Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bhupatinagar: এনআইএ-র  ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অধিকাংশ জামিনযোগ্য ধারা পুলিশের, উঠছে প্রশ্ন

    Bhupatinagar: এনআইএ-র ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অধিকাংশ জামিনযোগ্য ধারা পুলিশের, উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভূপতিনগরে (Bhupatinagar) বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছিলেন এনআইএ আধিকারিক। ভাঙচুর করা হয়েছিল তাঁদের গাড়ি। হামলার পরই এনআইএ আধিকারিকরা ভূপতিনগর থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ঘটনার পর প্রায় এক সপ্তাহ হতে চলল পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পুলিশের পক্ষ থেকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অধিকাংশ জামিনযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    জামিনযোগ্য ধারায় মামলা! (Bhupatinagar)

    জানা গিয়েছে, ৬ এপ্রিলই এনআইএ-র তরফে লিখিত অভিযোগ হয়েছে ভূপতিনগর (Bhupatinagar) থানায়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৬, ৩৪১, ৩২৩, ৩৩২, ৩৫৩, ৪২৭ এবং ৩৪ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ৩৫৩ নম্বর ধারা ছাড়া বাকি সবই জামিনযোগ্য। এ ক্ষেত্রে আরও কড়া ধারা প্রয়োগ করা যেত বলেই মত আইনজীবী মহলের। কাঁথি মহকুমা আদালতের আইনজীবী দীপককুমার মিশ্র বলেন, ” ভিডিও ফুটেজে যে ভাবে মহিলা সিআরপিএফ জওয়ানদের হাত থেকে লাঠি কাড়ার চেষ্টা ও সশস্ত্র অবস্থায় হুমকি ছবি দেখা যাচ্ছে, তাতে অনেক কঠোর ধারায় মামলা করা যেত। পুলিশ না করলেও পরে কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা দায়িত্ব পেলে নিশ্চিত ভাবেই তা করবে। কাঁথির এসডিপিও দিবাকর দাস বলেন, “অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে। প্রাথমিক ভাবে যা জানা গিয়েছে, সেই মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।” বৃহস্পতিবার সকালেও নাড়ুয়াবিলা গ্রামে গিয়েছিল পুলিশ। তবে তাদের দাবি, হামলায় অভিযুক্ত কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। সে ক্ষেত্রে গ্রামবাসীর বয়ানের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনকে নোটিস পাঠানো হতে পারে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বাঁচাতে পুলিশ লঘু ধারায় মামলা করেছে। গ্রামে লোক দেখানো তল্লাশি চলছে।”

    আরও পড়ুন: ব্যাগ খুলতেই থ পুলিশ, টাকায় ঠাসা প্যাকেট, হাওড়া ব্রিজের কাছে একী কাণ্ড?

    বিস্ফোরণে কাণ্ডে ধৃত দুজনের ফের এনআইএ হেফাজত

    বুধবারই আদালতে তোলা হয় বিস্ফোরণ মামলায় ধৃত স্থানীয় দুই তৃণমূল নেতা, বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানাকে। রুদ্ধদ্বার শুনানির পরে এনআইএ-র বিশেষ আদালত দু’জনকেই আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এনআইএ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এনআইএ সূত্রের খবর, গত ৬ এপ্রিল ভূপতিনগরের (Bhupatinagar) নারুয়াবিলা গ্রাম থেকে ধৃত এই দু’জনকে আরও ছ’দিন হেফাজতে চেয়ে এদিন আবেদন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট দিলেই ২০ শতাংশ ছাড় রেস্তরাঁয়! উত্তরাখণ্ডে বিশেষ উপহার কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ভোট দিলেই ২০ শতাংশ ছাড় রেস্তরাঁয়! উত্তরাখণ্ডে বিশেষ উপহার কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট (Lok Sabha Election 2024) দেওয়ার পর যে কোনও হোটেল বা রেস্তরাঁয় খেতে গেলে খাবারের বিলে পাওয়া যাবে ২০ শতাংশ ছাড়। উত্তরাখণ্ডে ভোটারদের উৎসাহ দানের জন্য এই বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) সমস্ত হোটেল এবং রেস্তরাঁ সংগঠনের সঙ্গে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে মৌ স্বাক্ষর করা হয়েছে।

    কতদিন, কীভাবে মিলবে পরিষেবা

    নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯ এপ্রিল ভোটকেন্দ্র থেকে ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিয়ে বেরিয়ে কোনও ভোটার যদি হোটেল বা রেস্তরাঁয় খেতে যান, তবে খাবারের বিলে তিনি ২০ শতাংশ ছাড় পাবেন। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত এই পরিষেবা ভোগ করতে পারবেন ভোটারেরা। উত্তরাখণ্ডের সমস্ত হোটেল এবং রেস্তরাঁ সংগঠনের সভাপতি এই প্রসঙ্গে জানান, খাবারের বিলে ছাড় দেওয়ার আগে আঙুলে কালির ছাপ দেখে হোটেল কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবেন আদপে তাঁরা ভোট দিয়েছেন কি না। উত্তরাখণ্ডের হোটেল রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে থাকা সমস্ত হোটেল ও রেস্তরাঁতেই এই অফার পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘অপ্রতিরোধ্য’’, মার্কিন পত্রিকা ‘নিউজউইক’-এর প্রচ্ছদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    কেন এই উপহার

    আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে ভোট শুরু দেশে। ১ জুন সাত দফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) শেষের পর ৪ জুন জানা যাবে কারা ফিরছে মসনদে। উত্তরাখণ্ডে প্রথম দফায় ভোট হবে। উত্তরাখণ্ডে ৫টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে।  ১৯ এপ্রিল নির্বাচন রয়েছে উত্তরাখণ্ডে। রাজ্যে ভোট শতাংশ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই অফার দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত মুখ্য ইলেকটোরাল অফিসার বিজয় কুমাক যোগদান্দে এই বিষয়ে বলেছেন, “রাজ্যে ভোট শতাংশ বাড়াতে একাধিক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসছে। উত্তরাখণ্ড হোটেল রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এই প্রস্তাবনা এনেছিল এবং নির্বাচন কমিশন এতে রাজি হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Konnagar Incident: কোন্নগরেও গার্ডেনরিচ-বিরাটির ছায়া! ফের পাঁচিল ধসে মৃত ২ শ্রমিক

    Konnagar Incident: কোন্নগরেও গার্ডেনরিচ-বিরাটির ছায়া! ফের পাঁচিল ধসে মৃত ২ শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গার্ডেনরিচ-বিরাটির পর এবার হুগলির (Hooghly) নবগ্রাম। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন্নগরের (Konnagar ) নবগ্রামে পাঁচিল ধসে (wall collapse ) মৃত্যু হয়েছে ২ জন শ্রমিকের। কোনরকম নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ চলছিল, ঠিক এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। বৃহস্পতিবার ঈদের দিনেই এমন দুর্ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়। গোটা ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা। এরপর বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সকলে। প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই এই মৃত্যু (Konnagar Incident) বলে মনে করা হচ্ছে।

    নির্মাণে বেআইনি অনুমোদন ছিল (Konnagar Incident)

    আজ সকালে ঘটনাটি ঘটে হুগলির উত্তরপাড়া (uttarpara) থানার অন্তর্গত নবগ্রাম পঞ্চায়েতের নবচক্র এলাকায়। স্থানীয়রা বলেছেন, নির্মাণ কাজ চলার সময় পাঁচিল ধসে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ওই ঘটনায় দু’জন শ্রমিকের মৃত্যুর (Konnagar Incident) পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও একজন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বর্তমানে ওই শ্রমিকের অবস্থায় আশঙ্কাজনক। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে কানাইপুর ফাঁড়ির পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শ্যামল দাস (৪৮) নামে এক শ্রমিকের। এরপর আহত আরও দুজনকে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে মৃত্যু হয় সোনা শীল (৩১) নামে আরও এক শ্রমিকের। অপর আহত ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তাঁর অবস্থা ভীষণ আশঙ্কাজনক।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    গত পনেরো দিন ধরে কাজ চলছিল এই স্থানে। স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগ, “কোনও রকম নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ (Illegal Construction) চলছিল। রাস্তার পাশে পুরোনো পাঁচিল গার্ড না করেই কাজ হচ্ছিল। বাঁশ দিয়ে পাঁচিলে সাপোর্ট দেওয়া ছিল। এখন প্রশ্ন কীভাবে পঞ্চায়েত এলাকায় জি-প্লাস ফোর আবাসনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে? বেআইনিভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এই কাজে। খোদ প্রধানের ওয়ার্ডে এমন কাজ চলছিল। সেই সঙ্গে ভারী গাড়িতে করে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে আসায় রাস্তায় ধস নেমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকবার নিষেধ করা হলেও শোনেনি কেউ। তাই এই বিপত্তি (Konnagar Incident) ঘটেছে। প্রশাসন সবটার জন্য দায়ী।”

    নির্মাতার বক্তব্য

    গোটা ঘটনায় নির্মাতা গণেশ দাস বলেন, ‘‘কপালে ছিল, তাই হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ২০ জন শ্রমিক কাজ শুরু করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ সঠিক নয়। বাঁশ দিয়ে পাঁচিল ঘেরা ছিল। কপালে ছিল তাই দুর্ঘটনা হয়ে গিয়েছে। পনেরো দিন ধরে কাজ চলছিল। কিন্তু কোনও অভিযোগ ছিল না।’’

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মীর “আলাঘরে” আগুন দিল তৃণমূল! শোরগোল

    বিজেপির বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, “নিয়ম না মেনেই ওই নির্মাণ চলছিল। তৃণমূল প্রধান এই কাজের সঙ্গে জড়িত।” তবে বিরোধীদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। নবগ্রাম (nabagram) অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব মজুমদার বলেন, ‘‘আবাসন তৈরি হচ্ছিল জেলা পরিষদের অনুমতি নিয়ে। অসাবধান হওয়ায় একটি পাঁচিল ভেঙে দুর্ঘটনাটি (Konnagar Incident) ঘটেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পে।।

  • Sandeshkhali: বিজেপি কর্মীর “আলাঘরে” আগুন দিল তৃণমূল! শোরগোল

    Sandeshkhali: বিজেপি কর্মীর “আলাঘরে” আগুন দিল তৃণমূল! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে এক পুলিশ কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। থানায় এই ঘটনায় অভিযোগও করা হয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বসিরহাটের সন্দেশখালি থানার খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের হাটগাছা এলাকার বিজেপি কর্মী সুব্রত মণ্ডলের আলা ঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের মুখে এই হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুব্রতবাবু সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিজেপির সক্রিয় কর্মী। এবার লোকসভা নির্বাচনের একাধিক বুথের তিনি দায়িত্বে রয়েছেন। সাংগঠনিক কাজেই তিনি এখন ব্যস্ত রয়েছেন। এরইমধ্যে তাঁর ভেড়ির কাছে থানা একটি আলা ঘরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে গ্রামের মানুষজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে, ততক্ষণে  পুরো আলা ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বিজেপি কর্মী সুব্রত মণ্ডল বলেন, আসলে এই এলাকায় আমি সক্রিয় বিজেপি করি বলে তৃণমূল সমস্ত পরিষেবা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। এমনকী পানীয় জলের পরিষেবা পর্যন্ত দেয়নি। তারপরও আমাকে দলে টানতে না পেরে এবার এই নোংরামি করল তৃণমূল। ঘরের মধ্যে অনেক জিনিসপত্র ছিল। সব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুন: ব্যাগ খুলতেই থ পুলিশ, টাকায় ঠাসা প্যাকেট, হাওড়া ব্রিজের কাছে একী কাণ্ড?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা পলাশ সরকার বলেন, বসিরহাট লোকসভায় তৃণমূল ভয় পেয়ে গিয়েছে। মানুষ বিজেপির সঙ্গে রয়েছে। তাই, তৃণমূল এসব করে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। যদিও এই বিষয়টি পুরোটাই অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা সুরেশ মণ্ডল। তিনি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ সূত্র নেই। পুরোটা তাদের পারিবারিক ব্যাপার, তা থেকে আগুন লাগানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করুক আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: স্কুলে খয়রাতির খাতায় মমতার ছবি, কমিশনে নালিশ ঠুকল বিজেপি

    Lok Sabha Elections 2024: স্কুলে খয়রাতির খাতায় মমতার ছবি, কমিশনে নালিশ ঠুকল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির ‘স্বাস্থ্য ও শরীর শিক্ষা’ বই পায়নি বহু স্কুলের পড়ুয়া। অথচ নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) ঘনিয়ে আসতেই বিলি করা হচ্ছে খাতা। খয়রাতির এই খাতায় তুলে ধরা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিজ্ঞাপন। অন্তত এমনই অভিযোগ বিজেপির।

    খয়রাতির খাতার মলাটে মমতার ছবি (Lok Sabha Elections 2024)

    পদ্ম-পার্টির অভিযোগ, সম্প্রতি শিক্ষা দফতরের তরফে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে বিলি করা হয়েছে খাতা। অভিযোগ, খয়রাতির সেই খাতার মলাটেই ব্যবহার করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। তৃণমূল পরিচালিত সরকারের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণ বিধিভঙ্গের অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। বুধবার রাজ্যের (Lok Sabha Elections 2024) মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে এ ব্যাপারে নালিশ ঠুকেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনের আগে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের প্রভাবিত করতেই খাতায় ব্যবহার করা হয়েছে তৃণমূল নেত্রীর ছবি।

    বিকল্প মার্গ দর্শন বিজেপির

    অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লেখা ওই চিঠির সঙ্গে খয়রাতির সেই খাতার ছবিও পাঠিয়েছেন বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া। নির্বাচন কমিশন যাতে বিষয়টিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে, সেই অনুরোধও করা হয়েছে। খাতার মলাটে স্বামী বিবেকানন্দ ও বিদ্যাসাগরের মতো মনীষীদের ছবি ব্যবহারের বিকল্প মার্গ দর্শনও করা হয়েছে চিঠিতে। চিঠিটির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষক ও বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের কাছেও।

    এ বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লিখেছেন, “শিক্ষা দফতর হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে উঠেছে ও পড়ুয়াদের নোটবুক বিলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও আদর্শ নির্বাচনী বিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী একজন জনপ্রতিনিধি। তাই তাঁর ছবি সম্বলিত নোটবুক বিলির বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে পড়ে যেতে পারে। নির্বাচন কমিশনের মনে হতে পারে, অভিভাবকদের প্রভাবিত করতেই নোটবুক বিলি করা হচ্ছে। শিক্ষা দফতরের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে ফেলা এবং স্বামী বিবেকানন্দ ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ছবি ছাপিয়ে নোটবুক বিলি করা। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অসাংবিধানিক ভাষা প্রয়োগ করার অভিযোগও উঠেছিল মমতার বিরুদ্ধে। সেই প্রেক্ষিতেও কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি (Lok Sabha Elections 2024)।

    আরও পড়ুুন: ৭৫২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করায় সায়, ন্যাশলান হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Paris Olympic 2024: অলিম্পিক্সে আর্থিক পুরস্কার! জানেন প্যারিসে সোনা জিতলে কত টাকা পাবেন অ্যথলিটরা?

    Paris Olympic 2024: অলিম্পিক্সে আর্থিক পুরস্কার! জানেন প্যারিসে সোনা জিতলে কত টাকা পাবেন অ্যথলিটরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার অলিম্পিক (Paris Olympic 2024) গেমসে আর্থিক পুরস্কার বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স সংস্থা। প্যারিসে অলিম্পিকের জন্য মোট ২৪ লক্ষ ডলারের ( প্রায় ২০ কোটি টাকা) প্রাইজমানি দেওয়া হবে, যার মধ্যে স্বর্ণপদকজয়ীরা পাবেন ৫০ হাজার ডলার (প্রায় ৪১ লাখ ৭০ হাজার টাকা)। এবার শুধু স্বর্ণ পদক জয়ীদের এই পুরস্কার দেওয়া হলেও পরের বার রৌপ্য এবং ব্রোঞ্জ পদকজয়ীদেরও আর্থিক পুরষ্কার দেওয়া হবে। ২০২৮ সালে পরের অলিম্পিক গেমসের আসর বসবে লস অ্যাঞ্জেলেসে। 

    ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত 

    ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স সংস্থা। প্রথম বার কোনও বিশ্ব ক্রীড়া নিয়ামক সংস্থা অলিম্পিক্সে (Paris Olympic 2024) সোনাজয়ীদের জন্য আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করল। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সের সভাপতি সেবাস্তিয়ান কো এই সিদ্ধান্তকে ‘গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন। প্যারিসে ৪৮টি অ্যাথলেটিক্স ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে রিলে রেসে স্বর্ণপদক বিজয়ীরা তাদের প্রাইজমানি দলের মধ্যে ভাগ করে নেবেন। বিশ্ব অ্যাথলেটিকস জানিয়েছে, ২০২৮ গেমসের প্রাইজমানির ফরম্যাট ও কাঠামো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে। এতে আরও বলা হয়েছে যে পুরষ্কারের অর্থ অ্যাথলিটদের স্বাভাবিক অ্যান্টি-ডোপিং পদ্ধতির পরীক্ষা এবং ছাড়পত্র পাওয়ার উপর নির্ভর করবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘অপ্রতিরোধ্য’’, মার্কিন পত্রিকা ‘নিউজউইক’-এর প্রচ্ছদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    কেন এই পুরস্কার

    অলিম্পিক্সের (Paris Olympic 2024) প্রতি বিশ্বের সেরা অ্যাথলিটদের আগ্রহ বৃদ্ধির জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স। টোকিয়ো অলিম্পিক্সে পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোয়ে সোনা জিতেছিলেন নীরজ চোপড়া। প্যারিসেও সোনা জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার ভারতীয় অ্যাথলিট। অলিম্পিক্স সোনা ধরে রাখতে পারলে নীরজও আর্থিক পুরস্কার হিসাবে প্রায় ৪১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাবেন। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স সংস্থা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি গেমসের যে লভ্যাংশ ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সকে দেবে, তা থেকেই পুরস্কৃত করা হবে সোনাজয়ীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mithun Chakraborty: লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে মেগা প্রচারে নামছেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী

    Mithun Chakraborty: লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে মেগা প্রচারে নামছেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পরামর্শে এবার ফের ভোট প্রচারের ময়দানে মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। এবার তাঁর প্রচার শুরু হবে উত্তরবঙ্গ থেকে। তাঁর অবতরণে বিজেপির প্রচারে এখন হাইভোল্টেজ গতি লাভ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী রবিবার ১৪ এপ্রিল আসন্ন লোকসভা ভোটে বিজেপির হয়ে আরও একবার মোদি সরকার গঠনের জন্য প্রচার শুরু করবেন তিনি। এরপর টানা তিন দিন উত্তরবঙ্গ সফরে থাকবেন তিনি। প্রথম দাফায় লোকসভার প্রচার এই রাজ্যে বেশ জমজমাট।

    র‍্যালি ও সভা করবেন মিঠুন

    আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) ও কোচবিহারে (Coochbihar) দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে মিঠুনের র‍্যালি ও সভা রয়েছে। স্থানীয় দলীয় কর্মীদের আহ্বানে বেশ কয়েকটি সাংগঠনিক বৈঠকেও অংশ নেবেন তিনি, এমনটাই বিজেপি সূত্রে খবর। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন পাখির চোখ বিজেপির। সেই লক্ষ্যেই উত্তরবঙ্গে বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে দলের উঁচুতলা থেকে নিচুতলার সমস্ত নেতা-কর্মীরা। কারণ উত্তরবঙ্গ এখনও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। তবে দক্ষিণবঙ্গেও তারা প্রচারে হেলাফেলা করতে রাজি নয়। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি আসনে তাদের বাড়তি সুবিধা রয়েছে। সেই সমস্ত আসনেও মিঠুন চক্রবর্তীকে ময়দানে নামানো হবে এমনটাই দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। যেহেতু দক্ষিণবঙ্গে পরবর্তী দফাগুলিতে ভোট রয়েছে তাই আগেভাগে উত্তরবঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তীকে ময়দানে নামাচ্ছে পদ্ম শিবির। প্রথম দফায় আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে ভোট রয়েছে। উত্তরবঙ্গের এই সমস্ত আসনে আগেভাগেই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রচার করে গিয়েছেন। শেষ বেলার প্রচারে মিঠুন চক্রবর্তীকে ময়দানে নামিয়ে বাজিমাত করতে চায় বঙ্গ বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ গাজন সন্ন্যাসীদের সঙ্গে ঢাক বাজিয়ে ভোট প্রচার করলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    বিজেপির তারকা প্রচার মিঠুন

    রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই প্রচারে তারকা প্রচারক হিসেবে মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপির হয়ে সুর চড়িয়েছেন। শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনেও তাঁর ঠাসা কর্মসূচি ছিল এবারে। আবার লোকসভার ময়দানে তারকা প্রচারক হিসেবে দেখা যাবে এই মহাগুরুকে। অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে বাংলার আবেগ জড়িয়ে আছে। সেই আবেগকেই কাজে লাগাতে চায় পদ্মফুল শিবির। শেষ বেলায় বাজিমাত করতে নিশীথ প্রামাণিক, মনোজ টিগ্গা এবং জয়ন্ত রায়ের সমর্থনে জনসভা, রোড শো সহ একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Herald: ৭৫২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করায় সায়, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    National Herald: ৭৫২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করায় সায়, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর ঠিক আট দিন পরেই শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন। প্রথম দফার ওই নির্বাচনে লড়াইয়ের (National Herald) ময়দানে রয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিজেপি বিরোধী ছাব্বিশটি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’। এমনিতেই দীর্ঘদিন ক্ষমতার বৃত্তের বাইরে থাকায় কংগ্রেসের কোষাগারের হাল হয়েছে হাঁড়ির।

    বিপাকে কংগ্রেস (National Herald)

    এমতাবস্থায় আরও বিপাকে পড়ল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ৭৫১ কোটি ৯০ লাখ টাকার সম্পত্তি সাময়িক বাজেয়াপ্ত করায় সায় দিলেন পিএমএলএ বিষয়ক বিচারবিভাগীয় কর্তৃপক্ষ। গত নভেম্বরেই ইডি বাজেয়াপ্ত করেছিল কংগ্রেসের ওই সম্পত্তি। পিএমএলএ কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে, যেসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও ইক্যুইটি শেয়ার ইডি বাজেয়াপ্ত করেছিল, তা অবৈধভাবে আয় ও অর্থ পাচারের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।

    বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি

    ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) সংবাদপত্র, তার প্রকাশনা সংস্থা এজেএল এবং পরিচালন তথা মালিক সংস্থা ইয়ং ইন্ডিয়ার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির তালিকায়। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে প্রকাশনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকার। সেই বন্ধ সংস্থাই অধিগ্রহণ করে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল ও কংগ্রেসের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড। এর পরেই ন্যাশনাল হেরাল্ডের কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি চলে আসে ইয়ং ইন্ডিয়ার দখলে। সঙ্গে আসে ৯০ কোটি টাকা দেনার দায়ও। এই দেনার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব নয় কারণ দর্শিয়ে কংগ্রেসের তরফে মকুব করে দেওয়া হয় দেনার টাকা। এই সময়ই ওঠে দুর্নীতির অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অপ্রতিরোধ্য’’, মার্কিন পত্রিকা ‘নিউজউইক’-এর প্রচ্ছদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। ফের চর্চায় আসে ইয়ং ইন্ডিয়ার ন্যাশনাল হেরান্ডের দুর্নীতির অভিযোগ। বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর অভিযোগ, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড নামে যে সংস্থার মালিকানাধীন ছিল ন্যাশনাল হেরাল্ড, বাজারে তাদের ঋণ ছিল ৯০ কোটি টাকা। এই টাকার বেশিরভাগটাই নেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের কাছ থেকে। মালিকানা হাতবদলে বেআইনি কোনও লেনদেন হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির মেট্রোপলিটন আদালত। এই মামলায় প্রথমে সোনিয়া এবং পরে রাহুল গান্ধীকেও দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল (National Herald) ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Howrah: ব্যাগ খুলতেই থ পুলিশ, টাকায় ঠাসা প্যাকেট, হাওড়া ব্রিজের কাছে একী কাণ্ড?

    Howrah: ব্যাগ খুলতেই থ পুলিশ, টাকায় ঠাসা প্যাকেট, হাওড়া ব্রিজের কাছে একী কাণ্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে হাওড়া (Howrah) স্টেশনে রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে ২৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছিল। এই টাকার মধ্যে সব ছিল ৫০০ টাকার নোট। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের ভোটের মুখে হাওড়া ব্রিজের আগেই গোলাবাড়ি থানা এলাকায় একটি গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। সবমিলিয়ে ৫৮ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা উদ্ধার হয়। ওই গাড়িতে ছিলেন প্রশান্ত কুমার সোনি ও ভূপিন্দ্রর সিং নামে দুই যুবক। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন কর্তব্যরত পুলিশ। কথায় অসঙ্গতি থাকায়, তাদের আটক করা হয়।

    হাওড়া ব্রিজের কাছে বাজেয়াপ্ত করা হল টাকা (Howrah)

    জেরায় জানা গিয়েছে, প্রশান্ত ও ভূপিন্দ্রর মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, দুই যুবক উত্তরপ্রদেশ থেকে একটি ট্রেনে চাপেন। সেখান থেকে চম্বলে স্টেশনে আসেন। পরে, চম্বল এক্সপ্রেস ধরে বর্ধমান স্টেশনে নামেন। তারপর একটি লোকাল ট্রেনে করে কোন্নগর আসেন। সেখান থেকে আবার হলুদ ট্যাক্সি ভাড়া করে কলকাতার পথে রওনা দিয়েছিলেন। ঠিক হাওড়া (Howrah) ব্রিজে ওঠার আগে গোলাবড়ি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা ওই ট্যাক্সিটিকে আটকায়। চলছিল নাকা চেকিং। গাড়িটিতে পুলিশ তল্লাশি চালালে দুটি ব্যাগ উদ্ধার করে পুলিশ। ব্যাগ খুলতেই থ হয়ে যান পুলিশ কর্মী। দুটি ব্যাগের মধ্যে প্যাকেটের ভিতরে টাকায় ঠাসা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের গড়ে বিজেপি নেতার ছেলেকে ‘অপহরণ’ তৃণমূলের! মামলা হাইকোর্টে

    পুলিশের কমিশনারের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে হাওড়া (Howrah) সিটি পুলিশের কমিশনার প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী বলেন,  নাকা তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে অবৈধভাবে ওই টাকা নিয়ে আসা হয়েছে। ভোটের মুখে এত টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ কমিশনার। এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে দুই যাত্রী কোথায় যাচ্ছিলেন, তা নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। আটক হওয়া যুবকরা বলেন, বড়বাজারে সোনা কিনতে যাচ্ছিলাম। তবে, ওই টাকার কোনও বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি। গোলাবাড়ি থানায় নিয়ে গিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, আয়কর দফতরে খবর দেওয়া হয়েছে। আয়কর দফতরের আধিকারিকদের হাতে ওই টাকা তুলে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gajan Utsav: বঙ্গবাসী মেতেছে গাজন উৎসবে! এর প্রচলন কবে থেকে জানেন?

    Gajan Utsav: বঙ্গবাসী মেতেছে গাজন উৎসবে! এর প্রচলন কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র শেষে গাজনের ঢাক (Gajan Utsav)। গ্রাম থেকে শহর শোনা যাচ্ছে ঢাক-ঢোল-কাঁসরের আওয়াজ। বাংলা বছরের শেষ উৎসব হল গাজন। এই উৎসবে দেবাদিদেব মহাদেবের আরাধনায় মেতে ওঠেন ভক্তরা। গাজন উৎসবে জাতপাতের বেড়াজাল টপকে সকলেই সামিল হন শিব আরাধনায়। তবে এর পাশাপাশি আমাদের জেনে রাখতে হবে, গাজন উৎসব ধর্মরাজকে কেন্দ্র করেও হয়।

    গাজন শব্দের উৎপত্তি 

    গবেষকরা জানাচ্ছেন, গাজন (Gajan Utsav) শব্দের উৎপত্তি ‘গর্জন’ থেকে। অনেকের ধারণা, শিব সাধনার সময় সন্ন্যাসীদের হুঙ্কার বা রব থেকেই গাজন শব্দের উৎপত্তি। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণেও মেলে গাজনের উল্লেখ। পুরাণের প্রকৃতিখণ্ডে  লেখা রয়েছে, ‘‘চৈত্র মাস্যথ মাঘেবা যোহর্চ্চয়েৎ শঙ্করব্রতী। করোতি নর্ত্তনং ভক্ত্যা বেত্রবানি দিবাশিনম্।। মাসং বাপ্যর্দ্ধমাসং বা দশ সপ্তদিনানি বা। দিনমানং যুগং সোহপি শিবলোক মহীয়তে।।’’ এর অর্থ চৈত্রে কিংবা মাঘে এক-সাত দশ-পনেরো কিংবা তিরিশ দিন হাতে বেতের লাঠি নিয়ে শিবব্রতী হয়ে নৃত্য ইত্যাদি করলে মানুষের শিবলোক প্রাপ্ত হয়।

    জনশ্রুতি অনুযায়ী, শিবের সঙ্গে কালির বিবাহ সম্পন্ন হয়

    অনেক গবেষকের ধারণা, গাজন (Gajan Utsav) উৎসবে রয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব। আবার বাংলার মঙ্গলকাব্যতেও গাজনের উল্লেখ পাওয়া যায়। যেমন ধর্মমঙ্গল কাব্যে রয়েছে এর বিস্তৃত বিবরণ। তবে অন্য একটি অংশের মতে, গা শব্দ বলতে গ্রামকে বোঝায়। আর, জন শব্দ বলতে জনসাধারণকে বোঝায়। অর্থাৎ গ্রামের জনসাধারণের যা উৎসব তাই গাজন। জনশ্রুতি রয়েছে, গাজনই হল সেই দিন যেদিন শিবের সঙ্গে কালির বিবাহ সম্পন্ন হয়। আরও লৌকিক কথা হল, গাজনের সন্ন্যাসীরা হলেন আসলে শিবের বরপক্ষ।

    গাজন উৎসবের তিনটি অংশ

    গাজন উৎসবের তিনটি অংশ থাকে। যথা- ঘাট সন্ন্যাস, নীলব্রত এবং চড়ক। অনেক জায়গাতে গাজন উৎসব (Gajan Utsav) চৈত্র মাসের প্রথম দিন থেকেই ভক্ত সন্ন্যাসীরা পালন করতেন, সেটা অনেক আগেকার কথা অবশ্য। তবে বর্তমান সময়ে চৈত্র সংক্রান্তির সাত দিন আগে অথবা তিন দিন আগে থেকেই কঠোরব্রত পালন করেন সন্ন্যাসীরা। এই সময়ে পরিচ্ছন্ন বস্ত্র ধারণ করে হবিষ্যান্ন গ্রহণ করেন সন্ন্যাসীরা।

    অনেক জায়গাতে মুখোশ নৃত্যের প্রচলন দেখা যায়

    গাজনে অনেক জায়গাতে মুখোশ নৃত্যের প্রচলন দেখা যায়। যা স্থানীয় ভাষায় বোলান গান নামেও পরিচিত। এগুলি বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, নদিয়া বীরভূম জেলাতে দেখা যায়। এই সময়ে শিব-গৌরী সাজেন অনেকেই। এর পাশাপাশি নন্দী, ভৃঙ্গি ভুত-প্রেত, দৈত্য, দানব প্রভৃতি ধরনের সং সেজেও নৃত্য করেন সবাই (Gajan Utsav)। লৌকিক ছড়া, আবৃত্তি গানও করা হয়। গাজনের ঠিক পরের দিন অনুষ্ঠিত হয় নীল পুজো। গ্রাম্য মহিলারা সন্তানদের মঙ্গল কামনায় এ দিন ফল, আতপ চাল, অর্থ দান করে থাকেন।

    প্রথম চড়ক পুজোর প্রচলন কবে

    পৌরাণিকভাবে গাজন উৎসবের (Gajan Utsav) সূচনা নিয়ে নানা কাহিনী প্রচলিত আছে। কথিত আছে, বান নামে এক রাজা ছিলেন প্রবল শিব ভক্ত। তিনি দেবাদিদেব মহাদেবকে তুষ্ট করতে কঠোর তপস্যা করেন। শিব ভক্তির সেই সূত্র মেনে এখনও পর্যন্ত সন্ন্যাসীরা চড়কের বান পরেন। কাঁটার উপরে ঝাঁপও দেন। গাজন যেন এক প্রকার কৃচ্ছসাধনের ব্রত পালন করেন সন্ন্যাসীরা। আগুন ঝাঁপ, কাঁটা ঝাঁপ কপাল ফোঁড়া ইত্যাদি দেখা যায়। গবেষকরা বলছেন, ১৪৮৫ সালের রাজা সুন্দর আনন্দ ঠাকুর প্রথম চড়ক পুজোর প্রচলন করেন। সেই থেকেই এই প্রথা মেনে আসছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

    অন্ত্যজ শ্রেণির নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকেই সন্ন্যাস ধর্ম পালন করেন

    গাজনের এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভূত-প্রেত, পুনর্জন্ম প্রভৃতি বিষয়। এক সময়ে গাজনের (Gajan Utsav) সন্ন্যাসীরা হুড়কো দিয়ে নিজেদেরকে চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুত বেগে ঘুরতেন। সেসময় ব্রিটিশ সরকার আইন প্রণয়ন করে এই নিয়ম-নীতি বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে বর্তমান সময়ে আজও অনেক স্থানে এই রীতি দেখা যায়। গাজনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, এই সময়ে অন্ত্যজ শ্রেণির নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকেই সন্ন্যাস ধর্ম পালন করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে আবার দেখা যায় শিব-পার্বতী সেজে কেউ কেউ ভিক্ষা পাত্র নিয়ে বের হন। সারাদিন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে আতপ চাল, কাঁচা আম, কাঁচা কলা প্রভৃতি সংগ্রহ করেন।

    মালদহ জেলায় গম্ভিরা উৎসব পালিত হয় এই সময়

    পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্রই গাজন উৎসব দেখা যায়। মালদহ জেলায় গম্ভিরা উৎসব (Gajan Utsav) পালিত হয় এই সময়। কোথাও তা চৈত্র সংক্রান্তি থেকে হয়, কোথাও তা আবার পয়লা বৈশাখে হয়। চার দিন ধরে চলে এই উৎসব। একদিকে যেমন শিব আরাধনা চলে, তেমনই অন্যদিকে দৈনন্দিন জীবনে নানা সমস্যার কথা ভক্তরা দেবাদিদে মহাদেবের উদ্দেশে বলতে থাকেন। সেখানে সমস্ত ধরনের কথাই খোলামেলা বলা হয়। রাজনীতি থেকে জীবনের বঞ্চনা কোনও কিছুই বাদ যায় না। পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলির পাশাপাশি কলকাতাতেও দেখা যায় চৈত্র সংক্রান্তির সং সাজা। দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরে সঙ বের হয়। কলকাতার জেলে পাড়ার সঙ্গে কথাও কম বেশি সকলেই জানেন। এর পাশাপাশি কালীঘাটের নকুলেশ্বর তলা সহ বেশ কিছু জায়গায় আজও গাজন পালিত হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share