Tag: India

India

  • US Iran Conflict: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, রাশিয়া থেকে ফের তেলের আমদানি বাড়াতে পারে ভারত

    US Iran Conflict: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, রাশিয়া থেকে ফের তেলের আমদানি বাড়াতে পারে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান (US Iran Conflict)। তা সত্ত্বেও ভারতের তেল সরবরাহে (Oil Supply) আপাতত কোনও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। ভারতের রিফাইনারিগুলির কাছে বর্তমানে কমপক্ষে ১০–১৫ দিনের জন্য পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে রিজার্ভ ট্যাঙ্কে থাকা তেল এবং পরিবহণ হচ্ছে যে তেল, দু’টিই রয়েছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি মজুত দিয়ে ৭–১০ দিনের দেশীয় চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরে স্বল্পমেয়াদি কোনও বিঘ্ন ঘটলেও তার প্রভাব সামাল দেওয়া যাবে বলে জানান আধিকারিকরা।

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ (US Iran Conflict)

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ২৮ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছিল, বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়, তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার জবাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে আধিকারিকরা যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই ধরনের সরবরাহ বন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে বিকল্প পরিকল্পনাও প্রস্তুত রয়েছে। কেপলার (Kpler)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ২৫ থেকে ২৭ লাখ ব্যারেল তেল, যা ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ, আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। এর বেশিরভাগই ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কুয়েত থেকে আসে (Oil Supply)।

    এলপিজি আমদানি

    ভারতের মোট তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ, মূলত কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারতের প্রায় সব এলপিজি আমদানিও এই পথ দিয়ে আসে।  ফলে দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্নের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সংবেদনশীল। আধিকারিকরা জানান, যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রণালীটি বন্ধ থাকে, তবে ভারত বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ বাড়াতে পারে, যার মধ্যে রাশিয়া থেকেও কেনা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এক আধিকারিক বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়েছিল, তবে মধ্যপ্রাচ্যে বিঘ্ন ঘটলে আমরা আবার মস্কো থেকে কেনা শুরু করতে পারি (Oil Supply)।”

    রাশিয়া থেকে পাঠানো তেল

    তবে পরিবহণ সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ভারতে পৌঁছতে প্রায় পাঁচ দিন সময় লাগে। কিন্তু রাশিয়া থেকে পাঠানো তেল আসতে সময় লাগতে পারে এক মাস পর্যন্ত। ফলে আগাম পরিকল্পনার প্রয়োজন হবে (US Iran Conflict)। এছাড়া ভারতের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার (Strategic Petroleum Reserves) রয়েছে, যা প্রায় এক সপ্তাহের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। স্বল্পমেয়াদে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণযোগ্য মনে হলেও, প্রণালী দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে এলএনজির বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে। অপরিশোধিত তেলের মতো নয়, এলএনজির বেশিরভাগই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় থাকে, ফলে স্পট মার্কেটে সরবরাহ সীমিত। ভারত বা চিন যদি বিকল্প এলএনজি উৎসের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তাহলে বৈশ্বিক দাম বেড়ে যেতে পারে বলে আধিকারিকরা সতর্ক করেছেন (US Iran Conflict)।

    আপৎকালীন প্রভাব তেলের দামে

    তবে সংকটের আপৎকালীন প্রভাব তেলের দামে ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭২.৮৭ ডলার হয়, যা দিনভিত্তিক লেনদেনে ৭৩.৫৪ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল, ৩০ জুলাই ২০২৫-এর পর সর্বোচ্চ। চলতি বছরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দাম ইতিমধ্যেই ব্যারেলপ্রতি ১২ ডলারের বেশি বেড়েছে (Oil Supply)। কেপলারের লিড রিসার্চ অ্যানালিস্ট সুমিত রিতোলিয়া বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা বাড়ায় স্বল্পমেয়াদে হরমুজ-সংক্রান্ত ঝুঁকি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্ণ অবরোধের সম্ভাবনা কম (US Iran Conflict)।” তিনি বলেন, “বহুমুখী উৎস, রাশিয়ার বিকল্প ব্যবস্থা এবং কৌশলগত পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার ও বাণিজ্যিক মজুত-সহ বহুস্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক ঘাটতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। নিকট ভবিষ্যতের প্রধান ঝুঁকি হল দামের অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব, কাঠামোগত সরবরাহ ঘাটতি নয়।” সরকার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর কাজ করছে বলেও জানান আধিকারিকরা (Oil Supply)।

     

  • India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    India And Canada: “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে”, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন কার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও কানাডা (India And Canada) অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India And Canada)

    নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মোদি ও কার্নির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি হয়।  সেখানে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়। বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে কার্নি লেখেন, “ভারত ও কানাডা অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ও পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক-সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অবস্থাও খতিয়ে দেখেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

    ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরাম

    দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী মোদি ও কার্নি এদিন বিকেলে ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে কার্নির এই সফর (Mark Carney)। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক উদ্বেগ ও সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান, জনগণ-স্তরের দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন (India And Canada)। এদিন দিনের শুরুতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, মোদি-কার্নি বৈঠকের আগে। বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সকালে নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দিত। ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার তাঁর অঙ্গীকারের প্রশংসা করছি (Mark Carney)।”

    ভারত সফরে সস্ত্রীক কানাডার প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কার্নি, তাঁর স্ত্রী ডায়ানা ফক্স কার্নিকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রথম সরকারি সফরে শুক্রবার মুম্বই পৌঁছেছিলেন। সোমবার তিনি নয়াদিল্লিতে আসেন। এর পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছি। কানাডা ও ভারত দুই আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ, যারা একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে চায়। আমাদের জনগণের জন্য আরও নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা জ্বালানি, প্রতিভা, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি (India And Canada)।”

    মুম্বইয়ে কার্নি ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডিয়ান পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন (Mark Carney)। শুক্রবার মুম্বই পৌঁছানোর পর কার্নি ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি বলে অভিহিত করেছিলেন। কানাডীয় কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টিকারী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছিলেন তিনি (India And Canada)। নভেম্বর ২০২৫-এ জোহানেসবার্গে জি২০ সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকে সর্বশেষ মোদি-কার্নি সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে মোদি জানিয়েছিলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ভারত (Mark Carney)।

     

  • India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের (Pakistan) অভিযোগের কড়া জবাব দিল ভারত (India)। ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ করেন ভারতের প্রতিনিধি। ২৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ‘রাইট টু রিপ্লাই’ বা জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ কর বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রতিনিধি অনুপমা সিং। সেখানে পাকিস্তান এবং ইসলামিক সহযোগী সংস্থা (OIC)-এর তোলা অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, “এই জোট একটি সদস্য রাষ্ট্রকে ইকো চেম্বার হিসেবে ব্যবহৃত হতে দিয়েছে।”

    অনুপমার বক্তব্য (India)

    পাকিস্তান এবং ওআইসি তাদের বক্তৃতায় ঠিক কী বলেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার প্রথম সচিব অনুপমা সিং বলেন, “পাকিস্তানের মন্তব্য ঈর্ষা থেকে প্রণোদিত।” তিনি জানান, ভারত এই ধরনের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চায় না, তবে তা খণ্ডন ও অসত্য প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি তথ্য উপস্থাপন করবে। ভারত জম্মু-কাশ্মীরের অগ্রগতি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে, যার মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুও রয়েছে। এর পাশাপাশি অঞ্চলটির উন্নয়ন বাজেটের সঙ্গে পাকিস্তান সম্প্রতি আইএমএফের কাছে যে বেইলআউট প্যাকেজ চেয়েছে, তার তুলনা করা হয়। অনুপমা বলেন, “পাকিস্তান যদি এই বাস্তবতা স্বীকার না করে, তবে তারা লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে।” তিনি জানান, জম্মু ও কাশ্মীরের বাজেট পাকিস্তানের চাওয়া আইএমএফ বেইলআউট প্যাকেজের দ্বিগুণেরও বেশি। এসব মন্তব্য ছিল পাকিস্তানের বয়ান মোকাবিলা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরার জন্য নয়াদিল্লির বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ (India)।

    জেনেভা অধিবেশন

    জেনেভায় অধিবেশনে (Pakistan) অনুপমা বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর ছিল, আছে এবং সর্বদা ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবেই থাকবে। পাকিস্তানের যতই ইচ্ছাকৃত বক্তব্য বা দুঃসাহসী প্রোপাগান্ডা থাকুক না কেন, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে জম্মু-কাশ্মীরের ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি সম্পূর্ণ বৈধ ও চূড়ান্ত। তাই  এই অপরিবর্তনীয় সত্য বদলানো যাবে না।” ভারতীয় কূটনীতিক অনুপমা আরও বলেন, “একমাত্র অমীমাংসিত বিষয় হল পাকিস্তানের দখলে থাকা ভারতের ভূখণ্ডের অবৈধ দখল।” তিনি ইসলামাবাদকে জোরপূর্বক দখলে রাখা অঞ্চলগুলি খালি করে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আবারও বলেন, “পাকিস্তান যেন লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে (India)।”

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ ও বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড ভোটারের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সেখানকার মানুষ পাকিস্তান-প্রচারিত সন্ত্রাস ও হিংসার মতাদর্শ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” রাষ্ট্রসংঘে তিনি এও বলেন, “যদি গত বছর উদ্বোধন হওয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুকে ভুয়ো বলা হয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চয়ই লা-লা ল্যান্ডে (কল্পনার জগতে) বাস করছে।” তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের সাম্প্রতিক আইএমএফ বেইলআউট আবেদনের দ্বিগুণেরও বেশি (India)। অবশ্য এটি পাকিস্তানের কাছে অবিশ্বাস্য বলেই মনে হতে পারে (Pakistan)।”

     

  • Cervical Cancer: সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ! সার্ভিক্যাল ক্যান্সার দূর করতে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাকরণ

    Cervical Cancer: সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ! সার্ভিক্যাল ক্যান্সার দূর করতে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের (Cervical Cancer) বিরুদ্ধে টিকাকরণ (HPV Vaccination) শুরু হচ্ছে দেশে। জরায়ুমুখের ক্যান্সারে মৃত্যুহার কমাতে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের জন্য সারাদেশে বিনামূল্যে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাকরণ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে ভারত সরকার। ‘স্বাস্থ্য নরী’ (Swastha Nari) মিশনের আওতায় এই উদ্যোগ দেশের মহিলাদের মধ্যে অন্যতম প্রতিরোধযোগ্য ক্যান্সারের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই টাকাকরণ কর্মসূচিতে দু’টি পৃথক ডোজের পরিবর্তে একটি মাত্র ডোজই দেওয়া হবে, যেমনটি অনুমোদন রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

    কাদের দেওয়া হবে এইচপিভি টিকা

    ১৪ বছর এবং তার ঊর্ধ্বে সব মেয়েদের এইচপিভি টিকা (HPV Vaccination) দেওয়া হবে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের ৮৫ শতাংশই মূলত এইচপিভি সংক্রমণ থেকে ঘটে। মহিলাদের শরীরের সর্বাধিক যে ধরনের ক্যান্সার বাসা বাঁধে, তাতে একেবারে দ্বিতীয় স্থানে সার্ভিক্যাল ক্যান্সার (Cervical Cancer)। প্রতিবছর সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১.২৫ লক্ষ মহিলা, যার মধ্য়ে মারা যান ৭৫ হাজার। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এইচপিভি টিকা (HPV Vaccination) বাধ্যতামূলক টিকাকরণ কর্মসূচি নয়, বরং ইচ্ছের উপর নির্ভর করবে গোটা বিষয়টি। এইচপিভি ১৬, এইচপিভি ১৮-র বিরুদ্ধেই এই টিকাকরণ, যাতে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সার্বিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়। পাশাপাশি, এইচপিভি ৬ এবং এইচপিভি ১১-র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা লক্ষ্য।

    কবে থেকে শুরু হবে টিকাকরণ কর্মসূচি

    দিল্লি সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ২.৬ কোটি ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এর মধ্যে ১ কোটি ডোজের জোগান দেবে টিকা-সহযোগী গাভী (Gavi)। আমেরিকার বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা মার্ক-এর তৈরি ‘গার্ডাসিল’ টিকা ব্যবহার করা হবে ভারতে। সরকারি সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট বয়সের মেয়েদের সিঙ্গল ডোজ দেওয়া গেলেই সুরক্ষা মিলবে বলে প্রমাণ মিলেছে।

    খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের দাম

    সরকারি সূত্রের খবর, এই কর্মসূচিতে ‘গার্ডাসিল’ (Gardasil) নামের কোয়াড্রিভ্যালেন্ট এইচপিভি টিকা ব্যবহার করা হবে। বর্তমানে খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজের দাম প্রায় ৩,৯২৭ টাকা। ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য দু’টি এবং তার বেশি বয়সিদের জন্য তিনটি ডোজ প্রয়োজন হয়। তবে সরকারি এই বিশেষ অভিযানের অধীনে কিশোরীদের বিনামূল্যে এই টিকা দেওয়া হবে।

    এক ডোজেই মিলবে সুরক্ষা

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গাইডলাইন মেনে এবং ভারতীয় বিজ্ঞানীদের গবেষণার ভিত্তিতে সরকার জানিয়েছে, নির্দিষ্ট বয়সি কিশোরীদের ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিনের একটি ডোজই দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী সুরক্ষা দিতে সক্ষম। ‘ইউনিভার্সাল ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম’-এর বাইরে এটি একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন হিসেবে চালানো হবে।

    কেন ১৪ বছর বয়সকেই বেছে নেওয়া হলো?

    চিকিৎসকদের মতে, শরীরে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার আগেই যদি এই টিকা নেওয়া যায়, তবে তার কার্যকারিতা সর্বাধিক হয়। তাই ১৪ বছর বয়সকে এই টিকাকরণের জন্য আদর্শ সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৮০ হাজার মহিলা নতুন করে জরায়ুমুখের ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ৪২ হাজার জনের মৃত্যু হয়। এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালু হলে মৃত্যুহার অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মান

    ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটি এইচপিভি ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। এর সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১৬০টি দেশে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে। এর মধ্যে ৯০টিরও বেশি দেশ এক ডোজের সময়সূচি অনুসরণ করছে। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি ডোজ প্রয়োগের মাধ্যমে টিকাটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, ভ্যাকসিনে অন্তর্ভুক্ত এইচপিভি টাইপের বিরুদ্ধে ৯৩ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা পাওয়া যায়। ভারত এই তালিকায় নাম লেখানোয় জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এক নতুন দিগন্ত খুলল।

    কোথায় কোথায় মিলবে টিকা

    প্রকল্পের সূচনা ঘটলে মেয়েদের যাতে টিকাকরণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তার জন্য় অভিভাবক ও মা-বাবাদের আর্জি জানিয়েছেন আধিকারিকরা। তাঁদের মতে, যত শীঘ্র টিকা নেওয়া যাবে, তত বেশি প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির, জেলা হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজে এইচপিভি টিকা নেওয়া যাবে। প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল অফিসারদের উপস্থিতিতেই টিকাকরণ চলবে। টিকাকরণের পরও পর্যবেক্ষণে থাকবেন সকলে, যাতে পরবর্তী পরিস্থিতির উপর নজর রাখা যায়। টিকার বিজ্ঞানসম্মত মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেই মতো নিজেদের সুপারিশের কথা জানায় ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিনাইজেশন।

    কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ

    জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী ‘হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস’ (এইচপিভি)। এর ২০০ রকম প্রজাতি রয়েছে, যার মধ্যে ১২টি ক্যানসারের জন্য দায়ী। বিশেষ করে এইচপিভি ১৬ ও এইচপিভি ১৮ জরায়ুমুখের ক্যানসারের কারণ। এইচপিভি ভাইরাস ঠেকাতে প্রতিষেধক দেওয়াই সবচেয়ে আগে জরুরি। তবে এইচপিভি টিকা কতটা কার্যকরী, তা আদৌ ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারবে কি না, এ বিষয়টি নিয়ে সংশয় ছিলই। সম্প্রতি ব্রিটেনের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেল্‌থ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ’ (এনআইএইচআর) জানিয়েছে, জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা প্রায় ৯০ শতাংশ কার্যকরী হচ্ছে। শুধু সময়মতো টিকাটি নিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ‘স্বাস্থ্য নারী’ (Swastha Nari) উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে কয়েক লক্ষ কিশোরীকে এই মারণ ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

  • Israels: ভারতকে সঙ্গে নিয়ে হেক্সাগন প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান!

    Israels: ভারতকে সঙ্গে নিয়ে হেক্সাগন প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যালেস্তাইন প্রশ্নে ইসলামাবাদের আপসহীন অবস্থান এবং ইজরায়েলের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’ প্রস্তাবের (Israels) বিরোধিতাকে আরও উসকে দিল। ইজরায়েল প্রস্তাবিত নতুন কৌশলগত কাঠামো ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেসে’ ভারতকে প্রকাশ্যে একটি (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এতে পশ্চিম এশিয়া এবং তার বাইরেও পরিবর্তিত শক্তির সমীকরণ নিয়ে ইসলামাবাদের গভীর অস্বস্তি স্পষ্ট হয়েছে।

    ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়া (Israels)

    ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়া ছিল অস্বাভাবিক দ্রুত এবং কঠোর ভাষায়। মঙ্গলবার পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সেনেট ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’ প্রত্যাখ্যান করে একটি প্রস্তাব পাস করেছে বলে পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। সেনেট এই পরিকল্পনাকে অভিহিত করেছে “ইজরায়েলি দখলদার শক্তির নেতৃত্বের এক নিকৃষ্ট প্রবণতা, যা রাজনৈতিক ও আদর্শের ভিত্তিতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ন করতে চায়।” প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) পালওয়াশা মোহাম্মদ জাই খান। প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়, যা এই উদ্যোগের নিন্দায় বিরল রাজনৈতিক ঐক্যের ইঙ্গিত দেয়। প্রস্তাব নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পিপিপির এক নেতা বলেন, “ইসলামাবাদ ইজরায়েলি নেতৃত্বের অব্যাহত উসকানিমূলক পদক্ষেপ ও বিবৃতির তীব্র নিন্দা জানায়, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলির বিরুদ্ধে জোট গঠনের সাম্প্রতিক বক্তব্য (Israels)।”

    পাকিস্তানের সেনেটে নিন্দা

    পাকিস্তানের সেনেট শুধু জোট কাঠামোর নিন্দাতেই থেমে থাকেনি। ডন পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারা “ভ্রাতৃপ্রতিম ইসলামি দেশগুলির সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা খর্ব করার যে কোনও ইজরায়েলি প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে (Pakistan)।” প্রস্তাবে ইজরায়েলের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ—সোমালিল্যান্ডকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত—নিয়েও তীব্র সমালোচনা করা হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইজরায়েল বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয়। এর পর পাকিস্তান অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) এবং আরও ২০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে একযোগে এই পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে, একে “আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি প্রকাশ্য ও স্পষ্ট অবজ্ঞা” বলে অভিহিত করে। সেনেট প্যালেস্তাইনের “অবিচ্ছেদ্য” আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি ইসলামাবাদের “অটল” সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে এবং ১৯৬৭-পূর্ব সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি “স্বাধীন, কার্যকর ও ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত” প্যালেস্তাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি “অধিকৃত অঞ্চল” থেকে পূর্ণ ইজরায়েলি প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয় (Israels)।

    ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’

    ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের আগে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের কৌশলগত ভিশনের অংশ হিসেবে ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’ ধারণা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এটি এমন দেশগুলিকে একত্রিত করবে যারা পশ্চিম এশিয়া ও তার আশপাশে উগ্রবাদী শক্তি ও অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে একই মনোভাব পোষণ করে (Pakistan)। প্রস্তাবিত জোটে ইজরায়েল, ভারত, গ্রিস ও সাইপ্রাসের পাশাপাশি কয়েকটি আরব, আফ্রিকান ও এশীয় দেশ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, নেতানিয়াহু বলেন, “আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে আমরা পশ্চিম এশিয়ার ভেতরে বা চারপাশে এক ধরনের ‘হেক্সাগন’ জোটব্যবস্থা গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “উদ্দেশ্য হল এমন একটি দেশসমূহের অক্ষ তৈরি করা, যারা বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও লক্ষ্য নিয়ে একমত—উগ্র শিয়া অক্ষ, যাকে আমরা কঠোরভাবে আঘাত করেছি, এবং উদীয়মান উগ্র সুন্নি অক্ষের বিরুদ্ধে।”

    জোটের কাজ

    এই জোট তিনটি মূল ক্ষেত্রে কাজ করবে—অর্থনৈতিক সহযোগিতা, কূটনৈতিক সমন্বয় ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারত–মধ্যপ্রাচ্য–ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের মতো উদ্যোগের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক। ইজরায়েলি নেতৃত্ব এটিকে ইরান ও তার আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক—যেমন হিজবুল্লাহ ও হুথি, যাদের সম্মিলিতভাবে “অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স” বলা হয়—এর প্রভাব মোকাবিলার দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো হিসেবে দেখছে। ইসলামাবাদের উদ্বেগের মূল কারণ হল ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেসে’ ভারতকে একটি কৌশলগত স্তম্ভ হিসেবে প্রকাশ্যে উল্লেখ করা। পাকিস্তান মনে করে, ইসরায়েল-সহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের বাড়তে থাকা নিরাপত্তা (Israels) সহযোগিতা পশ্চিম এশিয়ায় তাদের নিজস্ব প্রভাবের জন্য সরাসরি চ্যালেঞ্জ এবং ইসলামাবাদের দৃষ্টিতে মুসলিম ঐক্যের ধারণা থেকে সরে যাওয়া (Pakistan)।

    কূটনৈতিক পরিসর সম্প্রসারণ

    পাকিস্তানের শাসক জোট এই জোট কাঠামোকে সৌদি আরব ও তুরস্ককে ঘিরে আঞ্চলিক সমীকরণের পরিবর্তনের সঙ্গেও যুক্ত করছে। নেতানিয়াহুর এই ঘোষণা আসে ইজরায়েল–ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এবং যখন পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিজেদের যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। পাকিস্তানে জাতীয় প্রতিক্রিয়াগুলি প্যালেস্তাইনি সার্বভৌমত্বের প্রতি দীর্ঘদিনের দৃঢ় সমর্থন এবং অধিকৃত অঞ্চলে ইজরায়েলি পদক্ষেপকে বৈধতা দেওয়ার যে কোনও উদ্যোগের বিরোধিতার ধারাবাহিকতাই প্রতিফলিত করে। প্যালেস্তাইন ইস্যুতে ইসলামাবাদের আপসহীন অবস্থান এবং ইজরায়েলের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপের সমালোচনা ‘হেক্সাগন’ প্রস্তাবের বিরোধিতাকে আরও জোরদার করেছে (Israels)। ইজরায়েলের কাছে ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’ হল বৈরী শক্তির বিরুদ্ধে একটি কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষাকারী কাঠামো এবং অস্থির অঞ্চলে কূটনৈতিক পরিসর সম্প্রসারণের অংশ। ভারতের জন্য এই কাঠামোয় অন্তর্ভুক্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বাইরে গিয়ে বহুপাক্ষিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত বহন করে।

    পাকিস্তানের উদ্বেগ

    পাকিস্তানের উদ্বিগ্ন প্রতিক্রিয়া ইঙ্গিত দেয় যে ইসলামাবাদ শুধু বিরক্তই নয়, বরং এটিকে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে কাঠামোগত পরিবর্তন হিসেবেই দেখছে—যা মুসলিম দেশগুলির মধ্যে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে। এই কাঠামো ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা জোটে রূপ নিক বা কেবল সহযোগিতার ধারণাগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই থাকুক—এর রাজনৈতিক প্রতিধ্বনি ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে (Pakistan) ইসলামাবাদের মতো রাজধানীগুলিতে, যেখানে একে মুসলিম ঐক্য ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে (Israels)।

     

  • India Canada Relation: “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে গুরুত্ব”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি আসছে শীর্ষ প্রতিনিধিদল

    India Canada Relation: “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে গুরুত্ব”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি আসছে শীর্ষ প্রতিনিধিদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক সফরে শুক্রবার ভারতে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (India Canada Relation)। এই সফরে শক্তি, খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কানাডায় ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ পাটনায়েক জানিয়েছেন, এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কার্নির এই সফরে তাঁর সঙ্গে থাকছেন চারজন মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দুই প্রদেশের প্রিমিয়ার (মুখ্যমন্ত্রী সমতুল্য)। কার্নির সঙ্গে থাকছে কানাডার উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল। এই উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি থেকে স্পষ্ট, অর্থনীতি, বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করাই এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

    অত্যন্ত সময়োপযোগী সফর

    কানাডার বিদেশমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত সফরে যোগ দেবেন। তিনি বলেন, “বাণিজ্য বহুমুখীকরণ এবং কানাডিয়ানদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি, অর্থনীতির সব ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করাই আমাদের লক্ষ্য।” মঙ্গলবার অর্থ ও রাজস্বমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেনও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ভারত সফর নিশ্চিত করে বলেন, “একটি স্থিতিশীল কানাডিয়ান অর্থনীতির জন্য বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও জানান, এই সফরের পর তিনি অস্ট্রেলিয়াতেও যাবেন। অটোয়ায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শ্যাম্পেন ভারত সফরকে “অত্যন্ত সময়োপযোগী” বলে উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, “ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক কানাডার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি জানান, ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে।

    অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে জোর

    কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মনিন্দর সিধুও এই সফরে যোগ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কানাডিয়ান ব্যবসার জন্য নতুন বাজার উন্মুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের রফতানি ৩০০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার বাড়ানোর যে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য, তা পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” সফরকালে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগুইন্টিও সফরে থাকবেন। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা করছে। ম্যাকগুইন্টি ভারতের পর অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সফরেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি দিক নিয়ে আলোচনা

    এছাড়াও কার্নির সঙ্গে ভারত সফরে আসবেন আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার স্কট মো এবং নিউ ব্রান্সউইকের প্রিমিয়ার সুসান হল্ট। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ম্যাট জেনারু-ও ভারতে আসছেন। তিনি এপ্রিল ২০২৪ সালের ফেডারেল নির্বাচনে কনজারভেটিভ হিসেবে নির্বাচিত হলেও সম্প্রতি লিবারেল দলে যোগ দেন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সফরের পর এই প্রথম কোনও কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে আসছেন। অটোয়ায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পাটনায়েক বলেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিটি দিক নিয়েই এই সফরে আলোচনা হবে। আমরা একটি সমন্বিত প্যাকেজের দিকে তাকিয়ে আছি।” পাটনায়েকের কথায়, মার্ক কার্নির ভারত সফরে (Mark Carney India Tour) ইউরেনিয়াম সরবরাহ, তেল ও গ্যাস, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একগুচ্ছ চুক্তি সই হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হল প্রায় ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ১০ বছরের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি।

  • PM Modi: ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা! ভারতকে সঙ্গে নিয়ে নয়া ‘ষড়ভুজ জোটের’ প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, সঙ্গে আর কারা?

    PM Modi: ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা! ভারতকে সঙ্গে নিয়ে নয়া ‘ষড়ভুজ জোটের’ প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, সঙ্গে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার আগেই জেরুজালেম থেকে এক নতুন ভূ-রাজনৈতিক জোটের প্রস্তাব সামনে এসেছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) যাকে তিনি “হেক্সাগন অফ অ্যালায়েন্স” (ষড়ভুজ জোট) বলেছেন, তার রূপরেখা প্রকাশ্যে এনেছেন। নেতানিয়াহুর প্রস্তাবিত জোটের লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে (পশ্চিম এশিয়া) তাঁর ভাষায় “র‍্যাডিক্যাল অ্যাক্সিস” বা চরমপন্থী অক্ষশক্তির মোকাবিলা করা। তিনি ইজরায়েল, গ্রিস ও সাইপ্রাসের পাশাপাশি ভারতকে এই জোটের অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইজরায়েলি বিদেশ দফতরের ২২ ফেব্রুয়ারির বিবৃতি অনুযায়ী, আরও কিছু আরব, আফ্রিকান ও এশীয় দেশ এই কাঠামোর অংশ হতে পারে।

    ইজরায়েল-ইরান উত্তেজনা (PM Modi)

    এই ঘোষণা এমন একটা সময়ে এল যখন ইজরায়েল-ইরান উত্তেজনা বাড়ছে এবং পাকিস্তান ও সৌদি আরব ন্যাটোর ধাঁচে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে একত্রিত হয়েছে। এখানে তুরস্কও যোগ দিতে আগ্রহী। নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে মোদি ২৫–২৬ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েলে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এটি মোদির দ্বিতীয় ইজরায়েল সফর। মঙ্গলবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সফরকালে দুই নেতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করবেন। ২২ ফেব্রুয়ারির মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু এই ধারণার রূপরেখা তুলে ধরেন বলে ইজরায়েল সরকারের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কী বললেন নেতানিয়াহু

    নেতানিয়াহু বলেন, “আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে আমরা মধ্যপ্রাচ্যের চারপাশে বা ভেতরে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলব—মূলত এটি হবে একটি হেক্সাগন জোট (PM Modi)।” তিনি বলেন, “এর মধ্যে থাকবে ভারত, আরব দেশসমূহ, আফ্রিকান দেশসমূহ, ভূমধ্যসাগরীয় দেশ (গ্রিস ও সাইপ্রাস) এবং এশিয়ার কিছু দেশ, যাদের নাম এখন উল্লেখ করছি না। আমি এটি সংগঠিতভাবে উপস্থাপন করব (Benjamin Netanyahu)।” নেতানিয়াহু বলেন, “উদ্দেশ্য হল এমন দেশগুলির একটি অক্ষ তৈরি করা, যারা চরমপন্থী অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ এবং লক্ষ্য নিয়ে একমত। তা সে চরমপন্থী শিয়া অক্ষই হোক, যাকে আমরা কঠোরভাবে আঘাত করেছি, অথবা উদীয়মান চরমপন্থী সুন্নি অক্ষ। এই দেশগুলির দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা এবং আমাদের সহযোগিতা বড় ফল দিতে পারে, পাশাপাশি আমাদের স্থিতিস্থাপকতা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারে।”

    ‘হেক্সাগন’ জোটের আহ্বান

    এই কাঠামোর লক্ষ্য নিরাপত্তা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গভীর করা (PM Modi)। প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহুর ‘হেক্সাগন’ জোটের আহ্বান তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি পশ্চিম ও দক্ষিণ এশিয়ায় চলমান এক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে। ভারত-ইউএই-ইজরায়েল-গ্রিস সমঝোতার আগের আলোচনা থেকে ভিন্নভাবে, এটি প্রকাশ্য কৌশলগত নীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নেতানিয়াহু সরাসরি প্রতিপক্ষদের নাম উল্লেখ করেছেন এবং উদ্দেশ্যও স্পষ্ট করেছেন (Benjamin Netanyahu)। ইজরায়েলের এই প্রস্তাব এমন একটা সময়ে এসেছে যখন সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ স্বাক্ষরিত সৌদি-পাকিস্তান কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি অঞ্চলজুড়ে নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি এক ধরনের “ইসলামিক ন্যাটো” (PM Modi)। নেতানিয়াহু এই নয়া জোটকে একটি পাল্টা ভারসাম্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, “চরমপন্থী শিয়া অক্ষ, যাকে আমরা কঠোরভাবে আঘাত করেছি, এবং উদীয়মান চরমপন্থী সুন্নি অক্ষ—উভয়ের বিরুদ্ধেই।”

    “র‍্যাডিক্যাল শিয়া অক্ষ”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, “র‍্যাডিক্যাল শিয়া অক্ষ” বলতে মূলত ইরান ও তার সহযোগী গোষ্ঠী যেমন হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের বোঝানো হয়েছে (Benjamin Netanyahu)। “উদীয়মান র‍্যাডিক্যাল সুন্নি অক্ষ” বলতে পশ্চিম এশিয়ায় আইএসআইএসের অবশিষ্টাংশ ও অন্যান্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক-সহ চরমপন্থী হুমকিকে বোঝানো হয়েছে। এই জোটের গুরুত্ব হল, এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ভারত, ইউএই এবং ইজরায়েল বহু বছর ধরে সহযোগিতা করছে আব্রাহাম চুক্তি ও আই২ইউ২ (I2U2) গোষ্ঠীর মাধ্যমে। যদিও আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা চুক্তি ছিল না। প্রসঙ্গত, “হেক্সাগন” শব্দ ব্যবহার করে নেতানিয়াহু একটি কাঠামোবদ্ধ স্থাপত্যের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যেখানে গ্রিস, সাইপ্রাস, এশিয়া এবং আফ্রিকার আরও কিছু দেশ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এক্ষেত্রে ভারতকে (Benjamin Netanyahu) কল্পনা করা হয়েছে প্রধান অংশীদার হিসেবে (PM Modi)।

     

  • Chandra Grahan 2026: দোল পূর্ণিমায় সব থেকে বড় চন্দ্রগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে ভারত থেকেও

    Chandra Grahan 2026: দোল পূর্ণিমায় সব থেকে বড় চন্দ্রগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে ভারত থেকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার তিথিতে মার্চ মাসেই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Chandra Grahan 2026)। সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ ভারতে দেখা যায়নি। তবে এবার এই দৃশ্য থেকে কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন না। খুব কম সময়ের জন্য হলেও এই চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। ওই দিন দেশের বেশির ভাগ প্রান্ত থেকে দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ।

    চাঁদের রং হয় লালা (Chandra Grahan 2026)

    চাঁদের কোনও নিজেস্ব আলো নেই। তার উপর সূর্যের আলো পড়ে। পৃথিবীর চাঁদ এবং সূর্যের মাঝে চলে এলে সূর্যের আলো আর চাঁদে পড়ে না। এরফলে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পড়ে। আর তখনই চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) হয়। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রং হয় লাল। সেই জন্য তাকে রক্তিম চাঁদ বা ব্লাড মুনও বলা হয়। সূর্য গ্রহণ যেমন খালি চোখে দেখা যায় না, চন্দ্র গ্রহণের সময় অবশ্য তেমন কোনও ব্যাপার নেই। রাতের আকাশে খালি চোখেই দেখা যায়।

    আকাশে খালি চোখে দেখলেই দেখা যাবে

    ৩ মার্চ পৃথিবীর যে যে দিকে রাত থাকবে সেখান থেকে চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) দেখা যাবে। তবে খুব অল্প সময়ের জন্যই দেখা যাবে। জানা গিয়েছে মোট ৫ ঘণ্টা ধরে চলবে গ্রহণ। চরম সময় নির্ধারিত হয়েছে ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড। সেই সময় আকাশে খালি চোখে দেখলেই দেখা যাবে এই গ্রহণ। তবে সব জায়গা থেকে দেখা যাবে এমনটাও নয়। আমেরিকার পশ্চিমের স্টেটগুলিতে সেই গ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ ৪ টে ৪ মিনিট থেকে ৫ টা ২ মিনিট পর্যন্ত।

    ভারতের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Chandra Grahan 2026) দেখা যাবে ৩ মার্চ বিকেল ৪টে ৫৮ মিনিট থেকে। ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে বিকেল ৫ টা ৩২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে রাত ৭ টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত।

    জানা গিয়েছে, যখন পূর্ণগ্রাস চলবে তখন ভারতের অনেক জায়গায় সন্ধ্যা নামবে না। সেই জন্য ওই সব জায়গায় পূর্ণগ্রাস নাও দেখা যেতে পারে। কলকাতায় ওইদিন সূর্যআস্ত হবে ৫ টা ৩৪ মিনিটে। এরপর হবে চন্দ্র গ্রহণ। পূর্ণগ্রাস পশ্চিমবঙ্গ থেকে না দেখার সম্ভাবনাই বেশি। দিল্লি এবং নয়ডায় ওইদিন চন্দ্রদোয় হবে ৬টা ২৬ মিনিটে। যদিও তার আগে থেকে গ্রহণ লেগে যাবে। সেখানেও খুব সময় ধরে গ্রহণ দেখা যাবে না। তবে আবার যে সম্পূর্ণ ভাবে বঞ্চিত হবেন এমনটাও নয়। যদি আকাশ মেঘলা থাকে তাহলে গ্রহণ দেখার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে।

    চাঁদকে গ্রহণের সময় গাঢ় কালচে লাল দেখায়

    পূর্ণগ্রাসের (Lunar Eclipse) সময় চাঁদ সম্পূর্ণ ভাবে কালো হয়ে যায় না। তার বদলে কিছু কিছু অংশ লাল হয়ে যায়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যখন সূর্যের আলো গ্রহণ করে, তখন সূর্যরশ্মির লাল অংশ কম পরিমাণে প্রতিসরিত হয়। এরপর তা চাঁদের উপরে গিয়ে পড়ে। অপর দিকে সূর্যরশ্মি নীল অংশটি চার দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। তাই চাঁদকে গ্রহণের (Chandra Grahan 2026) সময় গাঢ় কালচে লাল দেখা যায়।

    চন্দ্রগ্রহণের সময় (Chandra Grahan 2026)

    • চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে: ৩ মার্চ বেলা ৩টে ২০ মিনিটে
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু: বিকেল ৪টে ৩৪ মিনিট
    • গ্রহণের মধ্যদশা: বিকেল ৫টা ৪ মিনিট
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শেষ: বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট
    • চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে: সন্ধে ৬টা ৪৭ মিনিট
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ চলবে: ৫৯ মিনিট ধরে
  • India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India Brazil Trade) করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবারের এই বৈঠকে দুই দেশের নেতারা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (India Brazil Trade)

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই আলোচনা সমন্বিত লক্ষ্য ও যৌথ উদ্দেশ্যের চেতনায় সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হয়েছে।” তিনি ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক শক্তিশালী করতে প্রেসিডেন্ট লুলার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন এবং নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “ভারত ও ব্রাজিলের প্রচেষ্টা গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী বছরগুলিতে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের বাণিজ্য কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসা ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল সেই আস্থারই প্রমাণ।” তিনি বলেন, “আমরা এই (India Brazil Trade) পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করে যাব।”

    সন্ত্রাসবাদ মানবজাতির শত্রু

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশই একমত যে সন্ত্রাসবাদ এবং তার সমর্থকরা সমগ্র মানবজাতির শত্রু।” তিনি ব্রাজিলকে লাতিন আমেরিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, “বৃহৎ ব্রাজিলীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভারত–মারকোসুর (দক্ষিণ কমন মার্কেট) বাণিজ্য চুক্তির সম্প্রসারণ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।” প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ব্রাজিলে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য সেন্টার অব এক্সেলেন্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সুপারকম্পিউটার, সেমিকন্ডাক্টর ও ব্লকচেইনের ক্ষেত্রে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি হওয়া উচিত অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং তার উচিত যৌথ অগ্রগতির সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা (PM Modi)।”

    জ্বালানি সহযোগিতা

    জ্বালানি সহযোগিতাকেও অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ (India Brazil Trade) হিসেবে তুলে ধরা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইথানল মিশ্রণ এবং উন্নত বিমান জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্সে ব্রাজিলের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি এবং দুর্যোগ–সহনশীল পরিকাঠামো জোটের সহ–সভাপতি হওয়ার ব্রাজিলের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্রাজিলের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।” এর আগে মোদি ও লুলা প্রতিনিধিদল স্তরের বৈঠক করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ১৯ ফেব্রুয়ারি এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ভারতে আসা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাঁর সঙ্গে আসা শীর্ষ সিইওদের বৃহৎ প্রতিনিধিদল একটি ব্যবসায়িক ফোরামে অংশ নেবে, যেখানে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুযোগ অনুসন্ধান করা হবে। এই সফরটি জুলাই ২০২৫-এ ব্রাসিলিয়ায় মোদির সফরের (India Brazil Trade) পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি ছিল ৫০ বছরেরও বেশি (PM Modi) সময়ের মধ্যে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ব্রাজিল সফর।

     

  • US: মোদির কাছে মাথা নত! শেষমেশ ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল আমেরিকা

    US: মোদির কাছে মাথা নত! শেষমেশ ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় পণ্যের ওপর ১৫০ দিনের জন্য শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US)। হোয়াইট হাউসের নয়া এক বিজ্ঞপ্তির পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে পূর্ববর্তী বৈশ্বিক শুল্ক কাঠামো বাতিল করে দেয় (Supreme Court Ruling)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগে যেসব ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপিত ছিল, সেগুলির ওপর এখন ১০ শতাংশ ‘অ্যাড ভ্যালোরেম’ (ad valorem) শুল্ক প্রযোজ্য হবে। যদিও এর আগে দুই দেশের মধ্যে ১৮ শতাংশ শুল্ক হার নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, তা কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রফতানিকারীরা কার্যত ২৫ শতাংশ থেকে সরাসরি ১০ শতাংশে শুল্ক কমার সুবিধা পাবেন।

    সংশোধিত শুল্কহার কবে থেকে (US)

    সংশোধিত শুল্কহার ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হবে এবং ১৫০ দিন বলবৎ থাকবে। এই নয়া কাঠামোটি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে, এমন সব দেশের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার মধ্যে ভারতও রয়েছে। এর আগে সিএনবিসি জানিয়েছিল যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি থাকা দেশগুলি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত নতুন ঘোষণার আওতায় কম শুল্ক সুবিধা পাবে। এই সাময়িক শুল্ক হ্রাসকে মার্কিন বাণিজ্যনীতির বৃহত্তর পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে (US)। শুল্ক সংশোধনের এই সিদ্ধান্ত এসেছে সুপ্রিম কোর্টের ৬–৩ সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ের পর, যেখানে প্রশাসনের পূর্ববর্তী বৈশ্বিক শুল্ক কাঠামোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা মত দেন যে, আমদানি শুল্ক আরোপের জন্য যে আইনের উল্লেখ করা হয়েছিল, তা প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না। এর ফলে একতরফা শুল্ক আরোপের ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়, যা একাধিক দেশকে প্রভাবিত করেছিল।

    শুল্কের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

    তবে আদালত এই বিষয়ে কিছু বলেনি যে, আগে আদায় করা শুল্কের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা দেশগুলি ফেরতের অধিকার পাবে কি না। বিষয়টি এখনও নিষ্পন্ন হয়নি এবং ভবিষ্যতে এ নিয়ে আইনি বা কূটনৈতিক আলোচনা হতে পারে। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বিচারপতিদের সমালোচনা করে তাঁদের জাতির পক্ষে লজ্জা বলে অভিহিত করেন এবং অভিযোগ তোলেন যে তাঁরা “বিদেশি স্বার্থ ও ক্ষুদ্র রাজনৈতিক গোষ্ঠীর” প্রভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতীয় রফতানিকারীদের জন্য ১০ শতাংশে সাময়িক শুল্ক হ্রাস স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি ও আমেরিকার বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এনে দেবে। এই ১৫০ দিনের সময়সীমা উভয় দেশের বাণিজ্য কর্তা ও ব্যবসায়ীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ (Supreme Court Ruling) হয়ে উঠবে। কারণ ভবিষ্যতে  ভারত- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনার রূপরেখা নির্ধারণে এটি প্রভাব ফেলতে পারে (US)।

     

LinkedIn
Share