Tag: DRDO

DRDO

  • DRDO: বেঙ্গালুরুতে ১৩ তারিখ শুরু অ্যারো ইন্ডিয়া, এবছর নজর কাড়তে পারে কারা?

    DRDO: বেঙ্গালুরুতে ১৩ তারিখ শুরু অ্যারো ইন্ডিয়া, এবছর নজর কাড়তে পারে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বেঙ্গালুরুতে ১৪তম অ্যারো ইন্ডিয়া ইভেন্টে দেশের প্রযুক্তিতে তৈরি সরঞ্জামগুলির প্রদর্শন করবে DRDO. জানা গিয়েছে, অ্যারো ইন্ডিয়ার এই ইভেন্ট চলবে ১৩ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি। DRDO এর এই প্রদর্শনীতে থাকবে ৩৩০টিরও সরঞ্জাম। যেগুলিকে ১২টি ভাগে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।
     

    দেখে নেওয়া যাক এই ১২টি ভাগগুলি 

        ১) কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট এবং ইউএভি: এইভাগের মধ্যে পড়ছে যুদ্ধবিমান AMCA, LCA Tejas Mk2, TEDBF, ARCHER, TAPAS UAV, এবং অটোনোমাস স্টিলথ উইং ফ্লাইং টেস্ট বেড।

         ২) ক্ষেপণাস্ত্র : এইভাগে পড়ছে আকাশ, অস্ট্রা, কিউআরএসএএম, হেলিনা, নাগ এবং প্রলয়।

        ৩) ইঞ্জিন এবং প্রপালশন সিস্টেম: এই শ্রেণিতে থাকছে FACECU, গিয়ারবক্স মডিউল, কাভেরি ড্রাই ইঞ্জিন প্রোটোটাইপ, এবং ছোট টার্বো ফ্যান ইঞ্জিন

         ৪) এয়ারবর্ন সার্ভিল্যান্স সিস্টেম: এই শ্রেণিতে আছে AEW&C-NETRA, AEW&C- MkII, MMMA বিমান, IFF, এবং AAAU মডেল।

         ৫) সেন্সর ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং কমিউনিকেশন সিস্টেম: এই শ্রেণিতে থাকবে  TWIR, BFSR-SR, Bharani, Ashlesha, AATRU, ASPJ Pod, এবং LEOP।

        ৬) প্যারাসুট এবং ড্রপ সিস্টেম: এই শ্রেণিতে পড়ছে মিলিটারি কমব্যাট প্যারাসুট সিস্টেম, ব্রেক প্যারাসুট এবং P-16 হেভি ড্রপ সিস্টেম।

         ৭) নেভাল সিস্টেম জোন: এই ভাগের অন্তর্গত সরঞ্জামগুলি হল হেলিকপ্টার মডেল সহ এয়ারবোর্ন সোনার, এয়ার লঞ্চ ডিরেকশনাল সোনোবুয় প্রদর্শিত হবে।

         ৮) আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মেশিন লার্নিং এবং সাইবার সিস্টেম: হেলিকপ্টার মডেল সহ এয়ারবোর্ন সোনার, এয়ার লঞ্চ ডিরেকশনাল সোনোবুয়, ডিডিসিএ, ইনডিজিআইএস, এয়ার ওয়ারফেয়ার সিমুলেশন সিস্টেম এবং কিউআরএনজি এই শ্রেণির সরঞ্জাম।

        ৯) উপকরণ: এই শ্রেণিতে পড়ছে FSAPDS এবং টাইটানিয়াম অ্যালয়।

        ১০) ল্যান্ড সিস্টেম এবং যুদ্ধাস্ত্র: ASREM, নজরদারি ROV, এবং সুমিত্রা হল এই শ্রেণির সরঞ্জাম।

         ১১) লাইফ সাপোর্ট সার্ভিস: ইন্টিগ্রেটেড লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম এবং হেলিকপ্টার অক্সিজেন সিস্টেম এই শ্রেণিতে পড়ছে।

         ১২) ইন্ডাস্ট্রি এবং একাডেমিয়া আউটরিচ: ওয়াঙ্কেল রোটারি ইঞ্জিন, জেট ফুয়েল স্টার্টার এবং রেডিও অ্যালটিমিটার এই শ্রেণিভুক্ত।

    এছাড়াও প্রদর্শিত হবে ইন্ডিয়া প্যাভিলিয়ন AEWC&C Mk-II, AMCA, LCA তেজস Mk2, TEDBF

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Animal Cyborgs: ভারতীয় সেনায় এবার ইঁদুর বাহিনী! জানেন কী এই ‘র‍্যাট সাইবর্গ’?

    Animal Cyborgs: ভারতীয় সেনায় এবার ইঁদুর বাহিনী! জানেন কী এই ‘র‍্যাট সাইবর্গ’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোপনে শত্রুঘাঁটিতে ঢুকে আনাচ কানাচ ঘুরে খবর দেবে ইঁদুর বাহিনী। কোথায় লুকিয়ে আছে জঙ্গিরা, কী পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র আছে, কী কী পরিকল্পনা হচ্ছে সবই খুঁটিয়ে জেনে ভারতীয় বাহিনীকে বলবে সেনা-ইঁদুরের দল। সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গি ঢুকছে কিনা, শত্রু সেনার আক্রমণের সম্ভাবনা আছে কিনা সবই বলে দেবে। পুলিশ থেকে সেনা, নিরাপত্তা বাহিনীগুলিতে কুকুরের ব্যবহার বহুল প্রচলিত। কিন্তু, শত্রুপক্ষের অজান্তে,তাদের ভিডিয়ো ফিড প্রদান করার জন্য কাজে আসতে পারে ইঁদুরই। নয়া এই ভাবনা ভেবে ফেলেছে ডিআরডিও। স্পষ্ট করে বললে,‘ব়়্যাট সাইবর্গ’ (Rat Cyborg) বা ‘ইঁদুর সাইবর্গ’ভারতীয় সেনাকে কয়েক কদম এগিয়ে দেবে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাগারে ইতিমধ্যেই এই ধরণের ইঁদুর তৈরি হয়ে গিয়েছে।

    র‍্যাট সাইবর্গ আসলে কী

    একেবারে জ্যান্ত ইঁদুর দিয়েই র‍্যাট সাইবর্গ (Rat Cyborg) তৈরি করছেন প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীরা। এখন মনে হতে পারে সাইবর্গ কী? সাইবর্গ হল বৈজ্ঞানিক উপায়ে তৈরি এমন প্রাণী যাদের মধ্যে যান্ত্রিক শক্তিও থাকবে। অর্থাৎ আধা প্রাণী-আধা যন্ত্র। ‘ইঁদুর সাইবর্গ’ আদতে স্বাভাবিক ইঁদুরই। তবে, তাদের মস্তিষ্কে বিজ্ঞানীরা একটি ইলেক্ট্রোড স্থাপন করেছেন। ওই ইলেকট্রোডের মাধ্যমে ইঁদুরটি বাইরে থেকে পাঠানো সঙ্কেত গ্রহণ করতে পারবে। অর্থাৎ, বিজ্ঞানীরা তাকে যেদিকে যাওয়ার সঙ্কেত দেবেন, ইঁদুরটি সেদিকেই যাবে। আর লাইভ ভিডিয়ো গ্রহণ করার জন্য এই ইঁদুরগুলির পিছনে একটি ছোট ক্যামেরা বেঁধে দেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুন: আরও একমাস জেল হেফাজতে মানিক, আদালতে আত্মসমর্পণ স্ত্রী-পুত্রের

    কারা তৈরি করল

    হায়দ্রাবাদের ‘ডিআরডিও ইয়ং সায়েন্টিস্ট ল্যাবরেটরি’ বা ‘ডিওয়াইএসএল’-এর (DYSL) একঝাঁক তরুণ গবেষক এই ইঁদুরগুলিকে তৈরি করেছে। এই ডিভাইসের রিমোর্ট কন্ট্রোল থাকবে সেনার হাতে। ইচ্ছামতো বৈদ্যুতিক তরঙ্গ পাঠানো যাবে সেই ডিভাইসে। আগে থেকেই প্রোগ্রামিং করা থাকবে সবকিছু। রিমোর্ট কন্ট্রোল দিয়ে শুধু চালনা করতে হবে ইঁদুরকে।  ধরা যাক, জঙ্গিদের কোনও গোপন ঘাঁটির খবর আনতে হবে। সেখানে এই ইঁদুরদের পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বাইরে থেকে বোঝাই যাবে না, শরীরে যন্ত্র বসানো আছে। সাধারণ ইঁদুরদের মতোই তারা সেই এলাকার আনাচ কানাচে ঘুরে বেড়াবে। যন্ত্রে বসানো ক্যামেরা গোটা এলাকার ছবি ধরা পড়বে। এবার কোনখানে ঢুকলে অস্ত্রের খোঁজ মিলবে, কোথায় জঙ্গিরা লুকিয়ে থাকতে পারে সেটা আন্দাজ করে ইঁদুরদের সেখানে পাঠানো হবে। যদি জঙ্গিদের কোনও গোপন বৈঠকও হয়, তার সবটাই ভিডিওর মতো দেখতে পারবেন সেনা জওয়ানরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Agni 3: অগ্নি-৩ এর সফল উৎক্ষেপণ, শঙ্কায় চিন, পাকিস্তান!

    Agni 3: অগ্নি-৩ এর সফল উৎক্ষেপণ, শঙ্কায় চিন, পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নি ৩-র (Agni 3) সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত। এটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। বুধবার ওড়িশার আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় অগ্নি ৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে খবরটি। পরীক্ষাটি রুটিন পরীক্ষা বলেও জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের তরফেও জানানো হয়েছে, এদিন ওড়িশা উপকূল থেকে মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি যাবতীয় মাপকাঠিও পেরিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেও জানানো হয়েছে, স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে রুটিন উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত দূরত্বের ভিত্তিতে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। তারাও জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়ায় যাবতীয় মাপকাঠি পূরণ করেছে অগ্নি ৩।

    অগ্নি প্রাইম…

    এর আগে অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) নিউ জেনারেশন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রেরও সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। সেবারও উৎক্ষেপণ হয়েছিল ওড়িশা উপকূলের অদূরে। অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের জেরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক লপ্তে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রটি এর সর্বোচ্চ পাল্লা পর্যন্ত যায়। পরীক্ষার সমস্ত দিকগুলি সফলভাবে পাশও করে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এনিয়ে তৃতীয়বার সফল্যের গণ্ডী পার হল অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁত এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ হওয়ার পর এবার সাফল্য এল অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের তৃতীয় সংস্করণ অগ্নি ৩ (Agni 3) মিসাইলের ক্ষেত্রেও। ২০০৬ সালের ৯ জুলাই প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে সেই মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সেবার অবশ্য মেলেনি কাঙ্খিত সাফল্য। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারেনি সেই ক্ষেপণাস্ত্র। মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়েছিল সমুদ্রে গিয়ে। তার পর ফের পরীক্ষামূলকভাবে অগ্নি ৩ মিসাইলের উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। ২০০৭ সালে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় পাশ করে ওই মিসাইল। তার পরের বছরই সফল হয়েছিল তৃতীয় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও।

    আরও পড়ুন: সফল উৎক্ষেপণ অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের, আওতায় ভারতের প্রতিবেশীরা

    জানা গিয়েছে, অগ্নি ৩ (Agni 3) ক্ষেপণাস্ত্রটি ৩ হাজার ৫০০ কিমি দূরের কোনও লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে। পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। অগ্নির এই সফল উৎক্ষেপণ চিন এবং পাকিস্তানকে চাপে রাখবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ ভারতের এই দুই প্রতিবেশী দেশও চলে আসছে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায়।

    প্রসঙ্গত, অগ্নি ১-৫ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির নকশা এবং ডেভলপমেন্ট করেছে ডিআরডিও। নিয়োজিত করা হয়েছে দেশের সেবায়। প্রসঙ্গত, অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছোট ও মাঝারি পাল্লার। আঘাত হানতে পারে ৭০০ থেকে ৫ হাজার কিমি পর্যন্ত দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anti-Nuke Missiles: পরমাণু হামলা সুরক্ষায় বড় সাফল্য! অত্যাধুনিক ‘এডি-১’ মিসাইলের পরীক্ষা ভারতের

    Anti-Nuke Missiles: পরমাণু হামলা সুরক্ষায় বড় সাফল্য! অত্যাধুনিক ‘এডি-১’ মিসাইলের পরীক্ষা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে বড় সাফল্য পেল ভারত। প্রথমবারের জন্য দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এডি ১-র পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) তরফে এই এডি-১ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

    গতকাল, বুধবার ফেজ-২ ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স (বিএমডি) কর্মসূচির অন্তর্গত এডি-১ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম উৎক্ষেপণ পরীক্ষা করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে, শত্রুপক্ষের ছোঁড়া শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশপথেই ধ্বংস করা সম্ভব বলে ডিআরডিও সূত্রে জানা গিয়েছে।

    বুধবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওড়িশা উপকূলের এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্সের (বিএমডি) এডি ১-র পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের জন্য বিভিন্ন ভৌগোলিক স্থানে যাবতীয় বিএমডির অস্ত্র সিস্টেম তৈরি রাখা হয়েছিল। সেগুলির সাহায্যে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১৩০ কিমি পর্যন্ত উচ্চতায় পৌঁছে শক্রপক্ষের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম।

    আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদির জনসভার প্যান্ডেল থেকে নাট-বোল্ট খোলার ভিডিও ভাইরাল, গ্রেফতার যুবক

    ডিআরডিও থেকে জানানো হয়েছে, এডি ১ (AD-1) একটি দূরপাল্লার ইন্সেপটর মিসাইল। AD-1 একটি দ্বি-পর্যায়ের মোটর দ্বারা চালিত এবং এটি দেশীয়ভাবে উন্নত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নেভিগেশন এবং গাইডেন্স অ্যালগরিদম দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ সফল হওয়ার জন্য ডিআরডিওয়ের বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি দাবি করেছেন, সেই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের ফলে ভারতের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স বা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বেড়ে যাবে। ওই এডি-১ ক্ষেপণাস্ত্রকে ‘অনন্য প্রকার’-র ইন্টারসেপ্টর হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাজনাথ। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, বিশ্বের কয়েকটি দেশেই এরকম অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Agni: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    Agni: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) নিউ জেনারেশন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (Ballistic Missile) সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত (India)। শুক্রবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ওড়িশা উপকূলের অদূরে হয় এই উৎক্ষেপণ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেই এ খবর জানা গিয়েছে। অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের জেরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক লপ্তে অনেকখানি এগিয়ে গেল ভারত। এদিন পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় অগ্নি (Agni) প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রটি এর সর্বোচ্চ পাল্লা পর্যন্ত যায়। পরীক্ষার সমস্ত দিকগুলি সফলভাবে পাশ করেছে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এনিয়ে তৃতীয়বার সফল্যের গণ্ডী পার হল অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁত এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে লক্ষ্যে আঘাত আনতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    অগ্নি-৫ এর নেভিগেশন সিস্টেম অত্যাধুনিক। এই ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহার করা হয়েছে দু’ধরনের নেভিগেশন সিস্টেম। প্রথমটি রিনস (RINS) এবং দ্বিতীয়টি মিনস (MINS)। ১ থেকে ৫ হাজার কিলোগ্রাম ওজনের পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। এর রক্ষণাবেক্ষণও ঢের কম। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেন, অগ্নি (Agni) প্রাইমের পারফরমেন্স খুবই ভাল। উৎক্ষেপণের শুরু থেকে প্রতিটি মুহূর্তের জার্নি রাডার, টেলিমেট্রি এবং ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ট্র্যাকিং স্টিস্টেম দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। উৎক্ষেপণের পর অগ্নি প্রাইমের পুরো গতিপথের ওপর নজর রেখেছিল দুটি ডাউন রেঞ্জ জাহাজ।

    জানা গিয়েছে, অগ্নি (Agni) প্রাইম পারমাণবিক অস্ত্রবহনে সক্ষম। এটির প্রথম পরীক্ষা করেছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। ২০২১ সালের জুন মাসে হয় প্রথম উৎক্ষেপণ। ওই বছরেরই ডিসেম্বরে হয় দ্বিতীয় উৎক্ষেপণ। শুক্রবার হল তৃতীয় উৎক্ষেপণ। অগ্নি (Agni) সিরিজের নয়া প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) । এক থেকে দু হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত নিখুঁতভাবে নিশানায় আঘাত করতে সক্ষম এই অগ্নি প্রাইম। অত্যন্ত হালকা মিশ্র ধাতুতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র। অগ্নি ৩ এর থেকে এর ওজন প্রায় ৫০ শতাংশ কম। জানা গিয়েছে, অগ্নি প্রাইমের পাল্লার মধ্যে অনায়াসেই চলে আসছে ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ চিন ও পাকিস্তানের অনেকটা অংশ।

    আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • QRSAM: পরীক্ষা সফল! সেনায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তৈরি কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল

    QRSAM: পরীক্ষা সফল! সেনায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তৈরি কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে চিন (China) ও পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে বৈরিতা লেগেই আছে। তাই শত্রুপক্ষের মোকাবিলায় ক্রমশ নিজেদেরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। বিদেশি তৈরি মিশাইল বা যুদ্ধাস্ত্র নয়, দেশে তৈরি আধুনিক সমরাস্ত্রের উপরই ভরসা রাখছে সেনা। সেই মতো চলছে পরীক্ষা। একের পর এক সফল পরীক্ষা চালাচ্ছে ডিআরডিও (DRDO)। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে তাই এয়ার মিসাইলের শক্তি পরীক্ষা শুরু করেছে ডিআরডিও। বৃহস্পতিবার ওড়িশার চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR) থেকে মাঝারি পাল্লার কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইলের (QRSAM) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে ডিআরডিও। দুরন্ত গতির এই এয়ার মিসাইল ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপ করা যায়। যে কোনও নিশানায় অতি দ্রুত লক্ষ্যভেদ করতে পারে এই মিসাইল।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা যতটা তার চেয়েও বেশি দূরে ছুটে গিয়ে যে কোনও লক্ষ্যবস্তুর উপর আঘাতহানতে পারে। এই মিসাইল সিস্টেমে রয়েছে (QRSAM) অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিকালি-স্ক্যানড অ্যারে মাল্টিফাংশনাল রাডার সিস্টেম। এর ফলে বহুদূর থেকেও শত্রুসেনার এয়ারক্রাফ্টের সন্ধান পাওয়া যায়। দিনে ও রাতে য কোনও সময় এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো যাবে। আবহাওয়ার যে কোনও পরিস্থিতিতেও এই ক্ষেপণাস্ত্র কাজ করতে সক্ষম।

    আরও পড়ুন: ‘নেতাজির আদর্শ অনুসরণ করলে আজ ভারত কোথায় পৌঁছে যেত…’, বললেন মোদি

    ডিআরডিওর তরফে জানানো হচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় কম্যান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম, মাল্টি  ফাংশনালরাডার ও সার্ভিল্যান্স। এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক নিক্ষেপে অনেক আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হয়েছে। এই মিসাইলের গতি বাড়ানোর জন্য সলিড ফুয়েল ডাকটেড র‍্যামজেট (এসএফডিআর) টেকনোলজির প্রয়োগ করা হয়েছে। এই পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে কোনওরকম যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়াই এই মিসাইল তীরের বেগে উড়ে গিয়ে নিশানায় আঘাত করেছে। প্রতিরক্ষা বিশষজ্ঞদের মতো,  কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইলের সফল পরীক্ষা প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের এক বড় সাফল্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • DRDO Recruitment 2022: কারিগরি পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ডিআরডিও- র, জানুন বিস্তারিত 

    DRDO Recruitment 2022: কারিগরি পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ডিআরডিও- র, জানুন বিস্তারিত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (Defence Research and Development Organization) বা সংক্ষেপে (DRDO)। টেকনিক্যাল ক্যাডার (ডিআরটিসি) এর অধীনে বিভিন্ন পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। সিনিয়র টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বি এবং টেকনিশিয়ান এ- এর বিভিন্ন শূন্যপদ ঘোষণা করা হয়েছে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে ৩রা সেপ্টেম্বর, আবেদনের শেষ তারিখ ২৩শে সেপ্টেম্বর। 

    DRDO CEPTAM 10 নিয়োগ ২০২২ সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু তথ্য জেনে নিন।

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীর পরীক্ষার ফল প্রকাশ করল বায়ুসেনা, দেখবেন কী করে?

    পরিচালনা কর্তৃপক্ষ: প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা কারিগরি ক্যাডার (DRTC)
    পোস্টের নাম: সিনিয়র টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বি, টেকনিশিয়ান এ
    শূন্যপদের সংখ্যা: ১৯০১ 
    বিজ্ঞাপন নম্বর: CEPTAM-10 (DRTC)
    আবেদন করার তারিখ: ৩রা সেপ্টেম্বর- ২৩শে সেপ্টেম্বর 
    চাকরির স্থান: সারা ভারত
    সরকারী ওয়েবসাইট: www.drdoitgov.in
    আবেদন ফি: ১০০ টাকা। সংরক্ষিত শ্রেণীর কোনও ফি লাগবে না।  

    সরকারি ওয়েবসাইটটিতে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দেখতে পাবেন চাকরি প্রার্থীরা। 

    আরও পড়ুন: কর ছাড়ের প্রমাণপত্র জোগাড় করে রেখেছেন তো? সাবধান ২০০% জরিমানা হতে পারে

    পরীক্ষার ধরণ 

    • লিখিত পরীক্ষা
    • ট্রেড টেস্ট (প্র্যাক্টিক্যাল) 
    • নথি যাচাই
    • মেডিক্যাল টেস্ট 


    কীভাবে আবেদন করবেন? 

    • সবার আগে দেখে নিতে হবে যোগ্যতা সংক্রান্ত কলাম। যোগ্য প্রার্থীদের আবেদনই কেবল গ্রহণ করা হবে। 
    • প্রথমে www.drdoitgov.in – এই ওয়েবসাইটটিতে যান। 
    • সেখানে ‘CEPTAM 10 Recruitment 2022 Apply Page’ এই ট্যাবটিতে যান।
    • সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদনপত্রটি ফিলআপ করুন।
    • অনলাইন আবেদন করার আগে সমস্ত নথি এবং তাদের স্ক্যানড কপি প্রস্তুত রাখতে হবে |
    • প্রার্থীদের পেমেন্ট গেটওয়েতে গিয়ে অনলাইন পেমেন্ট করতে হবে। 
    • চূড়ান্ত জমা দেওয়ার আগে অবশ্যই আবেদনটি ভালো করে পড়ে নিন।
    • এবার ‘Submit’ – এ ক্লিক করলেই আপনার আবেদনপত্র জমা হয়ে যাবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • DRDO Recruitment: অ্যাপ্রেন্টিস নিয়োগ করবে ডিআরডিও, জানুন বিস্তারিত

    DRDO Recruitment: অ্যাপ্রেন্টিস নিয়োগ করবে ডিআরডিও, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্র্যাজুয়েট (Graduate) এবং ডিপ্লোমা (Diploma) অ্যাপ্রেন্টিসশিপ প্রোগ্রামের (Apprenticeship Training) জন্যে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সেন্টার ফর এয়ারবোর্ন সিস্টেম (CABS) এবং ডিফেন্স রিসার্চ ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। বাছই করা প্রার্থীদের তালিকা ডিআরডিও-র অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হবে। নিয়মিত ওয়েবসাইটে নজর রাখতে হবে চাকরিপ্রার্থীদের।   

    আরও পড়ুন: চাকরির সুযোগ, বহু শূন্যপদে নিয়োগ করবে ডিআরডিও, জানুন বিস্তারিত

    ১৪/০৩/২০২২ -এই তারিখের মধ্যে আবেদনকারীদের বয়স ১৮-২৭ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনের শেষ তারিখ অতিক্রম করে গেলে আর কোনও আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য দেওয়া আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। ৫৪ টি পদে শিক্ষানবিস নিয়োগ করা হবে।  

    আরও পড়ুন: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা

    বেতনক্রম: 

    গ্র্যাজুয়েট অ্যাপ্রেন্টিসরা প্রতিমাসে ৯০০০ টাকা এবং ডিপ্লোমা অ্যাপ্রেন্টিসরা প্রতিমাসে ৮০০০ টাকা করে পারিশ্রমিক পাবেন। 

    শূন্য পদের সংখ্যা:

    শূন্য পদের সংখ্যা ৫৬

    গ্র্যাজুয়েট অ্যাপ্রেন্টিসদের যোগ্যতা:

    সংসদ আইন দ্বারা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেকনোলজিতে স্নাতক ডিগ্রী থাকতে হবে। 

    ডিপ্লোমা অ্যাপ্রেন্টিসদের যোগ্যতা:

    ভারত সরকারের অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে ইঞ্জিয়ারিং বা টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ডিগ্রী থাকতে হবে। 

    যোগ্যতা:

    প্রতিটি পদের জন্যে চাওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতা যাদের রয়েছে একমাত্র তাঁরাই এই পদে আবেদন করতে পারবেন। 

    বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না।

    যেসব প্রার্থীরা আগে অ্যাপ্রেন্টিস প্রোগ্রাম করেছেন বা এখন করছেন তাঁরা আবেদন করতে পারবেন না।

    একবছরের বেশি সময়ের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। 

    কী করে আবেদন করবেন?

    প্রথমে rac.gov.in or drdo.gov.in – এই লিঙ্কে যান।

    সেখানে গিয়ে ‘What’s New’ – এই সেকশনে যান।

    সঠিক সব তথ্য দিয়ে এবং তার সপক্ষে প্রমাণপত্র স্ক্যান করে জমা দিতে হবে।

    সিএবিএস ব্যাঙ্গালুরুতে যোগদানের দিন প্রার্থীকে আবেদনপত্রের প্রিন্ট আউট সাইন করে এবং আবেদনপত্রে দেওয়া সব তথ্যের ওরিজিনাল কপি নিয়ে হাজির হতে হবে।

    ডিআরডিওর বাছাই প্রক্রিয়া:  

    শিক্ষাগত যোগ্যতা, লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউর নিরিখে বাছা হবে প্রার্থীদের। 

    বাছাই করা প্রার্থীদের তালিকা ডিআরডিওর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আবেদনকারীদের ওয়েবসাইটটিতে নজর রাখতে হবে।  

  • DRDO Recruitment: চাকরির সুযোগ, বহু শূন্যপদে নিয়োগ করবে ডিআরডিও, জানুন বিস্তারিত

    DRDO Recruitment: চাকরির সুযোগ, বহু শূন্যপদে নিয়োগ করবে ডিআরডিও, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা, ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) বিজ্ঞানী নিয়োগ করতে আবেদনপত্র আহ্বান করছে। রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট সেন্টার (RAC), ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO) বিজ্ঞানী বি পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে ৬ই জুলাই এবং আবেদনের শেষ তারিখ ২৯ শে জুলাই। ৬৩০টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। ইচ্ছুক প্রার্থীরা rac.gov.in– এই লিঙ্কে আবেদন করতে পারবেন। ১৬ অক্টোবর নেওয়া হবে পরীক্ষা। 

    ৫৭৯ পদে ডিআরডিওতে, ৪৩টি পদে অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিতে এবং 8টি পদে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগে নিয়োগ করা হবে। গেট স্কোর/ লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউর ভিত্তিতে প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করল সেনা ও নৌসেনা

    বয়স পরিসীমা: ডিআরডিওতে বিজ্ঞানীর পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর সর্বোচ্চ বয়স ২৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিএসটি-তে সর্বোচ্চ বয়স সীমা ৩৫ বছর এবং এডিএ (ADA) -তে ৩০ বছর। তবে সরকারি নিয়ম  অনুযায়ী সংরক্ষিত ক্যাটাগরির প্রার্থীদের বয়সের ঊর্ধ্ব সীমায় শিথিলতা থাকবে।

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ভারতীয় সেনার, নিয়োগের প্রক্রিয়া কী?

    আবেদন ফি: পরীক্ষার ফি ১০০ টাকা। এই আবেদন ফি একমাত্র জেনারেল ক্যাটাগরির পুরুষ প্রার্থীদের দিতে হবে। মহিলা/ এসসি/ এসটি/ ওবিসিদের কোনও ফি দিতে হবে না। ২৯ জুলাই বিকেল ৫ টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে আবেদনের প্রক্রিয়া।

    নিয়োগ প্রক্রিয়া:

    • প্রথমে গেট স্কোর এবং লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে বাছা হবে প্রার্থীদের।
    • তারপর তাদের ইন্টারভিউতে ডাকা হবে।
    • ইন্টারভিউতে যারা সবচেয়ে বেশি নম্বর পাবেন তাঁদের চাকরিতে নেওয়া হবে।
    • ডিআরডিও লিখিত পরীক্ষায় মোট ৮০ শতাংশ নম্বর এবং ব্যক্তিগত সাক্ষাত্কারে ২০ শতাংশ নম্বর থাকবে। লিখিত পরীক্ষায় ৩০০-৩০০ নম্বরের দুটি পেপার থাকবে।

    কীসের ভিত্তিতে নিয়োগ: শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। বিজ্ঞাপনে দেওয়া নূন্যতম যোগ্যতার থেকে প্রার্থীর কোয়ালিফিকেশন কতটা বেশি, সেটাও বিচার করা হবে। এছাড়া বিশেষজ্ঞদের প্যানেল তৈরি করেও প্রার্থীকে যাচাই করা হবে।

    বেতন: সর্বোচ্চ বেতন ৮৮ হাজার 

     

  • Anti Tank Guided Missile: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা

    Anti Tank Guided Missile: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে আরও এক সাফল্যের মুখ দেখল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry)। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (Defence Research and Development Organisation) তৈরি অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের (Anti Tank Guided Missile) পরীক্ষা সফল হয়। গত ২৯ জুন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) আহমেদনগরের (Ahmednagar) কেকে রেঞ্জ থেকে ভারতীয় সেনারা এই মিসাইল ছুঁড়ে এর পরীক্ষা করে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, সফলভাবে যুদ্ধ ট্যাঙ্ক অর্জুন থেকে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল ছুড়ে নজির গড়ল ডিআরডিও ও ভারতীয় সেনা। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এদিন ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ও ভারতীয় সেনাদের এই সাফল্যের জন্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষা ডিআরডিও’র! উচ্ছ্বসিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, মিসাইলটি নিখুঁত নিশানায় আঘাত করতে পেরেছে এবং যে নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্বকে টার্গেট করা হয়েছিল তা সফলভাবে পূরণ হয়। ফলে এই মিসাইলের টেস্ট ফায়ার সফল হয়।

    [tw]


    [/tw]

    DRDO-এর চেয়ারম্যান, ডঃ জি সতীশ রেড্ডি (Dr G Satheesh Reddy ) অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল সিস্টেমের নকশা, উন্নয়ন এবং পরীক্ষায় জড়িত দলগুলিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে লেজার গাইডেড অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলটি এমবিটি অর্জুন যুদ্ধ ট্যাঙ্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

    আরও পড়ুন:’পৃথ্বী-২’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল নৈশকালীন উৎক্ষেপণ ভারতের

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে নিম্ন রেঞ্জের লক্ষ্যগুলিকে নিক্ষেপ করতে সমস্যা হলেও অর্জুন ট্যাঙ্কের জন্য এই মিসাইলটি ছোঁড়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলটি যে সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ রেঞ্জের লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করতে সক্ষম তা এই টেস্ট- ফায়ারের মাধ্যমে জানা যায়।  এখানেই শেষ নয়, অল ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলটিকে (ATGM) বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে যাতে সহজেই উৎক্ষেপণ করা যায় সেই অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে এমবিটি অর্জুনের ১২০ মিমি রাইফেল বন্দুক থেকে এটিকে উৎক্ষেপণ করার জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।

     

LinkedIn
Share