Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Supreme Court: শরিয়ত এবং কাজি আদালতের নেই কোনও আইনি ক্ষমতা, গুরুত্বপূর্ণ রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: শরিয়ত এবং কাজি আদালতের নেই কোনও আইনি ক্ষমতা, গুরুত্বপূর্ণ রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনত বৈধ নয় ইসলামি আদালতের রায়। শরিয়ত এবং কাজি আদালতেরও নেই কোনও আইনি ক্ষমতা। এক গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায়ে একথা জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, শরিয়ত আদালত (Sharia Court) এবং কাজি আদালত আইনতভাবে স্বীকৃত নয়। তাই তাদের দেওয়া সিদ্ধান্ত কোনওভাবেই আইন দ্বারা প্রয়োগ করা যাবে না। ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝে সুপ্রিম কোর্টের এমন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    কী জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)?

    সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়েছে, কাজির আদালত, কাজিয়তের আদালত (দারুল কাজা) বা শরিয়ত আদালতের মতো ইসলামি আদালতগুলির কোনও আইনগত স্বীকৃতি নেই। অর্থাৎ ইসলামি আদালতের রায় এ দেশে কোনও সরকারি ক্ষমতা রাখে না।প্রসঙ্গত, এক মহিলার খোরপোষ নিয়ে দায়ের করার মামলার শুনানিতে এমন মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া এবং বিচারপতি আহসানাউদ্দিন আমানুল্লাহর বেঞ্চ এমন মন্তব্য করে। এমন পর্যবেক্ষণের সময় শীর্ষ আদালত ২০১৪ সালের একটি রায়ের উদ্ধৃতি দেয় এবং জানায়, শরিয়ত আদালত এবং ফতোয়ার আইনি স্বীকৃতি নেই।

    ভরণপোষণের জন্য প্রতিমাসে ৪ হাজার টাকা করে দিতে নির্দেশ

    উল্লেখ্য, একটি ইসলামিক পারিবারিক আদালত ওই মহিলাকে ভরণপোষণ বা খোরপোষ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীকালে এলাহাবাদ হাইকোর্টও এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যান ওই মহিলা। শুনানিতে পারিবারিক আদালতের পদ্ধতির সমালোচনা করেন বিচারপতি আমানউল্লাহ। তিনি জানান, কাজি আদালত, দারুল কাজা বা কাজিয়ত আদালত, শরিয়ত আদালতগুলির আইনগত কোনও স্বীকৃতিই নেই। তাদের সিদ্ধান্ত বাধ্যতামূলক নয়। এই সঙ্গেই ওই মহিলাকে ভরণপোষণের জন্য প্রতিমাসে ৪ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য আদালত তাঁর প্রাক্তন স্বামীকে নির্দেশ দিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ইসলামিক নিয়ম মেনে ওই মহিলা এবং তাঁর স্বামী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পরবর্তীকালে ২০০৫ সালে মহিলার স্বামী ভোপালের একটি ‘কাজি আদালতে’ বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা শুরু করেন।

  • Vaibhav Suryavanshi: বিস্ময় বালক! আইপিএলে ৩৫ বলে ১০০ করে ৫টি বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ১৪ বছরের বৈভব

    Vaibhav Suryavanshi: বিস্ময় বালক! আইপিএলে ৩৫ বলে ১০০ করে ৫টি বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ১৪ বছরের বৈভব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিস্ময় বালক, বৈভব সূর্যবংশী! ১৪ বছর ২৩ দিন বয়সে আইপিএল অভিষেক (IPL 2025) করে তিনি আগেই রেকর্ড করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত টুর্নামেন্টের কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার বৈভবই (Vaibhav Suryavanshi)। তবে সোমবার যা করলেন তা হয়তো কেউ কল্পনা করেননি। মাত্র ৩৫ বলে শতরান এল তাঁর ব্যাট থেকে! আইপিএলে সবথেকে কম বলে সেঞ্চুরি করা ভারতীয় ব্যাটার হয়ে গেলেন তিনিই। তাঁর শতরানে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে কুর্নিশ জানালেন স্বয়ং রাহুল দ্রাবিড়। এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছো জানিয়েছেন প্রাক্তন ‘হার্ড হিটার’ ইউসুফ পাঠান, মহম্মদ শামি, যুবরাজ সিংরা। যুবি সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘১৪ বছর বয়সে তুমি কী করছ! পলক না ফেলে দুনিয়ার সেরা বোলার নিয়ে ছেলেখেলা করলে। বৈভব সূর্যবংশী-নামটা মনে রেখো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিয়ে আমি গর্বিত।’

    রেকর্ড বুকে সূর্যবংশী

    সোমবার আইপিএলে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেছেন ১৪ বছরের রাজস্থান রয়্যালস তারকা বৈভব সূর্যবংশী। শুধু ২১০ রান তাড়া করে দলকে সহজ জয় এনে দেওয়া নয়, সেঞ্চুরি করে নিজেও গড়েছেন ৫টি বড় রেকর্ড।

    আইপিএলের ইতিহাসে সবথেকে কম বয়সে আইপিএলের হাফ সেঞ্চুরি করলেন বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Suryavanshi)। মাত্র ১৭ বলে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন ১৪ বছরের তারকা।

    শুধু আইপিএলের ইতিহাসে নয়, বিশ্বে টি-২০ ক্রিকেটের ইতিহাসে সবথেকে কম বয়সে সেঞ্চুরি করার অনন্য রেকর্ড গড়লেন বৈভব সূর্যবংশী। এর আগে ১৮ বছরের আগে কেউ বিশ্বে যে কোনও ধরনের টি-২০ ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করতে পারেনি।

    আইপিএলের ইতিহাসে সবথেক কম বয়স মাত্র ১৪ বছর ৩২ দিনে সেঞ্চুরি করলেন বৈভব সূর্যবংশী। ৩৮ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। ১১টি ছয় ও ৭টি চারে সাজানো তাঁর ইনিংস।

    এই সেঞ্চুরির সৌজন্যে আইপিএলের ইতিহাসে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সবথেকে দ্রুততম ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করলেন বৈভব সূর্যবংশী। এর আগে ইউসুফ পাঠান ৩৭ বলে সেঞ্চুরি কলেছিলেন।

    আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি গড়লেন বৈভব সূর্যবংশী। ৩০ বলে শতরান করে শীর্ষে ক্রিস গেইল। ১৮ বছর হওয়ার আগে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ছয় মারার নজির গড়েছে বৈভব। ইতিমধ্যেই ১৬টি ছয় হয়ে গিয়েছে তার।

    অবাক বিশ্ব

    লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে নিজের আইপিএল (IPL 2025) জীবনের প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন বৈভব (Vaibhav Suryavanshi)। সেই ম্যাচেই রেকর্ড করতে পারতেন হাফ সেঞ্চুরি করে। তবে অল্পের জন্য সেটা করতে পারেননি। বৈভব ২০ বলে ৩৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল ২টি চার ও ৩টি বিশাল ছক্কা। অর্ধ শতরান হাতছাড়া করে কেঁদে ফেলেছিলেন। তবে সোমবার গুজরাটের বোলারদের বলে বলে কাঁদালেন ১৪ বছরের ‘শিশু’।

  • Padma Awards 2025: পদ্মশ্রী অরিজিৎ-অশ্বিন! ৭১ জনের হাতে পদ্ম পুরস্কার তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Padma Awards 2025: পদ্মশ্রী অরিজিৎ-অশ্বিন! ৭১ জনের হাতে পদ্ম পুরস্কার তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়েছিল আগেই। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে ৭১ জনের হাতে পদ্ম-সম্মান (Padma Awards 2025) তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন বিকেলে রাষ্ট্রপতি ভবনে হয় পদ্ম সম্মান বিতরণ অনুষ্ঠান। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান প্রদান করা হয় সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতিদের। এদিন চারটি পদ্মবিভূষণ, ১০টি পদ্মভূষণ এবং ৫৭টি পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপকদের হাতে সম্মান তুলে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। পদ্মভূষণ গ্রহণের অনুষ্ঠানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ভারতীয় তারকারা এদিন উপস্থিত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনে।

    সোমবার সম্মানিত ৭১ জন

    ২০২৫ সালের মোট ১৩৯ জন পদ্ম সম্মান (Padma Awards 2025) প্রাপকের মধ্যে ৭১ জন সোমবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে তাঁদের সম্মান গ্রহণ করলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সোমবার ৪ জনকে পদ্মবিভূষণ, ১০ জনকে পদ্মভূষণ এবং ৫৭ জনকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেছেন।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বহু বিশিষ্ট সদস্য এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    পদ্মবিভূষণে সম্মানিত

    চলতি বছরের পদ্মবিভূষণ সম্মানপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক এমটি বাসুদেবন নায়ার (মরণোত্তর), যাঁর হয়ে স্ত্রী সরস্বতী এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। বাণিজ্য ও শিল্পে অবদানের জন্য মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে ভূষিত হয়েছেন সুজুকি মোটর কর্পোরেশনের প্রাক্তন সিইও প্রয়াত ওসামু সুজুকি। তাঁর হয়ে কিংবদন্তির পুত্র বর্তমান সিইও তোশিহিরো সুজুকি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। এছাড়া শিল্পক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী অবদানের জন্য প্রখ্যাত বেহালাবাদক এল. সুব্রহ্মণ্যমকে পদ্মবিভূষণে ভূষিত করা হয় এদিন। এছাড়া পদ্মবিভূষণ পান ডঃ দুব্বুর নাগেশ্বর রেড্ডি।

    পদ্মভূষণ যাঁরা

    পদ্মভূষণ প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন হকি কিংবদন্তি পিআর শ্রীজেশ, চলচ্চিত্র নির্মাতা শেখর কাপুর, বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার মোদি (মরণোত্তর), যাঁর হয়ে এই সম্মান গ্রহণ করেন স্ত্রী জেসি সুশীল মোদি। এদিন পদ্ম অনুষ্ঠানের (Padma Awards 2025) মঞ্চ থেকে কিংবদন্তি গজল শিল্পী পঙ্কজ উধাসকে মরণোত্তর সম্মানে সম্মানিত করা হয়। তাঁর স্ত্রী ফারিদা উধাস এই সম্মান গ্রহণ করেন। নন্দমুরি বালকৃষ্ণকে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হয়। তিনি বিশেষ এই দিনে অন্ধ্রপ্রদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে উঠেছিলেন। অজিত কুমারও পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হন। তাঁর পরনে ছিল স্যুট। তাছাড়াও শেখর কাপুর এবং শোভনাও পেয়েছেন পদ্মভূষণ।

    সম্মানের জন্য কৃতজ্ঞ

    জানুয়ারিতে যখন পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন অজিত কুমার একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। তাতে লেখা ছিল, ‘ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সম্মানিত পদ্ম পুরষ্কার পেয়ে আমি গভীর ভাবে বিনীত এবং সম্মানিত বোধ করছি। এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মানের জন্য আমি ভারতের মাননীয় রাষ্ট্রপতি শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মু এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এমন একটি স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য খুব সৌভাগ্যের বিষয় এবং আমাদের জাতির প্রতি আমার অবদানের এই স্বীকৃতির জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।’ অন্যদিকে, শেখর কাপুর এক্সে পোস্ট করেছিলেন, ‘ভারত সরকার আমাকে পদ্মভূষণের যোগ্য বলে বিবেচনা করেছে বলে আমি কৃতজ্ঞ। আশা করি এই পুরষ্কার আমাকে আমার শিল্পের সেবা করার জন্য আরও কঠোর পরিশ্রম করতে উৎসাহ দেবে। আমাদের ভারতীয় ছবির দর্শকদেরও ধন্যবাদ, কারণ আমি আছি, আপনারা আছেন বলেই।

    ক্রীড়াজগত থেকে সম্মানিত

    ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন সহ ৫৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এদিন পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন অশ্বিন। তবে আইপিএলে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার গ্রহণ করলেন অশ্বিন। শুধু অশ্বিন নয় পদ্ম পুরস্কার পেলেন ভারতীয় হকি দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক পিআর শ্রীজেশ। ভারতের হয়ে দুটি অলিম্পিক পদক জেতা শ্রীজেশ পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হলেন। শ্রীজেশ ভারতীয় সাবেকি পোশাক পাঞ্জাবি পরেছিলেন। গত ২৫ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে শ্রীজেশ-অশ্বিনদের নাম ঘোষণা করা হয়। পদ্মভূষণ পেলেন প্রাক্তন ফুটবলার বিজয়নও।

    অরিজিৎ, মমতাশঙ্কর-সহ ৯ বঙ্গ সন্তান সম্মানিত

    সঙ্গীতে নিজের অবদানের জন্য পদ্ম সম্মান পেলেন প্লেব্যাক গায়িকা জসবিন্দর নারুলা। এ ছাড়াও কিংবদন্তি সরোদ বাদক পন্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণও বাংলা থেকে পেলেন পদ্মশ্রী। নয় বঙ্গ সন্তানের সঙ্গেই পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত হলেন অরিজিৎ সিং। এবারের পদ্ম সম্মানের তালিকায় ছিল অরিজিৎ, মমতাশঙ্কর-সহ ৯ বঙ্গ সন্তানের নাম। তবে এদিন ছিল পদ্ম সম্মান প্রদানের প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান। উল্লেখ্য, বিশিষ্ট বৈদিক পন্ডিত গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়কেও পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়। অযোধ্যার রাম জন্মভূমি মন্দিরে রাম লালার অভিষেক এবং বারাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ করিডোরের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানের শুভ সময় নির্ধারণ করেছিলেন তিনি।

  • Pahalgam Attack: ‘আল্লাহু আকবর’ বলছে জিপলাইন অপারেটর, তারপরেই শুরু গুলি, ভাইরাল পর্যটকের ভিডিও

    Pahalgam Attack: ‘আল্লাহু আকবর’ বলছে জিপলাইন অপারেটর, তারপরেই শুরু গুলি, ভাইরাল পর্যটকের ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও (Pahalgam Attack) জঙ্গি হামলার ঘটনায় ফের সামনে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে জিপ লাইন অপারেটর যুবক, জিপলাইন শুরু হওয়ার আগে আচমকা বলে উঠছে ‘আল্লাহু আকবর’। পরপর তিনবার। এর পরেই জিপলাইনে থাকা পর্যটককে দড়িতে তুলে দেয় সে। ঋষি ভাট নামের পর্যটকের সেলফি ক্যামেরায় ধরা পড়ে একের পর এক হত্যালীলা। পর্যটক প্রথমে শব্দ শুনলেও, বিষয়টা অতটা বুঝতে পারেননি। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পিছনে গুলি লেগে পড়ে যাচ্ছেন এক পর্যটক। সবাই চিৎকার করছেন। প্রায় ১৫ ফুট উঁচুতে দড়িতে ঝুলছিলেন ওই পর্যটক। প্রথমটায় তিনি কিছুই বুঝে কী উঠতে পারেননি। এই ভিডিও সামনে আসতেই ওই জিপ লাইন অপারেটরকে ডেকে পাঠিয়েছে এনআইএ।

    কী বলছেন ঋষি ভাট?

    ঋষি ভাট তাঁর স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে যান পহেলগাঁওয়ে। একাধিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঋষি ভাট বলেন, “আমরা যখন জিপ লাইনে পৌঁছই, তখন কয়েকটা ছবি তুলি (Pahalgam Attack)। এরপর, আমরা জিপ লাইনের টিকিট কেটে জিপ লাইন শুরু করি। আমার স্ত্রী, পুত্র ও আরও চারজন জিপ লাইনে পার হয় প্রথমে। তারপর আমার জিপ লাইনে যাওয়ার পালা।” আচমকা অপারেটর তিনবার বলে ওঠে ‘আল্লাহু আকবর’। ওই অপারেটরকে সন্দেহের তালিকায় রাখছেন ঋষি। রাতে যখন তিনি তাঁর নিজের ক্যামেরায় তোলা ভিডিও দেখেন, তখনই বুঝতে পারেন, তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে ওই অপারেটর কী বলেছিলেন। এরপরেই ঠিক গোলাগুলি শুরু হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ঋষি।

    ৬-৭ ফুট দূরত্বেই কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ হতে দেখেন ঋষি

    হত্যালীলা শুরু হতেই (Pahalgam Attack) ওই পর্যটকের স্ত্রী যখন নীচ থেকে চিৎকার করেন, তখনই ঋষি বুঝতে পারেন তিনি বুঝতে পারেন কিছু একটা হচ্ছে। এরপরেই জিপ লাইনের দড়ি খুলে ১৫ ফুট উপর থেকে মাটিতে ঝাঁপ দিয়ে পড়েন তিনি। এরপর নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কোনওক্রমে পালিয়ে বাঁচেন তিনি। ঋষি ভাট আরও জানিয়েছেন, ৬-৭ ফুট দূরত্বেই কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ (Pahalgam Attack Video) হতে দেখেছেন তিনি নিজে। এরপরেই কোনওক্রমে দৌড়ে জঙ্গলে লুকিয়ে পড়েন তিনি।

    জিপলাইনে অন্যান্য পর্যটকরা সওয়ার হলে ‘আল্লাহু আকবর’ বলেনি ওই অপারেটর

    আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করে ঋষি ভাট জানিয়েছেন যে তাঁর আগে যে সমস্ত পর্যটকরা (Pahalgam Attack) জিপলাইনে সওয়ার হয়েছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ‘আল্লাহু আকবর’ বলেনি ওই অপারেটর। আবার যখনই পর্যটকের স্ত্রী এবং সন্তানরা পার হয় তখনও তাকে ‘আল্লাহু আকবর’ বলতে শোনা যায়নি। ওই পর্যটক বলেন, যখন আমি জিপলাইনে সওয়ার হলাম তখনই ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি দেয় ওই অপারেটর। এর পরেই গুলি চালানো শুরু হয়।

    আমার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে আমি দৌড়াতে শুরু করি

    এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,‘‘আপনারা ভিডিওতে (Pahalgam Attack Video) দেখতে পাচ্ছেন একজন লোক পড়ে যাচ্ছে। সেই মুহূর্তেই আমি বুঝতে পারলাম যে কিছু একটা সমস্যা এখানে হয়েছে। এরপরে আমি জিপলাইনে দড়িটিকে খুলে দিই। আর প্রায় ১৫ ফুট উঁচু থেকে লাফ দিয়ে পড়লাম। তখন আমার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে আমি দৌড়াতে শুরু করি। আমার মাথায় তখন অন্য কিছু আসেনি। শুধু আমার নিজের জীবন এবং আমার পরিবারের জীবন বাঁচানোর কথা ভাবছিলাম।’’ ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানিয়েছেন জঙ্গলের দিকে প্রথমে তিনি যান, তারপর পার্কিং এরিয়ার দিকে দৌড়াতে থাকেন। এরপর তিনি শ্রীনগরে চলে যান।

    তাঁর স্ত্রীর পাশে থাকা দুই দম্পতিকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা

    ঋষি ভট্ট নিজের কথা যেমন বলেছেন ওই সাক্ষাৎকারে, তেমনই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঠিক কী হয়েছে মাঠে সেটাও তিনি আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রীর পাশে আরও দুইজন দম্পতি ছিলেন। সন্ত্রাসবাদীরা এসে তাঁদের নাম এবং ধর্ম জিজ্ঞেস করে। তারপরেই তাঁদের উপরে গুলি চালায়। ঋষির মতে, ‘‘আমি রোপওয়েতে ছিলাম বলে আমার জীবন রক্ষা পেল। যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে থাকতাম। তাহলে জানিনা আমার কী হত।’’

    ১৮ মিনিটের মধ্যেই আসে সেনাবাহিনী

    প্রত্যেকটি পর্যটক যে দাবি করেছেন সেই একই দাবি উঠে এসেছে ঋষি ভাটের কথাতেও। অর্থাৎ জঙ্গিরা বেছে বেছে হিন্দু পর্যটকদের হত্যা করেছে। তাঁদের ধর্ম জিজ্ঞেস করেছে এবং তাঁরা কলেমা পড়তে পারে নাকি সে কথাও জেনেছে। তারপরেই হত্যা করা হয় হিন্দুদের। ঋষির আরও দাবি, যখন গুলি বর্ষণ শুরু হয়, তখন ঘটনাস্থলে কোনও স্থানীয় লোককে তিনি দেখতে পাননি। স্থানীয়রা প্রথমেই পালিয়ে যায়। তাই পর্যটকদের সাহায্য করার জন্য কেউ ছিল না। কিন্তু তাঁরা যখন জঙ্গলে পৌঁছান তার ১৮ মিনিটের মধ্যেই সেনাবাহিনী এসেছিল বলে জানিয়েছেন ঋষি।

  • Daily Horoscope 29 April 2025: রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায় লাভ হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 29 April 2025: রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায় লাভ হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মক্ষেত্রে অধিক পরিশ্রম করতে হবে, তখনই সমস্ত কাজ সম্পন্ন হতে পারে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা বাড়িতে অতিথি আগমনের ফলে ব্যয় বাড়তে পারে।

    ৩) পুরনো আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    বৃষ

    ১) পরিবারের কোনও বয়স্ক ব্যক্তির পরামর্শে কর্মক্ষেত্রে লাভবান হবেন।

    ২) ব্যবসায় উন্নতি সম্ভব।

    ৩) ছাত্ররা পরিশ্রম অনুযায়ী ফলাফল পাবেন।

    মিথুন

    ১) রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ২) সন্তানের তরফে সন্তোষজনক সংবাদ পাবেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ মজবুত হবে।

    ৩) জীবনসঙ্গীকে সমস্ত ধরনের সাহায্য প্রদান করবেন।

    কর্কট

    ১) সন্ধ্যাবেলা পরিজনদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।

    ২) বাবার পরামর্শে কর্মক্ষেত্রে লাভান্বিত হবেন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    সিংহ

    ১) পরিবারে অশান্তি থাকবে, যার ফলে মনের মধ্যে সন্তুষ্টি থাকবে না।

    ২) সাহস ও ধৈর্য সহকারে কাজ করুন, তাড়াহুড়োয় লোকসান হতে পারে।

    ৩) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়তে পারে।

    কন্যা

    ১) বিবাদ এড়িয়ে যান।

    ২) সন্ধ্যাবেলায় ব্যবসাতে ধনলাভ হবে।

    ৩) আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    তুলা

    ১) আইনি মামলা চললে, তাতে জয়ী হবেন।

    ২) রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায় লাভ হবে।

    ৩) সন্তানের সাফল্যের সংবাদ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) রাজনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে পরিশ্রম করবেন।

    ২) শত্রুরা দুর্বল থাকবেন।

    ৩) মামাবাড়ির তরফে ধনলাভ হতে পারে।

    ধনু

    ১) কিছু নতুন ব্যয় আসবে।

    ২) অনিচ্ছা সত্ত্বেও এই ব্যয় বহন করতে হবে, এর ফলে বাজেট নষ্ট হতে পারে।

    ৩) সন্ধ্যায় কোথাও ভ্রমণ করতে পারেন।

    মকর

    ১) রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে নতুন যোগাযোগ গড়ে উঠবে।

    ২) ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য দূরে যেতে হবে।

    ৩) প্রেম জীবন মজবুত থাকবে।

    কুম্ভ

    ১) টাকাপয়সার বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

    ২) লেনদেন এড়িয়ে যান।

    ৩) ব্যয় বেশি হওয়ায় ঋণ নিতে হতে পারে।

    মীন

    ১) জীবনসঙ্গীর উন্নতি দেখে আনন্দিত হবেন।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়ের স্বপ্নপূরণ হবে।

    ৩) অধিক অর্থ ব্যয় হবে আজ।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘জেহাদি আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু মন্দিরগুলির সংস্কার শুরু অক্ষয় তৃতীয়ায়, ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘জেহাদি আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু মন্দিরগুলির সংস্কার শুরু অক্ষয় তৃতীয়ায়, ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়া। ওই দিনই দিঘাতে জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই দিনই মুর্শিদাবাদ হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরগুলিকে সংস্কার করার কথা ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘অক্ষয় তৃতীয়ার দিন মুর্শিদাবাদ জেলার জেহাদিদের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু মন্দিরগুলির পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করব।’’ এর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিন্দু বিরোধী হিসেবে তোপ দেগে শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, এই সরকারের কাছ থেকে কোনও সাহায্য নেওয়া হবে না মন্দির সংস্কার করতে।

    মন্দিরগুলি জেহাদিদের ঘৃণ্য, নিন্দনীয় এবং বর্বরোচিত আক্রমণের চিহ্ন বহন করছে

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘‘অক্ষয় তৃতীয়ার দিন মুর্শিদাবাদ জেলার জেহাদিদের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু মন্দিরগুলির পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করব। বর্তমানে এই মন্দিরগুলি জেহাদিদের ঘৃণ্য, নিন্দনীয় এবং বর্বরোচিত আক্রমণের চিহ্ন বহন করছে। সমস্ত সনাতনী ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান যথাযথভাবে পালন করে শুদ্ধিকরণ এবং সংস্কার প্রক্রিয়া করা হবে। হিন্দু-বিরোধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কাছ থেকে কোনও আর্থিক সাহায্য গ্রহণ করা হবে না। আমি পুনরায় বলছি, সমস্ত খরচ হিন্দুরা নিজেরাই বহন করবে। মুর্শিদাবাদের হিন্দুদের তাঁদের গ্রামের ও পাড়ার মন্দিরে পুজো অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। এই মন্দিরগুলি আমাদের তীর্থস্থানের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।’’

    আক্রান্ত হিন্দুদের জন্য প্রার্থনার আবেদন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    নিজের এক ভিডিও বার্তায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘অক্ষয় তৃতীয়ার পূণ্য লগ্নে আপনাদের সনাতনী অভিনন্দন। আপনারা জানেন গত ১১ ও ১২ এপ্রিল মুর্শিদাবাদ জেলার সামসেরগঞ্জ ও ধুলিয়ান এলাকায় বিস্তীর্ন এলাকাজুড়ে হিন্দুদের সংখ্যা শূন্য করার জন্য জেহাদি, সন্ত্রাসী ও শাসকদল তৃণমূলের মদতপুষ্ঠ রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি হিন্দু গ্রামগুলিতে হামলা হয়েছিল। মন্দির কমিটিগুলির (Hindu Temple) হাতে প্রাথমিকভাবে পুনর্নির্মাণের জন্য অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে। ৩০ তারিখ সকাল ১০টার সময় পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের সঙ্গে সনাতনী প্রথা অনুসারে শুদ্ধিকরণের মাধ্যমে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হবে। বিশ্বের যে যেখানে হিন্দুরা আছেন, বাংলা ভাষা বুঝতে পারেন তাদের কাছে একটাই আবেদন এই ৯টি মন্দির শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ সহ কাশ্মীর সহ জঙ্গিদের হাতে, পাকিস্তান প্রেমীদের হাতে আক্রান্ত হিন্দুদের জন্য প্রার্থনা করুন।’’

  • Pahalgam Terror Attack: ভারতের ভয়ে বিদেশ পালালেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির! প্রাণভয়ে কোথায় লুকোলেন, জল্পনা সোশ্যাল মিডিয়ায়

    Pahalgam Terror Attack: ভারতের ভয়ে বিদেশ পালালেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির! প্রাণভয়ে কোথায় লুকোলেন, জল্পনা সোশ্যাল মিডিয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরীহ হিন্দু পর্যটক খুনের (Pahalgam Terror Attack) ঘটনায় আগুনে ফুটছে ভারত। পাকিস্তানের উপর প্রত্যাঘাত শানাতে কূটনৈতিক ও সামরিক— দু’ধরনের প্রস্তুতিই নিচ্ছে নয়াদিল্লি। এরই মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে, ভারতের ভয়ে নাকি পাকিস্তান ছেড়ে সপরিবারে বিদেশ পালিয়েছেন পাক সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির (Asim Munir)।

    কোথায় আছেন মুনির

    পহেলগাঁও কাণ্ডের পর ইসলামাবাদের উপর নয়াদিল্লি চাপ বাড়াতেই সমাজমাধ্যমে জেনারেল মুনিরকে নিয়ে একাধিক খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়তেই পাক সেনাপ্রধান দেশে ছেড়ে চম্পট দিয়েছেন বলে জল্পনা তীব্র হয়েছে। সেই কারণেই গত ২ দিন ধরে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না, দাবি সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের। এ ব্যাপারে স্থানীয় সূত্রকে উদ্ধৃত করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলিও একাধিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ওই সব প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেনাপ্রধান জেনারেল মুনির অভিযানে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। আর তাই নাকি তাঁর নাম ‘মিসিং ইন অ্যাকশন’ বা এমআইএতে রেখেছে রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদর দফতর। অনেকে বলছেন, অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কিছু অফিসারকে নিয়ে রাওয়ালপিন্ডির একটি বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছেন জেনারেল মুনির।

    ‘মুনির আউট’ ট্রেন্ডিং

    ‘মুনির আউট’ (Munir Out) হ্যাশট্যাগটি পাকিস্তানসহ ভারতেও ট্রেন্ডিং হয়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে মুনির এবং তার পরিবার পাকিস্তান ত্যাগ করেছেন। কিছু অনির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, মুনির, আইএসপিআর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিক এবং চেয়ারম্যান জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি জেনারেল সাহির শামশাদ মিরজা যুক্তরাজ্য ও নিউ জার্সি, যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন। তবে, এসব তথ্যের কোনও সরকারি প্রমাণ পাওয়া যায়নি।​ যদিও এই দুই খবরই জল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইসলামাবাদ। তারা জানিয়েছে ঠিক রয়েছেন মুনির। গত ২৭ এপ্রিল জেনারেল মুনিরের একটি গ্রুপ ছবি এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দফতর। সেখানে একাধিক সেনা অফিসার এবং প্রধানমন্ত্রী শরিফের সঙ্গে পাক সেনাপ্রধানকে সামনের সারিতে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল ওই ছবি অ্যাবটাবাদের সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তোলা হয় বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ।

    পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জনমত

    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত পাকিস্তান সম্পর্কের অবনতির পাশাপাশি, পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জনমতও তীব্র হয়েছে। অনেক পাকিস্তানি নাগরিক সোশ্যাল মিডিয়ায় মুনিরের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে ‘#ResignAsimMunir’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছেন। একজন প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা দাবি করেছেন, মুনির আইএসআইকে পহেলগাঁও হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।​ এদিকে, ভারতীয় সোশ্যাল মিডিয়াতেও ‘#PakistanBehindPahalgam’ হ্যাশট্যাগে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও আইএসআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

  • Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলরা জবাবে ভারতে নিষিদ্ধ ১৬ পাক ইউটিউব চ্যানেল, নোটিশ বিবিসি-কেও

    Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলরা জবাবে ভারতে নিষিদ্ধ ১৬ পাক ইউটিউব চ্যানেল, নোটিশ বিবিসি-কেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার (Pahalgam Terror Attack) জবাবে এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’ ভারতের। এর আগে পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে প্রায় সবরকম কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর এবার বেশকিছু পাকিস্তানি ইউটিউব চ্যানেল (Pakistan Youtube Channel) ব্যান করল ভারত (India)। উল্লেখ্য, এর আগে নিষিদ্ধের তালিকায় ছিল পাকিস্তান সরকারের সোশ্যাল মিডিয়া, এবং পাক সংবাদমাধ্যমের সোশ্যাল সাইট। আর এবার নিষিদ্ধ করা হল পাকিস্তানি সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল। ভারতে বসে আর পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম বা অন্য কোনও ব্যক্তির ইউটিউব চ্যানেল দেখা যাবে না। এই চ্যানেলগুলির সম্মিলিত গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৩০ লক্ষপাশাপাশি বিবিসি-কেও চিঠি লিখে সতর্ক করা হয়েছে।

    কোন কোন চ্যানেল বন্ধ

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, সিন্ধু জল চুক্তি, বন্ধ সীমান্ত, পাকিস্তানিদের আর দেওয়া হবে না ভিসা-ও। এবার আরও এক বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের। ডন নিউজ, ইরসাদ ভাটি, সামা টিভি, এআরওয়াই নিউজ, বোল নিউজ, রফতার, দ্য পাকিস্তান রেফারেন্স, জিও নিউজ, সামা স্পোর্টস, জিএনএন, উজায়ের ক্রিকেট, উমর চিমা এক্সক্লুসিভ, আসমা সিরাজি, মুনিব ফারুক, শুনো নিউজ, রাজি নামা নামের চ্যানেলগুলি ব্যান করা হয়েছে। ভারতীয় ইউজাররা এখন এসব ইউটিউব চ্যানেল দেখতে গেলে একটি বার্তা দেখতে পাচ্ছেন। দেখাচ্ছে, “এই বিষয়বস্তু এই দেশে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে না, কারণ এটি জাতীয় নিরাপত্তা বা আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কারণে সরকারের নির্দেশে সরানো হয়েছে। সরকারি অনুরোধ সম্পর্কে আরও জানতে গুগল ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট দেখুন।” প্রসঙ্গত, আজ সরকারি তরফে যে সমস্ত অ্যাকাউন্টের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে অনেক চ্যানেলকেই চিরতরে ‘সাসপেন্ড’ করা হয়েছে। অর্থাৎ, পাকিস্তানের ওই সমস্ত চ্যানেলে কোনওদিন ভারত থেকে ‘অ্যাকসেস’ করা যাবে না। যদিও অ্যাকাউন্ট ব্যানড হলেও সেখানে আপলোড করা অনেক পুরনো ভিডিও ইউটিউবের অ্যাপ ও ওয়েবসাইট—দু’জায়গাতেই দেখা যাচ্ছে।

    বন্ধ আখতারের চ্যানেলও

    প্রাক্তন ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের চ্যানেলও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ভারতে। যার সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ৩৫ লক্ষ। উল্লেখ্য, রশিদ লতিফ, বাসিত আলির মতো একাধিক ক্রিকেটারের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হলেও ভারতে তাদের বাজার বেশ জনপ্রিয়। কেন্দ্রের কোপে আপাতত সমস্ত চ্যানেলই ‘ব্যানড’। এই তালিকায় রয়েছেন শোয়েব আখতারও। যদিও বাকিদের চেয়ে কয়েক কদম এগিয়ে ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’। বিভিন্ন বিষয়ে অকপট মন্তব্যের জন্য দুই মুলুকের তামাম ক্রিকেটভক্তের মধ্যে সুখ্যাতি রয়েছে শোয়েবের।

    কেন বন্ধ চ্যানেলগুলি

    সরকারের অভিযোগ, পাকিস্তানি ইউটিউব চ্যানেলগুলিতে ভারত, ভারতীয় সেনা ও গোয়েন্দা বাহিনীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক, সাম্প্রদায়িক ও মিথ্যা প্রচার করা হচ্ছে। সেই কারণেই ইউটিউব চ্যানেলগুলি বন্ধ করে দেওয়া হল। সরকারি সূত্রে খবর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পরামর্শেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সম্প্রতিই কেন্দ্রের নজরে এসেছে যে পাকিস্তানের ইউটিউব চ্যানেলগুলিতে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর তথ্য় সম্প্রচার করা হচ্ছে। বিশেষ করে পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার পর এমন কিছু কন্টেট পোস্ট করা হচ্ছে, যা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বা হিংসার সৃষ্টি করতে পারে। জাতীয় সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই পাকিস্তানি ইউটিউব চ্যানেলগুলি ব্যান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিবিসি-র উপর ক্ষুব্ধ সরকার

    অন্যদিকে, কেন্দ্রের তরফে বিবিসি-কেও চিঠি লিখে সতর্ক করা হয়েছে তাদের সংবাদ পরিবেশন নিয়ে। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার খবরের শিরোনামে লেখা ছিল “কাশ্মীরের হামলার পর পাকিস্তান ভারতীয়দের জন্য ভিসা বন্ধ করল।” এছাড়া সন্ত্রাসবাদী হামলাকেও ‘মিলিট্যান্ট অ্যাটাক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই কেন্দ্রের তরফে বিবিসি ইন্ডিয়ার প্রধান জ্যাকি মার্টিনকে চিঠি লেখা হয় এবং জানানো হয় যে বিদেশ মন্ত্রক বিবিসির রিপোর্টিংয়ে নজর রাখবে।

    মোদি-রাজনাথ বৈঠক

    এর আগে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হামলা চালায় লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট। ২২ এপ্রিলের ওই নাশকতায় প্রাণ হারান ২৬ জন। তাঁদের অধিকাংশই ভারতীয় হিন্দু পর্যটক। এই হামলার প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক একটি বিবৃতি পেশ করে। যেখানে বলা হয়, ‘উস্কানিমূলক ও ‘সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীল কন্টেন্ট তৈরি, বিভ্রান্তিমূলক ন্যারেটিভ বানানো এবং ভারত নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের ইউটিউব চ্যানেলগুলি ব্যান করা হল।’ এরপর কোন কোন চ্যানেল পুরোপুরি নিষিদ্ধ, তার তালিকা পেশ করেছে কেন্দ্র। সামা টিভি, ডন নিউজ, ইরশাদ ভাট্টি-র মতো একগুচ্ছ চ্যানেল এই তালিকায় রয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। পাকিস্তানের বিরদ্ধে কোন পথে সেনা এগোবে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা, রাশিয়া-সহ গোটা বিশ্বই।

  • Pakistan: পেটে নেই খাবার, মুখে যুদ্ধের জিগির! পাকিস্তানে মুরগির মাংস ৮০০ টাকা, চালের দর ৩৪০ টাকা কেজি

    Pakistan: পেটে নেই খাবার, মুখে যুদ্ধের জিগির! পাকিস্তানে মুরগির মাংস ৮০০ টাকা, চালের দর ৩৪০ টাকা কেজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা পাক নেতারা হুমকি দিচ্ছেন ভারতের ওপর পরমাণু হামলা চালানোর। কিন্তু নিজের দেশের অন্দরের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! খাবার সংস্থান করাই পাকিস্তানের (Pakistan) কাছে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। সেদেশে খাদ্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। চাল, আটা, সবজি, ফল ও মাংসের দাম অনেক বেশি (Pakistan Faces Food)। অবস্থা এতটাই খারাপ জায়গায় পৌঁছেছে যে মুরগির মাংসের দাম পাকিস্তানি মুদ্রায় ছুঁয়েছে প্রায় ৮০০ টাকা। অন্যদিকে, চালের দাম ছুঁয়েছে ৩৪০ পাকিস্তানি মুদ্রা। এই আবহে অনেকেই কটাক্ষ করে বলছেন, আগে পাকিস্তান নিজেদের খাদ্যের সংস্থান করুক, তারপর না হয় ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা ভাববে।

    নিজের পায়েই কুড়ুল মেরেছে পাকিস্তান (Pakistan)

    ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করতেই পাকিস্তানজুড়ে খাদ্য সংকট আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত অর্থবর্ষেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ৩৮৩৮.৫৩ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছিল। এবার নতুন অর্থবর্ষ শুরু হতেই পাকিস্তানের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে আটারি-ওয়াঘা সীমান্ত। অমৃতসরের এই সীমান্ত দিয়েই মূলত আমদানি রফতানি হয় পাকিস্তান, আফগানিস্তানে। কিন্তু পাকিস্তান আগ বাড়িয়ে বাণিজ্য স্থগিত করে নিজের পায়েই কুড়ুল মেরেছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    এক কেজি মুরগির মাংসের দাম ৭৯৮ পাকিস্তানি মুদ্রা, চালের দাম ৩৪০ পাকিস্তানি মুদ্রা

    ভারত থেকেই পাকিস্তান (Pakistan) এতদিন অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ, বিভিন্ন কেমিক্যাল, খাদ্যপণ্য, মাছ-মাংস, ফল, সবজি, জিপসাম ও লবণ আমদানি করত। বর্তমানে যদি পাকিস্তানের বাজারের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের বাজারে এক কেজি মুরগির মাংসের দাম ৭৯৮ পাকিস্তানি মুদ্রা। অন্যদিকে, চালের দাম ছুঁয়েছে প্রতি কেজি ৩৩৯ পাকিস্তানি মুদ্রা! জানা যাচ্ছে, এক ডজন মুরগির ডিমের দাম পাকিস্তানে ৩৩২ পাকিস্তানি মুদ্রা, এক লিটার দুধের দাম সেখানে ২২৪ পাকিস্তানি মুদ্রা।

    আলুর দাম প্রতি কেজি ছুঁয়েছে ১০৫ পাকিস্তানি মুদ্রা

    অন্যদিকে, ৫০০ গ্রাম পাউরুটির দামই রয়েছে ১৬১ পাকিস্তানি মুদ্রা, আলুর দাম প্রতি কেজি ছুঁয়েছে ১০৫ পাকিস্তানি মুদ্রা। আপেলের দাম সেখানে কেজি প্রতি ২৮৮ টাকা, কলার দাম ছুঁয়েছে ১৭৬ পাকিস্তানি মুদ্রা। এই আবহে পাকিস্তানে ইতিমধ্যেই ওষুধ সঙ্কটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারত থেকেই ৩০-৪০ শতাংশ ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য আমদানি করে পাকিস্তান। বাণিজ্য বন্ধ হতেই বাজারে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের বিরাট সঙ্কট দেখা দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    মূল্যবৃদ্ধি আরও বাড়বে পাকিস্তানে

    প্রসঙ্গত, ভারতবর্ষের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য পাকিস্তানের বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তৃতীয় দেশের মাধ্যমে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ব্যবসা চলতে থাকে। ভারতের বেশিরভাগ জিনিসই পাকিস্তান আমদানি করতে থাকে আফগানিস্তান এবং অন্যান্য দেশ থেকে। সম্প্রতি, তৃতীয় দেশের মাধ্যমেও বাণিজ্য বন্ধের কথা ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বন্ধের ফলে পাকিস্তানের অর্থনীতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এর ফলে ওষুধ সহ খাদ্য সামগ্রীর জিনিসপত্রে ঘাটতি তৈরি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। যার ফলে যে মূল্যবৃদ্ধি পাকিস্তানে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে তা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাকিস্তানে ভারত জিপসাম এবং লবণ ছাড়াও বিপুল পরিমাণে ওষুধ রাসায়নিক, সবজি, হাঁস মুরগির খাবার এবং শুকনো ফল রফতানি করত এতদিন।

    এক কোটিরও বেশি পাকিস্তানিকে অনাহারে ভুগতে হবে, রিপোর্ট বিশ্ব ব্যাঙ্কের

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের অবস্থা যে খুবই খারাপ হতে চলেছে আগামী দিনে, তার ভয়াবহ ভবিষ্যদ্বাণী শোনা গিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্কের একটি রিপোর্টেও। সেখানে বলা হচ্ছে যে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে চলেছে পাকিস্তান। চলতি আর্থিক বছরে তাদের দারিদ্রতার মাত্রা আরও ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। শুধু তাই নয়, এক কোটিরও বেশি পাকিস্তানিকে অনাহারে ভুগতে হবে বলে নিজেদের রিপোর্টে জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক।

    ২০২৫ সালেই চরমভাবে অনাহার দেখা দেবে পাকিস্তানে

    ওই রিপোর্ট অনুসারে, পাকিস্তানের (Pakistan) বর্তমান পরিস্থিতিতে ধান এবং ভুট্টা উৎপাদনের ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এই কারণে এক কোটিরও বেশি পাকিস্তানি তীব্র খাদ্য নিরাপত্তার সম্মুখীন হবেন। ২০২৫ সালেই চরমভাবে অনাহার দেখা দেবে পাকিস্তানে। বিশ্বব্যাঙ্কের ওই রিপোর্টে পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক নীতি এবং ঋণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে সতর্ক করা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বে যে সরকার চলছে তা বাজেট ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংঙ্কের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রতিবছর ২ শতাংশ হারে যদি বাড়তেই থাকে, তাহলে আগামী দিনে অর্থনৈতিক অবস্থা দেশটির আরও খারাপ হবে।

  • NIA: হামলায় পাকিস্তান যোগ স্পষ্ট, পহেলগাঁওয়ের তদন্তভার নিল এনআই, ২০ এপ্রিলের আগে রেইকি করে জঙ্গিরা

    NIA: হামলায় পাকিস্তান যোগ স্পষ্ট, পহেলগাঁওয়ের তদন্তভার নিল এনআই, ২০ এপ্রিলের আগে রেইকি করে জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে (Pahalgam Aerror Attack) ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়। ধর্ম বেছে বেছে হিন্দু পর্যটকদের হত্যা করা হয়। পাকিস্তানের মদতে সংঘটিত হওয়া এই হত্যাকাণ্ডে লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট বা টিআরএফ এই হত্যা লীলা চালিয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এবার পেহেলগাঁও কাণ্ডের তদন্তভার নিল এনআইএ (NIA)। রবিবার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। নিজেদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এনআইএ জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্র উন্মোচনের জন্য পুরো এলাকা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তাঁরা। অন্যদিকে, এই ঘটনায় পাকিস্তান যোগের প্রমাণও মিলেছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। ২০ এপ্রিলের আগেই জঙ্গিরা হামলার স্থান রেকি করে যায়।

    জঙ্গিদের প্রবেশ ও প্রস্থান পথকে পর্যবেক্ষণ করছে এনআইএ (NIA)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের কাছ থেকে এই মামলার যাবতীয় দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে এনআইএ। এনআইএ-র (NIA) ইন্সপেক্টর জেনারেল বিজয় সাখারের নেতৃত্বে একজন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল এবং একজন পুলিশ সুপারিটেনডেন্টের সমন্বয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। এরপরেই এনআইয়ের দল পেহেলগাঁওয়ে অবস্থিত বৈসরনে যেখানে হামলা চালানো হয় সেখানে তদন্তে নামে। এনআইয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। যাঁরা নিজেদের চোখের সামনে এই হত্যালীলা সংঘটিত হতে দেখেছিলেন। সন্ত্রাসবাদীদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার জন্য তদন্তকারী দলগুলি বৈসারনে জঙ্গিদের প্রবেশ ও প্রস্থান পথকেও পর্যবেক্ষণ করছে। একইসঙ্গে ফরেনসিক এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞ দল সেখানে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করছে, যাতে সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রকে উন্মোচন করা যায়।

    ২০ এপ্রিলের আগেই পহেলগাঁওয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে জঙ্গিরা

    এনআইএ-র (NIA) তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যান্য রাজ্যে যে সমস্ত পর্যটক পহেলগাঁও হামলার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছেন, তাঁদের বক্তব্য রেকর্ড করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বর্তমানে জেলে থাকা লস্কর-ই-তৈবা, জৈশ-ই-মহম্মদ এবং অন্যান্য মৌলবাদী সংগঠনের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। আতস কাচের তলায় রয়েছে অসংখ্য সহযোগী, তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, পহেলগাঁও হামলায় জড়িতদের খোঁজে চলছে চিরুনি তল্লাশি। এই কাজে একসঙ্গে যৌথ অভিযান চালাচ্ছে সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। এনআইএ-র তরফ থেকে তদন্তে উঠে এসেছে যে ২০ এপ্রিলের আগেই পেহেলগাঁওয়ের (Pahalgam Aerror Attack) বৈসরনে এবং আশেপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপরে নজরদারি চালিয়েছিল ওই জঙ্গিরা।

    পাকিস্তান যোগের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে

    ইতিমধ্যে একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছে বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে মুজাফফরবাদ এবং করাচির কিছু জায়গায় যোগ রয়েছে এই সন্ত্রাসী হামলায়। তাই স্বাভাবিকভাবে এখানে পাকিস্তানের হাত স্পষ্টভাবেই রয়েছে। ঠিক যেমনটা ২৬/১১ তে মুম্বাই হামলার সময় পাকিস্তান করেছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে যে তথ্য অনুযায়ী, চার থেকে পাঁচ জন সন্ত্রাসবাদি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। তাদের কাছে অত্যাধুনিক মাধ্যমের যোগাযোগ যন্ত্র ছিল। এদের মধ্যে কেউ কেউ সামরিক পোশাকও পরেছিল এবং হাতে ছিল একে-৪৭। গোয়েন্দাদের কাছ থেকে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, সেখানে জানতে পারা যাচ্ছে পাকিস্থানে বসে থাকা এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ডদের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র ছিল হামলাকারী সন্ত্রাসবাদীদের। মুজাফফরবাদ এবং করাচিতে বেশ কিছু জায়গায় এমনই ডিজিটাল প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

    স্থানীয় মাঠকর্মীরাই ওই সন্ত্রাসবাদীদের খাদ্য আশ্রয় এবং অন্যান্য ব্যবস্থা করে

    শুধু তাই নয় গোয়েন্দাদের আরও দাবি, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং আইএসআই এই বছরের জানুয়ারি মাস থেকে ভারতে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সন্ত্রাসবাদীদের অনুপ্রবেশের জন্য সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এবং মার্চ মাসে এনআইএ জম্মু-কাশ্মীরে বেশ কয়েকটি স্থানে ব্যাপক তল্লাশি চালায় তখনই উঠে আসে এমন তথ্য।
    এনআইএ-র সন্দেহ ভারতে প্রবেশের পরে স্থানীয় মাঠকর্মীরাই ওই সন্ত্রাসবাদীদের খাদ্য আশ্রয় এবং অন্যান্য ব্যবস্থা করে। জানা গিয়েছে, এনআইয়ে নিজেই মার্চ মাসে একটি বিবৃতি জারি করেছিল। ওই বিবৃতি অনুযায়ী, পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসীরা কাঠুয়া, উধমপুর, ডোডা, কিস্তোয়ার এবং পুঞ্চে উপত্যকায় প্রবেশ করেছে।

    চিহ্নিত আরও ১৪ সন্ত্রাসবাদী

    ইতিমধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ গত শুক্রবারই তিনজন সন্ত্রাসীর স্কেচ প্রকাশ করেছে। যাদের মধ্যে দুজনকে পাকিস্তানি বলে জানা গিয়েছে। এরা হল আলি ভাই এবং হাসিম মুসা। স্থানীয় জঙ্গি আদিলের নাম রয়েছে। এদের প্রত্যেকের মাথার দাম কুড়ি লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে যে মুসা জম্মু কাশ্মীরের আগে তিনটি সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল। ২০২৪ সালের মে মাসে পুঞ্চে ভারতীয় বিমানবাহিনীর কনভয়ের ওপর অতর্কিত হামলাতেও সে জড়িত ছিল। এর পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলি আরও ১৪ জন সন্ত্রাসবাদীকে চিহ্নিত করেছে। এদের মধ্যে ৮ জন লস্কর-ই-তৈবার তিনজন জৈশ-ই-মহম্মদের এবং ৩ জন হিজবুল মুজাহিদিনের।

LinkedIn
Share