Tag: New Delhi

New Delhi

  • Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বুধবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট (Finnish President) আলেকজান্ডার স্টাব। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। বিমানবন্দরেই গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারতে আন্তরিক স্বাগতম! ফিনল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং তাঁকে স্বাগত জানান।”

    প্রেসিডেন্ট স্টাব (Finnish President)

    প্রেসিডেন্ট স্টাব ৭ মার্চ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন। তাঁর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে, যাতে মন্ত্রী, শীর্ষ সরকারি আধিকারিক, এবং বিশিষ্ট শিল্পপতিরা রয়েছেন। তিনদিনের এই সফরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একাদশতম ‘রাইসিনা ডায়ালগে’ অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধান বক্তাও তিনিই। প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই প্রেসিডেন্ট স্টাবের প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার (Finnish President) সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্টাবের সফরসূচি

    ভারত সফরে প্রেসিডেন্ট স্টাব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে প্রেসিডেন্ট স্টাব যাবেন মুম্বই সফরে। সেখানে তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মুম্বইয়ে তিনি ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং ভারত-ফিনল্যান্ড ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথাও রয়েছে তাঁর। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে (India)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নর্ডিক অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে ফিনল্যান্ডকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Finnish President)।

     

  • Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ (এআই) বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও কানাডা কীভাবে (Tata Group) অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    কার্নির বক্তব্য (Canada PM)

    এক্স হ্যান্ডেলে কার্নি লিখেছেন, “কানাডা ও ভারত—উভয়ই দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি, যাদের জ্বালানি, প্রযুক্তি ও এআই খাতে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন এবং আমি মুম্বইয়ে সাক্ষাৎ করেছি—আমাদের দুই দেশ কীভাবে এই ক্ষেত্রগুলিতে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে উভয় দেশের মানুষের জন্য অধিকতর নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে মার্ক কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভারতে সরকারি সফরে রয়েছেন। এটি প্রধানমন্ত্রী কার্নির প্রথম সরকারি ভারত সফর। কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে পৌঁছন। পরবর্তী দু’দিনে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডীয় পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন (Canada PM)।

    ভারত-কানাডা সিইও ফোরামে অংশ নেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী কার্নির ১ মার্চ নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে দুই প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে কানানাস্কিসে এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে তাঁদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হবে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুই নেতা চলমান সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলি—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন, এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক—পর্যালোচনা করবেন (Canada PM)। এছাড়াও তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করবেন।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। উল্লেখ্য যে (Tata Group), দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

     

  • Rajya Sabha: একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগোচ্ছে বিজেপি! রাজ্যসভায় ৩৭ আসনে নির্বাচনে ভালো জায়গায় এনডিএ

    Rajya Sabha: একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগোচ্ছে বিজেপি! রাজ্যসভায় ৩৭ আসনে নির্বাচনে ভালো জায়গায় এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৬ মার্চ ১০টি রাজ্যে রাজ্যসভার ৩৭টি (Rajya Sabha) আসনে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। প্রাথমিক সমীকরণ বলছে, ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট উচ্চকক্ষে আরও মজবুত জায়গায় যেতে চলেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে—মহারাষ্ট্র, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্যে নিজেদের মধ্যে টানাপোড়েন সামাল দিতে প্রায় ব্যর্থ ‘ইন্ডিয়া’ জোট। বর্তমানে ২৪৫ সদস্যের রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ১০৩—দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। মিত্রদল মিলিয়ে এনডিএর শক্তি প্রায় ১৩৩, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার (১২২) থেকে অনেকটাই বেশি। দলীয় সূত্রের দাবি, চলতি বছরে ধাপে ধাপে নির্বাচন শেষে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। অভ্যন্তরীণ হিসেবে এনডিএ অন্তত ২১টি আসন জিততে পারে বলেই আশা। সারা বছরে মোট ৭১টি আসনে ভোট হওয়ার কথা, সেখানে ৪০-এর গণ্ডি পার করাই লক্ষ্য জোটের।

    মহারাষ্ট্র ও বিহার: এনডিএর বড় ভরসা

    মহারাষ্ট্র ও বিহার—এই দুই রাজ্যেই এনডিএর সমীকরণ খুব ভালো। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ২৮৮টির মধ্যে বিজেপির ১৩১ জন বিধায়ক, আর বিহারে ২৪৩ আসনের মধ্যে ৮৯ জন বিজেপি বিধায়ক। এই সংখ্যা রাজ্যসভায় বাড়তি আসনে রূপান্তরিত হতে পারে বলেই মনে করছে শিবির। মহারাষ্ট্রে শাসক জোট ‘মহাযুতি’র শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন গুরুত্বপূর্ণ। একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা এবং সুনেত্রা পাওয়ার ঘনিষ্ঠ এনসিপি শিবিরের সঙ্গে আলোচনা ফল নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। বিহারে চিরাগ পাসোয়ানের ক্রমবর্ধমান প্রভাবও সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ। বিরোধী শিবিরের জন্য মহারাষ্ট্রে লড়াই কঠিন। শারদ পাওয়ার, ফৌজিয়া খান, প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী ও রজনী পাতিলদের মতো নেতাদের নাম ঘুরছে। তবে নিশ্চিতভাবে জেতার মতো আসন মাত্র একটি—ফলে প্রতিযোগিতা তীব্র। শরদ পওয়ার আগে না লড়ার ইঙ্গিত দিলেও, নতুন করে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনার জল্পনা রয়েছে। বিহারেও বিরোধীদের জন্য চিত্র কঠিন। সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফলের জেরে সেখানে দুটি আসন হারানোর আশঙ্কা বাড়ছে।

    অন্য রাজ্যেও এগিয়ে এনডিএ

    আসামে তিনটি ও ওড়িশায় চারটি আসনে ভোট—দুই রাজ্যেই বিজেপির সুবিধা স্পষ্ট। এছাড়া হরিয়ানা ও ছত্তিশগড়ে দুটি করে আসনে এনডিএ এগিয়ে। পশ্চিমবঙ্গে অন্তত একটি আসন পেতে পারে বিজেপি। তামিলনাড়ু-তে বর্তমান শক্তির ভারসাম্য বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকেই কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে বিরোধীরা। তামিলনাড়ুতে ছয়টির মধ্যে চারটি আসন, পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটির মধ্যে চারটি পেতে পারে বিরোধীরা। জাতীয় কংগ্রেস তেলেঙ্গানায় দুটি, ছত্তিশগড় ও হরিয়ানায় একটি করে এবং হিমাচল প্রদেশে একমাত্র আসন ধরে রাখতে পারে। বর্তমানে বিরোধীদের মোট ৭৯ জন সদস্য রয়েছেন উচ্চকক্ষে। সমীকরণ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৪ জন ‘ইন্ডিয়া’ জোট-এর প্রার্থী জিততে পারেন।

    উচ্চকক্ষে বড় নাম ও জল্পনা

    বিজেপির অন্দরে নতুন রাজ্য সভাপতি নীতিন নবীনকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জল্পনা রয়েছে। তবে সূত্রের দাবি, আপাতত তিনি বিহার বিধানসভাতেই থাকতে পারেন—আগে নীতিন গড়কড়ী ও অমিত শাহ দলীয় সভাপতির সময় এমন নজির রয়েছে। এ বছর অবসর নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আতওয়ালে ও রামনাথ ঠাকুর—দু’জনেরই পুনরাগমনের সম্ভাবনা। উপ-সভাপতি হরিবংশ নারায়নের মেয়াদও এপ্রিলেই শেষ হচ্ছে। তাঁকে পুনর্নিযুক্ত না করা হলে নতুন উপ-সভাপতি নির্বাচনের প্রয়োজন হতে পারে। জুন, জুলাই ও নভেম্বর পর্যন্ত একাধিক ধাপে ভোট হবে। রাজনৈতিক বার্তা ও সামাজিক-আঞ্চলিক সমীকরণ মাথায় রেখে প্রার্থী বাছাইয়ের মাধ্যমে অসম ও পশ্চিমবঙ্গের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে বার্তা দিতে চায় বিজেপি। সব মিলিয়ে, জোট-সমীকরণ ও রাজ্যভিত্তিক অঙ্কই চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করবে। তবে আপাতত দিকনির্দেশ স্পষ্ট—রাজ্যসভায় নিজেদের দখল আরও মজবুত করতে এগিয়ে রয়েছে এনডিএ। একই সঙ্গে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকেও ধীরে ধীরে এগোচ্ছে বিজেপি।

  • AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Impact Summit)- এর আয়োজন করতে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টি দেশের রাষ্ট্রনেতারা নয়াদিল্লিতে সমবেত হবেন। ভারত এই সম্মেলনের সহ-সভাপতি এবং “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” (মানুষ, পৃথিবী ও অগ্রগতি) এই মূল (Global Tech Drive) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সম্মেলন পরিচালনার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ভারতে আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি (AI Impact Summit)

    এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন। দায়িত্বশীল প্রযুক্তিগত বিপ্লবের লক্ষ্যে এই আন্তঃমহাদেশীয় সমাবেশ ভারতের আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি, গুরুত্ব ও গভীরতাকেই প্রতিফলিত করে। বিদেশমন্ত্রকের সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” এই তিন সূত্রে আন্ডারলাইন করা এআই ইমপ্যাক্ট সামিট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সহযোগিতা সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, উদ্ভাবক, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হবেন এবং এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। তাঁরা এমন একটি দায়িত্বশীল এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার সহযোগিতামূলক পথ নিয়ে আলোচনা করবেন, যা ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সম্মান জানাবে।

    অংশগ্রহণকারী দেশ

    বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণকারী হলেন ভুটান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রিস, গায়ানা, কাজাখস্তান, লিশটেনস্টাইন, মরিশাস, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিপুল সংখ্যক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি ভারতের নেতৃত্বে একটি দায়িত্বশীল এআই বিপ্লবের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে এই সম্মেলন এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য (AI Impact Summit) উন্নয়নের লক্ষ্যে একজন দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরে (Global Tech Drive)।

    ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে

    বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি এই সম্মেলনে বৃহৎ ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলও উপস্থিত থাকবে। বিদেশমন্ত্রকের মতে, ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রীস্তরের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরাও নয়াদিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন, যাতে এআইয়ের দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের জন্য সহযোগিতামূলক পথ সুগম করা যায়। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। সব মিলিয়ে ১০০টিরও বেশি দেশ ভারতের নেতৃত্বে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লিতে সমবেত হবে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৃহৎ আকারের এআই সম্মেলন। ফলে সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক এআইয়ের বিকাশ ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করা, যা গ্লোবাল সাউথের মানুষ ও যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। ভারতের বিদেশনীতি বরাবরই গ্লোবাল সাউথের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ভারতে আয়োজিত এই সম্মেলনে (AI Impact Summit) গ্লোবাল সাউথের সমৃদ্ধি এবং এআই বিপ্লবের সুফল পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে (Global Tech Drive)।

     

  • Gen Naravane Memoir Row: জেনারেল নারাভানে স্মৃতিকথা বিতর্ক! কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা কর্মীদের বই প্রকাশে নির্দেশিকা আনছে কেন্দ্র

    Gen Naravane Memoir Row: জেনারেল নারাভানে স্মৃতিকথা বিতর্ক! কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা কর্মীদের বই প্রকাশে নির্দেশিকা আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নারাভানের (Gen Naravane Memoir Row) অপ্রকাশিত বইকে ঘিরে বিতর্কের জেরে কেন্দ্র সরকার কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটছে। ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’ (Four Stars of Destiny) শীর্ষক এই অপ্রকাশিত বইটি সম্প্রতি আলোচনায় আসে। লোকসভায় চলতি বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বইটির কিছু অংশ উদ্ধৃত করার চেষ্টা করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সেনাপ্রধান ছিলেন নারাভানে। তাঁর ‘অপ্রকাশিত’ বইয়ের কিছু অংশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে একটি ম্যাগাজিনে। যার পর শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    সেনা কর্মীদের জন্য কঠোর নির্দেশিকা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বই প্রকাশ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি বৈঠক হয়েছে এবং সেখানে বিস্তারিত উপস্থাপনাও করা হয়েছে। প্রস্তাবিত নির্দেশিকায় সার্ভিস রুলস এবং অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট (ওএসএ)-এর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সম্প্রতি জেনারেল নারাভানের অপ্রকাশিত বইকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের সূত্রপাত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে স্পষ্ট ও কঠোর নিয়ম প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রের মতে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যের সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই নতুন নির্দেশিকা তৈরি করা হচ্ছে।
    বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কর্তব্যরত অবস্থায় সেনা আধিকারিক বা আমলাদের বই প্রকাশের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিয়ম রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ক্ষেত্রে কী নিয়ম প্রযোজ্য, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট অনুযায়ী, গোপন কোনও তথ্য, স্পর্শকাতর কোনও কথোপকথন, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা বা বিদেশনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তা খোলসা করা যায় না। আবার সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস পেনশন রুল ২০২১ সালে সংশোধন করা হয়, যাতে বলা হয়েছে, কাজ সংক্রান্ত কোনও রকম লেখা প্রকাশ করতে গেলে তাঁর আগের সংস্থার বর্তমান প্রধানের ছাড়পত্র প্রয়োজন। নিয়ম না মানলে পেনশন তুলতে সমস্যা হতে পারে। দেশের তিন বাহিনী এর অন্তর্ভুক্ত না হলেও, তাঁরাও বিধিনিয়ম মেনে চলবেন বলে প্রত্যাশা করা হয়।

    কী থাকতে পারে নতুন নিয়মে?

    নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হবে, কোনো পাণ্ডুলিপি প্রকাশের আগে কী প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যদি বইয়ে সামরিক অভিযান, কৌশল বা সংবেদনশীল তথ্য সংক্রান্ত বিষয় থাকে, তবে লেখককে তা প্রকাশের আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে জমা দিয়ে অনুমোদন নিতে হবে। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক প্রকাশের অনুমতি দেবে। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বই লেখার বিষয়ে একক কোনো আইন নেই। কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম প্রযোজ্য। তবে উভয় ক্ষেত্রেই জাতীয় নিরাপত্তা ও গোপন তথ্য সুরক্ষা সর্বাধিক গুরুত্ব পায়। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট অনুযায়ী, গোপন বা সংবেদনশীল সামরিক তথ্য প্রকাশ করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অবসর গ্রহণের পরও আজীবন প্রযোজ্য থাকে।

  • Republic Day Parade 2026: প্রথমবার দিল্লির কর্তব্য পথে বাস্তব যুদ্ধের প্রদর্শন! প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল ভাবনা ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর

    Republic Day Parade 2026: প্রথমবার দিল্লির কর্তব্য পথে বাস্তব যুদ্ধের প্রদর্শন! প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল ভাবনা ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাল ২০২৬! অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর এই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস। দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day Parade 2026) বিশেষ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হচ্ছে প্রতিবারের মতোই। তবে এই বছর থাকবে বিশেষ অস্ত্র প্রদর্শন। সঙ্গে বাস্তব যুদ্ধের পটভূমি। সঙ্গে বাজবে বন্দে মাতরম-এর সুর। ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের উদ্‌যাপন ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আগামী ২৬ জানুয়ারি দিল্লির কর্তব্য পথ (Kartavya Path)-এ অনুষ্ঠিত রিপাবলিক ডে প্যারেডের মূল থিম হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি (150 years of Vande Mataram)। সামরিক শক্তি ও ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মেলবন্ধনই থাকবে এবারের কুচকাওয়াজের কেন্দ্রে।

    ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর: মূল থিম

    ‘১৫০ ইয়ার্স অব বন্দে মাতরম’ (150 years of Vande Mataram) থিমটি কুচকাওয়াজের ভিজ্যুয়াল, ট্যাবলো, সঙ্গীত, সাজসজ্জা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ফুটে উঠবে। ১৯২৩ সালে শিল্পী তেজেন্দ্র কুমার মিত্রের আঁকা ‘বন্দে মাতরম’-এর বিভিন্ন স্তবকভিত্তিক চিত্রকর্ম কর্তব্য পথের পাশে প্রদর্শিত হবে। কুচকাওয়াজের শেষে ‘বন্দে মাতরম’ লেখা একটি বিশাল ব্যানার উন্মোচন করা হবে এবং রবার বেলুন ওড়ানো হবে। ১৯ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর উদ্যোগে ‘বন্দে মাতরম’ থিমে ব্যান্ড পারফরম্যান্স অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রথমবার ভিভিআইপি তকমার ইতি

    প্রচলিত রীতিনীতি থেকে সরে এসে প্যারেড ভেন্যুর এনক্লোজারগুলির জন্য আগে ব্যবহৃত ‘ভিভিআইপি’ ও অন্যান্য তকমা আর ব্যবহার করা হবে না। তার পরিবর্তে, সব এনক্লোজারের নামকরণ করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন নদীর নামে— প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা এ কথা জানান। এই নদীগুলির মধ্যে রয়েছে—বিয়াস, ব্রহ্মপুত্র, চম্বল, চেনাব, গান্ডক, গঙ্গা, ঘাঘরা, গোদাবরী, সিন্ধু, ঝিলম, কাবেরী, কোসি, কৃষ্ণা, মহানদী, নর্মদা, পেন্নার, পেরিয়ার, রবি, সোন, সুতলজ, তিস্তা, বৈগাই এবং যমুনা। একইভাবে, ২৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিটিং রিট্রিট অনুষ্ঠানের জন্য এনক্লোজারগুলির নামকরণ করা হবে ভারতের বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের নামে। এর মধ্যে থাকবে—বাঁশি (বাঁশুরি), ডমরু, একতারা, এসরাজ, মৃদঙ্গম, নাগাড়া, পাখাওয়াজ, সন্তুর, সারঙ্গি, সারিন্দা, সরোদ, শেহনাই, সেতার, সুরবাহার, তবলা ও বীণা।

    অপারেশন সিঁদুর- এর পর প্রথম

    অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর এই ২৬ জানুয়ারির (Republic Day Parade 2026) প্যারেডে ভারতের সামরিক শক্তি ধরা দেবে একেবারে বাস্তব যুদ্ধের ছকে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army)–র কুচকাওয়াজে এ বার আর শুধু আলাদা আলাদা বাহিনী নয়—দেখানো হবে কী ভাবে ধাপে ধাপে যুদ্ধক্ষেত্রে এগোয় সেনা। কর্তব্য পথে সেই দৃশ্যই প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষ। সূত্রের খবর, কুচকাওয়াজ শুরু হবে রেকনেসেন্স বা নজরদারি পর্ব দিয়ে। উচ্চগতির রেকনেসেন্স যান, ড্রোন, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল—সব মিলিয়ে যুদ্ধ শুরুর মুহূর্তের প্রস্তুতিই তুলে ধরা হবে। এর পর ধাপে ধাপে যুক্ত হবে লজিস্টিকস, সাপোর্ট ইউনিট এবং ব্যাটল গিয়ারে সজ্জিত সেনা। এই প্রথম রিপাবলিক ডে প্যারেডে ভারতীয় সেনা ‘ফেজড ব্যাটল অ্যারে’ ফরম্যাটে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করবে। এর পাশাপাশি থাকবে ৬১ ক্যাভালরির মাউন্টেড কলাম এবং সাতটি মার্চিং কনটিনজেন্ট।

    নজরদারি থেকে বায়ু সেনা—যুদ্ধের পূর্ণ ছবি

    প্রথমেই দেখা যাবে হাই-মোবিলিটি রেকনেসেন্স ভেহিকল, যেগুলিতে থাকবে সার্ভিলেন্স ড্রোন ও ব্যাটলফিল্ড সার্ভিনেন্স রেডার। আকাশে গর্জন তুলবে ‘অ্যাপাচে’ (Apache) এবং লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’ (Light Combat Helicopter Prachand)। এর পর একে একে নামবে ভারী অস্ত্রশস্ত্র—টি-৯০ ট্যাঙ্ক, অর্জুন মেইন ব্যাটল ট্যাঙ্ক, বিএমপি-২, নাগ মিসাইল সিস্টেম, আর্টিলারি গান, এয়ার ডিফেন্স প্ল্যাটফর্ম ও ক্ষেপণাস্ত্র। থাকবে রোবোটিক ডগ, আনম্যানড গ্রাউন্ড ভেহিক্যল, অল-টেরেন ভেহিক্যল এবং রোবোটিক মিউল। ফ্লাইপাস্টে অংশ নেবে রাফাল (Rafale), সু-৩০ (Su-30), পি-৮১ (P-8I), সি-২৯৫ (C-295), মিগ-২৯ ( MiG-29), ও বিভিন্ন ফর্মেশনে এমআই -১৭ ( Mi-17) কপ্টার।

    নতুন কমান্ডো ইউনিট

    এ বছরের কুচকাওয়াজে বিশেষ আকর্ষণ সেনার প্রাণী বাহিনী—জানস্কার পোনি, ব্যাকট্রিয়ান উট এবং প্রশিক্ষিত কুকুর। ‘উঁচা কদম তাল’-এ পাশাপাশি প্রথমবার আত্মপ্রকাশ করবে নতুন গঠিত ভৈরব লাইট কমান্ডো ব্যাটালিয়ন (Bhairav light commando battalion)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ১৮টি মার্চিং কন্টিনজেন্ট ও ১৩টি ব্যান্ড অংশ নেবে। পুরো যুদ্ধছকভিত্তিক প্রদর্শন চলবে প্রায় ১৫ মিনিট।

    মেক-ইন ইন্ডিয়ার অস্ত্র

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হবে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র যাবতীয় অস্ত্রশস্ত্র। এখানেই শেষ নয়, সৈনিকরা প্রত্যেক বারের মতো বিভিন্ন ফরমেশন তৈরি করে রাজপথে চমক লাগিয়ে দেবে দর্শকদের। সব মিলিয়ে, অপারেশন সিঁদুর–পরবর্তী প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের বার্তা স্পষ্ট—যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত সেনা শুধু শক্তিশালীই নয়, সম্পূর্ণ আধুনিক।

    ৩০টি ট্যাবলো

    এবার কর্তব্য পথে শোভাযাত্রায় অংশ নেবে মোট ৩০টি ট্যাবলো—এর মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে এবং ১৩টি বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতরের। স্বাধীনতা, আত্মনির্ভরতা, উদ্ভাবন, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরা হবে। এগুলি বিভিন্ন প্রদেশ থেকে দিল্লির রাজপথে চলবে এবং তুলে ধরবে বিভিন্ন প্রদেশের সংস্কৃতিকে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রাক্তন সেনাকর্মীদের অবদান তুলে ধরতে একটি বিশেষ ভেটেরান্স ট্যাবলোও থাকবে। ট্যাবলোগুলির মূল ভাবনা হবে— ‘স্বাধীনতার মন্ত্র – বন্দে মাতরম’ এবং ‘সমৃদ্ধির মন্ত্র – আত্মনির্ভর ভারত’।

    উপস্থিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা

    ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day Parade 2026) উপলক্ষ্যে ভারতে আসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। সংবাদসংস্থা আইএএনএস সূত্রে খবর, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টোনিও কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন (Ursula von der Leyen) ২৫, ২৬, ২৭ জানুয়ারি তিনদিনের সফরে ভারতে আসছেন। ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে তাঁরা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে যে উদযাপন হতে চলেছে, সেই উৎসবে যোগ দিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ভারতে আসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা।

    সমাজের নানা স্তর থেকে বিশেষ অতিথি

    প্রায় ১০,০০০ বিশেষ অতিথি কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করবেন। তাঁদের মধ্যে থাকবেন কৃষক, কারিগর, বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক, উদ্যোগপতি, মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য, স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠাতা, ক্রীড়াবিদ, ছাত্রছাত্রী, আদিবাসী প্রতিনিধি, সাফাইকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উপভোক্তারা। বিদেশি প্রতিনিধি ও যুব বিনিময় কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণকারীরা থাকবেন।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘আত্মনির্ভর ভারত’—এই দুই থিমকে কেন্দ্র করেই পরিবেশনা সাজানো হবে। সৃজনশীল দলের নেতৃত্বে থাকছেন সঙ্গীত পরিচালক এম.এম. কীরাবানি, গীতিকার সুভাষ সেহগল, কোরিওগ্রাফার সন্তোষ নায়ার। অনুষ্ঠানের পরিচালনায় থাকবেন অনুপম খের। তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ড. সন্ধ্যা পুরেচা।

    সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সুবিধা

    জনসাধারণের জন্য আসনসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইনে টিকিট মিলবে। টিকিটধারীদের জন্য বিনামূল্যে মেট্রো যাত্রা ও পার্ক-অ্যান্ড-রাইড সুবিধা থাকবে। সব গ্যালারি থাকবে দিব্যাঙ্গ-বান্ধব। প্যারেডের পরে NCC ক্যাডেট ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে স্বচ্ছতা অভিযানও চালানো হবে। প্রজাতন্ত্র দিবসের পর ২৬ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত লালকেল্লায় অনুষ্ঠিত হবে ভারত পর্ব, যেখানে ট্যাবলো, আঞ্চলিক খাবার, হস্তশিল্প ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখা যাবে। ২৮ জানুয়ারি কারিয়াপ্পা প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে প্রধানমন্ত্রীর এনসিসি র‍্যালি।

    বাংলার জন্য বিশষ ভাবনা

    এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day Parade 2026) বাংলার কাছেও বিশেষ। বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর উপলক্ষে (150 years of Vande Mataram) পশ্চিমবঙ্গের বঙ্কিম ভবন—ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। খুশির জোয়ার জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত গ্রামেও। রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হওয়ার ডাক পেয়েছেন জঙ্গলমহলের বাসিন্দা মৌসুমি ঘোষ। সারা দেশ থেকে মোট ১০০ জনকে ডাকা হয়েছে এই প্যারেডের অনুষ্ঠানে। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন মৌসুমি। জঙ্গলমহলের সিমলাপালের প্রত্যন্ত গ্রাম কড়াকানালী। এই এলাকায় বাস বহু কৃষক পরিবারের। তেমনই এক কৃষক পরিবারের সন্তান মৌসুমি। বাঁকুড়া সম্মিলনী কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ছাত্রী তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে নিয়োজিত করেছেন সেবার কাজে। জাতীয় সেবা প্রকল্পে অংশ নেন তিনি। সেখানেই বিশেষ কৃতিত্বের জন্য মৌসুমিকে রাষ্ট্রপতি ভবনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

  • Shaksgam Valley: শাকসগাম উপত্যকা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, চিনের দাবি খারিজ করল ভারত

    Shaksgam Valley: শাকসগাম উপত্যকা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, চিনের দাবি খারিজ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের (PoJK) অন্তর্গত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শাকসগাম উপত্যকা নিয়ে ফের উসকানিমূলক দাবি তুলল চিন। ১৯৬৩ সালে বেজিং ও ইসলামাবাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত তথাকথিত সীমান্ত চুক্তির উল্লেখ করে চিন দাবি করেছে যে শাকসগাম উপত্যকা তাদের ভূখণ্ড। তবে ভারত এই দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, শাকসগাম উপত্যকা (Shaksgam Valley) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে ওই চুক্তি সম্পূর্ণ অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য। দিল্লি স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারত পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে ১৯৬৩ সালের চুক্তি মানে না।

    শাকসগাম উপত্যকা কোথায়?

    কারাকোরাম পর্বতমালার উত্তরে, সিয়াচেনের খুব কাছেই অবস্থিত শাকসগাম বা ট্রান্স-কারাকোরাম এলাকা। ৫,১৮০ বর্গকিলোমিটারের এই উপত্যকাটি পাকিস্তান ১৯৬৩ সালে একটি সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে চিনের হাতে তুলে দেয়। সেই চুক্তিতেই লেখা, কাশ্মীর প্রশ্ন মিটলে সীমান্ত আবার নতুন করে নির্ধারণ করা যাবে। কিন্তু ভারতের মতে, ওই চুক্তিটাই শুরু থেকেই অবৈধ। শাকসগাম উপত্যকা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের হুনজা-গিলগিট অঞ্চলে অবস্থিত। সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে চিনের পরিকাঠামো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার ভারতের রয়েছে।

    শাকসগাম উপত্যকায় চিনের নির্মাণ

    পূর্ব কারাকোরাম পর্বতমালায় সিয়াচেন হিমবাহের কাছে অবস্থিত শাকসগাম উপত্যকা, যা ট্রান্স কারাকোরাম ট্র্যাক্ট নামেও পরিচিত। এর উত্তরে চিনের জিনজিয়াং অঞ্চল এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) রয়েছে। যে বিষয়টি ভারতকে সতর্ক করে তুলেছে, তা হল উপত্যকায় চিনের একটি অল-ওয়েদার রাস্তা নির্মাণ। প্রায় ১০ মিটার চওড়া এই সড়কটির প্রায় ৭৫ কিলোমিটার নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে যে এই অঞ্চলটি ভারতীয় ভূখণ্ডের অংশ এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। মন্ত্রক আরও উল্লেখ করেছে যে, ভারত কখনও ১৯৬৩ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের স্বাক্ষরিত চুক্তিকে স্বীকৃতি দেয়নি, যে চুক্তির মাধ্যমে ইসলামাবাদ কর্তৃক অবৈধভাবে দখলকৃত এলাকা থেকে শাকসগাম উপত্যকার ৫,১৮০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বেজিংকে হস্তান্তর করা হয়েছিল।

    চিনের অদ্ভুত দাবি

    চিন ভারতের আপত্তি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে যে, তাদের নির্মাণকাজ ন্যায়সঙ্গত। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মাও নিং ১২ জানুয়ারি বলেছেন, ওই এলাকাটি চিনের এবং সেখানে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অধিকার বেজিংয়ের রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, নিজের ভূখণ্ডে পরিকাঠামো নির্মাণ করা চিনের অধিকার এবং ১৯৬০-এর দশকে চিন ও পাকিস্তান একটি সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে। এই ঘটনা ভারত-চিন সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। যদিও ২০২৪ সালে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি)-তে উত্তেজনা কমানোর চুক্তি হয়েছিল, তবুও কাশ্মীর নিয়ে এই ধরনের বিতর্ক বারবার দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাসের জন্ম দেয়। চিনের এই দৃঢ় অবস্থান অনেক বিশ্লেষকের মতে পাকিস্তানের সঙ্গে তার কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়াস। অন্যদিকে ভারতের জন্য এটি জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্ন।

    বিদেশ মন্ত্রক-এর বিরোধিতা

    চিনের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA) স্পষ্ট করেছে যে ভারত কখনওই ১৯৬৩ সালের চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে স্বীকৃতি দেয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, “শাকসগাম উপত্যকা ভারতের ভূখণ্ড। আমরা ধারাবাহিকভাবে বলে আসছি যে তথাকথিত চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অবৈধ এবং অকার্যকর।” চিনের পাল্টা দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে ভারত আরও জানিয়েছে যে পাক অধিকৃত কাশ্মীর আসলে পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা ভারতীয় ভূখণ্ড। ফলে পাকিস্তানের কোনও অধিকার নেই এই অঞ্চলের কোনও অংশ তৃতীয় কোনও দেশের কাছে হস্তান্তর করার। এই বিষয়টি একাধিকবার পাকিস্তান ও চিন—উভয় দেশকেই জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে নয়া দিল্লি। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীও এই প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা ১৯৬৩ সালের পাক-চিন সীমান্ত চুক্তিকে স্বীকার করি না। শাকসগাম উপত্যকায় যে কোনও ধরনের কার্যকলাপ আমরা অনুমোদন করি না।”

    শাকসগাম উপত্যকা কেন গুরুত্বপূর্ণ

    ভারতের জন্য শাকসগাম উপত্যকা দুটি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ— আঞ্চলিক এবং সামরিক। উপত্যকাটি বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন হিমবাহের কাছে অবস্থিত। এছাড়াও, এটি কারাকোরাম গিরিপথে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ করে দেয়। সিয়াচেন থেকে পাকিস্তানের ওপর সরাসরি নজর রাখতে পারে ভারতীয় সেনা। আবার কারাকোরাম গিরিপথ থেকে চিনা কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করতে পারা যায়। সুতরাং, শাকসগাম উপত্যকায় নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাবের সরাসরি প্রভাব পড়বে চিনের সঙ্গে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) এবং পাকিস্তানের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর ভারতের সামরিক অবস্থানের উপর। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে চিন ৪,৮০৫ মিটার উঁচু আগিল গিরিপথ পেরিয়ে নিম্ন শাকসগাম উপত্যকায় একটি রাস্তা তৈরি করেছে। যার ফলে ভারতীয় নিয়ন্ত্রিত সিয়াচেন হিমবাহের ইন্দিরা কলের ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসবে চিন সেনা। কল হল একটি পর্বতমালার সর্বনিম্ন বিন্দু। গত কয়েক দশক ধরে ভারত প্রধানত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিয়াচেন অঞ্চলকে রক্ষা করার উপর মনোযোগ দিয়েছে, যেখানে হুমকিটি মূলত দক্ষিণের দিক থেকে ছিল। এখন এই নতুন রাস্তার কারণে উত্তর দিক থেকে চাপ বাড়াতে পারবে চিন। যা বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রে দুই-মুখী সংঘাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলছে।

    ভারতের যৌক্তিক দাবি

    উল্লেখ্য, ১৯৬৩ সালের চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান অবৈধভাবে প্রায় ৫,১৮০ বর্গকিলোমিটার ভারতীয় ভূখণ্ড চিনের হাতে তুলে দেয়। তবে যেহেতু কাশ্মীর ইস্যু এখনও আন্তর্জাতিক স্তরে মীমাংসিত নয় এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ হিসেবে কোনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই, তাই এই চুক্তির কোনও আইনগত ভিত্তি নেই বলে ভারতের দাবি। এছাড়াও, ভারত বারবার চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (CPEC) প্রকল্পের বিরোধিতা করে এসেছে, কারণ এই প্রকল্প পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা ভারতীয় ভূখণ্ডের উপর দিয়ে গিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক পুনরায় জানিয়েছে, “আমরা চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরকেও স্বীকৃতি দিই না, কারণ এটি ভারতের ভূখণ্ডের উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে, যা পাকিস্তানের জোরপূর্বক ও অবৈধ দখলে রয়েছে।” সব মিলিয়ে, শাকসগাম উপত্যকা নিয়ে চিনের সাম্প্রতিক দাবিকে সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে ভারত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—এই অঞ্চল ভারতেরই অংশ। এই অঞ্চল সুরক্ষিত রাখতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক ছেড়ে নয়া কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) ছিল এখানেই। সেখান থেকেই পাততাড়ি গুটিয়ে সরে যাচ্ছে পিএমও। জানা গিয়েছে, ১৪ জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তি)-র পর প্রধানমন্ত্রী, তাঁর দফতর, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট নিয়ে নতুন সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে কাজ শুরু করতে পারেন।

     সেবা তীর্থ (PM Modi)

    রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে দারা শিকো রোডে (পূর্বতন ডালহৌসি রোড) কেন্দ্রীয় সরকারের সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ বা সেবা তীর্থ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে যাবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট। সবশেষে, মকর সংক্রান্তির পর প্রধানমন্ত্রী নিজেও নতুন দফতরে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।  সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে পিএমও, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং এনএসসিএস—তিনটি আলাদা ভবন রয়েছে। আগে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গন থেকে কাজ করত, আর এনএসসিএসের দফতর ছিল পার্লামেন্ট স্ট্রিটের সর্দার প্যাটেল ভবনে (PM Modi)।

    নতুন সরকারি বাসভবন

    এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-১-এর কাছেই নির্মাণ কাজ চলছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন সরকারি বাসভবনের, যা এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-২ নামে পরিচিত (PMO)। সূত্রের দাবি, নতুন পিএমও ভবনের অধিকাংশ অফিস আধুনিক ওয়ার্কস্পেসের আদলে তৈরি, ঠিক যেমন সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে নির্মিত কার্তব্য ভবনগুলিতে দেখা গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলি তুলনামূলকভাবে আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে। এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো। কেন্দ্রীয় গণপূর্ত দফতর জানিয়েছিল, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর এই প্রকল্পের বরাত দেওয়া হয় (PM Modi)। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১,১৮৯ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় ১০.৪৪ শতাংশ কম। নির্মাণের সময়সীমা ধরা হয়েছিল ২৪ মাস।

    সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বা চূড়ান্ত ব্যয় সম্পর্কে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক কিংবা সিপিডব্লুডি আর বিশেষ তথ্য প্রকাশ করেনি। এ বিষয়ে পাঠানো প্রশ্নের কোনও জবাবও মেলেনি (PMO)। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকে সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ১৯২০-৩০-এর দশকে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নর্থ ও সাউথ ব্লক ছিল কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মূল ভবন। সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের আওতায় এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে, যাতে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষ রাইসিনা হিলের এই লাল বেলেপাথরের ভবনগুলি ঘুরে দেখতে পারেন। ইতিমধ্যেই নর্থ ব্লকের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রক সরে যাওয়ার পর, সাউথ ব্লকের সংস্কারের জন্যও টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ভবন খালি হলেই কাজ শুরু হবে (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ঘোষিত সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নয়া সংসদ ভবন, উপরাষ্ট্রপতির এনক্লেভ এবং ১০টি নতুন কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ভবনের মধ্যে প্রথম তিনটি কর্তব্য ভবন নির্মিত হয়েছে (PMO)।

  • JNU: জেএনইউ-তে মোদি বিরোধী স্লোগান! ‘এটা মোদির ভারত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নয়’, পালটা হুঁশিয়ারি গিরিরাজের

    JNU: জেএনইউ-তে মোদি বিরোধী স্লোগান! ‘এটা মোদির ভারত, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নয়’, পালটা হুঁশিয়ারি গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে সোমবার রাতে হওয়া বিক্ষোভের ঘটনায় জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) কয়েকজন নেতাকে নোটিস পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন আবেদন খারিজ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই বিক্ষোভ হয়। এরপরই মঙ্গলবার বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানায় বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে “দেশবিরোধী” মতাদর্শ প্রচার করা হচ্ছে। সবরমতী হোস্টেলের বাইরে ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এই রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত।

    সবরমতী হোস্টেলের সামনে বিক্ষোভ

    বিজেপি নেতা প্রদীপ ভাণ্ডারি দাবি করেন, সবরমতী হোস্টেলের কাছে হওয়া বিক্ষোভ কোনও স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন নয়, বরং চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। তাঁর অভিযোগ, জেএনইউ-এর মতো বৌদ্ধিক পরিসরকে “দেশবিরোধী চিন্তাধারা” জোরদার করতে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা জাতীয় ঐক্যের জন্য ভয়ঙ্কর। বিক্ষোভ চলাকালীন কেন্দ্রীয় সরকার ও দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে স্লোগান তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। যার জেরে ক্যাম্পাস রাজনীতি নিয়ে নজরদারি আরও বেড়েছে। দিল্লির মন্ত্রী আশিস সুদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ওঠা স্লোগানের নিন্দা করেন। তিনি বলেন, “এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। শরজিল ইমাম উত্তর-পূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার কথা বলেছিলেন। উমর খালিদ ‘ভারত টুকরো টুকরো হবে’—এই ধরনের স্লোগান তুলেছিলেন এবং ২০২০ সালের দাঙ্গায় তাঁর জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর ফলেই জেএনইউ-তে দায়িত্বজ্ঞানহীন উপাদান মাথাচাড়া দিচ্ছে।”

    মোদি-শাহ বিরোধী স্লোগান

    ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গায় অভিযুক্ত উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন সোমবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ওই দাঙ্গার ঘটনায় ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ও দাঙ্গা সংগঠিত করার ক্ষেত্রে খালিদ এবং ইমামের কেন্দ্রীয় ভূমিকা ছিল। যদিও তাঁদের সঙ্গে জেলবন্দি বাকি ৫ জনকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। খালিদের জামিন খারিজ হওয়ার পর, সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে জেএনইউ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সেখানকার পড়ুয়ারা। স্লোগান তোলা হয়, ‘জেএনইউ কী ধরতী পর মোদি-শাহ কী কবর খুদেগী।’ অর্থাৎ ‘জেএনইউ-এর মাটিতেই মোদি শাহের কবর খোঁড়া হবে।’ মুহূর্তের মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় এই স্লোগান।

    দেশবিরোধী মানসিকতা

    মোদি বিরোধী এই স্লোগানে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি। মঙ্গলবার সকালে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, “জেএনইউ টুকরে টুকরে গ্যাং, আরজেডি, তৃণমূল, বাম দল ও রাহুল গান্ধীর মতো দেশবিরোধী মানসিকতার লোকের কার্যালয় হয়ে উঠেছে। ওদের মনে রাখা উচিত এটা ভারত এবং একবিংশ শতাব্দীর নরেন্দ্র মোদির ভারত। বিবেকানন্দ বলেছিলেন গেরুয়া রং-ই থাকবে। আমি এইসব টুকরে টুকরে গ্যাংকে বলতে চাই, যারা উমর খালিদ ও শরজিল ইমামকে সমর্থন করে, যারা পাকিস্তানের মানসিকতায় বিশ্বাস করে যারা চিকেন নেক আলাদা করার কথা বলে, তাঁরা দেশদ্রোহী।”

  • Atal Canteen: ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত-ডাল-রুটি-সবজি, দিল্লিতে খোলা হল ১০০টি ‘অটল ক্যান্টিন’

    Atal Canteen: ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত-ডাল-রুটি-সবজি, দিল্লিতে খোলা হল ১০০টি ‘অটল ক্যান্টিন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবেলা দুমুঠো অন্ন সংস্থান করতে যাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়, তাদের জন্য বড় উপহার। এবার ভরপেট খাবার মিলবে, আর খরচ? মাত্র পাঁচ টাকা। কোথায় পাবেন এত সস্তায় খাবার? দিল্লি সরকার আজ, ২৫ ডিসেম্বর উদ্বোধন করল অটল ক্যান্টিনের। মাত্র পাঁচ টাকাতেই পাওয়া যাবে খাবার। দিল্লির ১০০টি জায়গায় এই খাবার পাওয়া যাবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ১০১তম জন্মবার্ষিকীতে এই উদ্য়োগ নেওয়া হয়েছে।

    সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টিকর খাবারের আশ্বাস

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, এই ১০০টি অটল ক্যান্টিনে গরিব, শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের পরিবার দু-বেলা দুমুখো খাবার পেট ভরে খেতে পারবে। তিনি বলেন, “অটল ক্যান্টিন দিল্লির আত্মা হয়ে উঠবে। আর কেউ অভুক্ত থেকে ঘুমোতে যাবে না।” নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেই শহরের বাসিন্দাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টিকর খাবারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। দিল্লির নগরোন্নয়ন মন্ত্রী আশিস সুদ জানান, ক্যান্টিনগুলি বিশেষ করে দৈনিক মজুর, শ্রমিক এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলির জন্য বানানো হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় হাজার জনকে খাবার সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কী কী খাবার থাকবে মেনুতে

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এদিন দিল্লির আর কে পুরম, জাংপুরা, শালিমার বাগ, গ্রেটার কৈলাশ, রাজৌরি গার্ডেন, নারেলা, বাওয়ানা-সহ বিভিন্ন স্থানে ৪৫টি অটল ক্যান্টিনের দ্বার উন্মোচন করেন। দিল্লি সরকার সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে আরও বিভিন্ন এলাকায় বাকি ৫৫টি ক্যান্টিন খোলা হবে বলে জানিয়েছেন রেখা। দুপুরের খাবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে এবং রাতের খাবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে। দিল্লি সরকার খাবার বিতরণের জন্য হাতে লেখা কুপনের পরিবর্তে একটি ডিজিটাল টোকেন ব্যবস্থা চালু করেছে। দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডের (ডিইউএসআইবি) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্যে সমস্ত কেন্দ্রগুলিতে পর্যবেক্ষণ করা হবে। মাত্র পাঁচ টাকায় পাওয়া যাবে ভাত, ডাল, রুটি, সবজি ও আচার। এই প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

LinkedIn
Share