Tag: New Delhi

New Delhi

  • Atal Canteen: ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত-ডাল-রুটি-সবজি, দিল্লিতে খোলা হল ১০০টি ‘অটল ক্যান্টিন’

    Atal Canteen: ৫ টাকায় পেট ভরে ভাত-ডাল-রুটি-সবজি, দিল্লিতে খোলা হল ১০০টি ‘অটল ক্যান্টিন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবেলা দুমুঠো অন্ন সংস্থান করতে যাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়, তাদের জন্য বড় উপহার। এবার ভরপেট খাবার মিলবে, আর খরচ? মাত্র পাঁচ টাকা। কোথায় পাবেন এত সস্তায় খাবার? দিল্লি সরকার আজ, ২৫ ডিসেম্বর উদ্বোধন করল অটল ক্যান্টিনের। মাত্র পাঁচ টাকাতেই পাওয়া যাবে খাবার। দিল্লির ১০০টি জায়গায় এই খাবার পাওয়া যাবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ১০১তম জন্মবার্ষিকীতে এই উদ্য়োগ নেওয়া হয়েছে।

    সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টিকর খাবারের আশ্বাস

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, এই ১০০টি অটল ক্যান্টিনে গরিব, শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের পরিবার দু-বেলা দুমুখো খাবার পেট ভরে খেতে পারবে। তিনি বলেন, “অটল ক্যান্টিন দিল্লির আত্মা হয়ে উঠবে। আর কেউ অভুক্ত থেকে ঘুমোতে যাবে না।” নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেই শহরের বাসিন্দাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টিকর খাবারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। দিল্লির নগরোন্নয়ন মন্ত্রী আশিস সুদ জানান, ক্যান্টিনগুলি বিশেষ করে দৈনিক মজুর, শ্রমিক এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলির জন্য বানানো হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় হাজার জনকে খাবার সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কী কী খাবার থাকবে মেনুতে

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এদিন দিল্লির আর কে পুরম, জাংপুরা, শালিমার বাগ, গ্রেটার কৈলাশ, রাজৌরি গার্ডেন, নারেলা, বাওয়ানা-সহ বিভিন্ন স্থানে ৪৫টি অটল ক্যান্টিনের দ্বার উন্মোচন করেন। দিল্লি সরকার সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে আরও বিভিন্ন এলাকায় বাকি ৫৫টি ক্যান্টিন খোলা হবে বলে জানিয়েছেন রেখা। দুপুরের খাবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে এবং রাতের খাবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে। দিল্লি সরকার খাবার বিতরণের জন্য হাতে লেখা কুপনের পরিবর্তে একটি ডিজিটাল টোকেন ব্যবস্থা চালু করেছে। দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডের (ডিইউএসআইবি) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্যে সমস্ত কেন্দ্রগুলিতে পর্যবেক্ষণ করা হবে। মাত্র পাঁচ টাকায় পাওয়া যাবে ভাত, ডাল, রুটি, সবজি ও আচার। এই প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

  • ESTIC 2025: ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ESTIC 2025: ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’ এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির ভারত মন্ডপমে ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ  ২০২৫’-এর (ESTIC 2025) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার ওই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি ভারতের গবেষণা ও উদ্ভাবন-ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রতি সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।

    ১ লাখ কোটি টাকার ফান্ড (ESTIC 2025)

    দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবন পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ১ লাখ কোটি টাকার রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (আরডিআই) স্কিম ফান্ডেরও উদ্বোধন করেন। এই তহবিলের লক্ষ্যই হল ভারতকে একটি বেসরকারি খাত–নির্ভর গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করা। চলতি বছরের ৩ থেকে ৫ নভেম্বর আয়োজিত তিন দিনের এই কনক্লেভে শিক্ষাঙ্গন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পক্ষেত্র ও সরকারি সংস্থাগুলির ৩ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে নোবেল বিজয়ী, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক এবং নীতি–নির্ধারকরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত এখন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের যুগে প্রবেশ করেছে। এই তহবিল তরুণ গবেষক ও উদ্ভাবকদের নয়া স্বপ্ন পূরণের মঞ্চ করে তুলবে। এই প্রকল্পের আওতায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, শিল্পখাত এবং গবেষণা সংস্থাগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে, যাতে তারা বিশ্বমানের প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়।”

    যেসব ক্ষেত্রে গুরুত্ব

    ‘ইমার্জিং সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন কনক্লেভ ২০২৫’-এ প্রধানত যে ১১টি বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছে, সেগুলি হল উন্নত (ESTIC 2025) উপকরণ ও উৎপাদন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়ো–ম্যানুফ্যাকচারিং, ব্লু ইকোনমি, ডিজিটাল যোগাযোগ, ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, উদীয়মান কৃষি প্রযুক্তি, জ্বালানি, পরিবেশ ও জলবায়ু, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রযুক্তি, কোয়ান্টাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং মহাকাশ প্রযুক্তি। এই কনক্লেভে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, প্যানেল ডিসকাসন, উপস্থাপনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনীও হয়েছে। গবেষক, শিল্প-নেতা এবং তরুণ উদ্ভাবকদের মধ্যে সহযোগিতার একটি মঞ্চ হিসেবেও কাজ করছে এটি, যা ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরিবেশ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বলেই (ESTIC 2025) ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (PM Modi)।

  • Rashtriya Ekta Divas: দেশবাসীকে রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের শপথের পাঠ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন জানেন?

    Rashtriya Ekta Divas: দেশবাসীকে রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের শপথের পাঠ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মর্যাদার সঙ্গে দেশজুড়ে পালিত হল সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের (Sardar Patel) ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। দিনটি ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ (Rashtriya Ekta Divas) হিসেবে পরিচিত। এদিন এই উপলক্ষে হয়েছে ‘রান ফর ইউনিটি’ও। যা দেশবাসীর মনে ফের একবার জাগিয়ে তুলল দেশপ্রেম, ঐক্য, অখণ্ড ভারত এবং আত্মনির্ভরতার সেই অদম্য চেতনাকে, যে স্বপ্ন একদিন দেখেছিলেন ভারতের লৌহমানব প্যাটেল। এদিন দিল্লিতে অনুষ্ঠানের পাশাপাশি গুজরাটের নানদিয়ায় ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’তেও হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান। স্বাধীন ভারতের স্থপতি এই মহান ব্যক্তিত্বকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করল তামাম ভারত, যিনি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশীয় রাজ্যকে একসূত্রে গেঁথে দিয়েছিলেন।

    প্যাটেলকে শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতির (Rashtriya Ekta Divas)

    দিল্লির প্যাটেল চকের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জাতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্দার প্যাটেলকে। প্যাটেলের প্রতিমূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে স্যাক্সেনা। তাঁরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এই ‘লৌহ মানবে’র কৃতিত্বের গাথা। তাঁদের মতে, ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যকে একত্রিত করে সার্বভৌম ও ঐক্যবদ্ধ ভারতের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন তিনি।

    ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’

    এদিন কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানটি হয় ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’তে (Sardar Patel)। ১৮২ মিটার উঁচু প্যাটেলের এই মূর্তিটি বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তি হিসেবে পরিচিত। ২০১৮ সালে এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি দেশবাসীকে দেন রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের শপথের পাঠ। লৌহমানবকে শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি অঙ্গীকার করছি যে, দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা এবং নিরাপত্তা রক্ষায় নিজেকে নিবেদিত রাখব। আমি দেশবাসীর মধ্যেও এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করব। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের দূরদৃষ্টি ও কঠোর পরিশ্রম যে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেছে, তার চেতনায় আমি এই শপথ গ্রহণ করছি। আমার দেশ যেন অভ্যন্তরীণভাবে নিরাপদ থাকে, সে জন্যও আমি সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করব (Sardar Patel)।”

    একতা প্যারেড

    এদিনের অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল একতা প্যারেড। এটি পরিচালনা করেন মহিলা বাহিনীর সদস্যরা। এটি ভারতের শক্তি, অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় চরিত্রের প্রতীক (Rashtriya Ekta Divas)। প্যারেডটির নেতৃত্ব দেন গুজরাট ক্যাডারের আইপিএস কর্তা সিমরন ভরদ্বাজ। এটি প্যাটেলের আজীবন সমর্থিত শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও জনসেবার আদর্শকে প্রতিফলিত করে। এই ভারতীয় সিভিল সার্ভিসকে দেশকে শক্ত ভিত্তি দেওয়ার ‘ইস্পাত কাঠামো’ হিসেবে কল্পনা করেছিলেন তিনি।

    ‘ঐক্যের প্রধান চালিকাশক্তি’

    প্যাটেলকে ‘ঐক্যের প্রধান চালিকাশক্তি’ বলে উল্লেখ করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫০তম জয়ন্তীতে ভারত তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে। ভারতকে (Sardar Patel) একীভূত করার পেছনে তিনি ছিলেন মূল চালিকাশক্তি, যিনি স্বাধীনতার পর দেশের ভাগ্যগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। জাতীয় ঐক্য, সুশাসন এবং জনসেবার প্রতি তাঁর অটল অঙ্গীকার আজও প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। আমরা তাঁর স্বপ্ন—একতাবদ্ধ, শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভর ভারতের—পক্ষে আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি।” তিনি মনে করিয়ে দেন, স্বাধীনতার পরের অস্থির বছরগুলিতে কীভাবে সর্দার প্যাটেলের সাহস ও প্রশাসনিক দূরদৃষ্টি ভারতকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করেছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে সময় বিভাজনের হুমকি আমাদের সদ্য স্বাধীন দেশের আত্মাকে নাড়িয়ে দিচ্ছিল, সেই সময় সর্দার প্যাটেলের দৃঢ়তা ও দেশপ্রেমই নিশ্চিত করেছিল যে ভারত এক ও অভিন্ন থাক (Rashtriya Ekta Divas)।”

    অমিত শাহের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “তাঁর জন্মবার্ষিকীতে, জাতীয় ঐক্য, অখণ্ডতা এবং কৃষকদের ক্ষমতায়নের প্রতীক লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলজিকে কৃতজ্ঞ জাতির পক্ষ থেকে আমি শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি আরও বলেন, “সর্দার সাহেব দেশীয় রাজ্যগুলিকে একত্রিত করে দেশের ঐক্য ও নিরাপত্তা মজবুত করেছিলেন এবং কৃষক, অনগ্রসর শ্রেণি ও বঞ্চিতদের সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত করে দেশকে স্বনিযুক্তি ও আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল—দেশের উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হল কৃষকের সমৃদ্ধি। সর্দার সাহেব যে দেশকে ন্যায় ও ঐক্যের নীতিতে বেঁধে গড়ে তুলেছিলেন, সেই দেশকে রক্ষা করা প্রতিটি দেশপ্রেমিকের দায়িত্ব (Rashtriya Ekta Divas)।”

    সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল

    প্রসঙ্গত, ১৮৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর গুজরাটের নাডিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহচর প্যাটেল তাঁর কৌশলগত মেধা ও প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য “ভারতের লৌহমানব” অভিধায় ভূষিত হন (Sardar Patel)। স্বাধীনতার পর ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যকে একত্রিত করে এক জাতিতে পরিণত করার দুরূহ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তাঁর কূটনৈতিক দক্ষতা ও দৃঢ় সংকল্প ভারতকে একটি একক, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। তাঁর দূরদৃষ্টি আধুনিক ভারতের রাজনৈতিক ঐক্য, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি স্থাপন করে বই কি (Rashtriya Ekta Divas)!

  • Afghanistan: পাকিস্তানকে শিক্ষা দিতে কি ভারতের পথেই হাঁটতে চলেছে আফগানিস্তান?

    Afghanistan: পাকিস্তানকে শিক্ষা দিতে কি ভারতের পথেই হাঁটতে চলেছে আফগানিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানকে (Pakistan) শিক্ষা দিতে তবে কি ভারতের পথেই হাঁটতে চলেছে আফগানিস্তান (Afghanistan)? ইসলামাবাদের (পাকিস্তানের রাজধানী) দিকে জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবছে কাবুলও (আফগানিস্তানের রাজধানী)। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সীমান্ত সংঘাত ও কাবুলে ইসলামাবাদের বিমান হামলার প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন পাঠানরা। আফগানিস্তানের তথ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, তালিবান নেতৃত্বাধীন সরকার একটি বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে, যাতে পাকিস্তানের দিকে জলপ্রবাহ সীমিত করা যায়।

    আফগানিস্তানের বক্তব্য (Afghanistan)

    আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা মাওলাভি হিবাতুল্লা আখুন্দজাদা ঘোষণা করেছেন, তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব কুনার নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন। এভাবে কাবুল তাদের জলের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই লক্ষ্য পূরণে দেশীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে বাঁধ নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য দ্রুত আলোচনা চলছে বলেও আফগানিস্তানের তথ্য উপমন্ত্রী মুহাজের ফারাহী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন। আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ, “বিদেশি সংস্থার জন্য অপেক্ষা না করে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গেই যেন দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের পর এবার যদি আফগানিস্তানও জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে ঘোর বিপাকে পড়বে ভারত এবং আফগানিস্তানের এই পড়শি দেশটি। এমনিতেই দেশটি এখন দারিদ্র্য, অর্থনৈতিক সংকট, বিশৃঙ্খল অভ্যন্তরীণ অবস্থা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার জালে জড়িত। এমতাবস্থায় কাবুল পদক্ষেপ করলে, ভয়ঙ্কর সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে ইসলামাবাদকে।

    পহেলগাঁওকাণ্ড

    প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে (Afghanistan) বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা। তার পরেই ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সিন্ধু জল চুক্তি (Indus Water Treaty) সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাফ জানিয়ে দেন, “রক্ত ও জল একসঙ্গে বইতে পারে না।” এর ফলে পাকিস্তানের দিকে প্রবাহিত জল এখন ভারতের প্রয়োজন ও নীতির ভিত্তিতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত। ভারতের এসব সিদ্ধান্তের জন্য পাকিস্তানকে কোনও জবাবদিহি করতে হয় না। ফলে সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানে জলসঙ্কট, অপ্রত্যাশিত বন্যা বা খরার পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

    সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি

    প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওকাণ্ডের পর ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের হস্তক্ষেপে স্বাক্ষরিত সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত করে দেয় ভারত। ওই চুক্তি অনুযায়ী, বিপাশা, শতদ্রু, ইরাবতীর জলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে ভারতের হাতে। আর সিদ্ধু, বিতস্তা, চন্দ্রভাগার জল ব্যবহার করতে পারবে পাকিস্তান। সিন্ধু ও তার শাখা এবং উপনদীর ৩০ শতাংশ জল ব্যবহার করতে পারবে ভারত। বাকি ৭০ শতাংশ পাবে পাকিস্তান (Pakistan)। চুক্তিতে বলা হয়েছে, সিন্ধু, বিতস্তা এবং চন্দ্রভাগা – এই তিন নদীর জল সেচের কাজের পাশাপাশি নৌ চলাচল, মাছ চাষ, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করতে পারবে ভারত। পাকিস্তানের হুঁশিয়ারির পরেও (Afghanistan) এই চুক্তি ফের লাগু করেনি ভারত।

    কুনার নদী

    এদিকে, ৪৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ কুনার নদীর উৎপত্তি আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালায়। এই পর্বতমালা আবার রয়েছে পাকিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি। নদীটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করেছে। এই পাকিস্তানের জালালাবাদ শহরে নদীটি কাবুল নদীর সঙ্গে মিশেছে। তার পর কাবুল নদী পাকিস্তানের অ্যাটক শহরের কাছে সিন্ধু নদের সঙ্গে মিশেছে। পাকিস্তানে কুনার নদীকে “চিত্রাল নদী” নামে ডাকা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই নদী আফগান-পাকদের মধ্যে উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, কাবুল নদীতে জলের জোগান দিয়ে থাকে এই কুনার নদীই। এই জল কেবল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশেই নয়, পাঞ্জাব প্রদেশেও কৃষি এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হয়। আফগান সাংবাদিক সামি ইউসুফজাই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “কাবুল এবং কুনার নদী পাকিস্তানের জলের অন্যতম উৎস (Pakistan)।”

    তালিবান সরকারের অগ্রাধিকার

    কাবুলে প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর তালিবান সরকার তাদের দেশের নদী ও জলবিদ্যুৎ সম্পদের ওপর সার্বভৌমত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল (Afghanistan), জ্বালানি, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থায় আত্মনির্ভরতা অর্জন করা এবং প্রতিবেশী দেশগুলির ওপর নির্ভরশীলতা কমানো। ভারত ও পাকিস্তানের মতো ইসলামাবাদ (Pakistan) এবং কাবুলের মধ্যেও কোনও দ্বিপাক্ষিক নদীজল বণ্টন চুক্তি। ফলে আফগানিস্তানের পক্ষে একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হবে। তবে কাবুলের সাম্প্রতিক এই অবস্থান নিঃসন্দেহে পাকিস্তানের জন্য একাধিক দিক থেকে জলসঙ্কট সৃষ্টি করবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ইতিমধ্যেই অর্থনৈতিক সঙ্কট ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় জর্জরিত দেশটি, নিজেদের ভুল নীতি ও জঙ্গি কার্যকলাপের জেরে এখন নয়া জলসংঘাতের মুখোমুখি হতে চলেছে (Afghanistan)।

  • SIR: দিল্লিতে সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জ্ঞানেশ কুমার, আলোচ্য বিষয় কি এসআইআর?

    SIR: দিল্লিতে সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জ্ঞানেশ কুমার, আলোচ্য বিষয় কি এসআইআর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা)-এর (SIR) পরেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছিল বিহারে। বাংলায়ও কি তা-ই হতে চলেছে? এমন প্রশ্নই পাক খাচ্ছে তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। কারণ সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে দু’দিনের বৈঠকে বসতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। বুধ ও বৃহস্পতিবার ওই বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

    এসআইআর (SIR)

    মাস সাতেক পরেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে যে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনও তৎপর, তা স্পষ্ট কমিশনেরই একাধিক পদক্ষেপে। গত সপ্তাহেই ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ের কাজ শেষ করতে জেলাগুলির আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এ রাজ্যে এসআইআর শুরুর আগে এই ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। কারণ জেলায় জেলায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকার পার্থক্য কতটা, তা জানা যাবে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সুবিধা হবে এসআইআরের ক্ষেত্রে। জানা গিয়েছে, যে সব রাজ্যের দুয়ারে নির্বাচন, সেগুলিতে আগেই এসআইআরের কাজ সেরে নিতে চাইছে কমিশন। সেই কারণেই এই বৈঠক বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। দু’দিনের বৈঠকের পর বাংলায় এসআইআর শুরুর ঘোষণা হবে কিনা, তা নিয়েও বাড়ছে জল্পনা।

    বাংলার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা

    হঠাৎ করেই সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে দু’দিনের জন্য নয়াদিল্লিতে আয়োজিত বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার চিঠি পাঠিয়ে কমিশন জানিয়েছে, দিল্লিতে ওই বৈঠক হবে বুধ ও বৃহস্পতিবার। সিইওদের সঙ্গে এই বৈঠকে থাকবেন রাজ্যের তাঁর দফতরের অন্য প্রবীণ আধিকারিকরাও। জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে বাংলার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। কারণ বিহারে এসআইআর (SIR) নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা। বিরোধীরা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হয়েছিল। যদিও কমিশনের সাফ কথা, “ভোটার তালিকা স্বচ্ছ করতেই এসআইআর প্রয়োজন।” তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি বিহারের মতো এ রাজ্যেও হবে এসআইআর? এ প্রশ্নের উত্তরে কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, দেশজুড়েই হবে এসআইআর। তবে যেসব রাজ্যে ভোট আসন্ন, সেগুলিতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শুরু হবে সমীক্ষার কাজ (SIR)।

LinkedIn
Share