Tag: Dengue

Dengue

  • Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ কেন‌ বাড়ছে? কীভাবে চিনবেন এই রোগ? কাদের ঝুঁকি বেশি? 

    Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ কেন‌ বাড়ছে? কীভাবে চিনবেন এই রোগ? কাদের ঝুঁকি বেশি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ফি-বছর বর্ষাকালে রাজ্যের মানুষের ভোগান্তি বাড়ায় ডেঙ্গি। মশাবাহিত এই রোগে নাজেহাল সকলেই। কয়েক হাজার মানুষ মারাও যান। লাখখানেক মানুষ আক্রান্ত হন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, সচেতনতার অভাব এই রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে! আসুন, এক নজরে দেখে নিই এই মারণ রোগের খুঁটিনাটি।

    ডেঙ্গি কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডেঙ্গি একটা ভাইরাস, যা মশার মাধ্যমে একজনের দেহ থেকে আরেক জনের রক্তে সংক্রমিত হয়। মূলত স্ত্রী এডিস মশা ডেঙ্গির ভাইরাস বহন করে।

    কীভাবে চিনবেন এই রোগ? (Dengue)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে জ্বর হয়। দেহের তাপমাত্রা মারাত্মক বেড়ে যায়। তার সঙ্গে গোটা শরীরে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হয়। বিশেষত হাত ও পায়ের জয়েন্টে যন্ত্রণা বেশি হয়। মাথার যন্ত্রণা হয়। এর পাশপাশি শরীরের বিভিন্ন অংশে লালচে গোল দাগ দেখা দিতে পারে। এছাড়াও ডেঙ্গি সংক্রমণ হলে মাথা ঘোরা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, দেহের যে কোনও অংশ থেকে রক্তপাত শুরু হলে, বুঝতে হবে পরিস্থিতি বেশ জটিল। তাই আরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    কেন ডেঙ্গি বিপজ্জনক?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডেঙ্গি ভাইরাস সংক্রমণ (Virus Infection) হলে আক্রান্তের রক্তে প্লেটলেটের পরিমাণ কমতে থাকে। আর তা হলেই রক্ত সঞ্চালন থমকে যায়। তার ফলে হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, মস্তিষ্ক সহ একাধিক অঙ্গের কার্যকারিতা বাধা পায়। মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহও কমে যায়। মস্তিষ্ক কাজ করতে পারে না। ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণ হলে মাল্টি অরগ্যান ফেলিওরের ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই ডেঙ্গি বিপজ্জনক বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কাদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে ডেঙ্গি? (Dengue)

    প্রথম থেকে চিকিৎসা শুরু না করলে ডেঙ্গি সংক্রমণ যে কোনও সময় বিপজ্জনক হতে পারে। তবে শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ডেঙ্গি মারাত্মক জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিশু ও গর্ভবতী মহিলারা ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে দ্রুত পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। মৃত্যুহার খতিয়ে দেখলে দেখা যায়, গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা অন্যদের তুলনায় বেশি। 
    তবে একবার ডেঙ্গি আক্রান্ত আরেকবার ভিন্ন প্রজাতির ডেঙ্গিতে সংক্রামিত হলে বিপদ আরও বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এ রাজ্যে ডেঙ্গির মূলত চারটি প্রজাতি রয়েছে। এক প্রজাতির ভাইরাস এক ব্যক্তির দেহে একাধিক বার সংক্রমিত হলে পরিস্থিতি ভয়ানক হয় না। কারণ সেই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি শরীরে তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু এক ব্যক্তিকে বারবার এক ভাইরাসের ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতি সংক্রমিত করলে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। তখন আক্রান্তের রোগ প্রতিরোধ শক্তি তলানিতে গিয়ে ঠেকে। একাধিক অঙ্গের ক্ষমতা কমতে থাকে। তাই একবার ডেঙ্গি সংক্রমণ হলে, তাকে আরও সতর্ক ভাবে থাকতে হবে বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডেঙ্গি (Dengue) মশাবাহিত রোগ। তাই মশার দাপট রুখতে পারলেই ডেঙ্গির মোকাবিলা সহজ‌‌ হবে। নিয়মিত মশারি টাঙিয়ে ঘুমনোর পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর পাশপাশি বাড়ির আশপাশ ও এলাকা পরিষ্কারের দিকে নজরদারি জরুরি। নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার, যে কোনও জায়গায় জল জমতে না দেওয়ার দিকে নজর রাখতে হবে। এলাকার বিভিন্ন পার্ক ও বাগানে নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে দিতে হবে। তাছাড়া, নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কিনা সেটাও নজরদারি জরুরি‌। এলাকার কেউ জ্বর, সর্দিতে আক্রান্ত হলে কিংবা ডেঙ্গির উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা জরুরি। ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত থাকা দরকার। তবেই দ্রুত চিকিৎসা মাধ্যমে সুস্থ থাকা যাবে। আক্রান্তকে‌ আলাদা ভাবে রাখতে হবে। এলাকায় কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত (Virus Infection) হলে বাকিদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি আক্রান্তে ফের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ

    Dengue: ডেঙ্গি আক্রান্তে ফের শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটানা বৃষ্টি! তার পরে কয়েক দিনের রোদ! এই আবহাওয়া এখন উদ্বেগজনক। কিন্তু চলতি সপ্তাহে এমনই আবহাওয়ার জেরে রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট আরও বাড়তে পারে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। চলতি বছরে ডেঙ্গি বঙ্গবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়াবে বলেই আশঙ্কা করছে প্রশাসনের একাংশ। কিন্তু সেই তুলনায় প্রশাসনের তেমন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বলেই বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। মানুষের তিক্ত অভিজ্ঞতা হল, সরকারের বিভিন্ন দফতরের মধ্যে এই মারণ রোগ মোকাবিলায় কোনও সমন্বয়ই নেই। তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে।

    উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কোন জেলা? (Dengue)

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দফতরের বৈঠকে প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, এবারে আক্রান্তের নিরিখে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা। ইতিমধ্যেই ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। শুধুমাত্র জুলাই মাসের শেষ দুই সপ্তাহে উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে ৫০০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। উত্তর ২৪ পরগনার পরেই নদিয়া। স্বাস্থ্যকর্তারা জানাচ্ছেন, নদিয়া জেলায় গত মাসে ৪০০-র বেশি মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া কলকাতা ও হাওড়ার পরিস্থিতিও নজরে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনিক (State Administration) সূত্রে দাবি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, গত বছরের মতোই চলতি বছরেও জুন মাস থেকেই কলকাতা ও হাওড়ায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কলকাতায় ডেঙ্গির (Dengue) পাশপাশি ম্যালেরিয়ার দাপটও যথেষ্ট। মশার এই জোড়া আক্রমণে নাজেহাল কলকাতা তথা বঙ্গবাসী।

    কী পরিকল্পনা করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকা পরিদর্শনের পাশপাশি স্কুল, কলেজ, হাসপাতালেও পরিদর্শন জরুরি। এমনই নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য প্রশাসন। কর্তারা জানাচ্ছেন, একটানা বৃষ্টির জেরে স্কুল, কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে বহু জায়গায় জল জমে আগাছা জন্মাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। আর তার জেরেই মশার বাড়বাড়ন্ত। তাই স্কুল, কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন জরুরি। পাশপাশি হাসপাতাল চত্বরে যাতে জল না জমে, সে নিয়েও নজরদারি জরুরি। এক স্বাস্থ্যকর্তার (State Administration) কথায়, “ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ব্যাপারে নজর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তাদেরও এই বিষয়ে জানানো হয়েছে।” 
    তবে, স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছে, গতানুগতিক ভাবে শুধু পরিকল্পনা যথেষ্ট নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। অনেক সময়েই তা নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। ডেঙ্গি যে ভাবে বাড়ছে, সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য কর্তাদেরই একাংশ।‌ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malaria: চোখ রাঙাচ্ছে ম্যালেরিয়া! পুরুলিয়াতেই ১৬৬ জন আক্রান্ত, আতঙ্ক

    Malaria: চোখ রাঙাচ্ছে ম্যালেরিয়া! পুরুলিয়াতেই ১৬৬ জন আক্রান্ত, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা আসতেই রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার দাপট শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শিলিগুড়িতে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ডেঙ্গিতে ১৪০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরই পাশাপাশি এবার পুরুলিয়া জেলায় ম্যালেরিয়া (Malaria) আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। ফলে, জেলাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারাও উদ্বিগ্ন।

    জেলায় ১৬৬ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত (Malaria)

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া জেলায় (Purulia) আক্রান্তের সংখ্যা ১৬৬ জন। এর মধ্যে বলরামপুর ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তাতে আরও উদ্বেগ বেড়েছে। ম্যালেরিয়া (Malaria) আক্রান্তের খবর পেয়ে ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি পরিদর্শনে যান জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশোক বিশ্বাস। শনিবার পুরুলিয়ার বলরামপুর ব্লকের বাঁশগড় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন তিনি। সেখানে শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রায় ৫০ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বললেন। একইসঙ্গে আশাকর্মী এবং স্বাস্থ্য দফতরের টিম গ্রামে গ্রামে গিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্প করে সাধারণ মানুষের রক্ত পরীক্ষা শুরু করেছেন। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের লক্ষণ ধরা পড়লেই প্রাথমিক চিকিৎসা করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করার ব্যবস্থা করছে স্বাস্থ্য দফতরের ওই দল। বলরামপুর শহরের বেশ কয়েকজন ছাত্রী মাথা ব্যাথা জ্বর নিয়ে ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসেন ম্যালেরিয়ার পরীক্ষা করাতে। রক্ত পরীক্ষা করার পর ম্যালেরিয়ার রিপোর্ট ধরা পড়ছে।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    বলরামপুর ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও প্রশাসনের সেভাবে নজর নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের জন্য প্রথম থেকে স্বাস্থ্য দফতরের যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা নেওয়া হয়নি। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তেই এখন স্বাস্থ্য দফতরের হুঁশ ফিরেছে।

    গতবারের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে

    জেলা (Purulia) মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশোক বিশ্বাস বলেন, গত বছরের তুলনায় ম্যালেরিয়ার আক্রান্তের সংখ্যা জেলায় বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে বলরামপুর, বাগমুন্ডি, ঝালদা সহ একাধিক ব্লকে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেড সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে অস্থায়ী শিবির করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: দক্ষিণ দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আক্রান্ত ১৩৬

    Dengue: দক্ষিণ দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আক্রান্ত ১৩৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরা বর্ষায় জমছে জল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। অনেকে আবার বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করাচ্ছেন। লাফিয়ে লাফিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

    ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ১৩৬ জন (Dengue)

    জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বুধবার পর্যন্ত প্রায় ১৩৬ জন ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়েছেন। গত দুদিনে ১৫ জন জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, এখন ডেঙ্গি পরীক্ষার পরিমাণ বেড়েছে। তাই আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। গতবারের তুলনায় এবার জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। ডেঙ্গি মোকাবিলায় এবার আরও সজাগ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর। গতবছর কুমারগঞ্জ ব্লকের নানা প্রান্ত ও বালুরঘাটের বেশ কিছু এলাকা ডেঙ্গির হটস্পট জোন ছিল। এবারও বালুরঘাট, তপন, কুমারগঞ্জ সহ হিলি ব্লকে ডেঙ্গি মাথাচাড়া দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে গঙ্গারামপুর মহকুমায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কম এনিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। মূলত সচেতনতামূলক প্রচারে জোর দেওয়া হচ্ছে। বর্ষার মধ্যে ডেঙ্গির সংক্রমণ বাড়লেও কোনও মৃত্যুর খবর নেই। যা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরকে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    স্বাস্থ্য দফতরের কী বক্তব্য?

    জেলার আটটি ব্লকেই ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বালুরঘাট, কুমারগঞ্জ ও হিলি ব্লকে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বলে দফতর সূত্রে খবর। ফলে, সচেতনতার পাশাপাশি পরীক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, “গতবারের তুলনায় এবার ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। তবে, মৃত্যুর কোনও খবর নেই। গতবারের তুলনায় এবার জেলা হাসপাতালের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রামীণ হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডেঙ্গির পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ডেঙ্গি আক্রান্তের খবর অনেকটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে।” যদিও বালুরঘাট পুরসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, “বালুরঘাট (South 24 Parganas) শহরে নতুন করে কেউ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়নি। আমরা সব জায়গায় নজর রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ফের ডেঙ্গির থাবা শিলিগুড়িতে, এবার প্রাণ গেল শিশুর

    Siliguri: ফের ডেঙ্গির থাবা শিলিগুড়িতে, এবার প্রাণ গেল শিশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটল শিলিগুড়িতে। আর এটা নিয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠল স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে। শিলিগুড়ি (Siliguri) সহ দার্জিলিং জেলায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়লেও আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ নিয়ে আগেই স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ ছিল। এবার রবিবার শিলিগুড়ি পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক শিশুর ডেঙ্গিতে (Dengue) মৃত্যুর পর সেই মৃত্যুর তথ্যও গোপন করতে চাইছে স্বাস্থ্য দফতর।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Siliguri)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ন’বছরের জায়না খাতুন অনেক দিন ধরে জ্বরে ভুগছিল। স্থানীয় ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খাওয়ানো হলেও জ্বর কমছিল না, বাইরে থেকে এনএস -১ পরীক্ষা করালে ডেঙ্গি পজিটিভ ধরা পড়ে। শনিবার সকাল থেকে অবস্থার অবনতি হলে শিলিগুড়ি শহরের  হিলকার্ট রোডের একটি নার্সিংহোমে জায়নাকে ভর্তি করা হয়। রবিবার তার মৃত্যু হয়। নার্সিংহোমের তরফে  জানানো হয়েছে, ভর্তির সময় এই শিশু প্লেটলেট ১০ হাজারের নেমে এসেছিল। অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল। ওই শিশুর পরিবারের দাবি, নার্সিংহোমের দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেট মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গি হেমোরেজেনিক, কার্ডিয়াক ফেলিওর এই কথাগুলি লেখা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: সুকান্ত লিড পাওয়ায় বালুরঘাটে বন্ধ নাগরিক পরিষেবা! মহকুমা শাসককে নালিশ পুরবাসীর

     কী বলছে স্বাস্থ্যদফতর?

    দার্জিলিং জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামাণিক ওই শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গিতে হয়েছে তা মানতে নারাজ। তিনি বলেন, আমাদের কাছে যে ডেথ সার্টিফিকেট এসেছে,সেখানে ওই শিশুর মৃত্যুর কারণ হিসেবে পরিষ্কার লেখা রয়েছে সেপটিসেমিয়া। ডেঙ্গি না লেখা থাকে তাহলে আমরা সেটাকে ডেঙ্গিতে মৃত্যু বলে ধরতে পারি না। দার্জিলিং জেলার পতঙ্গ বাহিত রোগের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি সিএমওএইচ-২ ডাঃআনোয়ার হোসেন বলেন, ওই শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গিতে হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের কাছে এখনও সরকারিভাবে এর কোনও প্রমাণ নেই। প্রাইভেট ল্যাবগুলিতে (Siliguri) নির্দেশ দেওয়া রয়েছে, কারও ডেঙ্গি ধরা পড়লে তা সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতর পোর্টালে আপলোড করতে হবে। কিন্তু সোমবার দুপুর পর্যন্ত স্বাস্থ্য দফতরের পোর্টাল অ্যাপে জায়না খাতুন নামে কোনও ব্যক্তির ডেঙ্গি পজিটিভের রিপোর্ট নেই। কাজেই আমরা ডেঙ্গিতেই জায়নার মৃত্যু হয়েছে এটা বলতে পারছি না। নার্সিংহোমে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা খোঁজখবর নিয়ে দেখতে হবে। 

    শিশু মৃত্যুতে শিলিগুড়িতে ডেঙ্গু আতঙ্ক

    স্বাস্থ্যদফতরের হিসেবে, গত জানুয়ারি মাস থেকে শিলিগুড়ি সহ দার্জিলিং জেলায় গত শনিবার পর্যন্ত মোট ৬৫ জন ডেঙ্গির সংক্রমণ ধরা পড়েছে। শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা এলাকায় ৩০ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত পাওয়া গিয়েছে। জেলায় মোট সংক্রমণ ৬৫-র অর্ধেকের বেশি পঞ্চায়েত এলাকায়। মাটিগাড়া ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা মাটিগাড়া-২ ও পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েত ৩০ জনেরও এরও বেশি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত  হয়েছেন। যা নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ উদ্বেগে রয়েছে। জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল এই দুটি এলাকায় পরিদর্শন করে ডেঙ্গি (Dengue) প্রতিরোধের প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ঠিক মতো কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Health Update: বর্ষা আসতেই রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, জ্বর হলেই পরীক্ষার নির্দেশ

    Health Update: বর্ষা আসতেই রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, জ্বর হলেই পরীক্ষার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই বর্ষাকাল। তবে জাঁকিয়ে বৃষ্টি শুরু হয়নি এখনও। তা সত্ত্বেও শহরে বাড়ছে ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়ার (Dengue and malaria) প্রকোপ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে (Health Update) জানা গিয়েছে, এ রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪১। মৃত্যুর কোনও খবর এখনও নেই। এপ্রিল মাসের শেষে এ রাজ্যে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা  ২ হাজার ১৬৪ জন। বাংলায় মৃত্যু হয়েছে এক ম্যালেরিয়া রোগীর। ডেঙ্গির পাশাপাশি ম্যালেরিয়ার বাড়বাড়ন্তে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর। বিভিন্ন জেলায় দেওয়া হয়েছে বিশেষ নজরদারির নির্দেশ।

    বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা

    বর্ষার আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। এক সপ্তাহের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে একশোর ঘর। গত ছ’মাসে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হাজার দেড়েক। সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এর পরেই রয়েছে কলকাতা। এখানে মশা-বাহিত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে একশোর কোঠা। মালদা, মুর্শিদাবাদ, আসানসোল এবং হুগলির ছবিটাও ভয় ধরায় মনে।

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, চলতি বছর জুনের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩২৮। উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৭০ ছাড়িয়েছে (Health Update)। মালদায়ও সংখ্যাটা প্রায় একই। মুর্শিদাবাদে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা দেড়শোর ওপরে। হুগলিতে দেড়শোর কাছাকাছি। প্রসঙ্গত, গত বছর এ রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ ভেঙে দিয়েছিল গত এক যুগের রেকর্ড।

    আরও পড়ুন: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    এমতাবস্থায় জ্বর হলেই ডেঙ্গি পরীক্ষা করাতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, অল্প জ্বর হলেও, ডেঙ্গি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্য ভবনের তরফে রাজ্যের সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালগুলিকে এই মর্মে নির্দেশও পাঠানো হয়েছে। এজন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যভবনের তরফে।

    এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কথায়, “জ্বর, মাথাব্যথা, গাঁটে-গাঁটে ব্যথা ছাড়াও, হালকা জ্বর এবং পেটে মোচড় দেওয়ার মতো উপসর্গও এবার দেখা যাচ্ছে। তাই পেট খারাপ ও অল্প জ্বর হলেও, ডেঙ্গির (Dengue and malaria) এনএস ওয়ান পরীক্ষা লিখতে হবে প্রেসক্রিপশনে (Health Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue Death: বর্ষার মরসুমে দেশজুড়ে ডেঙ্গি আতঙ্ক! প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল বেঙ্গালুরু প্রশাসন

    Dengue Death: বর্ষার মরসুমে দেশজুড়ে ডেঙ্গি আতঙ্ক! প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল বেঙ্গালুরু প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচণ্ড গরম এবং তাপপ্রবাহ থেকে স্বস্তি দিতে বর্ষার আগমন ঘটেছে। আর সেই সঙ্গে বেড়েছে নানা অসুখ-বিসুখ নিয়ে দুশ্চিন্তা। প্রতিবছর বর্ষার মরসুমে দেশজুড়ে ডেঙ্গি আতঙ্ক ভয় ধরায় দেশবাসীকে। জমা জল থেকে জন্ম নেওয়া মশার কামড়ে বহু প্রাণের বলি হচ্ছে। আর এরই মধ্যে বর্ষা আসতে না আসতেই চলতি বছরে বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর (Dengue Death) খবর নিশ্চিত করল বেঙ্গালুরু প্রশাসন। জানুয়ারি মাসের পর গত বৃহস্পতিবার এই প্রথম বেঙ্গালুরুতে ডেঙ্গিতে (Dengue) মৃত্যু হল।  

    ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু (Dengue Death)

    জানা গিয়েছে ২৭ বছরের মৃত যুবক সিভি রমন নগরের বাসিন্দা। গত ২৫ জুন জ্বর নিয়ে বেঙ্গালুরুর মণিপাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল ওই যুবককে। চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কর্মক্ষমতা হারিয়ে বিকল হয়ে যেতে শুরু করে। এরপর ২৭ জুন মারা যান যুবক। যদিও শুক্রবার আরও দুই রোগীর ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে প্রশাসনের তরফে সেই খবরে এখনও নিশ্চয়তা মেলেনি। 
    অন্যদিকে বছর ৮০-র আরেক বৃদ্ধার মৃত্যুর খবরও এসেছে। তামিলনাড়ুর বাসিন্দা ওই বৃদ্ধার স্তন এবং কোলন ক্যান্সার ছিল এবং ডেঙ্গির লক্ষণও ছিল।  যদিও, হাসপাতালের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তার মৃত্যুর কারণ ডেঙ্গি নয়। 

    ডেঙ্গির ছোবলে আক্রান্ত গোটা বিশ্ব

    এডিস মশার একটা কামড় থেকেই ছড়ায় ডেঙ্গি রোগ। শুধু ভারত নয়, ডেঙ্গির ছোবলে গোটা বিশ্ব আক্রান্ত। ২০২৪ সালেও বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত (Dengue Death) হন মানুষেরা। চিকিৎসকের কথায়, ডেঙ্গি রোগের ভেক্টর হল এডিস মশা।‌ এই মশা কিছুটা উষ্ণ ও আর্দ্র এলাকায় জন্ম নেয়‌। আর ভারতে এমন স্থানের কোনও অভাব নেই। সেই কারণেই ডেঙ্গির এত বাড়বাড়ন্ত। বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) পাশাপাশি কর্ণাটক জুড়েও ক্রমেই বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা। ক্রমবর্ধমান ডেঙ্গু রিপোর্ট প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। 

    আরও পড়ুন: রবিনা ট্যান্ডন থেকে বরুণ ধাওয়ান! বিশ্বকাপ জয়ে শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসল রোহিত শর্মার দল

    কী নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর?  

    জানুয়ারি থেকে বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) এখনও অবধি ১,৭৪৩টি ডেঙ্গি সংক্রমণের কেস নথিভুক্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কার্যালয়ের তরফে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, গোটা কর্ণাটক জুড়ে ২৪ জুন পর্যন্ত ৫,৩৭৪টি ডেঙ্গির কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। এমত পরিস্থিতিতে, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া গত মঙ্গলবার রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এদিন বৈঠকে ডেঙ্গির সংক্রমণ সনাক্তকরণ এবং তার চিকিৎসাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: বর্ষার আগেই মালদায় চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, আক্রান্তের সংখ্যা ১৪২, আতঙ্ক

    Dengue: বর্ষার আগেই মালদায় চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, আক্রান্তের সংখ্যা ১৪২, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা আসার আগেই মালদায় ক্রমশ বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মালদায় এখনও পর্যন্ত ১৪২ জনের রক্তের নমুনায় ডেঙ্গির (Dengue) সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যা গতবছরের তুলনায় বেশি। আক্রান্তদের মধ্যে এখন একজন মালদা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    কোন এলাকায় ডেঙ্গি প্রভাব বেশি? (Dengue)

    ইংরেজবাজারের কালিয়াচক ১,২,৩ ব্লকেই ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। গত বছর ইংরেজবাজার পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ডে মারাত্মকভাবে ডেঙ্গি সংক্রমণ হয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখে এবার প্রথম থেকেই ডেঙ্গি মোকাবিলার চেষ্টা করছে পুরসভা। বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন পুরকর্মীরা। ওয়ার্ড ভিত্তিক নিকাশি নালাগুলি পরিষ্কার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইংরেজবাজার পুর কর্তৃপক্ষ। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের তুলনায় এই বছর ডেঙ্গি সংক্রমণের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। মালদা মেডিক্যাল কলেজে বিনামূল্যে ডেঙ্গির পরীক্ষার জন্য রোগীদের ভিড় বাড়ছে। জ্বর হলেই হচ্ছে আতঙ্ক। বিভিন্ন এলাকা থেকে জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা ছুটে আসছেন মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরে। রোগীদের রক্তের নমুনা নিয়ে ডেঙ্গি পরীক্ষা করা হচ্ছে। ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যে জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া মালদা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    মালদার (Malda) মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি বলেন, এ বছর এখনও পর্যন্ত ১৪২ জনের রক্তের নমুনায় ডেঙ্গির (Dengue) সংক্রমণ ধরা পড়েছে। অধিকাংশ রোগীই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করাচ্ছে। কেউ নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছেন। মালদা মেডিক্যাল কলেজেও এক ডেঙ্গি চিকিৎসাধীন রোগী রয়েছেন।

    পুরসভার বিরোধী কাউন্সিলর কী বললেন?

    ইংরেজবাজার (Malda) পুরসভার বিরোধী কাউন্সিলর অম্লান ভাদুড়ি বলেন, ডেঙ্গি সংক্রমণ এলাকায় বাড়ছে। পুরসভার পক্ষ থেকে এলাকা ঠিকমতো সাফাই করা হয় না। পুরসভার নজরদারির অভাবে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য, ডেঙ্গি মোকাবিলায় সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের আঁচে পুড়ছিল গোটা রাজ্য। কিন্তু দিন দুয়েকের মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টি অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছিল। তাপমাত্রার পারদও তাই ওঠানামা করছে। আর তার জেরেই রাজ্য জুড়ে আবহাওয়া বেশ খামখেয়ালী। আর এই পরিস্থিতিতেই উদ্বেগ‌ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির প্রকোপ রয়েছে। শীতকালে কিছুটা সংক্রমণ কমলেও একেবারে বন্ধ হয়নি। গরম পড়তেই কলকাতার মতো বড় শহর থেকে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল, সর্বত্র মশার দাপট শুরু হয়েছে। তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি। আর এই তাপমাত্রার রকমফের সেই বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।

    কেন‌ এই আবহাওয়ায় ডেঙ্গির বিপদ‌ বাড়ছে? (Dengue)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্র নিকাশি প্রক্রিয়া ভালো নয়। তার জেরে বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে। জমা জলে মশা বংশবিস্তার করে। আর গরমে মশার উপদ্রব আরও বাড়ে। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, বৃষ্টি এই সময়ে লাগাতার হবে না।‌ কিন্তু দিন কয়েকের বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন জায়গায় জমা জলের সমস্যা থাকবে। আর তার জেরেই বাড়বে‌ ডেঙ্গি। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী ভর্তি অব্যাহত। তাই এই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক‌ হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি নিয়ে বিশেষ সক্রিয় না‌ হলে চলতি বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ডেঙ্গি সংক্রমণ রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এই বছরে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষত যাঁরা একবার আক্রান্ত হয়েছেন, ফের তাঁরা ভিন্ন প্রজাতির ডেঙ্গি (Dengue) ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।‌ আর তার জেরে তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে। প্রথম থেকেই ডেঙ্গি নিয়ে প্রশাসন কড়া মনোভাব না দেখালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে না বলেই আশঙ্কা করছেন‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বাসিন্দাদের একাংশের ক্ষোভ (Dengue)

    হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কলকাতা সহ একাধিক জেলার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকা‌ একেবারেই চোখে পড়ে না। তাদের অভিযোগ, চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাব। নর্দমা পরিষ্কার কিংবা মশানিধন কর্মসূচি, কিছুই চোখে পড়ে না। এমনকি সময় মতো এলাকা পরিষ্কার করে না পুরসভা। এমন অভিযোগ হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ দমদম সহ একাধিক পুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। যার ফলে তাদের ডেঙ্গির ভোগান্তি লেগেই আছে বলে জানাচ্ছেন এই সব এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ।

    কী বলছেন প্রশাসনিক কর্তারা?

    রাজ্য প্রশাসন অবশ্য জানাচ্ছে, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসন‌ যথেষ্ট সক্রিয়। বছরভর কর্মসূচি চলছে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজও চলছে। তবে ডেঙ্গি নির্মূল সম্ভব নয়। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, “প্রশাসন যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। ডেঙ্গি রুখতে সব রকম কর্মসূচি চলছে। তারপরেও কোথাও কোনও অভিযোগ থাকলে সরাসরি পুরসভা কিংবা স্বাস্থ্য দফতরে জানানো যায়। অভিযোগ খতিয়ে দেখে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: রাজ্যে ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল যুবকের, আতঙ্ক

    Dengue: রাজ্যে ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল যুবকের, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতেও ঘাতকের রূপ নিল ডেঙ্গি (Dengue)। বুধবার সকালে শিলিগুড়ি পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের এক যুবকের মৃত্যু হয়। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই যুবকের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গির উল্লেখ রয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তাদের দাবি, এবছর শিলিগুড়িতে ডেঙ্গিতে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Dengue)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭ নভেস্বর, মঙ্গলবার ২৭ বছর বয়সী ওই যুবককে এখানে ডেঙ্গি শক সিনড্রোম নিয়ে ভর্তি করানো হয় একটি নার্সিংহোমে। পাঁচদিন ধরে জ্বর ছিল। তার আপার ইন্টেস্টিনাল ব্লিডিং হচ্ছিল। হাসপাতালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, প্লেটেলেট কমে যাওয়ায় দুই ইউনিট প্লেটলেট দেওয়া হয়। আমরা তাঁকে বাঁচানোর সবরকম চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। এদিন সকালে ডেঙ্গি শক সিনড্রোমে সেই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য দুলাল দত্ত বলেন, যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। তবে এবার প্রথম থেকেই শিলিগুড়ি পুরসভা ডেঙ্গি প্রতিরোধের কাজে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে। গত জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ৪২৩ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুর ঘটনা এদিনই প্রথম ঘটল। তবে এবার শিলিগুড়ি শহরে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গতবারের মতো ব্যাপক আকার নেয়নি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    ২৭ বছর বয়সের ওই যুবকের মৃত্যুতে শিলিগুড়ি শহরে ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণের প্রকৃত চেহারা প্রকাশের দাবি তুলেছে বিজেপি। পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপি কাউন্সিলার অমিত জৈন বলেন, শহরে অনেকদিন থেকেই ডেঙ্গি ব্যাপক আকার নিয়েছে। সেই তথ্য গোপন রেখে মেয়র সহ তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড উৎসব নিয়ে ব্যস্ত। তাই অক্টোবর মাসেই দেড়শোরও বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রন্ত হয়েছেন। পুজোর সময়ে ভেক্টর কন্ট্রোল টিম (ভিসিটি) কাজ করেনি। মশা নিধনে ফগিং, স্প্রে হয়নি। সকলে উৎসব নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অক্টোবর মাসে শিলিগুড়ি শহরের ডেঙ্গি ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে ডেঙ্গির প্রকৃত চিত্র সামনে আনছে না পুরসভা। এদিন ডেঙ্গিতে এক যুবকের মৃত্যু হলেও তা আড়াল করার প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    দার্জিলিং জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামাণিক বলেন, ওই যুবক ডেঙ্গিতে (Dengue) মারা গিয়েছে, তা এখনই  নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কারণ তার যে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, তার প্রকৃত কারণ জানতে হবে। অন্য কোনও কারণে রক্তক্ষরণ হয়ে থাকতে পারে এবং সেই অবস্থাতে সে ডেঙ্গি আক্রান্ত হতে পারে। তাই ওই যুবকের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share