Tag: kolkata weather

kolkata weather

  • West Bengal Weather: নিম্নচাপও সরছে না, বৃষ্টিও থামছে না! মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে দিনভর বৃষ্টির পূর্বাভাস, ৪ জেলায় সতর্কতা

    West Bengal Weather: নিম্নচাপও সরছে না, বৃষ্টিও থামছে না! মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে দিনভর বৃষ্টির পূর্বাভাস, ৪ জেলায় সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাব কাটার বদলে আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। সোমবার রাত থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ফের শুরু হয়েছে দফায় দফায় বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালেও সেই পরিস্থিতির কোনও বড় পরিবর্তন হয়নি। ভোর থেকেই মুখ ভার আকাশের, সঙ্গে চলছে একটানা বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজও রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টির দাপট বজায় থাকবে। কোথাও হালকা থেকে মাঝারি, আবার পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    এখনও দক্ষিণবঙ্গের উপরেই নিম্নচাপ

    প্রাথমিক পূর্বাভাসে মনে করা হয়েছিল, সোমবারের মধ্যেই নিম্নচাপটি দক্ষিণবঙ্গ থেকে সরে যাবে। কিন্তু পরিস্থিতি তেমন হয়নি। আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে নিম্নচাপটি দক্ষিণবঙ্গের উপর সক্রিয় রয়েছে। এর জেরেই বৃষ্টির পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হয়নি। এই নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে উত্তর ওড়িশা হয়ে ঝাড়খণ্ডের দিকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সক্রিয় রয়েছে মৌসুমি অক্ষরেখাও। নিম্নচাপ ও মৌসুমি অক্ষরেখার যুগল প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।

    পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

    মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির তীব্রতা সর্বত্র এক রকম হবে না। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। এর মধ্যে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও বীরভূমে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। মধ্যবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় মূলত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি দফায় দফায় চলতে পারে।

    কলকাতায় কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    কলকাতাতেও মঙ্গলবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ এবং বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তবে মহানগরে আজ খুব ভারী বা অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনভর দফায় দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি চললে শহরের নিচু এলাকাগুলিতে জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। অফিসের ব্যস্ত সময়ে বৃষ্টির সঙ্গে জলজট তৈরি হলে রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হতে পারে। ফলে নিত্যযাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গেও বাড়ছে বৃষ্টির দাপট

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড় ও সমতল—দুই এলাকাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় অতিরিক্ত বৃষ্টির জেরে ধসের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় তুলনামূলকভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে আগামী কয়েক ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।

    নজরে আজকের আবহাওয়া

    সব মিলিয়ে মঙ্গলবার রাজ্যের আবহাওয়ায় এখনই বড়সড় স্বস্তির ইঙ্গিত নেই। দক্ষিণবঙ্গের উপর নিম্নচাপের অবস্থান এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি চলবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা থাকলেও কলকাতায় মূলত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিই হওয়ার সম্ভাবনা। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির জেরে ধস ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উপরও নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

  • Kolkata Rainfall: কলকাতার উপরেই গভীর নিম্নচাপ! শহরের নানা প্রান্ত জলমগ্ন, প্রবল বৃষ্টিতে তোলপাড় দক্ষিণবঙ্গ, জারি রেড অ্যালার্ট

    Kolkata Rainfall: কলকাতার উপরেই গভীর নিম্নচাপ! শহরের নানা প্রান্ত জলমগ্ন, প্রবল বৃষ্টিতে তোলপাড় দক্ষিণবঙ্গ, জারি রেড অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণের শেষ লগ্নে ঝোড়ো ব্যাটিং বর্ষার। চলতি বছর কম-বেশি মিলিয়ে প্রতিটা স্পেলেই ভালো খেলেছেন বর্ষারানি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন নিম্নচাপ। স্বাধীনতা দিবসে একটু পরিষ্কার হলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে শহরের নানা প্রান্তে। রবিবারও ছোট ছোট স্পেলে ভিজেছে তিলোত্তমা। তবে, সোমবার নিম্নচাপ আর সক্রিয় বর্ষার যুগলবন্দিতে সকাল থেকে অঝোরে বৃষ্টি চলছে কলকাতা এবং শহরতলিতে। প্রথমে ঝিরঝিরে বৃষ্টি হলেও বেলা যত গড়াচ্ছে, বৃষ্টির দাপট তত বাড়ছে। হাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল, নিম্নচাপের কারণে কলকাতায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে সোমবার। গোটা রাজ্যেই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কলকাতার ঠিক উপরেই নিম্নচাপ

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপ অঞ্চলটি গত কয়েক ঘণ্টায় আরও সুস্পষ্ট হয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, বর্তমানে কলকাতার ঠিক উপরেই অবস্থান করছে নিম্নচাপ। এর জেরে আরও বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। বর্ষাকালীন অক্ষরেখা পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড হয়ে নিম্নচাপ অঞ্চলটির উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বঙ্গোপসাগরে জন্ম হওয়া নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি প্রবেশ করছে স্থলভাগে। বর্তমানে এর অবস্থান কলকাতার ঠিক মাথার উপর। ধীরে ধীরে সেটি দক্ষিণবঙ্গ হয়ে সরে যাবে ঝাড়খন্ডের দিকে। তবে, তার জেরে ভাসবে বাংলা। শুধু তাই নয়, ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে দমকা বাতাসও। বাজ পড়লে কংক্রিটের নিচে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ আবহবিদের। নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি চলবে।

    কোথায় কত বৃষ্টিপাত

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় ১১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা মহানগরে। ঘণ্টায় ২০-৩০ মিলিমিটার বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে কলকাতায়। যত সময় যাবে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে। নিম্নচাপের কারণে সমুদ্রে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। তার বেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। এর প্রভাবে সমুদ্র আপাতত উত্তাল রয়েছে। মৎস্যজীবীদের মঙ্গলবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    • সোমবার চরম ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা থাকছে:  পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া।
    • সোমবার অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা: হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান।
    • সোমবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা: কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং।
    • মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা: পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার

    শহরের বিভিন্ন প্রান্তে জল-যন্ত্রণা!

    প্রবল বৃষ্টিতে শহরের নিচু এলাকাগুলিতে জল জমতে শুরু করেছে। বন্ধ করা হতে পারে আন্ডারপাসগুলি। প্রবল বৃষ্টিতে রাস্তায় জল জমে ব্যাপক যানজটের আশঙ্কা। সোমবার সপ্তাহের প্রথম দিনে সকাল থেকে বৃষ্টিতে অফিস যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। বেলা বাড়তে বৃষ্টি বাড়ায় স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে সমস্যায় পড়েছে ছোটরা। সোমবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৫ ডিগ্রি কম। রাত থেকে দফায় দফায় চলা বৃষ্টিতে জলমগ্ন সল্টলেক, পাঁচ নম্বর সেক্টর, রাজারহাট-নিউ টাউন, দমদমের একাধিক এলাকা। বাগজোলা, কেষ্টপুর, নোয়াই, ইস্টার্ন ড্রেনেজ চ্যানেল-সহ একাধিক খাল জলে টইটম্বুর। সকাল থেকে তার জেরে দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসযাত্রীরা। অটো, টোটো, বাসের সংখ্যা তুলনায় কমেছে। কোথাও গোড়ালি সমান, কোথাও তারও বেশি জল জমেছে। ভিআইপি রোডে একাধিক জায়গা থেকে শুরু করে রাজারহাট-গোপালপুরের নিচু জায়গা জলমগ্ন। দমদম রোড, পি কে গুহ রোড-সহ দমদমের একাধিক রাস্তা ও এলাকার ছবিটাও কমবেশি একই। জল সরানোর চেষ্টা করছেন পুর কর্মীরা। তবে খাল, জলাশয়গুলি জলে ভরে থাকায় এলাকা থেকে জল সরতে সময় লাগছে। একই ছবি লেক টাউন, পাতিপুকুর, দক্ষিণ দমদমের একাধিক এলাকায়। উত্তর দমদম থেকে নিউ ব্যারাকপুরের নিচু এলাকায় জল জমেছে।

    যানজট ও গণপরিবহণে প্রভাব

    সপ্তাহের প্রথম দিনেই ব্যস্ত সময়ে এই টানা বৃষ্টির ফলে গণপরিবহণ ব্যবস্থা কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। রাস্তায় অটো ও ট্যাক্সির সংখ্যা ছিল অন্য দিনগুলির তুলনায় বেশ কম। যে কয়েকটি ক্যাব বা ট্যাক্সি মিলছিল, অ্যাপে সেগুলির ভাড়া ছিল আকাশছোঁয়া। ফলে অফিসযাত্রী ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ বাস ও অন্যান্য যানবাহনের জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। পার্ক স্ট্রিট, ইএম বাইপাস এবং শিয়ালদা স্টেশন সংলগ্ন এলাকাগুলিতে গাড়ির চাকা প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায়। কলকাতা পুরসভা ও ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেন্ট্রাল এভিনিউ, মহাত্মা গান্ধী রোড, ঠনঠনিয়া, কলেজ স্ট্রিট, আমহার্স্ট স্ট্রিট, পার্ক সার্কাস কানেক্টর এবং খিদিরপুর এলাকাগুলির প্রধান রাস্তায় হাঁটু সমান জল জমে যায়। এছাড়াও দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর, গড়িয়াহাট, বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড এবং বেহালা ট্রাম ডিপো সংলগ্ন এলাকাগুলোতে জল জমে যাওয়ার কারণে গাড়ি চলাচলের গতি মারাত্মকভাবে কমে গেছে। বেশ কিছু জায়গায় বাস ও ছোট গাড়ির ইঞ্জিনে জল ঢুকে পথেই বিকল হয়ে পড়তে দেখা যায়, যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে শহরের প্রধান রাস্তাগুলিতে দেখা দেয় দীর্ঘ যানজট।

    বানভাসি বিভিন্ন জেলা!

    প্রবল বৃষ্টির জেরে বানভাসী হওয়ার আশঙ্কা থাকছে জেলাগুলিতে। ইতিমধ্যেই জল ছাড়তে শুরু করেছে ডিভিসি। মরশুমে এই প্রথম ৩২ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়ছে ডিভিসি। সেই কারণে প্লাবনের আশঙ্কা থাকছে জেলাগুলিতে। অপরদিকে, হলদিয়ার পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। ৫ দিনে ৫৫২ মিলিমিটার বৃষ্টি হলদিয়ায়। জলমগ্ন হলদিয়ায় শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি। ২৪ ঘণ্টায় ১৩৭ মিলিমিটার সাগরদ্বীপে। দিঘায় ১১৪ মিমি, ডায়মন্ড হারবারে ১১২ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। কাঁথিতে বৃষ্টির পরিমাণ ৮০ মিলিমিটার। উপকূলে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে দমকা বাতাস বইবে।

    উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টি

    দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গেই উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টি চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত। সোমবার ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে শুধু জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পঙে। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিঙেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, কোচবিহারের মতো উত্তরের বাকি জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে।

  • Weather Update: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা! আগামী চার দিন দুর্যোগের সতর্কবার্তা হাওয়া অফিসের

    Weather Update: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা! আগামী চার দিন দুর্যোগের সতর্কবার্তা হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতি থেকে শুক্র একটানা বৃষ্টিতে ভিজল শহর কলকাতা। মাঝেমধ্যে বৃষ্টির দাপট বাড়ছে। ইতিমধ্যে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে একাধিক রাস্তাঘাট। খুব শীঘ্র এই পরিস্থিতি বদলের সম্ভাবনা নেই, জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আরও অন্তত চার দিন কলকাতায় এমন বৃষ্টি চলবে। দক্ষিণের ছয় জেলায় ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী সোমবার পর্যন্ত কলকাতায় বৃষ্টি চলতে পারে। সকাল থেকেই বৃষ্টিতে শহরে যান চলাচলের গতি ধীর। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম, সেক্টর ৫ মেট্রোর মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জমেছে জল।

    কেন এই অঝোরে বৃষ্টি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো বাতাস। বর্ষাকালীন অক্ষরেখা দক্ষিণ-পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এ ছাড়া, বাংলাদেশের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয়। এই দুইয়ের টানে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তাই উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

    বর্ষণমুখর রাত দেখল কলকাতা

    বর্ষণমুখর রাত দেখল কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃষ্টির সতর্কবার্তা (Rain Alert) জারি করা হয়েছিল আগেই। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বেশ বোঝা গেল বৃষ্টির দাপট। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। তারপর কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে রাতভর মুষলধারায় বৃষ্টি চলতে থাকে। কলকাতা ও লাগোয়া জেলায় বৃষ্টির প্রবল দাপট জারি আছে সকালেও। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা রয়েছে শহরে। একই পূর্বাভাস হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে।  শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দমদমে বৃষ্টি হয়েছে ৯৬.৬ মিলিমিটার, আলিপুরে বৃষ্টির পরিমাণ ৩৬.৭ মিলিমিটার। শুক্রবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.১ ডিগ্রি কম। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছিল ৩০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ২.১ ডিগ্রি কম।

    টানা বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত কলকাতা

    রাতভর টানা বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত কলকাতা (Kolkata)। শুক্রবার সকালে ঘুম ভাঙতেই শহরের একাধিক এলাকায় জল জমে যাওয়ায় ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। স্ট্র্যান্ড রোড-সহ বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। অফিসযাত্রী থেকে স্কুলপড়ুয়া, সকলেরই নিত্যযাত্রায় বিঘ্ন ঘটেছে প্রবল বর্ষণের জেরে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, আমহার্স্ট স্ট্রিট, ঠনঠনিয়া, উল্টোডাঙা আন্ডারপাস ছাড়াও দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ ও ঢাকুরিয়ার মতো এলাকাতেও গোড়ালি সমান জল জমেছে। এর ফলে শহরের প্রধান সংযোগকারী রাস্তাগুলিতে গাড়ির গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। সাঁতরাগাছিতে নতুন রেল সেতুর কাজের জেরে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে একটি ট্রাক খারাপ হয়ে যাওয়ায় হাওড়ামুখী লেনে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল থমকে ছিল। ইএম বাইপাস, মা ফ্লাইওভার ও এজেসি বোস রোডেও গাড়ির সারি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে। আধ ঘণ্টার রাস্তা পেরোতে সময় লাগছে দেড় থেকে দু’ঘণ্টা। প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের জল নিকাশির জন্য পাম্পিং স্টেশনগুলিকে সক্রিয় রাখা হয়েছে। ট্র্যাফিক পুলিশের দাবি, শহরে বড় ধরনের জলজমার কোনো খবর নেই এবং যান চলাচল মোটের ওপর স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে। তবে বৃষ্টির তোড় না কমলে দিনভর এই দুর্ভোগের রেশ থাকতে পারে বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। সব মিলিয়ে শুক্রবারের বৃষ্টিতে নাজেহাল মহানগরী।

    দিঘার সমুদ্রে নিষেধাজ্ঞা

    উপকূলবর্তী এলাকাগুলোর জন্য রয়েছে বিশেষ সতর্কবার্তা। ১২ই জুলাই পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। মাইকিং করে সতর্ক করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দা ও মৎস্যজীবীদের নিরাপদ স্থানে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। দিঘার সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। তৈরি হতে পারে জলোচ্ছ্বাস। সমুদ্র ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি সহ উপকূল মাইকিং করা হচ্ছে।

    দক্ষিণবঙ্গের ছ’টি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা 

    দক্ষিণবঙ্গের ছ’টি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ। শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রায় প্রতি দিনই ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার বৃষ্টি হতে পারে এই জেলাগুলিতে। বৃষ্টি চলছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামেও।

    জল বাড়ছে দক্ষিণের নদীগুলিতে

    টানা কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে সুবর্ণরেখা নদী। জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সুবর্ণরেখার প্রবল স্রোতে দেউলবাড় ও গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী ফেয়ার ওয়েদার ব্রিজ সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল। ফলে নিত্যযাত্রী, পড়ুয়া, কৃষক, ব্যবসায়ী-সহ হাজার হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা এখন নৌকা অন্যদিকে, অজয় নদীর জল বাড়লেই প্রত্যেকবার বর্ষায় প্লাবিত হয় গোটা গ্রাম। বিগত প্রায় ২০ বছরে বাঁধে নতুন করে মাটি পড়েনি। কোথাও বাঁধের উচ্চতা কমে গিয়েছে, কোথাও আবার ভাঙা অংশ আজও মেরামত হয়নি। ফলে বর্ষাকালে নদীর জল বাড়লেই বাঁধ উপচে বা ভাঙা অংশ দিয়ে জল ঢুকে প্লাবিত হয় গ্রাম। এবারও সেই আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    অতি ভারী বৃষ্টি উত্তরবঙ্গেও

    অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে উত্তরবঙ্গেও। কোচবিহারে ১৪৩ মিমি ও আলিপুরদুয়ারে ১১২ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গেও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে আগামী সপ্তাহের বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টি (৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার) চলতে পারে। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহেও আগামী কয়েক দিনে বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে পাহাড়ি নদীগুলিতে জল বাড়বে। ধসও নামতে পারে পাহাড়ি রাস্তায়। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করার পরামর্শ দিয়েছে হাওয়া অফিস।

  • Kolkata Thunder Lightning: মুহূর্তে অন্ধকার শহর, তারপর তাণ্ডব! কলকাতায় নজিরবিহীন বজ্রপাতের নেপথ্যে কোন রহস্য?

    Kolkata Thunder Lightning: মুহূর্তে অন্ধকার শহর, তারপর তাণ্ডব! কলকাতায় নজিরবিহীন বজ্রপাতের নেপথ্যে কোন রহস্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই ছিল অস্বস্তিকর ভ্যাপসা গরম। কিন্তু দুপুর গড়াতেই যেন আচমকা বদলে গেল প্রকৃতির মেজাজ। মুহূর্তের মধ্যে কালো মেঘে ঢেকে গেল আকাশ, তারপর শুরু হল ঝোড়ো হাওয়া, প্রবল বর্ষণ এবং একের পর এক বিকট শব্দে বজ্রপাত। বৃহস্পতিবারের কলকাতা যেন সাক্ষী থাকল প্রকৃতির এক বিরল ও রুদ্র রূপের। সাম্প্রতিক অতীতে এত ঘনঘন এবং এত তীব্র বজ্রপাতের অভিজ্ঞতা খুব কমই হয়েছে মহানগরবাসীর। আকাশ চিরে পরপর বিদ্যুতের ঝলকানি এবং কানফাটানো বজ্রধ্বনিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বহু মানুষ। শহরের বহুতল আবাসন থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট— সর্বত্রই অনুভূত হয় বজ্রপাতের তীব্রতা।

    ঝড়-বৃষ্টিতে কার্যত থমকে শহর

    বৃহস্পতিবার দুপুরের এই আকস্মিক দুর্যোগে কলকাতার স্বাভাবিক জনজীবনে বড়সড় প্রভাব পড়ে। ধর্মতলা, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, এসপ্ল্যানেড, কলকাতা হাইকোর্ট চত্বর-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বজ্রপাতের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পরিবেশ। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। অফিসফেরত মানুষ, পথচারী ও নিত্যযাত্রীরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে বাধ্য হন। বহু এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। শুধু কলকাতাই নয়, এই ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। বিভিন্ন জেলায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টিপাতের খবর মিলেছে।

    কেন এত তীব্র বজ্রপাত? ব্যাখ্যা আবহাওয়া দফতরের

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির নেপথ্যে কাজ করছে একাধিক সক্রিয় আবহাওয়াজনিত সিস্টেম। বর্তমানে উত্তর বিহার থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর দিয়ে বিস্তৃত হয়েছে। একই সময়ে রাজস্থান থেকে গাঙ্গেয় বঙ্গ পর্যন্ত মৌসুমী অক্ষরেখাও সক্রিয় রয়েছে। এর পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় একটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। আবার বঙ্গোপসাগরের উপরও এই মরশুমের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় হয়েছে। এই সমস্ত আবহাওয়াগত উপাদানের সম্মিলিত প্রভাবে সমুদ্র থেকে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প এবং দিনের তাপমাত্রাজনিত অস্থিরতার ফলে দ্রুত তৈরি হচ্ছে বিশালাকার কিমিউলোনিম্বাস (Cumulonimbus) বা বজ্রগর্ভ মেঘ। এই মেঘ থেকেই উৎপন্ন হচ্ছে প্রবল বজ্রঝড় এবং ঘনঘন বজ্রপাতের ঘটনা।

    কী সতর্কতা মেনে চলবেন?

    আবহাওয়া দফতরের পরামর্শ অনুযায়ী—

    • ● বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, ছাদ বা গাছের নিচে দাঁড়াবেন না।
    • ● মোবাইল ফোন চার্জে লাগিয়ে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।
    • ● বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতব বস্তু থেকে দূরে থাকুন।
    • ● ঝড় শুরু হলে পাকা বাড়ি বা নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করুন।
    • ● অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন।

    সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা

    গত কয়েকদিন ধরে চলা দফায় দফায় বৃষ্টি এবং ঝড়ের কারণে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তবে আবহাওয়া দফতরের মতে, আপাত স্বস্তির মাঝেও দুর্যোগের আশঙ্কা এখনও কাটেনি। সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই পরিস্থিতির জন্য জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।

    বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে—

    • ● উত্তর ২৪ পরগনা
    • ● দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    • ● পূর্ব বর্ধমান
    • ● পশ্চিম বর্ধমান
    • ● বীরভূম
    • ● মুর্শিদাবাদ
    • ● নদিয়া
    • ● পুরুলিয়া
    • ● বাঁকুড়া
    • ● ঝাড়গ্রাম
    • ● পূর্ব মেদিনীপুর

    এই জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে প্রবল বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক

    দক্ষিণবঙ্গে যেখানে মূল উদ্বেগ বজ্রপাত ও ঝড়বৃষ্টি, সেখানে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে অতিভারী বৃষ্টির কারণে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় আগামী কয়েকদিনে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ২০ সেন্টিমিটারও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস। অতিভারী বর্ষণের ফলে তিস্তা, তোর্সা, বালাসন-সহ একাধিক পাহাড়ি নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জল জমা, নদী উপচে পড়া এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা প্রবল হয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় লাল ও কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

    উত্তাল সমুদ্র, মৎস্যজীবীদের সতর্কবার্তা

    শুধু স্থলভাগ নয়, বঙ্গোপসাগরও বর্তমানে উত্তাল অবস্থায় রয়েছে। উত্তর ওড়িশা উপকূল এবং পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদ বন্দরে ফিরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের স্পষ্ট বার্তা, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে বজ্রঝড় ও বৃষ্টির এই অস্থির আবহাওয়া বজায় থাকবে। ফলে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে।

  • Weather Update: মঙ্গল ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে, বসন্তে ভিজল কলকাতা

    Weather Update: মঙ্গল ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে, বসন্তে ভিজল কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দিয়েছিল। সেই পূর্বাবাস মিলিয়েই মঙ্গলবার ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া। দক্ষিণবঙ্গে একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। বঙ্গোসাগরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপই এই হাওয়া বদলের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর এবং উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বসন্তের বৃষ্টিতে ভিজেছে কলকাতা মহানগরও (Kolkata Weather)।

    বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়া এমনটাই থাকবে (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত ইতিমধ্যে নিম্নচাপে (Weather Update) পরিণত হয়েছে। কলকাতা (Kolkata Weather), উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে আপাতত ভারি বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়া এমনটাই থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    এক ধাক্কায় পারদ নামল ২৩ ডিগ্রিতে

    মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঝিরঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বেশি সময় ধরে এই বৃষ্টি হয়নি। শোনা গেছে বজ্রপাতের শব্দও। এই বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছে। ফলে ভোর থেকেই ঠান্ডা অনুভব হয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলে তা এক ধাক্কায় নেমে এসেছে ২৩ ডিগ্রিতে। উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমানে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা (Weather Update) জারি হয়েছে।

    দুর্যোগের সম্ভাবনা তেমন নেই

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া মূলত শুকনো থাকবে বলে জানিয়েছে। আজ সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে। হালকা রোদের ঝলক দেখা গেলেও বেশি সময় থাকবে না। কিছু কিছু জেলায় বৃষ্টি চলবে তবে দুর্যোগের সম্ভাবনা তেমন নেই। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিন্মচাপ (Weather Update) দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। পরে এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাবে। আবহাওয়ায় প্রভাব পড়বে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং সহ কয়েকটি এলাকায় সোমবার ও মঙ্গলবার হালকা বৃষ্টি ও বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জেলাগুলিতে তেমন সতর্কতা নেই।

  • Winter in Bengal: বছরের শেষ দিনই শীতলতম! নতুন বছরের শুরুতেও কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস

    Winter in Bengal: বছরের শেষ দিনই শীতলতম! নতুন বছরের শুরুতেও কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং চলছে বাংলায়। নেটিজেনদের ভাষায় কলকাতাও হয়ে গিয়েছে ‘কোল্ডকাতা’। বুধবার ভোরে কলকাতায় এক ধাক্কায় পারদ নেমে গেল ১১ ডিগ্রিতে! এখনও পর্যন্ত শহরে এটাই এই মরসুমের শীতলতম দিন (Winter in Bengal)। এর আগে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা হয়েছিল মঙ্গলবার। তবে বুধবার তার চেয়েও অনেকটা পারদপতন হয়েছে। পুরু কুয়াশার চাদরে মুড়ে আছে শহরতলির পথঘাট। তার ফলে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।

    কনকনে কলকাতা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার এক ধাক্কায় তা হয়েছে ১১ ডিগ্রি। অর্থাৎ, এক দিনে পতন প্রায় ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়েও তা ২.৮ ডিগ্রি কম। এ ছাড়া মঙ্গলবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৯.৬ ডিগ্রির উপরে ওঠেনি, স্বাভাবিকের চেয়ে যা ৫.৮ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার সকাল থেকে বেলা পর্যন্ত শহরে কমবেশি কুয়াশা থাকবে। দুপুরের পর থেকে আকাশ পরিষ্কার এবং মেঘমুক্ত হবে। গত কয়েক দিনে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে শহরে। অনেকেই মনে করতে পারছেন না, শেষ কবে এমন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়েছিল। গত বছরের সঙ্গেও চলতি মরসুমের শীতের তুলনা টানা যাচ্ছে না।

    বাংলায় শীতের সুনামি

    শীতের (Winter in Bengal) প্রবল স্রোত বয়ে যাচ্ছে গোটা বাংলা জুড়ে। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলা, সর্বত্রই মারকাটারি ঠান্ডায় কাঁপছে বঙ্গবাসী। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তুরে হাওয়ার পথে এই মুহূর্তে কোনও বাধা নেই। ফলে রাজ্য জু়ড়ে অবাধে তা প্রবেশ করছে। তার প্রভাবেই শীত বাড়ছে। অর্থাৎ নতুন বছরের শুরুর দিকেও জেলায় জেলায় বইবে শীতের সুনামি। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বীরভূমে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। এই সব জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। অন্যদিকে উপকূলবর্তী জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    কুয়াশায় ঢাকা উত্তরবঙ্গ

    উত্তরবঙ্গে কুয়াশার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। কোচবিহার, জলপাইগুড়ির মতো জায়গায় বিকেলের দিকে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যে নেমে যাচ্ছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বুধবার সকালে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দৃশ্যমানতা থাকবে ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত। আপাতত আগামী ৪৮ ঘণ্টা রাজ্যজুড়ে এই শীতের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন দিন পর থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার গতিও কিছুটা কমতে পারে।

  • Weather Update: আছড়ে পড়বে ‘মন্থা’! বঙ্গোপসাগরে ফের ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

    Weather Update: আছড়ে পড়বে ‘মন্থা’! বঙ্গোপসাগরে ফের ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় (Weather Update) তৈরির ব্যাপক অনুকূল পরিস্থিতি হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে শুক্রবার সকালে সৃষ্টি হয়েছে নিম্নচাপ। ক্রমে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। এই ঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মন্থা’। ২৫ অক্টোবর, শনিবারের মধ্যে এই নিম্নচাপ আরও ঘনীভূত হয়ে বিরাট আকার নেবে। ২৬ তারিখ আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হওয়া সকল পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে চলেছে আবহাওয়া দফতর।

    কোথায় কোথায় বৃষ্টির সম্ভাবনা (Weather Update)?

    শুক্রবার হাওয়া অফিস থেকে একটা বুলেটিন দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ আন্দামান সাগরের উপর ঘূর্ণাবর্তের (Weather Update) প্রভাব নিম্নচাপ অঞ্চলটি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহবিদেরা। গত কয়েক ঘণ্টায় ধীরে ধীরে তা পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়েছে। ২৭ অক্টোবর সোমবার সকালের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম এবং সংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হতে পারে। তারপর গতিবিধি কেমন হবে পরিস্থিতি দেখে আরও ঠিক করে বলা যাবে বলে জানিয়েছেন আবহবিদেরা।

    আবার এই সপ্তাহের শেষে এবং আগামী সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোনও রকম সতর্কতা জারি করা হয়নি। আগামী সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো উপকূলবর্তী জেলায় বৃষ্টি হবে। একই ভাবে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে শনিবার থেকে বৃষ্টি হবে।

    কলকাতার আবহাওয়া কেমন?

    কলকাতার (Kolkata Weather) আবহাওয়া (Weather Update) শুক্রবার মোটের উপর পরিষ্কার। শহরের আকাশ মেঘ মুক্ত। বৃষ্টিপাতের তেমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। পাশাপাশি দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর্দ্রতার পরিমাণ ৯১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন থাকবে ৪৪ শতাংশ। তবে সোমবার বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম থাইল্যান্ডে দেওয়া হয়েছে ‘মন্থা’। উৎসবের আবহে ঝড়ের প্রভাব যেন থামছেই না। শীতের আগে ঘূর্ণিঝড়ের একের পর এক প্রভাবে বাংলা যেন আশঙ্কার মধ্যেই রয়েছে। ঝড় এবং বৃষ্টির প্রভাব শীত না পড়া পর্যন্ত কি অবস্থায় থাকে তা নিয়ে একাংশের মনে উদ্বেগ রয়েই গিয়েছে।

  • Weather Update: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা কাটতেই বাড়ল ঠান্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা নামল ১৩.৬ ডিগ্রিতে

    Weather Update: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা কাটতেই বাড়ল ঠান্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা নামল ১৩.৬ ডিগ্রিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা কাটতেই রাজ্যে বাড়ল ঠান্ডা। ফের একবার ঝোড়ো ইনিংস (Weather Update) শুরু করল শীত। কলকাতার তাপমাত্রা নামল ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। প্রায় আড়াই ডিগ্রি নামল তাপমাত্রা। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার তা কমে হয় ১৩.৬। তবে এরইমধ্যে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে ফের বাড়বে তাপমাত্রা। ফলে পারদ পতন যে কোনও স্থায়ী হবে না তা আবারও জানাল হাওয়া অফিস। রবিবার থেকে ২-৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়ার পূর্বাভাস। দক্ষিণবঙ্গে শীতের পথে ফের কাঁটা বিছোতে পারে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা (West Bengal)।

    সপ্তাহের শেষে বাড়বে তাপমাত্রা

    এ দিকে শুধু কলকাতা সমেত জমিয়ে শীত পড়েছে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলেও। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার আরও কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা। বুধবারই পুরুলিয়ার তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সপ্তাহের শেষে, পৌষ সংক্রান্তির মুখে ফের বাড়তে চলেছে তাপমাত্রা, এতে কিছুটা হলেও হতাশ শীতপ্রেমীরা (Weather Update)। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই রয়েছে উত্তরে হাওয়ার দাপট। একাধিক জেলাতে সকালে দেখা দিয়েছে কুয়াশার চাদরও। উত্তরে হওয়ার দাপটেই বেশ কনকনে শীতের অনুভূতি। কলকাতার পাশাপাশি কমেছে জেলাগুলির তাপমাত্রাও। আপাতত কয়েকদিন এমনই আবহাওয়া থাকবে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস।

    আরও পড়ুন: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    দক্ষিণবঙ্গে দেখা দেবে কুয়াশা (Weather Update)

    অন্যদিকে, আগামী সোমবার হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায়। তবে দক্ষিণবঙ্গের কোথাও আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিন উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ (Weather Update) মূলত পরিষ্কার থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: শীতের পথে বাধা ঘূর্ণিঝড়! তামিলনাড়ুর আট জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা, বঙ্গে কী পূর্বাভাস?

    Weather Update: শীতের পথে বাধা ঘূর্ণিঝড়! তামিলনাড়ুর আট জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা, বঙ্গে কী পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এখন শীতের আমেজ (Weather Update)। প্রতিদিন একটু একটু করে পারদ নামছে। এর মধ্যেই ফের নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Fengal) ফাঁড়া। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ বুধবারই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে তাদের পূর্বাভাস, আগামী দু’দিনে ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমশ উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিমে তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে। ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে তার নাম হবে ‘ফেনজল’। নামকরণটি করেছে সৌদি আরব। তবে বাংলায় সরাসরি দুর্যোগের প্রভাব পড়বে না। তবে, আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, সাগরে ঘনীভূত দূর্যোগের প্রভাবে পারদ পতনের যে ঝোঁক দেখা যাচ্ছিল তা কিছুটা ধাক্কা খাবে।

    অন্ধ্রে নিম্নচাপের প্রভাব

    নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী দু’-তিন দিন তামিলনাড়ুর আট জেলায় দুর্যোগ (Cyclone Fengal) চলার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। তামিলনাড়ুর আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে চেন্নাই, ময়িলাদুথুরাই, তিরুভারুর, নাগাপট্টিনম, তিরুভাল্লুর, কাঞ্চিপুরম, চেঙ্গলপেট এবং কাড্ডালোর জেলায়। ইতিমধ্যেই এই আট জেলায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। নাগাপট্টিনম, তিরুভারুরের মতো উপকূলবর্তী জেলায় মঙ্গলবার থেকেই আবহাওয়া পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তাই মঙ্গলবার থেকেই সেখানে স্কুল-কলেজ বন্ধ।

    বঙ্গে শীতল হাওয়ার দাপট

    বঙ্গজুড়ে এখন মনোরম শীতল আবহাওয়া (Cyclone Fengal)। দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গের পাঁচটি পার্বত্য জেলায় ঠান্ডার আমেজ বেশি। মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি (Weather Update) হচ্ছে দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায়। আপাতত শীতের আমেজ থাকছে। তবে জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা নভেম্বরে নেই। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, সাগরের ঘনীভূত দূর্যোগের থেকে এই রাজ্যের উপকূলের দূরত্ব অনেক বেশি। তাই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে এই নিম্নচাপের প্রভাব সরাসরি পড়ছে না বাংলায়। তবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্পের প্রবেশে বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হবে। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মতো বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যের দু-এক জেলায়। সপ্তাহান্তে ৩০ নভেম্বর শনিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উপকূলে। হালকা বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো উপকূলের জেলাগুলিতে। বাকি জেলাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম হলেও উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতে হালকা মেঘের সঞ্চার হতে পারে। 

    কলকাতার তাপমাত্রা

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে খবর, শহরে শীতের আমেজ থাকবে। বুধবার সকালেও নেমেছে পারদ। স্বাভাবিকের এক ডিগ্রি নিচে তাপমাত্রা। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৭ ডিগ্রির ঘরে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তিন ডিগ্রি নিচে। বুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.২ ডিগ্রি। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫১ থেকে ৮৮ শতাংশ। মেঘলা আকাশে দিনের তাপমাত্রা কমলেও বাড়বে রাতের তাপমাত্রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পাহাড়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা, সাগরে নিম্নচাপের পরিস্থিতি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: পাহাড়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা, সাগরে নিম্নচাপের পরিস্থিতি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। বেলা বাড়লে পরিষ্কার হচ্ছে আকাশ। উত্তুরে হাওয়া (Weather Update) ঢোকায় এখন কোনও বাধা নেই। তাপমাত্রা আরও নেমে যাওয়াটা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এই আবহে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে শনিবারই। তা ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপেও পরিণত হতে পারে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে না পশ্চিমবঙ্গে। তেমনটাই জানিয়েছে আলিপুর (Winter in Kolkata) আবহাওয়া দফতর।

    বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ

    বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত থেকে আজ নিম্নচাপ (Weather Update) তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। গভীর নিম্নচাপ পরিণত হতে পারে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। ঘূর্ণিঝড় হলে তার নাম হবে ‘ফেনজল’ বা ‘ফেঙ্গল’। এই ঝড়ের নামকরণ সৌদি আরবের। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পর তার অভিমুখ থাকবে শ্রীলঙ্কা এবং তামিলনাড়ুর উপকূলের দিকে। এর ফলে তামিলনাড়ুতে বৃষ্টি হতে পারে। আগামী কয়েক দিন আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পর্যটকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগরে মৎস্যজীবীদের জন্যেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

    জেলায় জেলায় হাওয়ার খবর

    পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত তাপমাত্রার (Weather Update) হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রা একই থাকবে। তবে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, বাংলার জেলাগুলিতে আপাতত শুকনো আবহাওয়া থাকবে। কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমানে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে শনিবার। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনাতেও কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। 

    শহরে ঠান্ডার আমেজ

    কলকাতার (Winter in Kolkata) তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির ঘরেই রয়েছে। আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী দিন তিনেক শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও বিশেষ কিছু হেরফের হবে না। মহানগরীতে ঠান্ডার আমেজ থাকবে উইকেন্ডে।  শুক্রবার শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৪ ডিগ্রি কম।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার খবর

    ইতিমধ্যেই গত ২১ নভেম্বর মরশুমের প্রথম তুষারপাত দেখেছে দার্জিলিং। সান্দাকফুতে (Sandakphu) বরফ পড়েছে গত পরশুদিন। আবারও দার্জিলিঙের সান্দাকফুতে বরফ পড়তে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলা দার্জিলিঙের পাশাপাশি দুই দিনাজপুরে আগামী কয়েক দিন সকালের দিকে কুয়াশার দাপট লক্ষ্য করা যাবে। সেই সঙ্গে কুয়াশার দাপট থাকবে জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলার কিছু অংশে। সকালের দিকে কুয়াশার কারণে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন আবহবিদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share