Tag: bjp

bjp

  • Kaliyaganj: মৃত সন্তানকে ব্যাগে ভরে বাড়ি ফিরলেন গরিব বাবা! এটাই কি এগিয়ে বাংলার মডেল? কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Kaliyaganj: মৃত সন্তানকে ব্যাগে ভরে বাড়ি ফিরলেন গরিব বাবা! এটাই কি এগিয়ে বাংলার মডেল? কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অমানবিকতার ছবি! বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্সের দাবি মতো টাকার জোগাড় করতে না পেরে, মৃত সন্তানকে ব্যাগে ভরে বাড়ি ফিরলেন কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা। ঘটনায় রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার গাফিলতির দিকেই অভিযোগের আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এটাই কি এগিয়ে বাংলার মডেল? কটাক্ষে ভরা প্রশ্ন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।

    অমানবিকতার ছবি

    কালিয়াগঞ্জ ব্লকের মুস্তাফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা অসীম দেবশর্মার যমজ সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তাদের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন পেশায় দিনমজুর অসীম। দু’জনেরই বয়স ৫ মাস। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। তবে সন্তানের মৃতদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে অ্যাম্বুল্যান্স চালক অসীমের কাছ থেকে আট হাজার টাকা চান। তত টাকা অবশ্য ছিল না অসীমের কাছে। বাধ্য হয়ে ব্যাগে করে শিশুর মৃতদেহ নিয়ে বাসে চেপে গ্রামে আসেন অসীম। পরে তিনি কালিয়াগঞ্জে ফিরে এলে গোটা বিষয়টি জানাজানি হয়। তিনি বলেন, ‘সন্তানদের চিকিৎসা করাতে গিয়েই ১৬ হাজার টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স আট হাজার টাকা চেয়েছিল। সেকারণে বাসে করেই মৃত সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরেছি।’ এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর কালিয়াগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে ডাঙিপাড়া গ্রাম পর্যন্ত একটি অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করে দেন কালিয়াগঞ্জের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার গৌরাঙ্গ দাস।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের হ্যারিকেন মিছিলের অনুমতি হাইকোর্টের

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে শিশুর দেহ ব্যাগে পুরে বাবার কালিয়াগঞ্জের বাড়িতে ফেরার ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইটে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা ট্যুইটারে লিখেছেন, অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়ার টাকা না থাকায় একজন বাবাকে তাঁর ৫ মাসের শিশুসন্তানের মৃতদেহ ব্যাগে করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে কালিয়াগঞ্জে নিয়ে যেতে হল। কীসের জন্য স্বাস্থ্যসাথী? দুর্ভাগ্যবশত এটাই এগিয়ে বাংলা মডেল। এটাই রাজ্যের বাস্তব ছবি। প্রসঙ্গত, কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল, রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হয়ে শিলিগুড়ির মেডিক্যাল কলেজ। প্রায় একসপ্তাহ ধরে শিশুর চিকিৎসায় ১৬ হাজার টাকা খরচ করে ফেলেছেন বাবা। তাহলে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ব্যবহার কোথায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    সুকান্তর তোপ

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে ট্যুইট করে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, “এই হতদরিদ্র ব্যক্তি নিজের সন্তানের মৃতদেহ বাড়ি ফিরিয়ে আনার জন্য কোনও অ্যাম্বুলেন্স খুঁজে পাননি। এই আবহে তাঁকেই তাঁর সন্তানকে বয়ে নিয়ে আসতে হয়। এই হল পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবস্থা। এই ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুর জেলার। দুঃখজনক হলেও পশ্চিমবঙ্গের সব জেলায় এটাই বাস্তব। রাজ্যের প্রশাসনই যখন অমানবিক, তখন অমানবিক ছবি তো ধরা পড়বেই।”

    কালিয়াগঞ্জ পুরসভার বিজেপি নেতা ও কাউন্সিলার গৌরাঙ্গ দাস বলছেন, গরিব মানুষের কাছে টাকা না থাকলে এই সরকারের আমলে এই হাল হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: বজরং দল নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, খাড়্গের বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মানহানি মামলা

    Mallikarjun Kharge: বজরং দল নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, খাড়্গের বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মানহানি মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (Modi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার দায়ে লোকসভার সাংসদ পদ খুইয়েছেন কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধী। এবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করলেন পাঞ্জাবের সাংরুরের এক ব্যক্তি। সোমবার খাড়্গেকে তলব করেছে সাংরুরের আদালত। কর্নাটকে ক্ষমতায় এলে বজরং দলকে নিষিদ্ধ করা হবে, নির্বাচনী ইস্তেহারে এমনটাই জানিয়েছিল কংগ্রেস। শনিবার বের হয় কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের ফল। ২২৪ আসনের বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১১৩। ১৩৫টি আসনে জিতে ওই রাজ্যের রাশ হাতে নিতে চলেছে কংগ্রেস। এমতাবস্থায় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির প্রেসিডেন্টকেই তলব করল আদালত।

    মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    কর্নাটকে কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহারে বলা হয়েছিল, ধর্ম, জাতের ভিত্তিতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ব্যক্তি এবং সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করতে বদ্ধপরিকর কংগ্রেস (Mallikarjun Kharge)। ইস্তেহারে থাকা প্রতিশ্রুতি ব্যাখ্যা করে কংগ্রেস সভাপতি বলেছিলেন, কংগ্রেস জাতি ও ধর্মের ভিত্তিতে সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ব্যক্তি এবং সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে দৃঢ় এবং নির্ণায়ক পদক্ষেপ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    হিন্দু সুরক্ষা পরিষদ বজরং দল হিন্দের প্রতিষ্ঠাতা হিতেশ ভরদ্বাজের দাবি, বজরং দলকে কংগ্রেস দেশবিরোধী সংগঠনের সঙ্গে তুলনা করেছে এবং কর্নাটকে ক্ষমতায় আসার পরে বজরং দলকে নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। তিনি বলেন, ইস্তেহারের ১০ নম্বর পৃষ্ঠায় কংগ্রেস বজরং দলকে দেশবিরোধী সংগঠনের সঙ্গে তুলনা করেছে এবং নির্বাচনে জিতলে তাকে নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘কেন্দ্রীয় পদ্ধতি অনুসরণ করে জন্ম-মৃত্যু নথিবদ্ধ করুন’, রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুব সংগঠন বজরং দল হিন্দু চরমপন্থী সংগঠন হিসেবেই পরিচিত। ভরদ্বাজের পাশাপাশি কংগ্রেসকে (Mallikarjun Kharge) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিলিন্দ পরান্দে। তিনি বলেন, হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ থেকে যদি বজরং দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়, তাহলে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। তিনি জানান, বজরং দল নিষিদ্ধ হওয়ার ভয় পায় না। প্রসঙ্গত, কর্নাটকে কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহারের কড়া সমালোচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। কর্নাটকে দলের প্রচারে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, কংগ্রেস আগে রামনামের ওপর বিধিনিষেধ জারি করতে সক্রিয় ছিল, এখন তারা জয় বজরংবলী স্লোগানদাতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চাইছে। এটি সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • RSS: নবজোয়ারে নতুন নাটক! অভিষেকের কাছে সঙ্ঘের পোশাকে হাজির তৃণমূল কর্মী

    RSS: নবজোয়ারে নতুন নাটক! অভিষেকের কাছে সঙ্ঘের পোশাকে হাজির তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমালোচকরা বলছেন, ‘‘যুবরাজের নবজোয়ারে ভেসে যাচ্ছে দলীয় শৃঙ্খলা!’’ কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি, মারামারি, ব্যালট ছিনতাই তো চলছেই। এবার নতুন নাটক ধরা পড়ল পূর্ব বর্ধমানের রায়নায়। তা নিয়ে আবার ঘটা করে ট্যুইটও করতে দেখা গেছে আঞ্চলিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার পেজে। নিজেদের দলের কর্মীকেই এদিন সঙ্ঘের (RSS) গণবেশে সাজিয়ে তৃণমূল হাজির করে অভিষেকের সামনে।

    ঘটনা…

    রবিবার ভরদুপুরে পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় হঠাৎই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির কাছে চলে যায় এক যুবক। পরনে তার সঙ্ঘের (RSS) গণবেশ। ফুল হাতা সাদা জামা, মাথায় কালো টুপি। নিজেকে স্বয়ংসেবক পরিচয় দিয়ে সে বলতে থাকে, ‘‘আমাদের এলাকার পথে আলো জ্বলে না। বিডিও অফিসে জানিয়েছি কাজ হয়নি। বিজেপি নেতারাও বলেছেন, তারপরও সমাধান হয়নি সমস্যার। এ সমস্যা ৫-৬ বছর ধরে চলে আসছে।’’ তৃণমূলের পোস্ট করা ওই ভিডিওতে সমাধানের আশ্বাস দিতে দেখা যাচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    বিশেষজ্ঞ মহল এনিয়ে অনেকগুলো প্রশ্ন তুলছে। সারাবছর সঙ্ঘের (RSS) নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রম বা অনুষ্ঠান ছাড়া গণবেশ পরার রীতি যে নেই, তা প্রত্যেক স্বয়ংসেবক (RSS) মাত্রই জানেন। তাহলে ওই যুবক ইউনিফর্ম পরে কীভাবে গেল অভিষেকের কাছে? কোনও বিশিষ্টজনের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও সঙ্ঘের গণবেশ পরার নিয়ম নেই। রাজ্যে একাধিক কর্মসূচিতে হাজির হন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার সময়ও স্বয়ংসেবকদের গণবেশ পরতে দেখা যায়না। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) গরিমাকে খাটো করতেই এই দুর্বল চিত্রনাট্য সাজিয়েছে তৃণমূল।

    যুবকের পরিচয়…

    সূত্র মারফত জানা গেছে, ওই যুবকের নাম উজ্জ্বল খাঁ। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের জোতশ্রী গ্রামে। এলাকার সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত সে। সঙ্ঘের সঙ্গে কস্মিনকালেও তার যোগাযোগ ছিলনা বলেই জানা যাচ্ছে। বিরোধী মহলের কটাক্ষ, বড়োই দুর্বল চিত্রনাট্য সাজিয়েছে তৃণমূল। নাটকের মূল চরিত্র উজ্জ্বলের মানসিক বিকৃতিও রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: জামুরিয়ায় বিজেপি বুথ এজেন্টের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: জামুরিয়ায় বিজেপি বুথ এজেন্টের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামুরিয়ার বিজয়নগর জঙ্গলের কাছে ছাইগাদায় এলাকার বিজেপি (BJP) বুথ এজেন্টের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম অশোক চক্রবর্তী। তাঁর বয়স ৩০ বছর। বাড়ি হিজলগড়া গ্রামের সূত্রধরপাড়া। দেহ উদ্ধার করে কেন্দা ফাঁড়ির পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গত এপ্রিল মাসেই জামুরিয়ার রাস্তার ওপরেই বিজেপি (BJP) ওয়ার্ড কনভেনার রাজেন্দ্র সাউয়ের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়েছিল। এক মাসের মধ্যেই রবিবার সেই জামুরিয়া এলাকায় বুথ এজেন্ট খুন হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    শনিবার সন্ধ্যায় অশোকবাবু বাড়ি থেকে বের হন। রাত ১১ টা পর্যন্ত এলাকার লোকজন তাঁকে শেষবার দেখতে পেয়েছিলেন। তারপর থেকে তাঁর আর হদিশ ছিল না। তিনি গত লোকসভা উপ নির্বাচনে বিজেপির (BJP) বুথ এজেন্ট ছিলেন। অশোকের দাদা ধনঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ছাইগাদা এলাকায় মৃতদেহ পড়ে রয়েছে শুনে আমি সেখানে যাই। গিয়ে দেখি, ভাইয়ের ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে রয়েছে। আমাদের আশঙ্কা, ভাইকে খুন করা হয়েছে। তবে, অশোককে কে এই এলাকায় নিয়ে এসে খুন করল তার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন পরিবারের লোকজন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলা সভাপতি দিলীপ দে সহ একাধিক নেতা অশোকবাবুর বাড়ি যান। পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন। পরিবারের লোকজনও বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের কাছে সিবিআই তদন্তের দাবি করেন। দিলীপবাবু বলেন, অশোক আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। নির্বাচনে তিনি বুথ এজেন্ট ছিলেন। তাঁকে খুন করা হয়েছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। আমরা খুনের ঘটনার প্রকৃত তদন্ত দাবি করছি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল সন্ত্রাস করতেই এই কাজ করেছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, তৃণমূল কোনওভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আমরা ঘটনার প্রকৃত তদন্ত করছি। পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি দেখছে। প্রয়োজনে আমি নিজে ওই যুবকের বাড়ি যাব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত থেকে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত থেকে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত থেকে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রবিবার বিকেলে পটাশপুরের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, বাংলায় পরিবর্তন হবে তো? কর্মী-সমর্থকরা সকলেই তাঁর সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। এরপরই বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, পঞ্চায়েত থেকেই পরিবর্তন শুরু করতে হবে। জোরদার লড়াই করতে হবে। আমরা এই রাজ্যে নরেন্দ্র মোদির আশীর্বাদধন্য রাষ্ট্রবাদী সরকার গঠন করব।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, কর্ণাটক নির্বাচনের ফল দেখে স্লোগান ধার করে মমতা বলছেন, নো ভোট টু বিজেপি। আমরা আগেই বলেছি, আবারও বলছি নো ভোট টু মমতা। তৃণমূল মানেই চোর। এরপর তিনি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে স্লোগান দিয়ে বলেন, চোর ধরো জেলে ভরো।

    রাজ্য পুলিশকে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই এদিন পটাশপুরের সভা হয়। সেই সভা থেকে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। এদিন পটাশপুরের সভা থেকে বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা পুলিশ তৃণমূলকে বাঁচাতে পারবে না। পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ তৃণমূলের ক্যাডারে পরিণত হয়েছে। আমি অনেক মাতব্বরকে সাইজ করেছি। এখানকার চুনোপুঁটিদের কী ওষুধ দিতে হবে তা আমার জানা আছে। পটাশপুরের একটা ওসি আছে কি নাম তার যেন রাজু কুণ্ডু না হুন্ডু, এর তো বাচ্চা বয়স এখনও কাটেনি। একেও আমি টাইট করে দিয়েছি। এর পুলিশ বাবা অমরনাথও ওঁকে বাচাঁতে পারবে না। আবারও আমি পটাশপুরের সিংদাতে সভা করবো। আপনারা ভয় পাবেন না। আমি রাস্তায় আছি। মিথ্যে মামলা দিয়ে, ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ হবে না। আমি নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছি। আপনারা প্রস্তুত থাকুন পঞ্চায়েতও আমরা জিতব। পূর্ব ঘোষণা মতো পটাশপুরে বিশাল পদযাত্রা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেই পদযাত্রায় প্রায় হাজার দশেক বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা পা মেলান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Publicity: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    Publicity: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বাধীন বিজেপি (BJP) সরকার। তার পর থেকে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের জন্য একের পর এক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছে মোদি সরকার। গত ৯ বছরে মোদি সরকারের এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তবে সরকারের সেই সব প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষ বিশেষ জানেন না। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সব জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হল মোদি সরকার (Publicity)। ভিডিও এবং লিখিতভাবে ওই সব প্রকল্প তুলে ধরা হবে আমআদমির কাছে। গত ৯ বছরে মোদি সরকারের সাফল্যই বা কী, তাও জানানো হবে জনতা জনার্দনকে।

    প্রচারে (Publicity) কী কী তুলে ধরা হবে…

    MyGov.in এই প্ল্যাটফর্মেও তুলে ধরা হবে সরকারের সাফল্যের খতিয়ান। বিগত বছরগুলিতে সরকার কী কী জনকল্যাণমূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছে, তাতে সাফল্যই বা কেমন তথ্য সহকারে সেগুলি জানানোর জন্য কেন্দ্রের সমস্ত মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন ওই প্ল্যাটফর্মের সিইও আকাশ ত্রিপাঠী। ভিডিও মাধ্যমেও তুলে ধরা হবে সাফল্যের খতিয়ান। এজন্য বিভিন্ন রাজ্য সরকার কিংবা ফিল্ড অফিসারের কাছ থেকে প্রকৃত উপভোক্তা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছেন আকাশ। ত্রিপাঠীর চিঠিতে এও বলা হয়েছে, ভিডিও যেন হাই রেজ্যুলেশনের হয়। সাউন্ড কোয়ালিটিও যেন উন্নত মানের হয়। প্রতিটি ভিডিও (Publicity) হবে ১ থেকে ৩ মিনিটের মধ্যে। তাতে দেখানো হবে, কোন প্রকল্পে কী কী সুবিধা মেলে, যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, তাঁদের বক্তব্যই বা কী, প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ায় যাঁরা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, সেসবই তুলে ধরা হবে ওই ভিডিওয়।

    আরও পড়ুুন: কোহিনূর ফেরাতে চালু হচ্ছে ‘রেকনিং উইথ দ্য পাস্ট’, জানুন এই অভিযান সম্পর্কে

    দৃশ্য কিংবা লেখ্য, যে মাধ্যমেই প্রকল্পগুলি সম্পর্কে কিছু তুলে ধরা হবে, সেগুলির বাক্য যেন ছোট হয়। টেকনিক্যাল কোনও শব্দ যেন ব্যবহার না করা হয়। কঠিন শব্দও এড়িয়ে চলাই ভাল। বক্তব্য যেন সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয়। প্রচারে তুলে ধরা হবে ২০১৪র প্রাক-বিজেপি সরকারের আমলের কথা। তৎপরবর্তী সময়ে মোদি সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি কীভাবে সাধারণ মানুষের উপকারে লাগছে, সেগুলিও ফলাও করে বলা হবে। কেবল তাই নয়, দেশে-বিদেশে মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প কীভাবে সমাদৃত হচ্ছে, তাও তুলে ধরা হবে প্রচার (Publicity) মাধ্যমে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly Election: কংগ্রেসের দখলে কর্নাটক, অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    Karnataka Assembly Election: কংগ্রেসের দখলে কর্নাটক, অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) দখলে কর্নাটক (Karnataka)। রাজ্য বিধানসভার (Karnataka Assembly Election) মোট আসন সংখ্যা ২২৪। ম্যাজিক ফিগার ১১৩। শনিবার সন্ধে ৭টা পর্যন্ত খবরে জানা গিয়েছে, ২২৪টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস একাই পেয়েছে ১৩৬টি। গেরুয়া ঝুলিতে গিয়েছে ৬৪টি আসন। এইচডি কুমারস্বামীর জনতা দল সেক্যুলার জয়ী হয়েছে ২০টি আসনে। রবিবার বিকেলে বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেস। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে মন্ত্রিসভা নিয়ে।

    কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচনের (Karnataka Assembly Election) ফল এক নজরে

    কংগ্রেস-১৩৬

    বিজেপি-৬৪

    জেডিএস-২০

    অন্যান্য-৪ 

    বিপুল জয়ের জন্য কংগ্রেসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কর্নাটকবাসীর প্রত্যাশা পূরণের জন্য কংগ্রেসকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন তিনি। এদিন বিকেলে ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, কর্নাটক নির্বাচনে যাঁরা আমাদের সমর্থন করেছেন, আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি বিজেপি কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমেরও প্রশংসা করতে চাই। আগামী দিনে আমাদের আরও বেশি করে কর্নাটকের মানুষের সেবা করতে হবে। কর্নাটকের ফলের পরে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদির অধীন বিজেপি কর্নাটকের উন্নয়নের জন্য লড়বে।

    এদিন যাঁরা পরাজিত (Karnataka Assembly Election) হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সিটি রবি। চিকমাগলুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। এই আসনে চারবার বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। এবার হারলেন ৫ হাজার ৯২৬ ভোটে। এই আসনে জয়ী হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী।

    আরও পড়ুুন: উত্তর প্রদেশে ফের জয়জয়কার বিজেপির, পুরভোটে ব্যাপক ফল পদ্ম শিবিরের

    কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের ছেলে প্রিয়াঙ্ক খাড়্গে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও জয়ী হয়েছিলেন তিনি। এবার প্রিয়াঙ্কর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন বিজেপির মণিকান্ত রাঠোর এবং জেডিএসের সুভাষচন্দ্র রাঠোর। প্রিয়াঙ্ক জয়ী হয়েছেন ১৩ হাজার ভোটে। ধরাশায়ী হয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টারও উত্তর কর্নাটক (Karnataka Assembly Election) আসনে কংগ্রেসের টিকিটে লড়ছিলেন দলবদলু এই নেতা। বিজেপিতে লিঙ্গায়েত নেতাদের মধ্যে অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। টিকিট না পেয়ে দল বদলে যোগ দেন সোনিয়া গান্ধীর দলে। প্রার্থী হয়েছিলেন হুবলি-ধারওয়াড় সেন্ট্রালে। হেরেছেন ৩৪ হাজার ভোটে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • UP Election: উত্তর প্রদেশে ফের জয়জয়কার বিজেপির, পুরভোটে ব্যাপক ফল পদ্ম শিবিরের

    UP Election: উত্তর প্রদেশে ফের জয়জয়কার বিজেপির, পুরভোটে ব্যাপক ফল পদ্ম শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশে ফের জয়জয়কার বিজেপির (BJP)। রাজ্যের (UP Election) ৭৫টি জেলার ১৭টি নগরনিগম, ১৯৯টি নগরপালিকা এবং ৫৪৪টি নগর পঞ্চায়েতের সিংহভাগ আসন গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। গত ৪ মে ও ১১ মে দু দফায় ১৭টি পুরসভার নির্বাচন হয়েছে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে। বুথ ফেরত সমীক্ষায় জানা গিয়েছিল, রাজ্যের সিংহভাগ আসনই পাবে বিজেপি। এদিন ফল প্রকাশিত হতে শুরু হতেই ক্রমেই স্পষ্ট হতে শুরু করে সেই ছবি। সিংহভাগ আসন জয়ের পাশাপাশি উপনির্বাচনে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির কাছ থেকে ২টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে পদ্ম শিবিরের সহযোগ দল আপনা দল (সোনেলাল)।

    উত্তর প্রদেশ পুরভোটের (UP Election) ছবি…

    রাজ্যের (UP Election) ১৭টি নগর নিগমের সবকটিই গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। এই তালিকায় রয়েছে রাজধানী লখনউ, প্রয়াগরাজ, কানপুর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসী, মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ যোগীর শহর গোরক্ষপুর এবং অযোধ্যা। সাহারানপুর, আগ্রা, মোরাদাবাদ, ফিরোজাবাদ, মথুরা, ঝাঁসি, মিরাট, গাজিয়াবাদ, বরেলি, শাহজাহানপুর এবং আলিগড়ও রয়েছে এই তালিকায়। এই নগরনিগমগুলির মেয়রপদের পাশাপাশি ১,৪০১টি ওয়ার্ডের কর্পোরেটর পদের ৫০ শতাংশেরও বেশি আসন গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে।

    জানা গিয়েছে, ১৯৯টি নগরপালিকার মধ্যে বিজেপি ৮৮টি, সমাজবাদী পার্টি ৩৪টি, বিএসপি ২১টি, কংগ্রেস ৫টি এবং নির্দল ও অন্যরা ৪৯টি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে। ৫৪৪টি নগর পঞ্চায়েতের মধ্যে ২০৫টিতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ নির্দলরা। বিজেপি ২০১টি, সমাজবাদী পার্টি ৮৫টি, বিএসপি ৪০টি এবং কংগ্রেস ৯টিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘লোকসভা ভোটে শক্তিশালী হয়ে ফিরব’’, কর্নাটকে ফলের পর প্রতিক্রিয়া বোম্মাইয়ের

    এদিকে, বিজেপির (UP Election) সহযোগী আপনা দল (সোনেলাল) জয়ী হয়েছে দুটি বিধানসভা আসনে। রামপুরের সুয়ার আসনটি তারা ছিনিয়ে নিয়েছে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির কাছ থেকে। গত বছর নির্বাচনে ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন সমাজবাদী নেতা আজম খানের ছেলে আবদুল্লা। ফৌজদারি মামলায় কারাদণ্ড হওয়ায় শূন্য হয় আসনটি। সেখানেই এবার জয়ী হয়েছেন বিজেপি সহযোগী আপনা দলের (সোনেলাল)প্রার্থী। মির্জাপুরের ছানবে কেন্দ্রটিতেও জয় পেয়েছে আপনা দল (সোনেলাল)। এই কেন্দ্রের রাশ ছিল এই দলের হাতেই। দলীয় বিধায়কের মৃত্যুর জেরে হয় উপনির্বাচন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Car: সোদপুরে মেলার মাঠে দাবিদারহীন চারচাকা বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ, কী ছিল গাড়ির ভিতরে?

    Car: সোদপুরে মেলার মাঠে দাবিদারহীন চারচাকা বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ, কী ছিল গাড়ির ভিতরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত এক সপ্তাহ ধরে শুরু হয়েছে মেলা। আর সেই মেলার মাঠে রাখা রয়েছে দুধ সাদা এক্সইউভি-৫০০ গাড়ি (Car)। আর এই গাড়ি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে সোদপুর অমরাবতী এলাকায়। এই অমরাবতীর মাঠে শুরু হয়েছে “পানিহাটি এক্সপো মেলা”। সেই মেলার মঞ্চের পিছনে ভিআইপি গেটের কাছে গত কয়েকদিন ধরে রহস্যজনকভাবে পড়ে থাকা একটি এক্সইউভি গাড়ি শুক্রবার রাতে বাজেয়াপ্ত করে খড়দহ থানার পুলিশ।

    গাড়ির (Car) ভিতর থেকে কী বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গাড়িটির (Car) রেজিস্ট্রেশন রয়েছে বাঁকুড়া আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের। নথি অনুযায়ী গাড়িটি সেলিম মিদ্যা নামে এক ব্যক্তির। গাড়িটির (Car) বয়স প্রায় ১০ বছর। কিন্তু বাঁকুড়ার গাড়ি সোদপুরে এল কী করে তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে গাড়িটি ওই মাঠে রাখা ছিল। ওই গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৬ টি মোবাইল ফোন ও টাকা গোনার মেশিন। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে বেশকিছু প্যান কার্ড, এটিএম কার্ড, প্রেস কার্ড, নথিপত্র সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী। শনিবার পর্যন্ত গাড়ির মালিকের হদিশ মেলেনি।

    কী বললেন মেলা কমিটির উদ্যোক্তারা?

    গাড়িটির (Car) কোনও মালিকানা না পাওয়ায় মেলা উদ্যোক্তারা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেন। পরে, বিষয়টি নজরে আসে খড়দহ থানার পুলিশের। এরপরই পুলিশ গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। মেলা কমিটির মুখ্য সংগঠক তথা পূর্ব পানিহাটি তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মনোময় রায় বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে গাড়িটি মাঠে পড়েছিল, আমরা পাড়াতে খোঁজখবর নিয়েছিলাম। কিন্তু গাড়ির মালিকানার বিষয় কেউ কিছু বলতে পারেনি। এরপর পুলিশ মেলার মাঠ খতিয়ে দেখতে আসলে আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানাই। পুলিশ গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। গাড়ির (Car) ভিতরে কী ছিল তা আমরা জানতাম না। কারণ গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে লক করা ছিল।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির যুব নেতা জয় সাহা বলেন, একটি গাড়ি (Car) থেকে যদি টাকা গোনার মেশিন উদ্ধার হতে পারে, তাহলে কেন ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হবে না। বিষয়টি প্রশাসনের খুব গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখা উচিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Basavaraj Bommai: ‘‘লোকসভা ভোটে শক্তিশালী হয়ে ফিরব’’, কর্নাটকে ফলের পর প্রতিক্রিয়া বোম্মাইয়ের

    Basavaraj Bommai: ‘‘লোকসভা ভোটে শক্তিশালী হয়ে ফিরব’’, কর্নাটকে ফলের পর প্রতিক্রিয়া বোম্মাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক (Karnataka) বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পথে কংগ্রেস (Congress)। হার স্বীকার করে নিল বিজেপি (BJP)। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ কর্নাটকে কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১৩০টি আসনে। বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৬৬টি আসনে। এইচডি কুমারস্বামীর জনতা দল (সেক্যুলার) এগিয়ে রয়েছে ২২টি আসনে। অন্যরা পেয়েছে ৬টি আসন। কর্নাটকের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বাসবরাজ বোম্মাই (Basavaraj Bommai) বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপি কর্মীদের মরিয়া চেষ্টা সত্ত্বেও আমরা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারিনি। পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশিত হলে হারের কারণ পর্যবেক্ষণ করে দেখব আমরা। এই ফল মাথা পেতে নিচ্ছি। তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনে শক্তি বাড়িয়ে ফিরে আসব।

    বাসবরাজ বোম্মাইয়ের (Basavaraj Bommai) স্বীকারোক্তি… 

    কর্নাটক বিধানসভার আসন সংখ্যা ২২৪। সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৩টি আসন। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ম্যাজিক সংখ্যার চেয়ে ১৭টি আসনে এগিয়ে ছিল কংগ্রেস। তার পরেই হার স্বীকার করে নেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমার একাই কনকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পেয়েছেন ৭০ শতাংশ। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে কর্নাটক বিধানসভা (Basavaraj Bommai) নির্বাচনে বিজেপির জয় জরুরি ছিল। চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে রাজস্থান সহ একাধিক রাজ্যে। সেই কারণেও জয় প্রয়োজন ছিল পদ্মশিবিরের। আবার কংগ্রেসের কাছেও কর্নাটক দখল জরুরি ছিল। প্রথমতঃ, লোকসভা নির্বাচনের আগে কর্নাটকে দলের এই জয় নিঃসন্দেহে অক্সিজেন জোগাবে সোনিয়া গান্ধীর দলকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দালালের মাধ্যমে শিক্ষকের চাকরি বিক্রি করেছেন পার্থ-মানিক’’! রায়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    দ্বিতীয়তঃ, দীর্ঘদিন পরে নির্বাচনের মাধ্যমে কংগ্রেসের রাশ গিয়েছে গান্ধী পরিবারের বাইরের কারও হাতে। বর্তমানে দলের রশি রয়েছে মল্লিকার্জুন খাড়্গের হাতে। কর্নাটক তাঁর নিজের রাজ্য। তাই এই জয় দলের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে প্রমাণ করার জন্যও তাঁর কাছে জরুরি ছিল। এর আগে হিমাচল প্রদেশে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। এবার বিজয় হল কর্নাটক। তবে লোকসভা নির্বাচনে সোনিয়া গান্ধীর দল কতটা হালে পানি পাবে, তা বলবে সময়। দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রীর যে তুঙ্গ জনপ্রিয়তা, সেই পানশি ভাসিয়েই বিজেপি অনায়াসে নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়ে যাবে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। এদিকে, এদিন বেলা ৩টে পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ৩৬টি আসনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। এগিয়ে রয়েছে আরও ১০১টিতে। বিজেপি (Basavaraj Bommai) জয়ী হয়েছে ১৭টি আসনে। এগিয়ে রয়েছে ৪৫টিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share