Tag: bjp

bjp

  • Suvendu Adhikari: লটারির টাকায় রাজ্যজুড়ে নবজোয়ার তৃণমূলের! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: লটারির টাকায় রাজ্যজুড়ে নবজোয়ার তৃণমূলের! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলে নবজোয়ার নামে জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আর এই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক জেলায় ব্যালট ছিনতাই, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সন্ধ্যায় হুগলির উত্তরপাড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ডিয়ার লটারির টাকায় নবজোয়ার কর্মসূচি চলছে। লটারির টাকায় তৃণমূলের নবজোয়ার। ইনকাম ট্যাক্সের রিটার্নে লটারির উল্লেখ করেছে। তৃণমূলের নির্বাচনী বন্ডে মাসে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা দেয় এই লটারি সংস্থা। আমার কাছে সব তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে বঞ্চনা করার এই ব্যবসা বন্ধ করব। সাবধান ডিয়ার লটারি, সাবধান পশ্চিমবঙ্গের জনগন, সাবধান তৃণমূল। চলছে নবজোয়ার, যাচ্ছি আমি তিহাড়।

    দলত্যাগী এক বিধায়কের বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে সরব শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া কৃষ্ণকল্যাণীর বাড়িতে কিছুদিন আগেই আয়কর হানা দেয়। সেই প্রসঙ্গে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ভিতরে বিজেপি, বাইরে তৃণমূল এমন একজন বিধায়কের বাড়িতে তিনদিন ধরে আয়কর হানা দিয়েছিল। আপনারা সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছেন। কিন্তু, ফলাফলটা পাননি। শুনে রাখুন, আমি যা বলি দায়িত্ব নিয়ে বলি। ওই মমতাভক্তের বাড়ি থেকে ৩ কোটি টাকা নগদ এবং ৬ কোটি টাকার গয়না উদ্ধার হয়েছে। আয়কর দফতরকে বলব, বিরোধী দলনেতার অভিযোগ সত্যি হলে, সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।

    সিপিএম, কংগ্রেস কর্মীদের কী বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, সিপিএম এখন সাইনবোর্ড। কয়েকদিন আগে এই জায়গায় সিপিএম মিছিল করেছে। তাদের কোনও অনুমতি লাগেনি। অথচ আমাদের হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে মিছিল করতে হচ্ছে। তাহলেই ভাবুন সেটিংটা কে করছে। তাঁর কটাক্ষ, এই সিপিএমের দোসর কংগ্রেস। তাদের দিল্লির নেতারা এই চোর সরকারদের বাঁচাতে আইনি লড়াই করছেন। ভাবতে পারেন? এরপরই সিপিএমের উদ্দেশে তিনি বলেন এদের কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের খুনের প্রতিবাদে পাবেন না, রিষড়া, শিবপুরে ইনসাফ মিছিলে পাবেন না, এই দল সাইনবোর্ড হয়ে গিয়েছে। বেশি কথা বলবনা। শুধু বলবো যে কজন এখনো আছেন তাঁরা চলে আসুন। আমরাই পারবো সাফ করতে। গত মাসের ২ তারিখে রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে রিষড়া এলাকায় ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যায়। রক্তাক্ত হন পুরশুরার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ সহ অনেকেই জখম হন। পুলিশও সেদিন আক্রান্ত হন। এই রেশ দু তিনদিন ধরে চলে। ওই ঘটনার জেরে পুলিশ প্রচুর লোককে ধরপাকড় করে। যদিও পরবর্তীকালে সবাই প্রায় জামিনে ছাড়া পেয়ে যায়। ওই দিন যে সমস্ত রামভক্তরা মার খেয়ে, জেল খেটে বেড়িয়েছেন তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে হিন্দমোটর ধারসা মোড় থেকে উত্তরপাড়া কোতরং পর্যন্ত পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। যদিও এই মিছিলের অনুমতি স্থানীয় পুলিশ দেয়নি। শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মোহন আদক হাইকোর্ট থেকে আইনি লড়াইয়ে অনুমতি বার করে আনেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Karnataka Assembly: পড়ল রেকর্ড ভোট, ত্রিশঙ্কু হবে কর্নাটক বিধানসভা?

    Karnataka Assembly: পড়ল রেকর্ড ভোট, ত্রিশঙ্কু হবে কর্নাটক বিধানসভা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার নির্বিঘ্নেই শেষ হল কর্নাটক বিধানসভা (Karnataka Assembly) নির্বাচন। ভোট হয়েছে বিধানসভার ২২৪টি আসনেই। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬৫.৬৯ শতাংশ। নির্বাচনের ফল বেরবে ১৩ মে। তবে এবার বিধানসভা হতে পারে ত্রিশঙ্কু। পাঁচটি এক্সিট পোলের (Exit Poll) ইঙ্গিত অন্তত তাই। কিংমেকার হতে পারে এইচডি কুমারস্বামীর জনতা দল সেকুলার। যে দল ক্ষমতায় আসবে, তাদের পেতে হবে ম্যাজিক ফিগার ১১৩টি আসন।

    কর্নাটক বিধানসভা (Karnataka Assembly) নির্বাচন…

    এবিপি নিউজ-সি ভোটারের (Karnataka Assembly) সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি পেতে পারে ৮৩-৯৫টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ১০০-১১২টি আসন। কুমারস্বামীর দল পেতে পারে ২১-২৯টি আসন। অন্যদের ভাগ্যে জুটতে পারে ২-৬টি আসন। ইন্ডিয়া টিভি-সিএনএক্সের সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি পেতে পারে ৮০-৯০টি, কংগ্রেস ১১০-১২০টি, কুমারস্বামীর দল ২০-২৪টি এবং অন্যরা ১-৩টি আসন। নিউজ নেশান-সিজিএসের ভবিষ্যদ্বাণী, বিজেপি পেতে পারে ১১৪টি, কংগ্রেস ৮৬টি, কুমারস্বামীর দল ২১টি এবং অন্যরা ৩টি আসন। রিপাবলিক টিভি-পি এমএআরকিউয়ের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি ৮৫-১০০টি, কংগ্রেস ৯৪-১০৮টি, কুমারস্বামীর দল ২৪-৩২টি এবং অন্যরা ২-৬টি আসন পেতে পারে।

    সুবর্ণ নিউজ-জন কি বাতের মতে, বিজেপি পেতে পারে ৯৪-১১৭টি, কংগ্রেস ৯১-১০৬টি, কুমারস্বামীর দল ১৪-২৪টি এবং অন্যরা ০-২টি আসন পেতে পারে। টাইমস নাও-ইটিজির সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি ৮৫টি, কংগ্রেস ১১৩টি, কুমারস্বামীর দল ২৩টি এবং অন্যরা ৩টি আসন পেতে পারে। টিভি ৯ ভারতবর্ষ-পোল্সট্রাটের (Karnataka Assembly) সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি পেতে পারে ৮৮-৮৯টি, কংগ্রেস ৯৯-১০৯টি, কুমারস্বামীর দল ২১-২৬টি এবং অন্যরা ০-৪টি আসন। জি নিউজ মার্টিজের সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি পেতে পারে ৭৯-৯৪টি, কংগ্রেস ১০৩-১১৮টি, কুমারস্বামীর দল ২৫-৩৩টি এবং অন্যরা পেতে পারে ২-৫টি আসন।

    আরও পড়ুুন: ইমরানকে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, পাকিস্তানে এমন ঘটনা ঘটেছে আগেও

    কর্নাটকের (Karnataka Assembly) শাসন ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। বিরোধী দল কংগ্রেস। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে কুমারস্বামীর দল। রয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিও। তবে এক্সিট পোলের ভবিষ্যদ্বাণী মিললে এবার ত্রিশঙ্কু হতে চলেছে বিধানসভা। যদিও কুমারস্বামীর দল যাদের সঙ্গ নেবে, শেষ হাসি হাসবে তারাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “অভিযোগের মধ্যেই রাজনীতি রয়েছে”, কনভয়কাণ্ডে আদালতে সওয়াল শুভেন্দুর আইনজীবীর

    Suvendu Adhikari: “অভিযোগের মধ্যেই রাজনীতি রয়েছে”, কনভয়কাণ্ডে আদালতে সওয়াল শুভেন্দুর আইনজীবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অভিযোগের মধ্যেই রাজনীতি রয়েছে। প্রথম গাড়িতে ছিলেন বিরোধী দলনেতা। দুর্ঘটনা ঘটে সাত নম্বর গাড়িতে।” কনভয় বিতর্কে বুধবার এই কথাই বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। চণ্ডীপুরকাণ্ডে সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcatta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু। সেই মামলার শুনানিতে সওয়াল করতে গিয়ে এদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার বলেন, রাজ্য কথা দেওয়ার পরেও কনভয়ে সঠিক নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, অভিযোগের মধ্যেই রাজনীতি রয়েছে। তবে শুভেন্দু সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেও, মৃতের পরিবারের দাবি সিআইডি তদন্তের। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বৃহস্পতিবার।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আইনজীবীর দাবি…

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) আইনজীবী জানান, চণ্ডীপুরের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। কনভয়ের ৭-৮ নম্বর গাড়িতে দুর্ঘটনা। এই ঘটনা ঘটতই না যদি হাইকোর্টের নির্দেশ মতো রাজ্য শুভেন্দু অধিকারীর সুরক্ষা বলয়ের জন্য পদক্ষেপ করত। তাঁর দাবি, তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হোক। এফআইআরের ওপরও স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক।

    বৃহস্পতিবার রাতে দিঘা নন্দকুমার জাতীয় সড়কের চণ্ডীপুরে গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয় ভৈরবপুরের ইস্রাফিল খানের। শুভেন্দুর কনভয়ের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে এই অভিযোগ তুলে চণ্ডীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ইস্রাফিলের বাবা সফিরউদ্দিন। ঘটনায় গাড়ির চালককে আটক করেছে পুলিশ। মৃতদেহ নিয়ে শুভেন্দুর বাড়ির সামনে প্রতিবাদ মিছিলও করে তৃণমূল।

    আদালতে (Calcatta High Court) শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী জানান, আরটি ভেহিক্যালস, ক্যামেরা, রুট লাইনিং এই তিনটি বিষয় জেড সুরক্ষা বলয়ে সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব রাজ্যের। হাইকোর্টের নির্দেশে এই তিনটি বিষয় শুভেন্দুর সুরক্ষা বলয়ে দেওয়ার কথা রাজ্যের। রাজ্য না দেওয়ায় দুবার রাজ্য পুলিশের কাছে আবেদন করেন শুভেন্দু। যদিও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আবেদন কানে তোলেনি রাজ্য। শুভেন্দুর কেন্দ্রীয় সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কর্তব্যরত কোনও জওয়ানকে এভাবে গ্রেফতার করা যায় না। কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনও কর্তব্যরত সিআরপিএফ জওয়ানকে গ্রেফতার ও একদিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আইনজীবীর দাবি, চণ্ডীপুরের ঘটনায় এফআইআর ও পুলিশের পদক্ষেপ নির্দষ্ট স্বার্থসিদ্ধির জন্য।

     

  • Suvendu Adhikari: “গীতাঞ্জলির বিকল্প কথাঞ্জলি নয়”, নাম না করে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গীতাঞ্জলির বিকল্প কথাঞ্জলি নয়”, নাম না করে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গীতাঞ্জলির বিকল্প কথাঞ্জলি নয়”। মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নাম না করে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার ২৫ বৈশাখ উপলক্ষে রবীন্দ্র স্মরণের আয়োজন হয়েছিল সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে। ওই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মমতাকে নিশানা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, এটা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বাংলা। গীতাঞ্জলির বিকল্প কথাঞ্জলি হতে পারে না। এই সাংস্কৃতিক অবক্ষয় থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নিশানায় মমতা…

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পূণ্য হউক পূণ্য হউক পূণ্য হউক হে ভগবান…এর বিকল্প হতে পারে না এপাং ওপাং ঝপাং, আমরা সবাই ড্যাং ড্যাং। এদিকে, মমতাকে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। রাজ্যে দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সে প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, দ্য কেরালা স্টোরি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি একটি সিনেমা। আসলে এই ধরনের ঘটনা বাংলায়ও হয়। তাই মুখ্যমন্ত্রী এই ছবি প্রদর্শন করতে দিচ্ছেন না।

    তাঁর অভিযোগ, বাংলার মেয়ে বাংলাদেশে জেএমবি-র হয়ে টাকা তুলতে গিয়ে ধরা পড়েন। তারপর (Suvendu Adhikari) তাঁকে মগজধোলাই করে, ধর্মান্তর করে বিয়ে করা হয় এবং তাঁকে জেএমবি-র কাজে লাগানো হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও জায়গায় পোস্টার লাগানো চলবে না। জোর করে এই ছবির প্রদর্শন বন্ধ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আসলে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করছেন।

    আরও পড়ুুন: নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি! মমতাকে আইনি নোটিস বিবেক অগ্নিহোত্রীর

    বিজেপির এই অধ্যাপক নেতা বলেন, বিরোধীরাই তো বলেন, সন্ত্রাসবাদের কোনও সংগঠন হয় না। কেন তাহলে মুখ্যমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে ধর্মকে জড়াচ্ছেন? এর আগেও অনেক দায়িত্ব উনি নিয়েছেন। কিন্তু কোনও দায়িত্ব উনি পালন করেননি। এখন সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ধর্মকে মিশিয়ে রাজনীতি করতে চাইছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের অশান্তির আশঙ্কা করছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ২০১৮ সালেই পঞ্চায়েত ভোটে ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আবারও পঞ্চায়েত ভোট আসছে। সেখানেও জোর করে ভোট করানোর চেষ্টা হবে। সন্ত্রাসের আবহে ভোট হবে। তিনি বলেন, অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচি চূড়ান্ত ফ্লপ। গতকালের কর্মসূচিতেও দেখা গিয়েছে চেয়ার ফাঁকা ছিল। তৃণমূলে টাকার বিনিময়ে টিকিট বিলি হয় বলেও অভিযোগ তাঁর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly Election 2023: সকাল থেকে ভোটদাতাদের লম্বা লাইন! কর্নাটকে শুরু ভোটগ্রহণ

    Karnataka Assembly Election 2023: সকাল থেকে ভোটদাতাদের লম্বা লাইন! কর্নাটকে শুরু ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২৪ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় শুরু হল ভোটগ্রহণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এক দফাতেই হচ্ছে নির্বাচন। বুধবার সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকেই রাজ্যের প্রতিটি বুথে দেখা গিয়েছে ভোটারদের লম্বা লাইন। ভোট গণনা হবে আগামী শনিবার (১৩ মে)। 

    ক্ষমতা দখলের লড়াই

    এবারের কর্নাটকে ক্ষমতা দখলের লড়াইতে রয়েছে তিন দল। ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে কংগ্রেস ও জনতা দল (সেকুলার) বা JD (S)। ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২ হাজার ৬১৫ জন প্রার্থী। কর্নাটকে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ৩১ লাখ ৩৩ হাজার ৫৪। তাঁদের মধ্যে প্রথম বারের ভোটারের সংখ্যা ১১ লক্ষ ৭১ হাজার। মোট ভোটারদের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৬৬ লক্ষ পুরুষ এবং ২ কোটি ৬২ লক্ষ মহিলা। বিপুল সংখ্যক ভোটার ৫৮ হাজার ৫৪৫টি বুথে ভোট দেবেন। এদিন সকাল সকাল ভোট দেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। বেঙ্গালুরুর একটি বুথে ভোট দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে আবার সকালে বিভিন্ন মন্দিরে পুজোও দেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই, বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সিটি রবি, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমার এবং তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (কংগ্রেস), জগদীশ শেট্টার (কংগ্রেস) এবং এইচডি কুমারস্বামী (জেডি-এস)।

    প্রধানমন্ত্রীর আর্জি

    কর্নাটকের জনগণকে, বিশেষ করে বিপুল সংখ্যক তরুণ এবং প্রথমবারের ভোটারদের ভোটদানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উৎসবকে সমৃদ্ধ করার জন্য আর্জি জানিয়ে এদিন সকালে ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ্য, ভোটের মুখে বুধবার কর্নাটকবাসীকে খোলা চিঠি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে নমো কর্নাটকবাসীর স্বপ্নকেই তাঁর স্বপ্ন বলে উল্লেখ করেছেন। 

    কর্নাটকবাসীকে ‘সুশাসন ও উন্নয়ন’-র জন্য বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। “কর্নাটকের সমস্ত ভাই-বোনদের কাছে আবেদন, নির্বাচনের দিন ঘর থেকে বেরিয়ে ভোট দিন। আপনাদের একটা ভোটই উন্নয়নশীল সরকার গঠনে পাথেয় হবে। রাজ্যকে নতুন দিশা দেখাবে।” ট্যুইটে লেখেন শাহ।

  • Calcutta High Court: খেজুরির ৬১ বিজেপি কর্মীকে ঘরে ফেরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের, দিতে হবে নিরাপত্তাও

    Calcutta High Court: খেজুরির ৬১ বিজেপি কর্মীকে ঘরে ফেরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের, দিতে হবে নিরাপত্তাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে ঘর ছাড়া ছিলেন তাঁরা। এবার বিজেপির (BJP) ঘর ছাড়া ৬১ জন কর্মীকে ঘরে ফেরানোর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, দীর্ঘদিন যাঁরা ঘর ছাড়া, তাঁদের ফেরাতে উদ্যোগী হতে হবে পুলিশকেই। তবে যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপেও ছাড় দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। আদালতের নির্দেশ, ঘর ছাড়াদের মঙ্গলবারই ফেরাতে হবে খেজুরির শেরখান চকে। নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, ঘর ছাড়াদের ঘরে ফেরানোর পর গোটা এলাকায় অন্তত ৮জন পুলিশ কর্মীকে নিরাপত্তা দিতে হবে। ঘর ছাড়াদের এলাকায় লাগাতে হবে সিসিটিভিও। মামলা চলাকালীন যাতে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ডিলিট না হয়, তাও নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে শেরখানচক এলাকার ওই ৬১জন বিজেপি কর্মী ঘর ছাড়া রয়েছেন বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, তাঁদের একাধিকবার ঘরে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও, তা সফল হয়নি। বিজেপির অভিযোগ, শাসক দলের হুমকির ফলে অনেকেই ঘরে ফিরতে পারছেন না। যদিও তৃণমূলের দাবি, হামলা চালানোর পর ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে নন্দীগ্রামে গিয়ে বসবাস করছেন বিজেপির ওই কর্মীরা। কাউকে বাড়ি ফিরতে বাধা দেওয়া হয়নি।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ…

    সোমবার হয় ওই মামলার শুনানি (Calcutta High Court)। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, ঘর ছাড়াদের ঘরে ফেরাতে উদ্যোগী হতে হবে রাজ্যকেই। যেহেতু এলাকায় বিস্ফোরণের অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনের ধারাও যুক্ত করতে হবে পুলিশকে।ঘর ছাড়াদের এলাকায় লাগাতে হবে সিসিটিভিও। মামলা চলাকালীন যাতে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ডিলিট না হয়, তাও নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

    আরও পড়ুুন: “মমতা কি আইএসআইএসের প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ, পরিস্থিতি উপলব্ধি করেই কোর্ট এমন নির্দেশ দিতে বাধ্য হল। এদিন শুনানির (Calcutta High Court) সময় সরকারি আইনজীবী বলেন, যাঁরা বাড়িতে নেই, তাঁদের কারও কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, কেউ আবার ভিন রাজ্যে কাজ করেন। বিচাপতির মান্থার নির্দেশ, যাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে পুলিশ আইনত পদক্ষেপ করতে পারবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতা কি আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতা কি আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখানো নিষিদ্ধ করেছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকার। রাজ্য সরকারের এহেন সিদ্ধান্তে মমতাকে কার্যত ধুয়ে দিল বিজেপি (BJP)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ একাধিক পদ্ম-নেতা নিশানা করেছেন রাজ্য সরকারকে। ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, “আমি যতটুকু জানি, কেরলে কীভাবে মহিলাদের মগজ ধোলাই করেন কট্টরপন্থী ধর্মগুরুরা, তা-ই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে কেরলে মহিলাদের ধর্মান্তরিত করে আফগানিস্তান, ইয়েমেন, সিরিয়ায় আইএসআইএসের হয়ে যুদ্ধ করতে পাঠানো হয়ে থাকে। আইএসআই এবং তাদের কার্য পদ্ধতির বিরুদ্ধাচরণ করে তৈরি হয়েছে ছবিটি। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি আইএসআইএসের প্রতি সহানুভূতিশীল?”

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট-বাণ…

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তাঁর ট্যুইটের সঙ্গে শাবানা আজমির একটি ট্যুইটের স্ক্রিন শট দিয়েছেন। যেখানে অভিনেত্রী এই ছবি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। শুভেন্দু লেখেন, “এই ছবি দেখানো হলে কেন আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবে? ছবি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।

    আর যদি মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে না পারেন, তাহলে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত”। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে দিল তৃণমূল আসলে কাদের দল। আগেই মুখ্যমন্ত্রী তোষণের নির্লজ্জ নজির দেখিয়েছেন। এবার জেহাদিদের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন। শিল্পের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা নিয়ে তৃণমূলের কোনও কথা বলার অধিকার নেই”।

    বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ধিক্কার জানাচ্ছি। এই সিদ্ধান্ত ধর্মীয় মৌলবাদের কাছে আত্মসমর্পণের একটি নিদর্শন”। তিনি বলেন, “লাভ জিহাদ বিজেপির (Suvendu Adhikari) তৈরি করা নয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমগ্র সংখ্যালঘু সমাজকে আজ অপমান করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”।

    শমীক বলেন, “ভারতবর্ষে বসবাসকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজন নিজের দেশকে দেশ বলে মনে করেন না, এটা আমরা কখনও মনে করি না। কেবলমাত্র ভোটব্যাঙ্ক তৈরির স্বার্থে সমস্ত সংখ্যালঘুকে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসে তাদের সর্বনাশ করার চেষ্টা করা হচ্ছে”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী অবশেষে থানায় গিয়ে হাজিরা দিলেন

    TMC: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী অবশেষে থানায় গিয়ে হাজিরা দিলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC) নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তী অবশেষে পুলিশের কাছে হাজিরা দিলেন। ৩ মে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই সোমবার তিনি সাইবার ক্রাইম থানায় গিয়ে হাজিরা দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সাড়ে দশটা নাগাদ তিনি সাইবার থানায় আসেন। ডিএসপি পদমর্যাদার এক পুলিশ আধিকারিক তাঁকে আধ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার রাহুল দে বলেন, তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু বলা যাবে না।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে তিন আদিবাসী মহিলা দণ্ডি কেটে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে (TMC) যোগ দেন। দণ্ডি কাটার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রদীপ্তা চক্রবর্তী নামে ওই নেত্রী বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। প্রদীপ্তাকে মহিলার জেলা সভানেত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী গত ২ মে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুরে এসে আদিবাসী তিন মহিলার সঙ্গে দেখা করে ঘোষণা করেছিলেন যে দণ্ডিকাণ্ডে যতবড়ই নেতানেত্রী জড়িত থাকুক না কেন তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিকগত ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেকের হুঁশিয়ারির পরই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত করা হয়। তৃণমূলের (TMC) সেকেন্ড ইন কমান্ড এর ঘোষণার পরদিন ৩ মে দণ্ডি মামলায় প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সাত দিনের মধ্যে হাজিরার নোটিশ পাঠায় পুলিশ। সেই নির্দেশ মেনে এদিন তিনি হাজিরা দিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। ঘটনার পর পরই তাঁর বিরুদ্ধে দলগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়াও চলছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, দণ্ডিকাণ্ডের মতো অমানবিক ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে গ্রেফতারের দাবিতে বিজেপি সহ বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন আন্দোলনে নেমেছিল। এদিন অভিযুক্তকে শুধু জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এসব লোক দেখানো নাটক না করে দণ্ডিকাণ্ডে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে। তার গ্রেফতারের দাবিতে আগামীতে বিজেপি আবার আন্দোলনে নামবে বলে জানান তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ময়নায় বিজেপি কর্মী খুনে নতুন করে আরও তিনজন গ্রেফতার, মোট কতজন গ্রেফতার জানেন?

    BJP: ময়নায় বিজেপি কর্মী খুনে নতুন করে আরও তিনজন গ্রেফতার, মোট কতজন গ্রেফতার জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নায় বিজেপি (BJP) নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া খুনে নতুন করে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিবার রাতে শ্যামপদ মণ্ডল, সাগর মণ্ডল এবং মধুসূদন সাহুকে গ্রেফতার করা হয়। আর আগে এই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মিলন ভৌমিক, নন্দন মণ্ডল, সুজয় মণ্ডলসহ মোট চারজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

    ধৃতদের কোথা থেকে গ্রেফতার করা হল?

    কয়েকদিন আগে বিজেপি (BJP) নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে স্ত্রী, সন্তানের সামনে অপহরণ করে তুলে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। ৩৪ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে বন্‌ধ, প্রতিবাদ মিছিল করে বিজেপি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত তিনজনের বাড়ি ময়না থানার বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোড়ামহল গ্রামে। তারা এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকে তারা কেউ এলাকায় ছিল না। হলদিয়া এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছিল। হলদিয়ার ভবানীচক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বাগচায় একটি ইটভাটাতে দুজন অভিযুক্ত লুকিয়ে ছিল। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করে। এদিকে, পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক উত্তম বারিকের নেতৃত্বে ৩৩ জন বিজেপি কর্মীর নামে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বিজেপি কর্মী খুনের পর পরই বেশ কয়েকটি তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, দলীয় কর্মী খুনের পর বিজেপি এই হামলা চালিয়েছিল। সেই ঘটনার সূত্র ধরেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    গ্রেফতারি নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি আশিস মণ্ডল বলেন, দোষীদের গ্রেফতারে টালবাহানা করছে পুলিশ। এই খুনের পিছনে মূল যারা ষড়যন্ত্রকারী রয়েছে, তাদের ধরার বিষয়ে পুলিশের কোনও হেলদোল নেই। আমাদের দাবি, মূল ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। আর বিচার ব্যবস্থার প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এই খুনের ঘটনার এনআইএ বা সিবিআই তদন্ত হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘জোয়ারের চোটে ব্যালট বাক্স ভেসে যাচ্ছে’’! অভিষেকের কর্মসূচিকে আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘জোয়ারের চোটে ব্যালট বাক্স ভেসে যাচ্ছে’’! অভিষেকের কর্মসূচিকে আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন দলের কর্মীদের কাছে। এ ব্যাপারে বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘ওরা তো টার্গেট দেয় কিন্তু পৌঁছায় কতদূর!’’ এ প্রসঙ্গে দিলীপবাবু (Dilip Ghosh) মনে করিয়ে দেন যে গত লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একইভাবে ৪২ টি আসনের টার্গেট দিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে তারা বাইশে নেমে গিয়েছিল। ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির চমকপ্রদ উত্থানের কথাও বলেন দিলীপবাবু। স্মরণ করান, সে বছর ২ থেকে বিজেপি ১৮ তে পৌঁছায়। 

    দলীয় ভোটেই ব্যালট লুঠ….

    নব জোয়ার কর্মসূচিতে গতকালই ফুটবল খেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেখানে দেখা যায় তাঁর জুতোটা বলের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে, এখানেও কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘এখন ফুটবল খেলতে গিয়ে বলের সঙ্গে জুতো চলে যাচ্ছে, আগে ওটা অল ইন্ডিয়া পার্টি ছিল এখন তা লোকাল হয়ে গেছে।’’ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) আরও কটাক্ষ, ‘‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলে রাজ্যজুড়ে খুনোখুনি শুরু হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচিতে কোচবিহার, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ সর্বত্র দেখা যায় যে দলীয় ভোটেই ব্যালট বাক্স লুঠ হচ্ছে।’’ এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এটাতো হওয়ারই ছিল, মমতাও গিয়েছিলেন মালদাতে কিন্তু তিনি সামলাতে পারেননি কারণ পার্টিটা আজ আর কারও কন্ট্রোলে নেই। এমন জোয়ার আসছে যে ব্যালট বাক্স ভেসে চলে যাচ্ছে। আসলে এটা পঞ্চায়েত ভোটের প্র্যাকটিস ম্যাচ চলছে।’’ পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে তাঁর মন্তব্য যে ভোট লুঠ হলে পুলিশ তো কিছু করবে না, তাই যা করার বিজেপিকেই করতে হবে। তাঁর সংযোজন, ‘‘কেউ যদি ভোট লুঠ করতে আসে তাকে কি আমরা রসগোল্লা খাওয়াবো?’’ ডিএ আন্দোলন নিয়ে মেদিনীপুরের সাংসদের দাবি যে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধর্না দিতে পারছেন, অথচ কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীরা তাদের প্রাপ্য ডিএ-এর দাবিতে আন্দোলন করতে পারেন না? 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share