Tag: Madhyom

Madhyom

  • Indi Alliance: ইন্ডি জোট ‘ঘেঁটে ঘ’! কোচবিহারে রাহুল গান্ধীর মঞ্চও খুলে দিল মমতার পুলিশ

    Indi Alliance: ইন্ডি জোট ‘ঘেঁটে ঘ’! কোচবিহারে রাহুল গান্ধীর মঞ্চও খুলে দিল মমতার পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) এ কী হাল! জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসের হাইকমান্ড রাহুল গান্ধী বাংলা সফরে আসছেন। সেখানে জোটের আর এক শরিক তৃণমূল তাঁকে স্বাগত জানাবে, এমনটাই হওয়ার কথা ছিল। তাঁর জন্য নানা ব্যবস্থা করে সৌজন্য দেখাবে, এমনটাও ভেবেছিলেন অনেকে। কিন্তু, কোথায় কী! রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’-র আগেই হোঁচট। রাহুলকে স্বাগত জানাতে কংগ্রেস কর্মীরা যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, তাতে পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    পুলিশ দিয়ে হেনস্থা! (Indi Alliance)

    বুধবার বর্ধমানে প্রশাসনিক বৈঠকে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাহুলের রাজ্য সফর প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “আমাকে কি বলে বাংলায় আসছে?” এভাবেই রাহুলের আসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। তারপরই পুলিশ দিয়ে হেনস্থার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহারে অসম সীমানায় রাহুলকে স্বাগত জানাতে কংগ্রেস যে মঞ্চ তৈরি করেছিল, তা পুলিশের আপত্তিতে খুলে অন্যত্র সরাতে বাধ্য হয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরা। পুলিশের দাবি, জাতীয় সড়কের উপরে অনুমতি না নিয়ে মঞ্চ তৈরি করায় আপত্তি জানায় তারা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার কোচবিহারের বক্সিরহাট দিয়ে রাহুলের রাজ্যে আসার কথা ছিল। ২৮ জানুয়ারি ছিল তাঁর জলপাইগুড়ি শহরে পৌঁছনোর কথা। সূচি অনুযায়ী ঠিক ছিল, সেখানে এবিপিসি এবিপিসি মাঠে মধ্যাহ্নভোজ করবেন তিনি। কিন্তু, সেদিন পুলিশের একটি পরীক্ষা রয়েছে। তাই জেলা পুলিশের তরফে অনুরোধ করা হয়, রাহুল যেন দুপুর দু’টোর পরে শহরে ঢোকেন। কংগ্রেস সূত্রে খবর, সেই মতো সূচি বদলানোর প্রস্তুতি তাঁরা নিয়েছিলেন। মধ্যাহ্নভোজের জায়গাও বদলানোর তোড়জোড় করছিলেন।

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী বললেন?

    কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সম্পাদক মীর মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা রাহুলকে স্বাগত জানাব বলে সভা মঞ্চ করেছিলাম। পুলিশ সভামঞ্চ খুলে দেয়। পরে, রাস্তার ঠিক উল্টো দিকে এক ব্যক্তির জমিতে আমরা মঞ্চ তৈরি করি। পুলিশ দিয়ে আমাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়।

     রাহুলের সভা নিয়ে তৃণমূল নেতারা চুপ!

    রাহুল আসার আগে প্রস্তুতি দেখতে কোচবিহারে গিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। কোচবিহার থেকে জলপাইগুড়ি, রাহুলের কর্মসূচিতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা কী করবেন, তা নিয়ে চর্চা চলছিল। বেশিরভাগ তৃণমূলের জেলা নেতা এই নিয়ে অবশ্য চুপ ছিলেন। আলিপুরদুয়ারের সিপিএমের তরফে জানানো হয়েছিল, তাঁরা যাত্রায় যোগ দেবেন। যদিও শেষ মুহূর্তে রাহুল গান্ধী এই কর্মসূচি বাতিল করে দিল্লি ফিরে যাচ্ছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Zumba: তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়ছে জুম্বায়! এই শরীরচর্চায় উপকার কতখানি? 

    Zumba: তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়ছে জুম্বায়! এই শরীরচর্চায় উপকার কতখানি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জিমে গিয়ে ভারী ওজন তোলা অনেকের কাছেই কিছুটা একঘেয়ে। যন্ত্রের উপরে একটানা হেঁটে চলাতেও আগ্রহ কমছে।‌ তবে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে আর সুস্থ থাকতে শরীরচর্চা জরুরি। তরুণ প্রজন্মের কাছে তাই আগ্রহের শরীরচর্চা হচ্ছে জুম্বা (Zumba)। তরুণ প্রজন্মের একাংশ তাই শরীরচর্চার অংশ হিসেবে জুম্বাকেই বেছে নিচ্ছেন।

    জুম্বা কী? (Zumba)

    জুম্বা এক ধরনের শরীরচর্চা। যদিও দক্ষিণ আমেরিকার এক ধরনের নাচের শৈলী হিসেবেই কয়েক দশক আগে জুম্বার পরিচিতি ছিল। কিন্তু বেশ কিছু রদবদল হয়ে এখন তা মূলত শরীরচর্চার এক ধরন হিসেবেই পরিচিতি পাচ্ছে। গানের তালে নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতিতে শরীরচর্চা করা হল জুম্বা (Zumba)।

    জিমের থেকে বাড়তি সুবিধা কী? (Zumba)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জিমে একঘেয়েমি মনোভাব তৈরি হয়। কিন্তু জুম্বায় সেটা নেই। জুম্বায় মানসিক চাপ অনেকটাই কমে। কারণ, গানের সঙ্গে এক সাথে অনেকে এই শরীরচর্চা করেন। ফলে, একঘেয়েমি থাকে না।‌ এর ফলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে। অবসাদ কমাতে বাড়তি সাহায্য করে জুম্বা। এই শরীরচর্চায় সৃজনশীলতা রয়েছে‌। তাই অবসাদ কমাতেও এই শরীরচর্চা উপকারী। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়ছে। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে এই শরীরচর্চা আগ্রহ বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    পাশপাশি জুম্বা রক্তচাপ কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। নতুন প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হৃদরোগের সমস্যাকে জটিল করে। জুম্বার শরীরচর্চার শৈলী রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এই শরীরচর্চা (Zumba) বিশেষ উপকারী। 
    ওজন কমাতে ও‌ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই শরীরচর্চা বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। জুম্বায় খুব দ্রুত ওজন কমে। নিয়মিত জুম্বা করলে অনেকটাই ক্যালোরি বার্ন হয়। পাশাপাশি দেহে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে। কারণ, এই শরীরচর্চায় ওজন কমে, মানসিক অবসাদ কমে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। তাই হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। তার জেরে একাধিক হরমোন ঘটিত সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কাদের জন্য জুম্বা বিশেষ উপকারী? (Zumba)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও বয়সের মানুষ এই শরীরচর্চায় অংশ নিতে পারেন। তবে কম বয়সীদের জন্যই এই অভ্যাস বেশি কার্যকর বলে মনে করেন‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এই শরীরচর্চা অনেকটাই পরিশ্রমের। একটানা ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় গানের ছন্দে ক্রমাগত শরীরচর্চা চালিয়ে যেতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ের আগে থেমে গেলেই ঠিকমতো শরীরে প্রভাব পড়বে না। তাই কিছু ক্ষেত্রে প্রবীণদের পক্ষে অসুবিধার হতে পারে। 
    তবে কম বয়সীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে জুম্বা (Zumba) অত্যন্ত উপকারী শরীরচর্চা বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ভোট দিন’’, নতুন ভোটারদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    PM Modi: ‘‘ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ভোট দিন’’, নতুন ভোটারদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নমো নব মতদাতা সম্মেলন’-এ প্রথমবার ভোটার হয়েছেন যাঁরা, তাঁদের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশগ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। জাতীয় ভোটার দিবসের দিনেই নিজের ভার্চুয়াল ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘অন্ধকারাচ্ছন্ন ভারতবর্ষকে ১০-১২ বছর আগেই আমার সরকার টেনে তুলতে পেরেছে।’’ নতুন ভোটারদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ‘‘ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য আপনারা ভোট দিন।’’

    দেশগঠনে যুবসমাজের ভূমিকা

    বৃহস্পতিবারের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান যে, যুবকদের ভূমিকা রয়েছে নতুন ভারত গঠন করার জন্য। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা এখন ভারতবর্ষের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী ২৫ বছর আপনারা নির্ণয় করবেন ভারত এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ।’’ প্রসঙ্গত, নতুন ভোটারদের এই সম্মেলন সারা দেশব্যাপী আয়োজন করে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা।

    নতুন ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) বার্তা-এক নজরে

    ১) দেশে যখন সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি সরকার তৈরি হয় তখন সেই সরকারের নীতি প্রণয়নে সুবিধা হয়।

    ২) বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে যখন আমি আলাপচারিতা করি, তখন আমি মনে করি, আমি একা নই আমার সঙ্গে ১৪০ কোটি ভারতীয় রয়েছেন।

    ৩) বর্তমান বিশ্বে ভারতের পাসপোর্ট গর্বের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষজন এখন কথা বলছে দেশের সাফল্যগাথার এবং দুর্নীতিমুক্ত ভারতের।

    ৪) বর্তমান বিশ্বে ভারত পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। আগামী দিনে ভারত পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চলেছে।

    ৫) নতুন ভোটারদের সেই শক্তি রয়েছে, যার দ্বারা তাঁরা পরিবারতন্ত্রকে পরাস্ত করতে পারেন।

    ৬) এই সময়টা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারতবর্ষ এখন স্বর্ণযুগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আপনারা এমন সময় ভোটার হয়েছেন যে আগামী ২৬ জানুয়ারি ভারত তার ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করবে।

    ৭) ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ভোট দিন। আপনার একটা ভোট ভারতকে আগামী দিনে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করতে পারে। একটি স্থায়ী সরকার আপনারা তৈরি করতে পারেন।

    ৮) দেশের এত নতুন ভোটদাদাদের সঙ্গে আমার (PM Modi) এই আলাপচারিতা প্রথম। বিশ্বের যে কোনও রাজনৈতিক নেতার ক্ষেত্রে এমন সুযোগ প্রথম।

    ৯) নতুন ভোটাররা ভারতের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Picnic: শীতের দুপুরে পিকনিক, কোন পাঁচটি বিষয়ে নজর না দিলে হতে পারে বিপদ?

    Picnic: শীতের দুপুরে পিকনিক, কোন পাঁচটি বিষয়ে নজর না দিলে হতে পারে বিপদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রার পারদ নীচের দিকে। তার সঙ্গে রয়েছে একাধিক ছুটি! তাই সপ্তাহান্তে বা ছুটির দিনে বন্ধু আর পরিবারের সঙ্গে হৈ হৈ করে চলছে পিকনিক (Picnic)।‌ শীতের মরশুমে উৎসবের তালিকায় আরেক উৎসব হল এই পিকনিক। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে নজর না রাখলেই ঘটতে পারে বিপদ। মারাত্মক স্বাস্থ্যসঙ্কটও তৈরি হতে পারে। তাই পিকনিকের মরশুমে কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি নজরদারির পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কোন দিকে নজরদারি জরুরি? (Picnic) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বনভোজনে খাওয়ার আগে স্বাস্থ্যবিধিতে বিশেষ নজরদারি জরুরি। বিশেষত হাত পরিষ্কারে বিশেষ নজরদারি জরুরি।‌ অনেক ক্ষেত্রেই খোলা জায়গায় খাওয়া হয়। তাই যে থালায় খাওয়া হচ্ছে, তা আগে ঠিকমতো পরিষ্কার করা হচ্ছে কিনা, সেটা খেয়াল‌ রাখা দরকার। পাশপাশি, হাত পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে নজরদারি জরুরি।‌ কারণ, এই ধরনের বিষয়গুলো এড়িয়ে গেলে একাধিক রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষত পেটের সমস্যা, ডায়রিয়ার মতো বিপদ‌ বাড়তে পারে। তাই হাত পরিষ্কারের দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি (Picnic)। 
    জলের ব্যবহারের দিকে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জলবাহিত রোগ বিপদ বাড়ায়। তাই বনভোজনের রান্নায় পরিশ্রুত জল ব্যবহার হচ্ছে কিনা, সেদিকে নজরদারি জরুরি। খাওয়ার জল পরিশ্রুত কিনা, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, জল থেকে জন্ডিস সহ একাধিক রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। 
    বনভোজনের জায়গায় শৌচালয় রয়েছে কিনা, তা পরিচ্ছন্ন কিনা, সেগুলোতে বিশেষ নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক বনভোজনের জায়গায় এই দিকটি একেবারেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। শৌচাগারে পর্যাপ্ত জল থাকে না। আর এর জেরেই ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এগুলোর দিকে নজরদারি জরুরি।

    অতিরিক্ত মদ্যপান? (Picnic)

    শীতের পিকনিকে অনেকের কাছেই মদ্যপান উদযাপনের অংশ। কিন্তু অতিরিক্ত মদ্যপান স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক।‌ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিস আক্রান্তদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। মদ্যপান যে কোনও বড় বিপদ তৈরি করতে পারে। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।‌
    পাশপাশি খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক হতে হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পিকনিকের মরশুমে অনেকেই অতিরিক্ত মাংস কিংবা তেলেভাজা খান। এর ফলে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। হজমের অসুবিধা ছাড়াও হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত পরিমাণ মাংসের পদ কিংবা তেলমশলা জাতীয় খাবার খেলে স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা হতে পারে। তাই কতখানি খাবার খাবেন, সে সম্পর্ক সতর্ক থাকা জরুরি। তবেই সুস্থভাবে উদযাপন সম্ভব (Picnic)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’, অর্জুনকে তীব্র কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়কের

    Arjun Singh: ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’, অর্জুনকে তীব্র কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার ঘাট সংস্কার নিয়ে বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh) এবং বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর কোন্দল প্রকাশে চলে এল। ঘাট সংস্কার করার ব্যাপারে সাংসদের উদ্যোগ নিয়ে বীজপুরের বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন। এমনকী বীজপুর এলাকায় এসে উন্নয়ন করার আশ্বাস দেওয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঘাট সংস্কারের আশ্বাস দিলেন অর্জুন (Arjun Singh)

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) বিরোধ বহুদিন ধরে চলছে। ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো পাপ্পু সিং গ্রেফতার হওয়ার পর দুজনের মধ্যে বিরোধ আরও বেশি করে মাথাচাড়া দেয়। এবার বীজপুরের বিধায়কের সঙ্গে সাংসদের বিরোধও সামনে চলে এল। জানা গিয়েছে, নৈহাটি বিধানসভার জুবিলি ব্রিজের কাছে রামঘাট এবং বীজপুর বিধানসভার চাঁদনী ঘাটের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। ঘাট সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি স্থানীয় পুর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ সাংসদের কাছে বিষয়টি নিয়ে দরবার করেন। এরপরই বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং রামঘাট পরিদর্শনে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, জুবলি ব্রিজের নীচে গঙ্গার ঘাটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এখানে ছট পুজো সহ অনেক ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়। এলাকার মানুষ এই ঘাট নিয়মিত ব্যবহার করেন। সংস্কারের অভাবে ঘাটটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। তাই এই ঘাট সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে খুবই ভালো হয়। অর্জুন সিং ঘাটের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে তা সংস্কার করার আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে বীজপুরের চাঁদনী ঘাট সংস্কার করার কথা তিনি বলেন। অর্জুন সিং বলেন, রামঘাট এবং চাঁদনী ঘাটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। দুটি ঘাট সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করব। তবে, আগে কেন এই ঘাট সংস্কার হয়নি তা আমি বলতে পারব না। সামনে লোকসভা ভোট। তার আগে নৈহাটি এবং বীজপুর বিধানসভায় গঙ্গার ঘাট সংস্কারের মধ্য দিয়ে জনসংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করলেন অর্জুন সিং। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল, অর্জুনকে কটাক্ষ করলেন সুবোধ

    যদিও সাংসদের (Arjun Singh) এই ঘাট সংস্কারকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বীজপুরে তৃণমূল বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তিনি বলেন, গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল। ঘাট সংস্কারের দায়িত্ব পুরসভার। পুরসভা ঠিকমতো কাজ করছে। আমি বিধায়ক হবার পর বীজপুর বিধানসভা এলাকায় প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। একাধিক ঘাট সংস্কার করেছি। আগামীদিনে আরও ঘাটে সংস্কার করা হবে। তাই পুরসভাকে না জানিয়ে এভাবে ঘাট পরিদর্শনে আসা নিয়ে বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Online Game: অনলাইনে গেমে আসক্ত! সতর্ক হোন, আর্জি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সাইবার ক্রাইম বিভাগের

    Online Game: অনলাইনে গেমে আসক্ত! সতর্ক হোন, আর্জি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সাইবার ক্রাইম বিভাগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে (Online Games) গেম খেললে সতর্ক হোন। অনলাইন গেমের আড়ালে আর্থিক প্রতারণার ফাঁদ নতুন বিষয় নয়। অনেকেই এই ফাঁদে পড়ে যান নিজের অজান্তেই। তাই অনলাইনে গেম খেলার নেশা থাকলে অবিলম্বে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, বলে জানাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Ministry of Home Affairs)।

    অচেনা লোকের সঙ্গে তথ্য শেয়ার নয়

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাইবার ক্রাইম বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, অনলাইনে গেম খেলার সময় কোনও ব্যক্তিগত তথ্য গেমিং অ্যাপ বা মাধ্যমে শেয়ার করা উচিত নয়। ইউজাররা নিজের নামের পরিবর্তে অন্য নাম দিয়ে খেলুন। অন্যান্য কোনও ব্যক্তিগত তথ্যও অনলাইন গেমিং মাধ্যমে ফাঁস করা ঠিক নয়। এর ফলে বিভিন্ন ভাবে প্রতারণার শিকার হতে পারেন একজন গেমার। 

    প্রলোভনে পা দেবেন না

    অনলাইন গেম খেলতে গেলে গেমিং প্ল্যাটফর্মে অনেকের সঙ্গেই আপনার আলাপ হতে পারে যাঁরা আপনার পূর্বপরিচিত নন। ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে পরিচয় হওয়া এই গেমাররা আপনাকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখাতে পারে। তারা একাধিক এমন স্কিমের কথা বলবে যার মাধ্যমে আপনি সহজে টাকা উপার্জ করতে পারবেন। এই ফাঁদে পা দিলে বিপদ অনিবার্য।

    আরও পড়ুন: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    বাচ্চাদের বিষয়ে সতর্ক

    বর্তমান প্রযুক্তির যুগে অনলাইন গেম বাচ্চাদের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। এই গেমগুলি খেলার সময় ছোট বাচ্চারা যে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়, সেগুলি সমাধান করতে পারলে তাদের খুবই আনন্দ লাগে। স্বাভাবিক ভাবেই শিশুরা তখন এধরণের আরো চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করবার জন্য আরো উৎসাহী হয়ে পড়ে। এইভাবে তারা ক্রমশ অনলাইন গেমের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। বর্তমানে পার্সনাল কম্পিউটার, মোবাইল ফোন – সর্বত্র অনলাইন গেমের সন্ধান মেলে। এর ফলে শিশুরা সহজেই এই খেলাগুলির সন্ধান পায়। তার ফলে তাদের পড়াশোনা এবং সামাজিক জীবন ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এক্ষেত্রে অভিভাবকদের সতর্ক হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: লোকসভা পিছু ৬ হাজার রামভক্তকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবে সঙ্ঘ পরিবার

    Ram Mandir: লোকসভা পিছু ৬ হাজার রামভক্তকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবে সঙ্ঘ পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের রামভক্তদের অযোধ্যায় রাম মন্দিরে (Ram Mandir) নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এবং মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ৬ হাজার করে মোট ১২ হাজার রামভক্তকে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    যে কেউ রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারেন (Ram Mandir)  

    লোকসভা ভোটের আগে পর্যন্ত এই উন্মাদনা জিইয়ে রাখতে তৎপর হয়েছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যে এলাকার সাধারণ কোনও মানুষ অযোধ্যায় যেতে চান কি না, তার খোঁজ নিতে হবে। রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শনের জন্য অযোধ্যার যোগাযোগ ব্যবস্থা কী কী থাকছে, কোন কোন পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে, সে সব তাঁদের জানাতে হবে। ইচ্ছুকদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ রায় বলেন, অযোধ্যায় যেতে আগ্রহী অনেকেই ট্রাস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাঁদের রাম মন্দির দর্শনে নিয়ে যাওয়া হবে। এই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়ে যে কেউ রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারেন। তাঁকে বিজেপি করতে হবে, এমন কোনও মানে নেই।

    খরচ কত পড়বে?

    সামান্য অনুদানের মাধ্যমে এই সফরের শরিক হতে পারেন ইচ্ছুক রামভক্তরা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকেই অযোধ্যা-সফর শুরু হবে। চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়কালে দক্ষিণবঙ্গ থেকে দিনে একটি করে ট্রেন অযোধ্যা রওনা দেবে। প্রচারে জানানো হচ্ছে, যাত্রা শুরুর কমপক্ষে ১২ দিন আগে অবশ্যই অনুদান জমা করতে হবে। সঙ্গে জমা দিতে হবে আধার কার্ডের প্রতিলিপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এ দিয়ে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে। এই সফরের জন্য জেলায় একাধিক যোগাযোগ প্রমুখও নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি দেখছেন। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে গেলে খরচ পড়বে ১,৬০০ টাকা। বর্ধমান থেকে ১,৪০০ টাকা। আসানসোল থেকে ১,২০০ টাকা পড়বে। এর মধ্যেই ট্রেনে যাতায়াত, রাত্রিবাস, আহারাদি-সব হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শুভেন্দুর গড়ে কর্মীদের বার্তা দিতে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    Amit Shah: শুভেন্দুর গড়ে কর্মীদের বার্তা দিতে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিভক্ত মেদিনীপুরে বুথস্তরের কর্মীদের নিয়ে সভা করতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মেচেদায় কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফুটবল ময়দানে আগামী ২৯ জানুয়ারি ওই সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছেন বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব। দলের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রায় ১০ হাজার বুথস্তরের কর্মীকে সভায় আসার নির্দেশ (Amit Shah)

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তথা রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে এবং রাজ্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সতীশ ধন্দও সম্প্রতি মেচেদায় তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর ও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক করেছেন। এবার সেখানে শাহের (Amit Shah) সাংগঠনিক সভা হতে চলেছে। এই সভার প্রস্তুতিতে বৃহস্পতিবার বিজেপির জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক হবে। প্রাথমিক ভাবে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর, ঘাটাল ও ঝাড়গ্রামের মোট পাঁচটি সাংগঠনিক জেলা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার বুথস্তরের কর্মী শাহের সভায় হাজির থাকবেন। প্রতিটি বুথ কমিটিতে গড়ে ১১ জন করে রয়েছেন। তবে প্রতিটি বুথ থেকে ৪-৫ জন করে কর্মীকে সভায় আসতে বলা হবে। আর তাতে কর্মিসভা আদতে জনসভার আকার নেবে। সেই মতো দলের পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনের প্রস্তুতিও প্রয়োজন। তাই বিজেপির তরফে দলীয় ভাবে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এমনিতেই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও শাহের এই সফর থেকেই বাংলায় ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। এমনিতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় পূর্ব মেদিনীপুরের দু’টি আসন তমলুক ও কাঁথি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দেওয়ার কথা বলেছেন শুভেন্দু। গত পঞ্চায়েত ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করেছে বিজেপি। বিজেপি-র শক্ত জমিতেই শাহ সভা করে বুথস্তরের কর্মীদের কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।

    প্রস্তুতি নিয়ে কী বললেন জেলা নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলা নেতা বামদেব গুছাইত বলেন, অবিভক্ত মেদিনীপুরের পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার বুথের পদাধিকারীদের নিয়ে সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বিষয়ে কর্মীদের বার্তা দিতেই এই কর্মিসভা হবে। সভাস্থলের জায়গা ব্যবহারের জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বরা সভাস্থলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: মার্চ পর্যন্ত মন্ত্রীদের অযোধ্যা না যাওয়ার পরামর্শ মোদির, কেন জানেন?

    Ram Mandir: মার্চ পর্যন্ত মন্ত্রীদের অযোধ্যা না যাওয়ার পরামর্শ মোদির, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। ২৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে কার্যত হিমশিম খাচ্ছে সেখানকার প্রশাসন এবং রাম মন্দির কমিটি। এই অবস্থায় যাতে কোনও সাধারণ ভক্তের সমস্যা না হয়, তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যদের আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত রাম মন্দির দর্শনে না যাওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অতিরিক্ত ভিড়ের সময় জনসাধারণের যাতে কোনওরকম সমস্যা না হয়, সেজন্যই এই আবেদন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমন কথা জানান প্রধানমন্ত্রী

    সূত্রের খবর, বুধবারই মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সেখানেই রাম মন্দিরের (Ram Mandir) ভিআইপিদের নিরাপত্তার যে প্রোটোকল, সেটি তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভিআইপিরা যখন বালক রামের দর্শনে যাবেন তখন বিশেষ নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হবে। তার ফলে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হতে পারে। তাই আপাতত মার্চ মাস পর্যন্ত অযোধ্যা সফর না করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। মার্চ মাসের পর মন্ত্রীদের অযোধ্যা যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    ভিড় সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে প্রশাসন

    প্রসঙ্গত, বালক রামের দর্শন ঘিরে মঙ্গলবার পাঁচ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল অযোধ্যায়। এমনটাই জানা গিয়েছে। বুধবার, দ্বিতীয় দিন প্রায় ৩ লাখ ভক্তের আগমন ঘটে। এদিনও সকালের দিকে ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা হয় মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে পুলিশ-প্রশাসনের। ভিড় বেশি, কিন্তু বালক রামের দর্শনের সময় কম ছিল। বেলা যত বেড়েছে বাড়তে থেকেছে ভিড়ও। ভিড় সামলাতে লাঠি উঁচিয়ে কিছু সময় তেড়ে যেতে দেখা গিয়েছে পুলিশকেও। এই আবহে সাধারণ ভক্তদের (Ram Mandir) কোনওরকম অসুবিধা-বাধার সম্মুখীন যাতে না হতে হয়, সেজন্যই মন্ত্রীদের মার্চ মাস পর্যন্ত অযোধ্যা না যাওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে বালক রাম দর্শনের সময় বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যোগী সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balak Ram: অযোধ্যায় উপচে পড়ছে ভিড়, বালক রামের দর্শনের সময়সীমা বাড়ল

    Balak Ram: অযোধ্যায় উপচে পড়ছে ভিড়, বালক রামের দর্শনের সময়সীমা বাড়ল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই হয়েছে রাম মন্দিরের উদ্বোধন। পরদিন ২৩ জানুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই সর্বসাধারণের জন্য মন্দিরের গেট খুলে গিয়েছে। প্রথম দিন থেকেই রাম (Balak Ram) ভক্তদের ঢল নেমেছে মন্দির প্রাঙ্গণে। ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। তাই এবার বালক রামের দর্শনের সময় বাড়ানো হল। বুধবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। অন্যদিকে, ভিড় এড়াতেও কিছু বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

    বালক রামের দর্শনের নতুন সময়

    রাম মন্দির (Balak Ram) কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এবার সকাল ৬টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এবং দুপুর ২টো থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বালক রামের দর্শন করা যাবে। অর্থাৎ কেবল ভোগদান ও সন্ধ্যা আরতির সময় মন্দিরের মূল দরজা সাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। ভিড়ের চাপ সামলাতে এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম ২ দিন সন্ধ্যে ৭টা পর্যন্ত বিগ্রহ দর্শন করতে পারছিলেন দর্শনার্থীরা। কিন্তু, ভিড়ের চাপ সামাল দিতে এবার এই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

    আরও পড়ুন: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    ভিড় এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা

    হিসেব বলছে, বালক রামের (Balak Ram) দর্শন করতে প্রথম দিন প্রায় ৫ লাখ ভক্তের সমাগম হয়েছিল অযোধ্যার রাম মন্দিরে। শেষ পর্যন্ত সকলে দর্শনও করতে পারেননি। সেদিন ৩ লাখ ভক্ত পুজো দিতে পেরেছেন বলে রাম মন্দির সূত্রে খবর। তারপর বুধবার, দ্বিতীয় দিন প্রায় ৩ লাখ ভক্তের আগমন ঘটে। এদিনও সকালের দিকে ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা হয় মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে পুলিশ-প্রশাসনেরও। ভিড় বেশি, কিন্তু বালক রামের দর্শনের সময় কম ছিল। তাই বালক রাম দর্শনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল যোগী সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share