Tag: news in bengali

news in bengali

  • Shehbaz Sharif: ৪০ মিনিট ঠায় অপেক্ষা করালেন পুতিন, ধৈর্য হারিয়ে গেটক্র্যাশ, শেহবাজের কাণ্ডে নিন্দার ঝড়

    Shehbaz Sharif: ৪০ মিনিট ঠায় অপেক্ষা করালেন পুতিন, ধৈর্য হারিয়ে গেটক্র্যাশ, শেহবাজের কাণ্ডে নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মিনিট-দু’মিনিট নয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Putin) সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পাক্কা ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif) প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে। শুক্রবার তুর্কিমেনিস্তানে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর পিস অ্যান্ড ট্রাস্টের বৈঠকের ফাঁকে পুতিনের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক হওয়ার কথা ছিল শরিফের। যদিও প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তার পরেও হাজির হননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। অপেক্ষা করে করে দৃশ্যতই অধৈর্য শরিফ সিদ্ধান্ত নেন পাশের বৈঠককক্ষে ঢোকার। ঢুকতে গিয়ে দেখেন, সেখানে তখনও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিক্যাপ তাইয়াপ এর্ডোগানের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। শরিফকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দুই রাষ্ট্রনেতার সামনে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন শরিফ। মিনিট কয়েক দাঁড়িয়ে থেকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

    পাক প্রধানমন্ত্রীর ‘গেটক্র্যাশিং’ (Shehbaz Sharif)

    শরিফের এই অপেক্ষা ও তার পরে ‘গেটক্র্যাশিং’ পাকিস্তানের মর্যাদা ও তার আন্তর্জাতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে কূটনৈতিক মহলে। বর্তমানে অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তেমন কোনও গুরুত্বই নেই দেশটির। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ‘কোর ফাইভ’ গঠন করবেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে, সেখানে ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif)। যদিও পাঁচটি দেশের তালিকায় নাম রয়েছে নরেন্দ্র মোদির ভারতের। তুর্কিমেনিস্তানের স্থায়ী নিরপেক্ষতার ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে মিলিত হয়েছেন রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের শীর্ষ নেতারা। শুক্রবার ওই বৈঠকের ফাঁকেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের।

    নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয় তুর্কিমেনিস্তান

    প্রসঙ্গত, ৩০ বছর আগে স্থায়ীভাবে নিরপেক্ষ দেশে পরিণত হয় তুর্কিমেনিস্তান। ১৯৯৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা সর্বসম্মতিক্রমে এর স্বীকৃতি দেয়। নিরপেক্ষ দেশ হয়ে সামরিক জোটে যোগ না দেওয়া, আত্মরক্ষা ছাড়া অন্য কোনও দেশের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িত না হওয়া এবং তুর্কিমেনিস্তানের মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি স্থাপন করতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তুর্কিমেনিস্তান।

    মোদি-পুতিন সখ্যতা

    দিন কয়েক আগেই ভারত সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন (Shehbaz Sharif) পুতিন, একই গাড়িতে বসেছেন, হাসিমুখে আলিঙ্গন করেছেন, সেখানে শাহবাজের কপালে অপমান জোটায় পাক প্রধানমন্ত্রীর দিকে ধেয়ে এসেছে কাটাক্ষ-বাণ। এক নেটিজেন বলেন, “পুতিন (Putin) এরকম লোকেদের জন্য তাঁর সময় নষ্ট করতে চান না।” আর একজন বলেন, “এটা আন্তর্জাতিক অপমানে পরিণত হয়েছে।” আর এক নেটিজেন বলেন, “৪০ মিনিট ধরে পুতিনের দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন শাহবাজ শরিফরা। তাও প্রবেশ করার সুযোগ পাননি, পরে অবশ্য প্রবেশ করেছিলেন, যেমন কোনও আত্মীয় আমন্ত্রণ ছাড়াই বিয়েতে প্রবেশ করেছিলেন।” অন্য এক ইউজার লিখেছেন, “৪০ মিনিট অপেক্ষার পর জোম্যাটোর ডেলিভারি বয়টাও হাল ছেড়ে দেয়। কিন্তু শরিফ ছাড়েননি।” আর (Putin) একজন লিখেছেন, “ওঁকে ট্রাফিক সিগনালের ভিখারির মতোই উপেক্ষা করেছি।” আর এক নেটিজেন আবার লিখেছেন, ‘‘ভিখিরির (Shehbaz Sharif) আবার পছন্দ-অপছন্দ কীসের?’’

  • SIR In Bengal: রাজ্যে ৮৫ লক্ষের বাবার নামে গলদ! দেড় কোটিরও বেশি ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে নামছে কমিশন

    SIR In Bengal: রাজ্যে ৮৫ লক্ষের বাবার নামে গলদ! দেড় কোটিরও বেশি ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে নামছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শেষ হয়েছে এনুমারেশন প্রক্রিয়া। এনুমারেশন ফর্মের তথ্য দেখে চোখ কপালে উঠেছে কমিশনের। কোথাও ভোটারের চেয়ে তাঁর বাবা বা মা মাত্র ১৫ বছরের বড়। কোথাও আবার ঠাকুরদা বা ঠাকুরমার চেয়ে ভোটার ৪০ বছরেরও ছোট নয়। মাঝে এক প্রজন্ম ব্যবধানের পরেও বয়সের ফারাক ৪০ বছরের কম। কোথাও ভোটারের সঙ্গে তাঁর বাবা-মায়ের বয়সের ফারাক ৫০ বছরেরও বেশি। আবার অনেক জায়গায় বদলে গিয়েছে বাবার নামই। দেখা গিয়েছে রাজ্যে ৮৫ লক্ষ ভোটারের বাবার নামে গলদ। সাড়ে ১৩ লক্ষ ভোটারের বাবা-মায়ের নাম এক।

    বাবার নামে গলদ

    কমিশন সূত্রে খবর, মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ ৪৫ হাজার ৯১১ ভোটারের তথ্যে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। ওই তথ্যগুলি যাচাই করে দেখা হবে। যেমন, বহু ক্ষেত্রে ৬ জনেরও বেশি ভোটার এনুমারেশন ফর্মে বাবার নাম একই উল্লেখ করেছেন। এমন ২৪ লক্ষ ২১ হাজারেরও বেশি ভোটারকে চিহ্নিত করেছে কমিশন। বর্তমান সমাজব্যবস্থার প্রেক্ষিতে এনুমারেশন ফর্মের তথ্যগুলি সন্দেহজনক ঠেকছে কমিশনের। ১৫ বছরের কম বয়সে বাবা হয়েছেন, এরকম সংখ্যা ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার। ৪০ বছরেরও কম বয়সে ঠাকুরদা হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার। বিস্তারিত যদি তথ্যগুলো যাচাই করা হয়, তাহলে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যে সাড়ে ১৩ লক্ষ ভোটারের ক্ষেত্রে একই ব্যক্তির নাম বাবা – মা হিসেবে এসেছে। অর্থাৎ পরিবারে একজনের ক্ষেত্রে বাবার নাম যা ওই পরিবারে, আরেকজনের ক্ষেত্রে বাবার নাম মায়ের জায়গায় এসেছে। এরা প্রত্যেকেই বৈধ ভোটার কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে সূত্রের খবর।

    ২০০২ সালের তালিকায় নাম নেই কেন

    কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে এমন বহু ভোটার রয়েছেন যাঁদের বয়স ৪৫ বছরের বেশি, অথচ ২০০২ সালের তালিকায় তাঁদের নাম ছিল না। এমনও ২০ লক্ষ ৭৪ হাজার ভোটারকে চিহ্নিত করেছে কমিশন। এই ভোটারদের বয়স এখন যদি ৪৫ বছরও হয়, তা-ও ২০০২ সালে তাঁদের বয়স হওয়ার কথা অন্তত ২২ বছর। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নাম কেন ওই সময়ের ভোটার তালিকায় ছিল না, তা খতিয়ে দেখতে চায় কমিশন। যদিও কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, নামের বানান ভুল থাকলে সেগুলিকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে যে সব ফর্মে উল্লেখ্যযোগ্য বদল দেখা যাচ্ছে, সেগুলিকেই মূলত যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেমন পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের এক বুথে কোনও এক ভোটারের বাবার নাম ২০০২ সালের তালিকায় ছিল নিরঞ্জন। এখন তা বদলে হয়ে গিয়েছে নিরাপদ। এই ধরনের বদলগুলিকেই বেশি করে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    লিঙ্গের তথ্যেও অমিল

    ১৩ লক্ষেরও বেশি ভোটারের লিঙ্গের তথ্যেও অমিল ধরা পড়েছে এনুমারেশন ফর্মে। সব মিলিয়ে মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ ৪৫ হাজার ৯১১ ভোটারের তথ্য যাচাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কমিশন নিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিক (বিএলও)-এরা এই তথ্য যাচাই করার জন্য পুনরায় সন্দেহের তালিকায় থাকা এই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাবেন। সূত্রের খবর, বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাইয়ের পরেও কোনও সন্দেহের অবকাশ থাকলে ওই ভোটারদের কমিশনের শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে রোল অবজারভারদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সরব বিরোধীরা

    এই তথ্য সামনে আসার পরই স্বাভাবিকভাবে সরব বিরোধীরা। বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “পুরোটাই আসলে ভেজাল। ভোটে জেতার জন্য বিভিন্ন সময়ে বামেরা, তারপর তৃণমূল সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করেছেন। আসল ভোটারদের ভোট দিতে দেননি। ১৫ বছরে যারা বাবা হয়েছে, তারাই আসলে ভূতুড়ে ভোটার হয়ে এইসব লোকদের জিতিয়ে এসেছে।” কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যে ৯৯.৯৬ শতাংশ ভোটারের এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় দেখা গেছে, রাজ্যে অনুপস্থিত, মৃত, স্থানান্তরিত বা একাধিক স্থানে তালিকাভুক্ত ভোটারের সংখ্যা ৫৮ লক্ষের বেশি। আপাতত এসব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তথ্য যাচাই শেষ হওয়ার পর ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে, ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নির্ভুল রাখার জন্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন ও এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত সকল তথ্য খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

  • Kolkata Air Pollution: বায়ুদূষণে দিল্লিকে টেক্কা কলকাতার! ‘প্রশাসনের গাফিলতি’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    Kolkata Air Pollution: বায়ুদূষণে দিল্লিকে টেক্কা কলকাতার! ‘প্রশাসনের গাফিলতি’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কলকাতার বাতাস নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কলকাতার বাতাসের ‘বিষ’ নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক থেকে পরিবেশ কর্মী, সব মহল! শীতের মরসুমে সেই উদ্বেগ আরও বাড়ল। কারণ, সম্প্রতি, কলকাতার বায়ুদূষণের মাত্রা ছাপিয়ে গেল দিল্লিকেও! বায়ুদূষণ নিয়ে কথা হলেই দিল্লির কথা প্রথমেই আলোচনায় আসে। কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট মহল। মানুষের স্বাস্থ্যে এর গভীর প্রভাব পড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    গত কয়েক দিন ধরেই রাত আটটা থেকে নটার মধ্যে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আশপাশের এলাকায় AQI (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স) ছিল ৩৪২-র আশপাশে। যা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি। ওই সময় দিল্লির একিউআই ছিল ২৯৯। কলকাতার ফুসফুস হিসেবে পরিচিত ময়দান এলাকায় বায়ুর এই গুণমান সূচক নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

    বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, দিন কয়েকের সমস্যা নয়। দেশের অন্যতম দূষিত শহর হল কলকাতা। কলকাতায় বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়ছে। যার ক্ষতিকারক প্রভাব পরিবেশ স্পষ্ট জানান দিচ্ছে। তবে কলকাতার পাশপাশি এ রাজ্যে হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমানের একাধিক শহরেও বায়ুদূষণের মাত্রা ভয়ঙ্কর। এ নিয়ে প্রশাসন সতর্ক না হলে আগামি দিনে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কেন কলকাতা ও আশপাশে বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জনসচেতনতা অভাব এবং প্রশাসনের সক্রিয়তার ঘাটতি কলকাতার দূষণের মাত্রা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় নানান নির্মাণ কাজ চলছে। মেট্রো রেল সম্প্রসারণ সহ একাধিক নির্মাণ কাজ চলাকালীন সেই জায়গা ঢেকে রাখাই নিয়ম। যাতে সেখানে ধুলোবালি সহজে বাতাসে মিশে না যায়। কিন্তু সেই ঢেকে রাখার ব্যবস্থা রাজ্য প্রশাসনের তরফে করা হয়নি। তাই যে কোনও নির্মীয়মান জায়গার ধুলিকণা সহজেই বাতাসে মিশে যাচ্ছে। এছাড়া শীতে শুষ্কতা বাড়ে। তাই এই সময়ে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই অতিরিক্ত গাড়ি যেসব এলাকায় চলে সেখানে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই সেই সব এলাকায় দিনে একাধিকবার জল ছেটানোর বন্দোবস্ত করা প্রয়োজন। কিন্তু কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় সে ব্যবস্থা নেই। তাই বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বাড়ছে। এছাড়াও জনসচেতনতাকেও এজন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবেশবান্ধব যানবাহন অধিকাংশ মানুষ ব্যবহার করেন না। তাই বায়ুদূষণ লাগামহীন।

    স্বাস্থ্য সঙ্কট কি দেখা দিতে পারে?

    বায়ুদূষণ স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করতে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রতি ঘনমিটারে বাতাসে ১৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি দূষণের মাত্রা থাকলেই স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হতে পারে। কিন্তু কলকাতায় সেই মাত্রা কয়েকগুণ বেশি। তাই পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলকাতা ও তার আশপাশ লাগামহীন বায়ুদূষণের জেরে শিশুদের ভোগান্তি বাড়ছে। শ্বাসকষ্ট, কাশির মতো নানান সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। এমনকি হাঁপানি আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। শিশুদের পাশপাশি বয়স্কদের জন্যেও এই পরিবেশ বিপজ্জনক। শিশু ও বয়স্কদের নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিসের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বায়ুদূষণকেই সেই জন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    জনসচেতনতা এবং প্রশাসনের সক্রিয়তা হলে তবেই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

  • Daily Horoscope 13 December 2025: সেবা ও শুভ কাজে অর্থ ব্যয় করবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 13 December 2025: সেবা ও শুভ কাজে অর্থ ব্যয় করবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নানান কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন, তবে ভয় পাবেন না।

    ২) প্রচুর দায়িত্ব থাকবে, সাহসের সঙ্গে নিজের সেই দায়িত্ব পূরণ করতে পারবেন।

    ৩) যে কোনও কাজ সম্পন্ন হতে থাকবে।

    বৃষ

    ১) কোনও নতুন কাজ শুরুর পরিকল্পনা করে থাকলে সময় অনুকূল নয়।

    ২) ভাগ্য আপনার পাশে থাকবে না।

    ৩) সারাদিনের কাজ সম্পন্ন করে সন্ধ্যাবেলা পরিবারের সদস্যের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    মিথুন

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি সাধারণ।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষকদের আশীর্বাদ পাবেন।

    কর্কট

    ১) শুভ কাজে রুচি দেখাবেন।

    ২) আপনার সিদ্ধান্তের দ্বারা ভবিষ্যতে লাভান্বিত হবেন।

    ৩) কোনও সঙ্গী ব্যবসায়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন।

    সিংহ

    ১) পুরনো বিবাদের সমাধান হবে।

    ২) মনের মধ্যে আনন্দ জাগবে।

    ৩) প্রেমীর কাছ থেকে কোনও উপহার পেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) সেবা ও শুভ কাজে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ২) মনের মধ্যে আনন্দ অনুভূতি থাকবে।

    ৩) জীবনসঙ্গীর ওপর কোনও কারণে রেগে থাকবেন।

    তুলা

    ১) অপ্রয়োজনীয় দৌড়ঝাপের কারণে পারিবারিক জীবনে অশান্তি থাকবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলা স্বস্তি অনুভব করতে পারেন।

    ৩) পরিবারের সদস্যের স্বাস্থ্য সমস্যা থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ থাকবে।

    ২) গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা ও চুক্তি আপনার অনুকূলে থাকবে।

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ভালো সময় কাটাবেন।

    ধনু

    ১) বন্ধুদের কাছ থেকে ধন লাভ।

    ২) সন্ধ্যাবেলা পরিজনদের সঙ্গে শুভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

    ৩) পরিবারের ছোট সদস্যদের সঙ্গে আনন্দে সময় কাটাবেন।

    মকর

    ১) আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।

    ২) উচ্চাধিকারিকদের সাহায্যে জমি-সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনও বিবাদের সমাধান হবে।

    ৩) ব্যবসায়ে ভালো মুনাফা হবে।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায়ে কোনও বয়স্ক মহিলার আশীর্বাদ পেতে পারেন।

    ২) আজ উন্নতির বিশেষ সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধনলাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    মীন

    ১) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) ভবিষ্যৎ চিন্তা কমবে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষায় সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

  • Ramakrishna 532: “আমি কি হাড়, না মাংস, না রক্ত, না নাড়ীভুঁড়ি? আমি খুঁজতে খুঁজতে ‘তুমি’ এসে পড়ে”

    Ramakrishna 532: “আমি কি হাড়, না মাংস, না রক্ত, না নাড়ীভুঁড়ি? আমি খুঁজতে খুঁজতে ‘তুমি’ এসে পড়ে”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীযুক্ত নন্দ বসুর বাটীতে শুভাগমন

    চৈতন্যলাভ ভোগান্তে—না তাঁর কৃপায় 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমরা কোথায়? তিনিই সব হয়েছেন। যতক্ষণ না তাঁকে জানতে পাচ্ছ, ততক্ষণ ‘আমি’ ‘আমি’ করছ!

    “সকলে তাঁকে জানতে পারবে—সকলেই উদ্ধার হবে, তবে কেহ সকাল সকাল খেতে পায়, কেহ দুপুর বেলা কেউ বা সন্ধ্যার সময়; কিন্তু কেহ অভুক্ত থাকবে না! সকলেই আপনার স্বরূপকে জানতে পারবে।”

    পশুপতি — আজ্ঞা হাঁ, তিনিই সব হয়েছেন বোধ হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আমি কি, এটা খোঁজো দেখি। আমি কি হাড়, না মাংস, না রক্ত, না নাড়ীভুঁড়ি? আমি খুঁজতে খুঁজতে ‘তুমি’ এসে পড়ে, অর্থাৎ অন্তরে সেই ঈশ্বরের শক্তি বই আর কিছুই নাই। ‘আমি’ নাই! — তিনি। তোমার অভিমান নাই! এত ঐশ্বর্য। ‘আমি’ একেবারে ত্যাগ হয় না; তাই যদি যাবে না তবে থাক শ্যালা ঈশ্বরের দাস হয়ে। (সকলের হাস্য) ঈশ্বরের ভক্ত, ঈশ্বরের ছেলে, ঈশ্বরের দাস, এ-অভিমান ভাল। যে ‘আমি’ কামিনী-কাঞ্চনে আসক্ত হয়, সেই ‘আমি’ কাঁচা আমি, সে ‘আমি’ ত্যাগ করতে হয়।

    অহংকারের এইরূপ ব্যাখ্যা শুনিয়া গৃহস্বামী ও অন্যান্য সকলে সাতিশয় প্রীতিলাভ করিলেন।

    ঐশ্বর্যের অহংকার ও মত্ততা

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— জ্ঞানের দুটি লক্ষণ, প্রথম অভিমান থাকবে না; দ্বিতীয় শান্ত স্বভাব। তোমার দুই লক্ষণই আছে। অতএব তোমার উপর ঈশ্বরের অনুগ্রহ আছে।

    “বেশি ঐশ্বর্য হলে, ঈশ্বরকে ভুল হয়ে যায়; ঐশ্বর্যের স্বভাবই ওই। যদু মল্লিকের বেশি ঐশ্বর্য হয়েছে, সে আজকাল ঈশ্বরীয় কথা কয় না। আগে আগে বেশ ঈশ্বরের কথা কইত।

    “কামিনী-কাঞ্চন একপ্রকার মদ। অনেক মদ খেলে খুড়া-জ্যাঠা বোধ থাকে না, তাদেরই বলে ফেলে, তোর গুষ্টির; মাতালের গুরু-লঘু বোধ থাকে না।”

    নন্দ বসু—তা বটে।

    Theosophy — ক্ষণকাল যোগে মুক্তি — শুদ্ধাভক্তিসাধন 

    পশুপতি—মহাশয়! এগুলো কি সত্য— Spiritualism, Theosophy? সূর্যলোক, চন্দ্রলোক? নক্ষত্রলোক?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—জানি না বাপু! অত হিসাব কেন? আম খাও; কত আমগাছ, কত লক্ষ ডাল, কত কোটি পাতা, এ হিসাব করা আমার দরকার কি? আমি বাগানে আম খেতে এসেছি, খেয়ে যাই।

    “চৈতন্য যদি একবার হয়, যদি একবার ঈশ্বরকে কেউ জানতে পারে তাহলে ও-সব হাবজা-গোবজা বিষয় জানতে ইচ্ছাও হয় না। বিকার থাকলে কত কি বলে,—‘আমি পাঁচ সের চালের ভাত খাবো রে’ — ‘আমি একজালা জল খাবো রে।’— বৈদ্য বলে, ‘খাবি? আচ্ছা খাবি!’ —এই বলে বৈদ্য তামাক খায়। বিকার সেরে, যা বলবে তাই শুনতে হয়।”

  • Donald Trump: ‘জি৭’-কে টেক্কা দিতে ‘সি৫’! ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে থাকছে কোন কোন দেশ?

    Donald Trump: ‘জি৭’-কে টেক্কা দিতে ‘সি৫’! ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে থাকছে কোন কোন দেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নয়া প্ল্যান ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)! কোর ফাইভ বা সি৫ নামে বৈশ্বিক শক্তিগুলির একটি নয়া এলিট গোষ্ঠী গঠনের কথা ভাবছেন ট্রাম্প (Core 5 Superbloc Idea)। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই কোর ফাইভে জায়গা হয়েছে ভারতেরও। প্রস্তাবিত এই ব্লকে থাকবে আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ভারত এবং জাপান। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, এটি মূলত ইউরোপ-প্রাধান্যযুক্ত জি৭ এবং গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মানদণ্ডভিত্তিক অন্য জোটগুলিকে পাশ কাটাবে।

    কোর ফাইভ গড়ার ‘স্বপ্ন’ (Donald Trump)

    যদিও সরকারিভাবে এ ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি, তবে খবরটি চাউর হয়ে গিয়েছে। যে পাঁচটি দেশ নিয়ে কোর ফাইভ গড়ার ‘স্বপ্ন’ দেখছেন ট্রাম্প, সেই দেশগুলির তরফেও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা মেলেনি। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’ তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে, হোয়াইট হাউস সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেই সূত্রেই ছড়িয়েছে এই খবর। শোনা যাচ্ছে, ভারত, রাশিয়া, চিন এবং জাপানকে নিয়ে কোর ফাইভ গড়তে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উল্লেখ্য যে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাবিত কোর ফাইভে জায়গা হয়নি পাকিস্তানের। তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সব চেয়ে উন্নত অর্থনৈতিক গোষ্ঠী জি৭ এর গুরুত্ব লঘু করতেই এই কোর ফাইভ গঠনের ভাবনা মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Core 5 Superbloc Idea)।

    দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন

    ওয়াশিংটন যখন ইতিমধ্যেই আলোচনা করছে যে দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসন কতটা বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করতে পারে, ঠিক সেই সময়ই এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ধারণাটি জানিয়ে দেয়, জি৭ ও জি২০–এর মতো যে প্ল্যাটফর্মগুলি রয়েছে, সেগুলি বহু-মেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের জন্য যথেষ্ট নয়। এটি মনে হয় বৃহৎ জনসংখ্যা ও সামরিক-অর্থনৈতিক শক্তিগুলির মধ্যে চুক্তি-ভিত্তিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয় (Donald Trump)। মার্কিন মিত্ররা একে এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে যা শক্তিমান নেতাদের মান্যতা দেয়।  কারণ এতে রাশিয়াকে ইউরোপেরও ওপরে স্থান দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পশ্চিমী ঐক্য ও ন্যাটোর সংহতি দুর্বল হতে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। ট্রাম্প মনে করেন, পাঁচ শক্তিধর এই দেশকে যদি এক ছাতার তলায় নিয়ে চলে আসা যায়, তাহলে সেখান থেকে বিশ্বের অনেকটা সুবিধা হবে। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে জি৭ শীর্ষ সম্মলনে যোগ দিয়ে এমনই একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছিলেন, রাশিয়া, চিন এই প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। তবে এই সুপার ক্লাবে ভারতকে রাখতে চান তিনি।

    সাবধানে পদক্ষেপ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রাম্প খুবই সাবধানে এই পদক্ষেপটি করতে চাইছেন। তিনি মনে করেন, যদি এই দেশগুলি (Core 5 Superbloc Idea) এক ছাতার তলায় চলে আসে, তাহলে সেখানে তিনি তাঁদের নেতা হয়ে সকলকে পরিচালনা করতে পারবেন। তবে বিশ্বের আরও চারটি শক্তিধর দেশ ট্রাম্পের প্রস্তাব যে সহজে মেনে নেবে না, তাও ভালো করেই জানেন ট্রাম্প। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সম্প্রতি ভারতের ওপর চড়া শুল্ক হার চাপিয়েছে আমেরিকা (Donald Trump)। তার জেরে ভারতের সঙ্গে যাতে আমেরিকার সম্পর্ক খারাপ না হয়, তা মাথায় রেখেই ‘ট্রাম্প কার্ড’টি খেলতে চলেছেন ট্রাম্প। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশগুলির তালিকায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। তাই তাকে না চটিয়েই কাজ হাসিল করতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই কারণেই ট্রাম্পের ‘প্রস্তাবিত’ সুপার ক্লাবে ভারতের জায়গা হলেও, ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের।

    ভারত-মার্কিন সম্পর্ক

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কেনায় ভারতের ওপর বেজায় রুষ্ট ট্রাম্প। তার জেরেই ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। কার্যত, এর পরেই তলানিতে ঠেকে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক। অথচ আমেরিকাবাসীর একটা বিরাট অংশই চাইছেন ভারতীয় পণ্যের ওপর যে চড়া হারে শুল্ক চাপানো হয়েছে, অবিলম্বে তা কমানো হোক (Donald Trump)। এ ব্যাপারে তাঁরা ট্রাম্পের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাই নিজের দেশেই বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই গাড্ডা থেকে উঠে আসতে মরিয়া ট্রাম্প। সেই কারণেই ভারতের মন রাখতে নয়াদিল্লিকে জায়গা দেওয়া হয়েছে সুপার ক্লাবে।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি (Core 5 Superbloc Idea) হানা কেলি জানান, এই পরিকল্পনার কোনও ব্যক্তিগত কিংবা লুকোনো কোনও ভার্সন নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোর ফাইভ তৈরির বিষয়টি হতে পারে একেবারেই ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ভাবনা (Donald Trump)।

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বহুতলগুলিতে পৃথক ভোটকেন্দ্র! আপত্তি কেন তৃণমূলের? কীসের ভয়?

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বহুতলগুলিতে পৃথক ভোটকেন্দ্র! আপত্তি কেন তৃণমূলের? কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষত শহরাঞ্চলে আবাসনগুলিতে পৃথক ভোটকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করেছে কমিশন। বলা হয়েছিল, ২৫০টি পরিবার অথবা ৫০০ জন ভোটার রয়েছেন, এমন বহুতল ভবন, গ্রুপ হাউজিং সোসাইটি, কলোনি, বস্তি এলাকায় ভোটকেন্দ্র তৈরির বিষয়ে সমীক্ষা করতে হবে ডিইও-দের। প্রস্তাবিত ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের তালিকা কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে। গত সোমবার সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ থেকে মাত্র দু’টি রিপোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা পড়ে। এতে কমিশন অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং নতুন করে ডিইও-দের সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত না পসন্দ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের। কিন্তু বহুতলের ভিতর ভোট কেন্দ্র হলে তাতে তৃণমূলের কীসের অসুবিধা? কেনই বা বাধা দিচ্ছে তারা? নানা প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে রাজ্য রাজনীতির অন্দরে। তারই উত্তর খুঁজতে মাধ্যম গিয়েছিল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পাশাপাশি সমসাময়িক ভারতীয় রাজনীতি, সমাজবিজ্ঞান এবং দলিত-আদিবাসী রাজনীতির এক তীক্ষ্ণ বিশ্লেষক হিসেবে পরিচিত ঝন্টু বারাইকের কাছে।

    প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গের বহুতলগুলিতে পৃথক ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে আগ্রহী নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের আপত্তি কেন?

    উত্তর: বহুতলে ভোটকেন্দ্র হলে লুট করতে পারবে না তৃণমূল। হাই–রাইজ বিল্ডিংগুলিতে বুথকেন্দ্র খোলার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাজে তৃণমূল তাতে বাধা দিচ্ছে। কারণ অতীতে দেখা গিয়েছে ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডারা বহুতলগুলির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে। যাতে কেউ ভোট দিতে যেতে না পারে। বহুতলের বাসিন্দারা ভোট দিতে বেরোলেই তাঁদের উপর হামলা করা হয়। ২০২১–এও এমন হয়েছিল। গত বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের বাইক বাহিনী বহুতলগুলির ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকে হুমকি দিয়েছিল। এই আবাসনগুলির বাসিন্দারা ভোট দিতে না গেলে সেই ভোট বুথে গিয়ে ব-কলমে তৃণমূলের খাতায় দেওয়া হয়। কিন্তু বহুতলের ভিতরে ভোট কেন্দ্র হলে এ ধরনের জালিয়াতি বা কারচুপি করা প্রায় অসম্ভব।

    প্রশ্ন: কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আর কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করা হবে না। জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটা কি ঠিক?

    উত্তর: একদমই ঠিক পদক্ষেপ। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করতে গেলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। কারণ, এ বিষয়ে বিভিন্ন দলের অবস্থান বিভিন্ন রকম। তাই আর আলোচনার পথে না-যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    প্রশ্ন: বহুতলে ভোটকেন্দ্র নিয়ে ডিইও-দের বিরুদ্ধে উদাসীন মনোভাবের অভিযোগ তুলেছিল কমিশন। কেন এই আচরণ?

    উত্তর: কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার বেশ কিছু বিধানসভা কেন্দ্রে অভিজাত বহুতল আবাসনের সংখ্যা গত দু’দশকে চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, কলকাতার ক্ষেত্রে এই বহুতলবাসীরা মোট ভোটের ৮-১০ শতাংশ। কিন্তু এখানকার ভোটারেরা অনেকেই নিরাপত্তাজনিত কারণে ভোটকেন্দ্রে যান না। তাঁদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে আবাসনের ভিতরেই ভোটকেন্দ্র তৈরির কথা ভেবেছে কমিশন। ওই সমস্ত ভোটকেন্দ্রে বাইরে থেকে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। পৃথক নিরাপত্তার বন্দোবস্তও থাকবে। বাম জমানা থেকে পশ্চিমবঙ্গের ভোট–সংস্কৃতি হলো বিভিন্ন বহুতলের দরজায় তালা লাগিয়ে দেওয়া। যিনি ঝুপড়িতে থাকেন তাঁরও যেমন ভোটাধিকার আছে, তেমনই যাঁরা বহুতলে থাকেন তাঁদেরও ভোটাধিকার আছে। এই অধিকারকে সুরক্ষিত করার লক্ষ্যেই বহুতলগুলিতে পৃথক ভোট–গ্রহণ কেন্দ্র খোলার কথা ভাবছে কমিশন। তাতে তৃণমূলের অসুবিধা হচ্ছে। রাজ্যে যেখানে যত বহুতল আছে তার ভিতরে বুথ হলে আমার বিশ্বাস বহুতলের বাসিন্দারা এ বার নির্বিঘ্নে নিজের ক্যাম্পাসের মধ্যে ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু রাজ্য সরকার যেহেতু এ বিষে উদাসীন তাই রাজ্যের কর্মীরাও উদাসীন।

    প্রশ্ন: প্রাইভেসি নষ্ট! বহুতলবাসীরা চাইছেন না ‘দুয়ারে ভোটকেন্দ্র’, এ নিয়ে কী বলবেন?

    উত্তর: কমিশনের যুক্তি, আবাসনের বাসিন্দাদের ‘দুয়ারে পোলিং স্টেশন’ চালু করলে বহুতলের ভোটের হার আরও বাড়বে। এতদিন এই আবাসনগুলির লাগোয়া স্কুল বা সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ছিল। কিন্তু এবার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন আবাসনগুলির ভিতরেই কমিউনিটি হল বা স্পোর্টস সেন্টারে পোলিং স্টেশন খুলতে চাইছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভোটারদের সুবিধাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, তাই প্রয়োজনে অতিরিক্ত বুথ তৈরি করতেই হবে। বহু আবাসনের বাসিন্দারা এতে আগ্রহী, আর যাঁরা বুঝতে পারছেন না, তাঁদেরকে বোঝাতে হবে। তবে আবাসনের মানুষ যে কী চাইছে তা যেন রাজ্যের শাসকদল ঠিক না করে দেয়।

  • ISIS: ভারতে বড়সড় হামলা করতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করছে পাক জঙ্গিরা? দাবি গোয়েন্দাদের

    ISIS: ভারতে বড়সড় হামলা করতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করছে পাক জঙ্গিরা? দাবি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক সীমান্তে কড়া প্রহরার জেরে ফোকর গলে ভারতে ঢুকে জঙ্গি (ISIS) হামলা করতে গেলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় রয়েছে। তাই এবার ‘প্ল্যান বি’ রূপায়ণ করতে চলেছে লস্কর-ই-তৈবা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে একদল জঙ্গি লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বাংলাদেশে (Bangladesh) ঢোকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই দলটি বিস্ফোরক তৈরিতে দক্ষ। তারা বাংলাদেশের জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিতে সেখানে যাওয়ার তোড়জোড় করছে।

    বাংলাদেশের উদ্দেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ (ISIS)

    এর আগে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবা পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে তাদের মডিউল ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করছে বলে জানতে পেরেছিলেন গোয়েন্দারা। এক আধিকারিক জানান, এই জঙ্গি সংগঠনগুলি বাংলাদেশের উদ্দেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে। বড় ধরনের কিছু একটি যে ঘটতে চলেছে, এটিই তারই ইঙ্গিত। আর এক আধিকারিক বলেন, সীমান্ত এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। কারণ ভারত ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ ও বোমা বিস্ফোরণের চেষ্টা হতে পারে।

    আইএসআইয়ের সমর্থনে চলছে কার্যকলাপ

    ভারতীয় সংস্থাগুলি জেনেছে, বাংলাদেশে আইএসআইয়ের সমর্থনে বহু কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির হুমকির মুখে ছিল, এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাকিস্তান, যার বাংলাদেশে একটি ‘বন্ধু’ সরকার রয়েছে, বড় ধরনের কিছু পরিকল্পনা করছে। সাম্প্রতিক জঙ্গি যাতায়াত-সহ যে সব বার্তা মিলেছে, তা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভারতকে লক্ষ্য করে আইএসআই একটি বড় ধরনের অভিযানের ছক কষছে।

    এই অভিযানে যৌথভাবে কাজ

    গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, এই অভিযানে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবা একসঙ্গে কাজ করবে (ISIS)। ভবিষ্যতে যৌথ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্তটি আইএসআইয়ের নির্দেশের পর গৃহীত হয়। এর পর পাকিস্তানে দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা বৈঠক করে। আলোচনা করে কীভাবে একটি একক কমান্ড কাঠামোর আওতায় তারা এগোবে। বাংলাদেশে বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে অপারেটিভদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য নয় সদস্যের একটি দলও গঠন করা হয়েছে (Bangladesh)।

    বাংলাদেশে বহুবার গিয়েছে পাক জঙ্গি দল

    জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার বেশ কয়েকটি দল বাংলাদেশে বহুবার গিয়েছে। আলাপ-আলোচনা করেছে স্থানীয় জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গেও। সম্প্রতি হাফিজ সাঈদের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাংলাদেশে ছিল স্থানীয় জঙ্গিদের সঙ্গে দেখা করতে এবং তাদের উৎসাহিত করতে। গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের খবর, চলতি মাসের কোনও এক সময় লস্কর-ই-তৈবার প্রধান হাফিজ সাঈদের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। সে তার নিজের গোষ্ঠীর সদস্য-সহ অন্যান্যদের সঙ্গেও দেখা করবে। এও জানা গিয়েছে, ভারতে হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাঈদ ঢাকা সফর শেষ করলেই এই গোষ্ঠীগুলি তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এদিকে, আইএসআই ইতিমধ্যেই নিজেদের চিহ্ন মুছে ফেলার কাজ শুরু করেছে। এ থেকেই স্পষ্ট, হামলার চেষ্টা খুব শীঘ্রই হতে পারে (ISIS)।

    বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি এবং পশ্চিমবঙ্গে সুপ্ত নেটওয়ার্কগুলির সক্রিয় হওয়া স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে একটি বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এছাড়া, বাংলাদেশের অনেক মাদ্রাসা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই মাদ্রাসাগুলি বিশেষভাবে প্রভাবিতকরণ এবং উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল (Bangladesh)। এই মাদ্রাসাগুলির সবক’টিই আইএসআই-চালিত, যেখানে প্রচারকরা লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য। তাদের মধ্যে কিছু ভারতের ভেতরে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানোর নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েই গড়ে উঠেছিল। এখন যেহেতু পরিকল্পনা শেষ পর্যায়ে, তাই সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই মাদ্রাসাগুলি।

    আধিকারিকের বক্তব্য

    এক আধিকারিক বলেন, “এটি পাকিস্তানের একটি পাঠ্যবই-ধাঁচের অপারেশন। বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা চলার সময় যদি এসব মাদ্রাসা খোলা থাকে, তাহলে এর সূত্রের খেই খুব সহজেই আইএসআইয়ের দিকে পৌঁছে যাবে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এসব মাদ্রাসার সদস্যদের কঠোরভাবে প্রশ্ন করা হলে জানা যাবে কে ওই যুবকদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করেছিল এবং কোন সংগঠনের সঙ্গে তাদের যুক্ত করেছিল (ISIS)।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি ক্লাসিক আইএসআই অপারেশন। এবার আইএসআই বাংলাদেশের মধ্যে একটি বলির পাঁঠা খুঁজে পেয়েছে। কোনও হামলা হলে তার সূত্র বাংলাদেশের কিছু ব্যক্তির দিকেও নির্দেশ করবে। এটি পাকিস্তানের ঘাড় থেকে দোষ নামিয়ে ফেলে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি কৌশল (Bangladesh)। ফলে পাকিস্তান দায় অস্বীকার করার সুযোগ পেয়ে যাবে, আর দোষ পড়বে বাংলাদেশের ওপর।

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সোমে রওনা দেবেন

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সোমে রওনা দেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আগামী সপ্তাহে তিনি জর্ডন, ইথিওপিয়া এবং ওমান সফর করবেন। পশ্চিম এশিয়ার এই তিন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত (West Asia) করতেই এই সফর তাঁর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজা আব্দুল্লাহ দ্বিতীয় বিন আল হুসেইনের আমন্ত্রণে ১৫ থেকে ১৬ ডিসেম্বর জর্ডন সফর করবেন মোদি। ১৬ থেকে ১৭ ডিসেম্বর তিনি সফর করবেন ইথিওপিয়া। ১৭ তারিখে ওমানে পৌঁছবেন। ১৮ তারিখে শেষ হবে তাঁর তিন দেশ সফর।

    জর্ডন সফর (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, জর্ডন সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী সে দেশের রাজার সঙ্গে বৈঠক করবেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা করতে এবং আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে মত বিনিময়ের জন্যই করবেন এই বৈঠক। এই সফর দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকীকে চিহ্নিত করবে। সম্পর্ক আরও মজবুত করা, পারস্পরিক উন্নয়নের জন্য নয়া সহযোগিতার পথ খুঁজে বের করা এবং আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি অঙ্গীকার করার সুযোগ দেবে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

    ইথিওপিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী

    ইথিওপিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদ আলির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সব দিক নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গ্লোবাল সাউথের অংশীদার হিসেবে এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার যৌথ প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যক্ত করবে।” এও বলা হয়েছে, মোদির ইথিওপিয়া সফর আফ্রিকার সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ইচ্ছেকে তুলে ধরে। নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বিদেশ মন্ত্রকের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “গ্লোবাল সাউথের অংশীদার হিসেবে এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা অগ্রসর করার যৌথ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবে (PM Modi)।”

    মোদির ওমান সফর

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওমান সফরটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭০ বছর পূর্তি চিহ্নিত করবে। তাঁর এই সফর হচ্ছে ২০২৩ সালের (West Asia) ডিসেম্বর মাসে ভারতে ওমানের সুলতানের রাষ্ট্রীয় সফরের পর। ভারত ও ওমান সর্বব্যাপী কৌশলগত অংশীদারিত্ব, বাণিজ্যিক সংযোগ এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ শেয়ার করে। এই সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা-সহ দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্র পর্যালোচনা করার কথা রয়েছে। আলোচনার অন্যান্য বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, কৃষি ও সংস্কৃতি। এর পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও মতামত বিনিময় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    ভারত ও ওমানের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা ও স্বাক্ষরিত হওয়ার আশাও করা হচ্ছে। ওমানের শূরা কাউন্সিল এই সপ্তাহে চুক্তিটি অনুমোদন করেছে। এর লক্ষ্য হল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করা (PM Modi)। এদিকে, তিন দিনের ভারত সফরে রয়েছেন ইতালির উপপ্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি। একাধিক খাতে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব জোরদার করার লক্ষ্যে একাধিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে (West Asia)। তাঁর এই সফরে রয়েছে বড় ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদলও। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতালি যে যথেষ্ট মনোযোগী, তারই প্রতিফলন আন্তোনিওর এই সফর (PM Modi)।

  • ADB: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী ভারতের অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করল এডিবি

    ADB: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী ভারতের অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করল এডিবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জমানায় যে ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী, তার ইঙ্গিত মিলেছে দেশ-বিদেশের নানা রিপোর্টে। এবার নয়া আশার বাণী শোনাল এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক বা এডিবি (ADB)। সংস্থাটি ২০২৬ সালের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির (India’s Growth) পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করেছে ৭.২ শতাংশ। সাম্প্রতিক কর ছাড়ের ফলে ঘরোয়া চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়ই এই উন্নীত পূর্বাভাসের মূল কারণ হিসেবে দেখেছে এই ব্যাঙ্ক। এই সংশোধন এশিয়া অঞ্চলের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসেও ইতিবাচক অবদান রাখছে। ২০২৫ সালের আঞ্চলিক পূর্বাভাস ৪.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫.১ শতাংশ। ব্যাঙ্কটি জানিয়েছে, সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎপাদন ও সেবা খাতে শক্তিশালী সম্প্রসারণ এবং চাহিদার ক্ষেত্রে ভোগ ও বিনিয়োগের সুস্থ সমন্বয় দেশের প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তবে, তাদের ২০২৭ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশেই রয়ে গিয়েছে।

    এডিবির রিপোর্ট (ADB)

    এডিবির সদ্য প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (ডিসেম্বর ২০২৫) অনুযায়ী, “ভারতের ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করা হয়েছে। কারণ কর কমানোর ফলে ভোক্তা ব্যয় বাড়ায় দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হয়েছে।” জুলাই–সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে অর্থনীতি ৮.২ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত ছয় ত্রৈমাসিকের মধ্যে দ্রুততম এবং আগের ত্রৈমাসিকের ৭.৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। দু’টি ত্রৈমাসিক মিলিয়ে চলতি অর্থবর্ষের প্রথমার্ধেই ভারত ইতিমধ্যেই ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করে ফেলেছে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া

    চলতি মাসের শুরুর দিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও তাদের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭.৩ শতাংশ করেছে। এটি দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আশাতীত শক্তিশালী প্রবৃদ্ধিকে প্রতিফলিত করে। তবুও তারা বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সামান্য মন্থরের আশঙ্কা করছে। কারণ সরকারি মূলধনি ব্যয় কমবে এবং আমেরিকার চড়া শুল্ক নির্দিষ্ট রফতানি খাতে চাপ সৃষ্টি করবে। তাদের আশা, তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ এবং চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৬.৫ শতাংশ হবে।

    প্রত্যাশার চেয়েও বেশি প্রবৃদ্ধি

    এডিবি আরও উল্লেখ করেছে যে, “তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধির পর ভারতের ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস (ADB) ০.৭ শতাংশ পয়েন্ট বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করা হয়েছে, যা মূলত সাম্প্রতিক কর কমানোর ফলে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ ভোগ বৃদ্ধির দ্বারা চালিত।” প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঝুঁকি মোটের ওপর সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়ে গিয়েছে। বলা হয়েছে, “ঝুঁকি সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে, যেখানে বাণিজ্য উত্তেজনা তীব্র হলে এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত ধাক্কা এলে নিম্নমুখী ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে, আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় ভারতের জন্য শুল্ক হার কমে, তবে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (India’s Growth)।”

    মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাসও কমানো হয়েছে। ২০২৬ সালের অনুমান ৩.১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২.৬ শতাংশ করা হয়েছে। কারণ এতে অবদান রয়েছে অনুকূল বর্ষা, শক্তিশালী কৃষি উৎপাদন এবং জিএসটি হার সমন্বয়ের প্রভাবের। যদিও শাক-সবজি ও ডালের দাম কমায় সাম্প্রতিক সময়ে হেডলাইন-ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি নেমে এসেছে। এডিবি এই বলে সতর্ক করেছে যে, ২০২৭ সালের শুরুর দিকে বেস এফেক্ট ক্ষীণ হয়ে এলে এই প্রবণতা ফের ঘুরে দাঁড়াতে পারে (ADB)।

LinkedIn
Share