Tag: news in bengali

news in bengali

  • US Mercenary in India: কলকাতায় মার্কিন ‘জঙ্গি প্রশিক্ষক’ ধরা পড়তেই চর্চায় শেখ হাসিনার ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ সতর্কবার্তা

    US Mercenary in India: কলকাতায় মার্কিন ‘জঙ্গি প্রশিক্ষক’ ধরা পড়তেই চর্চায় শেখ হাসিনার ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ সতর্কবার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগে এক মার্কিন ভাড়াটে সেনাসহ (US Mercenary in India) ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককে গ্রেফতারের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) পুরনো এক সতর্কবার্তা। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েক মাস আগে তিনি দাবি করেছিলেন, এক “শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি” তথা এক বিদেশি শক্তি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে একটি “খ্রিস্টান রাষ্ট্র” গঠনের পরিকল্পনা করছে। যার কেন্দ্র হতে পারে বঙ্গোপসাগর। তখন এই মন্তব্যকে অনেকেই রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান ঘটনাপ্রবাহ—বিশেষ করে বিদেশি যোদ্ধাদের উপস্থিতি—কিছু বিশ্লেষকের মতে সেই বক্তব্যকে নতুন করে প্রাসঙ্গিক করে তুলছে।

    বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস

    পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। সেই আবহে ভারতে বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস হয়েছে। আমেরিকার বাসিন্দা, এক ভাড়াটে যোদ্ধাকে গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। গ্রেফতার করা হয়েছে ইউক্রেনের ছয় নাগরিককেও। মিজোরাম হয়ে মায়ানমারে ঢোকার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। মায়ানমারে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে তারা যুদ্ধের কলা-কৌশল শেখাতে, অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিতে যাচ্ছিল বলে জানা যাচ্ছে। বিগত কয়েক মাস ধরে নজরদারি চালিয়ে ওই সাতজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে বলে খবর। ধৃতদের মধ্যে আমেরিকার নাগরিক ম্যাথু অ্যারন ভ্যান ডাইক (Matthew VanDyke), ইউক্রেনের নারিক হারবা পেত্রো, স্লাইভিয়াক টারাস, ইভান সুকমানোভস্কি, স্টেফানকিভ মারিয়ান, হানচারুক মাকসিম এবং কামিনস্কি ভিক্টর বলে শনাক্ত করা গিয়েছে। ধৃতদের ডিজিটাল গতিবিধি পরখ করে দেখছে এনআইএ ধৃতদের নেটওয়র্কে অন্য সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার চেষ্টাও চলছে।

    ভ্য়ানের গ্রেফতারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

    তদন্তে নেমে বেশ কিছু অডিও রেকর্ডিং হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেখানে বিভিন্ন দেশে বিদ্রোহী সংগঠনগুলিকে সমর্থন জোগানোর কথা স্বীকার করতে শোনা গিয়েছে আমেরিকার নাগরিক ভাড়াটে সেনা ভ্যানকে। তার দাবি, বিদেশি যোদ্ধাদের বিদ্রোহে লিপ্ত করা তার উদ্দেশ্য় নয়। বরং স্থানীয় মানুষজনকে বিদ্রোহের আগুনে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করাই লক্ষ্য তার। ভেনেজুয়েলা, মায়ানমার এবং ইরানে বিদ্রোহের আগুন জ্বালাতে ভাড়াটে সৈনিকদের আহ্বানও জানায় সে। ভ্য়ানের গ্রেফতারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উত্তর-পূর্ব ভারতে সশস্ত্র উগ্রপন্থী সংগঠনগুলির যে বাড়বাড়ন্ত, তাতে তার সংযোগ পাওয়া গিয়েছে। উগ্রপন্থীদেরও সে ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালানো, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে ভ্য়ানের গ্রেফতারি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। ভ্যান চরবৃত্তিতে লিপ্ত ছিল কি না, তথ্য পাচার করছিল কি না, ভারতবিরোধী, নিষিদ্ধ গোষ্ঠীগুলিকে মদত জোগাচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    হাসিনার সতর্কবার্তার যোগসূত্র

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এই গ্রেফতারির সঙ্গে শেখ হাসিনার সেই সতর্কবার্তার সম্ভাব্য যোগ থাকতে পারে। তিনি দাবি করেছিলেন, তাকে ক্ষমতায় ফেরাতে সাহায্যের বিনিময়ে বাংলাদেশে একটি বিদেশি ঘাঁটি তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। হাসিনা তখন বলেছিলেন, বাংলাদেশ ভেঙে একটি খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি আরও অভিযোগ করেছিলেন, একটি শক্তিশালী দেশ বঙ্গোপসাগরে ঘাঁটি বানাতে চায়। তিনি তা হতে দিচ্ছেন না বলেই তাঁর সরকারের সামনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাঁকে ভোটের আগে এই ঘাঁটি বানানোর অনুমতি দেওয়ার বদলে, সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে, অভিযোগ করেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। তবে, কোনও বিশেষ দেশের নাম করেননি হাসিনা।

    খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র

    হাসিনা দাবি করেন, ইন্দোনেশিয়ার ভেঙে যেমন পূর্ব তিমুর তৈরি করা হয়েছিল, সেই রকমই বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটা অংশ নিয়ে একটা খ্রিস্টান দেশ তৈরির চক্রান্ত চলছে। হাসিনা বলেন, “ভারত মহাসগাগরের এই শান্তিপূর্ণ জায়গাটার উপর তাদের নজর। এখানে বেস বানিয়ে তারা কোথায় হামলা করতে চায়? আমার যুদ্ধ ঘরে-বাইরে, সব জায়গায়। পূর্ব তিমুরের মত বাংলাদেশের একটি অংশ নিয়ে, তারপর চট্টগ্রাম, মায়ানমার মিলে এখানে একটা খ্রিষ্টান দেশ বানাবে। বঙ্গোপসাগরে একটা ঘাঁটি করবে।” প্রাচীনকাল থেকেই বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে আসছে। শেখ হাসিনা কোনও দেশের নাম না করলেও, তাঁর ইঙ্গিত যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে, সেটা স্পষ্ট ছিল। ভ্যান-এর গ্রেফতারি তাঁর সেই কথাকে ফের আলোচনায় নিয়ে এল।

    ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    মায়ানমারের গৃহযুদ্ধ: ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর মায়ানমারে চলমান সংঘর্ষে বহু আন্তর্জাতিক স্বার্থ জড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দেশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে পক্ষ নিচ্ছে—এমন অভিযোগ নতুন নয়।

    ভারতের উত্তর-পূর্ব: উত্তর-পূর্ব ভারত আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক কৌশলগত করিডর। মিজোরাম এবং সংলগ্ন অঞ্চল ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে ভারতের সংযোগস্থল, পাশাপাশি চীনের প্রভাব বলয়ের কাছাকাছি। বিদেশি যোদ্ধাদের উপস্থিতি, মায়ানমারের অস্থিরতা ভারতের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত ক্রমশ একটি সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে।

    ‘প্রক্সি ওয়ার’ তত্ত্ব: বিশেষজ্ঞ মহলের র মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি একটি বৃহত্তর ‘প্রক্সি ওয়ার’-এর ইঙ্গিত হতে পারে, যেখানে বড় শক্তিগুলি সরাসরি সংঘর্ষে না গিয়ে স্থানীয় গোষ্ঠীগুলিকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে।

    মিজোরাম হয়ে মায়ানমার—নতুন করিডর?

    মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা আগেই জানিয়েছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধফেরত যোদ্ধারা মিজোরাম হয়ে মায়ানমারের চিন প্রদেশে যাচ্ছে এবং বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ২০০০ বিদেশি আইজলে এলেও তাদের বেশিরভাগকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি—যা সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক শক্তিগুলি মায়ানমারের গৃহযুদ্ধ এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ঘিরে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। যদিও “খ্রিস্টান রাষ্ট্র” তৈরির অভিযোগ নিয়ে এখনো কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি, তবুও ঘটনাপ্রবাহ ঘিরে কৌতূহল ও উদ্বেগ দুটোই বাড়ছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেছে মার্কিন ভাড়াটে যোদ্ধা ম্যাথিউ ভ্যানডাইক-এর গ্রেফতারি।

     

     

     

     

     

  • PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) চালু করেন ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) কর্মসূচি। লক্ষ্য ছিল, দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ভারতের জনগণের কাছে পৌঁছনো। এমন একটি সময়ে তিনি এটি চালু করেছিলেন, যখন রেডিওর আকর্ষণ অস্তগামী। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানটি অল ইন্ডিয়া রেডিওকে নতুন করে অক্সিজেন জোগায়। অনুষ্ঠানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মানুষ আগ্রহভরে অপেক্ষা করতে থাকেন, প্রধানমন্ত্রী কী বলেন তা শুনতে।

    কী জানাল প্রসার ভারতী (PM Modi)

    এই কর্মসূচির আরও একটি লক্ষ্য ছিল, সেটি হল ধীরে ধীরে এটি সম্প্রচারকারী সংস্থার আয়ের পথও প্রশস্ত করা। আরটিআই (RTI) আবেদনের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এই অনুষ্ঠান কত আয় করেছে, তা প্রকাশ পেয়েছে। সমাজকর্মী বিবেক পাণ্ডের দাখিল করা আরটিআইয়ের  জবাবে প্রসার ভারতী জানায়, এই সময়ে কর্মসূচিটি মোট ৫.৩৩ কোটি টাকা রোজগার করেছে। বছরভিত্তিক হিসেবে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আয় ছিল ১৬.৬০ লাখ টাকা। পরের অর্থবর্ষে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয় ১.৬৩ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান আয় করেছে ২.৩৬ কোটি টাকা।

    ‘মন কি বাত’-এর পেছনে কত ব্যয়

    এই পরিসংখ্যানগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে, যা কর্মসূচিটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আরটিআই আবেদনের আর একটি অংশে বিবেক জানতে চেয়েছিলেন, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে প্রিন্ট, টেলিভিশন, রেডিও এবং ইন্টারনেট-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘মন কি বাত’ প্রচারে সরকার কত টাকা ব্যয় করেছে (Mann Ki Baat)।এর উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যুরো জানায়, “জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ‘মন কি বাত’-এর বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যয়ের পরিমাণ শূন্য।” অর্থাৎ, এই কর্মসূচির প্রচারে কোনও মাধ্যমেই কোনও অর্থই খরচ করা হয়নি (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এই তথ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে, সেটি হল মন কি বাত শুধু লাখ লাখ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী একটি সরকারি কর্মসূচিই নয়, এটি বিজ্ঞাপনের কোনও খরচ ছাড়াই লাভজনকও। এই কর্মসূচি কেবল যোগাযোগের মাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আর্থিক প্রভাবসম্পন্ন সম্প্রচার কর্মসূচির স্বীকৃতি পেয়েছে (PM Modi)।

     

  • Adult Vaccination: টিকাকরণের হার মাত্র ২ শতাংশ! প্রাপ্ত বয়স্কদের ভ্যাকসিনে কেন বাড়তি গুরুত্ব প্রয়োজন?

    Adult Vaccination: টিকাকরণের হার মাত্র ২ শতাংশ! প্রাপ্ত বয়স্কদের ভ্যাকসিনে কেন বাড়তি গুরুত্ব প্রয়োজন?

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বদলে যাচ্ছে পরিবেশ। আর সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলে যাচ্ছে রোগের চরিত্র! দাপট বাড়াচ্ছে একাধিক সংক্রামক রোগ। তাই দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনের জন্য টিকাকরণ (Adult Immunization) জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষত ৫০ বছরের পরে নানান সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বায়ুদূষণ, জল দূষণের জেরে ফুসফুস, কিডনি ও রক্তের একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই সুস্থ দীর্ঘ জীবনের জন্য ভ্যাকসিন (Adult Vaccination) জরুরি। কিন্তু এ দেশের সাম্প্রতিক রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কদের ভ্যাকসিনের পরিসংখ্যান তলানিতে। আর সেটাই বাড়াচ্ছে উদ্বেগ। এমনটাই মনে করছেন চিকিৎসক মহল।

    ভারতে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকার হার কেমন?

    এক সর্বভারতীয় সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে প্রাপ্তবয়স্কদের টিকাকরণের (Adult Immunization) হার বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় অনেকটাই কম। তাই বাড়ছে উদ্বেগ। ওই রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, এদেশের মাত্র ২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কের টিকাকরণ (Adult Vaccination) হয়েছে। অর্থাৎ, রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো টিকা শুধুই শিশুস্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত নয়। বরং প্রাপ্তবয়স্কদের একাধিক রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে টিকাকরণ জরুরি। এই সচেতনতা তলানিতে। আর সেই জন্য প্রতি ১০০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয়দের মধ্যে ৯৮ জন জনের কোনও প্রাপ্তবয়স্ককালে টিকা নেওয়া হয়নি। ওই সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ ভারতীয় জানেন না, প্রাপ্তবয়স্কদের সুস্থ থাকার জন্য প্রাপ্তবয়স্ককালে টিকাকরণ জরুরি। শহরের তুলনায় গ্রামে টিকা করণের হার আরও কম। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে প্রাপ্তবয়স্কদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন দান হয়েছে মাত্র ১.৫ শতাংশ। নিউমোনিয়ার ০.৬ শতাংশ এবং হেপাটাইটিস বি রোগের টিকা নিয়েছেন ১.৯ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক ভারতীয়।

    কেন প্রাপ্ত বয়স্ক ভারতীয়দের টিকাকরণের হার কম?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিশ্ব জুড়ে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণের হার কম। বিশ্বের একাধিক উন্নত দেশেও টিকাকরণ শুধুমাত্র শিশু স্বাস্থ্যের সঙ্গেই জড়িত থাকার ধারণা রয়েছে। ভারতেও প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণ কম হওয়ার অন্যতম কারণ এই সচেতনতার অভাব। শিশু অবস্থায় টিকা করণ হলেও একাধিক রোগের সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে ৪০ বছরের পরে আবার টিকা করণ জরুরি হয়। শিশুদের টিকা করণ এবং বয়স্কদের টিকা করণের ক্ষেত্রে কিছু কিছু রোগে পার্থক্য থাকে। বিশেষজ্ঞদের কাছে সে সম্পর্কে পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক ভারতীয় এই প্রসঙ্গে কথা বলেন না। ফলে তাঁদের মধ্যে সচেতনতাও তৈরি হয় না। অনেকক্ষেত্রে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকা করণের ক্ষেত্রে খরচ একটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের টিকাকরণে যেভাবে সরকার এবং প্রশাসন তৎপর, যেভাবে প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করে, প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকাকরণে সেই উদ্যোগের ঘাটতির রয়েছে। তাই টিকাকরণের হার তলানিতে ঠেকেছে।

    সুস্থ থাকতে কোন টিকায় বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    ভারতে নিউমোনিয়ার দাপট বাড়ছে! ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এ দেশে প্রতি বছর ২.৫ থেকে ৩ লাখ প্রাস্ত বয়স্ক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বায়ুদূষণ বাড়ছে। তাই ফুসফুসের রোগ সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাছাড়া, ধূমপান ও তামাক সেবনের অভ্যাস ভারতীয়দের ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই পাল্লা দিয়ে নিউমোনিয়ার দাপট বাড়ছে। নিউমোনিয়া রুখতে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকা করণ জরুরি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, টিকা নেওয়া থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে। মৃত্যুর সংখ্যাও কমবে। তাছাড়া চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্য রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থাকাকালীন, বয়স্কদের একাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন। টিকা নেওয়া থাকলে শারীরিক জটিলতাও কমবে। তাই সুস্থ জীবন যাপনের জন্য প্রাপ্ত বয়স্কদের নিউমোনিয়ার টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতি বছর ভারতে ৩ লাখের বেশি মানুষ ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত হন। শুধুমাত্র বর্ষাকালেই আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যায়। বয়স্কদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভোগান্তি বাড়ায়। তাই সুস্থ থাকতে প্রাপ্ত বয়স্কদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    বয়স্কদের হুপিং কাফ, হেপাটাইটিস রোধে টিকা কার্যকর

    এছাড়াও হুপিং কাশি রুখতেও ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এ দেশে বায়ুদূষণ বাড়ছে। দিন দিন বাতাসের গুণমান কমছে। তাই ফুসফুসের সংক্রমণের পাশপাশি শ্বাসনালীর সংক্রামণের ঝুঁকিও বাড়ছে। হুপিং কাশিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাই এই রোগ রুখতে প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ প্রতি বছর হেপাটাইটিস বি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে এই রোগের দাপট উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ভারতীয়দের লিভারের রোগ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বিশেষত এই হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ বাড়তি দুশ্চিন্তা তৈরি করছে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগ রুখতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো টিকাকরণ। প্রাপ্ত বয়স্কদের হেপাটাইটিস বি-র দাপট কমাতে টিকাকরণ জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 20 March 2026: স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 20 March 2026: স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কর্কট

    ১) বিদেশযাত্রার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভবিষ্যত পরিকল্পনা করুন।

    সিংহ

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) বন্ধুদের থেকে সাহায্য পাবেন।

    ধনু

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ব্যবসায় বিপুল লাভ।

    কুম্ভ

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 603: “হরি-রস-মদিরা পিয়ে মম মানস মাতোরে! লুটায়ে অবনীতলে হরি হরি বলি কাঁদোরে”

    Ramakrishna 603: “হরি-রস-মদিরা পিয়ে মম মানস মাতোরে! লুটায়ে অবনীতলে হরি হরি বলি কাঁদোরে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৪শে অক্টোবর
    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, ডাক্তার সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    ডাক্তার সরকার ও সর্বধর্ম পরীক্ষা (Comparative Religion)

    মাস্টার (ডাক্তারকে) — ইনি (মহিমা) খুব সাইয়েন্স্‌ পড়েছেন।

    ডাক্তার (সহাস্যে) — কি Maxmuller’s Science of Religion?

    মহিমা (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — আপনার অসুখ, ডাক্তারেরা আর কি করবে? যখন শুনলাম যে আপনার অসুখ করেছে, তখন ভাবলাম যে ডাক্তারের অহংকার বাড়াচ্ছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ইনি খুব ভাল ডাক্তার। আর খুব বিদ্যা।

    মহিমাচরণ — আজ্ঞা হাঁ, উনি জাহাজ, আর আমরা সব ডিঙ্গি।

    ডাক্তার বিনীত হইয়া হাতজোড় করিতেছেন।

    মহিমা — তবে ওখানে (ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে) সবাই সমান।

    ঠাকুর নরেন্দ্রকে গান গাইতে বলিতেছেন (Kathamrita)।

    নরেন্দ্রের (Ramakrishna)  গান:

    (১)   —   তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা।

    (২)   —   অহংকারে মত্ত সদা, অপার বাসনা।

    (৩)   —   চমৎকার অপার, জগৎ রচনা তোমার!
    শোভার আগার বিশ্ব সংসার!

    (৪)   —   মহা সিংহাসনে বসি শুনেছি হে বিশ্বপতিঃ
    তোমারি রচিত ছন্দ মহান বিশ্বের গীত।
    মর্ত্যের মৃত্তিকা হয়ে, ক্ষুদ্র এই কণ্ঠ লয়ে,
    আমিও দুয়ারে তব, হয়েছি হে উপনীত।
    কিছু নাহি চাহি দেব, কেবল দর্শন মাগি,
    তোমারে যথা রবি শশী, সেই সভা মাঝে বসি,
    একান্তে গাইতে চাহে এই ভকতের চিত।

    (৫)   —   ওহে রাজরাজেশ্বর, দেখা দাও!
    করুণাভিখারী আমি করুণা কটাক্ষে চাও ৷৷
    চরণে উৎসর্গ দান, করিতেছি এই প্রাণ,
    সংসার-অনলকুণ্ডে ঝলসি গিয়াছে তাও ৷৷
    কলুষ-কলঙ্কে তাহে আবরিত এ-হৃদয়;
    মোহে মুগ্ধ মৃতপ্রায়, হয়ে আছি দয়াময়,
    মৃতসঞ্জীবনী মন্ত্রে শোমৃ ন করিয়ে লও ৷৷

    (৬)   —   হরি-রস-মদিরা পিয়ে মম মানস মাতোরে!
    লুটায়ে অবনীতলে হরি হরি বলি কাঁদোরে ৷৷

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আর ‘যে কুছ্‌ হ্যায় তুঁহি হ্যায়।’

    ডাক্তার — আহা!

    গান সমাপ্ত হইল। ডাক্তার মুগ্ধপ্রায় হইয়াছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ডাক্তার অতি ভক্তিভাবে হাতজোড় করিয়া ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘তবে আজ যাই্‌, — আবার কাল আসব।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ—একটু থাক না! গিরিশ ঘোষকে খপর দিয়েছে। (মহিমাকে দেখাইয়া) ইনি বিদ্বান হরিনামে নাচেন, অহংকার নাই। কোন্নগরে চলে গিছলেন (Kathamrita)— আমরা গিছলাম বলে; আবার স্বাধীন, ধনবান, কারু চাকরি করতে হয় না! (নরেন্দ্রকে দেখাইয়া) এ কেমন?

  • ECI: সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে রাজ্যে ‘কমপ্লেন রিড্রেসাল সেল’ গড়ছে কমিশন

    ECI: সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে রাজ্যে ‘কমপ্লেন রিড্রেসাল সেল’ গড়ছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন (Bengal Polls 2026) করতে বদ্ধপরিকর জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। সেই জন্যই কোনওরকম অভাব-অভিযোগ এড়িয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল কমিশন। জমা পড়া প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। এজন্য তৈরি করা হচ্ছে ‘কমপ্লেন রিড্রেসাল সেল’ (Complaint Redressal Cell)। এই সেল যে খোলা হবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল।

    ‘কমপ্লেন রিড্রেসাল সেল’ (ECI)

    কমিশন সূত্রে খবর, সেল তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সেলে প্রয়োজন ৯জন আধিকারিকের। যদিও আপাতত কমিশনের তিন আধিকারিক এবং ছ’জন মাইক্রো অবজারভার এই কাজ করবেন। কিন্তু কমিশনের বক্তব্য, এই ধরনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রায় কয়েক লাখ অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে হয়। সেই জন্যই নবান্নের কাছে প্রয়োজনে অতিরিক্ত আধিকারিক চেয়ে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে কমিশন। আপাতত অভিযোগ জানানো যাবে ১৯৫০-এই টোল ফ্রি নম্বরে। অভিযোগ জানানোর আট ঘণ্টার মধ্যেই তার নিষ্পত্তি করা হবে। এই নম্বরের পাশাপাশি কমিশনের ই-মেইল আইডি-ও জানিয়ে দেওয়া হবে আমজনতাকে। কোনও বুথ এলাকার কোথাও যদি কোনও ভোটারকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয় কিংবা ভয় দেখানো হয়, তাহলে সেই বুথে পুনর্নির্বাচন হবে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল কমিশন।

    সাপ্লিমেন্টারি তালিকা

    এদিকে, যে ৬০ লাখ ভোটারের নাম বিচারাধীন ছিল, তার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ২৩ লাখ ৩০ হাজারের। নয়া যে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের হবে, সেখানে থাকবে অ্যাডিশন এবং ডিলিশন। অ্যাডিশনে থাকবে যাঁদের নাম উঠবে, আর ডিলিশনে থাকবে তাঁদের নাম, যাঁদের নাম বাদ পড়েছে (ECI)। এদিকে, বুধবারের মধ্যে রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন সব অবজারভার। এঁদের মধ্যে সাধারণ অবজারভার ২৯৪ জন, পুলিশ অবজারভার ৮৪ জন, এক্সপেন্ডিচার অবজারভার ১০০ জন। নির্ধারিত এলাকায় কাজও শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, বঙ্গে দু’দফায় হবে বিধানসভার ২৯৪টি আসনে ভোট গ্রহণ। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল, সেদিন ভোট হবে রাজ্যের ১৬টি জেলায়। শীঘ্রই ওই জেলাগুলি সফর করবেন (Free and Fare Polls) মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। জেলাওয়াড়ি ভোটের প্রস্তুতি কোন পর্যায়ে, সেটাই খতিয়ে দেখবেন তিনি (ECI)।

     

  • Dhurandhar: ‘ধুরন্ধর ২’-তে বিশেষ ‘ক্যামিও’ মোদির! রণবীর সিংয়ের চেয়ে বেশি হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী

    Dhurandhar: ‘ধুরন্ধর ২’-তে বিশেষ ‘ক্যামিও’ মোদির! রণবীর সিংয়ের চেয়ে বেশি হাততালি কুড়োলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালে নোটবন্দি নিয়ে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই বক্তৃতা ব্যবহার করা হয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে (Dhurandhar: The Revenge)। ছবিতে এই আইকনিক মুহূর্তটি টেলিভিশনের পর্দায় দেখানো হয়েছে, যেখানে নোট বাতিল হওয়ার দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে (PM Modi)। সেটি দর্শকদের স্মৃতিকে উসকে দেয়। ইতিমধ্যেই মোদি-ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন এবং এই ঐতিহাসিক ভাষণটি ছবিতে ব্যবহার করার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করছেন।

    ইউজারের টুইট-বার্তা (Dhurandhar 2)

    সিনেমা হলে মোদিকে অভিনন্দন জানাতে দেখা যাওয়ায় এক ইউজার টুইট করেন, ধুরন্ধরে রণবীর সিংয়ের চেয়ে মোদিকে দেখে উচ্ছ্বসিত জনতা। আর এক উচ্ছ্বসিত ভক্তের মন্তব্য, “মোদিজি মেড এ ক্যামিও ইন ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ (Dhurandhar: The Revenge)। ইউ আর নট রেডি ফর দিস। এর পরেই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা হয়েছে ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ । এছাড়াও, ছবির প্রথমার্ধে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখানো হয়েছে, যেখানে তাঁর বিজয়-উদযাপনের ভাষণের একটি অংশ ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছে। সেই দৃশ্যটি রাজনৈতিক পরিবর্তন ও আশাবাদের পরিবেশ তুলে ধরে, যা সেই সময়কে চিহ্নিত করেছিল। তাঁর বক্তব্য ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যায়, যা ছবির বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সংযোগকে আরও জোরালো করে তোলে। এই অন্তর্ভুক্তি কাহিনিকে আরও বাস্তবসম্মত করেছে এবং দর্শকদের বৃহত্তর জাতীয় প্রেক্ষাপটের কথা মনে করিয়ে দেয়, যার মধ্যে গল্পটি এগিয়ে চলে।

    পরিচালকের বক্তব্য

    আদিত্য ধর ছবিটির পরিচালক, ধুরন্ধর ২ (Dhurandhar 2) মুক্তির আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের স্পয়লার না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি লেখেন, “আমরা ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জে আমাদের হৃদয় ঢেলে দিয়েছি, যাতে আপনি প্রতিটি মোড় ও প্রতিটি আবেগ ঠিক যেভাবে অনুভব করার কথা, সেভাবেই উপভোগ করতে পারেন।” আদিত্য জানান, এই সিনেমাটি হলে, অন্ধকারে, বন্ধু, পরিবার এবং এমনকি অপরিচিতদের সঙ্গে বসে দেখা উচিত। তিনি আরও বলেন, “এভাবেই সিনেমা উপভোগ করা উচিত, কোনও ফোনের ঝাপসা ছবিতে নয়।” এদিকে, বিভিন্ন জায়গায় ধুরন্ধর ২-এর নন-হিন্দি সংস্করণ মুক্তিতে দেরি হওয়ায়, আদিত্য ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। তিনি জানান, যাঁদের শো বাতিল হয়েছে, তাঁরা রিফান্ড নিতে (PM Modi) পারবেন অথবা সাবটাইটেল-সহ হিন্দি সংস্করণটি দেখতে পারবেন (Dhurandhar 2)।

  • Suvendu Adhikari: তাঁর বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা কত, তথ্য দিচ্ছে না পুলিশ! কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: তাঁর বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা কত, তথ্য দিচ্ছে না পুলিশ! কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়বেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী তিনি। মনোনয়ন জমা দেবেন। কিন্তু তার আগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। মূলত পুলিশের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ। নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা ও বিস্তারিত তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বিজেপি নেতা।

    সঠিক তথ্য দিচ্ছে না পুলিশ

    শুভেন্দুর বক্তব্য, তাঁর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা রয়েছে, সেই সঠিক তথ্য পুলিশ তাঁকে দিচ্ছে না। এদিকে, একজন প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট হলফনামা অর্থাৎ ২৬ নম্বর ফর্ম জমা করতে হয়। সেখানে প্রার্থীকে তাঁর ব্যক্তিগত সমস্ত সঠিক তথ্য উল্লেখ করতে হয়। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, অপরাধমূলক রেকর্ড, আর্থিক অবস্থা, পেশা ও আয়ের উৎস, সরকারি বকেয়া সবই বিস্তারিত জানাতে হয়। শুভেন্দুর অভিযোগ, পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলার নির্দিষ্ট তথ্য দিচ্ছে না, ফলে এই হলফনামা পূরণে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধী দলনেতার একাধিক ক্ষেত্রে দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আদালতের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো নতুন এফআইআর করা যাবে না।

    আইনি দিকটিও সুরক্ষিত রাখতে চান শুভেন্দু

    তবে পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৪ অক্টোবর বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সেই সুরক্ষাকবচ তুলে নেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, এ ধরনের অন্তর্বর্তী সুরক্ষা অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে পারে না। যদিও একই সঙ্গে আদালত শুভেন্দুকে বড় স্বস্তি দেয়। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলা খারিজ করে দেওয়া হয়, যা আদালতের মতে ভিত্তিহীন বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। এরই মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় তাঁর কনভয়ে হামলার ঘটনায় নতুন করে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল হাইকোর্ট। এই পরিস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। এবারের নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই তিনি জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভোটের ময়দানে নামার পাশাপাশি আইনি দিকটিও সুরক্ষিত রাখতে চাইছেন তিনি।

  • BJP: অসমে প্রথম দফায় ৮৮ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কে কোন আসনে?

    BJP: অসমে প্রথম দফায় ৮৮ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কে কোন আসনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের পর এবার অসমেও প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। অসম বিধানসভার নির্বাচনও হওয়ার কথা এপ্রিলে। সেই নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই প্রকাশ হয়েছে প্রার্থী তালিকা (Assam Assembly Polls 2026)।

    ৮৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির (BJP)

    বৃহস্পতিবার মোট ৮৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। তালিকায় বর্তমান মন্ত্রিসভার একাধিক প্রবীণ সদস্যকে রাখা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ফের প্রার্থী হচ্ছেন জলুকবাড়ি থেকে। অর্থমন্ত্রী অজন্তা নিয়োগকে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে গোলাঘাট কেন্দ্রে। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন দেমাজি কেন্দ্রের রানোজ পেগু, জাগিরোড কেন্দ্রের পীযূষ হাজারিকা এবং ঢেকিয়াজুলি কেন্দ্রের অশোক সিংহল। প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা তথা বর্তমান নগাঁও কেন্দ্রের সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈকে প্রার্থী করা হয়েছে দিসপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। কংগ্রেস থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া আরও এক নেতা ভূপেন কুমার বোড়কে। ভিপুরা কেন্দ্রে পদ্ম প্রতীকে লড়বেন তিনি।

    শহরের আসনে বিশেষ জোর

    বিজেপি শহরের বিভিন্ন আসনের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। কামরূপ মেট্রোপলিটন ডিস্ট্রিক্টের সব প্রধান আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে জলুকবাড়ি, দিসপুর, গুয়াহাটি সেন্ট্রাল এবং নিউ গুয়াহাটি। এর মাধ্যমে শহুরে ভোটব্যাঙ্ককে শক্তিশালী করার কৌশল স্পষ্ট। উত্তর আসামের উচ্চ অসম অঞ্চলের দুলিয়াজান, তিনশুকিয়া, ডিগবয় এবং ডিব্রুগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের মনোনীত করেছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। বরাক উপত্যকা অঞ্চলে শিলচর, করিমগঞ্জ উত্তর এবং হাইলাকান্দি আসনে সুপরিচিত স্থানীয় মুখকে প্রার্থী করা হয়েছে (BJP)।

    মহিলা প্রার্থীদের উপস্থিতি

    প্রথম দফার এই তালিকায় মহিলা প্রার্থীদের উপস্থিতি সীমিত হলেও, উল্লেখযোগ্য। প্রথম তালিকায় ৬ জন মহিলা প্রার্থী রয়েছেন। একুশের নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন ৭ জন পদ্ম- মহিলা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন মাধবী দাস, জ্যোৎস্না কলিতা, নিলীমা দেবী, অজন্তা নেগো, নিশো তেরাংপি এবং রূপালি লাংথাশা। তালিকায় (Assam Assembly Polls 2026) উপজাতীয় এবং সংরক্ষিত আসনগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বোকো-ছায়গাঁও, তামুলপুর, ধেমাজি, মাজুলি, কার্বিআংলং এবং ডিমা হাসাও জেলাগুলিও। প্রথম দফার এই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয় বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতা। অসম বিজেপির সভাপতি দিলীপ শইকিয়াও ছিলেন ওই বৈঠকে (BJP)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের সূচনা করে দিল। এ রাজ্যে তারা ক্ষমতায় রয়েছে। সংগঠনগত শক্তি বাড়িয়ে এবং কৌশলগত অন্তর্ভুক্তির ওপর ভর করে রাজ্যে ক্ষমতার রশি ধরে রাখতে চায় পদ্মশিবির।

     

  • Indian Navy: হরমুজের সামনে পাহারা দিচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা, বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তায় টহল যুদ্ধজাহাজের

    Indian Navy: হরমুজের সামনে পাহারা দিচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা, বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তায় টহল যুদ্ধজাহাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধ-জর্জরিত পশ্চিম এশিয়া। ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাত-এর প্রেক্ষিতে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। এই আবহে ভারত সরকার দেশের জ্বালানি বহনকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) আরও যুদ্ধজাহাজ ওই অঞ্চলে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) ঘিরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, গালফ অফ ওমান অঞ্চলে বর্তমানে থাকা তিনটি ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে আরও কয়েকটি জাহাজ যোগ করা হবে। এতে করে প্রণালীর পূর্ব দিকে মোট যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ছয় থেকে সাতটিতে পৌঁছাতে পারে।

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ

    এই সপ্তাহের শুরুতেই একটি ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ফুজাইরাহ বন্দর থেকে রওনা হওয়া। এটি ভারতীয় পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদে ভারতের পশ্চিম উপকূলে পৌঁছে দেয়। এর আগে, “শিবালিক” এবং “নন্দা দেবী” নামের দুইটি এলপিজি বাহক জাহাজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে ভারতে পৌঁছেছে। বর্তমানে প্রায় ২২টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ প্রণালীর পশ্চিমে আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে হয়, ফলে এর নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর অপারেশন সঙ্কল্প

    এই অঞ্চলে ভারতীয় নৌবাহিনীর উপস্থিতি অপারেশন সঙ্কল্প (Operation Sankalp)-এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে, যা ২০১৯ সাল থেকে চালু রয়েছে। এর লক্ষ্য ভারতীয় জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে আস্থা বজায় রাখা। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের অক্টোবর থেকে গাল্ফ অঞ্চলে ভারতীয় নৌবাহিনী নিয়মিত জলদস্যু বিরোধী টহল চালিয়ে যাচ্ছে, যা সমুদ্রপথে ভারতের বাণিজ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    ভারতের বন্দরে পৌঁছেছে তৃতীয় জাহাজ

    কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও বিরাট সাফল্য পেয়েছে ভারত। গত তিনদিনে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতের বন্দরে পৌঁছেছে তৃতীয় জাহাজ। সোমবার এবং মঙ্গলবার এলপিজি বোঝাই জাহাজ এসে পৌঁছেছিল ভারতে। জানা গিয়েছে, বুধবার আশি হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি অশোধিত তেল নিয়ে গুজরাটে পৌঁছে গিয়েছে ভারতের জাহাজ ‘‘জাগ লড়কি’’। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে বিপুল পরিমাণ তেল নিয়ে এসেছে জাহাজটি। গত শনিবার আমিরশাহীর ফুজাইরা বন্দর থেকে তেল বোঝাই করা হচ্ছিল ভারতীয় জাহাজটিতে। সেসময়েই বন্দরটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে। হামলা সামলে তেল বোঝাই জাহাজ আমিরশাহীর বন্দর ছাড়ে রবিবার। কিন্তু হরমুজ প্রণালী পেরনোর সময়ে সাময়িক ভাবে আটকে পড়ে জাহাজটি। অবশেষে হরমুজ পেরিয়ে ভারতের মুন্দ্রা বন্দরে এসেছে জাগ লড়কি। অন্তত ৮০ হাজার ৮৮৬ মেট্রিক টন অশোধিত তেল রয়েছে এই জাহাজে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ জাহাজটি নিরাপদে মুন্দ্রায় এসে পৌঁছেছে।

    হরমুজ প্রণালীতে পাহারা দিচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা

    পশ্চিম এশিয়ার উপকণ্ঠে হরমুজ প্রণালীতে পাহারা দিচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও। তবে নৌবাহিনীকে কী ধরনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা কোন জাহাজ পাহারা দিচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু খোলসা করতে চাননি। হরমুজের পশ্চিম প্রান্তে আটকে থাকা ২২টি ভারতীয় জাহাজের অবস্থা ব্যাখ্যা করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রক। দেশে এলপিজি মজুত এবং জোগানের পরিস্থিতিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বুধবার কেন্দ্রের জাহাজ মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক এবং পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে যৌথ ভাবে একটি সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। সেখানেই পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নিজ নিজ মন্ত্রকের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন প্রতিনিধিরা।

    ২২টি জাহাজে ৬১১ জন ভারতীয়

    ইরানে আটকে থাকা ভারতীয় ছাত্রদের সাহায্যে তৎপর হয়েছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। আর্মেনিয়া বা আজারবাইজানের সীমান্ত পেরিয়ে স্থলপথে ওই দেশ ছাড়তে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের। দূতাবাস এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও জারি করেছে। কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিন্‌হা। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালীর পশ্চিম প্রান্তে আটকে থাকা ২২টি জাহাজে ৬১১ জন ভারতীয় আছেন। তাঁরা সকলে সুরক্ষিত। নতুন করে কোনও ঘটনা ঘটেনি। এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম এশিয়া থেকে জলপথে ২৫ জন ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফেরানো হয়েছে। কন্ট্রোল রুমে এসেছে ১২৫টি ফোন এবং ৪৫০টি ইমেল।

     দেশে এলপিজি-র জোগান নিয়ে উদ্বেগ

    পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের কারণে দেশে এলপিজি-র জোগান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এখনও গ্যাসের ডিলারদের অফিসের সামনে লম্বা লাইন পড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের বিশেষ সচিব সুজাতা শর্মা বলেন, ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। যদিও অনলাইন বুকিং পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ৯৩ শতাংশ বুকিং এখন অনলাইনে হচ্ছে। কিন্তু অনেক ডিলারের কাছে এখনও লম্বা লাইন পড়ছে। গ্রাহকদের কাছে আমাদের অনুরোধ, বুকিংয়ের পর একটু অপেক্ষা করুন। সিলিন্ডার ঠিক পৌঁছে যাবে।’’ যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও দেশে পেট্রল বা ডিজেলের দাম বাড়েনি, জানিয়েছেন সুজাতা। বিমান চলাচলের জন্যেও পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। জ্বালানির ক্ষেত্রে কেন্দ্রের অবস্থান— আগে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো হবে এবং তার পর বাইরে পাঠানোর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করা হবে।

LinkedIn
Share