Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Daily Horoscope 10 February 2026: ধর্মীয় কাজকর্মের প্রতি রুচি বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 10 February 2026: ধর্মীয় কাজকর্মের প্রতি রুচি বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) প্রেম জীবনে সম্পর্কে তিক্ততা আসবে।

    ২) চাকরিজীবীরা ষড়যন্ত্রের শিকার হবেন।

    ৩) পরিবারের প্রয়োজনীয়তা পূরণে সফল হবেন।

    বৃষ

    ১) দিনটি নানান সমস্যায় ভরে থাকবে।

    ২) আবেগতাড়িত হয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না।

    ৩) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতবিরোধ হতে পারে।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি ব্যস্ততায় ভরে থাকবে।

    ২) সন্তানের শিক্ষা সংক্রান্ত কাজে অধিক দৌড়ঝাপ করতে হবে, ব্যস্ত থাকবেন।

    ৩) চাকরি লাভের সুসংবাদ পেতে পারেন।

    কর্কট

    ১)  ব্যবসায়ীরা আর্থিক লেনদেন সাবধানে করুন।

    ২) দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা বিবাদের সমাধান হবে।

    ৩) নিজের জন্য কেনাকাটা করবেন।

    সিংহ

    ১) মা-বাবার স্বাস্থ্যের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) কোনও কাজে অসফল হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ভুগবেন, এর ফলে আপনাদের মেজাজ খিটখিটে হবে।

    ৩) পরিবারের কোনও সদস্যের সঙ্গে তর্ক বাঁধতে পারে।

    কন্যা

    ১) রোজগারের সন্ধানে থাকলে সুসংবাদ পাবেন।

    ২) দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন করার জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    ৩) সম্পত্তি ক্রয়ের ইচ্ছা থাকলে তা পূরণ হবে।

    তুলা

    ১)  সাবধানে গাড়ি চালান, দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) আকস্মিক ধন লাভে আনন্দিত হবেন।

    ৩) কোনও পুরনো বিষয়ের কারণে বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) ধর্মীয় কাজকর্মের প্রতি রুচি বাড়বে।

    ২) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতায় একাধিক সমস্যার সমাধানে সফল হবেন।

    ৩) সন্তানের তরফে সুসংবাদ পাবেন।

    ধনু

    ১) কোনও বন্ধুর সঙ্গে দেখা হবে।

    ২) ব্যবসায়ীরা আনন্দিত থাকবেন, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি লাভ হবে।

    ৩) টাকা ধার দিয়ে থাকলে তা ফিরে পেতে পারেন।

    মকর

    ১) দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা পারিবারিক কাজ সম্পন্ন করতে ব্যস্ত থাকবেন।

    ২) নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য দিন খুব ভালো।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ার যত্ন নিন, নয়তো পেটের সমস্যা দেখা দেবে।

    কুম্ভ

    ১) বাবা আপনাকে কোনও কাজের দায়িত্ব দেবেন। তা পূর্ণ করুন, তা না-হলে তাঁরা আপনার প্রতি ক্ষুব্ধ হতে পারে।

    ২) শ্বশুরবাড়ির কোনও সদস্যের কাছ থেকে আর্থিক লাভ পেতে পারেন।

    ৩) রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে তাঁদের জন্য দিন ভালো।

    মীন

    ১) কোনও নিকটাত্মীয় আপনাকে প্রতারিত করতে পারে।

    ২) ছোট ব্যবসায়ীরা আনন্দিত থাকবেন।

    ৩) সন্তানের সমস্যা থাকলে কোনও আত্মীয়ের সাহায্যে তার সমাধান হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Rabin Bhattachrya: তৃণমূল কাউন্সিলের ফাঁসির দাবি, ব্যরাকপুর চিড়িয়ামোড়ে বিজেপির ব্যাপক বিক্ষোভ

    Rabin Bhattachrya: তৃণমূল কাউন্সিলের ফাঁসির দাবি, ব্যরাকপুর চিড়িয়ামোড়ে বিজেপির ব্যাপক বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ব্যরাকপুরে (Barrackpore) তৃণমূল কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের (Rabin Bhattachrya) লাথিতে ৮১ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটেছে। জানা গিয়েছে লাথি দেওয়ারপর হার্ট অ্যাটাক হয় এবং তারপর মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধের। এই ঘটনার প্রতিবাদ করে বিজেপি জানিয়েছে অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরকে ফাঁসি দিতে হবে। সোমবার ব্যারাকপুরের চিরিয়ামোড় এই ইস্যুতে ব্যাপক উত্তাল হয়ে ওঠে। যদিও ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু বিজেপির একটাই দাবি, ফাঁসি চাই।

    ফাঁসি চাই (Rabin Bhattachrya)

    বৃদ্ধ হত্যার প্রতিবাদে চিড়িয়ামোড়ের (Barrackpore) গান্ধিমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিজেপি। কার্যত বিজেপির জমায়েতে অচল হয়ে পড়ে ব্যারাকপুর। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং এবং বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্ত। বিটি রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বিরাট পুলিশ বাহিনী। তৃণমূল নেতার অভব্য আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্জুন সিং বলেন, “দোষীর (Rabin Bhattachrya) কঠোরতম শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে। তৃণমূল নেতার ফাঁসি চাই। পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত লজ্জার।”

    জানা গিয়েছে, এদিন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে (Rabin Bhattachrya) আদালতে তোলা হবে। শারীরিক পরীক্ষার পর এদিন তাঁকে আদলাতের দিকেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কিন্তু এমন সময় আদালত চত্বরের সামনে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে। বিজেপির মিছিলকে আটকাতে পুলিশ অতিসক্রিয়তার ভূমিকা পালন করে। এই ঘটনায় বিজেপির আন্দোলন এদিন বিরাট উত্তেজনার সৃষ্টি করে।

    রাতেই গ্রেফতার কাউন্সিলর

    ঘটনা ঘটেছিল রবিবার রাতে। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ ছিল অভিযুক্ত কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। কোনও উপায় না পেয়ে চেয়ারম্যানের (Barrackpore) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন তুলসী অধিকারী। রাগে রবীন্দ্রনাথ তাঁর বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালান। এরপর নিজের ছেলেকে বাঁচতে এলে বৃদ্ধ বাবাকে কঠিন আঘাত করে লাথি মারেন রবীন্দ্রনাথ। এরপর বৃদ্ধ মাটিতে পড়ে যান এবং সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানা যায়। ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। ওইদিন রাতেই অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে (Rabin Bhattachrya) ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়। পার্থ বলেন, “ঘটনা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। অত্যন্ত মর্মান্তিক।” ঘটনার দিন রাতেই পুলিশ কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করেছে।

  • SIR in Bengal: বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার মেয়াদ ৭ দিন বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট, ১৪ তারিখের পরে কবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ?

    SIR in Bengal: বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার মেয়াদ ৭ দিন বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট, ১৪ তারিখের পরে কবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) শুনানির সময়সীমা ১ সপ্তাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার রাজ্যের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেয় বিচারপতি সূর্য কান্ত ও জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শনিবার এই পর্বের (SIR in Bengal) সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের অন্তত ৭-৮টি জেলায় শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। তাই নির্বাচন কমিশনের কাছে শুনানির সময় আরও একসপ্তাহ বৃদ্ধি করার আবেদন জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল। সূত্রের খবর, সেই আর্জিকে মান্যতা দিল কমিশন। এর ফলে ২১ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতে পারে।

    কেন মেয়াদ বৃদ্ধি

    জানা যাচ্ছে, রাজ্যের ৭-৮টি জেলার অন্তত ১৫-২০টি বিধানসভায় শুনানির কাজ বাকি। এদিন সেকথা জানিয়ে রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘বিভিন্ন জেলায় শুনানির কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। বেশিরভাগ জায়গাতেই কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। মাত্র ৩-৪ শতাংশ শুনানির কাজ এখনও বাকি।’ কোন কোন বিধানসভা কেন্দ্রে শুনানি এখনও চলবে? প্রশ্নের জবাবে সিইও আরও স্পষ্ট করেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭টি, কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, কার্শিয়াংয়ের একটি করে বিধানসভায় শুনানি সম্পূর্ণ শেষ করা যায়নি বলে তাঁকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জেলার ডিইও তথা জেলাশাসকরা। এছাড়া নথি আপলোডের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ৭০ শতাংশ নথি যাচাই বা ভেরিফিকেশনও সম্পন্ন। তাই শেষ মুহূর্তে কাজ দ্রুত সম্পন্নের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হল।

    রাজ্যের ডিজিপিকে শোকজ সর্বোচ্চ আদালতের

    সোমবার রাজ্যের ডিজিপি (DGP) পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করে সর্বোচ্চ আদালত। এসআইআর (SIR in Bengal) শুনানি চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরা বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, রাজ্যে কমিশনের প্রতিনিধিদের নূন্যতম নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় পুলিশ কোনও সহযোগিতা করছে না, উলটে বহু জায়গায় ‘ফর্ম ৭’ জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কমিশন নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ ওঠে। শুনানি কেন্দ্রে হামলার ঘটনা শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি সাফ বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব রাজ্য সরকার ও ডিজিপি-র।’ কেন নির্বাচন আধিকারিকরা আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই প্রশ্ন তুলে রাজ্যের পুলিশ প্রধান পীযূষ পাণ্ডেকে শোকজ করে হলফনামা দিতে বলা হয়েছে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, স্বচ্ছ নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।

  • SIR Case in Supreme Court: ‘এসআইআর হবেই, রাজ্যকে এটা বুঝতে হবে’, মমতা প্রশাসনকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    SIR Case in Supreme Court: ‘এসআইআর হবেই, রাজ্যকে এটা বুঝতে হবে’, মমতা প্রশাসনকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম দুয়ারে এসআইআর নিয়ে নিরাশ রাজ্য সরকার। ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলায় (SIR Case in Supreme Court) সোমবার কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই বাধা দেওয়া যাবে না। সুষ্ঠুভাবে এই কাজ সম্পন্ন করতে সব রাজ্যকেই নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে হবে। আদালত আরও জানায়, নির্বাচন কমিশন চাইলে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজের স্বার্থে ইআরও (ERO) বা এইআরও (AERO)-দের বদল করতেই পারে, এতে রাজ্যের আপত্তির জায়গা নেই।

    কোর্টরুমে হট্টোগোল

    এদিন শুনানির শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান গত এক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ ব্যাখ্যা করছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এসআইআর মামলার আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামীও সে সময়ে জানান, একটি মন্দির পরিচালনকারী সংস্থার নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আবেদন জানিয়েছে। কেন এমন একটি সংস্থা হস্তক্ষেপ করছে তা নিয়ে আপত্তি জানান এই আইনজীবী। অন্যদিকে, আইনজীবী মুকুল রোহতাগিও একটি ইস্যু তোলার চেষ্টা করেন। হট্টোগোল বেধে যায় কোর্টরুমে। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘আপনারা শৃঙ্খলা মেনে না চললে জানেন প্রধান বিচারপতির হাতে কী ক্ষমতা রয়েছে? সমস্ত মামলা আমি ছুড়ে ফেলে দেব। আপনারা কি সবজির বাজারে বসে আছেন নাকি? ভুলে গিয়েছেন এটা কোর্টরুম?’

    রাজ্যকে ভর্ৎসনা

    রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে ৮ হাজার ৫০৫ জন অফিসারের নাম কমিশনকে পাঠানো হয়েছে। প্রধান বিচারপতিও জানতে চান, ‘সমস্যা তো এখানেই। কর্মী দিয়েছেন। তাঁদের নামের তালিকা আছে? আমরা বলেছিলাম বাংলা জানেন এমন কর্মী প্রয়োজন।’এই নামের তালিকা কমিশন পেয়েছে কি না তা-ও জানতে চান বিচারপতি। কারণ ‘দত্ত বা দত্তা কিংবা গাঙ্গুলি বা গঙ্গোপাধ্যায়’ সংক্রান্ত বিভ্রান্তি তিনিও চান না। তবে নির্বাচন কমিশন জানায়, কোনও অফিসারদের নামের তালিকা তারা পায়নি। কেবলমাত্র জেলাভিত্তিক অফিসারদের সংখ্যা জানানো হয়েছে তাদের। জবাবে আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান জানান, নির্বাচন কমিশনকে পাঠানোর জন্য নামের তালিকা সম্পূর্ণ তৈরি কেবলমাত্র অনুমোদনের অপেক্ষা। ৫ কিংবা ৬ ফেব্রুয়ারি এই তালিকা কমিশনের কাছে পৌঁছে যাওয়া উচিত ছিল বলে উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি। কার্যত ভর্ৎসনা করেই প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এই নামের তালিকা আগেই আপনাদের পাঠিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। কোর্টের মাধ্যমে পাঠানোর অপেক্ষার প্রয়োজন ছিল না।’

    শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না

    প্রধান বিচারপতি বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না। অফিসারের নাম ডেজিগনেশন সহ সমস্ত তথ্য দিতে হবে। তবে তাদের ডেপুটেশনে নেওয়া সম্ভব হবে। ৪ বা ৫ তারিখ কেন তালিকা দেওয়া হল না? প্রধান বিচারপতি এদিন রাজ্যকে বলেন, “আমরা ৪ তারিখ নামের তালিকা দিতে বলেছি। ৭ তারিখ নাম দেওয়া হয়েছে। ৪ বা ৫ তারিখ নাম দেওয়া যেত। আমরা এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক চাই না। বিতর্ক হলে আমাদের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দিতে হবে।” রাজ্য জানিয়েছে, তালিকা তৈরি করতে একটু সময় লেগেছে। কোথায় কত আধিকারিক প্রয়োজন জানতে চাওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে রাজ্য।

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এসআইআর মামলার শুনানি শুরু হতে না হতেই হট্টোগোল পড়ে যায়। পক্ষে এবং বিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের বক্তব্য পেশ করার চেষ্টা করতেই ক্ষুব্ধ হন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এদিন মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানায়, “এসআইআর হবেই, এটা সব রাজ্যকে বুঝতে হবে। প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য যা নির্দেশ দেওয়ার আমরা দেব।” আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি সওয়াল করেন, ‘পিএসইউ থেকে নেওয়া কর্মীদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই। অথচ তাঁদের মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে।’ তবে এতে অসুবিধার কিছু নেই বলেই মনে করছেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টে কমিশন জানায়, ‘আমরা পাঁচটি চিঠি দিয়েছিলাম। যেখানে স্পষ্ট করে বলা ছিল কোন ধরনের অফিসারদেরই আমাদের প্রয়োজন। কিন্তু সেই অনুযায়ী কর্মী আমাদের দেওয়া হয়নি।’

    রাজ্যের ৮৫২৪ অফিসার ও প্রশিক্ষণ

    আদালতে উপস্থিত রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ জানান, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ৮,৫২৪ জন অফিসারকে নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দিয়েছে। তিনি সওয়াল করেন, “কমিশন চাইলে কাল থেকেই এই সাড়ে আট হাজার অফিসার কাজ শুরু করুক।” জবাবে নির্বাচন কমিশন জানায়, এই কর্মীদের কাজ শুরুর আগে কমপক্ষে ১০ দিনের নিবিড় প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, রাজ্যের দেওয়া অফিসাররা যেন দ্রুত কাজে যোগ দেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ৮৫০৫ জন অফিসারকে ইআরও-র কাছে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সব তথ্য দেখে ঠিক করবে, কাকে নিয়োগ করা হবে, কাকে নয়। ইআরও-র সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ।

    মাইক্রো অবজার্ভার নিয়ে অবস্থান

    মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজার্ভারদের সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে না। ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত সমস্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই (ERO)। নির্বাচন কমিশন চাইলে স্বচ্ছতার খাতিরে অন্য রাজ্য থেকেও মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করতে পারে।

    কমিশনকে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ

    আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করা প্রতিটি রাজ্যের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই কাজে কোনো স্তরেই যাতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না হয়, তার জন্য রাজ্য সরকারকে সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্যে ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে স্ক্রুটিনির জন্য। অর্থাৎ এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে  রাজ্যে।

  • Suvendu Adhikari: “এপ্রিলে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে”, বড় কথা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এপ্রিলে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে”, বড় কথা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এপ্রিলের মধ্যে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে।” বীরভূমের (Birbhum) সভা থেকে এমন আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট ঘোষণা করেছে মমতা সরকার। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ৫০০ টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে প্রতি মাসে মহিলারা পাবেন ১৭০০ টাকা করে। তৃণমূলের এই বাজেটকে টার্গেট করে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যে ভোট প্রচারের ভরকেন্দ্র হতে চলেছে তা অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন। অপর দিকে পুলি সরে দাঁড়ালে জনগণই সোজা করে দেবে কাজল-কেষ্টকে, নাম নিয়েই সোজা হুঁশিয়ারই শুভেন্দুর।

    সংকল্প পত্রে অঙ্গীকার থাকবে ৩০০০ টাকা (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এপ্রিল মাসে যদি বিজেপির সরকার হয় তাহলে ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। আর যদি মে মাসে বিজেপির সরকার হয় তাহলে জুন মাসে টাকা ঢুকবে। শুধু মাহিলা নয়, বার্ধক্য ভাতা বিধবা ভাতা, দিব্যাঙ্গ ভাতা, তফশিলি ভাতা, তফশিলি উপজাতি ভাতা, লোকপ্রসার শিল্পীর ভাতা— সব ভাতা বিজেপির সংকল্প পত্রে অঙ্গীকার ঘোষণা করব।”

    অনুব্রত-কাজলকে হুঁশিয়ারি

    একই ভাবে বীরভূমের (Birbhum) সভা থেকে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের নাম করে চরম হুঁশিয়ার দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “পুলিশ যদি সরে দাঁড়ায়, তাহলে এদের জনগণই সোজা করে দেবে। বন্ধু ভদ্র হয়ে যান। কেষ্ট-কাজলের বাহিনী একটু ভদ্র হয়ে যান, ভদ্র না হলে এপ্রিল মাসের পরে বদলও হবে, বদলাও হবে। রামপুরহাটের পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন বাবু ব্যাগ গোছান, এপ্রিল মাস এসে গিয়েছে। আপনার নেতা কেষ্ট ঘুরে এসেছে, এবার আপনার পালা।

    একই ভাবে এদিন দেঁউচা পাচামি (Birbhum) নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলনেতা বলেন, “দেউচা পাচামির কী হল মুখ্যমন্ত্রী? কোথায় গেল এক লক্ষ চাকরি? সাংসদ সামিরুল ইসলামের ২২ জন আত্মীয়ের চাকরি হয়েছে। বিজেপিকে আনুন। ৬ বছরের আদিবাসী কন্যাকে ধর্ষণ করে যারা খুন করেছে, সকালে জমা নিয়ে বিকেলে খরচ করে দেব।

    তৃণমূলের থেকে বিজেপি বেশি টাকা দিচ্ছে

    রাজ্যের তৃণমূল সরকারের ভাতা প্রসঙ্গে বাজেট নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিজেপি তো বলছে, আমরা তো স্পষ্ট বলছি, তাদের থেকে বেশি টাকা আমরা দেব। আমাদের রাজ্য সভাপতি ঘোষণা করেছেন। আমি আগে যখন রাজ্য সভাপতি ছিলাম, তখন ঘোষণা করেছি আমরা। আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে শুধু চালুই রাখব তা নয়। তৃণমূল কংগ্রেস যে টাকা দিচ্ছে, তার থেকে বেশি টাকা আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে দেব। আমরা বিভিন্ন রাজ্যে দিচ্ছি। এ তো নতুন কিছু নয়। অনিশ্চয়তার বিষয়ই নেই।

    আমরা ৫০০ টাকায় গ্যাসের সিলিন্ডার দিচ্ছি বহু রাজ্যে। আপনারা মাত্র দেড় হাজার বা ১৭০০ টাকার কথা বলছেন। এখনই ইন্টারনেটে খুঁজুন, আমি আপনাদের মাধ্যমে বলছি, হরিয়ানার সরকার বার্ধক্যভাতা কত দেয়? ৩২০০ টাকা। এখনই খুঁজলে পাবেন। প্রতিবছর বাড়ে ২৫০ টাকা করে। ইনক্রিমেন্ট হয়। যেরকম সরকারি চাকরিতে ইনক্রিমেন্ট হয়, সেরকম বার্ধক্যভাতায় ইনক্রিমেন্ট হয়। বিজেপি শাসিত রাজ্যে। তো আমরা কীভাবে দিচ্ছি? প্রত্যেক জায়গায়, তৃণমূল কংগ্রেস যে টাকা দেয় তার থেকে বেশি টাকা আমরা দিই। আমাদের অরুণোদয় প্রকল্প আছে অসমে। তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে বেশি টাকা দিতাম আমরা

  • PM Modi’s Malaysia Visit: আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রবীণ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মালয়েশিয়ায় নেতাজিকে স্মরণ মোদির

    PM Modi’s Malaysia Visit: আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রবীণ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মালয়েশিয়ায় নেতাজিকে স্মরণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (India PM Narendra Modi) মালয়েশিয়া সফরে রবিবার এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী থাকল কুয়ালালামপুর (PM Modi’s Malaysia Visit)। দু’দিনের মালয়েশিয়া সফরের শেষে রবিবার প্রধানমন্ত্রী মোদি দেখা করেন আজাদ হিন্দ ফৌজের (আইএনএ) এক প্রবীণ যোদ্ধা জয়রাজ রাজা রাওয়ের (Jairaj Raja Rao) সঙ্গে। এই সাক্ষাৎকে তিনি ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ বলেও উল্লেখ করেন। জয়রাজ রাজা রাও ছিলেন নেতাজির ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (Indian National Army) বা আদাজ হিন্দ ফৌজের অন্যতম সদস্য। রবিবার তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন মোদি (PM Modi-Jairaj Raja Rao Meeting)।

    অসীম সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রতীক

    স্বাধীনতা সংগ্রামের দিনগুলিতে কীভাবে তাঁরা সংগ্রাম করেছেন, নানা ঘটনার অভিজ্ঞতা শুনে গভীর আপ্লুত হন প্রধানমন্ত্রী। পরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’-এ জয়রাজের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে মোদি লেখেন, “আইএনএ-র প্রবীণ সৈনিক শ্রী জয়রাজ রাজা রাও-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ আমার জন্য সৌভাগ্যের। তাঁর জীবন অসীম সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রতীক। তাঁর অভিজ্ঞতা শুনে আমি গভীরভাবে অনুপ্রাণিত।” মালয়েশিয়ায় দু’দিনের সরকারি সফরের সময়, ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজাদ হিন্দ ফৌজ (ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি–INA)-এর প্রবীণ সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতে তিনি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি-র ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভারতীয় সমাজে তাদের স্থায়ী অবদানের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে প্রবীণ যোদ্ধা বলেন, এই মুহূর্তটি তাঁর জীবনের এক স্মরণীয় ও তৃপ্তিদায়ক অভিজ্ঞতা। তিনি জানান, “এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও সৌভাগ্যের মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রীকে খুবই প্রাণবন্ত লাগছিল এবং তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অতীত সংগ্রামের কথা গভীরভাবে স্মরণ করছিলেন। তিনি আমাকে মালা পরিয়েছেন—এটি আমার জন্য বড় সম্মান। আমরা ভারতের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেছি এবং আমি বিনীতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে দেশের নানা ক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।”

    ভারতের ভবিষ্যৎ গঠনে আইএনএ-র ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ কেবল জয়রাজ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকেনি। তিনি দেখা করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং আজাদ হিন্দ বাহিনীর (Azaad Hind Fauz) সকল মুক্তিযোদ্ধাকে। তাঁর কথায়, “নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রতিটি যোদ্ধার কাছে ভারত চিরঋণী। তাঁদের সাহস ও আত্মত্যাগ ভারতের ভবিষ্যৎ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।” এর আগে, ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয় প্রবাসীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে এই অঞ্চলের ভারতীয়দের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “ভারতকে স্বাধীন করতে আপনাদের পূর্বপুরুষদের অনেকেই মহান ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন। তাঁদের অনেকেই কখনও ভারতে আসেননি, তবু তাঁরা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগ দিয়েছিলেন।” নেতাজির স্মৃতিরক্ষায় মালয়েশিয়ায় গৃহীত উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, “নেতাজির সম্মানে মালয়েশিয়ার ইন্ডিয়ান কালচারাল সেন্টারের নামকরণ করা হয়েছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নামে। পাশাপাশি, নেতাজি সার্ভিস সেন্টার ও নেতাজি ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রচেষ্টাকেও আমি স্যালুট জানাই।”

  • PM Modi’s Malaysia Visit: ‘‘বিশ্বাসযোগ্যতাই ভারতের শক্তিশালী মুদ্রা’’, সংস্কৃতি থেকে কূটনীতি, মালয়েশিয়া সফরে মোদির বড় বার্তা

    PM Modi’s Malaysia Visit: ‘‘বিশ্বাসযোগ্যতাই ভারতের শক্তিশালী মুদ্রা’’, সংস্কৃতি থেকে কূটনীতি, মালয়েশিয়া সফরে মোদির বড় বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উন্নতির জন্য ভারতই এখন বিশ্বস্ত অংশীদার। ব্রিটেন, আমেরিকা, ইইউয়ের মতো বেশিরভাগই দেশই ভারতকে উন্নয়নের বিশ্বস্ত পার্টনার হিসেবে দেখে, সাম্প্রতিক একাধিক বাণিজ্য চুক্তিই তার প্রমাণ। মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে সগর্বে এই কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর এটি। প্রধানমন্ত্রী মোদির দু’দিনের এই মালয়েশিয়া (PM Modi’s Malaysia Visit) সফর ভারত–মালয়েশিয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকল। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উদযাপন, প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আবেগঘন সংযোগ এবং একাধিক ভবিষ্যতমুখী ঘোষণার মাধ্যমে এই সফর দুই দেশের কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ-কে আরও দৃঢ় করল, বলে অনুমান কূটনীতিকদের।

    বিশ্বাসযোগ্যতাই ভারতের শক্তিশালী মুদ্রা

    কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রবাসী ভারতীয়দের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মোদি বলেন, ‘‘ভারত ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বিশ্বাসযোগ্যতাই এখন ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা।’’ মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বার্তাও দেন তিনি। তাঁর সুরেই আনোয়ার জানান, ভারত তাঁদের ‘শীর্ষ বাণিজ্যিক অংশীদার’দের মধ্যে অন্যতম। তাঁর কথায়, ‘‘শুধুমাত্র পণ্যই আমাদের মধ্যে রফতানি হয় না। বহু ভারতীয় পর্যটক মালয়েশিয়ায় এসেছেন। শুধু ২০২৫ সালেই ১৫ লক্ষের বেশি ভারতীয় ঘুরতে এসেছেন আমাদের দেশে।’’

    প্রবাসী ভারতীয়দের বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

    কুয়ালালামপুরের মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে (MIECC) প্রবাসী ভারতীয়দের আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এক নজিরবিহীন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায়, যা সফরের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ইন্ডিয়ান কালচারাল সেন্টারের (NSCBICC) উদ্যোগে প্রায় ৮০০ নৃত্যশিল্পী একটানা পাঁচ মিনিটের সমন্বিত নৃত্য পরিবেশন করেন, যেখানে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লোকনৃত্যের নানা রূপ তুলে ধরা হয়। “ভারতীয় প্রবাসীদের দ্বারা একক কোরিওগ্রাফিতে সর্বাধিক সংখ্যক নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণ” হিসেবে এই পরিবেশনা মালয়েশিয়া বুক অফ রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতো’ সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম। মালয়েশিয়া বুক অফ রেকর্ডসের সিইও ক্রিস্টোফার ওয়াং শিল্পীদের সমন্বয় ও শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি এই পরিবেশনাকে “স্মরণীয় মুহূর্ত” বলে অভিহিত করেন।

    মালয়েশিয়ায় প্রবাসী ভারতীয়দের অবদান

    প্রধানমন্ত্রী মোদি মালয়েশিয়ায় বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন। প্রায় ২৯ লক্ষ ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের বাস মালয়েশিয়ায়, যা বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম ভারতীয় প্রবাসী জনগোষ্ঠী। তিনি বলেন, এই প্রবাসীরাই দুই দেশের মধ্যে জীবন্ত সেতুবন্ধন। দীপাবলিকে ইউনেস্কোর অদৃশ্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়াকে তিনি ভারত ও মালয়েশিয়ার যৌথ সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন। মালয়েশিরার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারের গায়ক-সত্ত্বার প্রশংসা করেন মোদি। একই সঙ্গে অভিনেতা-রাজনীতিক এমজি রামচন্দ্রনের তামিল গানের প্রতি মালয়েশিরার প্রধানমন্ত্রীর ভালবাসার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ভারতীয় এবং মালয় ভাষার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে বলেই দু’দেশের বন্ধন এত দৃঢ়! তামিল মানুষজন এখানে দীর্ঘদিন রয়েছেন। তামিল সংস্কৃতিতে অনুপ্রাণিত হয়েই আমরা মালয় ইউনিভার্সিটিতে থিরুভাল্লুভার চেয়ারের সূচনা করেছি। এর পর তৈরি হবে থিরুভাল্লুভার সেন্টার, যা আমাদের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনকে আরও জোরদার করবে।

    সেতুবন্ধনের কাজ করেন প্রবাসীরা

    মোদি এ-ও জানান, ভারত এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করেন প্রবাসী ভারতীয়েরা। মোদির কথায়, “মালয়েশিয়ার ৫০০টি স্কুলে বাচ্চাদের ভারতীয় ভাষায় পড়ানো হয়”, সে কথাও ফের মনে করিয়ে দেন মোদি। তাঁর কথায়, “ভারতের সাফল্য আদতে মালয়েশিয়ার সাফল্য এবং সব মিলিয়ে সেটা এশিয়ার সাফল্য।” ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের উদ্দেশে নমোর বার্তা, “আপনাদের মালয় বন্ধুদের নিয়ে ভারতে ঘুরতে আসুন। কারণ, মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ বাড়লেই বাড়বে দু’দেশের বন্ধুত্ব।” ভারত–মালয়েশিয়ার সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পর্ক আরও জোরদার করতে কুয়ালালামপুরের ইউনিভার্সিটি মালয়ায় একটি থিরুভাল্লুভর সেন্টার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। জানান, মালয়েশিয়ার ছাত্রছাত্রীদের ভারতে পড়াশোনার সুযোগ দিতে চালু হবে থিরুভাল্লুভর স্কলারশিপ।

    বন্ধু মোদি-গর্বিত মালয়েশিয়া

    মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার বলেন,“ভারত মালয়েশিয়ার বাণিজ্যসঙ্গীদের মধ্যে অন্যতম। আমাদের মধ্যে শুধু বাণিজ্যিক আদান–প্রদান হয় না, ২০২৫ সালে ১৫ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় পর্যটক মালয়েশিয়ায় এসেছেন। মোদিজির সঙ্গে বন্ধুত্বের জন্য আমি গর্বিত।” এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর কথাও আলোচনায় উঠে আসে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর জোর দেন মোদি। দু’দিনের এই সফর ভারত-মালয়েশিয়ার সম্পর্ককে আরও শক্ত ভিত্তির দিকে নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ইতিহাস, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও ভবিষ্যতের দিশা

    আজাদ হিন্দ ফৌজ ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, মালয়েশিয়া ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী। সফরের অন্যতম বড় ঘোষণা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ায় ভারতের প্রথম কনস্যুলেট খোলা হবে। এই ঘোষণায় প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। নতুন কনস্যুলেটের মাধ্যমে কনস্যুলার পরিষেবা সহজতর হবে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। তিনি ভারত–মালয়েশিয়া সম্পর্ককে ইমপ্যাক্ট (IMPACT অর্থাৎ India–Malaysia Partnership for Advancing Collective Transformation) নামে অভিহিত করেন এবং প্রবাসীদের ‘বিকশিত ভারত’ ও ‘মালয়েশিয়া মাদানি’—এই দুই জাতীয় স্বপ্নে অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান।

    ডিজিটাল ভবিষ্যৎ ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি

    ভারতের গত এক দশকের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত এখন বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি এবং শীঘ্রই তৃতীয় স্থানে পৌঁছনোর পথে। ডিজিটাল পরিকাঠামো নিয়ে বড় ঘোষণা হিসেবে তিনি জানান, শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় ইউপিআই-ভিত্তিক ডিজিটাল পেমেন্ট পরিষেবা চালু হবে, যা পর্যটন ও ব্যবসায় নতুন গতি আনবে। তিনি আরও জানান, বিশ্বের মোট রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেনের প্রায় ৫০ শতাংশই বর্তমানে ভারতে হয়।

    কল্যাণমূলক উদ্যোগ

    প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, মালয়েশিয়ার ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ক্ষেত্রে ষষ্ঠ প্রজন্ম পর্যন্ত ওসিআই কার্ডের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় স্কলারশিপ ট্রাস্ট ফান্ডে ৩ মিলিয়ন যোগ করা হয়েছে, যা মালয়েশিয়ান-ইন্ডিয়ান ছাত্রছাত্রীদের সহায়তা করবে। সফরকালে দুই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক এক বিশেষ প্রদর্শনীও পরিদর্শন করেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ঐতিহাসিক সম্পর্কই আজও ভারত–মালয়েশিয়া বন্ধুত্বের ভিত্তি। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রী মোদির মালয়েশিয়া সফর স্পষ্ট বার্তা দিল—এই সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক বা অর্থনৈতিক নয়, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের বন্ধনে গড়ে ওঠা এক গভীর অংশীদারিত্ব। মালয়েশিয়ায় প্রায় ২৯ লক্ষ ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ থাকেন- যা সংখ্যার বিচারে বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম ভারতীয় প্রবাসী জনসংখ্যা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আসিয়ান গোষ্ঠীতেও মালয়েশিয়া ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী। ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’-র অন্যতম স্তম্ভও মালয়েশিয়া।

  • Pakistan Poor Quality Weapons: জং ধরা, পুরনো নিম্নমানের গোলাবারুদ বেচার অভিযোগ! ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলির পিঠে ছুরি মারল পাকিস্তান?

    Pakistan Poor Quality Weapons: জং ধরা, পুরনো নিম্নমানের গোলাবারুদ বেচার অভিযোগ! ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলির পিঠে ছুরি মারল পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের অস্ত্র রফতানি নিয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে। যেসব দেশ সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে অস্ত্র কিনেছে অথবা ভবিষ্যতে কেনার পরিকল্পনা করছে, তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক রিপোর্টে পাকিস্তান থেকে রফতানি হওয়া গোলাবারুদের গুণমান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

    আর্মেনিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা আজারবাইজানের

    খবরে প্রকাশ, পাকিস্তান তার মিত্র দেশ আজারবাইজানকে গোলাবারুদ ও কামানের গোলার বিভিন্ন অংশ সরবরাহ করেছে। তবে এর একটি বড় অংশ কয়েক দশক পুরনো মজুত থেকে নেওয়া বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব সরঞ্জামে জং ধরা, প্রপেল্যান্ট লোড কম থাকা এবং পাল্লায় ত্রুটি থাকার মতো সমস্যা ধরা পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী আর্মেনিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা চলছে আজারবাইজানের। ভারত তার মিত্র দেশ আর্মেনিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করছে। এই পরিস্থিতিতে অস্ত্রের জন্য তুরস্ক ও পাকিস্তানের ওপর নির্ভর করে থাকে আজারবাইজান। কিন্তু ককেশাস অঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী বিশ্লেষকদের দাবি, পাকিস্তান থেকে পাঠানো অস্ত্রের মান প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই দুর্বল।

    লক্ষ্যবস্তুর আগেই মাটিতে পড়ে যাচ্ছে পাক গোলা!

    যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পাওয়া প্রতিক্রিয়ায় দেখা গেছে, পাকিস্তানের সরবরাহ করা কামানের গোলাগুলোর কার্যকারিতা আশানুরূপ নয়। পাকিস্তান যে রেঞ্জের দাবি করেছে, বাস্তবে তা মাত্র ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্তই অর্জিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই গোলাগুলি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুর আগেই মাটিতে পড়ে যাচ্ছে। আজারবাইজানের পাশাপাশি ইউক্রেনেও পাকিস্তানি অস্ত্রের দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। রাশিয়ার হামলার শুরুর দিকে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এম৭৭৭ হাউইৎজার কামানের জন্য পাকিস্তানে তৈরি ১৫৫ মিলিমিটার গোলা কিনেছিল। পরে অভিযোগ ওঠে, এসব গোলা সময়ের আগেই বিস্ফোরিত হচ্ছিল, যার ফলে একাধিক কামান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    পিছিয়ে আসছে আরও এক মিত্র সৌদি আরবও!

    এদিকে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরবও অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে অবস্থান বদলাতে শুরু করেছে। এক সময় সৌদি আরব পাকিস্তানের গোলাবারুদ ও কামানের গোলার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা ভারতের দিকে ঝুঁকেছে। রিয়াধ ভারত থেকে ৫.৫৬ মিলিমিটার, ৭.৬২ মিলিমিটার রাউন্ড এবং ১৫৫ মিলিমিটার গোলা সংগ্রহ করেছে। পরীক্ষায় ভারতীয় গোলাবারুদ ধারাবাহিকভাবে সন্তোষজনক ফলাফল দেখিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানি অস্ত্রের মান নিয়ে এই অভিযোগগুলো ভবিষ্যতে দেশটির প্রতিরক্ষা রফতানি বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি নতুন ক্রেতা দেশগুলোর মধ্যেও আস্থা সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়ে থামল বিদ্রোহ! লাহোরে পিসিবির সঙ্গে আইসিসি-র বৈঠক, ভারত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান?

    T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়ে থামল বিদ্রোহ! লাহোরে পিসিবির সঙ্গে আইসিসি-র বৈঠক, ভারত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ (T20 World Cup 2026) ফের মুখোমুখি হতে চলেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও বয়কট জল্পনার মাঝেই সূচিভুক্ত এই মহারণ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উত্তেজনা তুঙ্গে। এই ম্যাচ ঘিরে বিতর্কও কম নয়। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনার জেরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রথমে এই ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল। পিসিবি প্রধান মহসিন নকভির নেতৃত্বে এই অবস্থান নেওয়া হলেও, লাহোরে আইসিসি বৈঠকের পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তান। এমনই ইঙ্গিত মিলেছে বোর্ড সূত্রে। উল্লেখ্য, এই ম্যাচের বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৩০–৩৫ মিলিয়ন ডলার বলে জানা গিয়েছে।

    গুটিয়ে গেল বিদ্রোহ!

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান আইসিসি-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। পুরো বিশ্বকাপ খেললেও তারা ভারতের বিরুদ্ধে (India Vs Pakistan) খেলবে না বলে জানিয়েছে। কিন্তু কয়েকদিনেই বিদ্রোহ গুটিয়ে গেল। আইসিসি-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে পাকিস্তান। যার ফলে, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আইসিসি-র একটি প্রতিনিধি দল লাহোরে বৈঠক করে। সেই বৈঠকে আইসিসি-র পক্ষ থেকে ছিলেন ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা, পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি। সেখানে ছিলেন বিসিবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলামও। তার আগে কলম্বোতে পিসিবি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন আইসিসি-র সিইও সংযোগ গুপ্তা।

    শাস্তির ভয়ে সিদ্ধান্ত!

    রিপোর্টে প্রকাশ, বৈঠকে পাকিস্তানকে আইসিসি সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি তারা ১৫ তারিখ কলম্বোতে খেলতে না নামে তা হলে তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা নেমে আসতে পারে। পাশাপাশি জানিয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে গেলে আর্থিক দিক থেকে ধাক্কা খাবে পাকিস্তান ক্রিকেট। এর পর দু’পক্ষ আলোচনা করে। তার পর পাকিস্তান ভারত ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে। তবে তার আগে পিসিবি একবার পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে চায়। তার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। আইসিসি পাকিস্তানের কাছে জানতে চেয়েছে কেন তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ আনা হবে না। তারা পাকিস্তানের কাছে ভারতের ম্যাচ বয়কটের কারণ ব্যাখ্যা করতে বলে। রিপোর্টে প্রকাশ, সেটা ব্যাখ্যা করতে পারেননি পিসিবি কর্তারা।

    বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু দুই দলের

    ইতিমধ্যেই ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপ-যাত্রা শুরু করেছে ভারত ও পাকিস্তান। মাঠের পারফরম্যান্সের দিক থেকে দুই দলই চাপের মধ্যে রয়েছে। ভারত তাদের প্রথম ম্যাচে ইউএসএ-র বিরুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতি থেকে সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটে জয় ছিনিয়ে আনে। অন্যদিকে, পাকিস্তান নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে ফাহিম আশরাফের নৈপুণ্যে রক্ষা পায়। এটাই ২০২৫ এশিয়া কাপের পর ভারত-পাকিস্তানের প্রথম মুখোমুখি হওয়া। নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তানের গ্রুপের সব ম্যাচই শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন ভেন্যু কলম্বো ও ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাকিস্তান সেমিফাইনাল বা ফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচগুলিও কলম্বোতেই স্থানান্তরিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • Daily Horoscope 09 February 2026: পারিবারিক জীবনে আনন্দ থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 09 February 2026: পারিবারিক জীবনে আনন্দ থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি সাধারণ।

    ২) ব্যয় বৃদ্ধির ফলে মানসিক দুশ্চিন্তা থাকবে।

    ৩) পেশাগত জীবনে ছোটখাটো সমস্যা দেখা দেবে।

    বৃষ

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি ভালো থাকবে।

    ২) পেশাগত জীবনে ব্যস্ত থাকবেন।

    ৩) পরিজনদের সঙ্গে ঘুরতে যেতে পারেন।

    মিথুন

    ১) ধন আগমনের পথ প্রশস্ত হবে।

    ২) স্টক মার্কেটে লগ্নি করবেন না।

    ৩) পেশাগত জীবনে উন্নতির একাধিক সুযোগ পাবেন।

    কর্কট

    ১) সহকর্মীদের সঙ্গে মিলে মিশে কাজ করুন।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।

    ৩) সিঙ্গলরা প্রেমের প্রস্তাব পাবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত বিশেষ।

    ২) পারিবারিক জীবনে আনন্দ থাকবে।

    ৩) স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

    কন্যা

    ১) পড়াশোনায় ভালো ফল করবেন।

    ২) সকলে আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবেন।

    ৩) সম্পত্তি বিবাদ এড়িয়ে যান।

    তুলা

    ১) পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    ২) কেরিয়ারে উন্নতির নতুন সুযোগ পাবেন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনায় ব্যাপক সাফল্য পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আর্থিক বিষয়ে কারও ওপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করবেন না, লোকসান হতে পারে।

    ২) আপনার স্বপ্ন পূরণ হবে।

    ৩) কেরিয়ারে উন্নতি লাভ করবেন।

    ধনু

    ১) আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবেন।

    ২) চাকরিতে পদোন্নতির যোগ রয়েছে।

    ৩) ছোট ভাই-বোনের সাহায্য করতে হবে।

    মকর

    ১) পেশাগত জীবনে সমস্ত কিছু ভালো থাকবে।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    ৩) আয় বৃদ্ধির সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) পড়াশোনায় ভালো ফল পাবেন।

    ২) সামাজিক পদ-প্রতিষ্ঠা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) পারিবারিক জীবন আনন্দে কাটবে।

    মীন

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।

    ২) অবসাদ মুক্ত হবেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share