Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Strait of Hormuz: বড় কূটনৈতিক জয় দিল্লির! জয়শঙ্করের ফোনের পরেই হরমুজ দিয়ে ভারতগামী ট্যাঙ্কার ছাড়ল ইরান, তেল পৌঁছল মুম্বই

    Strait of Hormuz: বড় কূটনৈতিক জয় দিল্লির! জয়শঙ্করের ফোনের পরেই হরমুজ দিয়ে ভারতগামী ট্যাঙ্কার ছাড়ল ইরান, তেল পৌঁছল মুম্বই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের। বুধবার ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথা হয় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar)। এর পরেই হরমুজ প্রণালীতে সেফ প্যাসেজ পেল ভারতের অশোধিত তেলবাহী জাহাজ। ভারতের জ্বালানি বহনকারী ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার সবুজ সঙ্কেত দিল ইরান। বুধবার সন্ধ্যায় মুম্বই বন্দরে একটি জাহাজ পৌঁছেও গিয়েছে।  বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, হরমুজে (Strait Of Hormuz) আটকে থাকা ভারতের বাকি জাহাজগুলিও সেফ প্যাসেজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তেহরান। যুদ্ধের ১৩তম দিনে তেল সঙ্কটে ভোগা ভারতে স্বস্তি।

    ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলি যাতায়াতের অনুমতি

    মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে বিশ্ব। ইরানের হামলার আতঙ্কে থমকে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তৈল বাণিজ্য। কার্যত গোটা বিশ্বের জন্য হরমুজ বন্ধ করে দেয় ইরান। ব্যতিক্রম ছিল রাশিয়া এবং চিন। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ে গেল ভারতের। সূত্রের খবর, ইরানের বিদেশমন্ত্রক মৌখিকভাবে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলি যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে। ভারতীয় পতাকা লাগানো জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেবে ইরান, আক্রমণ করা হবে না তাকে। এমনটাই জানিয়েছে ইরান। তবে ইজরায়েল, আমেরিকা, এবং ইউরোপের সব জাহাজে এখনও নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভেলুশনারি গার্ড কোর।

    মোদি সরকারের কূটনৈতিক ‘কৌশল’

    মোদি সরকারের কূটনৈতিক ‘কৌশলে’ মন গলল ইরানের। হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দল ইরান। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই পুস্পক এবং পরিমল নামের দুই পণ্যবাহী জাহাজও নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বলেও খবর। শীঘ্রই ভারতের বন্দরে এই জাহাজ দু’টি পৌঁছবে। এছাড়া দেশ মহিমা, দেশ অভিমান, স্বর্ণ কমল, বিশ্ব প্রেরণা, জগ বিরাট, জগ লোকেশ এবং এলএনজিসি অসীম নামের জাহাজগুলি ইতিমধ্যেই আরব সাগরে পৌঁছে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী পার করে। একদিন আগেই ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জানা যাচ্ছে, এই ফোনালাপে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচল নিয়েও আলোচনা হয় আরাগাছি এবং জয়শঙ্করের মধ্যে। এর আগেও বার দু’য়েক ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন জয়শঙ্কর। বস্তুত গত দুসপ্তাহ ধরে লাগাতার ব্যাক চ্যানেলে আলোচনা চলছে দু’দেশের। তাতেই মিলল সাফল্য। আপাতত অন্তত হরমুজের ওপারে আটকে থাকা জাহাজগুলি নিরাপদে ফেরানোর অনুমতি পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।

    কেন ভারতকে অনুমতি

    ইরান যুদ্ধে শুরু থেকেইপ্রকাশ্যে ‘নিরপেক্ষ’ অবস্থান নিয়েছে। অন্তত । কিন্তু ভারত মহাসাগরে ভারতীয় জলসীমার অদূরে ইরানের রণতরীতে মার্কিন হামলার পর ভারত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে আবার হরমুজেই আক্রান্ত হয় ভারতীয় পণ্যবাহী একটি তাইল্যান্ডের জাহাজ। তাতে ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুও হয়। তারপরই মোদি সরকার ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তৎপরতা বাড়ায়। সেটারই সুফল মিলল। এর ফলে দ্রুত দেশের জ্বালানি সমস্যা মিটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    হরমুজ পার করে মুম্বই বন্দরে

    এদিকে বুধবার হরমুজ পার করে আসা একটি জাহাজ মুম্বইতে পৌঁছেছে। লাইবেরিয়ার পতাকা লাগানো ওই জাহাজটির নাম শেনলং সুয়েজম্যাক্স (Shenlong Suezmax)। ওই জাহাজে ছিল ভারতের জন্য জ্বালানি। গত ১ মার্চ জাহাজটি সৌদি আরবের রাস টানুরা বন্দরে ক্রুড অয়েল ভরেছিল । তার দু’দিন পরে সেটি ওই বন্দর থেকে রওনা দেয়। জাহাজের ক্যাপ্টেন ছিলেন এক ভারতীয়। ৮ মার্চ ওই জাহাজের শেষ সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছিল হরমুজ প্রণালীতে। জাহাজটিতে ছিল ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩৩৫ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল। মুম্বই পোর্ট অথরিটির ডেপুটি কনজারভেটর প্রবীণ সিং জানিয়েছেন, জাহাজে থাকা ক্রুড অয়েল পূর্ব মুম্বইয়ের মাহুলের রিফাইনারিতে নিয়ে যাওয়া হবে। মুম্বইয়ে শেনলংয়ের প্রতিনিধি জিতেন্দ্র যাদব জানান, শেনলং সুয়েজম্যাক্স জাহাজে ছিলেন ২৯ জন ভারতীয়, পাকিস্তানি এবং ফিলিপাইন্সের ক্রু। জাহাজে ক্যাপ্টেনের ভূমিকায় ছিলেন সুকান্ত সিং সান্ধু।

    কীভাবে ভারতে এল তেলবাহী জাহাজ

    লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি ১ মার্চ সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দর থেকে রওনা দেয়। সামুদ্রিক ট্র্যাকিং তথ্য থেকে জানা যায় যে, জাহাজটির সিগন্যাল শেষবার ৮ মার্চ হরমুজ প্রণালীর ভিতরে পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় দেখা গিয়েছিল, তারপর নিখোঁজ হয়ে যায়। এর থেকে বোঝা যায় যে, জাহাজের ক্রুরা বিপজ্জনক জলপ্রপাত অতিক্রম করার সময় জাহাজের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (AIS) এবং ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ফার্স্টপোস্টের এক প্রতিবেদন অনুসারে, উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সফলভাবে অতিক্রম করার পর, পরের দিন ভারতের দিকে যাত্রা শুরু করার সময় জাহাজটি আবার সামুদ্রিক ট্র্যাকিং সিস্টেমে দেখা দেয়।

    হরমুজ নিয়েই গত কয়েকদিনে উত্তেজনা

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলার পর ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছিল। হরমুজ দিয়ে কোনও জাহাজ পার করার চেষ্টা করলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। এই হরমুজ নিয়েই গত কয়েকদিনে আরও চড়েছে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের পারদ। একদিকে, ইরানের হুঁশিয়ারি—নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এই প্রণালী দিয়ে এক বিন্দু তেলও রফতানি হতে দেবে না তারা। অন্যদিকে আমেরিকার হুমকি—ইরান যদি হরমুজ প্রণালীতে মাইন পুঁতে অন্য দেশের জাহাজকে ধ্বংসের চেষ্টা করে, তবে ফল ভালো হবে না। সবমিলিয়ে এই জলপথ দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে বড় সমস্যা তৈরি হয়।

    হরমুজ প্রণালীর আশে পাশে ভারতীয় জাহাজের অবস্থান

    ভারতের শিপিংয়ের ডিরেক্টর জেনারেল জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ২৮টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এখনও হরমুজে আটকে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগে হরমুজ প্রণালী পার করে আটটি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ সমুদ্রের সুরক্ষিত অঞ্চলে পৌঁছে গিয়েছিল। এদিকে ভারতের জাহাজ পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ২৮টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ চলাচল করছে। এর মধ্যে ৬৭৭ জন ভারতীয় নাবিকসহ ২৪টি জাহাজ হরমুজ প্রণালীর পশ্চিমে এবং ১০১ জন ভারতীয় নাবিকসহ চারটি জাহাজ প্রণালীর পূর্ব দিকে অবস্থান করছে। ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টার একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে বলে মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে এবং প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা সমন্বয় করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • Calcutta High Court: আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কেন কার্যকর হচ্ছে না? ৭ দিনের মধ্যে রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কেন কার্যকর হচ্ছে না? ৭ দিনের মধ্যে রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat Scheme) কেন কার্যকর করা হচ্ছে না, তা নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপির তরফ থেকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে জনসাধারণকে বঞ্চনার কথা বলে মমতা সরকারকে কাঠগড়ায় নিয়ে গিয়েছে বিজেপি। এবার মামলা দায়ের হয়েছে উচ্চ আদালতে।

    কেন বঞ্চনা?

    দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat Scheme) প্রকল্প নিয়ে টানাপড়েন চলছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের নিজস্ব ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্প ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিচ্ছে। তবে বিরোধী পক্ষ এবং মামলাকারীর (Calcutta High Court) দাবি, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পটি জাতীয় স্তরের সুবিধা প্রদান করে, যা থেকে রাজ্যের মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। দেশের যে কোনও নাগরিককে স্বাস্থ্যখাতে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সুবিধার কথা যেখানে প্রকল্পে রয়েছে সেখানে এমন স্কিমে বঞ্চনা কেন তাই প্রশ্ন।

    মমতা সরকারের কঙ্কালসার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। মামলাকারীর পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয় যে, আয়ুষ্মান ভারত কার্ড থাকলে ভারতের যেকোনো প্রান্তের তালিকাভুক্ত হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব, যা অনেক ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে সম্ভব হয় না। উভয় পক্ষের প্রাথমিক বক্তব্য শোনার পর আদালত এই বিষয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে। যদিও বিজেপির দাবি, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কথা সর্বত্র প্রচার হলে মমতা সরকারের কঙ্কালসার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কথা আরও প্রচারতি হবে তাই তৃণমূল সরকার জনগণের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা করতে হচ্ছে।

    গত ডিসেম্বরে মামলা করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মামলা করে বলেছিলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও সোশাল ওয়েলফেয়ার প্রজেক্টই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করতে দেওয়া হচ্ছে না ৷ এগুলি বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক মানুষ, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা উপকৃত হবেন ৷ এই সরকার শ্রমিক বিরোধী৷ তাই আয়ুষ্মান ভারতের মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত করা নিয়ে মামলা করতে হচ্ছে ।”

    মামলার মূল বিষয়সমূহ

    শমীকের আইনজীবী বলেন, “এটা ভারত সরকারের একটা জনকল্যাণমুখী প্রকল্প (Ayushman Bharat Scheme) ৷ দেশের অন্যান্য রাজ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেখানকার মানুষ সুবিধা পেলেও, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৷ রাজ্য সরকার গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে একটি মউ স্বাক্ষর করেছিল ৷ কিন্তু, ২০১৯ সালে সেটা প্রত্যাহার করে নেয় ৷ ফলে এ রাজ্যের মানুষ আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে ৷”

    রাজ্য সরকার হলফ নামা দেবে

    এখন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারকে হলফনামা (Calcutta High Court) জমা দিয়ে জানাতে হবে, এই প্রকল্প কেন এখনো রাজ্যে চালু করা হয়নি। মামলাকারীর দাবি অনুযায়ী, কয়েক কোটি মানুষ এই কেন্দ্রীয় বিমা প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। রাজ্যের জবাব পাওয়ার পর আদালত এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গিয়েছে।

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই আইনি লড়াইয়ে কী অবস্থান নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলের। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার স্বার্থে এই আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের প্রকল্পকে (Ayushman Bharat Scheme) বাস্তবায়ন না করে আদালতে আইনজীবী দাঁড় করাবেন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • West Bengal Governor: লোকভবনে পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আরএন রবি

    West Bengal Governor: লোকভবনে পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আরএন রবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল (West Bengal Governor) হিসেবে পদে বসলেন আরএন রবি (R N Ravi)। বৃহস্পতিবার লোকভবনে রাজ্যপাল শপথ নিলেন আরএন রবি। তাঁকে এদিন শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক ব্যক্তিত্ব।

    বোসের জায়গায় স্থলাভিষিক্ত (West Bengal Governor)

    বুধবার সস্ত্রীক বাংলায় আসেন আরএন রবি। সন্ধ্যাতেই তিনি দিল্লি হয়ে কলকাতায় এসে পৌঁছান। সস্ত্রীক কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন এই নতুন রাজ্যপাল। তাঁকে স্বাগত জানাতে এয়ারপোর্টে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। সদ্য প্রাক্তন হয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আরএন রবি। তিনি ইতিমধ্যে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ব্যক্তিগত জীবন

    রবীন্দ্র নারায়ণ রবি (R N Ravi), সংক্ষেপে আরএন রবি, জন্ম ৩ এপ্রিল ১৯৫২ সালে বিহারের পাটনায়। ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী ছিলেন তিনি। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৭৬ ব্যাচের কেরালা ক্যাডারের আইপিএস অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তাঁর কেরিয়ারের বড় অংশ কেটেছে দেশের গোয়েন্দা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। দীর্ঘদিন তিনি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (IB)-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ২০১৪ সালে তিনি জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

    প্রশাসনিক দায়িত্ব

    আমলাতান্ত্রিক জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর রবীন্দ্র নারায়ণ রবি (R N Ravi) ২০১৯ সালের অগাস্টে নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি মেঘালয়ের রাজ্যপাল হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বও সামলান। পরে ২০২১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২১ সাল থেকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তামিলনাড়ুতে দায়িত্ব পালনকালে ডিএমকে সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের সঙ্গে তাঁর একাধিক সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছিল।

  • IPL 2026: আইপিএলের প্রথম ২০টি ম্যাচের সূচি প্রকাশ্যে, জেনে নিন কবে, কোথায়, কার বিরুদ্ধে খেলবে কলকতা

    IPL 2026: আইপিএলের প্রথম ২০টি ম্যাচের সূচি প্রকাশ্যে, জেনে নিন কবে, কোথায়, কার বিরুদ্ধে খেলবে কলকতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের প্রথম ২০টি ম্যাচের সূচি প্রকাশ্যে এল বুধবার। ২৮ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর বাকি সূচি ঘোষণা করা হবে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসমের বিধানসভা ভোট রয়েছে এপ্রিল-মে মাসে। বোর্ডের সূচি অনুযায়ী, ২৮ মার্চ শনিবার, বেঙ্গালুরু বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে আইপিএল। গত বার ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু। প্রথামাফিক তাদের ঘরের মাঠেই হবে উদ্বোধনী ম্যাচ। অর্থাৎ এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে খেলা হবে। বাকি ১৯টি ম্যাচ হবে মোট ১০টি মাঠে।

    কবে নামছে কলকাতা

    প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিনই নামছে কলকাতা। মুম্বইয়ে অ্যাওয়ে ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে খেলবে কলকাতা। ঘরের মাঠ ইডেনে কলকাতার প্রথম ম্যাচ ২ এপ্রিল। মোট চার দিন ‘ডবল হেডার’, অর্থাৎ দিনে দু’টি করে ম্যাচ রয়েছে। প্রথম ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ৩.৩০টে থেকে। দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা ৭.৩০টা থেকে। যে দিনগুলিতে একটি করে ম্যাচ, সেগুলি হবে সন্ধ্যা ৭.৩০টা থেকে। প্রথম ‘ডবল হেডার’ রয়েছে ৪ এপ্রিল, যে দিন দুপুরে দিল্লি মুখোমুখি মুম্বইয়ের।

    বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলি নিয়ে ধন্দ

    আইপিএলের সময়সূচি প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে, বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলি বিশেষজ্ঞ কমিটির অনুমোদনের পরেই আয়োজন সম্ভব হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, “বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলি কর্নাটক সরকারের মাধ্যমে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির অনুমোদনের অধীন। কমিটি ১৩ মার্চ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম পরিদর্শন করবে এবং বৈঠক করবে। সেই সময় আইপিএল ম্যাচ আয়োজনের জন্য স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ম্যাচের দিনের ব্যবস্থাগুলির একটি সম্পূর্ণ মাপের মক প্রদর্শনী করা হবে।” উল্লেখ্য, আরসিবি গত মরশুমে অর্থাৎ ২০২৫ সালে আইপিএলের খেতাব জিতেছিল, যার পরে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত দলের বিজয় মিছিলের সময় চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। এই হুড়োহুড়িতে ১১ জনের পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়াও অনেকে আহত হয়েছিলেন।

    রাহানের নেতৃত্বেই নাইটদের অভিযান

    বিশ্বকাপ শেষ হতেই বেজে গিয়েছে আইপিএল-এর (IPL 2026) রিংটোন। নতুন মরসুমে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। গতবার প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, তাই এবার দল সাজানো হয়েছে নতুন পরিকল্পনায়। তবে অধিনায়ক হিসেবে রাহানেকেই বেছে নিয়েছে কেকেআর শিবির। রাসেলের মতো দলের অনেক পুরানো সদস্য এবার আর পার্পল জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন না। তবে এবার ব্যাটিং থেকে বোলিং- সব দিক থেকেই মোটামুটি ‘ব্যালান্সড’ দল গড়ার চেষ্টা করেছে নাইট ম্যানেজমেন্ট। দলের শক্তি বাড়াতে এবার কলকাতার হয়ে খেলবেন বিশ্ব ক্রিকেট মাতিয়ে আসা একাধিক তরুণ ক্রিকেটার। সেই তালিকায় প্রথম নাম থাকবে ফিন অ্যালেনের (Finn Allen)। কিছুদিন আগেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইডেনের ‘মহানায়ক’ হয়ে উঠেছিলেন নিউজিল্যান্ডের এই বিস্ফোরক ওপেনার। শুধু অ্যালেন নয়, তাঁর জাতীয় দলে তাঁর ওপেনার সঙ্গী টিম সাইফার্টও (Tim Seifert) রয়েছে কেকেআর দলে। ফলে, এ বছর নাইটদের ওপেনিং জুটি যে বিস্ফোরক হতে চলেছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সেই সঙ্গে  এবার অলরাউন্ড বিভাগেও রয়েছে বড় চমক। মিডল অর্ডারে রয়েছেন আরও এক দুর্ধর্ষ কিইয়ি ব্যাটার রাচিন রবীন্দ্র (Rachin Ravindra)। রয়েছেন রোভম্যান পাওয়েল, রাহুল ত্রিপাঠী ও রামনদীপ সিং। থাকছেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন (Cameron Green)। এছাড়াও দলের মিডল অর্ডারে অজিঙ্ক রাহানের সঙ্গে দেখা যেতে পারে তরুণ মুম্বই ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশীকে (Angkrish Raghuvanshi)। নাইটদের ফিনিশারের ভূমিকায় তো রয়েইছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী তারকা রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। বোলিং বিভাগে দলের প্রধান অস্ত্র বরুণ চক্রবর্তী (Varun Chakravarthy) আর সুনীল নারিন।

    কলকাতা নাইট রাইডার্সের সূচি:

    ২৯ মার্চ ২০২৬ (রবিবার): কেকেআর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম
    ০২ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার): কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: ইডেন গার্ডেন্স
    ০৬ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার): কেকেআর বনাম পঞ্জাব কিংস: ইডেন গার্ডেন্স
    ০৯ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার): কেকেআর বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস: ইডেন গার্ডেন্স

    ২০২৬ আইপিএলে KKR-এর সম্পূর্ণ স্কোয়াড: অজিঙ্ক রাহানে, রিঙ্কু সিং, ক্যামেরন গ্রিন, রোভম্যান পাওয়েল, সুনীল নারিন, আংক্রিশ রঘুবংশী, অনুকূল রায়, হর্ষিত রানা, মনীশ পাণ্ডে, রামনদীপ সিং, উমরান মালিক, বৈভব অরোরা, বরুণ চক্রবর্তী, তেজস্বী সিং, ফিন অ্যালেন, কার্তিক ত্যাগী, প্রশান্ত সোলাঙ্কি, টিম সাইফার্ট, রাচিন রবীন্দ্র, রাহুল ত্রিপাঠী, দক্ষ কামরা, আকাশ দীপ, মাথিশা পাথিরানা, সার্থক রঞ্জন।

     

  • Char Dham Yatra 2026: চারধাম যাত্রা শুরুর আগে ৪৭টি মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল উত্তরাখণ্ড মন্দির কর্তৃপক্ষ

    Char Dham Yatra 2026: চারধাম যাত্রা শুরুর আগে ৪৭টি মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল উত্তরাখণ্ড মন্দির কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra 2026) শুরু হওয়ার ঠিক আগে উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি (BKTC) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বদ্রীনাথ ও কেদারনাথসহ তাদের আওতাধীন ৪৭টি মন্দিরে এখন থেকে অহিন্দুদের (Non Hindu) প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হিন্দু তীর্থধামে হিন্দু ব্যাতিত অন্য ধর্মের লোকজনকে প্রবেশের অধিকার না দেওয়ার ঘোষণায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষায় সিদ্ধান্ত (Char Dham Yatra 2026)

    বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির (Char Dham Yatra 2026) চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় এই ঘোষণাটি করেছেন। তিনি বলেন, “মন্দিরের পবিত্রতা ও দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ (Non Hindu) নেওয়া হয়েছে। কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব পাস হয়েছে যে, যারা সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী নন, তাদের এই পবিত্র মন্দিরগুলোর চত্বরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।”

    ‘‘মূর্তিপুজোয় বিশ্বাস করেন না যাঁরা, তাঁরা আসবেন না’’

    কমিটির (Char Dham Yatra 2026) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন তীর্থস্থানে অ-সনাতনীদের (Non Hindu) অশোভন আচরণ এবং ভিডিও রেকর্ডিং সংক্রান্ত অনেক অভিযোগ জমা পড়েছিল। মন্দিরের ‘মর্যাদা’ (Decorum) এবং ‘পবিত্রতা’ (Sanctity) বজায় রাখতেই এই বোর্ড বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় বলেন, “যাঁদের হিন্দু ধর্মে আস্থা নেই বা যাঁরা দেব-দেবীর মূর্তিপুজোয় বিশ্বাস করেন না, তাঁদের মন্দির প্রাঙ্গণে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। এটি কোনও পিকনিক স্পট নয়, এটি একটি পবিত্র আধ্যাত্মিক স্থান।”

    সাইন বোর্ড স্থাপন

    ৪৭টি মন্দিরের প্রবেশপথে স্পষ্ট করে সাইন বোর্ড লাগানো হবে যেখানে লেখা থাকবে— ‘অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ’। পরিচয়পত্র (Char Dham Yatra 2026) পরীক্ষা করা হবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মন্দির চত্বরে প্রবেশের সময় পরিচয়পত্র (আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড) পরীক্ষা করা হতে পারে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভীষণ ভাবে জোরদার করা হবে। পুলিশ এবং মন্দির প্রশাসনের নিরাপত্তা কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং নিয়মটি কঠোরভাবে (Non Hindu) পালিত হয়। যদিও এর আগে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে মন্দির চত্বরে মোবাইল ফোন ব্যবহার, রিল বানানো এবং ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার প্রবেশাধিকার নিয়ে এই বড় সিদ্ধান্ত এল।

    চারধাম যাত্রার সূচি

    ২০২৬ সালের চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra 2026) শুরু হতে চলেছে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে। গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রীর দরজা খোলার মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হবে। কেদারনাথ ও বদ্রীনাথের দরজা খোলার তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। মন্দিরের পরি কাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থ বর্ষে ১২১.৭ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এই টাকায় মন্দির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ। তীর্থ যাত্রীদের সুযোগ সুবিধা, এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন। বেতন এবং প্রশাসনিক ব্যয় থাকবে বাজেটে। ভক্তদের আগমনকে সুগম্য করতে সব ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

    কমিটির প্রশংসায় সাধু-সন্তরা

    এই সিদ্ধান্তের ফলে হিন্দু সংগঠনগুলো এবং সাধু-সন্তরা কমিটির প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপ তীর্থযাত্রার (Char Dham Yatra 2026) আধ্যাত্মিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করবে। তবে রাজনৈতিক মহলে এবং মানবাধিকার কর্মীদের একাংশ এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন, তাঁদের মতে এটি সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থী। উল্লেখ্য যে, এর আগেও উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি রাজ্যে ‘ল্যান্ড জিহাদ’ (Non Hindu) এবং জনবিন্যাস পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। মন্দির কমিটির এই সিদ্ধান্ত সেই একই ভাবধারার প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

  • LPG Crisis: অযথা আতঙ্ক নয়! গ্যাস বুকিংয়ের আড়াই দিনের মধ্যে সিলিন্ডার মিলবে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    LPG Crisis: অযথা আতঙ্ক নয়! গ্যাস বুকিংয়ের আড়াই দিনের মধ্যে সিলিন্ডার মিলবে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। এমনটাই দাবি করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের পেট্রলিয়াম মন্ত্রক বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে,  গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Crisis) নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রয়োজন ছাড়া শুধুমাত্র ভয়ে-ভয়ে আগেভাগে বুকিং করারও দরকার নেই। সরকারের মতে, বর্তমানে দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং করার প্রায় ২.৫ অর্থাৎ আড়াই দিনের মধ্যেই ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে।

    কোনও আতঙ্কের কারণ নেই

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ও হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার কেন্দ্রের পেট্রলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে গৃহস্থালির জন্য ১০০ শতাংশ এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং অযথা আতঙ্কিত হয়ে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বুক করার কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি, কেন্দ্র আশ্বাস দিয়েছে, রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের দু’-আড়াই দিনের মধ্যে সরবরাহ করা হবে। পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা। তিনি জানিয়েছেন, সঙ্কট আঁচ করে বাড়তি গ্যাস যাতে কেউ বুক করে না-রাখেন, তা নিশ্চিত করতে দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যেকার ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। খনিজ তেলের সরবরাহও নিয়ন্ত্রণে। ভারতে ঘরোয়া এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বেড়েছে। ঘরোয়া নয়, এমন এলপিজি (নন-ডোমেস্টিক)-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং অন্য জরুরি পরিষেবাগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    কেন ২৫ দিনের আগে গ্যাস বুক নয়

    পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে দেশে জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে ভয় পেয়ে অনেকে আগেভাগে গ্যাস বুক করে রাখছেন। এই ‘প্যানিক বুকিং’ মূলত ভুল তথ্যের কারণে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুজাতা। এই অহেতুক বুকিং যাতে বন্ধ করা যায় তাই দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যেকার ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। অতিরিক্ত বুকিং করলে সাপ্লাই সিস্টেমের উপর চাপ বাড়তে পারে এবং কৃত্রিম ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই এই সিদ্ধান্ত। তবে, গ্যাসের অপচয় বন্ধ করার আর্জিও জানিয়ে সুজাতা বলেছেন, ‘‘সম্ভব হলে গ্যাস সংরক্ষণ করুন।’’ ৭ মার্চ থেকে কলকাতায় ১৪.২ কেজির গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৯৩৯ টাকা। হোটেল-রেস্তরাঁয় রান্নার ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১১৪.৫০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৯৯০ টাকা।

    অন্য পথে আসছে খনিজ তেল

    খনিজ তেল, স্বাভাবিক গ্যাসের জোগানের উপর পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কী প্রভাব পড়েছে, দেশের জোগান কতটা, তার হিসেব দিয়েছে কেন্দ্র। সুজাতা বলেছেন, ‘‘খনিজ তেলের জোগান আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশে তেলের দৈনন্দিন খরচ প্রায় ৫৫ লক্ষ ব্যারেল। অন্তত ৪০টি দেশ থেকে খনিজ তেল আমদানি করি আমরা। হরমুজ প্রণালী দিয়ে যে তেল আসে, তা ব্যাহত হয়েছে। তবে ৭০ শতাংশ জোগানই আসছে অন্য রাস্তা দিয়ে। আর কিছু দিনের মধ্যে তেলবোঝাই আরও দু’টি জাহাজ আসছে। ফলে জোগান বাড়বে।’’ স্বাভাবিক গ্যাসের ক্ষেত্রে ভারতের মোট খরচ দৈনন্দিন ১৮.৯ কোটি মেট্রিক আদর্শ ঘনমিটার (এমএসসিএমডি)। তার মধ্যে ৯.৭৫ কোটি এমএসসিএমডি গ্যাস ঘরোয়া ভাবে উৎপাদন করা হয়। বাকিটা আমদানি করা হয়। সরকার জানিয়েছে, ৪.৭৪ কোটি এমএসসিএমডি-র জোগান পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের কারণে প্রভাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিকল্প রুটে জোগান বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে।

    দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা

    বর্তমানে ভারতের এলপিজি আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ বিদেশ থেকে আসে, যার প্রায় ৯০ শতাংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। সঙ্কট মোকাবিলায় দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গৃহস্থালি গ্রাহকের মতো অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অন্যদিকে রেস্তোরাঁ ও হোটেল শিল্পের পক্ষ থেকে বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের দাবিগুলি খতিয়ে দেখতে একটি আলাদা কমিটি গঠন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকারের দাবি, এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য ভর্তুকি দেবে। বর্তমানে দিল্লিতে একটি গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম প্রায় ৯১৩ টাকা, যা সরকারি হস্তক্ষেপ না থাকলে আরও বেশি হতে পারত বলে জানানো হয়েছে।

    গ্যাসের জোগান চক্রে কোনও পরিবর্তন হয়নি

    সুজাতা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি-র দাম যে পরিমাণ বেড়েছে, সেই অনুপাতে দেশে বাড়েনি। তা ছাড়া অনেক পড়শি দেশের চেয়েও ভারতে এলপিজি-র দাম কম। সুজাতা বলেন, ‘‘গ্যাসের জোগানের চক্রে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বুকিং করলে আড়াই দিনের মধ্যেই গ্যাস পাওয়া যাবে। আগে থেকে সিলিন্ডার বুক করার কোনও প্রয়োজন নেই। এটা একটা সঙ্কটময় পরিস্থিতি। কিন্তু ভারতে জোগান নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকার পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে। নাগরিকদের কাছে আমাদের অনুরোধ, ভয় পেয়ে বুকিং করবেন না। যেখানে সম্ভব গ্যাস সংরক্ষণ করুন।’’

    আসছে আরও দু’টি এলপিজি পরিপূর্ণ কারগো

    চিন্তার কোনও কারণ নেই, স্বাভাবিক থাকবে এলপিজি সরবরাহ। দেশের দিকে আসছে আরও দু’টি এলপিজি পরিপূর্ণ কারগো। এক কথায় তৃণমূল স্তরে তৈরি হওয়া জ্বালানি-উদ্বেগকে কাটাতে তৎপর হয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, ইতিমধ্য়ে প্রতিটি রাজ্যকে সেই গ্যাস ও জ্বালানির কালোবাজারি রুখতে পদক্ষেপ করতে বলেছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। গোটা বিশ্বের ৫৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নির্ভর করে থাকে হরমুজ প্রণালির উপর। ভারতে আসা ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে এই পথেই। যদিও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যৌথ সচিব জানিয়েছেন, “এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যে বিরাট বিপদ এগিয়ে এসেছে এমনটা নয়। ভারতের দৈনিক ৫৫ লক্ষ ব্যারল অপরিশোধিত তেলের প্রয়োজন। আমরা হরমুজের পরিবর্তে থাকা বিকল্প পথগুলি ব্যবহার করে যথেষ্ট তেল মজুত করেছি।”

  • Assembly Election 2026: দিল্লিতে শাহ-নবীনদের সঙ্গে বৈঠকে শমীক-শুভেন্দু, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা

    Assembly Election 2026: দিল্লিতে শাহ-নবীনদের সঙ্গে বৈঠকে শমীক-শুভেন্দু, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections 2026) আগে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে করলেন বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতারা (West Bengal BJP)। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (J P Nadda) বাসভবনে বুধবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya), রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-সহ বঙ্গ বিজেপির একাধিক শীর্ষ পদাধিকারী। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এই বৈঠকে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, খুব শিগগিরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। তার আগেই ২৯৪টি বিধানসভা আসনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    প্রার্থীতালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা

    বুধবার সন্ধ্যায় জেপি নাড্ডার বাড়িতে দীর্ঘ ৬ ঘণ্টার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আর তারপরই জোরালো জল্পনা বিধানসভা ভোটের জন্য বাংলার ২৯৪ আসনের প্রার্থী কি চূড়ান্ত করে ফেলেছে বিজেপি? শুধু মোদির অনুমোদনের অপেক্ষা। বুধবার সন্ধ্যায় জেপি নাড্ডার বাড়িতে বিজেপির বৈঠকে যোগ দিতে পৌঁছে যান বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটি শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, অমিতাভ চক্রবর্তী, অমিত মালব্য-সহ অন্যরা। বিজেপি সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল যে, প্রার্থী তালিকা নিয়েই আলোচনা হবে সেই বৈঠকে। দলীয় সূত্রে খবর, সম্প্রতি সংগঠনের উদ্যোগে শুরু হওয়া ‘পরিবর্তন যাত্রা’র রাজনৈতিক প্রভাব ও ফলাফল নিয়েও বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাজ্য নেতারা। একই সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীতালিকা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।

    আসন-ভিত্তিক কৌশল নির্ধারণ

    পাশাপাশি, বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে সংগঠনকে আরও মজবুত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে বুথস্তরে দলীয় কর্মসূচি সক্রিয়ভাবে চালানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংগঠনের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলি এবং কোথায় প্রচার আরও জোরদার করা দরকার—এই সব বিষয় নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এছাড়াও রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং আসনভিত্তিক কৌশল নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কোন কেন্দ্রে কোন দলের প্রভাব কতটা, সেই হিসেব করেই প্রাথমিক পর্যায়ে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

    আজ বৈঠক মোদির সঙ্গে

    বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত প্রায় সাড়ে ১২টা, প্রায় ৬ ঘণ্টা বৈঠকের পর জেপি নাড্ডার বাসভবন থেকে বেরিয়ে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলের পুরনো কর্মী ও সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে বলেই প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত মিলেছে। এবার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির বৈঠক। জানা যাচ্ছে, ওই বৈঠকেই কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হতে পারে।

    রাজ্যে ভোট ঘোষণা শীঘ্রই!

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। তাই বাংলার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী বাছাই নিয়ে জোর তৎপরতা ইতিমধ্যেই শুরু করেছে বিজেপি। আগামী ১৪ তারিখ কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা হওয়ার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই সভা শেষ হওয়ার পর যে কোনও সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার আগেই স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে বিজেপির রাজনৈতিক তৎপরতাও বাড়তে শুরু করেছে।

  • Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) পুরী জেলার এক মা তাঁর মেয়েকে ফিরে পেতে সরকারের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর অভিযোগ, একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তাঁর মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারটি এই ঘটনাকে “লাভ জিহাদ” (Love jihad) বলে অভিহিত করেছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মেয়ের উদ্ধার চেয়ে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। মুসলিম যুবক কীভাবে নিজের পরিচয় গোপন রেখে প্রমের ফাঁদে ফেলে বিবাহের নামে অন্যত্র নিয়ে চলে যায় তার আরও একটি ঘটনার প্রমাণ মেলায় শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে।

    অনলাইন যোগাযোগ (Love jihad)

    অভিযোগকারী মা জানিয়েছেন, সাবির নামে এক যুবক নিজেকে বাঙালি পরিচয় দিয়ে অনলাইনে তাঁর মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে। ধীরে ধীরে আবেগপ্রবণ কথাবার্তার মাধ্যমে সে ১৬ বছর বয়সি ওই নাবালিকাকে পরিচয় গোপন রেখে প্রতারণা (Love jihad) করে সম্পর্কের জালে জড়ায়। এরপর প্রেম এবং বিয়ের কথা বলে পালিয়ে যায় অন্যত্র।

    নিখোঁজ ও প্রাথমিক খোঁজ

    মেয়েটি ২০২১ সালের ২৭ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। পরিবার পুরী (Odisha) পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেছে। তদন্তের এক পর্যায়ে জানা গিয়েছে মেয়েটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে রয়েছে। মা পুলিশের সাহায্যে সেখানে গেলেও অভিযুক্ত সাবির মেয়েটিকে নিয়ে সেখান থেকে অন্যত্র পালিয়ে যায়। মায়ের সাফ দাবি, প্রেমের ফাঁদে ফেলে পাচার (Love jihad) করা হয়েছে মেয়েকে এবং বর্তমানে সে বাংলাদেশে বন্দি অবস্থায় রয়েছে। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য ওড়িশা ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই।

    সীমান্ত পার ও নির্যাতন

    নিখোঁজ মেয়ের মা অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে তাঁর মেয়েকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। মেয়েটি মাঝেমধ্যে ফোনে যোগাযোগ করতে পারে এবং জানিয়েছে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন (Love jihad) চালানো হচ্ছে। তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। গত ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে মেয়ের সঙ্গে শেষবার মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল মায়ের।

    পুলিশের পদক্ষেপ

    পুরীর (Odisha) পুলিশ সুপার প্রতীক সিং জানিয়েছেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং সংশ্লিষ্ট হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। মেয়েটিকে নিরাপদে (Love jihad) ফিরিয়ে আনতে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • RSS: দেশজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারে হয়েছে সংঘের গৃহ সম্পর্ক অভিযান, বললেন সুনীল আম্বেকর

    RSS: দেশজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারে হয়েছে সংঘের গৃহ সম্পর্ক অভিযান, বললেন সুনীল আম্বেকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) গত এক বছরের কাজের পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে হরিয়ানার (Haryana) সমলখায় তিন দিনব্যাপী এক গুরুত্বপূর্ণ অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক শুরু হতে চলেছে। আগামী ১৩ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই বৈঠক। সংঘের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা ‘অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা’র (ABPS) এই বৈঠকে সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর সাংবাদিক সম্মেলন করে সংঘের এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত প্রকাশ করেছেন।

    বৈঠকের মূল বিষয়সমূহ (Haryana)

    সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, হরিয়ানায় (Haryana) আরএসএস-এর (RSS) এই বৈঠকে সংঘ এবং সংঘের বিবিধ সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। যেমনসংঘ প্রধান মোহন ভাগবত ছাড়াও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এবং আরএসএস-এর ৩২টি সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা এই বৈঠকে অংশ নেবেন। মোট ১,৪৮৭ জন প্রতিনিধি এতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    শতবর্ষ উদ্‌যাপন

    এবছর আরএসএস-এর (RSS) শতবর্ষ পূর্ণ হওয়ায়, উদ্‌যাপনের অঙ্গ হিসেবে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন— গৃহসম্পর্ক অভিযান, হিন্দু সম্মেলন, যুব সম্মেলন এবং সামাজিক সম্প্রীতি সভা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত, ‘গৃহসম্পর্ক’ অভিযানের মাধ্যমে তারা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে।

    শাখা বিস্তার

    গত এক বছরে সংঘের কাজের পরিধি বেড়েছে। সারা দেশে প্রায় ৬,০০০ নতুন শাখা (RSS) খোলা হয়েছে। বৈঠকে এই বৃদ্ধির বিশদ রিপোর্ট পেশ করা হবে।  সংঘের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর আরও বলেন, “এই বৈঠকে আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে এবং সংঘের প্রশিক্ষণ শিবির অর্থাৎ সংঘ (RSS) শিক্ষা বর্গ ও কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ নিয়ে রূপরেখা তৈরি হবে।”

    অনলাইন আগ্রহ

    জানুয়ারী ২০২৫ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৬,৪৪৫ জন মানুষ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরএসএস-এ যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    গুরু রবিদাস জয়ন্তী

    বৈঠকে গুরু রবিদাসের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন নিয়েও আলোচনা হবে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত বছরব্যাপী সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা (RSS) দেশজুড়ে তাঁর জীবন ও আদর্শ প্রচারের কর্মসূচি পালন করবেন। হরিয়ানার (Haryana) পানিপথ জেলার সমলখায় আরএসএস-এর এই বার্ষিক সভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে সংগঠনের ভবিষ্যৎ অভিমুখ এবং শতবর্ষের কর্মসূচিগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

  • World Kidney Day 2026: তিরিশ পেরোলেই চিন্তা বাড়াচ্ছে কিডনি! ভারতে কেন বাড়ছে কিডনির সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা?

    World Kidney Day 2026: তিরিশ পেরোলেই চিন্তা বাড়াচ্ছে কিডনি! ভারতে কেন বাড়ছে কিডনির সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ আর বয়সের সীমারেখা মানছে না। তাই প্রৌঢ় কালের একাধিক রোগ এখন কুড়ির চৌকাঠ পেরনোর পরেই জানান দিচ্ছে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতোই ভারতে উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে কিডনির অসুখ। কম বয়সিদের মধ্যেও কিডনির কার্যকারিতা নিয়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তিরিশ বছরের পরেই অনেকেই কিডনির নানান সমস্যা নিয়ে ভুগছেন। ১২ মার্চ ওয়ার্ল্ড কিডনি ডে (World Kidney Day 2026)। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্ব জুড়ে কিডনির রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কিডনির অসুখ রুখতে রোগ সম্পর্কে সচেতনতার পাশপাশি পরিবেশ রক্ষা নিয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। তবেই সুস্থ জীবন যাপন সম্ভব।

    কিডনি সুস্থ রাখতে কেন পরিবেশ রক্ষার ডাক দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল?

    ওয়ার্ল্ড কিডনি ডে উপলক্ষে বিশ্ব জুড়ে কিডনির অসুখ সম্পর্কে একাধিক সচেতনতা কর্মসূচি চলছে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন কীভাবে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, সে সম্পর্কে সব মহলে পাঠ দেওয়া হচ্ছে। তবে, তার পাশপাশি কিডনি সুস্থ রাখতে পরিবেশ রক্ষা কতখানি জরুরি, সেটাও বোঝানো হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবেশ সুস্থ না থাকলে সুস্থ জীবন যাপন সম্ভব নয়। তাই পরিবেশ দূষণ নিয়ে সব মহলের সচেতনতা জরুরি। মারাত্মক দূষণ যেমন ফুসফুস, শ্বাসনালীর একাধিক রোগের কারণ হয়ে ওঠে, তেমনি দূষণের জেরে কিডনির অসুখের ঝুঁকিও বাড়ে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে পরিবেশ রক্ষা জরুরি। জল দূষণ, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে থাকলে কিডনির অসুখের ঝুঁকি কমবে। দূষিত পরিবেশ কিডনির উপরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাছাড়া চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিডনির অসুখ নিরাময়ের অন্যতম উপায় হলো ডায়ালিসিস। যার জন্য প্রচুর পরিমাণ জল এবং বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। পরিবেশ থেকেই এই উপাদান পাওয়া যায়। কিডনির অসুখে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে জল ও বিদ্যুতের চাহিদাও আরও বাড়বে। তাই প্রথম থেকেই জীবন যাপন ও পরিবেশ নিয়ে সচেতন থাকা জরুরি। যাতে রোগের বোঝা না বাড়ে‌।

    ভারতে কিডনির সমস্যা কতখানি উদ্বেগের?

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ভারতেও কিডনি আক্রান্ত উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে মোট প্রাপ্ত বয়স্কদের ১৩ শতাংশ কিডনির অসুখে আক্রান্ত। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশের বয়স ৪০ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে। প্রতি বছর ১০ লাখের বেশি মানুষ নতুন করে কিডনির রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে ভারতে ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে কিডনি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে তেলেঙ্গানা, গোয়া এবং কেরলে কিডনি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তবে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতিও‌ যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তথ্য অনুযায়ী, এ রাজ্যের প্রায় ৫০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কিডনির রোগে আক্রান্ত।

    কেন কিডনির অসুখের দাপট বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিডনির অসুখের অন্যতম কারণ ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ। এ দেশে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ মারাত্মক হারে বাড়ছে। তাই কিডনির অসুখের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাছাড়া, অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খাওয়ার ফলে কিডনির কার্যকারিতা কমছে। এ দেশের একাংশের মানুষ পরিশ্রুত পানীয় জল পান না। বিষাক্ত খনিজ সমৃদ্ধ অপরিশ্রুত জল খাওয়ার জেরে কিডনির অসুখের ঝুঁকি বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জীবন যাপন স্বাস্থ্যকর করা কতখানি জরুরি, সে সম্পর্কে সচেতনতা বাড়লে কিডনির রোগের বোঝাও কমবে।

LinkedIn
Share