Tag: Madhyam

Madhyam

  • Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) শাসনে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির (Crime Control) ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সরকারের জিরো-টলারেন্স নীতি রাজ্যকে দাঙ্গামুক্ত করেছে এবং মুক্তিপণের জন্য অপহরণের মতো ঘটনাও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। ২০১৭ সালের আগে যে রাজ্যকে ‘দাঙ্গার রাজ্য’ বলা হত, এখন সেটিই হয়ে উঠেছে গোটা দেশে শান্তি ও নিরাপত্তার উদাহরণ। সমাজবাদী পার্টি (SP) সরকারের আমলে গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত।
    ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এসপি সরকারের সময় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছিল। এনসিআরবির (NCRB) রিপোর্ট অনুযায়ী, গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত। এই সময়ে ২৫,০০০-এরও বেশি দাঙ্গা হয়েছিল, যা রাজ্যের ভাবমূর্তির ব্যাপক ক্ষতি করেছিল। ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ, তোলাবাজির ভয়ে সবাই কাঁটা হয়ে থাকতেন সর্বক্ষণ।

    উত্তরপ্রদেশে সব ভালো (Yogi Adityanath)

    ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আদিত্যনাথ অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা ঘোষণা করেন। এই নীতির আওতায় সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা, গ্যাংস্টার অ্যাক্টের ব্যবহার এবং মাফিয়াদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ফলে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশে একটিও বড় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেনি। কিছু অসামাজিক শক্তি দাঙ্গা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করলেও, সরকার সময়মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায়, তা ব্যর্থ হয়ে যায় (Crime Control)। ছোটখাটো ঘটনা যাতে বড় হিংসার রূপ না নেয়, তার আগেই দায়ের করা হয় দাঙ্গা বিরোধী আইনে মামলা। দুষ্কৃতীদের পাঠানো হয় জেলে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিভিন্ন জনসভায় স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, “কোনও কারফিউ নয়, কোনও দাঙ্গাও নয়- উত্তরপ্রদেশে সব ভালো।”

    এনসিআরবির রিপোর্ট

    যোগী সরকারের এই নীতির ফলে গোটা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে (Yogi Adityanath)। এনসিআরবির ২০২৪ সালের রিপোর্টেও এই পরিবর্তনের প্রমাণ মিলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তিপণের জন্য অপহরণের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশে অপরাধের হার শূন্য ছিল। ২০২৩ সালেও এই হার শূন্য ছিল। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ সবচেয়ে ভালো জায়গায় রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, নাগাল্যান্ডে এই অপরাধের হার ছিল ০.৭, মণিপুরে ০.৬, অরুণাচল প্রদেশে ০.৩ এবং মেঘালয়ে ০.২, অথচ উত্তরপ্রদেশে শূন্য। গত দু’বছরে (২০২৩-২০২৪) রাজ্যে মুক্তিপণের জন্য অপহরণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। আগে আকছার ব্যবসায়ীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হত। এখন এমন ঘটনা সম্পূর্ণই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এনসিআরবির রিপোর্টে বলা হয়েছে, সমাজবাদী পার্টির রাজত্বে প্রতিদিন ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত, কিন্তু যোগী সরকারের সময় সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে (Yogi Adityanath)।

    জিরো-টলারেন্স নীতি

    দাঙ্গা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রেও যোগী সরকারের রেকর্ড উল্লেখযোগ্য (Crime Control)। এনসিআরবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা-সংক্রান্ত অপরাধের হার ছিল ১.১, যা জাতীয় গড় ২.২-এর চেয়ে কম। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উত্তরপ্রদেশের ১.১ হার মূলত সেইসব ঘটনার অন্তর্ভুক্ত, যেখানে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল এবং পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এদিকে, মণিপুরে এই হার ছিল ৮.৪, মহারাষ্ট্রে ৬.৪, কর্নাটকে ৫.৪, হরিয়ানায় ৫.৩ এবং হিমাচলপ্রদেশে ৪.৭। এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে যোগী সরকারের অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি, সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা এবং সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পদক্ষেপের ফলে। গ্যাংস্টার অ্যাক্ট প্রয়োগ করে পুলিশ মাফিয়াদের আর্থিক ভিত ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে (Yogi Adityanath)।

    উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি বদল

    এই পদক্ষেপগুলির প্রভাব পড়েছে তৃণমূল স্তরেও। তাই উত্তরপ্রদেশ এখন শুধু দাঙ্গামুক্তই নয়, বরং অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রেও জাতীয় গড়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আমলের তুলনায় উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। যেখানে আগে দাঙ্গা ও অপহরণ ছিল সাধারণ ঘটনা, সেখানে আজ শান্তি ও উন্নয়নের নয়া  গল্প লেখা হচ্ছে (Crime Control)। সরকারের মতে, কঠোর আইন-শৃঙ্খলাই উন্নয়নের ভিত্তি। আদিত্যনাথের নেতৃত্বে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলি শুধু অপরাধীদের নিরুৎসাহিত করেনি, বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধও বাড়িয়েছে। এনসিআরবির সর্বশেষ রিপোর্ট এই বাস্তবতার সাক্ষ্যই বহন করছে। এভাবে যোগী সরকার প্রমাণ করেছে, জিরো-টলারেন্স নীতি এবং কঠোরতা ও সংবেদনশীলতার সঠিক সমন্বয় একটি অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার পথ তৈরি করতে পারে। তাই গোটা দেশে উদাহরণ হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশ (Yogi Adityanath)।

     

  • Hindus Under Attack: বিরাম নেই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণের, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: বিরাম নেই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণের, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), নির্যাতন ও বিদ্বেষমূলক কার্যকলাপ ভারতে আজ প্রায় নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে উঠেছে (Roundup Week)। বিশ্বের বহু অঞ্চলেও এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করেছে, যা মূলত উদ্বেগজনক হিন্দুবিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে হিন্দুরা আজ ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, গত ৩ মে থেকে ৯ মে পর্যন্ত সময়কালের সাপ্তাহিক ছবিটা।

    ‘কলমা’ পাঠ করার নির্দেশ (Hindus Under Attack)

    সম্প্রতি মুম্বইয়ে ঘটে যাওয়া ছুরিকাঘাতের ঘটনায়, বছর একত্রিশের জাইব জুবায়ের আনসারি নাকি দুই নিরাপত্তারক্ষীকে ‘কলমা’ পাঠ করতে বলেছিল। তারা তা না পারায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। ঘটনাটি উদ্বেগজনক। কারণ এতে আইএসআইএসের (ISIS) প্রভাবের ইঙ্গিত মিলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযুক্ত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল এবং তার বাড়ি থেকে আইএসআইএস ও ‘লোন উলফ’ (lone wolf) শব্দযুক্ত নোট উদ্ধার হয়েছে। যদিও আইএসআইএসের প্রভাব একেবারে নিচুস্তরে দেখা যাচ্ছে, তবুও তা উপেক্ষা করা উচিত নয়।

    ‘ম্যান্ডি বিতর্ক’

    এ বছরের বিষু উৎসবের দিন (১৫ এপ্রিল ২০২৬) কেরলের চেরথালার মেহর ম্যান্ডি অ্যান্ড গ্রিলস (Mehr Mandi and Grills) নামক একটি রেস্তোরাঁ, যার অন্যতম মালিক ছিলেন ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের এক স্থানীয় নেতার ছেলে মহম্মদ শেমির, তাদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি (Hindus Under Attack) পোস্টার আপলোড করে যেখানে ভগবান কৃষ্ণকে চিকেন ম্যান্ডির প্লেটের পাশে বসে থাকতে দেখানো হয়। পোস্টটি ভাইরাল হয়। এটি ‘ম্যান্ডি বিতর্ক’ নামে পরিচিতি লাভ করে। তবে, এই চিকেন ম্যান্ডির পোস্টারটি ডিজাইনারের ভুল ছিল না, যদিও, এমনই দাবি করা হচ্ছিল। বিবেক কুমারের হৃদয়বিদারক কাহিনি থেকে জানা যায়, সে যখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত, তখন তাকে অপহরণ করা হয়। জোরপূর্বক করানো হয় সুন্নত। আট বছর পর উদ্ধার হওয়ার আগে পর্যন্ত তাকে কোরআন পড়তে বাধ্য করা হয় (Roundup Week)।

    উদ্বেগজনক ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু

    বোকারো একটি উদ্বেগজনক ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সেখানে এক আন্তর্জাতিক মহিলা ক্রীড়াবিদ অভিযোগ করেছেন, এক ব্যক্তি তাঁকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে, নগ্ন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল করে, জোরপূর্বক বিয়ে করতেও বাধ্য করে এবং পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে চাপ দেওয়া হয়। ওই মহিলা ছিলেন হিন্দু ক্রীড়াবিদ। পরে তিনি যোগ দেন সিআইএসএফে। তাই বিষয়টি ব্যক্তিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্বেগেরও বিষয় হয়ে উঠেছে (Hindus Under Attack)।

    হিন্দুবিদ্বেষ

    অধিকাংশ ঘৃণামূলক অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিদ্বেষ দ্বারা পরিচালিত। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরের মধ্যেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়ে গিয়েছে, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণামূলক অপরাধের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম ও দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না কেউ প্রচলিত আইন ও আচরণের ধারা বিশ্লেষণ করে। দীপাবলির সময় ধীরে ধীরে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এর একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ কমাবে বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ (Roundup Week) ও নিষেধাজ্ঞার পেছনে যুক্তির অভাব দেখলে দ্বিচারিতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

     

  • PM Modi: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, ধুয়ে দিলেন কংগ্রেসকে

    PM Modi: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, ধুয়ে দিলেন কংগ্রেসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়কে শপথ নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আশ্বাস দেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে আগের মতোই কাজ চালিয়ে যাবে (Congress)। এর পাশাপাশি কংগ্রেসকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিজয়ের টিভিকে-র মিত্র দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘পিঠে ছুরি মারা’র অভিযোগও করেন। শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেসকে ‘পরজীবী’ দল বলেও আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী।

    কংগ্রেসকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু ডিএমকে-কে ছেড়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তামিলনাড়ুর বর্তমান পরিস্থিতি দেখুন। গত ২৫-৩০ বছর ধরে কংগ্রেস এবং ডিএমকের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বারবার ডিএমকের সঙ্গে জোট করে কংগ্রেস সঙ্কট কাটিয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “আসলে ২০১৪ সালের আগে যে ১০ বছর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার ছিল, তা মূলত ডিএমকের সমর্থনের ওপরই টিকে ছিল। অথচ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাতেই কংগ্রেস সেই ডিএমকের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করল। অথচ ডিএমকে সবসময় তাদের পাশে ছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতার লোভে অন্ধ কংগ্রেস প্রথম সুযোগেই ডিএমকের পিঠে ছুরি মেরেছে। এখন রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে তাদের (PM Modi) আবার নতুন একটি দলের কাঁধে ভর করতে হচ্ছে।”

    নয়া মন্ত্রিসভায় কারা

    বিজয়ের নয়া মন্ত্রিসভায় মোট ৯ জন মন্ত্রী রয়েছেন। সেখানে তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের ঠাঁই দেওয়া হয়েছে (Congress)। টিভিকে প্রধানের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরাও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। তবে সমর্থন করা সত্ত্বেও কংগ্রেসের ভাগ্যে ছেঁড়েনি মন্ত্রিত্বের শিকে। রাহুল গান্ধীর দলের কোনও নেতাই জায়গা পাননি তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভায়। অথচ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য টিভিকে-কে প্রথমে সমর্থন করার কথা জানিয়েছিল কংগ্রেসই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই বোঝা যাচ্ছিল যে কংগ্রেস বিজয়ের দলের দিকে বিশেষ নজর রাখছে। শোনা যাচ্ছে, রাহুল বিজয়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এতটাই আশাবাদী ছিলেন যে, ডিএমকে-র ডাকা একাধিক বৈঠকে যোগ দেয়নি কংগ্রেস।

    ডিএমকের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, আজ প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস সম্পর্কে যা বলেছেন, তা অনেক আগেই জানিয়েছিল ডিএমকে। তারা যখন জানতে পারে কংগ্রেস বিজয়ের টিভিকে-কে সমর্থন করছে, তখনই উঠেছিল ‘পিঠে ছুরি মারা’র অভিযোগ। ডিএমকের এক প্রস্তাবে, যা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের উপস্থিতিতে গৃহীত হয়েছিল, তাতে বলা হয়, “তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস আমাদের সঙ্গে ঠিক সেই কাজটাই করেছে, যা বিজেপি অন্য অনেক রাজ্যে করে।” ডিএমকের আরও অভিযোগ, “আমাদের দলনেতার পিঠে ছুরি মেরে কংগ্রেস বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জয়ের জন্য ধন্যবাদ জানাতেও তারা ব্যক্তিগতভাবে আসেনি। তবুও স্ট্যালিন সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।” ডিএমকের দাবি, কংগ্রেসের পুরনো চরিত্র এখনও বদলায়নি। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, “আমাদের জোটে কংগ্রেসকে একটি রাজ্যসভা আসন এবং ২৮টি বিধানসভা আসন দেওয়া হয়েছিল। অথচ মাত্র তিন দিনের মধ্যে তারা অন্য একটি (PM Modi) দলে চলে গেল, যা জোট-কর্মীদের কঠোর (Congress) পরিশ্রমে পাওয়া জয়কে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।”

     

  • Tamil Nadu: তামিলভূমে কাটল জট, সরকার গড়ল বিজয়ের জোট

    Tamil Nadu: তামিলভূমে কাটল জট, সরকার গড়ল বিজয়ের জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন টিভিকে-র সভাপতি সি জোসেফ বিজয়। তামিলভূমের আঞ্চলিক দল ভিসিকে অভিনেতা তথা রাজনীতিক ‘থলপতি’ বিজয়ের দল টিভিকে-কে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করে। তাতেই খোলে জট। নয়া সরকার গড়ার পথে আর কোনও বাধা রইল না বিজয়ের। জোগাড় করে ফেললেন সরকার গড়ার মতো ‘ম্যাজিক ফিগার’। তাঁর শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যে প্রায় ছ’দশক ধরে চলা রাজ্যের দুই প্রধান দ্রাবিড় দল-ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র পালাক্রমে শাসনের অবসান ঘটল। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকর শনিবার বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন। কারণ ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় ১২০ জন নির্বাচিত বিধায়কের সমর্থন জোগাড় করেছেন বিজয়।

    নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ (Tamil Nadu)

    রবিবার সকাল ১০টায় নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ নেন তিনি। তাঁর সঙ্গেই শপথ নেওয়ার কথা টিভিকে-র আরও কয়েকজন মন্ত্রীর। রাজ্যপাল বিজয়কে আগামী ১৩ মে-র মধ্যে বিধানসভায় আস্থা ভোটের নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে শনিবার সন্ধ্যায়, যখন ভিসিকে এবং আইইউএমএল টিভিকে-কে সমর্থন জানায়। এর ফলেই টিভিকে-র জোটের সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ১২০। পরে বিজয় চেন্নাইয়ের লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তখনই তিনি জমা দেন কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিআইএম, ভিসিকে এবং আইইউএমএলের সমর্থনপত্রও। তামিলনাড়ু বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩৪।

    ‘ম্যাজিক ফিগার’

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। এই ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেনি কোনও দলই। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের টিভিকে ১০৮টিতে জিতে হয় একক বৃহত্তম দল। যদিও বিজয় দু’টি আসনে জয়ী হওয়ায় তাঁদের বিধায়ক সংখ্যা ১০৭। সরকার গড়ার জন্য ‘ম্যাজিক ফিগার’ পেতে বিজয়ের প্রয়োজন ছিল আরও ১১ জন বিধায়কের সমর্থন। তামিলনাড়ু কংগ্রেস প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছিল তারা টিভিকে-কে সমর্থন করবে। কংগ্রেসের ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি আসন। ‘ম্যাজিক ফিগারে’ পৌঁছতে টিভিকে-র প্রয়োজন ছিল আরও ছ’জন বিধায়কের সমর্থন।

    বিজয়কে সমর্থন করল যারা

    শুক্রবার সিপিএম এবং সিপিআই সমর্থন করার কথা জানিয়েছিল। তাদের জেতা আসনের সংখ্যা চার। তার পরে আরও দুই বিধায়কের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল। শনিবার ভিসিকে প্রধান থোল থিরুমাভালাভান জানান, তাঁরা সরকার গঠনের জন্য বিজয়ের দলকে নিঃশর্ত সমর্থন করবেন। উল্লেখ্য, টিভিকে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের গড়ে তোলা একটি রাজনৈতিক সংগঠন। এবারের নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে এই সংগঠনই। দলটি নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ, তামিল সমাজভিত্তিক এবং সামাজিক ন্যায় ও সমতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরে। এই দলই এবার গড়ছে সরকার।

    মামলার জরুরি শুনানি

    এদিকে, ডিএমকে নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কেআর পেরিয়াকারুপ্পন মাদ্রাজ হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন যাতে টিভিকে বিধায়ক শিনিবাস সেতুপাথিকে আস্থা ভোটে অংশ নিতে বাধা দেওয়া হয়। গ্রীষ্মকালীন অবকাশ বেঞ্চের বিচারপতি এল ভিক্টোরিয়া গৌরি এবং এন সেন্থিলকুমারের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার জরুরি শুনানি করার কথা আজ, রবিবার। পেরিয়াকারুপ্পানের অভিযোগ, শিবগঙ্গা জেলার তিরুপাত্তুর কেন্দ্রে ভোট পুনর্গণনা ঠিকঠাক হয়নি। তাই নির্বাচিত প্রার্থীকে আইনসভা গঠন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে দেওয়া উচিত নয়।

     

  • Indo Bangladesh Border: বাংলাদেশে জামাতের উত্থানের প্রভাব পড়েছে বঙ্গের সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে!

    Indo Bangladesh Border: বাংলাদেশে জামাতের উত্থানের প্রভাব পড়েছে বঙ্গের সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ের দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তবর্তী শহর সান দিয়োগো এবং তিজুয়ানা এবং লরেডো ও ন্যুভো লরেডোয় ‘স্প্যাংলিশ’ (বা টেক্স-মেক্স স্প্যানিশ) নামে এক মিশ্র ভাষার বিকাশ ঘটেছিল। টেলিভিশন, অভিবাসন ও সীমান্তের দুই পাশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ প্রভাব ফেলেছিল এই ভাষার ওপর। এখন, হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে এবং কয়েক দশক পরে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেও (Indo Bangladesh Border) সীমান্ত-পার প্রভাবের এক আলাদা গল্প দেখা যাচ্ছে। যদিও এটি খানিক আলাদা ধরনের। এখানে প্রতিক্রিয়াশীল প্রভাব কাজ করেছে এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল বলছে, ঘটনাপ্রবাহ অন্যভাবে ঘটেছে।

    অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় মেরুকরণ

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় মেরুকরণ। বিজেপির অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে আসা (Indo Bangladesh Border) অনুপ্রবেশকারীরা, যাদের অধিকাংশই মুসলিম, রাজ্যের জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বদলে দিয়েছে। তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারণে এই সমস্যা উপেক্ষা করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় শুধু সংগঠনের বিস্তার বা মতাদর্শের স্বীকৃতি নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নও।” তিনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গটিও তোলেন। বঙ্গবাসী যখন রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক হচ্ছিলেন, তখন সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলিও তাঁরা লক্ষ্য করছিলেন। তাঁরা দেখেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে কীভাবে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে, মন্দির ভাঙচুর হয়েছে এবং ইসলামপন্থীরা ধর্মনিন্দার মিথ্যে অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্যা করেছে নিরীহ মানুষকে।

    জামাতের জয়ের প্রভাব

    ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat Rise) পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত লাগোয়া একাধিক আসনে জয়ী হয়। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অন্তত ১৭টি আসনে জামাতের জয় পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত অঞ্চলে বিজেপির পক্ষে ভোট একত্রিত করতে সাহায্য করেছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলে দেখা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজেপি অন্তত ২৬টি আসনে জয়ী হয়েছে। এই আসনগুলি বাংলাদেশের সেই ১৭টি জামাত-জয়ী আসন লাগোয়া। জামাত-ই-ইসলামির নেতা সফিকুর রহমানের দলকে নিষিদ্ধ করেছিল শেখ হাসিনার সরকার। যদিও মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের অগাস্টে ক্ষমতায় এসেই তুলে নেয় সেই নিষেধাজ্ঞা।

    জামাতের উত্থান

    ছাব্বিশের নির্বাচনে হাসিনার আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধ থাকায় বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে জামাত (Jamaat Rise)। বিএনপি ২০৯টি আসনে জয় পেলেও, জামাত-নেতৃত্বাধীন ১১টি দলের জোট ৭৭টি কেন্দ্রে জয়ী হয়। জামাতের ইতিহাসে সেরা ফল এটি। এই ৭৭টি আসনের মধ্যে ১৭টি এসেছিল রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, নওগাঁ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, যশোর ও সাতক্ষীরার মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলি (Indo Bangladesh Border) থেকে। রংপুর বিভাগে, যা ভারতের ‘চিকেনস নেক’ বা ‘শিলিগুড়ি করিডর’ লাগোয়া, জামাতের ব্যাপক উত্থান দেখা যায়। এই করিডর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিবাদ 

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার খবর পশ্চিমবঙ্গেও রাজনৈতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলেছে। বিজেপি নেতা তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি পেট্রাপোল সীমান্তে গিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ জানান এবং কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনেও বিক্ষোভ দেখান। একই সঙ্গে বিজেপি বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের বিষয়েও সোচ্চার হন (Jamaat Rise)। এই বিষয়গুলি পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের কাছেও গুরুত্ব পেতে থাকে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী (Indo Bangladesh Border) বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের সীমান্তবর্তী একাধিক আসনে বিজেপি জয়ী হয়েছে ।

    জামাতের আসনগুলির উল্টোদিকে বিজেপির প্রাচীর!

    বাংলাদেশের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) আসনের উল্টো দিকে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ-সীমান্তবর্তী আসনগুলিতে বিজেপির জয়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্যাটার্ন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের ২৬টি আসনে বিজেপির জয় এসেছে মোট নয়টি জেলা থেকে, যেগুলির ঠিক ওপারেই বাংলাদেশে জামাতের জয়ী আসনগুলি অবস্থিত। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলায় কেমন ফল করেছে বিজেপি। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দক্ষিণ দিক থেকে শুরু করলে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন সংলগ্ন (Indo Bangladesh Border) এলাকায় বিজেপি জিতেছে বাগদা (SC), বনগাঁ উত্তর (SC) এবং হিঙ্গলগঞ্জ (SC)-এর মতো আসন। এই কেন্দ্রগুলির ঠিক বিপরীতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা-১ থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসন, যেখানে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জামাত জয়ী হয়েছিল।

    মালদা-মুর্শিদাবাদ-দিনাজপুর

    এরপর কিছুটা উত্তরে মুসলিম-অধ্যুষিত মালদা জেলায় বিজেপি জিতেছে ইংলিশ বাজার এবং বৈষ্ণবনগর আসন, যেগুলির সীমান্তের ওপারেও রয়েছে জামাত-জয়ী বাংলাদেশি কেন্দ্র। আরও উত্তরে দক্ষিণ দিনাজপুরে বিজেপি দখল করেছে কুশমণ্ডি (SC), বালুরঘাট, তপন (ST), গঙ্গারামপুর (SC) এবং হবিবপুর (ST) আসন। এই কেন্দ্রগুলির (Indo Bangladesh Border)  ঠিক উল্টোদিকে রয়েছে জয়পুরহাট, নওগাঁ এবং মেহেরপুরের মতো বাংলাদেশি আসন, যেখানে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচনে জামাত জিতেছিল। উত্তর দিনাজপুর, যা আরেকটি মুসলিম-প্রধান জেলা, সেখানেও বিজেপি জিতেছে করণদিঘি, হেমতাবাদ (SC) এবং হরিপুর আসন। এই কেন্দ্রগুলির ওপারেই রয়েছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা এবং যশোরের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) আসনগুলি।

    শিলিগুড়ি করিডর ও ডুয়ার্স

    শিলিগুড়ি করিডরের দিকে এগোলে, বিজেপির শিলিগুড়ি এবং ফাঁসিদেওয়া (ST) আসনগুলি বাংলাদেশের নীলফামারী-১ আসনের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। জলপাইগুড়ি জেলায় বিজেপি জিতেছে ময়নাগুড়ি এবং জলপাইগুড়ি (SC) আসন, যেগুলিও সরাসরি সীমান্ত লাগোয়া এবং বাংলাদেশের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) কেন্দ্রগুলির মুখোমুখি। সবশেষে ডুয়ার্স অঞ্চলের কোচবিহার জেলায় বিজেপি দখল করেছে সিতাই (SC), শীতলকুচি (SC) এবং মেখলিগঞ্জ (SC) আসন। এই কেন্দ্রগুলির ঠিক ওপারেই রয়েছে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা, যেখানে জামাত ও তাদের মিত্ররা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে চারটি আসনে জয় পেয়েছিল।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যা ঘটেছে, তার প্রভাব পড়েছে এপারের ভোটে?

    যদিও হলফ করে বলা যায় না যে বাংলাদেশে জামাতের উত্থান (Jamaat Rise) সরাসরি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপুল সাফল্যের একটি কারণ, তবে প্রাপ্ত তথ্যে স্পষ্ট একটি সমান্তরাল প্রবণতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিস্থিতি, পরিচয় নিয়ে উদ্বেগ, সীমান্ত নিরাপত্তা (Indo Bangladesh Border) এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্ন—এই সব কিছু মিলেই পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভোটারদের আচরণে প্রভাব ফেলেছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এই পরিসংখ্যান দেখিয়েই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, পশ্চিমবঙ্গের ভোটাররা সম্ভবত বেআইনি অনুপ্রবেশ রোধ করার আশায় বিজেপির উপর আস্থা রেখেছেন, যা তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবে প্রত্যক্ষ করেছেন। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির (Indo Bangladesh Border)  নির্বাচনী ফলাফল দুই দেশের জনবিন্যাস থেকে শুরু করে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, পরিচয়-সংক্রান্ত উদ্বেগ এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা ঘিরে তৈরি হওয়া নানা বয়ানের প্রভাবের ফল হতে পারে। এই সমস্ত উপাদানই পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের আচরণে প্রতিফলিত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে যা ঘটতে দেখেছেন বাঙালিরা, তার প্রভাবও তাঁদের ভোটের সিদ্ধান্তে পড়েছে।

  • DMK: তামিলনাড়ুতে টিভিকে-কে সমর্থন কংগ্রেসের, সংসদে আসন বদলের দাবি ‘ইন্ডি’-শরিক ডিএমকের

    DMK: তামিলনাড়ুতে টিভিকে-কে সমর্থন কংগ্রেসের, সংসদে আসন বদলের দাবি ‘ইন্ডি’-শরিক ডিএমকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে সংসদে ডিএমকে (DMK) সদস্যদের আলাদা বসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ জানালেন ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি করুণানিধি। চিঠিতে (Lok Sabha Speaker Letter) তিনি জানিয়েছেন, তামিলনাড়ুর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে ডিএমকে-কংগ্রেস জোট। তাই ডিএমকে সাংসদদের আর কংগ্রেস সদস্যদের পাশে বসাটা যথাযথ নয়।

    কানিমোঝির চিঠি (DMK)

    কানিমোঝি লেখেন, “আমি সম্মানের সঙ্গে লোকসভায় ডিএমকের সাংসদদের বসার ব্যবস্থায় উপযুক্ত পরিবর্তনের অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে আমাদের জোটের অবসানের প্রেক্ষিতে, আমাদের সদস্যদের বর্তমান আসনে তাদের পাশে বসাটা আর যথাযথ নয়…।” তাঁর অনুরোধ, “ডিএমকে সাংসদদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হোক যাতে তাঁরা ঠিকঠাকভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।”

    তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ফল

    কানিমোঝির এহেন পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ফল।  ঘটনাটি রাজ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় কোনও দলই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের নয়া দল টিভিকে (TVK) প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে, যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। শাসক ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি আসন, তাদের মিত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠা কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন, এআইএডিএমকে পেয়েছে ৪৭টি আসন। একটি মাত্র আসনে জয়ী হয় বিজেপি।

    কংগ্রেসের ভোল বদল

    নির্বাচনের পর নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। ভোটের আগে কংগ্রেস ডিএমকের নেতৃত্বাধীন সেকুলার প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (SPA)-এর অংশ ছিল। বিজয়ের দল জয় পেতেই ডিএমকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে টিভিকে-কে সরকার গঠনে সমর্থন করে রাহুল গান্ধীর দল। এই আনুষ্ঠানিক সমর্থনের ভিত্তিতে টিভিকে রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানায়। যদিও টিভিকে-কংগ্রেস জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা পার হতে না পারায়, সেই প্রস্তাবও বাতিল করা হয়। ডিএমকে (DMK) নেতারা, যাঁর মধ্যে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনও রয়েছেন, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘পিঠে ছুরি মারা’ এবং সুযোগসন্ধানী রাজনীতির অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, বহু বছর ধরে জাতীয় ও রাজ্য স্তরে জোটে থাকার পরেও কংগ্রেস বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

    ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের ইতি!

    তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের ইতিহাস ছয়ের দশকের শেষের দিক থেকে শুরু হয়। বহু নির্বাচন, ক্ষমতা ভাগাভাগি ও ‘ইন্ডি’ (INDI) জোটের মধ্যে দিয়েও সেই সম্পর্ক টিকে ছিল। ২০২৬ সালে আসন বণ্টন নিয়ে আগেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তবে (Lok Sabha Speaker Letter) নির্বাচনের পর কংগ্রেসের এই ভোলবদলে রাহুল গান্ধীর দলের  সঙ্গে পাকাপাকিভাবে গাঁটছড়া ছিন্ন হয়ে গিয়েছে ডিএমকের। কংগ্রেস নেতারা এই সিদ্ধান্তকে ‘জনগণের রায়কে সম্মান জানানো’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ ফ্রন্ট গঠনে’র পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও ডিএমকের দাবি, “নিষ্ঠার জন্য বড় মূল্য চোকানোর পর এই আচরণ সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা (DMK)।”

     

  • PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে মাতরমের ১৫০ বছরে পূরণ হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন! পশ্চিমবঙ্গের কুর্সিতে বসল বিজেপি। আজ, শনিবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হল ব্রিগেডে। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ছিলেন আরও অনেকে। এই ভিড়েই ছিলেন শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারও। তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করলেন প্রণামও। নবতিপর মাখনলালের চোখেমুখে তখন স্পষ্ট আত্মতুষ্টির ছাপ (BJP History)।

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (PM Modi)

    ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পরে এই সংগঠনই বিজেপি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই শ্যামাপ্রসাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন মাখনলাল। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ কাশ্মীরে ভারতীয় ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের আন্দোলন করছিলেন, তখনও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। তার  জেরে গ্রেফতার হন তিনি। দেশাত্মবোধক গান গাওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় দেশে রাজ করছে কংগ্রেস। আদালতে তোলা হয় মাখনলালকে। বিচারপতি তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেন।

    মাখনলালের সাফ কথা 

    মাখনলাল সাফ জানিয়ে দেন, “ক্ষমা চাইব না, কারণ কোনও অপরাধ করিনি (PM Modi)।” বিচারপতি তাঁকে সেই গানটি গাইতে বলেন। মাখনলাল গানটি গেয়ে শোনান বিচারপতিকে। তারপরেই পুলিশকে বিচারপতির নির্দেশ, এঁকে ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট কেটে দিন, সঙ্গে দিন ১০০ টাকাও। বঙ্গ বিজেপির সবচেয়ে প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে অন্যতম মাখনলাল। এই প্রথম বঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হল বিজেপি শাসন। সেখানেই তাঁকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

    শ্যামাপ্রসাদের শেষ সময়ের সঙ্গী মাখনলাল

    মাখনলাল বিজেপি-অনুগত প্রাণ। শ্যামাপ্রসাদের জীবনের শেষের দিনগুলিতেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। কাশ্মীরে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় শ্যামাপ্রসাদের। তাঁর শেষ সময়েও সঙ্গী ছিলেন এই মাখনলাল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মাখনলালের শিলিগুড়ির বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে (BJP History) এ পর্যন্ত কীভাবে বিজেপিতে অবদান রেখেছেন মাখনলাল, এদিনের অনুষ্ঠানে তা স্মরণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (PM Modi)।

     

  • Brigade Rally: ‘জাতে’ তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, শনিবারের ব্রিগেডে দেদার বিকোল ঝালমুড়ি, দোসর কমলাভোগ

    Brigade Rally: ‘জাতে’ তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, শনিবারের ব্রিগেডে দেদার বিকোল ঝালমুড়ি, দোসর কমলাভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ঝালমুড়িই রোজকার ব্রেকফাস্ট। প্রচারে বেরিয়ে ঝাড়গ্রামে সেই ঝালমুড়ি খেয়েই বাঙালির এই অতি পরিচিত খাবারটিকে ‘জাতে’ তুলে (Brigade Rally) দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, শনিবার ব্রিগেডে শপথ নিল বিজেপি সরকার (Jhalmuri)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের ব্রিগেডে চাঁদের হাটে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। সেখানেও হটকেকের মতো বিকোল ঝালমুড়ি।

    হাতে হাতে ঘুরছে ঝালমুড়ির ঠোঙা (Brigade Rally)

    ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তৈরি হয়েছে শপথ গ্রহণ মঞ্চ। সেখানে ঢোকার মুখে মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে ঝালমুড়ির ঠোঙা। ঝালমুড়ি খেয়ে রীতিমতো সেলিব্রেশন মুডে পদ্ম কর্মী-সমর্থকরা। এক বিজেপি সমর্থক বলেন, “প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন। এবার আমরাও খাচ্ছি।” তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আরও একজন (Brigade Rally)। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, “ঝালমুড়ি খেয়ে খুব আনন্দ পাচ্ছি। ঝালে দিদি জ্বলুক। আমরা দিদির উদ্দেশ্যেও ঝালমুড়ি পাঠাতে চাই।” ঝালমুড়ির পাশাপাশি দেদার বিকোচ্ছে সীতাভোগ, মিহিদানাও। সব স্টলেই ভিড়। এসব খেতে খেতেই মাঝে মধ্যে ব্রিগেড কেঁপে উঠছে জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে।

    কমলা মিষ্টিতে রঙিন ব্রিগেড

    এদিন ব্রিগেডে সব মিলিয়ে কেবল ঝালমুড়ির স্টলই ছিল ২০টি। মাঠেও লাগাতার ঝালমুড়ি বিক্রি করে চলেছেন ভ্রাম্যমান বিক্রেতারা। ঝালমুড়ির পাশাপাশি স্টল ছিল কমলা রংয়ের বিভিন্ন মিষ্টিরও। ট্রে-তে থরে থরে সাজানো কমলা রসগোল্লা, কমলাভোগ, লাড্ডু, পদ্মছাপ সাদা সন্দেশ, শঙ্খ মিষ্টি ইত্যাদি। এদিন রবীন্দ্রজয়ন্তী। তাই সকাল থেকেই ময়দানে বেজেছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। তারই পাশাপাশি দর্শকদের মুখে শোনা গিয়েছে জয় শ্রীরাম ধ্বনিও (Jhalmuri)। প্রসঙ্গত, এটি পশ্চিমবঙ্গের অষ্টদশ বিধানসভা। বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির পরিষদীয় দলনেতাও শুভেন্দুই। তাঁরই কাঁধে তুলে দেওয়া হল বাংলার শাসন ভার। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ২৩টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ বিজেপির তাবড় নেতা-নেত্রীরা (Brigade Rally)।

     

  • Jal Jeevan Mission: কাজ শুরু হয়ে গেল ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের! বিরাট বরাদ্দ মিলল জল জীবন মিশন প্রকল্পে

    Jal Jeevan Mission: কাজ শুরু হয়ে গেল ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের! বিরাট বরাদ্দ মিলল জল জীবন মিশন প্রকল্পে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে বাংলায় এসে বারংবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যবাসীকে বুঝিয়েছিলেন ‘ডাবল ইঞ্জিন’ (BJP) সরকারের গুরুত্বের কথা। কেন্দ্র ও রাজ্যে একই সরকার থাকলে যে বিশেষ সুবিধা হয় (Jal Jeevan Mission), তাও জানিয়েছিলেন তিনি। সেই মতো আজ, শনিবার বাংলায় শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপির নয়া সরকার শপথ নেওয়ার আগেই মিলল চমক। জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন প্রকল্পের বকেয়া ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কয়েকদিন আগেই, রাজ্যে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করে রেলও।

    রাজ্যের কোষাগারে ঢুকছে বিপুল টাকা (Jal Jeevan Mission)

    সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই রাজ্য সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষরের পরেই রাজ্যের কোষাগারে ঢুকবে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, গত দুবছর ধরে জল জীবন মিশনের টাকা বরাদ্দ করেনি কেন্দ্র। অভিযোগ ছিল, রাজ্য সরকার বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ করা টাকার সদ্ব্যবহার করতে পারেনি। কখনও ফেরত গিয়েছে কেন্দ্রের বরাদ্দ টাকা, কখনও আবার হিসেব দেওয়া হয়নি খরচের, আবার কখনও কেন্দ্রের বরাদ্দ এক খাতের টাকা খরচ করা হয়েছে খয়রাতি এবং তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে। তার জেরে তৃণমূলের জমানায় সেই অর্থে বাংলায় কোনও উন্নয়নই হয়নি বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগেই এবার ইতি পড়তে চলেছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    প্রস্তুতি-পর্বেই দরাজহস্ত এনডিএ সরকার

    যদিও নয়া সরকার গঠিত হওয়ার প্রস্তুতি-পর্বেই দরাজ হস্ত (Jal Jeevan Mission) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। কেন্দ্রীয় জল-শক্তিমন্ত্রকের সচিব ভিএল কান্থা রাওয়ের সঙ্গে রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সচিবের বৈঠক হয়। রাজ্যে পালাবদলের পর নয়া সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই কেন্দ্র থেকে রাজ্যের জন্য বড় অঙ্কের বকেয়া বরাদ্দ মঞ্জুর করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের জন্য প্রায় ২৭০০ কোটি টাকার বকেয়া বরাদ্দ অনুমোদন করেছে কেন্দ্র (BJP)। সূত্রের খবর, বকেয়া বরাদ্দের পাশাপাশি রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির সঙ্গে রাজ্যের বৈঠকও হয়েছে। নয়া সরকার গঠন ও প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হতেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বকেয়া টাকা ছাড়ার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে খবর (Jal Jeevan Mission)।

    রাজ্যে ৮৯৫ কোটি টাকার প্রকল্পকে গ্রিন সিগন্যাল রেলের

    এর আগে, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই কলকাতা মেট্রো আপগ্রেড এবং পশ্চিমবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল সেতু পুনর্নির্মাণের জন্য মোট ৮৯৫ কোটি টাকার প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে ভারতীয় রেল। এই সিদ্ধান্তকে রাজ্যের নগর পরিবহণ ও শিল্প পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এই বিনিয়োগের লক্ষ্য একদিকে কলকাতা মেট্রোর যাত্রী পরিষেবা উন্নত হবে, অন্যদিকে পূর্ব ভারতের গুরুত্বপূর্ণ মালবাহী রুটকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর করে তোলা হবে।

  • Sheikh Hasina: শুভেন্দুকে বিশেষ অভিনন্দন হাসিনার, কী বললেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী?

    Sheikh Hasina: শুভেন্দুকে বিশেষ অভিনন্দন হাসিনার, কী বললেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চব্বিশের ‘জুলাই বিপ্লবে’র জেরে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina)। প্রথমে তদারকি সরকার এবং পরে বিএনপির সরকার ক্ষমতায় আসে বাংলাদেশের। এই পুরো পর্বটায় হাসিনাকে বাংলাদেশের ‘বৈধ প্রধানমন্ত্রী’ বলে গিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই শুভেন্দুই যখন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, সেই সময়ই যারপরনাই আনন্দ প্রকাশ করল দেশান্তরিত হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

    হাসিনার বার্তা (Sheikh Hasina)

    শুক্রবার বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক দলের তরফে নেত্রী হাসিনার বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে লেখা, ‘‘বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে সকল বিজয়ীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। জয়ী দল বিজেপির বিজয়ীরাও রয়েছেন এর মধ্যে। তিনি (হাসিনা) শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।’’ ক্ষমতা হারিয়ে ভারতেই আশ্রয় নিয়েছেন হাসিনা। বঙ্গের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে নানা সময় বলতে দেখা গিয়েছে, তিনি মনে করেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই আবার বাংলাদেশে ফিরবেন হাসিনা।

    ভারতের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা

    যদিও হাসিনা-উত্তর কালে বাংলাদেশের রশি যায় মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকারের হাতে। তার পরেই নিষিদ্ধ করা হয় আওয়ামি লিগের কার্যকলাপ। গণহত্যার অভিযোগে হাসিনাকে ফাঁসির সাজাও দিয়েছে সে দেশের আদালত। ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেনি হাসিনা দল আওয়ামি লিগ। বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও ইঙ্গিত দিয়েছেন নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হবে। এই পরিস্থিতিতে হাসিনা কবে বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন, কিংবা আদৌ পারবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেই হাসিনাই শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন (Sheikh Hasina)।

    বিজেপিকে অভিনন্দন বিএনপির

    এদিকে, বিজেপির বিপুল জয়ে পদ্মশিবিরকে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন বিএনপি-ও। শাসক দলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুর বারি হেলাল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির এই অভাবনীয় সাফল্যের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তিস্তা ব্যারেজ চুক্তির পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল (Suvendu Adhikari)। এই জয়ের ফলে দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচকভাবেই এগিয়ে যাবে (Sheikh Hasina)।”

     

LinkedIn
Share