Tag: Dengue

Dengue

  • Dengue: ডেঙ্গির নতুন রূপ ধরা পড়ল শিলিগুড়িতে, উদ্বেগ, উপসর্গ কী জানেন?

    Dengue: ডেঙ্গির নতুন রূপ ধরা পড়ল শিলিগুড়িতে, উদ্বেগ, উপসর্গ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন রূপ ধারন করে প্র্যানক্রিয়াস সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ আক্রমণ করছে ডেঙ্গি। সময় মতো ধরা পড়া ও চিকিৎসা না হলে প্রাণ সংশয় দেখা দিতে পারে। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে ধরা পড়েছে ডেঙ্গির (Dengue) এই নতুন রূপ। সম্প্রতি শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে এক যুবকের শরীরে ডেঙ্গির নতুন রূপের দেখা মিলতে উদ্বেগে রয়েছেন চিকিৎসক মহল। কারণ, শিলিগুড়ি তথা উত্তরবঙ্গে এটিই প্রথম ঘটনা।

    শিলিগুড়িতে কীভাবে ধরা পড়ল ডেঙ্গির নতুন ভাইরাস? (Dengue)

    ওই যুবকের ডেঙ্গির (Dengue) এই বিরল রূপ ধরার পুরো কৃতিত্ব শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের মেডিসিনের মেডিক্যাল অফিসার কল্যাণ দাসের। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে শিলিগুড়ির সেবক রোডের আসরাফ নগরের ২৬  বছরের এক যুবক ডেঙ্গি আক্রান্ত অবস্থায় প্রবল জ্বর নিয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ভর্তি হওয়ার দ্বিতীয় দিন প্রবল জ্বরের সঙ্গে প্রচন্ড পেটে ব্যাথা ও বমি শুরু হয়। ডেঙ্গির পরিচিত উপসর্গ যেমন, প্লেটলেট কমে যাওয়ার মতো কিছুই ছিল না। সেই সঙ্গে  ওই যুবকের শোয়া ও বসার লক্ষণ ধরণ দেখে সন্দেহ হয়। তার  রক্তের লাইপেজ পরীক্ষা করাই। দেখা যায়, লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ প্রচুর পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। লিভারও আক্রান্ত। লাইপেজ বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক ও গ্রন্থির সঙ্গে থাকা চর্বি গলে যাচ্ছে। একে পেরিফেরাল লাইপোলাইসিস বলা হয়। এতে ডায়াবেটিস না থাকলেও রক্তে অস্বাভাবিক হারে কিটোন বেড়ে যায়। ডেঙ্গি ভাইরাসের এই নতুন রূপে ওই যুবক ইউগ্লাইসেমিক প্যানক্রিয়েটিক কিটো অ্যাসিডোসিসে আক্রান্ত হয়েছিল। এটি ডেঙ্গির একেবারেই নতুন চরিত্র। ওই যুবক ধীরে ধীরে সুস্থ করা গিয়েছে। তিনি এখন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। 

    ডেঙ্গি ভাইরাসের কেন এই রূপ পরিবর্তন?

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার ও মাইক্রোবায়োলজির অধ্যাপক ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, সব ভাইরাসেরই ঘনঘন চরিত্রগত পরিবর্তন ঘটতে থাকে। এটা স্বাভাবিক ঘটনা। এই কারণে পোস্ট কোভিড এফেক্টে অনেকের হার্ট, কিডনি, লাঙ আক্রান্ত হয়েছে। ডেঙ্গি (Dengue) ভাইরাসেরও সেরকম পরিবর্তন ঘটেছে।

    কীভাবে সময় মতো ডেঙ্গির নতুন রূপ ধরা পড়বে, বাঁচার উপায় কী?

    চিকিৎসক কল্যাণ দাস বলেন, ডেঙ্গি (Dengue) ভাইরাসের এই নতুন রূপে কারও প্যানক্রিয়াস আক্রান্ত হয়েছে কি না তা বোঝার জন্য চিকিৎসকদেরই সজাগ হতে হবে। ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর পেটে ব্যাথা হলেই দ্রুত তার  লাইপেজ, অ্যামাইলেজ পরীক্ষা করে দেখে নিতে হবে। দ্রুত নির্ণয় করা গেলে রোগীর প্রাণ সংশয় এড়ানো সম্ভব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গিতে স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনেই অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা স্ত্রীর

    Dengue: ডেঙ্গিতে স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনেই অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা স্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়ে স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। সেই শোক সামলাতে না পেরে অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন স্ত্রী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার হাঁসখালির বেনালি গ্রামে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বিকাশ হালদার। তাঁর বয়স ছিল ৫৩ বছর। তিনি বগুলা হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম প্রীতি হালদার। তাঁকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার গভীর রাতে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাঁর অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dengue)

    প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন বিকাশবাবু। বগুলা হাসপাতালে তিনি কাজেও গিয়েছিলেন। তবে, এক সপ্তাহ পরেও সুস্থ হচ্ছিলেন না দেখে জ্বর এবং গলাব্যথার উপসর্গ নিয়ে বগুলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয় তাঁকে। জ্বর না কমায় রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রক্ত পরীক্ষার পর জানা যায়, তাঁর ডেঙ্গি (Dengue) হয়েছে। ডেঙ্গির চিকিৎসার জন্য তাঁকে বগুলা হাসপাতাল থেকে রানাঘাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রক্তে প্লেটলেট অস্বাভাবিক হারে কমতে থাকে। বহু চেষ্টার পরও প্লেটলেট বৃদ্ধি পায়নি। মঙ্গলবার বিকেলে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় বিকাশবাবুর। শোকে ভেঙে পড়েন তাঁর স্ত্রী প্রীতি হালদার। স্বামীর মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন প্রীতি। বিকাশের মৃত্যুর পর গ্রামের বাড়ি থেকে বগুলা হাসপাতালে তাঁর মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক থেকে শুরু করে হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে শেষকৃত্যের জন্য বিকাশের দেহ হাসপাতাল থেকে সরাসরি স্থানীয় শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়।

    মৃতের পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    বিকাশবাবুর ভাই প্রসেনজিৎ হালদার বলেন, দাদা বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিল। রক্ত পরীক্ষা করে জানা যায় যে তার ডেঙ্গি (Dengue) হয়েছে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি। দাদার মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছতেই বউদি অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। দাদার মৃত্যুর পর বউদি এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা করবে, তা ভাবতেও পারিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: মুর্শিদাবাদে ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু যুবকের, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Dengue: মুর্শিদাবাদে ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু যুবকের, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার পর মুর্শিদাবাদ জেলায় ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত হয়ে ফের এক যুবকের মৃত্যু হল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুদাম ঘোষ (৩৩)। তাঁর বাড়ি নিমা গ্রামে। এর আগে সূতি-২ নম্বর ব্লকের খানাবাড়ি গ্রামের গৃহবধূ চামেলি বিবি (৩২) ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন। সেই জের কাটতে না কাটতে জেলায় ফের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে। ঠিকমতো নজরদারি করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিরোধীদের।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Dengue)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছিল, সুদাম ঘোষ গত ২৭ সেপ্টেম্বর তার কর্মস্থল কলকাতা থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন। তারপরেই তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। ২৯ শে সেপ্টেম্বর কান্দি মহকুমা হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষা করার পর জানা যায় তিনি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। ওই দিনই তাঁকে কান্দি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ২ রা অক্টোবর কান্দি মহকুমা হাসপাতাল থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে যেন আক্রান্তের (Dengue) সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গিতে জেলায় আক্রান্ত ৫৩০০ জন এবং আর মৃত্যু হল দুজনের। যা যথেষ্ট উদ্বেগের বলে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা মনে করছেন।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে ডেঙ্গি (Dengue) প্রতিদিন বেড়ে চলেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানুষকে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছে না। কিন্তু রাস্তাঘাট, খাল -বিল, নর্দমা টানা বৃষ্টিতে ভরাট হয়ে গিয়েছে। যার ফলে জলবাহিত এবং মশাবাহিত রোগের উপদ্রব বেড়ে যাচ্ছে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রশাসনের উদ্যোগ সেভাবে চোখে পড়ছে না সাধারণ মানুষের। রাস্তাঘাটের জমা জল পরিস্কার করার বিষয়ে পৌর প্রশাসন কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ। মুর্শিদাবাদ জেলার ডেঙ্গি নিয়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা  সূতি-২ নম্বর ব্লক, ভগবানগোলা ১ নম্বর ব্লক, লালগোলা ও জলঙ্গি। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South Dumdum Dengue: ডেঙ্গিতে ফের মৃত্যু তরুণীর, তীব্র আতঙ্ক, ক্ষোভ কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে

    South Dumdum Dengue: ডেঙ্গিতে ফের মৃত্যু তরুণীর, তীব্র আতঙ্ক, ক্ষোভ কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির প্রকোপ ভয়াবহ চেহারা নিয়েছে। ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল দক্ষিণ দমদম (South Dumdum Dengue) এলাকার এক তরুণীর। এলাকার মানুষের অভিযোগ, তৃণমূলের কাউন্সিলার কেবলমাত্র টাকা চেনে। অপর দিকে তৃণমূলের কাউন্সিলার দু’দিন আগেই পুরসভার চেয়ারম্যানকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যর্থ বলেছেন। প্রশাসন জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদাসীন এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন এলাকার মানুষ। এলাকায় এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৭। এইসব টানাপোড়েনের মধ্যেই মানুষ ডেঙ্গির আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

    আবারও মৃত্যু ডেঙ্গিতে (South Dumdum Dengue)

    দক্ষিণ দমদমে (South Dumdum Dengue) ডেঙ্গির থাবায় প্রাণ হারালেন বছর ২০ বয়সের সমাপ্তি মালিক। ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন এই তরুণী বি কম প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। গত বেশ কয়েকদিন ধরেই নাগেরবাজারে এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রক্তের নমুনা পরীক্ষায় ডেঙ্গি ধরা পড়ে এবং গতকাল রাতে অবস্থার আরও অবনতি হলে আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

    পরিবারের বক্তব্য

    ডেঙ্গিতে মৃত্যুর (South Dumdum Dengue) ঘটনায় পরিবারে মধ্যে শোকের ছায়া। মা অপর্ণা মালিক বলেন, “প্রথমে নাগেরবাজার হেলথ কেয়ারে ভর্তি করি। কিন্তু জ্বর এবং শ্বাসকষ্ট ছিল ওর। বুকে সংক্রমণ হয়েছিল। পরে সেখান থেকে আরজিকর নিয়ে যাই। প্রচণ্ড বুকে ব্যথা ছিল সমাপ্তির। শেষ রক্ষা হল না। অবশেষে ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে।” সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “এলাকায় কোনও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বালাই নেই, আমরা এলাকায় ব্লিচিং পাউডার দিচ্ছি। প্রশাসন উদ্যোগী হলে এই ভাবে আমার মেয়ের মৃত্যু হত না।”

    স্থানীয় মানুষের অভিযোগ

    ডেঙ্গিতে মৃত্যুর (South Dumdum Dengue) ঘটনায় পুরসভা এবং জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকায় পুরসভার কোনও কাজ হয় না বলে অভিযোগ তোলেন তাঁরা। বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাউন্সিলার এই গলিতে কোনও দিন আসেনই না। নামেই কাউন্সিলার, কোনও কাজ করেন না তিনি। আগের কাউন্সিলার যদিও বা কিছু করেছে বর্তমান কাউন্সিলার একেবারেই নিষ্ক্রিয়। একটি বাড়িতে আক্রান্ত মোট তিনজন। এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রচুর।

    তৃণমূল কাউন্সিলারের বক্তব্য

    যদিও গত দু’দিন আগেই এই এলাকার কাউন্সিলার দক্ষিণ দমদম (South Dumdum Dengue) পুরসভার চেয়ারম্যানকে ডেঙ্গি প্রসঙ্গে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেছেন, “পুরসভার চেয়ারম্যান ডেঙ্গি প্রতিরোধের পুরোপুরি ব্যর্থ”।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদা জেলায় বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, চিহ্নিত হটস্পট জোন, নামানো হল ড্রোন

    Malda: মালদা জেলায় বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, চিহ্নিত হটস্পট জোন, নামানো হল ড্রোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) ক্রমশ আতঙ্ক বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। চলতি বছরের জেলায় মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১২১৩ জন। গত সপ্তাহে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১০ জন। চলতি সপ্তাহে এখনও পর্যন্ত চল্লিশ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ইংরেজবাজারের ২৫ নম্বর ওয়ার্ড, রতুয়া-১ নম্বর ব্লক এবং কালিয়াচক -৩ নম্বর ব্লকে।

    পরিস্থিতি মোকাবিলায় টাস্ক ফোর্স গঠন

    ডেঙ্গি (Malda) পরিস্থিতি মোকাবিলায় টাস্ক ফোর্স গঠন করল মালদা জেলা প্রশাসন। সমস্ত চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকী  ড্রোন উড়িয়ে জমা জল খোঁজার কাজ শুরু করল মালদা জেলা প্রশাসন ও পুরসভা। স্কুল এবং নার্সিংহোমগুলি পরিদর্শন করবে টাক্স ফোর্স। কোনও বেসরকারি নার্সিংহোম বা হাসপাতাল ডেঙ্গি প্রটোকল না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী লাইসেন্সও বাতিল করা হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কোন কোন এলাকা হটস্পট জোন করা হয়েছে?

    জানা গিয়েছে, মালদা (Malda) জেলায় হুহু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে মালদা জেলাকে ডেঙ্গি প্রবন এলাকা বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ইংরেজবাজারের চারটি ওয়ার্ড ৭,১২,১৩ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ড ও ১২ গ্রাম পঞ্চায়েতকে হটস্পট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই জরুরি ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন বৈঠক ডাকে। সেখানে জেলার দুই পুরসভা সমস্ত কাউন্সিলার, গ্রামপঞ্চায়তের জন প্রতিনিধি সহ স্বাস্থ্য আধিকারিকদের ডাকা হয়। সেখানে জেলাশাসক নীতিন সিংঘানিয়া বলেন, হটস্পট এলাকাগুলিতে ড্রোন সার্ভে করা হবে। যাতে কোথাও জল জমা না থাকে। এক সপ্তাহ অন্তর রিপোর্ট নেওয়া হবে। গ্রামের ক্ষেত্রে বৈঠক করতে হবে। স্কুলগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। জেলার ৩২০০ স্কুলের শিক্ষকদের সতর্ক করা হয়েছে। স্কুল পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় সমস্ত চিকিৎসকদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হটস্পট জোনে নজর দারি করা হবে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: বাংলাদেশে বাড়ছে ডেঙ্গি, সীমান্তে সক্রিয় কিট পাচারচক্র! কীভাবে?

    Dengue: বাংলাদেশে বাড়ছে ডেঙ্গি, সীমান্তে সক্রিয় কিট পাচারচক্র! কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে গরু পাচার, হেরোইন পাচার, সোনা পাচার হওয়ার খবর শোনা যায়। এবার ভারত-বাংলাদেশে উত্তর ২৪ পরগনা সীমান্ত এলাকায় ডেঙ্গি (Dengue) কিট পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ, পুলিশ বিএসএফের নজর এড়িয়ে ছোট জিনিস পাচার করা তুলনায় সহজ। তাই, সীমান্তে এই কিট পাচার চলছে। পুলিশ ও বিএসএফের হাতে কয়েকজন পাচারকারী গ্রেফতারও হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকার কিট। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই তথ্য সামনে এসেছে।

    কেন বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে ডেঙ্গি কিট? (Dengue)

    এ রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি। নদিয়া জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও বহু মানুষ আক্রান্ত। এর পাশাপাশি বর্ষায় বাংলাদেশেও ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ ছড়িয়েছে। সে কারণেই ও দেশে ডেঙ্গি পরীক্ষার কিটের চাহিদা বেড়েছে। তা ছাড়া, পাচারকারীদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে ভারত থেকে বাংলাদেশে কিট নিয়ে যেতে পারলে লাভ অনেক বেশি।বিভিন্ন বেসরকারি ল্যাবরেটরি থেকে কিট কিনতে পাওয়া যায়। ওদেশে ডেঙ্গি পরীক্ষার খরচও অনেক বেশি। এখানে যদি ডেঙ্গি পরীক্ষার জন্য ১০০ টাকা খরচ হয়, বাংলাদেশে খরচ পড়ে ১ হাজার টাকা। তাই এই চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গি কিটের মতো ছোট জিনিস পাচারে ঝুঁকি অনেক কম। সীমান্তে থাকা কাঁটাতারের ওপারে ডেঙ্গি কিটের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলতে হবে। কাজ ঠিকঠাক হলেই মিলবে টাকা। পরে, পাচারকারীরা এসে সেই ব্যাগ নিয়ে চলে যায়। ডেঙ্গি কিট পাচার চক্রের সদস্যেরা নানা টোপ দিয়ে গ্রামের চাষি, বেকার যুবকদের এ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    সম্প্রতি পেট্টাপোল থানার পুলিশের কাছে খবর এসেছিল, এক বাংলাদেশি পাচারকারী পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে এ দেশ থেকে ডেঙ্গির (Dengue) কিট পাচার করার চেষ্টা করছে। ওই পাচারকারী আগেও এই কাজ করেছে। পুলিশ পেট্রাপোল সীমান্তে নজরদারি বাড়ায়। পাচারকারী সীমান্ত এলাকায় আসতেই তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম মহম্মদ সোহেল রানা। বাড়ি বাংলাদেশের বেনাপোল থানার সাদিপুর এলাকায়। তার কাছ থেকে ৬৮ প্যাকেট ডেঙ্গির কিট আটক করা হয়। এক একটি প্যাকেটে ২৫টি করে কিট ছিল, যার মূল্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। ধৃতকে জেরা করে পুলিশ জানিয়েছে, ২০২২ সালের নভেম্বর মাস থেকে ওই দুষ্কৃতী কয়েক বার ভারতে এসেছিল বৈধ পাসপোর্ট ও ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে। প্রতি বারই সে ডেঙ্গির কিট কলকাতা থেকে কিনে বাংলাদেশে পাচার করেছে। এ বারই প্রথম ধরা পড়ল। এর আগেও একজনের কাছে থেকে ৯ লক্ষ টাকার কিট বাজেয়াপ্ত করা হয়। বনগাঁর এসডিপিও অর্ক পাঁজা বলেন, সন্দেহজনক কাউকে দেখলে তল্লাশি করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) শহরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। হাওড়া পুরনিগম সূত্রে খবর, গত বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত যেখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৫০ জন, এবারে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯০ জন। এলাকার বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির জমাজল এবং যত্রতত্র আবর্জনার কারণে ডেঙ্গির মশা বাড়ছে। যদিও হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক নিতাইচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত গোটা জেলায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। অপর দিকে বিজেপি, ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে শাসক দলকে নিশানা করে বলে, জেলায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, তৃণমূল পরিচালিত হাওড়া পুরসভা রাশ টানতে ব্যর্থ। 

    বালি, জগাছা এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্ত অধিক (Howrah)

    হাওড়া (Howrah) পুরসভা এলাকা, বালি পুরসভা এলাকা, বালি জগাছা ব্লক এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। ডেঙ্গু রুখতে মানুষকে সচেতন করার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। হাওড়া পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। হাওড়া পুরসভার ৪, ৩৯, ২৯, ৩১  এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে অনেক জায়গায় বৃষ্টির জল জমে রয়েছে এবং এই এলাকাগুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। মূলত বাড়িতে জল জমে থাকার কারণেই ওইসব এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে। তবে হাওড়া পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং নাগরিকদের বোঝাচ্ছেন। একই সঙ্গে ভেক্টর কন্ট্রোল টিম মশা মারার তেল স্প্রে করছে।

    বিজেপির অভিযোগ

    এদিকে শহরের (Howrah) ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। উত্তর হাওড়ার বিজেপি নেতা উমেশ রাই, এই ডেঙ্গি সংক্রমণের অভিযোগ করে তৃণমূলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, “ডেঙ্গির পরিসংখ্যানের তথ্য গোপন করা হচ্ছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা জানানো হচ্ছে না। একই সঙ্গে ডেঙ্গিতে মারা গেলে ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গির উল্লেখ করা হচ্ছে না। সরকার তথ্য গোপন করে মানুষকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রেণে সচেতন করছে না। শাসক দল ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যর্থ।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ে হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “পুরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরকে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। যা বাস্তবে ঘটছে তাই পাঠানো হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে হাওড়া পুরসভা। কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সেই জন্য যেমন বাড়ি বাড়ি সচেতন করার কাজ চলছে, একইভাবে বর্ষায় জমা জল যাতে দ্রুত নেমে যায়, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কিছু কিছু এলাকায় রাস্তা ভেঙে গিয়ে, ছোট ছোট গর্তে যাতে জল জমতে না পারে, সেই জন্য বর্ষার মধ্যেই রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গিতেও একের পর এক জেলায় ‘রেড জোন’, বারাসতে এক যুবকের মৃত্যু

    Dengue: ডেঙ্গিতেও একের পর এক জেলায় ‘রেড জোন’, বারাসতে এক যুবকের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পাশাপাশি জেলায় জেলায় দাপট বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পর হুগলিতে চিহ্নিত হয়েছে ‘রেড জ়োন’। এর মধ্যে নিষিদ্ধ ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। স্বাস্থ্য দফতরের একটি সূত্র বলছে, সেই কারণে ডেঙ্গিতে (Dengue) মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে। ডেঙ্গির হাত প্রসারিত হয়েছে উত্তরেও। মালদহে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। পুজোর আগে এই ডেঙ্গি রাজ্যে ভয় ধরাচ্ছে। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ বলে অভিযোগ বিরোধীদের। এরমধ্যেই রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত আরও এক জনের মৃত্যু হল। বারাসত জেলা হাসপাতালে রবিবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গি পজেটিভ আরও এক যুবকের। মৃতের নাম সরিফুল ইসলাম( ২৪)। বেশ কিছু দিন ধরেই জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন দেগঙ্গার চাঁপাতলার কুমরুলি গ্রামের সরিফুল। প্রথমে বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু শেষ কয়েকদিনে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাঁকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন একেবারেই শেষ মুহূর্তে। চিকিৎসা হয় বটে, তবে চিকিৎসায় সেভাবে সাড়া দেননি সরিফুল।  রবিবার সন্ধ্যায় বারাসত জেলা হাসপাতালে সরিফুলের মৃত্যু হয়েছে।

    দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)

    কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদে জেলায় সরকারি হিসাবে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়েছে। তবে, নতুন করে আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী। জেলার অন্যতম ডেঙ্গি ‘হটস্পট’ লালগোলা, ভগবানগোলা এবং সূতি ব্লক। সরকারি হিসাব বলছে. নদিয়ায় চলতি বছরে দু’হাজারেরও বেশি ডেঙ্গি আক্রান্তের পরিসংখ্যান পাওয়া গিয়েছে। ডেঙ্গির ‘হটস্পট রানাঘাট এবং হরিণঘাটা ব্লকে ডেঙ্গি মোকাবিলার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্বেগ বাড়ছে হুগলিতেও। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সেখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার ছাড়িয়েছে। বলাগড়, পাণ্ডুয়া, চণ্ডীতলাকে ‘রেড জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শ্রীরামপুর, উত্তরপাড়াকে ‘রেড জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বারুইপুর মহকুমায় ইতিমধ্যেই ডেঙ্গি আক্রান্ত ৬৫৩। ক্যানিং মহকুমায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ১২১ জন। উত্তর ২৪ পরগনাতেও ডেঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বনগাঁ, বাগদা, গাইঘাটা, বাদুড়িয়া, দক্ষিণ দমদম, বিধাননগর, হাবড়ায় লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দক্ষিণ দমদমে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা এই জেলায় প্রায় সাত হাজার। বাঁকুড়া জেলাতেও ঝোড়ো ব্যাটিং করছে ডেঙ্গি। ইতিমধ্যেই জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৩৬৩ জন। জানুয়ারি থেকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত হাওড়া পুর এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭১১ জন।

    উত্তরবঙ্গে ডেঙ্গির কী অবস্থা?

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ জুড়়ে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। ডেঙ্গি জ্বরে কাবু মালদা। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা জেলার কালিয়াচকের ১ এবং ৩ নম্বর ব্লক, রতুয়া ২ নম্বর ব্লকে ডেঙ্গির প্রকোপ সব থেকে বেশি। পাশাপাশি, ইংরেজবাজার ও পুরাতন মালদা পুরসভার বিভিন্ন এলাকাতেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ওই জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১,০৩২ জন। গত এক মাসে জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৮৭ জন। রাজ্য সরকারের দিকে এই নিয়ে আঙুল তুলেছে বিরোধী দল বিজেপি। ইংরেজবাজার পুরসভার বিরোধী দলনেতা অম্লান ভাদুড়ি বলেন, ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ পুরসভা। ডেঙ্গি আক্রান্তের সঠিক পরিসংখ্যান গোপন করছে তারা। দার্জিলিং জেলায় এখনও পর্যন্ত ২০০ জন আক্রান্ত রয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবার এই সময় ৭০০ জন আক্রান্ত ছিলেন। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, গতবারের তুলনায় কম হলেও আমাদের নজরদারি রয়েছে। কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে জ্বর নিয়ে ভর্তি থাকা ৪০ জনের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট আসেনি। উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Situation: মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে, ফের অদ্ভুত যুক্তি ফিরহাদের

    Dengue Situation: মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে, ফের অদ্ভুত যুক্তি ফিরহাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি (Dengue Situation) ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এরই মাঝে আজব যুক্তি শোনা গেল কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের মুখে। মেয়রের যুক্তি অনুযায়ী, মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে। দুর্গাপূজো শুরু হতে এক মাসও বাকি নেই, এরই মাঝে মেয়রের এমন যুক্তিতে বোঝা যাচ্ছে যে কলকাতা পুরসভার ডেঙ্গি মোকাবিলায় ঠিক কতটা ব্যর্থ। শনিবার সাংবাদিকরা ডেঙ্গি (Dengue Situation) সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন করেন মেয়রকে। তখন একটি প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘‘আমরা যতটা সম্ভব প্রস্তুতি নিচ্ছি। কলকাতায় ডেঙ্গি অনেকটা কম। সেটা যাতে কম থাকে সেই চেষ্টা করছি। এখন যেহেতু লকডাউন নেই তাই মানুষের মুভমেন্ট রয়েছে এবং এ কারণেই ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গি। কোথায় মানুষকে মশায় কামড়াচ্ছে তা বলা মুশকিল’’ অন্যদিকে কলকাতা পুরসভার সরকারি তথ্য বলছে, বর্তমানে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৮০৩। ১২ সেপ্টেম্বর এই সংখ্যা ছিল ২,৭৯০। ১২ দিনের ভিতরে সংখ্যা ১,০০০ বেড়েছে।

    ডেঙ্গিতে ফের মৃত্যু শহরে

    অন্যদিকে, কলকাতাতে ফের ডেঙ্গি (Dengue Situation) মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। বিজয়গড়ে ১২ বছরের এক কিশোরী এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি ছিল ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে। সেখানেই তার মৃত্যু হয় বলে সূত্রের খবর। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই কিশোরী জ্বরে ভুগছিল, সঙ্গে বমিও হচ্ছিল। স্থানীয় চিকিৎসকদের দেখালেও ফল মিলছিল না। পরিবারের অভিযোগ, ডেঙ্গির জন্য কোনও ব্যবস্থাই নাকি চিকিৎসকরা নেয়নি। শুধু জ্বর ও বমির ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। শনিবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয় ওই কিশোরী এবং হাসপাতালের জরুরীকালীন বিভাগেই তার মৃত্যু হয়।

    রাজ্যজুড়ে থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গি

    অন্যদিকে রাজ্যজুড়েও ব্যাপক থাবা বসিয়েছে ডেঙ্গি। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ উত্তর চব্বিশ পরগনায় ডেঙ্গি আক্রান্তের (Dengue Situation) সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতরও স্বীকার করেছে এই তিন জেলায় ডেঙ্গি ভাইরাস অত্যধিক সতর্ক। এরই মধ্যে জ্বর নিয়ে এই তিন জেলার মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি হতেও দেখা যাচ্ছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে” তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বক্তব্যে তোলপাড়

    Howrah: “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে” তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বক্তব্যে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষায় হাওড়া (Howrah) শহরের বুকে রীতিমতো ডেঙ্গির দোসর ম্যালেরিয়া। হাওড়া পুরসভা সূত্রে খবর, পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। পরিস্থিতি যখন এতটাই ভয়াবহ, তখন তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যান বললেন, “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে”। আর এই মন্তব্যেরই বিরোধীরা তীব্র সমালোচনা করেছেন। এলাকায় পুরসভার জীর্ণ স্বাস্থ্য কাঠামোর বিষয় থেকে নজর ঘোরাতেই বহিরাগত মানুষের কথা তুলে ধরছেন তৃণমূলের এই নেতা। মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়। কিন্তু বহিরাগত মানুষের কারণে কীভাবে ম্যালেরিয়া ছড়াবে! তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্বাস্থ্য বিশেজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এই মন্তব্য অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় মাত্র। বর্তমানে মশাবাহিত রোগের প্রকোপে অতিষ্ঠ হাওড়াবাসী। আতঙ্ক তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। উঠছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্নও।

    ম্যালেরিয়ায় উদ্বেগ (Howrah)

    হাওড়া পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন শহরের বাসিন্দারা। তার মধ্যে আবার ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের ঘটনা উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বাসিন্দাদের। যদিও হাওড়া পুরসভার দাবি, ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই কম।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ

    হাওড়া পুরসভার নাগরিকরা বলেছেন, ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ছোট থেকে বড়, সকলে জ্বর এবং অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। হাওড়া জেলা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশারি টাঙিয়ে রোগীদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, যাঁরা জ্বর নিয়ে আসছেন তাঁদের রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কেউ কেউ ডেঙ্গি, কেউ বা আবার ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। হাসপাতালে কিছু রোগীকে ভর্তি করতে হচ্ছে।

    কমলেশ রাম নামে রোগীর এক আত্মীয় বলেন, “আমার দিদির ম্যালেরিয়া হয়েছিল। জ্বর কমছিল না। হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়”। অপর দিকে মিঠু মুখার্জি নামে আরও এক রোগীর এক আত্মীয় জানান, নাতনির বারবার জ্বর আসছিল। ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার যেভাবে হচ্ছে, তাই ঝুঁকি না নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে দিতে হয়েছে। এখন তার চিকিৎসা চলছে। হাওড়া হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল মশার কামড় রুখতে রোগীদের শয্যায় মশারি খাটানো হয়েছে।

    ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত কত?

    হাওড়া পুরসভা সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত পুরসভার ৫০টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮ জন। বর্তমানে ৪, ২৩ এবং ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। হাওড়া পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে স্বীকার করেছেন পুরসভার চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী। এই বছরের অগাস্ট মাস পর্যন্ত ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৮।

    পুরসভার বক্তব্য

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসমন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী স্বীকার করেছেন যে ডেঙ্গির পাশাপাশি ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন কিছু মানুষ। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, “এই দুই রোগের প্রকোপ দেখা দিলেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছে। ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। কারণ ওই ওয়ার্ডে মঙ্গলাহাট এবং লরি পার্কিং জোন থাকায় প্রচুর বাইরের মানুষ নিয়মিত আসেন। সেখান থেকেই এই ম্যালেরিয়া ছড়াচ্ছে”। ফুটপাতের বাসিন্দাদের জন্য মশারি বিতরণের পাশাপাশি সচেতনতা মূলক প্রচার করা করছেন বলে জানা গেছে। তিনি সকলকে ঘুমের সময় মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share