Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ব্রিটিশ আমলের দমন-পীড়ন’’, চাকরিহারা শিক্ষক সুমনের গ্রেফতারিতে গর্জে উঠলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘ব্রিটিশ আমলের দমন-পীড়ন’’, চাকরিহারা শিক্ষক সুমনের গ্রেফতারিতে গর্জে উঠলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি ভবন অভিযানের আগেই চাকরিহারা শিক্ষক সুমন বিশ্বাসকে আটক করার ঘটনায় রাজ্যের শাসকদলকে চাঁচাছোলা ভাষায় বিঁধলেন বিরোধী দল বিজেপির নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুমন বিশ্বাসের আটককে ‘ব্রিটিশ আমলের দমন-পীড়ন’ বলে তোপ দেগেছেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। অনেকেই বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আসলে দুর্নীতিগ্রস্তদের পক্ষে, এই ঘটনা তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “এরকম নির্লজ্জ এবং দু’কানকাটা সরকার এবং প্রশাসন আমরা আগে কোনও দিনও দেখিনি। যেভাবে এই ২৬ হাজার লোকের চাকরি গেল, শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দলের লোভের জন্য, লালসার জন্য। এদের উচিত ছিল মাথা নিচু করে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। এই যে একের পর এক শিক্ষকের অবস্থা খারাপ হচ্ছে, একজন আদিবাসী শিক্ষকের মৃত্যু ঘটল, আমার মনে হয় এটা মার্ডার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক মার্ডার। সেই ভদ্রলোকের জীবন যাওয়ার পরেও যখন যোগ্য শিক্ষকরা তাঁদের চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য যখন আন্দোলনে নেমেছেন, সেই গণতান্ত্রিক শান্তিপ্রিয় আন্দোলনকে যেভাবে এই সরকার দমন-পীড়ন করছে, ব্রিটিশ আমলে স্বাধীনতা সংগ্রাম আন্দোলনকে এভাবে দমন-পীড়ন করা হত। স্বাধীনোত্তর ভারতে এ ধরনের দমন-পীড়ন আমরা দেখিনি।”

    ভোরেই সুমন বিশ্বাসের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ

    প্রসঙ্গত, এদিনই এসএসসি ভবন অভিযানের ডাক দেন চাকরিহারা শিক্ষকদের একটা বড় অংশ। অভিযানের শুরু হওয়ার আগেই আটক করা হয় চাকরিহারা শিক্ষক সুমন বিশ্বাসকে (Suman Biswas)—এমনই অভিযোগ করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। জানা গেছে, আদিসপ্তগ্রাম স্টেশন থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন যে সুমন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ জানিয়েছে, তাঁকে আটক করা হয়েছে। এর আগে আজ ভোরেই আন্দোলনের অন্যতম আহ্বায়ক সুমন বিশ্বাসের ব্যান্ডেলের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। তাঁর পরিবার বলছে, ‘ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ পুলিশ এসে বাড়িতে তল্লাশি চালায়,’ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তুলেছে সুমনের পরিবার “চাকরি না পেয়ে প্রতিবাদ জানানো কি অপরাধ?”

    কী বলছেন সুমন বিশ্বাসের ভাই

    সুমন বিশ্বাসের ভাই সঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, “দাদার এক বন্ধু ফোন করলেন। আদিসপ্তগ্রামে বাড়ি। তাঁর সঙ্গে হয়ত দেখা করে কলকাতা যাওয়ার ভাবনা-চিন্তা করেছিলেন। তিনি হয়ত যেতে দেননি। সে ব্যাপারটা আমি বলতে পারব না। কারণ, কাল রাতের পর আর ফোন হয়নি দাদার সঙ্গে। এখন এই মুহূর্তে খবর পেলাম, আদিসপ্তগ্রাম স্টেশন থেকে দাদা হয়ত আন্দোলনের জন্য যাচ্ছিলেন ট্রেন ধরবে বলে। তখন এসে ধরল। যখন ধরছে দাদাকে কোনও কথা বলতে দেয়নি। সুমন বিশ্বাসকে কোনও কথা বলতে দেয়নি। যখন জিজ্ঞাসা করছে, আপনার কোন থানা থেকে? কোনও সদুত্তর না দিয়ে তুলে নিয়ে চলে গেল। এবার কোন থানায় গেছে, আমার দাদার বন্ধু এখন বিভিন্ন থানায় বাইক নিয়ে ঘুরছে, কোন থানায় নিয়ে গেল। আমরা কি করব? ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়ে যোগ্য চাকরি পাওয়াটা কি তাঁর অপরাধ? আমরা কার কাছে যাব? এই সরকারের কর্মচারী হয়ে যদি এই সরকারের কাছে ধর্ষিত হতে হয় তাহলে আমরা কোথায় যাব?”

    কী বলছেন সুমন বিশ্বাস (Suman Biswas)?

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতির কারণে বাতিল হয়েছে ২০১৬-এর এসএসসির গোটা প্য়ানেল! চাকরি হারিয়ে রাস্তায় বসেছেন যোগ্য শিক্ষকরাও। এই আবহেই যোগ্যদের চাকরিতে পুনর্বহাল, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাতিলের দাবিতে সোমবার ১৭ অগাস্ট এসএসসি ভবন অভিযানের ডাক দেয় চাকরিহারা শিক্ষকদের একটা বড়ো অংশ। সুমন বিশ্বাস বলছেন, “বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বলা হয়েছে কারা নাকি ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ করতে চায়। এই ধরনের কোনও বক্তব্য়ের সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই। এসএসি ভবন অভিযান হবেই। শেষ সময় পুলিশ প্রশাসন ভয় পেয়ে আমাদের আন্দোলনকে ভেঙেচুরে তুবড়ে দেওয়ার জন্য এই পরিকল্পনা করছে কি না সেটা সময় বলবে।” শুধু সুমন বিশ্বাসই নন, এসএসসি অভিযানে যোগ দিতে আসা আরও দুই চাকরিহারাকেও করুণাময়ী থেকে আটক করেছে পুলিশ। চাকরিহারাদের একের পর এক আটক ও গ্রেফতারের ঘটনায় আন্দোলনকারীরা সিদ্ধান্ত নেন, আপাতত আন্দোলন স্থগিত রাখা হবে। তবে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন—সোমবার আন্দোলন স্থগিত থাকলেও তাঁরা নিজেদের দাবি থেকে এক ইঞ্চিও সরবেন না।

  • Ukraine Russia War: ক্রিমিয়া স্বীকৃতি, পূর্ব ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসন! যুদ্ধ-বন্ধের জন্য ট্রাম্পের কাছে কী কী শর্ত রাখলেন পুতিন?

    Ukraine Russia War: ক্রিমিয়া স্বীকৃতি, পূর্ব ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসন! যুদ্ধ-বন্ধের জন্য ট্রাম্পের কাছে কী কী শর্ত রাখলেন পুতিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত দিলেন রাশিয়ার Ukraine Russia War ) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে শর্ত সাপেক্ষে — কিয়েভকে বড় অংশের ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে হবে এবং ক্রিমিয়ার উপর মস্কোর অধিকার স্বীকার করতে হবে। সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানেই তাঁকে এই প্রস্তাব দেন পুতিন। ২০২২ সাল থেকে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। একাধিকবার ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। পুতিনের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন। তার মাঝে শুক্রবার আলাস্কায় ট্রাম্প এবং পুতিনের মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়— দীর্ঘ পাঁচ বছর পর। বৈঠক শেষে একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকও করেন দুই রাষ্ট্রনেতা। উভয়েরই দাবি, বৈঠক ফলপ্রসূ এবং ইতিবাচক হয়েছে।

    ভূখণ্ডের বিনিময়ে শান্তি ও ক্রিমিয়া স্বীকৃতি চায় রাশিয়া

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা জোরকদমে চলছে। সম্প্রতি আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের পর এবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সোমবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউক্রেনকে পুরোপুরি ডোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল থেকে সরে যেতে হবে। অন্যদিকে, রাশিয়া খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে অগ্রগতি বন্ধ রাখবে। পাশাপাশি রাশিয়া ক্ষুদ্র কিছু দখলকৃত এলাকা — যেমন সুমি ও খারকিভ অঞ্চলের প্রায় ৪৪০ বর্গকিমি জমি — ফেরত দিতে পারে।

    রাশিয়ার প্রধান দাবিগুলো হলো

    ইউক্রেনকে ডোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল থেকে সম্পূর্ণভাবে সরে যেতে হবে

    রাশিয়া এই দুই অঞ্চল নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখবে

    সুমি ও খারকিভ অঞ্চলের কিছু অংশ ইউক্রেনকে ফেরত দেওয়া হবে

    ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে

    একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি হবে না

    রাশিয়ার উপর আরোপিত কিছু ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে

    ইউক্রেনের কিছু অঞ্চলে রুশ ভাষাকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে

    ইউক্রেনে রুশ অর্থোডক্স চার্চ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে

    ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে হবে; তবে ‘আর্টিকেল ৫’-এর মতো নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে

    নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ট্রাম্প ইউরোপীয় নেতাদের বলেছেন যে, পুতিন ইউক্রেনকে “ডনবাস পুরোপুরি ছাড়তে” বলেছেন — এটি রাশিয়ার বহু পুরনো অবস্থান।

    ইউরোপের উদ্বেগ ও জেলেনস্কির প্রতিক্রিয়া

    ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে এই চুক্তির প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সুইডেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কার্ল বিল্ডট একে “পুতিনের স্পষ্ট জয় এবং ট্রাম্পের পরাজয়” বলে মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক ফিওনা হিল বলেন, “ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি আদায় করতে পারেননি — যেটি ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য।” ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইউক্রেনের সংবিধান অনুযায়ী দেশের কোনো অংশ ছাড় দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, ডনবাস রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আগ্রাসনের ক্ষেত্র হতে পারে। যদিও তিনি ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের (ট্রাম্প-পুতিন-জেলেনস্কি) সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখেছেন।

    ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন জেলেনস্কি

    আপাতত ইউক্রেনের এক-পঞ্চমাংশ আছে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। আর ডোনেৎস্ক প্রদেশের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অংশ আছে রাশিয়ার দখলে। সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের জন্য ডোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক চেয়েছে। লুহানস্কের প্রায় পুরো জায়গাই আপাতত রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে আছে। যদিও সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছে, ইউক্রেন। পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কোনও সমাধানসূত্র বেরোয়নি। তবে বৈঠকের পর আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’কে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এর পর বাকিটা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির উপর নির্ভর করছে। তাঁকেই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে হবে। সোমবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন জেলেনস্কি। তার পরে কী হয়, আপাতত সে দিকেই চোখ সারা বিশ্বের।

    থাকছেন ইউরোপের অন্য নেতারাও

    শুধু ট্রাম্প-জেলেনস্কি নন, এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা একাধিক ইউরোপীয় নেতার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন আলোচনায় অংশ নেবেন। ট্রাম্প-জেলেনস্কির এই বৈঠক সোমবার দুপুর ১টায় (মার্কিন সময়) অনুষ্ঠিত হবে হোয়াইট হাউসে। ভারতীয় সময় অনুসারে, বৈঠকটি শুরু হবে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে।

  • Constitutional Chaos: রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালদের সময়সীমা বেঁধে দিলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হবে, সুপ্রিম কোর্টে বলল কেন্দ্র

    Constitutional Chaos: রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালদের সময়সীমা বেঁধে দিলে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হবে, সুপ্রিম কোর্টে বলল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার রাষ্ট্রপতি এবং রাজ্যপালদের বিল অনুমোদনের জন্য সময়সীমা নির্ধারণের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে এবং এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আগের এক রায়ের সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করেছে। বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং আর মহাদেবনের ডিভিশন বেঞ্চ চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রায় দিয়েছিল, আইনসভায় গৃহীত বিল নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে তিন মাসের মধ্যে এবং রাজ্যপালদের এক মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শীর্ষ আদালতে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে সরকারের তরফে বলা হয়েছে, এই ধরনের সময়সীমা নির্ধারণ মানে সরকারের (Centre) একটি অঙ্গ নিজের হাতে এমন ক্ষমতা নেওয়া, যা তার হাতে ন্যস্ত নয়। এতে ক্ষমতার সূক্ষ্ম ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং সংবিধানিক বিশৃঙ্খলার (Constitutional Chaos) সৃষ্টি হবে।

    সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, “ধারা ১৪২ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ ক্ষমতা থাকলেও, সংবিধান সংশোধন বা সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্য নষ্ট করার এক্তিয়ার তার নেই, বিশেষত যখন সংবিধানের পাঠে এ রকম কোনও প্রক্রিয়াগত বাধ্যবাধকতা নেই।” তিনি বলেন, “যদিও অনুমোদন প্রক্রিয়ার বাস্তবায়নে সীমিত কিছু সমস্যা থাকতে পারে, তবু একে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে রাজ্যপালের উচ্চপদকে অধস্তন পদে নামিয়ে আনা ন্যায্য নয়।” তাঁর যুক্তি, রাজ্যপাল এবং রাষ্ট্রপতির পদগুলি রাজনীতির ঊর্ধ্বে এবং এগুলি গণতান্ত্রিক শাসনের উচ্চ আদর্শ প্রতিফলিত করে। এই পদগুলির কোনও অভিযোগ বা ত্রুটি থাকলে, সেগুলি রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে, বিচার ব্যবস্থার অযাচিত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে নয়।

    সংবিধানের ২০০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজ্যপাল আইনসভা কর্তৃক পেশ করা বিলগুলিতে সম্মতি দিতে পারেন, সম্মতি স্থগিত রাখতে পারেন অথবা রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষণ করতে পারেন। তিনি চাইলে বিলটি পুনর্বিবেচনার জন্য আইনসভায় ফেরত পাঠাতেও পারেন, তবে যদি আইনসভা তা পুনরায় পাশ করে, সেক্ষেত্রে আর রাজ্যপাল সম্মতি প্রত্যাহার করতে পারবেন না। এছাড়া, যদি কোনও বিল সংবিধান, রাষ্ট্রের নীতিনির্দেশমূলক নীতি বা জাতীয় গুরুত্বের সঙ্গে সংঘর্ষপূর্ণ বলে মনে হয়, তাহলে রাজ্যপাল সেটিকে রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষণ করতে পারেন।

    গত ১২ এপ্রিল তামিলনাড়ু-সংক্রান্ত একটি মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট এই প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে এবং নির্দেশ দেয় যে সাংবিধানিক পদাধিকারীদের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে মুলতুবি বিলগুলির (Centre) নিষ্পত্তি করতে হবে। আদালত নির্দেশ দেয়, “আমরা মনে করি যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা গ্রহণ করা উপযুক্ত হবে এবং নির্ধারণ করা হল যে, রাজ্যপালের বিবেচনার জন্য সংরক্ষিত বিল রাষ্ট্রপতি যে তারিখে পান, সেই তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে (Constitutional Chaos)।”

    রায়ের বিরুদ্ধে আপত্তি ওঠে যে, যেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সুপ্রিম কোর্টের এমন সময়সীমার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৩ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি শীর্ষ আদালতের কাছে মতামত চান এবং রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া বিল মোকাবিলার ক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ২০০ ও ২০১ অনুসারে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের ক্ষমতা সম্পর্কিত মোট ১৪টি প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

    ভারতের প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতির রেফারেন্স মামলার শুনানির জন্য সময়সূচি ঠিক করে এবং রাষ্ট্রপতির উত্থাপিত প্রশ্নগুলির নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়। বেঞ্চে বিচারপতি সুর্য কান্ত, বিক্রম নাথ, পিএস নরসিমহা এবং অতুল এস চন্দুরকরও ছিলেন। বেঞ্চ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলিকে ১২ই অগাস্টের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব জমা (Centre) দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ যার নেতৃত্বে আছেন প্রধান বিচারপতি আগামী ১৯ আগস্ট থেকে মামলাটির শুনানি শুরু করবেন (Constitutional Chaos)।

    প্রসঙ্গত, বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু সরকার। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তামিলনাড়ুর এমকে স্ট্যালিন সরকার। তার প্রেক্ষিতেই গত এপ্রিল মাসে রাজ্যপাল এবং রাষ্ট্রপতিকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়সীমা বেঁধে দেয় দেশের শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিজেপি সাংসদ থেকে শুরু করে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি তথা আইনবিদ জগদীপ ধনখড়ও। আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও (Constitutional Chaos)।

  • Wang Yi: সরকারি সফরে ভারতে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই, সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Wang Yi: সরকারি সফরে ভারতে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই, সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-আমেরিকা শুল্ক-যুদ্ধের আবহেই সোমবার সরকারি সফরে ভারতে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই (Wang Yi)। তিন দিনের সফরে আসছেন তিনি। ১৯ অগাস্ট মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। তার আগে, সোমবার বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং পরে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গেও বৈঠক করবেন ওয়াং ই।

    অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক (Wang Yi)

    বিদেশমন্ত্রকের সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়াং ই-র কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ক ২৪তম বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক। এই আলোচনায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিস্তৃত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। সোমবার তিনি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন, যেখানে আলোচনা হবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার বিষয়ে। অজিত ডোভালের সঙ্গে তাঁর বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে মঙ্গলবার সকালে। এদিন বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ৭, লোককল্যাণ মার্গে তাঁর সরকারি বাসভবনে সাক্ষাৎ করবেন বলে বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত সূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি

    গতকাল এক বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, “ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের আমন্ত্রণে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী মহামান্য ওয়াং ই ১৮-১৯ অগাস্ট ২০২৫ তারিখে ভারত সফর করবেন। এই সফরে তিনি ভারতের বিশেষ প্রতিনিধি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ডোভালের সঙ্গে ভারত-চিন সীমান্ত প্রশ্নে ২৪তম বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক করবেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও ওয়াং ই-র (Wang Yi) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।” প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি মূল প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি, তবে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ভারতে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং এক্স হ্যান্ডেলে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি লিখেছেন, “১৮ থেকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত সিপিসি সেন্ট্রাল কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য, বিদেশমন্ত্রী এবং চিন-ভারত সীমান্ত প্রশ্নে চিনের বিশেষ প্রতিনিধি ওয়াং ই ভারতে সফর করবেন। ভারতের আমন্ত্রণে তিনি চিন ও ভারতের বিশেষ প্রতিনিধিদের মধ্যে সীমান্ত প্রশ্নে ২৪তম দফা বৈঠকে অংশ নেবেন।”

    কেন ওয়াং-এর সফর গুরুত্বপূর্ণ?

    চিনা বিদেশমন্ত্রীর এই সফরের সময় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারণ মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরু করা শুল্ক-যুদ্ধের জন্য নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে। আমেরিকার জারি করা উচ্চ শুল্ক ব্যবস্থার ফলে ভারতের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়েছে। ভারত-চিনের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলেছে সাম্প্রতিককালে। কাছাকাছি আসছে দুদেশ। কয়েকদিন আগে, দুই দেশের মধ্য়ে সরাসরি বিমান পরিষেবা, ভিসা সরলীকরণ এবং কৈলাশ-মানস সরোবর যাত্রা নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।  ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সফরকে ভারত-চিন সম্পর্ক স্থিতিশীল করার চলমান প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আসন্ন চিন সফরের আগে (Wang Yi)।

  • West Bengal Weather Update: ৩০ দিনে ৭টি! বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে নতুন নিম্নচাপ, ফের ভাসবে দক্ষিণবঙ্গ?

    West Bengal Weather Update: ৩০ দিনে ৭টি! বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে নতুন নিম্নচাপ, ফের ভাসবে দক্ষিণবঙ্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে ফের তৈরি হওয়ার পথে নিম্নচাপ। তেমনটা হলে, সেক্ষেত্রে গত ৩০ দিনে এই নিয়ে সাতটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় নিম্নচাপ ঘনীভূত হতে পারে। ফলত বেশ কিছু জেলায় আগামী কয়েকদিন তেড়ে বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মৎস্যজীবীদের জন্যও রয়েছে সতর্কতা।

    কোথায় রয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল?

    আলিপুর হাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের কাছে পশ্চিম-মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। তার ফলে রবিবার নতুন করে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। আবহবিদরা জানান, ঘূর্ণাবর্তটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাড়ে ৯ কিলোমিটার উপরে রয়েছে। এটি আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে এবং শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে। মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট দুপুরে এটি স্থলভাগে ঢুকতে পারে। মূলত দক্ষিণ ওড়িশা এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে এর প্রভাব বেশি থাকবে। ফলে, প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে না। তবে, পরোক্ষ প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায়।

    কী বলছে দক্ষিণবঙ্গের পূর্বাভাস?

    আলিপুরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা বেশি কলকাতায়। আংশিক বা সম্পূর্ণ মেঘলা আকাশ। কয়েক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। পাশাপাশি, আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে। তবে, দক্ষিণবঙ্গে পশ্চিমের জেলার কিছু জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও বজ্রপাতের পূর্বাভাস রয়েছে মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার। মঙ্গলবার এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণের সব জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। বুধবার সতর্কতা জারি করা হয়েছে হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং শনিবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ার একটি বা দুটি অংশে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

    উত্তরের আবহাওয়া থাকবে কেমন?

    অন্যদিকে, সোমবার উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলায়। মঙ্গলবার ও বুধবার বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে উত্তরে। ফের বৃহস্পতিবারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি। শুক্রবারেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায়।

  • CP Radhakrishnan: সংঘ পরিবারের সাধারণ কর্মী থেকে এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হলেন সিপি রাধাকৃষ্ণণ

    CP Radhakrishnan: সংঘ পরিবারের সাধারণ কর্মী থেকে এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হলেন সিপি রাধাকৃষ্ণণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের বর্তমান রাজ্যপাল শ্রী সিপি রাধাকৃষ্ণণকে (CP Radhakrishnan) উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)। রবিবার, ১৭ অগাস্ট এই ঘোষণা সামনে এসেছে এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এই ঘোষণা করেন একটি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে। এনডিএ-র সংসদীয় দলের সংসদীয় বোর্ডের মিটিং সম্পন্ন হওয়ার পরেই তিনি এই ঘোষণা করেন তিনি।

    শ্রী সিপি রাধাকৃষ্ণণ জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৭ সালের ৪ মে

    সিপি রাধাকৃষ্ণণের পুরো নাম হল চন্দ্রপুরম পন্নুস্বামী রাধাকৃষ্ণণ (CP Radhakrishnan)। তাঁকে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল করা হয় ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই। মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হওয়ার আগে তিনি ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও তেলঙ্গানার রাজ্যপাল হিসেবে এবং পুদুচেরির লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। শ্রী সিপি রাধাকৃষ্ণণ জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৭ সালের ৪ মে, তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুরে। এর পরে তিনি পড়াশোনা করেন তুতিকোরিনের ভিও চিদাম্বরম কলেজে এবং সেখান থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতক হন।

    তিনি দুবার কোয়েম্বাটুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন

    তিনি একজন ভূমিস্তরের কর্মকর্তা হিসেবে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। তারপরে ধীরে ধীরে নিজের দক্ষতা ও প্রতিভার জোরেই তিনি উপরে উঠতে থাকেন। তিনি দুবার কোয়েম্বাটুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জানা যায়, ভারতীয় জনসংঘের সঙ্গেই তার প্রথম রাজনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয় এবং জনসংঘের রাজ্য কমিটির একজন সদস্য হন, যা ছিল বর্তমান বিজেপির পূর্বসূরি। ১৯৭৪ সালে তিনি জনসংঘের রাজ্য কমিটির সদস্য হন। জনসংঘে যোগদানের আগে তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) স্বয়ংসেবক ছিলেন বলেও জানা যায়।

    ১৯৯৬ সালে সিপি রাধাকৃষ্ণণ তামিলনাড়ু বিজেপির সম্পাদক হন

    ১৯৯৬ সালে সিপি রাধাকৃষ্ণণ তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) বিজেপির সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। এরপরেই তিনি লোকসভার সাংসদ হন (CP Radhakrishnan) কোয়েম্বাটুর থেকে ১৯৯৮ সালে। পরে, ১৯৯৯ সালেও তিনি পুনরায় সাংসদ পদে নির্বাচিত হন। সংসদে থাকাকালীন তিনি পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলান এবং একই সঙ্গে পার্লামেন্টারি কমিটি ফর পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিংস ও স্পেশাল কমিটি অন ইনভেস্টমেন্ট ইন দ্য স্টক এক্সচেঞ্জ-এর সদস্যও ছিলেন।

    ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতি

    ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত রাধাকৃষ্ণণকে (CP Radhakrishnan) দায়িত্ব দেওয়া হয় তামিলনাড়ুর রাজ্য বিজেপি সভাপতি হিসেবে। এই সময়ে তিনি ৯৩ দিনব্যাপী একটি রথযাত্রা কর্মসূচি গ্রহণ করেন, যা প্রায় ১৯,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ছিল। এই রথযাত্রার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতের সমস্ত নদীগুলোর সংযোগ সাধন, সন্ত্রাসবাদ দমন, ‘এক দেশ এক আইন’ বাস্তবায়ন, অস্পৃশ্যতা নির্মূল এবং মাদকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলা।

    কোচির নারকেল বোর্ডের চেয়ারম্যান

    সিপি রাধাকৃষ্ণণকে চেয়ারম্যান করা হয় কোচির  নারকেল বোর্ডের, যা কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ছোট শিল্প উদ্যোগ মন্ত্রকের অধীনস্থ। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি ওই বোর্ডের দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়কালে নারকেলের ছোবড়ার রফতানি সর্বোচ্চ হয় এবং ভারত ২৫৩২ কোটি টাকার নারকেলের ছোবড়া রফতানি করতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে, তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয় কেরালার বিজেপি পর্যবেক্ষক হিসেবে এবং ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি সেই দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতির বাইরে রাধাকৃষ্ণণ টেবিল টেনিস খুব ভালো খেলতেন। জানা যায়, নিজের কলেজ জীবনে তিনি টেবিল টেনিসের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। এছাড়াও, তাঁর ক্রিকেট ও ভলিবলের প্রতিও বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।

    একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন

    তিনি একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন। সফর করা দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল, নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, তুরস্ক, চিন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, তাইল্যান্ড, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, জাপান প্রভৃতি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন যে, “তিনি দীর্ঘদিন জনসেবায় যুক্ত ছিলেন। রাধাকৃষ্ণণজির মধ্যে কর্তব্যবোধ, মানবিকতা এবং বুদ্ধিমত্তা রয়েছে। তিনি এর আগেও একাধিক দায়িত্ব সামলেছেন এবং সর্বদা লক্ষ্য রেখেছেন জনগণের সেবা এবং দরিদ্রদের সশক্তিকরণে। তামিলনাড়ুতে তিনি ভূমিস্তরে কাজ করেছেন। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে এনডিএ পরিবার তাঁকে উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে।”

    সিপি রাধাকৃষ্ণণের মা কী বলছেন?

    সিপি রাধাকৃষ্ণণের মা জানিয়েছেন, তিনি খুবই খুশি তাঁর ছেলের এই সাফল্যে। তিনি বলেন, “যখন আমার ছেলে জন্মগ্রহণ করে, আমরা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম যেন সে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের মতো হয়। সেই অনুযায়ী তার নাম রাখা হয়। আজ সেই প্রার্থনা সফল হয়েছে।” উল্লেখ্য, সিপি রাধাকৃষ্ণণ ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত এবং তিনি হতে চলেছেন দ্বিতীয় কোনও ওবিসি নেতা যিনি দক্ষিণ ভারত থেকে উপরাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হবেন। তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) থেকে তিনিই তৃতীয় নেতা যিনি উপরাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসছেন। মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণণের নাম ঘোষণায় তামিলনাড়ুর বিজেপির সহ-সভাপতি নারায়ণ ত্রিপাঠী বলেন, “আমরা গর্বিত।”

  • EC to Rahul Gandhi: “প্রমাণ দিন নয়তো ক্ষমা চান”, ভোট চুরি নিয়ে রাহুলকে ৭ দিনের ডেডলাইন নির্বাচন কমিশনের

    EC to Rahul Gandhi: “প্রমাণ দিন নয়তো ক্ষমা চান”, ভোট চুরি নিয়ে রাহুলকে ৭ দিনের ডেডলাইন নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভোট চুরি’ বিতর্কে লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে (EC to Rahul Gandhi) তাঁর দাবির সপক্ষে এক সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে বলল কমিশন। অন্যথায় তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে। এ ছাড়া তৃতীয় কোনও পথ খোলা নেই। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বিহারের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া ঘিরে বিতর্কের আবহেই নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলেছেন রাহুল গান্ধী। রাহুলের অভিযোগ ‘সংবিধানের অবমাননা’ বলে তোপ দেগেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তাঁর সাফ কথা, “নির্বাচন কমিশনের কাঁধে বন্দুক রেখে ভারতের ভোটারদের নিশানা করা হচ্ছে। রাজনীতি করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সকলের কাছে স্পষ্ট করে দিতে চায়, কমিশন কোনও ভেদাভেদ না করে ধনী-দরিদ্র, প্রবীণ, মহিলা, যুবা, প্রত্যেক শ্রেণি, প্রত্যেক ধর্মের ভোটারদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। ভবিষ্যতেও থাকবে। কমিশন এবং ভোটাররা তুচ্ছ রাজনীতিতে ভয় পায় না।”

    ভোটার তালিকাকে ত্রুটিমুক্ত করাই একমাত্র লক্ষ্য

    বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ এবং নিবিড় সংশোধন (SIR) শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। খসড়া তালিকা থেকে ৬৫ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। তা নিয়ে এখন সরগরম রাজনীতি। এসআইআর নিয়ে দেশ জুড়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই বিতর্কের আবহে কংগ্রেস সাংসদ ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলেছেন। রবিবার থেকে বিহারে ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ শুরু করেছেন তিনি। ১৬ দিন ব্যাপী চলবে এই কর্মসূচি। রাহুলের কর্মসূচি শুরুর দিনেই দিল্লি থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কমিশন। এসআইআর প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে কমিশনের দাবি, ভোটার তালিকাকে ত্রুটিমুক্ত করাই এই প্রক্রিয়ার লক্ষ্য। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল এটির বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে।

    সাত দিনের মধ্যে হলফনামা জমা দিন

    ‘ভোট চুরি’র অভিযোগকেও ভিত্তিহীন বলেই ব্যাখ্যা করছে কমিশন। জ্ঞানেশের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে কোনও ভেদাভেদ করে না। কমিশনের কাছে শাসক এবং বিরোধী উভয় শিবিরই সমান, তা-ও সাংবাদিক বৈঠকে জানান তিনি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কথায়, তাঁদের দরজা সকলের জন্য সমান ভাবে খোলা। ‘ভোট চুরি’ বিতর্কে নাম না-করে রাহুলকে নিশানা করেন তিনি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “হয় হলফনামায় স্বাক্ষর করুন অথবা ক্ষমা চান। তৃতীয় কোনও বিকল্প নেই। যদি (রাহুল) সাত দিনের মধ্যে হলফনামা জমা না দেন, তা হলে বুঝে নিতে হবে তাঁর অভিযোগ ভুল।”

    ‘নির্বাচন কমিশনের ষড়যন্ত্র’

    বিহারের ভোট অধিকার যাত্রায় রাহুল স্পষ্টতই বলেন, ‘‘ভোট চুরির বিষয়ে আমরা আগেও জানতাম। কিন্তু কীভাবে ভোট চুরি হত, ত জানা ছিল না। সম্প্রতি জানা যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশনই এই কাজে যুক্ত। এসব কিছুই নির্বাচন কমিশনের ষড়যন্ত্র।’’ রাহুলের আরও অভিযোগ, সারা দেশেই বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের ভোট চুরি হচ্ছে। সে আসাম হোক বা বাংলা, মহারাষ্ট্র হোক বা বিহার। তাঁর কথায়, ‘‘ভোট চোরদের আমরা খুব শিগগিরিই ধরব ও মানুষের সামনে হাজির করব। আগামী ভোটেও ভোট চুরি হতে চলেছে। বিহারের এসআইআর বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন আদতে নির্বাচন কমিশনের একটি পরিকল্পনা‌। উদ্দেশ্য ভুয়ো ভোট বাড়িয়ে ও নতুন ভোটারদের সরিয়ে নির্বিচন জিতিয়ে দেওয়া একটি বিশেষ দলকে।’’ এই আবহে রবিবার দুপুরে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এ ছাড়াও এ দিন উপস্থিত ছিলেন অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সাঁধু এবং বিবেক জোশীও। রাহুল গান্ধী-সহ অন্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির ‘ভোটচুরি’ সংক্রান্ত অভিযোগ এদিন উড়িয়ে দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ‘সত্যি সত্যিই হয় (সচ সচ হোতা হ্যায়…) সূর্য পূর্ব দিকেই ওঠে। কারও কথায় পশ্চিম দিকে ওঠে না। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ‘‘কোথাও ভুয়ো ভোটার থাকলে তা ৭ নম্বর ফর্ম পূরণ করে আবেদন করলে নির্বাচনে কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা না করে পরে ভোট চুরির এই অভিযোগ তোলা আদতে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা ছাড়া আর কিছুই নয়।’’

    সংবিধানের অপমান

    জ্ঞানেশের বক্তব্য, নিয়ম অনুসারে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষের ৪৫ দিনের মধ্যে এই সংক্রান্ত মামলা করা যেতে পারে। ওই সময়ের মধ্যে কোনও অভিযোগ না জানিয়ে পরে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তোলা মানে সংবিধানকে অপমান করা। ‘ভোট চুরি’র মতো শব্দ ব্যবহার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে খাটো করে। কমিশন বা সাধারণ ভোটারেরা এই ধরনের অভিযোগ নিয়ে একেবারেই ভীত নয় বলে জানান তিনি। কমিশনের দাবি, কিছু ভোটার দ্বিগুণ ভোট দেওয়ার আশঙ্কার কথা তুললেও কোনও প্রমাণ জমা পড়েনি। জ্ঞানেশের বক্তব্য, “এক কোটিরও বেশি কর্মী নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকেন। এত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কী করে ‘ভোট চুরি’ হতে পারে!” বিহারের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে ৬৫ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়া নিয়ে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক তরজা। এ বার এই বিতর্কে রাশ টানার চেষ্টা করল কমিশন। সমস্ত রাজনৈতিক দলের বুথ স্তরের প্রতিনিধিরা যে খসড়া তৈরির পরে তাতে সই করেছে, সে কথাও মনে করাল নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি সেখানে যে কোনও ত্রুটি সংশোধনের জন্য এখনও ১৫ দিন সময় রয়েছে, জানানো হলো সেই বিষয়টিও। কমিশনের দরজা প্রত্যেকের জন্য সমান ভাবে খোলা বলেও জানান জ্ঞানেশ কুমার।

  • Kidney Stones: কিডনিতে পাথর! বারবার হতে পারে ভোগান্তি! কোন পথে সমাধান?

    Kidney Stones: কিডনিতে পাথর! বারবার হতে পারে ভোগান্তি! কোন পথে সমাধান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীর সুস্থ রাখতে এবং নিয়মিত সুস্থ জীবন যাপনের জন্য শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের সক্রিয় থাকা এবং সুস্থ থাকা জরুরি। কিন্তু সম্প্রতি কিডনির রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বয়সের সীমানায় আর রোগের ভোগান্তি আটকে থাকছে না। খুব কম বয়সিদের মধ্যেও কিডনির রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে কিডনিতে পাথর (Kidney Stones) হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পেটে অসহ্য যন্ত্রণা, বমি, কিংবা হাত-পা অসাড় হয়ে যাওয়ায় মতো নানান সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো শারীরিক পরীক্ষা করে দেখা যায় কিডনিতে পাথর! তাঁরা জানাচ্ছেন, কিডনিতে পাথর জমা এমন একটা সমস্যা, যা বারবার ফিরে আসতে পারে। এর ফলে ভোগান্তি বাড়ে। স্বাভাবিক সুস্থ জীবন যাপন করা মুশকিল হয়ে ওঠে। খুব কম বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দিচ্ছে। কিডনি দেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর ফলে শরীরে তার গভীর প্রভাব পড়ছে।

    কেন কিডনিতে পাথর (Kidney Stones) জমে?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কিডনি হল দেহের ছাঁকনি! অর্থাৎ,শরীরের সমস্ত দূষিত পদার্থ কিডনিতে গিয়ে জমা হয়। মূত্রত্যাগের মাধ্যমে শরীরে থেকে সেই দূষিত পদার্থ নিষ্কাশন হয়ে যায়। কিন্তু এই নিষ্কাশন ঠিকমতো না হলেই কিডনিতে পাথর তৈরি হয়। শরীরে ক্যালসিয়াম অক্সালেট, ক্যালসিয়াম ফসফেট, ইউরিক অ্যাসিডের মতো অতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় উপাদান এবং দূষিত পদার্থ জমে এই পাথর তৈরি হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন‌ যাপনের জেরেই কিডনিতে পাথর জমার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

    কীভাবে এই রোগের ঝুঁকি কমাবেন?

    পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খেলে শরীরে একাধিক রোগ মোকাবিলা সহজ হয়। বিশেষত কিডনিকে সক্রিয় এবং সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খান না। এর ফলে শরীরের দূষিত পদার্থ ঠিকমতো নিষ্কাশন হয় না। ফলে কিডনিতে পাথর (Kidney Stones) জমে। তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের চার থেকে পাঁচ লিটার জল খাওয়া জরুরি। তাহলে এই ধরনের রোগের ঝুঁকি কমবে।

    অক্সালেট জাতীয় খাবারে রাশ জরুরি!

    কিডনিতে পাথর (Kidney Stones) জমার মতো সমস্যা এড়াতে খাবারের দিকে নজরদারি জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস কিডনিতে পাথর জমার ঝুঁকি কমায়। তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত টাটকা সব্জি এবং ফল খাওয়া জরুরি। এতে শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন, আয়রন এবং খনিজ পদার্থের জোগান থাকে‌। এর ফলে শরীরে অপ্রয়োজনীয় ক্ষতিকারক উপাদান তৈরি হতে পারে না। আবার অতিরিক্ত পরিমাণে লবন, চিনি, বাদাম জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা দরকার। কারণ এগুলো কিডনিতে বাড়তি অক্সালেট জমতে সাহায্য করে‌। পাশপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবার একেবারেই খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের অনেকেই নিয়মিত বার্গার, পিৎজার মতো রাসায়নিক পদার্থ মেশানো প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতেই অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। তাই কিডনিতে পাথর জমার মতো সমস্যা বাড়ছে।

    দেহের ওজন নিয়ে বাড়তি সজাগ!

    দেহের ওজন বাড়লে যেমন সতর্কতা জরুরি, তেমনি অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করে দেহের ওজন কমাতে গেলেও বিপদ ঘটতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দেহের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে কিংবা দ্রুত ওজন ঝরালে কিডনিতে পাথর জমার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, স্থূলতা কিডনি কিংবা হৃদপিণ্ডের উপরে চাপ সৃষ্টি করে। আবার খুব দ্রুত ওজন কমালেও কিডনির উপরে চাপ পড়ে। কারণ এই দুই ক্ষেত্রেই শরীরে হরমোনের মারাত্মক হেরফের হয়। তাই কিডনিতে পাথর (Kidney Stones) জমার মতো ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে‌ এবং শরীর চর্চা করলে স্থুলতা এড়ানো সম্ভব। আবার যদি কোনও কারণে শরীরের ওজন অপ্রয়োজনীয় ভাবে বেড়ে যায়, তাহলে তাড়াহুড়ো নয়। বরং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো নির্দিষ্ট ভাবে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করেই সেই ওজন ঝরানো জরুরি। তাহলে এই ধরনের রোগ এড়ানো সহজ হয়।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Ramakrishna 444: শুধু পণ্ডিত যদি বই লিখে বা মুখে উপদেশ দেয়, সে কথা তত ধারণা হয় না

    Ramakrishna 444: শুধু পণ্ডিত যদি বই লিখে বা মুখে উপদেশ দেয়, সে কথা তত ধারণা হয় না

    শ্রী রামকৃষ্ণ: ছোটন নরেন আর বাবুরামের জন্য এলাম। পূর্ণকে কেন আনলে না?

    মাস্টার: সভায় আসতে চায় না। তার ভয় হয়—আপনি পাঁচজনের সাক্ষাতে সুখ্যাতি করেন, পাশে বাড়িতে জানতে পারে।

    শ্রী রামকৃষ্ণ: পণ্ডিতদের ও সাধুদের শিক্ষা ভিন্ন—সাধুসঙ্গ।

    শ্রী রামকৃষ্ণ: হ্যাঁ, তা বটে। যদি বলে ফেলি, তো আর বলব না। আচ্ছা, পূর্ণকে তুমি ধর্মশিক্ষা দিচ্ছ? এ তো বেশ।

    মাস্টার: তাছাড়া বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বইতে, সিলেকশন-এ ওই কথাই আছে—“ঈশ্বরকে দেহ, মন, প্রাণ দিয়ে ভালবাসবে।” একথা শেখালে কর্তারা যদি রাগ করেন, তো কী করা যায়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ: ওদের বইয়ে অনেক কথা আছে বটে, কিন্তু যারা বই লিখেছে তারা ধারণা করতে পারে না। সাধু সংঘ হলে তবে ধারণা হয়। ঠিক ত্যাগী যদি, সাধু যদি উপদেশ দেয়, তবেই লোকে সে কথা শোনে। শুধু পণ্ডিত যদি বই লিখে বা মুখে উপদেশ দেয়, সে কথা তত ধারণা হয় না। যার কাছে গুড়ের নাগরী আছে, সে যদি রোগীকে বলে গুড় খেও না, রোগী তার কথা তত শোনে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ:
    আচ্ছা, পূর্ণের অবস্থা কীরকম দেখেছো? ভাব-ধাব কি হয়?

    মাস্টার:
    ওই ভাবের অবস্থা বাইরে সেরকম দেখি, দেখতে পাই না। আপনার সেই কথাটি তাকে বলেছিলাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ:
    কোন কথাটি?

    মাস্টার:
    সেই যে আপনি বলেছিলেন, সামান্য আধার হলে ভাব সংবরণ করতে পারে না; বড় আধার হলে ভিতরে খুব ভাব হয়, কিন্তু বাইরে প্রকাশ থাকে না। যেমন বলেছিলেন—সাইয়ের দিঘিতে হাতি নামলে টের পাওয়া যায় না, কিন্তু ডোবাতে নামলে তোলপাড় হয়ে যায় আর পাড়ের উপর জল উপচে পড়ে।

  • PM Modi: ২২ অগাস্ট রাজ্যে আসছেন মোদি, তিন নতুন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন, বক্তব্য রাখবেন দলীয় জনসভায়

    PM Modi: ২২ অগাস্ট রাজ্যে আসছেন মোদি, তিন নতুন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন, বক্তব্য রাখবেন দলীয় জনসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যবাসীকে এক ‘ঐতিহাসিক উপহার’ দিচ্ছে মোদি সরকার (PM Modi)। এমাসেই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২২ অগাস্ট দমদমে প্রশাসনিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি, তিনটি নতুন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন ওই দিনই তিনি পরিবর্তন সংকল্প সভাতেও বক্তব্য রাখবেন।

    কোন কোন পথে ছুটবে নতুন মেট্রো?

    রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনটি নতুন পাতালরেল রুট হল:

    শিয়ালদহ থেকে এসপ্ল্যানেড (West Bengal)

    বেলেঘাটা থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি)

    নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ (বিমানবন্দর)

    এই তিনটি রুট চালু হলে শহরের উত্তর, মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে।

    হাওড়া মেট্রো স্টেশনের সাবওয়েরও উদ্বোধন (West Bengal)

    ২২ অগাস্টের একই অনুষ্ঠানে হাওড়া মেট্রো স্টেশনের সাবওয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। হাওড়া স্টেশন থেকে মেট্রো পরিষেবা নিতে যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে তৈরি এই সাবওয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সমাজমাধ্যমে এই খবর ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর তিনি এই খবর প্রকাশ্যে আনেন। এই উদ্যোগকে তিনি পশ্চিমবঙ্গের জন্য এক ‘ঐতিহাসিক উপহার’ বলে বর্ণনা করেছেন (PM Modi)। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটেই পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে ১৩,৯৫৫ কোটি টাকা। বর্তমানে রাজ্যে রেল পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রায় ৮৩,৭৬৫ কোটি টাকার কাজ চলছে।

    ১০১টি স্টেশনকে বিশ্বমানের রূপে পুনর্নির্মাণ

    ৯টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ও ২টি অমৃত ভারত ট্রেন চালু

    পরিকাঠামোগত উন্নয়নের একাধিক প্রকল্প

    আরও বিস্তৃত হচ্ছে কলকাতার মেট্রো নেটওয়ার্ক

    এই নতুন তিনটি রুট চালুর মাধ্যমে কলকাতা মেট্রোর পরিষেবা আরও বিস্তৃত হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দ্রুত, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রেলের এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

LinkedIn
Share