Religious Conversion: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলে ৫ লক্ষ টাকা! বিলাসপুরে ধর্মান্তকরণ চক্র, তদন্তের দাবিতে সরব ভিএইচপি

conversion racket in bilaspur bait of 5 lakhs in exchange for adopting christianity vhp vocal in demanding an investigation

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর (Bilaspur) জেলার চাট্টিডিহ গ্রামে প্রলোভন দেখিয়ে গণ-ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় গ্রামবাসীদের দাবি, খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য তাঁদের পরিবার প্রতি নগদ ৫ লক্ষ টাকা, বিনামূল্যে পাকা বাড়ি এবং উন্নত চিকিৎসার টোপ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)-এর প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রশাসনের কাছে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

দরিদ্র ও অনগ্রসর হিন্দু পরিবারগুলোকে টার্গেট (Religious Conversion)

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই চাট্টিডিহ গ্রামের (Bilaspur) একটি বাড়িতে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি যাতায়াত করছিল এবং সেখানে নিয়মিত প্রার্থনা সভার নামে গোপন বৈঠক চালানো হচ্ছিল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকার দরিদ্র ও অনগ্রসর হিন্দু পরিবারগুলোকে টার্গেট করে এই ধর্মান্তকরণ চক্র (Religious Conversion) চালানো হচ্ছিল। গতকালও ওই বাড়িতে একটি ধর্মান্তকরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল বলে খবর পান স্থানীয় হিন্দু যুবকরা। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জেলা ও ব্লক স্তরের পদাধিকারীরা গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে চড়াও হন। ভিএইচপি নেতাদের দেখে ধর্মান্তকরণ চক্রের মূল পান্ডারা সেখান থেকে চম্পট দেয়। গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং জানান যে, তাঁদের দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে প্রলোভন দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল।

বাইবেল বিলি করছিল

ভিএইচপি-র স্থানীয় নেতা বলেন, “আমরা খবর পেয়েছিলাম যে চাট্টিডিহ গ্রামের (Bilaspur) একদল নিরীহ মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। আমরা এসে দেখি বহিরাগত কয়েকজন সেখানে প্রলোভনমূলক লিফলেট এবং বাইবেল বিলি করছিল।” এই ঘটনার পর বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে বিলাসপুর জেলা প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, এই ধর্মান্তকরণ চক্রের (Religious Conversion) পেছনে কোনও বড় আন্তর্জাতিক বা ভিন রাজ্যের অর্থায়ন রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে এফআইআর (FIR) দায়ের করে পুলিশি তদন্ত শুরু করা হোক। এলাকায় যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ প্রশাসন নজরদারি বাড়িয়েছে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share