ায় ১,৩০০ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, মামলার খরচ চালানোর জন্য টাটাকে বাড়তি ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে সিঙ্গুরের। গতকাল ট্রাইব্যুনালের এই নির্দেশের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে পূর্বতন সিপিএম সরকার এবং বর্তমানে তৃণমূল সরকারকে একযোগে এদিন নিশানা করেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    সিপিএম-তৃণমূলকে একযোগে নিশানা দিলীপের

    দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মতে, ‘‘এরা (সিপিএম-তৃণমূল) রাজনৈতিক স্বার্থে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে সমাজ বা দেশের কোনও লাভ হয়নি। এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি। তিন ফসলি জমি দেওয়াটাও ঠিক হয়নি আবার সেই জমিকে বন্ধ করে দিয়ে বেকার করে দেওয়ার কোনও মানে হয় না। সিপিএমও করেছে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে, টিএমসিও করেছে তাই। তার ফল ভুগতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। চাকরিও গেল, ব্যবসা গেল, জমিও গেল। এখন টাকাও যাবে! এর দায়টা কে নেবে? এর জন্য মানুষের কাছে  ক্ষমা চাইতে হবে এদের।’’

    সিঙ্গুর মামলার বর্তমান স্থিতি

    অন্যদিকে, সিঙ্গুর মামলার বর্তমান স্থিতি সম্পর্কে আইনজ্ঞদের বক্তব্য হল যে ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের পর উচ্চতর আদালতে আবেদন করার রাস্তা বজায় থাকছে রাজ্যের। তবে আবেদন করতে গেলে রাজ্য সরকারকে মোট ক্ষতিপূরণের ৫০ শতাংশ অর্থ আগে জমা দিতে হবে। আবার তারপরেও ট্রাইব্যুনালের এই নির্দেশ যে উচ্চতর আদালত খারিজ করে দেবে, এমন সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে! কারণ অতীতের রায়গুলিতে এমনটা দেখা যায়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blast: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির  

    Kerala Blast: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভার্চুয়ালি ভাষণ দিয়েছিলেন প্রাক্তন হামাস নেতা খালেদ মাশাল। তার আগে আগেই কেরলের মলপ্পুরমে মিছিল বের হয় প্যালেস্তাইনের সমর্থনে (Kerala Blast)। মিছিলের আয়োজক জামাত-ই-ইসলামির যুব সংগঠন। পরে আয়োজন হয় সভার। সেই সভায়ই ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন খালেদ।

    খালেদের বক্তব্যের সঙ্গে বিস্ফোরণের যোগ!

    সেখানে প্যালেস্তিনীয় যোদ্ধাদের পক্ষে সমর্থন জোগাড় করতে বলা হয় শ্রোতাদের। ইহুদি সন্ত্রাসের হাত থেকে আল আকসা মসজিদ উদ্ধারের কথা বলেন এই মুসলমান নেতা। এর ঠিক দুদিন পরে রবিবার করলের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত প্রার্থনা সভায় আইইডি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রার্থনা সভাটিতে অংশ নিয়েছিলেন খ্রিষ্টানদের একটি সম্প্রদায়। খালেদের বক্তব্যের সঙ্গে এই বিস্ফোরণের যোগ রয়েছে কিনা, তা জানতে চেয়ে তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বামেরা।

    প্যালেস্তাইনে হামলা হামাসের 

    ৭ অক্টোবর ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলে হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস (Kerala Blast)। ইহুদিদের ধরে ধরে কার্যত কচুকাটা করে হামাসের জঙ্গিরা। এর পরেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে ইজরায়েল। তেল আভিভের পাশে দাঁড়ায় ভারত, আমেরিকা, কানাডা সহ বিশ্বের বহু দেশ। ইজরায়েলের হামলায় আক্ষরিক অর্থেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে হামাসের জঙ্গিরা। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মতে, তাই চলছে হামাসের পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের কাজ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    শুক্রবার কেরলে যে জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল, তার আয়োজক ছিলেন জামাত-ই-ইসলামি সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সদস্য আবুসালেম আহমেদ। প্যালেস্তাইনে বর্ণবিদ্বেষী শক্তি সংগঠিতভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয় সভায়। ভারতও ওই সংগঠিত শক্তির অংশ বলেও দাবি করা হয়। এর পরেই দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। সভা ও মিছিলের অনুমতি দিয়ে বিপাকে পড়ে কেরলের বাম সরকার। কেরলের বিজেপি সহ সভাপতি ভিটি রেমা বলেন, “ভারতের মতো ধর্মনিরপেক্ষ দেশে ইসলামি সন্ত্রাসবাদীরা নিজেদের আসল চেহারা দেখাচ্ছে। সবাই জানে, হামাসই প্রথম ইজরায়েলকে আক্রমণ করেছিল।” কেরল বিজেপির সভাপতি কে সুরেন্দ্রণ বলেন, “মলপ্পুরমের সভায় হামাস নেতা খালেদ মাশালের ভাষণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পিনারাই বিজয়নের কেরল পুলিশ কোথায়? প্যালেস্তাইন বাঁচাওয়ের নামে সন্ত্রাসীদের যোদ্ধা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।” পুরো ঘটনায় (Kerala Blast) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সুরেন্দ্রণ।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর ঘটনাটিকে কংগ্রেস এবং সিপিএমের তুষ্টিকরণের রাজনীতি বলে অভিহিত করেছেন। কেরলে হিংসা এবং জিহাদ ছড়ানোর জন্য ইন্ডি জোট ভারতে হামাস জঙ্গিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “মিছিল হয়েছিল কেরলে। আইন-শৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করবে বক্তৃতাটি লাইভ না রেকর্ড করা। রেকর্ড করা হলে কে এবং কীভাবে ভিডিওটি পেল তা তদন্ত করা হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share