Tag: news in bengali

news in bengali

  • Union Budget: ফেব্রুয়ারির পয়লা দিনেই বাজেট পেশ, জানুন কারণ

    Union Budget: ফেব্রুয়ারির পয়লা দিনেই বাজেট পেশ, জানুন কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget) সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়গুলির একটি। এই বাজেটেই সরকার জানায়, নয়া অর্থবর্ষে তারা কীভাবে আয় করবে এবং সেই অর্থ ব্যয়ই বা করা হবে কীভাবে (February)। প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করেন। তবে বিষয়টি সব সময় এমন ছিল না। আগে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে বাজেট পেশ করা হত। প্রশ্ন হল, বাজেট পেশের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারিতে কেন পরিবর্তন করা হল?

    ব্রিটিশ আমলের রীতি (Union Budget)

    ২০১৬ সাল পর্যন্ত ভারতে ব্রিটিশ আমলের রীতি অনুসরণ করে ফেব্রুয়ারির শেষ কর্মদিবসে বাজেট পেশ করা হত। কিন্তু সমস্যা হল, ভারতের অর্থবর্ষ শুরু হয় ১ এপ্রিল থেকে। তাই বাজেটে ঘোষিত নতুন নীতি ও করব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রক, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং করদাতাদের হাতে খুব কম সময় থাকত। বাজেট অনুমোদিত হয়ে কার্যকর হতে হতে প্রায়ই নতুন অর্থবর্ষ শুরু হয়ে যেত। এর ফলে বহু সরকারি পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারিত সময়ে চালু করা সম্ভব হত না, সেগুলি রূপায়নে দেরি হত। এই পরিস্থিতি বদলাতে ২০১৭ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি প্রথমবারের মতো ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করেন। এরপর থেকে এই তারিখেই বাজেট পেশ হয়ে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল, নতুন অর্থবর্ষ শুরুর আগে সবাইকে পরিকল্পনার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া।

    বাজেট পেশের সময়ও পরিবর্তন

    একইভাবে, বাজেট পেশের সময়ও পরিবর্তন করা হয় (Union Budget)। ঔপনিবেশিক আমল থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিকেল ৫টায় বাজেট পেশ করা হত। কিন্তু ১৯৯৯ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা এই সময় পরিবর্তন করে সকাল ১১টা করেন, যাতে গণমাধ্যমে বাজেটের ব্যাপক প্রচার সম্ভব হয় এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ বাড়ে (February)। বাজেট পেশের তারিখ পরিবর্তনের ঘোষণা হওয়ার পরেই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা (পিটিশন) দায়ের করা হয়। আবেদনকারীর যুক্তি ছিল, আগাম বাজেট পেশ করলে রাজ্য নির্বাচনের আগে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে সরকার জনতুষ্টিমূলক প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সুযোগ পেতে পারে।

    তবে সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, কেন্দ্রীয় বাজেট পুরো দেশের বিষয়, কোনও নির্দিষ্ট রাজ্যের নয়। বেঞ্চের মন্তব্য, “কেন্দ্রীয় বাজেটের সঙ্গে রাজ্যগুলির সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই এবং রাজ্য নির্বাচনের ঘনত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রমে বাধা হতে পারে না (Union Budget)।”

     

  • Daily Horoscope 01 February 2026: বিদেশযাত্রার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 February 2026: বিদেশযাত্রার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কর্কট

    ১) বিদেশযাত্রার বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভবিষ্যত পরিকল্পনা করুন।

    সিংহ

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) বন্ধুদের থেকে সাহায্য পাবেন।

    ধনু

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ব্যবসায় বিপুল লাভ।

    কুম্ভ

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Sunetra Pawar: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপমুখ্যমন্ত্রী পদে প্রয়াত অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার

    Sunetra Pawar: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপমুখ্যমন্ত্রী পদে প্রয়াত অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা (Sunetra Pawar) পাওয়ার আজ, শনিবার মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপমুখ্যমন্ত্রী (Woman Deputy CM) হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। বারামতিতে বিমান দুর্ঘটনায় স্বামী অজিত পাওয়ার-সহ আরও চারজনের মৃত্যুর কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি এই দায়িত্ব নিতে প্রশ্ন হচ্ছিলেন। সুনেত্রাকে আবগারি শুল্ক, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্বামী অজিত পাওয়ারের হাতে থাকা অর্থ ও পরিকল্পনা দফতরের দায়িত্ব এখন সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস।

    এনসিপি বিধায়ক দলের নেতা (Sunetra Pawar)

    বছর বাষট্টির সুনেত্রাকে এদিন সর্বসম্মতিক্রমে এনসিপি বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়। দলের নেতা ছগন ভুজবল তাঁর নাম প্রস্তাব করেন এবং দিলীপ পাতিল-সহ একাধিক বিধায়ক তা সমর্থন করেন। এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসকে একটি চিঠি পাঠানো হয়, যেটি তিনি পরে রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রতের কাছে পাঠান। শপথ গ্রহণের পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুনেত্রাকে শুভেচ্ছা জানান। কারজাত-জামখেদ কেন্দ্রের বিধায়ক এবং সুনেত্রার আত্মীয় রোহিত পাওয়ার এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “অজিত দাদার জায়গা কেউ নিতে পারবে না, তবে অন্তত সুনেত্রাবাইয়ের রূপে কোথাও যেন আমরা অজিত দাদাকেই দেখতে পাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের মাথার ওপর গভীর শোকের পাহাড়, সবাই যখন শোকস্তব্ধ, তখন কীভাবে অভিনন্দন জানাব, সেটাও বুঝে উঠতে পারছি না।”

    সুপ্রিয়া সুলের কাছে পরাজিত

    এনসিপি পুনর্মিলনের আলোচনা কোন দিকে যাবে, সেদিকেই এখন সকলের নজর (Sunetra Pawar)। অজিত পাওয়ারের কাকা শরদ পাওয়ার জানান, বিধায়ক দলের নেতা হিসেবে সুনেত্রা পাওয়ারের নির্বাচন এবং তাঁকে উপমুখ্যমন্ত্রী করার বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। এরপর অজিত পাওয়ারের ছেলে পার্থ পাওয়ার এবং এনসিপি (শরদ পাওয়ার) বিধায়ক রোহিত পাওয়ার তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন (Woman Deputy CM)। পরে শরদ পাওয়ার স্পষ্ট করেন, এনসিপি পুনর্মিলন নিয়ে আলোচনা চলছে ঠিকই, তবে তিনি সরাসরি সেই আলোচনায় যুক্ত নন। তাঁর কথায়, এই আলোচনা হচ্ছে অজিত পাওয়ার ও জয়ন্ত পাতিলের মধ্যে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত সুনেত্রা পাওয়ার রাজনৈতিকভাবে তুলনামূলকভাবে নীরব ছিলেন। ওই বছরের লোকসভা নির্বাচনে তিনি বারামতি কেন্দ্র থেকে তাঁর প্রয়াত স্বামীর দলের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, কিন্তু মর্যাদাপূর্ণ এই লড়াইয়ে তিনি তাঁর ননদ এবং এনসিপি (শরদ পাওয়ার) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের কাছে পরাজিত হন (Sunetra Pawar)।

    সুনেত্রা উপমুখ্যমন্ত্রী

    এরপর সুনেত্রা রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। সূত্রের খবর, বুধবার অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুনেত্রাকে উপমুখ্যমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত তাঁকে জানানো হয়। অজিত পাওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপির শীর্ষ নেতারা প্রস্তাবিত দলীয় একীভূতকরণ নিয়ে বিশেষ উৎসাহী ছিলেন না। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, এতে এনসিপির মধ্যে শরদ পাওয়ারের প্রভাব আবার বাড়বে। বরং তাঁদের ইচ্ছা ছিল, সুনেত্রাকে অজিত পাওয়ারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা (Woman Deputy CM)। অজিত পাওয়ার শিবিরের ধারণা ছিল, তাঁর মৃত্যুর পর শরদ পাওয়ার গোষ্ঠী এনসিপির নেতৃত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে দল একীভূত করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে (Sunetra Pawar)। সূত্রের খবর, এই মর্মান্তিক ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুনেত্রাকে জানানো হয় যে তাঁকে সামনে এসে নেতৃত্ব দিতে হবে। রাজ্যের শীর্ষ নেতারা যখন বারামতিতে এসে এনসিপি নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছিলেন, তখনই উদ্ভূত রাজনৈতিক বাস্তবতা অজিত পাওয়ারের নিকটাত্মীয়দের জানানো হয়। পরিবার যখন গভীর শোকে নিমগ্ন, তখনও স্পষ্ট (Woman Deputy CM) হয়ে যায় যে সুনেত্রাকে উপমুখ্যমন্ত্রী করার রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে (Sunetra Pawar)।

     

  • Wikipedia: এবার প্রশ্ন উঠল উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়েই, কেন জানেন?

    Wikipedia: এবার প্রশ্ন উঠল উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়েই, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু বছর ধরে উইকিপিডিয়া (Wikipedia) নিজেকে একটি নিরপেক্ষ, জনসাধারণের অংশগ্রহণে গঠিত বিশ্বকোষ হিসেবে তুলে ধরেছে। এটি একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম, যা যাচাইযোগ্য তথ্য, নির্ভরযোগ্য উৎস এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক ঐকমত্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয় (Anti Hindu)। কিন্তু ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে একের পর এক বিতর্কের জেরে উঠছে প্রশ্ন, এই নিরপেক্ষতা বাস্তবে কতটা বাস্তব?

    হিন্দু-বিরোধী ফ্রেমিং প্রমাণের জীবন্ত দলিল (Wikipedia)

    লন্ডনে গোপন পিআর ম্যানিপুলেশন থেকে শুরু করে ভারতে হিন্দু-সম্পর্কিত ঘটনাবলির উপস্থাপন—বিভিন্ন ঘটনা একটি গভীর কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। এই ইঙ্গিতটি হল কীভাবে ক্ষমতা ও মতাদর্শ বিষয়বস্তুকে প্রভাবিত করতে পারে। এই প্রতিবেদনে এমন কিছু ঘটনার কথা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যা সমালোচকদের মতে উইকিপিডিয়ার ইকোসিস্টেমে পক্ষপাত,  বৈষম্যমূলক উপস্থাপনা এবং ধারাবাহিক হিন্দু-বিরোধী পরিবেশনার জীবন্ত দলিল। ২০২৬ সালের ১৬ জানুয়ারি দ্য ব্যুরো ইনভেস্টিগেটস জানায় যে, বিলিয়নেয়ার, সরকার ও প্রভাবশালী ক্লায়েন্টদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে লন্ডনভিত্তিক জনসংযোগ সংস্থা পোর্টল্যান্ড কমিউনিকেশনস গোপনে সম্পাদনা করেছিল উইকিপিডিয়ার বিভিন্ন এন্ট্রি। তদন্তে জানা গিয়েছে, এসব সম্পাদনায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে করা হয়েছিল, উইকিপিডিয়ার পরিভাষায় যা ‘সকপাপেট্রি’ নামে পরিচিত। অন্তত ২৬টি অ্যাকাউন্ট পরে নিষিদ্ধ করা হয়।

    এই সম্পাদনার বড় সুবিধাভোগী ছিল কাতার

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতার এই সম্পাদনার বড় সুবিধাভোগী ছিল। প্রবাসী শ্রমিকদের মৃত্যু ও মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত তথ্য পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করে উপস্থাপন করা হয়েছিল (Anti Hindu)। বিতর্ক আরও তীব্র হয় পোর্টল্যান্ড কমিউনিকেশনসের প্রতিষ্ঠাতা টিম অ্যালানের রাজনৈতিক যোগাযোগ সামনে আসায়। তিনি একসময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কমিউনিকেশন প্রধান ছিলেন। ২০২৪ সালের ৯ জুলাই ভারতের এক সংবাদ সংস্থা দিল্লি হাইকোর্টে উইকিপিডিয়া ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করে। ওই সংস্থা তাদের উইকিপিডিয়া এন্ট্রিকে চ্যালেঞ্জ করে, যেখানে সংস্থাটিকে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচারযন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। ওই সংবাদ সংস্থা উইকিপিডিয়ার বক্তব্যকে মিথ্যা, বিদ্বেষমূলক এবং সুনামহানিকর বলে দাবি করেছিল।

    উইকিপিডিয়ার যুক্তি নিয়েই প্রশ্ন

    মামলায় প্রক্রিয়াগত সমস্যার কথাও তোলা হয়। পেজটি সুরক্ষিত থাকায় ওই সংস্থা সরাসরি সংশোধন করতে পারেনি, অথচ অজ্ঞাতনামা সম্পাদকরা বিষয়বস্তুকে নিরন্তর প্রভাবিত করে গিয়েছেন। বিচারপতি সুব্রহ্মনিয়ম প্রসাদ উইকিপিডিয়ার সেই যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন যে, ডিসক্লেইমার থাকায় তারা দায়মুক্ত। তিনি বলেন, “নিজেকে মুক্ত বিশ্বকোষ বলা মানেই আইনের ঊর্ধ্বে থাকা নয় (Anti Hindu)।” ২০২৪ সালের নভেম্বরে ভারত সরকার উইকিপিডিয়াকে (Wikipedia) আনুষ্ঠানিক নোটিশ  পাঠিয়ে প্রশ্ন তোলে, কেন একে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী নয়, বরং প্রকাশক হিসেবে গণ্য করা হবে না? এটি ভারতের ডিজিটাল গভর্ন্যান্স বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। রাম মন্দির ভূমি পূজনের আগে উইকিপিডিয়ায় জয় শ্রী রাম স্লোগান সংক্রান্ত এন্ট্রি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। সেখানে এই পবিত্র ধ্বনিকে যুদ্ধঘোষ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ও প্রধানত বিজেপির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করা হয়েছিল। সমালোচকদের মতে, এই বর্ণনা শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মীয় আহ্বানকে বিকৃত করে একটি রাজনৈতিক লেবেলে রূপান্তর করেছে।

    বৈশ্বিক ধারণা

    একইভাবে, গুজরাট হাইকোর্টে একাধিক দণ্ডাদেশ বহাল থাকা সত্ত্বেও গোধরা ট্রেন অগ্নিসংযোগ নিয়ে উইকিপিডিয়ায় লেখা থাকে যে আগুনের কারণ “বিতর্কিত”। ৩১ জন অগ্নিসংযোগের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও আদালতের রায়, ফরেনসিক রিপোর্ট ও পুলিশি তথ্যকে ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বহীন করে দেখানো হয়। বরং কিছু অ্যাক্টিভিস্ট অ্যাকাউন্ট ও নির্বাচিত গবেষণাধর্মী মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, আর সরকারি নথি উদ্ধৃত করা সম্পাদকরা প্রান্তিক হয়ে পড়েন। এতে একটি মৌলিক প্রশ্ন উঠে আসে। প্রশ্নটি হল (Wikipedia), যখন আদালত রায় দিয়েছে, তখন ঐতিহাসিক সত্য নির্ধারণ করবে কে – বিচারব্যবস্থা, না কি উইকিপিডিয়ার সম্পাদকরা? মণিপুরে হিংসার ঘটনা নিয়ে উইকিপিডিয়ার কভারেজ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল, যখন ‘কৌটিল্য ৩’ নামের এক সম্পাদক জানিয়েছিলেন, তিনি ঘটনাটিকে বারবার মেইতেই হিন্দুদের দ্বারা খ্রিস্টান কুকিদের ওপর ধর্মীয় নিপীড়ন হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন (Anti Hindu)। সমালোচকদের মতে, জটিল জাতিগত, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে একটি সরল ধর্মীয় বয়ানে রূপান্তর করা হয়েছে। একবার এমন বয়ান প্রতিষ্ঠিত হলে, তা এআই সিস্টেম, সার্চ ইঞ্জিন ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বহুগুণে ছড়িয়ে পড়ে। এর থেকেই বোঝা যায় যে অল্প কয়েকজন সম্পাদক কীভাবে বৈশ্বিক ধারণা গঠন করতে পারেন।

    হিংসা সংক্রান্ত উইকিপিডিয়া

    উত্তর-পূর্ব দিল্লি হিংসা সংক্রান্ত উইকিপিডিয়া নিবন্ধটি সিনিয়র সম্পাদক ডিবিগ এক্সরে (DBigXray) তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। শুরু থেকেই সেখানে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রকে উসকানিদাতা হিসেবে তুলে ধরা হয়, অথচ অন্য রাজনৈতিক নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য মুছে ফেলা হয়। এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ১৯৪৬ সালের নোয়াখালি দাঙ্গা সংক্রান্ত উইকিপিডিয়া পেজে ভাঙচুর করা হয়। সেখানে ‘হিন্দু’ ও ‘মুসলমান’ শব্দ অদলবদল করে ভুক্তভোগী ও অপরাধীদের ভূমিকা উল্টে দেওয়া হয়েছিল (Anti Hindu)। পেজের শিরোনাম বদলে দেওয়া হয় এবং ছবির ক্যাপশন এমনভাবে লেখা হয় যাতে হিন্দু সংগঠনগুলিকে নেতিবাচকভাবে দেখানো যায়। এই ঘটনা দেখায়, কীভাবে খুব দ্রুত ঐতিহাসিক বয়ান বিকৃত করা সম্ভব। নোয়াখালির এই সম্পাদনার সূত্র মেলে বাংলাদেশের ঢাকা শহরের একটি আইপি ঠিকানায়। সমালোচকদের প্রশ্ন, যে প্ল্যাটফর্ম কঠোর নজরদারি দাবি করে, সেখানে এমন বিকৃতি কীভাবে, এমনকী সাময়িকভাবে হলেও, প্রকাশ পেতে পারে?

    তাবলিগি জামাতের ভূমিকা

    ভারতে কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ায় তাবলিগি জামাতের ভূমিকা নিয়ে একটি উইকিপিডিয়া পেজ মুছে ফেলা হয়েছিল। পর্নহাব সংক্রান্ত উইকিপিডিয়া কভারেজও সমালোচিত হয়। ‘ট্র্যাফিকিংহাব’ পিটিশন ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কিত তথ্য ‘উল্লেখযোগ্যতার অভাব’ দেখিয়ে সরিয়ে ফেলা হয়। সংশ্লিষ্ট সম্পাদক নাকি পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত পেজ ‘পরিষ্কার’ করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই ঘটনা আরও বড় একটি প্রশ্ন তোলে। সেটি হল, আর্থিক, মতাদর্শগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ কীভাবে কনটেন্টকে প্রভাবিত করে এবং গুরুতর অভিযোগও জনস্মৃতি থেকে মুছে যেতে পারে।

    এইসব ঘটনাগুলি উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতার দাবিকে ঘিরে যে বিতর্ক চলছে, তা আরও স্পষ্ট করে। যদিও প্ল্যাটফর্মটি নিজেকে ঐকমত্য ও যাচাইযোগ্য উৎসভিত্তিক জনসম্পাদিত বিশ্বকোষ হিসেবে তুলে ধরে, সমালোচকদের মতে ক্ষমতার কাঠামো, মতাদর্শগত পক্ষপাত ও সম্পাদকীয় গেটকিপিং বৈশ্বিক বোঝাপড়াকে প্রভাবিত করে—বিশেষত হিন্দু ইতিহাস, রাজনীতি ও সমাজের ক্ষেত্রে। এই ঘটনাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে, উন্মুক্ত সম্পাদনার মডেল যতই আদর্শবাদী হোক, তা সব সময় বিকৃত বয়ান বা নির্বাচিত তথ্য উপস্থাপন ঠেকাতে পারে না (Wikipedia)।

     

  • Amit Shah Attacks Mamata: “মমতা বাংলার ঐক্য ভেঙে দিয়েছেন” বাগডোগরায় তৃণমূলকে আক্রমণ শাহের

    Amit Shah Attacks Mamata: “মমতা বাংলার ঐক্য ভেঙে দিয়েছেন” বাগডোগরায় তৃণমূলকে আক্রমণ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য সরকার সমাজকে বিভক্ত করছে এবং বাংলার সামাজিক ঐক্য ধ্বংস করেছে। শনিবার বাগডোগরায় বিজেপির কার্যকর্তা সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah Attacks Mamata)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার ঐক্য ছিন্নভিন্ন করেছেন। তিনি এক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আরেক সম্প্রদায়কে দাঁড় করিয়েছেন। আদিবাসীদের সঙ্গে কুর্মিদের সংঘাত তৈরি করা হয়েছে। মমতা দিদি, আপনার সময় শেষ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে স্বামী বিবেকানন্দ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনের সময় এসে গিয়েছে।”

    বাংলার মানুষ ক্ষমা করবে না

    বাংলার ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শাহ বলেন, গত সাড়ে চার দশক ধরে রাজ্য পিছিয়ে পড়েছে। প্রথমে বামফ্রন্ট সরকার এবং পরে ‘মা, মাটি, মানুষ’ স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন বলে তাঁর অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতীক বিরোধিতার অভিযোগও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ প্রসঙ্গে আলোচনার সময় তৃণমূলের বিরোধিতার কথা তুলে ধরে শাহ বলেন, “ব্যাঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলার মানুষ। অথচ ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তৃণমূল ‘বন্দে মাতরম’-এর বিরোধিতা করেছে। বাংলার মানুষ এটা ক্ষমা করবে না।” ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে এর জবাব দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন শাহ।

    বাংলায় অনুপ্রবেশ, দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    বাংলায় অনুপ্রবেশ ইস্যুকেও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন বলে উল্লেখ করেন শাহ। তাঁর দাবি, তৃণমূল সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছে। অসম, গুজরাট ও রাজস্থানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “যেখানে বিজেপি সরকার আছে, সেখানে অনুপ্রবেশ নেই।” কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আদালত ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফ-কে প্রয়োজনীয় জমি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, কিন্তু তৃণমূল সরকার তা মানবে না বলেই তাঁর আশঙ্কা। তিনি দাবি করেন, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠিত হলে ৪৫ দিনের মধ্যেই বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করা হবে এবং অনুপ্রবেশ বন্ধ করে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো হবে।

    নারী নিরাপত্তা নিয়ে সরব শাহ

    পশ্চিমবঙ্গে নারী নিরাপত্তা নিয়েও রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন অমিত শাহ। তাঁর অভিযোগ, “আজ বাংলায় নারীরা নিরাপদ নন। তৃণমূল সরকারের আমলে বিজেপির এক আদিবাসী সাংসদের উপর হামলা হয়েছে, দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে।” উত্তরবঙ্গে বিজেপির শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরে শাহ বলেন, রাজ্যে ২৮টির মধ্যে সবকটি লোকসভা আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে দল এগোচ্ছে। বিজেপির ভোট শতাংশ বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি এবং বলেন, “পরিবর্তন আসছে, এটা অনিবার্য।”

  • Epstein Files: আমেরিকায় কেলেঙ্কারি! তালিকায় বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালীর নাম

    Epstein Files: আমেরিকায় কেলেঙ্কারি! তালিকায় বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালীর নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) বিচার বিভাগের জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত নথিপত্রের (Epstein Files) একটি অংশ। তার জেরেই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে মার্কিন মুলুকে। ওই নথিগুলোতে মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে বলে খবর।

    যৌন অপরাধে দণ্ডিত (Epstein Files)

    এপস্টাইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টে যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২ হাজারেরও বেশি ভিডিও এবং প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি প্রকাশ করেছে। এই উপকরণগুলির মধ্যে যৌন নির্যাতনের শিকারদের সাক্ষাৎকার এবং বিপুল সংখ্যক ই-মেইল যোগাযোগও রয়েছে। প্রকাশিত কিছু নথিতে ‘জর্জ বুশ ১’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। তবে এখানে নামটি আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশকেই নির্দেশ করছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এপস্টাইনের ব্যক্তিগত লগবুকে বুশের নাম পাওয়া যায়নি। তবে এপস্টাইনের এক ভুক্তভোগী নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের চাইল্ড এক্সপ্লয়টেশন ডিটেকটিভ ব্যুরোয় দায়ের করা অভিযোগে এই নামটি উল্লেখ করেছিলেন। বিল গেটসের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি এপস্টাইনের ১৮ জুলাই, ২০১৩ তারিখের খসড়া বার্তায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ওই বার্তাগুলির কিছু অংশে গেটসের তৎকালীন উপদেষ্টা বরিস নিকোলিকের কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা ছিল।

    এপস্টাইনের দাবি

    একটি খসড়া বার্তায় এপস্টাইন দাবি করেন, গেটস ‘রুশ মেয়েদের’ সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন এবং এতে তিনি যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হন। এপস্টাইনের অভিযোগ, গেটস নাকি অনুরোধ করেছিলেন যাতে গোপনে তাঁর তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। এপস্টাইন আরও দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ই-মেইলগুলি মুছে ফেলতে গেটস তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন। একই খসড়া বার্তায় এপস্টাইন গেটসের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিন্ন হওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় তিনি অকল্পনীয়ভাবে হতাশ হয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। বার্তায় এপস্টাইন (Epstein Files) লিখেছিলেন, “কাটা ঘায়ে নুন ছেটানোর মতো তুমি এরপর আমায় অনুরোধ করো তোমার যৌনরোগ সংক্রান্ত ই-মেইলগুলি, মেলিন্ডাকে গোপনে দেওয়ার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক চাওয়ার বিষয়টি এবং তোমার যৌনাঙ্গের বর্ণনা সংক্রান্ত লেখাগুলি মুছে ফেলতে।” এর আগে বিচার বিভাগ প্রকাশিত এপস্টাইন-সংক্রান্ত একাধিক ছবিতে বিভিন্ন স্থানে এপস্টাইনের সঙ্গে বিল গেটসকে দেখা গিয়েছিল। তবে এপস্টাইনের আনা সব অভিযোগই বিল গেটস সরাসরি অস্বীকার করেন।

    মুখপাত্রের বক্তব্য

    সংবাদ মাধ্যমে গেটসের এক মুখপাত্র বলেন, “এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ অবাস্তব ও ভিত্তিহীন। এই নথিগুলি কেবল এটুকুই প্রমাণ করে যে গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক চালু না থাকায় এপস্টাইন কতটা হতাশ ছিলেন এবং কীভাবে তিনি ফাঁদ পেতে অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করতেন।” এপস্টাইনের এক ভুক্তভোগীর বিবরণ সংবলিত একটি ই-মেইলে লেখা রয়েছে, “ধন্যবাদ এম, আমি বুঝতে পারিনি বুশও তাকে ধর্ষণ করেছিল। ঠিক আছে।” ওই নথিতে ভুক্তভোগী সম্পর্কে আরও বলা হয়, “এই ইয়টে থাকার সময় সে দেখতে পেয়েছিল আফ্রিকান-আমেরিকান পুরুষরা শ্বেতাঙ্গ স্বর্ণকেশী নারীদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত ছিল, এবং যৌনক্রিয়ার সময় সবাই রক্তাক্ত হচ্ছিল (US)।” নথিতে আরও বলা হয়, “সে এক ধরনের আচারভিত্তিক বলিদানের শিকার হয়েছিল, যেখানে তার পা তরবারি দিয়ে কাটা হয়, যদিও কোনো স্থায়ী দাগ ছিল না। ইয়টে সে শিশুদের খণ্ডবিখণ্ড করা, তাদের নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলা এবং সেই নাড়িভুঁড়ির মল খাওয়ার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে।”

    ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ

    নথিতে আরও দাবি করা হয় যে ‘জর্জ বুশ ১’ ওই ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেছিলেন। “সে জর্জ বুশ ১-এর দ্বারাও ধর্ষিত হয়েছিল,” নথিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও বলা হয়, “ভুক্তভোগী জানান, ট্রু পণ্ডিতের প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল মুর তাঁকে এফবিআই ভবনে নিয়ে যান। বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে ট্রু পণ্ডিতকে একটি ষড়যন্ত্রতত্ত্বনির্ভর সংবাদমাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা এফবিআইকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে (Epstein Files)।” আর এক পুরুষ ভুক্তভোগীর বয়ানে বলা হয়েছে, ২০০০ সালে একটি বড় ইয়টে তাঁকে এপস্টাইন এবং প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। ভুক্তভোগী জানান, ওই সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়াও ইয়টে উপস্থিত ছিলেন (US)। তবে ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন এবং দীর্ঘদিন থেরাপি নেওয়ার পর ২০১৬ সালে এসব স্মৃতি তাঁর মনে ফিরে আসে। ২০১৯ সালের অগাস্টে এফবিআই পরিচালিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব তথ্য দেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ডিসেম্বরে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চাপ এবং কংগ্রেসে পাস হওয়া নতুন আইনের নির্ধারিত আইনি সময়সীমার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার বিভাগ এপস্টাইন ফাইলস প্রকাশ করে (Epstein Files)।

     

  • Suspected Separatists: পাক পুলিশের ওপর হামলা বালুচিস্তানে, খতম ১০

    Suspected Separatists: পাক পুলিশের ওপর হামলা বালুচিস্তানে, খতম ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হিংসতাপীড়িত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বশেষ হিংসার ঘটনায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর (Suspected Separatists) হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন নিরাপত্তা আধিকারিক (Pakistani Policemen) এবং ৩৭ জন স্বাধীনতাকামী। আজ, শনিবার ভোরে শুরু হয় এই হামলা। প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার একাধিক পুলিশ স্টেশনকে টার্গেট করা হয়। অভিযোগ, জাতিগত বালুচ বন্দুকধারীরাই এই হামলা চালিয়েছে। খনিজসমৃদ্ধ বালুচিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মুখে রয়েছে। আফগানিস্তান এবং ইরান সীমান্তঘেঁষা এই প্রদেশে বিদ্রোহীরা নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রীয় বাহিনী, বিদেশি নাগরিক এবং স্থানীয় নন-লোকালদের ওপর হামলা চালিয়ে থাকে।

    বালুচিস্তানের বিভিন্ন স্থানে অভিযান

    পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি এক বিবৃতিতে জানান, হামলায় ১০ জন নিরাপত্তা আধিকারিক নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেন, যাঁরা বালুচিস্তানের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা অভিযানে ৩৭ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করেছেন। মন্ত্রীর দাবি, এই হামলাগুলি ভারত-সমর্থিত ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ গোষ্ঠীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং অন্যান্য বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে বোঝাতে এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, হামলার দায় স্বীকার করেছে বিএলএ। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা গুলিবর্ষণ ও আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে সামরিক কাঠামো, পুলিশ এবং বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের টার্গেট করেছে (Suspected Separatists)। বালুচিস্তান সরকারের মুখপাত্র শাহিদ রিন্দ বলেন, “অধিকাংশ হামলাই প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।” হামলার সময় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে অপহরণ করা হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইন্টারনেট ও ট্রেন পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে একটি বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান চলছে।

    দেশজুড়ে হামলার মাত্রা বাড়ছে

    শনিবারের এই হামলা এমন একটা সময়ে ঘটল, যার ঠিক একদিন আগেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল যে তারা বালুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ৪১ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও বালুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র প্রদেশ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই ইসলামাবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে স্বাধীনতার দাবিতে সেখানে আন্দোলন করছেন বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এবং পাকিস্তানি তালিবান, যারা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামে পরিচিত, তারা দেশজুড়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। টিটিপি একটি পৃথক সংগঠন হলেও তারা আফগানিস্তানের তালিবানের মিত্র, যারা ২০২১ সালের আগস্টে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে (Pakistani Policemen)। গত বছর জাতিগত বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ৪৫০ যাত্রীবাহী একটি ট্রেনে হামলা চালায়। এর জেরে দু’দিনব্যাপী অবরোধ তৈরি হয়, যেখানে অন্তত কয়েক ডজন মানুষ নিহত হন (Suspected Separatists)।

     

  • India AI Impact Summit: ‘সবার জন্য এআই’ এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    India AI Impact Summit: ‘সবার জন্য এআই’ এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সবার জন্য এআই’ (AI for All) এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY)-এর উদ্যোগে আগামী ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। এই সম্মেলন বিশ্বজুড়ে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে। এটি এখনও পর্যন্ত আয়োজিত সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক এআই সম্মেলনে পরিণত হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৬) এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাম্প্রতিক কালে এআই নিয়ে বিভিন্ন শিল্পনেতা, ডেভেলপার ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ করেছেন। ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইকোসিস্টেমের সুসংগঠিত অগ্রগতির লক্ষ্যে এই বৈঠকগুলো ফলপ্রসূ।

    এআই নিয়ে ভারতের ভাবনা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই ২০০-র বেশি খাতভিত্তিক ও নির্দিষ্ট এআই মডেল তৈরি করেছে, যা এই সম্মেলনের সময় উদ্বোধন করা হবে। এআই পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। সম্মেলন শেষে এই অঙ্ক দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এআই প্রতিভা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, শিল্প-সম্মত পাঠক্রম ও পরিকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৫০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। শক্তি চাহিদা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তির জন্য বিপুল শক্তি প্রয়োজন হওয়ায় পারমাণবিক শক্তি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৫০ শতাংশই সবুজ শক্তি, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

    সবার জন্য এআই-এটাই লক্ষ্য

    এই উপলক্ষে প্রায় ৬০ জন বিশিষ্ট শিল্প বিশেষজ্ঞের মতামত সংকলিত একটি কম্পেন্ডিয়াম — ‘দ্য ইমপ্যাক্ট এজেন্ডা: লিডারশিপ রিফ্লেকশনস’ — প্রকাশ করা হয়, যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও সমাজে এআই-এর প্রভাব সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা অজয় সুদ, এবং মেইটি-র শীর্ষ আধিকারিকরা। মেইটি সচিব এস. কৃষ্ণন জানান, এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির গণতান্ত্রিকীকরণ, বিশেষ করে এআই, যাতে এর সুফল সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

    সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা

    সম্মেলন সপ্তাহে ভারত মণ্ডপম ও সুষমা স্বরাজ ভবনে প্রায় ৫০০টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি, এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো-তে থাকবে ৮৪০টিরও বেশি প্রদর্শনী, যার মধ্যে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার, শিল্প সংস্থা, স্টার্টআপ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এই সম্মেলনে ১৫ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, ৪০ জনের বেশি মন্ত্রী, ১০০-রও বেশি শীর্ষস্থানীয় সিইও ও সিএক্সও, এবং ১০০ জনের বেশি খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করতে চলেছেন। জিও, কোয়ালকম, ওপেনএআই, এনভিডিয়া, গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যাডোব এবং গেটস ফাউন্ডেশন-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক শিল্প অংশীদারের উপস্থিতিও প্রত্যাশিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম সারির প্রযুক্তি সংস্থার সিইও এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামনেই আসছে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’। তার আগে এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তিবিদরা ভারতকে এআই প্রযুক্তির হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের এই নিরন্তর প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন।

  • Kerala CPM: সিটু ছেড়ে বিএমএসে যোগ পুরো ইউনিটের, হতাশ সিপিএম

    Kerala CPM: সিটু ছেড়ে বিএমএসে যোগ পুরো ইউনিটের, হতাশ সিপিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বামদুর্গে (Kerala CPM) বড় ধস কেরলে। সেখানে আঙ্গাডিপ্পুরম এফসিআই গোডাউনের সম্পূর্ণ সিটু (CITU) ইউনিট সংগঠন ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএমএস (BMS) (ভারতীয় মজদুর সংঘ)-এ যোগ দিয়েছে। এই পরিবর্তন থেকে যে বার্তাটি স্পষ্টভাবে উঠে আসছে, তা হল, কেরলে রাজনৈতিক ও ট্রেড ইউনিয়ন পরিসরে লক্ষণীয় পরিবর্তন ঘটছে, যা রাজ্যের ভেতরে একটি বৃহত্তর পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    বিএমএসে যোগ (Kerala CPM)

    গণপদত্যাগ এবং বিএমএসে যোগদানের পর সিপিএমের ট্রেড ইউনিয়ন শাখা সিটু কার্যত হতবাক। শ্রমিকদের অভিযোগ, সিটু নেতারা কয়েক দশক ধরে দরিদ্র শ্রমিকদের ভুল পথে চালিত ও প্রতারিত করে আসছেন। তাঁদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ইউনিট পরিচালনা করেছেন। তাঁদের মতে, আঙ্গাডিপ্পুরমে এফসিআই গোডাউন প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এই ধারা চলে আসছে। শ্রমিকরা যখন বুঝতে পারেন যে তাঁদের বিভ্রান্ত ও শোষণ করা হচ্ছে, তখন তাঁরা একযোগে সংগঠন ছেড়ে বিএমএসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সিটু-নিয়ন্ত্রিত এফসিআই ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বদানকারী সুধাকরণ-সহ কে আবু তাহির এবং পি আবদুল রাজাক সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সিটু ছেড়ে বিএমএসের সদস্যপদ গ্রহণ করেন।

    দূরবর্তী স্থানে বদলি

    শ্রমিকদের সিটু ছেড়ে করে বিএমএসে যোগদানের আগে, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের দূরবর্তী স্থানে বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে সিটু নেতৃত্বের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। শ্রমিকদের অভিযোগ, সংগঠন এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি। প্রবীণ শ্রমিকরা ডিরেক্ট পেমেন্ট সিস্টেম (ডিপিএস)-এর আওতায় ন্যূনতম মজুরি নিশ্চয়তা ও প্রকৃত কাজের পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু বদলি হলে তাঁদের জায়গায় নতুন চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক নিয়োগ করা হত। ফলে তাঁরা ডিপিএস সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। শ্রমিকদের দাবি, সিটুর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঠিকাদারদের এক (BMS) অশুভ আঁতাতের ফলেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে (Kerala CPM)। অসন্তোষ আরও তীব্র হয় যখন সিটু নেতারা ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত আঙ্গাডিপ্পুরম সিটু ইউনিটের বৈঠকে উপস্থিত থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেও, বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে তা প্রত্যাহার করে নেন।

    রাজ্য সম্মেলন

    পরে ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য রাজ্য সম্মেলনে যোগদানের জন্য ইউনিটের পদাধিকারীরা ১৭ জন প্রতিনিধির একটি তালিকা পাঠালেও রাজ্য নেতৃত্ব তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এসব ঘটনা, যা সিটু থেকে ইউনিটটির ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত, শ্রমিকদের বিএমএস নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে প্ররোচিত করে। এদিকে, সিটু নেতারা ঠিকাদারদের সঙ্গে সমঝোতা করে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের সুবিধাজনক ইউনিটে বদলির ব্যবস্থা করেন বলে অভিযোগ। এমভি গোবিন্দন এবং সিটুর প্রবীণ নেতা ইলামারাম করিম ও টিপি রামকৃষ্ণনের কাছে শ্রমিকদের পাঠানো চিঠিগুলির কোনও জবাব পাওয়া যায়নি বলেও জানা গিয়েছে (Kerala CPM)। এই সব কাজের ফল মারাত্মক হয় বয়স্ক শ্রমিকদের ক্ষেত্রে। আঙ্গাডিপ্পুরম এফসিআই গোডাউনের অধিকাংশ শ্রমিকের বয়স পঞ্চাশের বেশি এবং তাঁরা সিটুর অধীনে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন। দূরবর্তী স্থানে বদলি কার্যত অনেক শ্রমিককে জীবিকা ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে বাধ্য করত (BMS)।

    সিটু শ্রমিক-বিরোধী…

    তা সত্ত্বেও, সিটু শ্রমিক-বিরোধী এসব ব্যবস্থার জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি বলেও অভিযোগ। বরং, ইউনিয়ন নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে সমালোচনার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিয়ে এক ধরনের এড়িয়ে যাওয়ার নীতি গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ।এদিকে, গণপদত্যাগের পর বিএমএস নেতাদের সঙ্গে শ্রমিকদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়। বিএমএসের জাতীয় সম্পাদক ভি রাধাকৃষ্ণন ও অন্য নেতারা শ্রমিকদের আশ্বস্ত করেন যে বিষয়টি অবিলম্বে রেলমন্ত্রক এবং কেরালার এফসিআই ম্যানেজারের কাছে উত্থাপন করা হবে। শ্রমিকদের বিএমএসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আরও জোরদার করে, ভি রাধাকৃষ্ণন বিএমএস ইউনিট গঠনের বৈঠকের সূচনা করেন এবং সদস্যপদ বিতরণ তদারকি করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফজল রহমান, সেথু থিরুভেনকিটাম, বালাচন্দ্রন এবং বি রতীশ (Kerala CPM)। সিটু ইউনিটের বিএমএসে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে ভি রাধাকৃষ্ণন জানান, বিএমএস তিরুবনন্তপুরমে অবস্থিত এফসিআইয়ের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে চিঠি লিখে গোডাউনগুলিতে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে শ্রমিক শোষণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে (BMS)।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    এই ঘটনা আঙ্গাডিপ্পুরমের বাইরেও বিস্তৃত রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে। কেরালায় সিপিএমকে প্রায়ই সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্ণনা করা হয় এবং এর ট্রেড ইউনিয়ন শাখা সিটু রাজ্যের কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে সমানভাবে প্রভাবশালী। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলিতে বহু দলীয় কর্মী সিপিএম ছেড়েছেন। তাঁদের অনেকেই বিজেপি, আরএসএস এবং অন্যান্য সংঘ-প্রভাবিত বা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে সিপিএমের একাধিক প্রবীণ নেতা, মুখপাত্র এবং প্রাক্তন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন এবং (BMS) সক্রিয়ভাবে বিজেপি ও অন্যান্য সংঘ-অনুপ্রাণিত সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করছেন (Kerala CPM)।

     

  • Pakistan:‘‘মাথা নিচু করে ভিক্ষে করতে হয়’’ দেশের করুণ অবস্থার কথা মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী

    Pakistan:‘‘মাথা নিচু করে ভিক্ষে করতে হয়’’ দেশের করুণ অবস্থার কথা মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দৈন্যদশা আর লুকোতে পারলেন না! বিদেশি ঋণের উপর পাকিস্তানের নির্ভরশীলতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি জানান, এতে দেশের জনগণ ও কর্তাদের আত্মসম্মান নষ্ট হয়। ইসলামাবাদে পাকিস্তানের পরিচিত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের নিয়ে একটি সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘‘যখন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে আমি দেশে দেশে অর্থ ভিক্ষা করে বেড়াই, তখন আমার অত্যন্ত খারাপ লাগে। লজ্জায় মাথা নীচু হয়ে যায়। তারা অনেক কিছু আমাদের করতে বলে, আমরা না বলতে পারি না।’’

    আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করতে হয়

    শুক্রবার ইসলামাবাদে শীর্ষ পাকিস্তানি রফতানিকারকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় শরিফ স্বীকার করে নিলেন, পাকিস্তান সম্পূর্ণরূপে বিদেশি আর্থিক সাহায্য এবং নানা ধরনের প্যাকেজের উপর নির্ভরশীল। ঋণ চেয়ে চেয়ে দেশের মুখ আন্তর্জাতিক স্তরে একেবারে পুড়ে গিয়েছে, এ কথাও মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। শরিফ বলেন, ‘‘আমি কীভাবে বলব আমরা কোন কোন বন্ধু দেশের থেকে ঋণ চেয়েছি! সেই দেশগুলি আমাদের হতাশ করেনি যদিও। কিন্তু ঋণ যে নিতে যায় তার মাথা হেঁট তো থাকবেই।’’ তিনি স্পষ্ট ভাবে স্বীকার করেছেন, যখন কোনও দেশ আর্থিক সাহায্য চায় তখন তাকে তার আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করতে হয়। অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে। এক একটা সময়ে যা মেনে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    পাক অর্থনীতি বর্তমানে ঋণের উপর নির্ভরশীল

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের পুরো অর্থনীতি বর্তমানে ঋণের উপর নির্ভরশীল। তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫২.৩৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শাহবাজ শরিফের বক্তব্য প্রমাণ করে, পাকিস্তান এখন সম্পূর্ণরূপে ঋণের ফাঁদে আটকে পড়েছে এবং সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আপস করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই তাদের কাছে। শাহবাজ বলেন, তাঁর সরকার- কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং অর্থ মন্ত্রককে পুঁজির সহজলভ্যতা বাড়িয়ে শিল্প বৃদ্ধিকে সমর্থন করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘‘গভর্নরকে ব্যবসায়িক নেতাদের কথা শুনতে হবে এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘ব্যক্তিগত ভাবে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি দেশে তিনিও সফর করেছেন। আইএমএফ প্রোগ্রাম বাঁচাতে কোটি কোটি ডলার সাহায্যের অনুরোধ করেছি।’’ আইএমএফ-এর কঠোর শর্ত মেনে চলার জন্য সরকার জনসাধারণের উপর ভারী কর এবং মুদ্রাস্ফীতি চাপিয়ে দিচ্ছে। তবে, পাকিস্তান কেবল আইএণএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্কের কাছে ঋণী নয় বরং চিন ও সৌদি আরবের কাছ থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণের বোঝায় চাপা পড়ে রয়েছে।

LinkedIn
Share