Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Delhi: দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বজরং দলের চরম বিক্ষোভ, আন্দোলনের চাপে ভাঙলো ব্যারিকেড

    Delhi: দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বজরং দলের চরম বিক্ষোভ, আন্দোলনের চাপে ভাঙলো ব্যারিকেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে গণপিটুনি দিয়ে প্রথমে খুন এবং এরপর গাছে ঝুলিয়ে আগুন দেওয়া হয়। নির্মম ভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনার প্রতিবাদে এবার দিল্লিতে (Delhi) বাংলাদেশ হাইকমিশন অফিসের (Bangladesh High Commission) সামনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ভিএইচপি এবং বজরং দল সহ অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। ক্ষুব্ধ জনতার একটাই প্রশ্ন, কেন মিথ্যা অপবাদ এবং গুজব রটিয়ে হিন্দুপরিবারের ছেলেকে খুন করা হল? তাই অবিলম্বে মহম্মদ ইউনূসকে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে আন্দোলনরত হিন্দু সংগঠনগুলি।

    দোষীদের চিহ্নিত করে চরম শাস্তির দাবি (Delhi)

    দিল্লিতে (Delhi) বিক্ষোভের আশঙ্কা অবশ্য আগে থেকেই ছিল। তাই আগের দিনই বাংলাদেশ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছিল। ত্রি-স্তরের ব্যারিকেড দিয়ে এলাকাটি সুরক্ষিত করা হয়েছিল এবং অতিরিক্ত ১৫,০০০ পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের এগিয়ে যেতে বাধা দেওয়ার জন্য ডিটিসি বাসগুলিকে রাস্তায় দাঁড় করানো হয়েছিল। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, হাইকমিশন থেকে প্রায় ৮০০ মিটার দূরে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া নির্মম হত্যার ঘটনায় জনসাধারণের মনে ক্ষোভের আগুন ব্যাপক ভাবে প্রকাশিত হয়েছে এদিন। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “একজন হিন্দু ব্যক্তিকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে তাঁকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা আমাদের সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আমরা দাবি জানাই যে বাংলাদেশ পুলিশকেও এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। দোষীদের চিহ্নিত করে চরম শাস্তি দিতে হবে।

    ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝুলিয়ে রেখে আগুন

    গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মিথ্যা রটিয়ে ২৫ বছর বয়সী পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে প্রথমে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এরপর তাঁকে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে নিয়ে গেলেও পুলিশ পরে জনতার হাতে ছেড়ে দেয়। এরপর তাঁকে প্রথমে পিটিয়ে খুন করা হয় এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝুলিয়ে রেখে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের বড় ছেলে ছিল দিপু।

    দিল্লি-ঢাকার সম্পর্কের অবনতি

    উল্লেখ্য কট্টর ভারত বিরোধী ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহীর ভারতীয় দূতাবাস এবং উপদূতাবাসে জামাত, এনসিপির নেতার হামলা করেছিল। এরপর বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক তলব করেছিল দিল্লিতে। বর্তমানে বাংলাদেশের সব ভিসা সেন্টারকে বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। কট্টরপন্থীরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গৃহযুদ্ধ শুরু করেছে। ফলে হাসিনাকে হাতে পেতে বার বার ভারেতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যকে বিছিন্ন করার হুমকি দিয়ে চলেছে। একে হিন্দু যুবক হত্যা পরে ভারতে আক্রমণ করার হুমকিতে প্রত্যেক ভারতীয়দের মনেও ইউনূস বাহিনী চরম অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। দিল্লির পাশাপাশি কলকাতাতেও ইউনূসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। উপহাইকমিশনারের (Bangladesh High Commission) অফিসের বাইরে পোড়ানো হয় মহম্মদ ইউনূসের কুশপুতুল। অপরদিকে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারপাশে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশি সেনাবাহিনীকে গেটের বাইরে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

  • Swami Shraddhanand: বৈদিক মূল্যবোধ ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পুনরুজ্জীবনে নিজেকে উৎসর্গ করেন স্বামী শ্রদ্ধানন্দ

    Swami Shraddhanand: বৈদিক মূল্যবোধ ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পুনরুজ্জীবনে নিজেকে উৎসর্গ করেন স্বামী শ্রদ্ধানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন স্বামী শ্রদ্ধানন্দ। ২৩ ডিসেম্বর ১৯২৬ সালে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। শিক্ষা সংস্কার, সামাজিক ন্যায়, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং হিন্দু সমাজের পুনর্গঠনে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার জন্য তিনি আজও স্মরণীয়। তাঁর শহিদ হওয়া ভারতের সামাজিক-রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দের জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৬, পাঞ্জাব প্রদেশের জলন্ধর জেলার তালওয়ান গ্রামে। তাঁর আসল নাম ছিল বৃহস্পতি বিজ, যিনি লালা মুন্সি রাম নামেও পরিচিত ছিলেন। তাঁর পিতা লালা নানক চাঁদ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনে পুলিশ ইন্সপেক্টর ছিলেন। মুন্সি রাম তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন বারাণসীতে (বর্তমান উত্তরপ্রদেশ) এবং পরে লাহোরে আইন নিয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। তিনি প্রথমে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন, কিন্তু পরে চাকরি ছেড়ে দেন। এরপর ফিল্লৌর ও জলন্ধরে আইন পেশায় যুক্ত হয়ে তিনি একটি সফল পেশাগত জীবন গড়ে তোলেন। তিনি শিব দেবী–কে বিবাহ করেন। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে স্ত্রীর মৃত্যু তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। তাঁদের দুই পুত্র—হরিশচন্দ্র ও ইন্দ্র—এবং দুই কন্যা ছিল, যাদের মধ্যে একজনের নাম বেদ কুমারী। এই ব্যক্তিগত শোকই তাঁর আধ্যাত্মিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিকে গভীরভাবে রূপ দেয়।

    স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর সঙ্গে পরিচয়

    আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর সঙ্গে পরিচয় স্বামী শ্রদ্ধানন্দের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। প্রথমে সংশয় থাকলেও, বেরেলিতে স্বামী দয়ানন্দের একটি বক্তৃতা শোনার পর তিনি গভীরভাবে প্রভাবিত হন। দয়ানন্দের যুক্তিবাদ, নির্ভীকতা ও সংস্কারমূলক চেতনা তাঁকে আকৃষ্ট করে। এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আর্য সমাজে যোগ দেন এবং বৈদিক মূল্যবোধ ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পুনরুজ্জীবনে নিজেকে উৎসর্গ করেন।

    দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রদূত

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে দেশীয় ঐতিহ্য ও জাতীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে তোলার অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন। উনিশ শতকের শেষভাগে আর্য সমাজ ডিএভি (দয়ানন্দ অ্যাংলো-বৈদিক) বিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ভারতীয় মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পশ্চিমি শিক্ষার ভূমিকা নিয়ে আর্য সমাজের অভ্যন্তরে মতভেদ দেখা দেয় এবং ১৮৯২ সালে বিভাজন ঘটে। শ্রদ্ধানন্দ গুরুকুল শিক্ষাপদ্ধতির পক্ষে অবস্থান নেন—যেখানে আবাসিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা, আধ্যাত্মিকতা ও চরিত্র গঠনের উপর জোর দেওয়া হয়। তিনি গুরুকুলপন্থীদের নেতৃত্ব দেন এবং পাঞ্জাব আর্য প্রতিনিধি সভা গঠন করেন। ১৯০০ সালে, তিনি গুজরানওয়ালায় (বর্তমান পাকিস্তান) প্রথম গুরুকুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে এটি হরিদ্বারের কাছে কাংরি অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয় এবং পরিচিত হয় গুরুকুল কাংরি নামে—ভারতের দেশীয় শিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে। তিনি নিজে এর প্রথম আচার্য ছিলেন এবং তাঁর পুত্ররাও সেখানে শিক্ষা গ্রহণ করেন। গুরুকুল কাংরি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ও বৌদ্ধিক জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে এখানে অবস্থান করেন এবং এখানেই তাঁকে প্রথম “মহাত্মা” সম্বোধনে ডাকা হয়। ১৯৬২ সালে, ভারত সরকার গুরুকুল কাংরিকে ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়–এর মর্যাদা দেয়।

    আধ্যাত্মিক যাত্রা ও সন্ন্যাস গ্রহণ

    ৩৫ বছর বয়সে মুন্সি রাম বানপ্রস্থ আশ্রম গ্রহণ করেন এবং পরিচিত হন মহাত্মা মুন্সি রাম নামে। ১৯১৭ সালে, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। তাঁর নাম হয় স্বামী শ্রদ্ধানন্দ। এরপর তিনি সম্পূর্ণরূপে বেদ প্রচার ও সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন।

    ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি রাওলাট আইন–সহ ব্রিটিশদের দমনমূলক আইনগুলোর বিরোধিতা করেন এবং পাঞ্জাবে সামরিক শাসনের প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন। ১৯১৯ সালে, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড–এর পর তিনি কংগ্রেসকে অমৃতসরে অধিবেশন করার আহ্বান জানান এবং অন্যরা পিছিয়ে গেলে নিজেই সভাপতিত্ব করেন। দিল্লিতে ব্রিটিশ দমননীতির বিরুদ্ধে বৃহৎ প্রতিবাদ মিছিলে তিনি নেতৃত্ব দেন। চাঁদনি চকে এক ঘটনায়, ব্রিটিশ সেনারা যখন গুলি চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন তিনি প্রথমে নিজেকে সামনে এগিয়ে দেন যাতে সাধারণ মানুষ রক্ষা পায়। সেনারা তখন অস্ত্র নামিয়ে রাখে এবং মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যায়।

    জামা মসজিদে ঐতিহাসিক ভাষণ

    ১৯২২ সালে, দিল্লির জামা মসজিদে তিনি একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। সেখানে বৈদিক মন্ত্র পাঠের পর তিনি প্রধানত মুসলিম শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন—যা তাঁর সংলাপ-বিশ্বাস, সাহস ও সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

    কংগ্রেস ত্যাগ ও হিন্দু মহাসভার সঙ্গে যুক্ততা

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হিন্দু স্বার্থ ও সামাজিক সংস্কারের প্রশ্নে কংগ্রেসের অবস্থানে তিনি হতাশ হন। পরে মদন মোহন মালব্য–সহ অন্যান্য নেতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি হিন্দু মহাসভা–র সঙ্গে কাজ করেন এবং হিন্দু সমাজের সংগঠনের পক্ষে সওয়াল করেন।

    অস্পৃশ্যতা বিরোধী আন্দোলন

    অস্পৃশ্যতা দূরীকরণে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কল্যাণমূলক প্রকল্পে কংগ্রেস পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা না করায় তিনি কংগ্রেসের উপ-কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। ড. বি. আর. আম্বেদকর তাঁকে “অস্পৃশ্যদের সবচেয়ে বড় ও আন্তরিক সমর্থক” বলে উল্লেখ করেন। তিনি কেরালার ভাইকোম সত্যাগ্রহ-কেও সমর্থন করেন।

    সাংবাদিকতা ও সামাজিক প্রচার

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ছিলেন এক দক্ষ লেখক ও সাংবাদিক। তিনি উর্দু পত্রিকা ‘তেজ’ এবং হিন্দি দৈনিক ‘অর্জুন’ প্রতিষ্ঠা করেন। দেবনাগরী লিপিতে হিন্দি ভাষার প্রসার, নারী শিক্ষা ও সমাজসেবায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা নেন।

    শুদ্ধি আন্দোলন ও হিন্দু পুনর্গঠন

    ধর্মান্তর নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে তিনি শুদ্ধি আন্দোলন–এর নেতৃত্ব দেন, যার লক্ষ্য ছিল ধর্মান্তরিত হিন্দুদের পুনরায় হিন্দু সমাজে ফিরিয়ে আনা। আগ্রা, মথুরা ও ভরতপুর অঞ্চলে—বিশেষত রাজপুত সম্প্রদায়ের মধ্যে—বৃহৎ শুদ্ধি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

    চিরস্থায়ী উত্তরাধিকার

    ২৩ ডিসেম্বর ১৯২৬, দিল্লিতে নিজের বাসভবনে নিউমোনিয়া থেকে সেরে ওঠার সময় আবদুল রশিদ নামে এক ব্যক্তি আলোচনার ছলে এসে তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। সব চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি প্রাণ হারান। এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত শিবির থেকে নিন্দা জানানো হয়। প্রায় এক শতাব্দী পরও স্বামী শ্রদ্ধানন্দ নির্ভীক সংস্কার, বৌদ্ধিক সাহস ও জাতীয় সেবার প্রতীক হিসেবে স্মরণীয়। শিক্ষা, সমাজ সংস্কার, স্বাধীনতা আন্দোলন ও সভ্যতাগত পুনর্জাগরণে তাঁর অবদান আজও প্রেরণা জোগায়। সহিংসতায় তাঁর জীবন থেমে গেলেও, তাঁর চিন্তা ও কর্ম—বিশেষত গুরুকুল কাংরি–র মাধ্যমে—আজও জীবিত।

  • VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জননীতি ও কল্যাণমূলক প্রকল্প মানেই সংক্ষিপ্ত নাম বা অ্যাক্রোনিম। পোষাণ (POSHAN), পিএম-আশা (PM-AASHA)-র মতো প্রকল্পগুলির নামেই সরকারের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই ধারাবাহিকতাতেই সংসদ সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MGNREGA) বাতিল করে পাশ হয়েছে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এবং আজীবিকা মিশন গ্রামীণ (VB-G-RAM-G) আইন। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই প্রতীকের রাজনীতির চোখে দেখলেও, বাস্তবে এটি গ্রামীণ কর্মসংস্থান নীতিতে একটি গুণগত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। নতুন আইন কেবল নাম বদল নয়, বরং কাজের সুযোগ, উৎপাদনশীলতা এবং জবাবদিহির প্রশ্নে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

    নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল— কাজের নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা। এটি সরাসরি গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রের একক ১০০ শতাংশ অর্থায়নের বদলে রাজ্যগুলিকেও অর্থনৈতিক দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ)। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের দায়বদ্ধতা ও নজরদারি দু’টিই বাড়বে। তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল— বপন ও ফসল কাটার সময়ে ৬০ দিনের কাজ-বিরতি। প্রথম দর্শনে এটি সীমাবদ্ধতা মনে হলেও, বাস্তবে এর লক্ষ্য গ্রামীণ শ্রমকে কৃষি চক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। এতে শ্রমিকরা কৃষিকাজে বেশি মজুরি আদায়ের সুযোগ পাবে এবং সরকারি প্রকল্পের কাজও কৃষির পরিপূরক হিসেবে পরিকল্পিত হবে। চতুর্থত, ‘ভিবিজিরামজি’( VB-G-RAM-G) চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাজকে কেন্দ্রীভূত করেছে— জল, নিরাপত্তা, পরিকাঠামো ও জলবায়ু সহনশীলতা। মনরেগা-র অধীনে কাজের পরিধি বিস্তৃত হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা উৎপাদনশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছিল। নতুন কাঠামোতে থিমভিত্তিক কাজের ফলে গ্রামীণ এলাকায় টেকসই সম্পদ, জল সংরক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা

    তৃণমূলভিত্তিক বিচ্ছিন্ন কাঠামোর বদলে এই প্রকল্পকে প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি-র সঙ্গে সংযুক্ত করা। এর ফলে কাজের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও নজরদারি হবে কেন্দ্রীয় ডেটা ও প্রযুক্তিনির্ভর। এতে একদিকে যেমন দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা বাড়ে, তেমনই প্রকল্পের আউটপুট ও ফলাফল পরিমাপযোগ্য হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন, মনরেগা নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক প্রকল্প ছিল। এটি ৭৪১টি জেলা, ২.৬৯ লক্ষ পঞ্চায়েত এবং ১২.১ কোটি শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়েছে। সংসদের স্থায়ী কমিটি বারবার জানিয়েছে, শ্রমিকদের গড় মজুরি অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম মজুরির নিচে ছিল। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হল— বিপুল বকেয়া মজুরি। ২০২৫ সালের অগস্টে দেখা যায়, ১২,২১৯.১৮ কোটি টাকা অবৈতনিক মজুরি পড়ে রয়েছে, যা ওই বছরের বরাদ্দের প্রায় ১৪ শতাংশ।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প

    গত পাঁচ বছরে প্রকৃত কাজের দিন গড়ে ৪৮–৫২ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। ২০২৪-২৫ সালে কাজ পাওয়া ৫.৭৮ কোটি পরিবারের মধ্যে মাত্র ৪০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছে। অর্থাৎ, আইনে অধিকার থাকলেও বাস্তবে সেই সুযোগ পূর্ণমাত্রায় পৌঁছয়নি। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সরকার নতুন আইনে কাজের সুযোগের পাশাপাশি জবাবদিহি ও দক্ষতার ওপর জোর দিয়েছে। রাজ্যগুলির আর্থিক অংশগ্রহণ, থিমভিত্তিক কাজ, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়— এই সবকিছু মিলিয়ে নতুন প্রকল্প অধিক ফলপ্রসূ ও স্বচ্ছ কাঠামো গড়ে তুলতে পারে। বর্তমানে ভারত চালাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প, ৮১ কোটি মানুষকে নিয়ে বিনামূল্যের খাদ্য প্রকল্প (ব্যয় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকা), স্বাস্থ্য বিমা, কৃষক আয় সহায়তা ও গ্রামীণ আবাসন প্রকল্প। মোট ব্যয় প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা। এত বিপুল ব্যয়ের ক্ষেত্রে ফলাফল ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

     

     

  • Enforcement Directorate: প্রয়াগ গ্রুপ অফ কোম্পানিজের ১১০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    Enforcement Directorate: প্রয়াগ গ্রুপ অফ কোম্পানিজের ১১০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগ গ্রুপ অফ কোম্পানিজ (Prayag Group of Companies Case) এবং এর পরিচালকদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় মোট ১১০ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অর্থাৎ ইডি (Enforcement Directorate)। বাজেয়াপ্ত করা এই সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং আসাম জুড়ে প্রয়াগ গ্রুপের একাধিক কোম্পানি। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১০৪ কোটি টাকা। যার মধ্যে রয়েছে ৪৫.৪২ একর জমি, নির্মীয়মাণ বাড়ি, পরিচালক বাসুদেব বাগচী, অভিক বাগচী ও স্বপ্না বাগচীর নামে থাকা ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি। ইতিমধ্যে ইডি-এর কলকাতা আঞ্চলিক অফিস প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) ২০০২-এর অধীনে এই সম্পত্তিগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    ২,৮৬৩ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ (Enforcement Directorate)

    প্রয়াগ (Prayag Group of Companies Case) গ্রুপ পদ্ধতিগত আইন না মেনেই স্বল্প সঞ্চয়ে অধিক লাভের প্রকল্প ঘোষণা করে বৃহৎ পরিসরে অবৈধভাবে টাকা তুলেছিল গ্রাহকদের কাছ থেকে। এরপর অভিযোগ পেয়ে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (CBI) এফআইআর দায়ের করে। বর্তমানে তদন্ত করে চার্জশিট দেওয়ার ভিত্তিতে ইডি (Enforcement Directorate) এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, প্রয়াগ গ্রুপ তাদের একাধিক কোম্পানি যেমন- প্রয়াগ ইনফোটেক হাই-রাইজ লিমিটেড এবং প্রয়াগ ইনফোটেক নেটওয়ার্ক প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই) বা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (সেবি)-এর কোনো রকম অনুমোদন ছাড়াই টাকা সংগ্রহ এবং মানি সার্কুলেশন স্কিমের মাধ্যমে বেশি পরিমাণে লাভের টোপ দিয়ে আর্থিক প্রতারণা করেছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৩৮,৭১,৬৭৪ জন আমানতকারীর কাছ থেকে ২,৮৬৩ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

    ১,৯০৬ কোটি টাকা ফেরত দেয়নি

    আর্থিক দুর্নীতির প্রসঙ্গে ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়াগ গ্রুপ (Prayag Group of Companies Case) ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আমানতকারীদের বকেয়া সুদের টাকা বাদেও ১,৯০৬ কোটি টাকা অপরিশোধিত রেখেছে। এই গ্রুপটি একটি রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতির দুর্নীতি চক্রের মাধ্যমে কাজ করত। সংগৃহীত অর্থ কোনো বৈধ ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার না করে জমি, হোটেল, ফিল্ম সিটি প্রকল্প নির্মাণ, কোম্পানি তৈরিতে এজেন্টদের কমিশন দেওয়া, বিজ্ঞাপন, সেলিব্রিটি প্রচার-সহ সংস্থার সমৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হতো। প্রধান অভিযুক্ত বাসুদেব বাগচী এবং অভিক বাগচী বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

  • Donations: ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে তৃণমূলের অনুদান বেড়েছে ৩ গুণ টাকা, চলতি বছরে জমা পড়েছে ১৮৪.৯৬ কোটি

    Donations: ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে তৃণমূলের অনুদান বেড়েছে ৩ গুণ টাকা, চলতি বছরে জমা পড়েছে ১৮৪.৯৬ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) ৪৪৮ জন অনুদানকারী ১৮৪.৯৬ কোটি টাকা অনুদান (Donations) দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে দেখানো গত অর্থবছরের ৬৪.২৪ কোটি টাকার অনুদানের তুলনায় এটি প্রায় তিনগুণ বেশি বলে জানা গিয়েছ। এই দশজন দাতাদের মধ্যে রয়েছেন, দিল্লি ও মুম্বাইয়ের নির্বাচনী ট্রাস্ট, বাংলার লটারি ব্যবসায়ী এবং রাজ্যে উৎপাদনকারী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। তৃণমূল পার্টির দফতরের তহবিল এতো ফুলেফেঁপে ওঠার বিষয়টি এখন আলোচনার শিরোনামে।

    টাইগার অ্যাসোসিয়েটস থেকে ৫০ কোটি টাকা অনুদান (Donations)

    দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রুডেন্ট ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট থেকে ৯২ কোটি টাকা এবং টাইগার অ্যাসোসিয়েটস থেকে ৫০ কোটি টাকা অনুদান (Donations) দেওয়া হয়েছে। টাইগার অ্যাসোসিয়েটস হল পশ্চিমবঙ্গে নাগাল্যান্ড রাজ্য লটারি, সিকিম রাজ্য লটারি এবং পাঞ্জাব রাজ্য লটারি বিক্রির সংস্থা। লোহা, ইস্পাত, সিমেন্ট কোম্পানি রশ্মি সিমেন্ট লিমিটেড টিএমসিকে (TMC) ৫ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। মুম্বয়ের প্রোগ্রেসিভ ইলেক্টোরাল ট্রাস্টের পক্ষে থেকে টাটা গ্রুপ কোম্পানিগুলি ১০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। এই গ্রুপের কারখানা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঝাড়গ্রাম এবং খড়গপুরে রয়েছে। একই ভাবে কলকাতায়ও একটি কর্পোরেট অফিস রয়েছে।

    স্টেইনলেস স্টিল-শ্যাম ফেরো অ্যালয়স লিমিটেড

    তৃণমূলকে (TMC) স্টেইনলেস স্টিলের প্রস্তুতকারক এবং রফতানীকারক শ্যাম ফেরো অ্যালয়স লিমিটেড ৩ কোটি টাকা অনুদান (Donations) দিয়েছে। কলকাতার একটি ট্রেডিং এবং মাইনিং কোম্পানি, কেজরিওয়াল মাইনিংও ৩ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটে একটি ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট পরিচালনাকারী লোহা ও ইস্পাত প্রস্তুতকারক সুপার স্মেল্টার্স ২ কোটি টাকা দিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বন্দর শহর হলদিয়া এবং পাঞ্জাবের কর্ণালে কারখানা সহ প্লাস্টিক প্রস্তুতকারক আইভিএল ধানসেরি পেট্রোকেম ইন্ডাস্ট্রিজ সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করেছে।

    কোন তৃণমূল নেতা কত দিয়েছেন?

    কিষাণ গোপাল মোহতা নামে একজন ধনবান ব্যক্তি ৩ কোটি টাকা তৃণমূলকে (TMC) দিয়েছেন। ২০২৪ সালে নির্বাচনী বন্ডের তথ্য প্রকাশের সময় পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল এপ্রিল ২০১৯ থেকে জানুয়ারী ২০২৪ এর মধ্যে ১,৬০৯ কোটি টাকা অনুদান (Donations) গ্রহণ করেছে। তৃণমূল কংগ্রেসও তাদের ২১৩ জন বিধায়কের মধ্যে প্রায় ১৯৯ জনের কাছ থেকে মাথা পিছু ২২,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকার অনুদান নিয়েছে। এই বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাত্য বসু, বাবুল সুপ্রিয়, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং ফিরহাদ হাকিমের মতো মন্ত্রীরাও। এছাড়াও, চল্লিশজন বর্তমান এবং প্রাক্তন সাংসদ একইভাবে অনুদান দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে হলেন রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ১.২ লক্ষ টাকা, জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান ৩.৮ লক্ষ টাকা, কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র ১ লক্ষ টাকা এবং কলকাতার দক্ষিণের সাংসদ মালা রায় ৬.১২ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন। গত কয়েক বছর সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় তহবিলে বিপুল পরিমাণে টাকা জমা পড়ার তথ্য এখন রাজনীতির আঙ্গিনায় বহুল চর্চিত বিষয়।

  • Sheikh Hasina: হিন্দু হত্যা, মিডিয়া অফিসে আগুন, বাংলাদেশের অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন হাসিনা

    Sheikh Hasina: হিন্দু হত্যা, মিডিয়া অফিসে আগুন, বাংলাদেশের অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কট্টরপন্থী ভারতবিরোধী যুবনেতা ওসমান হাদির মৃত্যু এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে তৈরি হওয়া অরাজকতা নিয়ে মুখ খুললেন শেখ হাসিনা। এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, “এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে যে, যে আইনহীন পরিস্থিতি আমার সরকারকে উৎখাত করেছিল, তা ইউনুসের অধীনে আরও বেড়েছে। সহিংসতা এখন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর অন্তর্বর্তী সরকার হয় তা অস্বীকার করছে, নয়তো নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ। এর ফলে শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নয়, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেও সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

    উনুস মন্ত্রিসভায় চরমপন্থীদের স্থান দিয়েছেন

    শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, ইউনুসের শাসনে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে উগ্র ইসলামপন্থা ও চরমপন্থী শক্তির কবলে পড়ছে। তাঁর দাবি, “ইউনুস মন্ত্রিসভায় চরমপন্থীদের স্থান দিয়েছেন, দণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের মুক্তি দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীগুলিকে প্রকাশ্য জীবনে ভূমিকা নিতে দিয়েছেন। আমার আশঙ্কা, চরমপন্থীরা তাঁকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্য মুখ দেখাচ্ছে, আর আড়ালে প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধীরে ধীরে উগ্রপন্থী করে তুলছে।” তিনি আরও বলেন, “ভারত এই বিশৃঙ্খলা, সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়ন এবং আমরা একসঙ্গে যা গড়ে তুলেছিলাম তার ক্ষয় লক্ষ্য করছে। যখন একটি দেশ নিজের সীমানার ভেতর ন্যূনতম শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারে না, তখন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়।” হাসিনার কথায়, “এটি শুধু ভারতের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী সব দেশের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। বাংলাদেশের রাজনীতির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র ছিল আমাদের অন্যতম শক্তি, যা কয়েকজন উগ্রবাদীর খেয়ালে বিসর্জন দেওয়া যায় না।”

    কেন বাংলাদেশে ভারত বিরোধী হাওয়া চলছে?

    ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির জন্য ফের একবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকেই দায়ী করলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, “ইউনূস সরকার যে চরমপন্থীদের বাংলাদেশে বেড়ে উঠতে দিচ্ছেন, তাদের জন্যই এই দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরাই সেই চরমপন্থী যারা ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে, সংবাদমাধ্যমের অফিস জ্বালিয়েছে, সংখ্যালঘুদের আক্রমণ করেছে। এরাই আমাকে এবং আমার পরিবারকে প্রাণ হাতে নিয়ে পালাতে বাধ্য করেছে। ফলে ভারত নিজেদের প্রতিনিধিদের নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে, এটাই স্বাভাবিক। আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, দায়িত্ববান সরকার হলে কূটনৈতিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দিত, তবে ইউনূস নৈরাজ্যবাদীদের আরও বেশি করে ছাড় দিচ্ছেন। এমনকী তাদের যোদ্ধা হিসেবে তকমা দিচ্ছেন।” প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “ইউনূস প্রশাসন ভারতের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বিবৃতি জারি করে। সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ওরা ব্যর্থ। বিদেশনীতি পরিচালনা করছে চরমপন্থীরা। এরপর যখন অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে তখন মাথাব্যথা হয়। দশকের পর দশক ভারত এবং বাংলাদেশে একে অপরের বন্ধু রাষ্ট্র। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অনেক গভীর। ফলে কোনও অস্থায়ী সরকারের কারণে তা নষ্ট হতে পারে না। আমি আশাবাদী, বাংলাদেশে স্থায়ী গণতান্তান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলে ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক আবারও দৃঢ় হবে। এই সম্পর্ক অটুট থাকবে বলেই আমার বিশ্বাস।”

     

     

     

  • Humayun Kabir: ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়া লক্ষ্য! মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি মসজিদ’ বিতর্কের পর নতুন দল গড়লেন হুমায়ুন কবীর

    Humayun Kabir: ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়া লক্ষ্য! মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি মসজিদ’ বিতর্কের পর নতুন দল গড়লেন হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সোমবার বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নতুন রাজনৈতিক দল জনতা উন্নয়ন পার্টি (JUP)-র সূচনা করলেন। ২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক জনসভায় দলের পতাকা উন্মোচন করে তিনি জানান, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দলটি অংশ নেবে। সভায় হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, তিনি সর্বোচ্চ ২০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছেন এবং নির্বাচনের পরে নিজেকে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান। তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যা নিয়ে রাজনীতি করাই তাঁর দলের মূল উদ্দেশ্য।

    ২টি আসন থেকে লড়াই করবেন হুমায়ুন

    নতুন দল তৈরির দিনই বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থীর নামও ঘোষণা করে দিলেন হুমায়ুন কবীর। নিজে বিধানসভা নির্বাচনে ২টি আসন থেকে লড়াই করবেন হুমায়ুন। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) বহিষ্কার করা হয়। ১১ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদে একটি ‘বাবরি মসজিদ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সিদ্ধান্তকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরেই এই পদক্ষেপ বলে জানা যায়। নতুন দলের ঘোষণা মঞ্চ থেকেই হুমায়ুন কবীর তৃণমূল নেতৃত্ব, বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, বিরোধী দলগুলির সঙ্গে জোটের সম্ভাবনাও তিনি খোলা রাখছেন। সূত্রের খবর, হুমায়ুন কবীর নিজে রেজিনগর ও বেলডাঙা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক।

    কোন কোন কেন্দ্রে প্রার্থী, ব্রিগেডের ডাক

    সোমবার দুপুর ১টায় নিজের রাজনৈতিক দলের নাম এবং রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। প্রকাশ করা হয় দলের পতাকাও। দলের পতাকায় রয়েছে তিনটি রং— হলুদ, সবুজ এবং সাদা। দলের সভাপতির নামও ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। জানান আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দলের প্রথম প্রার্থীর নামও। হাজী ইবরার হোসেনকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি পদে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁকেই খড়গপুর গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করেন হুমায়ুন কবীর। মালদার বৈষ্ণবনগরের প্রার্থী হচ্ছেন মুস্তারা বিবি। মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের প্রার্থী করা হচ্ছে মনীষা পাণ্ডেকে। এরআগে মনীষা পাণ্ডে ছিলেন তৃণমূলের নেত্রী। ভগবানগোলায় লড়বেন আর এক হুমায়ুন কবীর। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। রানিনগর থেকে যিনি লড়বেন, তাঁর নামও হুমায়ুন কবীর। দক্ষিণ দিনাজপুরের ধনিরাম বিধানসভার প্রার্থীর নাম ডঃ ওয়েদুল রহমান। কলকাতার বালিগঞ্জ বিধানসভা, যেখানে উপনির্বাচনে বাবুল সুপ্রিয় তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন, সেই কেন্দ্র থেকে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতীকে লড়াই করবেন নিশা চট্টোপাধ্যায়। ইছাপুরের প্রার্থীর নাম সিরাজুল মন্ডল। অর্থাৎ শুধু মালদা-মুর্শিদাবাদে সীমাবদ্ধ থাকছেন না হুমায়ুন। বালিগঞ্জ, ইছাপুরের মতো কেন্দ্রেও ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’র প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা দিলেন। সেইসঙ্গে ইস্তেহার প্রকাশ করেন। হুমায়ুন দাবি করেছেন, ৯০ আসন জিততে পারলে তাঁর দল রাজ্যে সরকার গঠনের কাণ্ডারি হবে ৷ পাশাপাশি এদিন মঞ্চ থেকে হুমায়ুন জানিয়ে দেন আগামী জানুয়ারি মাসে ব্রিগেডে সভা করবেন তিনি।

  • Winter Vegetable: হট চকোলেট কিংবা পেস্ট্রি নয়, শীতের অবসাদ কমাতে মেনুতে থাকুক ব্লু বেরি, রাঙা আলু

    Winter Vegetable: হট চকোলেট কিংবা পেস্ট্রি নয়, শীতের অবসাদ কমাতে মেনুতে থাকুক ব্লু বেরি, রাঙা আলু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে বাড়ে অবসাদ। শুধু ভাইরাস ঘটিত সর্দি-কাশি কিংবা ফুসফুসের সংক্রমণের মতো রোগ নয়।‌ শীতে মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়ে। শীতে মানসিক অবসাদ বাড়ে। এমনটাই জানাচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বেশ কিছু খাবার মানসিক অবসাদ কমাতে সাহায্য করে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অবসাদের সঙ্গে শরীরের হরমোনের ভারসাম্যের বিষয়টি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত থাকে। তাই কিছু খাবার শরীরে স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে দেয়। তাই মানসিক অবসাদ, চাপ, বিষন্নতা সহজেই দূর হয়। অনেকেই মানসিক অবসাদ কাটাতে হট চকলেট কিংবা পেস্ট্রির মতো খাবার পছন্দ করেন। কিন্তু হট চকলেট কিংবা কেক-পেস্ট্রি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে না। বরং লাগাতার এই ধরনের খাবার খেলে ওজন বেড়ে যায়‌। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে শীতের মরশুমে কিছু বিশেষ ফল এবং সব্জিতেই ভরসা রাখছেন।

    ব্লু বেরি অবসাদ কমাবে, মস্তিষ্ককেও সক্রিয় রাখবে!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্লু বেরি শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্লু বেরিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। এর ফলে মানসিক চাপ কম তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সীদের জন্য ব্লু বেরি বিশেষ উপকারি। তরুণ প্রজন্মের মানসিক অবসাদের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত উদ্বেগ। ব্লু বেরি উদ্বেগ এবং হতাশার মতো আবেগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। মেজাজ খিটখিটে হওয়া থেকেও আটকাতে সাহায্য করে। মানসিক অবসাদ কমানোর পাশপাশি ব্লু বেরি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ব্লু বেরিতে থাকে ফ্ল্যাভোনয়েড। যা নিউরনের সংযোগ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। একদিকে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, আরেকদিকে উদ্বেগ ও অবসাদ হ্রাসের ক্ষমতা রয়েছে। তাই ব্লু বেরি খেলে যেকোনও কাজে মনঃসংযোগ বাড়ে‌। আবার বয়স্কদের অনেকেই স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যায় ভুগছেন। তাঁদের এই ফল বিশেষ উপকারি। কারণ ব্লু বেরি মনে রাখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

    রাঙা আলু বাড়তি উপকার দেবে!

    মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য রাঙা আলু বিশেষ উপকারি। মনোরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, রাঙা আলুতে ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও কার্বোহাইড্রেটের বিশেষ অংশ থাকে। এই সব উপাদান মস্তিষ্ক এবং হরমোনের উপরে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাঙা আলুতে ভিটামিন বি ৬ উপাদান সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নামে দুই হরমোন উৎপাদনে বিশেষ সাহায্য করে। এই দুই হরমোন স্ট্রেস কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। ফলে মানসিক অবসাদ কমে। রাঙা আলু কোর্টিন হরমোন ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা চাপ তৈরি হয় না। তাই শীতের মরশুমে রাঙা আলু খেলে মানসিক চাপ ও অবসাদ কমে। বরং মস্তিষ্কের স্নায়ু সুস্থ থাকে। মানসিক স্বাস্থ্যের পাশপাশি শরীরের জন্যও রাঙা আলু বিশেষ উপকারি। এই সব্জি অন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে। ক্লান্তি দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে।

    ব্রোকলি মন শান্ত করাবে, অবসাদ কমাবে!

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের সব্জি ব্রোকলি নিয়মিত খেলে অবসাদ কমবে। মন শান্ত থাকবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্রোকলিতে রয়েছে সালফোরাফেন। এই উপাদান মানসিক অস্থিরতা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। অনেকেই সামান্য কারণে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। যেকোনও ব্যাপারেই অস্থির হয়ে ওঠেন। যা মানসিক অবসাদ তৈরি করে। নিয়মিত ব্রোকলি খেলে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এই ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

    কাবুলি ছোলা অবসাদ কমিয়ে মন ভালো রাখে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোলা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তবে কাবুলি ছোলা শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ছোলায় থাকা ট্রিপটোফ্যান মন ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। ফলে অবসাদ কমে।

  • Daily Horoscope 23 December 2025: বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 23 December 2025: বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ২) পিঠে ব্যথার সমস্যা থাকবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভাল সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সম্পত্তির ভাগ পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা।

    ২) কর্মস্থলে নিজের মতামত প্রকাশ না করাই ভাল হবে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে। ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) সংসারে আর্থিক টানাপড়েন থাকলেও তা মিটে যাবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Bangladesh Violence: ভারতীয় পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসেন সরোদ বাদক শিরাজ

    Bangladesh Violence: ভারতীয় পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসেন সরোদ বাদক শিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Violence) লাগাতার রাজনৈতিক হিংসার উত্তাপে উত্তাল পরিস্থিতি। ভারত বিরোধী মনোভাব নিয়ে ওই দেশের জামাত ও এনসিপি দলের নেতারা ব্যাপক ভাবে উস্কানি দিচ্ছেন। দেশের মধ্যে এক প্রকার গৃহযুদ্ধ লেগেই গিয়েছে। কট্টর মৌলবাদের সমর্থক এবং ভারত বিরোধী ছাত্রনেতা হাদির মৃত্যুতে বাংলাদেশের প্রধান সাংস্কৃতিক সংস্থা ছায়ানটে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় মৌলবাদীরা। এই আবহে মধ্য কলকাতার সরোদ বাদক শিরাজ আলি খানকে রাতারাতি অনুষ্ঠান ছেড়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য করা হয়। ফিরে শিরাজ (Shiraz Ali Khan) বলেন, “নিরাপদে থাকার জন্য আমকে ভারতীয় পরিচয় গোপন করতে হয়েছিল।”

    নিরাপত্তা জনিত কারণে দ্রুত ভারতে চলে আসেন (Bangladesh Violence)

    বিখ্যাত সরোদ বাদক শিরাজ আলি খান (Shiraz Ali Khan) গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় বেশ কিছু অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটে ভাঙচুরের পর বাংলাদেশ (Bangladesh Violence) সফর সংক্ষিপ্ত করে ভারতে ফিরে আসতে বাধ্য হন। এই হামলা ভীষণ ভাবে তাঁকে মর্মাহত করেছে। ছায়ানটে জেহাদিদের হামালার আগে তিনি ১৬ এবং ১৭ ডিসেম্বর কয়েকটি অনুষ্ঠান করেছিলেন। ১৯ তারিখ এই হামলা এবং ভাঙচূড়ের ঘটনা ঘটলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাঁর আরও একটা ধ্রপদী বাজনার অনুষ্ঠান ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা জনিত কারণে দ্রুত ভারতে চলে আসেন। আসন্ন নির্বাচন এবং রাজনৈতিক খুনোখুনিতে সেই দেশের আইন শৃঙ্খলা ব্যাপকভাবে ভেঙে পড়েছে।

    বাংলাদেশের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক শিরাজের

    শিরাজের (Shiraz Ali Khan) সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh Violence) গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বিখ্যাত সরোদ বাদক ওস্তাদ আলী আকবর খানের নাতি ও ওস্তাদ ধ্যানেশ খানের পুত্র এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবা আলাউদ্দিন খানের প্রপৌত্র। শিরাজ বলেন, “কয়েক বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আমার প্রপিতামহের নামে একটি কলেজে আক্রমণ করেছিল দুষ্কৃতীরা। এবার  সংস্কৃতির মূল কেন্দ্র ছায়ানটে ভাঙচুর অত্যন্ত লাজ্জার। আমি ভীষণ ভাবে মর্মাহত।” তিনি আরও বলেন, “যেহেতু দেশের পরিস্থিতি উত্তাল, তাই একটি মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রে টাকা ভাঙাতে গিয়ে আমি যে ভারতীয় সেই পরিচয়কে গোপন করে রাখতে হয়েছিল। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত গাড়ির চালক পাসপোর্ট এবং মোবাইল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি আমাকে এই ভাবে নিজের পরিচয় গোপন করে রাখতে হবে।”

LinkedIn
Share