Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • BSF Land Transfer: চিকেনস্ নেকে বড় সিদ্ধান্ত! বিএসএফকে ১২০ একর জমি দিল রাজ্য, বাড়ছে সীমান্ত নিরাপত্তা

    BSF Land Transfer: চিকেনস্ নেকে বড় সিদ্ধান্ত! বিএসএফকে ১২০ একর জমি দিল রাজ্য, বাড়ছে সীমান্ত নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা, সামরিক লজিস্টিকস এবং সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও জোরদার করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকেনস নেক করিডর এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF)-কে ১২০ একর জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ চিকেনস্ নেক?

    বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের মাঝে অবস্থিত মাত্র ২২ কিলোমিটার চওড়া এই করিডরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বের আটটি রাজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করে। চিকেনস্ নেক বা সিলিগুড়ি করিডর ভারতের জন্য এক ধরনের লাইফলাইন। এই সরু ভূখণ্ডটি বিচ্ছিন্ন হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সামরিক ও কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ভারতের অন্যতম সংবেদনশীল ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচিত।

    জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় পদক্ষেপ

    তাই বহুদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রতিরক্ষা মহল এই অঞ্চলকে বিশেষ নজরে রাখছে। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে তাই শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়নের বড় পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জমি হস্তান্তরের মূল উদ্দেশ্য হল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং সীমান্ত নজরদারি আরও শক্তিশালী করা। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই প্রকল্পে এবার গতি আনতে উদ্যোগী হয়েছে নতুন রাজ্য সরকার।

    জাতীয় সড়কও কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে

    শুধু জমি হস্তান্তরই নয়, রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গ ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ৭টি জাতীয় সড়কের অংশ রাজ্যের গণপূর্ত দফতর থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। এই রাস্তা হস্তান্তর করা হবে জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) এবং জাতীয় মহাসড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড (NHIDCL)-এর কাছে। এই সাতটি রাস্তার মধ্যে পাঁচটিই চিকেনস নেক করিডরের মধ্য দিয়ে গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

    • ● সেবক – কালিম্পং – সিকিম সীমান্ত (১০ নম্বর জাতীয় সড়ক)
    • ● শিলিগুড়ি – কার্শিয়াং – দার্জিলিং
    • ● হাসিমারা – জয়গাঁও (ভুটান সীমান্ত)
    • ● চ্যাংরাবাঁধ (বাংলাদেশ সীমান্ত)

    বিশেষ করে ১০ নম্বর এবং ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কে দীর্ঘদিন ধরেই ধস, অতিবৃষ্টি এবং ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছে। এর ফলে সিকিম এবং দার্জিলিঙের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে, যা সরবরাহ ব্যবস্থা, পর্যটন এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পরিবহণে বড় প্রভাব ফেলে।

    উত্তরবঙ্গের সড়ক যোগাযোগে যুগান্তকারী পরিবর্তন

    মুখ্যসচিবের দফতর থেকে জারি করা সরকারি প্রেস নোটে বলা হয়েছে, এই সাতটি রাস্তা উন্নয়নের ফলে উত্তরবঙ্গ, ডুয়ার্স, দার্জিলিং পাহাড়, সিকিম, ভুটান এবং বাংলাদেশ সীমান্তের সঙ্গে যোগাযোগ আরও মজবুত হবে। এছাড়াও মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার সঙ্গে জাতীয় সড়ক সংযোগ উন্নত হবে। বিশেষ করে ঘোজাডাঙা আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন বাণিজ্য ও সীমান্ত লজিস্টিকসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন।

    দীর্ঘদিন আটকে থাকা প্রকল্পে গতি

    সরকারি মহলের দাবি, আগের সরকারের আমলে এই জমি হস্তান্তর এবং রাস্তা উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক প্রস্তাব দীর্ঘদিন ধরে ফাইলবন্দি ছিল। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকেনস নেক করিডরে অবকাঠামো শক্তিশালী হলে শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়, জরুরি পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েন, সরঞ্জাম পরিবহণ এবং দ্রুত সামরিক প্রতিক্রিয়াও অনেক সহজ হবে।

  • Russian Oil Imports: ট্রাম্পের চাপে নত নয়! রাশিয়া থেকে কেনা বন্ধ করবে না ভারত, বার্তা মোদি সরকারের

    Russian Oil Imports: ট্রাম্পের চাপে নত নয়! রাশিয়া থেকে কেনা বন্ধ করবে না ভারত, বার্তা মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল (Russian Oil Imports) কেনা বন্ধ করবে না ভারত, মার্কিন চাপ উড়িয়ে স্পষ্ট জানাল মোদি সরকার। কেন্দ্রের বক্তব্য, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থই সর্বাগ্রে, তাই আমেরিকার ‘ওয়েভার’ থাক বা না থাক, রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা চলবে আগের মতোই। সোমবার, ১৮ মে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি (মার্কেটিং ও অয়েল রিফাইনারি) সুজাতা শর্মা বলেন, “আমেরিকার ওয়েভার নিয়ে আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে, ওয়েভারের আগেও আমরা রাশিয়া থেকে তেল কিনেছি, ওয়েভারের সময়ও কিনেছি, এখনও কিনছি।”

    দেশবাসীর স্বার্থকেই প্রাধান্য

    সুজাতা শর্মা স্পষ্ট করে জানান, ভারতের তেল কেনার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাণিজ্যিক যুক্তি, অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। তাঁর কথায়, “অপরিশোধিত তেলের কোনও ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই ওয়েভার থাক বা না থাক, ভারতের জ্বালানি সরবরাহে তার কোনও প্রভাব পড়বে না।” উল্লেখ্য, মার্চ মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার সমুদ্রপথে রফতানিকৃত তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের একটি লাইসেন্স বা ছাড় দিয়েছিল। পরে সেটির মেয়াদ বাড়ানো হলেও ১৬ মে তা শেষ হয়ে যায়। তবে বাস্তবে ভারত কখনওই রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করেনি। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড় মূল্যে রুশ তেল পাওয়া শুরু হলে ভারত বড় পরিমাণে সেই তেল আমদানি করতে শুরু করে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ২০ শতাংশের বেশি এসেছে রাশিয়া থেকে। কেন্দ্র বারবার জানিয়েছে, কোন দেশ থেকে কত তেল কেনা হবে, তা সম্পূর্ণভাবে ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং জাতীয় স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল।

    বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখাই লক্ষ্য

    ভারত বর্তমানে তার মোট চাহিদার ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে যেখানে তুলনামূলক সস্তায় তেল পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই কেনার নীতি নিয়েছে নয়াদিল্লি। মজার বিষয় হল, অতীতে মার্কিন প্রশাসন নিজেই স্বীকার করেছিল যে ভারত রাশিয়ার তেল কিনে চলায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুবিধা হয়েছে। গত বছর ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও জানিয়েছিল, আমেরিকা অনানুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে রুশ তেল কেনা চালিয়ে যেতে বলেছিল, যাতে বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল থাকে। তবে পরবর্তীতে অবস্থান বদলে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার ইস্যুতে ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেয় আমেরিকা। বর্তমান পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।

  • RG Kar Incident: ‘মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ’! আরজি কর কাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষের বিপক্ষে আইনি প্রক্রিয়া শুরুর বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    RG Kar Incident: ‘মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ’! আরজি কর কাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষের বিপক্ষে আইনি প্রক্রিয়া শুরুর বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তথা সেখানকার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দোষী সাব্যস্ত করার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি ইডিকে (ED) দিল রাজ্য সরকার। সোমবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে নিজেই সে কথা জানালেন। পাশাপাশি, রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের বিশেষ সচিবের সই করা নিদের্শের প্রতিলিপিও সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। আরজি কর কাণ্ডের ‘ন্যায় বিচার’-এর লক্ষ্যে এটি একটি ‘মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ’ বলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন।

    আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়

    সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আজ আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একটি মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।” তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ‘বোন অভয়া’র নৃশংস খুন ও ধর্ষণের ঘটনার পর থেকেই রাজ্যবাসী ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিল। সেই মামলায় তৎকালীন সুপার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকার আনুষ্ঠানিক অনুমতি দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আগের সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এবং অনৈতিকভাবে এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে রেখেছিল। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তদন্তকে ধীরগতির করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়” এবং কোনওভাবেই সত্য চাপা দিয়ে রাখা যাবে না।

    কেন রাজ্যের অনুমতি প্রয়োজন

    যেহেতু সন্দীপ সরকারি কর্মচারী, তাই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করার অনুমতি রাজ্য সরকারের থেকে নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে ইডি সেই প্রয়োজনীয় অনুমতি পায়নি। এত দিন তা আটকে ছিল। অবশেষে রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে সেই প্রয়োজনীয় অনুমতি সরকারের তরফ থেকে দিয়ে দেওয়া হল। সন্দীপকে দোষী সাব‍্যস্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করতে কার্যত ইডির সামনে এখন আর কোনও বাধা রইল না। শুভেন্দু আরও লেখেন, ‘আমি চাই, বোন অভয়ার প্রকৃত দোষীরা দ্রুত চিহ্নিত হোক। কঠোরতম শাস্তি পাক এবং বাংলার মানুষ ন্যায়বিচার প্রত্যক্ষ করুক। বোন অভয়ার আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।’

    আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক গাফিলতি

    আরজি কর কাণ্ড রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছিল। ‘অভয়া’ নামে পরিচিত ওই তরুণীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল প্রশাসন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। তদন্ত চলাকালীন আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক গাফিলতি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই সময় থেকেই সন্দীপ ঘোষের নাম ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাসপাতালের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আর্থিক লেনদেন এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য সরকারের অনুমতি প্রয়োজন ছিল। এবার সেই ‘স্যানকশন অফ প্রসিকিউশন’ মঞ্জুর হওয়ায় তদন্ত আরও দ্রুত এগোবে বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

    কোন কোন ধারায় অভিযুক্ত সন্দীপ

    প্রতিলিপিতে উল্লেখ করা আছে, পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করা নথিপত্র ও তথ্যপ্রমাণা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরীক্ষা করার পর, প্রাথমিক ভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, আরজি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং কর্তব্যে গাফিলতি, যা ভারতীয় ন‍্যায় সংহিতার ১২০বি ধারার সঙ্গে পঠিত ৪২০ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৮৮ (২০১৮ সালের সংশোধিত দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন)-এর ৭ ধারার অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি আর্থিক দুনীর্তি প্রতিরোধ আইন, ২০০২-এর ধারা ২(১)(য়)-এর অধীনে নির্ধারিত অপরাধের আওতাভুক্ত। এর ফলেই সন্দীপ-সহ মা তারা ট্রেডার্স, ইশান ক্যাফে এবং খামা লোহা-র বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    আরও কারা কারা জড়িত

    পানিহাটির সদ্যনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক তথা নির্যাতিতার মা তাঁর মেয়েকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিলেন আরও অনেকে, এমন অভিযোগ এবং তাঁদের প্রত্যেককে তদন্তের আওতায় আনার জন্য নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি পাঠিয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন। কর্তব্যরত অবস্থায় তাঁর মেয়েকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেলে বন্দি রয়েছে সঞ্জয় রায়। কিন্তু সে একা নয়, আরও অনেকে ওই ঘটনায় যুক্ত ছিলেন বলে দীর্ঘ দিন ধরেই দাবি করছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। ওই তরুণীর মৃতদেহ তড়িঘড়ি নিয়ে এসে সৎকার করে তথ্য-প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, পুরপ্রধান সোমনাথ দে এবং প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকাও সন্দেহজনক বলে অভিযোগ রয়েছে।

    অন্যায়ের বিরুদ্ধে নয়া সরকারের “জিরো টলারেন্স” নীতি

    শাসকদলের দাবি, সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুর্নীতি এবং প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি গ্রহণ করেছে। সেই ধারাবাহিকতাতেই আরজি কর মামলায় এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশের দাবি, এই ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও প্রশাসনের বক্তব্য, গোটা প্রক্রিয়া আইনি কাঠামোর মধ্যেই চলছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকরী, অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের যে নির্দেশ দিয়েছেন, তার প্রতিলিপিটি রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব, সহকারী অধিকর্তা, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, সিজিও কমপ্লেক্স, এমএসও এবং ডিএফকেও পাঠানো হয়েছে। রাজ্যবাসীর একাংশ এই ঘোষণাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় দ্রুত বিচার এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি উঠছিল।

  • Sona Pappu Arrest: প্রোমোটার, পুলিশকর্তার পর তোলাবাজি-জমি দুর্নীতি তদন্তে ইডির জালে ‘কসবার ত্রাস’ সোনা পাপ্পু, এবার কি কোনও হেভিওয়েট?

    Sona Pappu Arrest: প্রোমোটার, পুলিশকর্তার পর তোলাবাজি-জমি দুর্নীতি তদন্তে ইডির জালে ‘কসবার ত্রাস’ সোনা পাপ্পু, এবার কি কোনও হেভিওয়েট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কলকাতার বহুল চর্চিত ব্যবসায়ী (প্রকারম্তরে সমাজবিরোধী) তথা ‘কসবার ত্রাস’ বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু অবশেষে গ্রেফতার হলেন। সোমবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর দফতরে হাজিরা দেওয়ার পর টানা প্রায় ৯ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর্থিক প্রতারণা, তোলাবাজি, জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং হাওয়ালা লেনদেন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল বহুদিন ধরেই।

    কাঁকুলিয়ার বোমাবাজি ঘটনায় উঠে আসে নাম

    ভোটের আগেই নানা বিতর্কে নাম জড়িয়েছিল কসবার এই ব্যবসায়ীর। বিশেষ করে গোলপার্কের কাঁকুলিয়া এলাকা এবং রবীন্দ্র সরোবর থানা সংলগ্ন এলাকায় বোমাবাজি, গুলি চালানো, ভাঙচুর ও অশান্তির ঘটনায় তাঁর নাম উঠে আসে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই অশান্তির নেপথ্যে ছিলেন সোনা পাপ্পু এবং তাঁর ঘনিষ্ঠরা। যদিও অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই কার্যত আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের সন্দেহ ছিল, তিনি ভিনরাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছেন। তবে এই সময়ের মধ্যেই দু’বার ফেসবুক লাইভে এসে সোনা পাপ্পু দাবি করেছিলেন, তিনি পলাতক নন এবং কোনও বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁর বক্তব্য ছিল, রাজনৈতিকভাবে তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে। কিন্তু তদন্ত থেমে থাকেনি।

    হঠাৎ ইডি দফতরে হাজিরা, সঙ্গে স্ত্রী

    সোমবার সকালে আচমকাই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সল্টলেকের ইডি অফিসে পৌঁছে যান সোনা পাপ্পু। উল্লেখযোগ্য বিষয়, তিনি কোনও নতুন নোটিস ছাড়াই নিজে থেকে হাজিরা দেন বলে জানা গিয়েছে। অতীতে একাধিকবার তাঁকে তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। ইডি সূত্রের দাবি, হাজিরা দেওয়ার পর তদন্তকারীরা তাঁকে জমি দখল, আর্থিক লেনদেন, নগদ টাকার উৎস, সম্পত্তি কেনাবেচা এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক যোগাযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিন্তু তদন্তে অসহযোগিতা, অসংলগ্ন উত্তর এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগে শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    বাড়িতে তল্লাশি: নগদ, অস্ত্র, গয়না উদ্ধার

    এর আগেই সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল নগদ টাকা, সোনা-রুপোর গয়না, সম্পত্তির নথি এবং একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, ওই অস্ত্রটি ব্যবসায়ী জয় কামদারের মাধ্যমে কেনা হয়েছিল। পরে অস্ত্রটি গড়িয়াহাট থানায় জমা করা হয়। শুধু নগদ বা অস্ত্র নয়, উদ্ধার হওয়া নথি ঘেঁটে বেশ কিছু সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের হদিশও পেয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, নির্মাণ সংস্থা ও প্রোমোটারদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা হত এবং সেই অর্থ একটি প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে যেত।

    জয় কামদার ও শান্তনু সিনহা বিশ্বাস যোগ

    এই মামলায় আগেই গ্রেফতার হয়েছেন বেহালার ব্যবসায়ী তথা সান কনস্ট্রাকশন-এক মালিক জয় কামদার। প্রোমোটার জয় কামদারের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তদন্তে উঠে আসে, সোনা পাপ্পু, জয় কামদার এবং কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস-এর মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে তোলাবাজি, জমি দখল এবং আর্থিক লেনদেনে এই চক্র সক্রিয় ছিল। গত মাসে ফার্ন রোডে শান্তনুর বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। পরে তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়। যদিও সিজিও-তে হাজিরা দিয়ে সোনা পাপ্পু দাবি করেছিলেন, তিনি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে চেনেন না এবং কোনওদিন দেখেননি। কিন্তু তদন্তকারীদের দাবি, ফোন রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন এবং একাধিক সাক্ষ্যপ্রমাণে তাঁদের যোগসূত্র মিলেছে।

    তদন্তে হাওয়ালা লেনদেনের সূত্রও

    ইডি সূত্রে খবর, মামলার তদন্তে হাওয়ালা চক্রের যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সোনা পাপ্পুর আর্থিক নেটওয়ার্ক কেবল স্থানীয় স্তরে সীমাবদ্ধ ছিল না বলেই সন্দেহ তদন্তকারীদের। বিভিন্ন ব্যবসায়ী, নির্মাণ সংস্থা এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী মহলের মতে, এই গ্রেফতার শুধু একজন ব্যবসায়ীর গ্রেফতার নয়—কলকাতার রিয়েল এস্টেট, তোলাবাজি এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের একটি বড় নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁসের সূচনা হতে পারে।

    রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য

    ভোটপর্ব শেষ হতেই সোনা পাপ্পুর গ্রেফতার রাজনৈতিক মহলেও চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন অধরা থাকার পর তাঁর আচমকা হাজিরা এবং তারপর গ্রেফতার—এই গোটা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, সোনা পাপ্পুর জেরা থেকে আরও বেশ কিছু প্রভাবশালী নাম সামনে আসতে পারে। ফলে আগামী কয়েক দিনে এই মামলায় নতুন গ্রেফতার বা আরও তল্লাশির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন আদালতে পেশ করে সোনা পাপ্পুকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, এই চক্রের আর্থিক লেনদেন, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং প্রশাসনিক ছত্রচ্ছায়ার পূর্ণ ছবি সামনে আনা।

  • CM Suvendu Adhikari: বিগত তৃণমূল সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির তদন্তে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নেতৃত্বে দুটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন শুভেন্দু অধিকারীর

    CM Suvendu Adhikari: বিগত তৃণমূল সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির তদন্তে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নেতৃত্বে দুটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। পূর্বতন তৃণমূল সরকারের কার্যকালে সংঘটিত বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম, নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুটি পৃথক উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি (BJP West Bengal)। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে, নিরপেক্ষতা ও আইনি উৎকর্ষ বজায় রাখতে এই দুটি কমিটির নেতৃত্ব প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের দুজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির ওপর।

    দোষীদের আইনের আওতায় আনতে পদক্ষেপ (CM Suvendu Adhikari)

    নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিগত শাসনামলে রাজ্যের বিভিন্ন স্তরে যে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া অত্যন্ত আবশ্যক। সাধারণ মানুষের করের অর্থের অপচয় রোধ করতে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গঠিত কমিটি দুটির মধ্যে একটি কমিটি বিগত বছরগুলোতে শিক্ষা ও অন্যান্য সরকারি দফতরে হওয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা যাচাই করবে এবং দ্বিতীয় কমিটিটি বিভিন্ন সরকারি (BJP West Bengal) প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক অসঙ্গতির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবে।”

    অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নেতৃত্বে এই তদন্ত

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) দৃঢ়তার সঙ্গে আরও বলেন, “আমাদের সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নয়, বরং আইনের শাসন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় দায়বদ্ধ। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নেতৃত্বে এই তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে। তদন্তের অগ্রগতি এবং কমিটির সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে প্রশাসন পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।”

    নারী এবং শিশুকন্যাদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখার জন্য গঠিত কমিশনের নেতৃত্ব দেবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। এই কমিশনে তাঁর সঙ্গে সদস্যসচিব রূপে কাজ করবেন আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেন।

    যথাযথ ধারা অনুযায়ী আমরা অ্যাকশনও নেব (CM Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, “আমি আশা করব, এই কমিশন তার ফাংশনিং শুরু করার ৩০ দিনের মধ্যেই সুপারিশগুলি দিতে শুরু করবে। তার ভিত্তিতে পুলিশের পক্ষ থেকে এফআইআর রুজু করা হবে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার যথাযথ ধারা অনুযায়ী আমরা অ্যাকশনও নেব। মিশন পুরো অফিস চালু করে দিলে, ডেডিকেটেড পোর্টালের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যাবে। পুরনো যে অভিযোগ বা এফআইআর যেগুলো পড়ে আছে, সেগুলো কালেক্ট করা হবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি), এসসি কমিশন, এসটি কমিশন, ওবিসি কমিশন, সংখ্যালঘু কমিশন, শিশু ও নারী অধিকার কমিশন, রাজ্য এবং কেন্দ্রের যত সুপারিশ এখনও পর্যন্ত পড়ে রয়েছে, সেগুলো কমিশন প্রাথমিক ভাবে নিয়ে নেবে।”

    রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম লগ্ন থেকেই নতুন বিজেপি সরকার (BJP West Bengal) যেভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছে, এই কমিটি গঠন তারই একটি বাস্তব প্রতিফলন। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে তদন্ত করানোর এই সিদ্ধান্ত যেমন একদিকে তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে, তেমনই অন্যদিকে রাজ্যে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কাশ্মীরে পাথরবাজি বন্ধ হয়েছে, বাংলাতেও হবে’’, পার্ক সার্কাসে পৌঁছে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘কাশ্মীরে পাথরবাজি বন্ধ হয়েছে, বাংলাতেও হবে’’, পার্ক সার্কাসে পৌঁছে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পার্ক সার্কাস সংলগ্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সাম্প্রতিক অবনতি এবং অশান্তির ঘটনায় অত্যন্ত কঠোর মনোভাব প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নবান্নে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যে কোনও অবস্থাতেই অরাজকতা বা আইন অমান্য করার ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পুলিশ প্রশাসনকে মুক্তহস্ত করা হয়েছে। এর পর পার্ক সার্কাসে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িে তাঁর সাফ কথা, “হাতে পাথর তুলে নেওয়া, ধর্মীয় স্লোগান দিয়ে গন্ডগোল করা পশ্চিমবঙ্গে আর চলবে না।”

    প্রশাসন কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। পার্ক সার্কাসে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং আইন-শৃঙ্খলার পরিপন্থী। সাধারণ মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হলে প্রশাসন কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

    একই ভাবে আহত পুলিশকর্মী এবং সিআরপিএফদের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ওঁদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। কতটা জখম হয়েছেন দেখলাম। আমাদের পুরো বাহিনী গতকাল যে ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করেছে, বড় অঘটন ঘটতে দেয়নি, মানুষজনকে বাঁচিয়েছে, তাঁদেরও আমি সাপোর্ট দিতে এসেছিলাম। বলেছি, সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে। আপনারা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) অনুযায়ী, ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন। আপনাদের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে। নগরপালের নেতৃত্বে পুরো দল রয়েছে।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, “পূর্বতন সরকারের আমলে সুনির্দিষ্ট তোষণ নীতির কারণে কিছু সমাজবিরোধী যে প্রশ্রয় পেয়েছিল, নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থায় তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে।”

    স্পর্শকাতর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার নির্দেশ

    শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যে কোনও রাজনৈতিক সংগঠন, ধর্মীয় সংগঠন পুলিশকে জানিয়ে তাদের কর্মসূচি করতে পারে। কিন্তু মানুষ জড়ো করে ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া, পাথর ছোড়া… কাশ্মীরে, শ্রীনগরে পুলিশকে পাথর ছোড়া বন্ধ হয়েছে, আমার মনে হয় পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতাতেও এ বার বন্ধ হবে। আমি আবেদন করব, এই কাজগুলো আর করবেন না। যদি মনে করে থাকেন, আগের সরকার আছে, আগের নিয়ম আছে, পুলিশফোর্সকে হাত-পা বেঁধে রেখে দেওয়া হবে, তা হলে কিন্তু ভুল করবেন। তাই ‘ক্লিয়ার মেসেজ’ দিচ্ছি, এই ধরনের অশান্তি, গুন্ডামিতে ‘জিরো টলারেন্স’। দেশ-বিরোধী, সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ চালাতে দেব না। হোম মিনিস্টার হিসাবে আমি লাস্ট ওয়ার্ড বলে গেলাম, একটা পুলিশের গায়ে যদি হাত পড়ে, এই সরকার তার জন্য আইন প্রয়োগ করে যত দূর যেতে হয় যাবে। শুধু অ্যারেস্ট (গ্রেফতার) নয়, কনভিকশন (দণ্ড) করানো পর্যন্ত ক্লোজ় মনিটরিংয়ের দায়িত্ব আমাদের হাতে থাকবে। আর পুলিশ বন্ধুদের বলব, আপনাদের প্রশিক্ষণের সময় যা বলা হয়েছে, বিএনএস যা বলে, আপনাদের ঊর্ধ্বতন যে নির্দেশ দেবেন, সেই অনুযায়ী ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন।”

    পার্ক সার্কাস ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) স্থানীয় নাগরিকদের উস্কানিমূলক আচরণ বা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে বিন্দু মাত্র আপস নয়

    দুষ্কৃতীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনারাও কান খুলে শুনে নিন, এটাই শেষ ঘটনা। এর পর এমন ঘটনা ঘটতে দেব না। এর পর এমন ঘটনা যদি ঘটান, আমার থেকে খারাপ কোনও পুলিশমন্ত্রী হবে না।” রাজনৈতিক মহলের মতে, পার্ক সার্কাসের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নবগঠিত বিজেপি সরকার স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে যে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রশ্নে তারা বিন্দুমাত্র আপস করতে রাজি নয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই কড়া অবস্থান রাজ্যে সুশাসন ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

  • Dilip Ghosh: প্রশাসনিক সংস্কারে গতি আনছে নতুন সরকার, বকেয়া ডিএ ও সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: প্রশাসনিক সংস্কারে গতি আনছে নতুন সরকার, বকেয়া ডিএ ও সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথগ্রহণের পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত একাধিক সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজ্যে বাস্তবায়িত হতে শুরু করেছে। এই আবহেই আজ নবান্নে বিজেপি সরকারের (BJP Bengal) দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এবং সপ্তম বেতন কমিশন রূপায়ণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সরকার অতি দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    বয়সসীমা বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে

    দীর্ঘদিন বিরোধী আসনে থাকাকালীন পঞ্চায়েত স্তরে যে আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ গেরুয়া শিবির (BJP Bengal) তুলেছিল, সরকার পরিবর্তনের পর সেই দফতরকে সম্পূর্ণ ‘দুর্নীতিমুক্ত’ করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলে স্পষ্ট করেছেন এই নবনিযুক্ত মন্ত্রী দিলীপ (Dilip Ghosh)। প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন কর্মসংস্থান ও নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যেই অর্থ দফতরের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে। বর্তমানে মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ সম্প্রসারণ না হওয়ায় মন্ত্রীর সংখ্যা কম থাকলেও, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সরকারি কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে।”

    অতি শীঘ্রই জমি হস্তান্তর

    ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়েও সোমবার এক তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা থাকা সত্ত্বেও পূর্বতন রাজ্য সরকারের অনীহার কারণে পশ্চিমবঙ্গের একটি বড় অংশের সীমান্ত অসুরক্ষিত ছিল। বর্তমান সরকার (BJP Bengal) দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর জন্য জমি চিহ্নিতকরণ ও পরিমাপের কাজ দ্রুততার সাথে শুরু করেছে এবং অতি শীঘ্রই জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”

    স্টেশন চত্বর দ্রুত জবরদখল মুক্ত করার উদ্যোগ

    রেলের জমিতে অবৈধ জবরদখল উচ্ছেদের ক্ষেত্রেও কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে রাজ্যের বিজেপি সরকার (BJP Bengal)। মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “উত্তরপ্রদেশ সরকারের অনুসৃত প্রশাসনিক মডেল অনুসরণ করে স্টেশন চত্বর দ্রুত জবরদখল মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ও সংলগ্ন এলাকা অবরুদ্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত ও বসার ক্ষেত্রে যে চরম ভোগান্তি হতো, তা দূর করতে আরপিএফ (RPF) এবং রাজ্য পুলিশ যৌথভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবে। যারা বিরোধিতা করছেন তাঁদের কাছে প্রশ্ন সুশাসনের বিকল্প হিসেবে রাজ্যে কি তবে অরাজকতা চলতে দেওয়া হবে?”

    জন নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ়

    পাশাপাশি, রাজ্যের (BJP Bengal) একাধিক ভিআইপি এবং ভিভিআইপি-দের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। তাঁর (Dilip Ghosh) দাবি, পূর্বতন আমলের বহু জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী ব্যক্তি নানাবিধ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে জনরোষের ভয়ে অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে চলতেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা সম্ভব হতো না। এই সিদ্ধান্তের ফলে জননিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

  • Janatar Darbar: শুরু হল শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী

    Janatar Darbar: শুরু হল শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কার্যভার গ্রহণের পর প্রথম ‘জনতার দরবার’ (Janatar Darbar) কর্মসূচির সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ জুন থেকে এই জনসংযোগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের দশ দিন পূর্বেই, অর্থাৎ ১৮ মে সল্টলেকের বিজেপি রাজ্য কার্যালয়ে তিনি এই কর্মসূচির আয়োজন করেন। সাধারণ মানুষ নিজের নিজের সমস্যার কথা তুলে ধরলেন বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রীকে। উল্লেখ্য প্রাচীন কাল থেকেই ভারতীয় রাজা-মহারাজারা জনতার দরবারে বসতেন। সাধারন মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতেন।

    রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উপস্থিত হন জনতা (Janatar Darbar)

    সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে। উপস্থিত নাগরিকসমাজ জমি সংক্রান্ত বিরোধ, প্রশাসনিক জটিলতা, স্থানীয় স্তরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যার কথা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর নিকট উত্থাপন করেন। শিক্ষার্থীসহ সমাজের নানা স্তরের মানুষের এই অভাব-অভিযোগ ও আবেদন অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে শোনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপর জনতার দরবার (Janatar Darbar) থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বেশ কিছু সমস্যার দ্রুত প্রশাসনিক সমাধানের আশ্বাসও প্রদান করেন।

    শপথ গ্রহণের পরেই সিদ্ধান্ত হয়

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জনগণের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শ্রবণের উদ্দেশ্যে এই নিয়মিত জনতার দরবার (Janatar Darbar) কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের প্রশাসনিক ইতিহাসে এই ব্যবস্থার ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। আধুনিক ভারতেও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কিংবা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নীতিশ কুমার নিজ নিজ রাজ্যে এই ধরনের সফল জনতার দরবার পরিচালনা করেছেন। এমনকি ২০০১ সালে মধ্যপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উমা ভারতীও তাঁর সরকারি বাসভবনে অনুরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

    প্রথম সপ্তাহেই সুশাসনের ইঙ্গিত

    এদিকে, ভারতীয় জনতা পার্টির (Suvendu Adhikari) রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে একটি বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে, রাজ্যে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই অর্থাৎ ৯ থেকে ১৬ মে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্ত (Janatar Darbar) ও পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “বিগত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনাধীনে পশ্চিমবঙ্গ যা অর্জন করতে পারেনি, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই সেই সুশাসনের গতি নিশ্চিত করতে শুরু করেছে। এটিই হলো প্রগতিশীল ও নতুন পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত পরিচয়।”

  • Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) ভিভিআইপি (VVIP) প্রবেশদ্বারের সম্মুখে অবস্থিত পূর্বতন শাসকদলের আমলে নির্মিত বিতর্কিত ভাস্কর্যটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবগঠিত রাজ্য সরকার। গত রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী ‘ডার্বি’ ম্যাচ উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের  ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্টেডিয়ামের নান্দনিক পরিবেশ ও পরিকাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি স্থানান্তরের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

    বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল (Nisith Pramanik)

    তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে নির্মিত এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নকশাকৃত এই ভাস্কর্যটিতে মানব অবয়বের নিম্নাংশের ওপর ‘বিশ্ববাংলা’র প্রতীক ও ফুটবল প্রদর্শিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, শিল্পসম্মত উৎকর্ষের অভাব এবং ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) প্রবেশদ্বারের নান্দনিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় ভাস্কর্যটি অপসারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক মন্তব্য করেন, ‘‘শিল্পটির গঠনে এক প্রকার অসঙ্গতি রয়েছে এবং এর কোনও সুনির্দিষ্ট অর্থ বা তাৎপর্য প্রকাশ পায় না। এরকম বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই বিগত সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়েছে। তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল। এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, কোনও মানে নেই সেটা আমরা রাখব না, আমরা পরিবর্তন করব।’’ তিনি মজা করে আরও বলেন, ‘‘এই ভাস্কর্যটি স্থাপনের পর থেকেই পূর্বতন সরকারের শাসনব্যবস্থায় নানাবিধ জটিলতা ও বিপর্যয় দৃশ্যমান হয়েছিল।’’

    ফুড কোর্ট স্থাপন করা হবে

    ভাস্কর্য অপসারণের পাশাপাশি যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত সংস্কারের কথা ঘোষণা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি বলেন, “স্টেডিয়াম চত্বরে দর্শকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত ফুড কোর্ট (Food Court) স্থাপন করা হবে। সেখানে পরিবেশিত খাবারের গুণগত মান কঠোরভাবে বজায় রাখতে ফুড টেস্টিং অফিসার বা খাদ্য পরিদর্শকদের নিয়মিত নিয়োজিত করা হবে, যা দর্শকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে।” ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে তিনি আরও জানান যে, প্রশাসনিক ব্যস্ততা না থাকলে যুবভারতীতে (Yuva Bharati Stadium) আয়োজিত ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচগুলোতে তিনি সশরীরে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড় ও দর্শকদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করবেন।

    মেসি ফাইল’ ওপেন

    সাংবাদিক বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীত প্রামাণিক বিগত সময়ে যুবভারতীকে (Yuva Bharati Stadium) কেন্দ্র করে ঘটা বহুল আলোচিত ‘মেসি ফাইল’ বা ম্যাচ সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের তদন্ত প্রসঙ্গেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, যেসকল ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রতারিত ও অসম্মানিত বোধ করেছিলেন, সরকার তাঁদের সেই সম্মান ও অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দর্শকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে ক্রীড়া মন্ত্রক সর্বতোভাবে সহায়তা প্রদান করবে।

  • Nabanna Cabinet Meeting: নবান্নে বড় ঘোষণা! সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর, মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস ও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    Nabanna Cabinet Meeting: নবান্নে বড় ঘোষণা! সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর, মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস ও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো নতুন বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক। সরকার গঠনের পর এটি ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক, যেখানে রাজ্যের সাধারণ মানুষ, বিশেষত মহিলা ও সরকারি কর্মচারীদের স্বার্থে একাধিক বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তগুলির বিস্তারিত ঘোষণা করেন। তাঁর কথায়, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মানুষের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করেছে এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিকে ফের সক্রিয় করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

    সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত

    দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অন্যতম বড় দাবি ছিল কেন্দ্রীয় হারে বেতন কাঠামো এবং মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে আজকের বৈঠকে সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission) গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন পুনর্বিবেচনা, বকেয়া ডিএ এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সংক্রান্ত জট দ্রুত কাটতে পারে। যদিও কমিশনের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো, সদস্য তালিকা এবং কার্যকর হওয়ার সময়সীমা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। সাধারণত ১০ বছর অন্তর কেন্দ্র ও রাজ্য পে কমিশন গঠন করে। রাজ্যে ষষ্ঠ পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। রাজ্য মন্ত্রিসভা সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর দেওয়ার পর বেতন বৃদ্ধির অঙ্ক নিয়েও চলছে জল্পনা।সরকারি কর্মীরা বলছেন, সপ্তম পে কমিশন গঠন হয়ে কার্যকর হলে, একলাফে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে কর্মীদের বেসিক পে।

    প্রতিশ্রুতি পালন বিজেপির

    নির্বাচনী ইস্তেহার থেকে প্রচারে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে সপ্তম পে কমিশন। তার ফলে বেতন পরিকাঠামোয় বদল আসবে। ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশ হয়েছে। রাজ্যে পালা বদল ঘটেছে। গত ৯ মে, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার ঠিক ৯ দিনের মাথায় দ্বিতীয় বৈঠকে সপ্তম পে কমিশনে সায় দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “আমরা আগে থেকেই বলেছিলাম, শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, প্রশাসনিক কাজেও গতি আনা হবে। সরকার গঠনের পর থেকেই মানুষের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি ফের রাজ্যে চালু করাই আমাদের লক্ষ্য।” যদিও ডিএ নিয়ে এদিনের বৈঠকে কোনও আলোচনা হয়নি। তবে তা অ্যাজেন্ডায় রয়েছে বলেই জানান মন্ত্রী। রাজ্য সরকারের এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সরকারি কর্মীরা।

    ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর বদলে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    সবচেয়ে বড় ঘোষণা এসেছে রাজ্যের বহুল জনপ্রিয় মহিলা সহায়তা প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে নতুনভাবে চালু করা হবে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ নামে। ক্যাবিনেট সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আওতায় আর্থিক সহায়তা পেতেন, তাঁদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পে স্থানান্তরিত করা হবে। ফলে পুরনো উপভোক্তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন হবে না। আগের মতোই সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।

    নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু শীঘ্রই

    এছাড়া, যাঁরা এখনও এই প্রকল্পের সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য খুব শীঘ্রই একটি নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে। সেখান থেকে আবেদন করে নতুন উপভোক্তারা এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ-র জন্য আবেদনকারীদেরও এই প্রকল্পের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, যাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরাও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর সুবিধা পাবেন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ১ জুন থেকে মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত

    মহিলাদের জন্য আরও একটি বড় স্বস্তির ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। আগামী ১ জুন থেকে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে কর্মজীবী, ছাত্রী, গৃহবধূ এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মহিলাদের যাতায়াত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। মন্ত্রী আরও জানান, জুন মাসে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের পর রাজ্যে নতুন বাস নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস (E-Bus) পরিষেবা সম্প্রসারণে।

    রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বার্তা

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা বৈঠক থেকেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে মহিলা কল্যাণ, সরকারি কর্মীদের আর্থিক দাবি এবং গণপরিবহণ—এই তিন ক্ষেত্রকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ ও বিনামূল্যে বাসযাত্রার মতো সিদ্ধান্ত আগামী দিনে রাজনৈতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। জুনের পূর্ণাঙ্গ বাজেটের দিকে এখন নজর থাকবে রাজ্যবাসীর, কারণ সেখানেই এই ঘোষণাগুলির আর্থিক কাঠামো এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা স্পষ্ট হতে পারে।

LinkedIn
Share