Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • PM Modi on Ayushman Bharat: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে’’ রাজ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালুর পর খুশি প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi on Ayushman Bharat: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে’’ রাজ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালুর পর খুশি প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আয়ুষ্মান ভারত (PM Modi on Ayushman Bharat) স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। সোমবারই রাজ্যের মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, এই পরিষেবা কার্যকর করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে বাংলার মানুষ জুড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে। আমি অত্যন্ত খুশি যে, রাজ্যবাসী বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং উচ্চ গুণমানসম্পন্ন এই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।’’

    মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি

    ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ‘প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ বা আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat in Bengal) প্রকল্প চালু করেছিল। এই পরিষেবার আওতায় তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের চিকিৎসা পরিষেবা একরকম নিখরচায় পাওয়া যায়। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই প্রকল্প অত্যন্ত সহায়ক। প্রসঙ্গত, কেন্দ্র এই স্বাস্থ্য পরিষেবা গোটা দেশে চালু করেছে। অভিযোগ ওঠে, সেই পরিষেবাকে এ রাজ্যে কার্যকর হতে দেয়নি তৎকালীন তৃণমূল সরকার। উল্টে তারা ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নামে একটি আলাদা প্রকল্প চালু করে। নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করেছিলেন, দল যদি ক্ষমতায় আসে, তা হলে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রের সমস্ত রকম প্রকল্পের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে। হলও তাই, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী গত শনিবার শপথ নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রের অন্যতম প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করা হল এ রাজ্যে। মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি।

    ডবল-ইঞ্জিন সরকার-এর সাহায্য

    রাজ্যে এই প্রকল্প চালুর পর প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও লেখেন,‘‘কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে রাজ্যের জনগণ পান, তা নিশ্চিত করবে ডবল-ইঞ্জিন সরকার।’’ রাজনৈতিক সংঘাতের আবহে দীর্ঘদিন আটকে থাকা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পও এবার দ্রুত কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যবাসী পরিবারপিছু বছরে পাঁচ লক্ষ টাকার ক্যাশেলস স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পাবেন। খুব সহজে অনলাইনেই আবেদন করা যায় এই প্রকল্পের জন্য। প্রয়োজন হয় না অনেক নথির। বাড়িতে বসেই আবেদন করা যায় ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর কার্ডের জন্য।

  • Suvendu Adhikari on BSF: পদ্মঝড় গঙ্গাপারে, আতঙ্ক পদ্মাপারে! শুভেন্দুর সীমান্ত-ঘোষণায় তোলপাড় বাংলাদেশে

    Suvendu Adhikari on BSF: পদ্মঝড় গঙ্গাপারে, আতঙ্ক পদ্মাপারে! শুভেন্দুর সীমান্ত-ঘোষণায় তোলপাড় বাংলাদেশে

    সুশান্ত দাস

    কথায় বলে, ‘একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর’। প্রাচীন প্রবাদবাক্যটা যথার্থ বাংলাদেশের পক্ষে। এতদিন নিজেদের পূবদিকে ব্রহ্মপুত্রের কোল ঘেঁষা বিজেপি-শাসিত অসমের অনুপ্রবেশ-বিরোধী অবস্থান নিয়ে জেরবার ছিল বাংলাদেশ। এখন পশ্চিমদিকে, গঙ্গাপারও গেরুয়াময় হয়ে ওঠায় আশঙ্কার শেষ নেই পদ্মাপারে। রীতিমতো, উভয় সঙ্কটে ভুগছে ওপারের কট্টরপন্থীরা, যারা অনুপ্রবেশকে এতদিন নিজেদের কায়েমি অধিকার হিসেবে দেখে এসেছিল। যারা, কিছুদিন আগে পর্যন্তও এরাজ্য়ের সাম্প্রদায়িক ও রাষ্ট্র-বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বদান্যতায় কাঁটাতার-বিহীন সীমান্ত দিয়ে ইচ্ছামতো যত্রতত্র ভারতে ঢুকে জনবিন্যাসে হেরফের ঘটাত এবং অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি করত। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গবাসী সেই স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করে দেওয়ায় বাজ পড়েছে বঙ্গ তথা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়া অবৈধ বাংলাদেশিদের মাথায়।  ভারতের মোদি সরকারের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে অবৈধ বাংলাদেশি তাড়ানো অভিযান আগেই শুরু হয়েছিল। এবাং বঙ্গেও নতুন সরকার আসায় সেই কাজ শুরু হল বলে। লক্ষ্য হল, ভারতে বসবাসকারী অবৈধ বাংলাদেশিদের স্বভূমে ফেরত পাঠানো, এবং একইসঙ্গে এই গণ-অনুপ্রবেশকে যথাসম্ভব আটকানো। ফলে, সব মিলিয়ে  বাংলাদেশের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এখন তিনটি শব্দ— ‘বিজেপি’, ‘কাঁটাতার’ ও ‘পুশব্যাক’।

    প্রমাদ গোনা শুরু বাংলাদেশে…!

    নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে বিরাট ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়ে দেন, বাংলা-সীমান্তে আউটপোস্ট বসাতে এবং কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর করা হবে। এর পর থেকেই যেন প্রমাদ গুণতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। এমনিতে, রাজ্যে পালাবদল ঘটিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসা থেকেই বাংলাদেশিদের একাংশ টার্গেট করা শুরু করেছে শুভেন্দুকে। তার ওপর সোমবার শুভেন্দুর বিএসএফকে জমি দেওয়ার ঘোষণার সঙ্গে সেই আক্রমণ আরও বেড়ে গিয়েছে। গঙ্গাপারের নবান্ন থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন, তা নিয়ে পদ্মাপারের সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে— তবে সেই সংবাদ যে সব ইতিবাচকভাবে পরিবেশন করা হয়েছে, তেমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।

    হিন্দুত্ববাদকে ভয় পাচ্ছে বাংলাদেশ…!

    তবে বিজেপির বঙ্গজয় ও রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত খবরে একটা বিষয় পরিষ্কার। তা হল, হিন্দুত্ববাদের শক্তিকে ক্রমশ ভয় পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন, ‘‘সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জয়ী হয়েছে বিজেপি, এটা একটা গেরুয়া পতাকা। এই গেরুয়া পতাকা বাংলাদেশের কাছে এসে গেছে। মুসলমানরা যদি সজাগ না থাকে, যদি ইমানি বক্তা না থাকে তাহলে কিন্তু এই পতাকা আমরা ঠেকাতে পারব না।’’ শুভেন্দুর কথার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ থেকে যে প্রতিক্রিয়া উঠে আসছে, তাতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, এপার বাংলায় বিজেপির উত্থানে বাংলাদেশের একটা বড় অংশ আশঙ্কিত। আর এই শঙ্কা কেবলমাত্র জনমানসে নয়, একেবারে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিসরেও বর্তমান।

    ‘‘বাংলার সুরক্ষার প্রশ্ন, দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন’’

    সোমবার, নবান্নে বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একগুচ্ছ ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। যার মধ্যে অন্যতম ছিল সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের ঘোষণা। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “এটা আমাদের দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন। বাংলার সুরক্ষার প্রশ্ন। যেভাবে জনবিন্যাস বদলে গেছে, আজ প্রথম দিনেই আমরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর ও বিএসএফকে সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য জমি ট্রান্সফার প্রক্রিয়ার অনুমোদন দিলাম। ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হল। ৪৫ দিনের মধ্যে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে।”

    কী বলেছেন ইউনূস সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা?

    বাংলাদেশ এনসিপির নেতা তথা ইউনূস সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইঁয়া শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অনেকেই বিভিন্ন সময় আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন। আবার পশ্চিমবঙ্গ এবং জেএনইউ-তে যখন সিএএ-বিরোধী আন্দোলন হয়, তখন আমরা তাদের সমর্থন জানিয়েছি।’’ তিনি যোগ করেন, ‘‘এই অঞ্চলের মুসলমানরা হামলার শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশের সরকারের প্রতি আমাদের আবেদন, তারা যেন কূটনৈতিকভাবে আরও তৎপর হয় এবং ভারতের কাছে এই নিয়ে সরব হয় এবং রাষ্ট্রীয় ভাবে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ায়। এই সরকার যেন দেশের স্বার্থ দেখে নয়ত আমরা আমাদের সম্ভাব্য বন্ধুদের হারাব। আমরা এই নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের কাছেও আবেদন জানাতে চাই।’’

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ঢাকায়…!

    আবার ঢাকায় শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের দেখান একদল মানুষ। ‘ভয়েস অফ বাংলাদেশি হিন্দুস’ নামক একটি এক হ্যান্ডেল থেকে ভাইরাল হয় বেশ কিছু ছবি। তাতে দেখা যায়, বাংলাদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ হাতে ফেস্টুন নিয়ে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। জানা যাচ্ছে, ‘অঞ্জুমানে ছালেকীন বাংলাদেশ’ নামক একটি সংগঠনের তরফে ডাকা হয় এই বিক্ষোভ মিছিল। পশ্চিমবঙ্গে নাকি সংখ্যালঘু মুসলিমরা নির্যাতিত এবং নিপীড়িত হচ্ছে! এমন দাবি সামনে রেখেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে পা বাড়িয়েছে ওপার বাংলার ওই সংগঠনটি।

    ঢাকাকে চাপ দিল্লির…

    এমনিতে, ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে ঢাকার ওপর ক্রমাগত চাপসৃষ্টি করছে দিল্লি। অবৈধ বাংলাদেশিদের ‘পুশব্যাক’ করার কথা ঘোষণা করেই রেখেছেন অসমে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। যা নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। সেই সময়ও বাংলাদেশের স্বস্তির জায়গা ছিল পশ্চিমবঙ্গ। কারণ, যতদিন গঙ্গাপার তৃণমূলের দখলে ছিল, ততদিন বেশ নিশ্চিন্তে দিন কাটাচ্ছিল বাংলাদেশের জামাত-বাহিনী। তার ওপর সেখানকার নির্বাচনে ভারত-সীমান্ত ঘেঁষা জেলাগুলিতে জয় পাওয়ার পর থেকেই যেন জামাতের একপ্রকার ডানা গজিয়েছে।

    ক্ষমতার ‘হাতবদল’ এপারে, ঘুম উড়েছে ওপারে…!

    কিন্তু, এপার বাংলায় ক্ষমতার ‘হাতবদল’ হতেই রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে ওপার বাংলায়। সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে জামাতরা। তারা হারে হারে টের পাচ্ছে, এতদিন তারা যে পশ্চিমবঙ্গ তাদের কাছে অনুপ্রবেশের নিরাপদ মাধ্যম ছিল, তা রাতারাতি উধাও হয়ে গিয়েছে। উল্টোদিকে উঠেছে মস্ত প্রাচীর। বর্তমানে বাংলাদেশকে ঘিরে থাকা ভারতের অঙ্গ রাজ্যগুলির মধ্যে— অসম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও সিকিম বিজেপি-শাসিত। এখন সেই তালিকায় ঢুকে পড়ল, তাদের সঙ্গে সবচেয়ে বড় সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া পশ্চিমবঙ্গ। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। অতীতে ভারতের বিএসএফ (BSF) সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ করতে গেলে বিভিন্ন জায়গায় বাধার অভিযোগ উঠেছে, যেখানে বিজিবি (BGB)-এর ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইসঙ্গে, বিজিবির কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে অনুপ্রবেশে সহায়তার অভিযোগও সামনে এসেছে। অন্যদিকে, সীমান্তে বিএসএফের গুলি চালানোর ঘটনা ঘটলেই বাংলাদেশে বিভিন্ন মৌলবাদী গোষ্ঠী এবং কট্টরপন্থী মহলের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

    ‘পুশব্যাক’-এর আশঙ্কা! হাই অ্যালার্টে বিজিবি…

    ঢাকা মনে করছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার, এবং অসম ও পশ্চিমবঙ্গের সরকারের ত্র্যহস্পর্শ সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হলে অনুপ্রবেশকারীদের নতুন করে ‘পুশব্যাক’ করার বা বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া জোরদার হতে পারে। শুভেন্দুর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর ঢাকায় জানান, বাংলাদেশ সরকার আশা করে ‘পুশব্যাক’ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনী প্রচারে যা বলেছেন, সরকার পরিচালনায় সেই কড়া পদক্ষেপ বজায় রাখবে না, পশ্চিমবঙ্গের সরকার। হুমায়ুন কবিরের দাবি, এই বাংলাদেশ আর সেই বাংলাদেশ নেই। বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার আর কাঁটাতারের বেড়ার ভয় পায় না। বাংলাদেশেরও সীমান্ত নিয়ে নিজস্ব পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁরা ভারতের এই প্রশাসনিক গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় বিজিবি-কে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। ‘পুশব্যাক’-এর সম্ভাবনা রুখতেই বিজিবি-কে সীমান্তে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • Tutu Basu Died: অভিভাবকহীন সবুজ-মেরুন! প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বসু

    Tutu Basu Died: অভিভাবকহীন সবুজ-মেরুন! প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বসু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রীড়াপ্রশাসনের জগতে নক্ষত্র পতন। প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বসু (Tutu Basu Died)। ময়দানে যাঁর পরিচিতি টুটু বসু নামে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক। দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। ভেন্টিলেশনে ছিলেন। মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সঙ্গে ছিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও টুটুবাবুর খোঁজ নিয়েছিলেন।

    মোহনবাগান আর টুটু বসু

    মোহনবাগান ক্লাব (Mohunbagan Ex President Tutu Basu) এবং টুটু বসু সমার্থক। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি মোহনবাগানের সচিব ছিলেন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে ফের তিনি সচিব নির্বাচিত হন। দায়িত্ব সামলেছিলেন দু’বছর। এরপর ২০২০-২২ এবং ২০২২-২০২৫, দু’দফায় ফের তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত বছর মোহনবাগানের নির্বাচনের আগে তিনি সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। শারীরিক কারণে বর্তমানে কোনও আনুষ্ঠানিক পদে থাকেননি তিনি। অঞ্জন মিত্রের সঙ্গে তাঁর ‘জুটি’ ময়দানের মিথ হয়ে আছে।

    আধুনিক মোহনবাগান তাঁর হাতেই

    টুটু বসুর হাত ধরেই মোহনবাগান ক্লাবে একের পর এক ইতিহাস তৈরি হয়। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েন‌্কার হাতে ক্লাবের মালিকানা তুলে দেওয়া। মোহনবাগানের নামের আগে তখন যুক্ত হয় ‘এটিকে’। তা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। তারও আগে তিনি মোহনবাগান ক্লাবে আরও এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন। যে সবুজ-মেরুনে কখনও বিদেশি ফুটবলার খেলতে দেখা যায়নি, সেখানেই চিমা ওকেরিকে সই করিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন টুটু। চিমাই মোহনবাগানের প্রথম বিদেশি। তাঁর পুত্র সৃঞ্জয় এখন মোহনবাগানের সচিব পদে রয়েছেন। ফুটবল প্রশাসক ছাড়াও একাধিক পরিচয় ছিল টুটু বসুর। তিনি রাজ্যসভায় সাংসদ ছিলেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী এবং সংবাদপত্রের মালিকও।

    অভিভাবক-হারা মোহনবাগান

    জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ৮ টায় তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তাঁর বালিগঞ্জের বাসভবনে। সেখান থেকে খিদিরপুর ক্লাব, ভবানীপুর ক্লাব হয়ে মোহনবাগান ক্লাবে। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ মোহনবাগানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হবে। দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত ক্লাবেই থাকবে মরদেহ। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য হবে টুটু বসুর। পরিবারের তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। গত বছর মোহনবাগান দিবসের শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ ছিলেন টুটু বসুই। তিনি প্রশাসক থাকাকালীন ‘মোহনবাগান রত্ন’ দেওয়া শুরু হয়। সেই সম্মানই গত বছর তুলে দেওয়া হয়েছিল টুটুর হাতে। মোহনবাগান ভক্ত এবং ফুটবল অনুরাগীদের মনে টুটুই ছিলেন সবুজ-মেরুনের অভিভাবক। এখন অভিভাবক-হারা মোহনবাগান।

     

     

     

     

  • PM Modi in Europe: নজরে জ্বালানি-প্রতিরক্ষা-এআই! পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝেই পাঁচ দেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi in Europe: নজরে জ্বালানি-প্রতিরক্ষা-এআই! পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝেই পাঁচ দেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার আবহে আগামী ১৫ মে, শুক্রবার থেকে ছয় দিনের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে শুরু করে ইউরোপের একাধিক দেশে যাবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ভারতের কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্ক আরও গভীর করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক (MEA)। ১৫ থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা এই পাঁচ দেশের সফরে প্রধানমন্ত্রী যাবেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে এবং ইতালিতে। সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হতে চলেছে জ্বালানি সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, সবুজ প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ব্লু ইকোনমি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা। বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, সদ্য সম্পন্ন ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (India-EU FTA) প্রেক্ষাপটে ইউরোপ ও উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও গভীর করাই এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    আমিরশাহীতে আলোচনায় জ্বালানি ও প্রবাসী ভারতীয়রা

    প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের শুরু ১৫ মে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। সেখানে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান (Mohamed bin Zayed Al Nahyan)-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টানরাশিপ (Comprehensive Strategic Partnership) আরও শক্তিশালী করাই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পাবে জ্বালানি নিরাপত্তা। এছাড়াও আরবে থাকা প্রায় ৪৫ লক্ষ ভারতীয় প্রবাসীর কল্যাণও মূল লক্ষ্য। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE) ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অন্যতম বড় উৎস। উভয় নেতা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষ করে শক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আঞ্চিলক ও আন্তর্জাতিক নানান বিষয়ে মত বিনিময় করবেন। দ্বিপাক্ষিক সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্র এবং মানুষে মানুষে সংযোগের বিষয়টিও স্থান পাবে তাঁদের আলোচ্য সূচীতে।

    নেদারল্যান্ডসে প্রযুক্তি ও সবুজ শক্তি

    সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী যাবেন নেদারল্যান্ডসে। সেখানে তিনি রাজা উইলিয়াম অ্যালেকজান্ডার (Willem-Alexander) এবং রানী ম্যাক্সিমার সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন। সেদেশের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনের (Rob Jetten) সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হবেন। নেদারল্যান্ডসে এটি প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিতীয় সফর। এর আগে তিনি ২০১৭-এ সেখানে যান। প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, উদ্ভাবন, পরিবেশ বান্ধব হাইড্রজেন, সেমিকন্ডাক্টর ও জল সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১৫ থেকে ১৭ মে নেদারল্যান্ডস সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্তমানে ভারত-নেদারল্যান্ডস দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৭.৮ বিলিয়ন ডলার। আগামী দিনে তা কয়েক গুণ বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস বর্তমানে ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ।

    সুইডেনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা ও শিল্প সহযোগিতা

    ১৭ ও ১৮ মে রবিবার সুইডেনের কোটেনবার্গে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে সুইডিস প্রধানমন্ত্রী উল্ফ ক্রিস্টারসনের (Ulf Kristersson) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সম্পর্কের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখবেন তারা। এর মধ্যে আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, স্টার্ট আপ, সরবরাহ শৃঙ্খল, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনা। দুই প্রধানমন্ত্রী শিল্পের জন্য ইউরোপীয় রাউন্ড টেবিল বৈঠকেও ভাষণ দেবেন। এই অগ্রণী প্যান ইউরোপীয় বাণিজ্যিক ফোরামের বৈঠকে ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লিয়েনও (Ursula von der Leyen) উপস্থিত থাকবেন। ২০২৫ সালে ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭.৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া ২০০০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সুইডেনের বিনিয়োগ ভারতে ২.৮২৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে।

    নরওয়েতে ব্লু ইকোনমি ও নর্ডিক সম্মেলন

    ১৮ থেকে ১৯ মে নরওয়ে সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ৪৩ বছর পর কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সে দেশে যাচ্ছেন। নরওয়েতে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেখা করবেন রাজা হারলাড ভি (Harald V) এবং প্রধানমন্ত্রী জোনাস (Jonas) এর সঙ্গে। ভারত-ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্লু ইকোনমি, সামুদ্রিক সম্পদ এবং নরওয়ের ২৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। ১৯ মে অসলোতে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ইন্ডিয়া-নর্জিক সামিট (India-Nordic Summit)। সেখানে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেনের নেতারা অংশ নেবেন। আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে আর্কটিক গবেষণা, নবীকরণযোগ্য শক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ এবং টেকসই উন্নয়ন। ভারত-নরওয়ে বাণিজ্য ও গবেষণা সম্মেলনেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরিচ্ছন্ন ও সবুজ প্রযুক্তি, ব্লু ইকোনমি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমানে ভারত-নরওয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২.৭৩ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া নরওয়ের গভর্নমেন্ট পেনশন ফান্ড ভারতের পুঁজিবাজারে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

    ইতালিতে প্রতিরক্ষা ও উদ্ভাবন নিয়ে আলাপচারিতা

    সফরের শেষ পর্যায়ে ১৯ ও ২০ মে ইতালি সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলানির (Giorgia Meloni) সঙ্গে বৈঠকে ২০২৫-২৯ জয়েন্ট স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান (Joint Strategic Action Plan 2025–2029) পর্যালোচনা করা হবে। এই রোডম্যাপের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা, শক্তি, বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দুই দেশের। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারতের ১৪০ কোটি মানুষ এবং ইউরোপের দেশগুলির কয়েক কোটি মানুষের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি করবে। এখান থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত নির্মাণশিল্প এবং অনুসারী শিল্পগুলির ক্ষেত্রে আরও গতি আনবে। এর ফলে বাণিজ্যের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক গণতন্ত্রও পোক্ত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিদেশ মন্ত্রকের মতে, ২০২৫-২০২৯ যৌথ কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার আওতায় বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, পরিচ্ছন্ন শক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত-ইতালি সম্পর্ক দ্রুত এগোচ্ছে। ২০২৫ সালে দুই দেশের বাণিজ্য ১৬.৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি ইতালির মোট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.৬৬ বিলিয়ন ডলার।

  • Shamik Bhattacharya: ‘কোনও দলকে টাকা দিতে হবে না’! শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান শমীক ভট্টাচার্যের

    Shamik Bhattacharya: ‘কোনও দলকে টাকা দিতে হবে না’! শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান শমীক ভট্টাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে শিল্প করতে গেলে আর কোনও রাজনৈতিক দলকে টাকা দিতে হবে না। বাংলায় নতুন সরকার ভয়মুক্ত শিল্পের পরিবেশ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর। রাজ্য তথা দেশের শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার শহরে একটি বণিকসভার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শমীক। তিনি জানান, এই রাজ্যে যে সরকার তৈরি হয়েছে, সেটা পশ্চিমবঙ্গের সরকার হবে, বিজেপির নয়। রাজনৈতিক দল এবং সরকারে মধ্যে ফারাক স্পষ্ট করতে হবে বলেও দাবি রাজ্য বিজেপি সভাপতির।

    শিল্পপতিদের আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের ‘দুরবস্থার’ কথা বলতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, ‘‘এখানে মেধার বিকাশের কোনও সুযোগ নেই।’’ পূর্বতন সরকারের আমলে রাজ্যে শিল্পের কী অবস্থা হয়েছে, তার উদাহরণ তুলে ধরেন শমীক। তৃণমূল সরকারের আমলে ফি বছরই পশ্চিমবঙ্গে ‘গ্লোবাল বিজনেস সামিট’-এর আয়োজন করা হত। সেই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের পাশাপাশি রাজ্যের অনেক শিল্পপতিও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকতেন। সেই প্রসঙ্গে টেনে শমীক বলেন, ‘‘যাঁরা বিবৃতি দিতেন, তাঁদের ১০ বছরের ব্যালেন্স সিটগুলি খুলে দেখুন। প্রায় সকলেই তাঁদের মূলধন অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পপতিদের জন্য নতুন গন্তব্য হয়ে গিয়েছে উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ।’’

    জমিনীতির বদল চাই

    পূর্বতন সরকারে জমিনীতিরও সমালোচনা করেছেন শমীক। জমি অধিগ্রহণের নীতি বদলের পক্ষেও সওয়াল করেন তিনি। আশ্বস্ত করেন, নতুন সরকার নতুন ভাবে সব কিছু ভাবছে। রাজ্যে শিল্প আসার পথে যে যে বাধা, প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা দূর হবে। জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে পঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানায় যে পন্থা নেওয়া হয়, পশ্চিমবঙ্গে তা চালু হবে। তার পরেই শিল্পপতিদের বার্তা, ‘‘আপনারা এখানে নির্ভয়ে বিনিয়োগ করুন। কোম্পানি তৈরি করুন। পশ্চিমবঙ্গে বড় শিল্প আনতে হবে। আমরা নতুন জমি নীতি নিয়ে আসব। আগামী দিনে কেউ এখানে কোনও ফ্যাক্টরি করতে গেলে কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী আপনাদের কাছে টাকা চাইতে আসবে না।’’

    ভয়মুক্ত পরিবেশ

    শমীক আরও বলেন, ‘‘ভারতের বহু বিনিয়োগকারী পশ্চিমবঙ্গে আসছেন। কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না।’’ শিল্প নিয়ে বিজেপির যে ‘সংকল্প’ ছিল, তা পূরণ হবে বলেও আশ্বাস দেন শমীক। তাঁর বার্তা, শিল্প বা কারখানা তৈরি করতে কেউ যদি কোনও বাধার সৃষ্টি করেন, তবে সরাসরি পুলিশকে জানান।

    শমীকের নিশানায় সৌরভ

    প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম না করে এদিন তাঁকে খোঁচা দেন শমীক। তাঁর কথায়, ‘‘আমি এক ভদ্রলোককে চিনতাম। আমরা জানতাম উনি স্টেপ আউট মেরে ওভার বাউন্ডারি মারতেন। তার জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। আমরা দেখলাম তিনি বাউন্ডারির বাইরে থেকে বল থ্রো করছেন। স্পেন থেকে ঘোষণা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের। কোনও মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না।’’ উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মমতার স্পেন সফরে সঙ্গী ছিলেন সৌরভও। মাদ্রিদের বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, শালবনিতে নতুন করে ইস্পাত কারখানা গড়ে উঠবে। শমীকের স্পষ্ট বার্তা, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে এ রাজ্যের জন্য বিনিয়োগ হোক। কোনও বিনিয়োগের ঘোষণার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

  • TMC Leader Shamim Ahmed: অরূপ রায়-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ! শোয়ার ঘরে রাজ-পালঙ্ক, তল্লাশিতে গিয়ে পুলিশ থ

    TMC Leader Shamim Ahmed: অরূপ রায়-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ! শোয়ার ঘরে রাজ-পালঙ্ক, তল্লাশিতে গিয়ে পুলিশ থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের শাসনে এই রকম উন্নয়ন অকল্পনীয়। তবে তৃণমূল নেতাদের আর্থিক সমৃদ্ধির দৃশ্য খোদ তদন্তকারী পুলিশ অফিসারদেরকেই রীতিমতো চমকে দিয়েছে। ঘিঞ্জি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন স্থাপত্যের অস্তিত্ব থাকতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারেননি তদন্তকারীরা। হাওড়ার (Howrah) শিবপুরের চওড়াবস্তি এলাকায় পলাতক তৃণমূল নেতা শামিম আহমেদ ওরফে ‘বড়ে’-র বাসভবনে তল্লাশি চালাতে গিয়ে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে গেলেন পুলিশ আধিকারিকরা। কেবল বহুমূল্য আসবাব বা মুঘল ঘরানার স্থাপত্য নয়, বাড়ির অন্দরে মাটির নিচে আবিষ্কৃত হয়েছে এক রহস্যময় গোপন সুড়ঙ্গ। প্রশাসনিক মহলের ধারণা, বিপদের সময় আইন-শৃঙ্খলার নজর এড়িয়ে পলায়নের উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে এই আলিশান রাজমহল (TMC Leader Shamim Ahmed) নির্মাণের টাকা কোথা থেকে আসতো? আসুন দেখে নিই কুখ্যত শামিম আহমেদের কুকীর্তি।

    আভিজাত্যের আড়ালে রহস্যের জাল (Howrah)

    নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা এবং বিজেপি সংখ্যালঘু সেলের এক নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত শামিম আহমেদ (TMC Leader Shamim Ahmed) বর্তমানে পলাতক। তাঁর খোঁজে শিবপুরের ওই প্রাসাদে হানা দেয় পুলিশ। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেই আধিকারিকদের চোখ চড়কগাছ হয়ে যায়। সুড়ঙ্গ পেরলেই ‘সিংহদুয়ার’। নেমপ্লেটে লেখা শামিম আহম্মেদ নাম। দরজা খুললেই ভিতরে এলাহি ব্যবস্থা। গোটা বাড়ির সিসিটিভি মনিটরিং চলছে ওই ঘর থেকে।

    হাওড়ার তৃণমূল (TMC) নেতা শামিম আহমেদের সেই বাড়ির ছবি ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। দামি আসবাবপত্র, সিনেমার সেটের মতো সজ্জা এবং কারুকার্যমণ্ডিত ঘরগুলি আভিজাত্যের চরম নিদর্শন। তবে তল্লাশি চলাকালীন মাটির নিচে সুড়ঙ্গের সন্ধান মিলতেই পুরো পরিস্থিতি ভিন্ন মাত্রা পায়। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই রহস্যময় সুড়ঙ্গ এবং নেমপ্লেট সম্বলিত শামিমের ঘরের চিত্র। এই সুড়ঙ্গ পথটি ঠিক কোথায় গিয়ে মিশেছে এবং এর মাধ্যমে কোনও অপরাধমূলক কারসাজি চলত কি না, তা নিয়ে ইতিপূর্বেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

    সাধারণ জীবন থেকে ক্ষমতার শিখরে: শামিমের উত্থান

    মধ্য হাওড়ার (Howrah) রাজনৈতিক অলিন্দে কান পাতলে শামিম আহমেদের উল্কাসম উত্থানের কাহিনী শোনা যায়। জানা যায়, একসময় শপিং মলের সাধারণ কর্মচারী হিসেবে কাজ করা এই ব্যক্তি সময়ের ব্যবধানে এলাকার বেতাজ বাদশা হয়ে ওঠেন। ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামী এবং প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের ছায়াসঙ্গী (TMC Leader Shamim Ahmed) হিসেবে পরিচিত হওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি বাড়তে থাকে। স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘বড়ে’ বা কেউ কেউ ‘ডন’ হিসেবেও পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে তিনি ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।

    রাজনৈতিক উত্তাপ ও অভিযোগের আঙুল

    শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed) বাড়িতে (Howrah) এই গোপন সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়ার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা শুরু করেছে।

    রাজ্যের নবনিযুক্ত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, “তদন্ত যত এগোবে, সুড়ঙ্গ বা গুহার পাশাপাশি টাকার পাহাড়ও বেরিয়ে আসবে।” অন্যদিকে, শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ সরাসরি প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, “হাওড়ার মতো প্রাচীন শহরকে জমি প্রোমোটিং, মাদক ব্যবসা এবং লুটের রাজত্বে পরিণত করার নেপথ্যে এই নেতারাই মদতদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। অপরাধীদের সুরক্ষা দিতে পুলিশকেও ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।”

    প্রশাসনিক তৎপরতা

    তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed)  সুড়ঙ্গ পথটি জরুরি অবস্থায় আত্মগোপন করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। তৃণমূল নেতার এই ‘অপারেশনাল স্টাইল’ কোনও অন্ধকার জগতের অপরাধীদের কর্মপদ্ধতির সঙ্গে তুলনীয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সুড়ঙ্গের বিস্তৃতি এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো গোপন কার্যকলাপের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এনআইএ-ও গ্রেফতার করেছিল শামিমকে

    এই প্রথমবার শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed) বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল, তা নয়। আগেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। হাওড়ায় (Howrah) রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা চালানোর অভিযোগে যখন এনআইএ তদন্তভার নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল এই বড়েকে। যদিও সেই সময় তদন্তে ভাইরাল ভিডিয়ো সম্পর্কে হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা কিছু জানাতে চাননি। তৃণমূলের শাসনে তোষণ নীতির কারণে শামিম রক্ষা পেলেও বিজেপি সরকারের দুর্নীতি এবং সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে জিরো টোলারেন্স নীতি গ্রহণ করার সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গিয়েছে। রাজ্যে প্রশাসনিক রদবদল এবং নতুন সরকারের কড়া অবস্থানের মাঝেই এই ধরণের ঘটনা শাসকদলের ভাবমূর্তিকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এখন দেখার, এই সুড়ঙ্গের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত কোন পথে এগোয়।

  • Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে খেলতে আসতে পারবে না, এই অজুহাতে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh Cricket Investigation)। আর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল, তার কারণ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল বাংলাদেশ সরকার। সরকার বদলের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটেও বদল এসেছে। অন্তর্বর্তী বোর্ডের সভাপতি হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করেননি তৎকালীন বিসিবি (BCB) কর্তারা। প্রথম থেকে কড়া অবস্থান ছিল না আইসিসি-র, এমনটাই মনে করেন তামিম। তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার সুযোগ ছিল বলেই জানালেন তিনি। তার পরেও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হাতছাড়া করা যে হতাশাজনক, তা স্পষ্ট জানালেন তামিম।

    তদন্ত কমিটি গঠন

    চলতি বছর সুরক্ষার কারণ দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ থেকে বয়কট করা হয়েছিল। সেই বিষয়ে এবার শুরু হবে তদন্ত। বাংলাদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া দফতরের সচিব মাহবুব উল ইসলাম সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “ভারতে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া দফতর।”কমিটিতে রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া দফতরের প্রশাসনিত শাখার অতিরিক্ত সচিব একেএম ওলি উল্লাহ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক তথা দেশের ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তথা ক্রীড়া উদ্যোক্তা ফয়সল দাস্তগির। ওলি উল্লাহকে এই কমিটিকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হবে

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ঠিক কী কী কারণ ছিল, কোনও কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ভারতে খেলতে আসতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের অভিযোগ ছিল, ভারতে চরমপন্থী গোষ্ঠীর হুমকির জেরে বিসিসিআই নাকি বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দল ভারতে খেলতে আসতে চায়নি। তৎকালীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম ভারতে বাংলাদেশী খেলোয়াড়, স্টাফ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও তাঁর যুক্তি উড়িয়ে দেয় আইসিসি এবং বিসিসিআই। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিসিবিকে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয়।

    বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত ভুল!

    তৎকালীন বিসিবি কর্তাদের বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ক্রীড়া বিশ্লেষকদের একাংশ তীব্র সমালোচনা করেন। শাকিব আল হাসানের মতো বাংলাদেশি ক্রিকেটার জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হয়নি। বিশ্বকাপ খেলা উচিত ছিল বাংলাদেশের। বিসিবি-র বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার তামিম ইকবাল বলেন, ‘বিশ্বকাপের এই ইস্যু নিয়ে সম্ভবত আমিই প্রথম মুখ খুলেছিলাম। কিন্তু যা হয়েছে, তা একেবারেই উচিত হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন কর্তারা যে ভাবে এই বিষয়টা সামলান, তা ভুল ছিল।’

  • Garga Chatterjee: গ্রেফতার ‘বাংলা পক্ষ’-র প্রধান গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে?

    Garga Chatterjee: গ্রেফতার ‘বাংলা পক্ষ’-র প্রধান গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের সাইবার সেলের হাতে গ্রেফতার হলেন ‘বাংলা পক্ষ’-র (Bangla Pokkho) প্রতিষ্ঠাতা তথা সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় (Garga Chatterjee)। মূলত ইভিএম (EVM) নিয়ে প্ররোচনামূলক মন্তব্য এবং গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তাঁকে লালবাজারে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকালে দেশপ্রিয় পার্ক থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গর্গকে গ্রেফতারের সময় তাঁর পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার (PSO)-র কাছ থেকে ২৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কলকাতা উত্তরের ডিইও-র অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন গর্গকে গ্রেফতার করা হয়। আগামিকাল, বুধবার আদালতে পেশ করা হবে গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে।

    নির্বাচন কমিশনের অভিযোগে গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ইভিএম-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন গর্গ। তাঁর সেই সব মন্তব্যকে ঘিরেই আপত্তি জানায় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কমিশনের পক্ষ থেকে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) সাইবার ক্রাইম (Cyber Crime) বিভাগে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন কলকাতা উত্তরের ডিইও স্মিতা পান্ডে।  অভিযোগ ছিল, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর অনাস্থা তৈরি করতেই সুপরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়েছেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেফতার করেন।

    কী বলেছিলেন গর্গ?

    এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন গর্গ। রাতে দেখেশুনে সিল করে রাখার পরও, ভোটগণনার সময় ইভিএম খারাপ হচ্ছে কেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন গর্গ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, গণনার সময় ইভিএম হাতবদল হয়েছে। পাশাপাশি, ‘‘বেলার দিকে নির্বাচন কমিশনের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে’’ বলেও মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে। তার আগে, ভোট দিয়ে বেরনোর আগে ভালো করে ভিভিপ্যাট দেখে নিতেও পরামর্শ দিয়েছিলেন গর্গ। তদন্তকারীদের দাবি, নির্বাচন চলাকালীন এই ধরণের মন্তব্য সরাসরি আদর্শ আচরণবিধি এবং সাইবার আইন লঙ্ঘন করে। গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে মঙ্গলবার রাতটা লালবাজারের লক-আপেই কাটাতে হবে। পুলিশ জানিয়েছে, আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানাতে পারে পুলিশ।

    ২০২২ সালেও গ্রেফতার হয়েছিলে গর্গ

    গর্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস করেছেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন।  ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি তিনি বাংলা পক্ষ প্রতিষ্ঠা করেন।  বাঙালি অস্মিতাকে সামনে রেখে তৈরি ‘বাংলা পক্ষ’র প্রধান গর্গ। নির্বাচনের আগে কমিশনের বিরুদ্ধে শোভাযাত্রায় অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ তোলে ‘বাংলা পক্ষ’। তাদের দাবি ছিল, পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা বের করতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু তাদের অনুমতি দেয়নি কমিশন। অনুমতি না দিয়ে কমিশন ‘বাঙালির গৌরব এবং সংস্কৃতির’ উপর আঘাত হেনেছে বলেও দাবি করে তারা। যদিও কমিশন জানায়, আদর্শ আচরণ বিধি কার্যকর থাকায় অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর আগে, এর আগে ২০২২ সালে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুনে অহম সম্প্রদায়ের উদ্দেশে অপমানজনক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল গর্গের বিরুদ্ধে। অসমের একাধিক জেলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেইসময় আদালত ২ বার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল।

  • PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) ঐতিহাসিক জয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আন্তরিক অভিনন্দন জানালেন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর (Trinidad-Tobago) প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ হ্যান্ডলে একটি বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।

    বঙ্গ জয়কে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা (PM Modi)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) তাঁর বার্তায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির এই বিপুল ও ঐতিহাসিক জয়ে আমি ভারত প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং বিজেপি-কে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন করেন, “১০ কোটিরও বেশি মানুষের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই প্রথম জয় ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর শক্তিকেই প্রতিফলিত করে। এই রাজনৈতিক জয় ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।”

    মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা

    ভারতের গণতন্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) বলেন, “ভারত আজ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে। বৈশ্বিক পরিবর্তন ও সম্ভাবনার এই সন্ধিক্ষণে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) শান্ত, সুশৃঙ্খল এবং দৃঢ় নেতৃত্ব ভারতীয় জনগণের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।”

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও জয়শঙ্করের সফর

    শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী জানান যে, তাঁরা ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্করের আসন্ন সফরের অপেক্ষায় রয়েছেন। চলতি সপ্তাহেই জয়শঙ্করের সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়নমূলক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বিদেশমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বরের (Trinidad-Tobago) এই উষ্ণ অভ্যর্থনার জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, “আপনার সুন্দর শব্দ চয়ন  এবং উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ। আমি খুব শীঘ্রই ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সফরে আসার এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আপনার ও আপনার টিমের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

  • CM Suvendu Adhikari: নারী ক্ষমতায়নে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, জুনেই রাজ্যে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা ও ‘অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার’ চালু করছে নতুন সরকার

    CM Suvendu Adhikari: নারী ক্ষমতায়নে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, জুনেই রাজ্যে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা ও ‘অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার’ চালু করছে নতুন সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্যের নবগঠিত সরকার। সোমবার নবান্নে আয়োজিত ম্যারাথন ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, আগামী ১ জুন থেকেই রাজ্যের মহিলারা সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা (Free Bus Travel For Women) পাবেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এই ঐতিহাসিক জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    ১ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে বিনামূল্যে সফর (CM Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী মাস থেকেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য যাতায়াত সম্পূর্ণ নিখরচায় নিশ্চিত করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্মজীবী মহিলা, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নিত্যযাত্রীরা সরাসরি উপকৃত হবেন, যা তাঁদের যাতায়াতের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপ রাজ্যের নারীশক্তির ক্ষমতায়নে এক বৈপ্লবিক মোড় (Free Bus Travel For Women) নিয়ে আসবে।

    ত্রিমুখী জনকল্যাণ: অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার ও আয়ুষ্মান ভারত

    কেবল বিনামূল্যে বাস পরিষেবা নয়, আগামী জুন মাস থেকেই রাজ্যজুড়ে আরও দুটি মেগা প্রকল্প চালু হতে চলেছে:

    • ● অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার: মহিলাদের (Free Bus Travel For Women) আর্থিক স্বয়ম্ভরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রকল্পটির সূচনা হতে যাচ্ছে জুনের শুরুতেই।
    • ● আয়ুষ্মান ভারত: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বিমা প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ এতদিন রাজ্যে বাস্তবায়িত হয়নি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আগামী মাস থেকেই সাধারণ মানুষ এই জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতাভুক্ত হতে পারবেন।

    প্রতিশ্রুতি পালনে অবিচল বিজেপি সরকার

    নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছিল যে, সরকার গঠনের পর জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সোমবার জেলাশাসক ও উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকের ফাঁকেই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোতে সিলমোহর দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই বৃহৎ প্রকল্পগুলি কার্যকর করার ঘোষণা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিলেন যে, ‘মোদির গ্যারান্টি’ (Free Bus Travel For Women) বাস্তবায়নে তাঁর সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে বদ্ধপরিকর। জুন মাস থেকেই পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ এই বহুমুখী প্রকল্পের সুফল পেতে শুরু করবেন।

LinkedIn
Share