Tag: news in bengali

news in bengali

  • Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৌশল বদলানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিরন্তর অভিযানের হাত থেকে বাঁচতে জম্মু-কাশ্মীরে তাদের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার (OGW) নেটওয়ার্ককে মূলধারার জাতীয় রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা।

    আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা (Terror Outfits)

    আন্তর্জাতিক অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর নজরদারিতে রয়েছে পাকিস্তান। সেই কারণেও আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা। এরই অংশ হিসেবে তারা নয়ের দশকের শুরুতে স্থানীয়ভাবে গঠিত এবং বর্তমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গি কার্যকলাপগুলির ‘ভারতীয়করণে’র রূপ দিতে এবং পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদত দেওয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতেই এই পন্থা অবলম্বন করছে পাক-চর সংস্থা।

    জেরায় কী জানিয়েছে জঙ্গিরা?

    কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার আধিকারিকদের মতে, সম্প্রতি শ্রীনগর পুলিশ পাকড়াও করেছে কয়েকজন ওজিডব্লিউকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জাতীয় রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিল। জঙ্গি সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সহায়তা, নিয়োগ এবং অর্থায়নকারী সমর্থকদের বৈধ রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ভিড়িয়ে দিয়ে আইএসআই তাদের এজেন্টদের নিরাপত্তা অভিযানের হাত থেকে রক্ষা করতে চাইছে।

    জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক আধিকারিক জানান, এই কৌশলটি মূলত হতাশা থেকে নেওয়া। কারণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রবল চাপে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে নয়া প্রক্সি সংগঠনগুলির প্রতি স্থানীয়দের সমর্থনও। পুরানো সংগঠনগুলির নাম পুনরুজ্জীবিত করে এবং তাদের কর্মীদের মূলধারার রাজনীতির স্রোতে মিশিয়ে দিয়ে নতুন প্রজন্মের যুবকদের আকৃষ্ট করতে এবং একই সঙ্গে তাদের কর্মীদের রাজনৈতিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে চাইছে আইএসআই। আধিকারিকদের মতে, যখন কোনও ওজিডব্লিউ ঘেরাও এবং তল্লাশি অভিযানে ধরা পড়ে, তখন তারা অনেক সময় জাতীয় রাজনৈতিক দলের সাধারণ সদস্যপদের ‘প্রমাণপত্র’ দেখিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে।

    জঙ্গিদের ছল

    নিরাপত্তা আধিকারিকরা লক্ষ্য করেছেন, জঙ্গিদের এই কৌশল বদলেছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। নয়ের দশকের শেষ দিকে সন্দেহভাজনরা পুলিশের হাত এড়াতে ভোটারকার্ড ব্যবহার করত। পরে তদন্ত এড়াতে তারা আধার কার্ডও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। যদিও তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কখনও এই ধরনের লোকজনকে রক্ষা করতে হস্তক্ষেপ করেনি। এদিকে, ওজিডব্লিউ কার্যকলাপের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের পর প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া কিছু সংগঠনকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করতেও দেখা যাচ্ছে।

    আইএসআইয়ের কৌশল

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বর্তমানে ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে জম্মু- কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত পুরোনো সংগঠনগুলির নাম ফের সামনে আসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই সব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে আল-উমর মুজাহিদিন, আল বদর, এবং তেহরিক-উল-মুজাহিদিনও। আধিকারিকদের মতে, এই পুরোনো স্থানীয় পরিচয়ের সংগঠনগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে আইএসআই এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি করতে চায় যে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গি কার্যকলাপ একটি অভ্যন্তরীণ এবং স্থানীয় আন্দোলন, সীমান্তপারের পরিকল্পিত ছায়াযুদ্ধ নয়।

    বহাল তবিয়তে রয়েছে জঙ্গিদের মাথারা

    তাঁরা এও জানান, পুনরুজ্জীবিত এই সব সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপদে রয়েছে। যদিও তারা ফিল্ড লেভেলের নেটওয়ার্ক প্রচার, অর্থ জোগাড় এবং উগ্রপন্থায় প্ররোচনা দেওয়ার কাজে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জঙ্গিদের এসব তৎপরতার ওপর কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফের সক্রিয় হওয়া ওজিডব্লিউ নেটওয়ার্কের লজিস্টিক সহায়তা ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ করছে। একই সঙ্গে, জঙ্গিদের সমর্থকদের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও প্রতিরোধ করা হচ্ছে। অর্জিত শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানান গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কর্তারা।

     

  • Khokan Das: ভ্যানে করে পৌঁছে দিতেন কয়লা, এখন প্রাসাদোপম বাড়ির মালিক! ‘বর্ধমানের ত্রাস’ খোকন দাসের প্রতিপত্তি কীভাবে?

    Khokan Das: ভ্যানে করে পৌঁছে দিতেন কয়লা, এখন প্রাসাদোপম বাড়ির মালিক! ‘বর্ধমানের ত্রাস’ খোকন দাসের প্রতিপত্তি কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক হাই-প্রোফাইল অভিযানে উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার হলেন বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস (Khokan Das)। রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালায়। গ্রেফতারের (Arrest TMC MLA) পর ধৃত প্রাক্তন বিধায়ককে ট্রানজিট রিমান্ডে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট ও গ্রেফতারি (Khokan Das)

    বেশ কিছু দিন ধরেই পুলিশের নজরে ছিলেন এই প্রভাবশালী প্রাক্তন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব খোকন দাস। সুনির্দিষ্ট কিছু ফৌজদারি অভিযোগ এবং মামলার ভিত্তিতে তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ (Arrest TMC MLA)। শেষ পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশে তাঁর অবস্থান চিহ্নিত হওয়ার পর, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাঁকে হেপাজতে নেওয়া হয়।

    • অভিযোগের প্রকৃতি: তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, উস্কানিমূলক আচরণসহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু রয়েছে বলে সূত্রের খবর।
    • আইনি প্রক্রিয়া: উত্তরপ্রদেশের সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে ইতিমধ্যেই তাঁর ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
    • পরবর্তী পদক্ষেপ: রাজ্যে ফিরিয়ে আনার পর তাঁকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া ও চাঞ্চল্য

    খোকন দাসের এই আকস্মিক গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।  ভ্যান-ঠেলাগাড়িতে বাড়ি বাড়ি কয়লা পৌঁছে দেওয়ার কাজ দিয়েই খোকন দাসের (Khokan Das) জীবনের লড়াই শুরু। এরপর ধীরে ধীরে রাজনীতির অঙ্গনে প্রবেশ। বাম আমল থেকেই কয়লা ও বালি ব্যবসায় প্রভাব বিস্তার করে সামান্য কাউন্সিলরের পদ থেকে ক্রমে বর্ধমানের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে উত্থান। বাম আমলে প্রথমবার বর্ধমান পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন খোকন। ২০১৩ সালেও এলাকার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। সেবার পুরপ্রধান হয়েছিলেন তৃণমূলের স্বরূপ দত্ত। কিন্ত ক্ষমতার বলে খোকন দাসই পুরসভার ‘ডি-ফ্যাক্টো’ চেয়ারম্যান হয়ে ওঠেন। দৌরাত্ম্য বাড়ে ক্রমশ। বেআইনি বালি কারবার, সুদের কারবার, ঠিকাদারি থেকে শুরু করে সমস্ত বেআইনি নির্মাণের মতো কাজে সিদ্ধহস্ত হয়ে ওঠেন বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আজ তাঁর সম্পদের তালিকায় রয়েছে বহুতল প্রাসাদোপম বাড়ি, বিলাসবহুল গাড়ির বহর এবং ইএম বাইপাস সংলগ্ন বিস্তীর্ণ জমি।  বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বলিউড শিল্পীদের নিয়ে প্রতি বছর কাঞ্চন উৎসবের নামে কয়েক কোটি টাকা খরচ করতেন। ২০২১ সালে বর্ধমান শহরে ভোটবর্তী হিংসায় বহু মানুষ ঘরছাড়া হন, বাড়ি ভাঙচুর হয়, হামলার শিকার হন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন খোকনকে ‘নটোরিয়াস ক্রিমিনাল’ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেছিল। সিবিআই তদন্ত হলেও এতদিন গ্রেফতার হননি খোকন। এবার পুলিশের জালে (Arrest TMC MLA) দাগি তৃণমূল নেতা। এদিকে, খোকনের গ্রেফতারির খবর সামনে আসতেই কাঞ্চননগরে উল্লাসে মেতে ওঠেন স্থানীয়রা। ‘খোকন চোর’ গান বাজিয়ে, গেরুয়া আবির খেলে, লাড্ডু বিলিয়ে প্রাক্তন বিধায়কের জেলযাত্রা সেলিব্রেট করেন এলাকাবাসী।

  • Annapurna Yojana: অনলাইনেও শুরু হয়ে গেল ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম ফিল-আপ, কীভাবে করবেন আবেদন?

    Annapurna Yojana: অনলাইনেও শুরু হয়ে গেল ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম ফিল-আপ, কীভাবে করবেন আবেদন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অফলাইনে আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম ফিল-আপের কাজ। আজ, ১ জুন থেকে ফর্ম পূরণ করা যাবে অনলাইনেও (Application Guide)। আবেদন করা যাবে ৯০ দিন ধরে। ১২ পাতার ফর্ম। ফর্মে আবেদনকারী ও তাঁর পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য, পরিবারে কারা রয়েছেন, সন্তান-সন্ততির সংখ্যা, তাদের টিকাকরণের স্টেটাস, জমির পরিমাণ ইত্যাদি।

    প্রয়োজনীয় নথি (Annapurna Yojana)

    ফর্ম ফিল-আপ করার সময় হাতের কাছে রাখতে হবে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই, অ্যাকাউন্টের তথ্য, বসবাসের প্রমাণপত্র হিসেবে বিদ্যুৎ কিংবা জলের বিল, এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এবার জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে অনলাইনে পূরণ করবেন অন্নপূর্ণ যোজনার ফর্ম। প্রথমে রাজ্য সরকারের পোর্টাল থেকে ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। পূরণ করা ফর্ম জমা দিতে হবে অনলাইনেই। আবেদন করতে হবে রাজ্য সরকারের সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালে। আবেদনের জন্য  https://socialsecurity.wb.gov.in/ ওয়েসাইটে যেতে হবে। এই ওয়েবসাইটেরই নাম দেওয়া হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা পোর্টাল। পোর্টালে গেলেই আবেদনকারী তাঁর নিজের ভাষা অনুযায়ী ফর্ম ডাউনলোড করতে পারবেন। পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে মোবাইল নম্বর দিয়ে। ফর্ম ফিল-আপের পর সেটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে পোর্টালেই। ফর্মের সঙ্গে স্ক্যান করে জমা দিতে হবে প্রয়োজনীয় নথিও।

    কোন কোন তথ্য জানাতে হবে

    ২৭ মে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফি মাসে ৩ হাজার টাকা করে পেতে হলে পূরণ করতে হবে এই ফর্ম। একটি পরিবার একটিই ফর্ম পাবে। যদিও সেখানে একাধিক নামের জায়গা রয়েছে। ফর্মের প্রথমেই রয়েছে আবেদনকারীর পরিবারের নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা, লিঙ্গ, আধার নম্বর, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল ফোনের নম্বর লিখতে হবে। উল্লেখ করতে হবে পরিবারের অন্য সদস্যদের যাবতীয় তথ্য এবং গৃহকর্তা বা গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক কী, তা। পরিবারের সদস্যদের কারও ব্যক্তিগত চার চাকার গাড়ি থাকলে ফর্মে উল্লেখ করতে হবে তাও (Annapurna Yojana)। আবেদনকারী এখন রাজ্য সরকারের কোনও সুবিধা পান কিনা এবং পরিবারের কোনও সদস্যের স্বাস্থ্যবিমা, কিষান ক্রেডিট কার্ড, মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড এবং শিক্ষার্থী ক্রেডিট কার্ড থাকলে, সে সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। পরিবারের সদস্যরা পেশায় কী, তাও উল্লেখ করতে হবে ওই ফর্মে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

    এই প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া (Application Guide) বাধ্যতামূলক করায় সচেতনভাবেই গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। যদিও পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম সংক্রান্ত কোনও গুজবে কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রত্যেকের বাড়িতে ফর্ম পূরণের জন্য লোক যাবেন। তাঁরাই ফর্ম পূরণ করিয়ে দেবেন। বিভ্রান্ত না হওয়ার আবেদনও জানান (Annapurna Yojana) নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

  • RCB Wins IPL 2026: একটা ট্রফির জন্য ১৮ বছর, তারপর টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন! আইপিএলে আরসিবির অবিশ্বাস্য উত্থান

    RCB Wins IPL 2026: একটা ট্রফির জন্য ১৮ বছর, তারপর টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন! আইপিএলে আরসিবির অবিশ্বাস্য উত্থান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঠারো বছরের অপেক্ষা, অসংখ্য ব্যর্থতা, হৃদয়ভাঙা মুহূর্ত আর ট্রোলের পাহাড় পেরিয়ে ২০২৫ সালে প্রথমবার আইপিএল ট্রফি জিতেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)। আর সেই সাফল্য যে কেবল একবারের বিস্ময় ছিল না, তা প্রমাণ করে দিল তারা ২০২৬ সালেও। টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম অভিজাত ক্লাবে নাম লিখিয়ে ফেলল বিরাট কোহলি-রজত পাটিদারদের দল। এর আগে কেবল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসই আইপিএলে টানা দু’বার শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরসিবির নাম। শুধু শিরোপা জয় নয়, গোটা মরশুমে আধিপত্য বিস্তার করে প্রতিপক্ষদের কার্যত গুঁড়িয়ে দিয়েছে বেঙ্গালুরু।

    শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে আরসিবি

    লিগ পর্বে ১৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে শীর্ষস্থানে শেষ করেছিল আরসিবি। এরপর কোয়ালিফায়ার ১-এ গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানে বিধ্বস্ত করে সরাসরি ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা। ফাইনালেও সেই একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একতরফা জয় তুলে নেয় বেঙ্গালুরু। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অবসর নিয়েছেন, দলে এসেছে একাধিক পরিবর্তন। কিন্তু মাঠে তার কোনও প্রভাবই দেখা যায়নি। যেন গত বছরের সফল অভিযানের ধারাবাহিকতাই বজায় রেখেছে তারা।

    আহমেদাবাদে গুজরাতের মাঠেও ছিল আরসিবির রাজত্ব

    নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম ছিল গুজরাট টাইটান্সের ‘হোম গ্রাউন্ড’। কিন্তু বাস্তবে ছবিটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ম্যাচের আগের দিন থেকেই হাজার হাজার আরসিবি সমর্থক লাল জার্সি পরে আহমেদাবাদে ভিড় জমাতে শুরু করেন। ফাইনালের দিন প্রায় এক লক্ষ দর্শকের মধ্যে সিংহভাগই ছিল আরসিবির সমর্থক। স্টেডিয়ামের প্রতিটি কোণে ধ্বনিত হচ্ছিল “আরসিবি, আরসিবি” স্লোগান। কার্যত নিজেদের ঘরের মাঠেই খেলছিল রজত পাটিদারের দল। আরসিবি ফাইনালের কয়েকদিন আগেই আহমেদাবাদে পৌঁছে প্রস্তুতি শুরু করেছিল। তীব্র গরমে অনুশীলন, উইকেট পর্যবেক্ষণ এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কাজ তারা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।

    বল হাতে গুজরাটকে শ্বাসরুদ্ধ করল বেঙ্গালুরু

    টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আরসিবি। রোদে পুড়ে শক্ত হয়ে যাওয়া উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ ছিল না। সেই সুযোগই পুরোপুরি কাজে লাগান বেঙ্গালুরুর বোলাররা। মরশুমে ৭০০-র বেশি রান করা গুজরাটের দুই ওপেনারকে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ফেরত পাঠিয়ে দেয় তারা। চলতি মরশুমে তৃতীয়বারের মতো শুভমান গিল ও সাই সুদর্শনকে দ্রুত আউট করতে সক্ষম হয় আরসিবি। জশ হ্যাজেলউড বড় ম্যাচে নিজের অভিজ্ঞতার পরিচয় দেন। ভুবনেশ্বর কুমার নিখুঁত পরিকল্পনায় সাই সুদর্শনকে বাউন্সারে ফাঁদে ফেলেন। অন্যদিকে রাসিখ সালাম দার, যাঁকে অনেকেই গুরুত্ব দেননি, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। মাত্র ৩.৪ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। জস বাটলারও পাল্টা আক্রমণের সাহস দেখাতে পারেননি। ওয়াশিংটন সুন্দর একবার জীবনদান পেলেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। শেষদিকে অরশাদ খানের ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংস কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও গুজরাট নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৫ রানেই থেমে যায়।

    রান তাড়ায় কোহলির রাজকীয় ইনিংস

    ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় আরসিবিকে। ফিল সল্টের অনুপস্থিতিতে ওপেন করতে নামা ভেঙ্কটেশ আইয়ার এবং বিরাট কোহলি পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচকে একতরফা করে দেন। মাত্র পাঁচ ওভারের মধ্যেই দলীয় স্কোর ৬০ পেরিয়ে যায়। পাওয়ারপ্লে শেষে স্কোরবোর্ডে ৭০ রান। ভেঙ্কটেশ আইয়ার দ্রুত আউট হলেও কোহলি থামেননি। কাগিসো রাবাদার এক ওভারে তিনটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেন তিনি। রশিদ খান নবম ওভারে রজত পাটিদার এবং ক্রুনাল পাণ্ডিয়াকে ফিরিয়ে সামান্য উত্তেজনা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু সেটুকুই। কোহলির সঙ্গে টিম ডেভিডের ৪১ রানের জুটি গুজরাটের শেষ আশাটুকুও শেষ করে দেয়। ২৫ বলে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন কোহলি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালের ফাইনালের পর এবারই প্রথম আইপিএল প্লে-অফে অর্ধশতরান পেলেন তিনি।

    শেষ বলেও কোহলির ছক্কা

    ম্যাচের একমাত্র উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত আসে ১৬তম ওভারে। কোহলির একটি ক্যাচ ধরার চেষ্টা করেন শুভমান গিল। তৃতীয় আম্পায়ারের দীর্ঘ পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় ‘নট আউট’। এরপর আর কোনও বাধা ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে অপরাজিত ৭৫ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন কোহলি। আরসিবির ঐতিহাসিক অভিযানের সমাপ্তিও হয় তাঁর ব্যাট থেকেই। জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান আসে একটি বিশাল ছক্কায়।

    নতুন যুগের সূচনা

    ২০২৫ সালে প্রথম শিরোপা জয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, সেটি হয়ত দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পাওয়া একবারের সাফল্য। কিন্তু ২০২৬ সালের অভিযান স্পষ্ট করে দিল, আরসিবি এখন কেবল জনপ্রিয় দল নয়, তারা এক শক্তিশালী ক্রিকেট সাম্রাজ্য। ১৮ বছর অপেক্ষা করে প্রথম ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু। এরপর মাত্র ১২ মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় শিরোপা। টানা দুইবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে রজত পাটিদার, বিরাট কোহলি, জশ হ্যাজেলউড, ভুবনেশ্বর কুমারদের এই দল জানিয়ে দিল— ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক শক্তির উত্থান হয়েছে। আর সেই সাম্রাজ্যের রং নিঃসন্দেহে লাল।

  • Vande Mataram: সরকারি নির্দেশ মেনে মাদ্রাসা-মিশনারি সহ রাজ্যের সব স্কুলে বন্দে মাতরম গাওয়া শুরু

    Vande Mataram: সরকারি নির্দেশ মেনে মাদ্রাসা-মিশনারি সহ রাজ্যের সব স্কুলে বন্দে মাতরম গাওয়া শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষাঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সূচনা হল। আজ থেকে সমস্ত সরকারি ও সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ে পঠনপাঠন শুরুর পূর্বে জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) গানটি গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধু সরকারি সাধারণ স্কুলেই নয়, মিশনারি স্কুল এবং মাদ্রসাগুলিতেও (Missionary School and Madrasa) একই ভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জারি করা এক নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

    নির্দেশিকার মূল বিষয়সমূহ (Vande Mataram)

    শিক্ষাদফরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশাত্মবোধ, শৃঙ্খলা এবং নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যেই বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গান গাওয়ার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নির্দেশিকায় মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    • দৈনিক প্রার্থনা সভা: প্রতিদিন বিদ্যালয় শুরুর নির্ধারিত সময়ে প্রার্থনাসভায় শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থী—উভয়কেই উপস্থিত থাকতে হবে।
    • সম্মিলিত কণ্ঠ: প্রার্থনার অঙ্গ হিসেবে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্মিলিত কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি পরিবেশন করতে হবে।
    • শৃঙ্খলা রক্ষা: এই প্রক্রিয়া চলাকালীন বিদ্যালয়ের (Missionary School and Madrasa) সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।

    মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও বর্তমান পরিস্থিতি

    ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মহল এবং শিক্ষাবিদদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদলের মতে, শৈশব থেকেই শিক্ষার্থীদের মনে দেশপ্রেমের বীজ বপন করতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। অন্যদিকে, শিক্ষা ব্যবস্থার পরিকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে আরও বেশি নজর দেওয়া উচিত ছিল বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

    শিক্ষা দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য

    শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কেবল পুঁথিগত জ্ঞান অর্জন নয়, বরং চরিত্র গঠন (Vande Mataram)। এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মনে দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ ও সংহতির চেতনাকে আরও সুদৃঢ় করবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।’’ আজ সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিদ্যালয়গুলিতে এই নির্দেশিকা কার্যকর করার তোড়জোড় লক্ষ্য করা গেছে। বহু স্কুলেই ছাত্রছাত্রীদের উদ্দীপনার সঙ্গে এই নতুন নিয়মে শামিল হতে দেখা গিয়েছে।

    শিলিগুড়িতে বহু ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে তোড়জোড়

    শিলিগুড়িতে বহু ইংরেজি মাধ্যম ও মিশনারি স্কুল (Missionary School and Madrasa) রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে গানের শিক্ষকরা প্রতিদিন নিয়ম করে বন্দেমাতরম গানের রিহার্সাল করছেন ইতিমধ্যে। এক স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, “আমরা নিজের স্কুলে আগে থেকেই প্রথম দুটো স্তবক (Vande Mataram) গাইতাম। এবার বাকি দুটো স্তবক ছাত্রছাত্রীদের শেখাচ্ছি। উত্তরবঙ্গে আমাদের উত্তরবঙ্গ সহোদয় স্কুল কমপ্লেক্সের অধীনে ৮০টি সিবিএসই স্কুল আছে। তাদেরকেও দ্রুত বন্দেমাতরম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি। তবে মিশনারি স্কুলগুলি আমাদের সংগঠনের আওতার বাইরে। তবে আশা করছি ওরাও দ্রুত গাইবে।” রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই দ্রুত বন্দে মাতরম নিয়ে তৎপর হয়ে উঠেছে সরকারি স্কুল, মিশনারি স্কুল এবং মাদ্রাসাগুলি।

  • CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ ঘিরে তদন্তে আরও তৎপর হল সিআইডি (CID)। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে তলব করার পাশাপাশি মামলার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এক ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে এই দলে রয়েছেন এক ডিএসপি, দুই ইনস্পেক্টর এবং আরও কয়েকজন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    সইকাণ্ডে সিট গঠন সিআইডির

    সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে সম্প্রতি সোনারপুরে হেনস্তার ঘটনার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি নির্ধারিত দিনে উপস্থিত থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সিট গঠনের সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারী মহলের একাংশ। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করেই আলাদা তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করাই এই দলের মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বাহারুল ইসলাম এবং কুণাল ঘোষের কাছেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন

    বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। গত ৬ মে কালীঘাটে তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয় এবং উপস্থিত বিধায়কেরা হাত তুলে সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। তবে সেই সময় বিধানসভায় জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পূর্ণ করা হয়নি। পরবর্তীতে ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় শপথগ্রহণের সময় বিধায়কদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়। এরপর ১৯ মে কালীঘাটে আরেকটি বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সই নেওয়া হয়। অভিযোগ, ওই স্বাক্ষরের ভিত্তিতেই ৭০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল।

    গণস্বাক্ষরে জালিয়াতির সন্দেহ…

    বিধানসভার সচিবালয় নথি যাচাই করতে গিয়ে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরে অসঙ্গতি খুঁজে পায়। দুটি পৃথক নথিতে স্বাক্ষরের অমিল ধরা পড়ায় জালিয়াতির সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর বিধানসভার সচিব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, কারা স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিলেন, কী পরিস্থিতিতে নথি প্রস্তুত হয়েছিল এবং কোনও স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল কি না। প্রয়োজনে আরও কয়েকজন বিধায়ক ও দলের নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলেও সূত্রের দাবি। এদিকে, গোটা ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর সম্ভাব্য হাজিরার আগেই সিট গঠন হওয়ায় স্পষ্ট, মামলার তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সিআইডি।

  • Suvendu Government Full Cabinet: পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠিত, শপথ নিলেন ৩৫ মন্ত্রী, দেখুন পূর্ণ তালিকা

    Suvendu Government Full Cabinet: পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠিত, শপথ নিলেন ৩৫ মন্ত্রী, দেখুন পূর্ণ তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল সোমবার। কলকাতার লোকভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল আরএন রবি মোট ৩৫ জন বিধায়ককে মন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান। নতুন মন্ত্রিসভায় ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয়নি। এর আগে গত ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে প্রথম দফায় শপথ গ্রহণ করেন অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। ইতিমধ্যেই তাঁদের দফতর নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ‘বন্দেমাতরম’, ‘জন গণ মন’-তে অনুষ্ঠানের সূচনা

    সোমবারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয় জাতীয় গান ‘বন্দেমাতরম’ এবং জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-র মাধ্যমে। এরপর মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল একে একে নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিধায়করা ছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালসহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতা। লোকভবনে শপথ নিতে আসা অধিকাংশ নেতাকেই দেখা যায় ধুতি-পাঞ্জাবি বা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাকে। অনেকেই পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

    পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন—

    • দীপক বর্মন (ফালাকাটা)
    • তাপস রায় (মানিকতলা)
    • মনোজকুমার ওঁরাও (কুমারগ্রাম)
    • শঙ্কর ঘোষ (শিলিগুড়ি)
    • জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (সিউড়ি)
    • স্বপন দাশগুপ্ত (রাসবিহারী)
    • অর্জুন সিং (নোয়াপাড়া)
    • গৌরীশংকর ঘোষ (মুর্শিদাবাদ)
    • অরূপকুমার দাস (সিঙ্গুর)
    • দুধকুমার মণ্ডল (ময়ূরেশ্বর)
    • শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (বিধাননগর)
    • কল্যাণ চক্রবর্তী (খড়দা)
    • অজয়কুমার পোদ্দার (কুলটি)

    স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন—

    • মালতী রাভা রায় (তুফানগঞ্জ)
    • রাজেশ মাহাতো (গোপীবল্লভপুর)
    • ইন্দ্রনীল খাঁ (বেহালা পশ্চিম)

    প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন—

    • জুয়েল মুর্মু (হবিবপুর)
    • আনন্দময় বর্মন (মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি)
    • অশোক দিন্দা (ময়না)
    • শান্তনু প্রামাণিক
    • উমেশ রাই
    • পূর্ণিমা চক্রবর্তী
    • কৌশিক চৌধুরী
    • দিবাকর ঘরামি
    • কলিতা মাজি
    • গার্গী দাস ঘোষ
    • দীপঙ্কর জানা
    • সুমনা সরকার
    • হরেকৃষ্ণ বেরা (তমলুক)
    • বিশাল লামা (কালচিনি)
    • মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র (বর্ধমান দক্ষিণ)
    • নাদিয়ার চাঁদ বাউরি (পারা)
    • বিরাজ বিশ্বাস (করণদিঘি)
    • ভাস্কর ভট্টাচার্য (শ্রীরামপুর)
    • অমিয় কিস্কু (নয়াগ্রাম)

    এদিকে রাজনৈতিক মহলের নজর এখন নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে দফতর বণ্টনের দিকে। সূত্রের খবর, শপথগ্রহণের পর নবনিযুক্ত মন্ত্রীরা সরাসরি নবান্নে যান এবং সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর দফতর বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে। সরকার গঠনের মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন হওয়ায় প্রশাসনিক কাজকর্মে গতি আসবে বলেই মনে করছে শাসক শিবির।

  • Women Free Bus Travel: কথা দিয়েছিলেন শুভেন্দু, আজ থেকে সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য শূন্য ভাড়া, কীভাবে মিলবে সুবিধা?

    Women Free Bus Travel: কথা দিয়েছিলেন শুভেন্দু, আজ থেকে সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য শূন্য ভাড়া, কীভাবে মিলবে সুবিধা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত পরিষেবা সোমবার, ১ জুন থেকে কার্যকর হল। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই প্রকল্প চালুর ঘোষণা করেছিল। সেই ঘোষণামতো আজ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি পরিবহণ সংস্থার বাসে মহিলাদের আর কোনও ভাড়া দিতে হচ্ছে না।

    কোন কোন বাসে মিলবে এই সুবিধা?

    রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাস পরিষেবাতেই এই সুবিধা কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

    • ● এনবিএসটিসি (NBSTC)
    • ● এসবিএসটিসি (SBSTC)
    • ● ডব্লিউবিটিসি (WBTC)
    • ● সিটিসি (CTC)

    শহর ও শহরতলির ছোট রুট থেকে শুরু করে দূরপাল্লার বাস—সব ক্ষেত্রেই মহিলারা বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন। অর্থাৎ হাওড়া-মানিকতলা থেকে দীঘা-দার্জিলিং—সব সরকারি বাস রুটেই এই সুবিধা প্রযোজ্য। বাসে উঠলে মহিলা যাত্রীদের ‘জিরো ভ্যালু টিকিট’ (Zero Value Ticket) দেওয়া হচ্ছে, যা বিনামূল্যে যাত্রার সরকারি নথি হিসেবে কাজ করবে।

    আসছে ‘পিঙ্ক কার্ড’

    প্রকল্পের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং অপব্যবহার রুখতে রাজ্য সরকার শীঘ্রই মহিলাদের জন্য বিশেষ ‘পিঙ্ক কার্ড’ (Pink Card) চালু করবে। এই স্মার্ট কার্ডটি মূলত একটি ‘ফ্রি ট্রাভেল পাস’ হিসেবে কাজ করবে। বাসে ওঠার পর কন্ডাক্টরের কাছে থাকা ই-পস (e-POS) মেশিনে কার্ড সোয়াইপ বা QR কোড স্ক্যান করলেই যাত্রী ‘জিরো ভ্যালু টিকিট’ সংগ্রহ করতে পারবেন। সরকারের মতে, মহিলাদের পরিচয়ে অন্য কেউ যাতে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই কার্ড চালু করা হচ্ছে।

    পিঙ্ক কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা

    পিঙ্ক কার্ড পেতে হলে—

    • ● আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
    • ● কোনও নির্দিষ্ট বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়নি।
    • ● কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
    • ● এটি হস্তান্তরযোগ্য নয় (Non-transferable)।
    • ● যাঁর নামে কার্ড ইস্যু হবে, শুধুমাত্র তিনিই তা ব্যবহার করতে পারবেন।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    পিঙ্ক কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে অফলাইন ও অনলাইন—দুই পদ্ধতিতেই।

    অফলাইনে

    নিম্নলিখিত সরকারি দফতর থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করা যাবে—

    • ● বিডিও (BDO) অফিস
    • ● এসডিও (SDO) অফিস
    • ● পুরসভা (Municipality) অফিস

    অনলাইনে

    সরকারের নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

    প্রয়োজনীয় নথি

    আবেদনের সময় জমা দিতে হবে—

    • ● আধার কার্ড
    • ● ভোটার কার্ড
    • ● রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি
    • ● ঠিকানার প্রমাণপত্র

    পিঙ্ক কার্ড না থাকলেও কি ফ্রি ভ্রমণ করা যাবে?

    হ্যাঁ। বর্তমানে পিঙ্ক কার্ড তৈরি ও বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। তাই কার্ড হাতে না পাওয়া পর্যন্ত মহিলারা পরিচয়পত্র দেখিয়েই বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন। বাসে উঠে কন্ডাক্টরকে বৈধ পরিচয়পত্র দেখালে তিনি একটি ‘জিরো ভ্যালু টিকিট’ প্রদান করবেন। এ বিষয়ে বাসকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি বাসে ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা ও তথ্যপত্র টাঙানো হয়েছে।

    কোন পরিচয়পত্র দেখাতে হবে?

    সরকার অনুমোদিত নিম্নলিখিত পরিচয়পত্রগুলির মধ্যে যেকোনও একটি দেখালেই বিনামূল্যে যাতায়াত করা যাবে—

    • ● আধার কার্ড (Aadhaar Card)
    • ● ভোটার পরিচয়পত্র (Voter ID/EPIC)
    • ● প্যান কার্ড (PAN Card)
    • ● ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving Licence)
    • ● পাসপোর্ট (Passport)
    • ● এমজিএনআরইজিএ জব কার্ড (MGNREGA Job Card)
    • ● ছবিসহ যেকোনও সরকারি বা পেনশন সংক্রান্ত পরিচয়পত্র

    আপাতত কী করতে হবে?

    পিঙ্ক কার্ড চালু না হওয়া পর্যন্ত মহিলা যাত্রীদের শুধু বৈধ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখলেই হবে। সরকারি বাসে উঠে পরিচয়পত্র দেখিয়ে ‘জিরো ভ্যালু টিকিট’ সংগ্রহ করেই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত করা যাবে।

  • ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবনী পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণ করতে ভারতের বেসরকারি শিল্পক্ষেত্র ও উদ্যোক্তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর আহ্বান জানাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। ওড়িশার ভুবনেশ্বরে আয়োজিত সংগঠনের তিন দিনব্যাপী জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ (NEC) বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার সঙ্গে শিল্পক্ষেত্রের সমন্বয় না ঘটলে গবেষণার প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়— এই মূল বার্তাটিই উঠে এসেছে এবিভিপি-র শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা থেকে।

    জিডিপির ১ শতাংশেরও কম খরচ গবেষণায় (ABVP)

    এবিভিপি-র (ABVP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ডক্টর বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বৈঠকে ভারতের বর্তমান গবেষণা ব্যবস্থার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারত তার মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (GDP) ১ শতাংশেরও কম অংশ গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে ব্যয় করে। সবচেয়ে বড় বিষয়, এই খরচের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যেমন— ইসরো (ISRO), ডিআরডিও (DRDO) এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় আইআইটি বা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে। বৈশ্বিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে ধরে রাখতে হলে এই ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অবদান বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।”

    উদীয়মান প্রযুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রয়োজন

    এবিভিপির (ABVP) পক্ষ থেকে ভারতীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ প্রতিভাদের কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি যৌথ অংশীদারিত্বের (Industry-Academia Partnership) মডেল তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে সমসাময়িক এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলি হল-

    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ও কোয়ান্টাম টেকনোলজি।
    • ● সাইবার নিরাপত্তা (Cybersecurity) এবং বায়োটেকনোলজি।
    • ● পরিবেশবান্ধব বা পরিচ্ছন্ন শক্তি (Clean Energy)।

    এবিভিপি সংগঠনের মতে, এই উদীয়মান খাতগুলিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল দেশের উদ্ভাবনী ক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং গবেষণা খাতে ভারতের সামগ্রিক জাতীয় ব্যয় বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।

    ডিগ্রি অর্জনের ঊর্ধ্বে গিয়ে দেশ গঠন

    ডক্টর সোলাঙ্কি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “এবিভিপি (ABVP) সব সময়ই বিশ্বাস করে যে শিক্ষা মানে কেবল মাত্র একটি ডিগ্রি অর্জন বা চাকরি পাওয়া নয়; শিক্ষা হল দেশ গঠন এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মূল ভিত্তি।” তিনি আরও বলেন, “শিল্পক্ষেত্রের সম্পদ ও পরিকাঠামোর সঙ্গে যদি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মেধা ও দক্ষতার সঠিক মেলবন্ধন ঘটানো যায়, তবে তা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ে তোলার জাতীয় সংকল্পকে এক অভূতপূর্ব গতি প্রদান করবে। গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অনুঘটক নয়, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।”

    জাতীয় নিরাপত্তা ও শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ব্যাপক মন্থন

    ভুবনেশ্বরের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই তিন দিনের জাতীয় বৈঠকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ৫০০ জন ছাত্রনেতা, শিক্ষাবিদ ও প্রতিনিধি অংশ নেন। গবেষণা ও শিল্পক্ষেত্রের অংশীদারিত্ব ছাড়াও এই সম্মেলনে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০-র বাস্তবায়ন, ত্রি-ভাষা নীতি, ক্যাম্পাস স্তরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নারী নিরাপত্তা এবং ‘আর্বান নকশাল’ বা শহুরে মাওবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়গুলি নিয়ে গভীর আলোচনা (NEC) হয়। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির উপস্থিতিতে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সম্মেলনের আবহ তৈরি হয়েছিল, যা আগামী দিনে দেশের শিক্ষাঙ্গনে নতুন জাতীয়তাবাদী চিন্তার প্রসার ঘটাতে ছাত্র সমাজকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশাবাদী এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্ব।

  • Ramakrishna 659: “বিচার যদি কর, তাহলে ঈশ্বর আছেন, কেমন করে বলবে? আর বিশ্বাসের উপর যদি যাও, তাহলে সেব্য-সেবক মানতেই হবে”

    Ramakrishna 659: “বিচার যদি কর, তাহলে ঈশ্বর আছেন, কেমন করে বলবে? আর বিশ্বাসের উপর যদি যাও, তাহলে সেব্য-সেবক মানতেই হবে”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৮ই এপ্রিল

    বুদ্ধদেব কি ঈশ্বরের অস্তিত্ব মানতেন? নরেন্দ্রকে শিক্ষা

    বেলা নয়টা হইয়াছে, ঠাকুর মাস্টারের সহিত কথা কহিতেছেন, ঘরে শশীও আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — নরেন্দ্র আর শশী কি বলছিল — কি বিচার করছিল?

    মাস্টার (শশীর প্রতি) — কি কথা হচ্ছিল গা?

    শশী — নিরঞ্জন বুঝি বলেছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ‘ঈশ্বর নাস্তি অস্তি’, এই সব কি কথা হচ্ছিল (Kathamrita)?

    শশী (সহাস্যে) — নরেন্দ্রকে ডাকব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ডাক।         [নরেন্দ্র আসিয়া উপবেশন করিলেন।]

    (মাস্টারের প্রতি) — “তুমি কিছু জিজ্ঞাসা কর। কি কথা হচ্ছিল, বল।”

    নরেন্দ্র — পেট গরম হয়েছে। ও আর কি বলবো।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — সেরে যাবে।

    মাস্টার (সহাস্যে) — বুদ্ধ অবস্থা কিরকম?

    নরেন্দ্র — আমার কি হয়েছে, তাই বলবো।

    মাস্টার — ঈশ্বর আছেন — তিনি কি বলেন?

    নরেন্দ্র — ঈশ্বর আছেন কি করে বলছেন? তুমিই জগৎ সৃষ্টি করছো। Berkely কি বলেছেন, জানো তো?

    মাস্টার — হাঁ, তিনি বলেছেন বটে — Their esse is percipii (The existence of external objects depends upon their perception.) — “যতক্ষণ ইন্দ্রিয়ের কাজ চলেছে, ততক্ষণই জগৎ!’

    পূর্বকথা—তোতাপুরীর ঠাকুরকে উপদেশ—“মনেই জগৎ”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ন্যাংটা বলত, “মনেই জগৎ, আবার মনেতেই লয় হয়।’

    “কিন্তু যতক্ষণ আমি আছে, ততক্ষণ সেব্য-সেবকই ভাল।”

    নরেন্দ্র (মাস্টারের প্রতি) — বিচার যদি কর, তাহলে ঈশ্বর আছেন, কেমন করে বলবে? আর বিশ্বাসের উপর যদি যাও, তাহলে সেব্য-সেবক মানতেই হবে। তা যাদি মানো — আর মানতেই হবে — তাহলে দয়াময়ও বলতে (Kathamrita) হবে।

LinkedIn
Share