Tag: news in bengali

news in bengali

  • Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসে প্রথম সোনা ভারতের! মাঠেই নেই নকভি, শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে দুরমুশ করে জয় মহিলা ক্রিকেট দলের

    Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসে প্রথম সোনা ভারতের! মাঠেই নেই নকভি, শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে দুরমুশ করে জয় মহিলা ক্রিকেট দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের হাত ধরে এশিয়ান গেমসের (Asian Games 2026) প্রথম সোনা এল ভারতে। মহিলাদের ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানে হারিয়ে সোনা জিতল হরমনপ্রীত কৌররা। এই নিয়ে পরপর দুটো এশিয়ান গেমসে সোনা পেল ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল। এই পদকের ফলে ভারতের মোট পদক সংখ্যা দাঁড়াল ৭। প্রথমে ব্যাট করে স্মৃতি মন্ধানা, শেফালি বর্মা ও রিচা ঘোষের দাপটে ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২১৬ রান করে ভারত। সেই রান তাড়া করা যে কঠিন হবে তা বোঝা গিয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা এ ভাবে আত্মসমর্পণ করবে তা ভাবা যায়নি। ভারতের চার স্পিনারের সামনে খেই হারাল শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং আক্রমণ। ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অল আউট হয়ে গেল গোটা দল। স্মৃতি মান্ধানা প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ১১ হাজার রান করেন।

    অসম্মানের ভয়! মাঠেই এলেন না নকভি

    এদিন পুরো ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করে টিম ইন্ডিয়া। কোনও লড়াই দিতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। এই ম্যাচের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ক্রিকেট। যেখানে সোনা জিতল ভারত। রুপো ও ব্রোঞ্জ জিতল যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এশিয়ান গেমসেও এশিয়া কাপের ছবি দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। ভারতের মহিলা দল এশিয়ান গেমসে সোনা জিতলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান মহসিন নকভি পুরস্কার দিতে আসবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। নকভি পুরস্কার দিতে এলে ভারত তা নেবে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছিল। কিন্ত আদতে সে সব কিছু হল না। নকভি এলেনই না। এশিয়ান গেমসের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের হারানোর পর দেখা যায় মাঠেই উল্লাস করছেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। জাতীয় পতাকা নিয়ে ছবি তোলেন হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মন্ধানা, রিচা ঘোষেরা। নিজেদের অনুভূতির কথাও বলেন তাঁরা। কিছু ক্ষণ পরেই শুরু হয় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। পুরস্কার দেওয়ার জন্য নিশিন শহরের মেয়র, পুলিশ সুপার-সহ কয়েক জন আধিকারিক হাজির ছিলেন। তাঁরাই পদক পরিয়ে দেন। নকভি মাঠেই ছিলেন না।

    স্মৃতির সোনালি রেকর্ড

    ইতিহাসের পাতায় নাম তুললেন ভারতের মহিলা ক্রিকেট তারকা স্মৃতি মান্ধানা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর ফাইনালে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১১ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করলেন মান্ধানা। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে এই অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে স্মৃতির রান এখন ১১,০৬৬। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলতে নামার আগে ১১ হাজার রানের মাইলফলক থেকে মাত্র কয়েক রান দূরে ছিলেন মান্ধানা। ফাইনালে স্বভাবসিদ্ধ আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। মাত্র ৪৫ বলে ৭৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ভারতীয় ওপেনার। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার এবং সাতটি ছক্কা। মান্ধানার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই বড় রানের ভিত গড়ে নেয় ভারত। চলতি মাসেই আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড নিজের নামে করেছিলেন মান্ধানা। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মিতালি রাজকে টপকে মহিলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক হয়েছিলেন তিনি। এবার সেই রেকর্ডের মুকুটে যোগ হল আরও একটি পালক। ১১ হাজার আন্তর্জাতিক রান। তিন ফরম্যাটেই দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ব্যাটিংয়ের অন্যতম প্রধান ভরসা মান্ধানা। মহিলা টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও সর্বাধিক রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তিনি শীর্ষে রয়েছেন।

  • Giorgia Meloni: ইতালির স্কুলে বোরখা-নিকাব নিষিদ্ধের প্রস্তাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যায়ও সীমা চান মেলোনি

    Giorgia Meloni: ইতালির স্কুলে বোরখা-নিকাব নিষিদ্ধের প্রস্তাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যায়ও সীমা চান মেলোনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতালির স্কুলগুলিতে বোরখা ও নিকাব (Burqa Niqab Ban) পরা নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। একই সঙ্গে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে ইতালীয় (Giorgia Meloni) নাগরিকত্ব নেই—এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যারও একটি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর রোমে নিজের দল ‘ব্রাদার্স অব ইতালি’-র যুব সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় এই পরিকল্পনার কথা জানান মেলোনি। তিনি বলেন, শিগগিরই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে পেশ করা হবে।

    স্কুলে বোরখা-নিকাব নিষিদ্ধের প্রস্তাব

    প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় স্কুলে মুখ ঢেকে রাখা পোশাক, বিশেষ করে বোরখা ও নিকাব পরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। বোরখা এমন একটি পোশাক, যাতে শরীর ও মুখ সম্পূর্ণ ঢাকা থাকে। অন্যদিকে নিকাবে মুখ ঢাকা থাকে, তবে চোখ দেখা যায়।

    মেলোনি বলেন, ইতালিতে কোনও ব্যক্তি “বাস্তব বা কথিত কোনও ঐতিহ্যের নামে” কোনও তরুণীকে নিজের মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করতে পারবেন না। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা ইতালিতে এসে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে চান, তাঁদের ইতালীয় ভাষা শিখতে হবে, দেশের সংস্কৃতি বুঝতে হবে এবং দেশের নিয়ম মেনে চলতে হবে।

    তবে প্রস্তাবটি এখনও আইন নয়। সরকারের অনুমোদন মেলার পর ৬০ দিনের মধ্যে সংসদের অনুমোদন পেতে হবে, তবেই তা আইনে পরিণত হবে।

    শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যায়ও সীমা

    মেলোনির প্রস্তাবের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে ইতালীয় নাগরিকত্ব নেই—এমন শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ধারণ করা। তবে সেই সীমা কত হবে, তা এখনও জানাননি প্রধানমন্ত্রী।

    এ ছাড়া, যে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইতালীয় স্কুলব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সমস্যা হচ্ছে, তাঁদের অভিভাবকদের জন্য ইতালীয় ভাষা শেখার ক্লাস বাধ্যতামূলক করার কথাও বলেছেন মেলোনি।

    মেলোনির বক্তব্য, কোনও শ্রেণিতে মাত্র একজন শিক্ষার্থী যদি ইতালীয় ভাষা না বোঝে, তাহলে শিক্ষক ও সহপাঠীরা তাকে ভাষা শেখা এবং স্কুলের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করতে পারেন। কিন্তু ভাষা না জানা শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেলে, এমনকি সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে গেলে, তাদের একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া আরও কঠিন হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও বলেন, ইতালীয় শিশুদের নিজেদের শ্রেণিকক্ষেই যেন সংখ্যালঘু মনে না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা দরকার।

    অভিবাসন নিয়ে বিতর্ক

    ভূমধ্যসাগরের মধ্যবর্তী অবস্থানের কারণে ইতালি ইউরোপে অভিবাসী আগমনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই দেশটির রাজনীতি ও সমাজে অভিবাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলি থেকে আসা অভিবাসীদের একীভূতকরণ নিয়ে ইতালিতে বিতর্ক রয়েছে। ধর্মীয় প্রতীক, সাংস্কৃতিক একীকরণ, নাগরিকত্বের নিয়ম এবং অভিবাসন নীতি—এই বিষয়গুলি বিভিন্ন সময়ে মতভেদের কারণ হয়েছে (Giorgia Meloni)।

    ইতালির অভিবাসন ও শিক্ষা নিয়ে গবেষণা করা প্রতিষ্ঠান ফোন্দাজিওনে ইসমুর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ইতালির স্কুলগুলিতে ইতালীয় নাগরিকত্ব নেই—এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা আনুমানিক ৯ লক্ষ ৩০ হাজার। মোট স্কুলশিক্ষার্থীর মধ্যে তাদের অংশ ১১.৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ১২ জনের ইতালীয় নাগরিকত্ব নেই।

    এখনও চূড়ান্ত নয় প্রস্তাব

    মেলোনির সরকার এখনও শ্রেণিকক্ষে ইতালীয় নাগরিকত্ব নেই এমন শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ সংখ্যা বা অনুপাত নির্দিষ্ট করেনি। মুখ ঢাকা পোশাক (Burqa Niqab Ban) নিষিদ্ধ করা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করার প্রস্তাব—দু’টিই প্রথমে সরকারের অনুমোদন এবং পরে সংসদের অনুমোদনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবে। ফলে প্রস্তাবগুলি ঠিক কীভাবে কার্যকর হবে, তা আইন প্রণয়নের পরেই স্পষ্ট হবে (Giorgia Meloni)।

     

  • Pakistan: পাক-যোগ জাল নোট চক্রের পর্দাফাঁস, উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে ৮০ কোটি টাকার লেনদেনের পরিকল্পনা!

    Pakistan: পাক-যোগ জাল নোট চক্রের পর্দাফাঁস, উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে ৮০ কোটি টাকার লেনদেনের পরিকল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপাল, বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও অসমকে ঘিরে জাল ভারতীয় নোটের একটি সন্দেহভাজন চক্র (Pakistan) সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি করেছে সংবাদ মাধ্যমের একটি তদন্ত প্রতিবেদন। তদন্তে উঠে এসেছে, নেপালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ার পর সন্দেহভাজন চক্রটির একটি অংশ গুয়াহাটিতে চলে আসে। তদন্তকারী দলের দাবি, গুয়াহাটি থেকে উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জাল নোট সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হয় (UP Polls)।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের পারসা জেলার ইনরওয়া থেকে তদন্তের সূত্রপাত হয়। সেখানে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের মধ্যে জাল নোটের লেনদেনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মায়া পৌডেল নামে এক মহিলার কথা উঠে আসে। তদন্তে দাবি করা হয়েছে, নেপালে নজরদারি ও ধরপাকড় বাড়ার পর জাল নোটের সন্দেহভাজন কারবারের একটি অংশ গুয়াহাটিতে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    এরপর তদন্তকারীরা রাতুল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে। রাতুল নিজেকে গুয়াহাটি থেকে জাল নোটের একটি চক্র পরিচালনাকারী হিসেবে দাবি করেন। তদন্তকারী প্রতিবেদক সম্ভাব্য ক্রেতার পরিচয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রায় ৮০ কোটি টাকার জাল নোট সরবরাহ নিয়ে কথাবার্তা হয়।

    ১ কোটি টাকায় ৩ কোটি টাকার জাল নোট! (Pakistan)

    তদন্তে প্রকাশিত কথোপকথন অনুযায়ী, রাতুল দাবি করেন, ১ কোটি টাকার বিনিময়ে ৩ কোটি টাকার জাল নোট দেওয়া সম্ভব। তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাতুলের দাবি ছিল, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে জাল নোট পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে। বিভিন্ন জেলায় সমন্বয়কারী রাখা হবে এবং তাঁদের কাছে চালান পৌঁছে দেওয়ার পর ক্রেতার লোকজন তা আরও বিতরণ করবে।

    রাতুল আরও দাবি করেন, আগের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনেও তাঁর চক্র জাল নোট সরবরাহ করেছিল এবং প্রায় ৬৫ কোটি টাকার জাল নোট বাজারে ছড়ানো হয়েছিল। তবে তদন্তে প্রকাশিত উপাদান দিয়ে এই দাবির স্বাধীন সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

    চিন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের যোগসূত্রের দাবি

    তদন্তকারী প্রতিবেদকের সঙ্গে কথোপকথনে রাতুল দাবি করেন, জাল নোটের উৎস চিন ও পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ হয়ে তা ভারতে ঢোকে। তাঁর দাবি, গুয়াহাটিতে একটি ‘জাল নোটের ভাণ্ডার’ রয়েছে, যেখান থেকে উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নোট পাঠানো হয়।

    তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, দিল্লি, রাজস্থান ও হরিয়ানায়ও এই সন্দেহভাজন চক্রের যোগাযোগ রয়েছে।

    তবে চিন, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে জাল নোট আসার দাবি শুধুমাত্র ওই ব্যক্তির বক্তব্যের ভিত্তিতে উঠে এসেছে। এই বক্তব্য থেকেই জাল নোটের প্রকৃত উৎস বা পরিবহণের পথ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয় না (Pakistan)।

    গুয়াহাটিতে তদন্তকারী প্রতিবেদক

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরে সম্ভাব্য ক্রেতার পরিচয়ে তদন্তকারী প্রতিবেদক গুয়াহাটিতে যান। রাতুল তাঁকে রাজীব নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। রাজীব লখরা উড়ালপুলের কাছে প্রতিবেদকের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে একটি কথিত মজুতকেন্দ্রের দিকে নিয়ে যান।

    রাজীবের দাবি ছিল, বাংলাদেশ থেকে আসা একটি বড় চালান থেকে প্রতিবেদকের জন্য অপেক্ষাকৃত ছোট একটি চালান তৈরি করা হচ্ছে। এরপর প্রতিবেদককে একটি পাহাড়ি এলাকার কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি পুরনো দোতলা ভবনের বাইরে থামানো হয়।

    রাজীব দাবি করেন, ভবনের ভিতরে বাইরের লোকজন রয়েছে, তাই প্রতিবেদককে ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। পরিবর্তে তিনি জাল নোট প্যাকেটজাত করার দৃশ্য রয়েছে বলে দাবি করা একটি ভিডিও দেখান (UP Polls)।

    ভিডিওতে নোটের বান্ডিল দেখানোর দাবি

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই ভিডিওতে কয়েকজনকে প্লাস্টিকের মোড়কে নোটের বান্ডিল ভরতে দেখা যায়। সেখানে ৫০০ টাকার নোটের মতো দেখতে বান্ডিলও ছিল।

    তদন্তকারী দলের দাবি, একটি বাক্সে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের জাল নোট রয়েছে বলে মনে হয়েছিল। তবে ভিডিওতে দেখা সামগ্রীর সত্যতা এবং প্রকৃত মূল্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

    রাজীবের দাবি ছিল, ওই নোট বিহারে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল এবং নির্বাচন না থাকলেও সেখানে জাল নোটের চাহিদা রয়েছে (Pakistan)।

    দুই ধরনের জাল নোট দেখানোর দাবি

    তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিবেদককে দু’ধরনের সন্দেহভাজন জাল নোট দেখানো হয়। একটি ছিল কালো আবরণে ঢাকা এবং অন্যটি আসল নোটের মতো দেখতে।

    রাজীবের দাবি, কালো আবরণে ঢাকা নোট চিন ও পাকিস্তান থেকে আসে এবং নোট পরীক্ষার যন্ত্রের পরীক্ষায়ও বিষয়টি ধরা পড়েনি। তাঁর আরও দাবি, নতুন ধরনের নোটে উন্নত মানের কাগজ ও ছাপার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এবং সেগুলি আগের চালানের তুলনায় দীর্ঘদিন ব্যবহারযোগ্য থাকে।

    ৮০ কোটি টাকার তথাকথিত নির্বাচনী চুক্তি

    তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরে প্রতিবেদক রাতুলের সঙ্গে ৮০ কোটি টাকার একটি তথাকথিত চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন। রাতুল দাবি করেন, আগে তাঁদের কার্যকলাপ নেপালকেন্দ্রিক ছিল। সেখানে কড়াকড়ি বাড়ার পর জাল নোটের ভাণ্ডার গুয়াহাটিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    গুয়াহাটির অবস্থান বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যান্য অংশের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা দেয় বলেও রাতুল দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, এই অবস্থান থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে চালান পাঠানো সহজ।

    তদন্তে আরও বলা হয়েছে, গুয়াহাটি থেকে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে জাল নোট কীভাবে পৌঁছতে পারে (UP Polls), কারা সেগুলি গ্রহণ করে এবং কোন পথ ব্যবহার করা (Pakistan) হয়—এখন সেগুলিই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

     

  • UNSC Seat: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদে ভারতের দাবিতে সমর্থন ইউরোপের চার দেশের

    UNSC Seat: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদে ভারতের দাবিতে সমর্থন ইউরোপের চার দেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতের (India) দীর্ঘদিনের দাবিতে মিলল নতুন কূটনৈতিক সমর্থন। মধ্য ইউরোপের চার দেশ—হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্র—ভারতের দাবির প্রতি সমর্থন (UNSC Seat) জানিয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে নিউ ইয়র্কে প্রথম ভারত ও ভিশেগ্রাদ গোষ্ঠীর বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এই সমর্থন সামনে আসে।

    ভিশেগ্রাদ গোষ্ঠী (ভি-৪)-র সদস্য চার দেশই ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবির পক্ষে অবস্থান জানিয়েছে। বৈঠকের পর স্লোভাকিয়ার বিদেশমন্ত্রী ইউরাজ ব্লানার বলেন, “আমরা ভি-৪-এর চার দেশই একমত যে, গ্লোবাল সাউথের অংশ এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উদীয়মান শক্তি হিসেবে ভারতের উচিত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে সেই টেবিলে থাকা।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এই বৈঠককে “একটি নতুন ঐতিহাসিক উপলক্ষ” বলে উল্লেখ করেছেন। বৈঠকে শুধু নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কার নয়, ভারত ও ভি-৪ দেশগুলির মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, মহাকাশ, যোগাযোগ এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

    কেন নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ চায় ভারত (India)

    ১৯৪৫ সালে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গঠিত হওয়ার সময় বিশ্বের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা আজকের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। বর্তমানে পরিষদে মোট ১৫টি সদস্য দেশ রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য—আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন। বাকি ১০টি সদস্য দেশ সাধারণ পরিষদে নির্বাচিত হয় এবং তাদের মেয়াদ দু’বছর।

    ভারতের যুক্তি, বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যা, অর্থনীতি, কূটনৈতিক প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় বিভিন্ন দেশের ভূমিকা নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামোয় যথেষ্ট প্রতিফলিত হয় না। ভারত বহুবার নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য হয়েছে; সর্বশেষ ২০২১ ও ২০২২ সালে দুই বছরের মেয়াদে পরিষদে ছিল।

    জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক গুরুত্ব, রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে ভারতের অবদান এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, উন্নয়ন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক শান্তি নিয়ে ভারতের সক্রিয় ভূমিকা—স্থায়ী সদস্যপদের দাবির অন্যতম ভিত্তি।

    একা নয় ভারত, পাশে একাধিক দেশ

    নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার এবং স্থায়ী সদস্যপদে ভারতের দাবির সমর্থন করেছে বিশ্বের একাধিক দেশ। ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের দাবিকে সমর্থন করে আসছে। ব্রিটেনও সম্প্রসারিত নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে। আমেরিকা নীতিগতভাবে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদকে সমর্থন করেছে বলে বিভিন্ন সরকারি ও কূটনৈতিক বক্তব্যে উঠে এসেছে। রাশিয়াও ভারতের দাবিকে সমর্থন করেছে।

    ভারত ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপানের সঙ্গে জি-৪ গোষ্ঠীর সদস্য। এই চার দেশ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে পরস্পরের প্রার্থিতাকে সমর্থন করে এবং সংস্কার নিয়ে আলোচনায় নিজেদের অবস্থানের মধ্যে সমন্বয় রাখে (UNSC Seat)।

    জি-৪-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসংখ্যা বর্তমান ১৫ থেকে বাড়িয়ে ২৫ অথবা ২৬ করা যেতে পারে। এর মধ্যে ছ’টি নতুন স্থায়ী সদস্যপদ এবং চার অথবা পাঁচটি নতুন অস্থায়ী সদস্যপদ তৈরির প্রস্তাব রয়েছে। জি-৪-এর নথিতে নতুন স্থায়ী সদস্যদের ক্ষেত্রে আফ্রিকা, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং পশ্চিম ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চলের প্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছে (India)।

    স্থায়ী পাঁচ সদস্যকে ঘিরেই বড় জটিলতা

    নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে সংস্কারের কাঠামো নিয়ে মতপার্থক্য। কতগুলি দেশকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, কোন কোন অঞ্চল নতুন সদস্যপদ পাবে এবং নতুন স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা দেওয়া হবে কি না—এই প্রশ্নগুলিতে এখনও ঐকমত্য নেই।

    বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের হাতে ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অন্তত ন’টি সদস্যের সমর্থনের পাশাপাশি পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কেউ ভেটো প্রয়োগ না করলে তবেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে।

    ভারতের দাবির ক্ষেত্রে চিনের অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বেজিং ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে স্পষ্টভাবে সমর্থন করেনি। নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে বৃহত্তর ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তার কথা চিন বলে আসছে।

    ফলে কোনও দেশ ভারতের স্থায়ী সদস্যপদকে সমর্থন করলেই নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রতিটি বিষয়, বিশেষ করে ভেটো ক্ষমতা নিয়ে তার সঙ্গে ভারতের মত এক হবে—এমন নয়।

    ভেটো ক্ষমতা নিয়েও ভারতের অবস্থান

    নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের আলোচনায় ভেটো ক্ষমতা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বর্তমানে পাঁচ স্থায়ী সদস্য এই ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে (India)। নির্বাচিত অস্থায়ী সদস্যদের এই ক্ষমতা নেই।

    ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, নতুন স্থায়ী সদস্য তৈরি হলে তাদের অধিকার ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে পুরনো স্থায়ী সদস্যদের থেকে আলাদা শ্রেণি তৈরি করা উচিত নয়। জি-৪-এর সাম্প্রতিক প্রস্তাবেও নতুন স্থায়ী সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বর্তমান স্থায়ী সদস্যদের সমতুল্য করার কথা বলা হয়েছে। তবে ভেটো ক্ষমতা নিয়ে সংস্কারের পরবর্তী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে (UNSC Seat)।

    ভারত-ভি-৪ সম্পর্কে নতুন অধ্যায়

    নিরাপত্তা পরিষদ নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ভারত ও ভি-৪ দেশগুলি নিজেদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও প্রাতিষ্ঠানিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতি বছর বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক এবং একটি বার্ষিক বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।

    জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক যেমন গভীর হচ্ছে, তেমনই ভি-৪ দেশগুলির সঙ্গেও আমরা কিছু বিশেষ উদ্যোগ নেব। একটি বার্ষিক বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে এবং বিদেশমন্ত্রীরা প্রতি বছর বৈঠকে বসবেন। এই বিষয়ে আমাদের ঐকমত্য হয়েছে।”

    প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, যোগাযোগ এবং শিক্ষা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেনের সংঘাত এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতির মতো আন্তর্জাতিক সংকট নিয়েও মতবিনিময় করেন মন্ত্রীরা (UNSC Seat)।

    কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই সমর্থন?

    ভিশেগ্রাদ গোষ্ঠীর চার দেশের সমর্থন ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে নতুন কূটনৈতিক সমর্থন দিলেও এর ফলে নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে না। রাষ্ট্রসংঘের সনদ সংশোধনের জন্য সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদনের পাশাপাশি সব স্থায়ী সদস্যের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় অনুমোদন প্রয়োজন।

    তবে ভারতের জন্য এই সমর্থনের গুরুত্ব রয়েছে। ইউরোপের মধ্যাঞ্চলের চারটি দেশ একই সঙ্গে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে (UNSC Seat) ভারতের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় আরও একটি সম্মিলিত সমর্থন যুক্ত হল (India)।

     

  • Rajya Sabha Election: পুজোর আগে আরও একটা নির্বাচন! কোয়েল মল্লিকের ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভা আসনে ভোট ১৬ অক্টোবর

    Rajya Sabha Election: পুজোর আগে আরও একটা নির্বাচন! কোয়েল মল্লিকের ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভা আসনে ভোট ১৬ অক্টোবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভা আসনে উপনির্বাচনের (Rajya Sabha Election) দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৬ অক্টোবর ওই আসনে ভোটগ্রহণ হবে। অর্থাৎ কয়েক মাস আগে খালি হওয়া আসনে নতুন সাংসদ বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। উপনির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই নজর থাকবে কোন দল কাকে প্রার্থী করে, সেদিকে। বাংলার এই আসনের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের ১০টি এবং উত্তরাখণ্ডের একটি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। সেখানকার বর্তমান সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৬ সালের নভেম্বরে।

    কোন কোন আসনে ভোটগ্রহণ

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞপ্তি জারি হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ অক্টোবর। ৭ অক্টোবর হবে মনোনয়নপত্র যাচাই। প্রার্থী পদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ হবে ১৬ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। ওই দিনই বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে ভোটগণনা। ১৯ অক্টোবরের মধ্যে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার কথা কমিশনের। উত্তরপ্রদেশের ১০ জন রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৫ নভেম্বর। এই ১০টি আসনের মধ্যে বর্তমানে বিজেপির দখলে রয়েছে আটটি। সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টির হাতে রয়েছে একটি করে আসন। মেয়াদ শেষ হতে চলা সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির ব্রিজ লাল, সীমা দ্বিবেদী, নীরজ শেখর, গীতা শাক্য, হরদীপ সিং পুরী, অরুণ সিং, বিএল বর্মা এবং দীনেশ শর্মা। সমাজবাদী পার্টির রামগোপাল যাদব এবং বহুজন সমাজ পার্টির রামজি গৌতমের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। উত্তরাখণ্ড থেকে একটি রাজ্যসভা আসনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ওই আসনের বর্তমান সাংসদ বিজেপির নরেশ বনসল। তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আসনটিতে নতুন করে নির্বাচন হবে।

    কোয়েলের আসনে কে

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল তৃণমূল। সেই তালিকায় বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এবং রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের সঙ্গে নাম ছিল অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের। এর আগে প্রকাশ্যে রাজনীতির আশপাশে দেখা যায়নি কোয়েলকে। শপথের পর কোয়েল জানিয়েছিলেন, দেশের ও মানুষের সেবা করার সুযোগ হিসেবে তিনি দায়িত্বটিকে দেখছেন। তবে সাংসদ হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার সুযোগ হয়নি তাঁর। ৪ মে রাজ্যে পালাবদল হয়। তারপরই কোয়েলের ইস্তফা সম্পর্কে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। যা সত্যি হয় জুলাইয়ের শেষ দিকে। ছাব্বিশের ভোটে বিধানসভার বিন্যাস বদলেছে। সেই অঙ্কের হিসেব অনুযায়ী, কোয়েলের ছাড়া আসন এবার বিজেপিরই হতে চলেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, এবার বিজেপির হয়ে ফের রাজ্যসভায় যেতে পারেন কোয়েল মল্লিকই।

     

  • Google on Child Abuse: অনলাইনে শিশুদের যৌন হেনস্থা! এবার সরাসরি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট দেবে গুগল

    Google on Child Abuse: অনলাইনে শিশুদের যৌন হেনস্থা! এবার সরাসরি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট দেবে গুগল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে শিশুদের যৌন নিগ্রহের ‘কনটেন্ট’-এর বিরুদ্ধে কড়াকড়ি শুরু করেছে কেন্দ্র। এবার শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত বেআইনি অনলাইন সামগ্রী (CSAM) শনাক্ত হলে তা রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে চলেছে গুগলও (Google)। এতদিন এই ধরনের রিপোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিশিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়টেশন অফ চিল্ড্রেন (NCMEC)-এর সাইবার টিপলাইন (CyberTipline)-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কাছে পৌঁছত। তবে কেন্দ্রে মোদি সরকারের সক্রিয়তায় এখন থেকে ভারত-সম্পর্কিত ঘটনাগুলির তথ্য সরাসরি ভারতীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে গুগল। এ বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে কাজ করছে তারা (Google)। এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছে তথ্য পৌঁছনোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কোনও শিশুর তাৎক্ষণিক বিপদের আশঙ্কা থাকলে দ্রুত তথ্য পাওয়ার বিষয়টি তদন্ত ও উদ্ধার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

    মার্কিন সংস্থার মাধ্যমে রিপোর্ট 

    মার্কিন সংস্থার (NCMEC) সাইবার টিপলাইন ১৯৯৮ সাল থেকে অনলাইনে শিশুদের যৌন শোষণ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ করে আসছে। প্রযুক্তি সংস্থাগুলি তাদের প্ল্যাটফর্মে সন্দেহজনক শিশু-শোষণ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড শনাক্ত করলে সেই তথ্য সাইবার টিপলাইন-এ রিপোর্ট করতে পারে। এরপর মার্কিন সংস্থা এনসিএমইসি (NCMEC) প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠায়। ২০২৫ সালে সাইবার টিপলাইন-এ মোট ২ কোটি ১৩ লক্ষ রিপোর্ট জমা পড়ে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ রিপোর্ট শিশুদের যৌন নির্যাতন-সংক্রান্ত। প্রায় ১৪ লক্ষ রিপোর্ট শিশুদের অনলাইনে প্রলুব্ধ বা যৌন উদ্দেশ্যে যোগাযোগ করার ঘটনা (online enticement) নিয়ে ছিল। ৭৭ শতাংশেরও বেশি এমন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল যার উৎস যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে। সংস্থাটি বিশ্বের ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে কাজ করে।

    কেন ভারত সরাসরি রিপোর্ট চাইছে

    ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে শিশুদের বিরুদ্ধে অনলাইন অপরাধের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত রিপোর্ট করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। সরকারের উদ্বেগের অন্যতম বিষয় হল—বিদেশি কোনও সংস্থার মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত একটি ধাপ থাকলে জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় তদন্তকারীদের কাছে তথ্য পৌঁছতে সময় লাগতে পারে। গুগল (Google)-এর নতুন ব্যবস্থার লক্ষ্য হল ভারত-সম্পর্কিত শিশুদের যৌন শোষণ সংক্রান্ত তথ্যকে আরও সরাসরি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এই ব্যবস্থার সঙ্গে ভারতের সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনশন সেন্টার (Indian Cyber Crime Coordination Centre)-এর সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। ভারতের সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনশন সেন্টার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে এই ধরনের অপরাধ মোকাবিলার জন্য কেন্দ্রীয় সমন্বয় কাঠামো হিসেবে কাজ করে। গুগল জানিয়েছে, শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত সামগ্রী শনাক্ত করা, প্রতিরোধ করা, সরিয়ে দেওয়া এবং রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে তারা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা অব্যাহত রাখছে।

    মেটা-র পর গুগল-এর পদক্ষেপ

    গুগল-এর এই সিদ্ধান্তের আগে মেটা-ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি তথ্য ভাগ করে নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছিল। ফলে শিশুদের অনলাইন সুরক্ষা নিয়ে ভারতের প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে সরকারের আলোচনায় সরাসরি রিপোর্টিং ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এর ফলে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব-এর মতো বৃহৎ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শিশুদের যৌন শোষণ সংক্রান্ত সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত হলে ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছে দ্রুত তথ্য পৌঁছানোর একটি নতুন কাঠামো তৈরি হতে পারে।

    পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাবে মেটা

    ইনস্টাগ্রামে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিশুদের যৌন হেনস্থা সংক্রান্ত ‘কনটেন্ট’ প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত জুলাই মাসে মেটা কর্তৃপক্ষকে নোটিস পাঠায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। ওই ধরনের বিজ্ঞাপনগুলি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। শিশুদের যৌন হেনস্থা সংক্রান্ত ‘কনটেন্ট’ পুলিশকে জানানোর বিষয়ে রাজি হল মেটা। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সূত্র উদ্ধৃত করে পিটিআই জানাচ্ছে, যে সব সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম শিশুদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে সক্রিয় পদক্ষেপ করবে না, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তার সঙ্গে যে কোনও আপস করা হবে না, তা-ও স্পষ্ট করেছে মন্ত্রকের ওই সূত্র। এ বিষয়ে মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা এখন থেকে ‘ইন্ডিয়ান সাইবারক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার’ (আইফোরসি) পরিচালিত সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত পোর্টালে অভিযোগ জানাবেন। বস্তুত, এই পোর্টালটি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পাশাপাশি রাজ্যের পুলিশ এবং তদন্তকারী সংস্থাও ব্যবহার করে। মেটার এক মুখপাত্র বলেন, “সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    অনলাইন শিশু-নির্যাতনের ভয়াবহ পরিসর

    মার্কিন সংস্থা এনসিএমইসি-এর ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান থেকে অনলাইনে শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের ব্যাপকতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ওই বছরে সাইবারটিপলাইন-এ পাওয়া রিপোর্টে মোট ৬ কোটি ১৮ লক্ষ ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য ফাইল ছিল। এর মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৯৪ লক্ষ ছবি এবং ২ কোটি ৬৩ লক্ষ ভিডিও ছিল। এছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে শিশুদের যৌন শোষণ সংক্রান্ত সামগ্রী তৈরি বা বিকৃত করার ঘটনাও উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালে ১ লক্ষ ৮২ হাজারের বেশি রিপোর্টে জেনারেটিভ এআই-এর সঙ্গে শিশুদের যৌন নির্যাতনের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছিল।

    ভারতীয় আইনে কঠোর শাস্তির বিধান

    ভারতে শিশুদের যৌনভাবে স্পষ্ট বা আপত্তিকর সামগ্রী তৈরি, প্রকাশ, প্রেরণ, প্রচার বা এ ধরনের কাজে শিশুদের ব্যবহার সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৭বি ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনের অধীনে প্রথমবার দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। দ্বিতীয় বা পরবর্তী দোষের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। গুগুল-এর সরাসরি রিপোর্টিং ব্যবস্থা কার্যকর হলে তদন্তকারী সংস্থার কাছে অভিযোগ পৌঁছনোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মধ্যবর্তী রিপোর্টিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমতে পারে। বিশেষ করে কোনও নির্দিষ্ট শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে তাৎক্ষণিক আশঙ্কা থাকলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। তবে সরাসরি রিপোর্টিং ব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা, প্রমাণের নির্ভুলতা, ভুল রিপোর্টের ঝুঁকি এবং তদন্তের সময় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়—এই বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ থাকবে। গুগল-এর এই উদ্যোগ ভারতে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে প্রযুক্তি সংস্থা ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য এখন প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মে কোনও শিশুর ওপর যৌন নির্যাতনের সম্ভাব্য ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর তথ্য থেকে তদন্ত—এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও দ্রুত ও সরাসরি করা।

     

  • ABVP: কেরলের কলেজে এসএফআই শাসনের অবসান, সব প্রধান পদেই জয়ী এবিভিপি

    ABVP: কেরলের কলেজে এসএফআই শাসনের অবসান, সব প্রধান পদেই জয়ী এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের ত্রিপুনিথুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বড়সড় পালাবদল। দীর্ঘদিন ধরে কলেজের ছাত্র সংসদে প্রভাব ধরে রেখেছিল এসএফআই। তাদের সরিয়ে এ বার সংসদের নিয়ন্ত্রণ নিল এবিভিপি (ABVP)। নির্বাচনে ছ’টি প্রধান পদেই জয়ী হয়েছে এবিভিপি। কলেজটি (Kerala Tripunithura College) দীর্ঘদিন ধরেই এসএফআইয়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

    জানা গিয়েছে, চেয়ারপার্সন পদে জয়ী হয়েছেন স্নিগ্ধা এম হরি। ভাইস চেয়ারপার্সন হয়েছেন আদিত্য টি এ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বিগ্নেশ ভট্ট। ম্যাগাজিন সম্পাদক হয়েছেন বিগ্নেশ ডি এবং আর্টস ক্লাব সম্পাদক পদে জয় পেয়েছেন অঞ্জলি টি। বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিয়ন কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়েছেন নিবেদ্যা কে এন। দ্বিতীয় স্নাতক প্রতিনিধি এবং দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর প্রতিনিধি পদে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে শিবানি আর এবং অবনী সি বি।

    চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কলেজটিতে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের প্রভাব ছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বার সেই দীর্ঘ আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে এবিভিপির এই ফলাফল ত্রিপুনিথুরার ছাত্র রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে উঠে এসেছে।

    জয়ী এবিভিপি (ABVP)

    ফল প্রকাশের পর এবিভিপির তরফে এই জয়কে এসএফআইয়ের কথিত “ছাত্রবিরোধী নীতির” বিরুদ্ধে ছাত্রদের রায় হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংগঠনের এক প্রতিনিধির দাবি, ত্রিপুনিথুরার এই ফল কেরলের অন্যান্য কলেজে এবিভিপির সংগঠনগুলিকেও উৎসাহিত করবে।

    এবিভিপির আরও অভিযোগ, আগের এসএফআই-নিয়ন্ত্রিত ছাত্র সংসদগুলি সংস্কৃত ভাষা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি। ছাত্রদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। এসএফআইয়ের কার্যকালে পর্যাপ্ত ছাত্রকল্যাণমূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেছে এবিভিপি।

    পুরসভায়ও পালাবদল

    ত্রিপুনিথুরার বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গেও এই ফলকে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি ত্রিপুনিথুরা পুরসভার নিয়ন্ত্রণ নেয় বিজেপি। ২০২৫ সালের স্থানীয় নির্বাচনে বিজেপি ২১টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হয়; বাম গণতান্ত্রিক জোট পেয়েছিল ২০টি এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ১২টি আসন। পরে পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদও দখল করে (ABVP) বিজেপি।

    তবে পুরসভা নির্বাচন এবং কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন পৃথক বিষয়। তাই কলেজের এই ফলকে বৃহত্তর জনমতের সরাসরি প্রতিফলন বলা বোধহয় ঠিক হবে না। সরকারি সংস্কৃত কলেজটি মহাত্মা গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মেনেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন পরিচালিত হয় (Kerala Tripunithura College)।

    ত্রিপুনিথুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজে দীর্ঘদিনের এসএফআই-প্রভাবের পর এবিভিপির এই জয় কেরলের ক্যাম্পাস রাজনীতিতে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে রাজনৈতিক পরিসর দখলের প্রতিযোগিতাকে নতুন মাত্রা দিল (ABVP) বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

     

  • Weather Update: পুজোর আগে ফের দুর্যোগের শঙ্কা! শক্তিশালী নিম্নচাপ, সকাল থেকেই বৃষ্টি, জেলায় জেলায় দুর্যোগের পূর্বাভাস

    Weather Update: পুজোর আগে ফের দুর্যোগের শঙ্কা! শক্তিশালী নিম্নচাপ, সকাল থেকেই বৃষ্টি, জেলায় জেলায় দুর্যোগের পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরসুম। কেনাকাটা থেকে প্যান্ডেলের প্রস্তুতি- সর্বত্রই এখন শেষ লগ্নের ব্যস্ততা। কিন্তু এরই মধ্যে পুজোর আমেজে জল ঢালতে ফের চোখ রাঙাচ্ছে দুর্যোগ (Durga Puja weather forecast)! বঙ্গোপসাগরে বাসা বেঁধেছে এক নতুন নিম্নচাপ (Bay of Bengal depression), যা দিনে দিনে শক্তি বাড়িয়ে আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে (West Bengal weather update)। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর নাগাদ এটি দক্ষিণ ওড়িশা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে পৌঁছবে।

    পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব

    এই নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় (West Bengal Weather)। মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা (Heavy Rain Alert)। বিশেষ করে উপকূলের জেলাগুলোতে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর- এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট সবথেকে বেশি হতে পারে। বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের একাধিক এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বাজ পড়ার সতর্কতা রয়েছে এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর বৃষ্টির পরিধি আরও বাড়বে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মেদিনীপুর জেলার পাশাপাশি বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন হাওয়ার গতিবেগ বেড়ে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর এই দিনও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

    কলকাতার আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি কলকাতাতেও মেঘলা আকাশ ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শহরে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বাদ যাচ্ছে না উত্তরবঙ্গও। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। একটানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দফতর।

    ফের দুর্ঘটনা মন্দারমনিতে

    নিম্নচাপ, দুর্যোগের পূর্বাভাসের মধ্যেই মন্দারমণিতে বড় দুর্ঘটনা। সোমবার উত্তাল ছিল সমুদ্র। দুপুরের দিকে সপরিবারে স্নান করতে নেমে ঘটে যায় দুর্ঘটনা। মন্দারমণিতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেলেন ৩ জন। উদ্ধার করা হয়েছে ১ নাবালককে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। দীঘা থেকে টোটো করে মন্দারমণিতে বেড়াতে এসে সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যান তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ । মন্দারমণি কোস্টাল থানার অন্তর্গত কালিন্দী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। মন্দারমণি গোয়া বিচ রিসোর্টের সামনেই সপরিবারে স্নানে নামেন নদিয়া জেলার শান্তিপুরের বাসিন্দা সুমন শীল , তাঁর স্ত্রী ও শিশু। তারপর উত্তাল সমুদ্রে তলিয়ে যান তাঁরা। নিখোঁজ হয়ে যান সুমন শীল (২৪) এবং তাঁর স্ত্রী বৃষ্টি শীল (১৮)। তাঁদের সঙ্গে থাকা বছর সাতেকের এক শিশুও জলে তলিয়ে যায়। শিশুটিকে তলিয়ে যেতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সন্ধ্যায় বৃষ্টি শীলের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তাঁর স্বামী সুমন শীল। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।

  • Vande Mataram: কর্নাটক বিধানসভায় দুই স্তবকের পর ‘বন্দে মাতরম’ থামতেই পুরো গান গাইলেন বিজেপি বিধায়করা, উত্তপ্ত বিধান পরিষদও

    Vande Mataram: কর্নাটক বিধানসভায় দুই স্তবকের পর ‘বন্দে মাতরম’ থামতেই পুরো গান গাইলেন বিজেপি বিধায়করা, উত্তপ্ত বিধান পরিষদও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক বিধানসভা ও বিধান পরিষদের অধিবেশন শুরুর সময় সরকারিভাবে ‘বন্দে মাতরমে’র (Vande Mataram) রেকর্ডিং দুই স্তবক গাওয়ার পর থেমে যায়। এরপর বিজেপির বিধায়ক ও পরিষদ সদস্যরা নিজেরাই গানটির বাকি অংশ গেয়ে পুরো গানটি শেষ করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য বিধানসভায় ও বিধান পরিষদে (Karnataka Assembly Council) শাসক কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও বিক্ষোভ হয়।

    রাজ্যের খরা পরিস্থিতি এবং পশ্চিমঘাটের পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল অঞ্চল নিয়ে কস্তুরীরঙ্গন কমিটির রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করতে সোমবার থেকে কর্নাটক বিধানসভার তিন দিনের বিশেষ অধিবেশন শুরু হয়েছে। বিধানসভায় অধিবেশন শুরু হয় ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের মাধ্যমে। কিন্তু সরকারিভাবে বাজানো রেকর্ডিং দুই স্তবকের পর বন্ধ হয়ে যায়।

    ‘বন্দে মাতরম’ গাইলেন বিজেপি বিধায়করা (Vande Mataram)

    এর পর বিধানসভার অধ্যক্ষ জি এস পাটিল সম্প্রতি প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি শোকজ্ঞাপন পাঠ শুরু করেন। সেই সময় বিজেপি বিধায়করা ‘বন্দে মাতরমে’র বাকি স্তবকগুলি গাইতে শুরু করেন এবং পরে স্লোগান দেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়ক আরবি শিরিয়ান্নাভারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেন।

    বিধান পরিষদেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিষদের সভাপতি সলিম আহমেদ নিয়ম অনুযায়ী সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠ শুরু করলেও বিজেপির সদস্যরা ‘বন্দে মাতরমে’র বাকি স্তবকগুলি আবৃত্তি করতে থাকেন। পরে পূর্ণ গান পরিবেশন না করার জন্য তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

    এর জেরে বিধান পরিষদে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিরোধী সদস্যরা সভাকক্ষের মধ্যবর্তী অংশে নেমে বিক্ষোভ দেখান। কংগ্রেস সদস্যরা অভিযোগ করেন, বিজেপি সদস্যরা সভাপতির নির্দেশ মানছেন না এবং ইতিমধ্যেই পাঠ করা সংবিধানের প্রস্তাবনা ফের পড়ে সভার কার্যপ্রণালী ব্যাহত করছেন।

    সভাপতি সলিম আহমেদ জানান, সংবিধানের প্রস্তাবনা ইতিমধ্যেই পাঠ করা হয়েছে। ‘বন্দে মাতরম’ দুই স্তবক পর্যন্ত পরিবেশনের সিদ্ধান্ত সরকারই নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

    কর্নাটক সরকার ৮ সেপ্টেম্বর নির্দেশ দিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী অথবা রাজ্যপাল উপস্থিত না থাকলে রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠান ও সরকারি কর্মসূচিতে ‘বন্দে মাতরমে’র প্রথম দুই স্তবকই গাওয়া হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ২৮ জানুয়ারির নির্দেশিকায় অবশ্য সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরমে’র ছয়টি স্তবক গাওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশিত হলে আগে ‘বন্দে মাতরম’ এবং পরে ‘জন গণ মন’ গাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    বিধান পরিষদে সরকারের তরফে পরিষদ নেতা তথা মন্ত্রী যতীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া বলেন, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যপাল উপস্থিত থাকা অনুষ্ঠানগুলি বাদ দিয়ে সরকারি কর্মসূচিতে শুধু দুই স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই কক্ষেই দুই স্তবক পরিবেশন করা হয়েছে।

    এদিকে বিজেপি সদস্যরা সরকারের বিরুদ্ধে ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অসম্মান দেখানোর অভিযোগ তুলে স্লোগান দিতে থাকেন। পাল্টা কংগ্রেস সদস্যরা বিজেপির বিরুদ্ধে সংবিধানের প্রস্তাবনাকে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন। দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

    কংগ্রেসের পরিষদ সদস্য বিকে হরিপ্রসাদ বলেন, পরিষদে বর্তমানে ‘বন্দে মাতরমে’র দুই স্তবকই গাওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, ২০১১ সালে বিজেপির সদস্য সভাপতি থাকাকালীন চারটি অনুচ্ছেদ যোগ করা হয়েছিল।

    বিতর্কের মধ্যে যতীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া বলেন, বিধানসভায় মানুষের সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলনেতা চলবাদী নারায়ণস্বামী এবং অন্যান্য বিরোধী সদস্যরা তাঁর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। সভাপতির ভূমিকা নিয়ে যতীন্দ্রের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। নারায়ণস্বামী দাবি করেন, সভাপতির উচিত যতীন্দ্রের বক্তব্যের জন্য তাঁকে ভর্ৎসনা করা।

    সভাপতি সলিম আহমেদ জানান, তিনি কার্যবিবরণীর নথি খতিয়ে দেখবেন এবং প্রয়োজন হলে আপত্তিকর বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। তবে তাতেও বিরোধী দলনেতা সন্তুষ্ট হননি। যতীন্দ্র পাল্টা অভিযোগ করেন, তাঁর বক্তব্যকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    এর পর উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বলেন, বিরোধীরা খরা ও কস্তুরীরঙ্গন রিপোর্টের মতো জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়, বরং শুধু রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরব হচ্ছে। তাঁর এই বক্তব্যে বিজেপি সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং সভায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

    পরমেশ্বর কস্তুরীরঙ্গন রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা শুরু করতেই বিজেপি সদস্যরা দুই স্তবকে ‘বন্দে মাতরম’ সীমাবদ্ধ করার প্রতিবাদে সভার মধ্যবর্তী অংশে নেমে বিক্ষোভ দেখান এবং সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।পরমেশ্বর বক্তব্য শেষ করার পর সভাপতি কিছু সময়ের জন্য সভা মুলতুবি করেন।

    পরে সভা ফের শুরু হলে সভাপতি জানান, ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) নিয়ে তিনি শাসক ও বিরোধী—দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং উভয় পক্ষই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী। সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে কীভাবে পরবর্তী আলোচনা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত (Karnataka Assembly Council) নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। সভাপতির এই প্রস্তাব মেনে নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন বিজেপি সদস্যরা।

     

  • Asian Games: এশিয়ান গেমসে দ্বিতীয় দিনেও ভারতের দাপট, শুটিংয়ে জোড়া পদক-সহ ঝুলিতে একাধিক সাফল্য

    Asian Games: এশিয়ান গেমসে দ্বিতীয় দিনেও ভারতের দাপট, শুটিংয়ে জোড়া পদক-সহ ঝুলিতে একাধিক সাফল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানে চলতি ২০২৬ এশিয়ান গেমসে (Asian Games) দ্বিতীয় দিনেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখাল ভারত। শুটিংয়ে এল তিনটি পদক। মিক্সড মার্শাল আর্টস থেকেও মিলল আরও একটি ব্রোঞ্জ। মহিলা হকি, কবাডি, টেবিল টেনিস-সহ একাধিক খেলায়ও জয় পেল ভারতীয় দল (India)।

    দিনের সবচেয়ে বড় সাফল্য এল পুরুষদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে। ব্যক্তিগত ফাইনালে জোড়া পদক জিতল ভারত। হিমাংশু ধিলোঁ রুপোর পদক দখল করেন, আর রুদ্রাংশ পাটিল জেতেন ব্রোঞ্জ। এর আগে ধিলোঁ ও পাটিল পার্থ মানের সঙ্গে মিলে পুরুষদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল দলগত বিভাগেও রুপোর পদক জিতেছিলেন।

    মার্শাল আর্টস বিভাগেও মেডেল (Asian Games)

    মহিলাদের ঐতিহ্যবাহী ৬০ কেজি মিক্সড মার্শাল আর্টস বিভাগেও ব্রোঞ্জ এল ভারতের ঘরে। সেমিফাইনালে সিঙ্গাপুরের হুই হুন তেও-র কাছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে হারেন সুচিকা তারিয়াল। ম্যাচের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দল আবেদন জানালেও সেই সিদ্ধান্ত বদলায়নি। ফলে ব্রোঞ্জ পদক নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় সুচিকাকে।

    হকিতে অবশ্য ভারতের জয়ের ধারা অব্যাহত। পুল বি-তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইন্দোনেশিয়াকে ১৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতের মহিলা দল। প্রতিযোগিতায় এটি ভারতের টানা দ্বিতীয় জয়। শুরু থেকেই দুরন্ত পারফরম্যান্স করে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত।

    কবাডিতেও জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল ভারতের পুরুষ দল। গ্রুপ এ-র ম্যাচে জাপানকে ৪৯-২৪ পয়েন্টে হারায় ভারত। ম্যাচের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে নেয় ভারতীয় দল।

    মহিলাদের টেবিল টেনিসেও সাফল্য এসেছে। পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ এফ-এর শীর্ষে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ভারত। ব্যাডমিন্টনে পুরুষদের শেষ ষোলো পর্বে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শুরুতেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত।

    জয় সাঁতারেও

    সাঁতারে পুরুষদের ৫০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন শ্রীহরি নটরাজ। ঋষভ দাস রিজার্ভ হিসেবে শেষ করেন। অন্যদিকে, পুরুষদের ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলের ফাইনালে উঠতে পারেননি আকাশ মণি ও গীতেশ শাহ। ১০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকের ফাইনালেও জায়গা হয়নি ধনুষ সুরেশের (Asian Games)।

    সফট টেনিসের মিক্সড ডাবলসে গ্রুপ বি-র ম্যাচে কম্বোডিয়ার ভিভা চাও ও চানরোসেকা খুনকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়ে শুরু করেছিলেন আধ্যা তিওয়ারি ও জয় মীনা। তবে পরের ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কিম ইয়ন-হোয়া ও জ্যাকিউ পার্কের কাছে ১-৫ ব্যবধানে হারেন তাঁরা। সেপাকটাকরোতেও জয় পেল জাপান। গ্রুপ বি-র ম্যাচে ভারতকে ২-১ ব্যবধানে হারায় আয়োজক দেশ।

    উশুতে মহিলাদের চাংছুয়ান ফাইনালে ১৫তম স্থানে শেষ করেন নিয়েমান ওয়াংসু। সব মিলিয়ে এশিয়ান গেমসের দ্বিতীয় দিনটি (India) একাধিক খেলায় সাফল্যে ভরা ছিল ভারতের। শুটিংয়ে পদক জয়ের পাশাপাশি দলগত খেলাগুলিতেও একের পর এক জয় আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে (Asian Games) ভারতীয় শিবিরে।

     

LinkedIn
Share