Tag: Madhyam

Madhyam

  • Sukanta Majumdar: সাহয্যের হাত বাড়ালেন সুকান্ত মজুমদার, কলকাতায় চিকিৎসা পেলেন বৃদ্ধা

    Sukanta Majumdar: সাহয্যের হাত বাড়ালেন সুকান্ত মজুমদার, কলকাতায় চিকিৎসা পেলেন বৃদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) প্রচেষ্টায় বিনামূল্যের চিকিৎসা পেলো এক বৃদ্ধা। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূষিলা এলাকার গুজুরি পাহান নামে এক বৃদ্ধা রাস্তায় পড়ে গিয়ে তাঁর পা ভেঙে যায়। তাঁকে বালুরঘাট হাসপাতাল থেকে রেফার করে দেওয়া হয়। এরপর তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিছানায় শয্যাশায় অবস্থায় রয়েছেন। পরিবারের লোকেদের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করার সামর্থ্য না থাকায় তাঁরা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কাছে দ্বারস্থ হন। সুকান্ত মজুমদার তাঁর নিজের তহবিল থেকে অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবস্থা করে কলকাতায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করান। এই সাহয্যে খুশি পরিবারের সদস্যরা।

    চিকিৎসা পেয়ে বৃদ্ধার বক্তব্য (Sukanta Majumdar)

    সাহায্য পেয়ে এবিষয়ে বৃদ্ধা গুজরি পাহান বলেন, “টাকার জন্য চিকিৎসা করাতে পারিনি। দেড় মাস ধরে বিছানাগত। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আমাকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে যাচ্ছেন। এবার হয়তো আমার চিকিৎসা সম্ভব হবে। আমি আমার নিজের পায়ে হাঁটাচলা করতে চাই।”

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    এই বিষয়ে এক এলাকবাসী জানান, বৃদ্ধা বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বিছানায় ছিলেন। তাঁর চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে পারছিলেন না পরিবারের লোকেরা। তাঁরা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কাছে চিকিৎসার আবেদন করেছিলেন। এদিন সাংসদের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স পাঠিয়ে তাঁকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হল। আমরা এই বিষয়ে সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে কুর্নিস জানাই। তিনি সবসময় মানুষের পাশে আছেন।

    কী বললেন সুকান্ত

    এবিষয়ে বালুঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “ওই মহিলার দুরাবস্থার কথা জানতে পেরে আমি তাঁর চিকিৎসার সবরকম ব্যবস্থা করেছি। তাঁকে বালুরঘাট থেকে অ্যাম্বুল্যান্স করে নিয়ে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগামী দিনেও তাঁর পাশে সর্বদা রয়েছি।”

    এবিষয়ে বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি শুভ চক্রবর্তী বলেন, “গতকাল রাতে অসহায় ওই বৃদ্ধাকে আমরা অ্যাম্বুল্যান্স করে কলকাতায় পাঠিয়েছি। তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন সাংসদ নিজে। হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়ালেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shankar Auddy: তৃণমূল নেতা শঙ্করের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা, নথি উদ্ধার করল ইডি

    Shankar Auddy: তৃণমূল নেতা শঙ্করের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা, নথি উদ্ধার করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শক্রবার টানা ১৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির হাতে গ্রেফতার বালু ঘনিষ্ঠ বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য (Shankar Auddy)। রাতেই নিয়ে আসা হয়েছে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। উল্লেখ্য বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে বের করার সময়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তদন্তকারী অফিসারদের উপর ব্যাপক চড়াও হয়। 

    আবার, একই ভাবে গতকাল শুক্রবার সন্দেশখালিতে ইডি, তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তদন্ত করতে গেলে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে অফিসারদের মাথা ফাটানোর ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় রাজ্যজুড়ে। প্রশাসনের জঙ্গলরাজ বলে সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য রাজনীতি এখন ব্যাপক সরগরম।

    ইডির দাবি (Shankar Auddy)

    তৃণমূল নেতা শঙ্করকে (Shankar Auddy) উদ্দেশ্য করে গতকাল সকাল ৭ টা থেকে বনগাঁর শিমুলতলায় শ্বশুর বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর তাঁর বাড়িতে চলে অভিযান। মোট সাতজন তদন্তকারী অফিসার গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া চালান। এরপর ফের আরেকবার তাঁর শ্বশুরের বাড়ি যান অফিসারেরা। সেখানে চলে রাত সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত তাল্লাশি। ইডি দাবি করে, সেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় সাড়ে আট লক্ষ টাকা। সেই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত সন্দেহ জনক নথি। এরপর আবার তাঁকে নিজের বাড়িতে এনে রাত সাড়ে ১২ টায় গ্রেফতার করে ইডি। আজ তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    গ্রেফতারের পর বিক্ষোভ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা শঙ্করকে (Shankar Auddy) রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করে বাড়ি থেকে বের হলে তাঁর অনুগামী এবং দুষ্কৃতীরা তদন্তকারী অফিসারদের সামনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। একেবারে মহিলারা সামনে গিয়ে, তাঁকে নিয়ে যেতে বাধা প্রদান করতে দেখা যায়। সেই সঙ্গে ইডিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট। চলে লাগাতার গালিবর্ষণ, পালাটা নিরাপত্তা বাহিনী লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    পরিবারের বক্তব্য

    তৃণমূলের নেতা শঙ্করের (Shankar Auddy) স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্য বলেন, “জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলার সভাপতি ছিলেন। দলের কাজে আমরা যেতাম। তিনিও আসতেন, তাই বলে গ্রেফতার করতে হবে? তদন্তকারী অফিসারেরা ব্যবসার কাগজপত্র দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এরপর একটা কাগজ দেখিয়ে বলে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চিঠি এটা আর তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করেছে ওঁকে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dawood Ibrahim: নিলাম হল দাউদের সম্পত্তি, কিনলেন শিবসেনা নেতা, তৈরি হবে সনাতনী স্কুল

    Dawood Ibrahim: নিলাম হল দাউদের সম্পত্তি, কিনলেন শিবসেনা নেতা, তৈরি হবে সনাতনী স্কুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসাবে মুম্বইয়ে রাজ করতেন, তিনি বলিউডে ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। অন্যদিকে, ভারতের কাছে তিনি একজন জঙ্গি, অপরাধী এবং পলাতক। বর্তমানে তিনি ঠিক কোথায় রয়েছেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। অনুমান করা হয় পাকিস্তানের করাচিতে রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার কুখ্যাত দাউদ ইব্রাহিমের (Dawood Ibrahim) পৈতৃক সম্পত্তি নিলামে উঠেছিল। নিলামের সম্পত্তি ২ কোটি টাকায় কিনেছেন প্রাক্তন শিবসেনা নেতা।

    ২ কোটি টাকায় বিক্রি হল জমি (Dawood Ibrahim)

    এদিন দাউদের (Dawood Ibrahim) মোট ৪টি সম্পত্তির নিলাম করা হয়। তার মধ্যে জমির সর্বনিম্ন মূল্য ধরা হয়েছিল ১৫ হাজার ৪৪০ টাকা। কিন্তু নিলামে সম্পত্তির মূল্য অতিক্রম করে গিয়েছে কোটি টাকায়। জানা গিয়েছে, ২ কোটি টাকায় দাউদের সম্পত্তি বিক্রি করল স্মাগলার্স অ্যান্ড ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানিপুলেটর্স অথরিটি (এসএএফইএমএ) এবং কিনেছেন শিবসেনার প্রাক্তন নেতা। পাশাপাশি এদিন মহারাষ্ট্রের রত্নগিরির মুম্বকে গ্রামে দাউদের পৈতৃক সম্পত্তির আরও একটি জমির নিলাম হয়েছিল। জমির পরিমাণ ছিল ১৭৩০ বর্গমিটার, ওই জমি বিক্রি হয়েছে ৩ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা। জমির মূল্য ছিল এক লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা।

    কিনে কী বললেন শিবসেনা কর্মী

    কোটি টাকায় দাউদের (Dawood Ibrahim) জমি কিনে শিবসেনার প্রাক্তন কর্তা বলেন, “ওই জমির সমীক্ষা নম্বর তাঁর ‘পয়া’ সংখ্যার সঙ্গে মিলে গিয়েছে। আর এই জন্য এত দাম দিয়ে কেনা হয়েছে। এই জমিতে একটি সনাতন স্কুল খোলা হবে।” উল্লেখ্য ২০২০ সালে তিনি দাউদের আরও একটি বাংলো কিনেছিলেন। এরপর সেখানে সনাতন ধর্ম পাঠশালা ট্রাস্ট তৈরি করেন, এবার জমি কিনে স্কুল খোলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।

    আগেও সম্পত্তি নিলাম হয়েছে

    গত কয়েক বছরে অন্ধকার জগতের ডন দাউদের (Dawood Ibrahim) অনেক সম্পত্তি নিলাম হয়েছে। ২০১৭, ২০২০ সালেও নিলামে উঠেছিল সম্পত্তি। দুইবারে মোট ১৭টি সম্পত্তির নিলাম হয়েছে। তার মধ্যে দাউদের বাড়ি, হোটেল, গেস্ট হাউস মিলিয়ে মোট ১১ কোটি টাকায় নিলাম উঠেছিল বলে জানা গিয়েছিল। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সম্পত্তি কেনার ক্রেতা পাওয়া যায়নি।

    প্রশাসনের অবশ্য বক্তব্য, এই কুখ্যাত গ্যাংস্টারের হাতে প্রাণের ভয়ের কারণে অনেকে কিনতে বার বার পিছিয়ে গিয়েছিলেন। ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছে ১৯৯৩ সালের বোমা বিস্ফোরণের মূলচক্রী ছিলেন দাউদ ইব্রাহিম। অনুমান করা হচ্ছে দাউদ এখন পাকিস্তানের করাচিতে থাকেন। যদিও পাকিস্তান সরকার তার অস্তিত্বের কথা অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি বিষ খাইয়ে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতার পুলিশই জানিয়ে দেয়, ইডি আসছে”, শাহজাহানকাণ্ডে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতার পুলিশই জানিয়ে দেয়, ইডি আসছে”, শাহজাহানকাণ্ডে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আজ শুক্রবার বেলডাঙায় সভা করে রাজ্য সরকারের আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে। আর এই জঙ্গলরাজকে শেষ করতে গেলে সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব চ্যানেলের পর্দায় সকাল থেকে একটাই খবর, শেখ শাহজাহান! শেখ শাহজাহান! তিনি কে? তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আশ্রিত দুষ্কৃতী।” দুর্নীতির বিরুদ্ধে যাতে তদন্ত না করতে পারে, সেই জন্যই ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের মাফিয়ারা দৌরাত্ম্য এবং তাণ্ডব চালায় আজ।

    কী বলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সন্দেশখালিতে রেশন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি শাহজাহানের আশ্রিত তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকারি ব্যবস্থা, সাংবিধানিক ব্যবস্থার উপর আঘাত করা হয়েছে। রাজ্যে সাংবিধানিক কোনও বডি সুরক্ষিত নেই। রাজ্যে তৃণমূল দুর্নীতির পাহাড় নির্মাণ করে চাকরি চুরি, মাটি চুরি, বালি চুরি, কয়লা চুরি, রেশন চুরি করেছে। জেলে বন্দি প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বালুবাবু গরিবের চাল, গম, আটা-রেশন খেয়েছেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি এই রেশন দুর্নীতির তদন্তে বালুর সঙ্গে শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ইঙ্গিত পেয়ে সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিল। অবশ্য মমতা পুলিশ আগে থেকে জানিয়ে দিয়েছে যে আসছে ইডি, বাঁচাতে পারবে না দিদি, তাই পালা তাড়াতাড়ি। এরপর দরজায় তালা লাগিয়ে শাহজাহান পালিয়েছেন। এরপর তদন্তকারী অফিসারেরা তালা ভাঙতে গেলে আক্রমণ করে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী। ইডির অফিসারদের মাথা ফেটেছে, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনজন আধিকারিক গুরুতর আহত এবং এখনও কয়েকজন নিখোঁজ। ফলে প্রমাণ হয়ে গেছে কেউ সুরক্ষিত নয়। সংবিধানের কোনও পদ এখানে সুরক্ষিত নয়।”

    কে শাহজাহান?

    তৃণমূলের প্রধান দুষ্কৃতী হলেন শাহজাহান (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু তাই বলেছেন, “২০১৯ সালে বিজেপির কর্মী তপন মণ্ডল সহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত এই তৃণমূল নেতা। খুন করে সেই সময় বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ওই এলাকার মানুষের জমিকে জোর করে দখল করে নিয়েছেন। তাঁর দখল করা জমির পরিমাণ ১৩৯.১৭ বিঘা। এছাড়া তিনটে ট্রাস্টে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। ডক্টর স্বপ্নকুমার রায়চৌধুরির জমি অবৈধভাবে দখল করেছেন। আগে সিপিএম করতেন, তাঁর গুরু ছিলেন হার্মাদদের নেতা মুসলেম। এরপর তৃণমূলে যোগদান করে মাফিয়া হয়েছেন। এলাকার আম্ফানের ত্রাণ, আবাস যোজনার ঘর, শৌচালয়, একশো দিনের টাকা, মাছের চাষের ভেড়ি সব কিছু খেয়ছেন তিনি।”

    রাজ্যালকে কী আবেদন কিরলেন?

    ইডির তদন্তে বাধাপ্রদান এবং আক্রমণের ঘটনায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), মমতার সরকারকে নিশানা করে রাজ্যপালকে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তিনি রাজ্যপালকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নেই। তাই রাজ্যপালের উচিত কেন্দ্র সরকারের কাছে হস্তক্ষেপ করার সুপারিশ করা। রাজ্যের আইনের রক্ষকরা ভক্ষক হলে, সংবিধানকে অমান্য করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজভবনের খোলা সহায়ক কেন্দ্রে অনেক মানুষের অভিযোগ জমা পড়েছে। কোনও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই সমস্যার সমাধান চেয়ে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের কথা বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: মুকুটমণিপুর মেলার সূচনা মমতার আমলে! যুবনেত্রীর পর তৃণমূল মন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়

    Bankura: মুকুটমণিপুর মেলার সূচনা মমতার আমলে! যুবনেত্রীর পর তৃণমূল মন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবনেত্রীর পর এবার তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীর মন্তব্যে ফের বিতর্কের সূত্রপাত। গতকাল বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার (Bankura) মুকুটমণিপুর মেলার সূচনার অনুষ্ঠানে গিয়ে রাজ্যের আদিবাসী দফতরের মন্ত্রী বুলু চিক বরাইক বলেন, “এই সরকারের আমলেই এই মেলা শুরু হয়।” পাল্টা বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, “মিথ্যে কথা বলাটা তৃণমূলের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অবস্থান করছে।” তৃণমূল মন্ত্রীর বক্তব্যে রাজ্যে এবার মেলা নিয়েও শোরগোল পড়ে গেল।

    কবে থেকে মুকুটমণিপুর মেলা?

    বাঁকুড়া (Bankura) জেলার বিষ্ণুপুর মেলার মতো ঐতিহ্যবাহী হল মুকুটমণিপুর মেলা। এই মেলার শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। প্রায় ২৫ বছর ধরে ঐতিহ্য মেনেই এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কিন্তু রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, ‘এই মেলার সূচনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে।’ আর এই মন্তব্যের কারণেই ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়ে যায়।

    মন্ত্রী কী বলেছিলেন?

    রাজ্য সরকারের অর্থানুকূল্যে মুকুটমণিপুরে (Bankura) মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “এই মেলা আগে হত না, মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই এই মেলা প্রতি বছর হয়ে চলেছে। তাই তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ।” যে মেলা গত ২৫ বছর ধরে চলছে, সেই মেলাকে মাত্র ১২ বছর ধরে চলা একটি সরকারের দ্বারা চালু করা হয়েছে, এই কথা কীভাবে বলা যেতে পারে? এই প্রশ্নে বিরোধীরা কড়া সমালোচনা করেছে রাজ্যের মন্ত্রী বুলু চিক বরাইককে।

    বিজেপির বক্তব্য

    রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বাঁকুড়ার (Bankura) বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। তিনি বলেন, “মিথ্যে বলাটা ওঁদের একটি বড় বদ অভ্যাস। ২৪ বছর আগে কি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ছিলেন? এই সব অবান্তর কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। শাসক দলের মন্ত্রী ভুলে গেছেন দল আর সরকার এক নয়। সরকারি কাজে দলের নেতানেত্রীর নামে শ্লোগান দেওয়া গণতন্ত্র এবং সংবিধান বিরোধী।”

    ‘কার্জন গেট’ নিয়ে যুবনেত্রীর বেফাঁস মন্তব্য

    যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী গতকাল বর্ধমানের এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন, “ছিল কি গেট? এই আলো ধবধবে রাস্তা, সবটাই তৃণমূলের আমলে হয়েছে।” অথচ ইতিহাস বলছে ১৯০৩ সালে জিটি রোডের ধারে বিরাট তোরণ তৈরি করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামে ‘কার্জন গেট’ নামকরণ হয়। এরপরে ১৯৪৭ সালের পর দেশ স্বাধীন হলে নাম বদল করে রাখা হয় ‘বিজয় তোরণ’। বিরোধীদের বক্তব্য, ‘তৃণমূলের মধ্যে ইতিহাসবোধ কম”। ফলে মুকুটমণিপুর মেলা (Bankura) নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: রাম মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র পেয়ে উচ্ছ্বসিত গঙ্গাসাগরের সাধু-সন্ন্যাসীরা

    South 24 Parganas: রাম মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র পেয়ে উচ্ছ্বসিত গঙ্গাসাগরের সাধু-সন্ন্যাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরাণ অনুযায়ী সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর, কলি-এই চার যুগের মধ্যে দ্বাপর যুগের শ্রেষ্ঠ পীঠস্থান কুরুক্ষেত্র। একই ভাবে কলি যুগের শ্রেষ্ঠ পীঠস্থান হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গঙ্গাসাগর। এই গঙ্গাসাগরেই গঙ্গা এবং বঙ্গোপসাগরের মিলন সঙ্গমস্থল পুণ্য তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিনের পরই মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নান করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সন্ন্যাসীরা এসে ভিড় জমাবেন। লক্ষ লক্ষ ভক্তদের সমাগম হবে এই তীর্থধামে। এবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের নিমন্ত্রণপত্র পেয়ে সাধু সন্ন্যাসীদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    কী বলেন গঙ্গাসাগরের সন্ন্যাসীরা (South 24 Parganas)?

    রাম মন্দিরের নিমন্ত্রণ পেয়ে গঙ্গাসাগরের (South 24 Parganas) সন্ন্যাসী কৃষ্ণানন্দ গিরি বলেন, “রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে, এটা আমাদের কাছে খুশির খবর। হিন্দু সমাজের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই মন্দির দীর্ঘ দিনের আন্দোলনের ফসল। অনেক সাধু, সন্ন্যাসী আগেও মন্দিরের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। একটা সময় ‘কর সেবকরা’ মন্দির নির্মাণের জন্য ইট নিয়ে গিয়েছিলেন। শিলাপুজো করে অনেক আগেই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনা করা হয়েছিল। সময় বদলে যাবে, মানুষ বদলে গেলেও অযোধ্যা শ্রীরামের অযোধ্যা হিসাবেই থাকবে। ঈশ্বরের বিগ্রহ নির্মাণের খবরে আমরা অনেক খুশি। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন, এটা খুব আনন্দের কথা। তবে সামনেই মেলা, ফলে মেলার ব্যস্ততা রয়েছে। আমাদের নিমন্ত্রণপত্র এবং প্রসাদী চাল দিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।”

    আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন রাম মন্দিরের

    ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে গঙ্গাসাগর মেলায় আসা সাধু-সন্ন্যাসীদের হাতে এসে পৌঁছাল মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র। আমন্ত্রণপত্র পেয়ে খুশি গঙ্গাসাগর মেলায় আসা সাধু-সন্ন্যাসীরা। গঙ্গাসাগরকে নিয়ে যেমন রয়েছে হিন্দুদের একাধিক পৌরাণিক কাহিনী, ঠিক তেমনি অন্যতম পীঠস্থান অযোধ্যার শ্রীরামকে ঘিরে রয়েছে ঐতিহাসিক নানান কাহিনী। হিন্দু ধর্ম চেতনায় একে অপরের সাথে যেন অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। সমানেই গঙ্গাসাগর (South 24 Parganas) মেলা। কিন্তু তাঁরা সেই অযোধ্যায় গিয়ে পৌঁছাতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে অনেকটাই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে এমন আমন্ত্রণপত্র তাঁদের  কাছে অনেকটাই গর্বের বলে জানাচ্ছেন সাধু-সন্ন্যাসীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: লোকসভার আগে বিজেপির প্রচার শুরু, জেলায় ঘুরবে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”

    Malda: লোকসভার আগে বিজেপির প্রচার শুরু, জেলায় ঘুরবে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভার ভোট। ময়দানে বিজেপি নেমে পড়েছে। ভোটারদের মন জয় করতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধার কথা প্রচার করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে দেশ জুড়ে। এবার মালদায় (Malda) লোকসভা ভোটের আগে তাই সাধারণের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের প্রচার তুলে ধরতে উদ্যোগী বিজেপি। প্রতিটি লোকসভায় ঘুরবে ট্যাবলো। যার নাম দেওয়া হয়েছে “মোদি গ্যারান্টি ভ্যান”। আজ শুক্রবার মালদহ উত্তরে এই ট্যাবলোর সূচনা করেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব।

    ট্যাবলোয় পাওয়া যাবে আবেদনপত্র (Malda)

    আগামী এক মাসেরও বেশি সময় মালদার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল এবং শহরে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজ করা হবে। একই সঙ্গে প্রচার চালানো হবে এই গ্যারান্টি ভ্যান থেকে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণের জন্য আবেদনপত্র পাওয়া যাবে এই প্রচার ভ্যানেই। এর ফলে সাধারণ বহু মানুষ উপকৃত হবেন বলে দাবি করেছেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু।

    কী বললেন খগেন মুর্মু?

    মালদা উত্তর লোকসভার সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, “এই গাড়ি হল মোদি গ্যারান্টি ভ্যান। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুখে যা বলেন, বাস্তবে তাই করে দেখান। গত নয় বছরে কী কী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সাধারণ মানুষের কাছে কীভাবে এই সুযোগ পৌঁছাবে, সেই কথা এই গাড়িতে প্রচার করা হবে। দেশের পিছিয়ে থাকা দলিত সাধারণ মানুষ কীভাবে উন্নয়নের পথে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেই কথাও এলাকায় এলাকায় ঘুরে প্রচার করা হবে। স্বনির্ভর ভারত, আত্মনির্ভর ভারত গড়তে গেলে এই মোদির গ্যারান্টি একান্ত প্রয়োজন। যদি কেউ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন, তাহলে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। আজ মালদায় দুটি গাড়ি এসেছে। আগামীতে আরও গাড়ি আসবে। সারা দেশ জুড়ে ২০০০ এর বেশি গাড়ি মোদির গ্যারান্টি নিয়ে প্রচার করছে। নয় বছরের সরকারের কাজে প্রকল্প এখনও যাঁরা জানেন না, তাঁদের কাছে পৌঁছানোই এই প্রচারের একমাত্র লক্ষ্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টের গুঁতো খেয়েই ফিরল হুঁশ, বারাকপুর পুলিশ ছুটল অভিযুক্তকে ধরতে

    Calcutta High Court: হাইকোর্টের গুঁতো খেয়েই ফিরল হুঁশ, বারাকপুর পুলিশ ছুটল অভিযুক্তকে ধরতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতির ধমক খেয়ে হুঁশ ফিরল পুলিশের। বুধবার আদালত থেকে পুলিশকে ভর্ৎসনা করে বলা হয়েছিল, ‘পুলিশ পুরো মেডেল পাওয়ার মতো কাজ করেছে!’ গত ছয়মাস ধরে যে খুনের মামলার কোনও গতি-প্রকৃতি ছিল না, বিচারপতির গুঁতোয় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ সক্রিয় হল। আজ বৃহস্পতিবার বারাকপুর পুলিশ মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং খুনের ধারা যুক্ত করার কথা বলে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়েছে।

    কী বললেন বিচারপতি (Calcutta High Court)

    হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি দেবাংশু বসাক বলেন, “একজনকে ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে নীচে ফেলা হয়েছে, এরপর নীচে নেমে পেটানো হল। এরপরও পুলিশ খুনের ধারা যোগ করার অভিযোগ পেল না! এটাই কি এই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা! সেই সঙ্গে বিচারপতি দেবাংশু বসাক, বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার পর্যবেক্ষণ করে বলেন, “এই ঘটনায় সকল অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু পুলিশ কিছুই করেনি। মামলায় সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত।” উল্লেখ্য এক ব্যক্তিকে ছাদ থেকে ফেলে পিটিয়ে খুন করা হয়েছিল। বারাকপুর পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। কিন্তু গত ছয়মাস ধরে মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়নি। খুনের মামলায় পুলিশের সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি।

    ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও পুলিশ তৎপর

    আদালতে বিচারপতির (Calcutta High Court) ধমকের পর আজ বৃহস্পতিবার বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট রিপোর্ট দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জানায় যে গতকাল আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয়েছে। খুনের ওই মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং খুনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্যবারাকপুর সিপি গত ছয়মাসে যা করেননি কার্যত আদালতের ধমক খেয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় হয়েছেন। ফলে পুলিশ প্রশাসন যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে, তা আরও একবার স্পষ্ট বলে এলাকার মানুষ দাবি করে।

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    মামলা সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনা ঘটেছিল ২০২৩ সালের ২৩ জুন, খড়দহ থানার টিটাগড়ের লক্ষ্মীঘাট এলাকায়। বাড়িভাড়াকে ঘিরে বচসার কারণে আহত হন গোবিন্দ যাদব। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আরজিকর হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছিল, মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ খুনের ধারা যোগ করেনি পুলিশ। এরপর মামলা গড়ায় উচ্চ আদালতে। এই মামলায় পুলিশকে তীব্র ধমক দেওয়ার ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিচারপতি (Calcutta High Court) মন্তব্যে শোরগোল পড়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalpataru Utsab: কল্পতরু উৎসবে কাশীপুর-বেলুড় মঠ-জয়রামবাটি-দক্ষিণেশ্বরে ব্যাপক ভক্তসমাগম

    Kalpataru Utsab: কল্পতরু উৎসবে কাশীপুর-বেলুড় মঠ-জয়রামবাটি-দক্ষিণেশ্বরে ব্যাপক ভক্তসমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ কল্পতরু উৎসব। আজকের দিনেই ঠাকুর রামকৃষ্ণ তাঁর ভক্তদের বলেছিলেন, ‘চৈতন্য হোক’। তাই ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত মন্দিরগুলিতে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেল। দক্ষিণেশ্বর, কাশীপুর উদ্যানবাটি, বেলুড় মঠ, কামারপুকুর, জয়রামবাটি এবং তারাপীঠে ব্যাপক ভক্তের সমাগম হয়েছে। ঠাকুর রামকৃষ্ণকে তাঁর ভক্তরা ঈশ্বরের অবতার বলে থাকেন। আজ কল্পতরু উৎসবে (Kalpataru Utsab) সেজে উঠেছে মায়ের মন্দিরগুলিও।

    কাশীপুর-বেলুড় মঠে কল্পতরু উৎসব (Kalpataru Utsab)

    সময়টা ছিল ১৮৮৫-র শেষ। ঠাকুর রামকৃষ্ণের শরীর খুব একটা ভালো ছিল না। শীতে একেবারে কাবু হয়ে গিয়েছিলেন। চিকিৎসার জন্য শ্রী গোপাল ঘোষের বাগানবাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখা হয় তাঁকে। চিকিৎসক মহেন্দ্রলাল সরকারের কড়া নিষেধ ছিল, কথা বলা যাবে না। কথা বললেই গলায় যন্ত্রণা বাড়বে। ছিলেন কড়া নজরদারিতে। ভক্তদের মনে ঠাকুরকে ঘিরে দারুণ আশঙ্কা। তাঁকে দেখেতে আগ্রহী ছিলেন ভক্তরা। এরপর বছরের প্রথম দিনেই ১৮৮৬ সালে ভক্তরা দেখতে এলে, তাঁদের ঠাকুর বলেন ‘তোমাদের চৈতন্য হোক’। এরপর থেকেই পালিত হয় ‘কল্পতরু উৎসব’ (Kalpataru Utsab)। কাশীপুর উদ্যানবাটীতে আজ ভোর ৪ টে থেকে পুজো দিয়ে শুরু হয় মঙ্গলারতি। এরপর সকাল ৭ টা থেকে শুরু হয় বিশেষ পুজো। সেই সঙ্গে চলছে ভক্তিগীতি এবং কীর্তন। বেলুড় মঠেও একই ভাবে পুজো অনুষ্ঠিত হয়। বছরের প্রথম দিনেই মা কালী, ঠাকুর রামকৃষ্ণ, মা সারদা এবং স্বামী বিবেকান্দের চরণকমলে ভক্তি, পুজা-অর্চনা করে ভক্তরা নতুন বছরের দিনটিকে শুরু করলেন।

    জয়রামবাটিতে পুজো

    ১ জানুয়ারি কল্পতরু (Kalpataru Utsab) উৎসব উপলক্ষে কামারপুকুর, বেলুড়ের পাশাপাশি মা সারদার বাঁকুড়ার জয়রামবাটিতেও বিশেষ পুজো এবং উৎসব পালন করা হয়। প্রতি বছরের মতো এই বছরেও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। মন্দিরে সকাল থেকেই পুজো অনুষ্ঠিত হয়। ভক্তদের মধ্যে বিশ্বাস, মন থেকে যা চাইবে, ঠাকুরের আশীর্বাদে সেই ইচ্ছাপূরণ হয় কল্পতরু উৎসবে।

    দক্ষিণেশ্বরে সেজে উঠেছেন মা

    দক্ষিণেশ্বরে সেজে উঠেছেন মা ভবতারিণী। কল্পতরু উৎসবকে (Kalpataru Utsab) ঘিরে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম হয়েছে। মাকে নতুন বেনারসি, গহনা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। মন্দিরে এদিন এসেছেন ভিন রাজ্য থেকে ভক্তরা। অতিরিক্ত চাপ সামলাতে প্রশাসন থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

    তারাপীঠে মায়ের পুজো

    কল্পতরু উৎসবকে (Kalpataru Utsab) ঘিরে তারাপীঠে ভাক্তদের ব্যাপক ঢল লক্ষ্য করা গেল। সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে চলছে পুজো। নতুন বছর ভালোভাবে কাটুক, এই কামনায় তারামায়ের কাছে গিয়ে প্রার্থনা করতে দেখা গিয়েছে ভক্তদের। মন্দিরে রয়েছে ব্যাপক ভিড়। তাই গর্ভগৃহে যাতে কেউ ঢুকে ছবি না তোলে, সেই দিকে কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বছরের প্রথম দিনেও শীতের সেই দাপট নেই, কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা!

    Weather Update: বছরের প্রথম দিনেও শীতের সেই দাপট নেই, কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের প্রথম দিনেও শীতের (Weather Update) দাপট কম। নেপথ্যে সেই ঘূর্ণাবর্ত। এমনকী, চলতি সপ্তাহের শেষেই দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসও রয়েছে। দক্ষিণে যেখানে বৃষ্টির ভ্রুকুটি, সেখানে উত্তরবঙ্গের শৈলশহর দার্জিলিংয়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অপরদিকে, শীতে জবুথবু উত্তর ভারত। প্রবল ঠান্ডায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অনেক জায়গায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত।

    কেমন কলকাতার আবহাওয়া (Weather Update)?

    নববর্ষের দিনে শহর কলকাতায় শীতের (Weather Update) দেখা নেই। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনেকটাই বেশি। কবে থেকে কনকনে ঠান্ডা পড়বে তা এখনও স্পষ্ট নয়। আবার সপ্তাহের শেষেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি প্রথম দিনে কলকাতার তাপমাত্রা হল ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। গত নয় দিনের তুলনায় আজ তাপমাত্রা এক ডিগ্রি কম। তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে সকাল-সন্ধ্যায় কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। দিনের তাপমাত্রা ২৫ এবার রাতের দিকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে জানা গিয়েছে।

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

    আবার বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগরে বায়ুমণ্ডলের (Weather Update) উপরিভাগে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি রয়েছে। পূর্বদিক থেকে বাতস ঢুকছে রাজ্যে। ফলে বাতাসে জলীয়বাস্পের পরিমাণ বাড়ছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের দিকে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রার পরিবর্তনের কোনও ইঙ্গিত নেই। সকাল এবং সন্ধ্যায় কুয়াশার ইঙ্গিত রয়েছে। গাঙ্গেয় জেলাগুলির তেমন তাপমাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। আবার দার্জিলিং, কালিম্পঙে বৃষ্টিপাত হতে পারে। পর্যটকের কাছে আনন্দের খবর— আগামী সোমবার থেকে দার্জিলিঙে তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    উত্তর ভারতে লাল সতর্কতা জারি

    দিল্লির মৌসম ভবন জানিয়েছে, সোমবার পাঞ্জাবের অমৃতসর, ফতেগড়, সাহিব, গুরুদাসপুর, জলন্ধর, লুধিয়ানা, পাঠানকোট, রূপনগর ইত্যাদি জেলায় ঘন কুয়াশা (Weather Update) থাকবে। দৃশ্যমান কম হতে পারে কুয়াশার কারণে। রেল, বিমান, সড়কপথে যাতায়াত ব্যাহত হতে পারে। হরিয়ানার আম্বালায় দৃশ্যমানতা কমে গিয়েছে ২৫-এর নীচে। ফলে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকার ইঙ্গিত রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর লাল সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়াও রাজস্থান, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যেপ্রদেশে শীতের কারণে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কনকনে ঠান্ডা এবং ঘন কুয়াশার কারণে দিল্লির অনেক বিমান বাতিল করা হয়েছে। অনেক বিমান দিল্লির বদলে অন্যত্র অবতরণ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী কয়েক দিনে কুয়াশার পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share