Tag: bjp

bjp

  • Ratan Tata: রতন টাটার অসুস্থতা নিয়ে ছড়াল ভুয়ো খবর, নস্যাৎ করলেন শিল্পপতি নিজেই

    Ratan Tata: রতন টাটার অসুস্থতা নিয়ে ছড়াল ভুয়ো খবর, নস্যাৎ করলেন শিল্পপতি নিজেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার গভীর রাতে রক্তচাপের সমস্যা এবং শ্বাসকষ্ট নিয়ে মুম্বইয়ের (Mumbai) এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রতন টাটা (Ratan Tata)! সোমবার সকাল এমন ভুয়ো খবরে ছড়াতে থাকে। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমও শিল্পপতির অসুস্থতা নিয়ে খবর করে। শুরু হয়ে যায় রতন টাটার শারীরিক অবস্থা নিয়ে জল্পনা। এমন খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁর অনুরাগীরা। এর পরেই সমস্ত জল্পনা নস্যাৎ করে দিয়ে রতন টাটা নিজেই জানিয়ে দেন, সুস্থ রয়েছেন তিনি।

    আইসিইউ-তে ভর্তির খবরও ছড়ায়

    বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রবিবার গভীর রাতে রতন টাটাকে (Ratan Tata) মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছু সংবাদমাধ্যম আর এক কদম এগিয়ে আরও দাবি করে, আচমকা তাঁর (টাটার) শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়েছে। কিন্তু সোমবার সকালেই এই সব জল্পনা উড়িয়ে দেন খোদ শিল্পপতি নিজেই। তিনি জানান, এ সবই ভুয়ো খবর। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যার কারণে নিয়মমাফিক চেক-আপের জন্যই তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

    আরও পড়ুন: ইদের তুলনায় পুজোর বোনাস কম পরিবহণ কর্মীদের! ‘মমতা সরকার সনাতন বিরোধী’, তোপ বিজেপি নেতার

    কী বললেন রতন টাটা (Ratan Tata)?

    রতন টাটা (Ratan Tata) বলেছেন, ‘‘সম্প্রতি আমার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা জল্পনা রটেছে। আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাই, এ সব খবরই ভুয়ো। বিগত কয়েক দিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যার কারণে নিয়মমাফিক চেক-আপের জন্য হাসপাতালে (Mumbai) যেতে হচ্ছে। চিন্তার কোনও কারণ নেই। আমি সুস্থ আছি। জনগণ এবং সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ, ভুয়ো খবর ছড়াবেন না।’’ প্রসঙ্গত, ১৯৩৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন শিল্পপতি রতন টাটা। বর্তমানে তাঁর বয়স ৮৬ বছর। ১৯৯১ থেকে ২০১২ ও পরবর্তীকালে ২০১৬ – ২০১৭ টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার ছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Yadav: বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করলেন পদ্মশ্রী দুর্গা বাই ব্যাম, জানালেন মোহন যাদব

    Mohan Yadav: বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করলেন পদ্মশ্রী দুর্গা বাই ব্যাম, জানালেন মোহন যাদব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোপাল নিবাসী পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত আদিবাসী শিল্পী দুর্গা বাই ব্যাম (Durga Bai Vyam) রবিবার বিজেপিতে যোগদান করেছেন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব (Mohan Yadav) এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানান। তিনি বলেন, ‘‘গত শনিবার ২০২২ সালে ভারতের শীর্ষ সম্মান পাওয়া দুর্গা বাই আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। এরপর তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাবনায় অনুপ্রাণিত হয়ে বিজেপিতে যোগদান করার সিদ্ধান্ত নেন। জনজাতি সমাজের প্রতিনিধি হয়ে তাঁর অবদান দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। বিজেপি আরও সমৃদ্ধ হবে।” উল্লেখ্য লোকসভার পর বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডা সদস্য অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এরপর থেকে দেশব্যাপী চলছে সদস্যপদ গ্রহণের অভিযান।

    নরেন্দ্র মোদির কাজে মুগ্ধ দুর্গা বাই যাদব (Mohan Yadav)

    রবিবার দিনের বেলায়, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব যাদব (Mohan Yadav), দুর্গা বাই ব্যামের (Durga Bai Vyam) বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই তাঁকে বিজেপি সদস্যতার জন্য নাম নথিভুক্ত করান। দুর্গা বাই-এর এই বিজেপিতে যোগদান সম্পর্কে মোহন যাদব বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে জনজাতি সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করে চলেছেন, তাকে তিনি সমর্থন করেছেন। সারা দেশে জনজাতি সমাজের সার্বিক বিকাশ এবং উন্নয়নের জন্য মুগ্ধ হয়েছেন আদিবাসী শিল্পী দুর্গা বাই ভ্যম। তিনি একাধারে অসামান্য চিত্র শিল্পী। তিনি গোন্ডদের নানা পৌরাণিক এবং লৌকিক কাহিনীর উপর পটচিত্র নির্মাণ করেছেন।”

    আরও পড়ুনঃ পাঁকে পড়েছে অর্থনীতি, ভারত সফরে উল্টো সুর ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচার চালানো মুইজ্জুর

    সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের কাছে বিজেপি

    মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব আরও বলেন, “বিশিষ্ট গোন্ড জনজাতি সম্প্রদায়ের এই কীর্তিমান শিল্পী (Durga Bai Vyam) আমাকে বলেছিলেন, হিন্দু রানী দুর্গাবতীর গৌরব এবং সুশাসন বাড়ানোর জন্য আমাদের দেশের এবং রাজ্যের বিজেপি সরকার কাজ করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে এই জনজাতি সমাজের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন, তাতে আমরা আপ্লুত। রানী দুর্গাবতী ছিলেন গোন্ডা রাজবংশের একজন কিংবদন্তী রানী, যিনি ষোড়শ শতাব্দীতে মুঘল বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন। তাঁর কৃতিত্ব এবং গৌরব গাঁথা মধ্য-ভারতের নর্মদা নদী উপত্যকার কেল্লাগুলিতে সঞ্চিত রয়েছে। পরবর্তীতে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে গোন্ডা সম্প্রদায়ের বিরাট অবদান ছিল। ভারত মায়ের সেবায় এবার দুর্গা বাই ব্যামের যোগদান ভীষণভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।” বিজেপি এই সদস্যার অভিযানে সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের কাছে গিয়ে যে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে, সেকথা ওয়াকিবহাল বহল একান্তভাবেই মনে করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohamed Muizzu: পাঁকে পড়েছে অর্থনীতি, ভারত সফরে উল্টো সুর ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচার চালানো মুইজ্জুর

    Mohamed Muizzu: পাঁকে পড়েছে অর্থনীতি, ভারত সফরে উল্টো সুর ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচার চালানো মুইজ্জুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে এসেই উল্টো সুর মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu)। ভারতকে মলদ্বীপের (Maldives) বন্ধু বলেই আখ্যা দিলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। একইসঙ্গে আরও দাবি করলেন, মলদ্বীপ সরকার ভারতের নিরাপত্তা কোনওভাবে বিঘ্নিত হতে দেবে না। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মলদ্বীপ-লাক্ষাদ্বীপ বিতর্ক, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কটাক্ষের পরই যেভাবে ভারতে ‘বয়কট মলদ্বীপ’-র ডাক উঠেছিল এবং পর্যটকরা মুখ ফিরিয়েছিলেন, তাতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল মলদ্বীপের অর্থনীতিতে। বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন, পাঁকে পড়েই সুর নরম করল চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপ। এদিন কার্যত সুর নরম করে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু (Mohamed Muizzu) বলেন, ‘‘প্রতিবেশী ও বন্ধুদের প্রতি সম্মান জানানো আমাদের ডিএনএ-তে মিশে আছে। ভারতীয়রা আমাদের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখে। ভারতীয় পর্যটকদের আমাদের দেশে স্বাগত জানাচ্ছি।’’

    আজ বৈঠক ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে

    চারদিনের ভারত সফরে এসেছেন মলদ্বীপের (Maldives) প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। রবিবার তিনি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেন। আজ, সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে রাজঘাটেও যান গান্ধীজির সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করতে। আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও তাঁর একান্ত বৈঠকের কথা রয়েছে। তার আগে বিপাকে পড়ে বন্ধুত্ব ও সুসম্পর্ক নিয়ে বার্তা দিলেন মুইজ্জু। রবিবারই একটি সাক্ষাৎকারে মহম্মদ মুইজ্জু বলেন, ‘‘মলদ্বীপ এমন কিছু কখনও করবে না যাতে ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। মলদ্বীপ-ভারতের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও আগ্রহের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। মলদ্বীপের বাণিজ্য ও উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার ভারত। প্রতিরক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মলদ্বীপের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রয়েছে।’’

    ভারত বিরোধী মুইজ্জু (Mohamed Muizzu)

    প্রসঙ্গত, মলদ্বীপ প্রেসিডেন্ট (Mohamed Muizzu) নির্বাচনের সময় মহম্মদ মুইজ্জুর প্রধান ইস্যু ছিল ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচার। ভারত বিরোধী সুর চড়িয়ে ভোটে জিতেছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্ট পদে বসেই তিনি ভারতের উপরে চাপ সৃষ্টি করেন মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের জন্য। প্রধানমন্ত্রী মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফর নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন মলদ্বীপের নেতা-মন্ত্রীরা, যার জেরে ভারতে মলদ্বীপ বয়কটের ডাক ওঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ইদের তুলনায় পুজোর বোনাস কম পরিবহণ কর্মীদের! ‘মমতা সরকার সনাতন বিরোধী’, তোপ বিজেপি নেতার

    BJP: ইদের তুলনায় পুজোর বোনাস কম পরিবহণ কর্মীদের! ‘মমতা সরকার সনাতন বিরোধী’, তোপ বিজেপি নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইদের তুলনায় পুজোতে পরিবহণ কর্মীদের কম বোনাস দিচ্ছে মমতা সরকার! এনিয়ে তোপ দাগলেন বিজেপি (BJP) নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chattopadhyay)। রবিবারই জগন্নাথবাবু সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করেন। নিজের পোস্টে তিনি জানান, ইদের সময় পরিবহণ কর্মীদের ৬,০০০ টাকা করে বোনাস দেওয়া হয়েছে, দুর্গাপুজোর সময় এর পরিমাণ মাত্র ৩,৬০০ টাকা। ওই পোস্টে তিনি আরও জানান, দুর্গাপুজোর দিনগুলিতেই রাজ্যের বিএড ও এমএড কলেজগুলিতে ভর্তির দিনক্ষণ স্থির করেছিল মমতা সরকার। পরবর্তীকালে বিক্ষোভের কারণেই তা পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয় তৃণমূল সরকার। নিজের পোস্টে এসংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি দুটিও জুড়ে দিয়েছেন এই বিজেপি (BJP) নেতা। ওয়াকিবহাল মহল জগন্নাথবাবুর (Jagannath Chattopadhyay) ফেসবুক পোস্টের বক্তব্যকে সিলমোহর দিয়ে বলছে, ‘‘তোষণ ও ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণেই মমতা সরকার বোনাস বৈষম্য করছে। সরকারের দুর্গাপুজো নিয়ে কোনও শ্রদ্ধা বা আগ্রহ যে নেই, তা একাধিক সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত, একাধিক মণ্ডপে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে দেখা গিয়েছে। সনাতন ধর্মের রীতি অনুযায়ী যা করা যায় না। পণ্ডিত মহলের মত, দেবীপক্ষতেই মাতৃ আরাধনা শুরু করার নিয়ম। নিজের পোস্টে এনিয়েও সরব হন বিজেপির (BJP) এই রাজ্য নেতা।

     কী লিখলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    রবিবার নিজের পোস্টে জগন্নাথবাবু লেখেন, ‘‘মাননীয়ার সরকার মানসিকভাবে দুর্গাপুজো বিরোধী। সেই কারণে পিতৃপক্ষে পুজোর উদ্ধোধন হয়। নীচে বিজ্ঞপ্তি দুটিতে আরও কাণ্ড দেখুন। রাজ্যের বিএড-এমএড কলেজ গুলিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির জন্য সরকার পুজোর দিনগুলি নির্দিষ্ট করেছিল। ঠিক ৮ থেকে ১৪ অক্টোবর পুজোর দিনগুলিতে শিক্ষক শিক্ষণের কলেজগুলিকে খোলা রেখে ছাত্র ভর্তির বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিয়েছিল। নোটিস সামনে আসার পর থেকে সরকারি-বেসরকারি বিএড কলেজ কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। বাধ্য হয়ে সেদিনই আলাদা একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে পুজোর পরে ভর্তির কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু এই সরকার এতটাই দুর্গাপুজো বিরোধী যে প্রথম কারণ হিসাবে বলা হয়, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির জন্য সূচি বদল করা হল। কেউই জানে না এখন কোথায় বন্যা চলছে। নামমাত্র দুর্গাপুজোর কথা উল্লেখ করা হয়। বিএড কলেজগুলো কিন্তু শুধুমাত্র দুর্গাপুজোর কারণেই ভর্তি পিছিয়ে দিতে সরব হয়েছিল। সরকারের দুর্গাপুজো বিরোধী এই মানসিকতার কারণেই ইদের সময় পরিবহণ কর্মীদের ৬০০০ টাকা বোনাস দেওয়া হলেও দুর্গাপুজোয় তা দেওয়া হয়েছে ৩৬০০ টাকা। শিক্ষা থেকে পরিবহণ সর্বত্র সনাতন-বিরোধী মানসিকতা প্রকাশ পাচ্ছে। সমূলে এর উৎপাটন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jaynagar: “পুজোতে জামাকাপড় না কিনে মেরুদণ্ড কিনুন”, জয়নগরকাণ্ডে পুলিশকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Jaynagar: “পুজোতে জামাকাপড় না কিনে মেরুদণ্ড কিনুন”, জয়নগরকাণ্ডে পুলিশকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রবিবার কুলতলি থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এই প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবং বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল সহ জেলার কর্মী-সমর্থকরা। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কুলতলি (Jaynagar) থানা এলাকায় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জয়নগরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। এদিন মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে ফাল্গুনী পাত্র এবং ভারতী ঘোষও উপস্থিত ছিলেন প্রতিবাদ সভায়।

    তৃণমূলের ঝাণ্ডা ধরা পুলিশের কাজ (Jaynagar)

    আরজি করের ঘটনার পর এবার খবরের শিরোনামে গ্রাম বাংলার জয়নগর (Jaynagar)। এই পৈশাচিক ঘটনায় রাজ্যের নারী সুরক্ষা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “বাংলার মহিলাদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ মমতার সরকার। ছাত্রী নিখোঁজের ঘটনার পরও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ। সঠিক ভাবে সক্রিয় হয়ে যদি পুলিশ কাজ করত, তাহলে এই রকম অত্যাচারের ঘটনা ঘটত না। পুলিশের উচিত এখন উর্দি খুলে তৃণমূলের ঝাণ্ডা ধরা। পরিবারের দাবি, চতুর্থ শ্রেণির মাত্র নয় বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। যদিও এখনও ময়নাতদন্ত করা হয়নি। অকালে একটি মেয়ের প্রাণ চলে গেল। এই হত্যার প্রতিবাদে আমরা রাস্তায় নেমেছি। আমাদের আজকের থানা ঘেরাও কর্মসূচি কার্যত পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে।”

    আরও পড়ুনঃ জয়নগরে পুলিশ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে বার বার নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে, কী বললেন গ্রামবাসীরা?

    পোশাকে অশোকস্তম্ভ লাগাবেন না

    সুকান্ত তৃণমূলকে আক্রমণ করে আরও বলেন, “দুর্গাপুজো এসে গিয়েছে, কিন্তু বাংলার মা-বোনেরা আজ সুরক্ষিত নন। উৎসবকে উপেক্ষা করে আজ আমরা জয়নগরের (Jaynagar) ময়দানে নেমেছি। কারণ বাংলার নারীদের সুরক্ষা চাই। দুর্গা মায়ের কাছে আমরা কোন মুখে আশীর্বাদ চাইব? রাজ্যে তো ধর্ষণ এবং খুনের খেলা চলছে। তৃণমূলের শাসনে কেউ সুরক্ষিত নয়। সব কিছুর দায় হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রাজ্যে আইনের শাসন নেই। দুষ্কৃতীরা শাসক ঘনিষ্ঠ। পুলিশ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। পুলিশকে বলতে চাই, মমতা আপনাদের চাকরি কেড়ে নিতে পারবেন না। পুজোতে জামাকাপড় না কিনে মেরুদণ্ড কিনুন, নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করুন। আর যদি না পারেন, পোশাকে অশোকস্তম্ভ লাগাবেন না, হাওয়াই চটি লাগান। আপনারা অঞ্চলস্তরের তৃণমূল দলে যোগদান করুন, আমরা আর বলতে আসব না, বিচারও চাইব না। ভূপতিনগরেও একই ভাবে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে এক মহিলাকে। তাই সরকারকে উৎখাত করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে”, দাবি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনির

    BJP: “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে”, দাবি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে এবার কংগ্রেসের দিকে পাল্লা ভারী বলে একাধিক এক্সিট পোল দাবি করেছে। কিন্তু, তাতে বিন্দুমাত্র বিচলতি নন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি। বরং, ফের বিজেপি (BJP) হরিয়ানায় (Haryana) সরকার গঠন করতে চলেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবে চাঙ্গা গেরুয়া শিবির।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (BJP)  

    মুখ্যমন্ত্রী (BJP) নয়াব সিং সাইনি শনিবার বলেন. “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী। হরিয়ানার মানুষ গত কয়েক বছরের কাজ দেখেছেন। আমরা প্রতিটি এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের জন্য কাজ করেছি। আমরা হরিয়ানাকে আঞ্চলিকতা এবং স্বজনপ্রীতি থেকে মুক্ত করেছি”। পঞ্চকুলা বিধানসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী গিয়ান চাঁদ গুপ্ত বলেন, “পঞ্চকুলায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। লোকেরা আমাদের কাজের প্রশংসা করেছে। সরকারে থেকে মানুষের জন্য আমরা যে উন্নয়নমূলক কাজ করেছি তার জন্য ভোট দিয়েছে।” প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৯০টি আসনের মধ্যে ৪০টিতে জিতেছিল। জেজেপি-র সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করেছিল বিজেপি। জেজেপি সেবার ১০টি আসন জিতেছিল। কংগ্রেস পেয়েছিল ৩১টি আসন। যদিও জেজেপি পরে জোট থেকে বেরিয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: “নারী সুরক্ষা কোথায়”? জয়নগরকাণ্ডে সরব আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী দাবি করলেন?

    কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি আবার পাল্টা বলেছেন, “এগজিট পোলে আমার খুব একটা বিশ্বাস নেই। কিন্তু হরিয়ানায় এবার বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে ঢেউ ছিল। কংগ্রেস দল সেখানে (হরিয়ানায়) ৬০-৭০টি আসন জিততে পারে। দশ বছরে বিজেপি কোনও উন্নয়ন করেনি। সমাজকে বিভক্ত করেছে। হরিয়ানায় বিজেপির এমন কোনও নেতৃত্ব ছিল না যেখানে মানুষ আস্থা রাখতে পারে।” পঞ্চকুলা বিধানসভা আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী চন্দর মোহন আস্থা প্রকাশ করেছেন যে, কংগ্রেস পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস ৭০টি আসন জিতবে এবং বিজেপি ১৭টি আসন পাবে। আমরা পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করব”। একই দাবি করেন কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা। তিনি বলেন, “কংগ্রেসের পক্ষে মানুষ ভোট দিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Tushar Goel: “রাহুলের মহব্বত কি দুকানে এখন মাদকও বিক্রি হচ্ছে”, তোপ বিজেপির

    Tushar Goel: “রাহুলের মহব্বত কি দুকানে এখন মাদকও বিক্রি হচ্ছে”, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫৬২ কেজিরও বেশি কোকেন বাজেয়াপ্ত করেছে দিল্লি পুলিশ। বাজারদর কয়েক হাজার কোটি টাকা। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড তুষার গোয়েল (Tushar Goel)। এক সময় কংগ্রেসের (Congress) আরটিআই সেলের চেয়ারপার্সন ছিলেন তিনি।

    কোকেন পাচারে জড়াল কংগ্রেস নেতা (Tushar Goel)

    কোকেন পাচারে দলীয় নেতার নাম জড়িয়ে যাওয়ায় যারপরনাই বিব্রত কংগ্রেস। তুষার যে দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত, তা জানা গিয়েছে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে। সেখানে তাঁর নাম রয়েছে ডিক্কি গোয়েল। পুলিশি জেরায় তুষার কবুল করেছেন, তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।২০২২ সালে তিনি দলের আরটিআই সেলের চেয়ারপার্সন ছিলেন। তুষার ছাড়াও কোকেন পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে আরও তিনজনকে। এরা হল ভরত জৈন, হিমাংশু এবং আওরঙ্গজেব। কোকেনের পাশাপাশি পুলিশ ধৃতদের কাছ থেকে (Tushar Goel) ৪০ কেজি মারিজুয়ানা বাজেয়াপ্ত করেছে। এই পরিমাণ মাদকের মূল্য ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এ পর্যন্ত দিল্লিতে যত মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, এটাই সব চেয়ে বড়।

    বিজেপির তোপ

    মাদক পাচারের ঘটনায় তুষার গ্রেফতার হতেই আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি। দলের নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “রাহুল গান্ধীর মহব্বত কি দুকানে এখন মাদক বিক্রি হচ্ছে।” বিজেপির এই নেতা জানান, ২০০৬ থেকে ২০১৩ এই সময় ইউপিএ আমলে দিল্লিতে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার মাদক। তিনি বলেন, “আর ২০১৪ থেকে ২০২২ (বিজেপির রাজত্বে) মাদক বাজেয়াপ্ত হয়েছে ২২ হাজার কোটি টাকার। মূল অভিযুক্ত তুষার গোয়েল ভারতীয় যুব কংগ্রেসের আরটিআই সেলের প্রধান। ঘটনাটি খুবই সিরিয়াস।”

    আরও পড়ুন: টার্গেট হিন্দু মেয়েরা! ব্যাপকহারে চলছে ‘লাভ জিহাদ’, বড় মন্তব্য আদালতের

    রাহুলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “এটা এখন স্পষ্ট যে রাহুল গান্ধীর মহব্বত কি দুকান থেকে ঘৃণা ছড়ানো হত। এখন এরা আবার মাদকও বিক্রি করছে।” কংগ্রেস এই টাকা নির্বাচনে ব্যয় করছে কিনা, সে প্রশ্নও তোলেন ত্রিবেদী। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, “তুষার গোয়েল ওরফে ডিক্কি নামে একজন গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁর সোশ্যাল প্রোফাইল থেকে জানা যাচ্ছে, হরিয়ানা কংগ্রেস (Congress) নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে (Tushar Goel)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Santosh Mitra Square: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বাতিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন

    Santosh Mitra Square: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বাতিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) নিয়ে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন হয়েছে। এখনও আন্দোলন জারি রেখেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সাধারণ মানুষও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। এই আবহের মধ্যে এবছরের পুজোয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার কথা ঘোষণা করল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square) পুজো কমিটি। ইতিমধ্যেই পুজো কমিটির কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তবে, পুজোতে আর কী কাটছাঁট করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

    প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন (Santosh Mitra Square)

    এলাকার কয়েক হাজার মা-বোনেদের হাতের জ্বলন্ত প্রদীপ শিখায় মাকে আবাহন করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যে ৭টা থেকে ৯টা এই প্রদীপ জ্বালানোর অনুষ্ঠান হবে। মায়ের কাছে প্রার্থনা করা হবে, যাতে পশ্চিমবঙ্গে অভয়া-নির্ভয়াদের পুনরাবৃত্তি না হয়। উল্লেখ্য, বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো বলে খ্যাত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের (Santosh Mitra Square) আয়োজন নিয়ে প্রতি বছরই আগাম কৌতূহল থাকে। গত বছর এখানেই করা হয়েছিল রামমন্দির। পুজো উদ্বোধনে এসেছিলেন খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। এবারেও জাঁকজমকের প্রস্তুতি ভালোই ছিল। জানা গিয়েছিল, আমেরিকার লাস ভেগাস শহরের বিখ্যাত স্ফিয়ারের অনুকরণে আলোর গোলক থিমে সাজবে মণ্ডপ। কিন্তু, এবছর পুজোর আগে বদলে যায় শহরের পরিস্থিতি।

    আরও পড়ুন: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    ঢাকের বাদ্যির সঙ্গেই বেজে ওঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ দাবি

    আরজি কর কাণ্ডে নৃশংস ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে রব ওঠে বিচার চেয়ে। বিতর্ক তৈরি হয় ‘উৎসব’ নিয়েও। এমনিতেই রাজ্যের একাধিক ক্লাব পুজোয় সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিয়ে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কলকাতার পুজোয় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square) বাড়তি আকর্যণ। প্রশ্ন ওঠে, এই আরজি করের ঘটনার মাঝে এবার পুজোয় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার কি তাহলে উৎসবে মাতবে? ৩০ সেপ্টেম্বর পুজোর উদ্বোধনের দিন দেখা যায়, মায়ের আগমনে প্রতিবাদের ছবি। চিকিৎসক ধর্ষণ- খুনের বিচার চেয়ে সন্ধ্যা দখল করেন এলাকার মহিলারা। ঢাকের বাদ্যির সঙ্গেই বেজে ওঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ দাবি। তবে পুজোর আগেই পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে, তাই প্রথমেই বাদ পড়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। পুজোর ক’টা দিন কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় বিরোধী শিবিরের এই পুজোয়, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bansdroni: বাঁশদ্রোণীতে ছাত্র মৃত্যু, স্থানীয়দের প্রবল বিক্ষোভের মুখে শাসক দল, থানায় রাতভর ধর্না রূপার

    Bansdroni: বাঁশদ্রোণীতে ছাত্র মৃত্যু, স্থানীয়দের প্রবল বিক্ষোভের মুখে শাসক দল, থানায় রাতভর ধর্না রূপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পে লোডারের ধাক্কায় নবম শ্রেণির পড়ুয়ার মৃত্যু, আর তাতেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাঁশদ্রোণী (Bansdroni Agitation)। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ উগরে দেন কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ছাত্রের মৃত্যুর পর থেকে এলাকায় দেখা মেলেনি স্থানীয় কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারের। অবশ্য বিরোধীদের দাবি, ঘটনাস্থলে না এলেও তিনি নাকি থানায় ‘পুলিশি নিরাপত্তায়’ রয়েছেন। রাস্তার বেহাল দশা নিয়েও সরব স্থানীয়রা। পাটুলি থানার ওসিকে আটকে রেখে বিক্ষোভ চলে দফায় দফায়। পরে কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার প্রদীপ ঘোষালকেও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। প্রায় ৭ ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখা হয় পুলিশকে। পুলিশের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এই সময় তৃণমূল কর্মীরা স্থানীয়দের ধাক্কা দিয়ে পুলিশকে সরায় বলে অভিযোগ। এরপর বিকালে কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত ঘটনাস্থলে গেলে শুরু হয় ধরপাকড়। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় পাটুলি থানায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি (BJP) নেত্রী রুবি মণ্ডল-সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    কী বলছেন  বিজেপি (BJP) নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়? (Bansdroni Agitation)

    বুধবার রাতে বাঁশদ্রোণী থানায় (Bansdroni Agitation) পৌঁছান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। নেতৃত্বে ছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। থানার ভিতরে প্রবেশ করেন রূপা। বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ‘‘কোনও অভিযোগ ছাড়াই বিজেপি নেত্রী রুবি মণ্ডলকে আটক করে বাঁশদ্রোণী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের কাউকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি।’’ রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘(বুধবার) সকাল থেকে ওঁরা ধরতে পারেননি অভিযুক্তদের। তবে আমি আশা করছি ওঁরা ধরে ফেলবেন। যতদিন না অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হচ্ছে ততক্ষণ আমি বসে থাকব এখানে।’’ তিনি জানান, রাতে এক বার থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান তিনি। কিন্তু, অভিযুক্তদের ধরার বিষয়ে কোনও আশ্বাস দিতে পারেনি পুলিশ।

    মৃত পড়ুয়া ১১৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা

    জানা গিয়েছে, মৃত ওই পড়ুয়া কলকাতা পুরসভার ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ওই এলাকার রাস্তায় (Bansdroni Agitation) খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছিল। অভিযোগ, কোচিং সেন্টারে যাওয়ার সময়ই ছাত্রকে ধাক্কা মারে জেসিবি। গাছের সঙ্গে তাকে পিষে দেয়। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে ছাত্রকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: মমতা জমানায় নারী নির্যাতনের বধ্যভূমি বাংলা! ‘ব্ল্যাক পেপার’ বই প্রকাশ রাজ্য বিজেপির

    BJP: মমতা জমানায় নারী নির্যাতনের বধ্যভূমি বাংলা! ‘ব্ল্যাক পেপার’ বই প্রকাশ রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল বাংলা। এই আবহে মমতা জমানায় নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলিকে তুলে ধরে বই প্রকাশ করল গেরুয়া শিবির। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ব্ল্যাক পেপার’। মঙ্গলবারই এই বই প্রকাশ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় বিজেপির (BJP) রাজ্য সদর দফতরে। গেরুয়া শিবির (BJP) সূত্রে খবর, আরজি করের ঘটনার পাশাপাশি গত তেরো বছরের নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলির জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। বইটি তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন মণ্ডল, অধ্যাপক বিমলশঙ্কর নন্দ, অধ্যাপক অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংবাদিক জয়ন্ত গুহ ও ডাক্তার মধুছন্দা কর। যে ঘটনাগুলির ক্ষেত্রে রাজ্য এফআইআর নেয়নি, সেরকম কিছু ঘটনাও ‘ব্ল্যাক পেপার’-এ উঠে এসেছে।

    কী বলছেন শমীক ভট্টাচার্য?

    জানা গিয়েছে, বিজেপি (BJP) পুজোয় যে স্টল দিচ্ছে, সেখানে এই ‘ব্ল্যাক পেপার’ থাকবে। মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে মমতার আমলে নারী নির্যাতনের পরিসংখ্যান। এ প্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘২০১১ সালের আগে পশ্চিমবঙ্গে যে রাজনৈতিক অবস্থানে ছিলাম, সেখানে সকলেরই এক যুক্তি ছিল, ‘ধানতলা-বানতলা সরকার আর নেই দরকার’। ২০১১ সালের পর মানুষ গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করেন। ২০১১ সালের পর আমরা কী পেয়েছি আর পাইনি? তা নিয়েই আজ ব্ল্যাক পেপার বইটি প্রকাশ করা হচ্ছে।

    নারী নির্যাতনে রাজ্যকে দেশের মধ্যে শীর্ষে নিয়ে যায় মমতা সরকার

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার বাংলাকে (West Bengal) নারী নির্যাতনে দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে নিয়ে যায়। ২০১১-তে এ রাজ্যে নারী নির্যাতন সংক্রান্ত ২৯,১৩৩টি মামলা দায়ের হয়েছিল। ২০১২ সালে সেটা বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ৩০,৯৪২। পর পর দু’বার নারী নির্যাতনে দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করায় ক্ষুব্ধ হয়ে এনসিআরবি-কে তথ্য পাঠাতেই নিষেধ করেছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। অনেকেই বলছেন, ‘‘মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে নারী নির্যাতনের বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে বাংলা (West Bengal)। এতে কোনও সন্দেহ নেই।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share