Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে খেলতে আসতে পারবে না, এই অজুহাতে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh Cricket Investigation)। আর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল, তার কারণ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল বাংলাদেশ সরকার। সরকার বদলের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটেও বদল এসেছে। অন্তর্বর্তী বোর্ডের সভাপতি হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করেননি তৎকালীন বিসিবি (BCB) কর্তারা। প্রথম থেকে কড়া অবস্থান ছিল না আইসিসি-র, এমনটাই মনে করেন তামিম। তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার সুযোগ ছিল বলেই জানালেন তিনি। তার পরেও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হাতছাড়া করা যে হতাশাজনক, তা স্পষ্ট জানালেন তামিম।

    তদন্ত কমিটি গঠন

    চলতি বছর সুরক্ষার কারণ দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ থেকে বয়কট করা হয়েছিল। সেই বিষয়ে এবার শুরু হবে তদন্ত। বাংলাদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া দফতরের সচিব মাহবুব উল ইসলাম সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “ভারতে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া দফতর।”কমিটিতে রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া দফতরের প্রশাসনিত শাখার অতিরিক্ত সচিব একেএম ওলি উল্লাহ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক তথা দেশের ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তথা ক্রীড়া উদ্যোক্তা ফয়সল দাস্তগির। ওলি উল্লাহকে এই কমিটিকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হবে

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ঠিক কী কী কারণ ছিল, কোনও কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ভারতে খেলতে আসতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের অভিযোগ ছিল, ভারতে চরমপন্থী গোষ্ঠীর হুমকির জেরে বিসিসিআই নাকি বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দল ভারতে খেলতে আসতে চায়নি। তৎকালীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম ভারতে বাংলাদেশী খেলোয়াড়, স্টাফ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও তাঁর যুক্তি উড়িয়ে দেয় আইসিসি এবং বিসিসিআই। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিসিবিকে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয়।

    বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত ভুল!

    তৎকালীন বিসিবি কর্তাদের বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ক্রীড়া বিশ্লেষকদের একাংশ তীব্র সমালোচনা করেন। শাকিব আল হাসানের মতো বাংলাদেশি ক্রিকেটার জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হয়নি। বিশ্বকাপ খেলা উচিত ছিল বাংলাদেশের। বিসিবি-র বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার তামিম ইকবাল বলেন, ‘বিশ্বকাপের এই ইস্যু নিয়ে সম্ভবত আমিই প্রথম মুখ খুলেছিলাম। কিন্তু যা হয়েছে, তা একেবারেই উচিত হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন কর্তারা যে ভাবে এই বিষয়টা সামলান, তা ভুল ছিল।’

  • Garga Chatterjee: গ্রেফতার ‘বাংলা পক্ষ’-র প্রধান গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে?

    Garga Chatterjee: গ্রেফতার ‘বাংলা পক্ষ’-র প্রধান গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের সাইবার সেলের হাতে গ্রেফতার হলেন ‘বাংলা পক্ষ’-র (Bangla Pokkho) প্রতিষ্ঠাতা তথা সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় (Garga Chatterjee)। মূলত ইভিএম (EVM) নিয়ে প্ররোচনামূলক মন্তব্য এবং গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তাঁকে লালবাজারে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকালে দেশপ্রিয় পার্ক থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গর্গকে গ্রেফতারের সময় তাঁর পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার (PSO)-র কাছ থেকে ২৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কলকাতা উত্তরের ডিইও-র অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন গর্গকে গ্রেফতার করা হয়। আগামিকাল, বুধবার আদালতে পেশ করা হবে গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে।

    নির্বাচন কমিশনের অভিযোগে গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ইভিএম-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন গর্গ। তাঁর সেই সব মন্তব্যকে ঘিরেই আপত্তি জানায় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কমিশনের পক্ষ থেকে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) সাইবার ক্রাইম (Cyber Crime) বিভাগে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন কলকাতা উত্তরের ডিইও স্মিতা পান্ডে।  অভিযোগ ছিল, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর অনাস্থা তৈরি করতেই সুপরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়েছেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেফতার করেন।

    কী বলেছিলেন গর্গ?

    এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন গর্গ। রাতে দেখেশুনে সিল করে রাখার পরও, ভোটগণনার সময় ইভিএম খারাপ হচ্ছে কেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন গর্গ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, গণনার সময় ইভিএম হাতবদল হয়েছে। পাশাপাশি, ‘‘বেলার দিকে নির্বাচন কমিশনের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে’’ বলেও মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে। তার আগে, ভোট দিয়ে বেরনোর আগে ভালো করে ভিভিপ্যাট দেখে নিতেও পরামর্শ দিয়েছিলেন গর্গ। তদন্তকারীদের দাবি, নির্বাচন চলাকালীন এই ধরণের মন্তব্য সরাসরি আদর্শ আচরণবিধি এবং সাইবার আইন লঙ্ঘন করে। গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে মঙ্গলবার রাতটা লালবাজারের লক-আপেই কাটাতে হবে। পুলিশ জানিয়েছে, আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানাতে পারে পুলিশ।

    ২০২২ সালেও গ্রেফতার হয়েছিলে গর্গ

    গর্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস করেছেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন।  ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি তিনি বাংলা পক্ষ প্রতিষ্ঠা করেন।  বাঙালি অস্মিতাকে সামনে রেখে তৈরি ‘বাংলা পক্ষ’র প্রধান গর্গ। নির্বাচনের আগে কমিশনের বিরুদ্ধে শোভাযাত্রায় অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ তোলে ‘বাংলা পক্ষ’। তাদের দাবি ছিল, পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা বের করতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু তাদের অনুমতি দেয়নি কমিশন। অনুমতি না দিয়ে কমিশন ‘বাঙালির গৌরব এবং সংস্কৃতির’ উপর আঘাত হেনেছে বলেও দাবি করে তারা। যদিও কমিশন জানায়, আদর্শ আচরণ বিধি কার্যকর থাকায় অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর আগে, এর আগে ২০২২ সালে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুনে অহম সম্প্রদায়ের উদ্দেশে অপমানজনক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল গর্গের বিরুদ্ধে। অসমের একাধিক জেলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেইসময় আদালত ২ বার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল।

  • PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) ঐতিহাসিক জয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আন্তরিক অভিনন্দন জানালেন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর (Trinidad-Tobago) প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ হ্যান্ডলে একটি বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।

    বঙ্গ জয়কে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা (PM Modi)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) তাঁর বার্তায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির এই বিপুল ও ঐতিহাসিক জয়ে আমি ভারত প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং বিজেপি-কে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন করেন, “১০ কোটিরও বেশি মানুষের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই প্রথম জয় ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর শক্তিকেই প্রতিফলিত করে। এই রাজনৈতিক জয় ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।”

    মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা

    ভারতের গণতন্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) বলেন, “ভারত আজ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে। বৈশ্বিক পরিবর্তন ও সম্ভাবনার এই সন্ধিক্ষণে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) শান্ত, সুশৃঙ্খল এবং দৃঢ় নেতৃত্ব ভারতীয় জনগণের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।”

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও জয়শঙ্করের সফর

    শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী জানান যে, তাঁরা ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্করের আসন্ন সফরের অপেক্ষায় রয়েছেন। চলতি সপ্তাহেই জয়শঙ্করের সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়নমূলক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বিদেশমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বরের (Trinidad-Tobago) এই উষ্ণ অভ্যর্থনার জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, “আপনার সুন্দর শব্দ চয়ন  এবং উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ। আমি খুব শীঘ্রই ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সফরে আসার এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আপনার ও আপনার টিমের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

  • CM Suvendu Adhikari: নারী ক্ষমতায়নে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, জুনেই রাজ্যে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা ও ‘অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার’ চালু করছে নতুন সরকার

    CM Suvendu Adhikari: নারী ক্ষমতায়নে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, জুনেই রাজ্যে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা ও ‘অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার’ চালু করছে নতুন সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্যের নবগঠিত সরকার। সোমবার নবান্নে আয়োজিত ম্যারাথন ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, আগামী ১ জুন থেকেই রাজ্যের মহিলারা সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা (Free Bus Travel For Women) পাবেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এই ঐতিহাসিক জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    ১ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে বিনামূল্যে সফর (CM Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী মাস থেকেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য যাতায়াত সম্পূর্ণ নিখরচায় নিশ্চিত করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্মজীবী মহিলা, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নিত্যযাত্রীরা সরাসরি উপকৃত হবেন, যা তাঁদের যাতায়াতের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপ রাজ্যের নারীশক্তির ক্ষমতায়নে এক বৈপ্লবিক মোড় (Free Bus Travel For Women) নিয়ে আসবে।

    ত্রিমুখী জনকল্যাণ: অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার ও আয়ুষ্মান ভারত

    কেবল বিনামূল্যে বাস পরিষেবা নয়, আগামী জুন মাস থেকেই রাজ্যজুড়ে আরও দুটি মেগা প্রকল্প চালু হতে চলেছে:

    • ● অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার: মহিলাদের (Free Bus Travel For Women) আর্থিক স্বয়ম্ভরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রকল্পটির সূচনা হতে যাচ্ছে জুনের শুরুতেই।
    • ● আয়ুষ্মান ভারত: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বিমা প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ এতদিন রাজ্যে বাস্তবায়িত হয়নি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আগামী মাস থেকেই সাধারণ মানুষ এই জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতাভুক্ত হতে পারবেন।

    প্রতিশ্রুতি পালনে অবিচল বিজেপি সরকার

    নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছিল যে, সরকার গঠনের পর জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সোমবার জেলাশাসক ও উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকের ফাঁকেই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোতে সিলমোহর দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই বৃহৎ প্রকল্পগুলি কার্যকর করার ঘোষণা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিলেন যে, ‘মোদির গ্যারান্টি’ (Free Bus Travel For Women) বাস্তবায়নে তাঁর সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে বদ্ধপরিকর। জুন মাস থেকেই পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ এই বহুমুখী প্রকল্পের সুফল পেতে শুরু করবেন।

  • Siddharth Majumdar: রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল, পদত্যাগ করলেন এসএসসি চেয়ারম্যান ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

    Siddharth Majumdar: রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল, পদত্যাগ করলেন এসএসসি চেয়ারম্যান ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক স্তরে পরিবর্তনের হাওয়া এবার শিক্ষা দফতরেও। সরকারি বিভিন্ন বিভাগে চুক্তিভিত্তিক বা বর্ধিত মেয়াদে কর্মরত আধিকারিকদের ইস্তফা দেওয়ার পালা অব্যাহত। সেই ধারায় সোমবার পদত্যাগপত্র জমা দিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddharth Majumdar) এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Ganguly)। উল্লেখ্য এই দফতরগুলিতে তৃণমূলের শাসনে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। শিক্ষক নিয়োগে প্রচুর পরিমাণে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে সরব হয়েছিল আমজনতা।

    শিক্ষা দফতরে সংস্কারের পথে নতুন সরকার (Siddharth Majumdar)

    বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা দফতরকে ঘিরে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় নতুন বিজেপি সরকার এই বিভাগে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে শিক্ষা দফতরের পরিকাঠামো পুনর্গঠন করাই এখন এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সূত্রের খবর, দফতরের কার্যপ্রণালীতে গতি আনতে এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি গড়ে তুলতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ইস্তফা দিলেন সিদ্ধার্থ ও রামানুজ

    সিদ্ধার্থ মজুমদার

    এসএসসি দফতরে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিলেন প্রাক্তন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতির জটিল আবহে ২০২২ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddharth Majumdar)। তাঁর কার্যকালেই নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় সচল করার চেষ্টা হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তৎকালীন সরকার তা ছয় মাস বৃদ্ধি করেছিল। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সোমবার তিনি শিক্ষা সচিবের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান।

    রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়

    মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দীর্ঘকালীন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Ganguly)। গত সপ্তাহেই তাঁর তত্ত্বাবধানে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এরপরই তিনি ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে মুখ্যসচিবের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

    আঞ্চলিক ও স্থানীয় স্তরেও পরিবর্তনের জোয়ার

    কেবল শীর্ষ পদেই নয়, এসএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের চেয়ারম্যানরাও একে একে পদত্যাগ করতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি, রাজ্যের প্রতিটি স্কুল ও কলেজের পরিচালনা সমিতির (Governing Body) মেয়াদ পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদসহ বিভিন্ন স্তরে যাঁদের পদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে বা যাঁদের বয়সসীমা পেরিয়ে গিয়েছে, তাঁদের দ্রুত সরিয়ে নতুন ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নবগঠিত সরকার। শিক্ষা ক্ষেত্রে শুদ্ধিকরণ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

  • Suvendu on Mamata-Abhishek Security: শুভেন্দুর প্রথম বড় নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত! মমতা পাচ্ছেন বিশেষ সুরক্ষা, কমছে অভিষেকের নিরাপত্তা

    Suvendu on Mamata-Abhishek Security: শুভেন্দুর প্রথম বড় নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত! মমতা পাচ্ছেন বিশেষ সুরক্ষা, কমছে অভিষেকের নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে ধারাবাহিকভাবে একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। প্রথমে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক, তারপর জেলাশাসক এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। শীর্ষ পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা করেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে রাজনীতিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে তিনি নির্দেশ দেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান নিরাপত্তা বলয় একই রকম বহাল থাকবে। তবে একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রী এও জানান, যাঁদের বাস্তবিক নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, তাঁদের জন্য অপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র প্রভাব বা মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় কেন করা হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই সিদ্ধান্তের জেরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মমতার নিরাপত্তায় গুরুত্ব

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন, যাতায়াত এবং জনসভা বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁকফোকর বা গাফিলতি যেন না থাকে, সে বিষয়েও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করছে। বিশেষ করে ভোটপর্বের পর শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় রাজ্যের হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। শুভেন্দুর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর নিরাপত্তা একই রকম বহাল থাকবে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যাতে কোনো রকম শিথিলতা বা ওঁর প্রতি কোনো অসম্মান না হয়, তা দেখার জন্য আমি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি। এই সম্মান ওঁর প্রাপ্য।’’

    অভিষেকের নিরাপত্তায় কাটছাঁট

    অন্যদিকে, একই সময়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বলয়ে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, তাঁর জন্য বরাদ্দ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিশেষ পাইলট কারের সুবিধা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ হিসেবে যে নিরাপত্তা প্রটোকল প্রযোজ্য, ভবিষ্যতে অভিষেকের ক্ষেত্রেও সেই ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা বলয়ে ছিলেন অভিষেক। তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই তাঁর নিরাপত্তা ধাপে ধাপে কমানো শুরু হয়। সোমবার বিকেলেই এই সংক্রান্ত প্রশাসনিক নির্দেশিকা জারি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী নয়, পাইলট কারের সুবিধাও তুলে নেওয়া হচ্ছে। এতদিন অভিষেকের সঙ্গে পাইলট কার চলতে দেখা গেলেও সরকারি নির্দেশের পর আর সেই সুবিধা থাকবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনেই তাঁর নিরাপত্তা পুনর্গঠন করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি।

    শুভেন্দুর ইতিবাচক বার্তা

    ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিষেকের নিরাপত্তা বলয়ে কাটছাঁট শুরু হয়। তৃণমূল সরকারের আমলে কড়া নিরাপত্তায় মোড়া থাকত ক্যামাক স্ট্রিট এলাকা। কিন্তু সরকার বদলের পর প্রথমেই তাঁর দফতরের সামনে থেকে পুলিশ প্রহরা তুলে নেওয়া হয়। পরে বাড়ির সামনের নিরাপত্তাও কমানো হয়। শান্তিনিকেতনে তাঁর বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশের স্ক্যানার-সহ অন্যান্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম। শুধু অভিষেক নন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের নিরাপত্তাতেও পরিবর্তন আসে। ১৮৮এ, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁর বাড়ির সামনে থাকা অতিরিক্ত নিরাপত্তা কমানো হয়। রাজ্যে পালাবদলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর বাড়ির গলির মুখে থাকা ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ সরিয়ে দেওয়া হয়, পরে লালবাজারের তরফেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করা হয়। রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি শুভেন্দু অধিকারীর এই সম্মান প্রদর্শনকে ইতিবাচক বলেই দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। প্রশাসনিক স্তরে এই নির্দেশ জারি করে তিনি যেমন সৌজন্য ও পরম্পরার বার্তা দিয়েছেন, তেমনই স্পষ্ট করেছেন যে রাজ্যে ভিভিআইপি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতের কোনও স্থান থাকবে না।

  • CEO Manoj Agarwal: নবান্নে রদবদল, রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, দিল্লিতে বিশেষ দায়িত্বে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    CEO Manoj Agarwal: নবান্নে রদবদল, রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, দিল্লিতে বিশেষ দায়িত্বে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক শীর্ষপদে বড়সড় রদবদল ঘটল। রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ১৯৯০ ব্যাচের অভিজ্ঞ আইএএস আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এতদিন তিনি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO Manoj Agarwal) গুরুদায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে, বিদায়ী মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে দিল্লির পশ্চিমবঙ্গ ভবনের প্রধান রেসিডেন্ট কমিশনার পদে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

    প্রশাসনিক সমীকরণের ইঙ্গিত (CEO Manoj Agarwal)

    সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর (CEO Manoj Agarwal) ঠিক পাশেই আসীন ছিলেন মনোজ আগরওয়াল। বিকেলেই নবান্নের কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    দক্ষ আমলাদের ওপর আস্থা

    বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে মনোজ আগরওয়ালের ভূমিকা এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ নির্বাচন পরিচালনার প্রশংসা শোনা গিয়েছিল প্রশাসনিক মহলে। জল্পনা ছিল যে, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটলে মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)  এবং সুব্রত গুপ্তর মতো দক্ষ আমলারা প্রশাসনের মূল স্রোতে ফিরে আসবেন। শনিবারই অবসরপ্রাপ্ত আইএএস সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মনোজ আগরওয়াল। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনায় তাঁদের ভূমিকার কারণেই নতুন সরকার এই অভিজ্ঞ আধিকারিকদের ওপর আস্থা রাখছে।

    দিল্লি মিশনে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে অতিরিক্ত মুখ্যসচিব (Chief Secretary) পদমর্যাদায় দিল্লির পশ্চিমবঙ্গ ভবনের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং রাজ্যের বকেয়া পাওনা আদায়ের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতেই এই অভিজ্ঞ আমলাকেই বেছে নিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার।

    আগামীর লক্ষ্য

    নতুন মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘কোর টিম’ গঠনের ধরণ থেকে স্পষ্ট যে, শুভেন্দু প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আধিকারিকদের প্রাধান্য দিচ্ছেন। একদিকে উপদেষ্টা হিসেবে প্রবীণ সুব্রত গুপ্ত এবং অন্যদিকে মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে কর্মদক্ষ মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)— এই দুই স্তম্ভের ওপর ভর করেই নতুন সরকার তাদের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে আগ্রহী।

  • Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে চরম উস্কানিমূলক মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) এক কট্টরপন্থী ইসলামি নেতা (Islamist Leader)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাল ভিডিওতে ওই নেতাকে ভারতকে লক্ষ্য করে সরাসরি হুমকি দিতে দেখা গেছে। হুমকি দিয়ে বলেন, “পাকিস্তান এবং ভারতীয় মুসলিমদের সহায়তায় মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই ভারত দখল করা সম্ভব।”

    কী বলা হয়েছে ভিডিওতে (Bangladesh)?

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে নিজেকে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ নামক একটি উগ্রপন্থী সংগঠনের (Islamist Leader) নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ইনশাআল্লাহ, ভারতে হামলা হবেই। আমরা পাকিস্তানকে ডাক দেব। ভারত দখল করতে আমাদের তিন ঘণ্টাও সময় লাগবে না। ভারতের ২৬টি রাজ্যকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং ভারতের মুসলিমরাই এর জন্য যথেষ্ট।”

    হিন্দু ও ভারতীয় নেতাদের লক্ষ্য করে হুমকি

    হুমকির সুর আরও চড়িয়ে ওই কট্টর মোল্লা নেতা (Islamist Leader) বলেন, “যদি ৪০ কোটি মুসলিম একবার রেগে যায়, তবে ভারতের হিন্দুরা আর টিকে থাকতে পারবে না।” ভারতের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতার নাম উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, তাঁদের মুসলিমদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তাঁর নিশানায় ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনি, পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর

    এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের মতো সীমান্ত রাজ্যগুলিতে যেখানে অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর (Islamist Leader) বিষয়, সেখানে এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে (Bangladesh) উগ্রপন্থী ভাবধারার প্রসার এবং ভারত-বিরোধী প্রচার প্রতিবেশী দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে এই ভাইরাল ভিডিও বা ওই নেতার মন্তব্যের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের একাংশ এই ধরনের চরমপন্থী বক্তৃতার বিরুদ্ধে কঠোর কূটনৈতিক ব্যবস্থা এবং অনলাইন প্রচারের ওপর কড়া নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

  • Chandranath Rath Murder Case: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়, তদন্তভার নিল সিবিআই, গঠন বিশেষ সিট

    Chandranath Rath Murder Case: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়, তদন্তভার নিল সিবিআই, গঠন বিশেষ সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের (Chandranath Rath Murder Case) তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে নিল সিবিআই। রাজ্য পুলিশের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই মামলার তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে সিবিআই তদন্তের (CBI Investigation) দায়িত্ব গ্রহণ করছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই মামলার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক পঙ্কজ কুমার সিং।

    সিবিআই সিট গঠন

    সিবিআই সূত্রে খবর, দিল্লি, পটনা, রাঁচি, ধানবাদ ও লখনউ-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট সাতজন অভিজ্ঞ অফিসারকে নিয়ে গঠিত হয়েছে এই বিশেষ টিম। কলকাতা জ়োনের যুগ্ম নির্দেশকের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে দলটি। তদন্তের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও আধিকারিক যুক্ত করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই মধ্যমগ্রাম থানার পাশাপাশি সিআইডি-র হাতে থাকা সমস্ত নথি দ্রুত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত

    উল্লেখ্য, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁর গাড়ির সামনে আচমকা একটি চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায়, ফলে তাঁর গাড়ি থেমে যায়। ঠিক সেই সময় দুই দিক থেকে বাইকে চেপে আসে হামলাকারীরা এবং চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালককে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম চালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম ময়ঙ্করাজ মিশ্র, ভিকি মৌর্য ও রাজ সিং। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের মধ্যে অন্তত একজন পেশাদার শুটার। ময়ঙ্ক ও ভিকিকে বিহারের বক্সার জেলা থেকে এবং রাজকে উত্তরপ্রদেশের বালিয়া থেকে ধরা হয়েছে। আদালত ধৃতদের ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

    ৮ থেকে ৯ জন জড়িত!

    প্রথমে মামলার তদন্তে রাজ্য পুলিশ একটি সিট গঠন করেছিল, যেখানে এসটিএফ ও সিআইডি-র আধিকারিকরাও যুক্ত ছিলেন। সেই টিমই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, গোটা ঘটনায় মোট ৮ থেকে ৯ জন জড়িত থাকতে পারে। খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল বলেও সন্দেহ। ওই গাড়ি থেকে বালি টোল প্লাজ়ায় অনলাইনে পেমেন্টের সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের হদিশ মেলে বলে জানা গিয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত, ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং একাধিক সূত্রের ভিত্তিতে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে অভিযান চালানো হয়েছিল। এবার এই বহুচর্চিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে সিবিআই।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন, দিলীপ-অগ্নিমিত্রারা কে কোন দফতরে?

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন, দিলীপ-অগ্নিমিত্রারা কে কোন দফতরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার নবনির্বাচিত মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্যের দফতর বণ্টন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিগ্রেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল-সহ মোট ৫ জন। সোমবার তাঁদের দফতর ভাগ করে দেওয়া হয়। পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণীসম্পদ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতর গিয়েছে অশোক কীর্তনিয়ার হাতে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে ক্ষুদিরাম টুডু। রাজ্য সরকারের একটি সূত্র জানাচ্ছে, বাকি সব দফতর আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর অধীনে থাকবে।

    কার হাতে কোন দফতর

    ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ১৫ বছরের তৃণমূল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছে। তৃণমূলের হাত থেকে ক্ষমতা গিয়েছে বিজেপির (West Bengal BJP Govt) কাছে। রাজ্যের দায়িত্বে এবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ শুভেন্দু অধিকারী। এদিনই শুরু হয়েছে দপ্তর বণ্টন প্রক্রিয়া। তৃণমূল সরকারের শেষ উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী ছিলেন উদয়ন ঘোষ। বিজেপির সরকারে সেই দায়িত্বে উদয়নের চির প্রতিদ্বন্দ্বি নিশীথ প্রামাণিক। রেশন দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব খোয়াতে হয়েছিল তৃণমূল সরকারের তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পরবর্তীতে সেই দায়িত্ব পেয়েছিলেন রথীন ঘোষ। এবার খাদ্য দফতরের ভার পেলেন মতুয়া সমাজের প্রতিনিধি অশোক কীর্তনিয়া। বঙ্গ বিজেপির প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ কোন দফতরের দায়িত্ব পান, সেদিকে নজর ছিল সকলেরই। জানা যাচ্ছে, তিনটি দফতরের ভার তাঁর কাঁধে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর, প্রাণী সম্পদ বিকাশ, কৃষি বিপণন। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব, পুর বিষয়ক দফতরও দেখবেন তিনিই। ক্ষুদিরাম টুডুর দায়িত্বে আদিবাসী উন্নয়ন, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ, সংখ্যালঘু উন্নয়ন, মাদ্রাসা বোর্ড এডুকেশন। বাকি সব গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব তথা স্বরাষ্ট্র বা পুলিশ, অর্থ, স্বাস্থ্য, কৃষি, তথ্য ও সম্প্রচার ইত্যাদি দফতরের দায়িত্ব আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছেই রইল।

    ব্যস্ত দিন নবান্নে

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১২টায় নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিলেন শুভেন্দু। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্য। মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা এবং প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই বৈঠকে। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন এবং সুরক্ষার পথে। একই সঙ্গে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলাতেও সেই পথেই এগোবে বলে জানান তিনি। এদিন নবান্নে একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। মঙ্গলবারও নতুন সরকারের ব্যস্ত দিন। এদিন বিধানসভায় প্রথমে প্রোটেম স্পিকার নির্বাচন ও সব বিধায়কের শপথ এ সপ্তাহে হয়ে যাওয়ার কথা। তার পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হবে।

LinkedIn
Share