Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • PM Modi: এসআইআর আবহে শনিবার মতুয়া গড়ে আসছেন মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    PM Modi: এসআইআর আবহে শনিবার মতুয়া গড়ে আসছেন মোদি, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর আবহে শনিবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন নদিয়ার রানাঘাটের তাহেরপুরের মাঠে জনসভা করবেন। তাহেরপুরের এই জনসভা অপারেশন সিঁদুরের পর আলিপুরদুয়ার, দুর্গাপুর এবং দমদমের সভার পর চতুর্থ সভা হতে চলেছে। এই সভা থেকে বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে এসআইআরের আবহ। তার ওপর বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই মতুয়া সমাজের ভোটকে বিজেপির খাতায় সম্পূর্ণ ভাবে আনতে এদিনের সভা গুরুত্বপূ্র্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দলের তরফে সভাকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে সফর সূচি।

    একাধিক উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন

    ঘোষিত সময় সূচি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সকালে দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র (PM Modi) মোদি বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে যাত্রা শুরু করবেন। সকাল ১০টায় কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে যাবেন। এরপর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে ১১টা ০৫ মিনিটে রানাঘাটের (Nadia) হ্যালিপ্যাডে নামবেন। এরপর সড়ক পথে সভাস্থলে পৌঁছে যাবেন। সেখানে ১১টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এই অনুষ্ঠানে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের একাধিক উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন। এরপর সড়ক পথে সভাস্থলে পৌঁছাবেন। ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত জনসভায় বক্তৃতা দেবেন। সভা শেষ করে আবার হ্যালিপ্যাডে পৌঁছাবেন এবং এরপর হেলিকপ্টারে করে কলকাতা বিমান বন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর বায়ুসেনার বিমানে করেই তিনি রওনা দেবেন অসমের গুয়াহাটির উদ্দেশে।

    এসআইআর ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে

    তবে রাজ্য বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) সমানে রেখে নির্বাচনী কৌশল ঠিক করছে। নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা (Nadia) বাংলাদেশ থেকে আগত উদ্বাস্তু নাগরিকদের নাগরিকত্ব এবং ভোটাধিকার নিয়ে দিতে পারেন সদর্থক বার্তা। তাই এসআইআর, সিএএ, অনুপ্রবেশ, হিন্দু সুরক্ষা, জনবিন্যাস পরিবর্তন বিষয়ে প্রধান চুম্বক থাকার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Bangladesh: হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ইউনূসের বাংলাদেশে! ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ বিজেপির

    Bangladesh: হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ইউনূসের বাংলাদেশে! ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু যুবককে (Hindu Youth Brutally Murder) খুন করে কার্যত গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে বীভৎস ভাবে পুড়িয়ে হত্যার ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছে বিজেপি। ভারত বিরোধী ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর রীতিমতো গোটা দেশে উত্তাল হয়ে উঠেছে। পদ্মাপারের সোনার বাংলা এখন রক্তাক্ত বাংলায় পরিণত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন দেশে এখন গৃহযুদ্ধ লেগেছে। ঢাকা থেকে হিংসার আগুন এখন জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। টার্গেট করা হচ্ছে সংখ্যালঘু হিন্দু এবং সাংবাদিকদের। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশন ফেবুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করেছে। তাই হাসিনাকে টার্গেট করে অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগী দলগুলি এবং কট্টর মৌলবাদী সংগঠনগুলি ভারত বিরোধিতার সুর চরম পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইছে। তাই হিংসার ঘটনা বেলাগাম ভাবে পরিকল্পনা করে ঘটানো হচ্ছে। মহম্মদ ইউনূস আইন শৃঙ্খলাকে ইচ্ছে করেই বেলাগাম করেছেন, এমনটাই মনে করছে বিজেপি।

    কট্টর মৌলবাদের দাপাদাপি (Bangladesh)

    সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বাংলাদেশের (Bangladesh) একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইসলাম ধর্মের অবমাননার অভিযোগে ময়মনসিংহে এক হিন্দু ধর্মের যুবককে পিটিয়ে প্রথমে নৃশংস ভাবে হত্যা (Hindu Youth Brutally Murder) করা হয়। এরপর মৃতদেহকে গাছের ডালে ঝুলিয়ে পাশবিক ভাবে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই নির্মম হত্যার পিছনে স্থানীয় উন্মত্ত জনতার প্রত্যক্ষ হাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভালুকা থানার ডিউটি অফিসার রিপন মিয়া। এই অমানবিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আবার উপস্থিত জনতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরালও করেছে। ফলে কট্টরপন্থীদের সাফ বার্তা, এটা কোনও সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়, তার ভয়াবহতা এবং আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করে গোটা বিশ্বের কাছে বার্তা দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। লক্ষ্য একটাই হিন্দুদের উপর হত্যালীলা যত বাড়বে কট্টর মৌলবাদ তত সুনিশ্চিত ভাবে নতুন নির্বাচিত সরকারে প্রতিষ্ঠা পাবে। আর তাই এই নির্মম হত্যাকাণ্ড!

    মৃত যুবকের নাম দীপু চন্দ্র দাস

    এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি আইটি সেলের নেতা অমিত মালব্য। বাংলাদেশে শান্তিতে নোবেল পাওয়া মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে হিন্দু যুবকদের জীবন কতটা বিপজ্জনক, তা খুব স্পষ্ট করে বলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলেন, “মৃত যুবকের নাম দীপু চন্দ্র দাস (Hindu Youth Brutally Murder)। তিনি একটি পোশাকের করখানায় কাজ করতেন।” তবে এখন হাসিনা (Bangladesh) এবং ভারত বিরোধী উন্মত্ত জনতার রোষের শিকার শুধু একজন হিন্দু যুবকই হননি। কট্টর মৌলবাদীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন বহু মুক্তমনা সাংবাদিকেরাও। প্রথম আলো, দ্যা ডেইলি স্টার সংবাদ মাধ্যমকের অফিস কার্যত তাণ্ডব চালিয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। কোনও ক্রমে পালিয়ে বেঁচেছেন মহিলা সাংবাদিকরা। পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ রূপ নেয় যে শুক্রবারের সংস্করণও প্রকাশিত হয়নি। কার্যত সবটা মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন এক বদ্ধভূমিতে পরিণত হয়েছে কট্টরপন্থীদের দৌরাত্মে।

    ভোটে জিততেই কি হত্যাকাণ্ড?

    বাংলাদেশে (Bangladesh) সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট একদিনে হবে এই কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। ঠিক তার পরে পরেই দেশে চরম অশান্তির বাতাবরণের পরিস্থিতি। তবে মূল সূত্রপাত অবশ্য হয়েছে গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট। যেদিন কট্টরপন্থীরা গণভবন দখল করেছিল। হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। মহম্মদ ইউনূস এই সব কিছুর মাস্টার মাইন্ডদের কথা বারবার প্রকাশ্যে বলেছেন। আইএসআই, সিএমএম এবং সিআইএ-এর প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কট্টর ভারত বিরোধী নেতা হাদি নির্বাচনী প্রচারে নানা ভাবে উস্কানি দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল আওয়ামিলীগের। গত ১২ ডিসেম্বর ই-রিকশাতে চেপে যাচ্ছিলেন। আচমকা সেই সময় দুষ্কৃতীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতলে এরপর সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর নেমে পড়ে কট্টরপন্থীরা। বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয় হামলা, অগ্নি সংযোগ এবং হত্যাকাণ্ড। শুক্রবারও তাণ্ডবের ধারা অব্যাহত ঢাকাজুড়ে।

    গৃহযুদ্ধ

    অপরদিকে এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh) এখন গৃহযুদ্ধ চলছে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চর্চার পীঠস্থান ছায়ানটে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করেছে। সব কিছুকে ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। ‘নাড়ায়ে তাকবির আল্লা হো আকবর’ স্লোগান দিয়ে একের পর এক ভবনে ভাঙচুর চলছে।” যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস মুখে ‘প্রথম আলো’ বা ‘দ্যা ডেইলি স্টার’ সংবাদ মাধ্যমের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু দেশের আইন শৃঙ্খলা যে তালানিতে ঠেকেছে তা দেখতে পাচ্ছেন না। মুখে তা নিয়ে অবশ্য কোনও রা নেই। একই ভাবে লাগাতার ভারতীয় উপ-হাইকমিশনারের অফিসে লাগাতার হামলার ঘটনায় সতর্ক বাণীও বলতে শোনা যায়নি। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত পদ্মার জল এখন কোন পথে গড়ায় তাই এখন দেখার।

  • Bangladesh Burning: হাতিয়ার হাদি-হত্যা! ভারত-বিরোধী বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ নাকি ভোটের আগে মৌলবাদকে ইন্ধন? নেপথ্যে কারা?

    Bangladesh Burning: হাতিয়ার হাদি-হত্যা! ভারত-বিরোধী বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ নাকি ভোটের আগে মৌলবাদকে ইন্ধন? নেপথ্যে কারা?

    সুশান্ত দাস

     

    ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে ফের অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। এবার কট্টরপন্থী তরুণ নেতার মৃত্যুকে ঘিরে ভোটের মুখে ফের ভারতের বিরুদ্ধে উস্কানির আগুন জ্বালিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে পদ্মাপারের দেশে। গত ১২ তারিখ খুব কাছ থেকে ভারত-বিরোধী বলে পরিচিত ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে ঢাকায় গুলি করে পালায় দুষ্কৃতীরা। বৃহস্পতিবার, সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান হাদি। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত উত্তাল হয়ে ওঠে।

    বৃহস্পতিবার রাতভর সে দেশের একাধিক জায়গায় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ঢাকার কারওয়ান বাজারে দুই প্রথম সারির সংবাদপত্র ‘প্রথম আলো’ ও ‘দ্য ডেলি স্টার’-এর দফতরে হামলা চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। ধানমণ্ডিতে ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের ধ্বংসস্তূপেই ফের চালানো হয় হামলা, ধরানো হয় আগুন। পরে ধানমন্ডিতেই প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী সন্‌জীদা খাতুন প্রতিষ্ঠিত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ‘ছায়ানট’-এ ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। সেখান থেকে হারমোনিয়ান সহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র চুরি করে নিয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা। রাজশাহীতে আওয়ামি লিগের পার্টি অফিসে বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে ফেলার ঘটনাও সামনে এসেছে।

    এরই মধ্যে, কট্টরপন্থীরা এই হত্যার ঘটনার নেপথ্যে শেখ হাসিনা ও ভারতের হাত রয়েছে বলে দাবি করে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ করে তোলে। বাংলাদেশি কট্টরপন্থীদের দাবি, হাদিকে গুলি করা ফয়সল করিম নাকি ভারতে পালিয়ে গিয়েছে। যদিও এর পরিপ্রেক্ষিতে কোনও প্রমাণ নেই। তবে এই সুযোগে ভারত বিদ্বেষের ঝড় উঠেছে সেই দেশে। ফলে, প্রশ্ন উঠছে, ভোটের আগে ভারত-বিরোধী হাওয়া তোলার জন্যই কি হাদিকে হত্যা করা হল? হাদি যে ভারত ও হাসিনা-বিরোধী ছিলেন, তা সর্বজনবিদিত। ফলে, তাঁকে হত্যা করে গোটা দায় শেখ হাসিনা-আওয়ামি লিগ ও ভারতের ওপর চাপিয়ে দিলে কার সবথেকে বেশি লাভবান হবে? তাহলে, হাদির হত্যা কি একটা বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ মাত্র? নাকি ভোটে প্রভাব ফেলতে এটা সুপরিকল্পিত জামাতি-কৌশল?

    ভারত-বিরোধী চক্রান্তের আশঙ্কা যে অমূলক নয়, তার হাতে গরম প্রমাণ মিলেছে বৃহস্পতিবার রাতেই। জুলাই মাসের মতোই, ফের ভারতকে টার্গেট করার অপচেষ্টায় ফের সক্রিয় কট্টরপন্থী আন্দোলনকারীরা। আর তাদের কথায় রাস্তায় নেমে পড়েছে এক শ্রেণি দিকভ্রান্ত, উন্মত্ত বাংলাদেশি জনতা। বিভিন্ন শহরে ভারতীয় উপ দূতাবাসে বিক্ষোভ প্রদর্শন থেকে শুরু করে ইট-পাটকেল ছোড়া হচ্ছে। কোথাও ভারতকে নিশানা করে উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। রাজশাহীতে ভারতীয় উপ দূতাবাসের অফিসে হামলার চেষ্টা করে ইসলামি কট্টরপন্থীরা। বিক্ষোভকারীরা ভারতীয় উপ দূতাবাসকে লক্ষ্য করে অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করে। হামলা চালানোর চেষ্টা করে। এমনকী প্রয়োজনে হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়। বলে, ‘‘প্রয়োজনে আমরা রক্ত গঙ্গা বইয়ে দেব।’’ চট্টগ্রামেও ভারতীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনারের বাসভবনের দিকে মিছিল করে যায় কট্টরপন্থীরা। সেখানেও হামলার চেষ্টাও করে তারা।

    শুধু এই নয়। গত কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী একটা প্রচার চালানো হচ্ছে। উস্কানিমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। ফের, ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস ও উপ-দূতাবাসে হামলা চালানোর ডাক দেওয়া হচ্ছে। সব রাগ যেন গিয়ে পড়েছে ভারতের উপরেই। গত বুধবারই ঢাকার গুলশনে ভারতীয় হাই কমিশনের উদ্দেশে মিছিল করে বিক্ষোভকারীরা। এই বিক্ষোভের ঠিক আগে ভারতীয় কূটনীতিবিদদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে দিল্লিতে তলব করে ভারত। দিল্লিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করেছিল বিদেশমন্ত্রক। সেখানে ভারত-বিরোধী উস্কানিমূলক মন্তব্য নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারত। ইতিমধ্যেই ঢাকা, খুলনা, রাজশাহীতে যে কারণে ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি (আইভিএসি) বন্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশে পাঁচটি আইভিএসি সেন্টার রয়েছে। ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী ছাড়াও রয়েছে চট্টগ্রাম এবং উত্তর-পূর্ব সিলেটে অবস্থিত। এদের মধ্যে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত আইভিএসি হল সমস্ত ভারতীয় ভিসা পরিষেবা পাওয়ার প্রধান কেন্দ্র।

    অর্থাৎ, ইঙ্গিত পরিষ্কার। ভারতের ক্ষতিসাধন। ভারতকে বদনাম। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, এই গোটা ঘটনায় কারা সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে? ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অবশ্যই পাকিস্তানের নাম এই তালিকার সবার ওপরে থাকবে। বিশেষ করে, হাসিনার পতনের পর, সেদেশে পাক সেনা ও আইএসআই-এর প্রভাব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের কট্টরপন্থী, মৌলবাদী ও সন্ত্রাসীরাও বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। উদ্দেশ্য একটাই, কট্টরপন্থী বাংলাদেশিদের আরও উস্কে দিয়ে, তাদের মনে ভারত-বিদ্বেষের বিষ ভরে দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া। এর জন্য, যদি এক-দুটো প্রাণের বলি চড়াতে হয়, তাতেও আপত্তি নেই। বিশ্লেষকদের মতে, ৭১-এর হার কখনই মেনে নিতে পারেনি পাকিস্তান। বিশেষ করে বাংলাদেশের আলাদা হওয়াটা। তারা দীর্ঘদিন ধরেই এই রাগ পুষে রেখেছে। হাসিনা-পতনের পর, তাদের কাছে নতুন সুযোগ এসেছে অচিরে বাংলাদেশকে পুনরায় পূর্ব-পাকিস্তানে পরিণত করার (যাতে তারা অনেকটাই সফল)। হতে পারে হাদি-হত্যা এই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। তালিকায় পিছিয়ে নেই চিন-আমেরিকাও। তাদের উদ্দেশ্য ভারতের উন্নতি রোখা। ভারতের বিরুদ্ধে ‘ডিপ-স্টেট’ কার্যকলাপ করা। এক কথায় বাংলাদেশকে গাজায় পরিণত করে, ভারতকে এই দিকে আটকে রাখা, যাতে ভারত অর্থনৈতিকভাব সুপারপাওয়ার হওয়ার দিকে মনোনিবেশ না করতে পারে।

    এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তীব্র মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আশির দশক থেকেই বলে আসছি, বিনা যুদ্ধে ভারত দখলের চক্রান্ত চলছে। মৌলবাদ ও চরমপন্থা মানবসভ্যতার জন্য ক্যান্সারের মতো। এই ক্ষত থেকে মুক্তি পেতেই হবে। বাংলাদেশে শুধু মুক্তমনা মানুষ নয়, যাঁরা ধর্মীয় আগ্রাসনে বিশ্বাস করেন না, কাউকে ‘কাফের’ বলে ডাকেন না, তাঁরাও আজ আক্রান্ত। এই ধর্মীয় বিভাজন আরও বাড়বে। ইউরোপেও তা বাড়ছে, কানাডার দিকেই তাকান। এই ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে ভারতবাসী রুখে দাঁড়াবে।”

    তবে, বিশ্লেষকদের আর একটি অংশের মতে, হাদি হত্যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপট বদলের চেষ্টাও হতে পারে। তাঁদের মতে, সামনে নির্বাচন। তাই দেশে মৌলবাদ-ঝড় তুলতে হাদিকে মারার ছক করা হতে পারে। এক্ষেত্রে, সবচেয়ে লাভবান হওয়ার কথা কট্টরপন্থী জামায়তে ইসলামির (বাংলাদেশে যারা জামাত বলেই পরিচিত)। এই বিশ্লেষকদের মতে, এতে এক ঢিলে দুই পাখি মারা হবে। একদিকে, হাদি-হত্যাকে হাতিয়ার করে ভারত-বিরোধী আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া দেশে। আর সেই আগুনের আঁচে আসন্ন ভোটে পদ্মাপারের দেশকে নিজেদের কায়েমে আনা যাবে। ফলে, জামাতের পক্ষে সব সম্ভব, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Bangladesh: কট্টরপন্থী হাদির মৃত্যুর পর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, হামলা ভারতীয় উপদূতাবাসেও! আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে চুপ ইউনূস

    Bangladesh: কট্টরপন্থী হাদির মৃত্যুর পর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, হামলা ভারতীয় উপদূতাবাসেও! আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে চুপ ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পাওয়া মহম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশ (Bangladesh) এখন ফের অশান্ত। দেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি (Osman Hadis Death) প্রায়াত। এই কট্টরপন্থী নেতা ভারত-বিরোধী হিসেবে বেশ কুখ্যত ছিলেন। ১২ ডিসেম্বর অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর গুলিতে গুরুতর জখম হয়েছিলেন। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। হাদির মৃত্যুর পর পরই উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকার শাহবাগ সহ জায়গায় জায়গায় অশান্তি এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে। দেশের একাধিক ভারতীয় উপদূতাবাসে হামলা করার অভিযোগও উঠেছে। ইতিমধ্যে রাজপথে নামানো হয়েছে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভারত বিরোধী জনতার রোষ সামাল দিতে আসরে নেমেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। ওই দেশে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে ইউনূস বলেন, “দেশের জনগণকে আমি ধৈর্য ধরতে বলব। হাদির মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে।”

    শৃঙ্খলা নিয়ে মুখ খোলেননি ইউনূস (Bangladesh)

    হাদির মৃত্যর খবর জানাজানি হতেই গোটা বাংলাদেশে (Bangladesh) দাবানলের মতো আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আক্রশের মূল টার্গেট ভারত। তাই ঢাকা সহ একাধিক শহরে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। উন্মত্ত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’, ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর অফিসে। রোষ আবারও আছড়ে পড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে। সেখানেও আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয়। দেশের আইন শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে। এই অবস্থায় নিরুপায় হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস রাত ১১টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, “শনিবার দেশের সব সরকারি, সরকারের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি এবং বেসরকারি ভবন, বিদেশে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অফিসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। একই ভাবে শুক্রবার দেশের প্রত্যেক মসজিদ থেকে ওসমানের জন্য শোক প্রকাশ করা হবে। শনিবার দিনভর রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। ওসমানের স্ত্রী এবং সন্তানদের দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে।” তবে আইন শৃঙ্খলা নিয়ে মুখ খোলেননি ইউনূস। ভারত বিরোধী আন্দলন নিয়ে মুখ খোলেননি। শুক্রবার সন্ধ্যে বেলায় হাদির দেহ সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশে ফেরানো হবে। তবে দেহ ফেরার পর পরিস্থিতি আরও উত্তাল হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    রাজশাহীতে মজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর

    বিবিসির একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, হাদির মৃত্যুর পরেই উন্মত্ত জনতা ঢাকার (Bangladesh) সংবাদ মাধ্যমকে টার্গেট করে। প্রথম আলো, দ্য ডেলি স্টার –এর মতো সংবাদ মাধ্যমের অফিসে জোর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে চালানো হয় বিরাট ভাঙচুর। অফিসের ভিতরে আটকে থাকা সাংবাদিকদের উদ্ধার করা হয়। অবশ্য আটকে থাকা সাংবাদিকরা জানান, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সব জেনে শুনেই চুপ ছিলেন। পুলিশ কোনও রকম ভাবেই সহযোগিতা করেনি। আইন শৃঙ্খলা এখন চরম অবনিতে পরিণত হয়েছে। অপর দিকে খুলনায় এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা। আবার ময়মনসিংহ জেলার এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। একই ভাবে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু মজিবুর রহমানের একটি বাড়ি এবং আওয়ামি লিগের দফতরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। বিক্ষোভকারীদের আগ্রাসন থেকে রেহাই পায়নি দেশের প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। রাতভর ছায়ানট ভবনে তাণ্ডব ও লুটপাট চলেছে। আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আছড়ে ভাঙা হয়েছে হারমোনিয়াম।

    বেশির ভাগ বিক্ষোভ দেখানো হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের বিরুদ্ধে। ভারতের বিরোধিতা করে দেওয়া হয় ভারত-বিরোধী নানা হিংসাত্মক স্লোগান। কট্টরপন্থীরা বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামে ভারতীয় ভারতীয় সহকারী-হাইকমিশনারের বাসভবন  লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট, পাটকেল। রাতেই দূতাবাসের সামনে উন্মত্ত ছাত্র-যুবরা অবস্থান করে। দিকে দিকে ফের ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াচ্ছে একদল। উল্লেখ্য গত ১৬ ডিসেম্বর ছিল বিজয় দিবস। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার এই বিজয় দিবসকে বিজয় দিবস হিসেবে মানতে নারাজ। এনসিপির এক নেতা প্রকাশ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭ রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। ভারতও এই নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। ভোটের আগে ভারত-বিরোধী আবহ তৈরি করতে কট্টরপন্থীরা ব্যাপক প্রচেষ্টা করছেন। বাংলাদেশে এই অশান্তির দিকে নজর রাখছে ভারত।

    নির্বাচনকে ঘিরে হিংসা-হানাহানি

    ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে হাসিনাকে চক্রান্ত করে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে বিতারিত করা হয়। এরপর থেকেই ক্ষমতা চলে যায় কট্টর মৌলবাদী এবং জেহাদি সংগঠনের হাতে। অন্তর্বর্তী সরকারের মাথায় বসেন মহম্মদ ইউনূস। পাকিস্তানের আইএসআই এবং সেনাবাহিনীর উচ্চপদ কর্তাদের শুরু হয় অবাদ যাতায়েত। ১৯৭১ সালের পর থেকে যে রাস্তায় বাংলাদেশ হাটেনি সেই রাস্তায় শুরু হয় নতুন যাত্রা। ঢাকা-ইসলামাবাদ, করাচি- চট্টগ্রামের মধ্যে শুরু হয় আকাশপথ এবং জলপথের মাধ্যমে যাতায়েত। পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট। সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয় ওইদেশের সংখ্যা লঘু হিন্দুরা। দেশের আইন শৃঙ্খলা এখন চরম অবনতিতে পরিণত হয়েছে। গত দেড় বছরের বেশি সময়ে মৌলবাদী কট্টর সংগঠনগুলি আরও শক্তিশালী রূপ ধারণ করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। তাই নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ভোট এবং প্রচারকে ঘিরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পারদ তত বেশি চড়ছে।

  • Coriander Leaves: শীতের রকমারি রান্নায় ছড়িয়ে দিচ্ছেন ধনেপাতা কুচি! শরীরে এর কী প্রভাব পড়ছে?

    Coriander Leaves: শীতের রকমারি রান্নায় ছড়িয়ে দিচ্ছেন ধনেপাতা কুচি! শরীরে এর কী প্রভাব পড়ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ফুলকপি, সিম দিয়ে বাঙালির শীতকালীন মাছের ঝোল হোক কিংবা মটরশুঁটির কচুরির সঙ্গে যোগ্য সঙ্গী হওয়া আলুর দম! উপকরণ বা পদ যাই হোক না কেন, শীতের মরশুমে যেকোনও রান্নার শেষে কুচি করা ধনেপাতা ছিটিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও গরম ভাতের সঙ্গে ধনেপাতা বাটা বা ধনেপাতার চাটনি, বাঙালির অতি প্রিয় শীতকালীন পদ। কিন্তু এই ধনেপাতা শরীরের জন্য কতখানি উপকারি! শীতকালে ধনেপাতা খেলে কি, স্বাস্থ্যের বাড়তি কোনও লাভ হয়! চিকিৎসকদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, ধনেপাতা শরীরের জন্য খুবই উপকারি। নিয়মিত রান্নায় ধনেপাতা ব্যবহার করলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। বিশেষত শীতের নানান স্বাস্থ্য বিপর্যয় সহজেই এড়ানো যায়‌।

    ধনেপাতা খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

     

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে!

    ডায়াবেটিসের বোঝা বাড়ছে। কম বয়সী এমনকি স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও ডায়াবেটিস আক্রান্তদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। আর তাই নানান স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হচ্ছে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ধনেপাতা বিশেষ সাহায্য করে। ধনেপাতা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে খুব কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য ধনেপাতা খাওয়া বাড়তি লাভজনক।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই পিঠে, পায়েস কিংবা কেক জাতীয় নানান মিষ্টির পদ খান। একাধিক উৎসব উদযাপনের ভোজে শেষ পাতে এক টুকরো মিষ্টি মুখে দেওয়া হয়। আর সেটাই বিপদ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষত ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করে। এই অবস্থায় রান্নায় নিয়মিত ধনেপাতা ব্যবহার করলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়‌।

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে। তরুণ প্রজন্মের একাংশ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকক্ষেত্রেই হৃদরোগ প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। ধনেপাতা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। শীতের মরশুমে অনেকেই চর্বি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খান। এর ফলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। যা হৃদরোগের অন্যতম কারণ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ধনেপাতা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। আবার ধনেপাতা শরীরের উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

    শীতে রক্তচাপের সমস্যা বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রা কমে। এর ফলে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যায়। তাই রক্তচাপ ওঠানামা করে। অধিকাংশ মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। আর তার জেরেই হৃদরোগের ঝুঁকিও এই সময়ে বেড়ে যায়। ধনেপাতা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত ধনেপাতা খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ধনেপাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন কে। এছাড়াও ধনেপাতা আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের খনিজ পদার্থে ভরপুর। এর ফলে নিয়মিত ধনেপাতা খেলে শরীরে ভিটামিন ও খনিজের চাহিদা পূরণ সহজ হয়। শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও মিনারেল থাকলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই নানান সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হন। জ্বর-সর্দি বা ফুসফুসের সংক্রমক। আর এই সব ভোগান্তির নেপথ্যে থাকে রোগ প্রতিরোধ শক্তির অভাব। সংক্রামক রোগের ভোগান্তি কমাতে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো জরুরি। সেই কাজে ধনেপাতা সাহায্য করে।

    শীতে ত্বকের সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে!

    ধনেপাতা ভিটামিনে ভরপুর। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ধনেপাতা খেলে ত্বকের সমস্যা কমে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ধনেপাতা কোলারেজ তৈরিতে বিশেষ সাহায্য করে। শীতে অনেকেই ত্বকের একাধিক সমস্যায় ভোগেন। ধনেপাতা সেই সমস্যা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ওমানের সর্বোচ্চ সম্মান দিলেন সুলতান হাইথাম বিন তারিক

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ওমানের সর্বোচ্চ সম্মান দিলেন সুলতান হাইথাম বিন তারিক

    মাধ্য্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-ওমান (Oman) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে বৃহস্পতিবার সুলতান হাইথাম বিন তারিক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ওমানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান অর্ডার অফ ওমানে ভূষিত করলেন। জর্ডান এবং ইথিওপিয়া সহ তিন দেশে সফরের শেষ পর্যায়ে মোদি বৃহস্পতিবার ওমান পৌঁছেছেন। সেখানে ওমানের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বাদ্য সঙ্গীত পরিবেশন করে বরণ করা হয় তাঁকে। সেই সঙ্গে দেওয়া হয় উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং গার্ড অফ অনার। আন্তর্জাতিক ভাবে বিভিন্ন দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত পুরষ্কারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৯। ওমানে এদিন সন্ধ্যায় ভারতীয়দের একটি সভায় বিশেষ ভাষণও রাখেন।

    কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০তম বার্ষিকী পূরণ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ২৯টিরও বেশি সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরষ্কারের তালিকার সর্বশেষ সংযোজন হয়েছে ওমানের (Oman) এই পুরস্কার। এই সূচিতে রয়েছে ইথিওপিয়ার গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া এবং কুয়েতের অর্ডার অফ মুবারক আল-কবীরের মতো সাম্প্রতিক সম্মাননা। মোদির মাস্কাট সফর ছিল বিদেশনীতির জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সফর। ভারত ও ওমানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০তম বার্ষিকী পূরণ হয়ছে। দুই দেশ উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা এবং সংস্কৃতিতে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর এবং সুরক্ষিত করার দিকে বিশেষ জোর দিয়েছে। তবে মুসলিম বিশ্বে ভারতের কাছে ওমানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এই মুহূর্তে ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ।

    ১৪০ কোটি দেশবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা

    মঙ্গলবার, ভারত-ইথিওপিয়া অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে সেই দেশ সফরে গিয়েছিলেন মোদি। ব্যতিক্রমী অবদান এবং একজন বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ, আদ্দিস আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ পুরস্কার, “ইথিওপিয়ার মহান সম্মান নিশান” প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতার কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করা সম্মানের।” প্রধানমন্ত্রী এই পুরস্কারটি ভারতীয় এবং ইথিওপীয় উভয়কেই উৎসর্গ করেছেন, যারা বছরের পর বছর ধরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বয়ে নিয়ে চলেছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপণ করেছেন। ১৪০ কোটি ভারতীয়ের পক্ষ থেকে মোদি আন্তরিক কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

  • SIR: প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং, জানাল নির্বাচন কমিশন

    SIR: প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং, জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স্কদের এখন আর চিন্তা নেই। প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং। এই কাজে সাহায্য করবেন নির্বাচন কমিশনের বিএলও এবং এইআরও-রা (SIR)। ৮৫ বছর বা তার বেশি ঊর্ধ্বে যাঁদের বয়স, তাঁরা যদি শুনানির আওতায় পড়েন, তাঁদের ক্ষেত্রে হেয়ারিং-এর জন্য দফতরে যেতে হবে না। বাড়িতে হেয়ারিং করার ক্ষেত্রে ইআরও এবং নির্বাচন আধিকারিক এইআরও এবং বুথ লেভেল অফিসাররা (বিএলও) সহযোগিতা করবেন। বয়স্ক ভোটারদের যাতে কোনও ভাবেই হয়রানির মুখে না পড়তে হয় তাই কমিশনের (Election Commission) এই সিদ্ধান্ত। খসড়া তালিকায় ইতিমধ্যে বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম। দেড় কোটির বেশি নামে তথ্যের ভুল রয়েছে। তবে সব মিলিয়ে এক লক্ষের বেশি হেয়ারিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোডে একাধিক অভিযোগ আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে।

    বেশ কিছুই এলাকায় গড়মিল (SIR)

    এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় একাধিক ভুল ধরা পড়ায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলওদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে শোকজ নোটিস জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। শিলিগুড়ি, দার্জিলিং জেলার বিভিন্ন বিএলও-দের বিরুদ্ধে শোকজ করা হয়েছে। একই ভাবে হুগলির চণ্ডীতলা, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, এবং কোচবিহারের দক্ষিণ বিধানসভার মোট তিনজন বিএলওকেও শোকজ করা হয়েছে। কমিশন (Election Commission) ইতিমধ্যে এই কেন্দ্রগুলিতে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইআরও-দের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

    খসড়া তালিকায় জীবিত ব্যক্তি মৃত

    ডানকুনির এক কাউন্সিলরের নিজের নাম খসড়া তালিকায় (SIR) মৃত দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। কমিশনের তরফে ইতিমধ্যে বিলওকে শোকজ করা হয়েছে। এই ঘটনায় কমিশন এলাকার বিডিও এবং এইআরওদের কাজের হিসেব চেয়ে নোটশ পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আপডেট এবং কপির সঙ্গে যুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। শিলিগুড়িতে এক মৃত ভোটারের নামে গোলমাল হওয়ায় বিএলওকে শোকজ করা হয়েছে। আবার কোচবিহারের দক্ষিণ বিধানসভা ক্ষেত্রেও একই ভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। কমিশনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এই দুই ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত ভুল করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে কমিশনের (Election Commission) সাফ কথা যেহেতু ভুল হয়েছে তাই ভোটারদের দিয়ে বিএলওকে ফর্ম ৬ পূরণ করতেই হবে।

    বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা ঠিক করে হয়নি

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বেলেঘাটা বিধানসভার মোট সাতটি বুথের বিএলও কে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে কমিশন নোটিশ ধরিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি উত্তর না পাওয়া যায় তাহলে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আরও অভিযোগ রয়েছে ফর্ম বিতরণ, তালিকা সংশোধন, বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা এবং নথি যাচাই-এর কাজ ঠিক মতো হয়নি। ফর্ম (SIR) জমা পড়লেও তার তথ্য ঠিক করে আপডেট হয়নি। ঠিকানা বা নম্বর সংশোধন ঠিক করে করা হয়নি। আবার বেশকিছু বুথে নিয়মিত পরিদর্শনও করা হয়নি।

    গাফিলতি প্রমাণে বরখাস্ত

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) অবশ্য বক্তব্য, সমানেই বিধানসভা নির্বাচন তাই ভোটার তালিকা সংশোধন হওয়া একান্ত জরুরি। নতুন নাম যুক্ত করা, মৃতদের নাম বাদ দেওয়া, ঠিকানা বদল হয়েছে এমন নাম চিহ্নিত করা, একাধিক জায়গায় নাম রয়েছে এবং ভুয়ো ভোটারদের নাম তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়া একান্ত দরকার। বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় অবশ্যই থাকতে হবে। কমিশন এই সংক্রান্ত কাজের কোনও রকম আপোষ করবে না। তবে যদি কাজে গাফিলতি প্রমাণিত হয় তাহলে বরখাস্ত অবধারিত। ভোটের কাজে কোনও রকম আলস্য ভাব দেখালে চলবে না। কাজে গাফিলতি পেলেই কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    শুনানি নিয়ে কমিশনের নির্দেশিকা

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শুনানির জন্য দুটি নোটিস ইস্যু করা হবে। একটি নোটিস সংশ্লিষ্ট ভোটারকে দেওয়া হবে। আর একটি নোটিস বিএলও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে স্বাক্ষর করে নিজের কাছে রাখবেন। নোটিশ পাওয়ার পর শুনানিতে যাওয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও-র অফিস তথা সরকারি অফিসে এই শুনানি কেন্দ্র হবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০ জনকে নিয়ে শুনানি করতে পারবেন আধিকারিকরা। উপস্থিত থাকবেন ইআরও, এইআরও-রা। কেন্দ্রে রাখতে হবে বসার জায়গা, জেরক্স করার জায়গা, জলের ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট ভোটারকেই হিয়ারিং-এর সময় উপস্থিত থাকতে হবে। যদি কোনও কারণে নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত থাকতে না পারেন, তাহলে সেই তারিখ বদলানো যেতে পারে।

  • Bangladesh: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ঢাকার পর রাজশাহী ও খুলনার ভিসাকেন্দ্রও বন্ধ করল ভারত

    Bangladesh: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ঢাকার পর রাজশাহী ও খুলনার ভিসাকেন্দ্রও বন্ধ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বুধবার ঢাকার ভারতীয় ভিসাকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছিল। যদিও বৃহস্পতিবার খোলা হয়েছে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (Visa Application Centre) বা আইভ্যাক। তবে বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্য দুই শহর রাজশাহী এবং খুলনার ভিসাকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে যে, সমস্ত ভিসার আবেদন জমা পড়েছে এবং স্লট বুক করা হয়েছে তাঁদের নতুন তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    জনতার রোষ ভারত বিরোধিতায় (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুর ২টোয় ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রের (Visa Application Centre) কাজকর্ম সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়েই আবার ভিসা চালু করা হছে। তবে নিরাপত্তার কারণে ঢাকার অন্য ২ শহরে ভারতীয় ভিসাকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের (Bangladesh) নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে এ নিয়ে তলব করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। ঠিক এই তলবের দুই ঘণ্টা আগেই ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত স্বয়ং ঘোষণা করেছিলেন ভারতের হাইকমিশনার। বাংলাদেশে নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে আগেই। হাসিনার জিগির তুলে কোটাবিরোধী নেতারা একাধিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সুর তুলে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ অভিযান চালায়। উত্তেজিত জনতার মুখে ছিল ভারত-বিরোধিতা। আর তাই ভিসার কাজ কর্ম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তার অভাব

    উল্লেখ্য সম্প্রতি বাংলাদেশে (Bangladesh) জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি-র নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ প্রকাশ্যে ভারত বিরোধিতা মন্তব্য করেন। তিনি ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করার চরম হুঁশিয়ারি দেন। পূর্ব এবং উত্তর পূর্ব সীমান্তে যেসব জঙ্গি সংগঠন কাজ করছে তাঁদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করবেন। তাঁদের একটাই দাবি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর অনুগামীদেরকে বাংলাদেশে ফেরাতে হবে। রীতিমতো ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক ভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এরপর বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুলকে তলব করে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই সনদের গণভোট। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই এখন উত্তাল বাংলাদেশ।

  • Lok Sabha: লোকসভায় ই-সিগারেটে সুখটান তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের! অভিযোগ বিজেপির

    Lok Sabha: লোকসভায় ই-সিগারেটে সুখটান তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের! অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় (Lok Sabha) ই-সিগারেট পান করার অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপির দাবি এই ঘটনা সংসদীয় শিষ্টাচারের আচরণ বিরুদ্ধ। বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে এই মর্মে একটি অভিযোগও জমা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। অবশ্য তৃণমূল নিজের দলের সাংসদের এই আচরণে এখন চরম অস্বস্তিতে।

    মালব্যের পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে (Lok Sabha)

    লোকসভায় (Lok Sabha) কয়েকদিন ধরেই ই-সিগারেট খাওয়া নিয়ে বেশ বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সভায় একটি বিলের আলোচনা চালকালীন অনুরাগ ঠাকুর নিরন্তর সিগারেট পান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ইতিমধ্যে এবার বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করে কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) কুকর্মকে তুলে ধরেছেন। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূল সাংসদের নাম উল্লেখ করে সামাজিক মাধ্যমে বিনিময় করেছেন। এই ঘটনাকে সংবিধান এবং সংসদের আইন বিরুদ্ধ বলে মন্তব্যও করেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি যদি আইন শৃঙ্খলার নিয়মকে ভেঙে দেন তাহলে সাধারণ মানুষ কি করবেন? যে সভায় আইন নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা এবং বিলকে আইনে পরিণত করা হয়, সেই জায়গায়ই এই অবস্থা। বিজেপি এই তথ্য সম্বলিত ভিডিওর উদাহরণ দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।

    ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ

    গত বৃহস্পতিবার লোকসভায় (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “তাহলে ধূমপান মান্যতা পেয়েছে লোকসভায়?” অবশ্য সামাজিক মাধ্যমে আরও এক তৃণমূল সাংসদের সিগারেট খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়কে বাঁ হাত পিছনে নিয়ে সিগারেটে সুখটান দিচ্ছেন। অবশ্য তখনই বিজেপি সাংসদ গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং গিরিরাজ সিং তাঁকে তুলোধনা করতেও দেখা গিয়েছে। নিজের শরীর খারপের সঙ্গে অন্যের শরীর খারাপ করার কোনও অধিকার তৃণমূল সাংসদের যে নেই, তাও এদিন বুঝিয়ে দেন বিজেপি সাংসদরা।

  • Vitamin B: শরীরে কতখানি জরুরি ভিটামিন বি? কীভাবে ঘাটতি মেটাবেন?

    Vitamin B: শরীরে কতখানি জরুরি ভিটামিন বি? কীভাবে ঘাটতি মেটাবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রতিদিনের স্বাভাবিক কাজ করার শক্তিও থাকছে না। সামান্য কারণেই মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। হাত-পা অসাড়‌! মাঝেমধ্যেই পেটের সমস্যা দেখা দেয়। আবার খাবার ইচ্ছেও থাকে না। সবমিলিয়ে বাড়ছে ক্লান্তি বোধ। একধরনের বিষন্নতা গ্রাস করছে। ক্রমশ এই ধরনের সমস্যা বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সবকিছুর নেপথ্যে রয়েছে একটি ভিটামিনের ঘাটতি। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভিটামিন বি ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। পুষ্টি সম্পর্কে অসচেতনতাই এই ধরনের সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর তার ফলে শরীরে গভীর প্রভাব পড়ছে।

    ভিটামিন বি ঘাটতি শরীরে কী সমস্যা তৈরি করে?

    রক্তাল্পতা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ভিটামিন বি ঘাটতি হলে রক্তাল্পতার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন বি লোহিত কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। এই লোহিত কোণিকা রক্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সেই উপাদান পর্যাপ্ত তৈরি না হলেই রক্তাল্পতার সমস্যা হয়।

    অন্ত্রের একাধিক রোগ!

    অন্ত্র সুস্থ রাখতে এবং কার্যকারিতা বজায় রাখতে ভিটামিন বি খুব গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিন বি অভাব ঘটলে অন্ত্রের নানান সমস্যা হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। লাগাতার পেটের সমস্যা হতে থাকে। খাওয়ার ইচ্ছে কমতে থাকে। এর ফলে দূর্বলতা, অপুষ্টি আরও বাড়ে।

    স্নায়ুর রোগের কারণ!

    ভিটামিন বি অভাবে স্নায়ুর একাধিক সমস্যা হয়। এই ভিটামিনের অভাবে ক্লান্তি বোধ বাড়ে। হাত ও পায়ের স্নায়ুর শক্তি কমে। সামান্য হাঁটাহাঁটি করলেই ঝিনঝিন ভাব বাড়ে। অসাড়তা হয়। চলার ভারসাম্য কমে। স্নায়ুর শক্তি কমার জেরেই মস্তিষ্কের ক্ষমতা ও কমে। স্মৃতিশক্তি কমে। ভারসাম্য নষ্ট হয়। জীবনের নানান কাজে এগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা তৈরি করে।

    মানসিক স্বাস্থ্যে সমস্যা তৈরি করে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যেও এই ভিটামিনের অভাব প্রভাব ফেলে। ভিটামিন বি ঘাটতি হলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। ক্লান্তি বোধ অতিরিক্ত রাগের কারণ হয়ে ওঠে। অকারণেই রাগ, বিষন্নতা মনকে আচ্ছন্ন করে। যা মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

    ত্বক ও চুলের একাধিক সমস্যার কারণ!

    ভিটামিন বি অভাব ত্বকের উপরে গভীরভাবে পড়ে। এমনটাই জানাচ্ছেন‌ চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে ত্বক খসখসে হয়ে যায়। ত্বকের উপরে ঘা হয়। ত্বকের পাশপাশি চুলের সমস্যাও দেখা যায়। চুল পড়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন বি ঘাটতি।

    গর্ভবতীর জন্য বাড়তি বিপদ!

    স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গর্ভবতীর জন্য ভিটামিন বি ঘাটতি খুবই বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, মায়ের ভিটামিন বি অভাব হলে শিশুর স্নায়বিক গঠনে ত্রুটি হতে পারে। যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি।

    কীভাবে ভিটামিন বি ঘাটতি মেটাবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিন বি ঘাটতি পূরণ করবে খাবার। নিয়মিত কিছু ঘরোয়া খাবার মেনুতে রাখলেই এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সহজ হয়। কিন্তু পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতার অভাব এ দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই ধরনের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।
    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত মেনুতে ডাল থাকা জরুরি। মুগ, মুসুর, মটর কিংবা ছোলা, যেকোনও ডাল নিয়মিত খেলে ভিটামিন বি ঘাটতি মেটানো সহজ হয়। ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে ডাল অবশ্যই খাওয়া প্রয়োজন। তাহলে ভিটামিনের ঘাটতি সহজেই পূরণ হয়।

    ডালের পাশপাশি পালং শাক, ব্রোকলির মতো সব্জি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত সবুজ সব্জি খেলে ভিটামিন বি ঘাটতি সহজেই পূরণ হয়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের নানান পুষ্টি ঘটিত সমস্যার মূল কারণ পর্যাপ্ত সবুজ সব্জি না খাওয়া। নিয়মিত সবুজ সব্জি খেলে এই ধরনের সমস্যা সহজেই এড়ানো‌ যায়।

    নিয়মিত মাছ, মুরগীর মাংস, ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের প্রাণীজ খাবার প্রোটিনের পাশপাশি ভিটামিন বি চাহিদা সহজেই পূরণ করে। তাছাড়া এই ভিটামিনের ঘাটতি মেটাতে রোজ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত দুধ খেলে শরীরে একাধিক ভিটামিনের চাহিদা পূরণ সহজ হয়।

    পুষ্টিবিদদের একাংশের মতে, ঘরের তৈরি রুটি, সব্জি, ডাল কিংবা ডিম সেদ্ধ, চিকেন স্ট্রুর মতো খাবার শরীরের জন্য খুবই উপকারি। এগুলো অতিরিক্ত ওজনের কারণ হয় না। বরং শরীরের প্রয়োজনীয় সমস্ত চাহিদা পূরণ করে। নানান রোগ রুখতেও সাহায্য করে। তাই নিয়মিত এই ধরনের পুষ্টিকর খাবার খেলে একাধিক রোগ মোকাবিলাও সহজ হয়ে যায়।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share