Tag: news in bengali

news in bengali

  • Noida Protests: ধৃতদের অনেকে শ্রমিকই নন! নয়ডার অশান্তি শ্রমিক আন্দোলন নয়, ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’?

    Noida Protests: ধৃতদের অনেকে শ্রমিকই নন! নয়ডার অশান্তি শ্রমিক আন্দোলন নয়, ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডার অশান্তি কোনও শ্রমিক আন্দোলন (Noida Protests) নয়। এটি একটি “সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র” (Well Planned Conspiracy)। অন্তত, এমনই মনে করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক তদন্তে উল্লেখযোগ্যভাবে বহিরাগতদের জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া ৬৬ জনের মধ্যে ৪৫ জনই শ্রমিক নন। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৭ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১১ জনকে। এদের মধ্যে আবার ৮ জনই শ্রমিক নন।

    হিংসায় উসকানি (Noida Protests)

    এদিকে, হিংসায় উসকানি দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে ৩২ জনকে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৯ জনকে। এছাড়াও, শ্রমিক নন, এমন ৩৪ জনকেও আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, অশান্তি সৃষ্টি করতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল তারা। তদন্তকারীরা আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে, সম্ভাবনা রয়েছে সংগঠিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে এদের যোগাযোগ থাকারও। তদন্তকারীরা কিছু গোষ্ঠী এবং বহিরাগত লোকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হিংসায় ইন্ধন জোগানো হয়েছে, চেষ্টা করা হয়েছে আতঙ্ক ছড়ানোরও। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হিংসা — যার মধ্যে অগ্নিসংযোগ এবং পাথর ছোড়াও রয়েছে, শুধুমাত্র শ্রমিক  অসন্তোষের কারণে নয়, বরং নয়ডার অর্থনৈতিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ (Well Planned Conspiracy)। পরিস্থিতি সাময়িকভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে পুলিশ-প্রশাসনের যৌথ হস্তক্ষেপে।

    কারখানাগুলিতে দ্রুত শুরু উৎপাদন

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে আধিকারিকরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, উদ্যোগী হন শ্রমিকদের সমস্যার সমাধানেও (Noida Protests)। এদিকে, মজুরি সংশোধনের ঘোষণা হওয়ার পর শ্রমিক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান উভয় পক্ষই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই কারখানাগুলিতে দ্রুত শুরু হয়েছে স্বাভাবিক কার্যকলাপ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিল্পক্ষেত্রে কাজকর্ম পুরোদমে ফের শুরু হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই চলছে উৎপাদনও (Noida Protests)। জানা গিয়েছে, সরকার “জিরো টলারেন্স” নীতির অধীনে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এও জানিয়ে দিয়েছে, হিংসায় উসকানি দেওয়া বা শিল্প পরিবেশ অস্থিতিশীল করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Well Planned Conspiracy)।

     

  • Amir Hamza Shot: লাহোরে ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ আততায়ীর গুলিতে ঝাঁঝরা লস্করের সহ প্রতিষ্ঠাতা হামজা

    Amir Hamza Shot: লাহোরে ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ আততায়ীর গুলিতে ঝাঁঝরা লস্করের সহ প্রতিষ্ঠাতা হামজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে গুলিবিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা (Amir Hamza Shot in Lahore)। অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। লাহোরে একটি খবরের চ্যানেলের দফতরের বাইরে গুলিবিদ্ধ হয় হামজা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আততায়ীদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি। লাহোরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে হামজাকে। হাফিজ সইদের সঙ্গে মিলে লস্কর-ই-তৈবার প্রতিষ্ঠা করে হামজা। একাধিক নাশকতায় নাম জড়িয়েছে তার। ভারতে জঙ্গি হামলাতেও তার সংযোগ পাওয়া যায়।

    কে এই আমির হামজা?

    ভারতের কাছে আমির হামজা (Amir Hamza)এক পরিচিত নাম। ১৯৮৭ সালে হাফিজ সইদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সে লস্কর-ই-তৈবা তৈরি করেছিল। ভারতের উপর একাধিক হামলার নেপথ্যেও এই হামজা। এই কুখ্যাত জঙ্গির রয়েছে আফগান যোগও। আশির দশকে আফগান মুজাহিদিনদের দলে লড়াই করেছিল হামজা। ১৯৭৯ সালে আফগান যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যকলাপে হাতেখড়ি হয় তার। পরে পাকিস্তানে ফিরে এসে সন্ত্রাসবাদে মগজ ধোলাইয়ের কাজ শুরু করে। সে লস্করের প্রকাশনা ‘মাজাল্লা আল-দাওয়া’-র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিল। ২০০২ সালে চরমপন্থী ভাবধারা ছড়িয়ে দিতে ‘কাফিলা দাওয়াত অর শাহাদাত’ নামে একটি বইও লিখেছিল সে। আমেরিকার ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় হামজার নাম রয়েছে। লস্করের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থেকে তহবিল সংগ্রহ এবং নতুন জঙ্গি নিয়োগের ক্ষেত্রে সে ছিল মাস্টারমাইন্ড। ২০১২ সালে আমেরিকা হামজাকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করে এবং তাকে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

    নতুন জঙ্গি গোষ্ঠী ও কাশ্মীর যোগ

    ২০১৮ সালে যখন পাকিস্তানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ে, তখন লোকদেখানো হিসেবে লস্কর ও তার শাখা সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়। সেই সময় লস্কর থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে আমির হামজা ‘জইশ-ই-মনকাফা’ (Jaish-e-Manqafa) নামে একটি নতুন দল গড়ে তোলে। অভিযোগ, এই দলের মাধ্যমে সে কাশ্মীর উপত্যকায় নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল। ভারতীয় গোয়েন্দাদের দাবি, লস্করের মূল নেতৃত্বের সঙ্গে হামজার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং সে অবাধে পাকিস্তানে ঘুরে বেড়াত।

    পাকিস্তানে সক্রিয় অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা

    পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালার বাসিন্দা হামজা ২০০০ সালের আশপাশে ভারতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। ২০০৫ সালে বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সে যে হামলা হয়, তাতে তার হাত ছিল। এর আগে, ২০২৫ সালেও হামজার উপর হামলা হয়। সেবার বাড়িতেই তার উপর হামলা হয় বলে জানা যায়। লস্করের আবু সইফুল্লার মৃত্যুর পর পরই ওই ঘটনা ঘটে। সইফুল্লাকেও গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা। এমন পরিস্থিতিতে আবার ‘আননোন গানম্যানের’ প্রসঙ্গ উঠে আসছে। প্রশ্ন পাকিস্তানে আর সেটা হলে আবার খারাপ অবস্থা হবে পাকিস্তানের জঙ্গিদের। আবার কি পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে অ্যাক্টিভ হল ‘আননোন গানম্যান’? আর সেটা যদি সত্যি হয়, তাহলে কিন্তু ইসলামাবাদের কপালে আরও দুঃখ আছে। এর আগেও এই ‘আননোন গানম্যান’ অনেক জঙ্গিকে নিকেশ করেছে। এখন আবার সেই ট্রেন্ড চালু হতে পারে।

    কীভাবে হামজার উপর হামলা

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, লাহোরে একটি নিউজ চ্যানেলের অফিসের বাইরে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা হামজাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। আমির হামজার ওপর এই হামলা পাকিস্তানের মাটিতে লস্কর নেতৃত্বের জন্য বড়সড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের মাটিতে একের পর এক ভারত-বিরোধী জঙ্গি নেতার রহস্যজনক মৃত্যু বা হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামজার ওপর এই হামলা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ কিনা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বর্তমানে হাসপাতাল চত্বর ঘিরে রেখেছে পাক সুরক্ষা বাহিনী। হামলার দায় এখনও পর্যন্ত কোনও গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হামলার শিকার হয়েছে হামজা। গত বছর মে মাসে লাহোরে তার বাসভবনের বাইরে অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা কুখ্যাত জঙ্গিকে গুলি করে। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ ওই জঙ্গির নিরাপত্তা জোরদার করে বলে জানা যায়।

    ভয় পাচ্ছে পাকিস্তান! কারা চালাল গুলি? 

    পাকিস্তানে গত দুবছরে অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হাতে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত বারো জন জেহাদি। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এরা প্রত্যেকেই ছিল ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড লিস্টে। এই ঘটনায় প্রশ্ন তুলে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে। সেখানে বলা হয়, মোসাদের ধাঁচে ২০১৯ সাল থেকে মোট ২০ জঙ্গিকে নিকেশ করেছে ‘র’। তবে এই অভিযোগ একেবারে উড়িয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তবে সাম্প্রতিক কালে বিগত কয়েক মাসে পাকিস্তানে একের পর এক লস্কর, জইশ বা খলিস্তানি জঙ্গিদের ওপর একই কায়দায় হামলা হয়েছে। প্রতিবারই নাম জড়িয়েছে সেই রহস্যময় ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ ঘাতকদের। হামজার ওপর এই হামলা কি সেই ধারাবাহিতাকারই অঙ্গ? নাকি কোনও অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য।

  • Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলিমিটেশন, জনগণনা এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন (Religion Based Reservation)। তর্ক-বিতর্কের জেরে এদিন কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কারণ লোকসভায় বিরোধী দল ডিলিমিটেশন বিলের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বিলটিকে ‘সংবিধানবিরোধী’ আখ্যা দেয়, যদিও (Amit Shah) তারা মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করে।

    তিন বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাজবাদী পার্টির (Religion Based Reservation) 

    এদিন, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব জানান, তাঁর দল এই তিনটি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। কারণ ডিলিমিটেশনকে জনগণনা থেকে আলাদা করা হচ্ছে। আজমগড় কেন্দ্রের সাংসদ যাদব বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণি এবং মুসলিম মহিলাদেরও মহিলা সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা উচিত।” তাঁকে সমর্থন করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “আমি বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করি।” তাঁর প্রশ্ন, কেন জনগণনা করা হচ্ছে না? এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “২০২৭ সালের জনগণনার কাজ চলছে এবং সরকার জাতিগত গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ‘সংবিধান-বিরোধী’।” শাহ বলেন, “পুরো দেশ সংসদের কার্যাবলী দেখছে। অখিলেশ যাদব জিজ্ঞাসা করেছেন কেন আমরা জনগণনা করছি না। আমি পুরো দেশকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে যে জনগণনা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতিগত জনগণনার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই (Amit Shah) কাজ করছে… আমি নিশ্চিত করতে চাই যে এটি একটি জাতিগত জনগণনা হবে।”

    মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্র যাদব যা বলেছেন, তা সংবিধান-বিরোধী। আমাদের সংবিধান কখনও ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের অনুমতি দেয় না। মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী… সমাজবাদী পার্টি চাইলে তাদের সব টিকিট মুসলিমদের দিতে পারে (Religion Based Reservation)।” এই বিতর্ক চলাকালীনই অখিলেশ যাদব জানান, শাহের মন্তব্য গণতন্ত্র-বিরোধী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অগণতান্ত্রিক। তাহলে কি আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক মুসলিম মহিলা অন্তর্ভুক্ত নন?” এই সময় লোকসভার স্পিকার বলেন, “উভয় সদস্যকেই তাঁদের মতামত প্রকাশের জন্য সময় দেওয়া হবে (Amit Shah)।” সংসদের বিশেষ অধিবেশনে শাহ এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল পেশ করেন। বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করেন। যদিও বিরোধীদের সাফ কথা, তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী নন। তবে তাঁরা সংবিধান সংশোধনী বিলে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিধানের বিরোধী (Religion Based Reservation)।

     

  • TCS Nashik Controversy: “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও”! টিসিএস নাসিক কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ কর্মীর, বন্ধ হল বিপিও ইউনিট

    TCS Nashik Controversy: “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও”! টিসিএস নাসিক কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ কর্মীর, বন্ধ হল বিপিও ইউনিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (Tata Consultancy Services) বা টিসিএস-এর নাসিকের বিপিও ইউনিটে যৌন হেনস্থা এবং জোর করে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে শোরগোল। একাধিক মহিলা কর্মীর অভিযোগের পর এবার এক পুরুষ কর্মীও সামনে এসে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। ওই কর্মী অভিযোগ করেন, তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে জোর করে নামাজ পড়তে বাধ্য করতেন, কালমা পাঠ করাতেন এবং মাথায় ফেজ টুপি পরতে বাধ্য করতেন। তিনি আরও দাবি করেন, এক অভিযুক্ত তাঁকে কুরুচিকরভাবে বলেন— “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও।” অভিনব কায়দায় মহারাষ্ট্রের নাসিকে টিসিএস-এর মধ্যে এই ধর্মান্তর চক্রের হদিশ পায় পুলিশ।

    অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

    ওই কর্মীর অভিযোগ, ২০২২ সালে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর উপর মানসিক ও ধর্মীয় চাপ তৈরি করা হয়। টিম লিডার তৌসিফ আখতার ও সহকর্মী দানিশ শেখ তাঁর উপর অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দিতেন এবং ধর্মীয় আচরণে বাধ্য করতেন বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, এর আগে ২৩ বছর বয়সি এক মহিলা কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া এফআইআরে দানিশ শেখের বিরুদ্ধে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা ও বিয়ের চাপ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ধর্মান্তরের চেষ্টা করার অভিযোগও রয়েছে।

    গোপনে তদন্তে মহিলা পুলিশ

    ঘটনার তদন্তে পুলিশ আন্ডারকভার মহিলা অফিসার মোতায়েন করে। টিসিএসের এই অফিসে ছদ্মবেশে মহিলা কন্সটেবলদের ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। গোপন অপারেশন চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, এটি নিছক হয়রানির ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগসূত্র বেরিয়ে এসেছে। যে কারণে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

    ঘটনার সূত্রপাত

    পুরো ঘটনাটির সূত্রপাত হয় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। একজন রাজনৈতিক কর্মী নাসিক পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে দাবি করা হয়, কোম্পানিতে কর্মরত এক হিন্দু মহিলা রমজান মাসে রোজা রাখছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের সন্দেহ হয়। তারা একটি গোপন অভিযান শুরু করে। এই অভিযানটি ধীরে ধীরে একটি বিস্ফোরক রহস্য উন্মোচন করে। পুলিশ সাফাইকর্মীর ছদ্মবেশে মহিলা কনস্টেবলদের কোম্পানির ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়। এরা ক্যাম্পাসের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করেন, যা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে কিছু টিম লিডার তাদের পদের অপব্যবহার করছিলেন। তদন্তে জানা যায়, কর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছিল। তাদের মানসিক ও শারীরিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছিল।

    ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিদ্রূপের অভিযোগ

    অভিযোগকারী পুরুষ কর্মী জানান, তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং নিয়মিত রুদ্রাক্ষ মালা পরেন। এই কারণেই তাঁকে বারবার বিদ্রূপ করা হত। হিন্দু দেবদেবী সম্পর্কে কটূক্তি করা হতো বলেও অভিযোগ। তিনি আরও দাবি করেন, একাধিকবার তাঁকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোর করে আমিষ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। তিনি নিরামিষভোজী হওয়ায় আপত্তি জানালে তাঁকে অপমান করা হয়। ২০২৩ সালের ইদের দিনে তাঁকে এক সহকর্মীর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর করে টুপি পরিয়ে নামাজ পড়ানো হয় এবং সেই ছবি অফিসের গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগকারী বলেন, তাঁর নিঃসন্তান জীবন নিয়ে তাঁকে নিয়মিত অপমান করা হত। স্ত্রীকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করা হতো, যা মানসিকভাবে তাঁকে ভেঙে দেয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারার হুমকি দেওয়া হয়। অফিসে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে চাকরি থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়। এমনকি তাঁর অসুস্থ বাবাকে নিয়েও ধর্মান্তরের প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি।

    বিদেশি সংযোগ

    তদন্ত চলাকালীন হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে মালয়েশিয়ায় সন্দেহভাজন ধর্মপ্রচারক ইরমানের নামও প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ ওঠে, ভিডিও কলের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এর থেকেই বোঝা যায়, মামলাটি শুধু স্থানীয় নয়, বরং একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত। তদন্তকারী সংস্থাগুলো এখন এই বিদেশি সংযোগও খতিয়ে দেখছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) অনুসারে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১২ জন ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই সংখ্যা ছিল ৯, কিন্তু তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেকে এগিয়ে এসেছেন। এখনও পর্যন্ত আটজন মহিলা কর্মী ও একজন পুরুষ কর্মী মোট নয়টি এফআইআর দায়ের করেছেন। এই সমস্ত অভিযোগে যৌন হয়রানি, ধর্ষণ এবং ধর্মীয় জবরদস্তির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের বয়স আনুমানিক ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। এই ঘটনাগুলো ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলেছিল। এর থেকেই স্পষ্ট যে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এক দীর্ঘস্থায়ী ধারা ছিল।

    এফআইআর-এ কী বলা হয়েছে

    প্রথম এফআইআর-এ দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার এবং নিদা খানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তারা হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক মহিলার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন। দ্বিতীয় এফআইআর-এ রাজা মেমন এবং শাহরুখ কুরেশির বিরুদ্ধে অশালীন আচরণ ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থ এফআইআর-এও একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। শাফি শেখ ও তৌসিফ আখতারের বিরুদ্ধে মহিলা কর্মীদের পিছু নেওয়া, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগও রয়েছে, যা বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। পঞ্চম এফআইআর-এ অভিযোগ করা হয়েছে, কর্মীদের নামাজ পড়তে ও মাংস খেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতেও বাধ্য করা হয়েছিল।

    এফআইআর-এ কাদের নাম

    ষষ্ঠ ও সপ্তম এফআইআর-এও অভিযুক্তদের দ্বারা হয়রানি, পিছু ধাওয়া এবং অশ্লীল মন্তব্যের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলাগুলো স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় একাধিক ব্যক্তি এই নেটওয়ার্কটি পরিচালনা করছিল। অষ্টম ও নবম এফআইআর-এও ক্রমাগত হয়রানি, বিয়ের জন্য চাপ এবং মানসিক চাপের অভিযোগ আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলেন, অভিযুক্তরা তাদের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাত এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি করত। এতে অনেক কর্মচারী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার, শফি শেখ, রাজা মেমন, শাহরুখ কুরেশি, আসিফ আনসারি, অশ্বিনী চেইনানি এবং নিদা খান। পুলিশ অশ্বিনী চেইনানিকে আটক করেছে, তবে নিদা খান এখনও পলাতক। তাকে খুঁজে বের করার জন্য অভিযান চলছে।

    সাময়িক বন্ধ টিসিএস নাসিকের বিপিও ইউনিট

    তদন্তকারী সংস্থাগুলি বর্তমানে এই মামলায় বিদেশি অর্থ দেওয়া, ব্যাঙ্কে লেনদেন, কল রেকর্ড এবং ডিজিটাল প্রমাণের ওপর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের হয়রানি বা জবরদস্তির কোনও স্থান নেই, বলে জানিয়েছে টিসিএস কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনা সামনে আসার পর টিসিএস নাসিকের বিপিও ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্মীদের ওয়ার্ক-ফ্রম-হোমে পাঠানো হয়েছে।

  • PM Modi: “মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে।” বৃহস্পতিবার (Womens Reservation Bill) সাত সকালে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমাদের মা ও বোনদের প্রতি সম্মানই জাতির প্রতি সম্মান।” বৃহস্পতিবার সংসদে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন শুরুর আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে প্রশাসনে নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    সংসদে শুরু বিশেষ অধিবেশন (PM Modi)

    বস্তুত, এই মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন সংসদে ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের একটি বিশেষ অধিবেশন বসছে, যার লক্ষ্য মহিলা সংরক্ষণ আইন দ্রুত বাস্তবায়িত করা। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ৫৪৩টি আসন বিশিষ্ট লোকসভার সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮৫০ আসনে উন্নীত করার কথাও বলা হয়েছে। মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

    সীমানা নির্ধারণ কমিশন

    সূত্রের খবর, রাজ্যগুলির জন্য প্রায় ৮১৫টি আসন এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য বরাদ্দ করা হতে পারে ৩৫টি। তবে চূড়ান্ত সংখ্যাটি নির্ধারণ করবে আসন পুনর্বিন্যাস কমিশন (Delimitation Commission)। এই কমিশন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনগুলির বণ্টনও নির্ধারণ করবে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে কার্যকর হতে পারে (Womens Reservation Bill)। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আসন বণ্টন হবে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (PM Modi) ভিত্তিতে, যেখানে ২০১১ সালের জনগণনা ব্যবহৃত হবে ভিত্তি হিসেবে। সূত্রের খবর, উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির তুলনায় কম। তাই দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে তুলনামূলক সুবিধা পেতে পারে (PM Modi)। এদিকে, এদিন কেন্দ্রের তরফে তিনটি বিল পেশ করা হবে। এগুলি হল, ডিলিমিটেশন বিল, সংবিধান সংশোধন বিল এবং ইউনিয়ন টেরিটরিজ বিল।

  • Assembly Elections 2026: ভবানীপুর ও ডায়মন্ড হারবারে টহল দিচ্ছে ‘মার্কসম্যান’! ভোটমুখী বাংলায় কাশ্মীর থেকে এল বুলেটপ্রুফ গাড়ি

    Assembly Elections 2026: ভবানীপুর ও ডায়মন্ড হারবারে টহল দিচ্ছে ‘মার্কসম্যান’! ভোটমুখী বাংলায় কাশ্মীর থেকে এল বুলেটপ্রুফ গাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন (Assembly Elections 2026)। পশ্চিমবঙ্গের ভোটে অশান্তি ঠেকাতে এবার জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বুলেটনিরোধক গাড়ি নিয়ে এল নির্বাচন কমিশন। বুধবার ডায়মন্ড হারবার ও ভবানীপুরের রুট মার্চেও এই গাড়ি দেখা গিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সীমান্তবর্তী বসিরহাট, বাগদা, দেগঙ্গা ও আমডাঙ্গা এলাকায় এই যান মোতায়েন করা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটের সময় কোথাও গুলি চললে বা পাথর ছো়ড়া হলে এই গাড়ি ব্যবহার করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ কোনও ব্যক্তি (ভিআইপি) অশান্তির মধ্যে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে আটকে পড়লেও এই গাড়ি তাঁকে উদ্ধার করতে কাজে লাগানো হবে। কোনও এলাকায় জমায়েত বেশি হলে এই গাড়ি থেকে ধোঁয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ভবানীপুরে এই গাড়ির টহলদারি দেখতে রাস্তার পাশে রীতিমতো ভিড় জমে যায়।

    কী এই বুলেটপ্রুফ ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি

    কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফার ভোটে রাজ্যে ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর। ডায়মন্ড হারবারে নামানো হচ্ছে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ব্যবহৃত ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি। ‘মার্কসম্যান’ (Marksman From Kashmir) মূলত একটি লাইট আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার, যা সেনা, আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশের জন্য তৈরি। শক্তিশালী বুলেটপ্রুফ সুরক্ষা এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বি-৬ স্তরের ব্যালিস্টিক প্রোটেকশন থাকায় ৭.৬২ মিমি পর্যন্ত গুলির আঘাত প্রতিরোধ করতে সক্ষম এই গাড়ি। এমনকি গ্রেনেড বিস্ফোরণের ধাক্কা থেকেও সুরক্ষা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এর তলার অংশ।

    কী এই বুলেটপ্রুফ ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি

    জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বাংলায় আনা হয়েছে ওই গাড়ি, যার মাথায় মেশিন গান বসানোর জায়গাও রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি ব্যবহৃত হয়। এই গাড়ি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন। সম্পূর্ণ রূপে বুলেটপ্রুফ গাড়িটি। স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলিও প্রতিরোধ করতে পারে। রাস্তার নীচে পোঁতা বিস্ফোরক থেকে যাত্রীদের রক্ষা করতে বিশেষ ভাবে তৈরি গাড়িটি। ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি চালাতে সক্ষম। চারপাশ পর্যবেক্ষণের জন্য রয়েছে ভিশন পোর্ট, ফায়ারিং স্লট। চড়াই-উতরাই পেরোতে সক্ষম গাড়িটি। গাড়িতে একসঙ্গে সাত-আটজন সওয়ার থেকে অভিযান চালাতে পারেন।

    কোথায় কোথায় নামল ওই বিশেষ গাড়ি

    বুধবার, বাহিনীর বিশেষ এই গাড়ির টহলদারি ভবানীপুর থানা থেকে শুরু হয়েছিল। তা পদ্মপুকুর, চক্রবেড়িয়া, শরৎ বোস রোড হয়ে হাজরায় গিয়ে শেষ হয়। খাকি রঙের চারচাকা গাড়িটি আদ্যোপান্ত বুলেটনিরোধক। মূলত সীমান্তবর্তী এলাকায় আধা সামরিক বাহিনী বা সিআরপিএফ এই ধরনের গাড়ি ব্যবহার করে থাকে। এই গাড়িগুলির নম্বরপ্লেটও জম্মু ও কাশ্মীরেরই। ভবানীপুরের পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের সরিষায় ওই ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি নিয়ে এরিয়া ডমিনেশনের কাজ শুরু করেন সিআরপিএফ জওয়ানরা। মূলত সন্ত্রাস অধ্যুষিত এলাকা, দাঙ্গাপ্রবণ এলাকা এবং ভিআইপি-দের নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণে ওই গাড়ি ব্যবহার করে ভারতীয় সরকার। এদিন গাড়ির পিছনে দুই জওয়ান ছিলেন। একজন রাইফেল নিয়ে ছিলেন উপরে। গাড়িটি গ্রেনেড হামলা সহ্য করতে পারে। কোনও ক্ষতি হয় না গাড়ির। একে-৪৭ থেকে গুলি চালালেও কিছু হয় না। গাড়ির ভিতরে বসে গুলি চালাতে পারেন জওয়ানরা। উপরে মেশিনগান বসানোর জায়গাও রয়েছে। গাড়ির ভিতর থেকেই নজরদারি চালানো যায়। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, হাই রিস্ক বা স্পর্শকাতর বুথগুলিতে ওই গাড়ি ব্য়বহার করা হবে। পাশাপাশি, মোতায়েন থাকবে সশস্ত্র বাহিনী। এদিন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার বিভিন্ন জায়গা এরিয়া ডমিনেশনে বেরোতে দেখা যায় সিআরপিএফ জওয়ানদের।

    শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ ভোটের স্বার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    অনেক আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে তারা রুট মার্চ করছে। সঙ্গে রয়েছে পুলিশও। ভবানীপুরে বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ থেকে মাইকে প্রচার চালানো হয়। নির্ভয়ে সকলকে ভোট দিতে যাওয়ার আহ্বান জানায় বাহিনী। বলা হয়, ‘‘আপনারা সকলে সকাল সকাল ভোট দিন। নির্বাচন কমিশনের নিয়মাবলি মেনে চলুন। ভবানীপুর থানা, সিআরপিএফ এবং কমিশন সবসময় আপনাদের সঙ্গে আছে। যে কোনও সমস্যায় বা প্রয়োজনে থানায় ফোন করুন। আমরা কেবল একটি ফোনকলের দূরত্বে রয়েছি। আমরা সবরকম ভাবে সাহায্য করব।’’ কমিশন আগেই জানিয়েছে, যে কোনও মূল্যে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ ভোট নিশ্চিত করা হবে। কোনও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। তার জন্য এর আগে একাধিক তৎপরতা চোখে পড়েছে। এ বার কাশ্মীর থেকে বুলেটনিরোধক গাড়িও পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হল। খাস কলকাতায় সেই গাড়ি টহলদারি শুরু করে দিয়েছে। ভোটারদের আশ্বস্ত করা হচ্ছে গাড়ি থেকে।

    কোথায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফল জানা যাবে আগামী ৪ মে। তার আগে জেলায় জেলায় প্রচুর পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।প্রথম দফার ভোটে ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, দার্জিলিংয়ে মোতায়েন থাকবে ৬১ কোম্পানি বাহিনী, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে যথাক্রমে ৭৭ ও ১৪৬ কোম্পানি বাহিনী, ইসলামপুর ও রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৬১ ও ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী, মালদায় ১৭২ কোম্পানি বাহিনী, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদে ৩১৬ কোম্পানি,পূর্ব ও পশ্চিম, ২ মেদিনীপুরে ৪৪৪ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি, বীরভূমে ১৭৬ কোম্পান, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোতায়েন থাকবে ১২৫ কোম্পানি বাহিনী।

  • Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (Chadha Z Security) দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই নিরাপত্তা দিল্লি ও পাঞ্জাব – দুই রাজ্যেই প্রযোজ্য হবে (AAP)। তাঁর সুরক্ষায় মোতায়েন করা হবে আধাসামরিক বাহিনী। সূত্রের খবর, আপাতত দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে পর্যন্ত চাড্ডাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর তৈরি করা হুমকি মূল্যায়ন রিপোর্টের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

    চাড্ডার জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার (Chadha Z Security)

    পাঞ্জাবের আম আদমি পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর আগের জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দুদিনের মধ্যেই চাড্ডাকে নিরাপত্তা প্রদানের ঘোষণা করল কেন্দ্র। রাজ্য পুলিশের দেওয়া এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ চাড্ডা ও দলের নেতৃত্বের মধ্যে চলা বর্তমান দ্বন্দ্ব। চাড্ডা পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত একজন গুরুত্বপূর্ণ আপ নেতা। এতদিন রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল জেড প্লাস নিরাপত্তা। গত সপ্তাহে এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়, যখন দলের ভেতরের বিরোধ আরও তীব্র হয়। কেন্দ্রের তরফে দ্রুত জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    চাড্ডার প্রতিক্রিয়া

    চাড্ডাকে রাজ্যসভায় আপের ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও এই নিরাপত্তা পরিবর্তনের সঙ্গে মিলে গিয়েছে, যার জেরে দলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (AAP)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চাড্ডা জানান, তিনি পরাজিত নন, বরং তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে—যা দলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট প্রতিবাদ। আপ নেতাদের অভিযোগ, চাড্ডা সংসদে পাঞ্জাবের সমস্যাগুলি যথেষ্ট জোর দিয়ে তোলেননি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নরম অবস্থান নিয়েছেন তিনি। রাঘব গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী কার্যকলাপে অংশ নেননি, যেমন ওয়াকআউট বা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নোটিশে সই করা। চাড্ডা এই অভিযোগগুলি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, একজন সাংসদ হিসেবে তাঁর কাজ হল গঠনমূলকভাবে জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নয়। তিনি দাবি করেন, তাঁর সংসদীয় কাজই তার প্রমাণ (Chadha Z Security)।

    রাঘবের নিশানায় কে

    এদিকে, সম্প্রতি চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সক্রিয় হয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সংসদে তাঁর বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করেছেন, যার একটির শিরোনাম ছিল “ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড (Voice Raised Price Paid)।” একটি পোস্টে রাঘব বলেন, “আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (AAP)।” বস্তুত, রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়িয়েছে রাঘবের একটি মন্তব্য, যেখানে তাঁকে নিজের দল গঠনের পরামর্শ দেওয়া একটি ভিডিওতে তিনি লিখেছিলেন “ইন্টারেস্টিং থট”। তিনি “নেভার আউটসাইন দ্য মাস্টার (Never Outshine the Master)” বাক্যটির উল্লেখ করে একটি ছবি শেয়ার করেন, যা দেখে অনেকেরই ধারণা দলনেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উদ্দেশ্যেই এই ইঙ্গিত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলীয় দ্বন্দ্ব যত গভীর হচ্ছে, ততই রাঘবের ওপর থেকে রাজ্য নিরাপত্তা প্রত্যাহার এবং কেন্দ্রের দ্রুত নতুন নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে (Chadha Z Security)।

  • Indias Nuclear Leap: ভারতের পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর পৌঁছেছে স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তরে, বিশ্ব কাঁপাবে মোদির দেশ!

    Indias Nuclear Leap: ভারতের পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর পৌঁছেছে স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তরে, বিশ্ব কাঁপাবে মোদির দেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত ভারতের উন্নতির জয়যাত্রা (Reactor Success)। এবার ভারতের সবচেয়ে উন্নত পারমাণবিক রিয়্যাক্টর (Indias Nuclear Leap) একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তরে পৌঁছেছে, যা দেশের পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচির জন্য একটি বড় অগ্রগতি। শুধু তা-ই নয়, ইউরেনিয়ামের ওপর নির্ভরতা কমানোর দিকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (Indias Nuclear Leap)

    দক্ষিণ ভারতের কালপক্কমে অবস্থিত প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (PFBR) সম্প্রতি ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। এটি হল সেই স্তর, যেখানে পারমাণবিক চেন বিক্রিয়া নিজে থেকেই চলতে পারে। এই রিয়্যাক্টর সম্পূর্ণরূপে চালু হলে, ভারত হবে রাশিয়ার পর দ্বিতীয় দেশ, যার একটি কর্মাশিয়াল ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর থাকবে। প্রশ্ন হল, ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর কী? জানা গিয়েছে, ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর হল এমন একটি উন্নত রিয়্যাক্টর (পরমাণু চুল্লি) যা যতটা ফিসাইল মেটিরিয়্যাল (fissile material) বা পরমাণু জ্বালানি ব্যবহার করে, উৎপন্ন করে তার চেয়েও বেশি। এই রিঅ্যাক্টরটি তৈরি করেছে ইন্দিরা গান্ধী সেন্টার ফর অ্যাটোমিক রিসার্চ (IGCAR), যা ভারতের ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জির অধীনস্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এই রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা ৫০০ এমডাব্লুই (megawatt electrical), সাধারণ রিয়্যাক্টর ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে এবং প্লুটোনিয়াম তৈরি করে বর্জ্য হিসেবে। সেই প্লুটোনিয়ামকেই আবার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এর ফলে লাগে কম ইউরেনিয়াম, যদিও উৎপন্ন করতে পারে এর ঢের বেশি শক্তি।

    ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচির ৩টি ধাপ

    ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচি ৩টি ধাপে বিভক্ত। প্রথম ধাপে রয়েছে প্রেসারাইজড হেভি ওয়াটার রিঅ্যাক্টর, জ্বালানি ইউরেনিয়াম, বর্জ্য হিসেবে উৎপন্ন করে প্লুটোনিয়াম। দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর, জ্বালানি ইউরোনিয়াম এবং প্লুটোনিয়াম, এতে উৎপন্ন হবে আরও প্লুটোনিয়াম এবং ইউরেনিয়াম-২৩৩ (Indias Nuclear Leap)। আর তৃতীয় তথা শেষ স্তরে থাকছে থোরিয়াম-ভিত্তিক রিঅ্যাক্টর, জ্বালানি থোরিয়াম+ইউরেনিয়াম-২৩৩। বিশ্বে থোরিয়ামের মজুদের পরিমাণ ইউরেনিয়ামের ৪ গুণ। এর মধ্যে ভারতেই রয়েছে ইউরেনিয়াম আনুমানিক ১–২ শতাংশ, থোরিয়াম  ২৫ শতাংশের বেশি। তাই ভবিষ্যতে থোরিয়ামই ভারতের জন্য হয়ে উঠবে বড় সম্পদ (Reactor Success)। প্রশ্ন হল, কীভাবে কাজ করে এফবিআর? প্রথমে ইউরেনিয়াম রূপান্তরিত হয় প্লুটোনিয়ামে। সেই প্লুটোনিয়াম আবার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফলে একধরনের সেল্ফ-সাসটেনিং সাইকেল তৈরি হয় (Indias Nuclear Leap)।

    কী বললেন অধ্যাপক এমভি রামানা?

    ইউনিভার্সিটি অফ কলম্বিয়ার অধ্যাপক এমভি রামানা বলেন, পিএফবিআরের খরচ প্রাথমিক অনুমানের দ্বিগুণের বেশি, উৎপাদিত বিদ্যুৎ সাধারণ রিয়্যাক্টরের তুলনায় ~৮০ শতাংশ বেশি ব্যয়বহুল এবং সৌর শক্তির তুলনায়ও বেশি খরচ। নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের অধ্যাপক পল নরম্যান বলেন, এটি তাত্ত্বিকভাবে সব ইউরেনিয়াম ব্যবহার করতে পারে, থোরিয়াম ব্যবস্থায়ও রূপান্তর সম্ভব। বিজ্ঞানী কোরাউস শিবম বলেন, ভারতকে আরও দ্রুত উন্নয়ন করতে হবে, এই একই ধরনের রিয়্যাক্টর মাত্র ৬ বছরে তৈরি করেছে চিন। জানা গিয়েছে, ভারত বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম শক্তি ব্যবহারকারী। বর্তমানে নিউক্লিয়ার এনার্জি হল ~৩ শতাংশ। বস্তুত, ২০২৪ সালে ৮,১৮০ মেগাওয়াট শক্তি মিলত। ২০৪৭ সালে এটাই বেড়ে হবে ১০০জিডাব্লু। বর্তমানে তামাম বিশ্বে পারমানবিক শক্তির প্রবণতা হল, ১৯৯৬: ১৭.৫ শতাংশ, ২০২৪ সালে হয় ৯ শতাংশ। এদিকে, রিনিউয়েবল এনার্জির পরিমাণ হবে  ~১৭.৩ শতাংশ। প্রাথমিক জ্বালানি হতে পারে মিক্সড অস্কাইড ফুয়েল, ইউরেনিয়াম-২৩৮, নিউট্রন গ্রহণ করে প্লুটোনিয়ামে রূপান্তরিত হয়, কম তৈরি হয় নিউক্লিয়ার ওয়েস্ট (Indias Nuclear Leap)।

    রিঅ্যাক্টরের গুরুত্ব

    এই রিঅ্যাক্টর (Reactor Success) ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এতে একদিকে যেমন কমবে ইউরেনিয়ামের ওপর নির্ভরতা, থোরিয়াম ব্যবহার সম্ভব করবে, বাড়াবে শক্তি উৎপাদনও। তবে এতে খরচ হবে বেশি, প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জও রয়েছে, রিনিউয়েবল এনার্জির একটি শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। ভারত সরকার বলেছে যে এই রিঅ্যাক্টরটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে “ভারত তার সীমিত ইউরেনিয়াম মজুদ থেকে আরও বেশি শক্তি আহরণ করতে পারে এবং একই সঙ্গে থোরিয়াম-ভিত্তিক (Reactor Success) রিঅ্যাক্টরের বৃহৎ পরিসরে ব্যবহার করার পথ তৈরি করে (Indias Nuclear Leap)।”

     

  • Ramakrishna 624: “টাকা জমাব’, ‘বিষয় ঠিকঠাক করব’, এ-সব হিসাব আসে না। ঈশ্বরই বস্তু আর সব অবস্তু—ঈশ্বরকে ছেড়ে বিষয়চিন্তা!”

    Ramakrishna 624: “টাকা জমাব’, ‘বিষয় ঠিকঠাক করব’, এ-সব হিসাব আসে না। ঈশ্বরই বস্তু আর সব অবস্তু—ঈশ্বরকে ছেড়ে বিষয়চিন্তা!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

     পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর

    শ্যামপুকুর বাটীতে নরেন্দ্র, মণি প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    অসুখ কেন? নরেন্দ্রের প্রতি সন্ন্যাসের উপদেশ

    “কেশব (Ramakrishna) সেনও ওই ইঙ্গিত করেছিল। বলেছিল, — ‘মহাশয়, যদি কেউ বিষয়-আশয় ঠিকঠাক করে, ঈশ্বরচিন্তা করে — তা পারে কিনা? তার তাতে কিছু দোষ হতে পারে কি?’

    “আমি বললাম, তীব্র বৈরাগ্য হলে সংসার পাতকুয়া, আত্মীয় কাল সাপের মতো, বোধ হয়। তখন, ‘টাকা জমাব’, ‘বিষয় ঠিকঠাক করব’, এ-সব হিসাব আসে না। ঈশ্বরই বস্তু আর সব অবস্তু — ঈশ্বরকে ছেড়ে বিষয়চিন্তা!

    “একটা মেয়ের ভারী শোক হয়েছিল। আগে নৎটা কাপড়ের আঁচলে বাঁধলে, — তারপর, ‘ওগো! আমার কি হল গো।’ বলে আছড়ে পড়লো কিন্তু খুব সাবধান, নৎটা না ভেঙে যায়।”

    সকলে হাসিতেছেন।

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)  এই সকল কথা শুনিয়া (Kathamrita) বাণবিদ্ধের ন্যায় একটু কাত হইয়া শুইয়া পড়িলেন। তাঁর মনের অবস্থা বুঝিয়া —

    মাস্টার (নরেন্দ্রের প্রতি, সহাস্যে) — শুয়ে পড়লে যে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি, সহাস্যে) — “আমি তো আপনার ভাশুরকে নিয়ে আছি তাইতেই লজ্জায় মরি, এরা সব (অন্য মাগীরা) পরপুরুষ নিয়ে কি করে থাকে?”

    মাস্টার নিজে সংসারে আছেন, লজ্জিত হওয়া উচিত। নিজের দোষ, কেহ দেখে না — অপরের দেখে। ঠাকুর এই কথা বলিতেছেন। একজন স্ত্রীলোক ভাশুরের সঙ্গে নষ্ট হইয়াছিল। সে নিজের দোষ কম, অন্য নষ্ট স্ত্রী লোকদের দোষ বেশি, মনে করিতেছে। বলে, ‘ভাশুর তো আপনার লোক, তাইতেই লজ্জায় মরি।’

    মুক্তহস্ত কে? চাকরি ও খোশামোদের টাকায় বেশি মায়া

    নিচে একজন বৈষ্ণব গান গাইতেছিল। ঠাকুর শুনিয়া অতিশয় আনন্দিত হইলেন। বৈষ্ণবকে কিছু পয়সা দিতে বলিলেন। একজন ভক্ত কিছু দিতে গেলেন। ঠাকুর জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “কি দিলে?” একজন ভক্ত বলিলেন (Kathamrita)— “তিনি দুপয়সা দিয়েছেন।”

    ঠাকুর — চাকরি করা টাকা কিনা। — অনেক কষ্টের টাকা — খোশামোদের টাকা! মনে করেছিলাম, চার আনা দিবে!

    Electricity — তাড়িতযন্ত্র ও বাগচী চিত্রিত ষড়্‌ভুজ ও রামচন্দ্রের আলেখ্য
    দর্শন — পূর্বকথা — দক্ষিণেশ্বরে দীর্ঘকেশ সন্ন্যাসী

    ছোট নরেন ঠাকুরকে যন্ত্র আনিয়া তাড়িতের প্রকৃতি দেখাইবেন বলিয়াছিলেন। আজ আনিয়া দেখাইলেন।

    বেলা দুইটা — ঠাকুর ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। অতুল একটি বন্ধু মুনসেফকে আনিয়াছেন। শিকদারপাড়ার প্রসিদ্ধ চিত্রকর বাগচী আসিয়াছেন। কয়েকখানি চিত্র ঠাকুরকে উপহার দিলেন।

     

    ঠাকুর (Ramakrishna)  আনন্দের সহিত পট দেখিতেছেন। ষড়্‌ভুজ মূর্তি দর্শন করিয়া ভক্তদের বলিতেছেন — “দেখো, কেমন হয়েছে!”

    ভক্তদের আবার দেখাইবার জন্য ‘অহল্যা পাষাণীর পট’ আনিতে বলিলেন। পটে শ্রীরামচন্দ্রকে দেখিয়া আনন্দ করিতেছেন।

    শ্রীযুক্ত বাগচীর মেয়েদের মতো লম্বা চুল। ঠাকুর বলিতেছেন, “অনেককাল হল দক্ষিণেশ্বরে একটি সন্ন্যাসী দেখেছিলাম। ন হাত লম্বা চুল। সন্ন্যাসীটি ‘রাধে রাধে’ করত। ঢঙ নাই।”

    কিয়ৎক্ষণ পরে নরেন্দ্র গান গাইতেছেন। গানগুলি বৈরাগ্যপূর্ণ। ঠাকুরের মুখে তীব্র বৈরাগ্যের কথা ও সন্ন্যাসের উপদেশ শুনিয়া কি নরেন্দ্রের উদ্দীপন হইল?

    নরেন্দ্রের গান:

    (১) যাবে কি হে দিন আমার বিফলে চলিয়ে।
    (২) অন্তরে জাগিছ ওমা অন্তরযামিনী।
    (৩) কি সুখ জীবনে মম ওহে নাথ দয়াময় হে,
    যদি চরণ-সরোজে পরাণ-মধুপ, চির মগন না রয় হে!

  • Vanishing Lakes of Kashmir: বিপন্ন ভূস্বর্গের জীববৈচিত্র্য, লুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৫১৮টি হ্রদ!

    Vanishing Lakes of Kashmir: বিপন্ন ভূস্বর্গের জীববৈচিত্র্য, লুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৫১৮টি হ্রদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬৭ সাল থেকে ৬৯৭টি প্রাকৃতিক হ্রদের মধ্যে ৫১৮টি হয় সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে অথবা আয়তনে কমে গিয়েছে (CAG)। ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতি হয়েছে জীববৈচিত্র্যেরও (Vanishing Lakes of Kashmir)। ক্যাগের রিপোর্টেই উঠে এসেছে ভূস্বর্গের চাঞ্চল্যকর এই ছবি। ক্যাগের আধিকারিকরা ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত নথিপত্র যাচাই করার ক্ষেত্রে তাঁদের সূক্ষ্মতা এবং কঠোর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত। বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতরের উল্লেখ করে ক্যাগের প্রতিবেদনগুলিতে ত্রুটি, ভুলভ্রান্তি এবং ঘাটতিগুলি তুলে ধরা হয়। এসব বিশদ মন্তব্য ও সুপারিশ প্রায়ই সংশোধনের পথ দেখায়। চলতি বছরের জম্মু-কাশ্মীরের ওপর ক্যাগের রিপোর্টে বহু সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, বিশেষ করে হ্রদগুলিকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

    লোপ পাচ্ছে একের পর এক হ্রদ (Vanishing Lakes of Kashmir)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলজ এলাকা থেকে জলাভূমি, তারপর দ্বীপ এবং শেষে মানুষের বসবাসযোগ্য জমিতে রূপান্তর একটি প্রায় অপরিবর্তনীয় প্রক্রিয়া। ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সংরক্ষণ সংক্রান্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, মোট ২৮,৯৯০ হেক্টর এলাকাজুড়ে থাকা ৬৯৭টি হ্রদের মধ্যে ৩১৫টি হ্রদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে এবং ২০৩টি হ্রদের আয়তন ১,৩১৪.১৯ হেক্টর কমেছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দখলদারিত্ব বা দুর্গম এলাকায় অনুপ্রবেশ—উভয়ই একই ফল দেয়, ক্রমেই সংকুচিত হয় উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল। মোট ৫১৮টি হ্রদের ২,৮৫১.২৬ হেক্টর এলাকা হ্রাস পেয়েছে কিংবা বিলুপ্ত হয়েছে। এশিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ উলার হ্রদ (Wular Lake)-এর অবস্থাও একই রকম উদ্বেগজনক (Vanishing Lakes of Kashmir)। এই তালিকায়ই রয়েছে ডাল লেক এবং শ্রীনগরের অন্যান্য হ্রদগুলিও।

    ক্যাগের সুপারিশ

    কার্যকর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সময়সীমাবদ্ধ ও কাঠামোবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে ক্যাগ। আয়তনে লেকের এই কমে যাওয়া আকার পরিবেশগত পরিষেবা ব্যাহত করেছে এবং জল, খাদ্য ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। হ্রদের আয়তন কমে যাওয়াও জলবায়ু নিরাপত্তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ২০১৪ সালের কাশ্মীরে বন্যার  অন্যতম কারণ ছিল উলার হ্রদের অবক্ষয়, যা স্বাভাবিকভাবে বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (CAG)। জানা গিয়েছে, ২০৩টি সংকুচিত হ্রদের মধ্যে ৬৩টি ৫০ শতাংশেরও বেশি আয়তন খুইয়েছে, যা তাদের বিলুপ্তির ঝুঁকিতে ফেলেছে। ক্যাগের মতে, ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন, বন উজাড়, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নিয়ন্ত্রণহীন মানবিক কার্যকলাপই এই অবক্ষয়ের প্রধান কারণ (Vanishing Lakes of Kashmir)।

    সমস্যায় ডাল লেকও

    ডাল লেকের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। ২০০৭ সালে ১৫.৪০ বর্গকিমি থেকে ২০২০ সালে ১২.৯১ বর্গকিমিতে নেমে এসেছে। গত ১৩ বছরে ১০.১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে ভাসমান উদ্ভিদ, কৃষিজমি এবং বসতিস্থানের পরিমাণ বেড়েছে। ক্যাগের রিপোর্টেই  লক্ষ্য করা গিয়েছে যে লেকস কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (Lakes Conservation and Management Authority ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া সিউয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (STP) সঠিকভাবে কাজ না করা, দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, এবং দুর্বল নজরদারি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে। জাতীয় হ্রদ সংরক্ষণ কর্মসূচি (NLCP) এবং প্রধানমন্ত্রীর পুনর্গঠন কর্মসূচি (PMRP)-এর বাস্তবায়নেও গুরুতর ঘাটতি দেখা গিয়েছে। STP-তে ৪৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করা সত্ত্বেও বর্জ্য যথাযথভাবে শোধন করা হয়নি। ওই প্রতিবেদনই জানায় যে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণে ঘাটতি (CAG) থাকলে ডাল লেকের (Vanishing Lakes of Kashmir) পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে।

     

LinkedIn
Share