Tag: Madhyom

Madhyom

  • Kumbh Mela Viral Girl Monalisa: কুম্ভ মেলার ‘ভাইরাল’ গার্ল মোনালিসা নাবালিকা! শংসাপত্র অনুযায়ী বয়স ১৬, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি পুলিশের

    Kumbh Mela Viral Girl Monalisa: কুম্ভ মেলার ‘ভাইরাল’ গার্ল মোনালিসা নাবালিকা! শংসাপত্র অনুযায়ী বয়স ১৬, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলায় রাতারাতি ইন্টারনেটে পরিচিতি পাওয়া মোনালিসাকে (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই কিশোরী এখনও নাবালিকা। তাঁর জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) অনুযায়ী বর্তমান বয়স মাত্র ১৬ বছর ২ মাস (Minor Birth Certificate)।

    তদন্তকারী সংস্থা এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাবালিকা মনবালিসার চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। উল্লেখ্য কেরলে মুসলিম যুবকের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে পরিবারের তরফে নাবালিকার বিবাহ, লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তরকরণের মতো অভিযোগ করে সরব হয়েছিলেন। মোনালিসার বাবা মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের কাছে বিচার চেয়ে আবেদনপত্রও জমা করেছিলেন। এরপর জন্মের প্রমাণপত্র নিয়ে শুরু হয় বিস্তর জল্পনা।

    বয়স সংক্রান্ত তথ্য (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa)

    মোনালিসার বার্থ সার্টিফিকেট (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) বা জন্ম শংসাপত্র যাচাই করে দেখা গেছে যে, তাঁর বয়স এখনও আঠারো বছর পূর্ণ হয়নি। অর্থাৎ আইনত তিনি একজন নাবালিকা। নাবালিকা (Minor Birth Certificate) হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। পুলিশ এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    ভাইরাল হওয়ার প্রভাব

    কুম্ভমেলার (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) সময় তাঁর ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা তাঁকে রাতারাতি লাইমলাইটে নিয়ে আসে। তবে তাঁর প্রকৃত বয়স সামনে আসায় এখন সেই জনপ্রিয়তার নেপথ্যে থাকা আইনি ও নৈতিক দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কেন এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ?

    ভারতের আইন অনুযায়ী, একজন নাবালিকার (Minor Birth Certificate) পরিচয় বা তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। পুলিশের মতে, এই ঘটনায় নাবালিকার সুরক্ষা ও অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের ক্ষেত্রে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে, যেখানে বয়সের প্রমাণপত্র (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) ছাড়া যে কোনও তথ্য বা ব্যক্তিকে প্রচার করার ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তবে মোনালিসার বিবাহকে ঘিরে এখন তাঁর জন্মের প্রমাণপত্র ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। একাধিক রাজনৈতিক নেতা এবং মুসলিম নেতাদের কাঠগড়ায় তোলার ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • INS Taragiri: নীল-জলের যুদ্ধে আরও শক্তিশালী হওয়ার পথে ভারত, ৩ এপ্রিল নৌসেনায় কমিশন্ড হচ্ছে স্টেলথ ফ্রিগেট ‘তারাগিরি’

    INS Taragiri: নীল-জলের যুদ্ধে আরও শক্তিশালী হওয়ার পথে ভারত, ৩ এপ্রিল নৌসেনায় কমিশন্ড হচ্ছে স্টেলথ ফ্রিগেট ‘তারাগিরি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামুদ্রিক সার্বভৌমত্বের লক্ষ্যে আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। আগামী ৩ এপ্রিল, বিশাখাপত্তনমে ভারতীয় নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন করা হবে অত্যাধুনিক স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস তারাগিরি (INS Taragiri)’। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর। ‘আইএনএস তারাগিরি’-র কমিশন হওয়া শুধুমাত্র একটি নতুন যুদ্ধজাহাজের অন্তর্ভুক্তি নয়, বরং ভারতের সামুদ্রিক কৌশল ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।

    শক্তিশালী স্টেলথ ফ্রিগেট আইএনএস তারাগিরি…

    প্রজেক্ট ১৭এ-র অধীনে নির্মিত এই ফ্রিগেটটি সিরিজের চতুর্থ জাহাজ। প্রায় ৬,৬৭০ টন ওজনের ‘তারাগিরি’ শুধুমাত্র একটি যুদ্ধজাহাজ নয়, বরং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মুম্বইয়ের মাজাগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড (MDL)-এ নির্মিত এই জাহাজটি দেশীয় শিপবিল্ডিং শিল্পের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পূর্ববর্তী শিবালিক-শ্রেণির উপর ভিত্তি করে এই ফ্রিগেট তৈরি হলেও, ‘তারাগিরি’ নকশাগত দিক থেকে এক প্রজন্ম এগিয়ে। এর আধুনিক নকশা এবং কম রেডার ক্রস-সেকশন একে শত্রুপক্ষের নজর এড়িয়ে কার্যকরভাবে অভিযান চালাতে সক্ষম করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতীয় নৌবাহিনীর স্টেলথ ক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে।

    ব্রহ্মসে সজ্জিত তারাগিরি যে কোনও মোকাবিলায় প্রস্তুত

    উল্লেখযোগ্যভাবে, ‘তারাগিরি’-তে ব্যবহৃত উপকরণের ৭৫ শতাংশেরও বেশি দেশীয়ভাবে তৈরি। এর নির্মাণে ২০০-রও বেশি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME) অংশ নিয়েছে, যা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও জাহাজটি অত্যন্ত আধুনিক। কম্বাইন্ড ডিজেল অর গ্যাস (CODOG) প্রোপালশন ব্যবস্থার মাধ্যমে এটি উচ্চগতি ও দীর্ঘ সময় সমুদ্রে টিকে থাকার ক্ষমতা রাখে। ‘আইএনএস তারাগিরি’-র অস্ত্রসজ্জা বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলার জন্য তৈরি। এর অস্ত্রভান্ডারে রয়েছে সুপারসনিক সারফেস-টু-সারফেস ব্রহ্মস মিসাইল, মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (MRSAM) এবং উন্নত অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থা। এর কমব্যাট স্যুটে রয়েছে MFSTAR, একটি ৭৬ মিমি সুপার র‍্যাপিড গান, এবং ৩০ মিমি ও ১২.৭ মিমি ক্লোজ-ইন অস্ত্র ব্যবস্থার সমন্বয়। জলের নিচে বিপদের মোকাবিলায় এতে রয়েছে অ্যান্টি-সাবমেরিন রকেট ও টর্পেডো। অত্যাধুনিক কমব্যাট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে এই সব ব্যবস্থা একত্রে পরিচালিত হয়, যা যেকোনও পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করে।

    ভারত মহাসাগরে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা—বিশেষত চিনের নৌবাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে—‘আইএনএস তারাগিরি’-র মতো স্টেলথ ফ্রিগেট ভারতের সামুদ্রিক প্রতিরোধ ক্ষমতা (maritime deterrence) বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষেত্রেও ‘আইএনএস তারাগিরি’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে সক্ষম। এর বহুমুখী ব্যবহারিকতা একে কূটনৈতিক মিশন থেকে শুরু করে জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পর্যন্ত বিভিন্ন কাজে উপযোগী করে তুলেছে। ভারতীয় নৌবাহিনী ক্রমেই একটি আধুনিক, সক্ষম এবং আত্মনির্ভর শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। ‘আইএনএস তারাগিরি’-র কমিশনিং সেই যাত্রারই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও মজবুত করবে এবং ভারতের উত্থানশীল নৌশক্তির প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

     

  • IPL 2026: ফের ধাক্কা কেকেআর শিবিরে! এবার আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপও

    IPL 2026: ফের ধাক্কা কেকেআর শিবিরে! এবার আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (IPL 2026) শুরুর সাত দিন আগে ফের ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) শিবিরে। হর্ষিত রানার পর চোটের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন বাংলার জোরে বোলার আকাশদীপ। শনিবার সরকারি ভাবে আকাশদীপকে না পাওয়ার কথা জানিয়েছে কেকেআর। ফলে আইপিএল শুরুর আগে আরও দুর্বল হল কেকেআরের বোলিং আক্রমণ।

    চোট পেয়ে অনিশ্চিত আকাশদীপ

    গত ১৮ মার্চ থেকে ইডেন গার্ডেন্সে প্রস্তুতি শিবির শুরু করেছে কেকেআর। এই শিবিরে যোগ দেননি আকাশদীপ। তিনি বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে রিহ্যাব করছেন। তাঁর অবস্থা সম্পর্কে কেকেআর কর্তৃপক্ষ বা বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাবে কিছু বলা হয়নি। তবে শনিবার কেকেআর-এর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ‘‘চোটের জন্য গোটা আইপিএলেই আকাশদীপকে পাওয়া যাবে না। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।’’ ২৯ বছরের বোলারকে ১ কোটি টাকায় দলে নিয়েছিল কেকেআর। হর্ষিতের পরিবর্ত বোলার এখনও নির্বাচন করতে পারেননি কেকেআর কর্তৃপক্ষ। তার মধ্যে আকাশদীপের চোট আরও বিপদে ফেলে দিল রাহানাদের। আগামী ২৮ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএল। কেকেআরের প্রথম ম্যাচ ২৯ মার্চ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে।

    চিন্তায় কেকেআর বোলিং 

    কদিন আগেই দলের বড় তারকা পেসার হর্ষিত রানা চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছেন। টি-২০ বিশ্বকাপের আগে চোট পেয়ে টিম ইন্ডিয়ার স্কোয়াড থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন হর্ষিত। শ্রীলঙ্কার তারকা পেসার মাথিশা পাথিরানাও চোটের কারণে এপ্রিলের মাঝ পর্যন্ত খেলতে পারবেন না। ফলে দলের পেস আক্রমণ নিয়ে মাথায় হাত অজিঙ্কা রাহানের দলের। এখন শাহরুখ খানের দলের পেসার হিসাবে থাকছেন বৈভব আরোরা, কার্তিক ত্যাগী, উমরন মালিক ও জিম্বাবোয়ের ব্লেসিং মুজারাবানি। খুব সম্ভবত উমরন মালিক ও কার্তিক ত্যাগীকে প্রথম ম্য়াচে স্পেশালিস্ট পেসার হিসাবে খেলানো হতে পারে। দুই স্পিনার হিসাবে খেলতে পারেন সুনীল নারিন ও বরুণ চক্রবর্তী। থাকছেন কিউই স্পিনার-অলরাউন্ডার রচিন রবীন্দ্রকেও। হাত ঘোরাতে দেখা যেতে পারে ২৫ কোটি ২৯ লক্ষ টাকার অজি পেস-অলরাউন্ডার ক্যামেরুন হোয়াইটকেও।

    কেকেআর পূর্ণাঙ্গ দল: অজিঙ্কা রাহানে, আংকৃশ রঘুবংশী, অনুকুল রায়, মনীশ পান্ডে, রমনদীপ সিং, রিঙ্কু সিং, ⁠রোভমান পাওয়েল, সুনীল নারিন, উমরান মালিক, বৈভব অরোরা, বরুণ চক্রবর্তী, ক্যামেরন গ্রিন, তেজস্বী সিং, টিম সাইফার্ট, ফিন অ্যালেন, রাহুল ত্রিপাঠি, কার্তিক ত্যাগী, দক্ষ কামরা, রাচিন রবীন্দ্র, মাথিশা পাথিরানা, সার্থক রঞ্জন।
  • Strait of Hormuz: শীঘ্রই মিটতে চলেছে জ্বালানি সংকট! হরমুজ পেরোচ্ছে ভারতের আরও ২ এলপিজি ট্যাঙ্কার

    Strait of Hormuz: শীঘ্রই মিটতে চলেছে জ্বালানি সংকট! হরমুজ পেরোচ্ছে ভারতের আরও ২ এলপিজি ট্যাঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও দুই অপরিশোধিত তেলবাহী ভারতীয় জাহাজ পার করবে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অস্থির হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভারতীয় পতাকাবাহী আরও দুইটি এলপিজি ট্যাঙ্কার—‘পাইন গ্যাস’ (Pine Gas) এবং ‘জগ বসন্ত’ (Jag Vasant)—আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রণালী অতিক্রমের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে ওই দুই জাহাজ। মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, দুটি জাহাজই যাত্রার সংকেত পাঠাতে শুরু করেছে। বাণিজ্যিক সূত্রের দাবি, খুব শীঘ্রই তারা রওনা দিতে পারে।

    ভারতীয় জাহাজগুলির অবস্থান

    ২ দিন আগের রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে ২২টি ভারতীয় জাহাজ উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে রয়েছে। এর মধ্যে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (Indian Oil Corporation)-এর ‘পাইন গ্যাস’ এবং ভারত পেট্রোলিয়ম-এর (Bharat Petroleum) ‘জগ বসন্ত’ ও রয়েছে। দু’টি জাহাজই এলপিজি ট্যাঙ্কার। সহজ ভাষায় বললে, রান্নার গ্যাস আসছে। জাহাজ দু’টি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজার কাছে নোঙর করে রয়েছে। তবে শীঘ্রই রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় নৌপরিবহণ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা জানিয়েছেন, এই দু’টি জাহাজ চলাচলের বিষয়ে এখনও নিখুঁত তথ্য পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্রিয়। গত সপ্তাহে ইরান দু’টি ভারতীয় এলপিজি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দেয়। ইতিমধ্যেই এলপিজি নিয়ে সেই জাহাজগুলি ভারতে এসেও গিয়েছে বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও ইরানের সুসম্পর্ক এবং ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানের ফলেই এই সুযোগ মিলেছে।

    তেল পরিবহণে স্থবিরতা, সীমিত চলাচল

    গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে কোনও ক্রুড অয়েল ট্যাঙ্কার চলাচল করেনি। ইরানের হুঁশিয়ারির পর বহু জাহাজই নোঙর করে অপেক্ষা করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। তবে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলার পর ইরান ওই প্রণালীর উপর ‘দখল’ রেখেছে। হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, কোনও পণ্যবাহী জাহাজকে প্রণালী পার করতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি এগোনোর চেষ্টা করে, তবে পরিণতি ‘সাংঘাতিক’ হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। কয়েকটি জাহাজে হামলাও হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। কয়েকটি দেশের জাহাজ পারাপারের ‘অনুমতি’ দেয় ইরান।

    ভারতের কূটনৈতিক উদ্যোগ

    এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার নিরাপদ নৌ-চলাচলের ওপর জোর দিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা ভারতের ২২টি জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও আন্তর্জাতিক স্তরে যোগাযোগ রাখছেন। গত সপ্তাহে ইরান দু’টি ভারতীয় এলপিজি ট্যাঙ্কারকে পারাপারের অনুমতি দিয়েছিল। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে সীমিত পরিসরে জাহাজ চলাচল এখনও সম্ভব। এই দুই ভারতীয় ট্যাঙ্কারের সম্ভাব্য যাত্রা এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কারণ, এটি ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে স্বাভাবিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হবে কিনা, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিতে পারে।

    ইরান থেকে তেল আমদানি!

    আগেই হরমুজ দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে বারবার ছাড়পত্র দিয়েছে ইরান। সেদেশ থেকে ফের অপরিশোধিত তেল কেনার পরিকল্পনা করছে ভারতের বিভিন্ন রিফাইনারি। তেল কেনা নিয়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আপাতত কিছুটা শিথিল করেছেন ট্রাম্প। এমতাবস্থায়, সেই সুযোগই কাজে লাগাতে চাইছিল ভারত। যদিও ইরান জানিয়ে দিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির মতো অতিরিক্ত তেলের জোগান এই মুহূর্তে তাদের হাতে নেই। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ভারতের তৈল শোধনাগারগুলি ইরান থেকে পুনরায় ক্রুড অয়েল আমদানি শুরু করার বিষয়ে প্ল্যান করছে। তেহরানে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা ছাড় দিচ্ছে। সেই সুযোগেই ভারত বিকল্প উৎস হিসেবে ইরানের দিকে ঝুঁকছে। তবে ইরানের তেল মন্ত্রকের বক্তব্যই কিছুটা চিন্তার বিষয়। তাদের দাবি, বর্তমানে কোনও ‘ফ্লোটিং ক্রুড’ বা অতিরিক্ত মজুত নেই।

    ইরান-মার্কিন সংঘাতে তেলের দামে আগুন

    হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাসের দাম হুহু করে বেড়েছে (Global Oil Crisis)। ইরানের বক্তব্য, পথ শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ট্যাঙ্কারদের জন্যই বন্ধ, অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে আপাতত বাধা নেই। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “হরমুজ খোলা। শুধু যারা আমাদের শত্রু বা আমাদের আক্রমণ করছে এবং তাদের মিত্রদের জন্যই এটি বন্ধ।”

    ভারতের জন্য কী বার্তা?

    কয়েকদিন আগেই ভারতের দু’টি জাহাজ ‘শিবালিক’ ও ‘নন্দাদেবী’ নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে গুজরাতে পৌঁছেছে। এখন নজর আরও দুই জাহাজের গতিপ্রকৃতিতে। হরমুজে এলপিজি ট্যাঙ্কার জগ বসন্ত (Jag Vasant), বিডব্লিউ এল্ম (BW Elm), বিডব্লিউ লয়্যালিটি (BW Loyalty), পাইন গ্যাস (Pine Gas), গ্রিন সাংভি (Green Sanvi), জগ বিক্রম (Jag Vikram) এবং গ্রিন আশা (Green Asha) আটকে ছিল। এর মধ্যে কমপক্ষে চারটি ‘ভেরি লার্জ গ্যাস ক্যারিয়ার’, বাকি তিনটি মিড-সাইজ ক্যারিয়ার। ভারতের মাসিক চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ বহন করছে এই জাহাজগুলি। এই ৬টি ট্যাঙ্কার মিলিয়ে বহন করছে প্রায় ৩.৩৪ লক্ষ মেট্রিক টন এলপিজি (LPG), যা ভারতের মাসিক চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ। তুলনায়, সম্প্রতি নিরাপদে দেশে এসে পৌঁছনো শিবালিক (Shivalik) ও নন্দা দেবী (Nanda Devi) নামের দুটি ট্যাঙ্কার এনেছিল প্রায় ৪৬ হাজার টন করে এলপিজি (LPG)। ‘পাইন গ্যাস’ ও ‘জগ বসন্ত’-এও ৪৫ থেকে ৪৬ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি থাকতে বলে জানা যাচ্ছে।

  • DA: এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করতে হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা, ভোটের মুখে আরও চাপে মমতা

    DA: এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করতে হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা, ভোটের মুখে আরও চাপে মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত মহার্ঘ ভাতা (DA) সংক্রান্ত আইনি লড়াই বর্তমানে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছে। এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ এবং অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (AICPI)-এর তথ্যকে ভিত্তি করে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার জন্য দাবি করেছে কর্মচারীরা। ভোটের আগে মামলা মমতা সরকারকে চাপে ফেলবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের থেকে এখনও ৪০ শতাংশ ডিএ পাওয়ার বিষয়ে পিছিয়ে রয়েছে রাজ্যের কর্মীরা।

    ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ (Calcutta High Court)

    বিচারপতি (Calcutta High Court) মধুরেশ প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছে ইউনিটি ফোরাম নামে একটি সংস্থা। ইতিমধ্যে শুনানি হয়েছে কোর্টে। তাতে রাজ্য প্রশাসনের আর্থিক অবস্থান ও কর্মীদের অধিকারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সূচক অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা যে হারে ডিএ (DA) পান, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও সেই সমতা বজায় রাখা উচিত। রাজ্য সরকার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করার সময় ডিএ-র যে হিসেব দিয়েছিল, তা বর্তমান বাজারদরের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    আর্থিক সামর্থ্য বনাম আইনি বাধ্যবাধকতা

    রাজ্য সরকার বারবারই তাদের সীমিত আর্থিক সংস্থানের কথা উল্লেখ করেছে। তবে আদালতের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ডিএ কেবল দয়ার দান নয়, বরং এটি সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকারের আওতায় পড়ে। ডিএ মামলাটি এখন কেবল আইনি লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই, এটি একটি বড় সামাজিক ও প্রশাসনিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ষষ্ঠ বেতন (DA) কমিশনের কাঠামো সংস্কার এবং কেন্দ্র-রাজ্য ডিএ-র ফারাক কমানোর বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই বলে দেবে, রাজ্যের অর্থভাণ্ডার ও কর্মচারীদের অধিকারের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে।

    পিটিশনে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়

    কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ষষ্ঠ বেতন কমিশন (DA) যে পদ্ধতিতে বেতন ও ভাতার হার নির্ধারণ করেছে, তা বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। দীর্ঘ সময় ধরে কেন্দ্র ও রাজ্যের মহার্ঘ ভাতার মধ্যে যে বিস্তর ফারাক তৈরি হয়েছে, তা মেটানোর কোনো সুনির্দিষ্ট দিশা রাজ্য সরকার দেখায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। মামলাকারীদের (Calcutta High Court) মতে, মহার্ঘ ভাতা কোনো দয়া বা অনুদান নয়, বরং এটি সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখার জন্য একটি বিধিবদ্ধ অধিকার। রাজ্য সরকার এই অধিকার থেকে কোনও ভাবেই কর্মচারীদের বঞ্চনা করা যাবে না।

  • Appellate Tribunal: নাম বাদ পড়লে, ভয় নেই! অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন কমিশনের, জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    Appellate Tribunal: নাম বাদ পড়লে, ভয় নেই! অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন কমিশনের, জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশের আগে অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন করল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সুপারিশের ভিত্তিতে এই ট্রাইবুনাল (Appellate Tribunal) গঠন করা হয়েছে। প্রাক্তন বিচারপতিদের রাজ্যের বিভিন্ন জেলার অ্যাপিলেট অথরিটি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এই বিচারকরা চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন তা-ই চূড়ান্ত। সেটা কমিশনও মেনে নেবে। নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নির্ভুল রাখতে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও আইনি কাঠামোর মধ্যে আনতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কারা কোন বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন

    কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে ১৯ জন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং বিচারপতিকে নিয়ে এই ট্রাইবুনাল (Appellate Tribunal) গঠন করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমও আছেন অ্যাপিলেট অথরিটি হিসেবে। তিনি উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং কলকাতার আবেদন শুনবেন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছাড়াও প্রাক্তন বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনায়। পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে প্রাক্তন বিচারপতি তপেন সেন, প্রাক্তন বিচারপতি প্রণব কুমার দেব কোচবিহারে, পূর্ব বর্ধমানে প্রাক্তন বিচারপতি প্রভাত কুমার দে, প্রাক্তন বিচারপতি রঘুনাথ রায় নদিয়া, প্রাক্তন বিচারপতি অশোক কুমার দাস অধিকারী হাওড়া, প্রাক্তন বিচারপতি দীপক সাহা রায় দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে, প্রাক্তন বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে, প্রাক্তন বিচারপতি তৌফিক উদ্দিন দক্ষিণ দিনাজপুরে, প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং বিশ্বজিৎ বসুকে বিধানসভা অনুযায়ী মুর্শিদাবাদে, প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, প্রাক্তন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় হুগলি, প্রাক্তন বিচারপতি মুমতাজ খান পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া, প্রাক্তন বিচারপতি মীর দারা শেকো পশ্চিম বর্ধমান, প্রাক্তন বিচারপতি দেবীপ্রসাদ দে উত্তর দিনাজপুর, প্রাক্তন বিচারপতি মনোজিৎ মণ্ডল বীরভূম এবং প্রাক্তন বিচারপতি সিদ্ধার্থ রায় চৌধুরীকে মালদা জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কারা আবেদন করবেন ট্রাইবুনালে

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ফাইনাল ভোটার লিস্ট বেরিয়ে গিয়েছে। সেই তালিকায় ৬০ লক্ষের বেশি নাম বিচারাধীন বা অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায় ছিল। আর সেই সব ভোটারদের নথি যাচাই করছে জুডিশিয়াল অফিসারের। এই নথি নিষ্পত্তির পর একটা বড় অংশের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, যাঁদের নাম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে বাদ যাবে, তাঁরা অনলাইন বা অফলাইনে আপিল ট্রাইবুনালে (Appellate Tribunal) আবেদন জানাতে পারবেন। বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে ২০ লক্ষ ভোটারের নামের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে সোমবার। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের পরে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাজের অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে। এর পরবর্তী সপ্তাহ থেকে প্রতি শুক্রবার একটি করে তালিকা প্রকাশ করা হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত ঝুলে থাকা ৬০ লক্ষ আবেদনের সবক’টির নিষ্পত্তি ঘটছে।

    কীভাবে আবেদন করবেন

    এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কীভাবে ট্রাইবুনালে (Appellate Tribunal) করা যাবে আবেদন? আর সেই বিষয়টাও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, অনলাইন ও অফলাইন, দুইভাবেই আবেদন করা যাবে ট্রাইবুনালে। কমিশন জানিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে চাইলে ECI Net প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে https://ecinet.eci.gov.in-এ গিয়ে আপিল করুন। তাহলেই কাজ হবে। আপনার আবেদন শুনবে ট্রাইবুনাল। আপনি চাইলে অফলাইনেও আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ডিএম, এসডিও ও এডিএম অফিসে গিয়ে করতে হবে আবেদন। তারপর ওই সংশ্লিষ্ট অফিস থেকেই নথি ডিজিটালাইজড করে আপলোড করে দেওয়া হবে। এরপর নির্দিষ্ট সময় শুরু হবে নিষ্পত্তি। সমস্ত আবেদনের নিষ্পত্তি হয়ে গেলে আর ট্রাইবুনালের কোনও অস্তিত্ব থাকবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গে বিশেষ নজর

    অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল (WB Voter List Tribunal) গঠন করে নির্বাচন কমিশন (ECI) বুঝিয়ে দিল এসআইআর প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে ভোটপর্ব সবেতেই স্বচ্ছ্বতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর তারা। উত্তরবঙ্গের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে কমিশনের। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সুপারিশে রাজ্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে। ১৯টির মধ্যে ৫টি ট্রাইবুনাল উত্তরবঙ্গে। মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর ছাড়া কোচবিহারের জন্য পৃথক পৃথক ট্রাইবুনাল থাকছে। অন্য একটি ট্রাইবুনাল কালিম্পং, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলার আবেদনের নিষ্পত্তি করবে।

  • Mamata Banerjee: শনি সকালে কালীঘাটে পুজো শুভেন্দুর, মুসলিম ভোট পেতে রেড রোডে মমতা

    Mamata Banerjee: শনি সকালে কালীঘাটে পুজো শুভেন্দুর, মুসলিম ভোট পেতে রেড রোডে মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির ময়দানে আজ বিশেষ ছবি ধরা পড়ল। একদিকে রেড রোডের নমাজে অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), অন্যদিকে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে দিন শুরু করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উৎসবের আবহে ধর্মীয় অনুষঙ্গকে সঙ্গী করেই ২০২৬-এর নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দিলেন রাজ্যের দুই প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। এই নির্বাচনে মুসলিম ভোটই যে মমতার ভোটব্যাঙ্ক, সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছে না রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাই ইদের দিনে সোজা রেড রোড থেকেই নির্বাচনী প্রচার করলেন। বিজেপির অভিযোগ,  তোষণ-নীতিকেই বরাবর অগ্রাধিকার দিয়েছেন মমতা।

    কালীঘাটে শুভেন্দুর পুজো ও প্রচারের শপথ (Mamata Banerjee)

    শনিবার সকাল সকালেই কালীঘাট মন্দিরে পৌঁছান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দেবী দর্শনের পর তিনি বলেন, “রাজ্যের মঙ্গল কামনায় এবং আগামীর লড়াইয়ে আশীর্বাদ নিতেই আমার মা কালীর কাছে প্রার্থনা। ধর্মীয় আচার পালনের মাধ্যমেই আমি জনসেবার সংকল্প গ্রহণ করেছি।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি যে কোমর বেঁধে নামছে, সেই ইঙ্গিতও এদিন তিনি দিয়েছেন। কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচার পর্ব সেরে ফেললেন শুভেন্দু অধিকারী। নকুলেশ্বর শিব মন্দির, জগন্নাথ মন্দিরেও পুজো দিতে দেখা যায়। তবে এদিন কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে আসাকে কেন্দ্র করে বেনজির নিরাপত্তা ছিল মন্দির চত্বরে। তাঁর আসার ঘন্টাখানেক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তা ছিল মন্দির চত্বরে।

    কেন এই কর্মসূচী তাৎপর্যপূর্ণ?

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুই ভিন্নধর্মী কর্মসূচী আসলে প্রতীকী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন তাঁর চিরাচরিত ‘সর্বধর্ম সমন্বয়’ ও ‘সংখ্যালঘু সমর্থন’ অটুট রাখার বার্তায় হিন্দুত্ব এবং হিন্দু ধর্মকে সমালোচনা করেন, তেমনি রেড রোডে নামাজে যোগদান করে মুসলিম প্রীতিকে বেশি করে প্রধান্য দেন। রাজ্যের ৩৫ শতাংশ ভোট নিজের পকেটে পুড়তে সর্বাত্মক চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তেমনি ‘হিন্দুত্বের আবেগ’ এবং ‘সনাতনী ভোটব্যাঙ্ক’ সংহত করার কৌশল বজায় রাখলেন। উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি দুই নেতাই পরোক্ষে বুঝিয়ে দিলেন—আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের লড়াই শুরু হয়ে গেছে।

    পরোক্ষ ভাবে অনুপ্রবেশকে সমর্থন মমতার

    আজ সকালে রেড রোডে আয়োজিত নমাজে শামিল হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে মুসলিম ভাই-বোনদের শুভেচ্ছা জানান। তবে সেখানই মুসলিম সমাজের ভোট পেতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুপ্রবেশকারী বলে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গে কোথাও অনুপ্রবেশ নেই বলে ইঙ্গিত দেন।

  • Assembly Elections 2026: প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ সোমবার! তার পর কবে অতিরিক্ত তালিকা, জানাল কমিশন

    Assembly Elections 2026: প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ সোমবার! তার পর কবে অতিরিক্ত তালিকা, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কবে বেরোবে, তা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার (Assembly Elections 2026) বিকেলেই প্রথম দফায় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বার করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, বুথভিত্তিক সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary List) পুরো প্রস্তুত না হওয়ায় শুক্রবার তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের তরফে ৪০ হাজার বুথের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই দুটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বার করবে কমিশন।

    প্রতি শুক্রবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ২৭ লাখ ৩০ হাজার অভিযোগের নিস্পত্তি হয়েছে। রাজ্যের সাত হাজারের বেশি বুথ থেকে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা কমিশনের কাছে পৌঁছেছে। তবে সম্পূর্ণ তালিকা এখনও পাওয়া যায়নি। বাকি বুথ থেকে তালিকা কমিশনে আসার পরেই প্রথম অতিরিক্ত তালিকাটি প্রকাশ করা যাবে। সোমবার বিকেলের পর শুক্রবার ফের তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তার পরে প্রতি শুক্রবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তবে তা ছিল অসম্পূর্ণ। ওই তালিকায় ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯ জনের নাম ‘যোগ্য’ হিসাবে রয়েছে। ‘বিবেচনাধীন’ ভোটার রয়েছেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন।

    ইদের পরেই তালিকা প্রকাশ

    হাইকোর্ট নিযুক্ত ৭০০-র বেশি বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বানানোর কাজ করছেন। সিইও দফতর সূত্র জানা গিয়েছে, এই গতিতে চললে ভোটের আগে সমস্ত বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল, দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে হবে। শুক্রবারই প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট দিন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। ইদের সময় তালিকা প্রকাশে মত নেই বিচারকদের। তাঁদের আশঙ্কা, ইদের সময় তালিকা বেরোলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হুমকির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁদের। গতকালই দুই দফায় ডিজি ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সিইও ও বিশেষ পর্যবেক্ষকের সঙ্গেও বৈঠক করেন। জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। ইদের সময় তালিকা প্রকাশে মত ছিল না বিচারকদের। পরবর্তীতে ইদ মেটার পরই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • Weather Update: রাত থেকে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া! শহরে পারদ নামল ছ’ডিগ্রি, কতদিন চলবে নিমনচাপ?

    Weather Update: রাত থেকে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া! শহরে পারদ নামল ছ’ডিগ্রি, কতদিন চলবে নিমনচাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তের মাঝেই বৃষ্টির ছোঁয়া। রাতভর বৃষ্টি হল কলকাতায়। শনিবার সকাল থেকেও আকাশের মুখ ভার। রোদ ওঠেনি। উল্টে ঝিরঝির বৃষ্টি হয়ে চলেছে। কয়েকদিন এমন আবহাওয়া (Rain in Bengal) থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় বৃষ্টি চলবে। কোথাও কোথাও দেখা দিতে পারে শিলাবৃষ্টি। সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্রও আপাতত দু’দিন উত্তাল থাকবে। ঘূর্ণাবর্তের কারণেই শনিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর (Weather Update)।

    দক্ষিণবঙ্গে ধারাপাত

    শনিবার দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি রয়েছে। বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের কিছু অঞ্চলে আজ ঝড়ো হাওয়ার গতি আরও বেশি হতে পারে- ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সেই সঙ্গে থাকতে পারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও। কলকাতা ও বাকি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (West Bengal Today) দমকা হাওয়ার গতি ৫০-৬০ কিমির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস। রবিবারও বৃষ্টি (Rain Forecast) চলবে দক্ষিণবঙ্গে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রবিবার হালকা বৃষ্টিপাত (Weather Update) দেখা যেতে পারে।

    রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ উত্তরপ্রদেশের উপর এবং ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। সেখান থেকে একটি অক্ষরেখা মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ হয়ে নাগাল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। তা গিয়েছে ঝাড়খণ্ড, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং দক্ষিণ অসমের উপর দিয়ে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অক্ষরেখাটির উচ্চতা ০.৯ কিলোমিটার। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তাই রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে।

    ঠান্ডা হাওয়ার দাপট

    ঝড়বৃষ্টির (Rain Forecast) কারণে এক ধাক্কায় কলকাতার পারদ নেমে গিয়েছে ছ’ডিগ্রি। শুক্রবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে তা হয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়েও যা ৪.৪ ডিগ্রি কম। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দু’দিন পারদ নামার পর ফের তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগ চলছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। মালদা, উত্তর দিনাজপুর-সহ উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা। আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি চলবে।

  • High-Protein Diet Risks: অতিরিক্ত প্রোটিন বিপদ বাড়াচ্ছে শহুরে ভারতীয়দের! কোন পথে আটকানো সম্ভব?

    High-Protein Diet Risks: অতিরিক্ত প্রোটিন বিপদ বাড়াচ্ছে শহুরে ভারতীয়দের! কোন পথে আটকানো সম্ভব?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের প্রাতঃরাশে খান কয়েক ডিম। দুপুরে আবার পাতে থাকছে মাছ কিংবা মাংস! সন্ধ্যা হতেই চটজলদি খাবার না পেলে মন ভরে না। কখনও এগ চিকেন রোল, আবার কখনও চিকেন মোমো! বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার সঙ্গী চিকেন পিৎজা কিংবা বার্গার! বিয়ের নেমন্তন্ন কিংবা জন্মদিন উদযাপন, মাছ-মাংস না থাকলে তো ভুরিভোজ অসম্পূর্ণ! আর এতেই বাড়াচ্ছে বিপদ! শহুরে ভারতীয়দের নিয়মিত খাবারের তালিকায় অধিকাংশ সময়েই প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন খাবার থাকছে। আর তার জেরেই নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    অতিরিক্ত প্রোটিন কী? শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে কি অতিরিক্ত প্রোটিন খাওয়ার অভ্যাস বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে প্রোটিনের চাহিদা কতখানি, সেটা নির্ভর করে বয়স ও শরীরের ওজনের উপরে। অর্থাৎ, সাধারণত শরীরে প্রতি কেজিতে এক গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের ৮০ কেজি ওজন হলে, দিনে তাঁর ৮০ গ্রাম প্রোটিন যথেষ্ট। আবার প্রাপ্ত বয়স্ক মহিলার ওজন যদি ৫০ কেজি হয়, তাহলে দিনে তাঁর ৫০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া জরুরি। তবে নিয়মিত খেলাধূলা করলে বা অতিরিক্ত জিম করলে, শরীরে প্রোটিনের বাড়তি চাহিদা হয়। অর্থাৎ, কেজি প্রতি ২ গ্রাম প্রোটিন জরুরি হয়। একজন খেলোয়াড়ের ৮০ কেজি ওজন হলে, তার ১৫০-১৬০ গ্রাম প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি।

    ফাস্ট ফুডে রয়েছে অতিরিক্ত প্রোটিন ও ফ্যাট

    তবে সাধারণ মানুষের প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন নিয়মিত খাচ্ছেন। অর্থাৎ, শরীরে ৮০ গ্রাম প্রোটিন দরকার হলেও দেখা যাচ্ছে, নিয়মিত তাঁরা ১৫০-২০০ গ্রাম প্রোটিন জাতীয় খাবার খাচ্ছেন। যা খুবই বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শহুরে ভারতীয়দের চটজলদি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাসের জেরেই নিয়মিত অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া হচ্ছে। পিৎজা, বার্গার, রোল কিংবা হটডগের মতো খাবারে প্রোটিন থাকে, মাংস, ডিম কিংবা পনির, সোয়াবিন জাতীয় খাবার দিয়েই এগুলো তৈরি হয়। তরুণ প্রজন্মের বহু শহুরে ভারতীয় এই ধরনের খাবার নিয়মিত খান। তার ফলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন ও ফ্যাট শরীরে যায়। যা সুস্থ থাকার পথে সমস্যা তৈরি করে।

    অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে শরীরে কী ক্ষতি হতে পারে?

    কিডনি সমস্যা হতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত প্রোটিন শরীরে অতিরিক্ত বর্জ্য তৈরি করে। ফলে কিডনির কার্যকারিতা বাড়ে। নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণে প্রোটিন খেলে কিডনির কাজ বাড়ে। ফলে কিডনির সমস্যা হতে পারে।

    ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রোটিন উপাদান শরীরে মিশতে জলের প্রয়োজন হয়। তাই নিয়মিত অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে, অতিরিক্ত পরিমাণ জল খাওয়া জরুরি। তবে অনেকেই সেই অনুপাতে জল পান করেন না। ফলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা যায়। তাই অতিরিক্ত গরমে বাড়তি প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি।

    হজমের সমস্যা হতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রোটিন হজম করতে সময় লাগে। তাই নিয়মিত অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে হজমের গোলমাল হতে পারে। লিভারের ওপরেও বাড়তি চাপ পড়ে।

    ওজন‌ বাড়তে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে অধিকাংশ সময়েই প্রোটিন জাতীয় খাবার অতিরিক্ত তেল ও মশলা ব্যবহার করে রান্না করা হয়। তাই শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট জমে। অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে, পর্যাপ্ত শারীরিক কসরত করা জরুরি। কিন্তু সেটা না হলে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়তে থাকবে। তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, খাবারে প্রোটিন রাখার পাশপাশি কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, ফাইবার রাখাও জরুরি। অর্থাৎ, পনির, মাছ কিংবা মাংসের সঙ্গে সম পরিমাণে সব্জি, ফল খেতে হবে। তবেই হজম ঠিকমতো হবে। অতিরিক্ত ওজন বাড়বে না।

LinkedIn
Share