Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Daily Horoscope 27 April 2025: রক্তচাপ বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 27 April 2025: রক্তচাপ বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

    মেষ

    ১) সামাজিক সম্মান পাবেন।

    ২) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    বৃষ

    ১) গানবাজনার প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আত্মীয়কে নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) রক্তচাপের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) অশান্তির থেকে দূরে থাকুন।

    ৩) বেশিরকাজ কাজেই সাফল্য মিলবে।

    কর্কট

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) সঙ্গীতে সাফল্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) গাড়ি একটু সাবধানে চালান।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কন্যা

    ১) কুসঙ্গ থেকে দূরে থাকুন।

    ২) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    তুলা

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ভ্রমণের জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে পারেন।

    ৩) ধর্মস্থানে ভ্রমণ।

    ধনু

    ১) বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন।

    ২) দাম্পত্য কলহ নিয়ে যন্ত্রণা।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) শরীরে কষ্ট হওয়ার জন্য কাজের সময় নষ্ট।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মীন

    ১) ব্যয় অতিরিক্ত পরিমাণে বাড়তে পারে।

    ২) দুর্ঘটনা থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Modi Government Success: মোদি সরকারের সাফল্য, ১৭ কোটি ভারতবাসী দারিদ্র্যের বেড়াজাল থেকে মুক্ত, বলছে বিশ্বব্যাঙ্ক

    Modi Government Success: মোদি সরকারের সাফল্য, ১৭ কোটি ভারতবাসী দারিদ্র্যের বেড়াজাল থেকে মুক্ত, বলছে বিশ্বব্যাঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের (Modi Government Success) ভাল কাজের স্বীকৃতি দিল বিশ্ব ব্যাঙ্ক। ১৭ কোটি (১৭১ মিলিয়ন) মানুষকে চরম দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য ভারত সরকারকে অভিনন্দন জানাল তারা। এপ্রিল ২০২৫-এ প্রকাশিত “প্রভার্টি এন্ড ইক্যুয়িটি ব্রিফ অফ ইন্ডিয়া (Poverty and Equity Brief for India” রিপোর্টে বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে, চরম দারিদ্র্য (প্রতিদিন ২.১৫ ডলারের নিচে আয়) ২০১১-১২ সালের ১৬.২ শতাংশ থেকে ২০২২-২৩ সালে কমে এসেছে মাত্র ২.৩ শতাংশে। বিশেষ করে গ্রামীণ ভারতে এই পতন ছিল অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য—সেখানে চরম দারিদ্র্য কমেছে ১৮.৪ শতাংশ থেকে ২.৮ শতাংশে। অন্যদিকে শহরে এই হার ১০.৭ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে মাত্র ১.১ শতাংশে। ফলে, গ্রাম ও শহরের মধ্যে দারিদ্র্যের ফারাক ৭.৭ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১.৭ শতাংশে—যা বার্ষিক ১৬ শতাংশ হারে কমেছে।

    বহু মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে

    বিশ্ব ব্যাঙ্ক (World Bank) জানিয়েছে, “গ্রামীণ চরম দারিদ্র্য ১৮.৪ শতাংশ থেকে ২.৮ শতাংশে এবং শহুরে চরম দারিদ্র্য ১০.৭ শতাংশ থেকে ১.১ শতাংশে নেমে এসেছে—ফলে গ্রামীণ ও শহুরে দারিদ্র্যের ফারাক বছরে ১৬ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে।” ভারত এখন নিম্ন-মধ্য আয়ের (Lower Middle Income Country) তালিকায় প্রবেশ করেছে। ৩.৬৫ ডলার দৈনিক আয়ের ভিত্তিতে এলএমটিসি (LMIC) দারিদ্র্যসীমায় দারিদ্র্য ৬১.৮ শতাংশ থেকে কমে ২৮.১ শতাংশ হয়েছে, যার ফলে ৩৭.৮ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে এসেছে। গ্রামীণ দারিদ্র্য সেখানে ৬৯ শতাংশ থেকে কমে ৩২.৫ শতাংশ হয়েছে, আর শহরাঞ্চলে তা ৪৩.৫ শতাংশ থেকে কমে ১৭.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

    কমেছে বহু মাত্রিক দারিদ্র

    বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল পাঁচটি রাজ্য—উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও মধ্যপ্রদেশ—২০১১-১২ সালে দেশের ৬৫ শতাংশ চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করত। তারা ২০২২-২৩ সালে এই চরম দারিদ্র্য হ্রাসে দুই-তৃতীয়াংশ অবদান রেখেছে। তবে এই রাজ্যগুলো এখনও দেশের ৫৪ শতাংশ চরম দরিদ্র এবং ৫১ শতাংশ বহু-মাত্রিক দারিদ্র্যের (২০১৯-২১) প্রতিনিধিত্ব করে। বহু-মাত্রিক দারিদ্র্য (MPI) ২০০৫-০৬ সালে যেখানে ছিল ৫৩.৮ শতাংশ, তা ২০১৯-২১ সালে কমে হয়েছে ১৬.৪ শতাংশ এবং ২০২২-২৩ সালে আরও কমে দাঁড়িয়েছে ১৫.৫ শতাংশে।

    কর্মসংস্থানে অভাবনীয় অগ্রগতি

    বিশ্ব ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২০২১-২২ সাল থেকে কর্মসংস্থানের বৃদ্ধির হার কর্মক্ষম জনসংখ্যার বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে মহিলাদের কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শহুরে বেকারত্বের হার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬.৬ শতাংশ, যা ২০১৭-১৮ সালের পর সর্বনিম্ন। পুরুষ শ্রমিকদের মধ্যে গ্রাম থেকে শহরে অভিবাসন বাড়ছে, অন্যদিকে, গ্রামীণ নারীদের কৃষিখাতে অংশগ্রহণ বেড়েছে। যদিও যুব বেকারত্বের হার ১৩.৩ শতাংশ, এবং উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে তা ২৯ শতাংশে পৌঁছেছে। এছাড়া, অ-কৃষিখাতে বেতনের চাকরির মধ্যে মাত্র ২৩ শতাংশ চাকরি ফরমাল এবং অধিকাংশ কৃষিভিত্তিক কর্মসংস্থান এখনও অনানুষ্ঠানিক রয়ে গিয়েছে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক আরও জানিয়েছে, স্বনির্ভরতা গ্রামীণ নারীদের মধ্যে বাড়ছে। তবে এখনও লিঙ্গ বৈষম্য প্রকট—২৩৪ মিলিয়ন বেশি পুরুষ অর্থপূর্ণ কর্মে নিযুক্ত।

    সরকারি তথ্যের সাথে মিল

    বিশ্ব ব্যাঙ্কের এই পর্যবেক্ষণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, গত এক দশকে ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যের বাইরে এসেছে। সরকারের হাউসহোল্ড কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার সার্ভে অনুযায়ী, ১.৯০ ডলার পিপিপি-র দারিদ্র্যসীমার নিরিখে ভারতের চরম দারিদ্র্য ২০২৩-২৪ সালে ১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এলএমআইসি ৩.৬৫ ডলার পিপিপি দারিদ্র্যসীমায় দারিদ্র্য ২০১১-১২ সালে ৫২ শতাংশ ছিল, যা ২০২৩-২৪ সালে কমে হয়েছে ১৫.১ শতাংশ। এসবিআই বা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৪ অর্থবর্ষে ভারতের গ্রামীণ দারিদ্র্য কমে হয়েছে ৪.৮৬ শতাংশ (২০১২-১৩ অর্থবর্ষে ছিল ২৫.৭ শতাংশ), এবং শহুরে দারিদ্র্য নেমেছে ৪.০৯ শতাংশে। কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের আমলে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, নগরায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কৃষি সংস্কার ও সামাজিক কল্যাণমূলক নীতির সফল বাস্তবায়নের ফলে ভারত দারিদ্র্য হ্রাসে এক বিশাল সাফল্যের নজির গড়েছে। নারীশক্তির অংশগ্রহণ বেড়েছে। আত্মনির্ভর হচ্ছে দেশ।

  • Hypersonic Cruise Missile: স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের পরীক্ষায় সাফল্য, হাইপারসনিক মিসাইলের নতুন যুগে প্রবেশ করল ভারত

    Hypersonic Cruise Missile: স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের পরীক্ষায় সাফল্য, হাইপারসনিক মিসাইলের নতুন যুগে প্রবেশ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) হাইপারসোনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক বিশাল সাফল্য অর্জন করল। শুক্রবার ডিআরডিও জানিয়েছে, নতুন প্রজন্মের হাইপারসোনিক মিসাইল (Hypersonic Cruise Missile) সিস্টেমের জন্য তৈরি স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষায় ইঞ্জিনটি একটানা ১০০০ সেকেন্ড (প্রায় ১৭ মিনিট) চালানো হয়। যা পূর্বে জানুয়ারি ২০২৫-এর পরীক্ষায় মাত্র ১২০ সেকেন্ড পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত এখন হাইপারসোনিক ক্রুজ মিসাইল প্রযুক্তিতে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

    কী এই হাইপারসোনিক ক্রুজ মিসাইল?

    হাইপারসোনিক ক্রুজ মিসাইল (HCM) এমন একধরনের অস্ত্র যা ন্যূনতম মাক ৬ বা শব্দের গতি থেকে ছয়গুণেরও বেশি বেগে দীর্ঘ সময় ধরে চলতে সক্ষম। এই মিসাইলে ব্যবহৃত হয় এয়ার ব্রিদিং স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন, যার মাধ্যমে বায়ুর মধ্যেই ইঞ্জিন জ্বালানী পায় এবং উচ্চ গতিতে জ্বলন (combustion) সম্পন্ন হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্ষমতা ও টেস্ট ফ্যাসিলিটির ডিজাইন সফলভাবে যাচাই করা হয়েছে। ডিআরডিও জানিয়েছে, এই পরীক্ষার ফলে এখন পুরোপুরি ফ্লাইট-যোগ্য কমবাস্টার টেস্টিংয়ের পথ খুলে গেল।

    কেন তাৎপর্যপূর্ণ এই পরীক্ষা?

    বিশ্বের যেখানে আজও স্ক্র্যামজেট প্রযুক্তি সীমিত কয়েক মিনিটের পরীক্ষায় আবদ্ধ, সেখানে ভারত ১০০০ সেকেন্ডের এক বিরাট মাইলফলক স্পর্শ করল। ডিআরডিও-র ল্যাবে এই দীর্ঘসময় ধরে সফলভাবে অ্যাকটিভ কুলড্ স্ক্র্যামজেট কমবাস্টর গ্রাউন্ড টেস্ট করে এমন একটি রেকর্ড স্থাপন করল, যা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন অপারেশন হিসেবেই ধরা হচ্ছে। এই সাফল্য শুধু একটি ইঞ্জিন টেস্ট নয়, বরং এটি হতে চলেছে ভারতের হাইপারসনিক প্রপালশনের পরবর্তী বড় প্রকল্প— প্রোজেক্ট বিষ্ণু-র মূল ভিত্তি।

    প্রোজেক্ট বিষ্ণু-র গুরুত্ব কোথায়?

    এই ১০০০ সেকেন্ডের স্ক্র্যামজেট টেস্টের ফলস্বরূপ ভারত যা পেতে চলেছে তা সত্যিই বৈপ্লবিক—

    ● বিশাল হাইপারসনিক রেঞ্জ:
    ভারত এখন ২০০০–৩০০০ কিমি রেঞ্জের হাইপারসনিক ল্যান্ড অ্যাটাক ও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে, যেগুলো কয়েক মিনিটেই লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম।

    ● বিমানবাহী রণতরী ধ্বংসের ক্ষমতা:
    এতদূর থেকে ছোঁড়া হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল সহজেই বিমানবাহী রণতরী সহ গোটা ব্যাটল গ্রুপকে ধ্বংস করতে পারবে — শত্রুপক্ষ প্রতিরোধ করার আগেই লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস।

    ● ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে টেক্কা:
    এত উচ্চ গতিতে (মাক ৬-৮), এই মিসাইলগুলো পাশ্চাত্য দেশগুলির থাড, এস-৪০০ বা এইজিসের মতো শীর্ষস্থানীয় ডিফেন্স সিস্টেমও অতিক্রম করে ফেলতে পারবে — প্রতিরোধ কার্যত অসম্ভব।

    ● প্রতিক্রিয়ার সময় পাবে না শত্রু:
    স্যাটেলাইট বা রেডারে ডিটেকশন হলেও প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় পাওয়া যাবে না, কারণ এই গতি ও রেঞ্জে প্রতিক্রিয়ার সময় খুবই কম।

    ● যুদ্ধে গেমচেঞ্জার:
    এতদূর থেকে, এত দ্রুত, এত শক্তিশালী আঘাত ভারতের কাছে থাকলে — যেকোনও যুদ্ধক্ষেত্রে বা জলসীমায় ভারত গেমচেঞ্জার হয়ে উঠবে।

    প্রোজেক্ট বিষ্ণু-র সম্ভাব্য রেঞ্জ

    যদি আমরা প্রোজেক্ট বিষ্ণু-র জন্য মাক ৬ গতি ধরি (যা স্ক্র্যামজেটের বেসিক ন্যূনতম), তাহলে ১০০০ সেকেন্ড ধরে এই গতি ধরে রাখলে দাঁড়ায় সেকেন্ড প্রতি ২.০৫৮ কিমি। অর্থাৎ, ১০০০ সেকেন্ড ধরে ইঞ্জিন চললে, এর পাল্লা দাঁড়াবে ২০৫৮ কিমি। অর্থাৎ, শুধুমাত্র স্ক্র্যামজেট ফেজেই এর সম্ভাব্য কার্যক্ষমতা হতে পারে ২০০০ কিমি পার করে দেবে ক্ষেপণাস্ত্র। আর যদি মাক ৭ বা মাক ৮ হয়, তাহলে এই পাল্লা বেড়ে হবে ২৫০০-৩০০০ কিমি।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অভিনন্দন

    এই পরীক্ষাটি হায়দরাবাদের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (DRDO) পরীক্ষাগার ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবরেটরিতে (ডিআরডিএল)সম্পন্ন হয়েছে। এটি ডিআরডিও, বিভিন্ন শিল্প সংস্থা ও শিক্ষাবিদদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। ভারতের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে এই অগ্রগতি ভবিষ্যতের হাইপারসোনিক অস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য মজবুত ভিত গড়ে তুলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য ডিআরডিও, শিল্প অংশীদার এবং শিক্ষাবিদদের প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, এই সাফল্য জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হাইপারসনিক অস্ত্র প্রযুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের ফল। এই পরীক্ষাটি দীর্ঘমেয়াদী স্ক্র্যামজেট কম্বাস্টারের নকশার পাশাপাশি পরীক্ষার সুবিধার বৈধতা দেয়। এটি শিল্প ও একাডেমিয়ার সাথে ডিআরডিও ল্যাবগুলির দ্বারা প্রদত্ত একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলাফল। এই সাফল্য দেশের হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র (Hypersonic Cruise Missile) উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে।

  • Pahalgam Attack: পহেলগাঁওয়ে ২০ জন পর্যটকের নিম্নাঙ্গের পোশাক খোলা হয় ধর্ম যাচাই করতে, উঠে এল তদন্তে

    Pahalgam Attack: পহেলগাঁওয়ে ২০ জন পর্যটকের নিম্নাঙ্গের পোশাক খোলা হয় ধর্ম যাচাই করতে, উঠে এল তদন্তে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে (Pahalgam Attack) ভয়াবহ জঙ্গি হামলা ঘটে। নিজেদের বয়ানে মৃতদের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছিলেন হিন্দু পুরুষদের বেছে বেছে হত্যা করে জঙ্গিরা। আরও দাবি ছিল, নিম্নাঙ্গের পোশাক পর্যন্ত খোলা হয় ধর্ম যাচাই করতে। এমন বয়ানের সঙ্গে মিলে গেল প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা তথ্য। অর্থাৎ, জঙ্গিরা নির্দিষ্ট করেই হিন্দু পুরুষদের (Pahalgam) হত্যা করতেই এসেছিল। সেটাই ছিল হামলার মূল ছক। বিশ্লেষকদের মতে, এর থেকে পরিষ্কার, এই হামলা আরও বৃহৎ কোনও ষড়যন্ত্রের অঙ্গ। এককথায় টার্গেটেড কিলিং।

    ২০ জনের প্যান্টের চেইন খুলে তাঁদের খৎনা পরীক্ষা করা হয় (Pahalgam Attack)

    প্রসঙ্গত, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের বয়ানে উঠে এসেছিল উদ্বেগজনক তথ্য। যে ২৬ জন নিহত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ২০ জনের প্যান্টের চেইন খুলে তাঁদের খৎনা পরীক্ষা করা হয় এবং দেখা হয় তাঁরা কোন ধর্মের। প্রাথমিক তদন্তেও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের এমন দাবিতে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। তদন্তে বলা হয়েছে, ধর্ম পরিচয় দেখার জন্য হিন্দু পুরুষদের প্যান্টের চেইন খোলা হয়েছিল।

    সন্ত্রাসবাদীরা পর্যটকদের কোরানের আয়াত অথবা কলেমা পড়তে বাধ্য করেছিল

    একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীরা পর্যটকদের (Pahalgam Attack) কোরানের আয়াত অথবা কালমা পাঠ করতে করেছিল। যাঁরা সেটা করতে পেরেছিলেন, তাঁদেরকে সন্ত্রাসবাদীরা ভেবেছিল যে তাঁরা মুসলিম। এভাবেই ছাড় পান অসমের এক হিন্দু। অন্যদিকে যাঁরা সেটা করতে পারেননি, সেখানে সন্ত্রাসীরা নিশ্চিত হয়ে যায় যে তাঁরা অমুসলিম এবং তাঁদেরকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রসঙ্গত, ঘটনার তদন্তে মৃতদেহগুলিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটি প্রশাসনিক আধিকারিকদের দল। তখনই এভাবে মৃতদেহগুলির অবস্থান সামনে আসে। যেখানে তাঁদের খৎনা পরীক্ষা করার জন্য নিম্নাঙ্গের পোশাক পর্যন্ত খুলে ফেলেছিল জঙ্গিরা।

    হামলাকারীরা আধার কার্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সও চেয়েছিল

    পহেলগাঁওয়ে (Pahalgam Attack) সেদিন উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। জঙ্গিরা বারবার তাঁদের ধর্মীয় পরিচয় যাচাই করছিল বলে জানিয়েছেন পর্যটকরা। শুধু তাই নয় হামলাকারীরা আধার কার্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সও চাইছিল। একইসঙ্গে কালমা পাঠ করতেও বলছিল জঙ্গিরা। এর পাশাপাশি খৎনা পরীক্ষা করার জন্য তাঁদের নিচের পোশাকও খুলে ফেলতে বাধ্য করেছিল। পর্যটকরা হিন্দু না মুসলিম- এই পরিচয় জানার জন্য এই তিন ধরনের পরীক্ষা করে ইসলামিক জঙ্গিরা। এর মাধ্যমে তারা নিশ্চিত হয় এবং খুব কাছ থেকে হিন্দু পুরুষদের গুলি করে। মঙ্গলবারই নিহত হন ২৬ জন। যার মধ্যে ২৫ জনকেই হিন্দু হিসেবে শনাক্ত করা গিয়েছে। এঁদের প্রত্যেকেই পুরুষ।

    ৭০ জন মাঠ কর্মী নজরদারির মধ্যে

    জানা যাচ্ছে, পহেলগাঁও হামলার তদন্ত বর্তমানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। ভারতের নিরাপত্তা এজেন্সিগুলির সবাই একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তদন্ত করছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো, ‘র’ সমেত অন্যান্য নিরাপত্তা এজেন্সি তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত তদন্তের জন্য প্রায় দেড় হাজার ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার্স (জঙ্গিদের সয়াহতা প্রদানকারী) একসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জড়ো করা হয়েছিল। এর মধ্যে বর্তমানে ৭০ জন সন্দেহভাজনকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। যাদেরকে হামলার সঙ্গে জড়িত হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, হামলাকারীদের দলটিকে লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করেছিল ওই কর্মীরাই। এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। তিনি আরও জানিয়েছেন, অতি দ্রুত এই তদন্ত সম্পূর্ণ হবে।

    ২০ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালায় সন্ত্রাসীরা

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, পহেলগাঁও হামলার সন্ত্রাসীরা প্রায় ২০ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালায়। তাদের হাতে থাকা একে-৪৭ রাইফেল থেকে কমপক্ষে ৫০ রাউন্ড গুলি চালায় জঙ্গিরা। এই সময়ই তারা পর্যটকদের নাম ও ধর্ম জিজ্ঞাসা করে। যারা হিন্দু বলে শনাক্ত হন, তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রসঙ্গত, পহেলগাঁও হামলায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদের স্কেচ এবং ছবি প্রকাশ করেছে। তদন্তকারীরা এই আক্রমণকারীদের আসিফ ফৌজি, সুলেমান শাহ এবং আবু তালহা নামে চিহ্নিত করেছে। প্রাথমিকভাবে তদন্তে উঠে এসেছে, এই হামলাকারীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার একটি ছায়া সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফাউন্ডেশন (টিআরএফ)-এর সদস্য। পহেলগাঁওয়ের বৈসরন তার মনোরম দৃশ্য এবং বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য মিনি সুইৎজারল্যান্ড নামেই পরিচিত। পহেলগাঁও থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই পর্যটক স্থান। এই স্থানটি দেশ ও বিদেশের পর্যটকদের কাছে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গন্তব্যস্থল। বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে এখানে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম দেখা যায়।

  • Tulsi Gabbard: জঙ্গিদের খুঁজতে ভারতকে সাহায্য করবে আমেরিকা, জানালেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান

    Tulsi Gabbard: জঙ্গিদের খুঁজতে ভারতকে সাহায্য করবে আমেরিকা, জানালেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়ালেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard)। শুক্রবারই জঙ্গি হামলার নিন্দা করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি, জঙ্গিদের খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে ভারতকে সাহায্য করবে আমেরিকা বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    সমাজমাধ্যমে কী লিখলেন তুলসি গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard)

    মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard) নিজের সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘পহেলগাঁওতে ২৬ জন হিন্দুকে হত্যা করেছে ইসলামপন্থী সন্ত্রাসবাদীরা (Pahalgam Attackers)। এর নিন্দা করছি এবং আমরা ভারতের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। যাঁরা তাদের প্রিয়জন হারালেন তাঁদের প্রতি আমার প্রার্থনা এবং গভীর সহানুভূতি জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ভারতের সমস্ত নাগরিকের পাশে আছে আমেরিকা। এই জঘন্য হামলার জন্য দোষীদের খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে ভারতের পাশে আছে আমেরিকা।’’

    বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুসও নিন্দা জানিয়েছেন

    অন্যদিকে, মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুসও জঙ্গি হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। পহেলগাঁও হামলা (Pahalgam Attackers) নিয়ে এক পাক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে তিনি কোনও উত্তর দেননি। পরে নিজের বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং সেক্রেটারি রুবিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আমেরিকা ভারতের পাশে আছে। সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা। নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য প্রার্থনা করছি আমরা।’’

    আগেই ভারতের পাশে থাকার কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প

    প্রসঙ্গত, আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার নিন্দা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘‘ভারতের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমেরিকা ভারতের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা নিহতদের আত্মার শান্তি এবং আহতদের আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করি। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ভারতের জনগণের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন এবং গভীর সহানুভূতি রয়েছে।’’

    বুধবারই মোদিকে ফোন করেন ট্রাম্প

    গত বুধবারই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ফোন করে শোক প্রকাশ করেন ট্রাম্প। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এবিষয়ে বলেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন এবং এই জঘন্য হামলার অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য ভারতের প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেছেন। ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একসঙ্গে আছে।’’

  • Bangladeshi: অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক গুজরাট পুলিশের, আটক ৫৫০ অবৈধ বাংলাদেশি

    Bangladeshi: অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক গুজরাট পুলিশের, আটক ৫৫০ অবৈধ বাংলাদেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই ভারতে থাকা সমস্ত পাকিস্তানিদের তাড়াতে নির্দেশ দেন অমিত শাহ। ২৬ থেকে ২৯ এপ্রিলের মধ্যে ভারত ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। আর এই নির্দেশ পাওয়ার পরেই গুজরাট (Gujarat) পুলিশ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক শুরু করে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে। অভিযানের মাধ্যমে ৫৫০ জনের বেশি অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে (Bangladeshi) আটক করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথি না দেখাতে পারার কারণে তাঁদেরকে আহমেদাবাদ এবং সুরাট থেকে আটক করেছে গুজরাট পুলিশ।

    কী বলছে আহমেদাবাদের পুলিশ (Gujarat)

    আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডিসিপি অজিত রাজিয়ান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা এসওজি, ইওডব্লু, জোন ৬ এবং সদর দফতরের দলগুলির সঙ্গে আহমেদাবাদ শহরে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি অভিবাসীদের ধরতে একটি তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেছি। এই অভিযানের সময় ৪০০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজন বাংলাদেশি (Bangladeshi) অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।’’ অন্যদিকে, সুরাট পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০০ জনেরও বেশি অবৈধ বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিককে আটক করেছে বলে জানা যাচ্ছে।

    পহেলগাঁও হামলার পরে এমন অভিযান তাৎপর্যপূর্ণ

    আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের জেসিপি শারদ সিংহল বলেন, ‘‘স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভি, ডিজিপি-র তথ্য অনুসারে আহমেদাবাদের চান্দোলার আশেপাশে বসবাসকারী অবৈধ বাংলাদেশি (Bangladeshi) অভিবাসীদের আটক করা হয়েছে। আমরা ৪৫৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে ধরেছি, সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আমরা তাদের নির্বাসিত করব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এর আগে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল এবং ১২৭ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৭০ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং বাকিদের বহিষ্কারের প্রক্রিয়া চলছে। এই অবৈধ অভিবাসীদের কাছে বেশিরভাগেরই জাল ভারতীয় নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে। কার সাহায্যে এই নথিগুলি তৈরি করা হয়েছে তা আমরা তদন্ত করছি। আটক অবৈধ অভিবাসীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবারই কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা ঘটে। এরপর সর্বদলীয় বৈঠকও করে মোদি সরকার। এরপরেই শনিবার গুজরাটের বুকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে এই অ্যাকশন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • India’s ‘Aakraman’ Exercise: পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ হামলা, পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই ভারতের ‘আক্রমণ’ মহড়া কিসের ইঙ্গিত?

    India’s ‘Aakraman’ Exercise: পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ হামলা, পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই ভারতের ‘আক্রমণ’ মহড়া কিসের ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ভারত-পাকিস্তান (Indi – Pakistan) উত্তেজনা যখন চরমে, তখনই ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) শুরু করেছে এক বড় সামরিক মহড়া। যার নাম ‘আক্রমণ’। নামেই পরিষ্কার এই মহড়ার (India’s ‘Aakraman’ Exercise) উদ্দেশ্য ও বিধেয়। দেশের মধ্যাঞ্চলে শুরু হওয়া এই মহড়ার অংশ নিয়েছে বায়ুসেনার (Indian Air Force) তুখোড় যুদ্ধবিমানের বহর, যার নেতৃত্বে রয়েছে রাফাল ও সুখোই-৩০ এমকেআই স্কোয়াড্রন।

    নিয়মিত প্রস্তুতির অঙ্গ

    রাফাল স্কোয়াড্রন দুটি, আম্বালা ও হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে মোতায়েন রয়েছে, সেখান থেকে বিমানগুলি এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। পূর্বাঞ্চল থেকেও বেশ কিছু বিমান ও সেনা-সরঞ্জাম এই মহড়ার জন্য স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বায়ুসেনার এক অফিসার জানিয়েছেন, “এটি নিয়মিত প্রস্তুতির অঙ্গ হলেও, পহেলগাঁওয়ে হামলার পর মহড়ার সময়সূচি তাৎপর্যপূর্ণ। রাফাল ও সুখোই বিমানগুলি নির্ভুল ভুমি-আক্রমণ ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধাভিযান অনুশীলন করছে।” যদিও ভারত সরকার বলছে এটি একটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ, তবে ইতিহাস বলছে অন্য কথা। অতীত বলছে, ২০২০ সালে লাদাখ সংঘাতের আগে চিন সীমান্তে একাধিক সামরিক মহড়া চালিয়েছিল। তার মাসখানেকের মধ্যেই গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়, যাতে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন। চিনেরও প্রায় চল্লশিের বেশি সৈন্য নিহত হয়। আবার ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের ঠিক আগে, তারা Zapad নামে বিশাল সামরিক মহড়া চালিয়েছিল, যেখানে ২ লক্ষ সেনা, ৮০টির বেশি বিমান, ১৫টি যুদ্ধজাহাজ অংশ নিয়েছিল। এইসব নজির ইঙ্গিত দেয় যে, ভারতের ‘আক্রমণ’ মহড়া নিছক ট্রেনিং নয়, বরং একটি কৌশলগত বার্তা—যেটি যেমন দেশের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির প্রতিফলন, তেমনি শত্রু পক্ষের কাছে একটি সতর্ক সংকেত।

    কেমন চলছে অনুশীলন

    এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে মিগ-২১, এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, AWACS (এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম), মিড-এয়ার রিফুয়েলার ও গরুড় কমান্ডোরা। মহড়ার অনুশীলনে সমতল এলাকা থেকে শুরু করে পার্বত্য অঞ্চলে আক্রমণের অনুশীলন করা হচ্ছে, যা বাস্তব অভিযানের অনুরূপ। সূত্রের খবর, ইস্টার্ন সেক্টর থেকে সেন্ট্রাল সেক্টরে অনেক বায়ুসেনার সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। যেখানে এই মহড়ার আওতায় দূরদূরান্তে গিয়ে শত্রুর অবস্থানে সুনির্দিষ্ট বোমাবর্ষণ করা হচ্ছে। পাইলটরা বাস্তব যুদ্ধের পরিস্থিতিতে অনুশীলন করছেন, যাতে তাঁরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা পেতে পারেন।

    আরব সাগরে নৌ মহড়া শুরু

    মহড়ার ঠিক আগেই পাকিস্তান আরব সাগরে নৌ-মহড়া শুরু করে এবং ২৪ ও ২৫ এপ্রিল তারিখে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য এনওটিএএম (Notice to Airmen/Mariners) জারি করে। একই সময় ভারতীয় নৌবাহিনী আরব সাগরে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আইএনএস সুরাটের মাধ্যমে সফলভাবে একটি মিড-রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (MR-SAM) উৎক্ষেপণ করে, যা তাদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার প্রমাণ দেয়।

    দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অঙ্গীকার 

    পাকিস্তান ইতিমধ্যেই ভারতের বিরুদ্ধে নানা পাল্টা পদক্ষেপ করেছে—ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য আকাশসীমা বন্ধ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত এবং সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতকে ‘যুদ্ধ ঘোষণার সমতুল্য’ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নয়াদিল্লি যে এ বার কঠোর অবস্থান নিয়েছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তা স্পষ্ট করতে বিহারে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার বলেন, “২৬ এপ্রিলের পহেলগাঁও হামলায় যারা নিহত হয়েছেন, তাদের রক্ত বৃথা যাবে না। ভারত প্রতিটি জঙ্গি ও তাদের মদতদাতাদের খুঁজে বার করবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবে।”

    সক্রিয় প্রতিরোধে বিশ্বাস 

    পহেলগাঁওয়ে হামলায় সাতজন জঙ্গি শরিক ছিল, যাদের অধিকাংশই পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবার (LeT) সাথে যুক্ত। তারা বডি-ক্যামেরা ও স্টিল কোর গোলাবারুদসহ একে-৪৭ নিয়ে পর্যটকদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়, বিশেষত হিন্দু পুরুষদের টার্গেট করে। এরপরই ভারতের সামরিক মহড়া এবং কূটনৈতিক কৌশল থেকে স্পষ্ট—দেশ এখন আর প্রতিক্রিয়ার নীতিতে নয়, বরং সক্রিয় প্রতিরোধে বিশ্বাস করছে। ‘আক্রমণ’ মহড়া সেই বার্তাই বহন করছে। কেন্দ্রীয় সেক্টরে বর্তমানে যুদ্ধ মহড়া চলছে। এই মহড়ায় বিমান বাহিনীর পাইলটরা পাহাড়ি ও স্থল লক্ষ্যবস্তুতে হামলার অনুশীলন করছেন।

    থর মরুভূমিতে যুদ্ধ-প্রস্তুতি

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২৫-২৬ এপ্রিল রাতে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একাধিক পোস্ট থেকে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা জুড়ে অপ্রীতিকরভাবে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়। ভারতীয় সেনারা ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে উপযুক্তভাবে জবাব দিয়েছে। এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।” এই আবহে শুরু হয়েছে বায়ুসেনার আক্রমণ মহড়া, চলছে নৌসেনার প্রস্তুতি। একইসঙ্গে রাজস্থানে যুদ্ধ-প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। জয়পুরে সপ্তশক্তি কামান নিয়ে রাজস্থানের থর মরুভূমিতে পাক বর্ডারের কাছে যুদ্ধ-প্রস্তুতি। পাকিস্তানের সীমা অতিক্রম করে স্ট্রাইক ? এই যুদ্ধ-প্রস্তুতির মাধ্যমে। প্রতিপক্ষের সীমা অতিক্রম করে কীভাবে স্ট্রাইক করা যায়, তার জন্যই ভারতের এই যুদ্ধ-প্রস্তুতি। এই যুদ্ধ-প্রস্তুতিতে প্যারা-এসএফ কম্যান্ডোর সঙ্গে ট্যাঙ্ক ও স্পেশাল আর্মড ভেহিক্যালসের ব্যবহার করা হয়েছে। শত্রুদের এলাকা কব্জা করতে এই ট্যাঙ্কের ব্যবহার করা হয়, সূত্রের খবর। এরপর প্যারা কম্যান্ডো অপারেশনের পর ফিরে আসে।

  • Pahalgam Attack: পহেলগাঁও হামলার জের, জম্মু-কাশ্মীরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আরও দুই জঙ্গির বাড়ি

    Pahalgam Attack: পহেলগাঁও হামলার জের, জম্মু-কাশ্মীরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আরও দুই জঙ্গির বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলার (Pahalgam Attack) পর কাশ্মীর জুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা ও পুলিশ। শনিবার সকালে জম্মু-কাশ্মীরে আরও দুই জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর মিলেছে। যদিও ওই জঙ্গিদের এখনও ধরা যায়নি। পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে তাদের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে, কুলগামের কাইমো এলাকার ঠোকরপোরা থেকে দু’জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। জঙ্গিদের কাজে তারা সহযোগিতা করেছিল বলে অভিযোগ।

    কুলগামে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল জঙ্গির বাড়ি (Jammu And Kashmir)

    জঙ্গিদের দুই সহযোগী কুলগামে লুকিয়ে আছে বলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযানে নামে বাহিনী। শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় ওই দু’জনকে। এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পহেলগাঁও (Pahalgam Attack) হামলায় অভিযুক্তদের সম্বন্ধে তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কুলগামে শনিবার সকালে যার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তার নাম জাকির আহমেদ গনি। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে সে যুক্ত ছিল। পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তার সঙ্গে সরাসরি যোগ না-থাকলেও নেপথ্যে থেকে কাজ করেছিল এই জাকির। হামলার পরিকল্পনায় তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হামলার পর থেকেই সে গা-ঢাকা দিয়েছে।

    পুলওয়ামায় ভাঙা হল আহসান আল হক শেখের বাড়ি

    পুলওয়ামায় (Pahalgam Attack) আহসান আল হক শেখ নামের আরও এক সন্দেহভাজন জঙ্গির বাড়ি ভাঙা হয়েছে শনিবার সকালে। জানা গিয়েছে, পুলওয়ামার মুরান গ্রামে সে থাকত। বুলডোজার দিয়ে শুক্রবার রাতে তার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অন্যদিকে গতকাল শুক্রবার পহেলগাঁওয়ে হামলাকারী দুই জঙ্গি আদিল হুসেন ঠোকর এবং আসিফ শেখের বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। গভীর রাতে আদিলের বাড়িটি আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়। আর শুক্রবার আসিফের বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয় বুলডোজার দিয়ে।

    নিয়ন্ত্রণরেখায় হামলা পাকিস্তানের, রাতে সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে পর পর গুলি, পাল্টা জবাব দিল ভারতও

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার রাতেও নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোলাগুলি চালাল পাকিস্তান (Pahalgam Attack)। বিনা প্ররোচনায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গুলি চালায় পাক সেনা। ভারতীয় সেনাঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে বলে খবর। তবে এর পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারত। শনিবার সকালেই এনিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘২৫ এবং ২৬ তারিখের মধ্যবর্তী রাতে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানি ঘাঁটিগুলি থেকে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানো হয়েছে। একই ভাবে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে পাল্টা জবাব দিয়েছেন ভারতীয় সেনা জওয়ানেরাও। কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।’’

  • Pahalgam Terror Attack: ‘‘প্ল্যান এ ফেল, উপত্যকার ঘাসে রয়েছে ৩৫টি বন্দুক’’! আটক ঘোড় সহিসের ‘প্ল্যান বি’-ই কি বৈসরনে হামলা?

    Pahalgam Terror Attack: ‘‘প্ল্যান এ ফেল, উপত্যকার ঘাসে রয়েছে ৩৫টি বন্দুক’’! আটক ঘোড় সহিসের ‘প্ল্যান বি’-ই কি বৈসরনে হামলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ের (Pahalgam Terror Attack) হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শুক্রবার এক সহিসকে আটক করেছে গান্দেরবাল পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওর ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ভিডিওটি রেকর্ড করেছেন এক মহিলা পর্যটক। ভিডিওতে তিনি ওই ব্যক্তির ছবি দেখিয়ে অভিযোগ করেছেন, সন্দেহভাজন পহেলগাঁওয়ের হামলাকারীদেরই একজন। তাঁর আরও দাবি, তিনি যখন কাশ্মীরে ঘুরতে এসেছিলেন ওই ব্যক্তি তাঁর ধর্ম পরিচয় জানতে চেয়েছিল। ওই ছবির ভিত্তিতে দ্রুত ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে পুলিশ।

    অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয়

    গান্দেরবাল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত সহিসের নাম আইয়াজ আহমেদ জুঙ্গাল। তাঁর বাবার নাম নবি জুঙ্গাল। গান্দেরবালের গোহিপোড়া রাইজানের বাসিন্দা তিনি। সোনমার্গের থাজওয়াস হিমবাহে পর্যটকদের খচ্চরের সওয়ারি করান তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, এই আইয়াজের সঙ্গে পহেলগাঁও হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, মহিলা যে সহিসের কথা বলেছেন, ধৃত তিনিই কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে জড়িত তিন জনের স্কেচ প্রকাশ করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। সেই স্কেচ দেখার পরে একতা তিওয়ারি নামে এক মহিলা পর্যটক দাবি করেছেন, ওই তিন জনের মধ্যে এক জনের সঙ্গে গত ২০ এপ্রিল তাঁর দেখা হয়েছিল পহেলগাঁওয়ে। একতা উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর থেকে ২০ জনের একটি দলের সঙ্গে কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

    ভাইয়ের হাতে রুদ্রাক্ষ কেন

    একতা নিজের মোবাইলে মেরুন জ্যাকেট, পাজামা পরা এক ব্যক্তির ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, ওই ব্যক্তিই পহেলগাঁও হামলার (Pahalgam Terror Attack) সঙ্গে জড়িত। ওই ব্যক্তি তাঁকে ধর্ম নিয়েও জিজ্ঞাসা করেছিলেন বলে দাবি একতার। তিনি আরও জানিয়েছেন, বৈসরন উপত্যকাতেই ওই ব্যক্তির ছবি তুলেছেন তিনি। তবে তাঁর নাম জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গিয়েছেন। ভিডিওতে একতা আরও দাবি করেন, তাঁর বন্ধুরাও ওই ব্যক্তিকে চিনতে পেরেছেন। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। তবে তিনি একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন। স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অন্যরাও জঙ্গিদের স্কেচ থেকে সন্দেহভাজনদের চিনতে পেরেছেন। একতা জানিয়েছেন, ওই সহিস তাঁকে তাঁর নাম এবং ধর্ম জিজ্ঞাসা করেছিলেন। একতার ভাইয়ের হাতে রুদ্রাক্ষ দেখে ওই ব্যক্তি জানতে চান, কেন তাঁর ভাই হাতে ওটা পরেছেন?

    অজমের শরিফ গিয়েছেন

    একতার দাবি, ওই ঘোড় সহিস এ-ও জিজ্ঞাসা করেন যে, একতা কখনও অজমের শরিফ বা অমরনাথ গিয়েছেন কি না। তাঁর কত জন হিন্দু বা মুসলিম বন্ধু রয়েছেন। তিনি অমরনাথ যেতে চান কি না, তা-ও জিজ্ঞাসা করেছিলেন ওই সহিস। তাঁর অমরনাথ যাত্রার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন বলেও দাবি করেছিলেন সহিস। একতা কোরান পড়েছেন কি না, সেই প্রশ্নও করেন তিনি। একতার দাবি, তিনি জবাবে জানিয়েছিলেন, উর্দু পড়তে পারেন না। তাই কোরান পড়া হয়নি। তখন সহিস জানিয়েছিলেন, হিন্দিতে লেখা কোরানও পাওয়া যায়। একতা জানিয়েছেন, এ সব প্রশ্নের পরে তিনি ভয় পেয়ে যান।

    প্ল্যান এ ফেল, প্ল্যান বি!

    একতা জানান, এসব কথা শুনে তিনি ও তাঁর দল সিদ্ধান্ত নেন যে, বৈসরনে যাবেন না। তাঁরা ফিরে আসেন। এর মধ্যেই ওই সহিসের কাছে একটা ফোন আসে। একতা জানান, তাঁর সঙ্গে কথোপকথনের সময়ই ওই ব্যক্তির ফোন আসে। সেই ফোনে তাঁকে বলতে শুনেছিলেন, ‘‘প্ল্যান এ ব্রেক ফেল। প্ল্যান বি ৩৫ বন্দুক পাঠানো হয়েছে। উপত্যকার ঘাসে রয়েছে।’’ যখন সহিস বুঝতে পারেন একতা তাঁর কথা শুনছেন, তখন অন্য ভাষায় তিনি কথা বলতে শুরু করেন, এমনটাই জানিয়েছেন একতা। এখন প্রশ্ন তবে কি প্ল্যান বি-ই বৈসরনে হামলা! ২৬ নিরীহ হিন্দু পর্যটককে হত্যা! বৈসরনের ঘাসেই কি লুকানো ছিল আগ্নেয়াস্ত্র! যা দিয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা!

    জেরা শুরু আইয়াজের

    মহিলার আরও দাবি, কথা শুনে ওই সহিসকে পাকিস্তানি বলে মনে হয়েছিল তাঁর। প্রশ্ন উঠেছে, এইসব শোনার পরেও পুলিশকে কেন জানাননি তিনি? একতার দাবি, পর্যটকদের বুথে কোনও লোক ছিল না। এমনকি, পহেলগাঁওয়ের ৭-৮ কিলোমিটার আগে একটি চেকপোস্ট ছিল। তিনি যখন ফিরছিলেন, তখন সেই চেকপোস্টেও কেউ ছিলেন না। কিন্তু একতা বারবার দাবি করেছেন, পুলিশ যে তিনজনের স্কেচ প্রকাশ করেছেন, তাদের মধ্যে একজনের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল পহেলগাঁওতেই। একতার অভিযোগের ভিত্তিতেই আইয়াজকে গ্রেফতার করে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। এখন তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। তবে, ধৃত ব্যক্তির সঙ্গে সত্যিই পহেলগাঁও হামলার (Pahalgam Terror Attack) যোগ রয়েছে কি না সেই বিষয়ে স্পষ্ট করেনি পুলিশ।

  • Waqf Act: সংসদে পাশ হওয়া আইনে স্থগিতাদেশ ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করার সমতুল্য! ওয়াকফ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    Waqf Act: সংসদে পাশ হওয়া আইনে স্থগিতাদেশ ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করার সমতুল্য! ওয়াকফ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন (Waqf Act), ২০২৫-এর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা পিটিশন খারিজ করার জন্য শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) প্রাথমিক হলফনামা জমা দিয়েছে কেন্দ্র। সরকার ওই হলফনামা জমা দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াকফ সংশোধনী আইন সম্পূর্ণভাবে বৈধ। আরও জানিয়েছে, এই আইনের বিরুদ্ধে যে পিটিশন দাখিল করা হয়েছে তা ভ্রান্ত। এই আইন কখনও ধর্মীয় স্বাধীনতাকে হস্তক্ষেপ করেনি। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে এক সপ্তাহের ভিতরে প্রতিক্রিয়া জানাতে বলেছিল। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র সরকার হলফনামা জমা দেয়। সেখানে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উঠে এসেছে। ওয়াকফ আইন নিয়ে ইচ্ছাকৃত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর বিবরণ দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করে কেন্দ্র। মোদি সরকার আরও জানিয়েছে, সংসদে প্রণোদিত কোনও আইনের উপর এ ভাবে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়, তা হলে তা ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করার সমতুল্য!

    কী জানাল কেন্দ্রীয় সরকার (Waqf Act)?

    ● কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, ওয়াকফ সংশোধনী আইন সম্পূর্ণ বৈধ এবং দেশের সংসদে আইন মেনেই তা পাশ করানো হয়েছে।

    ● দেশের সংসদে তৈরি করা সংশোধনী আইন সংবিধান মেনেই পাশ করানো হয়েছে।

    ● কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, ২২ জনের ওয়াকফ কাউন্সিলে সর্বোচ্চ দুইজন অমুসলিম প্রতিনিধি থাকতে পারেন। এটা এমন একটা সংখ্যা যা ওয়াকফ বোর্ডের কোনও সিদ্ধান্তকেই প্রাভাবিত করতে পারবে না।

    ● দেশের সংসদ তার নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কাজ করেছে, যাতে ওয়াকফ বোর্ডের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে।

    ● কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, বেশ কিছু মিথ্যাচার করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে ওয়াকফ সংশোধনীর মাধ্যমে মৌলিক অধিকারকে সংশোধন করা হয়েছে। এটা ঠিক নয়।

    ● কেন্দ্রের মতে, ওয়াকফ সংশোধনী আইনকে যেভাবে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, তা আসলে এদেশের বিচারবিভাগীয় মৌলিক নীতির বিরুদ্ধে যায়।

    ● কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, ওয়াকফ বোর্ডের মাধ্যমে সরকারি এবং বেসরকারি সম্পত্তির একাধিক অপব্যবহার সামনে এসেছে।

    ● কেন্দ্র জানিয়েছে, যৌথ সংসদীয় কমিটিতে দীর্ঘ আলোচনা বিশ্লেষণের মাধ্যমেই এই সংশোধনী আইন আনা হয়েছে।

    ● কেন্দ্র জানিয়েছে, কী বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে তা না জেনে, একটা বিধানের (সংসদে পাশ করা আইন) ওপর স্থগিতাদেশ জারি করা অনভিপ্রেত। যদি সংসদে প্রণোদিত কোনও আইনের উপর এ ভাবে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়, তা হলে তা ক্ষমতার ভারসাম্য (Waqf Act) নষ্ট করার সমতুল্য!

    ১৭ এপ্রিল মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টকে হলফনামা দিতে বলে কেন্দ্র

    প্রসঙ্গত, গত ১৭ এপ্রিলই (Waqf Act) এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ১৯৯৫ সালের আইনে নথিভুক্ত রয়েছে এমন ওয়াকফ সম্পত্তিতে কোনওরকমের বদল ঘটানো যাবে না। একইসঙ্গে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ ছিল, নিয়োগ করা যাবে না ওয়াকফ বোর্ড বা পর্ষদেও। তখনই কেন্দ্রকে সাত দিনের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানানোর নির্দেশও দেয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার প্রাথমিক হলফনামা জমা করল শীর্ষ আদালতে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব শেরশা সি শেখ মহিউদ্দিন এই হলফনামা জমা দেন শীর্ষ আদালতে।

    ৩৬ বার যৌথ সংশোধনী কমিটির বৈঠক, ৯৭ লক্ষেরও বেশি অংশীদারের পরামর্শ

    প্রসঙ্গত, লোকসভা এবং রাজ্যসভাতে ওয়াকফ সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার আগে যৌথ সংশোধনী কমিটির ৩৬টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানা গিয়েছে, ৯৭ লক্ষেরও বেশি অংশীদার তাঁরা নিজেদের পরামর্শ দিয়েছেন। যৌথ সংসদীয় কমিটি দেশের দশটি বড় শহরে ঘুরে জনসাধারণের মতামত নিয়েই নয়া ওয়াকফ আইনের খসড়া তৈরি করেছে। প্রসঙ্গত, ওয়াকফ সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার আগে পর্যন্ত যেকোনও সম্পত্তিকে ওয়াকফ প্রপার্টি হিসেবে ঘোষণার অধিকার এতদিন ছিল ওয়াকফ বোর্ডের হাতেই। অতীতে বহুবার এদের বিরুদ্ধে গরিব মুসলমানদের সম্পত্তি, অন্য ধর্মাবলম্বীদের (Waqf Act) ব্যক্তিগত সম্পত্তি হরণের অভিযোগ উঠেছে। তবে নয়া সংশোধনীতে এই অধিকার একেবারে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কোন সম্পত্তি ওয়াকফ হবে এবং কোনটি ওয়াকফ নয় তা বিচার করা চূড়ান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে জেলাশাসকদের। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার ১৯৫৪ সালে প্রথমবার ওয়াকফ আইন পাশ করা হয়েছিল। ১৯৯৫ সালে ওয়াকফ আইনের সংশোধন এনে ফের ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা বাড়িয়েছিল তৎকালীন কংগ্রেস সরকার।

LinkedIn
Share