Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sujit Bose Arrested: গ্রুপ সি ও ডি কর্মী থেকে গাড়ির চালক, ঝারুদার নিয়োগেও কারচুপি! পুর-দুর্নীতিতে ইডির জালে সুজিত

    Sujit Bose Arrested: গ্রুপ সি ও ডি কর্মী থেকে গাড়ির চালক, ঝারুদার নিয়োগেও কারচুপি! পুর-দুর্নীতিতে ইডির জালে সুজিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Municipality Recruitment Scam) গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose Arrested)। সোমবার প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার জিজ্ঞাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ওএমআর শিটে কারচুপি থেকে অযোগ্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া, এরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    কীভাবে ইডির জালে সুজিত

    ২০২৩ সালে নিয়োগ মামলায় অয়ন শীলকে (Ayan Shil) গ্রেফতার করেছিল গোয়েন্দারা। অয়নের বাড়িতেই পুর নিয়োগ দুর্নীতির হদিশ পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরপর ইডি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোঁরায় তল্লাশি চালায়। গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল, কিচেন ছাড়াই রেস্তোরাঁ কীভাবে চলছে? সেই রেস্তোঁরার আড়ালে কালো টাকা সাদা করতেন মন্ত্রী, দাবি ইডির আধিকারিকদের। এখানেই শেষ নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছিল তিন কোটি টাকা।

    কী কী অভিযোগ সুজিতের বিরুদ্ধে

    দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ৩২৯ জন অযোগ্য প্রার্থীর নিয়োগ হয়েছিল। গ্রুপ সি (group c) ও গ্রুপ ডি কর্মী (group d) নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গেই দেখা যায় গাড়ির চালক, ঝারুদার, স্বাস্থ্য কর্মীর নিয়োগেও দুর্নীতি রয়েছে। অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছিল এই নিয়োগে, এমনই দাবি ইডির। সংশ্লিষ্ট পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম‍্যান পাঁচু রায়কে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট দেওয়া হয়। অভিযোগ পাঁচু রায় ও সুজিত বসুর মাধ‍্যমে অয়ন শীলের সংস্থার সাহায্যে ওএমআর শিটে নম্বর বিকৃত করা হয়েছিল। এমনকী, নিয়োগ সংক্রন্ত মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্র শূন্য পেলেও পাঁচু ও সুজিতের নির্দেশে অযোগ্যদের চাকরি পাকা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    শুধু সুজিতই নয়, অভিষেকই আড়ালে

    তবে, শুধু সুজিতই নয়, এরপর আরও বড় বড় চোর ধরা পড়বে। বাদ যাবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhishek Banerjee), সুজিত বসুর গ্রেফতারের পর এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রোলের দোকান থেকে সুজিত কীভাবে কোটি টাকার মালিক হলেন, সেই অঙ্কটাও বুঝিয়েছেন তিনি। অর্জুন সিংয়ের দাবি, “আগুন লাগাতেন ফিরহাদ হাকিম, আর আগুন নেভাতেন সুজিত বসু। টাকা কালেকশন করে একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরেকদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছত। এটাই তো সবাই জানে।” অর্জুন সিং আরও বলেন, “আরও সব চোররা ধরা পড়বে। ৬২টি পুরসভার চেয়ারম্যানের জেলে যাওয়া উচিত। সবাই তাঁরা চাকরি চুরিতে জড়িত রয়েছেন। এটা শুরু হয়েছে। শেষ হবে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত যাবে। চিন্তার কোনও কারণ নেই।”

  • Ayushman Bharat: আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি কীভাবে করবেন জানেন?

    Ayushman Bharat: আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি কীভাবে করবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক ভারতীয়দের সাধারণ স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের অন্যতম যুগান্তকারী প্রকল্প হলো ‘আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ (AB-PMJAY)। এই প্রকল্পের অধীনে দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস বা বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেয়ে থাকে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের (BJP Bengal) পর এবং রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক তৎপরতায় এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ অনুমতি দিয়েছেন। উল্লেখ্য, বিগত মমতা সরকার এই কেন্দ্র সরকারের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে দেয়নি। এখন থেকে রাজ্যের কোনও মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের (Ayushman Bharat) সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কী (Ayushman Bharat)?

    আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) হলো বিশ্বের বৃহত্তম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রায় ৫০ কোটি মানুষকে অর্থাৎ ১০ কোটিরও বেশি পরিবার উন্নত মানের চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা। এই কার্ডের মাধ্যমে নথিভুক্ত সরকারি (BJP Bengal) ও তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে জটিল অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে ক্যানসার বা হৃদরোগের মতো ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করা সম্ভব।

    কারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন? (যোগ্যতা)

    এই প্রকল্পের (Ayushman Bharat) সুবিধা পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট মাপকাঠি রয়েছে। মূলত ২০১১ সালের আর্থ-সামাজিক ও জাতিগত জনগণনার (SECC) তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তবে সাধারণ অর্থে নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।

    (গ্রামীণ এলাকার জন্য)

    • ● গ্রামীণ এলাকায় যাদের শুধুমাত্র একটি কাঁচা ঘর (মাটির দেওয়াল ও চাল) আছে, তারা পাবেন সুবিধা।
    • ● পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সি কোনও সক্ষম প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য না থাকলে আবেদনের যোগ্য।
    • ● পরিবারের প্রধান যদি একজন মহিলা হন, সেখানে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্য না থাকে।
    • ● তফশিলি জাতি (SC) বা তফশিলি উপজাতি (ST) ভুক্ত পরিবার পাবেন সুবিধা।
    • ● ভূমিহীন পরিবার, যাদের আয়ের প্রধান উৎস কায়িক শ্রম তারা পাবেন।
    • ● পরিবারে যদি কোনও বিশেষভাবে সক্ষম (দিব্যাঙ্গন) সদস্য থাকেন ও দেখাশোনা করার মতো কোনও সুস্থ সদস্য না থাকে।

    শহুরে এলাকার জন্য কী যোগ্যতা লাগবে?

    • ● রাস্তার হকার, মুচি বা ফেরিওয়ালা।
    • ● পরিচারিকা (Domestic workers)।
    • ● আবর্জনা সংগ্রহকারী (Ragpickers)।
    • ● নির্মাণ শ্রমিক, প্লাম্বার, রাজমিস্ত্রি, রং মিস্ত্রি।
    • ● রিকশাচালক বা পরিবহণ শ্রমিক।
    • ● দোকানের কর্মচারী, ঝাড়ুদার বা মালি।

    নতুন সংযোজন (৭০ উর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক)

    • ● ২০২৪-২৫ সালের আপডেট অনুযায়ী, ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সি দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিক এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, তারা আলাদাভাবে ৫ লক্ষ টাকার কভারেজ পাবেন।

    কারা এই সুবিধা পাবেন না

    • ● যাদের নিজস্ব পাকা বাড়ি আছে।
    • ● যাদের বাড়িতে টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার বা ফোর-হুইলার (গাড়ি)
    • ● যাদের বাড়িতে কৃষি যন্ত্রপাতি (যেমন ট্রাক্টর) আছে।
    • ● সরকারি চাকরিজীবী বা মাসে ১০,০০০ টাকার বেশি আয় করেন এমন পরিবার।
    • ● যাদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের লিমিট ৫০,০০০ টাকার উপরে।
    • ● যারা আয়কর (Income Tax) জমা দেন।

    পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের প্রাসঙ্গিকতা

    দীর্ঘদিন যাবৎ পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) এবং রাজ্য সরকারের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিতর্ক ছিল। তবে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক (BJP Bengal) রদবদলের পর, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি দ্রুত বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাজ্যবাসী যাতে সর্বভারতীয় স্তরের এই চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এখন কেবল রাজ্যের গণ্ডিতে নয়, বরং ভিনরাজ্যের বড় বড় হাসপাতালেও ৫ লক্ষ টাকার বিমার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

    অনলাইনে আবেদন ও কার্ড সংগ্রহের পদ্ধতি

    প্রযুক্তিগত উন্নতির ফলে এখন ঘরে বসেই আয়ুষ্মান ভারত কার্ড বা ‘গোল্ডেন কার্ড’ (Golden Card)-এর জন্য আবেদন করা সম্ভব:

    ১> পোর্টাল ভিজিট: প্রথমে আয়ুষ্মান ভারতের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (beneficiary.nha.gov.in) অথবা ‘Ayushman App’ ডাউনলোড করতে হবে।

    ২> লগ-ইন: আবেদনকারীকে তাঁর মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি-র (OTP) মাধ্যমে লগ-ইন করতে হবে।

    ৩>যোগ্যতা যাচাই: নিজের রাজ্য (West Bengal), জেলা এবং রেশন কার্ড নম্বর বা আধার নম্বর দিয়ে সার্চ করলে দেখা যাবে আপনার নাম তালিকায় আছে কি না।

    ৪> ই-কেওয়াইসি (e-KYC): যদি তালিকায় নাম থাকে, তবে আধার কার্ডের সাহায্যে বায়োমেট্রিক বা ওটিপি দিয়ে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে হবে।

    ৫> কার্ড ডাউনলোড: ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার কিছু সময় বা কয়েক দিনের মধ্যে ডিজিটাল ‘আয়ুষ্মান কার্ড’ ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়া নিকটবর্তী ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ (CSC) বা তালিকাভুক্ত হাসপাতালে গিয়েও আধিকারিকদের সহায়তায় এই কার্ড তৈরি করা যায়।

    এই বিমার মাধ্যমে আপনি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অনায়াসে চিকিৎসা করাতে পারবেন। আর সেটা বিনামূল্যেই সম্ভব হবে।

    কত টাকা পাওয়া যাবে?
    পরিবার পিছু প্রতি বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে বিমা মিলবে। সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এই টাকা মিলবে।

    সারা ভারতে হাসপাতালে ভর্তির সুবিধা
    এই বিমার অধীনে রয়েছে প্রচুর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল। সেই তালিকাভুক্ত হাসপাতালে ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে।

    হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে ও পরে খরচের কভারেজ
    যতদূর খবর, শুধু হাসপাতালে ভর্তির সময়ের খরচই নয়, বরং চিকিৎসা প্যাকেজ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে এবং ছাড়া পাওয়ার পরের খরচও মিলতে পারে।

    গোটা পরিবার পাবেন?
    পরিবারের সমস্ত সদস্যেরা পেতে পারেন এই বিমার সুবিধা। এই প্রকল্পের সুবিধা সব বয়সিরা পাবেন। পরিবারের সদস্য সংখ্যা যতই থাকুক না কেন, এই কভারেজ মিলবে। আগে থেকে থাকা রোগগুলিতেও অপেক্ষা করতে হবে না। এমনিতেই মিলবে কভারেজ।

    বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সুবিধা
    এই স্কিমে হাজার হাজার সার্জারি ও চিকিৎসা হবে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    দেশজুড়ে পোর্টেবিলিটি সুবিধা
    এই স্কিমে অধীনস্ত ব্যক্তিরা নিজের রাজ্যের বাইরে ভারতের যে কোনও লিস্টেড হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারেন। বিনামূল্যেই মিলবে পরিষেবা।

    কোনও প্রিমিয়াম দিতে হবে?
    এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ খরচ সরকার বহন করে। উপভোক্তাদের কোনও প্রিমিয়াম দিতে হয় না।

    কীভাবে মিলবে সুবিধা? 
    এই কার্ড নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। তাতেই মিলবে ক্যাশলেশের সুবিধা।

    ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে ভীষণ কার্যকরী

    স্বাস্থ্যই সম্পদ, আর সেই সম্পদ রক্ষায় ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) একটি মজবুত ঢাল হিসেবে কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ নাগরিকরা এখন রাজ্যের বিজেপি শাসিত সরকার (BJP Bengal) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সমন্বয়ে আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। বিশেষ করে যে সকল পরিবার ক্যানসার, কিডনি বা হার্টের রোগের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে অক্ষম, তাঁদের কাছে এই ৫ লক্ষ টাকার বিমা এক নতুন জীবনদানের সমান। সঠিক নথিপত্র দিয়ে দ্রুত আবেদন করে এই সরকারি সুরক্ষাকবচ গ্রহণ করা বর্তমান সময়ে প্রতিটি সচেতন নাগরিকের কর্তব্য।

  • Daily Horoscope 12 May 2026: ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 12 May 2026: ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) মা-বাবার সঙ্গে জরুরি আলোচনা সারতে পারেন।

    ২) দুপুরের পরে কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের সঙ্গে বিবাদে যাবেন না।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

     

     

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সখপূরণ হবে।

     

     

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ২) দাম্পত্য জীবনে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

     

     

    কন্যা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের চক্রান্তে সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) মনে দুর্বুদ্ধির উদয় হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

     

     

    ১) কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের যোগ।

    ২) আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময়।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) বিষয়সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথা নিয়ে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কিছু কেনার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো।

    ২) সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক, বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক, বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সোমবার নবান্নে নবগঠিত সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার (Cabinet Meeting) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক পদক্ষেপের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট বললেন, “পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন ও সুরক্ষার যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের ধারাকে অনুসরণ করেই এগিয়ে যাবে।” একই ভাবে ডিএ  ও সপ্তম পে কমিশন নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    মহার্ঘ ভাতা (DA) ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন–

    • আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
    • ওই বিশেষ বৈঠকেই ডিএ (DA) এবং সপ্তম বেতন কমিশন সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
    • পূর্ববর্তী সরকারের বাজেট পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতির সমালোচনা করে তিনি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেন।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন দেখা গেল।

    দুর্নীতি দমন ও নারী সুরক্ষা

    প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন, সুরক্ষা এবং ডবল ইঞ্জিন সরকারের যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের পথ অনুসরণ করেই এগোবে।রাজ্য সরকারের কর্মীরা কবে পাবেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পরের সোমবার আবার বৈঠকে বসবে মন্ত্রিসভা। ওই দিনই ডিএ, সপ্তম পে কমিশন-সহ একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” শুভেন্দু আরও বলেন, “রাজ্যে কোনোভাবেই নারী নির্যাতন ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে আর জি কর-সহ বিভিন্ন নারী নির্যাতনের ঘটনা এবং বিগত আমলের নিয়োগ বা অন্যান্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী সোমবারের বৈঠকে এই বিষয়গুলি নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

    মন্ত্রিসভার প্রথম দিনের সিদ্ধান্ত

    এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাঁচ পূর্ণমন্ত্রী— দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, ক্ষুদিরাম টুডু, অশোক কীর্তনিয়া ও নিশীথ প্রামাণিক। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, “সরকার গঠনের পর পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় এখনই সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে যেসব নথিপত্র প্রস্তুত ছিল, তার ভিত্তিতে কয়েকটি জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    কর্মচারী মহলে আশার আলো

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। এই পরিস্থিতিতে নবগঠিত সরকারের এই আশ্বাস কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আগামী সোমবারের বৈঠকে যদি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা আসে, তবে তা হবে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসে এক বড় পদক্ষেপ।

    মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) পরিশেষে আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষা করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।

  • BSF Land Allotment: “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সম্পর্ক জড়িত” বর্ডারে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি রাজ্যের

    BSF Land Allotment: “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সম্পর্ক জড়িত” বর্ডারে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত সুরক্ষায় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (BSF)-কে জমি দিল রাজ্য। সোমবার প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্যাবিনেট মিটিং করার পর একাধিক বড় ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের বৈঠকে যে’কটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিএসএফকে জমি দেওয়ার (BSF Land Allotment) সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়েছে। নদিয়ার করিমপুরে ০.৯ একর জমি দেওয়া হচ্ছে তাদের। সেই জমিতে নতুন আউটপোস্ট তৈরি হবে বলে খবর। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িত রয়েছে। এই কাজ করা হচ্ছে দেশের হিতের জন্য। সেই কারণেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    রাজ্যের সুরক্ষা, দেশের নিরাপত্তা

    এতদিন বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করতে ঢিলেমি করছিল রাজ্য। বিএসএফ জমি না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল। তাতেই বসানো যাচ্ছিল না কাঁটাতার। উন্মুক্ত ছিল রাজ্যের একাধিক সীমান্ত। এই বিষয়টিকেই হাতিয়ার করেছিল বিজেপি। ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল অবস্থান। কোনওভাবেই যে রাজ্যের সুরক্ষার সঙ্গে কোনও রকমের আপোস করা হবে না, তা স্পষ্ট করা হয়েছিল। কারণ রাজ্যের এই অনুপ্রবেশ ইস্যুই দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রশ্নচিহ্ন হয়ে উঠছিল। মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই ঘোষণা করেন, “বাংলার সুরক্ষার প্রশ্নে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, বিএসএফ-এর সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য ‘ল্যান্ড ট্রান্সফার প্রসেসে’ অনুমোদন দেওয়া হল। আজ থেকেই ল্যান্ড ট্রান্সফার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভূমি ও রাজস্ব সচিব ও মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর সম্পূর্ণ করতে হবে।”

    সীমান্তে কত অংশ খোলা-মুক্তাঞ্চল

    দক্ষিণবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২২১৭ কিলোমিটার, যা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের অন্তর্গত। এই সীমান্তে কাঁটাতার লাগানোর কাজ চলছে, তবে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সমস্যার (Suvendu Adhikari on BSF Land Transfer) কারণে কাজে বিলম্ব হচ্ছিল। এখনও পর্যন্ত ১৬৪৮ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতার লাগানো হয়েছে। বাকি ৫৬৯ কিলোমিটারের মধ্যে ১১৩ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ এই অংশটি নদী সীমান্তের অন্তর্গত। বাকি ৪৫৬ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য পশ্চিমবঙ্গে ২২১৬.৭ কিমি। এর মধ্যে এখনও ৫৬৯ কিমি বেড়াহীন।

    কত একর জমির প্রয়োজন

    পরিসংখ্যান বলছে, ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত জুড়ে কাঁটাতার বসাতে প্রয়োজন ৬৭ একর জমি। ন’টি বর্ডার আউটপোস্ট নির্মাণে প্রয়োজন ১৮ একর জমি। জমি মালিকদের থেকে ক্রয় করে তা বিএসএফের হাতে তুলে দিতে জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিলেও তেমন ভাবে কার্যকর করা হয়নি। এর মধ্যেই কেন্দ্র ইতিমধ্যে ১৮১ কিমি জমির জন্য টাকা ছেড়ে দিয়েছে, অথচ রাজ্য সরকার সেই জমি হস্তান্তর করতে অস্বীকার করেছিল। সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ১০৫ একর জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া এবার শুরু করল রাজ্য সরকার। এদিন বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “ভূমি দফতর ইতিমধ্যেই কাজ এগিয়ে রেখেছে। কিন্তু আগের সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য বিএসএফ-কে জমি দেয়নি। এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। আমি হিসেব করে বুঝতে পারলাম, প্রায় ৯০ শতাংশ জমি রাজ্যের ভূমি দফতর এমনিই বিএসএফ-কে দিতে পারে।”

    সীমান্ত সুরক্ষিত ছিল না

    এর আগে একাধিকবার রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন যে তৎকালীন সরকার বিএসএফ- কে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের ব্যাপারে অসহযোগিতা করছে। আর এর জেরে যে সীমান্ত অরক্ষিত হয়ে পড়েছিল, অনুপ্রবেশ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছিল, সীমান্ত সুরক্ষিত ছিল না – তা স্পষ্ট। ভুয়ো পাসপোর্ট চক্র, তার পরে রাজ্য থেকে একাধিক সন্দেহভাজন জঙ্গি ও অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল রাজ্য প্রশাসন। তার পরেই পাল্টা বিএসএফের দিকে আঙুল তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি জানিয়েছিলেন, জঙ্গি অনুপ্রবেশের নেপথ্যে ভূমিকা রয়েছে বিএসএফের। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, বিএসএফই রাজ্যে গুন্ডা, লোক ঢোকাচ্ছে। সরকারি ভাবে তার জবাবও দিয়েছিল বিদেশ মন্ত্রক। জানিয়েছিল, অনিয়মের কোনও প্রশ্ন নেই।

    করিমপুরে আউটপোস্ট

    রাজ্যবাসীর নিরাপত্তার খাতিরে প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নদিয়ার করিমপুরে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও বিএসএফের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। নদিয়া জেলায় প্রায় ২১৬ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে এখনও প্রায় ২০.৬১১ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া যায়নি বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। কাঁটাতার ছাড়া সীমান্ত রয়েছে করিমপুরেও। সেখানে আউটপোস্ট তৈরি করতে চেয়েছিল বিএসএফ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, সে কারণেই করিমপুরে আউটপোস্ট করতে চেয়েছিল বিএসএফ। এ বার তার জন্যই জমি দিচ্ছে রাজ্য।

    জনবিন্যাসে পরিবর্তন নয়

    পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার সরকার গড়ার পরেই বিজেপি সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসএফ- কে জমি হস্তান্তর করার ব্যাপারে। এর ফলে সীমান্তজুড়ে সঠিকভাবে কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব হবে, যা অনুপ্রবেশের পাশাপাশি সীমান্তে থাকা অন্যান্য সমস্যা রুখতেও সাহায্য করবে। আর সুরক্ষিত থাকবে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি। শুভেন্দুর কথায়, “দেশ ও রাজ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সীমান্ত এলাকায় জনবিন্যাসের পরিবর্তনের বিষয় মাথায় রেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।”

  • CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা (Census) প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, অবিলম্বে কেন্দ্রের নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে এবং প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতিও শুরু হবে।

    মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    এই ঘোষণা করতে গিয়েই আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৬ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া-র দফতর থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছিল, যেখানে রাজ্যে আসন্ন জনগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু সেই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল সরকার সংবিধান এবং রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছিল, যাতে মহিলাদের সংরক্ষণ কার্যকর না হয়। আজ মন্ত্রিসভা অবিলম্বে ওই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছে।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই জনগণনা?

    ভারতে সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা হয়। শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। ২০২১ সালের জনগণনা কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে স্থগিত হয়ে যায়। এরপর এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে সেই প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।

    জনগণনা শুধুমাত্র জনসংখ্যা গণনার বিষয় নয়, এর উপর নির্ভর করে—

    • ● কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা
    • ● খাদ্য নিরাপত্তা ও রেশন বণ্টন
    • ● স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অবকাঠামো পরিকল্পনা
    • ● নগরায়ণ ও আবাসন নীতি
    • ● ভবিষ্যতের নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation)
    • ● মহিলাদের সংরক্ষণ ইস্যুতে রাজনৈতিক তাৎপর্য
    • ● বিরোধী রাজ্যগুলি এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে!

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই সিদ্ধান্তকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে নয়, রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও তুলে ধরতে চাইছে নতুন সরকার। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হওয়া নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম অনুযায়ী লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে হলে নতুন জনগণনা এবং পরবর্তী ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া জরুরি। এই কারণেই জনগণনা বিলম্বিত হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছিল। বিজেপির অভিযোগ, বিরোধী শাসিত কিছু রাজ্য পরোক্ষে এই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছে।

    কী কী প্রস্তুতি শুরু হবে?

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর জেলাশাসক, ব্লক প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় শুরু করবে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে যে কাজগুলি শুরু হতে পারে—

    • ● প্রশাসনিক সীমানা ও ওয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্য আপডেট
    • ● বাড়ি তালিকাকরণ (House Listing)
    • ● তথ্য সংগ্রহের জন্য ফিল্ড স্টাফ ও এনুমেরেটর প্রস্তুতি
    • ● ডিজিটাল ডেটা সংগ্রহের অবকাঠামো গড়ে তোলা
    • ● জেলা ও পুরসভা স্তরে সমন্বয় বৈঠক

    রাজ্য প্রশাসনের একাংশ জানিয়েছে, ক্যাবিনেট অনুমোদনের পর থেকেই বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে।

    নতুন সরকারের প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বিজেপি সরকারের এটি অন্যতম প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। সরকার ইতিমধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু এবং কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় বাড়ানোর মতো বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল জনগণনা। নতুন সরকার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা কেন্দ্রের নীতি ও প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের সঙ্গে দ্রুত সামঞ্জস্য স্থাপন করছে।

    এখনও স্পষ্ট নয় সময়সূচি

    যদিও জনগণনা শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি।

    এখনও জানা যায়নি—

    • ● বাড়ি তালিকাকরণ কবে শুরু হবে
    • ● মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কবে হবে
    • ● জনগণনা প্রক্রিয়া শেষ করতে কত সময় লাগবে

    তবে সরকারি সূত্রের দাবি, কেন্দ্রের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয়ের পর বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্য সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে বেড়ে গেল ৫ বছর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Suvendu Adhikari: রাজ্য সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে বেড়ে গেল ৫ বছর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির দিন শেষ। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিরাট ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জানিয়ে দিলেন, বাড়ানো হচ্ছে সরকারি চাকরির (Government Job Age Limit) জন্য আবেদনের বয়সসীমা। গত এক দশকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা এবং পূর্বতন সরকারের আমলে হওয়া নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যাঁদের চাকরির বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫ বছর বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার, নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের আরও ৫ মন্ত্রী। দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু ও নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা বলে সাংবাদিকদের মন্ত্রিসভায় গৃহীত ৬ সিদ্ধান্তের কথা জানান শুভেন্দু।

    কেন বয়স সীমায় ছাড় দেওয়া হল

    প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০১৫ সালের পর বাংলায় কোনও নিয়োগ হয়নি। সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়ানো হল।” ২০১৫ সালের পর থেকে রাজ্যে বড় মাপের কোনও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এর ওপর পূর্বতন সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতির জেরে হাজার হাজার যোগ্য প্রার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। দিনের পর দিন আইনি লড়াই এবং রাজপথে আন্দোলনের ফলে অনেক প্রার্থীরই সরকারি চাকরিতে বসার নির্ধারিত বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল। এই ‘বয়স ফুরিয়ে যাওয়া’ প্রার্থীদের কথা চিন্তা করেই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা ক্ষমতায় আসার আগেই বলে রেখেছিল বিজেপি।

    আমিত্ব নয়, আমরা নীতিতে চলবে সরকার

    বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, “চাকরি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এই বাংলায় যুবক যুবতীদের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে। এতে ওদের কোনও দোষ নেই। বিজেপি সরকার হলে যুবক যুবতীদের আবেদনের বয়সের ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে।” সেই কথামতোই কাজ করা হল। সরকারের এই পদক্ষেপে খুশির হাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের মদ্যে। আন্দোলনকারীদের মতে, নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যে সময় নষ্ট হয়েছে, এই ৫ বছরের ছাড় তা কিছুটা হলেও পূরণ করতে পারবে। এনিয়ে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের মুখ চিন্ময় মণ্ডল বলেন, “১০-১২ বছর ধরে যাঁরা চাকরির পরীক্ষাতেই বসতে পারেননি, তার মধ্যে তো দুর্নীতি ছিল, সঙ্গে সরকারের এতো টালবাহানা। তাঁদের কাছে নিঃসন্দেহে এটা বড় খবর।” এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমিত্ব নয়, আমরা নীতিতে চলবে এই সরকার। সংবিধান, নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়েই চলবে সরকার।”

  • NIA: মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র বড় পদক্ষেপ, কালিয়াচকের দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    NIA: মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র বড় পদক্ষেপ, কালিয়াচকের দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    মাধ্যাম নিউজ ডেস্ক: মালদার মোথাবাড়ি ও সুজাপুর এলাকায় সাম্প্রতিক হিংসাত্মক আক্রমণ এবং গোলমালের ঘটনায় এবার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় কালিয়াচক-১ (Kaliachak Mothabari Case) নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সারিউল শেখ এবং সুজাপুর অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি ইউসুফ শেখ-কে গ্রেফতার করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই জোড়া গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    তদন্তের গতিপ্রকৃতি ও জিজ্ঞাসাবাদ (NIA)

    এনআইএ (NIA) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনার ঠিক প্রাক্কালে সুজাপুর বিধানসভার প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুর রহমান এবং ব্লক সভাপতি সারিউল শেখসহ মোট ৯ জন নেতাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকায় শুরুতে তাঁরা হাজিরা এড়িয়ে গেলেও, পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তলবে সাড়া দিতে বাধ্য হন। এরপর হাজিরা দিতে গেলেই তথ্য়ে গোলমাল ঘটলে গ্রেফতার করা হয়। গত বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের সময় সারিউল ও ইউসুফের (Kaliachak Mothabari Case)  মোবাইল ফোন দুটি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। এরপর শুক্রবার পুনরায় তাঁদের ডেকে পাঠিয়ে ম্যারাথন জেরা করা হয়। বয়ানে অসঙ্গতি মেলায় শেষ পর্যন্ত তাঁদের হেফাজতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এনআইএ।

    অভিযোগের নেপথ্যে

    তদন্তকারীদের (NIA) দাবি, মোথাবাড়িতে বিচারকদের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং সুজাপুর হাসপাতালের নিকটবর্তী জাতীয় সড়ক অবরোধের ঘটনায় এই দুই নেতার প্রত্যক্ষ উস্কানি ও যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। উল্লেখ্য, ধৃত ইউসুফ শেখ সুজাপুর হাসপাতালের সংলগ্ন একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের মালিক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, নিজের প্রতিষ্ঠানের সামনেই সেই দিন জনতাকে সংগঠিত করে বড়সড় আন্দোলনের রূপ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে জাতীয় সড়কের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একযোগে অবরোধের পিছনে আরও বড়সড় সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থাকতে পারে। তাই তদন্তে এই সমস্ত বিষয়গুলিকেও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

    ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ

    কালিয়াচকে (Kaliachak Mothabari Case) এনআইএ-র (NIA) এই অভিযান এখানেই শেষ হচ্ছে না বলে ইঙ্গিত মিলেছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মোথাবাড়ি ও সুজাপুর কাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে শাসকদলের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতার নামও বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থার নজরে রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিনে এই এলাকায় আরও কিছু প্রভাবশালীর গ্রেফতারির সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে। বর্তমানে এই দুই ধৃত নেতাকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার মূল ষড়যন্ত্রকারী এবং বাকি সদস্যদের হদিস পাওয়ার চেষ্টা করছে এনআইএ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: সরকারি চাকরির বয়স ৫ বছর বৃদ্ধি, আয়ুষ্মান ভারত চালু, বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, প্রথম দিনেই ৬ সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    Suvendu Adhikari: সরকারি চাকরির বয়স ৫ বছর বৃদ্ধি, আয়ুষ্মান ভারত চালু, বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, প্রথম দিনেই ৬ সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে থেকে চলতে থাকা কোনও সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প বন্ধ হচ্ছে না। চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত-সহ সব কেন্দ্রীয় স্কিম, নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, আগে চালু থাকা সমস্ত প্রকল্প থাকবে। তবে অভারতীয় বা মৃত কেউ এই সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে জানান তিনি।

    নবান্নে শুভেন্দুর প্রথম দিন

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ নবান্নে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপর তাঁকে ভিআইপি করিডরে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। ১০-১৫ মিনিটের গার্ড অফ অনার দেওয়ার অনুষ্ঠান হয়। কলকাতা পুলিশের টিম, কলকাতা পুলিশের ব্যান্ড গার্ড অফ অনার দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। এরপর সোজা ১৪ তলায় পৌঁছন তিনি। নবান্নে রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। ১৪ তলার একটি কনফারেন্স রুমে গিয়ে ৫ মন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক সারেন। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং মন্ত্রী পদে শপথ নেওয়া ৫ জন— অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু, নিশীথ প্রামাণিক এবং দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও, এই বৈঠকে হাজির ছিলেন বেশ কিছু দফতরের আধিকারিকরাও। এর পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, জানান ৬ সিদ্ধান্তের কথা ।

    প্রথম মন্ত্রিসভায় ৬ সিদ্ধান্ত

    মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক শুভেন্দু অধিকারীর। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলি হল—

    ● বিজেপির নিহত কর্মীদের পাশে সরকার

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির অকালে ঝরে যাওয়া ৩২১ জনকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছি, সমবেদনা জানিয়েছি। তাদের পরিবারের প্রতি এই সরকার দায়বদ্ধ। হত্যার বিচার চান তাঁরা। তা আমরা দেব। আত্ম বলিদানকারী বিজেপি কর্মীর পরিবারগুলির দায়িত্ব আমাদের। তাঁদের পরিবারের সামাজিক এবং অন্যান্য কল‍্যাণমূলক দায়িত্ব আমরা নিলাম।”

    ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর

    সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ এবং নিরাপত্তা পরিকাঠামো তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। প্রথম দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং বিএসএফ-কে আমরা জমি হস্তান্তরে অনুমোদন দিলাম। ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হল। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে প্রয়োজনীয় জমি তুলে দেওয়া হবে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ

    ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বড় ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গ আয়ুষ্মান ভারত ( Ayushman Bharat ) প্রকল্পে যুক্ত হল। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (Pradhan Mantri Jan Arogya Yojana), প্রধানমন্ত্রী কৃষক বিমা যোজনা (Pradhan Mantri Kisan Bima Yojana), পিএম বিশ্বকর্মা (PM Vishwakarma), বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও (Beti Bachao Beti Padhao), পিএম উজ্জ্বলা (PM Ujjwala) যোজনা সহ কেন্দ্রীয় সমস্ত প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত হল রাজ্য।

    মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, বিভিন্ন গ্রাহক বিতরণ কেন্দ্র এবং প্রশাসনিক স্তরে বহু আবেদন দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, “রাজনৈতিক কারণে প্রচুর আবেদন ফেলে রেখেছিলেন জেলা শাসকরা।” তিনি জানান, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে সেই সমস্ত আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদন করেছিলেন। সেগুলি আগের সরকার কেন্দ্রীয় সরকারে পাঠাতে দেননি। আজ সেই আবেদন গুলি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আইএএস-আইপিএসদের প্রশিক্ষণ

    প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু জানান, প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে আইএএস আধিকারিকদের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তিনি বলেন, এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকরাও দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতো কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, “আগের মুখ্যমন্ত্রীর অলিখিত নির্দেশে আইএএস, আইপিএস-রা প্রশিক্ষণ নিতে পারতেন না।” এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব মুখ্যসচিবকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বঙ্গে চালু হল বিএনএস

    আজ থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বা বিএনএস-এ যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এতদিন সংবিধান অগ্রাহ্য করে অত্যন্ত অবৈধ ভাবে আগের আইপিসি, সিআরপিসি চলছিল। আজ থেকে বিএনএস-এ যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ।

    সরকারি চাকরিতে ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি

    সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স পাঁচ বছর বৃদ্ধি করল রাজ্যের বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি বলেছিলেন, ২০১৫ সালের পর রাজ্যে সরকারি চাকরিতে কোনও নিয়োগ হয়নি। তাই প্রচুর শিক্ষিত যুবক-যুবতীর বয়স চলে গিয়েছে। সে কথা মাথায় রেখে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়ঃসীমা পাঁচ বছর বৃদ্ধি করা হল।”

    একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, জনগণনার কাজ আজ থেকে শুরু করল রাজ্য। কেন্দ্রের নির্দেশ এখন থেকেই কার্যকর। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক। তিনি বলেন, “পরবর্তী সোমবার আমরা মন্ত্রিসভার আরও একটি বৈঠক করব। আরজি কর-সহ নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন, মহার্ঘ্য ভাতা (ডিএ), এরিয়ারের বিষয়ে আমরা ওই দিন আলোচনা করব।”

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নতুন ঠিকানা আলিপুরের ‘সৌজন্য’, আপাতত এটাই তাঁর বাসভবন

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নতুন ঠিকানা আলিপুরের ‘সৌজন্য’, আপাতত এটাই তাঁর বাসভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কলকাতায় নিজের ফ্ল্যাটে থাকলেও, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর স্থায়ী ঠিকানা বদলাতে চলেছে। সূত্রের খবর আলিপুরের ভিভিআইপি গেস্ট হাউস ‘সৌজন্য’ হবে শুভেন্দুর থাকার জায়গা। একই ভাবে নবান্নতে (Nabanna Meeting) আজ সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। কেন্দ্রীয় জনমুখী প্রকল্পকে বাস্তবায়নের জন্য নেওয়া হতে পারে কার্যকর পদক্ষেপ।

    ‘সৌজন্য’-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার (Suvendu Adhikari)

    ২০১৮ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে এই ভবনটি উদ্বোধন করা হয়েছিল। মূলত বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বা ভিভিআইপিদের থাকার জন্য এটি তৈরি করা হলেও, এখন এটিই হতে চলেছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) সরকারি বাসভবন। ইতিমধ্যেই ‘সৌজন্য’-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় বৈঠকও সেরে ফেলা হয়েছে।

    পৈতৃক ভিটে ‘শান্তিকুঞ্জ’ ও পারিবারিক মুহূর্ত

    শপথ নেওয়ার পর প্রথম রবিবারটি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কাটিয়েছেন তাঁর কাঁথির পৈতৃক বাড়ি ‘শান্তিকুঞ্জ’-এ। ৯ মে শপথ গ্রহণের পর শনিবার রাতেই মেদিনীপুরের তিনি বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। রবিবার দিনভর মা ও মাসির হাতের রান্না করা বাঙালি খাবারে আপ্যায়িত হন তিনি। মেনুতে ছিল— করলা সেদ্ধ, মোচার তরকারি থেকে শুরু করে সর্ষে ইলিশ ভাপা ও মুরগির মাংস। এরপর বিকেলেই তিনি প্রশাসনিক কাজের উদ্দেশ্যে কলকাতার পথে রওনা দেন।

    আজকের প্রশাসনিক কর্মসূচি

    নবান্নে (Nabanna Meeting) প্রথম দিন আজ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ব্যস্ত দিন। তাঁর সূচিতে রয়েছে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। বিকেল তিনটে নাগাদ নবান্ন সভাঘরে বিজয়ী বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক হবে। পাশাপাশি তিনটি প্রশাসনিক বৈঠকও রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর। প্রথম বৈঠকটি দুপুরে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের নিয়ে প্রথমে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন তিনি। এর পর বিকেল ৪টে নাগাদ সব জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক। বিকেল ৫টা নাগাদ ডিজি, এডিজি আইনশৃঙ্খলা, সিপি ও এসপিদের নিয়ে বৈঠক করবেন শুভেন্দু। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর এই নতুন ইনিংসের দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

LinkedIn
Share