Tag: Madhyom

Madhyom

  • Tarapith: কৌশিকী অমাবস্যার মাহাত্ম্য কী? কীভাবে যাবেন তীর্থধাম তারাপীঠে?

    Tarapith: কৌশিকী অমাবস্যার মাহাত্ম্য কী? কীভাবে যাবেন তীর্থধাম তারাপীঠে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki amavasya 2023)। তন্ত্র এবং সাধনার জায়গা তারাপীঠ (Tarapith), বাঙালির অন্যতম শক্তি পীঠস্থান। কৌশিকী অমাবস্যায় বহু তন্ত্রসাধক এসে তারাপীঠ মহাশ্মশানে মহাযজ্ঞ করে থাকেন। শ্মশান সংলগ্ন দ্বারকা নদীর জল উত্তরবাহিনী। হিন্দু ধর্মে উত্তরবাহিনী নদী বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ ভারতের প্রায় সব নদী নেমেছে উত্তর দিকের হিমালয় থেকে। একমাত্র দেখা যায় কাশীতে গঙ্গা উত্তরবাহিনী আর তারপরে বীরভূমের এই দ্বারকা। তাই হিন্দুদের কাছে বিশেষ তীর্থধাম সতীর এই পীঠ। কৌশিকী অমাবস্যায় গ্রহ-নক্ষত্রের বিশেষ যোগ কাজ করে। ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর কৌশিকী অমাবস্যা। এই দুই দিনে কয়েক লাখ ভক্তের সমাগম হয় তারাপীঠে।

    কীভাবে যাবেন তারাপীঠ?

    তারাপীঠ (Tarapith) বীরভূম জেলায় রামপুরহাটের কাছে অবস্থিত। তারাপীঠে যেতে গেলে রামপুরহাট স্টেশন এবং তারাপীঠ রোড রেল স্টেশন রয়েছে। ট্রেনে গেলে এই দুই স্টেশনেই নামতে পারবেন। হাওড়া বা দক্ষিণবঙ্গের যে কোনও জেলা থেকে গেলে এই দুই স্টেশনে নামা যাবে। আবার কলকাতার ধর্মতলা থেকে তারাপীঠ যাওয়ার বাস পাবেন। এছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের যে কোনও জেলা থেকে আপনি বাস পেয়ে যাবেন৷

    যাত্রাপথে খরচ কত?

    আপনি হাওড়া বা শিয়ালদা থেকে যদি রামপুরহাট বা তারাপীঠ (Tarapith) যান, তাহলে ভাড়া পড়বে মাথাপিছু ৮০ থেকে ১০০ টাকা৷ অর্থাৎ যাওয়া-আসার খরচ মাত্র ২০০ টাকা৷ আবার মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনা ইত্যাদি জেলা থেকে গেলে, আপনাকে আরও কম ভাড়া দিতে হবে। যদি আপনি বাসে যান, তাহলে ধর্মতলা থেকে বাস ধরতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া দিতে হবে মাথাপিছু ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। স্টেশন থেকে মন্দিরের দূরত্ব মাত্র ৮ কিলোমিটার ৷ অটো, ট্রেকার বা অন্য গাড়িতেই পৌঁছে যেতে পারেন মন্দিরে৷

    কোথায় থাকবেন?

    তারাপীঠে হোটেল অনেক। প্রতি রুমের ভাড়া ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। আপনার যেমন বাজেট, সেভাবে হোটেল পছন্দ করতে পারবেন। তবে বাজেট অল্প থাকলে বিনা পয়সায় থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। তারাপীঠে রয়েছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ ৷ সেখানে মাত্র ৫০ টাকা দিলেই আপনি রাত্রিবাস করতে পারেন। আবার রামপুরহাট-তারাপীঠ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রয়েছে। সেখানে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে পর্যটকদের৷

    দর্শনীয় স্থান

    তারামায়ের মন্দির ছাড়াও তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বীরচন্দ্রপুরকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। পাশেই রয়েছে বীরচন্দ্রপুরে নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর জন্মস্থান। সেখানে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী নিতাই বাড়ি, বাঁকারায় মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, গৌড়ীয় ইসকনের মন্দির, পঞ্চপাণ্ডব, মদনমোহন, শিব সহ বিভিন্ন মন্দির, নিত্যানন্দ, অদ্বৈত আচার্য ও গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর বিগ্রহ। পাশেই রয়েছে কঙ্কালীতলা মন্দির।

    এই বছর রাশিয়া, থাইল্যান্ড এবং দিল্লি থেকে বহু সাধু-সন্ন্যাসীরা ইতিমধ্যেই এসে উপস্থিত হয়েছেন তারাপীঠে। কৌশিকী অমাবস্যার দিন মহাযজ্ঞ করবেন সকলের মঙ্গল কামনার্থে ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dr Zulekha Daud: বাবা ছিলেন দিনমজুর, অদম্য চেষ্টা ও সংগ্রামই পৌঁছে দিল অর্থ ও খ্যাতির শিখরে!

    Dr Zulekha Daud: বাবা ছিলেন দিনমজুর, অদম্য চেষ্টা ও সংগ্রামই পৌঁছে দিল অর্থ ও খ্যাতির শিখরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফলতা অর্জন করার রাস্তাটা কিন্তু মোটেও সহজ নয়, থাকে অনেক চড়াই-উতরাই। আর এইসব কাটিয়েই মানুষ তার সফলতার শিখরে পৌঁছাতে পারে। আজ এই প্রতিবেদনে এমন একজন লড়াকু মহিলার (Dr Zulekha Daud) সম্বেন্ধে জানব, যিনি নিজেকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে গিয়েছেন। যাঁকে আজ এক ডাকে গোটা বিশ্ব চেনে। তাঁর নাম ডক্টর জুলেখা দাউদ। যিনি বর্তমানে একজন ভারতীয় ধনী মহিলা হিসেবেও পরিচিত।

    কে এই ডাঃ জুলেখা দাউদ (Dr Zulekha Daud)?

    ডাঃ জুলেখা দাউদ এমনই একজন নারী, যিনি নিজেকে প্রায় শূন্য থেকে উঠিয়ে নিয়ে এসে বর্তমানে ভারতীয় ধনী মহিলার তকমা পেয়েছেন, সম্পূর্ণ নিজের অদম্য চেষ্টা ও সংগ্রামের মাধ্যমে। তাঁর কর্মকাণ্ডের জন্য আজ তিনি সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছেন। ৮৪ বছর বয়সী ডাঃ জুলেখা দাউদ (Dr Zulekha Daud) মহারাষ্ট্রের নাগপুরে একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আজ তিনি দুবাইয়ে বসবাসকারী ভারতীয় ধনী মহিলা হিসেবে পরিচিত। জুলেখার বাবা একজন দিনমজুরের কাজ করতেন। অভাবী সংসারে থেকেও জুলেখা নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যান এবং একজন চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ডাক্তারি পড়া শেষ হতেই ১৯৬৪ সালে তিনি আরব আমিরশাহী যান তাঁর কর্মসূত্রে। এই সময় তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলার আখ্যা পান যিনি প্রথমবার ভারত থেকে আরব আমিরশাহীতে ডাক্তারি প্র্যাকটিসের  জন্য যান। দুবাইয়ে তিনি প্রায় ১০,০০০ প্রসূতির ডেলিভারি করেছেন। কিন্তু এখানেই থেমে থাকেননি।

    জুলেখা হাসপাতাল গ্রুপ

    ১৯৯২ সালে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেন জুলেখা হাসপাতাল গ্রুপ। ৬০ বছর আগে জুলেখা যখন দুবাইয়ে তার চিকিৎসা জীবন শুরু করেন, তখন দুবাইয়ের চিকিৎসা ব্যবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে তিনি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন জুলেখা হসপিটাল গ্রুপের। তিনি জুলেখা হসপিটাল গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন।

    ডাঃ জুলেখা দাউদের (Dr Zulekha Daud) সাফল্য

    ২০১৯ সালে তিনি প্রবাসী ভারতীয় সম্মান পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। সম্প্রতি ফোর্বসের মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ ১০০ জন ধনী ব্যক্তির তালিকায় তিনি (Dr Zulekha Daud) স্থান পেয়েছেন। তাঁর হসপিটাল গ্রুপের বর্তমান বার্ষিক আয় প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় ৩০০০ কোটির কাছাকাছি। শুধু দুবাই নয়, ভারতেও তাঁর এই জুলেখা হসপিটাল গ্রুপ সাশ্রয়ী মূল্যে সর্বসাধারণকে চিকিৎসা প্রদান করেছে। নাগপুরে একটি টপ মেডিক্যাল সেন্টার খোলার জন্য ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক থেকে তিনি ১৯৮ কোটি টাকা পেয়েছেন ও নিজের গ্রুপ থেকে ২০ কোটি টাকা প্রদান করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: অপেক্ষার অবসান! ফুটবল জ্বরে উত্তেজনায় কাঁপছে মালদাবাসী, কেন জানেন?

    Malda: অপেক্ষার অবসান! ফুটবল জ্বরে উত্তেজনায় কাঁপছে মালদাবাসী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) বসেই ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের খেলা দেখতে পাবেন জেলাবাসী। মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠে ইস্টবেঙ্গল লিজেন্ডস বনাম মহমেডান স্পোর্টিং লিজেন্ডস প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। জেলা ক্রীড়া সংস্থা এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছে। মালদায় বসেই স্টার খেলোয়াড়দের খেলা দেখতে পাবেন জেলার মানুষ।

     কবে হচ্ছে এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচ? (Malda)

    ফুটবল খেলতে এবং খেলা দেখতে মালদার (Malda) মানুষ ভালবাসেন। খেলার টানেই জেলার বহু মানুষ কলকাতায় গিয়ে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখে আসেন। জেলার ফুটবল প্রেমীদের জন্য উদ্যোক্তারা গত বছরও মালদায় ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছিল। ভারতীয় ফুটবলের প্রাক্তন তারকাদের সেই খেলা দেখতে প্রচুর মানুষের ভিড় উপচে পড়েছিল গ্যালারিতে। এবারও ফুটবলের লিজেন্ডদের এই ফুটবল প্রীতি ম্যাচ দেখতে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় করবেন বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। উদ্যোক্তা তথা উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া পর্ষদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাস বলেন, প্রাক্তন তারকা ফুটবলাররা এই ম্যাচে খেলবেন। ২২ সেপ্টেম্বর দুই দলের মধ্যে প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা এখন থেকে দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে সমস্ত রকম প্রস্তুতি।

    প্রীতি ম্যাচ করানোর মূল লক্ষ্য কী?

    ভারতায় দলের তারকা প্রাক্তন ফুটবলারদের মালদায় (Malda) নিয়ে এসে প্রীতি ম্যাচ করানোর মূল লক্ষ্য, জেলার কচিকাঁচা ফুটবলারদের ফুটবলের প্রতি আরও আগ্রহ তৈরি করা। এমনই দাবি উদ্যোক্তাদের। এই উদ্যোগকে সামনে রেখে আবারও এই বছর এক ঝাঁক তারকা ফুটবলার নিয়ে আসা হচ্ছে মালদায়। এতদিন যে সমস্ত ফুটবলারদের টিভির পর্দায় খেলা দেখে এসেছিল জেলার মানুষ, এবার তাঁদের খেলা সরাসরি দেখার সুযোগ মিলবে এই প্রীতি ম্যাচে। খেলার মাঠে ও গ্যালারির মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে টিকিটের ব্যবস্থা করেছেন উদ্যোক্তারা। মালদার জেলার বিভিন্ন প্রান্তে টিকিট মিলছে। মালদা শহরের বেশকিছু জায়গায় টিকিট বিতরণের জন্য কাউন্টার করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal: অন্ধকারে মশাল জ্বাললেন ক্লেটন! বদলে গেল ইস্টবেঙ্গলের জার্সি 

    East Bengal: অন্ধকারে মশাল জ্বাললেন ক্লেটন! বদলে গেল ইস্টবেঙ্গলের জার্সি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক বছরে ইস্ট বেঙ্গল (East Bengal) সমর্থকদের প্রাপ্তি শুধুই হতাশা। তবে এবার আশার আলো দেখতে পেয়েছেন সমর্থকরা। ডুরান্ড কাপে রানার্স হলেও কার্লোস কুয়াদ্রতের ছেলেদের পারফরম্যান্স মন জিতে নিয়েছে। বিগ বাজেটের মোহন বাগানকে মরশুমের প্রথম ডার্বিতে হারিয়ে ফুটবল মহলকে চমকে দিয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল। যাকে ঘিরে দিন বদলের গান গাইতে শুরু করেছেন লাল হলুদ সমর্থকরা। তাহলে কি ইস্ট বেঙ্গলের ভাগ্য বদলাচ্ছে? এর উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে। তবে পরিবর্তনের হওয়া যে বইছে ইস্ট বেঙ্গল শিবিরে তার আঁচ পাওয়া গেল দলের জার্সি পরিবর্তনে।

    নতুন জার্সিতে আধুনিকতার ছাপ  

    আইএসএলে নতুন জার্সি পরে খেলবেন নন্দকুমার, নাওরেমরা। ঐতিহ্য ও পরম্পরার সঙ্গে আধুনিকতার ছাপ স্পট ইস্ট বেঙ্গলের (East Bengal) নতুন জার্সিতে। নতুন জার্সি প্রকাশের যে ভিডিও রিলিজ হয়েছে, সেখানেও রয়েছে চমক। কেলটন সিলভা নতুন লাল হলুদ জার্সি পরে হাতে মশাল নিয়ে অন্ধকার ঠেলে এগিয়ে আসছেন। যা থেকে একটা বার্তা স্পষ্ট, তিনি আলোর দিশারী। অন্ধকার কাটিয়ে ফের সাফল্যের প্রতীক মশাল জ্বলতে বদ্ধপরিকর। 

    হোম ম্যাচের জার্সি 

    ইস্ট বেঙ্গলের (East Bengal) নতুন জার্সিতে লাল হলুদ রং খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। হাতের দু দিকে যেমন দুটি রঙের উজ্জ্বল উপস্থিতি চোখে পড়ছে, তেমনি শরীরের দুই অংশে লাল হলুদ বিরাজ করছে। এই জার্সি পড়ে ইস্ট বেঙ্গল এবার আই এস এলের হোম ম্যাচ খেলবে। অ্যাওয়ে ম্যাচের জার্সি এখনও উন্মোচন হয়নি।

    এদিকে নয় বছর অতিক্রম করে দশম বছরে পড়ল আইএসএল (ISL)। তবে প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে হোঁচট খেয়েছে। বহুদিনের স্পনসর হিরো মোটর সরে দাড়িয়েছে আইএসএল থেকে। যা ভারতীয় ফুটবলের কাছে বড় ধাক্কা। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি হিরো মোটোকর্পের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়েছে আইএসএল-এর। কিন্তু তারা আর চুক্তি নবীকরণ করেনি। হিরো আইলিগ ও আইএসএল-কে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে স্পনসর করে এসেছে। তবে এবার তারা পুরোপুরি সরে গেল। যার অর্থ, আইলিগ ও আইএসএল-এর সঙ্গে রইল না হিরো। সংস্থার সরে যাওয়ার কারণ হিসেবে জানা গিয়েছে, তাদের ভিতরের সমস্যার জন্য তারা স্পনসরশিপ ডিল থেকে সরে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ব্যর্থ দুনিথের দুরন্ত পারফরম্যান্স! শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারত

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: মমতার দক্ষিণ কলকাতাতেই ডেঙ্গির দাপট দ্বিগুণ! প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা! 

    Dengue: মমতার দক্ষিণ কলকাতাতেই ডেঙ্গির দাপট দ্বিগুণ! প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। আক্রান্তের সংখ্যা উর্ধ্বমুখী! তথ্য বলছে, চিন্তার কারণ বাড়াচ্ছে দক্ষিণ কলকাতা। বছরভর একাধিক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেও কাজ বিশেষ হয়েছে কিনা, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ডেঙ্গির দাপট বাড়তেই প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট? 

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ইতিমধ্যেই ডেঙ্গির (Dengue) সমস্ত রেকর্ড পেরিয়ে গিয়েছে। আগের বছরগুলোর তুলনায় এ বছরে ডেঙ্গির প্রকোপ অনেক বেশি। তাই কলকাতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, এই শহরেই ডেঙ্গির দাপট সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০ জন। যা গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ২০২০ সালে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫১০ জন। ২০২১ সালে ছিল ৫৬৭ জন। ২০২২ সালে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছিল ১১২৩ জন। চলতি বছর অবশ্য আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। 
    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের ৬৮ শতাংশ দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা। তাই ওই এলাকাগুলো নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে।

    কলকাতার কোন এলাকায় ডেঙ্গির দাপট সবচেয়ে বেশি? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার দক্ষিণে সবচেয়ে শক্তিশালী ডেঙ্গি (Dengue)। তাই বেহালা, তিলজলা, মুকুন্দপুর, টালিগঞ্জ, বাঁশদ্রোণী, কসবা, তপসিয়া, নিউ আলিপুর, যাদবপুর এই জায়গাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা গিয়েছে। কলকাতার মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের ৬৮ শতাংশ এই এলাকার বাসিন্দা। অর্থাৎ, স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে কলকাতার ১৬০০ ডেঙ্গি আক্রান্তের মধ্যে ১০৮৮ জন দক্ষিণ কলকাতার এই সব এলাকায় থাকেন।

    কেন দক্ষিণ কলকাতায় বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ? 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রুখতে যে ধারাবাহিক কাজ জরুরি, তার ঘাটতির জেরেই বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ। দক্ষিণ কলকাতায় একাধিক নির্মীয়মাণ এলাকা রয়েছে। বৃষ্টি হলে সেখানে জল জমছে। আর তাতেই মশা জন্ম নিচ্ছে। এর ফলে দাপট বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় একাধিক বড় পুজো হয়। বাঁশ এবং অন্যান্য সামগ্রী পড়ে থাকছে। সেখানেও জল জমছে। আর মশার আঁতুরঘর তৈরি হচ্ছে। বিপদ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। তবে, সবচেয়ে জোরালো সমস্যা নিকাশি ব্যবস্থা। কসবা, বালিগঞ্জ কিংবা বেহালা-দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেও জল জমে থাকে। নর্দমা পরিষ্কার হয় না। ফলে, মশার উপদ্রব বাড়ছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ।

    কী বলছে কলকাতা পুরসভা? 

    ডেঙ্গির প্রকোপ বেড়ে চলায় সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখে পড়ছে কলকাতা পুরসভা। কারণ, বছরভর কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। পাশাপশি ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পুর প্রশাসনের! ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ায়, তাই প্রশ্ন উঠছে, কলকাতা পুরসভা কি তার দায়িত্ব পালন করতে পারছে না? পুরসভা অবশ্য জানাচ্ছে, তারা যথেষ্ট সক্রিয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। জল জমলে যেখানে নিকাশির কাজ করা হচ্ছে। তাছাড়া কেউ আক্রান্ত (Dengue) হলে সেখানে প্রয়োজনীয় নজরদারি করা হচ্ছে। তবে, সাধারণ মানুষের সচেতনতা আরও জরুরি বলেও মনে করছে পুরসভা। তারা জানাচ্ছে, সে বিষয়ে আরও জোরালো কর্মসূচি চালানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: মাঝেরহাট, পোস্তার মতো অবস্থা হবে না তো হাওড়ার বঙ্কিম সেতুর! উদ্বেগে মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা

    Howrah: মাঝেরহাট, পোস্তার মতো অবস্থা হবে না তো হাওড়ার বঙ্কিম সেতুর! উদ্বেগে মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৮ সালের এক মঙ্গলবার বিকেলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল প্রায় ৪০ বছরের পুরানো মাঝেরহাট ব্রিজ। মৃত্যু হয়েছিল বেশ কয়েকজনের। আর আগে ২০১৩ সালের ৪ মার্চ মধ্যরাতে ভেঙে পড়েছিল উল্টোডাঙার ওভারব্রিজ। এর পর ২০১৬-র ৩১ মার্চ ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ পোস্তা সেতু। সেই  ঘটনায় মারা যান ২৭ জন। আরও ৮০ জন জখম হয়েছিলেন। শহরে একের পর এক সেতু বিপর্যয়ের পর এবার হাওড়া শহরের প্রধান যোগাযোগকারী বঙ্কিম ব্রিজের এতটাই বেহাল অবস্থা যে সেই ব্রিজটিও মাঝেরহাট ব্রিজের মত ভেঙে পড়বে না তো? এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে হাওড়া শহরের বাসিন্দারা, বিশেষ করে হাওড়ার মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

    বঙ্কিম সেতু নিয়ে কেন উদ্বেগ?

    দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। ফলে, ক্রমশ বেহাল হয়ে পড়ছে হাওড়ার বঙ্কিম সেতু।  হাওড়া ব্রিজ থেকে নেমে দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এই বঙ্কিম সেতু। মঙ্গলবার দুপুরে এই সেতুর চাঙর ভেঙে পড়ে জখম হয়েছেন দুজন। তাদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  এই বঙ্কিম সেতুর নিচেই বসে মঙ্গলাহাট। সেতুর ঠিক নীচে পুজোর আগে ফুটপাতের দোকানগুলিতে উপচে পড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। তখনই বঙ্কিম সেতুর চাঙর খসে পড়ে এক ক্রেতার গায়ে লাগে। সঙ্গে ছিল এক শিশু। ওই চাঙড়ের আঘাতে জখম হয় শিশুটি। তাকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়া জেলা হাসপাতালে। এমনিতেই কয়েক বছর আগে সেতুর ওপরের ভার কমাতে হাওড়া সিটি পুলিশের উদ্যোগে সেতুর ওপর পার্কিং বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সে নির্দেশও বেশি দিন মানা হয়নি । মঙ্গলাহাটের দুদিন আগে থেকেই বড় বড় লরি লোডিং আনলোডিং এর কাজ হয় বঙ্কিম সেতুর ওপরেই। ফলে সেতুর নিচে দিয়ে যারা যাতায়াত করেন তারা খুবই আতঙ্কের মধ্যে তাদের পথ চলতে হয়। ফলে, যে কোনও মুহূর্তে সেতুটি ভেঙে পড়তে পারে।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের বক্তব্য,বঙ্কিম সেতুর অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই খারাপ। কোনও মেরামতি করা হয়নি। অনেক জায়গাতেই সেতু থেকে জল পড়ে। আবার কোথাও কোথাও সেতুতে ওঠার লোহার সিঁড়ি পুরোপুরি ভগ্ন দশা। সেসব জায়গা দিয়ে সেতুতে উঠতে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনায় পড়েন অনেকে। একইভাবে হাওড়ার মাছ বাজারের সামনে থেকে বঙ্গবাসী সিনেমা হলের সামনে যেখানে গিয়ে সেতুটি নেমেছে পুরো অংশটাই রাস্তা যেমন ভাঙাচোরা,একইভাবে সেতুর নিচের ছাদ থেকে মাঝেমধ্যেই খসে পড়ে চাঙড়। কয়েকদিন আগেও এই ধরনের একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারপরেও সেতু মেরামতির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান কী বললেন?

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী বলেন, এদিনে দুর্ঘটনার পরেই আমি কে এম ডি এর আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কারণ সেতুটি মেরামতি এবং রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ করে কে এম ডি এ। কেএমডির আধিকারিকরা আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুততার সঙ্গে সেতু মেরামতির কাজ শুরু হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: জিতেন্দ্রর আসানসোলে ঢুকতে বাধা নেই, হাইকোর্ট কী শর্ত দিল জানেন?

    Asansol: জিতেন্দ্রর আসানসোলে ঢুকতে বাধা নেই, হাইকোর্ট কী শর্ত দিল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র| তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারির আর আসানসোলে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা রইল না। আদালতের নির্দেশে তিনি এই শহরে ঢুকতে পারতেন না। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে আসানসোলে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে। তাঁকে হাইকোর্টের তরফে এই ছাড় দেওয়ার যদিও ক্ষেত্রে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। যা তাঁকে মেনে চলতে হবে।

    বিজেপি নেতাকে কী কী শর্ত দিল হাইকোর্ট?(Asansol)

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলের (Asansol) রেলপারের রামকৃষ্ণ ডাঙালে কম্বল বিতরণ করার সময় পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় মৃত এক মহিলার ছেলের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে থেকে আসানসোল পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি, তাঁর স্ত্রী আসানসোল পুরনিগমের বিজেপি কাউন্সিলার চৈতালি তেওয়ারি,একাধিক কাউন্সিলর সহ বেশ কয়েকজনের নামে মামলা করা হয়। কয়েক মাস পরে জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে উত্তরপ্রদেশের নয়ডা থেকে গ্রেফতার করে দিল্লি হয়ে আনা হয়েছিল আসানসোলে। তারপর তাঁকে পরে কলকাতা  হাইকোর্ট জামিন দিলেও আসানসোলের ঢোকার অনুমতি দেয়নি। তাঁকে শুনানির দিনে আসানসোল জেলা আদালতে মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এসে হাজিরা দিতে হত। পরে আসানসোলে আসা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জিতেন্দ্র তেওয়ারি আবেদন জানিয়েছিলেন।

    কী বললেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি?

    এই প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন,  এদিন কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আমার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন আসানসোলে (Asansol) আমার আসার ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকল না। এখানেই আমার আবাসনও  আছে। কোনও কর্মসূচি করার ক্ষেত্রেও আর অসুবিধা নেই। তবে, প্রতি ১৫ দিন পর পর একবার করে আমাকে এই মামলার তদন্তকারী জ অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে হবে। আদালতের সব নির্দেশ আমি মেনে চলব। উল্লেখ্য, এই মামলাতেই তাঁর স্ত্রী এবং একাধিক কাউন্সিলররা যুক্ত থাকলেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে গতি আনতে ‘স্পিড প্রোগ্রাম’! নয়া নির্দেশিকা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে গতি আনতে ‘স্পিড প্রোগ্রাম’! নয়া নির্দেশিকা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালগুলির কাজে গতি আনতে নতুন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে দ্রুত ও কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই ‘স্পিড প্রোগ্রাম’ চালু করার কথা ভেবেছেন আচার্য। একই সঙ্গে রাজভবনে রিয়েল টাইম মনিটরিং সেল চালু করার কথাও বলা হয়েছে।

    রাজভবনের নয়া নির্দেশিকা

    মঙ্গলবার রাতে রাজভবন থেকে প্রকাশিত ওই নির্দেশিকায় শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত ২৫টি কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, বকেয়া কাজগুলি চিহ্নিত করে সেগুলি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শেষ করার জন্য একটি পরামর্শদাতা কমিটি গড়ার কথাও জানিয়েছেন আচার্য। থাকবে ২৫ সদস্যের শিক্ষক নির্বাচন কমিটিও। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাজের মূল্যায়নের জন্য রাজভবনে একটি ‘রিয়েলটাইম মনিটরিং সেল’ও স্থাপন করা হয়েছে। উপাচার্যেরা যে কোনও সময় আচার্য বোসের ওই মনিটরিং সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। দিনের ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকবে ওই টেলিফোন নম্বর (০৩৩-২২০০১৬৪২) পাশাপাশি ই-মেলে (aamnesaamne.rajbhavankolkata@gmail.com) অভিযোগ জানাতে পারা যাবে ওই মনিটরিং সেলকে। 

    আরও পড়ুন: শতবর্ষ পেরিয়েও সমান জনপ্রিয় সিউড়ির তাঁতিপাড়ার জিলিপি! লুকিয়ে কোন রহস্য?

    উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে মামলা

    বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে মরিয়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছেন তিনি। এদিকে উপাচার্য নিয়োগ বিল মামলায় রাজ্যপালের অফিসের কাছে হলফনামা চেয়েছে হাইকোর্ট। ৪ অক্টোবরের মধ্যে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০২২ সালে জুন মাস উপাচার্য নিয়োগ বিল পাস হয় বিধানসভায়। এরপর রীতিমাফিক সেই বিল রাজ্যপালের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া ওই বছরের ২৫ জুন। কিন্তু বিলে স্বাক্ষর করা তো দুরঅস্ত, রাজ্যপাল কোনও পদক্ষেপই করেননি বলে অভিযোগ। ১৪ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি। রাজভবন সূত্রে খবর, রাজ্যপাল আদালতের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার, ১৩/০৯/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার, ১৩/০৯/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) ভেবেচিন্তে কথা বলুন, তখনই সম্মান পাবেন।

    ২) প্রেম জীবনে সঙ্গীর জন্য কোনও উপহার পেতে পারেন, এর ফলে সম্পর্ক মধুর হবে।

    বৃষ

    ১) রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আপনার ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করবে।

    ২) নতুন কাজ শুরুর জন্য সময় অনুকূল।   

    মিথুন

    ১) অনৈতিক কাজ এড়িয়ে যান।

    ২) সামাজিক কাজে মনোনিবেশ করুন।

    কর্কট

    ১) শুভ কাজে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ২) ভেবেচিন্তে কাজ করুন, না-হলে ভবিষ্যতে আর্থিক পরিস্থিতি নষ্ট হতে পারে।

    সিংহ 

    ১) আত্মীয়দের সঙ্গে বিবাদ চললে তা-ও সমাপ্ত হবে।

    ২) কারও কাছ থেকে ঋণ নেবেন না। কারণ শোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

    কন্যা

    ১) সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনবৃদ্ধি সম্ভব।

    ২) দৈনন্দিন ব্যবসায় ধন লাভ সম্ভব।

    তুলা 

    ১) চাকরিজীবীদের গোপন শত্রুদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) ব্যবসায় কঠিন পরিশ্রমের পর সাফল্য লাভ সম্ভব।

    বৃশ্চিক

    ১) চাকরিতে বাণী মাধুর্যের জোরে বড়সড় সমস্যার সমাধানে সফল হবেন। এর ফলে আর্থিক লাভ সম্ভব।

    ২) পরিবারে ভাই বা বোনের বিয়েতে আগত বাধা পরিবারের সদস্যদের সাহায্যে দূর হবে।

    ধনু

    ১) ব্যবসায় হঠাৎই বড়সড় অর্ডার পেতে পারেন।

    ২) সন্ধ্যা নাগাদ শুভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে হবে।

    মকর

    ১) রোজগারের উদ্দেশে কাজ করছেন যাঁরা, তাঁরা আজ ভালো সুযোগ পাবেন।
     
    ২) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা ও সান্নিধ্য লাভ করবেন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসার জন্য নতুন পরিকল্পনা করতে চাইলে তার জন্য দিন ভালো।

    ২) ভাইদের সঙ্গে বিবাদের সমাধান হবে।

    মীন

    ১) স্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। খাওয়া-দাওয়ার যত্ন নিন।

    ২) প্রেম জীবনে মাধুর্য থাকবে। আজ স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।

     

     
    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • ED: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ঝালদা পুরসভাকে নোটিস পাঠাল ইডি, জেলাজুড়ে শোরগোল

    ED: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ঝালদা পুরসভাকে নোটিস পাঠাল ইডি, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার নাম জড়াল পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভা। ইতিমধ্যেই ইডির (ED) পক্ষ থেকে এই পুরসভায় নোটিস ধরানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ইডি এই পুরসভায় নোটিস পাঠানোয় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে বারাকপুর মহকুমার ৬টি পুরসভাকে ইডি নোটিস পাঠিয়েছিল। এমনকী কামারহাটি পুরসভার একাধিক কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতির মূল পান্ডা অয়ন শীলের বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তী কামারহাটি পুরসভায় চাকরি করেন। অয়ন শীলের সংস্থার প্যানেলে তাঁর চাকরি হয়েছিল। ইডি তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। এরপর কয়েকদিন আগে ডায়মন্ডহারবার পুরসভাকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি নোটিস করেছিল। এবার সেই তালিকা চলে এল ঝালদা পুরসভা।

    ইডি (ED) নোটিস প্রসঙ্গে কী বললেন পুরসভার প্রধান করণিক?

    এ প্রসঙ্গে ঝালদা পুরসভার প্রধান করণিক গৌতম গোস্বামী বলেন, সোমবার ডাক যোগে ও ইমেলে এই নোটিস পান। তাতে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে যে সব নিয়োগ হয়েছে তাঁদের বায়োডাটা-সহ সমস্ত নথি জমা করতে হবে। সেইসঙ্গে সেই সময় থেকে পুরপ্রধান, নির্বাহী আধিকারিক-সহ পুর কর্মচারীদের নাম, ফোন নম্বর এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে। সেইভাবে প্রস্তুতিও নিচ্ছে পুরসভা। পুরসভার পক্ষ থেকে সবরকমভাবে সহযোগিতা করা হবে।

    বিরোধীদের কী বক্তব্য?

    প্রসঙ্গত, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৎপর হয়েছে ইডি (ED)। ২০১৬-১৭ সালে নিয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নিয়োগে কোনও দুর্নীতি হয়নি বলেই দাবি বর্তমান চেয়ারম্যানের। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া অয়ন শীলের থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পুরসভাগুলিতেও নিয়োগে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তোলে ইডি, সিবিআই। তার ভিত্তিতেই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ ছিল, পুর-দুর্নীতিরও তদন্ত হওয়া উচিত এবং তা করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত ২১ এপ্রিল পুরসভায় দুর্নীতির তদন্তভারও সিবিআইকে দেওয়ার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই তদন্ত করছে ইডিও। বিরোধীদের বক্তব্য, আমরা নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বার বার সরব হয়েছিলাম। এবার সেটাই প্রমাণিত হল। আমাদের বিশ্বাস, ইডি প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share