Tag: Madhyom

Madhyom

  • Suvendu Adhikari: ‘শাহজাহানের সব কিছু রয়েছে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘শাহজাহানের সব কিছু রয়েছে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী গত ১৩ বছরে ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছেন। বুধবার বিকালে মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক বিজেপি জেলার পক্ষ থেকে লালবাগে নাকুড়তলাতে বিধানসভা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যোগ দেন। রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন। একইসঙ্গে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে মুখ খোলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শেখ শাহজাহানের টাকা, নথি সহ সব কিছু রয়েছে সন্দেশখালির এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে। সেখানে তল্লাশি চালালেই সব পেয়ে যাবে ইডি।

    ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, গত ১৩ বছরে তৃণমূল সরকার আশা কর্মী আর চুক্তিভিক্তিক কিছু চাকরি ছাড়া আর কিছু করেনি। নতুন করে চাকরি দেওয়ার কোনও সংস্থান করেনি এই সরকার। আমি নিজে ক্যাবিনেটে ছিলাম। গত ১৩ বছরে এই সরকার ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছে। লক্ষ লক্ষ পদে নিয়োগ নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই শূন্য পদে নিয়োগ হবে। আর অবলুপ্ত হওয়া পদ ফিরিয়ে আনা হবে। মেধার ভিত্তিতে প্রকৃত যোগ্যদের চাকরি দেওয়া হবে।

    শেখ শাহজাহান ইস্যুতে কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু বলেন, মমতার নির্দেশে বুধবার সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকদের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়েছে। শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ১৯দিন পড়ে গেলে আর কিছুই পাওয়া যাবে না। শাহজাহানের বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে তোলাবাজ তৃণমূল নেতা শাসসুল সর্দারের বাড়িতে গেলে সব কিছু পাওয়া যাবে। শাহজাহানের বাড়ি থেকে সব টাকা শামসুলের বাড়িতে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওর বাড়িতে এখন গেলে ২৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।

    ডবল ই়ঞ্জিন সরকারের পক্ষে ফের সওয়াল করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    দলীয় সভা মঞ্চ থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে এক সুরে বেঁধে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অধীরবাবু এখানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিশাল চিৎকার করেন। দিল্লি গিয়ে ভাইপোর সঙ্গে ডিনার করেন। প্রধানমন্ত্রীতে নর্দমার সঙ্গে তিনি তুলনা করেছিলেন। আরে অধীর চৌধুরীকে জিতিয়েছিলেন হিন্দুরা। আর এবার আমি হিন্দু ভাইদের বলব, এই ভুলটা আর মুর্শিদাবাদে করবেন না। আমরা মানুষের কাছে একটি বার্তা দেওয়ার জন্য এসেছি কেন্দ্রে যে দলের সরকার আছে, সেই দল রাজ্যে না হলে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফিরবেন না। বেকার সমস্যার সমাধান হবে না। পশ্চিমবঙ্গকে চোর মুক্ত করতে কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যেও একই সরকার গঠন করতে হবে। এটা একমাত্র সম্ভব ডবল ইঞ্জিনের সুফল। উত্তর প্রদেশ থেকে আসাম সর্বত্র পাবেন যেটা পশ্চিমবঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে না। পাঁচ কোটি লোক দূরারোগ্য ব্যাধিতে চিকিৎসা সুযোগ পাচ্ছেন, কেন পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের সুযোগ নেই একমাত্র রাজ্যে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ২৫/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ২৫/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন খুব ভাল কাটতে পারে।

    বৃষ

    ১) সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন।

    ২) ব্যবসায় ভাল লাভের সময়।

    মিথুন

    ১) অতিরিক্ত জেদের জন্য কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির ব্যাপারে কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে।

    কর্কট

    ১) অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে।

    ২)আয়ের দিক থেকে দিনটি ভাল।

    সিংহ

    ১) কোনও ভাল কাজ না হওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) নতুন চাকরির চেষ্টা করতে পারেন। 

    কন্যা

    ১) রাজনীতির লোকেদের জন্য ভাল খবর আসতে পারে।

    ২) সারা দিন ব্যস্ত থাকতে হবে। 

    তুলা

    ১) কাজ নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) পাওনা আদায় নিয়ে বিবাদ হতে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে ব্যয় কমানোর আলোচনা। 

    ধনু

    ১) সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন। 

    মকর

    ১) কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ২) দূরভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    কুম্ভ

    ১) অতিরিক্ত কথায় বাড়িতে বিবাদ।

    ২) শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে। 

    মীন

    ১) শরীরে যন্ত্রণা হতে পারে।

    ২) প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Ram Mandir: জানেন কি? অযোধ্যার মন্দিরে থাকছে রামলালার ৩টে মূর্তি

    Ram Mandir: জানেন কি? অযোধ্যার মন্দিরে থাকছে রামলালার ৩টে মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারে অযোধ্যার মন্দিরের (Ram Mandir)  গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত হয়েছেন রামলালা। মহীশূরের শিল্পী অরুণ যোগীরাজের তৈরি কৃষ্ণ শিলার মূর্তি স্থান পেয়েছে মন্দিরে। জানা গিয়েছে, অরুণ যোগীরাজ স্থানীয় একটি ফার্ম হাউস থেকেই এই শিলাটি সংগ্রহ করেন। মোট তিনটি মূর্তির মধ্য়ে বাছা হয় অরুণ যোগীরাজের মূর্তিকে। জানা গিয়েছে, বাকি দুই বিগ্রহ গর্ভগৃহে না থাকলেও নতুন মন্দিরেই রাখা হবে। দুটি বিগ্রহ ইতিমধ্যে সামনে এসেছে।

    বাকি দুই মূর্তি

    শ্বেত পাথরের এই বিগ্রহটি তৈরি করেছেন শিল্পী সত্যনারায়ণ পাণ্ডে। অন্য আর একটি বিগ্রহ তৈরি করেছেন কর্নাটকের শিল্পী গণেশ ভট্ট। দুই শিল্পী অবশ্য কোনওভাবেই হতাশ নন। এমন কাজের সুযোগ পেয়ে তাঁরা খুশি। এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা। রাম মন্দির (Ram Mandir)  নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, ওই দুই মূর্তিও মন্দিরে রাখা হবে।

    গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত মূর্তি ৩০০ বছরের পুরনো

    প্রায় ৩০০ কোটি বছরেরও পুরনো এই শিলার তৈরি মূর্তি স্থান পেল রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে। বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ইনসস্টিটিউট অফ রক মেকানিক্সের ডিরেক্টর এইচএস ভেঙ্কটেশই জানাচ্ছেন শিলার বয়স। মূর্তি (Ram Mandir) খোদাইয়ের আগে এই প্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা করা হয়েছিল শিলার বয়স। তখনই জানা যায় প্রস্তরখণ্ডটির প্রাচীনত্ব সম্পর্কে। ভেঙ্কটেশ বলেন, “এই পাথর দারুন টেকসই। জলবায়ুর পরিবর্তন সহনশীল। সাধারণভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করলেই হাজার বছর টিকে থাকবে।”

    রাম মন্দির

    যে মন্দিরে ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন ভগবান রাম, সেই মন্দিরটিও তৈরি হয়েছে সব চেয়ে দামি পাথরে। আধুনিক বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে মন্দিরের আয়ু বাড়াতে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ বলেন, “মন্দিরের আয়ু যাতে হাজার বছর হয়, সেভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে।” বিগ্রহের পাথর আনা হয়েছে মাইসুরু জেলার জয়াপুরা হোবলি জেলা থেকে। ভারতের এই অঞ্চলেই মেলে সব চেয়ে উচ্চ মানের গ্রানাইট পাথর। পাথরটি প্রাক ক্যাম্ব্রিয়ান যুগের। চারশো কোটি বছর আগে সূচনা হয়েছিল যে যুগের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার আটকে রেখেছে বলে বার বার অভিযোগ করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ সঠিক নয়, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বুধবার মালদার (Malda) মানিকচকের মথুরাপুরে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা না পাওয়ার দায় রাজ্য সরকারের ওপরেই চাপালেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল। রাজ্যের দাবিমতো আটকে থাকা বরাদ্দ কবে ছাড়া হবে, এপ্রশ্নেও কোনও আশ্বাস দেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

     টাকা আটকে রাখা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Malda)

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল বলেন, ১০০ দিনের প্রকল্পে রাজ্যেরই গাফিলতি রয়েছে। জবাব তাঁদেরকেই দিতে হবে। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। তাছাড়া শুধু পশ্চিমবঙ্গের টাকা আটকে রাখা হবে কেন? আসলে এটা নিয়ে তৃণমূল দিল্লিতে ধর্না দিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছে। তাদের কিছু কাগজপত্র চেয়েছিল, সেটা তারা এখনও জমা দিতে পারেনি। আসলে এই প্রকল্পের কাজের ক্ষেত্রে কিছু গাফিলতি রয়েছে বলেই তাদের টাকা আটকে রাখা হয়েছে। আর অকারণে তৃণমূল কেন্দ্রীয় সরকারকে টাকা আটকে রাখার জন্য দায়ী করছে। এটা একেবারেই ঠিক নয়। পাশাপাশি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অযোধ্যায় রাম মন্দিরকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। তবে, বিজেপি রামের আবেগ নয়, মোদির নেতৃত্ব আর উন্নয়ন কর্মসূচিকে সামনে রেখে লোকসভা নির্বাচনে এগিয়ে যাবে।

    রাজ্যের দুই মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে, ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবিকে নস্যাৎ করেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও সাবিনা ইয়াসমিন। এদিন মালদার (Malda) ইংরেজবাজারে হস্তশিল্প মেলায় যোগ দিতে এসে রাজ্যের দুই প্রতিমন্ত্রী ১০০ দিনের প্রকল্প টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকায় সরব হন। সাবিনা বলেন, কেউ কোনও দুর্নীতির অভিযোগ কাগজ-কলমে অন্তত বলতে পারেননি। অথচ, টাকা দেওয়ার কথা হলেই মুখে দুর্নীতির কথা বলছেন কেন্দ্রের মন্ত্রী ও বিজেপির নেতারা। বেচারাম মান্না বলেন, এপর্যন্ত ৬৮বার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসেছে। তারা যা যা তথ্য চেয়েছিল, সমস্ত তথ্য দফতর থেকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘গ্রাম সম্পর্ক অভিযান’-এ সুকান্ত, গ্রামের বৃদ্ধদের পা ধুয়ে দিলেন সাংসদ

    Sukanta Majumdar: ‘গ্রাম সম্পর্ক অভিযান’-এ সুকান্ত, গ্রামের বৃদ্ধদের পা ধুয়ে দিলেন সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘গ্রাম সম্পর্ক অভিযান’ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের আঙ্গারিবন গ্রামে গ্রাম সম্পর্ক অভিযান করা হয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এদিন তিনি নিজে হাতে গ্রামের বেশ কয়েকজন বৃদ্ধের পা ধুয়ে দেন।

    শেখ শাহজাহান নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমি কুশমন্ডির আঙ্গারিবন গ্রামে এসেছি গ্রাম সম্পর্ক অভিযানে। এখানে এসে মানুষের ভালো সাড়া পেয়েছি। এদিন নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির হানা নিয়ে তিনি বলেন, প্রথমত আমি বলি এর আগে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডি যখন তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল, তখন ইডি অফিসারদের ওপর তৃণমূলের হার্মাদরা হামলা করে। কেন্দ্রীয় সংস্থার অফিসারদের মাথায় অশোকস্তম্ভ থাকে। অশোকস্তম্ভের সিংহকে আঘাত করেছে তৃণমূলের গুন্ডারা। সেই সিংহ এখন জেগে উঠেছে। সেই চুনোপুটি পোকামাকড়রা গর্তে লুকিয়ে রয়েছে। শাহজাহান এখন গর্তে গর্তে লুকিয়ে বেড়াচ্ছে। চিন্তা নেই, এই সিংহ জাগলে অনেক ইঁদুর পোকামাকড়কে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হয়। শাহজাহানকে বেরিয়ে আসতে হবে।

    অনুব্রত ইস্যুতে মুখ খুললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি

    প্রসন্নকুমার রায়কে ইডি-র তলব নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, প্রসন্ন রায়ের নাম এর আগেও উঠে এসেছে। তিনি পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিতি। তদন্ত হওয়া উচিত। তাঁর কী অপরাধ আছেে, তা সব তদন্ত করে দেখে যদি অপরাধী হয় তাকে কান ধরে জেলে ঢোকানো উচিত। কালীঘাটে মমতার বৈঠকের পর সাংসদ শতাব্দী রায় সাংগঠনিক বৈঠকে আলোচনার বিষয়টি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেন। অনুব্রত মণ্ডলকে সম্মান দেওয়ার কথা বলা হয়। একইসঙ্গে জেলায় ফিরলে তাঁকে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে তৃণমূল সাংসদ জানান। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝতে পারছেন অনুব্রত মণ্ডল যদি জেলের ভেতরে মুখ খুলে দেন, তাহলেই তার সাধের ভাইপো আর জেলের বাইরে থাকবে না। তাই, কেষ্টকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। আসলে ভাইপোকে বাঁচাতে অনুব্রতকে সম্মান দেওয়ার বার্তা দিচ্ছেন মমতা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ropeway: লক্ষ্য পার্বত্য অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, দু’শোর বেশি ‘রোপওয়ে’ প্রকল্পের সূচনা কেন্দ্রের

    Ropeway: লক্ষ্য পার্বত্য অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, দু’শোর বেশি ‘রোপওয়ে’ প্রকল্পের সূচনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গাদকারি ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন ‘ন্যাশনাল রোপওয়ে (Ropeway) ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’-এর যার পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে পর্বতমালা পরিযোজনা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে ২০০-র বেশি রোপওয়ে প্রজেক্টের। যার জন্য ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। আগামী পাঁচ বছর ধরে চলবে এই প্রজেক্ট। মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারি এই প্রজেক্টের ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গাদকারি এবং তিনি বলেন, ‘‘রোপওয়ে (Ropeway) ব্যবস্থার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের গ্রামীণ এলাকায় ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং তা পরিবেশ দূষণও কমাবে। এর পাশাপাশি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার দূরত্বও কমে আসবে।’’

    দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে 

    সারা দেশে রোপওয়ে (Ropeway) নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার পক্ষেও মঙ্গলবার সওয়াল করেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমাদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত সামগ্রিকভাবে রোপওয়ে ব্যবস্থাগুলিকে উন্নত করার জন্য। এর ফলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে দেশ।’’ তাঁর মতে, ‘‘রোপওয়ে ব্যবস্থার মাধ্যমেই পর্যটন শিল্পকে প্রমোট করা যাবে। পার্বত্য অঞ্চলের গ্রামের এবং শহরগুলির যোগাযোগ ব্য়বস্থাও গড়ে উঠবে।’’ এই প্রকল্পের রোপওয়ে ব্যবস্থা পরিবেশবান্ধব ভাবে গড়ে উঠবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর মতে, ‘‘এই প্রকল্পে বেসরকারি সংস্থাগুলিও বিনিয়োগ করতে পারবে।’’

    হিমাচল ও হরিয়ানাতে রোপওয়ে প্রকল্পের উদ্বোধনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মঙ্গলবারই হিমাচল প্রদেশের দুটি রোপওয়ে (Ropeway) প্রজেক্টের ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই দুটি হল হিমাচল প্রদেশের বিজলি মহাদেব প্রজেক্ট এবং অন্যটি হলো হরিয়ানার ধোসি পাহাড়ের উপর রোপওয়ে প্রজেক্ট। গাদকারি আরও জানান, ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে এবং তা অচিরেই তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে চলে আসবে। দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রের উন্নয়নের মাধ্যমেই তা সম্ভব হবে।

     

    আরও পড়ুুন: পৃথিবীর অর্ধেক বয়সের ইতিহাসের সাক্ষী রামলালার শরীরের পাথর!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indi Alliance: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    Indi Alliance: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোট (Indi Alliance) গঠন করে বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াই করার স্বপ্ন দেখছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সেই জোট এখনও ফলপ্রসূ হয়নি। তবে, গুয়াহাটিতে রাহুলের বক্তব্যের পরে বাংলায় কংগ্রেস-তৃণমূল জোট নিয়ে খানিকটা ‘ইতিবাচক’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করেছিল। কিন্তু, বুধবার মমতার বক্তব্যের পরে স্পষ্ট যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনও জোট বা আসন সমঝোতা হচ্ছে না। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনেই প্রার্থী দিতে চলেছে তৃণমূল।

    তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে রাহুল ঠিক কী বলেছিলেন? (Indi Alliance)

    মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে রাহুল বলেছিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে আসন বোঝাপড়ার প্রক্রিয়া রয়েছে, তা চলছে। তার ফলাফল আসবে। ওই বিষয়ে আমি এখানে কোনও মন্তব্য করব না। মমতাজির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ও দলের সম্পর্ক খুবই ভালো। তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের কেউ কিছু বলে দেন। ওঁদের কেউ কিছু বলেন। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু, এতে আসন বোঝাপড়ায় কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

    রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে কী বললেন মমতা?

    দুদিন আগে পার্ক সার্কাসের মঞ্চ থেকে মমতা ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) সমালোচনা করেছিলেন। কংগ্রেসের নাম না করে বলেছিলেন, “আমি বলেছিলাম, যে রাজ্যে, যে আঞ্চলিক দল শক্তিশালী, তারা সেই রাজ্যে লড়ুক। আর আপনারা ৩০০ আসনে একা লড়াই করুন। আমরা সাহায্য করব। বাকি আসনে আমরা লড়়াই করব। তারা বলছে, তাদের মর্জিমতো হবে।” বুধবার বর্ধমানে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগে মমতাকে ওই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ মমতা জানিয়ে দেন, বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “আমার কারও সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। আমার প্রস্তাব প্রথম দিনেই প্রত্যাখ্যান করেছে! আমার সঙ্গে কারও কোনও আলোচনা হয়নি। অ্যাবসলিউটলি মিথ্যা কথা!” তিনি আরও বলেন, “এই যে আমাদের রাজ্যে আসছে, আমাকে তো একবারও বলেনি!” মমতা বলতে চেয়েছেন রাহুলের ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’র কথা। অসম থেকে রাহুল তাঁর যাত্রা নিয়ে বৃহস্পতিবারেই কোচবিহার দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করবেন। তার এক দিন আগে মমতার কথায় স্পষ্ট যে, ইন্ডিয়া’র শরিক হিসেবে তৃণমূল ওই যাত্রায় অংশ নেবে না। দুদিন আগে মুর্শিদাবাদ জেলায় সব আসনে লড়াই করার জন্য দলীয় নেতাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আর অধীর চৌধুরীকে তিনি গুরুত্ব দিতে নারাজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ দিন পর বুধবার ফের সন্দেশখালির বেতাজ বাদশার ডেরায় হানা দিল ইডি (ED)। তাঁর বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে কী উদ্ধার হয় তা নিয়ে রাজ্যবাসীর নজর ছিল। এদিন শাহজাহানের বাড়িতে হানার সময় রাজ্য পুলিশের পাশাপাশ রাজ্য পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত র‍্যাফকে দেখা গিয়েছে। তাঁরা হেলমেট পরিহিত। হাতে লাঠি বা আধুনিক অস্ত্র। শাহজাহানের বাড়ির ফটকে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাজ্য পুলিশের জওয়ানরা। সঙ্গে রয়েছেন সিআরপিএফ জওয়ানরাও। এবার ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত হয়ে তৃণমূল নেতার ঘরের তালা ভেঙে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। তারপর একের পর এক ঘরে ঢুকে চলে তল্লাশি। নামিয়ে আনা হয় সুটকেস। ভাঙা হয়েছে আলমারির তালা।

    তল্লাশি চালিয়ে কী মিলল? (ED)

    বুধবার সাতসকালে শাহজাহানের বাড়িতে যান ইডির (ED) ছয় আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। এ ছাড়া এক জন আছেন শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য। তাঁরা একের পর এক ঘরে যান। সমস্ত ঘরে তল্লাশি চালান। আসবাবপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে পৌঁছে যান রান্নাঘরেও। ঘরের ভিতরে থাকা আলমারির তালা ভাঙা হয়েছে। সুটকেস নামিয়ে খোলা হয়েছে। কিন্তু, রান্নাঘরের সিঙ্ক থেকে বাসনকোসন আর আলমারি এবং সুটকেস থেকে জামাকাপড় ছাড়া কিচ্ছু মেলেনি।

    নিরাপত্তায় মোড়া গোটা এলাকা, বন্ধ শাহজাহান মার্কেট

    ১৯ দিন আগে ইডি (ED) হানার সময় সন্দেশখালির শাহজাহানের বাড়ির সঙ্গে বুধবারের তাঁর বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশের চেহারা একেবারেই আলাদা। এদিন সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির অভিযান চালানোর সময় বাড়ির সামনে নেই কোনও জনতার ভিড়়। তৃণমূল নেতার নামাঙ্কিত শাহজাহান মার্কেটের একটি দোকানও খোলেনি। বাজারে দেখা গেল সুনসান ছবি। আদালতের নির্দেশে তৃণমূল নেতার বাড়ির সঙ্গে সঙ্গে সন্দেশখালির বাজারেও সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল পুলিশ। সাধারণ মানুষের আনাগোনাও একেবারেই হাতেগোনা। সমস্ত এলাকা দখল নিয়েছে রাজ্য পুলিশ এবং সিআরপিএফ। শাহজাহানের বাড়ি থেকে বড় রাস্তায় যাওয়ার জন্য রয়েছে এক চিলতে রাস্তা। সেই ১০০ মিটার রাস্তাও পুরোপুরি মোড়া খাকি, জলপাই পোশাক পরিহিত দীর্ঘদেহীদের দিয়ে। বড় রাস্তার দখলও পুরোপুরি নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে। জায়গায় জায়গায় তাঁরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সকাল থেকে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেরকম গুরুত্বপূর্ণ কিছু পাননি ইডি আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশ থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন মোদি

    Narendra Modi: ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশ থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন উত্তরপ্রদেশ থেকেই। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর থেকে লোকসভা ভোটের নির্বাচনী প্রচারে দামামা বাজাবেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। আগামী ২৫ জানুয়ারি হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশের ওই মেগা সভা। ভারতীয় জনতা পার্টির সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। সাধারণভাবে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে লোকসভা ভোট শুরু হওয়ার কথা। তা চলবে মে মাস। এখন দেখার নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশ হয়। বিভিন্ন সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, তৃতীয়বারের জন্য তৈরি হতে চলেছে মোদি সরকার (Narendra Modi)। ছন্নছাড়া বিরোধী নেতৃত্ব, আভ্যন্তরীণ বিবাদে অনেকটাই ব্যাকফুটে রয়েছে ইন্ডি জোট। রাজ্যে রাজ্যে আসন সমঝোতা এখনও করে উঠতে পারেনি তারা। এই অবস্থায় বিজেপির জয় সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    আরও পড়ুুন: পৃথিবীর অর্ধেক বয়সের ইতিহাসের সাক্ষী রামলালার শরীরের পাথর!

    মেগা সভার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ওই মেগা সভার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। প্রসঙ্গত, পশ্চিম উত্তর প্রদেশের ১৪ টি আসনের মধ্যে ৮টিতেই জয়লাভ করেছিল বিজেপি। যে সিট গুলিতে জয় আসেনি সেগুলিতেও ঝাঁপাতে চাইছে গেরুয়া শিবির। এবং এই বুলন্দশহরকে নির্বাচনী প্রচারের  জন্য। বিজেপি শিবিরের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় হাজির হবেন কমপক্ষে পাঁচ লাখ মানুষ। প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) এই সভা হতে চলেছে বুলন্দশহরের নবোদা নামের গ্রামে।

    উত্তরপ্রদেশে বইছে গেরুয়া সুনামি

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইন্ডি জোট মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে উত্তরপ্রদেশে। অলিখিতবাবে রাজনীতিতে পরিচিত শব্দ রয়েছে, দিল্লির রাস্তা লক্ষ্ণৌ হয়ে যায়। উত্তরপ্রদেশে এই মুহূর্তে গেরুয়া সুনামি চলছে। গত ৭ বছর ধরে যোগী সরকারের সুশাসনের সঙ্গে সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে রাম মন্দিরও। দলে দলে মানুষ এই মুহূর্তে অযোধ্যামুখী। এর সুফল বিজেপি পাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র রাজ্য জুড়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ বা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স হানা দিয়ে মুর্শিদাবাদ ও হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, জাল নথির সাহায্যে শ’য়ে শ’য়ে সিম কার্ড বানিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি পাচার করা হত। এই সব সিম কার্ড দিয়ে প্রতারকরা প্রতারণা (Fraud) করত বলে তদন্তকারী আধিকারিকদের ধারণা।

    বহু ভুয়ো সিমকার্ড উদ্ধার (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার সীমন্তবর্তী এলাকা তো বটেই, সেই সঙ্গে জেলার সদর বহরমপুরেও জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছু যুবক সামনে সিম কার্ড, মোবাইলের দোকান কিংবা অনলাইনে ব্যবসা খুলে আড়ালে চালাচ্ছে জালিয়াতির ব্যবসা। আর ভুয়ো সিম কার্ড দিয়ে চলত প্রতারণা (Fraud)। মুর্শিদাবাদ ও হুগলির বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দেয় এসটিএফ। মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানা এলাকা থেকে নইমুল ইসলাম ও আবদুল আজিমকে, ভগবানগোলা থানা এলাকা থেকে কাওশার শেখ এবং দৌলতাবাদ থানা এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কামরুজ্জামান ও দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া এলাকার বাসিন্দা আস্তিক মণ্ডল এবং হুগলির জাঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয় সুরেশ দে এবং রমেশ জানাকে। ধৃতরা প্রত্যেকেই জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানাত বলে পুলিশের দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কয়েকশো ভুয়ো সিম কার্ড, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন, জাল নথি-সহ একাধিক বৈদ্যুতিন যন্ত্র।

    হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণা!

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্ত্র দিয়ে যেমন জাল নথি বানানোর কাজ করা হত, তেমনই ওটিপি পাচার করা হত দেশের বাইরে। ধৃতরা দেশে ও বিদেশের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণার (Fraud) কাজ করত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ওই জালিয়াতির সঙ্গে দেশের গোপন তথ্যপাচার করা হত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share