Tag: Madhyom

Madhyom

  • Kolkata Air Pollution: ধূলিকণার সঙ্গে মিশছে বিষাক্ত গ্যাস! কেন কলকাতায় বায়ুদূষণ লাগামহীন?

    Kolkata Air Pollution: ধূলিকণার সঙ্গে মিশছে বিষাক্ত গ্যাস! কেন কলকাতায় বায়ুদূষণ লাগামহীন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নতুন বছরের প্রথম মাসেই বারবার কলকাতার বাতাস উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। রাজ্যের রাজধানীর বাতাসে যে হারে দূষণ বাড়ছে, তাতে স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কলকাতার বাতাসে শুধুই ধূলিকণা নয়, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট। যা আরও বড় বিপদ তৈরি করতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। বারবার কেন কলকাতার বায়ুদূষণ লাগামহীন হয়ে উঠছে সে নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আর প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও। সাম্প্রতিক এক গবেষণা কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এনেছে। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ না নিলে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংস্থা কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরের বায়ুদূষণ নিয়ে সমীক্ষা ও গবেষণা চালায়। সেই গবেষণাতেই কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে মারাত্মক তথ্য উঠে‌ আসছে। দেখা গিয়েছে, এই শহরের বাতাসের গুণমান খারাপ হওয়ার নেপথ্যে শুধুই ধূলিকণা নেই। বরং রয়েছে বিষাক্ত গ্যাস। শীতের মরশুমে কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বেড়েছে। আর তাই নতুন বছরের প্রথম মাসেই বারবার লাগামহীন বায়ুদূষণ জানান দিচ্ছে। কলকাতার বাতাসে অতিরিক্ত পরিমাণ নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মোনো অক্সাইড, গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন, কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকারক গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে। যা কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে। সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হয় বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। কিন্তু কলকাতায় বায়ুদূষণের কারণ শুধুই ধূলিকণা নয়। বরং এই বিষাক্ত গ‌্যাসের দাপট। ফলে, জনস্বাস্থ্যে এর প্রভাব আরও গভীর ও ক্ষতিকারক।

    কেন কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বেড়েছে?

    বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ জানাচ্ছেন, কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ অনিয়ন্ত্রিত ভাবে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো। চলতি শীতের মরশুমে তাপমাত্রার পারদ পতন অনেকখানি হয়েছিল। আর শীতের হাত থেকে রেহাই পেতে শহর জুড়ে একাধিক জায়গায় বর্জ্য জ্বালানো হয়েছে। এর ফলে বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মোনো অক্সাইড, গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন গ্যাসের মতো বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ বেড়েছে। এমনকি একটি বিষাক্ত গ‌্যাসের সঙ্গে আরেকটি গ্যাস মিশে আরও ক্ষতিকারক উপাদান তৈরি হয়েছে। ফলে কলকাতার বায়ুদূষণ লাগামহীন হয়ে উঠছে।

    কলকাতার বায়ুদূষণ কেন বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূষণের জেরে স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হয়। কলকাতায় যে হারে বায়ুদূষণ বাড়ছে তা স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করছে। বিশেষত শুধু ধূলিকণা নয়। বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের যে হারে উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। বাতাসের বিষাক্ত গ্যাস শ্বাসনালী, বক্ষঃনালী, ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াবে। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেবে। হাঁপানি, শ্বাসকষ্টের মতো রোগের দাপট বাড়বে। এমনকি ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। এই পরিস্থিতির জেরে শিশুদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। খুব কম বয়স থেকেই শ্বাসকষ্ট, সিওপিডি-র মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। এমনকি নিউমোনিয়ার মতো রোগের দাপট ও বাড়বে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    প্রশাসনের ভূমিকা কেন প্রশ্নের মুখে?

    পরিবেশবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। শহর জুড়ে নির্মাণ কাজ চলে। বড় বড় বহুতল তৈরি হয়। কিন্তু অধিকাংশ জায়গায় সেই নির্মাণ কাজে কিছুই ঢাকা দেওয়া থাকে না। এমনকি পুরসভাও সে নিয়ে নজরদারি চালায় না।‌ ফলে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। যা বাতাসকে দূষিত করে। আবার যত্রতত্র বর্জ্য পোড়ানো নিয়েও পুর কর্তৃপক্ষের কড়া পদক্ষেপ নজরে পড়ে না।‌ দেশের বিভিন্ন বড় শহরের বর্জ্য পুনঃব্যবহারযোগ্য করার জন্য নানান প্রক্রিয়া চলে। কলকাতায় এখনো যত্রতত্র বর্জ্য পোড়ানোর ঘটনা জানান দিচ্ছে, এই শহরে রিসাইকেল প্রক্রিয়া একেবারেই ঠিকমতো চলে না। ফলে, শহর জুড়ে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বাড়ছে। যা রাজ্যবাসীর বিপদের কারণ হতে পারে। সাধারণ মানুষকে বায়ুদূষণ নিয়ে সতর্ক করার পাশপাশি বায়ুদূষণ রুখতে প্রশাসনের সক্রিয়তা জরুরি। তবেই কলকাতার বাতাস ‘শুদ্ধ’ হয়ে উঠতে পারবে।

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে অমুসলিমরা সাংসদ হতে পারবেন না”! ক্ষমতায় এলেই শরিয়া শাসনের অঙ্গীকার জামাত নেতার, ভিডিও ভাইরাল

    Bangladesh: “বাংলাদেশে অমুসলিমরা সাংসদ হতে পারবেন না”! ক্ষমতায় এলেই শরিয়া শাসনের অঙ্গীকার জামাত নেতার, ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বরগুনায় একটি নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামির (Jamaat leader) এক নেতার মন্তব্যের ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হওয়ার পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জামাত নেতা আফজাল হোসেন তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন, “দেশে কেবল মুসলমানদেরই সংসদ সদস্য হওয়া উচিত। বাংলাদেশ (Bangladesh) শরিয়া আইন অনুসারে পরিচালিত হওয়া উচিত।” এই মন্তব্যে এখন তোলপাড় পদ্মাপারের দেশ।

    আপনারা কি কুরআন ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চান?

    গত ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশের (Bangladesh) বরগুনার বামনা উপজেলার দৌয়াতলা স্কুল মাঠে হওয়া অনুষ্ঠানের সময় আফজাল হোসেনকে জামায়াতে ইসলামিতে যোগদানকারী একজন হিসেবে আয়োজকরা পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময়, আফজাল হোসেন ধর্ম এবং রাজনীতি সম্পর্কে জোরালো বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “যে দেশে প্রায় ৮০% জনসংখ্যা মুসলিম, সেখানে এমন কোনও সংসদ সদস্য থাকা উচিত নয় যিনি ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে যান। উপস্থিতি জনগণরাই বলুক আপনারা কি কুর’আন ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চান নাকি অন্যান্য ব্যবস্থা চান। জামায়াতে ইসলামি কুর’আন দ্বারা পরিচালিত একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই সব সময় কাজ করবে। দুর্নীতি, চুরি, সন্ত্রাসীর মতো অপরাধ বন্ধ করতে হবে। জামাত-সমর্থিত প্রার্থীরা ধর্ম, ন্যায়বিচার এবং আদর্শ বুঝেই কাজ করছে।” ভাষণের ভিডিওটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পর, আফজাল হোসেনের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে একাধিক সংবাদমাধ্যম। কিন্তু কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।

    আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    বিতর্কের জবাবে, বরগুনা-২ (Bangladesh) আসনের জন্য জামায়াতে ইসলামির মনোনীত প্রার্থী ডঃ সুলতান আহমেদ বলেন, “আফজাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে দলের সদস্য ছিলেন না। তিনি তাঁকে স্থানীয় একজন প্রবীণ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন। আফজাল হোসেন আবেগঘন বক্তব্য রেখেছেন এবং তাঁর কথার জন্য দল দায়ী নয় বলে হাত ঝেড়ে ফেলেন সুলতান আহমেদ। জামাত নেতারা (Jamaat leader) কেউই এ ধরনের বিবৃতি দেননি এবং স্পষ্ট করে বলেন, দলে যোগদান একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মাত্র, তবে  নির্বাচনী সমাবেশের সময় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটে না।”

    এদিকে, বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. পলাশ আহমেদ বলেন, কর্মকর্তাদের দ্বারা আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ‘বন্ধু’ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকা

    জামায়াতে ইসলামির (Jamaat leader) আন্তর্জাতিকভাবেও মনোযোগ আকর্ষণ করছে। ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেই দেখা যায় মার্কিন কূটনীতিকরা বাংলাদেশের নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহ দেখিয়েছেন। একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ অনুসারে জানা গিয়েছে, একজন মার্কিন কূটনীতিককে বলতে শোনা গেছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃশ্যপটে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা আমেরিকার স্বার্থে হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতি কোন স্রোতে বয় তাই এখন দেখার।

  • T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup: ‘পিএসএলে বিদেশি ক্রিকেটার নয়, এশিয়া কাপ থেকেও নিষেধাজ্ঞা’— পিসিবিকে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পাকিস্তান খেলবে কি না, তা নিয়ে আগামী শুক্রবার বা সোমবার পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এ কথা জানিয়েছেন। সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন নকভি। তাঁদের মধ্যে ৩০ মিনিট কথা হয়েছে। বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্ত পরিস্থিতি পাক প্রধানমন্ত্রীকে ব্যাখ্যা করেছেন নকভি। তারপরই আরও সময় চায় পাকিস্তান। যদিও আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

    ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার!

    দীর্ঘ টালবাহানা, বিতর্ক, অজুহাতের পর আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই হয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাটিতে হতে চলা মেগা টুর্নামেন্টে লিটন দাসদের এবার আর দেখা যাবে না। তার পরিবর্ত হিসেবে খেলবে স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশকে একাধিকবার নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ দিয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয়, ভারতের মাটিতে তারা খেলতে নারাজ। ফলে আইসিসিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, ‘হয় খেলো, নাহলে এসো’। আর তারপরই ঘোষণা হয়ে যায় স্কটল্যান্ডের নাম। এদিকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ‘বয়কট বয়কট’ নাটকই সার! পিঠ বাঁচাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণাও করে দিয়েছে পাকিস্তান। তবে পাক বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, দল ঘোষণার অর্থ এই নয় যে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে রাজি পাকিস্তান। এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শাহবাজ শরিফের সরকার।

    প্রধানমন্ত্রীর নাম বিভ্রাট! কী লিখলেন নকভি

    সোমবারই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নকভি। বৈঠক শেষে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। বৈঠক শেষে তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আইসিসির অবস্থান এবং গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সব বিকল্প খোলা রেখে সমাধান করব।’ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার অথবা সোমবার নেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে।’’ সঙ্গে শাহবাজের সঙ্গে বৈঠকের ছবিও দিয়েছেন নকভি, যিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রীও। নকভির এক্স পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। প্রথমে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে পাক প্রধানমন্ত্রীর নাম সম্ভবত ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ নওয়াজ শরিফ’ লেখা হয়। পরে সংশোধন করে ‘মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ’ লেখেন তিনি।

    আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ!

    বিশ্বকাপ থেকে পুরোপুরি নাম প্রত্যাহার করবে না পাকিস্তান। আইসিসির শাস্তির ভয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাতে পারে পিসিবি। শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারে তারা। ভারত ছাড়া বাকি সব দেশের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। ভারতের বিরুদ্ধে নাকি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করতে পারেন শাহিনরা। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় মুখোমুখি হওয়ার কথা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। কিন্তু সেই ম্যাচে না-ও নামতে পারে পাকিস্তান। যদিও তাতে আখেরে ক্ষতিই হবে তাদের। কারণ ভারতকে ওয়াকওভার দিলে বাবরদের সুপার ১২-তে ওঠা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। ‘নাটকে’র এখানেই ইতি নয়। বাংলাদেশের প্রতি দরদ ঠিক কতখানি উথলে উঠছে, তা ম্যাচ জিতলেই বোঝাতে চায় পাকিস্তান। কীভাবে? টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রতিটি জয় বাদ পড়া বাংলাদেশকে উৎসর্গ করার পরিকল্পনা তাদের। এছাড়া কালো ব্যান্ড বেঁধে আইসিসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রদর্শন করতে পারে তারা।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আইসিসি

    পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি ভাল ভাবে নেয়নি জয় শাহের আইসিসি। নকভিরা বিশ্বকাপ বয়কট করলে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে আইসিসি। আইসিসির সব সদস্য দেশই পাকিস্তানের অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপে ক্ষুব্ধ। কারণ মূল সমস্যার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও যোগ নেই। প্রয়োজনে পাকিস্তানকে দীর্ঘ দিন সাসপেন্ড করে রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে পারে আইসিসি। পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে আইসিসি একাধিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—পাকিস্তানকে এশিয়া কাপ থেকে নিষিদ্ধ করা। সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল করা। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলার জন্য এনওসি না দেওয়া হতে পারে।

    পিসিবির ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই

    বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআইও। ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

     

     

     

     

  • Republic Day 2026: কেশবকুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে, দিলেন সংবিধান রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাঠ

    Republic Day 2026: কেশবকুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে, দিলেন সংবিধান রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষার পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র (Republic Day 2026) দিবস উপলক্ষে কেশব কুঞ্জে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। এই প্রজাতন্ত্র দিবসে সংবিধান ও সীমান্ত সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশ যত ২০৪৭ সালের দিকে এগিয়ে যাবে সকলকে একজোট হয়ে দেশ নির্মাণের জন্য অংশগ্রহণ করতে হবে। এই জন্য দেশবাসীকে কর্তব্য পালনের উপর জোর দেন সংঘের এই নেতা।

    ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবেলে নয়াদিল্লির ‘কেশব কুঞ্জ’-এ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের পর তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং দেশের সংবিধান ও নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন।

    সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা (Republic Day 2026)

    দত্তাত্রেয় হোসবালে (Dattatreya Hosabale) তাঁর ভাষণে ভারতের সংবিধানের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, “সংবিধান কেবল একটি আইনি নথি নয়, এটি ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি। দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক কর্তব্যগুলির ঠিক ঠিক ভাবে পালন করা।”

    সীমান্ত নিরাপত্তা

    দেশের বর্তমান পরিস্থিতির (Republic Day 2026) কথা উল্লেখ করে তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সীমান্ত পাহারা দেওয়া বীর জওয়ানদের অদম্য সাহসের প্রশংসা করেন তিনি। সীমান্ত সুরক্ষিত বলেই দেশের নাগরিক শান্তিতে ঘুমাতে পারেন। নির্বিঘ্নে সকল কাজ করতে পারেন। তাই দেশের সেনা বাহিনীর মনোবলকে সব সময় বাড়িয়ে রাখতে হবে।”

    একতা ও অখণ্ডতা

    দেশের একতা এবং অখণ্ডতা বিষয়ে জোর দিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “ভারতকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে। সমাজের প্রতিটি স্তরে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রকৃত সংকল্প হওয়া উচিত। উঁচুনিচু, ধনী-গরিব, জাতপাত, অস্পৃশ্যতার মতো বিভাজনকারী নিয়মকে চিরতরে সমাজ থেকে বহিষ্কার করতে হবে। ধর্মস্থলে, সামাজিক স্থানে কোনও রকম প্রভেদ মানা চলবে না।”

    দেশপ্রেমের বার্তা

    কেশব কুঞ্জে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বয়ংসেবকরা দেশাত্মবোধক গান ও কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন। হোসবলে (Dattatreya Hosabale) সকলকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। দেশের উন্নতি এবং প্রগতিতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এক যোগে কাজ করে যেতে হবে। ব্যক্তি, পরিবার, দেশ, সমাজ এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই এক সঙ্গে সম্ভব যখন পরস্পরের সৌজন্য এবং ভাতৃত্বকে বোঝা সম্ভব।

  • Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো,  সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    Republic Day 2026: ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট, ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো, সাধারণতন্ত্র দিবসে ঝলমলে কর্তব্যপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে (Kartvya Path) জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হল ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026)। এদিন সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জাতীয় পতাকা তেরঙ্গা উত্তোলন করেন। জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণ এবং উপস্থিত সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় পতাকাকে অভিবাদন জানান। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐক্য, অগ্রগতি ও সামরিক শক্তির মহা প্রদর্শনী। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন।

    সব ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভারতের বার্তা

    কর্তব্য পথে (Kartvya Path) অনুষ্ঠিত এবারের প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজের থিম ছিল “বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর”। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যার মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান এবং তিন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন। এ বছর একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে কর্তব্য রেখা বরাবর দর্শক গ্যালারিগুলির নামকরণ করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন নদীর নামে। বিমানচালনা, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ বিজ্ঞানে আগ্রহী অগণিত তরুণ-তরুণীর কাছে এই মুহূর্ত এক শক্তিশালী বার্তা—আজকের সাহস আর শুধু স্থল, জল বা আকাশেই সীমাবদ্ধ নয়, তা পৌঁছে গেছে কক্ষপথেরও অনেক দূরে।

    “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা

    গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর এই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ছিল বিশেষ। কুচকাওয়াজের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট। এতে রাফায়েল, সুখোই-৩০, পি-৮আই, সি-২৯৫, মিগ-২৯, অ্যাপাচি, এলইউএইচ, এএলএইচ এবং এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিভিন্ন ফর্মেশনে আকাশে শক্তি প্রদর্শন করে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর ছয়টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান ঘণ্টায় প্রায় ৯০০ কিলোমিটার গতিতে একযোগে উড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি একটি সি-১৩০ এবং দুটি সি-২৯৫ বিমানও আকাশে দেখা যায়। কুচকাওয়াজে প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যেখানে “বন্দে মাতরম” এবং “আত্মনির্ভর ভারত”-এর চেতনা তুলে ধরা হয়। প্রায় ১০,০০০ বিশেষ অতিথি এই কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, গবেষণা, স্টার্টআপ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সরকারি প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

    নারী শক্তির প্রদর্শন

    প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) এ বছরের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো দেশীয় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শিত হয়, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার এক নতুন দিক তুলে ধরে। পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন ব্যাক্ট্রিয়ান উটও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। ভৈরব ব্যাটালিয়ন প্রথমবারের মতো তাদের সাহসিকতার প্রদর্শন করে, আর মহিলা অগ্নিবীররা বিমান বাহিনীর মার্চিং ব্যান্ডে অংশ নিয়ে বিশেষ নজর কাড়েন। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর মহিলা সদস্যদের ট্যাবলোও ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সহকারী কমান্ড্যান্ট নিশি শর্মা, অপূর্ব গৌতম হোরে, লক্ষিতা এবং হার্দিকের নেতৃত্বে এই ট্যাবলোতে নারী শক্তির দৃঢ় উপস্থিতি তুলে ধরা হয়।

  • Badrinath-Kedarnath: বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পথে উত্তরাখণ্ড মন্দির কমিটি

    Badrinath-Kedarnath: বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পথে উত্তরাখণ্ড মন্দির কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) বদ্রীনাথ-কেদারনাথ (Badrinath-Kedarnath) মন্দির কমিটি (BKTC) এক ঐতিহাসিক ও বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথ ধামে অহিন্দুদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    নিষেধাজ্ঞা জারি (Badrinath-Kedarnath)

    বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় জানিয়েছেন, মন্দিরের পবিত্রতা এবং সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এখন থেকে শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই মন্দিরের মূল চত্বরে প্রবেশ করতে পারবেন।

    পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক

    মন্দিরে (Badrinath-Kedarnath) প্রবেশের আগে ভক্তদের কড়া নিরাপত্তা ও তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সন্দেহভাজনদের ক্ষেত্রে দর্শনার্থীদের আধার কার্ড বা অন্য কোনও বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করা হতে পারে।

    নিরাপত্তা জোরদার

    মন্দির কমিটি (Badrinath-Kedarnath) স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে যাতে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় অ-হিন্দুদের গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়। বিশেষ করে যারা মন্দির চত্বরে ব্যবসা বা অন্য কোনো কাজে যুক্ত, তাদেরও পরিচয় যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আগের বিতর্ক

    এর আগে কেদারনাথ ধামের (Badrinath-Kedarnath) দেওয়ালে মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং ভিডিও তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এবার অ-হিন্দুদের প্রবেশাধিকার নিয়ে এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

    উদ্দেশ্য

    মন্দির কমিটির (Badrinath-Kedarnath) মতে, চারধাম যাত্রার আধ্যাত্মিক পরিবেশ রক্ষা করা এবং হিন্দু তীর্থযাত্রীদের ভাবাবেগকে সম্মান জানানোই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।

    উত্তরাখণ্ড সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধর্মীয় সংগঠনগুলি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, একাংশ পর্যটন ও সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

  • PM Modi: প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজস্থানের স্বদেশি পাগড়িতে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজস্থানের স্বদেশি পাগড়িতে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত আজ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) পালন করছে। আজকের দিনেই ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। এই উপলক্ষ্যে দিল্লির কর্তব্য পথে আয়োজিত কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর রাজস্থানী স্টাইলের রঙিন পাগড়ি সকলের নজর কেড়েছে। রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে।

    প্রধানমন্ত্রী মোদীর পোশাক (PM Modi)

    ঐতিহ্য (Republic Day 2026) বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবার একটি লাল ও সোনালী-হলুদ রঙের মিশ্রণে তৈরি রাজস্থানী ‘লেহরিয়া’ ডিজাইনের পাগড়ি পরেন। তার সঙ্গে তিনি একটি গাঢ় নীল রঙের কুর্তা এবং হালকা নীল রঙের নেহরু জ্যাকেট পরেছিলেন।

    শ্রদ্ধা নিবেদন

    কুচকাওয়াজ শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী (Republic Day 2026) দিল্লির জাতীয় সমর স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে আত্মোৎস্বর্গী বীর জওয়ানদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

    কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তব্য পথে এই বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেন।

    বিশেষ অতিথি

    ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন।

    থিম

    এবারের কুচকাওয়াজের মূল থিম ছিল ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি। এছাড়া কুচকাওয়াজে ভারতের সামরিক শক্তি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রদর্শিত হয়েছে। বঙ্কিমের গানকে উল্লেখ করে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও করা হয়।

    ট্যাবলো ও পারফরম্যান্স

    এদিন মোট ৩০টি ট্যাবলো ছিল অনুষ্ঠান জুড়ে। যার মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ১৩টি মন্ত্রক কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। এছাড়া প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শন করেন।

    প্রতি বছরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তাঁর পোশাকে ভারতের আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। তাঁর এই লাল-হলুদ রঙের পাগড়ি ভারতের ঐক্য ও বৈচিত্র্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু এবং বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে কর্তব্য পথে ভারতের সামরিক সরঞ্জাম (Republic Day 2026) এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক চমৎকার প্রদর্শনী সম্পন্ন হয়েছে।

  • Republic Day 2026 : কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত! প্রতিকূল পরিবেশেও স্থির, সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভাংশুকে অশোক চক্র প্রদান রাষ্ট্রপতির

    Republic Day 2026 : কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত! প্রতিকূল পরিবেশেও স্থির, সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভাংশুকে অশোক চক্র প্রদান রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে প্রদর্শিত বিরল সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ, ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লাকে (Shubhanshu Shukla) প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব সম্মান অশোক চক্র প্রদান করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) এই সম্মান শুধু এক সৈনিকের কৃতিত্বের স্বীকৃতি নয়, বরং ভারতের মহাকাশ অভিযাত্রায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। পুরস্কারের ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, চরম প্রতিকূল পরিবেশে অসাধারণ সাহস, মানসিক দৃঢ়তা এবং মিশনের সাফল্যের প্রতি অটল নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন শুভাংশু শুক্লা—যেখানে সামান্য ভুলও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

    শুভাংশুকে কেন অশোক চক্র

    কর্তব্যপথে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2026) মহামঞ্চে সোমবার নজির গড়লেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla)। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পেলেন দেশের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব সম্মান ‘অশোক চক্র’। সাধারণত সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ মোকাবিলা কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বীরত্বের জন্য অশোক চক্র প্রদান করা হয়। মহাকাশ অভিযানের জন্য একজন কর্মরত বায়ুসেনা অফিসারকে এই সম্মান প্রদান ভারতের জাতীয় পরিষেবার ধারণার বিবর্তনকেই তুলে ধরছে, বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সক্ষমতার নতুন দিগন্তে দেশ যখন এগিয়ে চলেছে।

    শুভাংশুর সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা

    একজন দক্ষ পরীক্ষামূলক পাইলট ও ভারতের অন্যতম শীর্ষ মহাকাশচারী হিসেবে পরিচিত শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla) দেশের মানব মহাকাশ কর্মসূচির অগ্রভাগে রয়েছেন। মাইক্রোগ্র্যাভিটি ও সীমিত কক্ষপথের পরিবেশে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষিত শুক্লার এই মিশনে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি প্রয়োজন হয়েছিল চরম মানসিক স্থিতি ও মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। অভিযানের সময় কক্ষপথে জটিল কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখেও তিনি অসাধারণ নেতৃত্ব ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা প্রদর্শন করেন, যার ফলে ক্রুদের নিরাপত্তা ও মিশনের লক্ষ্য সফলভাবে পূরণ হয়। পুরস্কার প্রদানকালে রাষ্ট্রপতি শুভাংশু শুক্লার সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং বলেন, ব্যক্তিগত ঝুঁকি গ্রহণে প্রস্তুত এমন মানুষদের হাত ধরেই ভারতের মহাকাশযাত্রা এগিয়ে চলেছে।

    তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা শুভাংশু

    ২০২৫ সালে অ্যাক্সিয়ম (Axiom 4) মিশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাড়ি দিয়েছিলেন শুক্লা। উইং কমান্ডার রাকেশ শর্মার পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে পা রেখে ইতিহাস গড়েন তিনি। কঠিন পরিস্থিতি, জটিল সিদ্ধান্ত ও প্রতিকূল পরিবেশেও তাঁর নির্ভুল নেতৃত্ব, শান্ত মস্তিষ্ক ও কর্তব্যবোধ এই সম্মানের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছে। মহাকাশে অবস্থানের সময় বহু বৈজ্ঞানিক গবেষণা সম্পন্ন করেন শুক্লা। কৃষিক্ষেত্রেও অনন্য পরীক্ষা চালিয়ে সফলভাবে মেথি ও মুগ ডালের চাষ করেন শূন্য মহাকর্ষে যা ভবিষ্যতের মহাকাশ কৃষি গবেষণার সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁর সাহসিকতা ও অবদান শুধু ভারত নয়, বিশ্ব মহাকাশ গবেষণায়ও এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁর কীর্তি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

     

     

     

     

     

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরণের ছক! নাগৌরে উদ্ধার ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরণের ছক! নাগৌরে উদ্ধার ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের নাগৌর জেলায় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাজস্থান পুলিশ জানিয়েছে, একটি অভিযানে ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটসহ বিপুল বিস্ফোরক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৫৮ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার গভীর রাতে নাগৌর জেলার হারসৌর গ্রামের একটি মাঠে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে ১৮৭টি বস্তায় রাখা মোট ৯,৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জামও পাওয়া যায়।

    নাগৌরে বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার

    নাগৌরের পুলিশ সুপার মৃদুল কচ্ছাওয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই জেলায় বিস্ফোরক কেনাবেচা ও মজুতের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল। সেই সূত্র ধরেই এই বড়সড় অভিযান চালানো হয়। তিনি বলেন, “এই অভিযানে সুলেমান খান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিস্ফোরক আইন ও সংগঠিত অপরাধ সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। রাজ্যে বিস্ফোরক আইনের আওতায় এটি সম্ভবত সবচেয়ে বড় অভিযান।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল ডিটোনেটরের ৯টি কার্টন, নীল ফিউজ তারের ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের ৯টি বান্ডিল। অভিযুক্ত সুলেমান খান হারসৌর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজের ফার্মহাউসে এই বিস্ফোরক মজুত করে রেখেছিলেন। তার বিরুদ্ধে এর আগেও বিস্ফোরক আইনে তিনটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে একটিতে তিনি খালাস পেয়েছিলেন।

    বেআইনি খননের যোগসূত্র

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জেরায় উঠে এসেছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি বৈধ ও অবৈধ—উভয় ধরনের খননকারীদের কাছে বিস্ফোরক সরবরাহ করতেন। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪-র সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও আরও বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নীল ফিউজ তারের ১২টি কার্টন ও ১৫টি বান্ডিল এবং লাল ফিউজ তারের ১২টি কার্টন ও ৫টি বান্ডিল। পুলিশ জানিয়েছে, অতীতে একাধিক বড় বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহৃত হয়েছে, যার মধ্যে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লাল কেল্লার কাছে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের ঘটনাও রয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, এই ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে অবহিত করা হয়েছে এবং তারা শীঘ্রই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। উল্লেখ্য, গত ২ ডিসেম্বর নাথদ্বারার শ্রীনাথজি এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। যা প্রায় ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম ছিল।

  • Republic Day 2026: ২৬ জানুয়ারি হয় পতাকা ‘উন্মোচন’ আর ১৫ অগাস্টের দিন ‘উত্তোলন’, পার্থক্য জানেন কি?

    Republic Day 2026: ২৬ জানুয়ারি হয় পতাকা ‘উন্মোচন’ আর ১৫ অগাস্টের দিন ‘উত্তোলন’, পার্থক্য জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি এবং ১৫ অগাস্ট। এই দু’টি দিনই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Flag Hoisting and Unfurling)। ২৬ জানুয়ারি পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস এবং ১৫ অগাস্ট পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস। এই দুই দিনেই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মানজ্ঞাপন করা হয়। জাতীয় পতাকা ভারতবর্ষের (India) অস্মিতার প্রতীক। গর্বের প্রতীক। জাতীয়তাবোধের প্রতীক। ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এক কথায় ভারত রাষ্ট্রকে বিশ্বের সামনে প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় পতাকা। জাতীয় পতাকার সঙ্গে ভারতবাসীর এক আবেগ মিশে আছে। যে কোনও জায়গায় জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হতে দেখলেই আমাদের মধ্যে এক অন্য অনুভূতি জেগে ওঠে। ভারতীয় হিসেবে গর্বিত ভাব স্পন্দিত হয়। জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসবে দেশবাসী মেতে ওঠে দুটি দিনে ১৫ অগাস্ট এবং ২৬ জানুয়ারি। একথা সকলেরই জানা। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট দেশ স্বাধীন (Flag Hoisting and Unfurling) হয়েছিল। আত্মপ্রকাশ করেছিল এক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে। অন্যদিকে, ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে কার্যকর হয় ভারতবর্ষের সংবিধান। সেদিনটি পালন করা হয় প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে। এই দুইদিনে জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসব দেখা যায়।

    ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’ (Flag Hoisting and Unfurling)

    কিন্তু এই দু’টি দিনেই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখানোর পদ্ধতির পার্থক্য আছে। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন পতাকা নীচে থেকে ওপর পর্যন্ত তোলা হয়। একে বলা হয় উত্তোলন আর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকা ওপরেই বাঁধা থাকে ভাঁজ করা অবস্থায়, সেখান থেকে পতাকাকে মুক্ত করা হয়। একে বলে উন্মোচন। ইংরেজি অনুযায়ী প্রথমটিকে বলা হয় ‘Hoist’, আর দ্বিতীয় পদ্ধতিটিকে ‘Unfurl’। বাংলা করে হবে ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’।

    ‘উত্তোলন’ এবং ‘উন্মোচন’-এর ব্যাখা (Flag Hoisting and Unfurling)

    ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। জানা যায়, এই কারণে স্বাধীনতা দিবসে নীচে থেকে পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ছিল প্রজাতন্ত্র দিবস। তত দিন ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েই গিয়েছিল। তাই জাতীয় পতাকা প্রজাতন্ত্র দিবসে ওপরেই বাঁধা থাকে। জানা যায়, ২৬ জানুয়ারি পতাকার উন্মোচন করা হয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের ডানা মেলার প্রতীক হিসেবে। ১৫ অগাস্ট ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ঐতিহাসিক লালকেল্লায়। ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের উৎসব ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে মর্যাদা দিতে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারতের মুক্তিলাভের দিনকে স্মরণ করতেই পালন করা হয় (Flag Hoisting and Unfurling)। এই সময়ে পতাকা, দণ্ডের নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত টেনে তোলা হয়।

    ১৫ অগাস্ট…

    প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ১৯৪৭ সাল থেকেই দেখা যায়, কারণ ওই বছরেই ভারত সার্বভৌমত্ব লাভ করেছিল এবং ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণ মন অধিনায়ক জয় হে…’। এই সময়ে জাতীয় পতাকার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরতে থাকে। পতাকা সংযুক্ত করা থাকে একটি দড়ির সঙ্গে। পরবর্তীকালে ওই দড়ি টেনে পতাকাকে নিচে থেকে ওপরে তোলা হয়। পতাকা উত্তোলন হল দেশের মর্যাদার প্রতীক। পরবর্তীকালে পতাকা যখন ওপরে যায়, তখন সেটিকে উন্মোচিত করা হয় এবং তার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে।

    ২৬ জানুয়ারি…

    অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পতাকা (Flag Hoisting and Unfurling) কিন্তু নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত টেনে তোলা হয় না। পতাকা ওপরেই বাঁধা থাকে। সেই পতাকাকেই উন্মোচিত করা হয়। পতাকার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে। তার কারণ হল, ভারতবর্ষ প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই স্বাধীনতা পেয়েছে। ২৬ জানুয়ারি ভারত আত্মপ্রকাশ করে প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে। তাই সেই প্রতীক হিসেবেই পতাকা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালে ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধানকে গ্রহণ করা হয়েছিল। এই দিনে ভারতবর্ষ একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দিনেই ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তব্যপথে পতাকাকে উন্মোচিত করেন।

    ১৫ অগাস্ট ও ২৬ জানুয়ারির পার্থক্য

    এক কথায় বলতে গেলে, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনেই তৈরি হয়েছিল দেশের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো এবং সংবিধান। তাই পতাকা উন্মোচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের যে আত্মপ্রকাশ, সেটাকেই প্রচার করা হয়। রাষ্ট্রপতি জাতীয় পতাকাকে উন্মোচিত করেন। এর মাধ্যমেই ডানা মেলে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভারতের অগ্রগতি, ভারতের গণতন্ত্র এবং দেশের সেনাবাহিনী সাফল্য।

    ২৬ জানুয়ারি পতাকা একেবারে ওপরেই বাঁধা থাকে। এই পতাকাকে পরবর্তীকালে উন্মোচিত করেন। রাষ্ট্রপতি যখনই দড়িতে টান দেন পতাকা উন্মোচিত হয়। তার মধ্যে থাকা পুষ্প ঝরে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সংগীত বেজে ওঠে। এর পরেই সম্পন্ন হয় প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান।

    পার্থক্যগুলি যদি আমরা এবার ভালোমতো দেখি তাহলে দেখব—

    • ● স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয় ১৫ অগাস্ট
    • ● প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উন্মোচন করা হয় ২৬ জানুয়ারি
    • ● নিচে থেকে ওপর পর্যন্ত পতাকা টেনে তোলা হয় ১৫ অগাস্ট। অন্যদিকে, ২৬ জানুয়ারি পতাকাকে উন্মোচন করা হয়।
    • ● স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয় ঔপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারত রাষ্ট্রের মুক্তির প্রতীক হিসেবে। ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করা হয় সংবিধান গ্রহণের দিবস হিসেবে।
    • ● ১৫ অগাস্টের উৎসব পালন করা হয় দিল্লির লালকেল্লায়। ২৬ জানুয়ার জানুয়ারি উৎসব পালন করা হয়, দিল্লির কর্তব্যপথে।
    • ● ১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি।

    প্রসঙ্গত, পতাকা উত্তোলন এবং উন্মোচন। এই পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় ভারতের স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে। কিন্তু দুটি উৎসবই সাক্ষী থাকে ভারতের জাতীয় অগ্রগতি এবং সার্বভৌমত্বের। আলাদাভাবেই দুই দিবসকে পালন করা হয়। স্বাধীনতা দিবসে জোর দেওয়া হয় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে। প্রজাতন্ত্র দিবসে জোর দেওয়া হয় ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর।

    অঙ্গরাজ্যগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও অনুষ্ঠিত হয় এই দুটি দিন

    প্রসঙ্গত, নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠান হয়। একইসঙ্গে ভারতবর্ষের অঙ্গরাজ্যগুলি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উন্মোচন করা হয়। স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ করেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে, রাজ্যের ক্ষেত্রে এই কাজ করেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা

    এর বাইরে দেশের নাগরিকরাও এই দুই দিনেই জাতীয় পতাকা নিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন। কেন্দ্রের তরফে এক নির্দেশিকা সামনে আসে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে। সেখানে বলা হয়, প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয়, সাংস্কৃতিক, খেলার বিভিন্ন ইভেন্টে কেউ যাতে কাগজের তৈরি পতাকাগুলি যত্রতত্র ফেলে না দেয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। জাতীয় পতাকাকে কী ভাবে সম্মানের সঙ্গে রাখতে হবে, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। নির্দেশ বলা হয়েছে, ইভেন্ট মেটার পর জাতীয় পতাকাকে যাতে সম্মানের সঙ্গে সরিয়ে ফেলা হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও জনগণের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতার প্রচার চালাতে হবে। প্রয়োজনে বৈদ্যুতিন ও মুদ্রণ মাধ্যমেও এনিয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে।

LinkedIn
Share