Tag: Corruption

Corruption

  • Jalpaiguri: নিয়োগ-দুর্নীতির পর এবার পঞ্চায়েতের টিকিট-দুর্নীতি! ফের বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস

    Jalpaiguri: নিয়োগ-দুর্নীতির পর এবার পঞ্চায়েতের টিকিট-দুর্নীতি! ফের বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) নিয়োগ-দুর্নীতির পর এবার পঞ্চায়েতের টিকিট-দুর্নীতিতে ফের বিদ্ধ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জলপাইগুড়ির মেটেলু ব্লকে টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিট বিক্রির অভিযোগ তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্যা সীমা সরকার। অপর দিকে ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী বোর্ডের সভাপতি রীনা বরা দলের থেকে সুবিচার পাননি। এই অভিযোগে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসাবে মনোনয়ন জমা করেন তিনি। জেলা জুড়ে তীব্র উত্তেজনা।

    মেটেলু ব্লকে (Jalpaiguri) কী অভিযোগ ছিল?

    এবারের নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাতাবাড়ি দিঘির পাড়ে নিজের বাসভবনে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন সীমা সরকার। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ হিসাবে অনেক কাজ করেছি। মৎস্যজীবীদের উন্নয়নে অনেক কাজ করেছি। এত ভালো কাজ করার পরেও দল এবার আমাকে টিকিট দিল না। যেহেতু আমি টাকা দিতে পারিনি, তাই আমাকে টিকিট দেওয়া হয়নি। সীমাদেবী সাফ জানান, পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের কোনও কাজ করবেন না। প্রচারেরও কোনও কাজ করবেন না। তবে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার দায়িত্বে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যোগ্য ব্যক্তিদের টিকিট দেওয়া হয়েছে, টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতি করা হয়নি।

    ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েতে কী হয়েছে?

    ডামডিম (Jalpaiguri) গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির ৯ নম্বর আসনে প্রার্থী হিসাবে নাম ছিল বিদায়ী বোর্ডের সভাপতি রীনা বরার। কিন্তু তিনি নির্দল হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়ে নির্দল হিসাবেই লড়াই করবেন বলে সাফ জানিয়ে দেন। দলের থেকে সুবিচার না পেয়েই তিনি এই সিন্ধান্ত নিয়েছেন। অপর দিকে দলের তালিকায় নাম না থাকলেও মাল ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুশীলকুমার প্রসাদ, ১১ নম্বর আসনে প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছেন। রীনা বরা বলেন, দল তাঁর সাথে দ্বিচারিতা করেছে এবং তাঁকে অন্ধকারে রেখে, তাঁর প্রতি অন্যায় করেছে। আর সেই কারণেই নির্দল প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি জেতার ব্যাপারে তিনি ১০০% নিশ্চিত।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রকাশ

    মে মাসের প্রথম সপ্তাহে রীনা বরা ও সুশীল প্রসাদের দ্বৈরথে সরগরম হয়ে উঠেছিল মাল ব্লকের রাজনীতি। সুশীলবাবুর বিরুদ্ধে তাঁকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ করেছিলেন রীনা বরা। এদিকে সুশীল প্রসাদ বলেন, দল আমাকে দাঁড়াতে বলেছে, তাই আমি দাঁড়িয়েছি। শুধু আমি নয়, গোটা মাল (Jalpaiguri) ব্লকের ১৭৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ১৯ টি পঞ্চায়েত সমিতি ও ৩ জেলা পরিষদের আসনে আমাদের প্রার্থীরা জিতবেন। রীনা বরা যেহেতু দলের উপর আস্থা না রেখে নির্দল হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, সেজন্য দল তো ওই আসন ফাঁকা রাখতে পারে না। তাই ওই আসনে দল অন্য জনকে দাঁড় করিয়েছে।

    শুধু রীনা বরাই নয়, তৃণমূল দলের টিকিট না পেয়ে পঞ্চায়েত সমিতির আরেক সদস্যা মঞ্জুলা লামা দলের স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে নির্দল হিসাবে দাঁড়িয়েছেন। মাল ব্লকের অধিকাংশ এলাকাই আদিবাসী অধ্যুষিত। এই অবস্থায় আদিবাসী ভোট এখন কোন দিকে যায়, সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Corruption: সরকারি চাকরির নামে কয়েক লক্ষ টাকা প্রতারণা, জালে তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান

    Corruption: সরকারি চাকরির নামে কয়েক লক্ষ টাকা প্রতারণা, জালে তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার (Corruption) অভিযোগে এর আগে একাধিক তৃণমূল নেতার নাম জড়িয়েছে। এবার এই অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে গেল এক পুলিশ কর্মী এবং এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের নাম। কলকাতা পুলিশের এক এএসআই এবং তাঁর স্ত্রী সহ চারজনকে এই অভিযোগে ইতিমধ্যে গ্রেফতারও করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা শাখা। লালবাজার সূত্রে খবর, ধৃত চারজনকে শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে। রবিবার তাদের ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে যে এই ঘটনায় কোনও উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসার জড়িয়ে আছে কিনা। প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল মাসে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

    ঘটনাটি ঠিক কী?

    গোয়েন্দাদের তরফ থেকে জানা গেছে, মাসখানেক আগে বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা আখতার বানু নামে একজন লালবাজার কর্তাদের কাছে অভিযোগ জানান, তাঁর ছেলেকে মন্ত্রীর কোটায় স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে কয়েক লক্ষ টাকা নেয় বেনিয়াপুকুর থানায় কর্মরত অফিসার সঞ্জীব দেঁড়ে। জানা যায়, এই চক্রে সঞ্জীব ছাড়াও জড়িত রয়েছে আরও চারজন। সেই মতো গ্রেফতার করা হয় সঞ্জীবের স্ত্রী বর্ণালীকে। তিনি বর্তমানে পঞ্চায়েত সদস্য এবং খলিশানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান ছিলেন। এলাকাবাসীর থেকে টাকা তো তুলতেনই, সঙ্গে বাইরের এলাকা থেকেও টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছিল এই দম্পতির বিরুদ্ধে। রবিবার তাঁদের দু’জনকে বাউড়িয়া বুড়িখালির একটি বহুতল থেকে গ্রেফতার করেন লালবাজারের পুলিশ কর্তারা। এর পাশাপাশি পুলিশ গ্রেফতার করেছে সৈকত নামের এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। তিনি গোয়েন্দা দফতরের রিসেপশনে কর্মরত ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। কার্তিক মান্না নামের এক দালালকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, গত মাসে অভিযোগ দায়ের হতেই সঞ্জীবের বিরুদ্ধে গোপন তদন্তে নামেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। তখনই এই চক্রের হদিশ মেলে।  

    তদন্তে কী উঠে এল?

    তদন্তে জানা গিয়েছে, এই চক্র স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা তুলেছে বিভিন্ন জনের কাছে। শুধু তাই নয়, কিছু জনকে ভুয়ো নিয়োগপত্রও বিলি করা হয়। ইতিমধ্যে গোয়েন্দারা বেশ কিছু ভুয়ো নথি উদ্ধার করেছেন ধৃতদের কাছ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambag: ৭ কোটি টাকার ‘গ্রিন সিটি’ প্রকল্পে দুর্নীতি? কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ

    Arambag: ৭ কোটি টাকার ‘গ্রিন সিটি’ প্রকল্পে দুর্নীতি? কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকার গ্রিন সিটি প্রকল্পের উদ্বোধনী ফলক প্রকাশ্যে জ্বলজ্বল করছে। কিন্তু সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ কিছুই হয়নি। তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ বিরোধী দলগুলির। কাজ না হওয়ায় সরকারি বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে সোলার প্যানেল খোলার আবেদন জানানো হল পুরসভাকে। পুরসভার (Arambag) বর্তমান তৃণমূলের চেয়ারম্যান বিগত তৃণমূল বোর্ডের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।

    বিদ্যালয়গুলি সোলার প্যানেল খুলে নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে

    আরামবাগ (Arambag) পুরসভার উদ্যোগে স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সহায়তায় গ্রিন সিটি প্রকল্পে সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সোলার প্যানেল বসানো হয়। ৭ কোটি ২৪ লক্ষ টাকার প্রকল্পে পুরসভার বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয় সহ রাস্তাঘাটে সৌর আলো লাগানো হয়। আরামবাগ পুরসভা থেকে ই টেন্ডার করে ঠিকাদারের মাধ্যমে এই কাজের বরাত দেওয়া হয়। সেইমতো আরামবাগ শহরে অবস্থিত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল বসানোর কাজও হয়। কিন্তু উদ্বোধনের ফলক থাকলেও জ্বলেনি আলো, চলেনি পাখা। এমতাবস্থায় বিদ্যালয়গুলি সোলার প্যানেল খুলে নেওয়ার লিখিত আবেদন জানিয়েছে আরামবাগ পুরসভায়। সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প কার্যকর না হওয়ায় বিরোধী দলগুলিও পুরবোর্ডের দিকে আঙুল তুলেছে।
    উল্লেখ্য, আরামবাগ পুরসভা এলাকার ৩৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিশুশিক্ষা কেন্দ্র, ১১ টি আপার প্রাইমারি ও হায়ার সেকেন্ডারি বিদ্যালয়ের ছাদে সোলার প্যানেল বসে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৬৪.৪৬ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন। যা এই সমস্ত বিদ্যালয় ছাড়াও আরামবাগ পুরসভার স্টিট লাইটে ব্যবহার করা হবে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে আরামবাগ পুরসভা থেকে গ্রিন সিটি প্রকল্পে সোলার বিদ্যুৎ প্যানেলের জন্য ই টেন্ডার হয়। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের কাজও শুরু হয়। অডিট রিপোর্টে দেখা যায়, ২৭.০৪.২০১৯ তারিখে গ্রিন সিটির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ওই তারিখেই ফাইনাল পেমেন্ট হয়ে গেছে।

    কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক?

    গ্রিন সিটি নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি বিভিন্ন সময় আরটিআই-এর মাধ্যমে পুরসভায় (Arambag) জানতে চেয়েছে, কত টাকা মঞ্জুর হয়েছে, কাজটি কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু পুরসভা থেকে কোনও RTI এর সদুত্তর দিতে পারেনি। এমতাবস্থায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে সরজমিনে তদন্ত শুরু করতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিদ্যালয়ের ছাদে কোথাও সোলার প্যানেল লাগানো আছে। কিন্তু মেশিন ও ব্যাটারি নেই। কোথাও বা সোলার প্যানেল লাগানোই হয়নি। কোনও কোনও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজি হচ্ছেন না। তবে আরামবাগ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বিকাশচন্দ্র রায় মুখ খুলেছেন। কয়েক মাস আগেই গ্রিন সিটির প্রকল্পের সৌর বিদ্যুতের সোলার প্যানেল খোলার দাবিতে প্রায় ৩০ টি বিদ্যালয় পুরসভাকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। বিদ্যালয় থেকে কেউ কেউ তো সরাসরি অভিযোগ করেছেন, সোলার বিদ্যুৎ পাননি। কিন্তু বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর বিদ্যুতের প্যানেল বসানোয় ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    নয়ছয়ের অভিযোগে কী বললেন চেয়ারম্যান (Arambag)?

    ইতিমধ্যেই বিরোধী দল বিজেপি ও সিপিএম গ্রিন সিটি প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছে। বিজেপি তো সরাসরি কোর্টে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। যদিও এই নিয়ে আরামবাগ (Arambag) পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভান্ডারি বিগত পুরবোর্ডের দিকেই আঙুল তুলেছেন। আর বিগত আরামবাগ পুরবোর্ডের চেয়ারম্যান তথা বর্তমান ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলা্র, আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি স্বপনকুমার নন্দী বলেছেন, এটা বিরোধীদের অপপ্রচার। তিনি বলেন, আগেই অডিট হয়েছে। সেই রিপোর্ট পুরসভায় আছে। এ বিষয়ে রাজ্য বিজেপির সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, যাদের যা স্বভাব তাই করেছে। তদন্ত হবে, অবশ্যই আইন অনুযায়ী দোষীরা শাস্তি পাবে। আইনের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। ইতিমধ্যেই আমরা অভিযোগ জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ার শহরে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই ঝিল দখল করে বিল্ডিং তৈরির অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এনিয়ে শাসকদলের অন্দরেও শোরগোল পড়ে গেছে।  

    কি অভিযোগ?

    আলিপুরদুয়ার শহরে জলাশয় ও ঝিল দখলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। শহরের বহু পুরনো ঝিল এলাকার নেতাদের মাধ্যমে বেদখল হয়ে গিয়েছে, এমনটাই এলাকাবাসীর প্রধান অভিযোগ। তবে ঝিল দখলে এবার নাম জড়িয়েছে খোদ পুরসভার এক কাউন্সিলারের। বিরোধীদের অভিযোগ নয়, খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রশান্তনারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে এমনই অভি্যোগ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, আলিপুরদুয়ার টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসটি তৈরি করা হয়েছে ঝিলের উপরেই। শাসকদলের কাউন্সিলার থেকে নেতারাই যদি এ ধরনের কাজে যুক্ত থাকেন, সাধারণ মানুষ কী করবেন? এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় মানুষের।

    শাসক দলের মন্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) টাউন ব্লক সভাপতি দীপ্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, আলিপুরদুয়ার শহরের টাউন ব্লক পার্টি অফিসটি আমরা নতুন করে তৈরি করিনি। অনেক আগে সেখানে দোকান ছিল। সেই দোকান কিনে নিয়ে পার্টি অফিস চালু করা হয়েছে। শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অরূপা রায় বলেন, যে জমিতে তাঁর বাড়িটি রয়েছে, সেই জমির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। ঝিল দখলের অভিযোগ তিনি উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রশান্ত নারায়ণ মজুমদার (জহর) বলেন, ওনার পুরনো বাড়ি নিয়ে আমার বক্তব্য নেই। তবে ইদানীং ঝিল দখল করে যে অংশ জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, সেই জলাজমি নিয়েই আমি অভিযোগ প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি।

    প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা

    এ নিয়ে আলিপুরদুয়ার শহরের প্রবীণ আইনজীবী নারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের প্রতিলিপি পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছেও জমা দিয়েছেন জহরবাবু। ঝিল দখলের অভিযোগ ওঠায় আলিপুরদুয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর জানিয়েছেন, কাউন্সিলার বা চেয়ারম্যান যদি কেউ বেআইনিভাবে ঝিল দখল করে থাকেন, তবে তা হলে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে যেতে পারবেন না। আইন আইনের পথেই চলবে। এইভাবে জলাজমির উপর অবৈধ নির্মাণ বন্ধে প্রশাসন কবে কার্যকার ভূমিকা পালন করবে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: সরকারি প্রকল্পের ৬ লক্ষ টাকার কাজ বন্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    TMC: সরকারি প্রকল্পের ৬ লক্ষ টাকার কাজ বন্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক নেতাদের (TMC) আবদার মেটাতে না পারায় সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ গোঘাটে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে গোঘাট-২ ব্লকের মান্দারণ পঞ্চায়েতের সরকারি মার্কেট কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ। অভিযোগের তীর স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে।

    কাজ বন্ধ কেন!

    এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ, নির্মাণ কাজের জন্য তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা টাকা দাবি করেছেন। কিন্তু টাকা না পাওয়ার জন্যই বর্তমানে কাজ বন্ধ। যাঁর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, সেই তৃণমূলের যুবনেতা তথা অঞ্চল সভাপতি আশাদুল খান (TMC) বলেন, কাজটা ঠিকঠাক হচ্ছে না বলে গ্রামবাসীরা অভিযোগ করছিলেন। আমরা কাজটা ঠিকভাবে করতে বলেছি। কোথায় গোলমাল তাহলে? তাঁর জবাব, ইট-বালি ভাল নয় বলেই তো শুনলাম। তাহলে ত্রুটি থাকলে কেন লিখিত অভিযোগ করছেন না? উত্তর মেলেনি। তিনি একটাই কথা বললেন, বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। ঠিকাদার সংস্থার পক্ষে অমিত পান জানান, ওই মার্কেটে আরও তিনটি ঘর বাড়ানো হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, মালপত্র যে নিম্নমানের, তেমন কোনও অভিযোগ নেই। কিন্তু কেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখা হল, সেটাও বোঝা যাচ্ছে না। কাজে এলেই আশাদুল খান ও তাঁর সঙ্গীরা বাধা দিচ্ছেন রোজ। তবে নির্মাণ কাজ বন্ধের পিছনে যে শাসকদলের একটা প্রভাব রয়েছে, তা এলাকার মানুষ মনে করছেন।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধান সানোয়ারা বেগম বলেন, কাজে বাধার কোনও অভিযোগ পাইনি। কাজের বিস্তারিত পরিকল্পনার সঙ্গে সরঞ্জাম সরবরাহের কোনও বিশেষ গরমিল নেই। যাঁরা বাধা দিচ্ছেন তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সদুত্তর মেলেনি। গোঘাট-২ ব্লকের যুব সভাপতি অভিজিৎ বিশ্বাস দলের নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, বিষয়টা শুনেছি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, অন্যায়ভাবে নির্মাণ যেমন আটকানো যাবে না, তেমনই ওই কাজে দুর্নীতি থাকলে সেটাও ব্লক প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। এই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মাঝে সরকারি প্রকল্পের কাজ কবে আবার শুরু হবে, তার অপেক্ষায় সাধারণ গ্রামবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Road: নিম্নমানের সামগ্রী! রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ করে দিলেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা 

    Panchayat Road: নিম্নমানের সামগ্রী! রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ করে দিলেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান রাজ্য সরকারের সমস্ত কাজকর্মেই যেন পরতে পরতে দুর্নীতির ছবি ফুটে উঠছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অন্তত এমনটাই। আর হবে নাই বা কেন? মানুষ তার নিত্যদিনের অভিজ্ঞতায়, দৈনন্দিন জীবনযাপনে (Panchayat Road) এই ধরনের বহু ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে। আর তাকে কেন্দ্র করে দিকে দিকে দানা বাঁধছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ।

    কেন রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা?

    যে রাস্তা (Panchayat Road) দিয়ে মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করবে, সেই রাস্তাই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরির অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি আরামবাগের তিরোল গ্রাম পঞ্চায়েতের মইগ্রাম এলাকার। অভিযোগ, দীর্ঘ ২০ বছর পর এই রাস্তা সংস্কারের কাজ হচ্ছে। কিন্তু সেটা এতই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করছে ঠিকাদার, যে তা দেখে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা কাজ বন্ধ করে দেন।

    সারাইয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই খারাপ?

    হুগলির আরামবাগের তিরোল গ্রাম পঞ্চায়েতের শিয়ালি থেকে ২২ মাইল পর্যন্ত রাস্তাটি (Panchayat Road) প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি প্রায় দু’দশক ধরে বেহাল অবস্থায় পড়েছিল। খারাপ রাস্তার জন্য স্কুল, কলেজের পড়ুয়া থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষ মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনায় পড়তেন। এলাকার মানুষের অভিযোগ, গত কুড়ি বছরের মধ্যে দু-একবার রাস্তা সংস্কারের কাজ হয়েছে, কিন্তু কখনই তা সঠিকভাবে হয়নি। রাস্তা সারাইয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই সেটি আবার খারাপ হয়ে যায়। এদিকে এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বড় বড় ট্রাক ও ভারী যানবাহন যাতায়াত করে। এই অবস্থায় গ্রামবাসীদের দাবি, এবার ভালো করে রাস্তা সারাইয়ের কাজ করতে হবে। ভালো সামগ্রী দিয়ে কাজ করতে হবে। তা না হলে কাজ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়ে দেন তাঁরা।

    কী বলছে তৃণমূল এবং বিজেপি?

    যদিও এ বিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব কোনও মন্তব্য করতে নারাজ। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুশান্ত বেড়া জানান, বর্তমানে আমাদের রাজ্যে যে সরকার চলছে তারা দুর্নীতিতে (Panchayat Road) জড়িয়ে পড়েছে। তাদের আর কোথাও বাকি নেই দুর্নীতি করতে। সামনে নির্বাচন আসছে। মানুষ তাদের যোগ্য জবাব দিয়ে বুঝিয়ে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corruption: স্কুলেও একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ

    Corruption: স্কুলেও একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে যেন কোনওভাবেই মুক্তি মিলছে না রাজ্যবাসীর। কখনও রাস্তা তৈরিতে নিম্নমানের কাঁচামাল সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা, কখনও ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, কখনওবা দুর্নীতি আবাস যোজনায়। তালিকা দিনকে দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এবার একগুচ্ছ দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবকরা। আরামবাগের কেশবপুর ইনস্টিটিউশনের ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    কী অভিযোগ তুলছেন অভিভাবকরা?

    অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সব কিছুই নিজের ইচ্ছামতো করছেন। মিড ডে মিলে গরমিল, স্কুলের ফলক তৈরিতে অর্থ তছরুপ সহ তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ (Corruption) তোলেন অভিভাবকরা। এমনকি ক্লাসরুমে পর্যাপ্ত পাখা না থাকা সত্ত্বেও গরমের মধ্যে দিনে তিনটি করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে কেন? সেই  প্রশ্ন তুলেও সোচ্চার হন অভিভাবকরা। স্কুলের পরিচালন কমিটি না থাকার কারণে প্রধান শিক্ষক ইচ্ছামতো কাজ করছেন বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ তুলে এদিন স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। দীর্ঘক্ষণ চিৎকার-চেঁচামেচি চলে। দাবি ওঠে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের। এক অভিভাবক বলেন, স্কুলে যে পরীক্ষা হয়েছে, তাতে প্রশ্নেই উত্তর। পরীক্ষা ১১ টা থেকে আরম্ভ হওয়ার কথা। সেই পরীক্ষা শুরু হয়েছে বেলা ১ টার পর। কোনও গার্ড নেই। গরমে ছেলেগুলো আধমরা হয়ে বাড়ি ফিরছে। পড়তে নয়, যেন কুস্তি লড়তে যাচ্ছে। যাদের কাছে আমরা ছেলেদের পাঠাচ্ছি, তাদের কোনও দায়িত্বই নেই। তাদের একটাই লক্ষ্য, মাস গেলে মাইনে বুঝে নেবো। 

    প্রধান শিক্ষক জবাবে কী জানালেন?

    যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাজকুমার খামরুই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। ক্লাসরুমে ফ্যান আছে বলেই তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার জন্যই এসব করা হচ্ছে। আইন মেনেই তিনি যা করার করছেন। দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ একেবারেই ঠিক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corruption: একশো দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি! কাজ করেও মেলেনি টাকা, শুনলেন কেন্দ্রীয় টিম, কোথায় জানেন?

    Corruption: একশো দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি! কাজ করেও মেলেনি টাকা, শুনলেন কেন্দ্রীয় টিম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ ছিল। সত্যতা যাচাই করতে রবিবার কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিরা মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে কাশীপুর এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে জবকার্ডধারীদের কাছে অভিযোগ শুনে কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিদের চক্ষু চড়কগাছ। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জবকার্ডধারীদের দিয়ে দিনের পর দিন ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ করানো হয়েছে। কিন্তু, তাঁরা কেউ টাকা পাননি। আলাউদ্দিন শেখ নামে এক জবকার্ডধারী বলেন, পঞ্চায়েতের  পক্ষ থেকে ১০০ দিনের কাজ দেওয়া হয়। দিনের পর দিন আমরা কাজ করেছি। কিন্তু, টাকা পাইনি। পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে টাকার জন্য দরবার করেছি। কিন্তু, তাঁরা বলেছেন, কেন্দ্রীয় টিম এসে টাকা দেবে। তাই, এসেছি। মনোরমা মণ্ডল বলেন,  ১০০ দিনের কাজ করেছি। পঞ্চায়েত টাকা দেয়নি। কেন্দ্রীয় টিম এসেছে। তাঁদের কাছে আমরা সকলে নালিশ জানাতে এসেছি। আর এই এলাকায় কোনও যানবাহন নেই। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে খুব সমস্যা হয়। কেন্দ্রীয় টিমের কাছে সেই অভিযোগও জানিয়েছি। কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিরা কাশীপুর এলাকা পরিদর্শনের সময় এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়েন। কারণ, ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ করার পরও অধিকাংশ জবকার্ডধারী টাকা পাননি। ফলে, কেন্দ্রীয় টিম টাকা দেবে ভেবে নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেন। পরে, কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করে নেন। এলাকার তাঁরা ছবি তাঁরা তুলে রাখেন।

    কেন বেলডাঙা-২ নম্বর ব্লক পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় টিম? Corruption

    ১০০ দিনের প্রকল্পে বড়সড় দুর্নীতি (Corruption)  হয়েছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে। আর তার তদন্ত করতেই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল জেলায় আসেন। শনিবারই দুই সদস্যের ওই প্রতিনিধি  বেলডাঙা-২ ব্লক অফিসে যান। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তাঁরা ম্যারাথন বৈঠক করেন। সেখানে ১০০ দিনের প্রকল্পে যে সব দুর্নীতি (Corruption)  হয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিন কাশীপুর এলাকায় গিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি সরজমিনে তাঁরা খতিয়ে দেখেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “মা দুর্গা শক্তির উৎস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”, পুজোয় বার্তা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “মা দুর্গা শক্তির উৎস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”, পুজোয় বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীকে দুর্গা পুজোর শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ৷ পরিষ্কার বাংলা ভাষায় দুর্গাপুজোর আগে শান্তির বার্তা দিলেন রাজ্যপাল৷ পাশাপাশি বাংলাকে হিংসা ও দুর্নীতি মুক্ত করার কথাও বললেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান৷ সূচনা করলেন কলাক্রান্তি উৎসবের।  রাজ্যপাল বলেন, ‘‘মা দুর্গা সবাইকে শক্তি দেয়। শক্তির উৎস। কলকাতার পুজো দারুণ ব্যাপার। দারুণ ফিলিং।’’ 

    রাজ্যপালের ভিডিও বার্তা

    ভিডিও বার্তায় রাজ্যপাল বললেন, ‘‘বাংলার ভাই ও বোনেরা । আপনাদের সকলকে জানাই দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। আসুন মা দুর্গার চরণতলে নিজেদের সমর্পণ করি। এটা হল আত্ম উপলব্ধির সময়। এই সেই সময় মা, দুর্গার শরণাপন্ন হওয়া দরকার। দুষ্টের দমন আর সৃষ্টির পালন এই আদর্শে দীক্ষিত হওয়া দরকার। আসুন আজ মা’কে সাক্ষী রেখে এই শপথগ্রহণ করি ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। হিংসার বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে। পুরাণের কথা অনুযায়ী দুর্নীতি হল রক্তবীজ আর হিংসা হল মহিষাসুর। যেমন মা দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন। আমরা সেরকম দুর্নীতিকে শেষ করব।’’

    রাজপথে রাজ্যপাল 

    দুর্গা পুজোতেও রাজভবন ছেড়ে রাজপথে নামেন রাজ্যপাল। রবিবার মূলত মণ্ডপে মণ্ডপে প্রস্তুতি কেমন, কলকাতার ট্রাফিক ব্যবস্থা কী রকম রয়েছে তা খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল। পৌঁছে যান কুমোরটুলিতে, সেখানে মৃৎশিল্পীদের কাজ দেখেন সি ভি আনন্দ বোস। একাধিক শিল্পীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের হাতে রাজভবনের তরফে উপহারও তুলে দেন তিনি। রাজ্যপালের হাতেও, তাঁদের তৈরি মূর্তি উপহার হিসেবে তুলে দেন শিল্পী পরিবারের সদস্যরা। কুমোরটুলি থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল সোজা চলে যান একডালিয়া এভারগ্রিনে। দর্শনার্থীদের সঙ্গে জনসংযোগও করতে দেখা যায় রাজ্যপালকে।

    আরও পড়ুন: বাংলায় পরিবর্তন আনাই লক্ষ্য! ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসে বললেন অমিত শাহ

    কলাক্রান্তি উৎসবের সূচনা

    দুর্গাপুজোর আবহে এদিন কলাক্রান্তি উৎসবের সূচনা করেন রাজ্যপাল। কলাক্রান্তি উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা এবং তাঁকে লালন করা। রাজ্যাপালের কথায়, ‘‘ভারতের সেই সংস্কৃতি বিশ্বের কাছে বাংলার নেতৃত্বে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। ’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shah Rukh Khan : ‘জওয়ান’ কংগ্রেস সরকারের দূর্নীতিকে তুলে ধরেছে! শাহরুখকে ধন্যবাদ বিজেপির 

    Shah Rukh Khan : ‘জওয়ান’ কংগ্রেস সরকারের দূর্নীতিকে তুলে ধরেছে! শাহরুখকে ধন্যবাদ বিজেপির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত শাহরুখ খানের (Shahrukh Khan) ‘জওয়ান’ (Jawan) সিনেমা দূর্নীতিগ্রস্ত কংগ্রেস সরকারের কথা তুলে ধরেছে, অভিমত বিজেপির। এ জন্য বলিউডের বাদশাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে পদ্ম শিবির। বিজেপির (BJP) দাবি, কংগ্রেসের দুর্নীতি ভরা ১০ বছরের শাসনকালকেই তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়। কেন্দ্রে বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জওয়ান’ ছবির একটি পোস্টার শেয়ার করে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

    কী বলল বিজেপি

    সোশ্যাল মিডিয়ায় জওয়ান সিনেমার পোস্টারের ছবি পোস্ট করে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া লেখেন, “আমাদের শাহরুখ (Shahrukh Khan) খানকে ধন্যবাদ জানানো উচিত ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল অবধি কংগ্রেস জমানায় যে দুর্নীতি হয়েছিল, তা জওয়ান সিনেমার মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এই সিনেমা দর্শকদের ইউপিএ সরকারের দুঃখজনক রাজনৈতিক ইতিহাসকে মনে করায়।” 

    গৌরব ভাটিয়া আরও লেখেন যে ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল অবধি দ্বিতীয়বার ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সিডব্লুজি, ২জি ও কোলগেটের মতো একাধিক দুর্নীতি হয়েছিল। সেখানেই বিগত সাড়ে ৯ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের নিষ্কলঙ্ক রেকর্ড রয়েছে। কোনও দুর্নীতি হয়নি। বিজেপি মুখপাত্র বলেন, “যেমন শাহরুখ বলেছেন, হাম জওয়ান হ্যায়, আপনি জান হাজার বার দাও পর লাগা সাকতে হ্যায়, লেকিন সির্ফ দেশ কে লিয়ে, তুমহারে জায়সে দেশ বেচনেওয়ালোকে লিয়ে নেহি- এই কথাটা গান্ধী পরিবারের জন্য একদম প্রযোজ্য।”

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার জন্য দেশ গর্বিত’’, জি২০ সম্মেলন নিয়ে মোদি বন্দনায় শাহরুখ

    কৃষক আন্দোলন, সেনা সহায়তা প্রসঙ্গে

    প্রসঙ্গত, যে কৃষকদের দুরবস্থার দৃশ্য দেখানো হয়েছে ‘জওয়ান’ ছবিতে সেটির উল্লেখ করেও কংগ্রেস আমলে প্রায় ২ লক্ষ কৃষক আত্মহত্যার কথা মনে করিয়েছেন বিজেপি মুখপাত্র। অন্যদিকে মোদি সরকারের আমলে যে ১১ কোটি কৃষক কেন্দ্রীয় ভাতার সুবিধা পেয়েছে তাও উল্লেখ করা হয়েছে এই পোস্টে। গৌতম ভাটিয়া লিখেছেন, কংগ্রেস যুগে ১.৬ লক্ষ কৃষক আত্মহত্যা করেছিলেন। অথচ বিজেপি সরকার নূন্যতম সহায়ক মূল্য হিসাবে ২.৫৫ লক্ষ কোটি টাকা ১১ কোটি কৃষককের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছেন পিএম কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার মাধ্যমে। বিজেপি সেনাদের ২.৩ লক্ষ বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট সরবরাহ করেছে।  ১.২ লক্ষ কোটি টাকা বিতরণ করেছে। যেখানে কংগ্রেস আমাদের সৈন্যদের জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটের পরিবর্তে ভিভিআইপি হেলিকপ্টার কিনেছে। গৌতম ভাটিয়ে লিখেছেন, ২৬/১১ মুম্বই হামলার পরে কংগ্রেস প্রাক্তন এয়ার চিফ মার্শাল ফালি হোমি মেজরের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিল। অথচ যেখানে বিজেপি পুলওয়ামা হামলার সি দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, বালাকোট বিমান হামলা পরিচালনা করেছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share