Tag: Facebook

Facebook

  • Meta Lawsuit: মেটার বিরুদ্ধে ২৯টি মার্কিন অঙ্গরাজ্যের মামলা, ১.৪ লাখ কোটি ডলার ক্ষতির আশঙ্কা, জুকারবার্গের সামনে বড় আইনি চ্যালেঞ্জ

    Meta Lawsuit: মেটার বিরুদ্ধে ২৯টি মার্কিন অঙ্গরাজ্যের মামলা, ১.৪ লাখ কোটি ডলার ক্ষতির আশঙ্কা, জুকারবার্গের সামনে বড় আইনি চ্যালেঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে দীর্ঘদিন ধরে সোশাল মিডিয়ার নীতিমালা ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা মেটার (Meta) চিফ এক্সিকিউটিভ মার্ক জুকারবার্গ (Zuckerberg) এবার আমেরিকায় বড় ধরনের আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। দেশটির ২৯টি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলায় এমন কিছু প্রতিকারের দাবি জানানো হয়েছে, যার ফলে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আর্থিক দায়ের মুখে পড়তে পারে সংস্থাটি।ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে চলা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তরুণ ইউজারদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখতে মেটা ইচ্ছাকৃতভাবে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে স্ক্রলিং, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও চালু হওয়া এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সুপারিশের মতো বিভিন্ন সুবিধা তৈরি করেছে। অঙ্গরাজ্যগুলির অভিযোগ, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের দীর্ঘ সময় এবং অনেক ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে উৎসাহিত করার মতো করেই ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামকে নকশা করা হয়েছে।

    সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আর্থিক দায় (Meta)

    তবে ১ দশমিক ৪ লাখ কোটি মার্কিন ডলারের অঙ্কটি মেটার ওপর ইতিমধ্যেই আরোপিত কোনও জরিমানা নয়। আদালতে দাখিল করা নথিতে উল্লিখিত অভিযোগ ও প্রযোজ্য শাস্তির ভিত্তিতে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আর্থিক দায় হিসাব করে এই অঙ্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। মেটা এই দাবিকে “অবাস্তব” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে, ক্যালিফোর্নিয়ার আইনজীবী মেগান ও’নিলের মতে, বাস্তবসম্মত অঙ্ক ১৯৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি হতে পারে। বিচারক ইভন গনজালেস রজার্সও ১ দশমিক ৪ লাখ কোটি মার্কিন ডলারের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি এই হিসাবকে “অযৌক্তিক” বলে মন্তব্য করেছেন। শেষ পর্যন্ত মেটাকে কত অর্থের আর্থিক দায় বহন করতে হবে, তা আদালতের পর্যবেক্ষণ ও বিচারকের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে।

    ভারতে মেটার কার্যকলাপ নিয়েও বাড়ছে প্রশ্নের বহর

    ভারতে মেটার কার্যক্রমও ক্রমশ সরকারি ও জনপর্যায়ের নজরদারির মধ্যে পড়ছে। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ, ক্ষতিকর বিষয়বস্তু এবং পরিচালনাগত ত্রুটি নিয়ে বহুদিন ধরেই সমালোচনা রয়েছে।

    ২০২৬ সালের জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লক করে দিয়েছিল ফেসবুক। এরপর ভারত সরকার মেটার কর্তাদের তলব করে। পরে মেটা ক্ষমা চেয়ে জানায়, ঘটনাটি ছিল পরিচালনাগত ভুলের ফল।

    বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ও প্ল্যাটফর্মের দায়বদ্ধতা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ২০২৬ সালের অগাস্টে জুকারবার্গ ভারতীয় কর্তাদের কাছেও ক্ষমা চান। তাঁর প্ল্যাটফর্মে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত উপাদান, কৃত্রিমভাবে তৈরি (Meta) ভুয়া ভিডিও এবং অন্যান্য পরিচালনাগত ত্রুটির উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এই ক্ষমাপ্রার্থনা করা হয়।

    বিতর্ক আরও তীব্র হয় যখন সরকারি আধিকারিকরা জানান, মেটা তাদের প্ল্যাটফর্মে নির্দিষ্ট ধরনের বিষয়বস্তুর প্রচার বাড়ানোর জন্য অর্থ গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। এর ফলে ভারতে আরও বড় একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—অর্থের বিনিময়ে যদি কোনও বিষয়বস্তুকে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে কোটি কোটি ভারতীয় ইউজারের সামনে কোন বিষয়বস্তু দৃশ্যমান হবে, সেই সিদ্ধান্তে মেটার প্ল্যাটফর্মগুলি কতটাই বা নিরপেক্ষ?

    ভারত সোশাল মিডিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করেছে। সরকারি সংস্থা বা আদালতের নোটিশ পাওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যে বেআইনি বিষয়বস্তু সরিয়ে ফেলার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। ফলে ভারতের মতো মেটার অন্যতম বৃহৎ বাজারে সংস্থাটির জন্য নিয়ন্ত্রক পরিবেশ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ভারত সরকার সতর্ক করেছে, দেশের আইন লঙ্ঘন করলে মেটা তার দায়মুক্তির আইনি সুরক্ষাও হারাতে পারে।

    মেটার এআইয়ের কৌশলেও বড় ধাক্কার আশঙ্কা

    মামলাটির প্রভাব শুধু সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। মেটার ক্রমবর্ধমান এআই-ভিত্তিক পরিকল্পনার উপরও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে।

    মামলাকারী অঙ্গরাজ্যগুলি আদালতের কাছে এমন নির্দেশ দাবি করছে, যার ফলে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের পরিচালনপদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে হতে পারে। এর মধ্যে অল্পবয়সী ইউজারদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিধিনিষেধ, সুপারিশ ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং স্ক্রলিংয়ের মতো সুবিধায় নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয় রয়েছে।

    ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সংগ্রহ করা ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলার দাবিও জানানো হয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ওই তথ্য ব্যবহার করে প্রশিক্ষিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল ও অ্যালগরিদমের ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ প্রযোজ্য হতে পারে।

    আদালত যদি মনে করে শিশুদের তথ্য বেআইনিভাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং পরে সেই তথ্য এআইয়ের মডেল বা অ্যালগরিদম প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয়েছে, তাহলে মেটাকে তার এআই পরিকাঠামোর কিছু অংশ শনাক্ত, পর্যালোচনা, পরিবর্তন এমনকি প্রয়োজনে বাতিলও করতে হতে পারে (Meta)।

    সাক্ষ্য দিতে পারেন জুকারবার্গ ও মোসেরি

    পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ ধরে চলতে পারে এই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া। সেখানে মেটা কর্তা জুকারবার্গ এবং ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরির সাক্ষ্য দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মেটার বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মী এবং প্রযুক্তি ও মনোবিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞরাও সাক্ষ্য দিতে পারেন।

    তরুণ ইউজারদের ওপর ইনস্টাগ্রামের প্রভাব নিয়ে এর আগেও জুকারবার্গকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। অন্য একটি মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি দাবি করেছিলেন, ইনস্টাগ্রামকে আসক্তি তৈরির জন্য নয়, বরং ইউজারদের উপকারে আসার মতো করে তৈরি করা হয়েছিল।

    ২৯ অঙ্গরাজ্যের অভিযোগ

    ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, কেনটাকি ও নিউ জার্সি-সহ ২৯টি অঙ্গরাজ্যের অভিযোগ, মেটা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের নিরাপত্তা সম্পর্কে ইউজারদের বিভ্রান্ত করেছে এবং এমন কিছু সুবিধা জেনেশুনে তৈরি করেছে, যা তরুণ ইউজারদের আরও বেশি সময় প্ল্যাটফর্মে কাটাতে উৎসাহিত করে। এসব কার্যকলাপের মাধ্যমে মেটা অঙ্গরাজ্যগুলির ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে (Zuckerberg)।

    অন্য একটি মামলায় ২৯টি অঙ্গরাজ্যই অভিযোগ করেছে, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে মেটা শিশুদের অনলাইন গোপনীয়তা সুরক্ষাসংক্রান্ত কেন্দ্রীয় আইন লঙ্ঘন করেছে।

    মেটা অবশ্য সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে। সংস্থার দাবি, অঙ্গরাজ্যগুলির প্রধান আইন কর্তারা পর্যাপ্ত প্রমাণ হাজির করতে পারেননি এবং যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করা হচ্ছে, তা অভিযোগের তুলনায় অসমানুপাতিক। কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিজেদের ভূমিকারও সাফাই দিয়েছে মেটা। পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মের নকশা, বয়স যাচাই এবং ইউজারদের প্রতারণার অভিযোগও অস্বীকার করেছে সংস্থাটি।

    বড় প্রযুক্তি সংস্থা এবং এআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা

    এই মামলার রায় মেটার জন্য শুধু বিপুল আর্থিক ক্ষতির প্রশ্নই নির্ধারণ করবে না, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের কার্যপদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে কি না, সেটিও নির্ধারণ করতে পারে (Meta)।

    এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল, মামলাটি এআই শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির তৈরি করতে পারে। আদালত যদি এমন নির্দেশ দেয়, বেআইনিভাবে সংগ্রহ করা তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষিত এআই মডেল মুছে ফেলতে বা পরিবর্তন করতে হবে, তাহলে ভবিষ্যতে বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলি কীভাবে এআই সিস্টেম তৈরি, প্রশিক্ষণ ও পরিচালনা করবে, তার ওপরও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, জুকারবার্গের জন্য এটি নিজের দেশের মাটিতেই এক বড় আইনি পরীক্ষা। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সোশাল মিডিয়া সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান এখন এমন এক আদালত-লড়াইয়ের মুখোমুখি, যা শুধু মেটার আর্থিক অবস্থাকেই নয়, সংস্থাটির ভবিষ্যতের অন্যতম (Zuckerberg) প্রধান বাজি এআই -কেন্দ্রিক কৌশলেরও একটি অংশকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে (Meta)।

     

  • Chhattisgarh: শিবলিঙ্গ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, ছত্তিশগড়ে খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি গ্রেফতার

    Chhattisgarh: শিবলিঙ্গ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, ছত্তিশগড়ে খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শিব ও শিবলিঙ্গকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি অরুণ পান্নালালকে গ্রেফতার করল রায়পুর পুলিশ (Shivling Remarks)। ৭ অগস্ট রাতে বছর পঁচাত্তরের পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর মন্তব্যে হিন্দু ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ পুলিশের। অভিযোগ, হংসরাজ গোয়েল নামে এক ব্যক্তির ফেসবুক পোস্টে ভগবান শিবকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন পান্নালাল। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপির মুখপাত্র অমিত চিনমানি সিভিল লাইনস থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পোস্ট ও মন্তব্যের পর্দার ছবি এবং তার ঠিকানাও পুলিশের কাছে জমা দেন তিনি। এর পর পান্নালাল এবং হংসরাজ গোয়েলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ উসকে দেওয়া, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে কাজ করা এবং শান্তিভঙ্গের প্ররোচনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমানের মতো অভিযোগে মামলা হয়েছে।

    বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পান্নালাল (Chhattisgarh)

    সিভিল লাইনস থানার পরিদর্শক যমন দেওয়াঙ্গন জানান, শুক্রবার রাতে পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন শনিবার, ৮ অগাস্ট তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। দেওয়াঙ্গন বলেন, “শুক্রবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।” পুলিশ কর্তা তারকেশ্বর পটেল জানান, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের কাজে সাইবার শাখা-সহ পুলিশের একাধিক দলকে কাজে লাগানো হয় (Chhattisgarh)। পটেল বলেন, “ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা একটি পোস্ট নিয়ে সিভিল লাইনস থানায় অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়। এরপর তদন্ত শুরু হয়। সাইবার শাখা এবং পুলিশের অন্যান্য দলের সহায়তায় তল্লাশি ও প্রযুক্তিগত নজরদারি চালানো হয়। এই মামলায় অভিযুক্ত অরুণ পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Shivling Remarks)।”

    পুলিশি পদক্ষেপকে সমর্থন মুখ্যমন্ত্রীর

    পান্নালালের গ্রেফতারি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। তাঁর বক্তব্য, সনাতন ধর্মে শ্রদ্ধেয় ভগবান শিব এবং শিবলিঙ্গকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। সাই বলেন, “আমাদের সনাতন ধর্মে শ্রদ্ধেয় ভগবান শিব ও শিবলিঙ্গকে নিয়ে তিনি আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে, তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Chhattisgarh)।” এদিকে মামলা দায়েরের পর রায়পুরে পান্নালালের বাড়ির বাইরে বজরং দলের একদল কর্মী বিক্ষোভ দেখান। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

     

  • Meta in Crisis: সামাজিক দূষণ ছড়ানোর অভিযোগ! ৮ হাজার কোটি টাকা জরিমানা মার্কিন আদালতের, মেটাকে নোটিস ভারতের মানবাধিকার কমিশনেরও

    Meta in Crisis: সামাজিক দূষণ ছড়ানোর অভিযোগ! ৮ হাজার কোটি টাকা জরিমানা মার্কিন আদালতের, মেটাকে নোটিস ভারতের মানবাধিকার কমিশনেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর সোশাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সেই আবহেই শিশু সুরক্ষায় ব্যর্থতা, প্ল্যাটফর্মকে অতিরিক্ত আসক্তিকর করে তোলা এবং অনলাইন যৌন শোষণ ঠেকাতে ব্যর্থতার অভিযোগে বড় ধাক্কা খেল মেটা (Meta in Crisis)। বিপুল আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হল ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মালিক সংস্থা মেটাকে (Meta)। সামাজিক দূষণের অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নিউ মেক্সিকোর একজন বিচারক। ‌ভারতীয় মুদ্রায় ৭৮৬০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে মেটাকে। অন্যদিকে, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে শিশুদের জন্য অনুপযুক্ত বিষয় (কনটেন্ট) ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে পদক্ষেপ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)। এই কনটেন্টের মধ্যে চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ মেটেরিয়াল (সিএসএএম) থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কমিশন। অভিযোগের তদন্তে মেটা-সহ আটটি রাজ্যের ডিজিপিকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।

    মেটাকে মার্কিন আদালতের নির্দেশ

    শুধু জরিমানাই নয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষায় একাধিক মৌলিক পরিবর্তন আনার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। নিউ মেক্সিকোর অ্যাটর্নি জেনারেল রাউল টোরেজের দায়ের করা মামলায় বিচারক ব্রায়ান বিডশেইড মেটার প্ল্যাটফর্মকে শিশু ও কিশোরদের জন্য ক্ষতিকর বলে পর্যবেক্ষণ করেছেন। আদালতের মতে, বিষয়টি আর শুধুমাত্র কোনও ব্যক্তির সোশাল মিডিয়া ব্যবহারের সমস্যা নয়। এর প্রভাব শিশুদের পরিবার, স্কুল, হাসপাতাল এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উপরও পড়ছে। তাই মেটার কার্যকলাপকে ‘Public Nuisance’ বা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    কেন ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানা?

    মামলায় নিউ মেক্সিকোর অ্যাটর্নি জেনারেলের অভিযোগ ছিল, তরুণ ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখার জন্য মেটা এমন কিছু ফিচার ও নকশা তৈরি করেছে, যা সোশাল মিডিয়া-নির্ভরতা বাড়িয়ে দিতে পারে। একইসঙ্গে শিশুদের অনলাইন হয়রানি, গ্রুমিং এবং যৌন শোষণ থেকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংস্থাটি ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এই মামলার দ্বিতীয় পর্যায়ের শুনানির পর ৫৬৭ মিলিয়ন ডলারের জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর প্রায় পাঁচ মাস আগে একই মামলার প্রথম পর্যায়ে নিউ মেক্সিকোর একটি জুরি মেটাকে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। জুরির পর্যবেক্ষণ ছিল, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর বা মিথ্যা দাবি করে মেটা ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছে।

    মেটার প্ল্যাটফর্মে কী কী পরিবর্তন আনতে হবে?

    আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নিউ মেক্সিকোয় কিশোর-কিশোরীদের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে মাসিক সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। একইসঙ্গে বারবার নোটিফিকেশন পাঠানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। এই নির্দেশের মেয়াদ পাঁচ বছর। এছাড়াও— অপরিচিত প্রাপ্তবয়স্কদের অপ্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সীমিত করতে হবে। শিশুদের সুরক্ষায় এআই চ্যাটবটের উপর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বসাতে হবে। শিশু যৌন নির্যাতন-সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত পর্যালোচনা করতে হবে।

    সোশাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব পরিবেশ দূষণের সামিল

    মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল—সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম কি জনসাধারণের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপ তৈরি করতে পারে? বিচারক বিডশেইড তাঁর রায়ে সোশাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাবকে শিল্প কারখানার দূষণের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর যুক্তি, কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া যেমন কারখানার সীমানা পেরিয়ে সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলে, তেমনই সোশাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাবও মোবাইলের স্ক্রিনে সীমাবদ্ধ থাকে না। তা বাস্তব জীবনে শিশু, পরিবার, স্কুল, হাসপাতাল এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উপর সামাজিক চাপ তৈরি করতে পারে।

    মেটার বিরুদ্ধে ক্রমাগত মামলা

    মেটা অবশ্য এই অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছে। সংস্থার এক পদস্থ কর্তা বলেছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব। ওই কর্তার কথায়, আমাদের সোশাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মগুলির কনটেন্টগুলির দিকে আমাদের অবিরাম নজর রয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের কন্টেন্টগুলি নিয়ে আমরা বাড়তি সতর্ক। যদিও নানা সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে মেটার বিরুদ্ধে আমেরিকার আদালতগুলিতে প্রতিনিয়ত মামলা হচ্ছে। অভিভাবক, শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং নানা সামাজিক সংগঠন হিংসা, বিকৃত যৌনতা, ধর্মীয়, জাতিগত, ভাষাগত বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করছেন।

    ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নজরে মেটা

    ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফি, বয়স-অনুপযোগী এবং শিশুদের যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট (CSAM)-র রমরমা প্রচারের অভিযোগে এবার কড়া অবস্থান নিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)। মেটা (Meta) কর্তৃপক্ষসহ দেশের ৮টি রাজ্যের পুলিশ প্রধানদের (DGP) নোটিস পাঠানো হয়েছে কমিশনের তরফে। এনএইচআরসি সদস্য প্রিয়ঙ্কা কানুনগো জানিয়েছেন, ইনস্টাগ্রামে অর্থের বিনিময়ে পাওয়া কনটেন্টে সিএসএএম থাকলে তা পকসো আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে। তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৫০টি বিষয় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, তদন্তে গাফিলতি হলে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মী ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করবে এনএইচআরসি। তিনি স্পষ্ট জানান, কনটেন্টগুলির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক তদন্ত প্রয়োজন এবং প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে মেটা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরাসরি এফআইআর (FIR) দায়ের করা উচিত।

    কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকেও অবগত করা হয়েছে

    রাজ্যগুলির পুলিশ প্রধানদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) সচিবকেও এই আইনি প্রক্রিয়ার অংশ করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনের তরফে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষগুলির হাতে অন্তত ৫০টি নির্দিষ্ট ইউআরএল (URL) বা ওয়েবসাইটের লিঙ্ক তুলে দেওয়া হয়েছে। কানুনগো সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘‘প্রমাণ হিসেবে ৫০টি ইউআরএল সরবরাহ করার পরেও যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা রাজ্য পুলিশ তদন্ত শুরু না করে, তবে এনএইচআরসি সরাসরি ভারত সরকারের দ্বারস্থ হবে। পুলিশ আধিকারিক এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের দায়িত্বে থাকা আমলাদের বিরুদ্ধে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ করতে কেন্দ্রকে সুপারিশ করা হবে।’’

  • Facebook Post: প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ব্লক করায় মেটার ওপর কড়া নজরদারি কেন্দ্রের

    Facebook Post: প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ব্লক করায় মেটার ওপর কড়া নজরদারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ফেসবুক পোস্ট (Facebook Post) সাময়িকভাবে ব্লক করার ঘটনায় মেটার ওপর নজরদারি আরও জোরদার করল কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে মেটার (Meta Global Team) আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শীর্ষ কর্তাদের ভারতে তলব করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে মেটার ঊর্ধ্বতন কর্তাদের অ্যালগরিদমের পক্ষপাত, বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং জনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংস্থার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হবে। তাঁদের একটি সংসদীয় কমিটির সামনেও হাজির হতে হতে পারে।

    মেটার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (Facebook Post)

    ঘটনার সূত্রপাত প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে। দেশের যুবসমাজকে উদ্দেশ করে ওই পোস্টে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু কিছু সময়ের জন্য পোস্টটি ফেসবুকে ব্লক করে দেওয়া হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক মেটার এক শীর্ষ আধিকারিককে তলব করে ঘটনার ব্যাখ্যা চায়। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আসন্ন বৈঠকে মূলত মেটার অ্যালগরিদম কীভাবে কাজ করে, তাতে কোনও ধরনের পক্ষপাত রয়েছে কি না এবং বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়, তা খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে জনস্বার্থের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে সংস্থার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ এবং দায়বদ্ধ, সেটিও পর্যালোচনা করা হবে।

    মেটার আগের বক্তব্য

    এর আগে মেটা জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর পোস্টটি সাময়িকভাবে ব্লক হওয়ার পিছনে ছিল একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি। ঘটনার জন্য সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমাও চাওয়া হয়। তবে সরকারি সূত্রের দাবি, মন্ত্রকের কাছে এই ব্যাখ্যা যথেষ্ট মনে হয়নি। পরে মেটা সরকারকে আশ্বস্ত করে জানায়, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য বিশিষ্ট জনপরিচিত ব্যক্তিদের প্রকাশিত পোস্টে কোনও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে অতিরিক্ত নজরদারি ও পর্যালোচনা করা (Facebook Post) হবে। সূত্রের আরও দাবি, সংস্থাটি লিখিতভাবে সরকারকে জানিয়েছে, সংবেদনশীল বা হাইপ্রোফাইল অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একাধিক স্তরে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। সেই প্রক্রিয়ায় সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকদের নজরদারিও থাকবে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা প্রক্রিয়াগত ঘাটতির কারণে যাতে একই ধরনের ঘটনা ফের না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে মেটার তরফে জানানো হয়েছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ!

    এদিকে, ভারতীয় আইন লঙ্ঘন করলে অথবা নিজেদের ঘোষিত নীতি মেনে চলতে ব্যর্থ হলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির বিরুদ্ধে আইনি ও নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও কেন্দ্রের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলি এখন আর শুধুমাত্র প্রযুক্তি সংস্থায় সীমাবদ্ধ নেই। জনমত গঠন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর তাদের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তাই তাদের কাছ থেকে উচ্চমাত্রার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রত্যাশিত। এরই মধ্যে তেলঙ্গানায় মেটাকে ঘিরে আলাদা আইনি প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মেটা ইন্ডিয়ার প্রধান অরুণ শ্রীনিবাস এবং একাধিক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পরিচালকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ দমন শাখা। প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে বিকৃত ও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি করা বিভিন্ন ছবি ও ভিডিয়ো অনলাইনে ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

    স্ক্রুটিনির মুখে মেটা!

    অভিযোগ অনুযায়ী, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে চলা বিক্ষোভের সময় প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি ও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মেটাকে নোটিশ পাঠিয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলি কারা পরিচালনা করছিল, তা চিহ্নিত করতে তদন্তও শুরু হয়েছে। পরপর এই ঘটনাগুলির ফলে মেটার ওপর কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক নজরদারি উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে গিয়েছে। বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের কাঠামো, অ্যালগরিদমের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়বস্তু পরিচালনা—এই তিন ক্ষেত্রেই এখন একসঙ্গে সরকারি কর্তৃপক্ষ, সংসদীয় কমিটি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার স্ক্রুটিনির মুখে পড়েছে সংস্থাটি (Meta Global Team)। আগামী দিনের বৈঠক ও তদন্তের ফলাফল ভারতে বড় সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলির জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেই (Facebook Post) ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত এআই ভিডিও ঘিরে মামলা, মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের নামে এফআইআর

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত এআই ভিডিও ঘিরে মামলা, মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের নামে এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)-এর সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বিকৃত ভিডিও।ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাস-সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর (Meta) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিডিওগুলির উৎস কোথায়, কারা সেগুলি তৈরি করেছে এবং কীভাবে সেগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে—সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে, মেটার নিজস্ব নজরদারি ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ওই ভিডিওগুলির প্রচার ঠেকাতে কতটা কার্যকর ছিল, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি এমন একটি সময়ে সামনে এসেছে, যখন প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হয়ে যাওয়ার পৃথক ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে মেটার টানাপোড়েন চলছে। ওই পোস্ট পরে ফের দেখা যায়। মেটা ঘটনাটিকে প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল বলে ব্যাখ্যা করলেও, কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়, এবং সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

    কে এই অরুণ শ্রীনিবাস? (PM Modi)

    অরুণ শ্রীনিবাস বর্তমানে ভারতে মেটার পরিচালক এবং প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের ১ জুলাই তিনি এই দায়িত্ব নেন। তার আগে তিনি ভারতে মেটার বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিচালক ও প্রধান ছিলেন। মেটার পক্ষ থেকেই ২০২৫ সালের জুনে তাঁর নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। মেটায় যোগ দেওয়ার আগে শ্রীনিবাস হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, রিবক এবং ওলার মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন (PM Modi)। মেটার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুরু হয় ২০২০ সালে। প্রথমে তিনি ভারতে সংস্থাটির গ্লোবাল বিজনেস গ্রুপের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২২ সালে তাঁকে ভারতে বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিচালক ও প্রধান করা হয়। নতুন দায়িত্বে তিনি ভারতে মেটার ব্যবসা, উদ্ভাবন ও আয়সংক্রান্ত অগ্রাধিকারগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পান। কলকাতার ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বিপণনে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা করেছেন শ্রীনিবাস। তার আগে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হন। প্রায় তিন দশকের বিক্রয় ও বিপণন-অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    কেন মামলা দায়ের?

    পুলিশ সূত্রে খবর, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এআই ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এফআইআর দায়ের হয়েছে। এই দুই সোশ্যাল মিডিয়াই মেটার মালিকানাধীন। তদন্তকারীরা প্রথমে জানতে চাইছেন, ভিডিওগুলি কোথা থেকে তৈরি বা প্রকাশিত হয়েছিল এবং পরে কীভাবে সেগুলি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। শুধু ভিডিও নির্মাতাদের ভূমিকা নয়, যারা ওই ভিডিও আপলোড, ফের প্রকাশ বা ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের ভূমিকাও তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মেটার নিজস্ব বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ওই ধরনের বিকৃত ভিডিও শনাক্ত করে দ্রুত সরাতে পেরেছিল কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনও সিদ্ধান্তে পুলিশ এখনও পৌঁছয়নি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের বিষয়ও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন (Meta)।

    মেটা কী বলেছে?

    এফআইআর নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত মেটার পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, মেটার এক প্রতিনিধি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হয়ে সংস্থার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং আইন মেনে চলার বিষয়টি সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করেছেন।হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ পুলিশের পক্ষ থেকে মেটার প্রতিনিধিদের ডেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি প্রতারণামূলক বিষয়বস্তু, ভুয়ো বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য বিকৃত বিষয়বস্তু শনাক্ত ও সরানোর পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল বলেও দাবি সূত্রের। তার কয়েক দিনের মধ্যেই এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট নিয়ে আলাদা চাপের মুখে মেটা

    শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরটি প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনার থেকে আলাদা। তবে দু’টি ঘটনাই মেটার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর একটি ভিডিও পোস্ট ফেসবুকে সাময়িকভাবে সীমিত হয়ে যায়। ভিডিওটিতে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল। পরে সেটি পুনরুদ্ধার করা হয়। মেটার তরফে ঘটনাটিকে এআই-নির্ভর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ত্রুটি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয় এবং দুঃখপ্রকাশ করা হয় সংস্থার তরফে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ওই ব্যাখ্যাকে যথেষ্ট বলে মনে করেনি। তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণণ বলেন, “তারা ক্ষমা চেয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে যা ঘটেছে তা ভুল ছিল—এটি ভালো। কিন্তু আমরা ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নই… এটি যথেষ্ট নয় এবং আমরা আরও বিস্তারিত তথ্য চাইছি (PM Modi)।” এর পরেই মেটার শীর্ষ কর্তাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। ফলে একদিকে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট  সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনা, অন্যদিকে তাঁর কৃত্রিমভাবে তৈরি বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ—দু’টি ঘটনাই ভারতে মেটার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

    সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে কেন বাড়ছে নজরদারি?

    ভারতে বড় সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির ওপর সরকারি নজরদারি সম্প্রতি আরও বেড়েছে। এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো ভিডিও, প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন, পরিচয় জাল করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের দ্রুত বিস্তার নিয়ে সরকারের উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এর পাশাপাশি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা সক্রিয় হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ-সহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলির ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে—কোন বিষয়বস্তু দ্রুত শনাক্ত করা হবে, কোনটি সরানো হবে এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Meta)। এমন পরিস্থিতিতে শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে এফআইআর শুধু একটি নির্দিষ্ট ভিডিওকে ঘিরে তদন্ত নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়া -নির্ভর বিকৃত বিষয়বস্তুর দায় কার—সেই বৃহত্তর প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দায় কতটা?

    এআইয়ের সাহায্যে তৈরি ভিডিও এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তবসম্মত হওয়ায় সাধারণ ইউজারদের পক্ষে আসল ও নকল ভিডিও আলাদা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। ফলে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যের নামে বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণেই তদন্তে শুধু ভিডিওটি কে তৈরি করেছে, তা জানাই যথেষ্ট নয়। সেটি কোন মাধ্যমে প্রথম ছড়াল, কত দ্রুত ছড়াল, কারা তা ফের প্রকাশ করল এবং সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম সেটি শনাক্ত করতে বা সরাতে কী পদক্ষেপ নিয়েছিল—এসব প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। হায়দরাবাদ পুলিশের বর্তমান তদন্ত সেই বৃহত্তর প্রশ্নগুলিই সামনে নিয়ে আসছে। তবে তদন্ত যেহেতু এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে, তাই শ্রীনিবাস বা অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা সম্পর্কে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর কৃত্রিমভাবে তৈরি ভিডিওকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া এই মামলা ভারতে এআই-নির্ভর ভুয়ো বিষয়বস্তু এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনা নিয়ে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে যে ব্যাখ্যা-পর্ব চলছে, তার সঙ্গে এই (Meta) নতুন তদন্ত যুক্ত হওয়ায় ভারতের ডিজিটাল পরিসরে প্ল্যাটফর্মগুলির দায়বদ্ধতা ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • Netanyahu: ‘ভারত থেকে বিপুল সমর্থন পাচ্ছে ইজরায়েল’, ভান্সের মন্তব্যের জবাবে মোদির দেশের প্রশংসায় নেতানিয়াহু

    Netanyahu: ‘ভারত থেকে বিপুল সমর্থন পাচ্ছে ইজরায়েল’, ভান্সের মন্তব্যের জবাবে মোদির দেশের প্রশংসায় নেতানিয়াহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের কাছ থেকে ইজরায়েল অভূতপূর্ব সমর্থন পায়।” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভান্সের (JD Vance Ally Claim) ‘‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ইজরায়েলের একমাত্র শক্তিশালী মিত্র’’ মন্তব্যের জবাবে এমনই দাবি করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Netanyahu)। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, আমেরিকা ছাড়াও ইজরায়েলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদার রয়েছে। ভারতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের আরও কিছু বন্ধু রয়েছে। যেমন, ভারত নামে একটি ছোট দেশ, যার জনসংখ্যা ১৪০ কোটিরও বেশি। আর সেখান থেকে আমরা বিপুল সমর্থন পাই।’’

    নেতানিয়াহুর ভারত-প্রশস্তি (Netanyahu)

    তিনি জানান, ফেসবুকে ভারতীয় ইউজারদের কাছ থেকে তিনি ব্যাপক সমর্থন দেখতে পান। তিনি জানান, গত এক দশকে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি, উদ্ভাবন এবং বাণিজ্য-সহ একাধিক ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে নেতানিয়াহু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘‘ব্যক্তিগত বন্ধু’’ বলে উল্লেখ করেছিলেন, এবং ভারতকে ‘‘বিশ্বশক্তি’’ আখ্যা দিয়েছিলেন। সম্প্রতি আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই দু’দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যের একদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভান্স বলেছিলেন, ‘ইজরায়েলের একমাত্র শক্তিশালী মিত্র হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’।

    ভান্সের দাবি

    সাংবাদিক সম্মেলনে ভান্স দাবি করেছিলেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই বর্তমানে এমন বিশ্বনেতা, যিনি ইজরায়েলের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন।’’ তিনি এও জানিয়েছিলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইজরায়েলের ব্যবহৃত অধিকাংশ সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, করেছে অর্থায়নও। ভান্সের প্রতি সম্মান জানিয়েই নেতানিয়াহু (Netanyahu) বলেন, ‘‘আমি তাঁকে সম্মান করি, কিন্তু তাঁর মূল্যায়নের প্রতিটি বিষয়ে আমি একমত নই।’’

    ইজরায়েলের বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর জোর 

    নেতানিয়াহুর দাবি, বিশ্বের বহু দেশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা এবং এআইয়ের মতো ক্ষেত্রে ইজরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী। তাঁর কথায়, “সামরিক উদ্ভাবন ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন দেশের নেতারা নিয়মিত ইজরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।” নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন ইরান-ইস্যু এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য কৌশল নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যদিও বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে সময়ে সময়ে দুই দেশের মধ্যে মতভেদ দেখা যায়, তবুও প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহযোগিতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (JD Vance Ally Claim) এখনও ইজরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ অংশীদার। এর পাশাপাশি ভারত-সহ একাধিক দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে নেতানিয়াহুর (Netanyahu) ইজরায়েল।

     

  • Child Sexual Abuse Ads: শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে মেটাকে নোটিশ কেন্দ্রের

    Child Sexual Abuse Ads: শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে মেটাকে নোটিশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিষ্ঠান (Instagram) মেটাকে নোটিশ পাঠাল কেন্দ্র। সরকারি সূত্রের দাবি, অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপনের (Child Sexual Abuse Ads) মাধ্যমে শিশুদের যৌন শোষণ ও নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রীর নাগাল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রক ইনস্টাগ্রামকে অবিলম্বে ওই ধরনের সব সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়। সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত জবাবও চাওয়া হয়েছে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ব্যবস্থা (Child Sexual Abuse Ads)

    সরকার জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক তথ্য না দিলে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইনের অধীনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রীকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগেও অবিলম্বে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, মেটার সুপারিশভিত্তিক ব্যবস্থা শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে দিতে অবদান রাখছিল। ওই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে, যেখানে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেলে পাঠানো হচ্ছিল। সেখানে এই ধরনের সামগ্রী বিক্রির অভিযোগও ওঠে।

    সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হবে

    সরকার জানতে চেয়েছে, এই ধরনের বিজ্ঞাপন কীভাবে অনুমোদন পেল, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সংস্থা কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে কী ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেবে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, “শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রী প্রচারের অভিযোগে অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের সামগ্রীর অজুহাত দেখিয়ে দায় এড়ানো যাবে না। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হবে (Child Sexual Abuse Ads)।” সংস্থার এক মুখপাত্র বলেন, “শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রী চাওয়া, ভাগ করে নেওয়া বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ব্যবহার করে (Instagram) আমরা নিয়মভঙ্গকারী সামগ্রী শনাক্ত করি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করছি (Child Sexual Abuse Ads)।”

     

  • Whatsapp New Feature: এবার হোয়াটসঅ্যাপেই খোলা যাবে ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকের লিঙ্ক! কীভাবে?

    Whatsapp New Feature: এবার হোয়াটসঅ্যাপেই খোলা যাবে ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকের লিঙ্ক! কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াট্সঅ্যাপের (Whatsapp New Feature) সঙ্গে এবার যুক্ত হল ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক। এ বার একই হোয়াট্‌সঅ্যাপ প্রোফাইল থেকে খোলা যাবে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের লিঙ্ক। একইসঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া স্ট্যাটাস চাইলে যে কেউ নিজেদের ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও সরাসরি পোস্ট করতে পারবে। মেটার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp) বিটা সংস্করণেই আপাতত এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে, শীঘ্রই জনসাধারণের জন্যেও খুলে দেওয়া হবে এই পরিষেবা।

    হোয়াটসঅ্যাপের অ্যাকাউন্ট সেটিংস অপশন থেকে ফেসবুক ইনস্টাগ্রামের লিঙ্ক যোগ করা যাবে

    হোয়াটসঅ্যাপবিটাইনফো (ডব্লিউএবিটাইনফো)-র সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp New Feature) প্রোফাইলে গিয়ে অ্যাকাউন্ট সেটিংস অপশন থেকে ইনস্টাগ্রামের লিঙ্ক যোগ করা যাবে। এর পাশাপাশি, বিটার সবচেয়ে আপডেটেড সংস্করণ থেকে ফেসবুক ও থ্রেডের লিঙ্কও খোলা যাবে। তবে সবার জন্য মিলবে না এমন সুবিধা। এর জন্য বিটার নতুন সংস্করণকে আপডেট করতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা তাদের স্ট্যাটাস ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকেও শেয়ার করতে পারবেন। চাইলে যেকোনও কাউকে ট্যাগও করতে পারবেন বলে জানিয়েছে মেটা। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা এরফলে নিজেদের প্রোফাইলে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের লিঙ্কও শেয়ার করতে পারবেন। ফলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেই ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রোফাইলে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক পোস্টের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর নাম, পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থাও করেছে হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp New Feature)।

    একের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট রাখা যাবে (Whatsapp New Feature)

    অন্যদিকে, হোয়াটসঅ্যাপের আইওএস ভার্সনে আসতে চলেছে নতুন ফিচারের সাপোর্ট। জানা গিয়েছে, আইফোন ইউজাররা একটি আইফোনে একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের সুবিধা পাবেন। সুইচ অ্যাকাউন্ট অপশনের মধ্যমে একের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট রাখা যাবে। তবে কবে এই ফিচার সমস্ত আইওএস ইউজারদের জন্য চালু হবে তা এখনও জানা যায়নি। প্রসঙ্গত, অনেক ব্যবহারকারী কাজের জন্য কর্মক্ষেত্রে একটি ফোন নম্বর ব্যবহার করেন। এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য থাকে আরেকটি নম্বর। নতুন ফিচার চালু হলে আইফোন ব্যবহারকারীরা একটি ফোনেই দুটো হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp New Feature) অ্যাকাউন্ট চালু রাখতে পারবেন, দুটো আলাদা নম্বর থেকে। একটি পেশাদার কাজে, অন্যটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ এক্ষেত্রে দুটো আলাদা ডিভাইসের অর্থাৎ ফোনে প্রয়োজন হবে না।

  • WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসকে ফেসবুক স্টোরিতে শেয়ার করতে চান? জেনে নিন উপায়

    WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসকে ফেসবুক স্টোরিতে শেয়ার করতে চান? জেনে নিন উপায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করে থাকেন। ব্যবহারকারীদের চ্যাট এবং স্ট্যাটাস আপডেটের মাধ্যমে বন্ধুদের সাথে আরও ভালোভাবে সংযুক্ত হতে, অ্যাপটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানা ফিচারের পরিবর্তন করে থাকে। এর ফলে একাধিক বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়ে যায়। বর্তমান সময়ে হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস বৈশিষ্ট্যটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যা ব্যবহারকারীদের ছোট ভিডিও, ভয়েস নোট, ছবি এবং আরও অনেক কিছু পোস্ট করতে সাহায্য করে। এবার থেকে ব্যবহারকারীরা তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ফেসবুক (Facebook) স্টোরিতে শেয়ার করতে পারবেন। ফলে হোয়াটসঅ্যাপ পরিচিতির বাইরের শ্রোতাদের কাছে বার্তা পৌঁছে যাবে খুব সহজেই।

    করার ধাপ (WhatsApp)

    আপনার হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) স্ট্যাটাসকে ফেসবুক (Facebook) স্টোরি হিসাবে বিনিময় করতে চাহিলে নিচের কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করুন—

    প্রথম ধাপ: আপনার হোয়াটসঅ্যাপ খুলুন এবং আপনি শেয়ার করতে চান এমন একটি ফটো, ভিডিও বা পাঠ্য সহ আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করুন।

    দ্বিতীয় ধাপ: আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করার পরে, স্ট্যাটাস বিভাগে তিনটি বিন্দুতে ক্লিক করুন এবং এটিকে ফেসবুক স্টোরি করার বিকল্পটি খুঁজুন।

    তৃতীয় ধাপ: স্টিকার, টেক্সট বা অঙ্কন দিয়ে আপনার স্ট্যাটাসকে আরও আকর্ষণীয় করতে কাস্টমাইজ করুন।

    চতুর্থ ধাপ: আপনার সমস্ত বন্ধু বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে দৃশ্যমান একটি ফেসবুক স্টোরি হিসেবে এটি ভাগ করতে বেছে নিন।

    পঞ্চম ধাপ: ফেসবুক স্টোরি হিসেবে পোস্ট করার আগে আপনার কাস্টমাইজড স্ট্যাটাস ঠিক করুন এবং নিশ্চিত করুন।

    আরও পড়ুনঃ হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হতে লাগবে না কোনও ফোন নম্বর, শীঘ্রই আসছে নতুন ফিচার

    সম্প্রতি এসেছে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

    এদিকে, গত জুন মাসে, হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) তার চ্যানেল ফিচার চালু করেছে, যা এখন বিশ্বব্যাপী উপলব্ধ। চ্যানেল বৈশিষ্ট্যটি সম্প্রচারিত বার্তাগুলির মাধ্যমে এক থেকে একাধিক যোগাযোগের সুবিধা দেয়। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের মালিক হিসেবে, আপনার চ্যানেল পরিচালনা করতে সাহায্য করার জন্য ১৬ জন অতিরিক্ত অ্যাডমিনকে আমন্ত্রণ করতে পাবেন। ইমোজির ধরন সহ চ্যানেলের নাম, আইকন, বিবরণ এবং সেটিংস পরিবর্তন করার ক্ষমতা অ্যাডমিনদের থাকে। অ্যাডমিনদের দ্বারা করা যেকোনও আপডেট অবিলম্বে শেয়ার করা যায় এবং চ্যানেল মালিকের কাছ থেকে অনুমোদনেরও প্রয়োজন হয় না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Facebook: এবার ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করার জন্য লাগবে টাকা! জানুন বিস্তারিত 

    Facebook: এবার ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করার জন্য লাগবে টাকা! জানুন বিস্তারিত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের পর ফেসবুক (Facebook)-ইন্সটা ব্যবহার করতেও এবার দিতে হবে পয়সা। ট্যুইটারের ব্লু ভেরিফিকেশন নিয়ে জোর চর্চা চলছে হয়েছে সর্বত্রই। এবার সেই পথেই হাঁটতে চলেছে মেটাও। মেটা, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মূল সংস্থা, ব্যবহারকারীদের জন্য ‘ব্লু টিক’ যাচাইকরণ সিস্টেম চালু করেছে। এই পরিষেবার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেটা ভেরিফিকেশন’। চলতি সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে এই পরিষেবা চালু করা হবে। 

    কেন এই পরিষেবা

    মেটার তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুকের এই পরিষেবা ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ইউজারদের রক্ষা করবে। এখন যেহেতু টুইটারও এই পরিষেবা চালু করেছে, তাই ট্যুইটারের সঙ্গে প্রতিযোগিতার আসরে নেমে নয়া এই পরিষেবা নিয়ে আসতে চলেছে মেটা।

    মেটার ব্লু টিক পরিষেবার সুবিধা

    মার্ক জুকেরবার্গ নিজেই ফেসবুকে (Facebook) পোস্ট করে এই পরিষেবার কথা জানিয়েছেন। তিনি পোস্টে লিখেছেন ‘মেটা ভেরিফিকেশন’-এর সুবিধা নেওয়া ব্যবহারকারীরা বাড়তি সুরক্ষা পাবেন। জাল অ্যাকাউন্ট থেকেও মিলবে অতিরিক্ত সুরক্ষা। এছাড়াও এই পরিষেবা নিলে ব্যবহারকারীরা পাবেন সরাসরি ‘কাস্টমার কেয়ার’ থেকে সহায়তা। মার্ক জুকেরবার্গ আরও বলেছেন যে এই নতুন পরিষেবাটি প্ল্যাটফর্মের ‘সত্যতা এবং সুরক্ষা’ বাড়াতে বিশেষ কাজে আসবে।

    ভারতে কবে চালু হবে এই পরিষেবা

    জানা গেছে, মেটা ভেরিফাইড ব্লু টিক ওয়েবে প্রতি মাসে ১১.৯৯ ডলার থেকে শুরু হবে এবং Apple-এর iOS সিস্টেমের ইউজারদের জন্য প্রতি মাসে দিতে হবে ১৪.৯৯ ডলার। মেটার প্যাড পরিষেবার খরচ টুইটারের প্যাড পরিষেবার চেয়ে বেশি। ভারতে, Twitter ব্লু-এর মূল্য ওয়েবের জন্য এখন ব্যবহারকারীদের দিতে হয় ৬৫০ টাকা এবং মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য প্রতি মাসে দিতে হয় ৯০০ টাকা। তবে, মেটা এখনও ভারতে তার এই পরিষেবার মূল্য প্রকাশ করেনি। উপরে উল্লিখিত মূল্য অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের জন্যই প্রযোজ্য। তবে ভারতে কবে এই পরিষেবা চালু হবে তা এখনও ঘোষণা করেনি মেটা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share