Tag: news in bengali

news in bengali

  • BJP: বঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি, কোন চালে বাজিমাত পদ্মশিবিরের?…

    BJP: বঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি, কোন চালে বাজিমাত পদ্মশিবিরের?…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ইতিহাস গড়তে চলেছে বিজেপি (BJP)। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, রাজ্যের মুখ এবং পর্দার আড়ালে থাকা কলা-কুশলীদের যৌথ প্রচেষ্টায় পদ্ম শিবিরের প্রচার অভিযান শান দিয়েছে গ্রাউন্ড লেভেলেও। তার জেরেই বিজেপির জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়াটা হয়েছে (Key Leaders) অনায়াস।

    প্রধানমন্ত্রীর হাইভোল্টেজ সভা (BJP)

    স্বাধীনতার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এসআইআরের (SIR) আওতায় রেকর্ড সংখ্যক ভোটার বাদ যাওয়ার পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ১৫ বছরের শাসনের পর পরাজয়ের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাইভোল্টেজ সভা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সূক্ষ্ম সংগঠনমূলক পরিকল্পনার পাশাপাশি বিজেপির প্রচারে জাতীয় বার্তা ও স্থানীয় সংগঠন একসঙ্গে কাজ করেছে। ঝালমুড়ির মতো বাংলার সাংস্কৃতিক প্রতীক ব্যবহার, চাকরির নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি এবং মা কালীর মন্দিরে প্রার্থনা—এই সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন এক প্রচার গড়ে তুলেছিলেন যা স্থানীয় সংযোগ ও জাতীয় বার্তার মিশ্রণ। বড় বড় জনসভায় সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি আবেগের স্তরেও ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি—কর্মসংস্থান, কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং “ডাবল ইঞ্জিন সরকার”-এর সুবিধার কথাও তুলে ধরেছিলেন। সাংস্কৃতিক প্রতীক, ধর্মীয় সংযোগ এবং অর্থনৈতিক আশ্বাস—সব মিলিয়ে তাঁর প্রচার বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।

    যোগ্য সঙ্গত অমিত শাহের

    প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিজেপির প্রচারের মুখ। এর সঙ্গে সমানতালে সঙ্গত করেছে অমিত শাহের ‘চাণক্যসুলভ’ কৌশল। যার জেরেই দুরমুশ হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের একের পর  শক্ত ঘাঁটিও। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সবচেয়ে সক্রিয় প্রচারক ছিলেন শাহ। তিনি এ রাজ্যে ৬৬টি সভা ও রোডশো করে ৬৩টি জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলেন (Key Leaders)। শাহের ‘মিশন বেঙ্গলে’র মূল লক্ষ্যই ছিল বুথ স্তরে সংগঠন শক্তিশালী করা। তিনি ৪৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং অনুপ্রবেশের অভিযোগ তোলেন। “কাটমানি” সংস্কৃতি, দুর্নীতি, মহিলাদের নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন। পাশাপাশি মহিলাদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা সহায়তা, সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ, কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জমির অধিকার—এসব প্রতিশ্রুতিও দেন। সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ধর্মীয় স্বাধীনতার মতো বিষয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

    পদ্ম শিবিরের কান্ডারিরা

    এ রাজ্যে নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। প্রার্থী নির্বাচন, জোট ব্যবস্থা এবং সাংগঠনিক সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি (BJP)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি প্রার্থী নির্বাচন, কর্মী সংগঠন এবং বুথ প্রস্তুতি তদারকি করেন এবং তৃণমূল স্তরের কর্মী ও শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করেন। এই নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর অবদানও কম নয়। বস্তুত, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অন্যতম প্রধান কৌশলবিদ হিসেবেই উঠে আসেন তিনি। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগীর রাজনীতির জ্ঞান প্রখর (Key Leaders)। পূর্ব মেদিনীপুরে তাঁর শক্তিশালী সংগঠনও রয়েছে। গ্রামীণ ও আধা-শহুরে এলাকায় বিজেপির প্রভাব বাড়াতে সাহায্য করেন তিনি। নিজেকে বিজেপির প্রধান বাঙালি মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে শুভেন্দু নির্বাচনে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পড়েন ভবানীপুর কেন্দ্রে। মমতার নির্বাচনী কেন্দ্র এই ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও বিজেপির বাজি ছিলেন শুভেন্দুই। তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হিংসার বিষয় তুলে ধরে তাঁর আক্রমণাত্মক প্রচার বিজেপির কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

    বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচনের মাঝেও শুভেন্দু ছড়িয়ে দেন দলীয় বার্তা। চাঙা করে তোলেন হতাশ বিজেপি কর্মীদের। শুভেন্দুকে পেয়ে নিষ্ক্রিয় বিজেপি কর্মীরাও ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি শুধু প্রচারকই নন, বরং একজন কেন্দ্রীয় কৌশলবিদ হিসেবেও কাজ করেছেন (BJP)। জাতীয় নেতৃত্ব ও বাংলার রাজনীতির মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজটিও করেছিলেন তিনিই (Key Leaders)।

     

  • Election Commission: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা শুরু, নবান্নের কুর্সিতে কে?

    Election Commission: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা শুরু, নবান্নের কুর্সিতে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সকালে শুরু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। গণনা চলছে ৭৭টি কেন্দ্রে (Counting Stations)। রবিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে জানিয়ে দেওয়া (Election Commission) হয়েছিল কোন বিধানসভা আসনের ভোট গণনা হবে কোন কেন্দ্রে। সোমবার গণনা শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়। ধারণা, বেলা ১২টা নাগাদই স্পষ্ট হয়ে যাবে নবান্নের ১৪ তলায় মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসছেন পদ্ম না ঘাস – কোনও ফুলের প্রতিনিধি।

    গণনা কেন্দ্রের ঠিকানা (Election Commission)

    মোট গণনাকেন্দ্র ৭৭। জেলা সদরে ৩৫, মহকুমা সদরে ৪২। কমিশনের তরফে রীতিমতো তালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে গণনা কেন্দ্রের ঠিকানা। কলকাতার ১১টি আসনের ভোট গণনা হচ্ছে ৫টি গণনাকেন্দ্রে। এর মধ্যে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র লাগোয়া নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হবে চৌরঙ্গী, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা এবং কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। ভবানীপুরের ভোট গণনা হবে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে, কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের গণনা হবে ডায়মন্ড হারবার রোডের সেন্ট টমাস বয়েজ স্কুলে, রাসবিহারীর ভোট গণনা হবে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে এবং বালিগঞ্জ কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বাবা সাহেব আম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়ে। যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজে ভাঙড়, সোনারপুর উত্তর এবং সোনারপুর দক্ষিণ, আলিপুর জাজেস কোর্টের বিহারীলাল কলেজে বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম এবং কসবা বিধানসভা আসনের ভোট গণনা হবে। মহেশতলা, মেটিয়াবুরুজ, বজবজ, যাদবপুর এবং টালিগঞ্জের ভোট গণনা হবে আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সে।

    কোন জেলায় কটি কেন্দ্রে শুরু গণনা

    কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোন জেলায় কটি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা। জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারে ১, বাঁকুড়ায় ৩, বীরভূমে ৩, কোচবিহারে ৫, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২, দার্জিলিঙে ৩, হুগলিতে ৫, হাওড়ায় ৪, জলপাইগুড়িতে ২, ঝাড়গ্রামে ১, কালিম্পঙে ১, কলকাতায় ৫ (উত্তরে ১, দক্ষিণে ৪), মালদায় ২, মুর্শিদাবাদে ৫, নদিয়ায় ৪, উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ (Election Commission), পশ্চিম বর্ধমানে ২, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩, পূর্ব বর্ধমানে ৪, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪, পুরুলিয়ায় ৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৬ এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ২টি গণনাকেন্দ্রে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে (Counting Stations) উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। সেখানকার ৩৩টি আসনের ভোট গোনা শুরু হয়েছে সাতটি কেন্দ্রে। তার মধ্যে রয়েছে বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ অ্যান্ড হাইস্কুল, বসিরহাট হাইস্কুল, বসিরহাট পলিটেকনিক কলেজ, বিধাননগর কলেজ, বনগাঁর দীনবন্ধু কলেজ, পানিহাটির গুরুনানক কলেজ ক্যাম্পাস এবং ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ (Election Commission)।

    গণনার নিয়ম যেমন…

    প্রতি গণনা কেন্দ্রে সর্বাধিক ২০টি টেবিল বসানো হবে। আয়তনে বড় ১৬৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনার কাজ দু’টি ঘরে হবে। সব মিলিয়ে ৪৫৯টি ঘরে গণনার কাজ চলবে। বুথের সংখ্যার নিরিখে ১২ থেকে ২৩ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা। প্রথমে আলাদা ঘরে শুরু হবে পোস্টাল ব্যালট। তার ৩০ মিনিট পরে শুরু হবে ইভিএম-কাউন্টিং। ইভিএমের গণনা দু’রাউন্ড বাকি থাকতে বাধ্যতামূলক ভাবে শেষ করতে হবে পোস্টাল ব্যালট গণনার কাজ। অর্থাৎ, কোনও কেন্দ্রে মোট ১২ রাউন্ড গণনা হলে ১০-ম রাউন্ডের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট গণনা শেষ করতে হবে। তা না-হলে ১১-১২ রাউন্ডের গণনা শুরু করা যাবে না। প্রতি কেন্দ্রের অন্তত ৫ শতাংশ ইভিএম এবং তার সঙ্গে রাখা ভিভিপ্যাট কাউন্টিং মেলাতে হবে। কোথাও ইভিএম বিকল হলে সেটির সঙ্গে রাখা ভিভিপ্যাটের কাউন্টিংই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। বেলা ১২টার পরে রেজাল্টের প্রাথমিক ট্রেন্ড মিলতে পারে।

  • Ramakrishna 638: “ভক্ত কিন্তু মায়া ছেড়ে দেয় না, মহামায়ার পূজা করে, শরণাগত হয়ে বলে, ‘মা, পথ ছেড়ে দাও! তুমি পথ ছেড়ে দিলে তবে ব্রহ্মজ্ঞান হবে”

    Ramakrishna 638: “ভক্ত কিন্তু মায়া ছেড়ে দেয় না, মহামায়ার পূজা করে, শরণাগত হয়ে বলে, ‘মা, পথ ছেড়ে দাও! তুমি পথ ছেড়ে দিলে তবে ব্রহ্মজ্ঞান হবে”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১১ই মার্চ

    কাশীপুর উদ্যানে শ্রীযুক্ত নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    নরেন্দ্রকে জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগের সমন্বয় উপদেশ

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) কাশীপুরের বাগানে হলঘরে ভক্তসঙ্গে অবস্থান করিতেছেন। রাত্রি প্রায় আটটা। ঘরে নরেন্দ্র, শশী, মাস্টার, বুড়োগোপাল শরৎ। আজ বৃসস্পতিবার — ২৮শে ফাল্গুন, ১২৯২ সাল; ফাল্গুন মাসের শুক্লা ষষ্ঠী তিথি; ১১ই মার্চ, ১৮৮৬ খ্রীষ্টাব্দ।

    ঠাকুর অসুস্থ — একটু শুইয়া আছেন। ভক্তেরা কাছে বসিয়া। শরৎ দাঁড়াইয়া পাখা করিতেছেন। ঠাকুর অসুখের কথা বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ভোলানাথের কাছে গেলে তেল দেবে (Ramakrishna)। আর সে বলে দেবে, কি-রকম করে লাগাতে হবে।

    বুড়োগোপাল — তাহলে কাল সকালে আমরা গিয়ে আনব।

    মাস্টার — আজ কেউ গেলে বলে দিতে পারে।

    শশী — আমি যেতে পারি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (শরৎকে দেখাইয়া) — ও যেতে পারে।

    শরৎ কিয়ৎক্ষণ পরে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে মুহুরী শ্রীযুক্ত ভোলানাথ মুখোপাধ্যায়ের নিকট হইতে তেল আনিতে যাত্রা করিলেন।

    ঠাকুর শুইয়া আছেন। ভক্তেরা নিঃসব্দে বসিয়া আছেন। ঠাকুর হঠাৎ উঠিয়া বসিলেন। নরেন্দ্রকে সম্বোধন করিয়া কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) — ব্রহ্ম অলেপ। তিন গুণ তাঁতে আছে, কিন্তু তিনি নির্লিপ্ত।

    “যেমন বায়ুতে সুগন্ধ-দুর্গন্ধ দুই-ই পাওয়া যায়, কিন্তু বায়ু নির্লিপ্ত। কাশীতে শঙ্করাচার্য পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন! চণ্ডাল মাংসের ভার নিয়ে যাচ্ছিল — হঠাৎ ছুঁয়ে ফেললে। শঙ্কর বললেন — ছুঁয়ে ফেললি! চণ্ডাল বললে, — ঠাকুর, তুমিও আমায় ছোঁও নাই! আমিও তোমায় ছুঁই নাই! আত্মা নির্লিপ্ত। তুমি সেই শুদ্ধ আত্মা।

    “ব্রহ্ম আর মায়া। জ্ঞানী মায়া ফেলে দেয়।

    “মায়া আবরণস্বরূপ। এই দেখ, এই গামছা আড়াল করলাম (Ramakrishna)— আর প্রদীপের আলো দেখা যাচ্ছে না।

    ঠাকুর গামছাটি আপনার ও ভক্তদের মাঝখানে ধরিলেন। বলিতেছেন, “এই দেখ, আমার মুখ আর দেখা যাচ্ছে না।

    “রামপ্রসাদ যেমন বলেছে — ‘মশারি তুলিয়া দেখ —’

    “ভক্ত কিন্তু মায়া ছেড়ে দেয় না। মহামায়ার পূজা করে। শরণাগত হয়ে বলে, ‘মা, পথ ছেড়ে দাও! তুমি পথ ছেড়ে দিলে তবে ব্রহ্মজ্ঞান হবে।’ জাগ্রৎ, স্বপ্ন, সুষুপ্তি, — এই তিন অবস্থা জ্ঞানীরা উড়িয়ে দেয়! ভক্তেরা এ-সব অবস্থাই লয় — যতক্ষণ আমি আছে ততক্ষণ সবই আছে।

    “যতক্ষণ আমি আছে, ততক্ষণ দেখে যে, তিনিই মায়া, জীবজগৎ, চতুর্বিংশতি তত্ত্ব, সব হয়েছেন!

    [নরেন্দ্র প্রভৃতি চুপ করিয়া আছেন।]

    “মায়াবাদ শুকনো। কি বললাম, বল দেখি।”

  • Jahangir Khan: ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে ভয় দেখাচ্ছে জাহাঙ্গির বাহিনী, অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ভোটারদের

    Jahangir Khan: ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে ভয় দেখাচ্ছে জাহাঙ্গির বাহিনী, অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ভোটারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ মে হবে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচন। তার আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই এলাকায় শনিবার ছড়ায় ব্যাপক উত্তেজনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সোমবার ভোট গণনা হবে (Jahangir Khan)। তার আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ভয় দেখাচ্ছেন, দিচ্ছেন হুমকিও। এই অভিযোগ তুলেই এলাকায় হয় বিক্ষোভ দেখানো (Falta Constituency)। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা হয় সিআরপিএফ (CRPF) ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)।

    ভোটারদের অভিযোগ (Jahangir Khan)

    স্থানীয়দের দাবি, ফলতা বিধানসভা এলাকায় অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, তৃণমূল নেতা ইসরাফিল চৌকিদার তাঁদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া এবং রক্তপাত ঘটানোর হুমকি দিয়েছেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, “তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওরা জিতলে আমাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেবে এবং রক্তপাত ঘটাবে।” এক মহিলা ভোটার জানান, তাঁরা তৃণমূলকে ভোট দিলেও, হামলার শিকার হয়েছেন। তাঁর কথায়, “আমরা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছি। তারপরেও নিছক সন্দেহের বশে আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। আমরা ওই ব্যক্তির গ্রেফতারি চাই। মহিলাদের নিরাপত্তা চাই (Jahangir Khan)।”

    তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গিরের হুমকি

    ফলতার হাসিমনগর এলাকায়ও একই ধরনের উত্তেজনার ছবি সামনে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তৃণমূলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এলাকায় এসে হুমকি দিয়েছেন, দল ক্ষমতায় এলে পুরুষদের খুন করা হবে, ধর্ষণ করা হবে মহিলাদের (Falta Constituency)। স্থানীয় এক মহিলার দাবি, “গতকাল (শুক্রবার) থেকে তৃণমূলের লোকজন গ্রামে ঢুকে মহিলাদের হেনস্থা করছে, মানুষকে মারধর করছে। প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করি আমরা। পুলিশ এসে লাঠিচার্জ করে, মেয়েদেরও মারধর করেছে (Jahangir Khan)।” এর আগে উত্তরপ্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা, যাঁকে রাজ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে, তিনি ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে জাহাঙ্গিরকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তার পরেও যে জাহাঙ্গিরের দল বিশেষ শোধরায়নি, স্থানীয় ভোটারদের কথায়ই তা পরিষ্কার।

    এবার বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে দুদফায়। প্রথম দফার ভোট হয়েছে ২৩ মে, পরের দফায় নির্বাচন হয়েছে ২৯ মে। ভোটারদের অভিযোগ, ইভিএমে বিজেপির পদ্ম প্রতীকের সামনে টেপ লাগানো ছিল।ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানায় বিরোধীরা (Falta Constituency)। তার পরেই সিদ্ধান্ত হয় ওই বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হবে ২১ মে। এদিকে, অনুমতি ছাড়াই স্ট্রং-রুম খোলার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ছ’জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে (Jahangir Khan)।

     

  • Delhi Govt: দিল্লিতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় অনুমোদন বিজেপি সরকারের

    Delhi Govt: দিল্লিতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় অনুমোদন বিজেপি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের বড় পরিকল্পনায় অনুমোদন দিল দিল্লির বিজেপি সরকার (Delhi Govt)। ফেজ ফাইভ (বি) (Phase V(B))-এর আওতায় শহরের বাইরের ও দ্রুত বিকাশমান এলাকাগুলিতে সংযোগ বাড়াতে মোট ৭টি নয়া মেট্রো (Metro Network) করিডর নির্মাণ করা হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৯৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পে তৈরি হবে ৬৫টি নতুন মেট্রো স্টেশন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৮,২০৪ কোটি টাকা।

    ডিপিআর তৈরি (Delhi Govt)

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রকল্পের ডিপিআর (DPR) তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তা ইউনিয়ন ক্যাবিনেটের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। দিল্লি সরকার ও দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের (DMRC) মধ্যে বৈঠকের পর এই প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রের অনুমোদন মিললে দিল্লি সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার উভয়ের আর্থিক সম্মতির পর নির্মাণকাজ শুরু হবে। ফেজ ফাইভ (বি)-তে প্রস্তাবিত ৭টি নয়া মেট্রো করিডর হল ধানসা বাস স্ট্যান্ড থেকে নাংলোই, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট থেকে কিশনগড়, সমায়পুর বাদলি থেকে নরেলা, কীর্তিনগর থেকে পালম, জোরবাগ থেকে মিঠাপুর, শাস্ত্রী পার্ক থেকে ময়ূর বিহার ফেজ ২ এবং কেশবপুরম থেকে রোহিণী সেক্টর ৩৪।

    ৭টি করিডর

    ধানসা বাস স্ট্যান্ড–নাংলোই করিডরের দৈর্ঘ্য প্রায় ১১.৮৬ কিমি, স্টেশন থাকবে ৯টি। পুরো রুটটি হবে এলিভেটেড (Delhi Govt)। সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট–কিশনগড় করিডরের দৈর্ঘ্য ১৬ কিমি কাছাকাছি, স্টেশন থাকবে ১০টি। অধিকাংশ স্টেশনই হবে মাটির তলায় (Metro Network)। সমায়পুর বাদলি–নরেলা করিডরের দৈর্ঘ্য ১২.৮৯ কিমি, স্টেশন থাকবে ৮টি। সব স্টেশনই হবে এলিভেটেড। কীর্তিনগর–পালম করিডরের দৈর্ঘ্য ৯.৯৬ কিমি, স্টেশন থাকবে ৬টি। কিছু অংশ হবে এলিভেটেড, বাকিটা হবে মাটির তলায়।

    হাই প্রায়োরিটি রুট

    সরকারের মতে, যেসব এলাকায় এখনও মেট্রো পরিষেবা পর্যাপ্ত নয়, এই সম্প্রসারণে সেইসব অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। মোট ৭টি করিডরের মধ্যে ৪টি রুটকে হাই প্রায়োরিটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলির নির্মাণকাজ শুরু হবে আগে। লক্ষ্য, ২০২৯ সালের মধ্যে কাজ শেষ করা। এই বিরাট সম্প্রসারণ প্রকল্প দিল্লির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Metro Network)। সময় কম লাগায় সুবিধে হবে হাজার হাজার নিত্যযাত্রীর (Delhi Govt)।

     

  • Diljit Dosanjh: কানাডায় দিলজিতের কনসার্টে হাজির খালিস্তানপন্থীরাও, গান থামিয়ে কড়া বার্তা দিলেন গায়ক

    Diljit Dosanjh: কানাডায় দিলজিতের কনসার্টে হাজির খালিস্তানপন্থীরাও, গান থামিয়ে কড়া বার্তা দিলেন গায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কনসার্ট চলাকালীন খালিস্তানপন্থীদের পতাকা ওড়ানো দেখে থামলেন গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জ (Diljit Dosanjh)। দর্শকদের উদ্দেশে দিলেন কড়া বার্তাও। কানাডার ক্যালগেরি শহরে এক বিশাল কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন দিলজিৎ। চারদিকে হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাস, রঙিন স্পটলাইটের আলো আর ঐতিহ্যবাহী পোশাকে মঞ্চে ঘুরে ঘুরে গান গাইছিলেন শিল্পী। দর্শকরাও তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়ে গান ধরেছিলেন (Pro Khalistanis)।

    পতাকা ওড়ালো খালিস্তানপন্থীরা (Diljit Dosanjh)

    এই সময় কনসার্টস্থলে উপস্থিত ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েকজন খালিস্তানপন্থী নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতীকী পতাকা ওড়াতে শুরু করেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিষয়টি নজরে পড়তেই দিলজিৎ গান থামিয়ে দেন। তারপর মাইক্রোফোন হাতে তিনি ওই ব্যক্তিদের সাফ জানিয়ে দেন, এই ধরনের বিশৃঙ্খলা বন্ধ করতে হবে। এখানে নয়, অন্য কোথাও গিয়ে এসব করতে হবে। প্রসঙ্গত, এর আগেও দিলজিতের একাধিক কনসার্টে খালিস্তানপন্থীরা পতাকা নিয়ে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠান ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠীগুলি সহিংস মতাদর্শ প্রচার করছে

    সম্প্রতি কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (CSIS)-এর ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডায় খালিস্তানপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলির কার্যকলাপ এখনও উদ্বেগের কারণ। কানাডার পার্লামেন্টে জমা দেওয়া ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, কানাডা-ভিত্তিক খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠীগুলি সহিংস চরমপন্থী মতাদর্শ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে (Diljit Dosanjh)। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, এই গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে যুক্ত কিছু কানাডিয়ান নাগরিক দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে তহবিল সংগ্রহ করছে, যা পরে হিংসাত্মক কার্যকলাপে ব্যবহৃত হতে পারে (Pro Khalistanis)। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে খালিস্তানপন্থী ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত-কানাডার সম্পর্কও তলানিতে ঠেকেছে। খালিস্তানপন্থীদের প্রতি কানাডার নমনীয় অবস্থান নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত (Diljit Dosanjh)।

     

  • Guinness World Record: আন্দামানে সমুদ্রের অতলে তেরঙা উড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ল ভারত

    Guinness World Record: আন্দামানে সমুদ্রের অতলে তেরঙা উড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমুদ্রের অতল গভীরে ভারতের তেরঙা উড়িয়ে এক অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়ল ভারত। আন্দামান (Anandaman) ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নীল জলরাশির নীচে বিশ্বের বৃহত্তম জাতীয় পতাকা উন্মোচন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে (Guinness World Record) নাম তুলল ভারত।

    কীভাবে সম্পন্ন হল এই অভিযান (Guinness World Record)?

    ভারতীয় নৌবাহিনী এবং দক্ষ স্কুবা ডাইভারদের একটি বিশেষ দল এই দুঃসাহসিক অভিযানে অংশ নেন। আন্দামান সাগরের (Anandaman) প্রায় কয়েক ফুট গভীরে বিশালাকার এই জাতীয় পতাকাটি অতি সতর্কতার সঙ্গে উন্মোচন করা হয়। সমুদ্রের স্রোত এবং জলের চাপের প্রতিকূলতাকে জয় করে তেরঙা ওড়ানোর এই দৃশ্য ছিল যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনই গর্বের। গিনেস (Guinness World Record) কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে এই অভাবনীয় কৃতিত্বকে পর্যবেক্ষণ করেন এবং আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দান করেন।

    জাতীয় সংহতির বার্তা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে

    আন্দামান (Anandaman) ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা (Guinness World Record)। সেই পুণ্যভূমিতেই এই কৃতিত্ব অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় সংহতির বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    সাহস ও দক্ষতার পরিচয়

    জলের নীচে এত বড় মাপের একটি পতাকা সফলভাবে উন্মোচন করা ভারতের ডাইভারদের (Guinness World Record) পেশাদারিত্ব এবং কারিগরি দক্ষতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

    পর্যটন ও অনুপ্রেরণা

    এই বিশ্বরেকর্ড আন্দামানের (Anandaman) পর্যটনকে যেমন উৎসাহিত করবে, তেমনই দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও রোমাঞ্চকর কর্মকাণ্ডের (Guinness World Record) প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দেবে।

    বিশ্বের বুকে ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তি

    এই সাফল্যের পর আন্দামান (Anandaman) ও নিকোবর প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা এবং নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন (Guinness World Record)। তাঁরা জানান, এটি কেবল একটি রেকর্ড নয়, বরং বিশ্বের বুকে ভারতের ক্রমবর্ধমান শক্তি ও সাহসিকতার প্রতীক। ভারতের এই জয়গাথা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা গর্বিত করছে প্রত্যেক ভারতীয়কে।

  • Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল ৪ মে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) ভোট গণনা। তার ঠিক আগে গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুললেন বিধানসভার বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য এবং তাঁদের ডিউটি রস্টার আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছে, যা আদতে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন। গণনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হবে।”

    শুভেন্দুর মূল অভিযোগ (West Bengal Election 2026)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দুর দাবি, গণনা কর্মীদের তালিকা ও তাঁদের কর্মস্থলের তথ্য নির্দিষ্ট মহলের হাতে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর মতে, এটি ‘ইলেকশন প্রোটোকল’ বা নির্বাচনী শিষ্টাচারের গুরুতর অবমাননা। তাই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “আমার নজরে এসেছে যে, গণনার দিনের (Counting Day) দায়িত্বে থাকা বেশ কিছু আধিকারিক তাঁদের নির্দিষ্ট ডিউটির বিবরণ, স্থান এবং পদমর্যাদার তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সংস্থা ও সংগঠনগুলিকে জানিয়ে দিয়েছেন। আমি তথ্য পেয়েছি যে, কিছু স্প্রেডশিট এবং তালিকা প্রচার করা হচ্ছে যেখানে আধিকারিকরা স্বেচ্ছায় বা চাপের মুখে তাঁদের ‘নির্বাচন ডিউটি সংক্রান্ত তথ্য’ এবং গণনা প্রক্রিয়ায় তাঁদের নির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে, তা পূরণ করছেন। এই তথ্য ফাঁস হওয়ার ফলে গণনার (West Bengal Election 2026) দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে, যা নিরপেক্ষ ফল ঘোষণায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।”

    কমিশনের কাছে দাবি

    নির্বাচনী (West Bengal Election 2026) গণনাকেন্দ্রে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, যেভাবে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে, গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোনওভাবেই যেন গণনা প্রভাবিত না হয়। সর্বোপরি, যেসব আধিকারিক বা কর্মীরা এই তথ্য ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

    অযাচিত প্রভাবের ঝুঁকি

    যখন কোনও আধিকারিকের নির্দিষ্ট নিয়োগের তথ্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত কোনও সংগঠন বা ইউনিয়নের কাছে জানাজানি হয়ে যায়, তখন তা অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রভাব এবং হুমকির পথ প্রশস্ত করে।

    নিরপেক্ষতার সঙ্কট 

    গণনা প্রক্রিয়ার পবিত্রতা নির্ভর করে কর্মীদের নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার ওপর। এই গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে তা সরাসরি ফলের নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করে।

    চাপ সৃষ্টির কৌশল

    সংগঠনগুলির দ্বারা এই ধরণের ‘তথ্য সংগ্রহ’ করার বিষয়টি অনেক সময় আধিকারিকদের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি প্রচ্ছন্ন প্রচেষ্টা মাত্র, যাতে গণনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁরা শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেন।

    অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারির দাবি

    ভোট পরবর্তী হিংসা এবং স্ট্রংরুম পাহারা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তার মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর এই নতুন অভিযোগ আগামিকালের গণনা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। শুভেন্দু বলেন, “আমি ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে জোরালো আবেদন জানাচ্ছি। কোনও আধিকারিক যাতে কোনও সংস্থা বা সংগঠনের কাছে তাঁদের নির্ধারিত গণনা ডিউটির তথ্য প্রকাশ না করেন, সেই মর্মে অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারি করা হোক। এছাড়া, যে সমস্ত সংগঠন এই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।”

    বিজেপি শিবিরের দাবি, শাসক দল প্রশাসনকে ব্যবহার করে গণনায় কারচুপি করার চেষ্টা করছে। যদিও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং ‘হারার আগে অজুহাত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী গণনা (West Bengal Election 2026) বিষয়ে বিরোধী দলনেতার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন শেষ মুহূর্তে কোনো বড় পদক্ষেপ নেয় কি না।

  • Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

    Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে। ভারতের তৈরি শক্তিশালী ‘ব্রহ্মোস’ (Brahmos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কেনার লক্ষ্যে ৫,৮০০ কোটি টাকার ($700 Million) একটি বিশাল প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে এগোচ্ছে ভিয়েতনাম। এই লক্ষ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত মিশনে ভারত সফরে আসছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম (To Lam)।

    উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Brahmos)

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে তা হবে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম মাইলফলক। এর আগে ফিলিপিন্স ভারতের থেকে ব্রহ্মোস কেনার চুক্তি করলেও, ভিয়েতনামের এই সম্ভাব্য চুক্তির আর্থিক মূল্য এবং কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি। মূলত সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতেই ভিয়েতনাম (To Lam) ভারতের এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির (Brahmos) ওপর আস্থা রাখছে।

    কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?

    কৌশলগত ভারসাম্য: দক্ষিণ চিন সাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারত ও ভিয়েতনামের এই ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা (Brahmos)  সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    মেক ইন ইন্ডিয়া: ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস (Brahmos)  ক্ষেপণাস্ত্রের বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ভারতের ‘প্রতিরক্ষা রফতানি লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হবে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: প্রেসিডেন্ট তো লামের এই সফরে কেবল প্রতিরক্ষা নয়, বরং মহাকাশ গবেষণা, সাইবার নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক আদান-প্রদান নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষত্ব

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলগুলির (Brahmos) মধ্যে অন্যতম। এটি জল, স্থল এবং আকাশ—তিনটি মাধ্যম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়, যা ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে কয়েক গুণ শক্তিশালী করে তুলবে।

    প্রেসিডেন্ট তো লামের এই ভারত সফরকে ঘিরে নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৫,৮০০ কোটি টাকার চুক্তি কেবল অস্ত্রের লেনদেন নয়, বরং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (Indo-Pacific Region) শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের একজোট হওয়ার একটি জোরালো বার্তা। ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্বদেশী অস্ত্র বিদেশের বাজারে বিরাট চাহিদা সৃষ্টি করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। এই রফতানি প্রতিরক্ষা দফতরের  বড় সাফল্য।

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে চলছে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে চলছে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনকভাবে হিন্দুবিরোধী একাধিক সংগঠনের দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৬ এপ্রিল থেকে ০২ মে, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের সাপ্তাহিক ছবিটা।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। শবরীমালা মন্দিরে অনিয়মের অভিযোগে তপ্ত কেরল। মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া ‘নেই থেঙ্গা’ (ঘি-ভর্তি নারকেল) ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হিন্দু মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা, ধর্ষণ ও আর্থিক শোষণের অভিযোগে কাঠগড়ায় কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনিয়র অ্যাকাডেমিক। সাজ্জাদ মোহাম্মদ খান নামের ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।পরীক্ষাকেন্দ্রে পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে উত্তপ্ত বেঙ্গালুরু। কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে সিইটি (CET) পরীক্ষাকেন্দ্রের তিন কর্মী ব্রাহ্মণ ছাত্রদের পৈতে খুলতে বাধ্য করেছেন বলে অভিযোগে। ওই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা।

    ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ

    এদিকে, ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ উঠেছে খোদ দিল্লিতে। আম্বেদকরপন্থী কর্মী সতীশ বাউদ্ধর বিরুদ্ধে দিল্লির এক অনুষ্ঠানে সীতা ও কৃষ্ণকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বারাণসীতে পরিচয় গোপান করে বিয়ের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এক ব্যক্তি নিজের পরিচয় গোপন করে ‘অমিত’ বলে নিজেকে দাবি করে এক হিন্দু মহিলাকে বিয়ে করে। প্রতারণা ও জোরপূর্বক অশালীন আচরণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ হেফাজত থেকেও সে পালিয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রে খবর। ধর্মান্তরকরণে অর্থায়নের অভিযোগে এবার অভিযান চালাল ইডি। ‘দ্য টিমোথি ইনিশিয়েটিভ’ (TTI) নামের একটি সংগঠনের বিরুদ্ধে বিদেশি অর্থ ব্যবহার করে ধর্মান্তরকরণ কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা সূত্রেই মিলেছে এ খবর।

    বাংলাদেশেও ভালো নেই হিন্দুরা

    ভারতের পড়শি দেশ বাংলাদেশেও ভালো নেই হিন্দুরা। ফরিদপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইডাঙ্গি গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। তাঁর (Hindus Under Attack) ঘরের ভেতরে থাকা মন্দিরও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ মামলা না নেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা। কুড়িগ্রামে জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এক হিন্দু পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বলে খবর। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার নওদাবাস গ্রামে এক হিন্দু পরিবারকে জমি দখলের উদ্দেশ্যে তিন সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিবেশীরা বাড়ির চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি পরিবারটির (Roundup Week)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে হিন্দু সম্প্রদায় ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির নিরাপত্তা, মহিলা সুরক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন (Hindus Under Attack)। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের দাবিও জানানো হয়েছে (Roundup Week)।

     

LinkedIn
Share